× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

আন্তর্জাতিক
Masks announcement of cancellation of parody account
hear-news
player
google_news print-icon

প্যারোডি অ্যাকাউন্ট বাতিলের ঘোষণা মাস্কের

প্যারোডি-অ্যাকাউন্ট-বাতিলের-ঘোষণা-মাস্কের
টুইটারে ইলন মাস্কের নামে চালানো একাধিক প্যারোডি অ্যাকাউন্ট বাতিল করা হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত
টুইট বার্তায় মাস্ক জানান, প্যারোডি অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দেয়া হচ্ছে, যেগুলো নিজেদের পরিচয় পরিবর্তন করেছে। এমন সব অ্যাকাউন্ট চালাতে হলে আগেভাগে স্পষ্ট জানিয়ে দিতে হবে এসব প্যারোডি। অন্য কারো নাম বা ছবি ব্যবহার করে এ ধরনের অ্যাকাউন্ট চালানো যাবে না। প্যারোডি অ্যাকাউন্ট চালাতে হলে ক্যাটাগরি স্পষ্ট উল্লেখ করতে হবে।

টুইটারে অন্যের নামে চালানো প্যারোডি অ্যাকাউন্ট বাতিল করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমটির নতুন মালিক ইলন মাস্ক।

রোববার একাধিক টুইট বার্তায় মাস্ক জানান, প্যারোডি অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দেয়া হচ্ছে যেগুলো নিজেদের পরিচয় পরিবর্তন করেছে। এমন সব অ্যাকাউন্ট চালাতে হলে আগেভাগে স্পষ্ট জানিয়ে দিতে হবে এসব প্যারোডি। অন্য কারো নাম বা ছবি ব্যবহার করে এ ধরনের অ্যাকাউন্ট চালানো যাবে না। প্যারোডি অ্যাকাউন্ট চালাতে হলে ক্যাটাগরি স্পষ্ট উল্লেখ করতে হবে।

টুইট বার্তায় আরও বলা হয়, কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের নামে প্যারোডি অ্যাকাউন্ট যদি তৃতীয় কোনো ব্যক্তি পরিচালনা করেন, তবে সেই অ্যাকাউন্টিও বাতিল হয়ে যাবে।

ইলন মাস্কের নামে বেশ কিছু প্যারোডি অ্যাকাউন্ট চালু ছিল, যেগুলো সম্প্রতি বাতিল করা হয়েছে। অ্যান ওলফোর্ড নামের একজন ইলন মাস্কের নামে হিন্দি ও ভোজপুরি ভাষায় অসংখ্য পোস্ট করেছিলেন। এর জেরেই এই ধরনের অ্যাকাউন্টগুলোর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছেন তিনি।

সচল টুইটার অ্যাকাউন্টের সংখ্যা ২৪ কোটি।

অনেক নাটকীয়তার পর ২৭ অক্টোবর ৪৪ বিলিয়ন ডলারে টুইটার কিনে নেয়ার পর একের পর এক কঠোর নীতিমালা আরোপ করেন নতুন এই মালিক এবং বিশ্বের শীর্ষ ধনী।

গত ২৯ অক্টোবর টুইটার ব্যবহারকারীর অ্যাকাউন্টের পাশে ভেরিফিকেশন চিহ্ন হিসেবে ব্লু টিকের জন্য মাসে ৮ ডলার ফি নির্ধারণের পক্ষে মত দেন ইলন মাস্ক।

টুইটারের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ইলন মাস্ক বলেছেন, তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমটিতে স্প্যাম বট অ্যাকাউন্ট দেখতে চান না। মাধ্যমটিকে ঘৃণা ও বিভাজনের কেন্দ্র হওয়া থেকেও রক্ষা করতে চান।

খরচ কমাতে ৩ নভেম্বর টুইটারের অর্ধেক কর্মী ছাঁটাইয়ের পরিকল্পনার কথা জানান নতুন মালিক ইলন মাস্ক।

এর আগে টুইটারের মালিকানা নেয়ার এক দিনের মধ্যেই পরাগ আগারওয়ালকে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার (সিইও) পদ থেকে বরখাস্ত করেন মাস্ক। একই সঙ্গে কোম্পানির আরও কয়েকজন শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তাকে চাকরিচ্যুতও করেন তিনি। ভেঙে দেন আগের পরিচালনা পর্ষদও। এর মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠানটিতে আগের নিয়মনীতিও মুছে দিতে থাকেন তিনি।

আরও পড়ুন:
চাকরিচ্যুত কর্মীদের কাছে ক্ষমা চাইলেন টুইটার প্রতিষ্ঠাতা
লোকসান কমানোর উপায় না পেয়ে কর্মী ছাঁটাই করছি: ইলন মাস্ক
মিথ্যা ছড়ানোর সরঞ্জাম কিনেছে ইলন মাস্ক: বাইডেন
টুইটারের সব কার্যালয় বন্ধ করলেন মাস্ক
ভারতীয়দের ছাঁটাই শুরু করেছে টুইটার

মন্তব্য

আরও পড়ুন

আন্তর্জাতিক
The referees are using the latest technology watches in the World Cup

বিশ্বকাপে রেফারিরা ব্যবহার করছেন অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ঘড়ি

বিশ্বকাপে রেফারিরা ব্যবহার করছেন অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ঘড়ি
অফসাইড, গোললাইনসংক্রান্ত, খেলোয়াড় বদল, এক্সট্রা টাইম ইত্যাদি তথ্য মাঠের ভেতরের রেফারিকে জানানোর মাধ্যম এই ঘড়ি। তথ্য এলে ঘড়িটি কেঁপে ওঠে বা ভাইব্রেশন দেয়। তথ্য দেখে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেন রেফারি।

বরাবরের মতো এবারও ফুটবল বিশ্বকাপে রেফারিদের ঘড়ি তৈরি করেছে সুইজারল্যান্ডের হাবলট। সাধারণ ঘড়ির সঙ্গে এটাকে মেলালে চলবে না। রেফারি এবং ম্যাচ অফিশিয়ালদের সুবিধার জন্য এতে রয়েছে নানা ফিচার

মাঠে কিক অফ হলেই ঘড়িটি অটোমেটিক ‘ম্যাচ মুড’ এ চলে আসে। এক-দুই করে সময় গুনতে শুরু করে সে। নির্ধারিত সময় শেষে ঘড়িটি অটোমেটিক এক্সটা টাইম গুনতে শুরু করে।

ম্যাচ চলাকালে মাঠের ভেতরের রেফারি ঘড়ির সাহায্যে সাইড লাইনের রেফারি এবং অন্য অফিশিয়ালদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করেন। এই ঘড়িতে রয়েছে একটি চিপ। চিপের সাহায্যে যাবতীয় তথ্য আদান-প্রদান চলে।

বিশ্বকাপে রেফারিরা ব্যবহার করছেন অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ঘড়ি

অফসাইড, গোললাইনসংক্রান্ত, খেলোয়াড় বদল, এক্সট্রা টাইম ইত্যাদি তথ্য মাঠের ভেতরের রেফারিকে জানানোর মাধ্যম এই ঘড়ি। তথ্য এলে ঘড়িটি কেঁপে ওঠে বা ভাইব্রেশন দেয়। তথ্য দেখে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেন রেফারি।

গোল হলে ঘড়িতে অ্যানিমেশন দেখায়। উঠে আসে গোলদাতার নাম। একই ভাবে হলুদ কার্ড, লাল কার্ড কিংবা পেনাল্টি হলেও ঘড়িতে অ্যানিমেশন দেখায়।

সাধারণ মুডে ঘড়ির ডিসপ্লেতে বার, তারিখ এবং সময় প্রদর্শিত হয়। নিচের দিকে থাকে কাতার বিশ্বকাপের লোগো।

১.৩৯ ইঞ্চি বা ৩৫.৩ মিলিমিটারের ঘড়িটিতে আছে এএমওএলইডি টাচ স্ক্রিন ডিসপ্লে। ৩২৭ ডিপিআই রেজল্যুশনের ঘড়িটিতে আছে ৪০০ এমএএইচ ব্যাটারি। রিচার্জেবল ব্যাটারিটি দুই ঘণ্টায় ফুল চার্জ হয়।

ঘড়িতে সংরক্ষিত আছে অংশগ্রহণকারী ৩২টি দেশের পতাকাও। রেফারি চাইলে যেকোনো দেশের পতাকা মনিটরে তুলে এনে তথ্য নিতে পারেন।

এবার আসা যাক দামের প্রসঙ্গে। ঘড়ি প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান হাবলট এই ঘড়ির দাম ধরেছে ৫ হাজার ৪৮০ ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় কিনতে গেলে খরচ পড়বে প্রায় সাড়ে পাঁচ লাখ টাকারও বেশি।

বিশ্বকাপে রেফারিরা ব্যবহার করছেন অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ঘড়ি

মোট এক হাজারটি ঘড়ি তৈরি করা হয়েছে এবারের বিশ্বকাপের জন্য। ৩৬ জন রেফারি, ৬৯ জন সহকারী রেফারি এবং ২৪ জন ভিএআর রেফারি ব্যবহার করছেন এই ঘড়ি।

পাশাপাশি ভিভিআইপি অতিথিরাও এই ঘড়ি উপহার পাচ্ছেন বলে জানা গেছে।

আরও পড়ুন:
সিসে অসুস্থ, ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ডাগআউটে থাকা নিয়ে সংশয়
ইংল্যান্ডের সামনে সেনেগালের চ্যালেঞ্জ
কোরিয়ার বিপক্ষে খেলতে পারেন নেইমার
বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ফ্রান্সের মুখোমুখি পোল্যান্ড
লালমনিরহাটে আর্জেন্টিনা-ব্রাজিল সমর্থকদের সংঘর্ষে আহত ১০

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
3 astronauts landed in China after spending six months in space

ছয় মাস মহাকাশে কাটিয়ে চীনে নামলেন ৩ নভোচারী

ছয় মাস মহাকাশে কাটিয়ে চীনে নামলেন ৩ নভোচারী চীনে ফিরলেন তিন নভোচারী। ছবি: বিবিসি
চীনের প্রথম নারী মহাকাশচারী লিউ ইয়াং বলেছেন, মহাকাশ স্টেশনে আমার অবিস্মরণীয় স্মৃতি রয়েছে। মাতৃভূমিতে ফিরে আসতে পেরে আমি উচ্ছ্বসিত।

চীনের মহাকাশ স্টেশনে ছয় মাসের অভিযান শেষে ফিরলেন তিন নভোচারী।

পৃথিবী থেকে প্রায় ৩৮০ কিলোমিটার উচ্চতায় মহাকাশ স্টেশন তিয়ানহ থেকে স্থানীয় সময় রোববার তারা চীনের মাটিতে নামেন বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে বিবিসি

গত ৫ জুন মহাকাশ স্টেশনটির নির্মাণসহ নানা বিষয় পর্যবেক্ষণে যান এই নভোচারীরা। অভিযান শেষে মহাকাশযান শেনঝৌতে চীনের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল ইনার মঙ্গোলিয়ায় পৌঁছান তারা।

নভেম্বরে এই স্টেশন নির্মাণ সম্পন্ন হয়েছে বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

রাষ্ট্রীয় প্রচারমাধ্যম সিসিটিভিতে প্রচারিত অডিওতে নভোচারী কমান্ডার চেন ডং, লিউ ইয়াং ও কাই জুজে বলেছেন, অবতরণের পর তারা সুস্থ বোধ করছেন।

চীনের স্পেস এজেন্সির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ৯ ঘণ্টার যাত্রা শেষে ভালোভাবে ফিরে এসেছেন তিন নভোচারী। অভিযান সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।

চীনের প্রথম নারী মহাকাশচারী লিউ ইয়াং বলেছেন, মহাকাশ স্টেশনে আমার অবিস্মরণীয় স্মৃতি রয়েছে। মাতৃভূমিতে ফিরে আসতে পেরে আমি উচ্ছ্বসিত।

এর আগে গত বছরের জুনে একই মহাকাশ স্টেশনে গিয়ে সেপ্টেম্বরে ফিরে আসেন চীনের তিন নভোচারী। ৯০ দিন তারা সেখানে কাটিয়েছিলেন।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সফল এই অভিযানের ফলে মহাকাশে নিজেদের সক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয়ে আরও আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠল চীন।

মহাকাশে থাকাকালীন নভোচারীরা পৃথিবীতে পরীক্ষামূলকভাবে তথ্য সরবরাহ, ঘণ্টার পর ঘণ্টা হাঁটাসহ দৈনন্দিন নানা কাজ সম্পন্ন করেছেন।

মহাকাশ স্টেশনটির কেন্দ্রীয় অংশ তিয়ানহে মডিউলে প্রত্যেক নভোচারীর জন্য পৃথক থাকার জায়গা, মহাকাশে চলতে সক্ষম বিশেষ নকশার ট্রেডমিল-বাইসাইকেলসহ শরীরচর্চাকেন্দ্র ইত্যাদি রয়েছে।

গত কয়েক বছরে মহাকাশ গবেষণায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে বেইজিং। এমনকি বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে চাঁদের সবচেয়ে দূরের অংশে একটি রোবটচালিত রোভারও পাঠিয়েছে তারা।

আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে অংশ নেই বলে নিজস্ব মহাকাশ কেন্দ্র নির্মাণ করতে হয়েছে চীনকে।

আরও পড়ুন:
ভারতের সঙ্গে যৌথ মহড়ায় চীনকে চুপ থাকার আহ্বান যুক্তরাষ্ট্রের
হতাশা থেকেই চীনে বিক্ষোভ: শি চিনপিং
চীনের গুয়াংজুতে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
US school finds turning off phones results in fewer bathroom trips

যুক্তরাষ্ট্রের স্কুলটিতে ফোন বন্ধে মিলছে সুফল, কমেছে ওয়াশরুমে যাওয়া

যুক্তরাষ্ট্রের স্কুলটিতে ফোন বন্ধে মিলছে সুফল, কমেছে ওয়াশরুমে যাওয়া স্মার্টফোন হাতে যুক্তরাষ্ট্রের একটি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা। ছবি: সংগৃহীত
পিটার বেক বলেন, বাসায় স্মার্টফোনে দীর্ঘ সময় কাটিয়ে আসার পর শিক্ষার্থীরা সামনাসামনি কথা বলাটাই পুরো ভুলে গিয়েছিল। অনেক সময় প্রয়োজনের কথা বলতে গিয়েও জটিলতায় পড়ছিল তারা।

করোনা সংকট কাটিয়ে ওঠার পর খুলে দেয়া হলেও আর আগের চেহারায় ফিরছিল না যুক্তরাষ্ট্রের স্কুলটি। ক্লাসে এসে শিক্ষার্থীদের ছিল না মনোযোগ। সামনাসামনি সহপাঠীদের সঙ্গে কথা বলাতেও আগ্রহ দেখা যাচ্ছিল না।

এই সংকট কাটাতে স্কুলে বন্ধ করে দেয়া হয় মোবাইল ফোনের ব্যবহার। শিক্ষক, শিক্ষার্থী কিংবা কর্মচারী; সবার জন্যই চালু হয় এক নিয়ম। এতেই মিলেছে সুফল। আর ওয়াশরুমে গিয়ে ফোন টিপতে টিপতে অতিরিক্ত সময় ব্যয়ের যে প্রবণতা ছিল সেটাও নিয়ন্ত্রণে এসেছে।

উত্তর-পশ্চিম ম্যাসাচুসেটসের বাক্সটন স্কুল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান পিটার বেকের বরাত দিয়ে এ ঘটনা প্রকাশ করেছে সংবাদমাধ্যম নিউ ইয়র্ক পোস্ট

পিটার বেক বলেন, বাসায় স্মার্টফোনে দীর্ঘ সময় কাটিয়ে আসার পর শিক্ষার্থীরা সামনাসামনি কথা বলাটাই পুরো ভুলে গিয়েছিল। অনেক সময় প্রয়োজনের কথা বলতে গিয়েও জটিলতায় পড়ছিল তারা।

এমন পরিস্থিতিতে স্কুলে সবার জন্য স্মার্টফোন ব্যবহার নিষিদ্ধ করে কর্তৃপক্ষ। জানানো হয়, ক্যাম্পাসের পুরো ১১৪ একরের মধ্যে শিক্ষক, শিক্ষার্থী বা কর্মচারীদের কেউই আইফোন বা অ্যান্ড্রোয়েড ফোন ব্যবহার করতে পারবেন না।

গত সেপ্টেম্বরে শিক্ষাবর্ষ শুরু হওয়ার সময় থেকে এই নির্দেশনা কার্যকর হলে এর সুফল মিলতে থাকে বলে জানায় কর্তৃপক্ষ।

স্কুলপ্রধান পিটার বলেন, শিক্ষার্থীরা সমৃদ্ধ হচ্ছে। তারা পরিবর্তনের সঙ্গে খুব ভালোভাবে মানিয়ে নিয়েছে। পরিবর্তন দরকার ছিল, তবে এটা সম্ভব হবে ভাবিনি।

তিনি জানান, জীবনের প্রতিটি মুহূর্তে যে ফোন তারা ব্যবহার করছে, এটা ছাড়া তাদের কীভাবে চলবে তা নিয়ে ভয় পেয়ে গিয়েছিল শিক্ষার্থীরা।

নির্দেশনা কার্যকর হওয়ার পর যেসব শিক্ষার্থীর বাড়ি স্কুলের পাশে তাদের বাড়িতে ফোন রেখে আসতে হয়। আর দূরের শিক্ষার্থীদের ফোন জমা রাখতে হয় স্কুলে। সেমিস্টার ফাইনালের আগে পর্যন্ত এমন অবস্থা চলে।

ফোন নিয়ে সর্বশেষ অবস্থা জানিয়ে স্কুলের ওয়েব সাইটে বলা হয়, এখন সাধারণ ফোন ব্যবহারের অনুমতি দেয়া হয়েছে শিক্ষার্থীদের। শুধু কথা বলা ও মেসেজ পাঠানো যায় এমন ফোন ব্যবহার করতে পারছে তারা।

ইন্টারনেট ব্রাউজিং করা যায়, ই-মেইলে ঢোকা যায় বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রবেশ করা যায়- এমন ফোন ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা আগের মতোই কার্যকর রয়েছে। তবে স্কুল শেষে কেউ চাইলে ডেস্কটপে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করতে পারবেন।

পিটার বেক বলেন, তারা একাডেমিক কাজে আরও বেশি সময় ব্যয় করছে। শিল্পের মাধ্যমে সৃজনশীলভাবে নিজেদের প্রকাশ করছে। একে অন্যকে জানছে।

একজন শিক্ষক জানিয়েছেন, শিক্ষার্থীদের মধ্যে ওয়াশরুমে যাওয়ার প্রবণতাও কমেছে। তারা অনেক সময় দরকার না হলেও মেসেজ ও টিকটক চেক করার জন্য বিশ্রামাগার ব্যবহার করত। ওয়াশরুমে গিয়ে বেশি সময় ব্যয় করত এই ফোনের স্ক্রিনে তাকিয়ে। এটা কমেছে।

আরও পড়ুন:
আলট্রা-স্লিম ডিজাইনের বাজেট স্মার্টফোন রিয়েলমি সি৩০
শিশুর মোবাইল ফোনে আসক্তি কমানোর উপায়
দেশের বাজারে এন্ট্রি লেভেলের স্মার্টফোন রিয়েলমি সি৩০

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Find old WhatsApp messages with date search

তারিখ সার্চ দিয়ে খুঁজে নিন হোয়াটসঅ্যাপের পুরোনো মেসেজ

তারিখ সার্চ দিয়ে খুঁজে নিন হোয়াটসঅ্যাপের পুরোনো মেসেজ ছবি: সংগৃহীত
আপাতত কিছু আইফোন ব্যবহারকারীর হোয়াটসঅ্যাপ বিটা ভার্সনে ফিচারটি পরীক্ষামূলকভাবে চালু হয়েছে। তবে খুব দ্রুতই অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীদের বিটা ভার্সনেও ফিচারটি চালু হবে।

জনপ্রিয় মেসেজিং অ্যাপগুলোর মধ্যে অন্যতম হোয়াটসঅ্যাপ। নিয়মিত নতুন নতুন ফিচার যুক্ত হয় মেটার মালিকানাধীন এই অ্যাপটিতে। তারই ধারাবাহিকতায় এবার আসছে তারিখ দিয়ে পুরোনো মেসেজ খুঁজে পাওয়ার সুবিধা।

ব্যক্তিগত চ্যাট বক্স কিংবা গ্রুপ মেসেজের ক্ষেত্রে তারিখ দিয়ে সার্চ করেই পৌঁছে যাওয়া যাবে সেই দিনের কথোপকথনে। তবে এখনই সুবিধাটি সবাই উপভোগ করতে পারবেন না। আপাতত কিছু আইফোন ব্যবহারকারীর হোয়াটসঅ্যাপ বিটা ভার্সনে ফিচারটি পরীক্ষামূলকভাবে চালু হয়েছে। তবে খুব দ্রুতই অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীদের বিটা ভার্সনেও ফিচারটি চালু হবে।

চলুন দেখে নেয়া যাক কীভাবে তারিখ দিয়ে খুঁজে পাওয়া যাবে পুরোনো মেসেজ।

  • প্রথমে হোয়াটসঅ্যাপের ব্যক্তিগত কিংবা গ্রুপ চ্যাট ওপেন করুন।
  • সার্চ উইনডোতে গিয়ে ক্যালেন্ডার আইকনে টাচ করুন।
  • যে তারিখের মেসেজ পড়তে চান, সেই তারিখটি বেছে নিন।
  • স্ক্রল ব্যাক করলেই একলাফে সেই দিনের মেসেজে পৌঁছে যাবেন।

আরও পড়ুন:
আইওএস থেকে হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট হিস্ট্রি নেয়া যাবে অ্যান্ড্রয়েডে
স্ক্রিনশট ছাড়াই হোয়াটসঅ্যাপের মেসেজ সংরক্ষণ
হোয়াটসঅ্যাপে ফিঙ্গারপ্রিন্ট আনলক চালু করবেন যেভাবে
হোয়াটসঅ্যাপের অযাচিত গ্রুপ এড়াবেন যেভাবে
ভারতে কাঠগড়ায় হোয়াটসঅ্যাপ

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
When will Apples folding iPhone?

কবে আসবে ফোল্ডিং আইফোন?

কবে আসবে ফোল্ডিং আইফোন? অ্যাপল ফ্লিপের কাল্পনিক ছবি। ছবি: সংগৃহীত
অ্যাপল বিশ্লেষক মিং-চি কুও জানিয়েছেন, আইফোন ফ্লিপ নামের এই ফোল্ডিং আইফোনটি ২০২৪ সালে বাজারে আসতে পারে।

অনেক আগেই ফোল্ডিং স্মার্টফোন বাজারে এনেছে স্যামসং। বলতে গেলে ফোল্ডিং মোবাইল ফোনের রাজ্যে স্যামসংই রাজা।

অ্যাপল অনেক আগে থেকেই কাজ করছে ফোল্ডিং আইফোন নিয়ে। নাম আগেই রাখা হয়ে গেছে। অ্যাপল বিশ্লেষক মিং-চি কুও জানিয়েছেন, আইফোন ফ্লিপ নামের এই ফোল্ডিং আইফোনটি ২০২৪ সালে বাজারে আসতে পারে। অনেকে বলছেন, এর নাম হবে আইফোন এয়ার। যদিও অ্যাপল এখনও এই বিষয়ে কিছু বলেনি। তবে নেট দুনিয়ায় নিয়মিত ফাঁস হচ্ছে নানা রকম তথ্য। আইফোন ফ্লিপ নিয়ে তেমনই কিছু তথ্য থাকছে আজ।

কবে আসবে বাজারে

আগেই বলেছি, অ্যাপল বিশ্লেষক মিং-চি কুও জানিয়েছেন, আইফোন ফ্লিপ আসবে ২০২৪ সালে। তবে সম্প্রতি ফাঁস হওয়া এক রিপোর্ট জানাচ্ছে, আইফোন ১৫ সিরিজের সঙ্গেই বাজারে আসতে পারে আইফোন ফ্লিপ। যদিও এসব প্রশ্নে নিরব টেক জায়ান্ট অ্যাপল।

ডিসপ্লে ধরন

ফোল্ডেবল ডিসপ্লে ব্যবহার হবে আইফোন ফ্লিপে। এলসিডি অথবা ওএলইডি ভিত্তিক ডিসপ্লে হতে পারে সেটি। ডিসপ্লের আকার সম্পর্কে কিছুই জানা যায়নি। এ দিকে আইপ্যাড মিনির ডিসপ্লে সমান অর্থাৎ চার ইঞ্চি আকারের আরেকটি ছোট ফোল্ডেবল আইফোনও বাজারে আনতে পারে অ্যাপল।

দেখতে কেমন হবে

আইফোন ফ্লিপ দেখতে কেমন হবে সম্পর্কে অ্যাপল কোন তথ্য প্রকাশ করেনি। তবে অনেকেই কল্পনা থেকে আইফোন ফ্লিপ এর ডিজাইন প্রকাশ করছেন নেট দুনিয়ায়। তেমনই দুইটি ডিজাইন দেখে নিন।

কবে আসবে ফোল্ডিং আইফোন?

কবে আসবে ফোল্ডিং আইফোন?

দাম কত হবে

আইফোনের দাম অন্যসব ফোনের চেয়ে ঢেড় বেশি। আইফোন ফ্লিপ এর ক্ষেত্রেও সেই ধারা বজায় থাকবে বলেই মনে হয়। গবেষকরা বলছেন, কমপক্ষে ২ হাজার আমেরিকান ডলারে বিক্রি হতে পারে এক একটি আইফোন ফ্লিপ। বাংলাদেশী মুদ্রায় যা প্রায় ২ লক্ষ টাকার সমান।

আরও পড়ুন:
আইফোন ১৩ নিয়ে এলো গ্রামীণফোন
পুরোনো ডিজাইনে নতুন আইফোন ১৩ উন্মোচন
আইফোনে স্টোরেজ ১ টেরাবাইট!
বিমান থেকে পড়েও অক্ষত আইফোন
ফাইভজি স্পিডে আসছে আইফোন ১২

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Be careful online campaign to keep young people safe online

তরুণদের অনলাইনে নিরাপদ রাখতে টিকটকের ক্যাম্পেইন ‘সাবধানে অনলাইনে’

তরুণদের অনলাইনে নিরাপদ রাখতে টিকটকের ক্যাম্পেইন ‘সাবধানে অনলাইনে’
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হয়রানি, কেলেঙ্কারি, জালিয়াতিসহ সাইবার অপরাধের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং অনলাইন নিরাপত্তা সম্পর্কে তরুণদের আরও বেশি জানাতে, টিকটক ও জাগো ফাউন্ডেশন রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের ১৬ জেলায় স্থানীয় সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার ও তরুণদের নিয়ে দিনব্যাপী কর্মশালা আয়োজন করবে।

শীর্ষস্থানীয় শর্ট ভিডিও প্ল্যাটফর্ম টিকটক বাংলাদেশের তরুণদের মধ্যে অনলাইনে নিরাপত্তা নিশ্চিতের লক্ষ্যে জাগো ফাউন্ডেশনের সঙ্গে ‘সাবধানে অনলাইনে’ নামে নতুন ক্যাম্পেইন চালু করেছে। ছয় মাসব্যাপী এই ক্যাম্পেইনের লক্ষ্য দেশের তরুণদের মধ্যে সচেতনতা তৈরি করা এবং প্ল্যাটফর্মটির দায়িত্বশীল ব্যবহার নিশ্চিত করা।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হয়রানি, কেলেঙ্কারি, জালিয়াতিসহ সাইবার অপরাধের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং অনলাইন নিরাপত্তা সম্পর্কে তরুণদের আরও বেশি জানাতে, টিকটক ও জাগো ফাউন্ডেশন রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের ১৬ জেলায় স্থানীয় সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার ও তরুণদের নিয়ে দিনব্যাপী কর্মশালা আয়োজন করবে।

কর্মশালার পাশাপাশি অনলাইন নিরাপত্তা সেশনের মাধ্যমে স্থানীয় যুব সম্প্রদায়কে তথ্যও দেওয়া হবে। এই ইন্টারেক্টিভ সেশনে ইন্টারনেটের নিরাপদ ব্যবহার, সোশ্যাল মিডিয়ার নানামুখী ব্যবহার, সাইবার বুলিং থেকে কীভাবে নিরাপদ থাকা যায় এবং যুব উন্নয়নে ইতিবাচক কনটেন্ট তৈরির গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করা হবে। সেসব জেলায় অনলাইন নিরাপত্তা সেশনের অংশ হিসেবে, অংশগ্রহণকারীদের তাদের সোশ্যাল মিডিয়া প্রোফাইল থেকে ভিডিও কনটেন্ট তৈরি এবং শেয়ার করার দায়িত্ব দেওয়া হবে। মূলত এর মাধ্যমে সোশ্যাল মিডিয়ার ইতিবাচক নিরাপদ ব্যবহারের প্রতি উৎসাহিত করা হবে।

এই কর্মশালায় অংশ নিতে নিবন্ধন করতে ভিজিট করুন এই ওয়েবসাইটে। ক্যাম্পেইনটি ১৬ জেলা থেকে কয়েক শ তরুণ সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার এবং কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের ক্ষমতায়ন করবে; সেই সঙ্গে প্রকল্পটির মাধ্যমে তাদের বৃহৎ পরিসরে সেগুলো প্রচার করবে।

টিকটকের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার তার ব্যবহারকারীদের নিরাপত্তার বিষয়টি নিশ্চিত করা। বাংলাদেশের কমিউনিটির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কোম্পানিটি সম্পূর্ণভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, কারণ টিকটক তার প্ল্যাটফর্মে অনুপযুক্ত কনটেন্ট শেয়ার করার প্রচেষ্টাকে সক্রিয়ভাবে চিহ্নিত করতে এবং প্রতিরোধ করার জন্য নীতি ও প্রটোকল বাস্তবায়ন অব্যাহত রেখেছে। টিকটকের কমিউনিটি গাইডলাইন লঙ্ঘন করে এমন কনটেন্ট থেকে ব্যবহারকারীদের সুরক্ষা দিতে ক্রমাগত তার ফিচার উন্নত ও শক্তিশালী করছে। জাগো ফাউন্ডেশনের সঙ্গে টিকটকের এই অংশীদারত্ব ডিজিটালি নিরাপদ বাংলাদেশের জন্য সঠিক পথে আরেকটি পদক্ষেপ।

আরও পড়ুন:
নতুন প্রজন্মের প্রিয় বিনোদন মাধ্যম এখন টিকটক
টিকটক বানিয়ে শাস্তির মুখে ১৩ পুলিশ
নীতিমালা লঙ্ঘন: বাংলাদেশ থেকে ৫০ লাখ ভিডিও সরাল টিকটক
ক্যারিয়ার প্রস্তুতি নিয়ে সিইউবির কর্মশালা
টিকটকের ফ্যামিলি পেয়ারিং ফিচারে শক্তিশালী নিরাপত্তা

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Human brain chip implant trial within 6 months

নিউরালিংকের চিপ মস্তিষ্কে বসবে ৬ মাসের মধ্যে

নিউরালিংকের চিপ মস্তিষ্কে বসবে ৬ মাসের মধ্যে নিউরালিংকের চিপ। ছবি: সংগৃহীত
চলাফেরা কিংবা যোগাযোগে অক্ষম বা দুর্বল ব্যক্তিদের জন্য কিছু করার চেষ্টা অনেক আগে থেকেই চালিয়ে যাচ্ছিলেন ইলন মাস্ক। অবশেষে বুধবার সুখবর জানালেন তিনি।

শারীরিকভাবে প্রতিবন্ধীদের জন্য দারুণ খবর দিল বিশ্বের শীর্ষ ধনী ইলন মাস্কের প্রতিষ্ঠান নিউরালিংক। প্রতিষ্ঠানটি এমন একটি চিপ তৈরি করেছে, যেটির সাহায্যে অনেকটাই স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারবেন তারা।

চলাফেরা কিংবা যোগাযোগে অক্ষম বা দুর্বল ব্যক্তিদের জন্য কিছু করার চেষ্টা অনেক আগে থেকেই চালিয়ে যাচ্ছিলেন ইলন মাস্ক। অবশেষে বুধবার সুখবর জানালেন মাস্ক।

মাস্কের বিশ্বাস, আগামী ছয় মাসের মধ্যে মানব মস্তিষ্কে চিপ লাগানোর ট্রায়াল শুরু হবে। শারীরিক প্রতিবন্ধীদের মস্তিষ্কে স্থাপন করা হবে এটি; এতে তারা চলাফেরা এবং যোগাযোগে সক্ষম হবে।

এর আগে শূকর ও বানরের মস্তিষ্কে নিউরালিংক ডিভাইস সফলতার সঙ্গে স্থাপন করা হয়। প্রতিষ্ঠানটি দাবি করছে, ডিভাইসটি স্থাপন ও অপসারণ একেবারেই নিরাপদ।

মাস্ক টুইটে বলেন, ‘আমরা অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে এগোতে চাই। নিশ্চিত হতে চাই এটি ভালোভাবে কাজ করবে। আমরা চিপ-সংক্রান্ত বেশির ভাগ কাগজপত্র যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসনে (এফডিএ) জমা দিয়েছি। সম্ভবত ছয় মাসের মধ্যে আমরা নিউরালিংক চিপ লাগানোর ট্রায়াল শুরু করতে পারব।’

২০২১ সালের এপ্রিলে মানব মস্তিষ্কে চিপ বসানোর বিষয়ে সর্বশেষ প্রেজেন্টেশন দিয়েছিল নিউরালিংক। ওই সময় চিপ লাগানো একটি বানরকে তার মস্তিষ্ক ব্যবহার করে গেম খেলতে দেখা যায়।

মানব মস্তিষ্কের জন্য চিপ তৈরির লক্ষ্যে ২০১৬ সালে নিউরালিংক প্রতিষ্ঠা করেন মাস্ক। তার আশা, এই চিপ পার্কিনসন, ডিমেনশিয়া এবং আলঝেইমার রোগীদের চিকিৎসায় সহায়তা করবে।

গত বছরের শেষে মাস্ক জানান, ২০২২ সালের কোনো একসময়ে নিউরালিংক মানবদেহে চিপ স্থাপন করবে।

এদিকে সিঙ্ক্রোন নামের আরেকটি প্রতিষ্ঠানও মাইক্রোচিপ তৈরির কাজ করছে। তাদের এই চিপ পক্ষাঘাতগ্রস্ত রোগীদের যোগাযোগে সাহায্য করবে। গত বছরের জুলাইয়ে এটি এফডিএর অনুমোদন পায়। ইতোমধ্যে পরীক্ষামূলকভাবে এই চিপ যুক্তরাষ্ট্রের এক নাগরিক এবং অস্ট্রেলিয়ার চারজনের মস্তিষ্কে বসানো হয়েছে।

মন্তব্য

p
উপরে