× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

আন্তর্জাতিক
Israeli Prime Minister is keen on two state solution
hear-news
player
google_news print-icon

ফিলিস্তিনি ইস্যুতে দুই রাষ্ট্র সমাধানে আগ্রহী ইসরায়েল

ফিলিস্তিনি-ইস্যুতে-দুই-রাষ্ট্র-সমাধানে-আগ্রহী-ইসরায়েল
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে বক্তব্য দিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী ইয়ার লাপিদ। ছবি: সংগৃহীত
ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনিদের মধ্যে দীর্ঘদিনের চলমান বিরোধ অবসানে দুই রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের প্রতি আস্থার কথা জানালেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী ইয়ার লাপিদ। আমেরিকার প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনও দুই রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানে আগ্রহী। তবে এ বছরই ইসরায়েলে পার্লামেন্ট নির্বাচন, যেখানে জয়ের সম্ভাবনা রয়েছে নেতানিয়াহুর। দুই রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের ঘোরতর বিরোধী এই উগ্র ডানপন্থি নেতা।

ফিলিস্তিনিদের সঙ্গে চলমান বিরোধের বিষয়ে দুই রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধান সমর্থনের বিষয়ে প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী ইয়ার লাপিদ।

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে দেয়া ভাষণে এমনটাই বলেছেন তিনি।

পাশাপাশি তিনি ইরানকে পারমাণবিক বোমা তৈরি করা থেকে বিরত রাখার ব্যাপারে তেল আবিবের সংকল্পের কথা পুনরাবৃত্তি করেছেন।

দুই রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় বিদ্যমান কিছু প্রতিবন্ধকতা থাকার পরেও তিনি বলেন, ‘দুই জনগণের জন্য দুইটি রাষ্ট্রের ভিত্তিতে ফিলিস্তিনিদের সঙ্গে একটি চুক্তি, ইসরায়েলের নিরাপত্তা, অর্থনীতি ও আমাদের শিশুদের ভবিষ্যতের জন্য সঠিক জিনিষ।’

তিনি বলেন, এমন এক চুক্তি (দুই রাষ্ট্র বাস্তবায়নে সম্ভাব্য চুক্তি) যা শান্তিপূর্ণ ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করবে, যে রাষ্ট্র ইসরায়েলকে হুমকি দেবে না।

আমেরিকার প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনও মনে করেন, একমাত্র দুই রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানই ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনিদের মধ্যে শান্তি আনতে পারে।

ফিলিস্তিনি ইস্যুতে দুই রাষ্ট্র সমাধানে আগ্রহী ইসরায়েল
ডানপন্থি নেতানিয়াহু দুই রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের ঘোরতর বিরোধী

যদিও ইয়ার লাপিদ এমন সময় এ কথাটি বললেন যখন ইসরায়েলে নির্বাচনের ৬ সপ্তাহেরও কম সময় বাকি।

আসন্ন ১ নভেম্বরে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া নির্বাচনে জয়ের সম্ভাবনা রয়েছে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।

নেতানিয়াহু দুই রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের একজন ঘোরতর বিরোধী।

দুই রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানে ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনিদের মধ্যে অনেক বিষয়ে বিরোধ রয়েছে। পুরো জেরুজালেমকে ইসরায়েল নিজেদের রাজধানী হিসেবে দাবি করে, সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র সহ কয়েকটি দেশ এর স্মীকৃতিও দিয়েছে।

দুই জনগণের জন্য দুইটি রাষ্ট্রের ভিত্তিতে ফিলিস্তিনিদের সঙ্গে একটি চুক্তি, ইসরায়েলের নিরাপত্তা, অর্থনীতি ও আমাদের শিশুদের ভবিষ্যতের জন্য সঠিক জিনিষ।

অপর দিকে পূর্ব জেরুজালেমকে ভবিষ্যৎ ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রের রাজধানী হিসেবে চায় ফিলিস্তিনিরা।

এদিকে সাধারণ পরিষদে দেয়া বক্তব্যে ইরানের পরমাণু ইস্যুতে আলোচনার টেবিলে সামরিক শক্তির বিষয়টি রাখার দাবি জানিয়েছেন ইয়ার লাপিদ। তিনি চান আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ইরানকে বার্তা দিক যে, পরমাণু বোমা তৈরির যে কোনো চেষ্টা সামরিক উপায়ে প্রতিহত করা হবে।

আরও পড়ুন:
সাংবাদিক শিরিনকে জেনেবুঝেই খুন করা হয়: তদন্ত
ইরানের পরমাণু চুক্তিতে ‘অভিযান’ বন্ধ হবে না: মোসাদ
ইসরায়েলি বিমানবন্দর ব্যবহার না করতে ফিলিস্তিনিদের তাগিদ
আরও কাছাকাছি তুরস্ক-ইসরায়েল

মন্তব্য

আরও পড়ুন

আন্তর্জাতিক
Myanmar sentenced the Japanese manufacturer

জাপানি নির্মাতাকে সাজা দিল মিয়ানমার

জাপানি নির্মাতাকে সাজা দিল মিয়ানমার কুবোতার মুক্তির আহ্বান জানিয়ে টোকিওতে প্ল্যাকার্ডধারী একদল কর্মী। ছবি: এএফপি
২৬ বছর বয়সী তোরু কুবোতাকে জুলাইয়ে মিয়ানমারের রাজধানী ইয়াঙ্গুনে একটি সরকারবিরোধী সমাবেশের কাছে প্রথম আটক করা হয়। রোহিঙ্গাদের নিয়ে চলচ্চিত্র নির্মাণ করার জন্য তার পরিচিত রয়েছে।  

রাষ্ট্রদ্রোহ এবং ইলেকট্রনিক যোগাযোগ আইন লঙ্ঘনের দায়ে জাপানি এক তথ্যচিত্র নির্মাতাকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে মিয়ানমারের একটি আদালত। মিয়ানমারের সংখ্যালঘু রোহিঙ্গাদের নিয়ে চলচ্চিত্র নির্মাণ করার জন্য তার পরিচিত রয়েছে।

২৬ বছর বয়সী তোরু কুবোতাকে জুলাইয়ে মিয়ানমারের রাজধানী ইয়াঙ্গুনে একটি সরকারবিরোধী সমাবেশের কাছে প্রথম আটক করা হয়।

তাকে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে ৩ বছর এবং একটি ইলেকট্রনিক যোগাযোগ আইন লঙ্ঘনের জন্য ৭ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়। দুই সাজা এক সঙ্গে কাটাতে হবে কি না, তা স্পষ্ট হওয়া যায়নি।

কুবোতার বিরুদ্ধে আরও একটি অভিযোগ রয়েছে। অভিবাসন আইন ভঙ্গের মামলাটি আগামী সপ্তাহে আদালতে তোলা হবে।

জাপানি বার্তাসংস্থা কিয়োডো বলছে, কুবোটা পর্যটক ভিসা ব্যবহার করে প্রতিবেশী থাইল্যান্ড থেকে মিয়ানমারে প্রবেশ করেছিলেন। ২০২১ সালে সরকারবিরোধী বিক্ষোভে তিনি অংশ নিয়েছিলেন বলে দাবি করেছে জান্তা সরকার। এর আগে কুবোতা মিয়ানমারের সংখ্যালঘু রোহিঙ্গাদের প্রতিবেদন করেছিলেন।

চলতি বছরের শুরুতে কুবোতার এক বন্ধু দাবি করেছিলেন, ২০২১ সালের জুলাইয়ে একটি তথ্যচিত্র নির্মাণের জন্য মিয়ানমারে যান তিনি।

চলচ্চিত্র নির্মাতাদের সাইট ফিল্ম ফ্রিওয়ে বলছে, কুবোতার ক্যারিয়ার শুরু ২০১৪ সালে। সে সময় জাপানে এক রোহিঙ্গা শরণার্থীর সঙ্গে তার দেখা হয়েছিল। তারপর ‘মিয়ানমারের উদ্বাস্তু এবং জাতিগত সমস্যা নিয়ে বেশ কয়েকটি চলচ্চিত্র’ নির্মাণ করেন তোরু কুবোতা।

তার ইনস্টাগ্রাম প্রোফাইলে ২০১৭ সালের রোহিঙ্গা শরণার্থীদের বেশ কয়েকটি ছবিও রয়েছে।

দ্য কমিটি টু প্রটেক্ট জার্নালিস্টস-এর দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার জ্যেষ্ঠ প্রতিনিধি শন ক্রিস্পিন চলতি বছরের শুরুতে জানিয়েছিলেন, জাপানি সাংবাদিক তোরু কুবোতাকে আটক করে মিয়ানমার এটাই প্রমাণ করেছে যে সামরিক শাসকরা স্বাধীন সংবাদ প্রতিবেদনের ওপর দমন চালিয়েই যাবেন।

‘সাংবাদিকদের সঙ্গে অপরাধীর মতো আরচণ অবশ্যই বন্ধ করতে হবে মিয়ানমারের জান্তা সরকারকে।’

গত বছরের শুরুর দিকে ‘ভুয়া খবর’ ছড়ানোর দায়ে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন আরেক জাপানি ফ্রিল্যান্স সাংবাদিক। ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে সেনাবাহিনী ক্ষমতা নেয়ার পর, গ্রেপ্তার হওয়া তিনিই প্রথম বিদেশী সাংবাদিক।

পরে অবশ্য তাকে ছেড়ে দেয়া হয়। মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ সে সময় জানিয়েছিল, আইন লঙ্ঘন করেছেন ওই ব্যক্তি। তবে জাপান সরকারের অনুরোধে তাকে মুক্তি দেয়া হয়েছে।

২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে মিয়ানমারের সামরিকবাহিনী অং সান সু চি’র গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করে। এরপর আইনপ্রণেতা, মানবাধিকারকর্মী এবং সাংবাদিকসহ ১৫ হাজার ৬০০ শ’র বেশি মানুষকে গ্রেপ্তার করেছে জান্তা সরকার। শাসক গোষ্ঠীর এমন দমন-পীড়ন মিয়ানমারজুড়ে তীব্র বিক্ষোভ এবং প্রতিরোধ আন্দোলনের জন্ম দিয়েছে।

আরও পড়ুন:
তুমব্রু সীমান্তে দুর্গোৎসব নিয়ে উৎকণ্ঠা
যুদ্ধের মাধ্যমে উন্নয়ন ধ্বংস করতে পারি না: কৃষিমন্ত্রী
মিয়ানমারের সঙ্গে যুদ্ধের পরিস্থিতি তৈরি হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
ভুল করে গোলা ছুড়েছে মিয়ানমার: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
মিয়ানমারের সীমানা লঙ্ঘন: কোন পথে যাবে বাংলাদেশ?

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
At least 30 killed in Thailand daycare center shooting

থাইল্যান্ডে ডে-কেয়ার সেন্টারে বন্দুক হামলায় নিহত ৩৪

থাইল্যান্ডে ডে-কেয়ার সেন্টারে বন্দুক হামলায় নিহত ৩৪ থাই পুলিশ। ছবি: সংগৃহীত
থাইল্যান্ডে ডে-কেয়ার সেন্টারে বন্দুকধারীর গুলিতে ৩৪ জন নিহত হয়েছে। পুলিশের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বন্দুক হামলাকারী একজন সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা। স্থানীয় গণমাধ্যম বলছে, হামলাকারী আত্মহত্যা করেছেন।

থাইল্যান্ডের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশ লং বুয়া লামফুতে শিশুদের ডে-কেয়ার সেন্টারে বৃহস্পতিবার বন্দুকধারীর গুলিতে ৩৪ জন নিহত হয়েছে।

স্থানীয় পুলিশ মুখপাত্রের বরাতে এমনটাই জানিয়েছে রয়টার্স।

নিহত ৩৪ জনের মধ্যে ২৩ জনই শিশু।

পুলিশের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বন্দুক হামলাকারী একজন সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা।

থাইল্যান্ডের কেন্দ্রীয় তদন্ত ব্যুরোর ফেসবুক পেজে সম্ভাব্য হামলাকারী সাবেক পুলিশ কর্মকর্তার নাম ‘পানিয়া খামরাব’ বলা হয়েছে এবং তার একটি ছবিও প্রকাশ করা হয়েছে।

থাইল্যান্ডে ডে-কেয়ার সেন্টারে বন্দুক হামলায় নিহত ৩৪
সম্ভাব্য হামলাকারী সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা পানিয়া খামরাব

স্থানীয় গণমাধ্যমগুলো বলছে, তিনি হামলা চালানোর পরই আত্মহত্যা করেছেন। তবে পুলিশের বিবৃতিতে বন্দুকধারীর আত্মহত্যার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়নি।

এর আগে একজন সরকারি মুখপাত্র বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী সব সংস্থাকে ব্যবস্থা নিতে এবং অপরাধীকে গ্রেপ্তারের জন্য ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

থাইল্যান্ডে এ ধরনের ব্যাপক গোলাগুলির ঘটনা খুবই বিরল। তবে ২০২০ সালে সম্পত্তিসংক্রান্ত বিষয় নিয়ে ক্ষুব্ধ এক সৈনিক ৪টি স্থানে হত্যাযজ্ঞ চালান। তার হামলায় ২৯ জন নিহত ও ৫৭ জন আহত হয়েছিল।

আরও পড়ুন:
থাইল্যান্ডে বিদেশিদের কোয়ারেন্টিনবিহীন পর্যটন শুরু
এবার থাই নিষেধাজ্ঞায় বাংলাদেশ
ইয়টে কোয়ারেন্টিন
রাজতন্ত্রের সমালোচনা করায় ৪৩ বছরের জেল
থাইল্যান্ডে সেনা অভ্যুত্থানের গুজব

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Domestic workers in the Emirates are entitled to 30 days of annual leave

আমিরাতে গৃহকর্মীকে বছরে ছুটি দিতে হবে ৩০ দিন

আমিরাতে গৃহকর্মীকে বছরে ছুটি দিতে হবে ৩০ দিন সংযুক্ত আরব আমিরাতে কর্মরত অভিবাসী গৃহকর্মী। ছবি: গালফ নিউজ
অধ্যাদেশে বলা হয়েছে, প্রত্যেক গৃহকর্মীর বছরে ছুটি ৩০ দিনের কম হতে পারবে না। বাৎসরিক এই ছুটি শুরুর তারিখ নির্ধারণের স্বাধীনতা রয়েছে প্রতিটি কর্মীর। বার্ষিক ছুটি কাটানোর জন্য কর্মী নিজের দেশে যেতে চাইলে নিয়োগকর্তাকে অবশ্যই উড়োজাহাজের টিকিট কেনার খরচ বহন করতে হবে। প্রতি দুই বছরে একবার এই খরচ দিতে হবে কর্মীকে।

মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সংযুক্ত আরব আমিরাতে গৃহকর্মীদের অধিকার সুরক্ষায় নতুন ফেডারেল আইন অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

স্থানীয় সময় বুধবার নতুন শ্রম আইনের খসড়ার অনুমোদন দেয় দেশটির শ্রমবিষয়ক মন্ত্রণালয় ‘হিউম্যান রিসোর্স অ্যান্ড এমিরেটাইজেসন’।

দেশটির রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা এমিরেটস নিউজ এজেন্সির (ডব্লিউএএম) বরাত দিয়ে এ খবর প্রকাশ করেছে আরব নিউজ

জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ শ্রমবাজার সংযুক্ত আরব আমিরাতে বাংলাদেশি অভিবাসীর সংখ্যা প্রায় ৮ লাখ।

দেশটিতে কর্মরত গৃহকর্মীদের একদিন সাপ্তাহিক ছুটি দিতে হবে। যদি বিশেষ কারণে সাপ্তাহিক ছুটি না দেয়া হয় সেক্ষেত্রে নিয়োগকর্তাকে ওই কর্মীকে সেই দিনের মজুরি দিতে হবে।

শ্রমবিষয়ক মন্ত্রণালয় ‘হিউম্যান রিসোর্স অ্যান্ড এমিরেটাইজেসন’ এর নির্বাহী প্রস্তাবে এসব উল্লেখ করা হয়েছে।

অধ্যাদেশে বলা হয়েছে, প্রত্যেক গৃহকর্মীর বছরে ছুটি ৩০ দিনের কম হতে পারবে না। বাৎসরিক এই ছুটি শুরুর তারিখ নির্ধারণের স্বাধীনতা রয়েছে প্রতিটি কর্মীর।

বার্ষিক ছুটি কাটানোর জন্য কর্মী নিজের দেশে যেতে চাইলে নিয়োগকর্তাকে অবশ্যই উড়োজাহাজের টিকিট কেনার খরচ বহন করতে হবে। প্রতি দুই বছরে একবার এই খরচ দিতে হবে কর্মীকে।

সেই সঙ্গে নিয়োগকর্তা ও নিয়োগ প্রতিষ্ঠান পরিবর্তনের অধিকারও নিশ্চিত করা হয়েছে এই নতুন আইনে।

অন্যদিকে, ওই কর্মী যদি কোনো অন্যায় আচরণ করে তবে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে মন্ত্রণালয় বরাবর আবেদন করতে পারবেন নিয়োগকর্তা।

আমিরাতে গৃহকর্মীকে বছরে ছুটি দিতে হবে ৩০ দিন

আমিরাতে কর্মরত অভিবাসী গৃহকর্মী। ছবি: গালফ টুডে

চাকরির মেয়াদ যদি ৬ মাসের বেশি ও এক বছরের কম হয় তবে কর্মীকে মাসে অন্তত ২ দিন বাধ্যতামূলক ছুটি দিতে হবে।

এ ছাড়া অসুস্থ শ্রমিকের চিকিৎসার জন্য ৩০ দিনের ছুটি পাওয়ার অধিকার রয়েছে। সংশোধিত খসড়া আইনে শ্রমিকদেরকে তাদের দেশে ফেরত পাঠানোর খরচ নিয়োগকারী অফিস বহন করবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

এর আগে ২০১৭ সালের ১ জুন, গৃহকর্মীদের অধিকার সুরক্ষায় নতুন শ্রম আইনের খসড়ায় অনুমোদন দেয় আমিরাতের ফেডারেল ন্যাশনাল কাউন্সিল (এফএনসি)।

এতে বলা হয়েছে, নাগরিকদের সবচেয়ে ভালো সেবাদান নিশ্চিতে নতুন শ্রম আইনের খসড়ায় অনুমোদন দেয়া হয়। এ ছাড়া গৃহকর্মীদের অধিকার সুরক্ষা ও নিয়োগ প্রক্রিয়াসহ বিভিন্ন বিষয়ে সচ্চতা ও জবাবদিহিতা আনাই বিশেষ এই আইনের মূল লক্ষ্য।

নিয়োগকারী, শ্রমিক ও নিয়োগকারী সংস্থাগুলোর মধ্যে ত্রিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরালো করতে নতুন শ্রম আইনের খসড়ায় অনুমোদন দিয়েছে এফএনসি।

সেই সঙ্গে খসড়ায় ১৮ বছরের কম বয়সী শ্রমিক নিয়োগে নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছে। একই সঙ্গে শ্রমিক নিয়োগে আমিরাতের নাগরিক নন, এমন কেউ মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করতে পারবেন না।

আরও পড়ুন:
গৃহকর্মীদের সুরক্ষায় সঠিক নীতিমালা প্রণয়নে হাইকোর্টের রুল
৭ তলা থেকে পড়ে গৃহকর্মী নিহত
অতিরিক্ত আইজিপির গৃহকর্মীর ফাঁস ছাড়া আঘাতের চিহ্ন নেই
ইস্তাম্বুলে এরদোয়ানের সঙ্গে বৈঠক আমিরাতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Ichamati idols of Bangladesh India are sacrificed

ইছামতীতে বাংলাদেশ-ভারতের প্রতিমা বিসর্জন

ইছামতীতে বাংলাদেশ-ভারতের প্রতিমা বিসর্জন  ইছামতী নদীতে প্রতিমা বিসর্জন দিচ্ছেন বাংলাদেশ-ভারতের নাগরিকরা। ছবি: নিউজবাংলা
করোনার কারণে গত দুই বছর পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনার টাকিতে দুর্গা প্রতিমা বিসর্জন হয়নি। সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আসায় দুদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী ও পুলিশের উচ্চপদস্থ কর্তারা এক নৌকা বৈঠকে ফের এই রীতি শুরুর সিদ্ধান্ত নেন।

শতাব্দী প্রাচীনরীতি মেনে এবারও বাংলাদেশ-ভারতের দুর্গা প্রতিমা বিসর্জন দেয়া হয়েছে ইছামতী নদীতে। পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার টাকির ইছামতী নদীতে বুধবার বেলা ৩টার থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দুর্গা প্রতিমা বিসর্জন দেয়া হয়। এ সময় বাংলাদেশের মানুষও ইছামতীতে দুর্গা প্রতিমা বিসর্জন করেন।

করোনার কারণে গত দুই বছর পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনার টাকিতে দুর্গা প্রতিমা বিসর্জন হয়নি। সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আসায় দুদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী ও পুলিশের উচ্চপদস্থ কর্তারা এক নৌকা বৈঠকে ফের এই রীতি শুরুর সিদ্ধান্ত নেন।

তবে করোনার ফের বিস্তার রোধে এবার কিছু বিধিনিষেধ আরোপ করেছিল কর্তৃপক্ষ। জানানো হয়, দুদেশের নাগরিকই ইছামতী নদীতে নামতে পারবেন। তবে নদীর মাঝখানে একটা সীমারেখা থাকবে। যে যার নিজের জলসীমার মধ্যে বিসর্জনে অংশ নেবেন। মাঝখানে সীমান্তরক্ষীরা স্পিডবোটে নজরদারি চালাবে।

ইছামতী নদীতে দুদেশের মানুষের দুর্গা প্রতিমা বিসর্জনের ঐতিহাসিক পরম্পরা দেখতে দূর-দূরান্ত, এমনকি বিদেশ থেকেও মানুষের সমাগম ঘটে।

বিসর্জন ঘিরে অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে সতর্ক ছিল বিএসএফ এবং বিজিবি। টাকি পৌরসভার পাশাপাশি বসিরহাট এলাকায় মোতায়েন ছিল বাড়তি নিরাপত্তারক্ষী। রাজবাড়ী ঘাট, সৈয়দপুর ঘাট এবং ঘোষ বাবুর ঘাটে ছিল তাদের কড়ানজর।

আরও পড়ুন:
দুর্গার কৈলাস যাত্রার ক্ষণে মণ্ডপে মণ্ডপে সিঁদুর খেলা
রাজ্যবাসীকে বিজয়ার শুভেচ্ছা মমতার
উমার বিদায়বেলা
দুর্গা আসেননি মণ্ডপে, ঝুলছে কালো পতাকা
বরাবরই ব্যতিক্রম টাইগার সংঘের পূজা

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Turkey imports coal from Donbas

ডনবাস থেকে কয়লা আমদানি করে তুরস্ক

ডনবাস থেকে কয়লা আমদানি করে তুরস্ক ফেব্রুয়ারির আগ পর্যন্ত দোনেৎস্ক ও লুহানস্কে ১১৫টি কয়লাখনি সচল ছিল। ছবি: সংগৃহীত
সদ্য রাশিয়ার সঙ্গে যুক্ত হওয়া অঞ্চল দোনেৎস্ক থেকে কয়লা আমদানি করে তুরস্ক। এমনটি জানিয়েছেন, সেখানকার রুশ সমর্থিত প্রধানমন্ত্রী।

সদ্য রাশিয়ার সঙ্গে যুক্ত হওয়া খনিজ সমৃদ্ধ দোনেৎস্ক পিপলস রিপাবলিক (ডিপিআর)-এ খনন করা কয়লা তুরস্কতে রপ্তানি করা হচ্ছে।

আরআইএ-এর নভোস্কিকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে এমনটাই জানিয়েছেন ডিপিআরের প্রধানমন্ত্রী ভিটালি খোতসেনকো।

তুরস্ক ছাড়াও মধ্যপ্রাচ্য ও আফ্রিকার অন্যান্য দেশেও কয়লা রপ্তানি করা হয় বলে জানিয়েছেন খোতসেনকো।

তিনি দাবি করেন, উচ্চমানের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে এই অঞ্চলের কয়লার চাহিদা রয়েছে।

ইউরোপের চতুর্থ বৃহত্তম কয়লাক্ষেত্রের অবস্থান দোনেৎস্কে।

ইউক্রেনে সামরিক অভিযান শুরুর আগ পর্যন্ত দোনেৎস্ক ও লুহানস্কে ১১৫টি কয়লাখনি সচল ছিল। বছরে ৭০ মিলিয়ন টন কাঁচামাল উৎপাদন করা হত।

রাশিয়া এরই মধ্যে দোনেৎস্ক অঞ্চলকে নিজেদের মানচিত্রে যুক্ত করেছে। যদিও এমন সংযুক্তি ইউক্রেন মেনে না নেয়ার ঘোষণা দিয়েছে। এরই মধ্যে ইউক্রেনীয় সেনারা রুশ বাহিনীকে হটিয়ে দোনেৎস্কের লেমান শহর দখল করেছে।

আরও পড়ুন:
জাতিসংঘে রাশিয়ার বিপক্ষে ভোট দেয়নি চীন-ভারত
ইউক্রেনের ন্যাটোভুক্তির বিষয়ে যা জানাল আমেরিকা
ইউক্রেনের ৪ অঞ্চলকে রাশিয়ায় সংযুক্তির ঘোষণা পুতিনের
জাপোরিজ্জায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত ২৩
ইউক্রেনের আরও দুই অঞ্চলের স্বাধীনতায় স্বীকৃতি পুতিনের

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Imrans PTI could not facilitate in the High Court

হাইকোর্টেও সুবিধা করতে পারল না ইমরানের পিটিআই

হাইকোর্টেও সুবিধা করতে পারল না ইমরানের পিটিআই ইসলামাবাদ হাইকোর্ট। ছবি: সংগৃহীত
ইমরান খানকে প্রধানমন্ত্রী পদ থেকে অপসারণের জেরে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন পিটিআইয়ের পার্লামেন্ট সদস্যরা। কেবল ১১ জনের পদত্যাগপত্র তখন গৃহীত হয়। পদত্যাগী সেই সদস্যরাই এখন পার্লামেন্টে ফিরতে চাচ্ছে। এর জন্য পিটিআই দ্বারস্থ হয়েছে ইসলামাবাদ হাইকোর্টের। হাইকোর্ট সাফ জানিয়ে দিয়েছে, পার্লামেন্টের ইস্যু- পার্লামেন্টেই সমাধান করতে।

পার্লামেন্টে পদত্যাগপত্রবিষয়ক পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) জমা দেয়া এক আবেদনের শুনানি হয়েছে ইসলামাবাদ হাইকোর্টে।

বৃহস্পতিবার সকালে এই শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।

মামলাটির শুনানি করেছেন ইসলামাবাদ হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি আতহার মিনাল্লাহ। শুনানির শুরুতেই প্রধান বিচারপতি পিটিআইয়ের জমা দেয়া আবেদনের পেছনের উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।

তিনি মন্তব্য করেন, সংসদের বিষয়গুলো সংসদেই সমাধান করতে হবে এবং বিষয়টি রাজনৈতিক কি না, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে দলকে আহ্বান জানান।

পিটিআই আদালত থেকে কোনো রাজনৈতিক লক্ষ্য অর্জন করতে চায় কি না, তা নিয়েই প্রশ্ন তোলেন বিচারপতি আতহার।

পিটিআইয়ের পক্ষে ব্যারিস্টার আলী জাফর আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

আদালত তার কাছে জানতে চান, পিটিআই দলের সদস্যদের পদত্যাগ করতে বাধ্য করা হয়েছিল কি না।

সে বিষয়ে সরাসরি কিছু না বললেও আলী জাফর জানান, পদত্যাগপত্র গ্রহণের জন্য একটি বিধিবদ্ধ প্রক্রিয়া রয়েছে। এ ক্ষেত্রে পদত্যাগপত্র ভুল উপায়ে গ্রহণ করা হয়েছিল। আর সেটি চূড়ান্ত পদত্যাগপত্র ছিল না, এর সঙ্গে কিছু শর্ত যুক্ত ছিল।

আলি জাফর পাল্টা প্রশ্ন ছুড়ে বলেন, ১২৩ জনের মধ্যে কেবল ১১ জনের পদত্যাগপত্রই কেন গ্রহণ করা হলো।

ডেপুটি স্পিকার কোনো পদত্যাগের তদন্ত করেননি। অর্থাৎ তার সাংবিধানিক দায়িত্ব তিনি পালন করেননি।

ব্যারিস্টার আলি ফজলের যুক্তি ছিল, যদি আদালত পিটিআইয়ের পদত্যাগপত্র অকার্যকর ঘোষণা করে, তবে তাদের সদস্যরা পার্লামেন্টে ফিরতে পারে। জবাবে আদালত বলেছে, যে সদস্যরা পদত্যাগ করেছেন, তাদের অবশ্যই পার্লামেন্টে থাকতে হবে এবং পার্লামেন্ট হাউসের সঙ্গে পরামর্শ করতে হবে।

প্রধান বিচারপতি আরও মন্তব্য করেন যে আদালত সংসদের সঙ্গে মতবিরোধ তৈরি করতে পারে না এবং এটা নৈতিকও নয়।

আইনজীবীকে উদ্দেশ করে বিচারপতি বলেন, ‘আপনি এমন ধারণা দিচ্ছেন যে আপনি সংসদকে সম্মান করেন না। আপনাকে প্রমাণ করতে হবে যে আপনি সম্মান (সংসদকে) করেন।’

এরপর শুনানি এক ঘণ্টা মুলতবি করা হয়।

পাকিস্তানে প্রধানমন্ত্রী পদ থেকে ইমরান খানের অপসারণের পর গত এপ্রিলে তার দল পিটিআইয়ের সদস্যরা পার্লামেন্ট থেকে পদত্যাগ করার সিদ্ধান্ত নেন এবং একযোগে স্পিকার বরাবর পদত্যাগপত্র পাঠান।

আরও পড়ুন:
ইমরান খানের পিটিআই নিয়েছিল নিষিদ্ধ বিদেশি অনুদান

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
8 dead in Durga landslide in West Bengal

পশ্চিমবঙ্গে দুর্গা বিসর্জনে পাহাড়ি ঢলে মৃত ৮

পশ্চিমবঙ্গে দুর্গা বিসর্জনে পাহাড়ি ঢলে মৃত ৮ মাল নদীতে হরপা বানে ভেসে যাচ্ছে মানুষ। ছবি: সংগৃহীত
প্রতিমা বিসর্জন চলাকালীন পাহাড়ি ঢলে আচমকা মাল নদী ফুলে ওঠে। কিছু বুঝে ওঠার আগেই নদীতে পড়ে যান বহু মানুষ। নদীতে আটকে পড়ে বিসর্জনের গাড়িও। ৮ জনের মৃত্যুর খবর জানা গেলেও মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।

পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়ি জেলার মাল নদীতে দুর্গা প্রতিমা বিসর্জন করতে গিয়ে হড়পা বানে (পাহাড়ি ঢল) ভেসে গিয়ে ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে।

ভারতের জাতীয় দুর্যোগ মোকাবিলা দল উদ্ধারকাজ চালিয়ে যাচ্ছে। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।

ঘটনার সময় বুধবার সন্ধ্যায় দুর্গা প্রতিমা বিসর্জন চলছিল মাল নদীতে। বিসর্জন দেখতে নদীর ধারে বহু দর্শনার্থী ভিড় জমিয়েছিলেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, প্রতিমা বিসর্জন চলাকালীন আচমকা নদী ফুলে ওঠে। পাহাড় থেকে পানির স্রোত নেমে আসে। কিছু বুঝে ওঠার আগেই নদীতে পড়ে যান বহু মানুষ। নদীতে আটকে পড়ে বিসর্জনের গাড়িও।

পানির স্রোতে ৩০ থেকে ৪০ জন দর্শনার্থী ভেসে যান। উদ্ধারকাজে নামে এনডিআরএফের দল এবং রাজ্য পুলিশ। উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের স্থানীয় মালবাজার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

স্থানীয় তৃণমূল নেতা বুলুচিক বরাইক জানান, ‘উদ্ধারকাজের সব রকম ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। হঠাৎ করে পানি বেড়ে যাওয়ায় এ রকম দুর্ঘটনা ঘটেছে।’

সেখানে জলপাইগুড়ি মালবাজারের চা-বাগানগুলোর প্রতিমা বিসর্জন চলছিল মাল নদীতে। আগেও এই এলাকায় হড়পা বানের নজির থাকার পরও কেন প্রশাসন আগেভাগে ব্যবস্থা নেয়নি তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এদিন রাতে বিবৃতি দিয়ে সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মো. সেলিম জানান, ‘এই ঘটনা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। এই মুহূর্তে উদ্ধারকাজে সহযোগিতার আহ্বান জানাচ্ছি। ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়াতে হবে।’

বৃহস্পতিবার সকালে ঘটনাস্থলে যাওয়ার কথা রাজ্যের উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী উদয়ন গুহর। উদয়ন গুহ বলেন, ‘এই ঘটনার কোনো সতর্কতা আগে থেকে নেয়া সম্ভব ছিল না। যা পানি ছিল হঠাৎ করে তা ৫ গুণ বেড়ে যাওয়ায় বিপত্তি দেখা দেয়। উদ্ধারকাজ চলছে।’

এদিকে হাসপাতালে ভর্তি আহতদের পরিবারের অভিযোগ, বিধায়ক এসে দেখে গেলেও হাসপাতালে আহতদের ঠিকমতো দেখভাল করা হচ্ছে না।

আরও পড়ুন:
পশ্চিমবঙ্গে অস্থির চালের বাজার
বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপে সতর্কতা পশ্চিমবঙ্গে
বিজেপির সভামঞ্চে নারীকে মারধর
টেলিমেডিসিনে সুস্থ স্ট্রোকের রোগী
দুধের কনটেইনারে ‘গরু পাচার’

মন্তব্য

p
উপরে