× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

আন্তর্জাতিক
A few hours later the Nobel Peace Prize was announced
google_news print-icon

শান্তিতে নোবেল পুরস্কার বিকেল ৩টায়

শান্তিতে-নোবেল-পুরস্কার-বিকেল-৩টায়-
গত বছর মতপ্রকাশের স্বাধীনতার পক্ষে সোচ্চার দুই সাংবাদিক মারিয়া রেসা ও দিমিত্রি মুরাতভ শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পান।

শান্তিতে এ বছরের নোবেল পুরস্কার জয়ীর নাম ঘোষণা করা হবে শুক্রবার।

বিকেল ৩টায় নরওয়ের রাজধানী অসলো থেকে নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটি এই পুরস্কার ঘোষণা করবে।

নোবেল পুরস্কারের ওয়েবসাইট নোবেল ডট ওআরজি ও এ-সংক্রান্ত ফেসবুক পেজে এ কথা জানানো হয়েছে।

গত বছর মতপ্রকাশের স্বাধীনতার পক্ষে সোচ্চার দুই সাংবাদিক মারিয়া রেসা ও দিমিত্রি মুরাতভ শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পান।

চলতি বছরের নোবেল পুরস্কার ঘোষণা শুরু হয়েছে সোমবার। প্রথম দিন চিকিৎসাশাস্ত্রে নোবেল জয় করেন সুইডিশ বিজ্ঞানী এসভান্তে পেবো।

পরদিন মঙ্গলবার ঘোষণা করা হয় পদার্থবিজ্ঞানের নোবেল। এই বিষয়ে এবার এ পুরস্কার পেয়েছেন তিন দেশের তিন বিজ্ঞানী। তারা হলেন ফ্রান্সের অ্যালাঁ আসপে, যুক্তরাষ্ট্রের জন এফ ক্লাউসার ও অস্ট্রিয়ার আন্টন সেইলিংগার।

বুধবার রসায়নেও নোবেল পুরস্কার পান তিন বিজ্ঞানী। ‘ক্লিক কেমিস্ট্রি’ ও ‘বায়োঅর্থোগোনাল কেমিস্ট্রি’র ভিত্তি দিয়ে এ পুরস্কার জয় করেছেন আমেরিকার ক্যারোলাইন আর বারটোজ্জি, কে ব্যারি শার্পলেস এবং ডেনমার্কের মর্টেন মেলডাল।

আর বৃহস্পতিবার এ বছরের সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পান ফ্রান্সের লেখক আনি আরনোঁ। নোবেল কমিটি বলেছে, ব্যক্তিস্মৃতির উৎসমূল, বিচ্ছিন্নতা এবং যৌথ অবদমনের চিত্র ক্ষুরধার ও সাহসী ভঙ্গীতে লেখনীতে তুলে ধরেছেন ৮২ বছর বয়সী আনি আরনোঁ।

অর্থনীতিতে নোবেল বিজয়ীর নাম ঘোষণার মধ্য দিয়ে ১০ অক্টোবর শেষ হবে এবারের মোট ছয়টি শাখায় নোবেল বিজয়ীদের নাম ঘোষণা। আগামী ডিসেম্বরে সুইডেনের স্টকহোমে নোবেল সপ্তাহে বিজয়ীদের হাতে তুলে দেয়া হবে পুরস্কারের পদক, সনদ ও অর্থ। সম্মানজনক এই পুরস্কারের অর্থমূল্য এক কোটি সুইডিশ ক্রোনার (১১ লাখ মার্কিন ডলার)।

সুইডিশ বিজ্ঞানী আলফ্রেড নোবেলের নামে ও তার রেখে যাওয়া অর্থে ১৯০১ সাল থেকে নোবেল পুরস্কার দেয়া শুরু হয়। প্রতি বছর চিকিৎসা, পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, সাহিত্য, শান্তি ও অর্থনীতিতে দেয়া হয় বিশ্বের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ এই পুরস্কার।

আরও পড়ুন:
ব্যক্তিস্মৃতির শিকড়সন্ধানী লেখক আনি আরনোঁর নোবেল জয়
শান্তিতে নোবেলের জন্য রায়ান সাদী কীভাবে ‘মনোনীত’?
পেবোকে পুকুরে ফেলে নোবেল উদযাপন
রসায়নে নতুন অধ্যায়ের ভিত্তি দিয়ে ৩ বিজ্ঞানীর নোবেল জয়

মন্তব্য

আরও পড়ুন

আন্তর্জাতিক
Bishop Saunders of Australia accused of rape

ধর্ষণে অভিযুক্ত অস্ট্রেলিয়ার বিশপ সন্ডার্স

ধর্ষণে অভিযুক্ত অস্ট্রেলিয়ার বিশপ সন্ডার্স অস্ট্রেলিয়ার বিশপ ক্রিস্টোফার সন্ডার্স। ছবি: এবিসি কিমবার্লি
অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, অস্ট্রেলিয়ার পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রত্যন্ত শহর ব্রুম, কুনুনুরায় থাকার সময় এবং আদিবাসী জনগোষ্ঠী কালুমবুরুর লোকজনের সঙ্গে ২০০৮ থেকে ২০১৪ সময়ের মধ্যে সন্ডার্স যৌন অপরাধগুলো করেন।

ধর্ষণসহ বেশ কিছু যৌন অপরাধে (এর মধ্যে কিছু কিছু শিশুদের সঙ্গে) অভিযুক্ত করা হয়েছে অস্ট্রেলিয়ার বিশপ ক্রিস্টোফার সন্ডার্সকে।

বিবিসির প্রতিবেদনে জানানো হয়, যৌন অপরাধের বিষয়ে ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়া পুলিশ ও ক্যাথলিক চার্চের প্রধান পোপ ফ্রান্সিসের তদন্তের আদেশের পর ব্রুম এলাকা থেকে বুধবার গ্রেপ্তার করা হয় ধর্মযাজক সন্ডার্সকে।

ধর্ষণসহ বিভিন্ন ধরনের যৌন অপরাধের অভিযোগ অতীতে অস্বীকার করা ৭৪ বছর বয়সী সন্ডার্সের জামিন নাকচ করা হয়েছে। তাকে বৃহস্পতিবার আদালতে উপস্থাপন করা হবে।

সন্ডার্সই সর্বজ্যেষ্ঠ ক্যাথলিক যাজক, যার বিরুদ্ধে উল্লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে।

সন্ডার্সের বিরুদ্ধে ধর্ষণের দুটি, অবৈধ ও অশালীন আক্রমণের ১৪টি এবং দায়িত্বশীল ব্যক্তি হিসেবে শিশুর সঙ্গে অশালীন আচরণের তিনটি অভিযোগ আনা হয়েছে।

অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, অস্ট্রেলিয়ার পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রত্যন্ত শহর ব্রুম, কুনুনুরায় থাকার সময় এবং আদিবাসী জনগোষ্ঠী কালুমবুরুর লোকজনের সঙ্গে ২০০৮ থেকে ২০১৪ সময়ের মধ্যে সন্ডার্স যৌন অপরাধগুলো করেন।

সন্ডার্সের আগে শিশুদের সঙ্গে যৌন অপরাধের ঘটনায় দোষী সাব্যস্ত হয়ে কারাবন্দি হন কার্ডিনাল জর্জ পেল, যিনি পরবর্তী সময়ে ‍খালাস পান।

এদিকে অস্ট্রেলিয়ার ক্যাথলিক বিশপস কনফারেন্স বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে ‍পুলিশের সঙ্গে সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, সন্ডার্সের বিরুদ্ধে অভিযোগ ‘খুবই মারাত্মক’ এবং ‘গভীর পীড়াদায়ক’, বিশেষত তাদের জন্য, যারা অভিযোগগুলো করেছেন।

আরও পড়ুন:
তীরে এসে তরি ডুবল ভারতের, অস্ট্রেলিয়া বিশ্বচ্যাম্পিয়ন
হেডের সেঞ্চুরি, জয়ের সুবাস পাচ্ছে অস্ট্রেলিয়া
বিশ্বকাপ জিততে ২৪১ দরকার অস্ট্রেলিয়ার
আত্মবিশ্বাসের প্রদীপে যারা বেশি জ্বালানি ঢালতে পারবে, তারাই জিতবে
বিষাদের আখ্যান দীর্ঘায়িত করে বিদায় দক্ষিণ আফ্রিকার

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Consensus to form the government in Pakistan Prime Minister Shahbaz President Zardari

পাকিস্তানে সরকার গঠনে ঐকমত্য, প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ-প্রেসিডেন্ট জারদারি

পাকিস্তানে সরকার গঠনে ঐকমত্য, প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ-প্রেসিডেন্ট জারদারি শাহবাজ শরিফ (বাঁয়ে) ও আসিফ আলী জারদারি। ছবি: সংগৃহীত
উভয় দলের শীর্ষ নেতারা জানিয়েছেন, তারা ‘জাতির স্বার্থে’ আবারও জোট সরকার গঠন করছেন।

পাকিস্তানে অবশেষে জোট সরকার গঠনে ঐকমত্যে পৌঁছেছে নওয়াজ-শাহবাজের পিএমএল-এন এবং বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারির পিপিপি। দীর্ঘ আলোচনার পরে মঙ্গলবার গভীর রাতে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছেন তারা। উভয় দলের শীর্ষ নেতারা জানিয়েছেন, তারা ‘জাতির স্বার্থে’ আবারও জোট সরকার গঠন করছেন।

পিপিপি চেয়ারম্যান বিলাওয়াল ভুট্টো-জারদারি উভয় দলের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে ইসলামাবাদে এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, পাকিস্তান পিপলস পার্টি (পিপিপি) এবং পাকিস্তান মুসলিম লীগ-নওয়াজের (পিএমএল-এন) এখন সম্পূর্ণ সংখ্যাগরিষ্ঠতা রয়েছে এবং আমরা পরবর্তী সরকার গঠনের অবস্থানে রয়েছি।

কে পাচ্ছেন কোন পদ

বিলাওয়াল জানিয়েছেন, জোট সরকারের প্রধানমন্ত্রী হবেন শাহবাজ শরিফ এবং উভয় দলের পক্ষ থেকে প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হবেন তার বাবা আসিফ আলী জারদারি। সিনেটের চেয়ারম্যান হিসেবে পিএমএল-এন নেতা ইসহাক দারের মনোনয়ন সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে বিলাওয়াল বলেন, এ বিষয়ে বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে প্রতিটি দল আলাদাভাবে এর ঘোষণা দেবে।

তিনি বলেন, যদি অতীতের দিকে তাকাই, তাহলে আমরা আগের মেয়াদের তুলনায় অনেক দ্রুত ঐকমত্যে পৌঁছেছি এবং জোটের ঘোষণা দিয়েছি।

একই সংবাদ সম্মেলনে পিএমএল-এন নেতা শাহবাজ শরিফ জানান, তিনি পিটিআই সমর্থিত প্রার্থীদের সংখ্যাগরিষ্ঠতার প্রমাণ দিয়ে সরকার গঠন করতে আহ্বান জানিয়েছিলেন। কিন্তু তারা যথেষ্ট আসন দেখাতে পারেনি। তিনি বলেন, পরবর্তী সরকার গঠনের জন্য আমাদের কাছে পর্যাপ্ত সংখ্যাগরিষ্ঠতা রয়েছে।

এ সময় বিলাওয়াল এবং আসিফ আলী জারদারিকে তাদের সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ জানান পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী। শাহবাজ বলেন, উভয় দল সিদ্ধান্ত নিয়েছে, প্রেসিডেন্ট পদে জারদারিকে যৌথ প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামানো হবে।

পিপিপি মন্ত্রিসভায় যোগ দেবে কি না এমন এক প্রশ্নের জবাবে পিএমএল-এন নেতা বলেন, প্রথম দিন থেকেই মন্ত্রিত্ব চায়নি বিলাওয়ালের দল।
তিনি বলেন, দুই পক্ষের মধ্যে আলোচনা হয় এবং পারস্পরিক পরামর্শের মাধ্যমে সমস্যাগুলোর সমাধান করা হয়। তবে এর মানে এই নয়, আমরা তাদের দাবি মেনে নিচ্ছি বা তারা আমাদের দাবি মেনে নিচ্ছে। তাদের নিজস্ব মতামত রয়েছে; কিন্তু মধ্যবিন্দুতে পৌঁছানোই আসল রাজনৈতিক সাফল্য।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, পিএমএল-এন সুপ্রিমো নওয়াজ শরিফ এবং পিপিপির শীর্ষ নেতৃত্বের নির্দেশনার ভিত্তিতে পরে মন্ত্রিত্ব সম্পর্কিত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

এ সময় নতুন জোট সরকারের অংশীদার হওয়ায় মুত্তাহিদা কওমি মুভমেন্ট-পাকিস্তান, ইস্তেহকাম-ই-পাকিস্তান পার্টি এবং পাকিস্তান মুসলিম লীগ-কায়েদকেও ধন্যবাদ জানান শাহবাজ শরিফ।

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Mother demands Putins intervention to get Navalnys body

নাভালনির মরদেহ পেতে পুতিনের হস্তক্ষেপ দাবি মায়ের

নাভালনির মরদেহ পেতে পুতিনের হস্তক্ষেপ দাবি মায়ের ছেলের মরদেহ চান অ্যালেক্সেই নাভালনির মা। ভিডিও থেকে নেয়া
গত ১৬ ফ্রেব্রুয়ারি ৪৭ বয়সী নাভালনির মৃত্যুর খবর দেয় কারাগার কর্তৃপক্ষ, তবে এখনও মরদেহ দেখার সুযোগ পায়নি তার পরিবার। মরদেহ কোথায় আছে জানানো হয়নি সে তথ্যও।

কারাগারে বন্দি অবস্থায় মারা যাওয়া রাশিয়ার বিরোধীদলীয় নেতা অ্যালেক্সেই নাভালনির মরদেহ ফিরে দেশটির প্রেসিডন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের হস্তক্ষেপ চেয়েছেন তার মা।

যে কারাগারে পুতের ‘কট্টরতম সমালোচক’ হিসেবে পরিচিত নাভালনির মৃত্যু হয়েছে সেই কারাগারের সামনে দাঁড়িয়ে এক ভিডিওতে তিনি এই দাবি জানান বলে বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

গত ১৬ ফ্রেব্রুয়ারি ৪৭ বয়সী নাভালনির মৃত্যুর খবর দেয় কারাগার কর্তৃপক্ষ, তবে এখনও মরদেহ দেখার সুযোগ পায়নি তার পরিবার। মরদেহ কোথায় আছে জানানো হয়নি সে তথ্যও।

বিবিসি বলছে, নাভালনির মাকে বলা হয়েছে, মরদেহ ‘রাসায়নিক বিশ্লেষণের’ জন্য রাখা হয়েছে। দু সপ্তাহ এভাবেই তা থাকবে। এরপর সিদ্ধান্ত হবে। আর তার স্ত্রীর দাবি, মরদেহ লুকিয়ে রেখেছে কারাগার কর্তৃপক্ষ।

সোমবার একটি ভিডিওতে ‘মুক্ত রাশিয়া’ এর জন্য লড়াই করতে তার কাজ চালিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ইউলিয়া নাভালনায়া সরাসরি পুতিনকে তার স্বামীকে হত্যা করার জন্য অভিযুক্ত করেছেন।

তিনি আরও অভিযোগ করেছেন, নার্ভ এজেন্ট নভিচক দিয়ে যে বিষক্রিয়া ঘটানো হয়েছে নাভালনির শরীরে সেই চিহ্ন অদৃশ্য না হওয়া পর্যন্ত তার মরদেহ রাখা হবে কর্তৃপক্ষের কাছে।

মঙ্গলবার নাভালনির মা ভিডিওতে বলেন, ‘আমি তাকে পাঁচ দিন ধরে দেখতে পাচ্ছি না, তারা তার দেহ আমাকে দিতে অস্বীকার করছে এবং তারা বলছে না সে কোথায় আছে।’

তিনি বলেন, ‘আমি আপনাকে জিজ্ঞাসা করছি, ভ্লাদিমির পুতিন- সব আপনার একার ওপর নির্ভর করছে। আমাকে আমার ছেলেকে দেখতে দিন। তার মরদেহ অবিলম্বে ছেড়ে দেয়া হোক।’

প্রতিবেদন বলছে, নাভালনিকে গতবছরের শেষ দিকে রাশিয়ার স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল ইয়ামালো-নেনেতের আর্কটিক পেনাল কলোনিতে নিয়ে যাওয়া হয়। এই কারাগারেই ছিলেন তিনি।

কারাকর্তৃপক্ষ বলেছে, হাঁটার পর মাটিতে লুটিয়ে পড়েন তিনি। এরপর আর তার চেতনা ফেরেনি।

নাভালনির মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার সাথে সাথে তার মা এবং আইনজীবী প্রত্যন্ত ওই কলোনিতে যান। তবে মরদেহ শনাক্ত করার চেষ্টা বারবার ঠেকিয়ে দেয় কারাগারের মর্গ ও স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।

ক্রেমলিন বলেছে, নাভালনির মৃত্যুর তদন্ত চলছে এবং এখনও পর্যন্ত কোন ফলাফল পাওয়া যায়নি।

নাভালনির মুখপাত্র কিরা ইয়ারমিশ বলেন, তদন্তকারীরা নাভালনির মা লিউডমিলাকে বলেছেন, তারা রাসায়নিক বিশ্লেষণ করার সময় নিয়েছেন, তারা দুই সপ্তাহের জন্য মরদেহ হস্তান্তর করবেন না।

পশ্চিমা নেতারা নাভালনির মৃত্যুর জন্য প্রেসিডেন্ট পুতিনের ওপর দায় চাপিয়েছেন। সোমবার সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেন, বিষয়টির সত্যতা হলো; পুতিন দায়ী। তিনি আদেশ দিয়েছিলেন কি না বা তিনি সেই ব্যক্তিকে যে পরিস্থিতিতে রেখেছেন তার জন্য তিনি দায়ী।

নাভালনির বিরুদ্ধে জালিয়াতি ও অন্যান্য অভিযোগে হওয়া মামলয় গত বছরের আগস্টে তাকে ১৯ বছরের কারাদণ্ড দেয় রাশিয়ার আদালত। তিনি বন্দি ছিলেন ২০২১ সাল থেকে।

নাভালনি ও তার সমর্থকরা তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ ভুয়া বলে দাবি করে আসছেন। তার রাজনৈতিক আন্দোলনকে চরমপন্থি হিসেবে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

রাশিয়ার প্রধান বিরোধী দল রাশিয়া অফ দ্য ফিউচারের নেতা অ্যালেক্সেই নাভালনিকে ২০২০ সালের আগস্টে বিষ প্রয়োগে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ ওঠে।

নির্বাচনি প্রচার শেষে অভ্যন্তরীণ একটি ফ্লাইটে সাইবেরিয়ার টমস্ক থেকে মস্কো ফিরছিলেন নাভালনি। মাঝ আকাশে আচমকাই অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। ওমস্ক শহরে বিমানের জরুরি অবতরণ করিয়ে শুরু হয় চিকিৎসা। কোমায় চলে যাওয়া নাভালনিকে রাখা হয় আইসিইউতে।

তবে সেখানে সঠিক চিকিৎসা পাবেন না এমন আশঙ্কায় আন্তর্জাতিক হস্তক্ষেপে জার্মানিতে চিকিৎসা নেন নাভালনি। কয়েকটি মামলা থাকায় ক্রেমলিনের অনুমতি নিয়ে বার্লিনে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে দেশে ফেরেন তিনি।

জার্মান চিকিৎসকেরা জানান, নাভালনির ওপরে নভিচক নামে স্নায়ু বিকল করার বিষাক্ত এক রাসায়নিক প্রয়োগ করা হয়েছিল। এ ঘটনায় পুতিন সরকার জড়িত বলে দাবি করে আসছে নাভালনির দল ও পরিবার।

আরও পড়ুন:
নাভালনির মরদেহ কোথায়, বলছে না রাশিয়া
পুতিন দানব: ট্রুডো
কারাবন্দি রাশিয়ার বিরোধী নেতা নাভালনি মারা গেছেন

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Putin gave Kim a car

কিমকে গাড়ি উপহার দিলেন পুতিন

কিমকে গাড়ি উপহার দিলেন পুতিন কিম জং উনকে একটি বিলাসবহুল গাড়ি উপহার দিয়েছেন ভ্লাদিমির পুতিন। ছবি: আল জাজিরা
যেহেতু উত্তর কোরিয়ায় জাতিসংঘের রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা রয়েছে, তাই এ উপহারটি উত্তর কোরিয়ায় অটোমোবাইলসহ বিলাসবহুল পণ্য সরবরাহ নিষিদ্ধ করার জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাবগুলোর লঙ্ঘন হতে পারে।

উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনকে রাশিয়ার তৈরি একটি বিলাসবহুল গাড়ি উপহার দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।

ইয়োনহাপ নিউজ এজেন্সি রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে সোমবার এ কথা জানিয়েছে।

কোরিয়ান সেন্ট্রাল নিউজ এজেন্সির (কেসিএনএ) উদ্ধৃতি দিয়ে ইয়োনহাপ জানায়, উপহারটি দুই নেতার মধ্যকার বিশেষ ব্যক্তিগত সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করবে।

কোরিয়ার ক্ষমতাসীন ওয়ার্কার্স পার্টির সেক্রেটারি ও উত্তর কোরিয়ার নেতার বোন কিম ইয়ো-জংকে গাড়িটি দেয়ার কথা জানিয়েছে রাশিয়া। কিম জং উনকে দেয়া পুতিনের এ উপহারের জন্য রাশিয়াকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন কিমের বোন কিম ইয়ো-জং।

গত বছরের সেপ্টেম্বরে শীর্ষ সম্মেলনের জন্য কিমের রাশিয়া সফরের সময় পুতিন তার অরাস সেনেট লিমোজিন দেখিয়েছিলেন কিম জংকে। পুতিন তাকে রাশিয়ার তৈরি বিলাসবহুল গাড়িতে বসার সুযোগ দেন।

তবে কিমকে পুতিনের দেয়া উপহারটি লিমোজিন কি না তা জানা যায়নি।

যেহেতু উত্তর কোরিয়ায় জাতিসংঘের রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা রয়েছে, তাই এ উপহারটি উত্তর কোরিয়ায় অটোমোবাইলসহ বিলাসবহুল পণ্য সরবরাহ নিষিদ্ধ করার জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাবগুলোর লঙ্ঘন হতে পারে।

আরও পড়ুন:
গাজায় দ্রুত যুদ্ধবিরতি চান পুতিন
সিকিমে ৬ সেনাসহ ১৯ জনের মৃত্যু, নিখোঁজ ১০৩
রূপপুর পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্র দৃঢ় সম্পর্কের প্রতীক: পুতিন
সিকিমে আকস্মিক বন্যায় ১৪ মৃত্যু, সেনাসহ নিখোঁজ ১০২
সিকিমে আকস্মিক বন্যা, নিখোঁজ ২৩ সেনা

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Canada is giving 800 drones to Ukraine to fight with Russia

রাশিয়ার সঙ্গে লড়তে ইউক্রেনকে ৮০০ ড্রোন দিচ্ছে কানাডা

রাশিয়ার সঙ্গে লড়তে ইউক্রেনকে ৮০০ ড্রোন দিচ্ছে কানাডা ফাইল ছবি
এই বসন্তের শুরু থেকেই ইউক্রেনে ৮০০টিরও বেশি ড্রোন পাঠাবে কানাডা, যেগুলো রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধে ব্যবহার হতে পারে।

রাশিয়ার সঙ্গে লড়তে ইউক্রেনকে ৮ শতাধিক ড্রোন দিচ্ছে কানাডার সরকার।

কানাডার প্রতিরক্ষা মন্ত্রী বিল ব্লেয়ার স্থানীয় সময় সোমবার এই ঘোষণা দিয়েছেন বলে মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতির বরাতে জানিয়েছে কিয়েভ টাইমস।

এই বসন্তের শুরু থেকেই ইউক্রেনে ৮০০টিরও বেশি ড্রোন পাঠাবে কানাডা, যেগুলো রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধে ব্যবহার হতে পারে।

ডিপার্টমেন্ট অফ ন্যাশনাল ডিফেন্স বিবৃতিতে বলেছে, রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধে ইউক্রেনের জন্য ড্রোন গুরুত্বপূর্ণ সক্ষমতা হয়ে উঠেছে। ড্রোনগুলো নজরদারি ও তথ্য সংগ্রহের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এবং যুদ্ধাস্ত্রসহ সরবরাহ স্থানান্তরের জন্যও ব্যবহার করা যেতে পারে।

এগুলোর জন্য ৯৫ মিলিয়ন কানাডিয়ান ডলারের (৭০ মিলিয়ন ডলার) বেশি খরচ হবে এবং এগুলো ইউক্রেনের জন্য পূর্বে ঘোষিত ৫০০ মিলিয়ন কানাডিয়ান (৩৭০ মিলিয়ন ডলার) সামরিক সহায়তার অংশ।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্কাইরেঞ্জার আর৭০ মাল্টি-মিশন মানবহীন এরিয়াল সিস্টেমগুলো অন্টারিও প্রদেশের ওয়াটারলুতে অবস্থিত টেলিডাইন-এর তৈরি।

ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসনের দুই বছর পূর্তির কয়েকদিন আগে এই ঘোষণা এলো।

কানাডা এর আগে ইউক্রেনকে ১০০টি উচ্চ-রেজুলেশনের ড্রোন ক্যামেরা দিয়েছিল এবং গত দুই বছরে সামরিক সহায়তায় ২ দশমিক ৪ বিলিয়ন কানাডিয়ান ডলার (১ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলার) প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

২০২২ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে সামরিক অভিযানের নির্দেশ দেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। ঘোষণার কিছুক্ষণের মধ্যেই রুশ সেনারা ইউক্রেনে সামরিক অভিযান শুরু করেন।

দেশটিকে ‘অসামরিকায়ন’ ও ‘নাৎসিমুক্তকরণ’ এবং দোনেৎস্ক ও লুহানস্ককে রক্ষা করার জন্যই এমন সামরিক পদক্ষেপ বলে দাবি করে আসছে রাশিয়া।

যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা দেশগুলো ইউক্রেনের পক্ষে সমর্থন দিয়ে আসছে শুরু থেকে। ইউক্রেনের পক্ষে রাশিয়ার ওপর নানা নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে এসব দেশ। এ ছাড়া ইউক্রেনে অস্ত্রও পাঠিয়েছে কোনো কোনো দেশ।

আরও পড়ুন:
‘ইউক্রেনের ৬৫ যুদ্ধবন্দি’ নিয়ে রাশিয়ার সামরিক বিমান বিধ্বস্ত
পাঁচ লাখ নতুন সেনার প্রয়োজন: জেলেনস্কি
ইউক্রেনের কাছে অস্ত্র বেচেছে পাকিস্তান, দাবি বিবিসির

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Russia does not say where Navalnys body is

নাভালনির মরদেহ কোথায়, বলছে না রাশিয়া

নাভালনির মরদেহ কোথায়, বলছে না রাশিয়া অ্যালেক্সেই নাভালনি
গত শুক্রবার ৪৭ বয়সী এই নেতার মৃত্যুর খবর দেয় কারাগার কর্তৃপক্ষ, তবে এখনও তার মরদেহ দেখার সুযোগ পায়নি তার পরিবার। মরদেহ কোথায় আছে জানানো হয়নি সে তথ্যও।

কারাগারে বন্দি অবস্থায় মারা যাওয়া রাশিয়ার বিরোধীদলীয় নেতা ও দেশটির প্রেসিডন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের ‘কট্টরতম সমালোচক’ হিসেবে পরিচিত অ্যালেক্সেই নাভালনির মরদেহ এখন কোথায় অছে তা নিয়ে স্পষ্ট কোনো তথ্য দিচ্ছে না কর্তৃপক্ষ।

গত শুক্রবার ৪৭ বয়সী এই নেতার মৃত্যুর খবর দেয় কারাগার কর্তৃপক্ষ, তবে এখনও তার মরদেহ দেখার সুযোগ পায়নি তার পরিবার। মরদেহ কোথায় আছে জানানো হয়নি সে তথ্যও।

বিবিসি বলছে, নাভালনির মাকে বলা হয়েছে, মরদেহ ‘রাসায়নিক বিশ্লেষণের’ জন্য রাখা হয়েছে। দু সপ্তাহ এভাবেই তা থাকবে। এরপর সিদ্ধান্ত হবে। আর তার স্ত্রীর দাবি, মরদেহ লুকিয়ে রেখেছে কারাগার কর্তৃপক্ষ।

সোমবার একটি ভিডিওতে ‘মুক্ত রাশিয়া’ এর জন্য লড়াই করতে তার কাজ চালিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ইউলিয়া নাভালনায়া সরাসরি পুতিনকে তার স্বামীকে হত্যা করার জন্য অভিযুক্ত করেছেন।

তিনি আরও অভিযোগ করেছেন, নার্ভ এজেন্ট নভিচক দিয়ে যে বিষক্রিয়া ঘটানো হয়েছে নাভালনির শরীরে সেই চিহ্ন অদৃশ্য না হওয়া পর্যন্ত তার মরদেহ রাখা হবে কর্তৃপক্ষের কাছে।

গত শুক্রবার কারাগারে নাভালনির মৃত্যু ঘোষণা করা হয়। তাকে বন্দি করা হয়েছিল সাইবেরিয়ান পেনাল কলোনির সেই কর্তৃপক্ষ বলেছে, হাঁটার পর মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। এরপর আর তার চেতনা ফেরেনি।

নাভালনির মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার সাথে সাথে তার মা এবং আইনজীবী প্রত্যন্ত ওই কলোনিতে যান। তবে মরদেহ শনাক্ত করার চেষ্টা বারবার ঠেকিয়ে দেয় কারাগারের মর্গ ও স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।

ক্রেমলিন বলেছে, নাভালনির মৃত্যুর তদন্ত চলছে এবং এখনও পর্যন্ত কোন ফলাফল পাওয়া যায়নি।

নাভালনির মুখপাত্র কিরা ইয়ারমিশ বলেন, তদন্তকারীরা নাভালনির মা লিউডমিলাকে বলেছেন, তারা রাসায়নিক বিশ্লেষণ করার সময় নিয়েছেন, তারা দুই সপ্তাহের জন্য মরদেহ হস্তান্তর করবেন না।

পশ্চিমা নেতারা নাভালনির মৃত্যুর জন্য প্রেসিডেন্ট পুতিনের ওপর দায় চাপিয়েছেন। সোমবার সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেন, বিষয়টির সত্যতা হলো; পুতিন দায়ী। তিনি আদেশ দিয়েছিলেন কি না বা তিনি সেই ব্যক্তিকে যে পরিস্থিতিতে রেখেছেন তার জন্য তিনি দায়ী।

নাভালনির বিরুদ্ধে জালিয়াতি ও অন্যান্য অভিযোগে হওয়া মামলয় গত বছরের আগস্টে তাকে ১৯ বছরের কারাদণ্ড দেয় রাশিয়ার আদালত। তিনি বন্দি ছিলেন ২০২১ সাল থেকে।

নাভালনি ও তার সমর্থকরা তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ ভুয়া বলে দাবি করে আসছেন। তার রাজনৈতিক আন্দোলনকে চরমপন্থি হিসেবে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

প্রতিবেদন বলছে, নাভালনিকে গতবছরের শেষ দিকে রাশিয়ার স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল ইয়ামালো-নেনেতের আর্কটিক পেনাল কলোনিতে নিয়ে যাওয়া হয়। এই কারাগারেই ছিলেন তিনি।

রাশিয়ার প্রধান বিরোধী দল রাশিয়া অফ দ্য ফিউচারের নেতা অ্যালেক্সেই নাভালনিকে ২০২০ সালের আগস্টে বিষ প্রয়োগে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ ওঠে।

নির্বাচনি প্রচার শেষে অভ্যন্তরীণ একটি ফ্লাইটে সাইবেরিয়ার টমস্ক থেকে মস্কো ফিরছিলেন নাভালনি। মাঝ আকাশে আচমকাই অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। ওমস্ক শহরে বিমানের জরুরি অবতরণ করিয়ে শুরু হয় চিকিৎসা। কোমায় চলে যাওয়া নাভালনিকে রাখা হয় আইসিইউতে।

তবে সেখানে সঠিক চিকিৎসা পাবেন না এমন আশঙ্কায় আন্তর্জাতিক হস্তক্ষেপে জার্মানিতে চিকিৎসা নেন নাভালনি। কয়েকটি মামলা থাকায় ক্রেমলিনের অনুমতি নিয়ে বার্লিনে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে দেশে ফেরেন তিনি।

জার্মান চিকিৎসকেরা জানান, নাভালনির ওপরে নভিচক নামে স্নায়ু বিকল করার বিষাক্ত এক রাসায়নিক প্রয়োগ করা হয়েছিল। এ ঘটনায় পুতিন সরকার জড়িত বলে দাবি করে আসছে নাভালনির দল ও পরিবার।

আরও পড়ুন:
পুতিন দানব: ট্রুডো
কারাবন্দি রাশিয়ার বিরোধী নেতা নাভালনি মারা গেছেন
পুতিনের সমালোচক নাভালনির আরও ১৯ বছরের কারাদণ্ড

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
United Nations High Court hearing against Israels occupation begins

ইসরায়েলের দখলের বিরুদ্ধে জাতিসংঘ শীর্ষ আদালতে শুনানি শুরু

ইসরায়েলের দখলের বিরুদ্ধে জাতিসংঘ শীর্ষ আদালতে শুনানি শুরু সোমবার জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অনুরোধে আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালতে আইনি যুক্তিতর্ক ও শুনানি শুরু হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত
সোমবার ফিলিস্তিনিদের আদালতে ভাষণ দেয়ার পর নজিরবিহীন ৫১টি দেশ ও তিনটি আন্তর্জাতিক সংস্থা বক্তব্য রাখবে। এ বিষয়ে মতামত জানাতে কয়েক মাস সময় নিতে পারে আদালত।

৫৭ বছর ধরে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের ভূমি দখল করার বৈধতা নিয়ে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে জাতিসংঘের সর্বোচ্চ আদালতে ঐতিহাসিক শুনানি শুরু হয়েছে।

সোমবার জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অনুরোধে আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালতে আইনি যুক্তিতর্ক ও শুনানি শুরু হয়েছে। এতে প্রথমবারের মতো বক্তব্য রাখবেন ফিলিস্তিনি প্রতিনিধিরা।

ইসরায়েল-হামাস যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে আদালতের গ্রেট হল অফ জাস্টিসে মামলাটি শুরু হলেও অধিকৃত পশ্চিম তীর, গাজা উপত্যকা ও পূর্ব জেরুজালেমকে সংযুক্ত করে ইসরায়েলের অবাধ নিয়ন্ত্রণের বিষয়গুলোও উল্লেখ করা হয়েছে।

ফিলিস্তিনি আইনি দল আন্তর্জাতিক বিচারক প্যানেলকে বলবে যে ইসরায়েল আঞ্চলিক নিয়ন্ত্রণের নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘন করেছে। তারা দখলকৃত বিশাল ভূখণ্ড এবং ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার হরণ করেছে এবং জাতিগত বৈষম্য ও বর্ণবাদী ব্যবস্থা চাপিয়ে দিয়েছে।

ফিলিস্তিনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে জাতিসংঘের সংগঠন বিভাগের প্রধান ওমর আওয়াদাল্লাহ বলেন, 'আমরা আদালতের কাছ থেকে নতুন কথা শুনতে চাই।’

সোমবার ফিলিস্তিনিদের আদালতে ভাষণ দেওয়ার পর নজিরবিহীন ৫১টি দেশ ও তিনটি আন্তর্জাতিক সংস্থা বক্তব্য রাখবে। এ বিষয়ে মতামত জানাতে কয়েক মাস সময় নিতে পারে আদালত।

শুনানির সময় ইসরায়েলের কথা বলার কথা নয়, তবে তারা লিখিত বিবৃতি জমা দিতে পারে।

হিব্রু বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনের অধ্যাপক এবং ইসরায়েল ডেমোক্রেসি ইনস্টিটিউটের সিনিয়র ফেলো ইউভাল শানি বলেন, শান্তি চুক্তি না থাকায় ইসরায়েল নিরাপত্তার অজুহাত দেখিয়ে চলমান দখলদারিত্বকে বৈধতা দেওয়ার চেষ্টা করবে।

তারা হামাসের নেতৃত্বে ৭ অক্টোবরের হামলার দিকে ইঙ্গিত করতে পারে। দক্ষিণ ইসরায়েল জুড়ে ওই হামলায় ১২০০ জনের মৃত্যু হয়েছিল এবং ২৫০ জনকে জিম্মি করে ওই অঞ্চলে নিয়ে যাওয়া হয়।

তবে ফিলিস্তিনি ও নেতৃস্থানীয় মানবাধিকার গোষ্ঠীগুলোর যুক্তি হলো, এই দখলদারিত্ব আত্মরক্ষামূলক ব্যবস্থার চেয়েও অনেক বেশি। তারা বলছেন, এটি একটি বর্ণবাদী ব্যবস্থায় রূপান্তরিত হয়েছে। এর মাধ্যমে অধিকৃত ভূমিতে বসতি নির্মাণের মাধ্যমে উৎসাহিত করা হয়েছে, যা ফিলিস্তিনিদের দ্বিতীয় শ্রেণির মর্যাদা দেয় এবং জর্ডান নদী থেকে ভূমধ্যসাগর পর্যন্ত ইহুদি আধিপত্য বজায় রাখতেই করা হয়েছে। এদিকে ইসরায়েল বর্ণবাদের যেকোনো অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে।

১৯৬৭ সালের মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধে পশ্চিম তীর, পূর্ব জেরুজালেম ও গাজা উপত্যকা দখল করে নেয় ইসরায়েল। ফিলিস্তিনিরা একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের জন্য তিনটি ভুখণ্ডই চায়। ইসরায়েল পশ্চিম তীরকে বিতর্কিত অঞ্চল বলে মনে করে, যার ভবিষ্যৎ আলোচনার মাধ্যমে নির্ধারিত হওয়া উচিত।

পর্যবেক্ষক গ্রুপ পিস নাউয়ের মতে, তারা পশ্চিম তীর জুড়ে ১৪৬টি বসতি নির্মাণ করেছে, যার মধ্যে অনেকগুলো পুরোপুরি উন্নত শহরতলি এবং ছোট শহরগুলোর অনুরূপ। এসব বসতিতে পাঁচ লাখেরও বেশি ইহুদি বসবাস করে এবং প্রায় ৩০ লাখ ফিলিস্তিনি ওই অঞ্চলে বসবাস করে।

ইসরায়েল পূর্ব জেরুজালেমকে সংযুক্ত করে এবং পুরো জেরুজালেমকে তাদের রাজধানী হিসেবে ঘোষণা করে। পূর্ব জেরুজালেমে নির্মিত বসতিগুলোতে অতিরিক্ত দুই লাখ ইসরায়েলি বসবাস করে। যেগুলোকে ইসরায়েল তাদের রাজধানীর প্রতিবেশী হিসেবে বিবেচনা করে। শহরের ফিলিস্তিনি বাসিন্দারা নানা বৈষম্যের মুখোমুখি হয়, যা তাদের পক্ষে নতুন বাড়ি তৈরি করা বা বিদ্যমান বাড়িগুলো সম্প্রসারণ করা কঠিন করে তোলে।

ইসরায়েল ২০০৫ সালে গাজা থেকে তার সমস্ত সৈন্য ও বসতি স্থাপনকারীদের প্রত্যাহার করে নিয়েছিল। তবে অঞ্চলটির আকাশসীমা, উপকূলরেখা ও জনসংখ্যা নিবন্ধনের ক্ষেত্রে তাদের নিয়ন্ত্রণ অব্যাহত রেখেছিল। ২০০৭ সালে ফিলিস্তিনি শসস্ত্র গোষ্ঠী হামাস গাজার ক্ষমতা দখল করলে সেখানে অবরোধ আরোপ করে ইসরায়েল ও মিসর।

আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এসব বসতিকে অবৈধ বলে মনে করে। শহরের সবচেয়ে স্পর্শকাতর পবিত্র স্থান পূর্ব জেরুজালেমে ইসরায়েলি দখলদারিত্বকে স্বীকৃতি দেয়নি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়।

ইসরায়েলি নীতি নিয়ে আদালতকে পরামর্শমূলক মতামত দিতে বলার ঘটনা এটাই প্রথম নয়।

২০০৪ সালে তারা বলেছিল, পূর্ব জেরুজালেম ও পশ্চিম তীরের কিছু অংশের মধ্য দিয়ে ইসরায়েল যে বিচ্ছিন্ন বেষ্টনী নির্মাণ করেছে তা 'আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী'। একই সঙ্গে ইসরাইলকে অবিলম্বে নির্মাণকাজ বন্ধ রাখার আহ্বান জানিয়েছে তারা। ইসরায়েল এই রায় উপেক্ষা করেছে।

এ ছাড়া গত মাসের শেষের দিকে আদালত গাজায় তাদের অভিযানে মৃত্যু, ধ্বংসযজ্ঞ ও যেকোনো ধরনের গণহত্যা ঠেকাতে ইসরাইলকে সম্ভাব্য সব কিছু করার নির্দেশ দেয়। ইসরায়েলের বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগ এনে দক্ষিণ আফ্রিকার দায়ের করা মামলার প্রাথমিক পর্যায়ে এই আদেশ দেওয়া হয়েছে, যে অভিযোগ ইসরায়েল অস্বীকার করেছে।

দক্ষিণ আফ্রিকার ক্ষমতাসীন দল আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেস দীর্ঘদিন ধরে গাজা ও পশ্চিম তীরে ইসরায়েলের নীতিকে দক্ষিণ আফ্রিকার শ্বেতাঙ্গ সংখ্যালঘু শাসনের বর্ণবাদী শাসনের সঙ্গে তুলনা করেছে, যা ১৯৯৪ সালে শেষ হওয়ার আগে বেশিরভাগ কৃষ্ণাঙ্গকে "স্বদেশে" আটকে রেখেছিল।

আরও পড়ুন:
ইসরায়েলের হামলায় নিহতের সংখ্যা ২৯ হাজার ছাড়িয়ে গেছে

মন্তব্য

p
উপরে