× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

আন্তর্জাতিক
19 killed in an explosion at an educational center in Kabul
hear-news
player
google_news print-icon

কাবুলে শিক্ষা কেন্দ্রে বিস্ফোরণে নিহত ১৯

কাবুলে-শিক্ষা-কেন্দ্রে-বিস্ফোরণে-নিহত-১৯
কাবুল শহরের বিভিন্ন ভবন। ছবি: সংগৃহীত
হামলাস্থল দাশত-ই-বারচি এলাকার বাসিন্দাদের অনেকে সংখ্যালঘু হাজারা সম্প্রদায়ের। অতীতে অনেক হামলার শিকার হয়েছে এ সম্প্রদায়ের লোকজন। সর্বশেষ হামলার পর তাৎক্ষণিকভাবে দায় স্বীকার করেনি কোনো পক্ষ।

আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে শুক্রবার একটি শিক্ষা কেন্দ্রে বিস্ফোরণে কমপক্ষে ১৯ জন নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছে আরও অনেকে।

শহরের পশ্চিমে দাশত-ই-বারচি এলাকায় ‘কাজ’ নামের শিক্ষা কেন্দ্রে এ হামলা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।

শিক্ষা কেন্দ্রের কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে বিবিসির প্রতিবেদনে জানানো হয়, হামলার সময় সেখানে পরীক্ষা চলছিল।

দাশত-ই-বারচি এলাকার বাসিন্দাদের অনেকে সংখ্যালঘু হাজারা সম্প্রদায়ের। অতীতে অনেক হামলার শিকার হয়েছে এ সম্প্রদায়ের লোকজন।

হামলার পর তাৎক্ষণিকভাবে দায় স্বীকার করেনি কোনো পক্ষ।

আফগানিস্তানে তালেবান নেতৃত্বাধীন সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আবদুল নাফি টাকোর হামলার নিন্দা জানিয়ে বলেন, ঘটনাস্থলে গেছে নিরাপত্তা দল।

তিনি বলেন, বেসামরিক লক্ষ্যবস্তুতে আঘাতের মধ্য দিয়ে শত্রুরা তাদের নিষ্ঠুরতা ও নৈতিকতাহীনতার পরিচয় দিয়েছে।

গত বছরের আগস্টে ক্ষমতায় আসে তালেবান। দলটির ভাষ্য, তারা আফগানিস্তানে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছে, তবে দক্ষিণ এশিয়ার দেশটিতে নিয়মিত হামলা চালিয়ে যাচ্ছে জঙ্গি সংগঠন ইসলামিক স্টেট (আইএস)।

দাশত-ই-বারচি এলাকায় বেশ কিছু হামলা হয়েছে। এসব হামলার শিকার হয়েছে স্কুল ও হাসপাতাল।

তালেবান ক্ষমতায় ফেরার আগে গত বছর একটি গার্লস স্কুলে হামলায় কমপক্ষে ৮৫ জন নিহত হয়। এ হামলায় আহত হয় অনেকে।

আরও পড়ুন:
কাবুলে রুশ দূতাবাসের সামনে আত্মঘাতী হামলা, নিহত ৮
আফগানিস্তানে ভূমিকম্পে ৬ মৃত্যু
শততম ম্যাচে জয়ের জন্য আফগানদের লক্ষ্য ১০৬ রান
নারী বিষয়ে তালেবানকে চ্যালেঞ্জ করুক মুসলিম বিশ্ব: আমেরিকার দূত
এশিয়া কাপ: উদ্বোধনী ম্যাচে জয় চায় দুই দলই

মন্তব্য

আরও পড়ুন

আন্তর্জাতিক
For the first time the address of the Taliban founders grave has been revealed

মোল্লা ওমরের কবরের ঠিকানা প্রকাশ

মোল্লা ওমরের কবরের ঠিকানা প্রকাশ তালেবানের প্রতিষ্ঠাতা মোল্লাহ ওমরের কবর। ছবি: এএফপি
২০০১ সালে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন বাহিনীর অভিযানে আফগানিস্তানের ক্ষমতা হারায় তালেবান। ২০১৫ সালে তালেবানের পক্ষ থেকে জানানো হয়, দু বছর আগে তাদের প্রতিষ্ঠাতার মৃত্যু হয়েছে।

তালেবানের প্রতিষ্ঠাতা মোল্লা ওমরের কবরের ঠিকানা রোববার প্রকাশ করা হয়েছে। তার মৃত্যু ৯ বছর আগে হলেও এতদিন কবরের ঠিকানা গোপন রেখেছিল আফগানিস্তানের বর্তমান শাসকগোষ্ঠী।

রোববার রাতে বার্তা সংস্থা এএফপির বরাতে ভারতীয় এনডিটিভি এ তথ্য জানিয়েছে।

২০০১ সালে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন বাহিনীর অভিযানে আফগানিস্তানের ক্ষমতা হারায় তালেবান। ২০১৫ সালে তালেবানের পক্ষ থেকে জানানো হয়, দু বছর আগে তাদের প্রতিষ্ঠাতার মৃত্যু হয়েছে।

তালেবানের মুখপাত্র জবিউল্লাহ মুজাহিদ বার্তা সংস্থা এএফপিকে জানান, ভোরের দিকে জ্যেষ্ঠ নেতারা জাবুল প্রদেশের সুরি জেলার ওমরজোর কাছে অবস্থিত মোল্লা ওমরের কবর জিয়ারতের জন্য যান।

যুক্তরাষ্ট্রের সেনারা আফগানিস্তান ছাড়ার পর গত বছরের আগস্টে আবারও ক্ষমতায় আসে তালেবান। দলটির ভাষ্য, তারা আফগানিস্তানে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছে। তবে দক্ষিণ এশিয়ার এই দেশটিতে নিয়মিত হামলা চালিয়ে যাচ্ছে জঙ্গি সংগঠন ইসলামিক স্টেট (আইএস)।

মোল্লা ওমরের কবরের গোপনীয়তা বিষয়ে তালেবানের মুখপাত্র এএফপিকে বলেন, ‘যেহেতু চারপাশে প্রচুর শত্রু ছিল এবং দেশটি দখল করা হয়েছিল, তাই ক্ষতি এড়াতে কবরের ঠিকানাটি গোপন রাখা হয়েছিল।’

তালেবানের কর্মকর্তারা ওই কবরের একটি ছবিও প্রকাশ করেছে। যেখানে দেখা যায়- সাদা রংয়ের কবরটি সবুজ রংয়ের ধাতব খাঁচা দিয়ে ঘেরা।

জবিউল্লাহ মুজাহিদ বলেন, ‘সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে যে, তার কবর পরিদর্শনে এখন আর কোনো সমস্যা নেই। মানুষজন এখন থেকে তার কবর জিয়ারত করতে পারবে।’

১৯৯৩ সালে তালেবান বাহিনী প্রতিষ্ঠা করেন মোল্লা ওমর। ৫৫ বছর বয়সে তিনি মারা যান।

তার নেতৃত্বে তালেবান আফগানিস্তানে ইসলামিক শাসনের অত্যন্ত কঠোর একটি সংস্করণ প্রবর্তন করে।

আরও পড়ুন:
ইরানি বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে তালেবান নিহত
তালেবান সরকারের পেজ বন্ধ ফেসবুকে
তালেবানের বিরুদ্ধে হেনস্তার অভিযোগ নারী সাংবাদিকের
‘ষষ্ঠ শ্রেণির ওপর’ নারী শিক্ষার বিরুদ্ধে নয় তালেবান
পাঁচ বছর পর প্রকাশ্যে তালেবান ‘বস’

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Death toll in Kabul education center attack rises to 35

কাবুলে শিক্ষা কেন্দ্রে হামলায় নিহত বেড়ে ৩৫

কাবুলে শিক্ষা কেন্দ্রে হামলায় নিহত বেড়ে ৩৫
কাবুলের শিক্ষা কেন্দ্রে আত্মঘাতী হামলায় ৩৫ জন নিহত হয়েছেন। ছবি: এএফপি
দাশত-ই-বারচি এলাকার বাসিন্দাদের অনেকে সংখ্যালঘু হাজারা সম্প্রদায়ের। অতীতে অনেক হামলার শিকার হয়েছে এ সম্প্রদায়ের লোকজন। শুক্রবারের হামলার দায় স্বীকার করেছে জঙ্গি সংগঠন আইএস।  

আফগানিস্তানে একটি শিক্ষাকেন্দ্রে আত্মঘাতী হামলায় মৃত বেড়ে ৩৫ হয়েছে। নিহতদের বেশিরভাগই তরুণী এবং অল্প বয়সী নারী। দেশটিতে জাতিসংঘ মিশন সোমবার আপডেটে এ তথ্য জানায়। হামলার আহত হয়েছেন ৮২ জন।

রাজধানী কাবুলের পশ্চিমে দাশত-ই-বারচি এলাকায় ‘কাজ’ নামের শিক্ষা কেন্দ্রে শুক্রবার হামলাটি হয়। এ সময় সেখানে পরীক্ষা চলছিল।

দাশত-ই-বারচি এলাকার বাসিন্দাদের অনেকে সংখ্যালঘু হাজারা সম্প্রদায়ের। অতীতে অনেক হামলার শিকার হয়েছে এ সম্প্রদায়ের লোকজন। শুক্রবারের হামলার দায় স্বীকার করেছে জঙ্গি সংগঠন আইএস।

আফগানিস্তানে তালেবান নেতৃত্বাধীন সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আবদুল নাফি টাকোর বলেন, ‘বেসামরিক লক্ষ্যবস্তুতে আঘাতের মধ্য দিয়ে শত্রুরা তাদের নিষ্ঠুরতা ও নৈতিকতাহীনতার পরিচয় দিয়েছে।’

গত বছরের আগস্টে ক্ষমতায় আসে তালেবান। দলটির ভাষ্য, তারা আফগানিস্তানে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছে। তবে দক্ষিণ এশিয়ার দেশটিতে নিয়মিত হামলা চালিয়ে যাচ্ছে জঙ্গি সংগঠন ইসলামিক স্টেট (আইএস)।

তালেবান ক্ষমতায় ফেরার আগে গত বছর দাশত-ই-বারচির একটি গার্লস স্কুলে হামলায় কমপক্ষে ৮৫ জন নিহত হয়। এ হামলায় আহত হয় অনেকে।

আরও পড়ুন:
গ্যালারিতে পাকিস্তানিদের ওপর চেয়ার ছুড়ে মারল আফগানরা
কাবুলে রুশ দূতাবাসের সামনে আত্মঘাতী হামলা, নিহত ৮
আফগানিস্তানে ভূমিকম্পে ৬ মৃত্যু
শততম ম্যাচে জয়ের জন্য আফগানদের লক্ষ্য ১০৬ রান
নারী বিষয়ে তালেবানকে চ্যালেঞ্জ করুক মুসলিম বিশ্ব: আমেরিকার দূত

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Afghan women are also on the streets to show solidarity with the Iran protests

ইরান বিক্ষোভে সংহতি জানাতে আফগান নারীরাও রাস্তায়

ইরান বিক্ষোভে সংহতি জানাতে আফগান নারীরাও রাস্তায় কাবুলে ইরানি দূতাবাদের সামনে বিক্ষোভ করছেন আফগান নারীরা। ছবি: সংগৃহীত
‘ইরান ঘুরে দাঁড়াল, এখন আমাদের পালা’, ‘মাহসার রক্ত ​​আমাদের পথ, আমাদের অনুপ্রেরণা’... স্লোগানে অন্তত ৩০ নারী কাবুলের ইরানি দূতাবাসের সামনে বিক্ষোভে অংশ নেন।

ইরানে নারীর পোশাকের স্বাধীনতার দাবিতে চলা বিক্ষোভের ঢেউ লেগেছে আরেক রক্ষণশীল দেশ আফগানিস্তানে। তালেবানের চোখ রাঙানি উপেক্ষা করে বৃহস্পতিবার কাবুলে বিক্ষোভ করেছেন নারীরা। একপর্যায়ে ফাঁকা গুলিতে তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয় দেশটির শাসকগোষ্ঠী তালেবান।

‘ইরান ঘুরে দাঁড়াল, এখন আমাদের পালা’, ‘মাহসার রক্ত ​​আমাদের পথ, আমাদের অনুপ্রেরণা’... স্লোগানে অন্তত ৩০ নারী ইরানি দূতাবাসের সামনে বিক্ষোভে অংশ নেন।

পরিচয় গোপন রাখতে সবার পরনে ছিল বোরকা, চোখে সানগ্লাস, কারও মুখে মাস্ক। তাদের হাতে ছিল ২২ বছরের কুর্দি তরুণী মাহসা আমিনির ছবি।

মাহসা আমিনিকে গত ১৩ সেপ্টেম্বর তেহরানের ‘নৈতিকতা পুলিশ’ গ্রেপ্তার করে। ইরানের দক্ষিণাঞ্চল থেকে তেহরানে ঘুরতে আসা মাহসাকে একটি মেট্রো স্টেশন থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল, তিনি সঠিকভাবে হিজাব করেননি।

পুলিশ হেফাজতে থাকার সময়েই মাহসা অসুস্থ হয়ে পড়েন, এরপর তিনি কোমায় চলে যান। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ১৬ সেপ্টেম্বর তার মৃত্যু হয়। পুলিশ মাহসাকে হেফাজতে নির্যাতনের অভিযোগ অস্বীকার করলেও পরিবারের অভিযোগ গ্রেপ্তারের পর তাকে পেটানো হয়।

ইরান বিক্ষোভে সংহতি জানাতে আফগান নারীরাও রাস্তায়
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ১৬ সেপ্টেম্বর মারা যান মাহসা আমিনি

মাহসার মৃত্যুর পর রাস্তায় বিক্ষোভের পাশাপাশি ফেসবুক ও টুইটারে #mahsaamini এবং #Mahsa_Amini হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করে চলছে প্রতিবাদ। নিরাপত্তা বাহিনীর দমন-পীড়নের মধ্যেও ইরানের অন্তত ৮০ শহরে ছড়িয়ে পড়েছে বিক্ষোভ। পশ্চিমা দেশগুলোর নাগরিকরা ইরানি নারীদের প্রতি সংহতি জানিয়ে বিক্ষোভ করছেন।

কাবুলের দূতাবাস এলাকার এক দোকানদার নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘নারীর স্বাধীনতা চাওয়ার পাশাপাশি ইরান সরকারের বিরুদ্ধে স্লোগান দিচ্ছিল বিক্ষোভকারীরা। একসময় তালেবানের নিরাপত্তা বাহিনী তাদের সামনে ফাঁকা গুলি ছোড়ে। কয়েক মিনিটের মধ্যে নারীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যান।’

অন্যসব দিনের মতো বৃহস্পতিবারও কাবুলের ইরানি দূতাবাসের সামনে কড়া নিরাপত্তা মোতায়েন ছিল। এসবের মধ্যেও তালেবান সমাবেশের অনুমতি দিয়েছিল। তারা ভেবেছিল, প্রতিবেশী দেশে আফগান শরণার্থীদের নিপীড়নের প্রতিবাদে সমাবেশ করতে যাচ্ছেন নারীরা।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক তালেবান নিরাপত্তা কর্মকর্তা বলেন, ‘আমরা ভেবেছিলাম তারা ইরানে সহিংস আচরণের শিকার আফগান অভিবাসীদের পক্ষে প্রতিবাদ করছে। হঠাৎ বুঝতে পারলাম তারা ইরানি মেয়েটির জন্য প্রতিবাদ করছে। তাই আমাদের সহকর্মীরা তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়।’

গত বছরের আগস্টে আফগানিস্তানের ক্ষমতা তালেবানের হাতে আসার পর নিজেদের অধিকারের দাবিতে বিক্ষিপ্তভাবে বিক্ষোভ করেছে নারীরা। শাসকদের দমন-পীড়নের কারণে এসবের বেশির ভাগই হয়েছে ঘরোয়াভাবে।

আফগান নারীদের দাবি, তাদের কর্মক্ষেত্র এবং হাইস্কুলে ফিরে যাওয়ার অনুমতি দেয়া হোক। তালেবানরা মেয়েদের জন্য হাইস্কুল নিষিদ্ধ করেছে। অন্যদিকে আফগান নারীরাও তাদের পুরো শরীর ঢেকে রাখতে বাধ্য। পুরুষ সঙ্গী ছাড়া কোথাও ভ্রমণ কর‍তে পারে না তারা।

এসব বিধিনিষেধের বেশির ভাগই তালেবানের প্রথম শাসনের পুনরাবৃত্তি। ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত আফগানিস্তান শাসন করেছে তালেবান। দ্বিতীয় দফায় ক্ষমতায় আসার শুরুর দিকে নারীর প্রতি মনোভাব বদলানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল তারা। তবে ক্ষমতায় পোক্ত হওয়ার পর স্বরূপে ফিরতে শুরু করে তালেবান।

আরও পড়ুন:
ইরান বিক্ষোভের পরিণতি কী?
নারী কোন পোশাক পরবে, সে সিদ্ধান্ত নারীর: মালালা
ইরানে গুলির মুখেও বিক্ষোভকারীরা অটল, নিহত বেড়ে ৭৬
ইরানের নৈতিকতা পুলিশের ওপর যুক্তরাষ্ট্র কানাডার নিষেধাজ্ঞা
ইরানে মাহসার পর এবার বিদ্রোহের প্রতীক হাদিস নাজাফি

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Afghans dont want to send girls to school Taliban minister claims

মেয়েদের স্কুলে পাঠাতে চায় না আফগানরাই, তালেবান মন্ত্রীর দাবি

মেয়েদের স্কুলে পাঠাতে চায় না আফগানরাই, তালেবান মন্ত্রীর দাবি  উরুজগান প্রদেশের বাসিন্দারা মেয়েদের স্কুলে পাঠানোতে অভ্যস্ত। ছবি: সংগৃহীত
উরুজগান প্রদেশ সফরকালে আফগানিস্তানের ভারপ্রাপ্ত শিক্ষামন্ত্রী নুরুল্লাহ মুনির দাবি করেছেন, আফগানিস্তানের সাধারণ মানুষই তাদের মেয়েদের স্কুলে পাঠাতে চায় না। তবে উরুজগানের বাসিন্দারা জানিয়েছেন, তারা তাদের মেয়েদের স্কুলে পাঠাতে অভ্যস্ত। সরকার অনুমতি দিলেই মেয়েরা স্কুলে যাবে।

আফগানিস্তানের ভারপ্রাপ্ত শিক্ষামন্ত্রী দাবি করেছেন, দেশটির মানুষ চায় না বর্তমান পরিস্থিতিতে আফগান মেয়েরা স্কুলে পড়ুক।

দেশটির উরুজগান প্রদেশ পরিদর্শনকালে এমনটাই বলেছেন তালেবান সরকারের শিক্ষামন্ত্রী নুরুল্লাহ মুনির।

মুনিরের মতে, সাংস্কৃতিক সীমাবদ্ধতার কারণে ষষ্ঠ শ্রেণির ওপরের মেয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য স্কুলগুলো বন্ধ রয়েছে।

তিনি জোর দিয়ে বলেছেন, আরও ভালো পরিবেশ তৈরি হলে ষষ্ঠ শ্রেণির ওপরের মেয়েরাও পড়াশোনার সুযোগ পাবে।

মেয়েদের স্কুলে পাঠাতে চায় না আফগানরাই, তালেবান মন্ত্রীর দাবি
তালিবান সরকারের ভারপ্রাপ্ত শিক্ষামন্ত্রী নুরুল্লাহ মুনির

ভারপ্রাপ্ত শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, ‘আপনি যদি জিজ্ঞাসা করেন যে এই মসজিদে কতজন লোক তাদের ১৬ বছর বয়সী মেয়েকে স্কুলে পাঠাতে ইচ্ছুক, তাহলে আমাকে একই প্রশ্ন (মেয়েদের শিক্ষাসংক্রান্ত) জিজ্ঞাসা করার প্রয়োজন হবে না। আপনি এবং আমি উভয়ই একই আফগান সমাজ ও সংস্কৃতিতে বড় হয়েছি। সবার কাছে তা পরিষ্কার।’

যদিও উরুজগানের অনেক বাসিন্দাই বলেছেন, ইসলামিক আমিরাত অনুমতি দিলে তারা তাদের মেয়েকে স্কুলে পাঠাতে প্রস্তুত।

বাসিন্দারা বর্তমান সরকারকে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব মেয়েদের স্কুলগুলো পুনরায় চালু করার অনুরোধ করেছেন।

উরুজগানের নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি জাভিদ খপলওয়াক বলেন, ‘আমি মনে করি যে মন্ত্রী কাবুল থেকে এসেছেন এবং তিনি আমাদের জনগণের প্রতিনিধিত্ব করতে পারবেন না, কারণ তিনি কাবুল থেকে এসেছেন। উরুজগানের মানুষ চায় তাদের মেয়েরা স্কুলে ফিরে যাক। তারা আগে স্কুলে যেত।’

রাজ্যের আরেক বাসিন্দা মোহাম্মদ ওয়ালি সামসোর বলেন, ‘যে স্কুলগুলো বন্ধ হয়ে গেছে সেগুলো যত তাড়াতাড়ি সম্ভব আবার চালু করা উচিত, কারণ এটা জনগণের দাবি।’

গত জুলাইয়ে ইসলামিক আমিরাত আফগানিস্তানের ধর্মীয় পণ্ডিতদের প্রধান শেখ ফকিরুল্লাহ ফাইক বলেছিলেন, ইসলামিক আমিরাতের সর্বোচ্চ নেতা মাওলাবী হিবাতুল্লাহ আখুন্দজাদা ষষ্ঠ শ্রেণির ঊর্ধ্বে নারী শিক্ষার্থীদের জন্য স্কুল পুনরায় খোলার বিপক্ষে নন।

মেয়েদের স্কুলে পাঠাতে চায় না আফগানরাই, তালেবান মন্ত্রীর দাবি
আফগানিস্তানের ধর্মীয় পণ্ডিতদের প্রধান শেখ ফকিরুল্লাহ ফাইক

ফকিরুল্লাহ ফাইক দাবি করেছিলেন, মেয়েদের স্কুলগুলো পুনরায় খোলায় দেরি হওয়ার একমাত্র কারণ হলো, তালেবান চাচ্ছে পুরুষ ও নারী শিক্ষার্থীদের ক্লাসরুম আলাদা করতে।

তিনি আরও বলেছিলেন, ‘শিগগিরই মেয়েদের জন্য স্কুলগুলো আবার চালু হবে। আমাদের সব মন্ত্রী ও নেতারা এ বিষয়ে একমত।’

তালেবানের পক্ষ থেকে এর আগে ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার ক্ষেত্রে মেয়েদের অংশগ্রহণ স্থগিত করে দেয়া হয়।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নারীদের নিরাপত্তা ও উপযুক্ত পরিবেশের অভাব থাকার কারণেই এমন পদক্ষেপ বলে জানায় তালেবান।

যদিও ইসলামিক আমিরাতের মুখপাত্র জাবিউল্লাহ মুজাহিদ জানিয়েছিলেন, ধর্মীয় সমস্যার কারণে মেয়েদের স্কুল বন্ধ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
এশিয়া কাপ: উদ্বোধনী ম্যাচে জয় চায় দুই দলই
কাবুল বিস্ফোরণে মৃত বেড়ে ২১
কাবুলে মসজিদে বিস্ফোরণ, অনেক হতাহত
এশিয়া কাপে পুরো শক্তি নিয়েই যাচ্ছে আফগানিস্তান
রাশিদ খানের নৈপুণ্যে সিরিজে সমতা ফেরাল আফগানিস্তান

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Suicide attack in front of Russian embassy in Kabul kills 8

কাবুলে রুশ দূতাবাসের সামনে আত্মঘাতী হামলা, নিহত ৮

কাবুলে রুশ দূতাবাসের সামনে আত্মঘাতী হামলা, নিহত ৮ কাবুলে রুশ দূতাবাসের সামনে হামলায় ২ রুশ নাগরিকসহ ৮ জন নিহত হন। ছবি: সংগৃহীত
কাবুলভিত্তিক সাংবাদিক নাজিব লালজয় বলেন, ‘এটি (বিস্ফোরণ) আসলে দূতাবাসের কাছে ঘটেছিল। সেখানে রাশিয়ান ভিসার আবেদন করার জন্য অনেক মানুষ জড়ো হয়েছিল।’

আফগানিস্তানের কাবুলে রুশ দূতাবাসের সামনে আত্মঘাতী বোমা হামলায় কমপক্ষে ৮ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের দুইজন রাশিয়ার নাগরিক। কাবুলের দক্ষিণ-পশ্চিমে দারুল আমান এলাকায় সোমবার সকাল ১০টা ৫০ মিনিটে বিস্ফোরণটি হয়।

রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সোমবার এক বিবৃতিতে এসব জানিয়েছে। এতে বলা হয়, হামলায় কূটনৈতিক মিশনের দুই কর্মী নিহত হয়েছেন। আফগান নাগরিকরাও হামলায় শিকার হয়েছেন।

কাবুলভিত্তিক সাংবাদিক নাজিব লালজয় বলেন, ‘এটি (বিস্ফোরণ) আসলে দূতাবাসের কাছে ঘটেছিল। সেখানে রাশিয়ান ভিসার আবেদন করার জন্য অনেক মানুষ জড়ো হয়েছিলেন।’

হতাহতের সংখ্যা বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা।

পুলিশ জানায়, নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে হামলাকারী নিহত হয়েছেন।

কাবুলের পুলিশ প্রধান মাওলাভি সাবির বলেন, ‘লক্ষ্যে পৌঁছানোর আগেই রাশিয়ান দূতাবাসের (তালেবান) রক্ষীরা আত্মঘাতীকে চিনতে পেরেছিল। তাকে থামাতে গুলি করে নিরাপত্তা বাহিনী।’

তালেবান গত বছর আফগানিস্তানের দখল নিলে, অনেক দেশ প্রতিবাদ জানিয়ে দূতাবাস বন্ধ করে দেয়। যে কয়েকটি দেশ কাবুলে দূতাবাস চালু রেখেছে তাদের মধ্যে রাশিয়া অন্যতম।

মস্কো আনুষ্ঠানিকভাবে তালেবানের সরকারকে স্বীকৃতি দেয়নি। তবে পেট্রল এবং অন্যান্য পণ্য সরবরাহের চুক্তি নিয়ে আফগান শাসকদের সঙ্গে আলোচনা চালাচ্ছে পুতিন সরকার।

জঙ্গি সংগঠন আইএস সাম্প্রতিক সময়ে কাবুলসহ আফগানিস্তানের বিভিন্ন অঞ্চলে বেসামরিক মানুষের পাশাপাশি ধর্মীয় উপাসনালয়গুলোকে লক্ষ্যবস্তু করেছে।

সাংবাদিক লালজয় বলেন, ‘এটি খুবই অপ্রত্যাশিত। কারণ নিরাপত্তা কর্মকর্তারা বিশ্বাস করেন, কাবুলের চারপাশে নিরাপত্তা খুবই কঠোর। দূতাবাসের মতো জায়গাগুলো ভালোভাবে সুরক্ষিত।

‘আফগানরা যেখানে জড়ো হয়েছিল সেখানেই বিস্ফোরণ ঘটেছে। মনে হচ্ছে, নিরীহ মানুষকে হত্যা করাই লক্ষ্য ছিল।’

আরও পড়ুন:
কাবুলে মসজিদে বিস্ফোরণ, অনেক হতাহত
এশিয়া কাপে পুরো শক্তি নিয়েই যাচ্ছে আফগানিস্তান
রাশিদ খানের নৈপুণ্যে সিরিজে সমতা ফেরাল আফগানিস্তান
বিক্ষোভকারী নারীদের পেটাল তালেবান
সিরিজে টিকে থাকল আফগানিস্তান

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Afghanistan started badly in the Asia Cup

এশিয়া কাপে দাপুটে শুরু আফগানিস্তানের

এশিয়া কাপে দাপুটে শুরু আফগানিস্তানের ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমনাত্মক ছিলেন আফগান ব্যাটাররা। ছবি: সংগৃহীত
দুই ওপেনার হজরতউল্লাহ জাজাই ও রহমানউল্লাহ গুরবাজের ব্যাটিং তোপের মুখে পড়ে দিশেহারা হয়ে পড়ে লঙ্কান বোলাররা। জাজাই উইকেটে ধরে খেললেও মারকুটে ব্যাটিং চালিয়ে যান গুরবাজ। দুইজনের অবিচ্ছেদ্য ৮৩ রানের জুটিতে ভর করে বড় জয়ের পথে পা দিয়ে রাখে আফগানিস্তান।

সহজ জয় দিয়ে এশিয়া কাপের পঞ্চাদশ আসরে যাত্রা শুরু করল আফগানিস্তান।

নিজেদের শততম টি-টোয়েন্টিতে তারা জয় পেয়েছে ৮ উইকেটে।

শ্রীলঙ্কার দেয়া ১০৬ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে রহমানুল্লাহ গুরবাজের ব্যাটিং তান্ডবে ৫৯ বল ও ৮ উইকেট হাতে রেখেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় আফগানরা।

দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সহজ লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই আক্রমনাত্মক ছিল আফগানিস্তান। দুই ওপেনার হজরতউল্লাহ জাজাই ও রহমানউল্লাহ গুরবাজের ব্যাটিং তোপের মুখে পড়ে দিশেহারা হয়ে পড়ে লঙ্কান বোলাররা।

জাজাই উইকেটে ধরে খেললেও মারকুটে ব্যাটিং চালিয়ে যান গুরবাজ। দুইজনের অবিচ্ছেদ্য ৮৩ রানের জুটিতে ভর করে বড় জয়ের পথে পা দিয়ে রাখে আফগানিস্তান।

১৮ বলে ৪০ করে ডি সিলভার শিকার হয়ে গুরবাজ বিদায় নিলে বাকি কাজটা সারেন জাজাই ও জাদরান মিলে। শেষ পর্যন্ত ৫৯ বল হাতে রেখেই জয় বাগিয়ে মাঠ ছাড়ে আফগানরা।

এর আগে টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে ইনিংসের প্রথম ওভার থেকেই বিপর্যয় সঙ্গী হয় লঙ্কানদের। প্রথম ওভারেই ফজল হক ফারুকির ব্যাক টু ব্যাক আঘাতে সাজঘরে ফিরতে হয় কুশল মেন্ডিস ও চারিথ আশালাঙ্কাকে। দুইজনই মাঠ ছাড়েন এলবিডব্লিউয়ের ফাঁদে পড়ে।

ফারুকির আঘাতের রেশ কাটতে না কাটতেই নাভিন উল হকের বলে রহমানুল্লাহ গুরবাজের হাতে ধরা দিয়ে ৩ রানে মাঠ ছাড়তেঁ হয় ওপেনার পাথুম নিশাঙ্কাকে। এতে করে স্কোরবোর্ডে ৫ রান তুলতেই তিন উইকেট হারিয়ে বসে লঙ্কানরা।

দ্রুত ৩ উইকেট পতনের রেশ কাটাতে ব্যাট হাতে আগ্রাসী হন ভানুকা রাজপাকসে। সঙ্গে নেন দানুষ্কা গুনাথিলাকাকে। দুজনে মিলে ৪৪ রানের জুটি গড়ে সামাল দেন প্রাথমিক বিপর্যয়ের।

দলীয় ৪৯ রানে গুনাথিলাকা বিদায় নিলেও উইকেটের একপ্রান্ত আগলে ধরে লড়াই চালিয়ে যেতে থাকেন রাজাপাকসে। সঙ্গী হাসারাঙ্গা ডি সিলভা ও দাসুন শানাকার স্কোর বড় করতে না পারলেও উইকেট কামড়ে বসে মারকুটে ব্যাটিং করতে থাকেন ভানুকা।

কিন্তু দলীয় ৬৯ রানে তাকে মাঠ ছাড়তে হয় রান আউটের শিকার হয়ে। সাজঘরে ফেরার আগে তার ব্যাট থেকে আসে ২৯ বলে ৩৮ রানের ইনিংস।

শেষদিকে চামিকা করুনারাত্নের ৩৮ বলে ৩১ রানের ধৈর্য্যশীল ইনিংসের সুবাদে দলীয় সংগ্রহ শতরান রান করে শ্রীলঙ্কা। শেষ পর্যন্ত সবগুলো উইকেট হারিয়ে আফগানিস্তানের সামনে ১০৫ রানের টার্গেট দেয় লঙ্কানরা।

আরও পড়ুন:
উদ্বোধনী ম্যাচে লঙ্কাকে চেপে ধরেছে আফগানরা
এশিয়া কাপে দ্বিতীয় রাউন্ডে যাওয়াটা চ্যালেঞ্জিং: বাশার
এশিয়া কাপ: উদ্বোধনী ম্যাচে জয় চায় দুই দলই

মন্তব্য

p
উপরে