× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

আন্তর্জাতিক
Invite Biden to Queens funeral not Trump
hear-news
player
google_news print-icon

রানির শেষকৃত্যে বাইডেনকে আমন্ত্রণ, ট্রাম্পকে নয়

রানির-শেষকৃত্যে-বাইডেনকে-আমন্ত্রণ-ট্রাম্পকে-নয়-
প্রেসিডেন্ট থাকাকালীন সময়ে রানির সঙ্গে সাক্ষাতে সস্ত্রীক ডনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: সংগৃহীত
সহধর্মিনী জিল বাইডেনকে সঙ্গে নিয়ে রানির শেষকৃত্যে যোগ দেবেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। তবে রানি এলিজাবেথের ভক্ত হয়েও তার শেষ বিদায়ে উপস্থিত থাকতে পারবেন না সাবেক আমেরিকান প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প, কারণ তিনি শেষকৃত্য অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ পাননি।

আমেরিকার প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন স্বস্ত্রীক ব্রিটিশ রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের শেষকৃত্যে আমন্ত্রণ পেলেও সাবেক প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি।

শেষকৃত্যের বদলে ব্যবসায়ী থেকে রিপাবলিকান নেতা বনে যাওয়া ৭৬ বছর বয়সী ট্রাম্পকে ওয়াশিংটনে হওয়া রানির স্বরণে একটি স্বারক অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানাবে ব্রিটিশ সরকার, এমনটাই বলা হয়েছে ডেইলি মেইলের এক প্রতিবেদনে

ট্রাম্পের পাশাপাশি আমেরিকার জীবিত বাকি ৩ সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা, জর্জ বুশ, বিল ক্লিনটনও শেষকৃত্যে আমন্ত্রণ পাননি। তাদেরকেও বুধবার ওয়াশিংটনের ন্যাশনাল ক্যাথেড্রালে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল।

তবে এই ৪ জন সেই অনুষ্ঠানে যাবেন কি না তা নিশ্চিত নয়।

রানির শেষকৃত্যে বাইডেনকে আমন্ত্রণ, ট্রাম্পকে নয়
ওয়েস্টমিনস্টার অ্যাবেতে রাখা রানির কফিন

রানির শেষকৃত্য অনুষ্ঠানে ওয়েস্টমিনস্টার অ্যাবেতে স্থানের অভাব রয়েছে। সেখানে যোগ দিতে পারবেন মাত্র ২ হাজার ২০০ জন। এই সীমাবদ্ধতার কারণেই অনেক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিকে আমন্ত্রণ জানানো সম্ভব হয়নি।

ডনাল্ড ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট থাকার সময় বাকিংহাম প্যালেসে রানির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছিলেন। তিনি রানির একজন ভক্ত হিসেবেই পরিচিত। এর আগে তিনি দাবি করেছিলেন, তার মাও ছিলেন রানির জন্য ‘উন্মাদ’।

রানির মৃত্যু সংবাদ জানার পর রানির সঙ্গে দেখাকে ‘জীবনের সবচেয়ে অসাধারণ সম্মান’ হিসেবে বর্ণনা করেছিলেন।

সোমবার হতে যাওয়া রানির শেষকৃত্যানুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন থাকবেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ অনেক বিশ্বনেতাই। তবে রাশিয়া, বেলারুশ ও মিয়ানমারের নেতাদের শেষকৃত্যের অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি।

গত বৃহস্পতিবার ৯৬ বছর বয়সে নিজ প্রাসাদ স্কটিশ বালমোরাল দুর্গে রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ মারা যান। তিনি ৭০ বছর সিংহাসনে ছিলেন।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এরই মধ্যে শেষকৃত্যে যোগ দিতে যুক্তরাজ্যে পৌছেছেন।

আরও পড়ুন:
রানি এলিজাবেথকে হিটলারের সঙ্গে তুলনা
রানির শেষকৃত্যে আমন্ত্রিত শেখ হাসিনা
বাকিংহাম প্যালেসে রানির কফিন
রানির প্রতিকৃতিতে আ. লীগের শ্রদ্ধা
ব্রিটিশ হাইকমিশনে রানির প্রতিকৃতিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

মন্তব্য

আরও পড়ুন

আন্তর্জাতিক
China India did not vote against Russia in the United Nations

জাতিসংঘে রাশিয়ার বিপক্ষে ভোট দেয়নি চীন-ভারত

জাতিসংঘে রাশিয়ার বিপক্ষে ভোট দেয়নি চীন-ভারত আফ্রিকার দেশ গ্যাবনও রাশিয়ার বিপক্ষে ভোটদানে বিরত থাকে। ছবি: সংগৃহীত
ইউক্রেনীয় অঞ্চল রাশিয়ায় যুক্ত করার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে জাতিসংঘে নিন্দা প্রস্তাব উত্থাপন করেছিল যুক্তরাষ্ট্র ও আলবেনিয়া। রাশিয়ার ভেটোতে প্রস্তাব পাস হয়নি। ক্রেমলিনের জন্য স্বস্তি এই যে, ইউক্রেনীয় অঞ্চল সংযুক্তির পরেও চীন ও ভারত তাদের বিপক্ষে ভোটদানে বিরত ছিল।

দোনেৎস্ক, লুহানস্ক, জাপোরিজ্জা ও খেরসনকে রাশিয়ার ভূখণ্ডে যুক্ত করার নিন্দা জানিয়ে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে প্রস্তাব উত্থাপন করেছিল আমেরিকা ও আলবেনিয়া।

তবে রাশিয়ার ভেটোর কারণে প্রস্তাব পাস হয়নি। একই সঙ্গে নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য চীন ভোটদানে বিরত থাকে।

নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী দেশ ভারত, ব্রাজিল ও গ্যাবন রাশিয়ার বিপক্ষে ভোট না দিয়ে ভোটদানে বিরত থাকে।

তবে প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দিয়েছে আমেরিকা, আলবেনিয়া, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, ঘানা, আয়ারল্যান্ড, কেনিয়া, মেক্সিকো, নরওয়ে।

গত ২৪ ফেব্রুয়ারি থেকে ইউক্রেনে চলছে রাশিয়ার সামরিক অভিযান। পশ্চিমারা রাশিয়ার ওপর একের পর এক নিষেধাজ্ঞা দিলেও চীন ও ভারত রাশিয়ার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। এর বদলে রাশিয়া থেকে রেকর্ড পরিমাণ জ্বালানি তেল কিনেছে দুই দেশই।

একই অবস্থা ব্রাজিলেরও। রাশিয়ার বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থানে যেতে নারাজ দেশটি। উল্টো আসন্ন বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দা মোকাবিলায় রাশিয়ার সার, খাদ্যশস্য ও জ্বালানি ব্যবহার করতে চায় দেশটি।

এর আগে শুক্রবার ইউক্রেনের অঞ্চল দোনেৎস্ক, লুহানস্ক, খেরসন ও জাপোরিজ্জাকে রাশিয়ায় অন্তর্ভুক্তির আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।

জাতিসংঘে রাশিয়ার বিপক্ষে ভোট দেয়নি চীন-ভারত
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন

ক্রেমলিনে চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে দেয়া এক ভাষণে এই চার অঞ্চল রাশিয়ার সঙ্গে যুক্ত হওয়ার বিষয়ে পুতিন বলেছেন, এর মাধ্যমে এই অঞ্চলগুলোর বাসিন্দাদের স্বাধীন ইচ্ছাকে স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে এবং তারাও তাদের ইতিহাস ও সংস্কৃতির অংশীদারদের সঙ্গে মিলিত হয়েছে।

ভাষণে পুতিন দাবি করেন, সোভিয়েত ইউনিয়ন ভাঙনের ফলে যে অন্যায় হয়েছে এই ৪ অঞ্চলের যুক্ত হওয়া কিছুটা হলেও সেই অন্যায় মেরামত করেছে।

পশ্চিমাদের আধিপত্যবাদী উল্লেখ করে পুতিন বলেছেন, তারা তাদের ইচ্ছাকে পুরো বিশ্বের ওপর চাপিয়ে দিতে চায় এবং তারা রাশিয়াকে উপনিবেশে পরিণত করতে চায়।

একই সঙ্গে তিনি নিশ্চয়তা দিয়েছেন নতুন যুক্ত হওয়া এই অঞ্চলের বাসিন্দারা রাশিয়ার নাগরিকত্ব পাবেন এবং রাশিয়া কখনোই এই সংযুক্তির বিষয়ে আপস করবে না।

তবে কিয়েভ বলছে, এই সংযুক্তি যুদ্ধক্ষেত্রে কোনো পরিবর্তন আনবে না। তারা রাশিয়ার দখলকৃত অঞ্চল ফিরিয়ে নিতে লড়াই চালিয়ে যাবে।

এর আগে এই চার অঞ্চলে ৫ দিনব্যাপী গণভোট অনুষ্ঠিত হয়। যদিও ইউক্রেন ও পশ্চিমারা বলে আসছিল, এই গণভোট ও গণভোটের ভিত্তিতে ইউক্রেনের ভূখণ্ড রাশিয়ায় সংযুক্তি কোনোভাবেই বৈধ নয়।

তবে পশ্চিমা বিধিনিষেধ তোয়াক্কা না করে এর আগেও ২০১৪ সালে ক্রিমিয়াকে নিজ ভূখণ্ডের সঙ্গে যুক্ত করে রাশিয়া।

ক্রেমলিনের মতে, ইউক্রেনের নব্য নাৎসিদের হাতে রুশভাষী নাগরিকরা নিরাপদ নয় এবং এই রুশভাষীদের রক্ষা করা রাশিয়ার দায়িত্ব।

এদিকে এই সংযুক্তিকে স্বীকৃতি দেয়া হবে না বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা বিশ্বের অনেক দেশ।

জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস নিউ ইয়র্ক সিটিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের বলেছেন, এর (চার অঞ্চলের রাশিয়ার সঙ্গে সংযুক্তি) কোনো আইনি ভিত্তি নেই।

এ ছাড়া ইউক্রেনের অঞ্চল রাশিয়ায় সংযুক্তির ঘটনা, যুদ্ধের গতিপ্রকৃতি নাটকীয়ভাবে পরিবর্তন করে দিতে পারে এবং সেই বিষয়টি জানেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।

তাই মূল ভূখণ্ডে সংযুক্তির আগে তিনি আংশিক সেনা সমাবেশের ঘোষণা দিয়েছেন। ফলে ৩ লাখ নতুন সেনাকে এসব অঞ্চলে মোতায়েন করা হবে। প্রয়োজনে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের প্রচ্ছন্ন ইংগিতও দিয়েছেন পুতিন।

এই চার অঞ্চল ইউক্রেনের মোট ভূখণ্ডের প্রায় ১৫ শতাংশ, আয়তন প্রায় ১ লাখ বর্গ কিলোমিটারের ওপর এবং কৃষি উৎপাদনের ১৩-১৫ শতাংশ এই অঞ্চলগুলোতেই উৎপন্ন হয়।

এ ছাড়া জাপোরিজ্জাতে রয়েছে ইউরোপের সবচেয়ে বড় পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র।

আরও পড়ুন:
ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে আলোচনা চায় ভারত ও চীন  
রুশ নিয়ন্ত্রিত অঞ্চলে ভোট দেয়া যাচ্ছে রাশিয়ার বিপক্ষেও
পারমাণবিক হুমকি মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতি পোল্যান্ডের
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ থামান: জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রী
অধিকৃত ইউক্রেনের ভোট থেকে যা চায় রাশিয়া

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Foreigners were also arrested in connection with protests in Iran

ইরানে বিক্ষোভের ঘটনায় বিদেশিদেরও গ্রেপ্তার

ইরানে বিক্ষোভের ঘটনায় বিদেশিদেরও গ্রেপ্তার মাহসা আমিনিকে নিয়ে চলমান বিক্ষোভে বিদেশি ইন্ধনের দাবি তুলেছে ইরানের কর্তৃপক্ষ। ছবি: সংগৃহীত
ইরানে চলমান বিক্ষোভের জন্য বিদেশি ইন্ধনকে দায়ী করেছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। এরই মধ্যে অস্থিরতা সৃষ্টিতে জড়িত থাকার অভিযোগে দেশটিতে আটক করা হয়েছে ৯ ইউরোপীয় নাগরিককে। ইরানের গোয়েন্দা মন্ত্রণালয় বিদেশি আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

নৈতিকতা পুলিশের হেফাজতে কুর্দি তরুণী মাহসা আমিনির মৃত্যুর ঘটনায় ও পোশাকের স্বাধীনতার দাবিতে ছড়িয়ে পড়া বিক্ষোভে ব্যাপক ধরপাকড়ে এবার বিদেশিদের গ্রেপ্তার শুরু করেছে ইরানের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী।

এরই মধ্যে ৯ জন ইউরোপীয় নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

ইরানের কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের চলমান অস্থিরতায় ভূমিকা পালনের কারণে আটক করা হয়েছে।

চলমান বিক্ষোভের জন্য ইরানি কর্তৃপক্ষ বিদেশি শত্রুদের দায়ী করছে।

আটক হওয়া ব্যক্তিরা জার্মানি, পোল্যান্ড, ইতালি, ফ্রান্স, নেদারল্যান্ডস, সুইডেন ও অন্যান্য দেশের নাগরিক।

তাদের গ্রেপ্তারের ঘটনা পশ্চিমা দেশগুলোর সঙ্গে ইরানের উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি করতে পারে।

দেশটির গোয়েন্দা মন্ত্রণালয়ও ৯ জন আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

এদিকে ইরানের বিভিন্ন শহরে বিক্ষোভ চলছেই। পুলিশি ধরপাকড়েও থামছে না প্রতিবাদ। এরই মধ্যে ৮৩ জনের মৃত্যুর বিষয়টি জানা গেছে।

মানবাধিকার সংগঠন অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল ইরানের বর্তমান পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক হস্তক্ষেপ কামনা করেছে।

মানবাধিকার গোষ্ঠী হেনগাও একটি ভিডিও পোস্ট করেছে, যাতে বলা হয়েছে যে শুক্রবার গভীর রাতে আমিনির নিজ শহর সাকেজে বিক্ষোভ দেখানো হয়েছে।

ইরানের হিজাব নিয়মের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে যুবতী নারীদের মাথার স্কার্ফ খুলে ফেলার সময় উল্লাস করতে দেখা গেছে।

আরও পড়ুন:
যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানিতে চীন-ভিয়েতনামকে ছাড়িয়ে বাংলাদেশ
ইরান বিক্ষোভে ভাইরাল সেই তরুণী কি গুলিতে নিহত?
বিক্ষোভ দমনে সীমান্ত পেরিয়েও ইরানি হামলা, ৯ কুর্দি নিহত
মাস্কের স্টারলিংক ইরানে কেন কাজ করবে না?
ইরান বিক্ষোভের পরিণতি কী?

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
What America said about Ukraines NATO membership

ইউক্রেনের ন্যাটোভুক্তির বিষয়ে যা জানাল আমেরিকা

ইউক্রেনের ন্যাটোভুক্তির বিষয়ে যা জানাল আমেরিকা ন্যাটোর সামরিক মহড়া। ছবি: সংগৃহীত
রাশিয়ার সঙ্গে চলমান সংঘাতের মধ্যেই ন্যাটোতে যোগদানের আবেদন করেছে ইউক্রেন। প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কির মতে, কিয়েভ কার্যত ন্যাটোর মিত্র, সে হিসেবে জোটটিতে দ্রুত যোগদান পদ্ধতির দাবিদার ইউক্রেন। তবে আমেরিকা মনে করে, ইউক্রেনে ন্যাটোতে যোগদানের এটি সঠিক সময় নয়।

পশ্চিমা সামরিক জোটে কোনো দেশের যুক্ত হওয়ার বিষয়ে ‘খোলা দরজা’ নীতিতে সব সময়ই প্রতিশ্রুতিবদ্ধ আমেরিকা। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে ইউক্রেনের সদস্যপদ আবেদন বিবেচনার এখন ভুল সময়।

শুক্রবার এক সংবাদ সম্মেলনে এমনটাই বলেছেন হোয়াইট হাউসের নিরাপত্তা উপদেষ্টা জ্যাক সুলিভান।

হোয়াইট হাউসে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, এই মুহূর্তে আমরা মনে করি, ইউক্রেনকে সমর্থন করার সবচেয়ে ভালো উপায় হলো দেশটিকে গ্রাউন্ড সাপোর্ট (অস্ত্র দিয়ে সহায়তা) করা, ব্রাসেলসের প্রক্রিয়াটি (ন্যাটোতে যুক্ত হওয়া) অন্য সময়ে নেয়া উচিত।

এদিকে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলদিমির জেলেনস্কি ন্যাটোতে যোগদানের আবেদন করেছেন।

তিনি দাবি করেছেন, কিয়েভ এরই মধ্যে কার্যত ন্যাটোর মিত্র, তাই এটি (ইউক্রেন) দ্রুত যোগদান পদ্ধতির দাবি করেছে।

ইউক্রেনের ন্যাটোভুক্তির বিষয়ে যা জানাল আমেরিকা
হোয়াইট হাউসের নিরাপত্তা উপদেষ্টা জ্যাক সুলিভান

ইউক্রেন বর্তমানে রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধে লিপ্ত। এমন অবস্থায় দেশটির ন্যাটোতে যোগদান মানে রাশিয়ার সঙ্গে সরাসরি যুদ্ধে জড়িয়ে যাবে ন্যাটো। এমনটা চাইছে না পশ্চিমা এই সামরিক জোটটি।

এ ছাড়া ন্যাটোভুক্ত দেশ তুরস্কের সঙ্গে রাশিয়ার বেশ উষ্ণ সম্পর্ক রয়েছে। ইউক্রেন ও রাশিয়ার বিভিন্ন মধ্যস্ততায় দেশটিকে ভূমিকা পালন করতে দেখা গেছে।

সে ক্ষেত্রে আঙ্কারার পক্ষে ইউক্রেনকে ন্যাটোতে যোগদানের বিষয়ে সমর্থন দেয়াটা বেশ জটিল। যদিও ইউক্রেনের সঙ্গে তুরস্কের সামরিক খাতেও সম্পর্ক রয়েছে।

এমন পরিপ্রেক্ষিতে ইউক্রেনের ন্যাটোতে যোগদান এই মুহূর্তে সম্ভব নয় ইঙ্গিত দিয়ে ন্যাটোর মহাসচিব জেনস স্টলটেনবার্গ বলেছেন, ইউক্রেনকে ন্যাটোর সদস্য করতে হলে ন্যাটোভুক্ত ৩০ দেশেরই ঐকমত্য প্রয়োজন।

যদিও একই সঙ্গে স্টলটেনবার্গ ইউক্রেনের প্রতি অটল ও দৃঢ় সমর্থনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

আরও পড়ুন:
রুশ নিয়ন্ত্রিত অঞ্চলে ভোট দেয়া যাচ্ছে রাশিয়ার বিপক্ষেও
পারমাণবিক হুমকি মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতি পোল্যান্ডের
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ থামান: জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রী
অধিকৃত ইউক্রেনের ভোট থেকে যা চায় রাশিয়া
দোনবাস রক্ষায় রুশ পরমাণু অস্ত্র, ইউএস কমান্ডারের মতে পরমাণু যুদ্ধ সম্ভব

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
That MP of the day will be played is now viral in dance

‘খেলা হবে’ দিবসের সেই এমপি এবার নেচে ভাইরাল

‘খেলা হবে’ দিবসের সেই এমপি এবার নেচে ভাইরাল মহুয়া মৈত্র
নতুন প্রজন্মকে খেলাধুলায় উৎসাহ দিতে পশ্চিমবঙ্গ সরকার আয়োজিত ‘খেলা হবে’ দিবসে শাড়ি পরে ফুটবল নিয়ে মাঠে নেমে ভাইরাল হয়েছিলেন এই রাজনৈতিক নেত্রী। গত বছরের পর এবারও ভারতের স্বাধীনতা দিবসের পরদিন ১৬ আগস্ট এ দিবসে ফুটবলের মাঠে শাড়ি পরে নামা তার ছবি ছড়িয়ে পড়ে।

মাঝেমধ্যেই আলোচনায় আসেন ভারতের পশ্চিমবঙ্গের তৃণমূল কংগ্রেসের সংসদ সদস্য (এমপি) মহুয়া মৈত্র। তবে সবচেয়ে বেশি মানুষ তাকে বোধহয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চিনেছিল ‘খেলা হবে’ দিবসে। শাড়ি পরে ফুটবল নিয়ে মাঠে নেমেছিলেন তিনি।

এবার এই নেত্রী আলোচনায় এলেন দুর্গাপূজা উপলক্ষে নেচে। শুক্রবার মহাপঞ্চমীতে নদীয়ায় এক শোভাযাত্রায় নেচে সেই ভিডিও টুইটারে আপলোড করেছেন মহুয়া। এ নিয়ে ব্যাপক সাড়া পেয়েছেন তিনি।

হিন্দুস্তান টাইমস বলছে, ‘সোহাগ চাঁদ বদনী তুমি নাচো তো দেখি’ গানের তালে তালে কোমর দুলিয়েছেন মহুয়া। আরও অনেক নারীর সঙ্গে গলা মিলিয়ে রাস্তায় নাচতে নাচতে এগিয়ে যান তিনি।

‘খেলা হবে’ দিবসের সেই এমপি এবার নেচে ভাইরাল

এমপি মহুয়ার নাচের ভিডিও শেয়ার করেছেন অনেকেই। প্রশংসায় ভাসছেন তারা। কেউ লিখেছেন, আপনার এই শক্তিটাকে ভালোবাসি। আবার কেউ লিখেছেন, যেভাবে মানুষের সঙ্গে মেশেন এভাবেই থাকুন।

এর আগে নতুন প্রজন্মকে খেলাধুলায় উৎসাহ দিতে পশ্চিমবঙ্গ সরকার আয়োজিত ‘খেলা হবে’ দিবসে শাড়ি পরে ফুটবল নিয়ে মাঠে নেমে ভাইরাল হয়েছিলেন এই রাজনৈতিক নেত্রী। গত বছরের পর এবারও ভারতের স্বাধীনতা দিবসের পরদিন ১৬ আগস্ট এ দিবসে ফুটবলের মাঠে শাড়ি পরে নামা তার ছবি ছড়িয়ে পড়ে।

‘খেলা হবে’ দিবসের সেই এমপি এবার নেচে ভাইরাল

এরপর সর্বশেষ ১৮ সেপ্টেম্বর নদীয়া জেলার কৃষ্ণনগরে এমপি কাপ টুর্নামেন্টে তার শাড়ি পরে ফুটবলে লাথি দেয়ার ছবিও ভাইরাল হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশংসায় ভাসে তিনি। লালচে কমলা রঙের শাড়ি পরে মাঠে উপস্থিত হয়েছিলেন এমপি মহুয়া। চোখে ছিল সানগ্লাস, পায়ে জুতা।

২০০৮ সালে বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী ব্যাংকিং সংস্থা জেপি মরগানের ভাইস প্রেসিডেন্ট পদ ছেড়ে রাজনীতিতে নাম লেখান এই নারী। তিনি করিমপুর আসন থেকে বিধানসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে জয়ী হন।

‘খেলা হবে’ দিবসের সেই এমপি এবার নেচে ভাইরাল

ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস জানিয়েছে, ‘খেলা হবে’ শব্দ দুটি গত বছরের হাইভোল্টেজ বিধানসভা নির্বাচনের সময় তৃণমূল কংগ্রেসের নির্বাচনী ‘ক্যাচলাইন’ ছিল। বিজেপিকে হারিয়ে টানা তৃতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় ফিরে আসার মূলে তৃণমূলের রণহুঙ্কার হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এই ‘খেলা হবে’।

পরে গত বছরের ২২ জুলাই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ১৬ অগাস্ট ‘খেলা হবে’ দিবস পালনের ঘোষণা দেন। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশেই রাজ্যজুড়ে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনায় পালিত হয় ‘খেলা হবে’ দিবস।

‘খেলা হবে’ দিবসের সেই এমপি এবার নেচে ভাইরাল

‘খেলা হবে’ দিবস পালনের উদ্দেশ্য নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা জানান, স্বাধীনতার পর দিন যেন মানুষের স্বাধীনতা অক্ষুণ্ন থাকে, স্বাধীনতার ভাষা, কণ্ঠরোধ না হয় তার জন্য খেলাধুলার মাধ্যমে মানুষকে ঐক্যবদ্ধ রাখা হবে। নতুন প্রজন্ম যেন খেলাধুলায় এগিয়ে যেতে পারে সে জন্য ‘খেলা হবে’ দিবস পালন করছে রাজ্য সরকার।

আরও পড়ুন:
‘খেলা হবে’ দিবসে শাড়ি পরে মাঠে নামা সেই এমপি ফের ভাইরাল

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Putin announced the annexation of 4 regions of Ukraine to Russia

ইউক্রেনের ৪ অঞ্চলকে রাশিয়ায় সংযুক্তির ঘোষণা পুতিনের

ইউক্রেনের ৪ অঞ্চলকে রাশিয়ায় সংযুক্তির ঘোষণা পুতিনের রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। ছবি: সংগৃহীত
দোনেৎস্ক, লুহানস্ক, জাপোরিজ্জা ও খেরসনকে রাশিয়ার ভূখণ্ডের সঙ্গে যুক্ত করার ঘোষণা দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, এই অঞ্চল অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে কোনো আপসে যাবে না ক্রেমলিন এবং সেখানকার বাসিন্দাদের দেয়া হবে রুশ নাগরিকত্ব। তবে পশ্চিমা বিশ্ব সাফ জানিয়ে দিয়েছে, এই সংযুক্তিকে তারা কখনোই স্বীকৃতি দেবে না।

ইউক্রেনের অঞ্চল দোনেৎস্ক, লুহানস্ক, খেরসন ও জাপোরিজ্জাকে রাশিয়ায় অন্তর্ভুক্তির আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।

শুক্রবার ক্রেমলিনে চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে দেয়া এক ভাষণে এই চার অঞ্চল রাশিয়ার সঙ্গে যুক্ত হওয়ার বিষয়ে পুতিন বলেছেন, এর মাধ্যমে এই অঞ্চলগুলোর বাসিন্দাদের স্বাধীন ইচ্ছাকে স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে এবং তারাও তাদের ইতিহাস ও সংস্কৃতির অংশীদারদের সঙ্গে মিলিত হয়েছে।

ভাষণে পুতিন দাবি করেন, সোভিয়েত ইউনিয়ন ভাঙনের ফলে যে অন্যায় হয়েছে এই ৪ অঞ্চলের যুক্ত হওয়া কিছুটা হলেও সেই অন্যায় মেরামত করেছে।

পশ্চিমাদের আধিপত্যবাদী উল্লেখ করে পুতিন বলেছেন, তারা তাদের ইচ্ছাকে পুরো বিশ্বের ওপর চাপিয়ে দিতে চায় এবং তারা রাশিয়াকে উপনিবেশে পরিণত করতে চায়।

একই সঙ্গে তিনি নিশ্চয়তা দিয়েছেন নতুন যুক্ত হওয়া এই অঞ্চলের বাসিন্দারা রাশিয়ার নাগরিকত্ব পাবেন এবং রাশিয়া কখনোই এই সংযুক্তির বিষয়ে আপস করবে না।

তবে কিয়েভ বলছে, এই সংযুক্তি যুদ্ধক্ষেত্রে কোনো পরিবর্তন আনবে না। তারা রাশিয়ার দখলকৃত অঞ্চল ফিরিয়ে নিতে লড়াই চালিয়ে যাবে।

এর আগে এই চার অঞ্চলে ৫ দিনব্যাপী গণভোট অনুষ্ঠিত হয়। যদিও ইউক্রেন ও পশ্চিমারা বলে আসছিলেন, এই গণভোট ও গণভোটের ভিত্তিতে ইউক্রেনের ভূখণ্ডের রাশিয়ায় সংযুক্তি কোনোভাবেই বৈধ নয়।

তবে পশ্চিমা বিধিনিষেধ তোয়াক্কা না করে এর আগেও ২০১৪ সালে ক্রিমিয়াকে নিজ ভূখণ্ডের সঙ্গে যুক্ত করে রাশিয়া।

ক্রেমলিনের মতে, ইউক্রেনের নব্য নাৎসিদের হাতে রুশভাষী নাগরিকরা নিরাপদ নয় এবং এই রুশভাষীদের রক্ষা করা রাশিয়ার দায়িত্ব।

এই সংযুক্তির আগে বৃহস্পতিবার জাপোরিজ্জা ও খেরসন অঞ্চলকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষণা করেছিলেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।

এর আগে ইউক্রেনে সামরিক অভিযান শুরুর আগে তিনি দোনেৎস্ক ও লুহানস্ককেও স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছিলেন।

যদিও এতদিন রাশিয়ার সঙ্গে ক্রিমিয়ার সরাসরি স্থল ভূখণ্ডে যোগাযোগ না থাকলেও নতুন এই চার অঞ্চল রাশিয়ার সঙ্গে যুক্ত হলে ক্রিমিয়ার সঙ্গেও সরাসরি যোগাযোগ সম্ভব হবে।

এদিকে এই সংযুক্তিকে স্বীকৃতি দেয়া হবে না বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা বিশ্বের অনেক দেশ।

জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস নিউ ইয়র্ক সিটিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের বলেছেন, এর (চার অঞ্চলের রাশিয়ার সঙ্গে সংযুক্তি) কোনো আইনি ভিত্তি নেই।

এ ছাড়া ইউক্রেনের অঞ্চল রাশিয়ায় সংযুক্তির ঘটনা, যুদ্ধের গতিপ্রকৃতি নাটকীয়ভাবে পরিবর্তন করে দিতে পারে এবং সেই বিষয়টি জানেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।

তাই মূল ভূখণ্ডে সংযুক্তির আগে তিনি আংশিক সেনা সমাবেশের ঘোষণা দিয়েছেন। ফলে ৩ লাখ নতুন সেনাকে এসব অঞ্চলে মোতায়েন করা হবে। প্রয়োজনে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের প্রচ্ছন্ন ইংগিতও দিয়েছেন পুতিন।

এই চার অঞ্চল ইউক্রেনের মোট ভূখণ্ডের প্রায় ১৫ শতাংশ, আয়তন প্রায় ১ লাখ বর্গ কিলোমিটারের ওপর এবং কৃষি উৎপাদনের ১৩-১৫ শতাংশ এই অঞ্চলগুলোতেই উৎপন্ন হয়।

এ ছাড়া জাপোরিজ্জাতে রয়েছে ইউরোপের সবচেয়ে বড় পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র।

আরও পড়ুন:
পারমাণবিক হুমকি মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতি পোল্যান্ডের
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ থামান: জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রী
অধিকৃত ইউক্রেনের ভোট থেকে যা চায় রাশিয়া
দোনবাস রক্ষায় রুশ পরমাণু অস্ত্র, ইউএস কমান্ডারের মতে পরমাণু যুদ্ধ সম্ভব
রাশিয়াকে শাস্তি পেতেই হবে: জেলেনস্কি

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Amnesty calls for international intervention in Iran

ইরানে আন্তর্জাতিক হস্তক্ষেপ চায় অ্যামনেস্টি

ইরানে আন্তর্জাতিক হস্তক্ষেপ চায় অ্যামনেস্টি পুলিশি হেফাজতে মাহসা আমিনির মৃত্যুর প্রতিবাদে তেহরানে ২১ সেপ্টেম্বর বিক্ষোভ করছেন হাজারও মানুষ। ছবি: এএফপি
রয়টার্সের খবরে বলা হয়, চলমান বিক্ষোভে পুলিশসহ অন্তত ৮৩ জনের প্রাণ গেছে। এ খবরের পর পরই নিজেদের আশঙ্কার কথা জানিয়ে বিবৃতি দেয় মানবাধিকার সংস্থা- অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল। তারা বলেছে, আন্তর্জাতিক হস্তক্ষেপ ছাড়া সংকট থেকে বেরোনো কঠিন।

ইরানে নারীর পোশাকের স্বাধীনতার দাবিতে চলমান প্রবল বিক্ষোভে প্রাণহানি বাড়ছে। বলা হচ্ছে, দুই সপ্তাহ ধরে চলা বিক্ষোভে অন্তত ৮৩ জন নিহত হয়েছেন। আন্তর্জাতিক হস্তক্ষেপ না এলে পরিস্থিতি আরও খারাপের দিকে যাবে বলে সতর্ক করেছে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল।

পুলিশি হেফাজতে কুর্দি তরুণী মাহসা আমিনির মৃত্যুর পর ১৬ সেপ্টেম্বর থেকে বিক্ষোভে ফেটে পড়ে ইরান। অন্তত ৮০ শহরে ছড়িয়ে পড়া বিক্ষোভ দমাতে নিরাপত্তা বাহিনী ব্যবহার করছে প্রাণঘাতী অস্ত্র।

রয়টার্সের খবরে বলা হয়, চলমান বিক্ষোভে পুলিশসহ অন্তত ৮৩ জনের প্রাণ গেছে। এ খবরের পর পরই নিজেদের আশঙ্কার কথা জানিয়ে বিবৃতি দেয় মানবাধিকার সংস্থা- অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল। তারা বলেছে, আন্তর্জাতিক হস্তক্ষেপ ছাড়া সংকট থেকে বেরোনো কঠিন।

ইরানে আন্তর্জাতিক হস্তক্ষেপ চায় অ্যামনেস্টি
রাস্তায় ব্যারিকেড দিয়ে, আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করছেন হিজাববিরোধীরা

অ্যামনেস্টি বলেছে, ‘ইরানি সরকার তাদের ক্ষমতার প্রতি যেকোনো চ্যালেঞ্জ নস্যাৎ করতে মরিয়া হয়ে উঠেছে। দেশজুড়ে চলা বিক্ষোভকে নির্মমভাবে দমন করতে প্রয়োজনীয় সব কিছুই করছে।

‘নিন্দা জানিয়ে বিবৃতি না দিয়ে সমন্বিত সম্মিলিত পদক্ষেপ নিতে হবে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে। তা না হলে অগণিত মানুষের জন্য অপেক্ষা করছে মৃত্যু, পঙ্গুত্ব, নির্যাতন এবং বন্দিত্ব।’

বিক্ষোভে সহিংস ঘটনার ছবি এবং ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণে মানবাধিকার সংস্থাটি বলছে, হতাহতের বেশির ভাগ ঘটনা নিরাপত্তা বাহিনীর সরাসরি গুলিতে ঘটেছে।

ইরানে আন্তর্জাতিক হস্তক্ষেপ চায় অ্যামনেস্টি
ইরানের অন্তত ৮০ শহরে ছড়িয়েছে বিক্ষোভ

এনজিওটি আরও জানায়, ২১ সেপ্টেম্বর ইরানের সব প্রদেশের সশস্ত্র বাহিনীর কমান্ডারদের কাছে জারি হওয়া একটি গোপন নথি হাতে পেয়েছিল তারা। এতে বিক্ষোভকারীদের ‘কঠোরভাবে মোকাবিলা করার’ নির্দেশ ছিল।

আরেকটি ফাঁস হওয়া নথিতে দেখা যায়, ২৩ সেপ্টেম্বর মাজানদারানের নিরাপত্তা বাহিনীকে নির্দয়তার সঙ্গে বিক্ষোভ মোকাবিলার নির্দেশ দিয়েছিলেন প্রদেশটির সশস্ত্র বাহিনীর কমান্ডার।

অ্যামনেস্টি বলছে, বিক্ষোভে ৫২ জনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে তারা। তবে প্রকৃত সংখ্যা সম্ভবত বেশি। কিন্তু অসলোভিত্তিক ইরান হিউম্যান রাইটস বলছে, এ পর্যন্ত ৮৩ জন নিহত হয়েছে বলে নিশ্চিত হয়েছে তারা।

বিরোধীমত দমনে জোর অভিযান

ওয়াশিংটনভিত্তিক কমিটি টু প্রটেক্ট জার্নালিস্ট (সিপিজে) বলছে, বিক্ষোভ শুরুর পর থেকে অন্তত ২৫ সাংবাদিককে আটক করেছে ইরানি পুলিশ। এই তালিকায় আছেন মাহসা আমিনির দাফনের খবর কাভার করা সাংবাদিক ইলাহে মোহাম্মদি। বৃহস্পতিবার তাকে হেফাজতে নেয় নিরাপত্তা বাহিনী।

এর আগে শার্ঘ ডেইলির সাংবাদিক নিলুফার হামেদিকে আটক করে নিরাপত্তা বাহিনী। মাহসা কোমায় থাকা অবস্থায় হাসপাতালে গিয়েছিলেন তিনি। তার কারণেই পুরো ঘটনা বিশ্বের কাছে প্রকাশ পায়।

ইরানে আন্তর্জাতিক হস্তক্ষেপ চায় অ্যামনেস্টি
ইয়াজদ শহরে গাড়ির ওপর দাঁড়িয়ে পোশাকের স্বাধীনতার দাবিতে স্লোগান দিচ্ছেন নারীরা

আলোচিত ফটোসাংবাদিক ইয়ালদা মোয়াইরিকে ১৯ সেপ্টেম্বর বিক্ষোভ কাভার করার সময় আটক করে পুলিশ। ২০১৯ সালে ইরানে জ্বালানির দাম বাড়ানোর প্রতিবাদে হওয়া বিক্ষোভের একটি আইকনিক ছবির জন্য আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেয়েছিলেন মোয়াইরি।

মানবাধিকার সংগঠনগুলো বলছে, সরকারের সমালোচনাকারী সাংবাদিকদের ধরতে দেশের ভেতর বড় ধরনের অভিযান চালাচ্ছে ইরানি পুলিশ। যারা মাহসা ইস্যুতে খবর সংগ্রহ করেছেন, তারা আছেন বেশি আতঙ্কে। এসব খবর যেন না ছড়াতে পারে, সে জন্য ইন্টারনেট পরিষেবা সীমিত করে দিয়েছে ইরান সরকার।

ইরানে আন্তর্জাতিক হস্তক্ষেপ চায় অ্যামনেস্টি
১৮ সেপ্টেম্বর তেহরানের একটি পত্রিকায় মাহসার ছবি প্রচ্ছদে ব্যবহার হয়

আটক হয়েছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট আকবর হাশেমি রাফসানজানির মেয়ে ফাইজেহ হাশেমিও। এই তালিকায় সর্বশেষ যুক্ত হয়েছেন ইরানের সাবেক তারকা ফুটবলার হোসেইন মানাহি। সোশ্যাল মিডিয়ায় বিক্ষোভকে সমর্থন জানানোর অপরাধে শুক্রবার তাকে আটক করা হয়।

এর আগে সংগীতশিল্পী শেরভিন হাজিপুরকে আটক করা হয়। বিক্ষোভ নিয়ে তার ‘বারায়ে’ (তোমার) গানটি ইনস্টাগ্রামে ভাইরাল হয়েছে। এখন অবশ্য গানটি তার অ্যাকাউন্ট থেকে মুছে ফেলা হয়েছে।

বিক্ষোভ যেভাবে শুরু

কুর্দি নারী মাহসা আমিনিকে গত ১৩ সেপ্টেম্বর তেহরানের ‘নৈতিকতা পুলিশ’ গ্রেপ্তার করে। ইরানের দক্ষিণাঞ্চল থেকে তেহরানে ঘুরতে আসা মাহসাকে একটি মেট্রো স্টেশন থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল, তিনি সঠিকভাবে হিজাব করেননি।

পুলিশ হেফাজতে থাকার সময়েই মাহসা অসুস্থ হয়ে পড়েন, এরপর তিনি কোমায় চলে যান। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ১৬ সেপ্টেম্বর তার মৃত্যু হয়। পুলিশ মাহসাকে হেফাজতে নির্যাতনের অভিযোগ অস্বীকার করলেও পরিবারের অভিযোগ গ্রেপ্তারের পর তাকে পেটানো হয়।

ইরানে আন্তর্জাতিক হস্তক্ষেপ চায় অ্যামনেস্টি
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ১৬ সেপ্টেম্বর মারা যান মাহসা আমিনি

মাহসার মৃত্যুর পর রাস্তায় বিক্ষোভের পাশাপাশি ফেসবুক ও টুইটারে #mahsaamini এবং #Mahsa_Amini হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করে চলছে প্রতিবাদ।

ইতিহাস

ইরানে ১৯৭৯ সালের ইসলামিক বিপ্লবের পরই নারীদের জন্য হিজাব বাধ্যতামূলক করা হয়। দেশটির ধর্মীয় শাসকদের কাছে নারীদের জন্য এটি ‘অতিক্রম-অযোগ্য সীমারেখা’। বাধ্যতামূলক এই পোশাকবিধি মুসলিম নারীসহ ইরানের সব জাতিগোষ্ঠী ও ধর্মের নারীদের জন্য প্রযোজ্য।

হিজাব আইন আরও কঠোরভাবে প্রয়োগের জন্য চলতি বছরের ৫ জুলাই ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি একটি আদেশ জারি করেন। এর মাধ্যমে ‘সঠিক নিয়মে’ পোশাকবিধি অনুসরণ না করা নারীদের সরকারি সব অফিস, ব্যাংক এবং গণপরিবহনে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

এ ঘটনায় গত জুলাইয়েও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে #no2hijab হ্যাশট্যাগ দিয়ে শুরু হয় প্রতিবাদ। দেশটির নারী অধিকারকর্মীরা ১২ জুলাই সরকার ঘোষিত জাতীয় হিজাব ও সতীত্ব দিবসে প্রকাশ্যে তাদের বোরকা ও হিজাব সরানোর ভিডিও পোস্ট করেন।

আরও পড়ুন:
ইরান বিক্ষোভে ভাইরাল সেই তরুণী কি গুলিতে নিহত?
বিক্ষোভ দমনে সীমান্ত পেরিয়েও ইরানি হামলা, ৯ কুর্দি নিহত
মাস্কের স্টারলিংক ইরানে কেন কাজ করবে না?
ইরান বিক্ষোভের পরিণতি কী?
নারী কোন পোশাক পরবে, সে সিদ্ধান্ত নারীর: মালালা

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Who is the Congress President?

কে হচ্ছেন কংগ্রেস সভাপতি

কে হচ্ছেন কংগ্রেস সভাপতি কংগ্রেসের সভাপতি পদে প্রার্থী শশী থারুর ও মল্লিকার্জুন খারগে। ছবি: সংগৃহীত
ভারতের অন্যতম বৃহত্তম রাজনৈতিক দল ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস নতুন সভাপতি পেতে যাচ্ছে। আর সভাপতি পদের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য লড়ছেন শশী থারুর ও মল্লিকার্জুন খারগে। গান্ধী পরিবারের নিরপেক্ষ ভূমিকায় থাকার কথা থাকলেও ইঙ্গিত মিলেছে মল্লিকার্জুনকেই সমর্থন করতে যাচ্ছেন তারা।

মনোনয়ন জমা দেয়ার শেষ মুহূর্তে জমে উঠেছে ভারতের প্রাচীনতম রাজনৈতিক দল কংগ্রেসের সভাপতি নির্বাচন। এবারে সভাপতি পদে গান্ধী পরিবারের কেউ মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেনি। ২০ বছরের ইতিহাসে এমন ঘটনা প্রথমবারের মতো ঘটলো।

এদিকে সভাপতি নির্বাচনে গান্ধী পরিবারের নিরপেক্ষ ভূমিকা পালনের কথা থাকলেও শেষ মুহুর্তে মল্লিকার্জুন খারগের প্রতি সমর্থন দেয়ার ইঙ্গিত মিলেছে।

আজই সভাপতি পদে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন জ্যেষ্ঠ রাজনীতিবিদ শশী থারুর। মল্লিকার্জুনেরও তিনটার আগেই কাগজপত্র জমা দেয়ার কথা।

এর আগে গতকালই মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন দিগ্বিজয়ী সিং। কিন্তু মল্লিকার্জুন খারগের সঙ্গে আলোচনার পর তিনি সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে সরে দাঁড়ান।

গভীর রাতে হওয়া এক বৈঠকে কংগ্রেসের বর্ষীয়ান নেতা কেসি ভেনুগোপাল মল্লিকার্জুনকে জানান, নেতৃত্ব (গান্ধী পরিবার) চাইছে যে তিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। ভেনুগোপাল নিজেও মল্লিকার্জুনকে সমর্থন করছেন।

কংগ্রেসের ‘এক ব্যক্তি, এক পদ’ পলিসির কারণে রাজ্যসভার বিরোধী দলের নেতার পদ থেকে পদত্যাগ করতে হতে পারে মল্লিকার্জুনকে।

আরও পড়ুন:
পাঁচ রাজ্য কংগ্রেস সভাপতিকে বহিষ্কার করলেন সোনিয়া
গান্ধী পরিবারের নেতৃত্ব চান না কংগ্রেসের প্রবীণ নেতা
কংগ্রেসে নেতৃত্ব পরিবর্তনের দাবি বাড়ছে
কংগ্রেসের নেতৃত্ব হারাচ্ছে গান্ধী পরিবার?
জয়প্রকাশ যোগ দিলেন তৃণমূলে

মন্তব্য

p
উপরে