× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

আন্তর্জাতিক
Protests are spreading across Pakistan
hear-news
player
google_news print-icon

গুলিবিদ্ধ ইমরান, পাকিস্তানজুড়ে প্রবল বিক্ষোভ

গুলিবিদ্ধ-ইমরান-পাকিস্তানজুড়ে-প্রবল-বিক্ষোভ-
ফয়সালাবাদে ইমরান খানের ওপর হামলার প্রতিবাদে রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ করছে তার সমর্থকরা। ছবি: সংগৃহীত
ইমরান খানের ওপর ‘হত্যাচেষ্টার’ প্রতিবাদে রাওয়ালপিন্ডিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রানা সানাউল্লাহর বাসভবনের বাইরে বিক্ষোভ করছেন পিটিআই কর্মীরা। ফয়সালাবাদেও রাস্তায় নেমেছেন ইমরানের সমর্থকরা। করাচির বেশিরভাগ রাস্তা এখন বিক্ষোভকারীদের দখলে।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের ওপর প্রাণঘাতী হামলার পর পাকিস্তানজুড়ে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। ইমরানের দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) হাজার হাজার নেতাকর্মী দেশের বিভিন্ন প্রান্তে রাস্তা অবরোধ করে সরকারের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ করছেন।

পাকিস্তানের প্রভাবশালী দৈনিক দ্য ডনের প্রতিবেদনে বলা হয়, কোয়েটায় বিমানবন্দরগামী সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছেন পিটিআই নেতাকর্মীরা। এতে শহরে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।

করাচির শারে ফয়সাল, উত্তর নাজিমাবাদ, লাঁধি, কায়েদাবাদ, উত্তর করাচি, হাব রিভার মহাসড়ক ও মৌরিপুরেও বিক্ষোভের খবর পাওয়া গেছে। রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ শুরু করায় শহরটি এক প্রকার অচল হয়ে পড়েছে।

ইমরান খানের ওপর ‘হত্যাচেষ্টার’ প্রতিবাদে রাওয়ালপিন্ডিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রানা সানাউল্লাহর বাসভবনের বাইরে বিক্ষোভ করছেন পিটিআই কর্মীরা।
ফয়সালাবাদেও রাস্তায় নেমেছেন ইমরান সমর্থকরা। সেখানে আন্দোলনের নেতৃত্ব দিচ্ছেন পিটিআইর জ্যেষ্ঠ নেতা ও পাকিস্তানের সাবেক মন্ত্রী ফররুখ হাবিব।

আগাম নির্বাচনের দাবিতে গত ২৮ অক্টোবর লাহোরের লিবার্টি চক এলাকা থেকে ইসলামাবাদ অভিমুখী লং মার্চ শুরু করেন ইমরান খান। ডনের খবরে বলা হয়েছে, লিবার্টি চকে জমায়েত হতে শুরু করেছে পিটিআই সমর্থকরা।

পাঞ্জাবের ওয়াজিরাবাদের আল্লাহু চক এলাকায় বৃহস্পতিবার বিকেলে লং মার্চে ইমরান খানকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়। এতে তিনিসহ আহত হয়েছেন ৭ জন। মৃত্যু হয়েছে মুয়াজ্জিম নেওয়াজ নামে একজনের।

হামলার পর দ্রুত ইমরানকে লাহোরের একটি হাসপাতালে নেয়া হয়। পরে একই শহরের শওকত খানুম হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয় তাকে। পায়ে গুলি লাগলেও ইমরান শঙ্কামুক্ত বলে জানিয়েছেন দলের নেতারা।

লং মার্চ অব্যাহত থাকার ঘোষণাও দিয়েছে ইমরানের দল পিটিআই।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

আন্তর্জাতিক
Pakistans foreign minister called the defeat of 1971 a military failure

একাত্তরের পরাজয়কে ‘সামরিক ব্যর্থতা’ বললেন পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

একাত্তরের পরাজয়কে ‘সামরিক ব্যর্থতা’ বললেন পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারি (বাঁয়ে); ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে ভারতীয় জেনারেল জে এস অরোরার কাছে পাকিস্তানি জেনারেল নিয়াজীর আত্মসমর্পণ; পাকিস্তানের সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল কামার জাভেদ বাজওয়া। ছবি কোলাজ: নিউজবাংলা
পাকিস্তান পিপলস পার্টির প্রতিষ্ঠাতা জুলফিকার আলী ভুট্টোর নাতি বিলাওয়াল ভুট্টো বলেন, ‘সেই বিপর্যস্ত সময়ে যখন জুলফিকার আলী ভুট্টো দেশের দায়িত্ব নিয়েছিলেন তখন গোটা জাতি মানসিকভাবে অনেক ভেঙে পড়েছিল, সব আশা হারিয়ে ফেলেছিল। সেই সব চ্যালেঞ্জ সফলতার সঙ্গে মোকাবিলা করেছেন জুলফিকার আলী ভুট্টো।’

১৯৭১ সালে গ্লানিকর পরাজয়ের মধ্য দিয়ে পাকিস্তান ভেঙে বাংলাদেশ নামের নতুন রাষ্ট্রের জন্ম হওয়াকে ‘সামরিক ব্যর্থতা’ হিসেবে অভিহিত করেছেন পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারি। দেশটির সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল কামার জাভেদ বাজওয়া পাকিস্তান ভেঙে যাওয়ার জন্য রাজনৈতিক ব্যর্থতাকে দায়ী করার এক সপ্তাহ পর এমন মন্তব্য করেন পাকিস্তান পিপলস পার্টির (পিপিপি) প্রতিষ্ঠাতা জুলফিকার আলী ভুট্টোর নাতি বিলাওয়াল ভুট্টো।

স্থানীয় সময় বুধবার করাচির নিশতার পার্কে পিপিপির ৫৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত সমাবেশে এই মন্তব্য করেন দলটির বর্তমান চেয়ারম্যান বিলাওয়াল।

তিনি বলেন, ‘সেই বিপর্যস্ত সময়ে যখন জুলফিকার আলী ভুট্টো দেশের দায়িত্ব নিয়েছিলেন তখন গোটা জাতি মানসিকভাবে অনেক ভেঙে পড়েছিল, সব আশা হারিয়ে ফেলেছিল। সেই সব চ্যালেঞ্জ সফলতার সঙ্গে মোকাবিলা করেছেন জুলফিকার আলী ভুট্টো।’

বিলাওয়াল আরও বলেন, ‘তিনি (জুলফিকার আলী ভুট্টো) পাকিস্তান জাতিকে পুনর্গঠন করেছেন, জনগণের মধ্যে সাহস ফিরিয়ে এনেছিলেন। অবশেষে, আমাদের ৯০ হাজার সেনাকে দেশে ফিরিয়ে আনেন। ‘সামরিক ব্যর্থতার’ কারণে যে ৯০ হাজার সেনা সদস্য যুদ্ধবন্দি হয়েছিলেন তারা পরিবারের সঙ্গে পুনরায় মিলিত হতে পেরেছিলেন। আর এসবই সম্ভব হয়েছিল রাজনীতিতে আশা ছড়িয়ে দিয়ে ঐক্য আর অন্তর্ভুক্তির সমন্বয়ে।’

পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী জুলফিকার আলী ভুট্টোর কন্যা ও দেশটির প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী বেনজির ভুট্টোর ছেলে বিলাওয়াল ভুট্টো দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্বে রয়েছেন।

দেশটির অন্যতম সংবাদমাধ্যম ডনের বরাত দিয়ে এ খবর প্রকাশ করেছে দ্য হিন্দু।

অবসর নেয়ার ৬ দিন আগে দেশটির সেনাপ্রধান জেনারেল কামার জাভেদ বাজওয়া পশ্চিম পাকিস্তান ও পূর্ব পাকিস্তান আলাদা হয়ে যাওয়ার জন্য তখনকার রাজনৈতিক নেতাদের ব্যর্থতাকে দায়ী করেন। সেই সঙ্গে তিনি সেই বিপর্যয়ে সেনাবাহিনীর ত্যাগ ও অবদানকে হেয় করারও তীব্র সমালোচনা করেন।

১৯৬৫ সালে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধে নিহত সেনাদের আত্মত্যাগ স্মরণে গত ২৩ নভেম্বর রাওয়ালপিন্ডিতে জেনারেল হেডকোয়ার্টার্সে আয়োজিত প্রতিরক্ষা ও শহীদ দিবস অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেয়ার সময় জেনারেল বাজওয়া এমন মন্তব্য করেন। সেই সময় সেনাপ্রধান তার বক্তব্যে ১৯৭১ সালের ‘গৃহযুদ্ধে’ সেনাবাহিনীর অবস্থান নিয়েও কথা বলেন।

জেনারেল বাজওয়া বলেন, ‘আমি কিছু তথ্য সংশোধন করতে চাই। প্রথমত, সাবেক পূর্ব পাকিস্তানে (বর্তমান বাংলাদেশ) ছিল ইসলামাবাদের রাজনৈতিক ব্যর্থতা, সামরিক ব্যর্থতা নয়।

‘যুদ্ধরত সেনার সংখ্যা ৯২ হাজার ছিল না। যুদ্ধ করেছেন ৩৪ হাজার সেনা। বাকিরা ছিল বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের লোকজন। এই ৩৪ হাজার সেনা ভারতীয় সেনাবাহিনীর ২ লাখ ৫০ হাজার সেনা সদস্য এবং মুক্তিবাহিনীর ২ লাখ যোদ্ধার মুখোমুখি হয়েছিল।

‘এই কঠিন প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে আমাদের সেনাবাহিনী সাহসিকতার সঙ্গে লড়াই করেছে। ত্যাগ স্বীকার করেছে, যা ভারতের তৎকালীন সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল মানেকশ স্বীকার করেছিলেন।’

জাতি এখনও এই ত্যাগকে যথেষ্ট সম্মান জানাতে পারেনি দাবি করে পাকিস্তানের সেনাপ্রধান বাজওয়া বলেন, ‘এটা অবিচার। আজকের আয়োজনে বক্তব্য রাখার সুযোগ কাজে লাগিয়ে আমি এই শহীদদের অভিবাদন জানাই। এটা অব্যাহত থাকবে। তারা আমাদের নায়ক। তাদের নিয়ে জাতির গর্ব করা উচিত।’

ছয় বছর ধরে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর নেতৃত্ব দিয়েছেন জেনারেল বাজওয়া। ২৯ নভেম্বর অবসরে যান তিনি।

২০১৬ সালে তিন বছরের জন্য সেনাপ্রধান নিযুক্ত হন বাজওয়া। পরে সুপ্রিম কোর্টের হস্তক্ষেপে তার মেয়াদ আরও তিন বছর বাড়ে।

সেনাপ্রধান হিসেবে জনগণের উদ্দেশে নিজের শেষ ভাষণের একটি বড় অংশে ছিল রাজনৈতিক ইস্যু।

১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে ভারতীয় জেনারেল জে এস অরোরার নেতৃত্বে যৌথ বাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করেন পাকিস্তানি জেনারেল নিয়াজী।

আরও পড়ুন:
রাজনৈতিক ব্যর্থতায় পাকিস্তান ভেঙেছে: সেনাপ্রধান বাজওয়া
রাজাপুর পাকহানাদার মুক্ত দিবস
‘সেনাপ্রধান নিয়োগের পর ইমরানকে দেখে নেব’

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Protests in China from frustration Xi Jinping

হতাশা থেকেই চীনে বিক্ষোভ: শি চিনপিং

হতাশা থেকেই চীনে বিক্ষোভ: শি চিনপিং নিজ দেশে তুমুল বিক্ষোভের মুখে আছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিনপিং। ছবি কোলাজ: নিউজবাংলা
চিনপিং বলেন, ‘তিন বছর ধরে চলা করোনা মহামারির কারণে শিক্ষার্থীরা হতাশ হয়ে পড়েছে। এটি মূলত বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়া শিক্ষার্থী ও কিশোরদের আন্দোলন।’

চীনে সরকারের ‘জিরো করোনা’ নীতির বিরুদ্ধে চলছে তুমুল বিক্ষোভ। নিজের শাসনামলে এমন বিক্ষোভ দেখেনি চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিনপিং। এ কারণে হয়ত এতদিন মুখে কুলুপ এঁটেছিলেন চীনা প্রেসিডেন্ট।

অবশেষে বিক্ষোভ প্রশ্নে মুখ খুলেছেন চিনপিং। বলেছেন, তিন বছর ধরে করোনার বিধিনিষেধের কারণে শিক্ষার্থীরা তাদের নিয়মিত ক্লাসে অংশ নিতে না পেরে হতাশ হয়ে পড়েছে। এ কারণে তারা বিক্ষোভ করছে।

সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট শুক্রবার এক প্রতিবেদনে এ কথা জানায়। এতে বলা হয়, বেইজিংয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রেসিডেন্ট চার্লস মিশেলের সঙ্গে বৃহস্পতিবার বৈঠক করেছেন চিনপিং।

এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার বরাতে ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, টিকা ব্যবহারের জন্য চীনের প্রেসিডেন্টকে অনুরোধ করেছেন মিশেল। পরে তিনি চীন সরকারের করোনানীতি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।

জবাবে চিনপিং বলেন, ‘তিন বছর ধরে চলা করোনা মহামারির কারণে শিক্ষার্থীরা হতাশ হয়ে পড়েছে। এটি মূলত বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়া শিক্ষার্থী ও কিশোরদের আন্দোলন।’

ইউরোপিয়ান কর্মকর্তারা বলছেন, বৈঠকে চীনা প্রেসিডেন্টের আচরণে এটা মনে হচ্ছে যে বিধিনিষেধ শিথিলে প্রস্তুত তিনি।

বৈঠকে চীনা প্রেসিডেন্ট বয়স্কদের টিকা দেয়ার বিষয়ে উদ্বেগ জানান।

চীনের সরকারের হিসাব অনুযায়ী, ষাটোর্ধ্বদের মধ্যে ৬৮ দশমিক ৭ শতাংশ মানুষ করোনার তিন ডোজ টিকা নিয়েছেন। আর আশি বছরের বেশি ৪০ দশমিক ৪ শতাংশ করোনা টিকার বুস্টার ডোজ পেয়েছেন।

‘জিরো করোনা’ নীতির বিরুদ্ধে চলা আন্দোলন চীনের বিভিন্ন শহরে ছড়িয়ে পড়েছে। দেশটির প্রধান শহরগুলোতে বিক্ষোভ থামাতে জোরদার করা হয়েছে নিরাপত্তা।

লকডাউনের মধ্যে চীনের পশ্চিমাঞ্চলীয় উরুমকি শহরে কদিন আগে একটি অ্যাপার্টমেন্ট ভবনে আগুনে ১০ জনের মৃত্যু হয়। এ ঘটনার পর চীনের বিভিন্ন শহরে ‘জিরো করোনা’ নীতির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ শুরু হয়। বিক্ষোভকারীরা এক পর্যায়ে চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিনপিংয়ের পদত্যাগ দাবি করেন। চীনের ক্ষমতাসীন দল কমিউনিস্ট পার্টি অফ চাইনা (সিপিসি) থেকেও তার পদত্যাগ চান বিক্ষোভকারীরা।

চীন সরকার এখন পর্যন্ত বিক্ষোভ নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু বলেনি। দেশটির সরকারি সম্প্রচারমাধ্যমগুলোতেও বিক্ষোভের খবর ব্যাপকভাবে ‘সেন্সর’ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ আছে।

চীনে সরকারবিরোধী আন্দোলন শুরুর পর পশ্চিমানেতা হিসেবে মিশেলই প্রথম দেশটিতে সফর করলেন।

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Attack on Pakistan Embassy in Kabul

কাবুলে পাকিস্তান দূতাবাসে হামলা

কাবুলে পাকিস্তান দূতাবাসে হামলা উবাইদুর রহমান নিজামানি। ছবি: সংগৃহীত
পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, দূতাবাসের কম্পাউন্ডে হামলা হয়েছে। মিশন প্রধান নিজামানি অক্ষত আছেন। তাকে রক্ষায় করতে গিয়ে নিরাপত্তারক্ষী ইসরার মোহাম্মদ ‘গুরুতর আহত’ হয়েছেন।

আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে পাকিস্তান দূতাবাস হামলার শিকার হয়েছে। চার্জ ডি অ্যাফেয়ার্স উবাইদুর রহমান নিজামানিকে লক্ষ্য করে শুক্রবার এ হামলা হয়েছে বলে জানিয়েছে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

এফও সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, দূতাবাসের কম্পাউন্ডে হামলা হয়েছে। মিশন প্রধান নিজামানি অক্ষত আছেন। তাকে রক্ষায় করতে গিয়ে নিরাপত্তারক্ষী ইসরার মোহাম্মদ ‘গুরুতর আহত’ হয়েছেন।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে নিজামানিকে হত্যাচেষ্টা এবং দূতাবাস কম্পাউন্ডে হামলার ‘কঠোর নিন্দা’ জানিয়েছে পাকিস্তান।

দূতাবাদে হামলায় ক্ষেপেছে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। তারা বলেছে, আফগানিস্তানের অন্তর্বর্তী সরকারকে অবিলম্বে এই হামলার পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত করে দোষীদের গ্রেপ্তার করতে হবে। পাশাপাশি আফগানিস্তানে পাকিস্তানি কূটনৈতিক এবং নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে জরুরি ব্যবস্থা নিতে হবে।

গত ৪ নভেম্বর মিশন প্রধানের দায়িত্ব নেন নিজামানি।

দূতাবাসের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘হামলাকারী একজন ছিলেন। একটি ভবনের আড়াল থেকে বেরিয়ে গুলি চালাতে শুরু করে সে।

‘রাষ্ট্রদূত এবং অন্য কর্মীরা নিরাপদে আছেন। তারপরও সতর্কতার কারণে আমরা দূতাবাস ভবনের বাইরে যাচ্ছি না।’

কাবুল পুলিশের মুখপাত্র খালিদ জাদরান বলেন, ‘দূতাবাসে হামলার ঘটনায় এক সন্দেহভাজনকে আটক করা হয়েছে। একটি অস্ত্র জব্দ হয়েছে। ক্লিয়ারেন্স অপারেশনের বিস্তারিত পর জানানো হবে।’

আফগান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ ঘটনার নিন্দা জানিয়েছে। তালেবানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আব্দুল কাহার বালখি বিবৃতিতে বলেন, ‘নিরাপত্তা সংস্থাগুলো ঘটনাটি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করবে এবং অপরাধীদের চিহ্নিত করে শাস্তি দেবে।

আরও পড়ুন:
আফগানিস্তানের স্কুলে বিস্ফোরণ, নিহত ১০  
ইমরানের আমলে বরখাস্ত আসিম হলেন সেনাপ্রধান
রাজনৈতিক ব্যর্থতায় পাকিস্তান ভেঙেছে: সেনাপ্রধান বাজওয়া
‘সেনাপ্রধান নিয়োগের পর ইমরানকে দেখে নেব’
পাকিস্তানে পুলিশ টহল দলের ওপর গুলিতে নিহত ৬

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
10th Bangladesh Book Fair started in Kolkata

কলকাতায় শুরু ১০ম বাংলাদেশ বইমেলা

কলকাতায় শুরু ১০ম বাংলাদেশ বইমেলা ফাইল ছবি
এবারের কলকাতার বাংলাদেশ বইমেলাটি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতির উদ্দেশে উৎসর্গ করা হয়েছে। মেলা প্রাঙ্গণে স্থাপন করা হয়েছে বঙ্গবন্ধু কর্নার।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কলকাতার কলেজ স্কয়ারে শুরু হলো ১০ম বাংলাদেশ বইমেলা।

শুক্রবার বিকেলে বাংলাদেশের প্রবাসী ছাত্র-ছাত্রীদের জাতীয় সংগীত পরিবেশনা এবং পশ্চিমবঙ্গের লোকনৃত্য রণপা পরিবেশনের মধ্য দিয়ে মেলার উদ্বোধন হয়।

প্রতিদিন দুপুর ১টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত মেলা উন্মুক্ত থাকবে। মেলা চলবে ১১ ডিসেম্বর পর্যন্ত।

বাংলাদেশ বইমেলার সূচনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু ও বাংলাদেশের শিক্ষাবিদ ও প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম। আরও উপস্থিত ছিলেন কলকাতার বাংলাদেশ উপদূতাবাসের উপ-হাই কমিশনার আন্দালিব ইলিয়াস।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ব্রাত্য বসু বলেন, বাংলাদেশ বইমেলার সূচনা মঞ্চ আজ দুই বাংলার মিলনস্থলে পরিণত হয়েছে। দুই বাংলাকে জুড়ে রেখেছে আমাদের শিল্প-সংস্কৃতি এবং অবশ্যই বই।যা কাঁটাতারের বেড়া দিয়ে আটকানো যাবে না।

বইমেলার স্টল ঘুরে দেখেন এবং প্রকাশক ও পাঠকদের সঙ্গে কথা বলেনদীপু মনি। তিনি বলেন, যেকোনো মেলাই আনন্দের। আর সেটা যদি বইমেলা হয় তা আরও আনন্দের। বইয়ের মতো ভালো বন্ধু হয় না।

তিনি বলেন, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নোবেল পুরস্কার জয় করে বাংলাকে বিশ্বের দরবারে তুলে ধরেছিলেন। আর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশ নামে একটি দেশ সৃষ্টি করে বাংলাকে আরও উচ্চতায় নিয়ে গেছেন। আমাদের দুই দেশের মধ্যে যে ভ্রাতৃত্বের বন্ধন দৃঢ় হয়েছে তা ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে হয়েছে। বাংলাদেশ বইমেলার মধ্য দিয়ে সেই আত্মীয়তার বন্ধন আরও দৃঢ় হবে এই আশা করি।

এবারের কলকাতার বাংলাদেশ বইমেলাটি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতির উদ্দেশে উৎসর্গ করা হয়েছে। মেলা প্রাঙ্গণে স্থাপন করা হয়েছে বঙ্গবন্ধু কর্নার।

বাংলাদেশের পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতির উদ্যোগে রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো বাংলাদেশের সহযোগিতায় কলকাতার বাংলাদেশ উপ দূতাবাসের ব্যবস্থাপনায় অনুষ্ঠিত ১০ দিনব্যাপী এই মেলায় ৭৭টি বইয়ের স্টলে বাংলাদেশের সৃজনশীল বিভিন্ন প্রকাশনা সংস্থার প্রকাশিত বইয়ের সম্ভার থাকছে।

প্রতিদিন সন্ধ্যায় মেলা মঞ্চে বিভিন্ন বিষয়ের ওপর সেমিনার, কবিতাপাঠ এবং পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের শিল্পীদের দ্বারা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা রয়েছে।

কলকাতার বাংলাদেশ বইমেলায় অংশ নিয়েছে প্রান্ত প্রকাশন। বিজ্ঞানভিত্তিক, কৃষিভিত্তিক এবং গবেষণামূলক বই প্রকাশ করে এই সংস্থা।

প্রান্ত প্রকাশনা সংস্থার কর্ণধার আমিনুর রহমান নিউজবাংলাকে বলেন, আমি আগেও কলকাতার বাংলাদেশ বইমেলায় অংশগ্রহণ করেছি। ভালো অভিজ্ঞতা রয়েছে।

উত্তর কলকাতার গৌরীবাড়ি থেকে বাংলাদেশ বইমেলায় এসেছেন সুমিতা সরকার। তিনি বলেন, খুবই ভালো লাগছে। এভাবে স্টলে ঘুরে ঘুরে বাংলাদেশের প্রিয় লেখক লেখিকাদের বই কিনতে পারছি, এটা দারুণ পাওয়া।

২০১১ সালে বাংলাদেশ বইমেলার যাত্রা শুরু হয়েছিল কলকাতার গগনেন্দ্র সংগ্রহশালায়। পর পর ৩ বছর সেখানে বইমেলা চলার পর সেটি রবীন্দ্র সদনের খোলা প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয়।

২০১৭ সালে রবীন্দ্র সদনের কাছে মোহরকুঞ্জে এই মেলা স্থানান্তরিত হয়। সেখানেও পর পর ৩ বছর বাংলাদেশ বইমেলা অনুষ্ঠিত হয়। গত দুবছর করোনা ভাইরাস সংক্রমণের কারণে কলকাতায় বাংলাদেশ বইমেলা করা সম্ভব হয়নি। এ বছর আবার কলকাতায় বাংলাদেশ বইমেলা হচ্ছে। তবে মোহরকুঞ্জের পরিবর্তে এবার কলকাতার কলেজ স্কয়ারে মেলা হচ্ছে।

আরও পড়ুন:
কলকাতা বইমেলা শুরু

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Wife killed by car to get insurance money

বীমার টাকার জন্য স্ত্রীকে খুন

বীমার টাকার জন্য স্ত্রীকে খুন মহেশ চাঁদ ও তার স্ত্রী শালু। ছবি: সংগৃহীত
ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের রাজস্থানে, গত ৫ অক্টোবর। সেদিন মহেশ চাঁদ তার স্ত্রী শালুকে হত্যার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করেন। পরিকল্পনা অনুযায়ী, শ্যালকের মোটরসাইলেকে শালুকে মন্দিরে পাঠান মহেশ। স্থানীয় সময় ভোর ৪টা ৪৫ মিনিটের দিকে শালুকে বহন করা মোটরসাইকেলটিকে চাপা দেয় একটি গাড়ি। এতে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় শালুর। গুরুতর আহত হন তার চাচাতো ভাই রাজু।

স্ত্রী মারা গেলেই পাবেন জীবন বীমার প্রায় আড়াই কোটি টাকা। এ লোভ সামলাতে না পেরে ভাড়াটে খুনী দিয়ে স্ত্রীকে গাড়িচাপা দিয়ে মেরে ফেললেন এক ব্যক্তি। পুলিশ বলছে, খুনি তার সহযোগীদের নিয়ে ওই নারীকে বহনকারী মোটরসাইকেলকে চাপা দেন।

ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের রাজস্থানে, গত ৫ অক্টোবর। সেদিন মহেশ চাঁদ তার স্ত্রী শালুকে হত্যার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করেন। পরিকল্পনা অনুযায়ী, শ্যালকের মোটরসাইলেকে শালুকে মন্দিরে পাঠান মহেশ। স্থানীয় সময় ভোর ৪টা ৪৫ মিনিটের দিকে শালুকে বহন করা মোটরসাইকেলটিকে চাপা দেয় একটি গাড়ি। এতে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় শালুর। গুরুতর আহত হন তার চাচাতো ভাই রাজু।

শুরুতে এটিকে সাধারণ দুর্ঘটনা হিসেবেই দেখছিল পুলিশ। তবে তদন্তে উঠে আসে ভয়াবহ তথ্য। পুলিশ জানতে পারে মহেশ বীমার টাকার জন্য তার স্ত্রীকে হত্যার পরিকল্পনা করেছিলেন।

রাজস্থানের ডেপুটি পুলিশ কমিশনার ভান্দিনা রানা বলেন, ‘লাইফ ইনস্যুরেন্স করেছিলেন শালু। সেখানে তার এক কোটি রুপি জমে। শানুর স্বাভাবিক মৃত্যু হলে প্রায় ১ কোটি (বাংলাদেশি মুদ্রায় এক কোটি ২৬ লাখ) এবং দুর্ঘটনায় মৃত্যু হলে ১ কোটি ৯০ লাখ রুপি (২ কোটি ৪০ লাখ) পাওয়ার কথা ছিল তার পরিবারের।’

এটি জানার পর মহেশ ভাড়াটে খুনি মুকেশ সিং রাথোরকে শালুকে হত্যার দায়িত্ব দেন। ১০ লাখ রুপিতে হয় চুক্তি। অগ্রিম সাড়ে পাঁচ লাখ রুপি নেন রাথোর।

পুলিশ জানায়, ২০১৫ সালে শালুর সঙ্গে মহেশের বিয়ে হয়। তাদের ঘরে একটি মেয়ে আছে। বিয়ের দুই বছর পরই তাদের মধ্যে বিরোধ শুরু হয়। এরপর থেকেই শালু তার বাবার বাড়িতে থাকতেন। ২০১৯ সালের শালু তার স্বামীর বিরুদ্ধে নির্যাতনের মামলাও করেছিলেন।

সম্প্রতি শালুর বীমার কথা জানতে পারেন মহেশ। একদিন তিনি শালুকে জানান, তার স্ত্রী ১১ দিন টানা মন্দিরে যাবে... এটা তার ইচ্ছা। আশ্বাস দেন, এমনটা করলে শালুকে ফিরিয়ে নেবেন তিনি। এরপর থেকেই চাচাতো ভাইকে নিয়ে মন্দিরে যাওয়া শুরু করেন শালু।

ঘটনার দিন শালুকে বহনকারী মোটরসাইকেলকে চাপা দেয় রাথোর ও তার সঙ্গীরা। এ সময় মহেশ আরেকটি মোটরসাইকেলে করে ঘটনাটি পর্যবেক্ষণ করছিলেন। সড়ক দুর্ঘটনার পর ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান মহেশ।

এ ঘটনায় রাথোর, সোনু এবং হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত গাড়ির মালিক রাকেশ সিংকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আরও দুই অভিযুক্ত পলাতক রয়েছে।

আরও পড়ুন:
২৯ বছর পর ৩ আসামির যাবজ্জীবন
সাবেক ছাত্রনেতা খায়রুল হত্যা মামলায় ৬ জনের যাবজ্জীবন
বড় ভাই খুন, অভিযোগ ছোট ভাইয়ের বিরুদ্ধে
গৃহবধূ হত্যার ১৬ বছর পর ৬ আসামির যাবজ্জীবন
আফতাবকে বহনকারী পুলিশ ভ্যানে তরবারি হামলা

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Indias media freedom is under question

ভারতে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা হুমকিতে!

ভারতে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা হুমকিতে! এনডিটিভির ২৯ দশমিক ১৮ শতাংশ শেয়ার কিনে নিয়েছেন গৌতম আদানি। ছবি কোলাজ: নিউজবাংলা
ইউটিউবে প্রচারিত একটি ভিডিও বার্তায় কুমার বলেন, ‘যারা সাংবাদিক হওয়ার জন্য লেখাপড়ার পেছনে লাখ লাখ টাকা খরচ করছেন, তারা দালালের কাজ করতে বাধ্য হবে। আর যারা বর্তমানে কাজ করছেন, তাদের ভুগতে হবে। কেউ কেউ এই পেশায় ক্লান্ত বোধ করছেন। আবার অনেকেই পেশা ছেড়ে দিচ্ছেন।’

এশিয়ার সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি গৌতম আদানির আদানি গ্রুপের নিয়ন্ত্রণে দেশটির শীর্ষ বেসরকারি গণমাধ্যম নিউ দিল্লি টেলিভিশন (এনডিটিভি)। আর এরপরই ‘ব়্যামন ম্যাগসাইসাই’ পুরস্কারজয়ী ভারতীয় সাংবাদিক রবীশ কুমার এনডিটিভি থেকে পদত্যাগ করেন। এর আগে, বুধবার এনডিটিভির প্রতিষ্ঠাতা অর্থনীতিবিদ প্রণয় রায় ও তার স্ত্রী রাধিকা রায় পরিচালক বোর্ড থেকে পদত্যাগ করেন।

আদানির লোকজন এখন বোর্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে। সুদীপ্ত ভট্টাচার্য, সঞ্জয় পুগলিয়া এবং সন্থিল সিন্নাইয়া চেঙ্গালভারায়ণকে এনডিটিভির পরিচালন বোর্ডে নিয়োগ দেয়া হয়েছে।

এনডিটিভির ২৯ দশমিক ১৮ শতাংশ শেয়ারের মালিক আদানির মিডিয়া নেটওয়ার্ক- এএমএনএল। এতদিন এই শেয়ারের মালিকানা ছিল প্রণয় রায় ও তার স্ত্রী রাধিকা রায়ের।

ধারণা করা হচ্ছে, শিগগিরই এনডিটিভির আরও ২৬ শতাংশ শেয়ার বাজার থেকে কিনে নেবেন আদানি। এতে চ্যানেলটির পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ চলে আসবে ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদি ‘ঘনিষ্ঠ’ আদানি।

রবীশ কুমার গত কয়েক দশক ধরে এনডিটিভির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। কি রিপোর্ট, প্রাইম টাইম, হাম লোগ, দেশ কি বাতের মতো জনপ্রিয় অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেছেন তিনি।

ভারতে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা হুমকিতে!
এনডিটিভির সাবেক সাংবাদিক রবীশ কুমার


কুমার তার শো চলাকালীন প্রায়ই হিন্দু-মুসলিম বিদ্বেষ ছড়ানোর অভিযোগে ক্ষমতাসীন বিজেপিকে অভিযুক্ত করতেন।

ইউটিউবে প্রচারিত একটি ভিডিও বার্তায় কুমার বলেন, ‘যারা সাংবাদিক হওয়ার জন্য লেখাপড়ার পেছনে লাখ লাখ টাকা খরচ করছেন, তারা দালালের কাজ করতে বাধ্য হবে। আর যারা বর্তমানে কাজ করছেন, তাদের ভুগতে হবে। কেউ কেউ এই পেশায় ক্লান্ত বোধ করছেন। আবার অনেকেই পেশা ছেড়ে দিচ্ছেন।’

রবীশ কুমারের পদত্যাগের পর টুইটারে লিখেছেন #RIPNDTV

১২ বছর এনডিটিভির সঙ্গে কাজ করেছেন রিভাতি লৌল। ২০০৯ সালে পদত্যাগ করেন তিনি। সম্প্রতি রিভাতি বলেন, ‘নির্বাচন বিশ্লেষণ, বাজেট বিশ্লেষণ এনডিটিভির মাধ্যমেই শুরু হয়েছিল।’

এনডিটিভির মতো আরেকটি সম্প্রচারমাধ্যম আর হবে না জানিয়ে লৌল আরও বলেন, ‘আমরা টেলিভিশন নিউজ রিপোর্টিংয়ের যুগ পেরিয়ে এসেছি। এখন সেখানে কেবল প্রোপাগান্ডা ছড়ায়।’

গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে কাজ করা সংস্থা-দ্য ফ্রি স্পিচের সহপ্রতিষ্ঠাতা গীতা সেশু বলেন, ‘কুমার এবং রায়দের পদত্যাগগুলো ইঙ্গিত দেয় যে কীভাবে ভারতের স্বাধীন মতামতের জায়গা আরও সঙ্কুচিত হচ্ছে। গণতান্ত্রিক একটি দেশের জন্য একটি উদ্বেগের।’

প্যারসভিত্তিক পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা রিপোর্টার্স উইথআউট বর্ডারের প্রতিবেদনে বলা হয়, মুক্তগণমাধ্যম সূচকে বিশ্বের ১৮০টি দেশের মধ্যে ভারতের অবস্থান ১৫০।

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
From the wedding ceremony to the polling station

বিয়ের আসর থেকে ভোটকেন্দ্রে

বিয়ের আসর থেকে ভোটকেন্দ্রে ভোটকেন্দ্রে নবদম্পতি। ছবি: সংগৃহীত
গণতন্ত্রে বিশ্বাসী এই দম্পতি হলেন কবিতা ও বৈভব। তারা কুচ জেলার ভুজ আসনের একটি কেন্দ্রে ভোট দিয়েছেন। 

ভারতে বিয়ের আসর থেকে সরাসরি ভোটকেন্দ্রে ছুটে গেলেন এক নবদম্পতি। বিয়ের পোশাকে তাদের ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত হওয়ার দৃশ্য নেট দুনিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। রাজস্থানের বিধানসভা নির্বাচনে ঘটেছে এই ঘটনা।

‘গণতন্ত্রে’ বিশ্বাসী এই দম্পতি হলেন কবিতা ও বৈভব। তারা কুচ জেলার ভুজ আসনের একটি কেন্দ্রে ভোট দিয়েছেন।

ভাইরাল ছবিতে দেখা যায়, ব্লাউজের ওপর জরির কাজসহ লেহেঙ্গা পরে আছেন নববধূ কবিতা। গলায় ঝুলছে বিয়ের মালা। পাশে শেরওয়ানিতে দেখা যায় বৈভবকে।

২০১৭ সালেও এমন ঘটনার সাক্ষী হয়েছিল ভারত। গুজরাটের বিধানসভা নির্বাচনে ভোট দিতে হলুদের অনুষ্ঠান থেকে সরাসরি ভোটকেন্দ্রে হাজির হন এক কনে। ফেনি পারেখে নামের ওই কনে সুরাটের কাতারগামের একটি কেন্দ্রে ভোট দেন।

মন্তব্য

p
উপরে