× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

আন্তর্জাতিক
Republicans are reeling in the Senate on their way to victory in the lower house
hear-news
player
google_news print-icon

নিম্নকক্ষে জয়ের পথে রিপাবলিকানরা, সিনেটে হাড্ডাহাড্ডি

নিম্নকক্ষে-জয়ের-পথে-রিপাবলিকানরা-সিনেটে-হাড্ডাহাড্ডি
যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচনে ভোট গণনা করছেন কর্মকর্তারা। ছবি: বিবিসি
রিপাবলিকানরা আর ১৫টি আসন বাগাতে পারলেই প্রতিনিধি পরিষদের দখল পেয়ে যাবে। আর নেভাডা, জর্জিয়া ও অ্যারিজোনা- এই তিন রাজ্যের ফলের ওপর নির্ভর করছে কারা সিনেট নিয়ন্ত্রণ করবে- ডেমোক্র্যাটিক পার্টি না রিপাবলিকান।

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে উচ্চকক্ষ সিনেট এখনিও ঝুলন্ত অবস্থায়। তবে নিম্নকক্ষ হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভসে (প্রতিনিধি পরিষদ) রিপাবলিকানরা জয়ের পথে আরও কিছুটা এগিয়ে গেছে।

সিএনএন-এর দেয়া সবশেষ তথ্য অনুযায়ী, সিনেটে রিপাবলিকান দল ৪৯টি ও ডেমোক্র্যাটিক পার্টি ৪৮টি আসন পেয়েছে। আর প্রতিনিধি পরিষদে রিপাবলিকানরা পেয়েছে ২০৩টি আসন। অপরপক্ষে ডেমোক্র্যাটরা পেয়েছে ১৮৭ আসন।

নিম্নকক্ষের নিয়ন্ত্রণ নিতে দরকার ২১৮টি আসন। সে হিসাবে রিপাবলিকানরা আর মাত্র ১৫টি বাগাতে পারলেই প্রতিনিধি পরিষদের দখল পেয়ে যাবে।

নেভাডা, জর্জিয়া ও অ্যারিজোনা- এই তিন রাজ্যের ফলের ওপর নির্ভর করছে কারা সিনেট নিয়ন্ত্রণ করবে- ডেমোক্র্যাটিক পার্টি না রিপাবলিকান।

বাংলাদেশ সময় রাত ১২টা পর্যন্ত জর্জিয়ায় ডেমোক্র্যাটিক পার্টির প্রার্থী ওয়ারনক ১৯ লাখ ৪৪ হাজার ৮৯৩ ভোট পেয়ে এগিয়ে ছিলেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী রিপাবলিকান প্রার্থী ওয়াকারের প্রাপ্ত ভোট ১৯ লাখ ২৭ হাজার ৪০২।

অ্যারিজোনা রাজ্যে ডেমোক্র্যাটিক প্রার্থী কেলি পেয়েছেন ৯ লাখ ২৬ হাজার ৮৮৫ ভোট। আর রিপাবলিকান প্রার্থী ম্যাস্টারসের প্রাপ্ত ভোট ৮ লাখ ৩৬ হাজার ৯১৬।

অপর রাজ্য নেভাদায় রিপাবলিকান প্রার্থী ৪ লাখ ১৮ হাজার ৪৬১ ভোট পেয়ে এগিয়ে ছিলেন। আর রিপাবলিকান করটেজ ৩ লাখ ৯৫ হাজার ৮৬৬ ভোট পেয়েছেন।

মধ্যবর্তী এই নির্বাচনের আগে সিনেটে ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকানদের সমানসংখ্যক ৫০টি করে আসন ছিল। তবে ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিসের টাই-ব্রেকিং ভোটের সুবাতে উচ্চকক্ষের নিয়ন্ত্রণটা ক্ষমতাসীন ডেমোক্র্যাটদের হাতেই ছিল।

প্রতিনিধি পরিষদে (হাউজ অব রিপ্রেজেন্টেটিভস) রিপাবলিকানরা ২০১টি আসন পেয়ে জয়ের পথে রয়েছে বলে জানিয়েছে সিএনএন। আর বাইডেনের দল ডেমোক্র্যাটিক পার্টি পেয়েছে ১৮২টি আসন। প্রতিনিধি পরিষদে নিয়ন্ত্রণ পেতে দরকার ২১৮টি আসন।

যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচনে ভোট গ্রহণ হয় মঙ্গলবার। এ নির্বাচনে সিনেটের ৩৫টি আসন ও প্রতিনিধি পরিষদের ৪৩৫টি আসনের সবগুলোতে ভোট হয়েছে। তবে কিছু আসনে এখনও ভোটগ্রহণ চলছে। একইসঙ্গে ৩৬টি রাজ্যের গভর্নর পদেও ভোট হয়েছে।

প্রশ্ন উঠতে পারে সিনেটে ৩৫টি আসনে ভোট হলে দুই দল ৪২ ও ৪৩টিতে এগিয়ে কীভাবে। উত্তর হলো ডেমোক্র্যাটরা যে ৪২টিতে এগিয়ে তার মধ্যে ভোটই হয়নি ৩৬টিতে। অর্থাৎ ভোট হওয়া আসনগুলোর মধ্যে ৬টিতে এগিয়ে ডেমোক্র্যাটরা। অন্যদিকে রিপাবলিকানরা যে ৪৩টিতে এগিয়ে এর মধ্যে ভোটই হয়নি ২৯টিতে। ভোট হওয়া ১৪টিতে এগিয়ে রিপাবলিকানরা।

হাউসে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে কোনো দলের দরকার ২১৮টি আসন। ৫১টি আসন পেলে সিনেটে সংখ্যাগরিষ্ঠ হয় কোনো দল।

বর্তমানে ডেমোক্র্যাটরা দুই কক্ষেই সংখ্যাগরিষ্ঠ। সিনেটে ৫১টি এবং হাউসে ২২০টি আসন রয়েছে তাদের। বিপরীতে সিনেটে ৫০ এবং হাউসে ২১২টি আসন আছে রিপাবলিকানদের।

গভর্নর নির্বাচনের প্রাপ্ত ফলাফলে রিপাবলিকানরা শুরুতে এগিয়ে থাকলেও ডেমোক্রেটরা এখন ব্যবধান কমিয়ে আনছে।

মধ্যবর্তী নির্বাচনে যেকোনো কক্ষে রিপাবলিকানদের সংখ্যাগরিষ্ঠতার অর্থ হলো প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের বিভিন্ন এজেন্ডা বাস্তবায়নে বাধার সম্মুখীন হওয়া। রিপাবলিকানরা সামান্য ব্যবধানে এগিয়ে থাকলেও আইন পাসে বিরোধিতার মুখে পড়বে বাইডেন প্রশাসন।

তবে এ নির্বাচনে রিপাবলিকানদের পক্ষে ‘লাল ঢেউ’ হওয়ার সম্ভাবনা ম্লান হয়ে গেছে বলে ধারণা পাওয়া যাচ্ছে। নিম্ন কক্ষের কিছু রিপাবলিকান প্রতিনিধি এবারের নির্বাচনে হেরে যেতে পারেন, এমন সম্ভাবনা থাকায় প্রতিনিধি পরিষদ দলটির নিয়ন্ত্রণে গেলেও তাদের এগিয়ে থাকার ব্যবধান খুব বেশি হবে না বলেই ধারণা করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন:
ওয়াশিংটনে ব্যাপক সংঘর্ষ, গুলি
যুক্তরাষ্ট্রে কেমন ছিল ডাক-ভোট
বাইডেনের জয়ে বিনিয়োগকারীদের স্বস্তি
যুক্তরাষ্ট্রে ভোট নিয়ে ভাইরাল তিন ‘মিথ্যা’

মন্তব্য

আরও পড়ুন

আন্তর্জাতিক
Rafael Warnocks victory gave the Democrats a majority in the Senate

ওয়ারনকের জয়ে সিনেটে পোক্ত ডেমোক্র্যাটদের অবস্থান

ওয়ারনকের জয়ে সিনেটে পোক্ত ডেমোক্র্যাটদের অবস্থান রানঅফ ভোটে জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যে জয় পান ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী রাফায়েল ওয়ারনক। ছবি: সংগৃহীত
স্থানীয় সময় মঙ্গলবার জর্জিয়ায় রানঅফ ভোট হয়। এতে ওয়ারনকের জয়ের মধ্য দিয়ে সিনেটে ৫১টি আসন নিশ্চিত করে ডেমোক্র্যাটরা।

যুক্তরাষ্ট্রের আইনসভা কংগ্রেসের উচ্চকক্ষ সিনেটের রানঅফ ভোটে জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যে জয় পেয়েছেন ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী রাফায়েল ওয়ারনক।

এর মধ্য দিয়ে সিনেটে অবস্থান পোক্ত হলো প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের দলের।

যুক্তরাষ্ট্রে নভেম্বরে অনুষ্ঠিত মধ্যবর্তী নির্বাচনে জর্জিয়ায় ৯৯ শতাংশেরও বেশি ভোট গণনার পর সিনেটর রাফায়েল ওয়ারনক রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থী হার্শেল ওয়াকারের চেয়ে অল্প ব্যবধানে এগিয়ে ছিলেন, কিন্তু সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য প্রয়োজনীয় ৫০ শতাংশ ভোট পাননি তিনি।

স্থানীয় সময় মঙ্গলবার জর্জিয়ায় রানঅফ ভোট হয়। এতে ওয়ারনকের জয়ের মধ্য দিয়ে সিনেটে ৫১টি আসন নিশ্চিত করে ডেমোক্র্যাটরা।

বিবিসির বুধবারের প্রতিবেদনে জানানো হয়, রাফায়েল ওয়ারনক সাবেক ফুটবল তারকা ও ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত হার্শেল ওয়াকারকে হারিয়েছেন।

নির্বাচনে জয়ের পর ওয়ারনককে অভিনন্দন জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। এক টুইটবার্তায় তিনি বলেন, ‘একজন ভালো মানুষকে ফেরত পেল সিনেট।’

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে সিনেটে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হয় ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকান পার্টির। সে সময় ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিসের টাইব্রেক ভোটে ১০০ আসনের সিনেটে ৫০টি পায় ডেমোক্র্যাটরা।

২০২৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন হবে। এর মধ্যে মধ্যবর্তী নির্বাচনে প্রত্যাশার চেয়ে ভালো ফল করেছে বাইডেনের দল ডেমোক্রেটিক পার্টি, তবে রিপাবলিকানদের আশা, প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে তারা বাইডেনের জয় ঠেকাতে পারবে।

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Khashoggi murder Saudi crown princes case dismissed in US court

খাশোগজি হত্যা: যুক্তরাষ্ট্রের আদালতে সৌদি যুবরাজের মামলা খারিজ

খাশোগজি হত্যা: যুক্তরাষ্ট্রের আদালতে সৌদি যুবরাজের মামলা খারিজ সাংবাদিক জামাল খাশোগজি ও সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান। ছবি: বিবিসি
ওয়াশিংটনের ফেডারেল বিচারক জন বেটস জানান, একটি বিদেশি সরকারের বর্তমান প্রধান হিসেবে সৌদি যুবরাজ যুক্তরাষ্ট্রের আদালতের বিচারের আওতা থেকে রেহাই পাবেন। আর যুক্তরাষ্ট্রের সরকারের অবস্থান এটি।

সাংবাদিক জামাল খাশোগজি হত্যাকাণ্ডে সৌদি আরবের যুবরাজ ও প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন সালমানের বিরুদ্ধে করা একটি মামলা খারিজ করে দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের একটি আদালত। ওয়াশিংটনের একটি আদালত মঙ্গলবার এই মামলা খারিজ করে।

আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাংবাদিক খাশোগজিকে হত্যায় বিন সালমানের ভূমিকা নিয়ে মামলাটি করেছিলেন খাশোগজির বাগদত্তা হাতিশ চেঙ্গিস এবং তার অ্যাক্টিভিস্ট গ্রুপ ডন।

ওয়াশিংটনের ফেডারেল বিচারক জন বেটস জানান, একটি বিদেশি সরকারের বর্তমান প্রধান হিসেবে সৌদি যুবরাজ যুক্তরাষ্ট্রের আদালতের বিচারের আওতা থেকে রেহাই পাবেন। আর যুক্তরাষ্ট্রের সরকারের অবস্থান এটি।

এর আগে গত ১৭ নভেম্বর একটি আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে বিচারক জন বেটস জানান, সরকারের অবস্থানের বাইরে যাওয়ার ক্ষমতা তার নেই। সালমান বিদেশি রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে দায়মুক্তি পেতে পারেন।

যদিও কয়েক সপ্তাহ আগেই যুবরাজকে প্রধানমন্ত্রী মনোনীত করা হয়েছে, তবে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের নির্বাহী শাখা সৌদি আরবসহ বৈদেশিক বিষয়গুলো দেখভাল করে। বিশ্বাসযোগ্য অভিযোগ থাকার পরেও বিন সালমানের বিরুদ্ধে মামলা নেয়া হলে এটি সরকারের বিষয়ে হস্তক্ষেপ করা হবে।

২০১৮ সালের অক্টোবরে তুরস্কের ইস্তাম্বুল শহরের কনস্যুলেটে খুন হন দ্য ওয়াশিংটন পোস্টের কলামিস্ট ও সৌদি রাজতন্ত্রের নীতির কট্টর সমালোচক খাশোগজি। বিয়ের জন্য প্রয়োজনীয় নথি নিতে সৌদি কনস্যুলেটে গিয়েছিলেন তিনি। পরে যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা ডিরেক্টর অফ ন্যাশনাল ইনটেলিজেন্সের তদন্তে উঠে আসে, এ হত্যাকাণ্ডে মোহাম্মদ বিন সালমানের নির্দেশ ছিল।

খাশোগজি হত্যা নিয়ে ২০২১ সালে ডিরেক্টর অফ ন্যাশনাল ইনটেলিজেন্স প্রতিবেদন প্রকাশ করে। এতে বলা হয়, ২০১৭ সাল থেকে সৌদি আরবের নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর ওপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ যুবরাজের। ফলে যুবরাজের অনুমোদন ছাড়া খাশোগজি হত্যার মতো একটি অভিযান পরিচালনার সম্ভাবনা খুবই কম।

যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দাদের পক্ষ থেকে সেসময় বলা হয়, যুবরাজ খাশোগজিকে হুমকি মনে করতেন এবং দরকার হলে সহিংস কায়দায় তাকে দমিয়ে রাখার পদক্ষেপে যুবরাজের জোর সমর্থন ছিল।

আরও পড়ুন:
খাশোগজি হত্যায় ভীতির পরিবেশ তৈরি করেন সৌদি যুবরাজ
খাশোগজি হত্যা: যুবরাজের সংশ্লিষ্টতা নাকচ সৌদির
খাশোগজি হত্যায় অনুমোদন ছিল সৌদি যুবরাজের: যুক্তরাষ্ট্র
সৌদি বাদশাহকে ফোন বাইডেনের
খাশোগজি হত্যা: সৌদি বাদশাহকে ‘ফোন করবেন’ বাইডেন

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Trump organization found guilty in tax evasion case

কর ফাঁকির মামলায় দোষী ট্রাম্পের প্রতিষ্ঠান

কর ফাঁকির মামলায় দোষী ট্রাম্পের প্রতিষ্ঠান যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: সংগৃহীত
২০২৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনকে সামনে রেখে ট্রাম্পের প্রচারের মধ্যেই তার প্রতিষ্ঠান দোষী সাব্যস্ত হলো, তবে কর ফাঁকির অভিযোগ অস্বীকার করেছে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্টের প্রতিষ্ঠান।

কর ফাঁকির মামলায় যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের রিয়েল এস্টেট কোম্পানিকে দোষী সাব্যস্ত করেছে নিউ ইয়র্কের আদালত।

আল জাজিরার মঙ্গলবারের প্রতিবেদনে বিষয়টি জানানো হয়েছে।

২০২৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনকে সামনে রেখে ট্রাম্পের প্রচারের মধ্যেই তার প্রতিষ্ঠান দোষী সাব্যস্ত হলো, তবে কর ফাঁকির অভিযোগ অস্বীকার করেছে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্টের প্রতিষ্ঠান।

কর ফাঁকির মামলার রায় ঘোষণা করা হবে আগামী ১৩ জানুয়ারি।

আদালত জানায়, কর কর্তৃপক্ষকে ফাঁকি দিতে ১৫ বছর মেয়াদি পরিকল্পনায় জড়িত ছিল ট্রাম্পের কোম্পানি।

দ্য ট্রাম্প অর্গানাইজেশন নামের কোম্পানিটি সারা বিশ্বে হোটেল, গলফ কোর্স ও অন্যান্য আবাসন নির্মাণে যুক্ত। দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় এরই মধ্যে কোম্পানিটিকে জরিমানা করা হয়েছে।

দায়িত্ব ছাড়ার পর থেকে বিভিন্ন অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্রের একাধিক প্রতিষ্ঠানের তদন্ত চলছে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে।

রিপাবলিকান পার্টি থেকে নির্বাচিত সাবেক প্রেসিডেন্টের বাড়ি থেকে হাজার হাজার সরকারি নথি জব্দ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় তদন্ত ব্যুরো এফবিআই। এ সংক্রান্ত মামলাটি তদন্ত করছে যুক্তরাষ্ট্রের বিচার মন্ত্রণালয়।

২০২০ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন বানচালচেষ্টার অভিযোগে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে তদন্ত করছে কংগ্রেসের একটি কমিটি।

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Amazon deforestation has slowed but deforestation has not stopped

উজাড় কমলেও ধ্বংসযজ্ঞ বন্ধ হয়নি আমাজনে

উজাড় কমলেও ধ্বংসযজ্ঞ বন্ধ হয়নি আমাজনে ব্রাজিলে আমাজন বনের উজাড় করা একটি অংশ। ছবি: এএফপি
আইএনপিই জানায়, ২০২১ সালের আগস্ট থেকে ২০২২ সালের জুলাই পর্যন্ত সময়ে আমাজন বনের ১১ হাজার ৫৬৮ বর্গকিলোমিটার অংশ উজাড় হয়েছে, যা আয়তনে মধ্যপ্রাচ্যের উপদ্বীপ কাতারের চেয়েও বড়। ২০২০ সালের আগস্ট থেকে ২০২১ সালের জুলাই পর্যন্ত সময়ে ১১ শতাংশ বেশি বন উজাড় হয়েছিল।

আমাজনের ব্রাজিল অংশে চলতি বছরের জুলাই পর্যন্ত ১২ মাসে বন উজাড় কমেছে বলে জানিয়েছে দেশটির জাতীয় মহাকাশ সংস্থা আইএনপিই।

স্থানীয় সময় বুধবার সংস্থাটি এ তথ্য দিয়েছে বলে আল জাজিরার প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

পৃথিবীর ফুসফুস হিসেবে পরিচিত বনটি সংরক্ষণে প্রেসিডেন্ট পদে জয়ী লুই ইনাসিও লুলা দা সিলভার উদ্যোগ নেয়ার আশ্বাসের মধ্যেই এমন তথ্য প্রকাশ করল আইএনপিই।

সংস্থাটি জানায়, ২০২১ সালের আগস্ট থেকে ২০২২ সালের জুলাই পর্যন্ত সময়ে আমাজন বনের ১১ হাজার ৫৬৮ বর্গকিলোমিটার অংশ উজাড় হয়েছে, যা আয়তনে মধ্যপ্রাচ্যের উপদ্বীপ কাতারের চেয়েও বড়।

২০২০ সালের আগস্ট থেকে ২০২১ সালের জুলাই পর্যন্ত সময়ে ১১ শতাংশ বেশি বন উজাড় হয়েছিল। প্রেসিডেন্ট জায়ের বলসোনারোর শাসনামলে ওই মেয়াদে ১৫ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ বন ধ্বংস হয়।

এক বছরের ব্যবধানে বন উজাড় কমে যাওয়া নিয়ে পরিবেশবাদী সংগঠন ক্লাইমেট অবজারভেটরির প্রধান মার্সিও অ্যাস্ত্রিনি বলেন, ‘ (বন উজাড়ের) পরিসর বাড়ার চেয়ে কমা ভালো, তবে এখনও ব্যাপ্তিটা অনেক বড়—১৩ বছরের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ।’

পরিবেশবিদদের ভাষ্য, বলসোনারোর চার বছর মেয়াদে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে পড়েছে আমাজন।

সাবেক এ প্রেসিডেন্ট বন উজাড় করে কৃষিভূমি তৈরি ও শিল্পায়নের নামে পরিবেশ ও আদিবাসীদের বিপর্যয়ের দিকে ঠেলে দেন।

আইএনপিই তাদের প্রতিবেদনে জানায়, সাবেক সেনা কর্মকর্তা বলসোনারোর অধীনে বার্ষিক বন উজাড় আগের চার বছরের তুলনায় ৫৯ দশমিক ৫ শতাংশ বেড়ে গিয়েছিল। আগের দশক থেকে তার আমলে বন উজাড় বেড়েছে ৭৫ দশমিক ৫ শতাংশ।

আরও পড়ুন:
প্রতিবন্ধীদের বিদ্যালয় এমপিওভুক্তির দাবিতে মানববন্ধন
খাওয়ার সময় প্রাণ হারাল ‘সৈকত বাহাদুর’
কুমিল্লায় ডিবির গাড়িতে হামলা, গুলিবিদ্ধ ১ ‘ডাকাত’
৮০ শতাংশ গাড়ি আসে মোংলা বন্দর দিয়ে: বারবিডা 
তিন শুল্ক স্টেশন আধুনিকায়নে প্রকল্প

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Lava is coming out of the worlds largest volcano

বিশ্বের সবচেয়ে বড় আগ্নেয়গিরিতে বের হচ্ছে লাভা

বিশ্বের সবচেয়ে বড় আগ্নেয়গিরিতে বের হচ্ছে লাভা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১৩ হাজার ৬৭৯ ফুট উপরে মাউনা লোয়া শৃঙ্গ থেকে লাভা বের হওয়া শুরু হয়েছে। ছবি: ইউএসজিএস
আগ্নেয়গিরিবিষয়ক ব্রিটিশ বিশেষজ্ঞ ও হাওয়াই ভলকানো অবজারভেটরিতে কর্মরত ড. জেসিকা জনসন বলেন, ‘লাভার স্রোত হিলো ও কোনা শহরের বাসিন্দাদের জীবনকে ভয়াবহ হুমকিতে ফেলে দিয়েছে। এমন উত্তপ্ত লাভা শহরের অবকাঠামো ও প্রকৃতি পুরোপুরি ধ্বংস করে দিতে পারে। সেই সঙ্গে উদগিরিত বিষাক্ত গ্যাস ও ছাইয়ের কারণে শ্বাসকষ্টে মানুষের মৃত্যুও হতে পারে।’

৩৮ বছর পর যুক্তরাষ্ট্রে বিশ্বের সবচেয়ে বড় সক্রিয় আগ্নেয়গিরি মাউনা লোয়া থেকে লাভা বের হওয়া শুরু হয়েছে।

দেশটির পশ্চিমাঞ্চলীয় দ্বীপ রাজ্য হাওয়াইতে স্থানীয় সময় রোববার রাত সাড়ে ১১টায় আগ্নেয়গিরিটি থেকে লাভার উদগিরণ শুরু হয়। এরই মধ্যে স্থানীয়দের জন্য সতর্কবার্তার মাত্রা বাড়িয়েছে প্রশাসন। এ খবর প্রকাশ করেছে সংবাদমাধ্যম বিবিসি

অগ্ন্যুৎপাত শুরুর কয়েক ঘণ্টার মধ্যে এই অঞ্চলে রিখটার স্কেল প্রায় তিন মাত্রার ১০টির বেশি ভূকম্পন আঘাত হেনেছে। তবে সবচেয়ে বেশি মাত্রার ভূকম্পনটি ছিল ৪ দশমিক ২ মাত্রার।

যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএসের তথ্য অনুযায়ী, এই মুহূর্তে উদগিরিত গলিত লাভা পবর্তের সুউচ্চ শৃঙ্গ কলডেরাসে সীমাবদ্ধ রয়েছে। পাদদেশের বাসিন্দাদের জন্য এটি তেমন বিপজ্জনক নাও হতে পারে। তবে আগের ভয়াবহ উদগিরণের কথা বিবেচনায় রেখে স্থানীয়দের জন্য সতর্কবার্তা বাড়িয়ে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। তারা জানিয়েছে, লাভার পরিমাণ যেকোনো সময় বাড়তে পারে এবং তা গড়িয়ে পাদদেশে নেমে এসে জনবহুল দুটি শহর হিলো ও কোনাতে ধ্বংসলীলা চালাতে পারে।

আগ্নেয়গিরিবিষয়ক ব্রিটিশ বিশেষজ্ঞ ও হাওয়াই ভলকানো অবজারভেটরিতে কর্মরত ড. জেসিকা জনসন বলেন, ‘লাভার স্রোত হিলো ও কোনা শহরের বাসিন্দাদের জীবনকে ভয়াবহ হুমকিতে ফেলে দিয়েছে। এমন উত্তপ্ত লাভা শহরের অবকাঠামো ও প্রকৃতি পুরোপুরি ধ্বংস করে দিতে পারে। সেই সঙ্গে উদগিরিত বিষাক্ত গ্যাস ও ছাইয়ের কারণে শ্বাসকষ্টে মানুষের মৃত্যুও হতে পারে।’

ইউএসজিএস জানিয়েছে, অগ্ন্যুৎপাতের ঘটনা গভীরভাবে পর্যবেক্ষণে রাখা হচ্ছে। প্রয়োজনে সতর্কতার মাত্রা আরও বাড়ানো হবে এবং স্থানীয়দের নিরাপত্তায় জরুরি ব্যবস্থা নেয়ার পরামর্শ দেয়া হবে।

হাওয়া ভলকানোস ন্যাশনাল পার্কের মধ্যে অবস্থিত মাউনা লোয়া পর্বতটি হাওয়াইয়ের ‘বিগ আইল্যান্ড’-এ অর্ধেকেরও বেশি জায়গা দখল করে রেখেছে। মাউনা লোয়া পবর্তটি ২,০০০ বর্গমাইল এলাকাজুড়ে বিস্তৃত।

আগ্নেয়গিরির চূড়াটি সমুদ্রের উপরিভাগ থেকে ১৩ হাজার ৬৭৯ ফুট ওপরে।

এর আগে ১৯৮৪ সালের অগ্ন্যুৎপাত হয়েছিল মাউনা লোয়াতে। সে সময় ওই দ্বীপের সবচেয়ে জনবহুল শহর হিলোর পাঁচ মাইল ভেতরেও লাভা চলে গিয়েছিল।

চার দশকে এই বিগ আইল্যান্ডের জনসংখ্যা দ্বিগুণ বেড়ে হয়েছে দুই লাখের বেশি।

১৮৪৩ সাল থেকে মাউনা লোয়ায় অন্তত ৩৩টি অগ্ন্যুৎপাতের ঘটনা ঘটে।

আরও পড়ুন:
যুক্তরাষ্ট্র ও জাপানে সুনামি সতর্কতা
সাগরতলে অগ্ন্যুৎপাত, টোঙ্গায় সুনামি
আবার জেগেছে নিরাগঙ্গো, আতঙ্কে ডিআর কঙ্গো
ভাঙল ৮০০ বছরের ঘুম

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
The pressure has eased as Argentinas president returns to work

চাপ কমেছে আর্জেন্টাইন প্রেসিডেন্টের, ফিরেছেন কাজে

চাপ কমেছে আর্জেন্টাইন প্রেসিডেন্টের, ফিরেছেন কাজে আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট আলবার্তো ফার্নান্দেজ। ছবি: সংগৃহীত
আগের চেয়ে ভালো আছেন আলবার্তো ফার্নান্দেজ। মানসিক ও শারীরিক চাপ না নেয়ার ব্যাপারে তার ওপর যে নির্দেশনা ছিল তা-ও কিছুটা শিথিল হয়েছে। কদিন বিশ্রামের পর কাজে ফিরেছেন তিনি।

কয়েক ঘণ্টা পরই বিশ্বকাপ ফুটবলে মেক্সিকোর মুখোমুখি হচ্ছে আর্জেন্টিনার ফুটবল দল। শঙ্কা বুকে নিয়েও জয়ের আশা করছেন সমর্থকরা। মেসিদের ভবিষ্যৎ নিয়ে যখন এমন দ্বিধা; তখন দেশের জন্য কিছুটা হলেও এলো সুসংবাদ। না, ফুটবল দলের জন্য না। এই সুসংবাদ আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্টের স্বাস্থ্য নিয়ে।

আগের চেয়ে ভালো আছেন আলবার্তো ফার্নান্দেজ। মানসিক ও শারীরিক চাপ না নেয়ার ব্যাপারে তার ওপর যে নির্দেশনা ছিল তা-ও কিছুটা শিথিল হয়েছে। কদিন বিশ্রামের পর কাজে ফিরেছেন তিনি।

আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্সির মুখপাত্র গ্যাব্রিয়েলা সেরুতি বলেছেন, প্রেসিডেন্ট আলবার্তো ফার্নান্দেজ ভালো আছেন এবং দাপ্তরিক কাজে ফিরেছেন।

১৫ নভেম্বর ইন্দোনেশিয়ার বালিতে জি-২০ সম্মেলনে যোগ দেন আলবার্তো ফার্নান্দেজ। সম্মেলনে শারীরিকভাবে অসুস্থ বোধ করার পর তিনি সেখানে আর কোনো বৈঠকে যোগ দেননি।

এ পরিস্থিতিতে চিকিৎসকরা তখন আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট চাপ নিতে নিষেধ করেন। একই সঙ্গে পূর্ণ বিশ্রামে থাকতে বলা হয় তাকে।

প্রেসিডেন্ট আলবার্তোকে এমন এক সময় চাপ নিতে নিষেধ করা হয়, যার দুদিন পরই কাতারে হওয়া বিশ্বকাপে সৌদি আরবের বিপক্ষে তার দেশ পরাজিত হয়। সে সময় অনেকেই প্রশ্ন তোলেন, খেলা নিয়ে মানসিক চাপে থেকে তিনি অসুস্থ হয়েছেন কি না। তবে খেলার সঙ্গে তার অসুস্থ হওয়া নিয়ে কোনো যোগসূত্র মেলেনি।

প্রেসিডেন্টের স্বাস্থ্যের দায়িত্বে থাকা মেডিক্যাল ইউনিট এক বিবৃতিতে জানায়, ফার্নান্দেজের এন্ডোস্কোপিক পরীক্ষা করা হয়। তবে শরীরে কোনো ক্ষত পাওয়া যায়নি।

প্রেসিডেন্ট ফার্নান্দেজ গ্যাস্ট্রাইটিসে ভুগছিলেন। এই রোগ সংক্রামক ডায়রিয়া নামেও পরিচিত। চিকিৎসাবিজ্ঞানের মতে, এতে পাকস্থলী এবং ক্ষুদ্রান্ত্রের প্রদাহ হয়। বমি, পেটে ব্যথা জ্বর, শক্তির অভাব এবং পানিশূন্যতা ঘটতে পারে এই রোগে।

পেনাল্টির গোলে লিওনেল মেসি শুরুটা ভালো করলেও সৌদি আরবের বিপক্ষে মাঠে নেমে শেষ পর্যন্ত শুরুটা ভালো করতে পারেনি আর্জেন্টিনা। ২-১ গোলে মাঠ ছাড়তে হয়েছে তাদের। শনিবার রাত ১টায় মেক্সিকোর বিপক্ষে আবার মাঠে নামছে তারা।

আরও পড়ুন:
বাঁচা-মরার লড়াইয়ে আর্জেন্টিনা
মেসিই সেই জাদুকর: ওচোয়া
আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্টের চাপ নেয়া নিষেধ

মন্তব্য

ফের ধর্ষণ মামলা খেলেন ট্রাম্প

ফের ধর্ষণ মামলা খেলেন ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প (বাঁয়ে) এবং আমেরিকান লেখক ই. জিন ক্যারল। ছবি: সংগৃহীত
মামলাটি করেছেন আমেরিকান লেখক ই জিন ক্যারল। ক্যারলের অভিযোগ, নব্বই দশকে নিউ ইয়র্কের একটি বিলাসবহুল ডিপার্টমেন্টাল স্টোরের ড্রেসিং রুমে তাকে ধর্ষণ করেছিলেন ট্রাম্প।

কিছুদিন আগেই যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার ঘোষণা দেন ডনাল্ড ট্রাম্প। জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টুইটারে নিজের অ্যাকাউন্টও ফিরে পেয়েছেন তিনি। আমেরিকার মধ্যবর্তী নির্বাচনে কংগ্রেসের উচ্চকক্ষ সিনেটে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায় ট্রাম্পের দল রিপাবলিকান পার্টি। সব মিলিয়ে সময়টা বেশ ভালোই কাটছিল যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্টের।

আজীবন বিতর্ক যার সঙ্গী সেই ট্রাম্পের জীবন ঝামেলামুক্ত কাটবে, তা কী করে হয়। বৃহস্পতিবার ফের ধর্ষণ মামলা খেলেন ট্রাম্প।

মামলাটি করেছেন আমেরিকান লেখক ই জিন ক্যারল। ক্যারলের অভিযোগ, নব্বইয়ের দশকে নিউ ইয়র্কের একটি বিলাসবহুল ডিপার্টমেন্টাল স্টোরের ড্রেসিং রুমে তাকে ধর্ষণ করেছিলেন ট্রাম্প।

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, বৃহস্পতিবার থেকে কার্যকর হওয়া অ্যাডাল্ট সারভাইভার্স অ্যাক্ট নামে নতুন একটি আইনের আওতায় নিউ ইয়র্কে মামলাটি করেন ৭৮ বছরের ক্যারল। ট্রাম্প অবশ্য তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

নিউ ইয়র্কে সাধারণত ধর্ষণের শিকার ভুক্তভোগীরা এক বছরের মধ্যে যৌন নিপীড়নের মামলা করতে পারে। তবে অ্যাডাল্ট সারভাইভার্স অ্যাক্ট আইনে ঘটনার সময় ভুক্তভোগীর বয়স ১৮-এর বেশি হলে যেকোনো সময় তিনি মামলা করতে পারবেন।

এক বিবৃতিতে ক্যারলের আইনজীবী রবার্টা কাপলান বলেন, ‘ট্রাম্পকে তার অপরাধের সাজা দেয়ার জন্যই মামলাটি করা হয়েছে।’

ট্রাম্পের আইনজীবী আলিনা হাব্বা বলেন, ‘দুর্ভাগ্যবশত মামলাটি আইনের অপব্যবহারের উদ্দেশে করা হয়েছে।’

মামলাটির বিচার প্রক্রিয়া শুরু হবে ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে।

ট্রাম্পের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ আগে উঠেছিল। অভিযোগগুলো করেন পর্নস্টার ও মডেলরা।

২০১৬ সালের নির্বাচনের আগে প্রেসিডেন্ট ট্রামের বিরুদ্ধে সরব হয়েছিলেন পর্নস্টার স্টর্মি ড্যানিয়েলস। পরে অবশ্য বিপুল অর্থে বিষয়টি রফাদফা করেন ট্রাম্প।

২০২০ সালের নির্বাচনের কয়েক মাস আগে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ তুলেছিলেন আমেরিকার মডেল অ্যামি ডরিস।

মন্তব্য

p
উপরে