× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

আন্তর্জাতিক
Nuclear submarines have also left the Russian nuclear weapon train base
hear-news
player
google_news print-icon

রাশিয়ার পরমাণু অস্ত্রের ট্রেন সচল, ঘাঁটিও ছেড়েছে পরমাণু সাবমেরিন

রাশিয়ার-পরমাণু-অস্ত্রের-ট্রেন-সচল-ঘাঁটিও-ছেড়েছে-পরমাণু-সাবমেরিন-
পরমাণু হামলা চালাতে সক্ষম রাশিয়ার সাবমেরিন বেলগরোদ। ছবি: সংগৃহীত
রাশিয়ার দখল করা একের পর এক অঞ্চল পুনরুদ্ধারের দাবি করছে কিয়েভ। এমন পরিস্থিতিতে প্রথাগত যুদ্ধে পিছিয়ে পড়লেও রাশিয়ার পরমাণু বাহিনী তৎপরতা শুরু করেছে। কিন্তু এটি কি কোনো মহড়ার প্রস্তুতি, নাকি সত্যিই ইউক্রেনে পরমাণু অস্ত্র ব্যবহার করতে যাচ্ছে রাশিয়ার সেনারা। উদ্দেশ্য এখনও স্পষ্ট নয়।

ক্রিমিয়ার পর নতুন করে ইউক্রেনের চার অঞ্চলকে রাশিয়ার ভূখণ্ডের সঙ্গে যুক্ত করার আনুষ্ঠানিক ঘোষণাকে তোয়াক্কা করছে না ইউক্রেনীয় সেনারা। এরই মধ্যে দোনেৎস্কের গুরুত্বপূর্ণ শহর লেমিন থেকে রুশ সেনাদের হটিয়ে দেয়ার দাবি করেছে কিয়েভ। এ ছাড়া খেরসন অঞ্চলের দুটি শহরকে পুনরুদ্ধারের দাবি করেছেন প্রেসিডেন্ট ভলদিমির জেলেনস্কি।

এমন পরিস্থিতিতে যখন প্রথাগত যুদ্ধে রাশিয়ার সেনারা সাফল্য আনতে পারছে না তখন রাশিয়ার পরমাণু বাহিনীর তৎপরতা শুরু হয়েছে বলে জানা গেছে ডেইলি মেইলের এক প্রতিবেদনে

রাশিয়ার পরমাণু অস্ত্রের সরঞ্জামবাহী ট্রেন এরই মধ্যে যাত্রা শুরু করেছে। তবে এর গন্তব্য অজানা। ট্রেনটি রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণে থাকা পরমাণু অস্ত্র সংক্রান্ত বিভাগের। যারা মূলত পরমাণু অস্ত্র মজুত, রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে থাকে।

রাশিয়া পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করবে- এমনটা এখনও নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।

সমর বিশারদ কনরাদ মুসিকা বলেন, ‘পরমাণু ইউনিটের ভারী সামরিক সরঞ্জাম চলাচলের মানে এই নয় যে রাশিয়া ইউক্রেনে পারমাণবিক অস্ত্র মোতায়েনের প্রস্তুতি নিচ্ছে।’

তবে মুসিকার মতে, এটি (রাশিয়া) পশ্চিমের কাছে একটি সংকেত হতে পারে যে মস্কো সংঘাতের পরিধি বাড়াচ্ছে।

রাশিয়ার পরমাণু অস্ত্রের ট্রেন সচল, ঘাঁটিও ছেড়েছে পরমাণু সাবমেরিন
রাশিয়ার স্ট্র্যাটেজিক রকেট ফোর্সেস

তবে বছরের এ সময় এমনিতেও রাশিয়ার স্ট্র্যাটেজিক রকেট ফোর্সেস (আরভিএসএন) শরৎকালীন মহড়া চালিয়ে থাকে।

আরভিএসএন হচ্ছে রাশিয়ার সশস্ত্র বাহিনীর একটি বিশেষ শাখা, যা দেশটির পারমাণবিক প্রতিরক্ষা ও প্রতিরোধ কর্মসূচির ভিত্তি। এই বাহিনী বিশ্বের সবচেয়ে বড় পরমাণু অস্ত্রবাহী ক্ষেপণাস্ত্রসংক্রান্ত বাহিনী।

আরভিএসএন অনেক মিসাইল রেজিমেন্টের সমন্বয়ে গঠিত। যাদের কাছে আছে হাজার হাজার পারমাণবিক অস্ত্র ও আন্তর্মহাদেশীয় ব্যালাস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র (আইসিবিএম)।

এদিকে শুধু পরমাণু অস্ত্রের সরঞ্জামবাহী ট্রেনই নয়। পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটো জানিয়েছে, আর্কটিকে থাকা রাশিয়ার নৌঘাটি থেকে পরমাণু অস্ত্র বহনে সক্ষম ‘বেলগরোদ’ পরমাণু শক্তিচালিত সাবমেরিন ঘাঁটি ছেড়ে গেছে।

রাশিয়ার পরমাণু অস্ত্রের ট্রেন সচল, ঘাঁটিও ছেড়েছে পরমাণু সাবমেরিন
পোসাইডন

ন্যাটো বলছে, বেলগরোদ সাবমেরিনটি ‘কারা’ সাগরে বিশেষ পরমাণু অস্ত্র পোসাইডন পরীক্ষা করতে পারে।

পোসাইডন হলো এমন এক পারমাণবিক ড্রোন, যা উপকূলীয় অঞ্চলে ১ হাজার ৬০০ ফুট উচ্চতার সুনামি তৈরি করতে পারে।

এর আগে সম্প্রতি রুশ সামরিক ব্যর্থতার কারণে চেচেন প্রজাতন্ত্রের নেতা রমজান কাদিরভ ইউক্রেনে স্বল্পমাত্রার পারমাণবিক বোমা ব্যবহারের আহ্বান জানিয়েছিলেন।

যদিও কাদিরভের বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে ক্রেমলিন মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ স্পষ্ট করে বলেছিলেন, আবেগ দিয়ে নয়। নিউক্লিয়ার ডকট্রেইন (পরমাণু অস্ত্র ব্যবহারের নীতি) মোতাবেক সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

আরও পড়ুন:
ইউক্রেনের আরও দুই অঞ্চলের স্বাধীনতায় স্বীকৃতি পুতিনের
ইউক্রেনে ঢুকতে পারে ন্যাটো সেনা: পোল্যান্ডের মন্ত্রী
ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে আলোচনা চায় ভারত ও চীন  
রুশ নিয়ন্ত্রিত অঞ্চলে ভোট দেয়া যাচ্ছে রাশিয়ার বিপক্ষেও
পারমাণবিক হুমকি মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতি পোল্যান্ডের

মন্তব্য

আরও পড়ুন

আন্তর্জাতিক
The West fixed the price of oil Russia is bent

তেলের দাম বেঁধে দিল পশ্চিমারা, বেঁকে বসেছে রাশিয়া

তেলের দাম বেঁধে দিল পশ্চিমারা, বেঁকে বসেছে রাশিয়া সমুদ্রপথে রাশিয়ার অপরিশোধিত তেল পরিবহন। ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্র বলছে, তেলের দাম বেঁধে দিলে আয় কমে যাবে রাশিয়ার। এই উদ্যোগ যুদ্ধে মস্কোর অর্থ ঢালার সামর্থ্যের লাগাম টেনে ধরবে।

ইউক্রেনের সঙ্গে গত ফেব্রুয়ারি থেকে যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে রাশিয়া। এমন পরিস্থিতিতে রাশিয়ার আয় কমাতে দেশটির অন্যতম রপ্তানিপণ্য জ্বালানি তেলের দাম বেঁধে দিয়েছে পশ্চিমা দেশগুলোর জোট জি-৭।

শুক্রবার পশ্চিমা জোট জানায়, সমুদ্রপথে আসা রাশিয়ার অপরিশোধিত তেল প্রতি ব্যারেল ৬০ ডলার বা এর চেয়ে কম দামে কিনতে হবে।

সোমবার থেকে এই দাম কার্যকর হবে।

রাশিয়া বলেছে যে এই দামে তারা তেল সরবরাহ করবে না।

আর ইউক্রেন বলেছে, পশ্চিমা-প্রস্তাবিত এই দাম অর্ধেক করা উচিত।

যুক্তরাষ্ট্র বলছে, তেলের দাম বেঁধে দিলে আয় কমে যাবে রাশিয়ার। এই উদ্যোগ যুদ্ধে মস্কোর অর্থ ঢালার সামর্থ্যের লাগাম টেনে ধরবে।

বিশ্বের শীর্ষ সাত অর্থনীতির দেশের জোট জি৭-এর পক্ষ থেকে গত সেপ্টেম্বরে জানানো হয়, ডিসেম্বর মাসের মধ্যে তেলের দাম কমানোর বিষয়ে একটা সিদ্ধান্তে পৌঁছবে তারা। তারই ধারাবাহিকতায় পশ্চিমা দেশগুলো এমন উদ্যোগ নিয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী জ্যানেট ইয়েলেন বলেন, তেলের দাম বেঁধে দেয়ায় রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের আয়ের উৎস আরও সীমাবদ্ধ হয়ে পড়বে। তিনি নৃশংস যুদ্ধে অর্থায়নের জন্য যে অর্থ ব্যবহার করছেন তা সীমিত হয়ে আসবে।

সমুদ্রপথে রাশিয়ার অপরিশোধিত তেল সরবরাহে ইউরোপের নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে ৫ ডিসেম্বর থেকে। এর আগে এই দাম বেঁধে দেয়ার কথা জানালো জি-৭। বিশ্বব্যাপী তেলের দাম বৃদ্ধি রোধ করাও এই দাম বেঁধে দেয়ার লক্ষ্য বলে জি-৭-এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

জি-৭ দেশগুলোর নীতিতে স্বাক্ষরকারী দেশগুলো বেঁধে দেয়া দামে কেবল সমুদ্রপথে পরিবহন করা রুশ তেল এবং পেট্রোলিয়াম-পণ্য কেনার অনুমতি পাবে। নির্ধারিত দামের চেয়ে ব্যারেলপ্রতি বেশি অর্থ প্রদান না করলে পশ্চিমা বিমা ও সামুদ্রিক পরিষেবা ব্যবহার করে রাশিয়ার অপরিশোধিত তেল আমদানি চালিয়ে যাওয়ার অনুমতি দেবে জি-৭।

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Biden is ready to meet with Putin to stop the war

পুতিনের সঙ্গে সাক্ষাতে প্রস্তুত বাইডেন

পুতিনের সঙ্গে সাক্ষাতে প্রস্তুত বাইডেন
ইউক্রেন ইস্যুতে বাইডেনের সঙ্গে আলোচনা করেছেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ। ছবি: সংগৃহীত
হোয়াইট হাউসে বৈঠকের পর যুক্তরাষ্ট্র ও ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইউক্রেনের সার্বভৌমত্ব এবং আঞ্চলিক অখণ্ডতার প্রতি অব্যাহত সমর্থনের প্রতিশ্রুতি দিয়ে একটি যৌথ বিবৃতি দেন। এতে কিয়েভের জন্য বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সরবরাহ বৃদ্ধি এবং প্যারিসে ইউক্রেন ইস্যুতে একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলনের পরিকল্পনার কথা বলা হয়েছে। সম্মেলনটি ১৩ ডিসেম্বর হওয়ার কথা রয়েছে।

ইউক্রেনের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ বন্ধে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। হোয়াইট হাউসে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁর সঙ্গে বৈঠক শেষে এ কথা বাইডেন। এ সময় দুই শক্তিধর দেশের রাষ্ট্রপ্রধানই রাশিয়ার যুদ্ধের বিরুদ্ধে নিজেদের অবস্থান জানান।

বাইডেন বলেন, ‘আমি পুতিনের সঙ্গে কথা বলতে প্রস্তুত... যদি সত্যিই তিনি যুদ্ধ শেষ করতে চান।’

পুতিনের সঙ্গে বাইডেনের বৈঠক নিয়ে ক্রেমলিনের পক্ষ থেকে বলা হয়, ‘আমাদের স্বার্থ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে রুশ প্রেসিডেন্ট বৈঠকে রাজি।’

যদিও ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকোভ সাংবাদিকদের বলেছেন, ‘নিশ্চিতভাবে আমেরিকার শর্ত মানতে প্রস্তুত নয় মস্কো। প্রেসিডেন্ট বাইডেন আসলে কী বলেছেন? তিনি বলেছেন যে পুতিন ইউক্রেন ছেড়ে যাওয়ার পরই আলোচনা সম্ভব। ’

যুক্তরাষ্ট্রের শর্ত আলোচনার ক্ষেত্রকে জটিল করে তুলেছে উল্লেখ করে পেসকোভ বলেন, ‘ইউক্রেন থেকে নেয়া নতুন রুশ অঞ্চলকে স্বীকৃতি দেয়নি যুক্তরাষ্ট্র।’

এদিকে বাইডেনের সঙ্গে বৈঠকের পর ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ জানান, যেসব বিষয় ইউক্রেনীয়দের গ্রহণযোগ্য নয়, সেসব বিষয়ে দেশটির নাগরিকদের আপসের অনুরোধ তিনি করবেন না।

গত ২৪ ফেব্রুয়ারি রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হয়। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টের উপদেষ্টা মাইখাইলো পোডোলিয়াক জানিয়েছেন, যুদ্ধে তাদের ১০ থেকে ১৩ হাজার সেনা নিহত হয়েছেন। তবে এ বিষয়ে ইউক্রেন সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে কোনো মন্তব্য আসেনি।

গত মাসে আমেরিকান জেনারেল মার্ক মিলি বলেছিলেন, ‘যুদ্ধ শুরুর থেকে ইউক্রেনের ১ লাখ এবং রাশিয়ার ১ লাখ সেনা হতাহত হয়েছেন।’

এক ভিডিও বার্তায় বুধবার ইউরোপীয় কমিশনের প্রধান উরসুলা ভন ডের লেইন বলেন, ‘রুশ হামলায় এক লাখ ইউক্রেনীয় সেনা নিহত হয়েছেন। পরে অবশ্য ইউরোপীয় কমিশনের একজন মুখপাত্র জানান, হতাহতার এই সংখ্যা ভুল ছিল।

ইউরোপীয় কমিশনের প্রধান আরও জানান, ইউক্রেন যুদ্ধে প্রায় ২০ হাজার বেসামরিক নাগরিকও প্রাণ হারিয়েছেন।’

হোয়াইট হাউসে বৈঠকের পর যুক্তরাষ্ট্র ও ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইউক্রেনের সার্বভৌমত্ব এবং আঞ্চলিক অখণ্ডতার প্রতি অব্যাহত সমর্থনের প্রতিশ্রুতি দিয়ে একটি যৌথ বিবৃতি দেন। এতে কিয়েভের জন্য বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সরবরাহ বৃদ্ধি এবং প্যারিসে ইউক্রেন ইস্যুতে একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলনের পরিকল্পনার কথা বলা হয়েছে। সম্মেলনটি ১৩ ডিসেম্বর হওয়ার কথা রয়েছে।

আরও পড়ুন:
যুদ্ধে সর্বোচ্চ ১৩ হাজার সেনা নিহত: ইউক্রেন
শান্তি আলোচনার শর্ত জানাল রাশিয়া
কিয়েভে তুষারপাত, বিদ্যুতের অভাবে শীতে জবুথবু মানুষ
খেরসন ছাড়ার পর রাশিয়ার ছোড়া গোলায় নিহত ৩২: ইউক্রেন
মিসাইল ভান্ডার ফুরিয়েছে রাশিয়ার, দাবি ব্রিটিশ গোয়েন্দাদের

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Maximum 13 thousand soldiers killed in the war Ukraine

যুদ্ধে সর্বোচ্চ ১৩ হাজার সেনা নিহত: ইউক্রেন

যুদ্ধে সর্বোচ্চ ১৩ হাজার সেনা নিহত: ইউক্রেন ইউক্রেনের ত্রস্তিয়ানেৎস শহরে যুদ্ধের পর রাশিয়ার সামরিক সরঞ্জামের পাশে ইউক্রেনীয় সেনা। ছবি: এএফপি
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলদিমির জেলেনস্কির উপদেষ্টা মিখাইলো পোদোলিয়াক বলেছেন, যুদ্ধে দেশটির নিহত সেনার সংখ্যা ১০ থেকে ১৩ হাজার।

চলতি বছরের ২৪ ফেব্রুয়ারি রাশিয়ার সঙ্গে শুরু হওয়া যুদ্ধে সর্বোচ্চ ১৩ হাজার ইউক্রেনীয় সেনা নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন দেশটির জ্যেষ্ঠ এক কর্মকর্তা।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলদিমির জেলেনস্কির উপদেষ্টা মিখাইলো পোদোলিয়াক বলেছেন, নিহত সেনার সংখ্যা ১০ থেকে ১৩ হাজার।

বিবিসির প্রতিবেদনে জানানো হয়, ইউক্রেনের পক্ষ থেকে যুদ্ধে প্রাণ হারানো সেনাদের সংখ্যা প্রকাশের ঘটনা বিরল। যদিও পোদোলিয়াকের দেয়া তথ্যটি নিশ্চিত করেনি দেশটির সেনাবাহিনী।

এর আগে জুনে ইউক্রেন প্রেসিডেন্টের এই উপদেষ্টা বলেছিলেন, রাশিয়ার সঙ্গে লড়াইয়ে দৈনিক প্রাণ হারাচ্ছেন ১০০ থেকে ২০০ ইউক্রেনীয় সেনা।

গত মাসে যুক্তরাষ্ট্রের জয়েন্ট চিফস অফ স্টাফ চেয়ারম্যান মার্ক মিলি জানান, যুদ্ধের শুরু থেকে প্রায় ১ লাখ রুশ এবং সমসংখ্যক ইউক্রেনীয় সেনা হতাহত হয়েছেন।

গত বুধবার এক ভিডিও বার্তায় ইউরোপিয়ান কমিশনের প্রধান উরসুলা ফন দার লিয়েন বলেন, যুদ্ধে নিহত ইউক্রেনীয় সেনার সংখ্যা ১ লাখ।

ওই বক্তব্যের পর ইউরোপীয় কমিশনের এক মুখপাত্র জানান, উরসুলার বক্তব্যটি ভুল ছিল। ওই ১ লাখের মধ্যে নিহত ও আহত রয়েছেন।

ইউক্রেনের সংবাদমাধ্যম চ্যানেল টোয়েন্টিফোরকে পোদোলিয়াক বলেন, নিহতের সংখ্যা নিয়ে খোলাখুলি কথা বলছে কিয়েভ।

তার ভাষ্য, বিভিন্ন উৎস থেকে পাওয়া দাপ্তরিক তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধে প্রাণ হারিয়েছেন ১০ হাজার থেকে সাড়ে ১২ কিংবা ১৩ হাজার সেনা।

আরও পড়ুন:
ইউক্রেনের পাশাপাশি মলদোভায়ও ব্ল্যাকআউট
সেনা হত্যায় কড়া প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি রাশিয়ার
জেলেনস্কির সঙ্গে দেখা করলেন ঋষি সুনাক
এবার ইউক্রেনের গ্যাস প্ল্যান্টে রুশ হামলা  
রুশ ক্ষেপণাস্ত্রে পোল্যান্ডে প্রাণহানি: বসছেন ন্যাটো নেতারা

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Letter bombs target Prime Minister and US Embassy in Spain

স্পেনে ‘লেটার বম্ব’ আতঙ্ক

স্পেনে ‘লেটার বম্ব’ আতঙ্ক ‘লেটার বোম্ব’ আতঙ্কে স্পেনে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত
তদন্ত সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র বলেছে, ডিভাইসগুলো বাড়িতে তৈরি হলেও, এর জন্য দক্ষ লোক দরকার। তদন্তকারীরা এখন এগুলোর প্রকৃত উৎস খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে।

স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ এবং রাজধানী মাদ্রিদে আমেরিকান দূতাবাসে ‘লেটার বম্ব’ দেয়ার পর ইউরোপের দেশটিতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। এ নিয়ে স্পেনে ছয়টি ‘লেটার বম্ব’ শনাক্তের ঘটনা ঘটল।

‘লেটার বম্ব’ হলো এমন একটি বোমা যা চিঠি বা পার্সেল আকারে পাঠানো হয় এবং খোলার সময় এটি বিস্ফোরিত হয়।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র বলেছে, ডিভাইসগুলো বাড়িতে তৈরি হলেও, এর জন্য দক্ষ লোক দরকার। তদন্তকারীরা এখন এগুলোর প্রকৃত উৎস খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে।

স্পেনে আমেরিকান দূতাবাসে বৃহস্পতিবার ষষ্ঠ ‘লেটার বম্বটি’ শনাক্ত করা হয়।

এর আগে একটি ‘লেটার বম্ব’ মাদ্রিদের কাছে একটি বিমানবাহিনী ঘাঁটিতে পাঠানো হয়েছিল। সেটি বৃহস্পতিবার ভোরের আগেই শনাক্ত করা হয়। এ ছাড়া বুধবার স্পেনের ইউক্রেন দূতাবাসে পাঠানো ‘লেটার বম্বের’ বিস্ফোরণ ঘটে। এতে একজন আহত হন। আরেকটি অস্ত্র প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানে পাঠানো ‘লেটার বম্বটি’ নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে।

এদিকে গত ২৪ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজের অফিস মনক্লোয়া কম্পাউন্ডে ‘লেটার বম্ব’ পাঠানো হয়। সেটি নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে বলে জানিয়েছে স্পেনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

স্পেনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়েও একটি ‘লেটার বম্ব’ পাঠানো হয়েছে বলে জানায় স্পেনের নিরাপত্তা বিষয়ক জুনিয়র মন্ত্রী রাফায়েল পেরেজ।

আরও পড়ুন:
জাপানকে হারিয়ে প্রথমবার বিশ্বকাপ জিতল স্পেন
ঘেরের পাশে বাঘের হাঁটাহাঁটি, গোলাখালী গ্রামে আতঙ্ক
সম্পর্কের ৫০: প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা স্পেনের প্রেসিডেন্টের
যৌনবৃত্তি বন্ধের অঙ্গীকার স্পেনের প্রধানমন্ত্রীর
ইউরোপে বিশ্বকাপ বাছাইয়ে গোলবন্যা

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Harry Meghan relationship trailer on Netflix

হ্যারি-মেগান সম্পর্কের ট্রেলার নেটফ্লিক্সে

হ্যারি-মেগান সম্পর্কের ট্রেলার নেটফ্লিক্সে নেটফ্লিক্স ডকুমেন্টারিতে সাসেক্সের ডিউক এবং ডাচেস। ছবি: সংগৃহীত
ডকুমেন্টারিতে হ্যারি-মেগান দম্পতির কিছু ব্যক্তিগত ছবি রয়েছে, এগুলো আগে কখনও প্রকাশ হয়নি। বলা হচ্ছে, এটি একটি বৈশ্বিক ঘটনা।’   

ব্রিটিশ রাজপরিবারের সদস্য হ্যারি এবং তার স্ত্রী মেগানের নতুন ডকুমেন্টারি সিরিজের ট্রেলার প্রকাশ করেছে নেটফ্লিক্স। এক মিনিটের ট্রেলারে ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিকের সঙ্গে দম্পতির অপ্রকাশিত কিছু সাদা-কালো ছবি দেখা গেছে।

ট্রেলারে দম্পতিকে প্রশ্ন করা হয় কেন তারা এই ডকুমেন্টারি বানাতে চান? যার উত্তরে হ্যারি বলেন, ‘বন্ধ দরজার আড়ালে কি ঘটছে তা কেউ দেখে না।

‘পরিবারকে রক্ষা করার জন্য যা যা করা সম্ভব আমাকে তাই করতে হয়েছিল’... এ সময় পাশে থাকা মেগানকে চোখের পানি মুছতে দেখা যায়।

মেগানের একটি বক্তব্য দিয়ে ট্রেলারটি শেষ হয়।

মেগান বলেন, ‘যেহেতু বিষয়টা এতোই গুরুত্বপূর্ণ, তখন আমাদের গল্পটা আমাদের কাছ থেকেই শোনা ভালো না?’

ট্রেলারে যে ছবিগুলো প্রকাশ হয়েছে সেগুলোর মধ্যে আছে, ২০২০ সালে কমনওয়েলথ ডে সার্ভিসে বড় ভাই উইলিয়াম ও ভাবী কেটের সঙ্গে হ্যারি-মেগান দম্পতির ছবি। রাজপরিবারের সদস্য হিসেবে জনসম্মক্ষে তাদের সর্বশেষ উপস্থিতি ছিল সেদিন।

রান্নাঘরের টেবিলে বসা মেগানকে চুমো খাচ্ছেন হ্যারি...এমন আনন্দের মুহূর্তের ছবিও আছে ট্রেলারে। এ ছাড়া নবদম্পতি তাদের বিয়েতে নাচছে, একটি ফটোবুথে পরস্পরকে জড়িয়ে ধরে রেখেছে এবং মেগানের বেবি বাম্পের ছবিও প্রকাশ হয়েছে ট্রেলারে।

এসবের পাশাপাশি তাদের কষ্টের মুহুর্তগুলোও স্থান পেয়েছে ট্রেলারে; যেখানে মেগানকে চোখের পানি মুছতে এবং মুখ ঢেকে বসে থাকতে দেখা যায়।

হ্যারি-মেগান সম্পর্কের ট্রেলার নেটফ্লিক্সে

হ্যারি অ্যান্ড মেগান শিরোনামের ডকুমেন্টারিটিকে একটি ‘গ্লোবাল ইভেন্ট’ বলে বর্ণনা করছে নেটফ্লিক্স। ‘শিগগিরই আসছে’ লেখা দিয়ে ট্রেলারটি শেষ হয়। ধারণা করা হচ্ছে, ৮ ডিসেম্বর এটি মুক্তি পাবে।

নেটফ্লিক্স জানায়, বিয়ের পরপর হ্যারি-মেগানের গোপন দিনগুলো; রাজপরিবার থেকে তাদের দূরে সরে যাওয়া বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়েছে ডকুমেন্টারিতে। এতে হ্যারি-মেগান দম্পতির বন্ধু, তাদের পরিবার এবং রাজকীয় ইতিহাসবিদদের বক্তব্যও রয়েছে।

নেটফ্লিক্স জানায়, সিরিজটিতে এক দম্পতির প্রেমের গল্পের চেয়েও বেশি কিছু রয়েছে। এখানে বিশ্ব এবং একে-অপরের সঙ্গে আমরা কেমন আচরণ করি, সেসবের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।

এমি-জয়ী পরিচালক লিজ গারবাস এটি নির্মাণ করেছেন। দুইবার একাডেমি পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছিলেন তিনি।

রাজতন্ত্র ছেড়ে যুক্তরাষ্ট্রে চলে যাওয়ার পর নেটফ্লিক্স এবং স্পোটিফাই-এর সঙ্গে ‘লোভনীয়’ চুক্তিতে সই করেন হ্যারি-মেগান। বলা হচ্ছে, এই চুক্তির মূল্য ১০০ মিলিয়ন পাউন্ড।

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Russia announced the terms of peace talks

শান্তি আলোচনার শর্ত জানাল রাশিয়া

শান্তি আলোচনার শর্ত জানাল রাশিয়া ২৪ নভেম্বর পূর্ব ইউক্রেনের ফ্রন্টলাইন অবস্থানের দিকে এগোচ্ছে ইউক্রেনীয় সেনারা। ছবি: এএফপি
মস্কো এবং কিয়েভের মধ্যে সম্ভাব্য সংলাপ শুরু করার জন্য কোনো পূর্বশর্ত আছে কি না, জানতে চাইলে পেসকভ বলেন, ‘এ জন্য আসলে রাজনৈতিক ইচ্ছা থাকতে হবে। আমরা দীর্ঘদিন ধরে যে দাবিগুলো তুলে আসছি, সেগুলো নিয়ে আলোচনার মানসিকতা রাখতে হবে।’

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট কার্যালয় ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ বলেছেন, রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে শান্তি আলোচনা তখনই শুরু হতে পারে যখন সংলাপের জন্য কিয়েভের প্রকৃত ‘রাজনৈতিক সদিচ্ছা’ দেখতে পাবে মস্কো। চলতি মাসের শুরুর দিকে পেসকভ জানিয়েছিলেন, ইউক্রেনের বর্তমান নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনায় বসতে রাশিয়া নারাজ।

মস্কোয় সংবাদ সম্মেলনে মঙ্গলবার এ কথা জানান পেসকভ। মস্কো এবং কিয়েভের মধ্যে সম্ভাব্য সংলাপ শুরু করার জন্য কোনো পূর্বশর্ত আছে কি না, জানতে চাইলে পেসকভ বলেন, ‘এ জন্য আসলে রাজনৈতিক ইচ্ছা থাকতে হবে। আমরা দীর্ঘদিন ধরে যে দাবিগুলো তুলে আসছি, সেগুলো নিয়ে আলোচনার মানসিকতা রাখতে হবে।’

নভেম্বরের মাঝামাঝি ইন্দোনেশিয়ার বালিতে জি-২০ সম্মেলনে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির জেলেনস্কি জোর গলায় বলেছিলেন, ইউক্রেন এমন কোনো চুক্তি করবে না যেটা কার্যকরের পর রাশিয়া লঙ্ঘন করবে।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ২০১৪ এবং ২০১৫ সালে যথাক্রমে জার্মানি এবং ফ্রান্সের মধ্যস্থতায় মিনস্ক-১ এবং মিনস্ক-২ চুক্তির কথা উল্লেখ করেন। চুক্তি শর্তের মধ্যে ছিল, ইউক্রেনের দোনেৎস্ক ও লুগানস্ক অঞ্চলকে বিশেষ মর্যাদার দিতে হবে।

চুক্তি বাস্তবায়নে কিয়েভের ব্যর্থতা উল্লেখ করে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনে অভিযান শুরু করেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।

জি-২০ সম্মেলনে জেলেনস্কির মন্তব্যের বিষয়ে পেসকভ বলেন, ‘ইউক্রেন যে আলোচনায় রাজি না সে বিষয়ে মস্কো পুরোপুরি নিশ্চিত।’

বালিতে বিভিন্ন রাষ্ট্রপ্রধানদের সম্বোধন করে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ১০ দাবি তোলেন। তার মতে এগুলো পূরণ হলে, যুদ্ধ বন্ধ হতে পারে। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে ইউক্রেনীয় অঞ্চল থেকে রাশিয়ান বাহিনীর সম্পূর্ণ প্রত্যাহার, সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর ১৯৯১ সালে যে সীমানা নির্ধারণ করা হয়েছিল, তার প্রতি শ্রদ্ধা দেখাতে হবে।

নভেম্বরের শুরুর দিকে ওয়াশিংটন পোস্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ও তার প্রশাসন ব্যক্তিগতভাবে চাইছে যে কিয়েভ যেন রাশিয়ার সঙ্গে আলোচনায় বসে। তারপরই ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি এই বক্তব্য রাখেন।

যুক্তরাষ্ট্রের এই কারণে উদ্বিগ্ন ছিল যে ‘অসংলগ্ন’ অবস্থানের কারণে পশ্চিমা সমর্থন হারাতে পারে কিয়েভ। বিষয়টাকে হোয়াইট হাউসের কর্মকর্তারা ক্রমবর্ধমান ‘ইউক্রেন ক্লান্তি’ বলে বর্ণনা করেছেন।

প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, কিয়েভকে আলোচনায় আনার বিষয়ে ওয়াশিংটন সিরিয়াস ছিল না। বাইডেন প্রশাসন কেবল ইউক্রেনে অস্ত্র ও অন্যান্য সহায়তা নিশ্চিতের চেষ্টা মনোযোগী ছিল।

আরও পড়ুন:
সেনা হত্যায় কড়া প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি রাশিয়ার
শিডিউল জটিলতায় রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সফর বাতিল: মোমেন
জেলেনস্কির সঙ্গে দেখা করলেন ঋষি সুনাক
এবার ইউক্রেনের গ্যাস প্ল্যান্টে রুশ হামলা  
রুশ ক্ষেপণাস্ত্রে পোল্যান্ডে প্রাণহানি: বসছেন ন্যাটো নেতারা

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
100 companies in the UK set a 4 day working week

যুক্তরাজ্যের ১০০ কোম্পানিতে সাপ্তাহিক ছুটি ৩ দিন

যুক্তরাজ্যের ১০০ কোম্পানিতে সাপ্তাহিক ছুটি ৩ দিন ছবি: সংগৃহীত
কর্মীরা জানান, সপ্তাহে পাঁচ দিন কাজ করার কারণে কাজের প্রতি তাদের বিরক্তি চলে আসতো। কাজ ঠিকভাবে সম্পন্ন করতে পারতেন না। মানসিক চাপ অনুভব করতেন। সপ্তাহে চার দিন কাজের সময় নির্ধারণ করার সিদ্ধান্তকে তারা সাধুবাদ জানান।

যুক্তরাজ্যের ১০০টি প্রতিষ্ঠান সপ্তাহে পাঁচ দিনের পরিবর্তে চার দিন কাজ করবে বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর ফলে প্রতিষ্ঠানগুলোতে সাপ্তাহিক ছুটি এখন থেকে দুই দিনের পরিবর্তে তিন দিন হচ্ছে।

সম্প্রতি এ প্রতিষ্ঠানগুলোর কর্তৃপক্ষ এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে এনডিটিভির এক প্রতিবেদন জানিয়েছে।

এই প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে এটম ব্যাংক ও গ্লোবাল মার্কেটিং কোম্পানি অ্যাউইনের মতো প্রতিষ্ঠান রয়েছে। ওই দুই প্রতিষ্ঠানে প্রায় ৯০০ জন কর্মী কাজ করেন।

কর্তৃপক্ষ বলছে, কাজের দিন কমলেও কর্মীদের বেতন কমানো হবে না।

যে ১০০ প্রতিষ্ঠানে কর্মঘণ্টা কমানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে সেই প্রতিষ্ঠানগুলোতে প্রায় ২৬০০ কর্মী কাজ করছেন। সপ্তাহে চারদিন কাজ করলে কর্মীদের মধ্যে কাজের আগ্রহ বাড়বে বলে মনে করে মালিকপক্ষ।

কর্মীরা জানান, সপ্তাহে পাঁচ দিন কাজ করার কারণে কাজের প্রতি তাদের বিরক্তি চলে আসতো। কাজ ঠিকভাবে সম্পন্ন করতে পারতেন না। মানসিক চাপ অনুভব করতেন। সপ্তাহে চার দিন কাজের সময় নির্ধারণ করার সিদ্ধান্তকে তারা সাধুবাদ জানান।

তারা আরও জানান, এতে তারা কাজ আরও সুন্দরভাবে করতে পারবেন কোনো চাপ ছাড়াই।

দ্য গার্ডিয়ান এই সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানিয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির মতে, এই পদ্ধতিতে কর্মীদের দক্ষতা বাড়বে।

কর্তৃপক্ষ মনে করছে, পাঁচ দিনের পরিবর্তে চারদিন কাজ করলেও কর্মীরা কাজ কম করবেন না। সময় কমলেও কাজের ক্ষেত্রে কোনো নেতিবাচক প্রভাব পড়বে না। বরং আগের চেয়ে কাজে আরও বেশি মনযোগ দিতে পারবেন কর্মীরা। ফলে কর্মীদের মানসিক ও শারীরিক স্বাস্থ্য ভালো থাকবে।

আরও পড়ুন:
ঋষি আসলে কতটা ভারতীয়  
গীতায় হাত রেখেই শপথ নেবেন ঋষি
ঋষিকে নিয়ে ভারতের গণমাধ্যমে উচ্ছ্বাস  
ঐক্যবদ্ধ যুক্তরাজ্য গড়তে কাজ করব: ঋষি সুনাক
আধুনিক ব্রিটেনের সর্বকনিষ্ঠ প্রধানমন্ত্রী ঋষি

মন্তব্য

p
উপরে