× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

আন্তর্জাতিক
Typhoon Nanmoodle ravaged Japan
hear-news
player
print-icon

টাইফুনে ব্যাহত জাপানের জনজীবন

টাইফুনে-ব্যাহত-জাপানের-জনজীবন-
ঘণ্টায় ১৮০ কিলোমিটার (১১২ মাইল) বেগে বাতাসের সঙ্গে টানা বৃষ্টিতে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে কিউশু দ্বীপের জীবনযাত্রা। ছবি: এএফপি   
জাপানের আবহাওয়া অফিসের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘এবারের ঝড়টি ২০১৮ সালের টাইফুন জেবি এবং ২০১৯ সালে টাইফুন হাগিবিসের চেয়েও মারাত্মক হতে পারে। জেবির তাণ্ডবে ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছিল; ব্যাপক বিদ্যুৎ বিপর্যয় সৃষ্টি করেছিল হাগিবিস।’

জাপানের দক্ষিণে আঘাত হেনেছে শক্তিশালী টাইফুন নানমাডল। এর প্রভাবে ঘণ্টায় ১৮০ কিলোমিটার (১১২ মাইল) বেগে বাতাসের সঙ্গে টানা বৃষ্টি হচ্ছে কিউশু দ্বীপে। আবহাওয়া অফিস বলছে, আগামী ২৪ ঘণ্টায় ৫০০ মিমি মিটার (২০ ইঞ্চি) বৃষ্টিপাত হতে পারে এই এলাকায়।

বৃষ্টির কারণে বন্যা ও ভূমিধসের আশঙ্কায় আছে কর্তৃপক্ষ। দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় বুলেট ট্রেন পরিষেবা, ফেরি এবং শত শত ফ্লাইট ইতোমধ্যেই বাতিল হয়েছে। নিরাপদে সরিয়ে নেয়া হয়েছে অন্তত ৪০ লাখ মানুষকে।

টাইফুনটি জাপান সময় রোববার সকালে কিউশুর দক্ষিণ প্রান্তে কাগোশিমা শহরের কাছে আছড়ে পরে।

দক্ষিন জাপানের চারটি দ্বীপের একটি কিউশু। ১ কোটি ৩০ লাখ জনসংখ্যার দ্বীপটি জাপানের মূলভূখণ্ডকে দক্ষিণের সঙ্গে যুক্ত করেছে।

জাপানের আবহাওয়া অফিস শুরুতে বিশেষ সতর্কতা জারি করেছিল কিউশু দ্বীপে। তারা আশঙ্কা করেছিল, টাইফুনের কারণে প্রবল বৃষ্টির পাশপাশি উপকূলে ঝড় হতে পারে। শক্তিশালী বাতাসের কারণে বাড়িঘর ভেঙে পড়ার আশঙ্কাও ছিল।

টাইফুনটি এখন কিউশু ওপর দিয়ে উত্তর দিকে এগুচ্ছে। এতে দ্বীপের পাহাড়ী অঞ্চলে প্রবল বৃষ্টিপাত হচ্ছে। এটি আগামী কয়েকদিনে রাজধানী টোকিও দিকে অগ্রসর হবে। সময়ের সঙ্গে ঝড়টি আরও শক্তিশালী হবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

টাইফুলের প্রভাবে টানা বৃষ্টিতে ইতোমধ্যে নদীর পানি বাড়তে শুরু করেছে; যা ভূমিধস ঘটাতে পারে। কিউশুর বাসিন্দাদের আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান নিতে বলেছে কর্তৃপক্ষ।

নানমাডোল চলতি মৌসুমের ১৪ নম্বর প্রশান্ত মহাসাগরীয় টাইফুন। এটি জাপানে আঘাত হানা সবচেয়ে শক্তিশালী টাইফুন হতে যাচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

জাপানের আবহাওয়া অফিসের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘এবারের ঝড়টি ২০১৮ সালের টাইফুন জেবি এবং ২০১৯ সালে টাইফুন হাগিবিসের চেয়েও মারাত্মক হতে পারে। জেবির তাণ্ডবে ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছিল; ব্যাপক বিদ্যুৎ বিপর্যয় সৃষ্টি করেছিল হাগিবিস।’

যদিও জাপান এ ধরনের ঝড় মোকাবিলার জন্য যথেষ্ট প্রস্তুত তবুও বিজ্ঞানীরা বলছেন, জলবায়ু পরিবর্তন প্রাকৃতিক দুর্যোগকে ভয়ঙ্কর করে তুলছে।

আরও পড়ুন:
টাইফুনে লন্ডভন্ড ফিলিপাইন, নিহত অন্তত ৭৫

মন্তব্য

আরও পড়ুন

আন্তর্জাতিক
Bhutan opened the border by increasing the cost of travel

ভ্রমণের খরচ বাড়িয়ে সীমান্ত খুলে দিল ভুটান

ভ্রমণের খরচ বাড়িয়ে সীমান্ত খুলে দিল ভুটান ভুটানের একটি পর্যটন এলাকা। ছবি: সংগৃহীত
পৃথিবীতে পর্যটকদের যেসব দেশে সবচেয়ে বেশি মাশুল দিতে হয় ভুটান তার মধ্যে অন্যতম। জলবিদ্যুতের পর পর্যটনই দেশটির রাজস্বের সবচেয়ে বড় খাত। সড়কপথে বাংলাদেশ থেকে ভুটান গেলে দেশটির অভিবাসন দপ্তর থেকে এন্ট্রি পারমিট নিতে হয়৷ আর বিমানে গেলে নিতে হয় বিমানবন্দরের পারমিট।

করোনা পরিস্থিতিতে দীর্ঘ আড়াই বছর বন্ধ রাখার পর আবার পর্যটকদের জন্য সীমান্ত খুলে দিল পাহাড়, নদী আর ঝরনার মিতালিতে সৃষ্ট প্রকৃতির এক অপরূপ নিদর্শনের দেশ ভুটান।

আগের চেয়ে পর্যটন ফি বা সাসটেইনেবেল ডেভেলপমেন্ট ফি (এসডিএফ) বেশ বাড়িয়ে শনিবার দেশটির সীমান্ত খুলে দেয়া হয় বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে এনডিটিভি

ভুটানে গত তিন দশক ধরে প্রতি রাতের জন্য একজন পর্যটককে দিতে হতো ৬৫ ডলার। তবে এখন থেকে এজন্য গুনতে হচ্ছে ২০০ ডলার।

ভ্রমণের জন্য এত দিন আঞ্চলিক অর্থাৎ ভারতীয় ও বাংলাদেশি পর্যটকদের জন্য কোনো ফি ছিল না। কিন্তু নতুন নিয়মে তাদের জন্য ফি নির্ধারণ হয়েছে।

এসব দেশের পর্যটকদের ক্ষেত্রে প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য প্রতিদিন দিতে হবে ১ হাজার ২০০ গুলট্রাম আর ৬ থেকে ১২ বছরের শিশুদের জন্য ৬০০ গুলট্রাম লাগবে।

ভুটানের কনসাল জেনারেল জিগমে থিনলে নামগিয়াল বলেন, পর্যটন একটি জাতীয় সম্পদ এবং আমরা কার্বন নিরপেক্ষ থাকার চেষ্টা করছি। এর নিজস্ব খরচ আছে। আমাদের পর্যটনকে টেকসই করতে আমরা আমাদের অবকাঠামোর উন্নয়ন করছি। এসব কারণে আমরা এই শুল্ক নিচ্ছি।

পৃথিবীতে পর্যটকদের যেসব দেশে সবচেয়ে বেশি মাশুল দিতে হয় ভুটান তার মধ্যে অন্যতম। জলবিদ্যুতের পর পর্যটনই দেশটির রাজস্বের সবচেয়ে বড় খাত। সড়কপথে বাংলাদেশ থেকে ভুটান গেলে দেশটির অভিবাসন দপ্তর থেকে এন্ট্রি পারমিট নিতে হয়৷ আর বিমানে গেলে নিতে হয় বিমানবন্দরের পারমিট।

৪৬ হাজার ৫০০ বর্গকিলোমিটার আয়তনের দেশ ভুটানের জনসংখ্যা ৮ লাখের মতো। দেশটিতে করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ৬ হাজার ১০০। এর মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ২১ জনের। করোনার কারণে ২০২০ সালের মার্চ থেকে বন্ধ করে দেয়া হয়েছিল এ দেশের সীমান্ত।

ভুটানের ভূপ্রকৃতি পর্বতময়। উত্তরে সুউচ্চ হিমালয় পর্বতমালা, মধ্য ও দক্ষিণভাগে নিচু পাহাড় ও মালভূমি এবং দক্ষিণ প্রান্তসীমায় সামান্য কিছু সাভানা তৃণভূমি ও সমভূমি আছে। মধ্যভাগের মালভূমির মধ্যকার উপত্যকাগুলোতেই বেশির ভাগ লোকের বাস।

বহির্বিশ্ব থেকে বহুদিন বিচ্ছিন্ন থাকার কারণে ভুটান প্রাণী ও উদ্ভিদের এক অভয়ারণ্য। এখানে বহু দুর্লভ প্রজাতির প্রাণী ও উদ্ভিদ দেখতে পাওয়া যায়। ভুটানের প্রায় ৭০% এলাকা অরণ্যাবৃত।

আরও পড়ুন:
রিজার্ভ কমছে ভুটানের, গাড়ি আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা
ড্রুক এয়ারের ঢাকা-পারো ফ্লাইট শুরু ১ জুলাই
বাংলাদেশ থেকে ব্যান্ডউইডথ ও ট্রেইনার নেবে ভুটান
বিনা শুল্কে ভুটানে যাবে বাংলাদেশের ১০০ পণ্য

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Inequality increased on climate change survey

জলবায়ু পরিবর্তনে বৈষম্য বেড়েছে: জরিপ

জলবায়ু পরিবর্তনে বৈষম্য বেড়েছে: জরিপ বুধবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বিবিএস মিলনায়তনে আনুষ্ঠানিকভাবে জরিপ প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। ছবি: নিউজবাংলা
বিবিএসের জরিপের তথ্য তুলে ধরে বলা হয়, জলবায়ু পরিবর্তন ও প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে নারী-পুরুষের পাশাপাশি তৃতীয় লিঙ্গ, প্রতিবন্ধী, সংখ্যালঘু, শিশুসহ সবার ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। তাই এই জনগোষ্ঠী সম্পর্কে পৃথকভাবে মূল্যায়ন এবং সুনির্দিষ্ট চাহিদা মেটাতে সব স্তরের উদ্যোগের প্রয়োজনীয়তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ৷

বাংলাদেশের জলবায়ু-ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় নারীরা মাত্র ৬ দশমিক ৮৯ শতাংশ কৃষি জমির মালিক, যেখানে পুরুষরা ৯৩ দশমিক ১১ শতাংশ। আর গৃহস্থালি কাজের ৯৮ দশমিক ৫৪ শতাংশ ভার বহন করে নারীরা, যেখানে পুরুষদের অবদান নগণ্য, ১ দশমিক ৪৬ শতাংশ।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) লিঙ্গ, বয়স ও প্রতিবন্ধীদের ওপর পরীক্ষামূলক জরিপের তথ্যে এমন তথ্য বেরিয়ে এসেছে। জাতিসংঘের নারী বিষয়ক সংস্থা ইউএন উইমেনের কারিগরি সহায়তায় জলবায়ু পরিবর্তন এবং দুর্যোগ মোকাবেলার ওপর জরিপটি পরিচালিত হয়েছে।

বুধবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বিবিএস মিলনায়তনে আনুষ্ঠানিকভাবে এ প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়।

সমীক্ষায় দেখা গেছে- কৃষি, ব্যবসা, অন্যান্য সেবা অথবা দিনমজুরের কাজে নিয়োজিতদের মধ্যে ১০ দশমিক ৬০ শতাংশ নারী এবং ৮৯ দশমিক ৪০ শতাংশ পুরুষ।

জরিপের তথ্য তুলে ধরে অনুষ্ঠানে বলা হয়, জলবায়ু পরিবর্তন ও প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে নারী-পুরুষের পাশাপাশি তৃতীয় লিঙ্গ, প্রতিবন্ধী, সংখ্যালঘু, শিশুসহ সবার ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। তাই এই জনগোষ্ঠী সম্পর্কে পৃথকভাবে মূল্যায়ন এবং সুনির্দিষ্ট চাহিদা মেটাতে সব স্তরের উদ্যোগের প্রয়োজনীয়তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ৷

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি পরিসংখ্যান ও তথ্যবিজ্ঞান বিভাগের সচিব ডা. শাহনাজ আরেফিন এনডিসি বলেন, ‘জলবায়ু পরিবর্তনের তীব্রতা ও ধারা বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব মোকাবেলায় আমাদের ব্যাপক প্রস্তুতি প্রয়োজন। টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য আমাদের অভিযোজন এবং প্রশমন উভয় পদ্ধতিতে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।

শিক্ষাবিদ, গবেষক, বেসরকারি ও সরকারি সব স্তরের সংস্থার সঙ্গে সম্মিলিতভাবে এবং সঠিক তথ্যের ওপর নির্ভর করে একটি ন্যায়সঙ্গত, টেকসই এবং স্থিতিস্থাপক বাংলাদেশ নিশ্চিত করতে একসঙ্গে কাজ করে যেতে হবে।’

বিশেষ অতিথি ইউএন উইমেন বাংলাদেশের কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ গীতাঞ্জলি সিং বলেন, ‘এই প্রতিবেদনের মাধ্যমে আমরা জানতে পারি যে কিভাবে স্থানীয় থেকে জাতীয় পর্যায়ে ঝুঁকি কমানোর জন্য লিঙ্গ-সমতা, জলবায়ু পরিবর্তন এবং দুর্যোগ-ঝুঁকির মধ্যে সমন্বয় করতে এই জরিপের তথ্যকে ব্যবহার করা যাবে।

‘প্রতিবেদনটি জলবায়ু পরিবর্তন এবং দুর্যোগ-ঝুঁকি হ্রাসে জেন্ডার সহায়ক তথ্য সংগ্রহে সংশ্লিষ্ট সরকারি মন্ত্রণালয় এবং বিভাগগুলোর জন্য সহায়ক হবে। আর তা জলবায়ু দুর্যোগ-প্রবণ এলাকায় বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর প্রয়োজনীয় চাহিদা মেটাতে এবং দুর্বলতা হ্রাসে সহায়তা করবে৷’

বিবিএসের মহাপরিচালক মো. মতিয়ার রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ফরিদা পারভীন, অধ্যাপক ড. সাঈদ শাহাদাত হোসেন, ড. এ. আতিক রহমান ও প্রফেসর ড. এ কে এম নুরুন নবী।

আরও পড়ুন:
সবচেয়ে তিক্ত জীবনের দেশের তালিকায় বাংলাদেশ সপ্তম
দেশে সবচেয়ে বেশি দরিদ্র রাজীবপুরে, ৮০ শতাংশ
মূল্যস্ফীতি কেড়ে নিচ্ছে পোশাক শ্রমিকদের বাড়তি আয়
প্রতিবন্ধিতা জরিপ: পরিসংখ্যান ব্যুরোর সঙ্গে সমাজসেবার সমন্বয় দাবি
করোনার ধাক্কা সামলেছে ৬০ ভাগ প্রতিষ্ঠান: সানেম

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
There may be light rain and it will be hot

হালকা বৃষ্টি হতে পারে, গরম থাকবে এমনই

হালকা বৃষ্টি হতে পারে, গরম থাকবে এমনই ফাইল ছবি
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রামের কিছু জায়গায় এবং রাজশাহী, রংপুর, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়া ও বিজলি চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

তীব্র গরমে যখন অতিষ্ঠ নগরবাসী, তখন স্বস্তির বার্তা দিয়েছিল আকাশ থেকে নেমে আসা গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টি। দু-এক দিন আগের কথা এটি। টানা তিন-চার দিন এমন পরিস্থিতিতে কিছুটা দুর্ভোগেও পড়তে হয়েছে কর্মক্ষেত্রগামীদের। তবে আবার আগের সেই অবস্থায় ফিরে গেছে রাজধানীসহ মোটামুটি দেশের অধিকাংশ এলাকা।

বৃষ্টির দেখা নেই। আকাশ হয়তো কিছুটা মেঘলা থাকছে, কিন্তু গরম কমছে না। তাপমাত্রায় নেই কোনো পরিবর্তন। এ পরিস্থিতিতেই স্বস্তির খবর দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি হতে পারে।

২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে মঙ্গলবার এ তথ্য জানিয়ে আবহাওয়া অধিদপ্তর বলেছে, তবে তাপমাত্রায় তেমন একটা পরিবর্তন আসার সম্ভাবনা না থাকায় কমছে না গরম। চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্কাসংকেত জারি করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রামের কিছু জায়গায় এবং রাজশাহী, রংপুর, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়া ও বিজলি চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

ঢাকা আবহাওয়া অফিসের আবহাওয়াবিদ মো. ওমর ফারুকের স্বাক্ষর করা বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, এ ছাড়া দেশের দক্ষিণ অঞ্চলের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি বর্ষণ হতে পারে। সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

আবহাওয়ার সার্বিক পর্যবেক্ষণে বলা হয়, উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত লঘুচাপটি ঘণীভূত হয়ে একই এলাকায় সুস্পষ্ট লঘুচাপে পরিণত হয়েছে। এটি আরও ঘণীভূত হয়ে উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে পারে। মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর মোটামুটি সক্রিয় রয়েছে।

আগামী ৪৮ ঘণ্টাও আবহাওয়া একই রকমের থাকতে পারে বলে জানিয়েছে অধিদপ্তর।

আরও পড়ুন:
১ ঘণ্টার বৃষ্টিতে তলিয়েছে কুষ্টিয়া শহর
রেকর্ড বৃষ্টিতে ডুবল খুলনা
স্বস্তির বৃষ্টিতে ভোগান্তির শঙ্কা

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Dhaka sky will be cloudy with less chance of rain

ঢাকার আকাশ থাকবে মেঘলা, বৃষ্টির সম্ভাবনা কম

ঢাকার আকাশ থাকবে মেঘলা, বৃষ্টির সম্ভাবনা কম মেঘাচ্ছন্ন ঢাকার ছবিটি মেরুল বাড্ডা এলাকা থেকে তোলা। ফাইল ছবি
আবহাওয়াবিদ মনোয়ার হোসেন নিউজবাংলাকে জানিয়েছেন, ‘রাজধানী ঢাকার আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকবে সারা দিন। বিকেলের দিকে আকাশ পরিষ্কার হয়ে যেতে পারে। ঢাকায় বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা খুবই কম। তবে সারা দেশে মৌসুমি বায়ুর প্রভাব সক্রিয় থাকায় হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা উড়িয়ে দেয়া যায় না।’

রাজধানী ঢাকার আকাশ বিকেল পর্যন্ত মেঘাচ্ছন্ন থাকবে, তবে এ সময় বৃষ্টির সম্ভাবনা খুব কম। এমনটি জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

রোববার সকালে আবহাওয়াবিদ মনোয়ার হোসেন নিউজবাংলাকে জানিয়েছেন, ‘রাজধানী ঢাকার আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকবে সারা দিন। বিকেলের দিকে আকাশ পরিষ্কার হয়ে যেতে পারে। ঢাকায় বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা খুবই কম। তবে সারা দেশে মৌসুমি বায়ুর প্রভাব সক্রিয় থাকায় হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা উড়িয়ে দেয়া যায় না।’

তিনি আরও বলেন, সারা দেশে বৃষ্টিপাত ও মেঘলা আবহাওয়ার সম্ভাবনা কম। আকাশ দ্রুত স্বচ্ছ হয়ে উঠছে। গত কয়েক দিন লঘুচাপের কারণে বৃষ্টিসহ বজ্রবৃষ্টি, দমকা হাওয়া দেশের সব বিভাগ থেকে সরে যাচ্ছে। দেশের আকাশ স্বচ্ছ ও ঝলমলে হতে শুরু করেছে।

ঢাকায় মেঘলা আকাশ থাকলেও সারা দেশের ৭ বিভাগে তেমনটি দেখা যাবে না। মৌসুমি বায়ু সংক্রিয় থাকায় সারা দেশে যেকোনো সময় বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। তবে ভারি বৃষ্টিপাত বা বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা খুবই কম।

তবে রোববার সকাল ৬টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় ফেনীতে ৯৯ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এ সময় রাজধানীসহ দেশের ৮ বিভাগেই কমবেশি বৃষ্টি হয়েছে।

আরও পড়ুন:
আর পোড়াবে না খরতাপ
জলোচ্ছ্বাসের শঙ্কা, সাগরে ৩ নম্বর সংকেত
আবার বৃষ্টির পূর্বাভাস অধিদপ্তরের, এবার মিলবে কি

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Depletion of ozone layer is major cause of climate change Minister of State for Disasters

ওজোন স্তরের ক্ষয় জলবায়ু পরিবর্তনের বড় কারণ: দুর্যোগ প্রতিমন্ত্রী

ওজোন স্তরের ক্ষয় জলবায়ু পরিবর্তনের বড় কারণ: দুর্যোগ প্রতিমন্ত্রী
এনামুর রহমান বলেন, ‘ওজোন স্তর ক্ষয়ের প্রভাবই জলবায়ু পরিবর্তনের বড় কারণ। এখন জনস্বাস্থ্যেও এর ব্যাপকভাবে প্রভাব পড়ছে। এ নিয়ে এখন কিছুটা সচেতনতা তৈরি হয়েছে। তবে বিষয়গুলোকে গভীরভাবে ভাবতে হবে এবং সে মতো কাজ করতে হবে।’

ওজোন স্তরের ক্ষয়কে জলবায়ু পরিবর্তনের বড় কারণ হিসেবে চিহ্নিত করে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমান বলেছেন, এর প্রভাব জনস্বাস্থ্যেও পড়ছে।

বিষয়টিকে গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের ওপর জোর দিয়েছেন তিনি।

বিশ্ব ওজোন দিবস উপলক্ষে শুক্রবার গবেষণা ও পরামর্শক সংস্থা ‘থটস অ্যান্ড থরো’ আয়োজিত এক অনলাইন আলোচনায় এসব কথা বলেন তিনি।

এনামুর রহমান বলেন, ‘ওজোন স্তর ক্ষয়ের প্রভাবই জলবায়ু পরিবর্তনের বড় কারণ। এখন জনস্বাস্থ্যেও এর ব্যাপকভাবে প্রভাব পড়ছে। এ নিয়ে এখন কিছুটা সচেতনতা তৈরি হয়েছে। তবে বিষয়গুলোকে গভীরভাবে ভাবতে হবে এবং সে মতো কাজ করতে হবে।’

থটস অ্যান্ড থরো এ বিষয়ে কিছু পরামর্শ দেয়ায় তাদের ধন্যবাদ জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার সেগুলো গুরুত্ব দিয়ে দেখবে।

সংগঠনের চেয়ারম্যান ইশরাত জাহান দিলরুবার সভাপতিতে আলোচনায় অংশ নিয়েছেন বিশিষ্টজনরাও। বক্তারা বলেন, জীবনঘনিষ্ঠ এই ইস্যুগুলোকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দেখতে হবে এবং সম্ভাব্য প্রতিরোধ ও প্রতিকারের ব্যবস্থা করতে হবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাস্থ্য অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষক ডা. রাফিয়া রহমানের সঞ্চালনায় আলোচনায় মূল নিবন্ধ উপস্থাপন করেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের পাবলিক হেলথ অ্যান্ড ইনফরমেটিক্স বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান ড. তাজউদ্দিন শিকদার।

তাজউদ্দিন মূলত স্বাস্থ্য ও পরিবেশগত প্রভাবের নানা দিক তুলে ধরেন। এ নিয়ে আলোচনা করেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ড. শফিকুর রহমান, ড. তৌফিকুজ্জামান, বারেক কায়সার এবং অর্থনীতিবিষয়ক সম্পাদকদের সংগঠন বিজনেস অ্যান্ড ইকোনমিক এডিটর্স গিল্ডের সমন্বয়ক কাজী আজিজুল ইসলাম।

আরও পড়ুন:
জলবায়ু ক্ষতিপূরণ আদায়ে ঐক্যবদ্ধ প্রয়াস চান প্রধানমন্ত্রী
নথি ফাঁস: জলবায়ু প্রতিবেদন পরিবর্তনে চলছে লবিং
জলবায়ু পরিবর্তন: ক্ষতিপূরণ দাবিতে সড়ক অবরোধ
গ্রিনহাউজ গ্যাস নিঃসরণে চীনের নতুন রেকর্ড
জলবায়ু পরিবর্তন: পৃথিবী রক্ষায় প্রধানমন্ত্রীর চার প্রস্তাব

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
No more heat will burn

আর পোড়াবে না খরতাপ

আর পোড়াবে না খরতাপ শরতের দ্বিতীয় মাসে প্রকৃতি সাজছে অন্যরকম সাজে। হাতিরঝিলে গাছে গাছে নতুন পাতা, ফুটেছে ফুল। ছবি: নিউজবাংলা
‘আগামী চার থেকে পাঁচদিন বৃষ্টি হলেও পরিমাণে কম হবে। ভারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা খুব কম। এতে তাপমাত্রা এখনকার তুলনায় কিছুটা বাড়বে। তবে সেই বাড়তি তামপাত্রাও মতো অসহনীয় গরমে কষ্ট দেবে না মানুষকে।’

বৃষ্টিহীন বর্ষা ঘাম ঝরানোর পর ভাদ্র মাসের শেষ সময় দেখিয়েছে আষাঢ়-শ্রাবণের কালোমেঘ। বদলে যাওয়া আবহাওয়া গত কয়েকদিন কখনও ঝিরঝিরে, কখনও ভারি বৃষ্টিতে ভিজিয়েছে ধরণী, ভিজিয়েছে মনপ্রাণ। তাতে তীব্র গরমের অতিষ্ঠভাব থেকে মুক্তি মিলেছে মানুষের।

ভাদ্র শেষে, শান্ত-সৌম্য শরতের দ্বিতীয় মাস আশ্বিনের প্রথম দিন রাজধানীতে বৃষ্টিও নেই, নেই তীব্র রোদও। যেন নাতিশীতোষ্ণ বাংলাদেশের বিজ্ঞাপন। সাপ্তাহিক ছুটির দিন তুলনামূলক আরামেই কাটছে মানুষের।

আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, আগামী কিছুদিন আবহাওয়া এ রকম আরামদায়কই থাকবে। তীব্র গরম টানা কয়েক মাস যে কষ্ট দিয়েছে মানুষকে, সেটি আর হবে না। চলতি বছরের বাকি সময়টায় ধীরে ধীরে গরম কমতে থাকবে।

শীতের আবহ আসতে আসতে আরও মাস দেড়েক। তবে এই দেড় মাস মানুষকে পোড়াবে না সেভাবে।

আবহাওয়াবিদ হাফিজুর রহমান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আগামী চার থেকে পাঁচ দিন বৃষ্টি হলেও পরিমাণে কম হবে। ভারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা খুব কম। এতে তাপমাত্রা এখনকার তুলনায় কিছুটা বাড়বে। তবে সেই বাড়তি তামপাত্রাও মতো অসহনীয় গরমে কষ্ট দেবে না মানুষকে।’

আর পোড়াবে না খরতাপ

চলতি বছর বর্ষাকাল গেছে অস্বাভাবিক শুকনো। ৪২ বছরের মধ্যে সবচেয়ে কম বৃষ্টি, স্বাভাবিকের তুলনায় ৫৮ শতাংশ কম বৃষ্টি হওয়ার কারণে সূর্যের উত্তাপ গিয়েছিল বেড়ে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের পারদে তাপমাত্রা ৩৭ বা ৩৮ বা ৩৯, যাই থাকুক না কেন, তাপের অনুভূতি এর চেয়ে ৫ থেকে ৬ কখনও ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি পাওয়া গেছে। ফলে বর্ষায় এমনকি ভাদ্র মাসের স্বাভাবিক গোমট গরমের সময়েও প্রকৃতি আসলে পুড়িয়েছে গ্রীষ্মের গরমের মতো।

কোনো কোনো দিন ঢাকায় তাপের অনুভূতি দেখা গেছে মরুর শহরগুলোর সমান বা কাছাকাছি।

তবে ভাদ্রের শেষে প্রান্তিকে এসে গত ৮ সেপ্টেম্বর থেকে আকাশ থেকে বৃষ্টি ঝড়েছে ‘আজি ঝরো ঝরো, মুখর বাদর দিনে’র মতো। ঘন কালো মেঘে ঢাকা আকাশ মানুষের ক্লান্তি কমিয়েছে, এনেছে খানিকটা রোমান্টিকতাও।

গত কয়েক দিনের বৃষ্টিতে ধুলাবালি অনেকটাই ধুয়ে মুছে যাওয়ায় শুক্রবার আশ্বিনের প্রথম দিন শুকনো আবহাওয়াতেও মনে হচ্ছে রাস্তাঘাট, গাছগাছালি যেন গোসল করে সতেজ হয়ে এসেছে।

আবহাওয়াবিদ হাফিজুর রহমান বলেন, ‘প্রকৃতিতে আগামী কয়েকটি সপ্তাহ এ রকম সতেজ ভাবই থাকবে। এ বছরে আর অতিমাত্রার খরতাপ অর্থাৎ অসহনীয় গরম থাকছে না। নভেম্বরের প্রথম থেকে শীতের আমেজ পাওয়া যাবে। এর আগ পর্যন্ত সহনীয় গরম থাকবে।’

আবহাওয়া অধিদপ্তরের হিসাব বলছে শুক্রবার ঢাকায় সর্বোচ্চ তামপাত্রা ৩২ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, আর সর্বনিম্ন ২৬ দশমিক ৯ ডিগ্রি। চট্টগ্রাম বিভাগে এদিন সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৯ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস আর সর্বনিম্ন ২৫ ডিগ্রি।

সে তুলনায় গরম কিছুটা বেশি রাজশাহী বিভাগে। সেখানে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৩ দশমিক ২ ডিগ্রি আর সর্বনিম্ন ২৩ দশমিক ৭ ডিগ্রি।

উত্তরের আরেক বিভাগ রংপুরে গরম এর চেয়ে কম। সেখানে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩০ দশমিক ৭০ ডিগ্রি, আর সর্বনিম্ন ২৫ দশমিক ৪।

খুলনা বিভাগে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা আরও একটু বেশি, ৩৩ দশমিক ৩ ডিগ্রি আর সর্বনিম্ন ২৪ দশমিক ৫ ডিগ্রি। বরিশাল বিভাগে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩১ দশমিক ৫ ডিগ্রি আর সর্বনিম্ন ২৪ দশমিক ৯ ডিগ্রি।

তামপাত্রা সবচেয়ে কম সিলেট বিভাগে। সেখানে সর্বোচ্চ রেকর্ড করা হয়েছে ২৯ দশমিক ৯ ডিগ্রি, সর্বনিম্ন ২৪ দশমিক ৫।

অপর বিভাগ ময়মনসিংহে এদিন সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩০ দশমিক ৪ ডিগ্রি আর সর্বনিম্ন ২৫।

আর পোড়াবে না খরতাপ

তবে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা পুরো দিনের নয়। দিনের কোনো একটি বিশেষ সময়ের। বেলা পৌনে একটার দিকে ঢাকার হাতিরঝিল এলাকায় তামপাত্রা ছিল ২৯ ডিগ্রি। তবে আবহাওয়াবিষয়ক ওয়েবসাইট অ্যাকুওয়েদারের হিসাবে এ সময় গরম অনুভূত হচ্ছিল ৩৬ ডিগ্রির সমান, যা গত ১৮ আগস্ট অনুভূত হচ্ছিল ৪৪ ডিগ্রির মতো।

আগামী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দুই-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া এবং বিজলী চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেইসঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি বর্ষণ হতে পারে।

এদিকে সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।

আবহাওয়ার দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে, জুলাই ও আগস্ট অস্বাভাবিক শুকনো থাকলেও সেপ্টেম্বর এবং অক্টোবরে বৃষ্টি স্বাভাবিকের কাছাকাছি বা ক্ষেত্রবিশেষে বেশি হবে।

আরও পড়ুন:
জলোচ্ছ্বাসের শঙ্কা, সাগরে ৩ নম্বর সংকেত
আবার বৃষ্টির পূর্বাভাস অধিদপ্তরের, এবার মিলবে কি
বৃষ্টি না হওয়ায় দুই আবহাওয়াবিদ বরখাস্ত

মন্তব্য

p
উপরে