× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

আন্তর্জাতিক
Ukraine is afraid of Iranian missiles
hear-news
player
google_news print-icon

ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের ভয়ে কাঁপছে ইউক্রেন

ইরানি-ক্ষেপণাস্ত্রের-ভয়ে-কাঁপছে-ইউক্রেন
ইউক্রেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধে রাশিয়াকে ক্ষেপণাস্ত্র দিতে যাচ্ছে ইরান। ছবি: সংগৃহীত
ইউক্রেনের এয়ার ফোর্স কমান্ডের মুখপাত্র ইউরি ইহানাত জানান, ইরানি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের একটি ৩০০ কিলোমিটার এবং অন্যটি ৭০০ কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারে। এটি দিয়ে রুশ বাহিনী ইউক্রেনের যেকোনো জায়গাতেই হামলা চালাতে পারবে।

চলতি বছরের ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে রুশ সামরিক অভিযান শুরুর পর যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা বিভিন্ন দেশ সামরিক সহায়তা দিয়ে আসছে কিয়েভকে। বিপরীতে নিজেদের সামরিক শক্তি দিয়েই প্রতিবেশী দেশটির সঙ্গে লড়েছে বৈশ্বিক পরাশক্তি রাশিয়া, তবে যুদ্ধের আট মাস পর রাশিয়াকে ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে সহায়তায় এগিয়ে এসেছে কৌশলগত মিত্র ইরান।

বিভিন্ন পাল্লার এসব ক্ষেপণাস্ত্র ঠেকানোর কার্যকর কোনো ব্যবস্থা হাতে না থাকায় বড় ধরনের শঙ্কায় পড়েছে ইউক্রেন। দেশটি মনে করছে, এ ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র পুরো ভূখণ্ডকেই হুমকিতে ফেলতে পারে।

ইউক্রেনের বিমান বাহিনীর মুখপাত্র ইউরি ইহানাতকে উদ্ধৃত করে বুধবার এ খবর জানিয়েছে সিএনএন।

ইউক্রেনের বিমান বাহিনী বলছে, ইরান রাশিয়ায় যে ধরনের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহ করতে যাচ্ছে, তার বিরুদ্ধে কার্যকর প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নেই কিয়েভের।

ইউক্রেনের এয়ার ফোর্স কমান্ডের মুখপাত্র ইউরি ইহানাত জানান, ইরানি ওই ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের একটি ৩০০ কিলোমিটার এবং অন্যটি ৭০০ কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারে। এটি দিয়ে রুশ বাহিনী ইউক্রেনের যেকোনো জায়গাতেই হামলা চালাতে পারবে।

স্থানীয় সময় মঙ্গলবার কিয়েভে সংবাদ সম্মেলনে ইহানাত শঙ্কা প্রকাশ করে জানান, ক্ষেপণাস্ত্রগুলো ইউক্রেনের উত্তর সীমান্তে নিয়ে আসার আশঙ্কা ব্যাপক। সেখান থেকে গোটা ইউক্রেনকে হুমকির মুখে ফেলে দিতে পারবে রাশিয়া।

এর আগে মঙ্গলবার সিএনএনের প্রতিবেদনে জানানো হয়, ইউক্রেনের বিরুদ্ধে রাশিয়ার ব্যবহারের জন্য স্বল্পপাল্লার সারফেস টু সারফেস ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং অ্যাটাক ড্রোনসহ প্রায় ১ হাজার অস্ত্র পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে ইরান।

ইউক্রেনের সশস্ত্র বাহিনী ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহতে প্রস্তুত কি না জানতে চাইলে ইহানাত বলেন, এ ক্ষেপণাস্ত্রগুলোর বিরুদ্ধে সুরক্ষার সব ব্যবস্থা নেবে ইউক্রেন।

তিনি আরও বলেন, ‘এ ক্ষেপণাস্ত্রের বিরুদ্ধে কার্যকর কোনো প্রতিরক্ষাব্যবস্থা এ মুহূর্তে আমাদের হাতে নেই। তাত্ত্বিকভাবে ক্ষেপণাস্ত্রগুলোকে ধ্বংস করা সম্ভব, কিন্তু বর্তমানে আমাদের কাছে যে ব্যবস্থা রয়েছে, তা দিয়ে এটি করা খুব কঠিন।

‘আমাদের বিমান প্রতিরক্ষা আছে, ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা নয়।’

ইহানাত মনে করেন, রাশিয়ার তৈরি ইস্কান্দার-এম ক্ষেপণাস্ত্রের সরবরাহ কমে যাওয়ায় ইরানের কাছে থেকে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিচ্ছে রাশিয়া।

তিনি বলেন, রাশিয়ার কাছে থাকা ইস্কান্দারের মজুত ফুরিয়ে আসছে। এটা স্পষ্ট যে, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রগুলো ইস্কান্দারের পরিপূরক হিসেবে আসছে।

এদিকে ইউক্রেন প্রেসিডেন্ট কার্যালয় প্রধানের উপদেষ্টা মিখাইলো পোদোলিয়াক তেহরানকে ‘আগ্রাসনের সহযোগী’ আখ্যা দিয়েছেন।

এক টুইটে তিনি বলেন, রাশিয়াকে ক্ষেপণাস্ত্র দিচ্ছে ইরান। তারা জানে এগুলো দিয়ে ইউক্রেনের বিভিন্ন শহরে আক্রমণ চালানো হবে।

পোদোলিয়াক আরও বলেন, রুশদের ড্রোন ব্যবহার শেখাচ্ছে ইরান। মধ্যপ্রাচ্যের দেশটি জানে, এগুলো দিয়ে ইউক্রেনের জ্বালানি খাতের ওপর হামলা হবে। এতে করে ইউরোপীয় ইউনিয়নে শরণার্থী বাড়বে।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

আন্তর্জাতিক
Western Ambivalence on Riots Iran

‘দাঙ্গা’ প্রশ্নে পশ্চিমা আচরণ দ্বিচারিতা: ইরান

‘দাঙ্গা’ প্রশ্নে পশ্চিমা আচরণ দ্বিচারিতা: ইরান জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের দাবিতে ব্রিটেনে বিক্ষোভ করছেন বিভিন্ন খাতের কর্মীরা। ছবি: সংগৃহীত
বিক্ষোভের প্রতি ব্রিটিশ দৃষ্টিভঙ্গি ইরানের পর্যবেক্ষকদের বিস্মিত করেছে। তারা তেহরান এবং লন্ডন কীভাবে অস্থিরতা মোকাবিলা করছে, তার তুলনা করছে।

সম্ভাব্য বিক্ষোভের মুখোমুখি যুক্তরাজ্যে সেনা মোতায়েন এবং পুলিশের ক্ষমতা বাড়ানোর সিদ্ধান্তের কড়া সমালোচনা করেছে ইরান সরকার। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র নাসের কানানি রোববার মানবাধিকার প্রশ্নে পশ্চিমাদের দ্বৈত মানদণ্ডের জন্য নিন্দা করেছেন। তিনি বলেছেন, পশ্চিমাদের অপছন্দের কোথাও দাঙ্গা হলে, তখন সেটাকে তারা ভালো চোখে দেখে এবং সমর্থন দেয়।

জীবনযাত্রার মান বাড়ানোর দাবিতে যুক্তরাজ্যে অনেকদিন ধরেই বিক্ষোভ করে আসছেন বিভিন্ন সেক্টরের কর্মীরা।

ব্রিটেনের ক্ষমতাসীন কনজারভেটিভ পার্টির চেয়ারম্যান নাদিম জাহাউই বলেছেন, বড়দিন ঘিরে সম্ভাব্য বিশৃঙ্খলার ধাঁচ কমাতে সেনাবাহিনী মোতায়েনের কথা বিবেচনা করছে সরকার।

জাহাউই স্কাই নিউজের সোফি রিজ অন সানডে প্রোগ্রামকে জানান, প্রস্তাব অনুযায়ী সামরিক কর্মীরা অ্যাম্বুলেন্স চালানোর পাশাপাশি সীমান্তেও দায়িত্ব পালন করবেন।

ব্রিটিশ সরকার বলছে, বড়দিন ঘিরে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হলে সামরিক বাহিনী, সাধারণ নাগরিক এবং স্বেচ্ছাসেবকরা বিমান ও সমুদ্রবন্দরের দায়িত্ব পালন করবেন। এ জন্য তাদের প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে।

ঘোষাণাটি এমন সময়ে এসেছে যখন যুক্তরাজ্য অর্থনৈতিক মন্দা এবং জীবনযাত্রার ব্যয়ের সঙ্গে যুদ্ধ করছে। বিভিন্ন সেক্টরে হাজার হাজার মানুষ এমন একসময়ে জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের দাবিতে ধর্মঘটে যাচ্ছে, যখন সরকার বারবার বলছে ধর্মঘটে যাওয়ার সময় এখন না।

জাহাউই স্কাই নিউজকে বলেছেন, ‘এখন ধর্মঘটের সময় না।

‘আপনি যদি মুদ্রাস্ফীতির বিষয়টি বিবেচনা করে কিছু ক্ষেত্রে অর্থ প্রদান করেন, তবে তা হবে ভুল সিদ্ধান্ত। এতে মুদ্রাস্ফীতি দীর্ঘায়িত হবে। কম আয়ের লোকজন সবচেয়ে বিপদে পড়বে। ইউনিয়নগুলোকে তাই বলতে চাই, এখন যে ধর্মঘটের সময় না সেটা আপনারা ভালো করেই জানেন। এখন সময় চেষ্টা করার, আলোচনায় বসার।’

প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাক এই বিক্ষোভের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন। তার দাবি, প্রতিবাদকারীদের স্বার্থপর সংখ্যালঘু। তারা আইন ভঙ্গ করছে। তাদের কঠোরভাবে মোকাবিলা করা উচিত।

১০ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিটে এক বৈঠকের পর দেয়া বক্তব্যে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বলেন, "আমার কথা হচ্ছে যারাই আইন ভাঙবে তাদের বিরুদ্ধে পূর্ণ শক্তি প্রয়োগ করা উচিত।

"ইতোমধ্যে পুলিশকে ‘অবৈধ’ বিক্ষোভ দমন করার জন্য ক্ষমতা দেয়া হয়েছে। সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে পুলিশের প্রতি সরকারের পূর্ণ সমর্থন থাকবে।"

বিক্ষোভের প্রতি ব্রিটিশ দৃষ্টিভঙ্গি ইরানের পর্যবেক্ষকদের বিস্মিত করেছে। তারা তেহরান এবং লন্ডন কীভাবে অস্থিরতা মোকাবিলা করছে, তার মধ্যে তুলনা করেছে। মাহসা আমিনির মৃত্যুর পর গত দুই মাস ধরে ইরানে অস্থিরতা চলছে।

ইরানি কর্তৃপক্ষ বলছে, ইরানের নিরাপত্তা বাহিনী সহিংস অস্থিরতা মোকাবিলায় সর্বোচ্চ সংযম প্রদর্শন করছে। তারপরও অস্থিরতা নিয়ন্ত্রণে ইরান পুলিশের ক্ষমতা সীমিত করেছে।

ইরান সরকারের মানবাধিকার বিষয়ে সমালোচনা করছে পশ্চিমারা, বিশেষ করে জার্মানি। দেশটি জাতিসংঘে এ-সংক্রান্ত একটি প্রস্তাবের জন্য চাপ দিচ্ছে। তবে শুরু থেকেই পশ্চিমাদের সমালোচনাকে প্রত্যাখ্যান করে আসছে ইরান।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র নাসের কানানি রোববার মানবাধিকার প্রশ্নে পশ্চিমাদের দ্বৈত মানদণ্ডের জন্য নিন্দা করেছেন।

যুক্তরাজ্যের পুলিশকে নতুন ক্ষমতা দেয়ার ঘটনায় দেশটির সরকারের সিদ্ধান্তের বিষয়ে কানানি টুইটারে বলেছেন, ‘ইংল্যান্ড, জার্মানি, ফ্রান্স, কানাডা এবং অস্ট্রেলিয়ায় জনগণের বিক্ষোভগুলো একদমই অযৌক্তিক। এগুলোকে শক্ত হাতে মোকাবিলা করতে হবে। তবে এসব দেশের অপছন্দের কোথাও দাঙ্গা হলে, তারা তখন সেটাতে সমর্থন দেয়। ভালো বলে।’

এ সময় তিনি একটি বিখ্যাত ফার্সি প্রবাদও ব্যবহার করেন; বাংলায় অনুবাদ করলে যার মানে দাঁড়ায়- ‘মৃত্যু ভালো তবে তা প্রতিবেশীর ক্ষেত্রে হলেই’। এটি এমন একটি পরিস্থিতিকে বোঝায় যেখানে লোকেরা অন্যদের সঙ্গে ঘটে যাওয়া খারাপ কিছুতে আনন্দ পায়।’

আরও পড়ুন:
পরাজয়ে উল্লাস ইরানে, গুলিতে নিহত ১
ইরানের স্বপ্ন ভেঙে পরের রাউন্ডে যুক্তরাষ্ট্র
চীনের গুয়াংজুতে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ
সম্পর্ক জোরদারের সুযোগ ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ম্যাচ!
কথা না শুনলে ইরানি ফুটবলারদের পরিবার পড়বে বিপদে

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
UK plans to deploy troops to counter protests

উত্তাল ব্রিটেনে সেনা মোতায়েনের পরিকল্পনা

উত্তাল ব্রিটেনে সেনা মোতায়েনের পরিকল্পনা মুদ্রাস্ফীতি ও বেকারত্বের প্রতিবাদে যুক্তরাজ্যে বিক্ষোভ। ছবি: সংগৃহীত
ব্রিটেনের ক্ষমতাসীন কনজারভেটিভ পার্টির চেয়ারম্যান নাদিম জাহাবি রোববার বলেন, ‘ইউনিয়নগুলোর প্রতি আমাদের একটি বার্তা আছে। সেটি  হলো, এখন ধর্মঘটের সময় না। এখন আলোচনা করার সময়। আমরা সামরিক বাহিনী মোতায়েনের কথা ভাবছি। প্রয়োজনে সেনারা অ্যাম্বুলেন্স চালাবে বলেও জানান কনজার্ভেটিভ বাহিনীর প্রধান।’

সরকারি কর্মীরা বিক্ষোভ বন্ধ না করলে বড়দিনের আগে সেনা মোতায়েন হতে পারে যুক্তরাজ্যে। মুদ্রাস্ফীতি ও বেকারত্বের প্রতিবাদে বিভিন্ন খাতে তুমুল আন্দোলন চলছে দেশটিতে। বর্তমানে বিক্ষোভে যোগ দিয়েছে নার্স এবং অ্যাম্বুলেন্স কর্মীরা।

ব্রিটেনের ক্ষমতাসীন কনজারভেটিভ পার্টির চেয়ারম্যান নাদিম জাহাবি রোববার বলেন, ‘ইউনিয়নগুলোর প্রতি আমাদের একটি বার্তা আছে। সেটি হলো, এখন ধর্মঘটের সময় না। এখন আলোচনা করার সময়। আমরা সামরিক বাহিনী মোতায়েনের কথা ভাবছি। প্রয়োজনে সেনারা অ্যাম্বুলেন্স চালাবে বলেও জানান কনজার্ভেটিভ বাহিনীর প্রধান।’

শুরু থেকেই বিক্ষোভ বন্ধের আহ্বান জানিয়ে আসছিল ব্রিটিশ সরকার। তাদের ভাষ্য, মুদ্রাস্ফীতি বেড়ে যাওয়ায় বেতন-ভাতা বাড়ানো সম্ভব হচ্ছে না। এখন যদি তা বাড়ানো হয়, তবে মুদ্রাস্ফীতি ভয়াবহ হয়ে উঠবে।

যুক্তরাজ্যের খুচরা ইলেকট্রিক্যাল পণ্য বিক্রয়ের কোম্পানি কারিসের প্রধান নির্বাহী অ্যালেক্স ব্যালডক জানান, বিক্ষোভ থেকে দূরে থাকতে তারা পণ্য সরবরাহের জন্য রয়্যাল মেইল ব্যবহার করবে না। রয়্যাল মেইল হলো ব্রিটিশ সরকারের পোস্টাল সার্ভিস; ১৫১৬ সালে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।

চলতি বছর রয়্যাল মেইলের পোস্ট এবং পার্সেল বিভাগের কর্মীরা বেতন-ভাতা ও কাজের শর্তাবলি নিয়ে কয়েক দফা আন্দোলন করে। ডিসেম্বরে আরও বড় পরিসরে বিক্ষোভের পরিকল্পনা করছে তারা।

যুক্তরাজ্যে চলমান অর্থনৈতিক মন্দা আর রাজনৈতিক টানাপড়েনের মধ্যে অক্টোবরে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্যুব নেন সাবেক অর্থমন্ত্রী ঋষি সুনাক। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এই মন্দা কাটিয়ে না উঠতে পারলে পরবর্তী নির্বাচনে কনজার্ভেটিভ পার্টি ব্যাপক ভরাভুবির মুখে পড়তে পারে।

দ্য সানডে টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়, স্বাস্থ্যকর্মী, শিক্ষক এবং দমকল বাহিনীর মতো পাবলিক সেক্টরের কর্মীদের আন্দোলনের অধিকার রোধ করার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে পারেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী সুনাক। নতুন বছরে যদি পরিস্থিতি না ঠিক হয় তবে স্বাস্থ্যকর্মীদের জায়গায় ফার্মাসিস্টদের কাজে লাগাতে পারে ব্রিটিশ সরকার।

চলমান উত্যপ্ত পরিস্থিতিকে কাজে লাগিয়ে সরকারে আসার চেষ্টায় ব্যস্ত দেশটির প্রধান বিরোধীদল-লেবার পার্টি। সংকট নিরসনে তারা সরকারিকর্মীদের সঙ্গে আলোচনায় বসতে কনজারভেটিভদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।

ব্রিটেনের বিক্ষোভের ঢেউ লেগেছে স্কটল্যান্ডেও। চার দশকের মধ্যে এই দেশটির শিক্ষকরা একটি ভাতার চুক্তি নিয়ে আন্দোলনে নেমেছেন। ইংল্যান্ড এবং ওয়েলসেও হাজার হাজার শিক্ষক এবং শিক্ষাসংশ্লিষ্ট কর্মীরা বেতন এবং তহবিল নিয়ে বিরোধের জেরে ধর্মঘটে নামবেন কিনা তা নিয়ে ভোট দিচ্ছেন।

যুক্তরাজ্যের এমন পরিস্থিতির জন্য আবারও রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে দুষেছেন কনজারভেটিভ প্রধান জাহাবি। তার দাবি, ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে যুক্তরাজ্যে জ্বালানির দাম ও মুদ্রাস্ফীতি বেড়েছে।

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Biden also read Putin also read Falling from the stairs defecating in Putins clothes

সিঁড়ি থেকে পড়ে গেলেন ‘অসুস্থ’ পুতিন

সিঁড়ি থেকে পড়ে গেলেন ‘অসুস্থ’ পুতিন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। ছবি: সংগৃহীত
‘জেনারেল এসভিআর’ নামের সাবেক এক রুশ গোয়েন্দা কর্মকর্তার টেলিগ্রাম চ্যানেলের বরাত দিয়ে এনওয়াই পোস্ট দাবি করে চলতি সপ্তাহে মস্কোতে নিজবাস ভবনে সিঁড়ি থেকে পড়ে যান রুশ প্রেসিডেন্ট।

গুরুতর অসুস্থ থাকায় সিঁড়ি থেকে পড়ে গেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। আমেরিকান সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক পোস্টের এক প্রতিবেদনে এমনটা দাবি করা হয়েছে।

‘জেনারেল এসভিআর’ নামের সাবেক এক রুশ গোয়েন্দা কর্মকর্তার টেলিগ্রাম চ্যানেলের বরাতে এনওয়াই পোস্ট দাবি করে, চলতি সপ্তাহে মস্কোর নিজবাস ভবনে সিঁড়ি থেকে পড়ে যান রুশ প্রেসিডেন্ট। বেশ কয়েক ধাপ গড়িয়ে নিচে নামেন তিনি। এ সময় পাকস্থলিতে ক্যানসার থাকায় অনিচ্ছাকৃত মলত্যাগ করে পোশাকও নোংরা করে ফেলেন পুতিন।

পুতিনের শারীরিক সমস্যা-সংক্রান্ত নানা গুঞ্জনের কথা শোনা যাচ্ছে বেশ কয়েক মাস ধরেই। বিশেষত রাশিয়া ইউক্রেনে হামলা করার পর থেকেই পশ্চিমা গণমাধ্যমগুলো এমন দাবি করছে।

গত মাসেই কিউবার প্রেসিডেন্ট মিগুয়েল দিয়াজ-ক্যানেলের সঙ্গে বৈঠকের সময় পুতিনের হাত কাঁপতে দেখা যায়। ওই সময় পুতিনের পা কাঁপতেও দেখা যায়।

পুতিনের ঘনিষ্ঠ এক ব্যবসায়ীও জানিয়েছেন, ব্লাড ক্যানসারে ভুগছেন পুতিন।

পুতিনের অসুস্থ হওয়ার খবর এই প্রথম নয়। প্রেসিডেন্ট পুতিনের মুখপাত্র ২০১৪ সালে মার্কিন গণমাধ্যমের এ ধরনের প্রতিবেদনের নিন্দা জানিয়ে বলেন, ‘তাদের ফাঁদ বন্ধ করা উচিত।’

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
The West fixed the price of oil Russia is bent

তেলের দাম বেঁধে দিল পশ্চিমারা, বেঁকে বসেছে রাশিয়া

তেলের দাম বেঁধে দিল পশ্চিমারা, বেঁকে বসেছে রাশিয়া সমুদ্রপথে রাশিয়ার অপরিশোধিত তেল পরিবহন। ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্র বলছে, তেলের দাম বেঁধে দিলে আয় কমে যাবে রাশিয়ার। এই উদ্যোগ যুদ্ধে মস্কোর অর্থ ঢালার সামর্থ্যের লাগাম টেনে ধরবে।

ইউক্রেনের সঙ্গে গত ফেব্রুয়ারি থেকে যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে রাশিয়া। এমন পরিস্থিতিতে রাশিয়ার আয় কমাতে দেশটির অন্যতম রপ্তানিপণ্য জ্বালানি তেলের দাম বেঁধে দিয়েছে পশ্চিমা দেশগুলোর জোট জি-৭।

শুক্রবার পশ্চিমা জোট জানায়, সমুদ্রপথে আসা রাশিয়ার অপরিশোধিত তেল প্রতি ব্যারেল ৬০ ডলার বা এর চেয়ে কম দামে কিনতে হবে।

সোমবার থেকে এই দাম কার্যকর হবে।

রাশিয়া বলেছে যে এই দামে তারা তেল সরবরাহ করবে না।

আর ইউক্রেন বলেছে, পশ্চিমা-প্রস্তাবিত এই দাম অর্ধেক করা উচিত।

যুক্তরাষ্ট্র বলছে, তেলের দাম বেঁধে দিলে আয় কমে যাবে রাশিয়ার। এই উদ্যোগ যুদ্ধে মস্কোর অর্থ ঢালার সামর্থ্যের লাগাম টেনে ধরবে।

বিশ্বের শীর্ষ সাত অর্থনীতির দেশের জোট জি৭-এর পক্ষ থেকে গত সেপ্টেম্বরে জানানো হয়, ডিসেম্বর মাসের মধ্যে তেলের দাম কমানোর বিষয়ে একটা সিদ্ধান্তে পৌঁছবে তারা। তারই ধারাবাহিকতায় পশ্চিমা দেশগুলো এমন উদ্যোগ নিয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী জ্যানেট ইয়েলেন বলেন, তেলের দাম বেঁধে দেয়ায় রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের আয়ের উৎস আরও সীমাবদ্ধ হয়ে পড়বে। তিনি নৃশংস যুদ্ধে অর্থায়নের জন্য যে অর্থ ব্যবহার করছেন তা সীমিত হয়ে আসবে।

সমুদ্রপথে রাশিয়ার অপরিশোধিত তেল সরবরাহে ইউরোপের নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে ৫ ডিসেম্বর থেকে। এর আগে এই দাম বেঁধে দেয়ার কথা জানালো জি-৭। বিশ্বব্যাপী তেলের দাম বৃদ্ধি রোধ করাও এই দাম বেঁধে দেয়ার লক্ষ্য বলে জি-৭-এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

জি-৭ দেশগুলোর নীতিতে স্বাক্ষরকারী দেশগুলো বেঁধে দেয়া দামে কেবল সমুদ্রপথে পরিবহন করা রুশ তেল এবং পেট্রোলিয়াম-পণ্য কেনার অনুমতি পাবে। নির্ধারিত দামের চেয়ে ব্যারেলপ্রতি বেশি অর্থ প্রদান না করলে পশ্চিমা বিমা ও সামুদ্রিক পরিষেবা ব্যবহার করে রাশিয়ার অপরিশোধিত তেল আমদানি চালিয়ে যাওয়ার অনুমতি দেবে জি-৭।

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Biden is ready to meet with Putin to stop the war

পুতিনের সঙ্গে সাক্ষাতে প্রস্তুত বাইডেন

পুতিনের সঙ্গে সাক্ষাতে প্রস্তুত বাইডেন
ইউক্রেন ইস্যুতে বাইডেনের সঙ্গে আলোচনা করেছেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ। ছবি: সংগৃহীত
হোয়াইট হাউসে বৈঠকের পর যুক্তরাষ্ট্র ও ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইউক্রেনের সার্বভৌমত্ব এবং আঞ্চলিক অখণ্ডতার প্রতি অব্যাহত সমর্থনের প্রতিশ্রুতি দিয়ে একটি যৌথ বিবৃতি দেন। এতে কিয়েভের জন্য বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সরবরাহ বৃদ্ধি এবং প্যারিসে ইউক্রেন ইস্যুতে একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলনের পরিকল্পনার কথা বলা হয়েছে। সম্মেলনটি ১৩ ডিসেম্বর হওয়ার কথা রয়েছে।

ইউক্রেনের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ বন্ধে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। হোয়াইট হাউসে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁর সঙ্গে বৈঠক শেষে এ কথা বাইডেন। এ সময় দুই শক্তিধর দেশের রাষ্ট্রপ্রধানই রাশিয়ার যুদ্ধের বিরুদ্ধে নিজেদের অবস্থান জানান।

বাইডেন বলেন, ‘আমি পুতিনের সঙ্গে কথা বলতে প্রস্তুত... যদি সত্যিই তিনি যুদ্ধ শেষ করতে চান।’

পুতিনের সঙ্গে বাইডেনের বৈঠক নিয়ে ক্রেমলিনের পক্ষ থেকে বলা হয়, ‘আমাদের স্বার্থ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে রুশ প্রেসিডেন্ট বৈঠকে রাজি।’

যদিও ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকোভ সাংবাদিকদের বলেছেন, ‘নিশ্চিতভাবে আমেরিকার শর্ত মানতে প্রস্তুত নয় মস্কো। প্রেসিডেন্ট বাইডেন আসলে কী বলেছেন? তিনি বলেছেন যে পুতিন ইউক্রেন ছেড়ে যাওয়ার পরই আলোচনা সম্ভব। ’

যুক্তরাষ্ট্রের শর্ত আলোচনার ক্ষেত্রকে জটিল করে তুলেছে উল্লেখ করে পেসকোভ বলেন, ‘ইউক্রেন থেকে নেয়া নতুন রুশ অঞ্চলকে স্বীকৃতি দেয়নি যুক্তরাষ্ট্র।’

এদিকে বাইডেনের সঙ্গে বৈঠকের পর ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ জানান, যেসব বিষয় ইউক্রেনীয়দের গ্রহণযোগ্য নয়, সেসব বিষয়ে দেশটির নাগরিকদের আপসের অনুরোধ তিনি করবেন না।

গত ২৪ ফেব্রুয়ারি রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হয়। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টের উপদেষ্টা মাইখাইলো পোডোলিয়াক জানিয়েছেন, যুদ্ধে তাদের ১০ থেকে ১৩ হাজার সেনা নিহত হয়েছেন। তবে এ বিষয়ে ইউক্রেন সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে কোনো মন্তব্য আসেনি।

গত মাসে আমেরিকান জেনারেল মার্ক মিলি বলেছিলেন, ‘যুদ্ধ শুরুর থেকে ইউক্রেনের ১ লাখ এবং রাশিয়ার ১ লাখ সেনা হতাহত হয়েছেন।’

এক ভিডিও বার্তায় বুধবার ইউরোপীয় কমিশনের প্রধান উরসুলা ভন ডের লেইন বলেন, ‘রুশ হামলায় এক লাখ ইউক্রেনীয় সেনা নিহত হয়েছেন। পরে অবশ্য ইউরোপীয় কমিশনের একজন মুখপাত্র জানান, হতাহতার এই সংখ্যা ভুল ছিল।

ইউরোপীয় কমিশনের প্রধান আরও জানান, ইউক্রেন যুদ্ধে প্রায় ২০ হাজার বেসামরিক নাগরিকও প্রাণ হারিয়েছেন।’

হোয়াইট হাউসে বৈঠকের পর যুক্তরাষ্ট্র ও ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইউক্রেনের সার্বভৌমত্ব এবং আঞ্চলিক অখণ্ডতার প্রতি অব্যাহত সমর্থনের প্রতিশ্রুতি দিয়ে একটি যৌথ বিবৃতি দেন। এতে কিয়েভের জন্য বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সরবরাহ বৃদ্ধি এবং প্যারিসে ইউক্রেন ইস্যুতে একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলনের পরিকল্পনার কথা বলা হয়েছে। সম্মেলনটি ১৩ ডিসেম্বর হওয়ার কথা রয়েছে।

আরও পড়ুন:
যুদ্ধে সর্বোচ্চ ১৩ হাজার সেনা নিহত: ইউক্রেন
শান্তি আলোচনার শর্ত জানাল রাশিয়া
কিয়েভে তুষারপাত, বিদ্যুতের অভাবে শীতে জবুথবু মানুষ
খেরসন ছাড়ার পর রাশিয়ার ছোড়া গোলায় নিহত ৩২: ইউক্রেন
মিসাইল ভান্ডার ফুরিয়েছে রাশিয়ার, দাবি ব্রিটিশ গোয়েন্দাদের

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Maximum 13 thousand soldiers killed in the war Ukraine

যুদ্ধে সর্বোচ্চ ১৩ হাজার সেনা নিহত: ইউক্রেন

যুদ্ধে সর্বোচ্চ ১৩ হাজার সেনা নিহত: ইউক্রেন ইউক্রেনের ত্রস্তিয়ানেৎস শহরে যুদ্ধের পর রাশিয়ার সামরিক সরঞ্জামের পাশে ইউক্রেনীয় সেনা। ছবি: এএফপি
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলদিমির জেলেনস্কির উপদেষ্টা মিখাইলো পোদোলিয়াক বলেছেন, যুদ্ধে দেশটির নিহত সেনার সংখ্যা ১০ থেকে ১৩ হাজার।

চলতি বছরের ২৪ ফেব্রুয়ারি রাশিয়ার সঙ্গে শুরু হওয়া যুদ্ধে সর্বোচ্চ ১৩ হাজার ইউক্রেনীয় সেনা নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন দেশটির জ্যেষ্ঠ এক কর্মকর্তা।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলদিমির জেলেনস্কির উপদেষ্টা মিখাইলো পোদোলিয়াক বলেছেন, নিহত সেনার সংখ্যা ১০ থেকে ১৩ হাজার।

বিবিসির প্রতিবেদনে জানানো হয়, ইউক্রেনের পক্ষ থেকে যুদ্ধে প্রাণ হারানো সেনাদের সংখ্যা প্রকাশের ঘটনা বিরল। যদিও পোদোলিয়াকের দেয়া তথ্যটি নিশ্চিত করেনি দেশটির সেনাবাহিনী।

এর আগে জুনে ইউক্রেন প্রেসিডেন্টের এই উপদেষ্টা বলেছিলেন, রাশিয়ার সঙ্গে লড়াইয়ে দৈনিক প্রাণ হারাচ্ছেন ১০০ থেকে ২০০ ইউক্রেনীয় সেনা।

গত মাসে যুক্তরাষ্ট্রের জয়েন্ট চিফস অফ স্টাফ চেয়ারম্যান মার্ক মিলি জানান, যুদ্ধের শুরু থেকে প্রায় ১ লাখ রুশ এবং সমসংখ্যক ইউক্রেনীয় সেনা হতাহত হয়েছেন।

গত বুধবার এক ভিডিও বার্তায় ইউরোপিয়ান কমিশনের প্রধান উরসুলা ফন দার লিয়েন বলেন, যুদ্ধে নিহত ইউক্রেনীয় সেনার সংখ্যা ১ লাখ।

ওই বক্তব্যের পর ইউরোপীয় কমিশনের এক মুখপাত্র জানান, উরসুলার বক্তব্যটি ভুল ছিল। ওই ১ লাখের মধ্যে নিহত ও আহত রয়েছেন।

ইউক্রেনের সংবাদমাধ্যম চ্যানেল টোয়েন্টিফোরকে পোদোলিয়াক বলেন, নিহতের সংখ্যা নিয়ে খোলাখুলি কথা বলছে কিয়েভ।

তার ভাষ্য, বিভিন্ন উৎস থেকে পাওয়া দাপ্তরিক তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধে প্রাণ হারিয়েছেন ১০ হাজার থেকে সাড়ে ১২ কিংবা ১৩ হাজার সেনা।

আরও পড়ুন:
ইউক্রেনের পাশাপাশি মলদোভায়ও ব্ল্যাকআউট
সেনা হত্যায় কড়া প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি রাশিয়ার
জেলেনস্কির সঙ্গে দেখা করলেন ঋষি সুনাক
এবার ইউক্রেনের গ্যাস প্ল্যান্টে রুশ হামলা  
রুশ ক্ষেপণাস্ত্রে পোল্যান্ডে প্রাণহানি: বসছেন ন্যাটো নেতারা

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Letter bombs target Prime Minister and US Embassy in Spain

স্পেনে ‘লেটার বম্ব’ আতঙ্ক

স্পেনে ‘লেটার বম্ব’ আতঙ্ক ‘লেটার বোম্ব’ আতঙ্কে স্পেনে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত
তদন্ত সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র বলেছে, ডিভাইসগুলো বাড়িতে তৈরি হলেও, এর জন্য দক্ষ লোক দরকার। তদন্তকারীরা এখন এগুলোর প্রকৃত উৎস খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে।

স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ এবং রাজধানী মাদ্রিদে আমেরিকান দূতাবাসে ‘লেটার বম্ব’ দেয়ার পর ইউরোপের দেশটিতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। এ নিয়ে স্পেনে ছয়টি ‘লেটার বম্ব’ শনাক্তের ঘটনা ঘটল।

‘লেটার বম্ব’ হলো এমন একটি বোমা যা চিঠি বা পার্সেল আকারে পাঠানো হয় এবং খোলার সময় এটি বিস্ফোরিত হয়।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র বলেছে, ডিভাইসগুলো বাড়িতে তৈরি হলেও, এর জন্য দক্ষ লোক দরকার। তদন্তকারীরা এখন এগুলোর প্রকৃত উৎস খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে।

স্পেনে আমেরিকান দূতাবাসে বৃহস্পতিবার ষষ্ঠ ‘লেটার বম্বটি’ শনাক্ত করা হয়।

এর আগে একটি ‘লেটার বম্ব’ মাদ্রিদের কাছে একটি বিমানবাহিনী ঘাঁটিতে পাঠানো হয়েছিল। সেটি বৃহস্পতিবার ভোরের আগেই শনাক্ত করা হয়। এ ছাড়া বুধবার স্পেনের ইউক্রেন দূতাবাসে পাঠানো ‘লেটার বম্বের’ বিস্ফোরণ ঘটে। এতে একজন আহত হন। আরেকটি অস্ত্র প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানে পাঠানো ‘লেটার বম্বটি’ নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে।

এদিকে গত ২৪ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজের অফিস মনক্লোয়া কম্পাউন্ডে ‘লেটার বম্ব’ পাঠানো হয়। সেটি নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে বলে জানিয়েছে স্পেনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

স্পেনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়েও একটি ‘লেটার বম্ব’ পাঠানো হয়েছে বলে জানায় স্পেনের নিরাপত্তা বিষয়ক জুনিয়র মন্ত্রী রাফায়েল পেরেজ।

আরও পড়ুন:
জাপানকে হারিয়ে প্রথমবার বিশ্বকাপ জিতল স্পেন
ঘেরের পাশে বাঘের হাঁটাহাঁটি, গোলাখালী গ্রামে আতঙ্ক
সম্পর্কের ৫০: প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা স্পেনের প্রেসিডেন্টের
যৌনবৃত্তি বন্ধের অঙ্গীকার স্পেনের প্রধানমন্ত্রীর
ইউরোপে বিশ্বকাপ বাছাইয়ে গোলবন্যা

মন্তব্য

p
উপরে