× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

আন্তর্জাতিক
Russia claims victory in referendum in 4 occupied regions of Ukraine
hear-news
player
google_news print-icon

ইউক্রেনের ৪ অঞ্চলে গণভোটে জয় দাবি রাশিয়ার

ইউক্রেনের-৪-অঞ্চলে-গণভোটে-জয়-দাবি-রাশিয়ার-
চলছে গণভোট। ছবি: বিবিসি
রাশিয়া যদি এই চারটি অঞ্চল এবার নিজেদের দেশের সঙ্গে যুক্ত করে নেয় তবে চলমান যুদ্ধ আরেকটি ভিন্ন এবং বিপজ্জনক মাত্রায় পৌঁছে যাবে। কারণ এসব অঞ্চল ফিরে পেতে ইউক্রেন হামলা করলে সেই হামলা হবে রাশিয়ার সার্বভৌম ভূমিতে হামলা।

রাশিয়ার দখলে থাকা ইউক্রেনের চারটি অঞ্চলের গণভোটে রায় এসেছে মস্কোর পক্ষে, তবে এই গণভোটকে জালিয়াতি আখ্যা দিয়ে তা প্রত্যাখ্যান করেছে ইউক্রেন এবং তার মিত্র দেশগুলো।

যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশটির দোনেৎস্ক, লুহানস্ক, খেরসন ও জাপোরিঝঝিয়া অঞ্চলে ২৩ থেকে ২৭ সেপ্টেম্বর এ গণভোটের আয়োজন করা হয় বলে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম বিবিসি

অঞ্চলগুলোতে দায়িত্ব নেয়া রুশ কর্মকর্তাদের দাবি, গণভোটে অংশগ্রহণকারীদের সবাই এখন এর মাধ্যমে রাশিয়ার সঙ্গে যুক্ত হওয়ার বিষয়ে সমর্থন দিয়েছেন।

নির্বাচনে প্রায় ৪০ লাখ ভোটারকে ভোট দেয়ার আহ্বান জানানো হয়েছিল। তবে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির অভাবে প্রক্রিয়াটি স্বাধীনভাবে পর্যবেক্ষণ করা হয়নি।

দোনেৎস্ক এবং লুহানস্ক অঞ্চলে রুশপন্থী বিভিন্ন সংবাদ সংস্থার তথ্যমতে, ৯৯.২৩ শতাংশ মানুষ রাশিয়ায় যোগ দেয়ার পক্ষে ভোট দিয়েছে। আর খেরসনে ৮৭ শতাংশ এবং জাপোরিঝঝিয়ায় ৯৩ শতাংশ ভোট পড়েছে রাশিয়ার সঙ্গে যোগ দেয়ার পক্ষে।

অবশ্য গণভোটে এত বেশি ভোট পড়ার দাবি অনেকটা অস্বাভাবিক বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

এমন প্রেক্ষাপটে ধারণা করা হচ্ছে, রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন শুক্রবার রাশিয়ার পার্লামেন্টে যৌথ অধিবেশনে এ অঞ্চলগুলোকে রাশিয়ার অংশ করে নেয়ার ঘোষণা দেবেন। এ চারটি অঞ্চল ইউক্রেনের মোট ভূমির প্রায় ১৫ শতাংশ।

আরটির প্রতিবেদন বলছে, এ অঞ্চলগুলোকে রাশিয়ার সঙ্গে অঙ্গীভূত করার জন্য রাশিয়ার পার্লামেন্ট ও প্রেসিডেন্টের অনুমোদন লাগবে। এ প্রক্রিয়ায় কিছুটা সময় লাগবে।

তবে ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ জানান, কাজটি দ্রুতই হবে বলে তিনি বিশ্বাস করেন।

এর আগে ২০১৪ সালের মার্চে একই ধরনের একটি গণভোটের মাধ্যমে পুতিন ক্রিমিয়াকে রাশিয়ার অংশ করে নেয়া ঘোষণা দিয়েছিলেন।

বিবিসি বলছে, রাশিয়া যদি এই চারটি অঞ্চল এবার নিজেদের দেশের সঙ্গে যুক্ত করে নেয় তবে চলমান যুদ্ধ আরেকটি ভিন্ন এবং বিপজ্জনক মাত্রায় পৌঁছে যাবে। কারণ এসব অঞ্চল ফিরে পেতে ইউক্রেন হামলা করলে সেই হামলা হবে রাশিয়ার সার্বভৌম ভূমিতে হামলা।

ইউক্রেনের ভেতরে থাকা এই চারটি অঞ্চল জোর করে রাশিয়ার নিয়ন্ত্রণে নেয়ার চেষ্টাকে জাতিসংঘ সনদের চরম লঙ্ঘন হিসেবে বর্ণনা করেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলদিমির জেলেনেস্কি। তিনি বলেন, দখল করা এলাকাগুলোতে এ ধরনের প্রহসনকে গণভোটের নকলও বলা যায় না।

সার্বিক পরিস্থিতিতে ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী দিমিত্রো কুলেবা ইউরোপীয় ইউনিয়নকে রাশিয়ার ওপর আরো কঠোর নিষেধাজ্ঞা দেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। পরে গণভোট বাস্তবায়নের সঙ্গে জড়িত কর্মকর্তাদের ওপর নতুন করে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে যুক্তরাজ্য।

আর যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন বলেছেন, এসব অঞ্চলকে রাশিয়া তাদের অংশ করে নিলে সেটিকে পাশ্চাত্য কখনোই স্বীকৃতি দেবে না।

তবে পুতিন বলেছেন, এসব অঞ্চলে বসবাসরত জাতিগত রাশিয়ান এবং রাশিয়ান ভাষাভাষী জনগণের ওপর দমন-পীড়ন বন্ধ করার জন্য এই আয়োজন।

আরও পড়ুন:
পুতিনের সেনা সমাবেশের ঘোষণার প্রতিবাদে রাশিয়ায় বিক্ষোভ
রাশিয়ার আংশিক সেনা সমাবেশে যাদের ডাকা হবে
রাশিয়ার বিরুদ্ধে সরাসরি যুদ্ধে ন্যাটো!  
রুশ সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ৩ লাখ রিজার্ভ সেনা তলব করছেন পুতিন
পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার নিয়ে পুতিনকে হুঁশিয়ারি বাইডেনের

মন্তব্য

আরও পড়ুন

আন্তর্জাতিক
Russia announced the terms of peace talks

শান্তি আলোচনার শর্ত জানাল রাশিয়া

শান্তি আলোচনার শর্ত জানাল রাশিয়া ২৪ নভেম্বর পূর্ব ইউক্রেনের ফ্রন্টলাইন অবস্থানের দিকে এগোচ্ছে ইউক্রেনীয় সেনারা। ছবি: এএফপি
মস্কো এবং কিয়েভের মধ্যে সম্ভাব্য সংলাপ শুরু করার জন্য কোনো পূর্বশর্ত আছে কি না, জানতে চাইলে পেসকভ বলেন, ‘এ জন্য আসলে রাজনৈতিক ইচ্ছা থাকতে হবে। আমরা দীর্ঘদিন ধরে যে দাবিগুলো তুলে আসছি, সেগুলো নিয়ে আলোচনার মানসিকতা রাখতে হবে।’

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট কার্যালয় ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ বলেছেন, রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে শান্তি আলোচনা তখনই শুরু হতে পারে যখন সংলাপের জন্য কিয়েভের প্রকৃত ‘রাজনৈতিক সদিচ্ছা’ দেখতে পাবে মস্কো। চলতি মাসের শুরুর দিকে পেসকভ জানিয়েছিলেন, ইউক্রেনের বর্তমান নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনায় বসতে রাশিয়া নারাজ।

মস্কোয় সংবাদ সম্মেলনে মঙ্গলবার এ কথা জানান পেসকভ। মস্কো এবং কিয়েভের মধ্যে সম্ভাব্য সংলাপ শুরু করার জন্য কোনো পূর্বশর্ত আছে কি না, জানতে চাইলে পেসকভ বলেন, ‘এ জন্য আসলে রাজনৈতিক ইচ্ছা থাকতে হবে। আমরা দীর্ঘদিন ধরে যে দাবিগুলো তুলে আসছি, সেগুলো নিয়ে আলোচনার মানসিকতা রাখতে হবে।’

নভেম্বরের মাঝামাঝি ইন্দোনেশিয়ার বালিতে জি-২০ সম্মেলনে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির জেলেনস্কি জোর গলায় বলেছিলেন, ইউক্রেন এমন কোনো চুক্তি করবে না যেটা কার্যকরের পর রাশিয়া লঙ্ঘন করবে।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ২০১৪ এবং ২০১৫ সালে যথাক্রমে জার্মানি এবং ফ্রান্সের মধ্যস্থতায় মিনস্ক-১ এবং মিনস্ক-২ চুক্তির কথা উল্লেখ করেন। চুক্তি শর্তের মধ্যে ছিল, ইউক্রেনের দোনেৎস্ক ও লুগানস্ক অঞ্চলকে বিশেষ মর্যাদার দিতে হবে।

চুক্তি বাস্তবায়নে কিয়েভের ব্যর্থতা উল্লেখ করে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনে অভিযান শুরু করেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।

জি-২০ সম্মেলনে জেলেনস্কির মন্তব্যের বিষয়ে পেসকভ বলেন, ‘ইউক্রেন যে আলোচনায় রাজি না সে বিষয়ে মস্কো পুরোপুরি নিশ্চিত।’

বালিতে বিভিন্ন রাষ্ট্রপ্রধানদের সম্বোধন করে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ১০ দাবি তোলেন। তার মতে এগুলো পূরণ হলে, যুদ্ধ বন্ধ হতে পারে। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে ইউক্রেনীয় অঞ্চল থেকে রাশিয়ান বাহিনীর সম্পূর্ণ প্রত্যাহার, সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর ১৯৯১ সালে যে সীমানা নির্ধারণ করা হয়েছিল, তার প্রতি শ্রদ্ধা দেখাতে হবে।

নভেম্বরের শুরুর দিকে ওয়াশিংটন পোস্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ও তার প্রশাসন ব্যক্তিগতভাবে চাইছে যে কিয়েভ যেন রাশিয়ার সঙ্গে আলোচনায় বসে। তারপরই ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি এই বক্তব্য রাখেন।

যুক্তরাষ্ট্রের এই কারণে উদ্বিগ্ন ছিল যে ‘অসংলগ্ন’ অবস্থানের কারণে পশ্চিমা সমর্থন হারাতে পারে কিয়েভ। বিষয়টাকে হোয়াইট হাউসের কর্মকর্তারা ক্রমবর্ধমান ‘ইউক্রেন ক্লান্তি’ বলে বর্ণনা করেছেন।

প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, কিয়েভকে আলোচনায় আনার বিষয়ে ওয়াশিংটন সিরিয়াস ছিল না। বাইডেন প্রশাসন কেবল ইউক্রেনে অস্ত্র ও অন্যান্য সহায়তা নিশ্চিতের চেষ্টা মনোযোগী ছিল।

আরও পড়ুন:
সেনা হত্যায় কড়া প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি রাশিয়ার
শিডিউল জটিলতায় রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সফর বাতিল: মোমেন
জেলেনস্কির সঙ্গে দেখা করলেন ঋষি সুনাক
এবার ইউক্রেনের গ্যাস প্ল্যান্টে রুশ হামলা  
রুশ ক্ষেপণাস্ত্রে পোল্যান্ডে প্রাণহানি: বসছেন ন্যাটো নেতারা

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
100 companies in the UK set a 4 day working week

যুক্তরাজ্যের ১০০ কোম্পানিতে সাপ্তাহিক ছুটি ৩ দিন

যুক্তরাজ্যের ১০০ কোম্পানিতে সাপ্তাহিক ছুটি ৩ দিন ছবি: সংগৃহীত
কর্মীরা জানান, সপ্তাহে পাঁচ দিন কাজ করার কারণে কাজের প্রতি তাদের বিরক্তি চলে আসতো। কাজ ঠিকভাবে সম্পন্ন করতে পারতেন না। মানসিক চাপ অনুভব করতেন। সপ্তাহে চার দিন কাজের সময় নির্ধারণ করার সিদ্ধান্তকে তারা সাধুবাদ জানান।

যুক্তরাজ্যের ১০০টি প্রতিষ্ঠান সপ্তাহে পাঁচ দিনের পরিবর্তে চার দিন কাজ করবে বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর ফলে প্রতিষ্ঠানগুলোতে সাপ্তাহিক ছুটি এখন থেকে দুই দিনের পরিবর্তে তিন দিন হচ্ছে।

সম্প্রতি এ প্রতিষ্ঠানগুলোর কর্তৃপক্ষ এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে এনডিটিভির এক প্রতিবেদন জানিয়েছে।

এই প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে এটম ব্যাংক ও গ্লোবাল মার্কেটিং কোম্পানি অ্যাউইনের মতো প্রতিষ্ঠান রয়েছে। ওই দুই প্রতিষ্ঠানে প্রায় ৯০০ জন কর্মী কাজ করেন।

কর্তৃপক্ষ বলছে, কাজের দিন কমলেও কর্মীদের বেতন কমানো হবে না।

যে ১০০ প্রতিষ্ঠানে কর্মঘণ্টা কমানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে সেই প্রতিষ্ঠানগুলোতে প্রায় ২৬০০ কর্মী কাজ করছেন। সপ্তাহে চারদিন কাজ করলে কর্মীদের মধ্যে কাজের আগ্রহ বাড়বে বলে মনে করে মালিকপক্ষ।

কর্মীরা জানান, সপ্তাহে পাঁচ দিন কাজ করার কারণে কাজের প্রতি তাদের বিরক্তি চলে আসতো। কাজ ঠিকভাবে সম্পন্ন করতে পারতেন না। মানসিক চাপ অনুভব করতেন। সপ্তাহে চার দিন কাজের সময় নির্ধারণ করার সিদ্ধান্তকে তারা সাধুবাদ জানান।

তারা আরও জানান, এতে তারা কাজ আরও সুন্দরভাবে করতে পারবেন কোনো চাপ ছাড়াই।

দ্য গার্ডিয়ান এই সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানিয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির মতে, এই পদ্ধতিতে কর্মীদের দক্ষতা বাড়বে।

কর্তৃপক্ষ মনে করছে, পাঁচ দিনের পরিবর্তে চারদিন কাজ করলেও কর্মীরা কাজ কম করবেন না। সময় কমলেও কাজের ক্ষেত্রে কোনো নেতিবাচক প্রভাব পড়বে না। বরং আগের চেয়ে কাজে আরও বেশি মনযোগ দিতে পারবেন কর্মীরা। ফলে কর্মীদের মানসিক ও শারীরিক স্বাস্থ্য ভালো থাকবে।

আরও পড়ুন:
ঋষি আসলে কতটা ভারতীয়  
গীতায় হাত রেখেই শপথ নেবেন ঋষি
ঋষিকে নিয়ে ভারতের গণমাধ্যমে উচ্ছ্বাস  
ঐক্যবদ্ধ যুক্তরাজ্য গড়তে কাজ করব: ঋষি সুনাক
আধুনিক ব্রিটেনের সর্বকনিষ্ঠ প্রধানমন্ত্রী ঋষি

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
30 surgeries in a 4 week coma from one mosquito bite

মশার কামড়ে ৪ সপ্তাহ কোমায়, ৩০ সার্জারি!

মশার কামড়ে ৪ সপ্তাহ কোমায়, ৩০ সার্জারি! এশিয়ান টাইগার মশা। ছবি: সংগৃহীত
অভিজ্ঞতা জানাতে গিয়ে রটস্কে বলেন, ‘আমি দেশের বাইরে যাইনি। জার্মানিতেই ওই মশা আমাকে কামড়িয়েছে। এরপরই ধকল শুরু । আমি শয্যাশায়ী হলাম, বাথরুমেও যেতে পারতাম না। জ্বর ছিল। কিছুই খেতে পারতাম না। মনে হচ্ছিল, সব শেষ হয়ে যাচ্ছে। পরে চিকিৎসকরা ধারণা করে, এশিয়ান টাইগার মশা আমাকে কামড়িয়েছে। তারা বিশেষজ্ঞকে ডাকেন।’

মশার কামড় সবসময় বিরক্তিকর। অনেক সময় এটির কামড় জটিল রোগের কারণ। দেশে প্রতি বছরই বহু মানুষের প্রাণহানি ঘটে ডেঙ্গুতে। অন্যান্য বছরের তুলনায় এ বছর এটি আরও ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। এডিসবাহী মশার মতোই একটি মশার কামড় ভুগিয়েছে ২৭ বছর বয়সী জার্মান যুবক সেবাস্তিয়ান রটস্কেকে। ৩০টি অস্ত্রোপচার এবং ৪ সপ্তাহ কোমায় থাকার পর বেঁচে ফিরেছেন তিনি।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ডেইলি স্টারের প্রতিবেদনে বলা হয়, সেবাস্তিয়ান রটস্কে জার্মানির রোডারমার্ক শহরের বাসিন্দা। গত বছরের গ্রীষ্মে ‘এশিয়ান টাইগার’ নামে এক ধরনের মশা তাকে কামড়েছিল। এরপর তার সর্দি–জ্বরের উপসর্গ দেখা দেয়।

তবে সেটা ছিল কেবল শুরু। এরপর ভয়াবহ সব শারীরিক জটিলতায় ভোগতে হয় রটস্কেকে।

গত দেড় বছরে রক্তদূষণ, যকৃৎ, কিডনি, হৃৎপিণ্ড ও ফুসফুস অকার্যকর হয়ে যাওয়ার মতো অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে তাকে। এসব শারীরিক জটিলতার কারণে চার সপ্তাহ কোমায় ছিলেন রটস্কে। অস্ত্রের নিচে নিজেকে সঁপে দিয়েছেন ৩০ বার।

ঊরুতেও অস্ত্রোপচার হয়েছে রটস্কের। সেখানে মারাত্মক একটি ফোড়া ছিল। এ কারণে ঊরুর একটা অংশে পচন ধরেছিল। তখন রটস্কের মনে হয়েছিল, তার বাঁচার সম্ভাবনা খুব কম।

মশার কামড়ে ৪ সপ্তাহ কোমায়, ৩০ সার্জারি!
এশিয়ান টাইগার মশার কামড়ে শয্যাশায়ী সেবাস্তিয়ান রটস্কে

অভিজ্ঞতা জানাতে গিয়ে রটস্কে বলেন, ‘আমি দেশের বাইরে যাইনি। জার্মানিতেই ওই মশা আমাকে কামড়িয়েছে। এরপরই ধকল শুরু । আমি শয্যাশায়ী হলাম, বাথরুমেও যেতে পারতাম না। জ্বর ছিল। কিছুই খেতে পারতাম না। মনে হচ্ছিল, সব শেষ হয়ে যাচ্ছে। পরে চিকিৎসকরা ধারণা করে, এশিয়ান টাইগার মশা আমাকে কামড়িয়েছে। তারা বিশেষজ্ঞকে ডাকেন।’

‘এশিয়ান টাইগার মশা’ জংলি মশা নামেও পরিচিত। এই মশাগুলো দিনের বেলায় কামড়ায়। জিকা ভাইরাস, ওয়েস্ট নিল ভাইরাস, চিকুনগুনিয়া ও ডেঙ্গুর মতো মারাত্মক সব রোগের জীবাণু বহন করে এই মশা।

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Snow in Kiev leaves people stranded in winter due to lack of electricity

কিয়েভে তুষারপাত, বিদ্যুতের অভাবে শীতে জবুথবু মানুষ

কিয়েভে তুষারপাত, বিদ্যুতের অভাবে শীতে জবুথবু মানুষ   ২৪ নভেম্বর রাশিয়ান রকেট হামলার পর এক দম্পতি কিয়েভের রাস্তায় হাঁটছে। ছবি: সংগৃহীত
সম্প্রতি রাশিয়ার বিমান হামলাগুলো ইউক্রেনের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোকে লক্ষ্যবস্তু করেছে। এতে দেশটিতে ব্যাপক বিদ্যুৎবিভ্রাট সৃষ্টি করেছে। বোমায় প্রাণ হারাচ্ছেন বেসামরিক নাগরিকরাও।

শীত শুরু হয়ে গেছে যুদ্ধে বিপর্যস্ত ইউক্রেনে। দেশটির বিভিন্ন অঞ্চলে কয়েক দিন ধরে চলছে তুষারপাত। রাজধানী কিয়েভে তাপমাত্রা রোববার শূন্যের কাছাকাছি রেকর্ড হয়েছে। রাশিয়ার তীব্র বিমান হামলায় দেশটির বিদ্যুৎ উৎপাদনকেন্দ্র এবং কেন্দ্রীয় শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা ভীষণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় ভয়াবহ এক মৌসুমের মুখে পড়েছে ইউক্রেনবাসী।

গ্রিড অপারেটর ইউক্রেনারগো বলেন, ‘ঠান্ডা আবহাওয়ায় ধীরে ধীরে বিদ্যুতের চাহিদা বাড়ছে। মেরামতকর্মীরা ধ্বংসপ্রাপ্ত বিদ্যুৎ অবকাঠামোগুলো ঠিক করতে জোর চেষ্টা চালাচ্ছেন।’

বুধবার রাশিয়ার মিসাইল হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনাগুলো এখনও চালু করতে পারেনি বিদ্যুৎ উৎপাদনকারীরা। ফলে সরবরাহে ব্যাপক ঘাটতি দেখা দিয়েছে। শীত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তা আরও প্রকট হয়ে ওঠার আশঙ্কায় আছেন কিয়েভ শাসকরা। এই অবস্থায় ব্ল্যাকআউট দিয়ে বিদ্যুৎ সংরক্ষণ ছাড়া উপায় দেখছে না কর্তৃপক্ষ।

ইউক্রেনারগো বলেন, ‘ঘাটতির কারণে ব্যবহারে বিধিনিষেধ এখনও বহাল রয়েছে। এটা বর্তমানে প্রায় ২০ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।’

মস্কো সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে বিমান হামলার মাধ্যমে ইউক্রেনের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করেছে; যা ব্যাপক বিদ্যুৎ বিভ্রাট সৃষ্টি করেছে। এসব হামলায় প্রাণ ঝরছে বেসামরিক নাগরিকদেরও।

গত ২৪ ফেব্রুয়ারি থেকে ইউক্রেনে অভিযান শুরু করে রাশিয়া। সে থেকে নানা কৌশলে কিয়েভ শাসকদের কোণঠাসা করার চেষ্টায় আছে পুতিন বাহিনী। ৯ মাসের মধ্যে গত বুধবারের হামলায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে ইউক্রেনের।

হামলার প্রভাবে দেশটির তাপমাত্রা হিমাঙ্কের নিচে নেমে গেছে; লক্ষাধিক মানুষ আলো, পানি ও উষ্ণতার সংকটে ভুগছে

কিয়েভে তুষারপাত, বিদ্যুতের অভাবে শীতে জবুথবু মানুষ
রাশিয়ার বিমান হামলায় কিয়েভের অনেক অংশে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হওয়ার পরপরই রাস্তায় এক দম্পতি চুমু খাচ্ছেন 

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলদিমির জেলেনস্কির রাজনৈতিক দলের প্রধান ডেভিড আরাখামিয়া শঙ্কা প্রকাশ করছেন, রাশিয়া আগামী সপ্তাহে নতুন অবকাঠামোতে হামলা চালাবে। এতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে।

জেলেনস্কি জানান, ইউক্রেনের ১৭ অঞ্চলের মধ্যে ১৪টিতে বিদ্যুৎ ব্যবহারের ওপর বিধিনিষেধ রয়েছে। এতে প্রতিটি অঞ্চলে এক লাখের বেশি গ্রাহক বিপদে আছেন। কিয়েভ এবং এর পার্শ্ববর্তী এলাকার বাসিন্দা তারা।

নাগরিকদের বিদ্যুৎ সংরক্ষণের আবেদন পুনর্ব্যক্ত করে শনিবার প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি বলেন, ‘সন্ধ্যায় যদি বিদ্যুতের চাহিদা বাড়ে তবে তখন বিভ্রাটও বাড়তে পারে। শক্তি সঞ্চয় করা এবং যুক্তিসংগতভাবে ব্যবহার করা কতটা গুরুত্বপূর্ণ... এই পরিস্থিতিতে সেই শিক্ষা আমরা পাচ্ছি।’

আরও পড়ুন:
শিডিউল জটিলতায় রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সফর বাতিল: মোমেন
জেলেনস্কির সঙ্গে দেখা করলেন ঋষি সুনাক
এবার ইউক্রেনের গ্যাস প্ল্যান্টে রুশ হামলা  
রুশ ক্ষেপণাস্ত্রে পোল্যান্ডে প্রাণহানি: বসছেন ন্যাটো নেতারা
ল্যাভরভের ঢাকা সফরে লাভ-ক্ষতি

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
32 killed by Russian shelling after leaving Kherson Ukraine

খেরসন ছাড়ার পর রাশিয়ার ছোড়া গোলায় নিহত ৩২: ইউক্রেন

খেরসন ছাড়ার পর রাশিয়ার ছোড়া গোলায় নিহত ৩২: ইউক্রেন ইউক্রেনে রুশ বাহিনীর হামলায় নিহত একজনকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। ছবি: এপি
পুলিশপ্রধান ইহোর বলেন, প্রতিদিনের গোলাবর্ষণ শহরটিকে ধ্বংস করে ফেলছে। হত্যা করা হচ্ছে শান্তিপূর্ণ বাসিন্দাদের। খেরসন ছেড়ে যাওয়া রুশ বাহিনী হামলা চালিয়ে এখন পর্যন্ত ৩২ জন সাধারণ মানুষকে হত্যা করেছে।

মস্কোপন্থি বাহিনী প্রত্যাহারের পর ইউক্রেনের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর খেরসনে রাশিয়ার সেনাদের গোলাবর্ষণে কমপক্ষে ৩২ জন নিহত হয়েছেন।

ইউক্রেনের পুলিশপ্রধান ইহোর ক্লাইমেনকোর ফেসবুক পোস্টের বরাতে স্থানীয় সময় শনিবার এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স

প্রায় ৯ মাস ধরে খেরসন দখল করে রেখেছিল রুশ বহিনী। গত ১১ নভেম্বর অবশেষে এই অঞ্চল ছেড়ে দিয়ে ডিনিপ্রো নদীর পূর্বপারে অবস্থান নিয়ে সেখান থেকেই গোলাবর্ষণ করে যাচ্ছে তারা।

পুলিশপ্রধান ইহোর বলেন, প্রতিদিনের গোলাবর্ষণ শহরটিকে ধ্বংস করে ফেলছে। হত্যা করা হচ্ছে শান্তিপূর্ণ বাসিন্দাদের। খেরসন ছেড়ে যাওয়া রুশ বাহিনী হামলা চালিয়ে এখন পর্যন্ত ৩২ জন সাধারণ মানুষকে হত্যা করেছে।

পুলিশ আবারও এই অঞ্চলে দায়িত্ব পালন শুরু করেছে জানিয়ে তিনি বলেন, নিরাপদে থাকার জন্য অনেক লোক দেশের অন্য এলাকায় চলে যাচ্ছে। কিন্তু অনেক বাসিন্দা তাদের বাড়িতেই রয়ে গেছে। আমাদের তাদের সর্বোচ্চ সম্ভাব্য নিরাপত্তা দিতে হবে।

এদিকে শহরে এরই মধ্যে বিদ্যুৎ সংযোগ আবার চালু হয়েছে বলে জানিয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টের এক সিনিয়র সহকারী। আরেক কর্মকর্তা গত সপ্তাহে জানান, যারা এলাকা ত্যাগ করতে চান তাদের সরিয়ে নেয়া হবে।

রুশ সেনাদের দ্বারা ওই এলাকায় ৫৭৮টি যুদ্ধাপরাধের ঘটনা ঘটেছে বলে তদন্তকারীদের তদন্তের বরাতে জানিয়েছেন পুলিশপ্রধান ইহোর। তবে রাশিয়া এই অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে।

ইউক্রেনের দক্ষিণাঞ্চলীয় গুরুত্বপূর্ণ খেরসন শহর থেকে রুশ সেনারা সরে যাওয়ার পর এর নিয়ন্ত্রণ নেয় ইউক্রেনের সেনারা। এর মধ্য দিয়ে যুদ্ধে দখলে থাকা একমাত্র আঞ্চলিক রাজধানী শহর থেকেও পিছু হটে রাশিয়া। এর আগে সেপ্টেম্বরে খেরসনসহ চার অঞ্চলকে রাশিয়ার অংশ ঘোষণা করেছিলেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।

গত বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে ইউক্রেনে হামলা চালাচ্ছে রাশিয়া। প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে ইউক্রেনও। যুদ্ধে প্রতিদিনই আসছে প্রাণহানির খবর।
পশ্চিমাসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ রাশিয়াকে এই হামলা বন্ধের অনুরোধ করলেও তাতে সাড়া দেননি রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।

এ ছাড়া কয়েক দফা দুই দেশের বৈঠকেও আসেনি কোনো সমাধান। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাব পড়েছে সারা বিশ্বে। বেড়েছে জ্বালানি, খাদ্যপণ্যসহ নানা পণ্যের দাম। ইউক্রেন থেকে বাস্তুচ্যুত হচ্ছে অসংখ্য মানুষ।

আরও পড়ুন:
মিসাইল ভান্ডার ফুরিয়েছে রাশিয়ার, দাবি ব্রিটিশ গোয়েন্দাদের
ইউক্রেনে ৬০ লাখ পরিবার বিদ্যুৎহীন: জেলেনস্কি
ইউক্রেনের পাশাপাশি মলদোভায়ও ব্ল্যাকআউট

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
6 million households without electricity in Ukraine Zelensky

ইউক্রেনে ৬০ লাখ পরিবার বিদ্যুৎহীন: জেলেনস্কি

ইউক্রেনে ৬০ লাখ পরিবার বিদ্যুৎহীন: জেলেনস্কি ইউক্রেনের বিদ্যুৎহীন একটি এলাকা। ছবি: এএফপি
ভিডিও বার্তায় ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলদিমির জেলেনস্কি বলেন, রাশিয়ার হামলায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চলগুলোর মধ্যে রয়েছে রাজধানী কিয়েভ ও আশপাশের এলাকা।  

সপ্তাহ ধরে রাশিয়ার ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মধ্যে ইউক্রেনে ৬০ লাখ পরিবার বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ভলদিমির জেলেনস্কি।

স্থানীয় সময় শুক্রবার রাতে দেয়া ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, ‘আজকের সন্ধ্যা পর্যন্ত কিয়েভসহ বেশির ভাগ অঞ্চল বিদ্যুৎহীন ছিল।’

তিনি জানান, বুধবার থেকে বিদ্যুৎহীন পরিবারের সংখ্যা কমে অর্ধেকে নেমেছে।

বিবিসির খবরে বলা হয়, ইউক্রেনে এখনও অনেকের ঘরে জ্বলছে না আলো। অনেকে পান কিংবা গা গরম করার পানি পাচ্ছেন না।

ভিডিও বার্তায় ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট বলেন, রাশিয়ার হামলায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চলগুলোর মধ্যে রয়েছে রাজধানী কিয়েভ ও আশপাশের এলাকা।

তিনি বলেন, কিয়েভ শহরের অনেকে ২০ থেকে ৩০ ঘণ্টা ধরে বিদ্যুৎহীন।

জেলেনস্কি জানান, রুশ হামলায় কিয়েভের বাইরে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চলগুলোর মধ্যে রয়েছে ওডেসা, লাভিভ, ভিনিৎসিয়া ও ডিনিপ্রোপেত্রোভস্ক।

বিদ্যমান পরিস্থিতিতে সবাইকে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান জানিয়ে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘আপনি লোডশেডিংয়ে নেই মানে এই নয় যে, সমস্যা কেটে গেছে। আপনার বাসায় যদি বিদ্যুৎ থাকে, দয়া করে একই সঙ্গে কয়েকটি বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ব্যবহার করবেন না।

‘আমাদের এই শীতটা সইতে হবে, যে শীতের কথা সবাই মনে রাখবে।’

আরও পড়ুন:
খেরসনে ৪ শতাধিক যুদ্ধাপরাধ রুশদের: জেলেনস্কি
রুশ দখলমুক্ত খেরসনে ইউক্রেনীয়দের উচ্ছ্বাস
রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক অত্যন্ত মজবুত, আমেরিকাকে চীন
ইউক্রেনের খেরসন থেকে সেনা সরিয়ে নিচ্ছে রাশিয়া
রাশিয়ার সঙ্গে আলোচনার জন্য যে শর্ত দিলেন জেলেনস্কি

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Blackout in Ukraine as well as Moldova
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ

ইউক্রেনের পাশাপাশি মলদোভায়ও ব্ল্যাকআউট

ইউক্রেনের পাশাপাশি মলদোভায়ও ব্ল্যাকআউট ইউক্রেনের সীমান্ত এলাকায় ব্যাপক হামলা হচ্ছে। ছবি: সংগৃহীত
বুধবারের ব্ল্যাকআউটে প্রভাবিত ইউক্রেনের এলাকাগুলো সীমান্তঘেঁষা। লুভিও শহর থেকে পোল্যান্ডের দূরত্ব কেবল ৮০ কিলোমিটার। এদিকে মলদোভার উপপ্রধানমন্ত্রী টুইটে লেখেন, ‘ইউক্রেনের জ্বালানি অবকাঠামোতে আজকের রুশ হামলার পর মলদোভায় ব্যাপক ব্ল্যাকআউট।’

রাশিয়ার তীব্র বিমান হামলায় রাজধানী কিয়েভসহ ইউক্রেনের পশ্চিমের শহর লুভিও বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়েছে। প্রতিবেশী দেশ মলদোভায়ও ‘ব্যাপক’ ব্ল্যাকআউটের খবর পাওয়া গেছে। যদিও সেদেশে কোনো বোমা সরাসরি আঘাত হানেনি।

লুভিও-র মেয়র তার শহরের বাসিন্দাদের আশ্রয় দেয়ার আকুতি জানিয়েছেন। অন্যদিকে কিয়েভ অঞ্চলের প্রধান বলছেন, গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো এবং আবাসিক ভবনে ব্যাপক হামলা হয়েছে।

রাশিয়া সম্প্রতি ইউক্রেনের জ্বালানি নেটওয়ার্কগুলোতে হামলা তীব্র করেছে।

মলদোভার উপপ্রধানমন্ত্রী আন্দ্রেই স্পিনু টুইটারে লিখেছেন, তার দেশের অর্ধেকেরও বেশি এলাকা বিদ্যুৎবিহীন।

‘ইউক্রেনের জ্বালানি অবকাঠামোতে আজকের রুশ হামলার পর মলদোভায় ব্যাপক ব্ল্যাকআউট।’

এর আগে ইউক্রেনজুড়ে বিমান হামলার সতর্কতা জারি করা হয়েছিল। তার কিছুপর বেশ কয়েকটি স্থানে বিস্ফোরণের খবর পাওয়া যায়।

লুভিও-র মেয়র আন্দ্রি স্যাডোভি বলেন, ‘শিশুরা তাদের শিক্ষকদের সঙ্গে আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান নিয়েছে। অভিভাবকদের অনুরোধ করছি, আপনারা অ্যালার্ম শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাদের নেবেন না।’

নতুন হামলার কিছু কিয়েভ এবং লুভিও থেকে এক বিবৃতিতে জানানো হয়, দক্ষিণ ইউক্রেন আক্রমণের শিকার হয়েছে। মাইকোলাইভ অঞ্চলের গভর্নর দক্ষিণ এবং পূর্ব দিক থেকে রকেট হামলার বিষয়ে সতর্ক করেছিলেন।

জাপোরিঝিয়া অঞ্চলের কাছে একটি ক্ষেপণাস্ত্র প্রসূতি বিভাগে আঘাত হানলে এক নবজাতক শিশুর মৃত্যু হয় বলে দাবি করেছে ইউক্রেন সরকার। তবে বুধবারের ‘কথিত’ হামলার বিষয়ে এখনও কোনো মন্তব্য করেনি রাশিয়া।

ইউক্রেনের পাশাপাশি মলদোভায়ও ব্ল্যাকআউট

সাম্প্রতিক হামলার ফলে ইউক্রেনের অনেক অংশে ব্ল্যাকআউট সাধারণ ঘটনা হয়ে উঠেছে।

বুধবারের ব্ল্যাকআউটে প্রভাবিত ইউক্রেনের এলাকাগুলো সীমান্তঘেঁষা। লুভিও শহর থেকে পোল্যান্ডের দূরত্ব কেবল ৮০ কিলোমিটার। এই পোল্যান্ডের দুই নাগরিক গত সপ্তাহে ইউক্রেনীয় বিমান প্রতিরক্ষা মিসাইলের আঘাতে মারা যান।

পোলিশ সীমান্তের কাছের ইউক্রেনের চেরভোনোহরাদ এবং ইয়াভোরিভ শহরও বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।

ইউক্রেনের হামলার জেরে গত ১৫ নভেম্বর ব্যাপক বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্নতায় পড়েছিল মলদোভা। দেশটির উপপ্রধানমন্ত্রী আন্দ্রেই স্পিনু জানিয়েছিলেন, মোবাইল নেটওয়ার্কও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

মলদোভার এনার্জি পলিসি বিশ্লেষক সের্গিউ তোফিলাত বলেন, ‘আমাদের জ্বালানি সরবরাহ একটি পাওয়ার লাইনের ওপর নির্ভর করে যা রাজধানী চিসিনাউতে পৌঁছানোর রাশিয়া নিয়ন্ত্রিত অঞ্চল ট্রান্সনিস্ট্রিয়ার মধ্য দিয়ে চলে গেছে। ট্রান্সনিস্ট্রিয়া ইউক্রেন সীমান্তের একটি অঞ্চল।

‘যখন ইউক্রেনে বোমা হামলা হয়, তখন এই লাইনটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।’

ইউক্রেনের পাশাপাশি মলদোভায়ও ব্ল্যাকআউট

রাশিয়ান সাম্প্রিতক হামলায় ইউক্রেনের প্রায় অর্ধেক জ্বালানি ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর ফলে কনকনে শীতের মধ্যে লক্ষাধিক মানুষ বিদ্যুৎবিহীন অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন।

কদিন আগে ইউক্রেনের সবচেয়ে বড় বেসরকারি জ্বালানি সংস্থার প্রধান বলেছিলেন, ‘বিদ্যুতের ওপর চাপ কমাতে নাগরিকদের ইউক্রেন ছেড়ে যাওয়ার কথাটা বিবেচনা করা উচিত।’

আরও পড়ুন:
ল্যাভরভের ঢাকা সফরে লাভ-ক্ষতি
খেরসনে ৪ শতাধিক যুদ্ধাপরাধ রুশদের: জেলেনস্কি
রুশ দখলমুক্ত খেরসনে ইউক্রেনীয়দের উচ্ছ্বাস
রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক অত্যন্ত মজবুত, আমেরিকাকে চীন
ইউক্রেনের খেরসন থেকে সেনা সরিয়ে নিচ্ছে রাশিয়া

মন্তব্য

p
উপরে