× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

আন্তর্জাতিক
Russia is withdrawing troops from Kherson Ukraine
hear-news
player
google_news print-icon

ইউক্রেনের খেরসন থেকে সেনা সরিয়ে নিচ্ছে রাশিয়া

ইউক্রেনের-খেরসন-থেকে-সেনা-সরিয়ে-নিচ্ছে-রাশিয়া-
খেরসন শহরটি ইউক্রেনের একমাত্র আঞ্চলিক রাজধানী যা ফেব্রুয়ারিতে হামলার পর দখল করে নেয় রাশিয়া। এরপর ইউক্রেনীয় বাহিনীর পাল্টা আক্রমণের কেন্দ্রবিন্দু ছিল এই শহরটি। ছবি: রয়টার্স
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলদিমির জেলেনস্কির সিনিয়র উপদেষ্টা মাইখাইলো পোডোলইয়াক জানিয়েছেন, যতক্ষণ না ইউক্রেনের পতাকা খেরসনের আকাশে উড়ছে, ততক্ষণ পর্যন্ত রুশ সেনা প্রত্যাহারের বিষয়ে মন্তব্য করার কোনো অর্থ হয় না।

ইউক্রেনে কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ শহর খেরসন থেকে রুশ সেনাদের সরিয়ে নেয়ার নির্দেশ দিয়েছে মস্কো।

স্থানীয় সময় বুধবার রাশিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী সের্গেই শোইগু তার সেনাদের কৌশলগত দক্ষিণ ইউক্রেনীয় শহর খেরসনের পাশে ডিনিপ্রো নদীর পশ্চিম তীর থেকে প্রত্যাহারের নির্দেশ দিয়েছেন। এমন সিদ্ধান্তকে মস্কোর জন্য একটি বড় ধরনের ধাক্কা এবং রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে বাঁক পরিবর্তনের সম্ভাবনা হিসেবে দেখছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকরা।

ইউক্রেন এই ঘোষণার পর সতর্কতার সঙ্গে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলে, রুশ বাহিনীর কিছু সদস্য এখনও খেরসনে রয়েছে এবং আরও বেশি রুশ জনশক্তি এ অঞ্চলে পাঠানো হচ্ছে।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলদিমির জেলেনস্কির সিনিয়র উপদেষ্টা মাইখাইলো পোডোলইয়াক রয়টার্সকে দেয়া এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, যতক্ষণ না ইউক্রেনের পতাকা খেরসনের আকাশে উড়ছে, ততক্ষণ পর্যন্ত রুশ সেনা প্রত্যাহারের বিষয়ে মন্তব্য করার কোনো অর্থ হয় না।

খেরসন শহরটি ইউক্রেনের একমাত্র আঞ্চলিক রাজধানী, যা ফেব্রুয়ারিতে হামলার পর দখল করে নেয় রাশিয়া। এরপর ইউক্রেনীয় বাহিনীর পাল্টা আক্রমণের কেন্দ্রবিন্দু ছিলও এই শহরটি। ২০১৪ সালে রাশিয়ার দখলকৃত ক্রিমিয়া উপদ্বীপে যাওয়ার একমাত্র স্থলপথ হচ্ছে এই খেরসন শহর।

ডিনিপ্রোর নদীর মুখে এই শহরটির অবস্থান। এই নদীটি ইউক্রেনকে দুই ভাগে ভাগ করেছে।

প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন সেপ্টেম্বরে যে চারটি অঞ্চলকে রাশিয়ার সঙ্গে সংযুক্ত করার ঘোষণা দিয়েছিলেন তার মধ্যে খেরসন অঞ্চল একটি।

গত ফেব্রুয়ারি থেকে ইউক্রেনে হামলা চালাচ্ছে রাশিয়া। প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে ইউক্রেনও। যুদ্ধে প্রতিদিনই আসছে প্রাণহানির খবর।

পশ্চিমাসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ রাশিয়াকে এই হামলা বন্ধের অনুরোধ করলেও তাতে সাড়া দেননি রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। কয়েক দফা দুই দেশের বৈঠকেও আসেনি কোনো সমাধান।

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাব পড়েছে সারা বিশ্বে। বেড়েছে জ্বালানি ও খাদ্যপণ্যসহ নানা পণ্যের দাম। ইউক্রেন থেকে বাস্তুচ্যুত হচ্ছে অসংখ্য মানুষ।

আরও পড়ুন:
রাশিয়ার সঙ্গে আলোচনার জন্য যে শর্ত দিলেন জেলেনস্কি
যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে হস্তক্ষেপের কথা স্বীকার পুতিনঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ীর
রাশিয়ার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ কর্মকর্তার গোপন বৈঠক: ওয়ালস্ট্রিট জার্নাল
গুরুত্বপূর্ণ বাঁধে হিমার্স হামলার অভিযোগ রাশিয়ার
রাশিয়াকে ড্রোন দেয়ার কথা স্বীকার ইরানের

মন্তব্য

আরও পড়ুন

আন্তর্জাতিক
Snow in Kiev leaves people stranded in winter due to lack of electricity

কিয়েভে তুষারপাত, বিদ্যুতের অভাবে শীতে জবুথবু মানুষ

কিয়েভে তুষারপাত, বিদ্যুতের অভাবে শীতে জবুথবু মানুষ   ২৪ নভেম্বর রাশিয়ান রকেট হামলার পর এক দম্পতি কিয়েভের রাস্তায় হাঁটছে। ছবি: সংগৃহীত
রাশিয়া সম্প্রতিক বিমান হামলাগুলো ইউক্রেনের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোকে লক্ষ্যবস্তু করেছে। এতে দেশটিতে ব্যাপক বিদ্যুৎ বিভ্রাট সৃষ্টি করেছে। বোমায় প্রাণ হারাচ্ছেন বেসামরিক নাগরিকরাও।

শীত শুরু হয়েছে গেছে যুদ্ধে বিপর্যস্ত ইউক্রেনে। দেশটির বিভিন্ন অঞ্চলে কদিন ধরে চলছে তুষারপাত। রাজধানী কিয়েভে তাপমাত্রা রোববার শূন্যের কাছাকাছি রেকর্ড হয়েছে। রাশিয়ার তীব্র বিমান হামলায় দেশটির বিদ্যুৎ উৎপাদনকেন্দ্র এবং কেন্দ্রীয় শীতাতাপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা ভীষণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায়, ভয়াবহ এক মৌসুমের মুখে পড়েছে ইউক্রেনবাসী।

গ্রিড অপারেটর ইউক্রেনারগো বলেন, ‘ঠাণ্ডা আবহাওয়ায় ধীরে ধীরে বিদ্যুতের চাহিদা বাড়ছে। মেরামতকর্মীরা ধ্বংসপ্রাপ্ত বিদ্যুৎ অবকাঠামোগুলো ঠিক করতে জোর চেষ্টা চালাচ্ছেন।’

বুধবার রাশিয়ার মিসাইল হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনাগুলো এখনও চালু করতে পারেনি বিদ্যুৎ উৎপাদনকারীরা। ফলে সরবরাহে ব্যাপক ঘাটতি দেখা দিয়েছে। শীত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তা আরও প্রকোট হয়ে ওঠার আশঙ্কায় আছেন কিয়েভ শাসকরা। এই অবস্থায় ব্ল্যাকআউট দিয়ে বিদ্যুৎ সংরক্ষণ ছাড়া উপায় দেখছে না কর্তৃপক্ষ।

ইউক্রেনারগো বলেন, ‘ঘাটতির কারণে ব্যবহারে বিধিনিষেধ এখনও বহাল রয়েছে। এটা বর্তমানে প্রায় ২০ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।’

মস্কো সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে বিমান হামলার মাধ্যমে ইউক্রেনের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করেছে; যা ব্যাপক বিদ্যুৎ বিভ্রাট সৃষ্টি করেছে। এসব হামলায় প্রাণ ঝরছে বেসামরিক নাগরিকদেরও।

গত ২৪ ফেব্রুয়ারি থেকে ইউক্রেনে অভিযান শুরু করে রাশিয়া। সে থেকে নানা কৌশলে কিয়েভ শাসকদের কোণঠসা করার চেষ্টায় আছে পুতিন বাহিনী। ৯ মাসের মধ্যে গত বুধবারের হামলায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে ইউক্রেনের।

হামলার প্রভাবে দেশটির তাপমাত্রা হিমাঙ্কের নিচে নেমে গেছে; লক্ষাধিক মানুষ আলো, পানি এবং উষ্ণতার সংকটে ভুগছে

কিয়েভে তুষারপাত, বিদ্যুতের অভাবে শীতে জবুথবু মানুষ
রাশিয়ার বিমান হামলায় কিয়েভের অনেক অংশে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হওয়ার পরপরই রাস্তায় এক দম্পতি চুমু খাচ্ছেন 

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির রাজনৈতিক দলের প্রধান ডেভিড আরাখামিয়া শংকা করছেন, রাশিয়া আগামী সপ্তাহে নতুন অবকাঠামোতে হামলা চালাবে। এতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে হতে পারে।

জেলেনস্কি জানান, ইউক্রেনের ১৭ অঞ্চলের মধ্যে ১৪টিতে বিদ্যুৎ ব্যবহারের ওপর বিধিনিষেধ রয়েছে। এতে প্রতিটি অঞ্চলে এক লাখের বেশি গ্রাহক বিপদে আছেন। কিয়েভ এবং এর পার্শ্ববর্তী এলাকার বাসিন্দা তারা।

নাগরিকদের বিদ্যুৎ সংরক্ষণের আবেদন পুনর্ব্যক্ত করে শনিবার প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি বলেন, ‘সন্ধ্যায় যদি বিদ্যুতের চাহিদা বাড়ে তবে তখন বিভ্রাটও বাড়তে পারে। শক্তি সঞ্চয় করা এবং যুক্তিসঙ্গতভাবে ব্যবহার করা কতটা গুরুত্বপূর্ণ... এই পরিস্থিতিতে সেই শিক্ষায় আমরা পাচ্ছি।’

আরও পড়ুন:
শিডিউল জটিলতায় রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সফর বাতিল: মোমেন
জেলেনস্কির সঙ্গে দেখা করলেন ঋষি সুনাক
এবার ইউক্রেনের গ্যাস প্ল্যান্টে রুশ হামলা  
রুশ ক্ষেপণাস্ত্রে পোল্যান্ডে প্রাণহানি: বসছেন ন্যাটো নেতারা
ল্যাভরভের ঢাকা সফরে লাভ-ক্ষতি

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
32 killed by Russian shelling after leaving Kherson Ukraine

খেরসন ছাড়ার পর রাশিয়ার ছোড়া গোলায় নিহত ৩২: ইউক্রেন

খেরসন ছাড়ার পর রাশিয়ার ছোড়া গোলায় নিহত ৩২: ইউক্রেন ইউক্রেনে রুশ বাহিনীর হামলায় নিহত একজনকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। ছবি: এপি
পুলিশপ্রধান ইহোর বলেন, প্রতিদিনের গোলাবর্ষণ শহরটিকে ধ্বংস করে ফেলছে। হত্যা করা হচ্ছে শান্তিপূর্ণ বাসিন্দাদের। খেরসন ছেড়ে যাওয়া রুশ বাহিনী হামলা চালিয়ে এখন পর্যন্ত ৩২ জন সাধারণ মানুষকে হত্যা করেছে।

মস্কোপন্থি বাহিনী প্রত্যাহারের পর ইউক্রেনের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর খেরসনে রাশিয়ার সেনাদের গোলাবর্ষণে কমপক্ষে ৩২ জন নিহত হয়েছেন।

ইউক্রেনের পুলিশপ্রধান ইহোর ক্লাইমেনকোর ফেসবুক পোস্টের বরাতে স্থানীয় সময় শনিবার এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স

প্রায় ৯ মাস ধরে খেরসন দখল করে রেখেছিল রুশ বহিনী। গত ১১ নভেম্বর অবশেষে এই অঞ্চল ছেড়ে দিয়ে ডিনিপ্রো নদীর পূর্বপারে অবস্থান নিয়ে সেখান থেকেই গোলাবর্ষণ করে যাচ্ছে তারা।

পুলিশপ্রধান ইহোর বলেন, প্রতিদিনের গোলাবর্ষণ শহরটিকে ধ্বংস করে ফেলছে। হত্যা করা হচ্ছে শান্তিপূর্ণ বাসিন্দাদের। খেরসন ছেড়ে যাওয়া রুশ বাহিনী হামলা চালিয়ে এখন পর্যন্ত ৩২ জন সাধারণ মানুষকে হত্যা করেছে।

পুলিশ আবারও এই অঞ্চলে দায়িত্ব পালন শুরু করেছে জানিয়ে তিনি বলেন, নিরাপদে থাকার জন্য অনেক লোক দেশের অন্য এলাকায় চলে যাচ্ছে। কিন্তু অনেক বাসিন্দা তাদের বাড়িতেই রয়ে গেছে। আমাদের তাদের সর্বোচ্চ সম্ভাব্য নিরাপত্তা দিতে হবে।

এদিকে শহরে এরই মধ্যে বিদ্যুৎ সংযোগ আবার চালু হয়েছে বলে জানিয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টের এক সিনিয়র সহকারী। আরেক কর্মকর্তা গত সপ্তাহে জানান, যারা এলাকা ত্যাগ করতে চান তাদের সরিয়ে নেয়া হবে।

রুশ সেনাদের দ্বারা ওই এলাকায় ৫৭৮টি যুদ্ধাপরাধের ঘটনা ঘটেছে বলে তদন্তকারীদের তদন্তের বরাতে জানিয়েছেন পুলিশপ্রধান ইহোর। তবে রাশিয়া এই অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে।

ইউক্রেনের দক্ষিণাঞ্চলীয় গুরুত্বপূর্ণ খেরসন শহর থেকে রুশ সেনারা সরে যাওয়ার পর এর নিয়ন্ত্রণ নেয় ইউক্রেনের সেনারা। এর মধ্য দিয়ে যুদ্ধে দখলে থাকা একমাত্র আঞ্চলিক রাজধানী শহর থেকেও পিছু হটে রাশিয়া। এর আগে সেপ্টেম্বরে খেরসনসহ চার অঞ্চলকে রাশিয়ার অংশ ঘোষণা করেছিলেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।

গত বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে ইউক্রেনে হামলা চালাচ্ছে রাশিয়া। প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে ইউক্রেনও। যুদ্ধে প্রতিদিনই আসছে প্রাণহানির খবর।
পশ্চিমাসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ রাশিয়াকে এই হামলা বন্ধের অনুরোধ করলেও তাতে সাড়া দেননি রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।

এ ছাড়া কয়েক দফা দুই দেশের বৈঠকেও আসেনি কোনো সমাধান। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাব পড়েছে সারা বিশ্বে। বেড়েছে জ্বালানি, খাদ্যপণ্যসহ নানা পণ্যের দাম। ইউক্রেন থেকে বাস্তুচ্যুত হচ্ছে অসংখ্য মানুষ।

আরও পড়ুন:
মিসাইল ভান্ডার ফুরিয়েছে রাশিয়ার, দাবি ব্রিটিশ গোয়েন্দাদের
ইউক্রেনে ৬০ লাখ পরিবার বিদ্যুৎহীন: জেলেনস্কি
ইউক্রেনের পাশাপাশি মলদোভায়ও ব্ল্যাকআউট

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
6 million households without electricity in Ukraine Zelensky

ইউক্রেনে ৬০ লাখ পরিবার বিদ্যুৎহীন: জেলেনস্কি

ইউক্রেনে ৬০ লাখ পরিবার বিদ্যুৎহীন: জেলেনস্কি ইউক্রেনের বিদ্যুৎহীন একটি এলাকা। ছবি: এএফপি
ভিডিও বার্তায় ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলদিমির জেলেনস্কি বলেন, রাশিয়ার হামলায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চলগুলোর মধ্যে রয়েছে রাজধানী কিয়েভ ও আশপাশের এলাকা।  

সপ্তাহ ধরে রাশিয়ার ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মধ্যে ইউক্রেনে ৬০ লাখ পরিবার বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ভলদিমির জেলেনস্কি।

স্থানীয় সময় শুক্রবার রাতে দেয়া ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, ‘আজকের সন্ধ্যা পর্যন্ত কিয়েভসহ বেশির ভাগ অঞ্চল বিদ্যুৎহীন ছিল।’

তিনি জানান, বুধবার থেকে বিদ্যুৎহীন পরিবারের সংখ্যা কমে অর্ধেকে নেমেছে।

বিবিসির খবরে বলা হয়, ইউক্রেনে এখনও অনেকের ঘরে জ্বলছে না আলো। অনেকে পান কিংবা গা গরম করার পানি পাচ্ছেন না।

ভিডিও বার্তায় ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট বলেন, রাশিয়ার হামলায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চলগুলোর মধ্যে রয়েছে রাজধানী কিয়েভ ও আশপাশের এলাকা।

তিনি বলেন, কিয়েভ শহরের অনেকে ২০ থেকে ৩০ ঘণ্টা ধরে বিদ্যুৎহীন।

জেলেনস্কি জানান, রুশ হামলায় কিয়েভের বাইরে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চলগুলোর মধ্যে রয়েছে ওডেসা, লাভিভ, ভিনিৎসিয়া ও ডিনিপ্রোপেত্রোভস্ক।

বিদ্যমান পরিস্থিতিতে সবাইকে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান জানিয়ে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘আপনি লোডশেডিংয়ে নেই মানে এই নয় যে, সমস্যা কেটে গেছে। আপনার বাসায় যদি বিদ্যুৎ থাকে, দয়া করে একই সঙ্গে কয়েকটি বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ব্যবহার করবেন না।

‘আমাদের এই শীতটা সইতে হবে, যে শীতের কথা সবাই মনে রাখবে।’

আরও পড়ুন:
খেরসনে ৪ শতাধিক যুদ্ধাপরাধ রুশদের: জেলেনস্কি
রুশ দখলমুক্ত খেরসনে ইউক্রেনীয়দের উচ্ছ্বাস
রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক অত্যন্ত মজবুত, আমেরিকাকে চীন
ইউক্রেনের খেরসন থেকে সেনা সরিয়ে নিচ্ছে রাশিয়া
রাশিয়ার সঙ্গে আলোচনার জন্য যে শর্ত দিলেন জেলেনস্কি

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Blackout in Ukraine as well as Moldova
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ

ইউক্রেনের পাশাপাশি মলদোভায়ও ব্ল্যাকআউট

ইউক্রেনের পাশাপাশি মলদোভায়ও ব্ল্যাকআউট ইউক্রেনের সীমান্ত এলাকায় ব্যাপক হামলা হচ্ছে। ছবি: সংগৃহীত
বুধবারের ব্ল্যাকআউটে প্রভাবিত ইউক্রেনের এলাকাগুলো সীমান্তঘেঁষা। লুভিও শহর থেকে পোল্যান্ডের দূরত্ব কেবল ৮০ কিলোমিটার। এদিকে মলদোভার উপপ্রধানমন্ত্রী টুইটে লেখেন, ‘ইউক্রেনের জ্বালানি অবকাঠামোতে আজকের রুশ হামলার পর মলদোভায় ব্যাপক ব্ল্যাকআউট।’

রাশিয়ার তীব্র বিমান হামলায় রাজধানী কিয়েভসহ ইউক্রেনের পশ্চিমের শহর লুভিও বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়েছে। প্রতিবেশী দেশ মলদোভায়ও ‘ব্যাপক’ ব্ল্যাকআউটের খবর পাওয়া গেছে। যদিও সেদেশে কোনো বোমা সরাসরি আঘাত হানেনি।

লুভিও-র মেয়র তার শহরের বাসিন্দাদের আশ্রয় দেয়ার আকুতি জানিয়েছেন। অন্যদিকে কিয়েভ অঞ্চলের প্রধান বলছেন, গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো এবং আবাসিক ভবনে ব্যাপক হামলা হয়েছে।

রাশিয়া সম্প্রতি ইউক্রেনের জ্বালানি নেটওয়ার্কগুলোতে হামলা তীব্র করেছে।

মলদোভার উপপ্রধানমন্ত্রী আন্দ্রেই স্পিনু টুইটারে লিখেছেন, তার দেশের অর্ধেকেরও বেশি এলাকা বিদ্যুৎবিহীন।

‘ইউক্রেনের জ্বালানি অবকাঠামোতে আজকের রুশ হামলার পর মলদোভায় ব্যাপক ব্ল্যাকআউট।’

এর আগে ইউক্রেনজুড়ে বিমান হামলার সতর্কতা জারি করা হয়েছিল। তার কিছুপর বেশ কয়েকটি স্থানে বিস্ফোরণের খবর পাওয়া যায়।

লুভিও-র মেয়র আন্দ্রি স্যাডোভি বলেন, ‘শিশুরা তাদের শিক্ষকদের সঙ্গে আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান নিয়েছে। অভিভাবকদের অনুরোধ করছি, আপনারা অ্যালার্ম শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাদের নেবেন না।’

নতুন হামলার কিছু কিয়েভ এবং লুভিও থেকে এক বিবৃতিতে জানানো হয়, দক্ষিণ ইউক্রেন আক্রমণের শিকার হয়েছে। মাইকোলাইভ অঞ্চলের গভর্নর দক্ষিণ এবং পূর্ব দিক থেকে রকেট হামলার বিষয়ে সতর্ক করেছিলেন।

জাপোরিঝিয়া অঞ্চলের কাছে একটি ক্ষেপণাস্ত্র প্রসূতি বিভাগে আঘাত হানলে এক নবজাতক শিশুর মৃত্যু হয় বলে দাবি করেছে ইউক্রেন সরকার। তবে বুধবারের ‘কথিত’ হামলার বিষয়ে এখনও কোনো মন্তব্য করেনি রাশিয়া।

ইউক্রেনের পাশাপাশি মলদোভায়ও ব্ল্যাকআউট

সাম্প্রতিক হামলার ফলে ইউক্রেনের অনেক অংশে ব্ল্যাকআউট সাধারণ ঘটনা হয়ে উঠেছে।

বুধবারের ব্ল্যাকআউটে প্রভাবিত ইউক্রেনের এলাকাগুলো সীমান্তঘেঁষা। লুভিও শহর থেকে পোল্যান্ডের দূরত্ব কেবল ৮০ কিলোমিটার। এই পোল্যান্ডের দুই নাগরিক গত সপ্তাহে ইউক্রেনীয় বিমান প্রতিরক্ষা মিসাইলের আঘাতে মারা যান।

পোলিশ সীমান্তের কাছের ইউক্রেনের চেরভোনোহরাদ এবং ইয়াভোরিভ শহরও বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।

ইউক্রেনের হামলার জেরে গত ১৫ নভেম্বর ব্যাপক বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্নতায় পড়েছিল মলদোভা। দেশটির উপপ্রধানমন্ত্রী আন্দ্রেই স্পিনু জানিয়েছিলেন, মোবাইল নেটওয়ার্কও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

মলদোভার এনার্জি পলিসি বিশ্লেষক সের্গিউ তোফিলাত বলেন, ‘আমাদের জ্বালানি সরবরাহ একটি পাওয়ার লাইনের ওপর নির্ভর করে যা রাজধানী চিসিনাউতে পৌঁছানোর রাশিয়া নিয়ন্ত্রিত অঞ্চল ট্রান্সনিস্ট্রিয়ার মধ্য দিয়ে চলে গেছে। ট্রান্সনিস্ট্রিয়া ইউক্রেন সীমান্তের একটি অঞ্চল।

‘যখন ইউক্রেনে বোমা হামলা হয়, তখন এই লাইনটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।’

ইউক্রেনের পাশাপাশি মলদোভায়ও ব্ল্যাকআউট

রাশিয়ান সাম্প্রিতক হামলায় ইউক্রেনের প্রায় অর্ধেক জ্বালানি ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর ফলে কনকনে শীতের মধ্যে লক্ষাধিক মানুষ বিদ্যুৎবিহীন অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন।

কদিন আগে ইউক্রেনের সবচেয়ে বড় বেসরকারি জ্বালানি সংস্থার প্রধান বলেছিলেন, ‘বিদ্যুতের ওপর চাপ কমাতে নাগরিকদের ইউক্রেন ছেড়ে যাওয়ার কথাটা বিবেচনা করা উচিত।’

আরও পড়ুন:
ল্যাভরভের ঢাকা সফরে লাভ-ক্ষতি
খেরসনে ৪ শতাধিক যুদ্ধাপরাধ রুশদের: জেলেনস্কি
রুশ দখলমুক্ত খেরসনে ইউক্রেনীয়দের উচ্ছ্বাস
রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক অত্যন্ত মজবুত, আমেরিকাকে চীন
ইউক্রেনের খেরসন থেকে সেনা সরিয়ে নিচ্ছে রাশিয়া

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Italys support is expected to maintain trade privileges

বাণিজ্য সুবিধা বহাল রাখতে ইতালির সমর্থন প্রত্যাশা

বাণিজ্য সুবিধা বহাল রাখতে ইতালির সমর্থন প্রত্যাশা বৈঠকে ঢাকায় নিযুক্ত ইতালির রাষ্ট্রদূত এনরিকো নানজিয়াতা ও বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। ছবি: নিউজবাংলা
বর্তমানে ইতালিসহ ইউরোপীয় ইউনিয়নে তৈরি পোশাকসহ অন্যান্য পণ্য রপ্তানিতে অগ্রাধিকারমূলক বাজার বা জিএসপি সুবিধা পাচ্ছে বাংলাদেশ। ২০২৬ সালের পর উন্নয়নশীল দেশে যাওয়ার কথা বাংলাদেশের। তখন অন্যান্য দেশের মতো প্রযোজ্য হারে শুল্ক দিয়ে বাংলাদেশি পণ্য রপ্তানি করতে হবে।

স্বল্পোন্নত দেশ–এলডিসি থেকে উন্নয়নশীল দেশের কাতারে যাওয়ার পর বাংলাদেশ যাতে বিশ্ব বাজারে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে পারে, সে জন্য বিদ্যমান বাণিজ্য সুবিধা বহাল রাখতে ইতালির সমর্থন চান বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি।

সোমবার ঢাকায় নিযুক্ত ইতালির রাষ্ট্রদূত এনরিকো নানজিয়াতার সঙ্গে সচিবালয়ে এক সৌজন্য সাক্ষাতে এ সহযোগিতা চান মন্ত্রী।

বর্তমানে ইতালিসহ ইউরোপীয় ইউনিয়নে তৈরি পোশাকসহ অন্যান্য পণ্য রপ্তানিতে অগ্রাধিকারমূলক বাজার বা জিএসপি সুবিধা পাচ্ছে বাংলাদেশ।

২০২৬ সালের পর উন্নয়নশীল দেশে যাওয়ার কথা বাংলাদেশের। উত্তরণের পর ইউরোপীয় ইউনিয়নে জিএসপি সুবিধা পাবে না বাংলাদেশ। তখন অন্যান্য দেশের মতো প্রযোজ্য হারে শুল্ক দিয়ে বাংলাদেশি পণ্য রপ্তানি করতে হবে।

যদিও ২০২৯ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশকে বাজার সুবিধা দেয়া হবে বলে ইউরোপীয় ইউনিয়ন কর্তৃপক্ষ ঘোষণা করেছে।

ইতালির রাষ্ট্রদূতের উদ্দেশে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, উত্তরণ-পরবর্তী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এর মধ্যে প্রস্তুতি নেয়া শুরু করেছে বাংলাদেশ। তবে এ জন্য আরও কিছু সময় লাগবে। গ্র্যাজুয়েশনের পর জিএসপি সুবিধা অব্যাহত থাকা দরকার। এ বিষয়ে ইতালির সমর্থন প্রত্যাশা করি।

জবাবে ইতালির রাষ্ট্রদূত জানান, বাংলাদেশ সরকারের বার্তা তিনি ইতালির সরকারপ্রধানের কাছে পৌঁছে দেবেন। ইতালি সব সময় বাংলাদেশের পাশে থাকবে বলে আশ্বাস দেন রাষ্ট্রদূত।

বৈঠকে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ইতালির সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্যিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। তৈরি পোশাকের বাজারের মধ্যে ইতালি অন্যতম। ইতালিতে অনেক বাংলাদেশি সুনামের সঙ্গে কাজ করছেন। ইতালির তৈরি যন্ত্রপাতি এবং মেডিক্যাল মেশিনারিজ বাংলাদেশে প্রচুর ব্যবহার হয়। উভয় দেশের মধ্যে ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির অনেক সুযোগ আছে। এ সুযোগ কাজ লাগাতে হবে।

বাংলাদেশে সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই) আকর্ষণ করতে সরকার বেশ কিছু সুযোগ-সুবিধা দিচ্ছে। এখানে কম খরচে দক্ষ জনশক্তি ব্যবহারের সুযোগ আছে। এখানে কম খরচে বিশ্বমানের পণ্য উৎপাদন সম্ভব। ইতালির উদ্যোক্তারা বাংলাদেশে বিনিয়োগ করলে লাভবান হবে। দেশের গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় ১০০টি স্পেশাল ইকোনমিক জোন গড়ে তোলা হচ্ছে। বেশ কিছু ইপিজেড উদ্বোধন করা হয়েছে, অনেকগুলোর কাজ শেষ পর্যায়ে।

ইতালির ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান মন্ত্রী।

রাষ্ট্রদূত এনরিকো নানজিয়াতা বলেন, বাংলাদেশ তৈরি পোশাক উৎপাদনে বেশ সফল হয়েছে। বিশ্ববাজারে মেড ইন বাংলাদেশ ভালো ব্র্যান্ড। বাংলাদেশের তৈরি পোশাক ইতালিতে বেশ জনপ্রিয়। ইতালির অনেক পণ্য বাংলাদেশ আমদানি করে।

উভয় দেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির সুযোগ রয়েছে। এ ক্ষেত্রে উভয় দেশের ব্যবসায়ীরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। ইতালি সরকার পর্যটনকে খুবই গুরুত্ব দেয়, এ ক্ষেত্রে পর্যটক বিনিময়ও হতে পারে।

গত অর্থবছরে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, সিরামিক পণ্য, লাইট ইঞ্জিনিয়ারিংসহ বিভিন্ন পণ্য ইতালিতে রপ্তানি করে প্রায় ১৭১ কোটি মার্কিন ডলার আয় হয়েছে। একই সময়ে বাংলাদেশ আমদানি করেছে ৫৫ কোটি ডলারের পণ্য।

আরও পড়ুন:
বিনিয়োগে পর্যাপ্ত সুযোগ ও নিরাপত্তা দিচ্ছে বাংলাদেশ : বাণিজ্যমন্ত্রী
‘শ্রমিকের ঘামের মূল্য রক্তের চেয়ে কম নয়’
সেপা চুক্তি হলে দু’দেশই লাভবান হবে: বাণিজ্যমন্ত্রী
বিনিয়োগ বাড়াতে প্রয়োজনে সাংঘর্ষিক আইন সংশোধন হবে: বাণিজ্যমন্ত্রী
‘অত্যাবশ্যকীয়’ পণ্য তালিকায় সিগারেট থাকছে না: বাণিজ্যমন্ত্রী

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
This time the Russian attack on the gas plant in Ukraine

এবার ইউক্রেনের গ্যাস প্ল্যান্টে রুশ হামলা  

এবার ইউক্রেনের গ্যাস প্ল্যান্টে রুশ হামলা   ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টের কার্যালয় জানিয়েছে, জাপোরিঝিয়া অঞ্চলে আবাসিক ভবনে হামলায় ৪ জন নিহত হয়েছেন। ছবি: সংগৃহীত
ইউক্রেনের রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন জ্বালানী সংস্থা-নাফটোগাজ বলছে, দেশের পূর্বাঞ্চলে তাদের গ্যাস উৎপাদন কেন্দ্রগুলো ‘বড় হামলার’ শিকার হয়েছে।

শীত ঘিরে ইউক্রেন অভিযানের কৌশল হয়তো পাল্টেছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। প্রতিবেশী দেশটির বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের পর এখন গ্যাসক্ষেত্রগুলোকে ‘টার্গেট’ করছে রাশিয়ান বাহিনী।

ইউক্রেন সরকার বলছে, পূর্বাঞ্চলের একটি গ্যাস উৎপাদন কেন্দ্র এবং ডিনিপ্রো শহরের একটি মিসাইল কারখানা সর্বশেষ রুশ হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়েছে।

ইউক্রেনের বিভিন্ন অংশে ইতোমধ্যে ঠাণ্ডা পড়তে শুরু করেছে। অনেক জায়গায় তুষারপাত হচ্ছে। এ অবস্থায় লোকজন তাদের ঘর গরম রাখতে পারছে না। কারণ বেশিরভাগ বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রগুলো রুশ মিসাইলে ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে পারছে না ইউক্রেন সরকার।

ইউক্রেনে হামলা সম্প্রতি জোরদার করেছে রাশিয়া। আর এ জন্য ইউক্রেন সরকারকেই দায়ী করছে মস্কো। ক্রেমলিনের দাবি, আলোচনায় সমাধানে আগ্রহী না কিয়েভ, তাই এই হামলা একেবারে ‘যৌক্তিক’।

এবার ইউক্রেনের গ্যাস প্ল্যান্টে রুশ হামলা
ইউক্রেনের কিছু অংশে তুষারপাত শুরু হয়েছে

ইউক্রেনের বড় শহরগুলো একটি ডিনিপ্রো। বৃহস্পতিবারের শুরুতে এই শহরটিকে হামলার লক্ষ্যবস্তু করে রাশিয়া। ইউক্রেনের প্রধানমন্ত্রী ডেনিস শ্যামিহাল বলেন, ‘মিসাইল তৈরির ‘পিভডেনমাশ কারখানা’ হামলার শিকার হয়েছে।

শহরের অন্য এক কর্মকর্তা বলেন, ‘গোলাবর্ষণের পর এক কিশোরসহ ১৪ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।’

পাশের শহর নিকোপোলে ৭০ গোলা আঘাত হেনেছে বলে দাবি করেছে ইউক্রেন সরকার। তারা বলছে, হামলার ফলে অনেক অবকাঠামোর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, হাজার হাজার বাড়ি বিদ্যুৎ ও পানিহীন হয়ে পড়েছে।

এদিকে, ইউক্রেনের রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন জ্বালানী সংস্থা-নাফটোগাজ বলছে, দেশের পূর্বাঞ্চলে তাদের গ্যাস উৎপাদন কেন্দ্রগুলো ‘বড় হামলার’ শিকার হয়েছে।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট কার্যালয় বলছে, জাপোরিঝিয়া অঞ্চলের আবাসিক ভবনগুলোতে রাতভর হামলায় অন্তত ৪ জন নিহত হয়েছেন। বন্দরনগরী ওডেসা এবং খারকিভ অঞ্চলেও ব্যাপক হতাহতের খবর পাওয়া গেছে।

রাজধানী কিয়েভের সকালে বিমান হামলার সাইরেন বেজে ওঠে। স্থানীয় সময় সকাল ৮টার দিকে ইউক্রেন সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, গোটা দেশ বিমান হামলা ঝুঁকিতে আছে।

বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় হয়েছে উল্লেখ করে সামরিক কর্তৃপক্ষ জানায়, চারটি ক্রুজ মিসাইল এবং পাঁচটি ইরানের তৈরি ড্রোন গুলি করে তারা ভূপাতিত করেছে।

আরও পড়ুন:
ইউক্রেনের খেরসন থেকে সেনা সরিয়ে নিচ্ছে রাশিয়া
রাশিয়ার সঙ্গে আলোচনার জন্য যে শর্ত দিলেন জেলেনস্কি
যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে হস্তক্ষেপের কথা স্বীকার পুতিনঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ীর
রাশিয়ার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ কর্মকর্তার গোপন বৈঠক: ওয়ালস্ট্রিট জার্নাল
গুরুত্বপূর্ণ বাঁধে হিমার্স হামলার অভিযোগ রাশিয়ার

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Finnish Prime Minister fears dependence on Chinese technology

চীনা প্রযুক্তিতে নির্ভরশীলতায় ফিনিশ প্রধানমন্ত্রীর ভয়  

চীনা প্রযুক্তিতে নির্ভরশীলতায় ফিনিশ প্রধানমন্ত্রীর ভয়    ফিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী সানা মারিন। ছবি: সংগৃহীত
হেলসিঙ্কিতে একটি বার্ষিক স্টার্টআপ ইভেন্টে বৃহস্পতিবার বক্তৃতার এক ফাঁকে মেরিন বলেন, ‘সত্যি বলতে কী আমাদের অনেক দুর্বলতা আছে। যখন চিপস বা সেমি কন্ডাক্টরগুলোর দিকে তাকাই, তখন আমরা সেটা দেখতে পাই। আসলে আমরা খুব বেশি নির্ভরশীল।’

ইউরোপ বর্তমানে প্রযুক্তির জন্য চীনের ওপর খুব বেশি নির্ভরশীল বলে মন্তব্য করছেন ফিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী সানা মারিন। তিনি বলেছেন, এই নির্ভরতার বিষয়ে আমাদের সতর্ক হওয়া উচিত।

রাজধানী হেলসিঙ্কিতে একটি বার্ষিক স্টার্টআপ ইভেন্টে বৃহস্পতিবার বক্তৃতার এক ফাঁকে মেরিন বলেন, ‘সত্যি বলতে কী আমাদের অনেক দুর্বলতা আছে। যখন চিপস বা সেমি কন্ডাক্টরগুলোর দিকে তাকাই, তখন আমরা সেটা দেখতে পাই। আসলে আমরা খুব বেশি নির্ভরশীল।’

রাশিয়ার জ্বালানির ওপর নির্ভরশীলতা থেকে ইউরোপের শিক্ষা হয়েছে বলে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী। সানা মারিন বলেন, ‘এই নির্ভরশীলতার কারণে গোটা মহাদেশ আজ জ্বালানি সংকটে ধুঁকছে। এ ছাড়া করোনা মহামারির মধ্যে চিকিৎসাসামগ্রী পেতেও বেগ পোহাতে হয়েছে আমাদের।

‘আমাদের এই প্রযুক্তিগুলো তৈরির ক্ষমতা এবং জ্ঞান রয়েছে, এটা প্রমাণের সময় এসেছে। চীন এবং অন্যান্য স্বৈরাচারী দেশগুলোর ওপর আমাদের আর নির্ভরশীল থাকা উচিত না।’

ইউরোপকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং কোয়ান্টাম কম্পিউটিংয়ের মতো প্রযুক্তির নতুন ক্ষেত্রগুলোর নিজস্ব বিকাশে আরও বেশি বিনিয়োগ করার আহ্বান জানান সানা মারিন।

তিনি বলেন, ‘প্রযুক্তির বিষয়টি নিয়ে আমি সত্যিই উদ্বিগ্ন। কারণ প্রযুক্তি প্রশ্নে আমরা ভুল করছি। আমাদের এসব প্রযুক্তি তৈরিতে কাঁচামাল প্রয়োজন।’

আরও পড়ুন:
ফিনিশ প্রধানমন্ত্রীর নাচের সমর্থনে নাচছে গোটা ইউরোপ
উদ্দাম নাচের পর ড্রাগ পরীক্ষা ফিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রীর
ফিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রীর উদ্দাম নাচের ভিডিও ফাঁস
জনগণের টাকায় নাশতা, বিপাকে ফিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
এক দিনের প্রধানমন্ত্রী

মন্তব্য

p
উপরে