× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

আন্তর্জাতিক
For the first time the address of the Taliban founders grave has been revealed
hear-news
player
google_news print-icon

মোল্লা ওমরের কবরের ঠিকানা প্রকাশ

মোল্লা-ওমরের-কবরের-ঠিকানা-প্রকাশ
তালেবানের প্রতিষ্ঠাতা মোল্লাহ ওমরের কবর। ছবি: এএফপি
২০০১ সালে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন বাহিনীর অভিযানে আফগানিস্তানের ক্ষমতা হারায় তালেবান। ২০১৫ সালে তালেবানের পক্ষ থেকে জানানো হয়, দু বছর আগে তাদের প্রতিষ্ঠাতার মৃত্যু হয়েছে।

তালেবানের প্রতিষ্ঠাতা মোল্লা ওমরের কবরের ঠিকানা রোববার প্রকাশ করা হয়েছে। তার মৃত্যু ৯ বছর আগে হলেও এতদিন কবরের ঠিকানা গোপন রেখেছিল আফগানিস্তানের বর্তমান শাসকগোষ্ঠী।

রোববার রাতে বার্তা সংস্থা এএফপির বরাতে ভারতীয় এনডিটিভি এ তথ্য জানিয়েছে।

২০০১ সালে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন বাহিনীর অভিযানে আফগানিস্তানের ক্ষমতা হারায় তালেবান। ২০১৫ সালে তালেবানের পক্ষ থেকে জানানো হয়, দু বছর আগে তাদের প্রতিষ্ঠাতার মৃত্যু হয়েছে।

তালেবানের মুখপাত্র জবিউল্লাহ মুজাহিদ বার্তা সংস্থা এএফপিকে জানান, ভোরের দিকে জ্যেষ্ঠ নেতারা জাবুল প্রদেশের সুরি জেলার ওমরজোর কাছে অবস্থিত মোল্লা ওমরের কবর জিয়ারতের জন্য যান।

যুক্তরাষ্ট্রের সেনারা আফগানিস্তান ছাড়ার পর গত বছরের আগস্টে আবারও ক্ষমতায় আসে তালেবান। দলটির ভাষ্য, তারা আফগানিস্তানে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছে। তবে দক্ষিণ এশিয়ার এই দেশটিতে নিয়মিত হামলা চালিয়ে যাচ্ছে জঙ্গি সংগঠন ইসলামিক স্টেট (আইএস)।

মোল্লা ওমরের কবরের গোপনীয়তা বিষয়ে তালেবানের মুখপাত্র এএফপিকে বলেন, ‘যেহেতু চারপাশে প্রচুর শত্রু ছিল এবং দেশটি দখল করা হয়েছিল, তাই ক্ষতি এড়াতে কবরের ঠিকানাটি গোপন রাখা হয়েছিল।’

তালেবানের কর্মকর্তারা ওই কবরের একটি ছবিও প্রকাশ করেছে। যেখানে দেখা যায়- সাদা রংয়ের কবরটি সবুজ রংয়ের ধাতব খাঁচা দিয়ে ঘেরা।

জবিউল্লাহ মুজাহিদ বলেন, ‘সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে যে, তার কবর পরিদর্শনে এখন আর কোনো সমস্যা নেই। মানুষজন এখন থেকে তার কবর জিয়ারত করতে পারবে।’

১৯৯৩ সালে তালেবান বাহিনী প্রতিষ্ঠা করেন মোল্লা ওমর। ৫৫ বছর বয়সে তিনি মারা যান।

তার নেতৃত্বে তালেবান আফগানিস্তানে ইসলামিক শাসনের অত্যন্ত কঠোর একটি সংস্করণ প্রবর্তন করে।

আরও পড়ুন:
ইরানি বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে তালেবান নিহত
তালেবান সরকারের পেজ বন্ধ ফেসবুকে
তালেবানের বিরুদ্ধে হেনস্তার অভিযোগ নারী সাংবাদিকের
‘ষষ্ঠ শ্রেণির ওপর’ নারী শিক্ষার বিরুদ্ধে নয় তালেবান
পাঁচ বছর পর প্রকাশ্যে তালেবান ‘বস’

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Roadside bomb blast kills 7 in Afghanistan

আফগানিস্তানে রাস্তার পাশে বোমায় নিহত ৭

আফগানিস্তানে রাস্তার পাশে বোমায় নিহত ৭ আফগানিস্তানের মাজার-ই-শরিফ শহরে রাস্তার পাশে পুঁতে রাখা বোমা বিস্ফোরণে প্রাণহানি হয়। ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্রের সেনারা আফগানিস্তান ছাড়ার পর গত বছরের ১৫ আগস্ট দেশটির ক্ষমতায় আসে তালেবান। তারা শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতি দিলেও দৃশ্যত অস্থিতিশীল দক্ষিণ এশিয়ার দেশটি।

আফগানিস্তানের মাজার-ই-শরিফ শহরে রাস্তার পাশে পুঁতে রাখা বোমা বিস্ফোরণে কমপক্ষে সাতজন নিহত হয়েছেন।

মঙ্গলবার ভোরে এ বিস্ফোরণ হয় বলে জানিয়েছেন দেশটির কর্মকর্তারা।

তাদের বরাত দিয়ে আল জাজিরার প্রতিবেদনে জানানো হয়, বিস্ফোরণে নিহতদের মধ্যে একটি পেট্রোলিয়াম কোম্পানির কর্মীরাও রয়েছেন।

কারা এ হামলায় জড়িত, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

যুক্তরাষ্ট্রের সেনারা আফগানিস্তান ছাড়ার পর গত বছরের ১৫ আগস্ট দেশটির ক্ষমতায় আসে তালেবান। তারা শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতি দিলেও দৃশ্যত অস্থিতিশীল দক্ষিণ এশিয়ার দেশটি।

আফগানিস্তানজুড়ে একের পর এক হামলা চলছেই।

চলতি বছরের অক্টোবরে আফগানিস্তানের সামানগান প্রদেশের আয়বাকে একটি স্কুলে বিস্ফোরণের ঘটনায় ১৯ জন নিহত ও ২৪ জন আহত হন। ওই মাসেই দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সংলগ্ন একটি মসজিদে হামলায় চারজন নিহত হন।

এর আগে মে মাসে মাজার-ই-শরিফ এলাকায় একাধিক বিস্ফোরণে নয়জন নিহত হন।

এসব হামলার দায় স্বীকার করেছে তালেবানের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ইসলামিক স্টেট (আইএস)।

আরও পড়ুন:
কাবুলে পাকিস্তান দূতাবাসে হামলা
আফগানিস্তানের স্কুলে বিস্ফোরণ, নিহত ১০  
কারেনের কারিশমায় ইংল্যান্ডের জয়
আফগানিস্তানকে ১১২ রানে আটকে দিলেন কারেন
দ্বিতীয় ওয়ার্ম আপ ম্যাচ খেলা হলো না বাংলাদেশের

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Attack on Pakistan Embassy in Kabul

কাবুলে পাকিস্তান দূতাবাসে হামলা

কাবুলে পাকিস্তান দূতাবাসে হামলা উবাইদুর রহমান নিজামানি। ছবি: সংগৃহীত
পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, দূতাবাসের কম্পাউন্ডে হামলা হয়েছে। মিশন প্রধান নিজামানি অক্ষত আছেন। তাকে রক্ষায় করতে গিয়ে নিরাপত্তারক্ষী ইসরার মোহাম্মদ ‘গুরুতর আহত’ হয়েছেন।

আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে পাকিস্তান দূতাবাস হামলার শিকার হয়েছে। চার্জ ডি অ্যাফেয়ার্স উবাইদুর রহমান নিজামানিকে লক্ষ্য করে শুক্রবার এ হামলা হয়েছে বলে জানিয়েছে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

এফও সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, দূতাবাসের কম্পাউন্ডে হামলা হয়েছে। মিশন প্রধান নিজামানি অক্ষত আছেন। তাকে রক্ষায় করতে গিয়ে নিরাপত্তারক্ষী ইসরার মোহাম্মদ ‘গুরুতর আহত’ হয়েছেন।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে নিজামানিকে হত্যাচেষ্টা এবং দূতাবাস কম্পাউন্ডে হামলার ‘কঠোর নিন্দা’ জানিয়েছে পাকিস্তান।

দূতাবাদে হামলায় ক্ষেপেছে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। তারা বলেছে, আফগানিস্তানের অন্তর্বর্তী সরকারকে অবিলম্বে এই হামলার পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত করে দোষীদের গ্রেপ্তার করতে হবে। পাশাপাশি আফগানিস্তানে পাকিস্তানি কূটনৈতিক এবং নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে জরুরি ব্যবস্থা নিতে হবে।

গত ৪ নভেম্বর মিশন প্রধানের দায়িত্ব নেন নিজামানি।

দূতাবাসের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘হামলাকারী একজন ছিলেন। একটি ভবনের আড়াল থেকে বেরিয়ে গুলি চালাতে শুরু করে সে।

‘রাষ্ট্রদূত এবং অন্য কর্মীরা নিরাপদে আছেন। তারপরও সতর্কতার কারণে আমরা দূতাবাস ভবনের বাইরে যাচ্ছি না।’

কাবুল পুলিশের মুখপাত্র খালিদ জাদরান বলেন, ‘দূতাবাসে হামলার ঘটনায় এক সন্দেহভাজনকে আটক করা হয়েছে। একটি অস্ত্র জব্দ হয়েছে। ক্লিয়ারেন্স অপারেশনের বিস্তারিত পর জানানো হবে।’

আফগান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ ঘটনার নিন্দা জানিয়েছে। তালেবানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আব্দুল কাহার বালখি বিবৃতিতে বলেন, ‘নিরাপত্তা সংস্থাগুলো ঘটনাটি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করবে এবং অপরাধীদের চিহ্নিত করে শাস্তি দেবে।

আরও পড়ুন:
আফগানিস্তানের স্কুলে বিস্ফোরণ, নিহত ১০  
ইমরানের আমলে বরখাস্ত আসিম হলেন সেনাপ্রধান
রাজনৈতিক ব্যর্থতায় পাকিস্তান ভেঙেছে: সেনাপ্রধান বাজওয়া
‘সেনাপ্রধান নিয়োগের পর ইমরানকে দেখে নেব’
পাকিস্তানে পুলিশ টহল দলের ওপর গুলিতে নিহত ৬

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Afghanistan school explosion kills 10

আফগানিস্তানের স্কুলে বিস্ফোরণ, নিহত ১০  

আফগানিস্তানের স্কুলে বিস্ফোরণ, নিহত ১০  
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আব্দুল নাফি টাক্কুর বলেন, ‘তালেবানের নিরাপত্তা বাহিনী হামলার তদন্ত করছে। অপরাধীদের চিহ্নিত করা কঠিন সাজা দেয়া হবে।’

আফগানিস্তানের উত্তরাঞ্চলে একটি ধর্মীয় বিদ্যালয়ে বোমা বিস্ফোরণে অন্তত ১০ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন অনেকে। সামাঙ্গন প্রদেশের আইবাকে বুধবার বিস্ফোরণটি ঘটে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন মুখপাত্র এসব নিশ্চিত করেছেন

নিহতের সংখ্যা আরও বাড়ার আশঙ্কা করছেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। বার্তা সংস্থা এএফপিকে তারা বলছেন, বিস্ফোরণে এ পর্যন্ত ১৬ জন মারা গেছেন।

কোনো গোষ্ঠী হামলার দায় স্বীকার করেনি।

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রার্থনা শেষে ছাত্ররা যখন বের হচ্ছিল, ঠিক তখন বিস্ফোরণ ঘটে। নিহতদের বেশিরভাগই স্কুলের ছাত্র।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আব্দুল নাফি টাক্কুর বলেন, ‘তালেবানের নিরাপত্তা বাহিনী হামলার তদন্ত করছে। অপরাধীদের চিহ্নিত করা কঠিন সাজা দেয়া হবে।’

গত বছর তালেবান ক্ষমতা দখলের পর থেকে আফগানিস্তান কয়েক ডজন বিস্ফোরণে কেঁপে উঠেছে। বেশিরভাগেরি দায় নিয়েছে ইসলামিক স্টেট গ্রুপের স্থানীয় শাখা।

আরও পড়ুন:
ইরান বিক্ষোভে সংহতি জানাতে আফগান নারীরাও রাস্তায়
২০ বছর যুদ্ধের পর সেই আফগানিস্তানেই অর্থ সহায়তা দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র
তারুণ্য-অভিজ্ঞতার মিশেলে আফগানদের বিশ্বকাপ দল
মেয়েদের স্কুলে পাঠাতে চায় না আফগানরাই, তালেবান মন্ত্রীর দাবি
গ্যালারিতে পাকিস্তানিদের ওপর চেয়ার ছুড়ে মারল আফগানরা

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Death toll in Kabul education center attack rises to 35

কাবুলে শিক্ষা কেন্দ্রে হামলায় নিহত বেড়ে ৩৫

কাবুলে শিক্ষা কেন্দ্রে হামলায় নিহত বেড়ে ৩৫
কাবুলের শিক্ষা কেন্দ্রে আত্মঘাতী হামলায় ৩৫ জন নিহত হয়েছেন। ছবি: এএফপি
দাশত-ই-বারচি এলাকার বাসিন্দাদের অনেকে সংখ্যালঘু হাজারা সম্প্রদায়ের। অতীতে অনেক হামলার শিকার হয়েছে এ সম্প্রদায়ের লোকজন। শুক্রবারের হামলার দায় স্বীকার করেছে জঙ্গি সংগঠন আইএস।  

আফগানিস্তানে একটি শিক্ষাকেন্দ্রে আত্মঘাতী হামলায় মৃত বেড়ে ৩৫ হয়েছে। নিহতদের বেশিরভাগই তরুণী এবং অল্প বয়সী নারী। দেশটিতে জাতিসংঘ মিশন সোমবার আপডেটে এ তথ্য জানায়। হামলার আহত হয়েছেন ৮২ জন।

রাজধানী কাবুলের পশ্চিমে দাশত-ই-বারচি এলাকায় ‘কাজ’ নামের শিক্ষা কেন্দ্রে শুক্রবার হামলাটি হয়। এ সময় সেখানে পরীক্ষা চলছিল।

দাশত-ই-বারচি এলাকার বাসিন্দাদের অনেকে সংখ্যালঘু হাজারা সম্প্রদায়ের। অতীতে অনেক হামলার শিকার হয়েছে এ সম্প্রদায়ের লোকজন। শুক্রবারের হামলার দায় স্বীকার করেছে জঙ্গি সংগঠন আইএস।

আফগানিস্তানে তালেবান নেতৃত্বাধীন সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আবদুল নাফি টাকোর বলেন, ‘বেসামরিক লক্ষ্যবস্তুতে আঘাতের মধ্য দিয়ে শত্রুরা তাদের নিষ্ঠুরতা ও নৈতিকতাহীনতার পরিচয় দিয়েছে।’

গত বছরের আগস্টে ক্ষমতায় আসে তালেবান। দলটির ভাষ্য, তারা আফগানিস্তানে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছে। তবে দক্ষিণ এশিয়ার দেশটিতে নিয়মিত হামলা চালিয়ে যাচ্ছে জঙ্গি সংগঠন ইসলামিক স্টেট (আইএস)।

তালেবান ক্ষমতায় ফেরার আগে গত বছর দাশত-ই-বারচির একটি গার্লস স্কুলে হামলায় কমপক্ষে ৮৫ জন নিহত হয়। এ হামলায় আহত হয় অনেকে।

আরও পড়ুন:
গ্যালারিতে পাকিস্তানিদের ওপর চেয়ার ছুড়ে মারল আফগানরা
কাবুলে রুশ দূতাবাসের সামনে আত্মঘাতী হামলা, নিহত ৮
আফগানিস্তানে ভূমিকম্পে ৬ মৃত্যু
শততম ম্যাচে জয়ের জন্য আফগানদের লক্ষ্য ১০৬ রান
নারী বিষয়ে তালেবানকে চ্যালেঞ্জ করুক মুসলিম বিশ্ব: আমেরিকার দূত

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
19 killed in an explosion at an educational center in Kabul

কাবুলে শিক্ষা কেন্দ্রে বিস্ফোরণে নিহত ১৯

কাবুলে শিক্ষা কেন্দ্রে বিস্ফোরণে নিহত ১৯ কাবুল শহরের বিভিন্ন ভবন। ছবি: সংগৃহীত
হামলাস্থল দাশত-ই-বারচি এলাকার বাসিন্দাদের অনেকে সংখ্যালঘু হাজারা সম্প্রদায়ের। অতীতে অনেক হামলার শিকার হয়েছে এ সম্প্রদায়ের লোকজন। সর্বশেষ হামলার পর তাৎক্ষণিকভাবে দায় স্বীকার করেনি কোনো পক্ষ।

আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে শুক্রবার একটি শিক্ষা কেন্দ্রে বিস্ফোরণে কমপক্ষে ১৯ জন নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছে আরও অনেকে।

শহরের পশ্চিমে দাশত-ই-বারচি এলাকায় ‘কাজ’ নামের শিক্ষা কেন্দ্রে এ হামলা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।

শিক্ষা কেন্দ্রের কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে বিবিসির প্রতিবেদনে জানানো হয়, হামলার সময় সেখানে পরীক্ষা চলছিল।

দাশত-ই-বারচি এলাকার বাসিন্দাদের অনেকে সংখ্যালঘু হাজারা সম্প্রদায়ের। অতীতে অনেক হামলার শিকার হয়েছে এ সম্প্রদায়ের লোকজন।

হামলার পর তাৎক্ষণিকভাবে দায় স্বীকার করেনি কোনো পক্ষ।

আফগানিস্তানে তালেবান নেতৃত্বাধীন সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আবদুল নাফি টাকোর হামলার নিন্দা জানিয়ে বলেন, ঘটনাস্থলে গেছে নিরাপত্তা দল।

তিনি বলেন, বেসামরিক লক্ষ্যবস্তুতে আঘাতের মধ্য দিয়ে শত্রুরা তাদের নিষ্ঠুরতা ও নৈতিকতাহীনতার পরিচয় দিয়েছে।

গত বছরের আগস্টে ক্ষমতায় আসে তালেবান। দলটির ভাষ্য, তারা আফগানিস্তানে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছে, তবে দক্ষিণ এশিয়ার দেশটিতে নিয়মিত হামলা চালিয়ে যাচ্ছে জঙ্গি সংগঠন ইসলামিক স্টেট (আইএস)।

দাশত-ই-বারচি এলাকায় বেশ কিছু হামলা হয়েছে। এসব হামলার শিকার হয়েছে স্কুল ও হাসপাতাল।

তালেবান ক্ষমতায় ফেরার আগে গত বছর একটি গার্লস স্কুলে হামলায় কমপক্ষে ৮৫ জন নিহত হয়। এ হামলায় আহত হয় অনেকে।

আরও পড়ুন:
কাবুলে রুশ দূতাবাসের সামনে আত্মঘাতী হামলা, নিহত ৮
আফগানিস্তানে ভূমিকম্পে ৬ মৃত্যু
শততম ম্যাচে জয়ের জন্য আফগানদের লক্ষ্য ১০৬ রান
নারী বিষয়ে তালেবানকে চ্যালেঞ্জ করুক মুসলিম বিশ্ব: আমেরিকার দূত
এশিয়া কাপ: উদ্বোধনী ম্যাচে জয় চায় দুই দলই

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Afghan women are also on the streets to show solidarity with the Iran protests

ইরান বিক্ষোভে সংহতি জানাতে আফগান নারীরাও রাস্তায়

ইরান বিক্ষোভে সংহতি জানাতে আফগান নারীরাও রাস্তায় কাবুলে ইরানি দূতাবাদের সামনে বিক্ষোভ করছেন আফগান নারীরা। ছবি: সংগৃহীত
‘ইরান ঘুরে দাঁড়াল, এখন আমাদের পালা’, ‘মাহসার রক্ত ​​আমাদের পথ, আমাদের অনুপ্রেরণা’... স্লোগানে অন্তত ৩০ নারী কাবুলের ইরানি দূতাবাসের সামনে বিক্ষোভে অংশ নেন।

ইরানে নারীর পোশাকের স্বাধীনতার দাবিতে চলা বিক্ষোভের ঢেউ লেগেছে আরেক রক্ষণশীল দেশ আফগানিস্তানে। তালেবানের চোখ রাঙানি উপেক্ষা করে বৃহস্পতিবার কাবুলে বিক্ষোভ করেছেন নারীরা। একপর্যায়ে ফাঁকা গুলিতে তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয় দেশটির শাসকগোষ্ঠী তালেবান।

‘ইরান ঘুরে দাঁড়াল, এখন আমাদের পালা’, ‘মাহসার রক্ত ​​আমাদের পথ, আমাদের অনুপ্রেরণা’... স্লোগানে অন্তত ৩০ নারী ইরানি দূতাবাসের সামনে বিক্ষোভে অংশ নেন।

পরিচয় গোপন রাখতে সবার পরনে ছিল বোরকা, চোখে সানগ্লাস, কারও মুখে মাস্ক। তাদের হাতে ছিল ২২ বছরের কুর্দি তরুণী মাহসা আমিনির ছবি।

মাহসা আমিনিকে গত ১৩ সেপ্টেম্বর তেহরানের ‘নৈতিকতা পুলিশ’ গ্রেপ্তার করে। ইরানের দক্ষিণাঞ্চল থেকে তেহরানে ঘুরতে আসা মাহসাকে একটি মেট্রো স্টেশন থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল, তিনি সঠিকভাবে হিজাব করেননি।

পুলিশ হেফাজতে থাকার সময়েই মাহসা অসুস্থ হয়ে পড়েন, এরপর তিনি কোমায় চলে যান। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ১৬ সেপ্টেম্বর তার মৃত্যু হয়। পুলিশ মাহসাকে হেফাজতে নির্যাতনের অভিযোগ অস্বীকার করলেও পরিবারের অভিযোগ গ্রেপ্তারের পর তাকে পেটানো হয়।

ইরান বিক্ষোভে সংহতি জানাতে আফগান নারীরাও রাস্তায়
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ১৬ সেপ্টেম্বর মারা যান মাহসা আমিনি

মাহসার মৃত্যুর পর রাস্তায় বিক্ষোভের পাশাপাশি ফেসবুক ও টুইটারে #mahsaamini এবং #Mahsa_Amini হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করে চলছে প্রতিবাদ। নিরাপত্তা বাহিনীর দমন-পীড়নের মধ্যেও ইরানের অন্তত ৮০ শহরে ছড়িয়ে পড়েছে বিক্ষোভ। পশ্চিমা দেশগুলোর নাগরিকরা ইরানি নারীদের প্রতি সংহতি জানিয়ে বিক্ষোভ করছেন।

কাবুলের দূতাবাস এলাকার এক দোকানদার নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘নারীর স্বাধীনতা চাওয়ার পাশাপাশি ইরান সরকারের বিরুদ্ধে স্লোগান দিচ্ছিল বিক্ষোভকারীরা। একসময় তালেবানের নিরাপত্তা বাহিনী তাদের সামনে ফাঁকা গুলি ছোড়ে। কয়েক মিনিটের মধ্যে নারীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যান।’

অন্যসব দিনের মতো বৃহস্পতিবারও কাবুলের ইরানি দূতাবাসের সামনে কড়া নিরাপত্তা মোতায়েন ছিল। এসবের মধ্যেও তালেবান সমাবেশের অনুমতি দিয়েছিল। তারা ভেবেছিল, প্রতিবেশী দেশে আফগান শরণার্থীদের নিপীড়নের প্রতিবাদে সমাবেশ করতে যাচ্ছেন নারীরা।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক তালেবান নিরাপত্তা কর্মকর্তা বলেন, ‘আমরা ভেবেছিলাম তারা ইরানে সহিংস আচরণের শিকার আফগান অভিবাসীদের পক্ষে প্রতিবাদ করছে। হঠাৎ বুঝতে পারলাম তারা ইরানি মেয়েটির জন্য প্রতিবাদ করছে। তাই আমাদের সহকর্মীরা তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়।’

গত বছরের আগস্টে আফগানিস্তানের ক্ষমতা তালেবানের হাতে আসার পর নিজেদের অধিকারের দাবিতে বিক্ষিপ্তভাবে বিক্ষোভ করেছে নারীরা। শাসকদের দমন-পীড়নের কারণে এসবের বেশির ভাগই হয়েছে ঘরোয়াভাবে।

আফগান নারীদের দাবি, তাদের কর্মক্ষেত্র এবং হাইস্কুলে ফিরে যাওয়ার অনুমতি দেয়া হোক। তালেবানরা মেয়েদের জন্য হাইস্কুল নিষিদ্ধ করেছে। অন্যদিকে আফগান নারীরাও তাদের পুরো শরীর ঢেকে রাখতে বাধ্য। পুরুষ সঙ্গী ছাড়া কোথাও ভ্রমণ কর‍তে পারে না তারা।

এসব বিধিনিষেধের বেশির ভাগই তালেবানের প্রথম শাসনের পুনরাবৃত্তি। ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত আফগানিস্তান শাসন করেছে তালেবান। দ্বিতীয় দফায় ক্ষমতায় আসার শুরুর দিকে নারীর প্রতি মনোভাব বদলানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল তারা। তবে ক্ষমতায় পোক্ত হওয়ার পর স্বরূপে ফিরতে শুরু করে তালেবান।

আরও পড়ুন:
ইরান বিক্ষোভের পরিণতি কী?
নারী কোন পোশাক পরবে, সে সিদ্ধান্ত নারীর: মালালা
ইরানে গুলির মুখেও বিক্ষোভকারীরা অটল, নিহত বেড়ে ৭৬
ইরানের নৈতিকতা পুলিশের ওপর যুক্তরাষ্ট্র কানাডার নিষেধাজ্ঞা
ইরানে মাহসার পর এবার বিদ্রোহের প্রতীক হাদিস নাজাফি

মন্তব্য

p
উপরে