× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

আন্তর্জাতিক
When you count money we count bodies
hear-news
player
google_news print-icon

‘তোমরা যখন পয়সা গোনো, আমরা গুনি লাশ’

তোমরা-যখন-পয়সা-গোনো-আমরা-গুনি-লাশ
ওলেনা জেলেনেস্কা
২০০৩ সালে ইউক্রেন প্রেসিডেন্ট ভলদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন ওলেনা জেলেনেস্কা। ইউক্রেনে রাশিয়ার হামলা শুরুর আগপর্যন্ত অতটা পরিচিত মুখ ছিলেন না তিনি। তবে হামলা শুরুর পরপরই প্রেসিডেন্ট গোপন আশ্রয়ে গেলে দায়িত্ব নিয়ে কথা বলতে শুরু করেন ফার্স্ট লেডি।

যুদ্ধবিধ্বস্ত ইউক্রেন আর্থিকভাবে কতটা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তার এক ইঙ্গিত এসেছে দেশটির ফার্স্ট লেডি ওলেনা জেলেনেস্কার মন্তব্যে। তার মতে, অন্য দেশ যখন পয়সা গুনছে, তাদের গুনতে হচ্ছে মরদেহ।

রাজধানী কিয়েভে স্থানীয় সময় রোববার বিবিসিকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে এ বিষয়ে কথা বলেন তিনি।

ওলেনা বলেন, ‘পরিস্থিতি যে খুব কঠিন, তা আমি বুঝি। যখন মহামারি চলছে, দ্রব্যমূল্য বাড়ছে, তখন আমরা আক্রান্তও হলাম। দেশে সবকিছুর দামই বাড়ছে, এর সঙ্গে ঘটছে হত্যার ঘটনা।

‘তোমরা যখন পয়সা গোনো, আমরা গুনি লাশ’

‘আসলে তোমরা যখন ব্যাংকে বা পকেটে তোমাদের পয়সা গুনছ, আমরা তখন গুনছি মরদেহ।’

২০০৩ সালে ইউক্রেন প্রেসিডেন্ট ভলদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন ওলেনা জেলেনেস্কা। ইউক্রেনে রাশিয়ার হামলা শুরুর আগপর্যন্ত অতটা পরিচিত মুখ ছিলেন না তিনি। তবে হামলা শুরুর পরপরই প্রেসিডেন্ট গোপন আশ্রয়ে গেলে দায়িত্ব নিয়ে কথা বলতে শুরু করেন ফার্স্ট লেডি।

যুদ্ধ কীভাবে তাদের সংসার জীবন পাল্টে দিয়েছে তা নিয়েও কথা বলেন ওলেনা। বলেন, ‘ওর সঙ্গে দেখা হয় খুব কম। তবে কথা হয় প্রতিদিন।’

‘তোমরা যখন পয়সা গোনো, আমরা গুনি লাশ’

বিশ্বের কাছ থেকে আরও বেশি সমর্থন পাওয়া গেলে সংকট কমে আসত বলে মন্তব্য করেন এই ফার্স্ট লেডি।

তিনি বলেন, ‘যুদ্ধের কারণে ইউক্রেনের মানুষের ওপর কী প্রভাব পড়ছে তা বাইরে থেকে বোঝাটা খুব কঠিন। তবে গল্পগুলো সবারই জানা দরকার।

‘সেই কারণে আমাদের এই গল্পগুলো বলতে হবে। শুধু বোমা ফেলার সংখ্যা নয়, অর্থ ব্যয়ের পরিমাণ নয়, মানুষের গল্প এগুলো। চারপাশে এ রকম হাজার হাজার গল্প রয়েছে।’

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে সামরিক অভিযান শুরুর ঘোষণা দেন। এর পর থেকেই পশ্চিমাদের বাধা উপেক্ষা করে পূর্ব ইউরোপের দেশটিতে চলছে রুশ সেনাদের সামরিক অভিযান।

‘তোমরা যখন পয়সা গোনো, আমরা গুনি লাশ’

ইউক্রেনকে ‘অসামরিকায়ন’ ও ‘নাৎসিমুক্তকরণ’ এবং দোনেৎস্ক ও লুহানস্কের রুশ ভাষাভাষী বাসিন্দাদের রক্ষা করার জন্যই এমন সামরিক পদক্ষেপ বলে দাবি করে আসছে রাশিয়া। আর ইউক্রেনের পক্ষ থেকে বলা হয়, সম্পূর্ণ বিনা উসকানিতে রাশিয়া হামলা চালিয়েছে।

রাশিয়া ইউক্রেনের হামলা শুরুর পর থেকে একের পর এক নিষেধাজ্ঞা আসছে বিভিন্ন দেশ থেকে। প্রেসিডেন্ট পুতিনসহ দেশটির বহু নেতা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানসহ নানা কিছুর ওপর এসেছে নিষেধাজ্ঞা।

যুদ্ধে বহু মানুষ হয়েছে বাস্তুচ্যুত। হতাহতের সংখ্যাও অনেক। এরই মধ্যে কয়েক দফা যুদ্ধ বন্ধ নিয়ে চুক্তি হলেও কার্যত কোনো সিদ্ধান্ত আসেনি এখনও।

আরও পড়ুন:
‘ইউক্রেনের হামলায় পরমাণুকেন্দ্রের ছাদ ফুটো’
এক মাসে ইউক্রেন থেকে ১০ লাখ টন খাদ্যশস্য রপ্তানি
পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে ‘ইউক্রেনীয় গোলার আঘাত’

মন্তব্য

আরও পড়ুন

আন্তর্জাতিক
Biden warned about the war of the end of the book

কিতাবের শেষ জামানার যুদ্ধের বিষয়ে সতর্ক করলেন বাইডেন

কিতাবের শেষ জামানার যুদ্ধের বিষয়ে সতর্ক করলেন বাইডেন হিরোশিমায় বিস্ফোরিত পারমাণবিক বোমার বিস্ফোরণ ক্ষমতা ছিল ১৫ কিলোটন। ছবি: প্রতীকী
১৯৬২ সালে কিউবায় ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন নিয়ে আরমাগেডনের মুখোমুখি হয়েছিল বিশ্ব। এরপরে ১৯৯১ সালে স্নায়ুযুদ্ধ শেষ হয়ে যাওয়ার পর কৌশলগত পারমাণবিক অস্ত্রগুলো আর কৌশলগত চিন্তার অংশ ছিল না। কিন্তু ইউক্রেন যুদ্ধে এই অস্ত্র ব্যবহারের আশঙ্কা ক্রমে বাড়ছে। আমেরিকার প্রেসিডেন্টই বলছেন, শেষ জামানার যুদ্ধের মুখোমুখি হতে পারে বিশ্ব।

ইউক্রেনে পিছিয়ে পড়ছে রুশসেনারা। এমন পরিস্থিতিতে যুদ্ধে জেতার জন্য রাশিয়া যদি কৌশলগত পারমাণবিক বোমা ব্যবহার করে তবে বিশ্ব ‘আরমাগেডন’-এর মুখোমুখি হতে পারে বলে সতর্ক করেছেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।

বাইবেলের নিউটেস্টামেন্টে বর্ণিত, আরমাগেডন হলো সেই স্থান যেখানে বিশ্ব ধ্বংসের আগে ভালো ও খারাপের শেষ যুদ্ধ হবে।

নিউ ইয়র্কে ডেমোক্রেটিক তহবিল সংগ্রহকারীদের অনুষ্ঠানে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট পারমাণবিক যুদ্ধের হুমকির বিষয়ে বলেন, ‘আমরা কেনেডি এবং কিউবার সংকটের পর আরমাগেডনের মুখোমুখি হইনি।’

(১৯৬২ সালে কিউবায় ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন নিয়ে তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে পারমাণবিক সংঘাতে জড়িয়ে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল। এখন প্রায় ৫০ বছর পর এসে আবারও ইউক্রেনে রাশিয়ার সামরিক অভিযান পারমাণবিক সংঘাতের বিষয়টি আবারও সামনে নিয়ে আসছে।)

রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের দিকে ইঙ্গিত করে বাইডেন বলেন, ‘আমাদের কাছে এমন একজন লোক আছে যাকে আমি মোটামোটি ভালোভাবে চিনি।

‘যখন তিনি (ভ্লাদিমির পুতিন) কৌশলগত পারমাণবিক অস্ত্র বা জৈবিক অস্ত্র বা রাসায়নিক অস্ত্রের সম্ভাব্য ব্যবহারের কথা বলেন, তখন তিনি রসিকতা করেন না কারণ তার সামরিক বাহিনী, আপনি বলতে পারেন, উল্লেখযোগ্যভাবে দুর্বল।’

যদিও ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলদিমির জেলেনস্কি বলেছেন, পারমাণবিক হামলা চালালে নিজেকে আর রক্ষা করতে পারবেন না পুতিন। তিনি বুঝতে পেরেছেন যে পারমাণবিক হামলা হলে বিশ্ব কখনোই রাশিয়াকে ক্ষমা করবে না।

কিতাবের শেষ জামানার যুদ্ধের বিষয়ে সতর্ক করলেন বাইডেন
সিক্সটি মিনিটসের অনুষ্ঠানে উপস্থাপক স্কট পেলির সঙ্গে জো বাইডেন

এর আগে গতমাসে সানডে’স সিক্সটি মিনিটের প্রোগ্রামের প্রিভিউতে দেখা যায়, উপস্থাপক স্কট পেলি প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন যদি রাশিয়া ইউক্রেনে রাসায়নিক ও কৌশলগত পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করার কথা বিবেচনা করে তবে রাশিয়াকে উদ্দেশ্য করে বাইডেনের বার্তা কী হবে।

জবাবে বাইডেন বলেন, ‘করবেন না (পারমাণবিক বোমা ব্যবহার)। করবেন না। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর আপনি যুদ্ধের চেহারা (পারমাণবিক বোমা ব্যবহার করলে) পরিবর্তন করবেন।’

তবে রাশিয়া যদি পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করে, সে ক্ষেত্রে আমেরিকার কোনো নির্দিষ্ট পরিকল্পনার বিষয়ে মন্তব্য করতে অস্বীকার করেছেন বাইডেন।

কিন্তু আমেরিকা যে প্রতিক্রিয়া জানাবে তা নিশ্চিত করে সে সময় বাইডেন বলেছিলেন, ‘এবং তারা কী করবে, তার ওপর নির্ভর করবে, কী প্রতিক্রিয়া ঘটবে।’

প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ভ্লাদিমির পুতিনকে হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন যে রাশিয়া যদি ইউক্রেনে পারমাণবিক বা রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহার করার সিদ্ধান্ত নেয় তাহলে 'পরিণাম' ভোগ করবে।

এদিকে রাশিয়া বারবার বলে এসেছে, দেশটির পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের নীতি হলো রাশিয়ার অস্তিত্ব হুমকিতে পড়লেই কেবল পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করবে দেশটি।

বর্তমানে রাশিয়া ইউক্রেনের ৪টি অঞ্চলকে নিজের সঙ্গে যুক্ত করার ঘোষণা দিয়েছে। ইউক্রেনও অঞ্চলগুলো উদ্ধারে মরিয়া। সেক্ষেত্রে এই ৪ অঞ্চলে ইউক্রেনের সামরিক অভিযান, রাশিয়ার ভেতরের হামলা হিসেবে বিবেচনা করতে পারে ক্রেমলিন।

ইউক্রেন পরিস্থিতিতে পারমাণবিক যুদ্ধ কতটা বাস্তব?

ইউক্রেনে রুশ বাহিনী কাঙ্ক্ষিত সাফল্য অর্জন করতে পারেনি। সময়ের সঙ্গে সঙ্গেই রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের জয়ী হওয়ার সম্ভাবনা কমে আসছে, এমন দাবি পশ্চিমাদের। এদিকে ইউক্রেনকে সহায়তায় ন্যাটোভুক্ত দেশ ট্যাংকের মতো আক্রমণাত্মক অস্ত্র সরবরাহ করছে।

যদিও সরাসরি ন্যাটোভুক্ত কোনো দেশ ইউক্রেন যুদ্ধে জড়ায়নি, এরপরও ইউক্রেনকে অস্ত্র দেয়ার বিষয়টি ভালো চোখে দেখছে না রাশিয়া। এমন অবস্থায় যে কৌশলগত পরমাণু বোমা ব্যবহারকে একসময় অসম্ভব ভাবা হতো, তার সম্ভাবনা এখন বাড়ছে।

এবং তারা কী করবে, তার ওপর নির্ভর করবে, কী প্রতিক্রিয়া ঘটবে।

কিতাবের শেষ জামানার যুদ্ধের বিষয়ে সতর্ক করলেন বাইডেন
রাশিয়ার কৌশলগত পরমাণু বাহিনী

১৯৯১ সালে স্নায়ুযুদ্ধ শেষ হয়ে যাওয়ার পর কৌশলগত পারমাণবিক অস্ত্রগুলো আর কৌশলগত চিন্তার অংশ নয়। কিন্তু ইউক্রেন যুদ্ধে এই অস্ত্র ব্যবহারের আশঙ্কা ক্রমে বাড়ছে।

রাশিয়ার পারমাণবিক হামলায় পশ্চিমা প্রতিক্রিয়া কী হবে?

রাশিয়া যদি ইউক্রেনে সীমিত পরিসরেও পারমাণবিক অস্ত্রের ব্যবহার করে, তাতে পশ্চিমাদের প্রতিক্রিয়া কী হবে? তা বলা মুশকিল।

তবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেছেন, রাশিয়া যদি পারমাণবিক, রাসায়নিক বা জীবাণু অস্ত্রের হামলা চালায়, যুক্তরাষ্ট্র চুপ করে বসে থাকবে না।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর এখন পর্যন্ত পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার হয়নি। এদিকে সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের সঙ্গে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার নিয়ে ওয়ারশোতে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়, যা ওয়ারশো মেমোরেন্ডাম নামে পরিচিত।

যখন তিনি (ভ্লাদিমির পুতিন) কৌশলগত পারমাণবিক অস্ত্র বা জৈবিক অস্ত্র বা রাসায়নিক অস্ত্রের সম্ভাব্য ব্যবহারের কথা বলেন, তখন তিনি রসিকতা করেন না কারণ তার সামরিক বাহিনী, আপনি বলতে পারেন, উল্লেখযোগ্যভাবে দুর্বল।

যদিও সেই চুক্তি পশ্চিমারাই লঙ্ঘন করেছে ও পূর্ব ইউরোপের সোভিয়েত ব্লকের অনেকেই এখন ন্যাটো সদস্য। এমনকি ইউক্রেনের সঙ্গে প্রাথমিক বিরোধও ন্যাটোর সদস্য হওয়া নিয়েই।

এখন প্রশ্ন হলো ইউক্রেনকে পরাজিত করতে পুতিন কী পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের অঘোষিত নিষেধাজ্ঞা থেকে বেরিয়ে আসবেন?

কৌশলগত পারমাণবিক অস্ত্র আসলে কী

পারমাণবিক বোমা প্রকৃত অর্থে একটি ব্যাপক ধ্বংসাত্মক অস্ত্র। কিন্তু যুদ্ধক্ষেত্রে সামরিক কমান্ডারদের সুবিধা দিতে আরও নমনীয়, অপেক্ষাকৃত ছোট থার্মোনিউক্লিয়ার বোমা তৈরি ও পরীক্ষা শুরু হয় ১৯৫০-এর মাঝামাঝি সময় থেকে।

একবিংশ শতাব্দীতে এসে পরমাণু ওয়ারহেডগুলো আরও আধুনিক হয়েছে। যেখানে একজন অপারেটর একটি পারমাণবিক বোমার ধ্বংস ক্ষমতা নির্দিষ্ট করে দিতে পারবে। যেখানে একটি কৌশলগত পারমাণবিক বোমা ১ কিলোটনের ভগ্নাংশ থেকে ৫০ কিলোটন পর্যন্ত হতে পারে। এক কিলোটনের বিস্ফোরণ ক্ষমতা ১ হাজার টন টিএনটির সমান।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় হিরোশিমায় বিস্ফোরিত ‘লিটল বয়’ পারমাণবিক বোমার বিস্ফোরণ ক্ষমতা ছিল ১৫ কিলোটন।

কৌশলগত পারমাণবিক বোমা বিরোধী সৈন্যের সংখ্যা, জাহাজ, মার্শালিং ইয়ার্ড, বিমান ঘাঁটির আকারের ওপর নির্ভর করে ব্যবহার করার বিষয়টি বিবেচনা করা হয়েছিল।

স্নায়ুযুদ্ধের সময়, শুধু চেকোস্লোভাকিয়ার সেনাবাহিনী প্রাথমিক আক্রমণের অংশ হিসেবে ন্যাটো লক্ষ্যবস্তুতে ১৩১টি পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করার পরিকল্পনা প্রস্তুত করে রেখেছিল।

ন্যাটোভুক্ত দেশগুলোরও পারমাণবিক হামলার জবাব দেয়ার নির্দিষ্ট পরিকল্পনা ছিল।

এরপরও যুদ্ধক্ষেত্রে এ ধরনের অস্ত্রের ব্যবহার মুহূর্তেই যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়ার মতো দেশ ধ্বংস হয়ে যেতে পারে।

আরও পড়ুন:
রাশিয়ার গুপ্তচর ইলন মাস্ক!
রাশিয়ার পরমাণু অস্ত্রের ট্রেন সচল, ঘাঁটিও ছেড়েছে পরমাণু সাবমেরিন
‘পরমাণু অস্ত্র ব্যবহার করবে না রাশিয়া’
জাতিসংঘে রাশিয়ার বিপক্ষে ভোট দেয়নি চীন-ভারত
ইউক্রেনের ন্যাটোভুক্তির বিষয়ে যা জানাল আমেরিকা

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Turkey imports coal from Donbas

ডনবাস থেকে কয়লা আমদানি করে তুরস্ক

ডনবাস থেকে কয়লা আমদানি করে তুরস্ক ফেব্রুয়ারির আগ পর্যন্ত দোনেৎস্ক ও লুহানস্কে ১১৫টি কয়লাখনি সচল ছিল। ছবি: সংগৃহীত
সদ্য রাশিয়ার সঙ্গে যুক্ত হওয়া অঞ্চল দোনেৎস্ক থেকে কয়লা আমদানি করে তুরস্ক। এমনটি জানিয়েছেন, সেখানকার রুশ সমর্থিত প্রধানমন্ত্রী।

সদ্য রাশিয়ার সঙ্গে যুক্ত হওয়া খনিজ সমৃদ্ধ দোনেৎস্ক পিপলস রিপাবলিক (ডিপিআর)-এ খনন করা কয়লা তুরস্কতে রপ্তানি করা হচ্ছে।

আরআইএ-এর নভোস্কিকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে এমনটাই জানিয়েছেন ডিপিআরের প্রধানমন্ত্রী ভিটালি খোতসেনকো।

তুরস্ক ছাড়াও মধ্যপ্রাচ্য ও আফ্রিকার অন্যান্য দেশেও কয়লা রপ্তানি করা হয় বলে জানিয়েছেন খোতসেনকো।

তিনি দাবি করেন, উচ্চমানের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে এই অঞ্চলের কয়লার চাহিদা রয়েছে।

ইউরোপের চতুর্থ বৃহত্তম কয়লাক্ষেত্রের অবস্থান দোনেৎস্কে।

ইউক্রেনে সামরিক অভিযান শুরুর আগ পর্যন্ত দোনেৎস্ক ও লুহানস্কে ১১৫টি কয়লাখনি সচল ছিল। বছরে ৭০ মিলিয়ন টন কাঁচামাল উৎপাদন করা হত।

রাশিয়া এরই মধ্যে দোনেৎস্ক অঞ্চলকে নিজেদের মানচিত্রে যুক্ত করেছে। যদিও এমন সংযুক্তি ইউক্রেন মেনে না নেয়ার ঘোষণা দিয়েছে। এরই মধ্যে ইউক্রেনীয় সেনারা রুশ বাহিনীকে হটিয়ে দোনেৎস্কের লেমান শহর দখল করেছে।

আরও পড়ুন:
জাতিসংঘে রাশিয়ার বিপক্ষে ভোট দেয়নি চীন-ভারত
ইউক্রেনের ন্যাটোভুক্তির বিষয়ে যা জানাল আমেরিকা
ইউক্রেনের ৪ অঞ্চলকে রাশিয়ায় সংযুক্তির ঘোষণা পুতিনের
জাপোরিজ্জায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত ২৩
ইউক্রেনের আরও দুই অঞ্চলের স্বাধীনতায় স্বীকৃতি পুতিনের

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Syphilis outbreak in Europe hits sex workers head on

ইউরোপে সিফিলিসের প্রকোপ, যৌনকর্মীদের মাথায় হাত

ইউরোপে সিফিলিসের প্রকোপ, যৌনকর্মীদের মাথায় হাত সিফিলিস আতঙ্কে কাজ বন্ধ রাখতে বাধ্য হচ্ছেন যুক্তরাজ্যের যৌনকর্মীরা। ছবি: সংগৃহীত
সিফিলিস মূলত পেলিডাম দ্বারা সৃষ্ট একটি যৌনবাহিত রোগ। সংক্রমণের প্রাথমিক পথ যৌন সংস্পর্শ; এ ছাড়া রক্ত পরিসঞ্চালন, চুম্বন, চামড়ায় আঘাত এবং গর্ভাবস্থায় বা জন্মের সময় মায়ের কাছ থেকে ভ্রূণে সংক্রমিত হতে পারে।

ইউরোপে ব্যাপক মাত্রায় ছড়িয়েছে যৌনবাহিত রোগ- সিফিলিস। সংক্রমণ থেকে বাঁচতে কাজ বন্ধ রাখতে বাধ্য হচ্ছেন যুক্তরাজ্যের যৌনকর্মীরা। এই অবস্থায় দেশটিতে হুমকিতে পড়েছে পৃথিবীর সবচেয়ে পুরোনো পেশাটি।

সিফিলিস মূলত পেলিডাম দ্বারা সৃষ্ট একটি যৌনবাহিত রোগ। সংক্রমণের প্রাথমিক পথ যৌন সংস্পর্শ; এ ছাড়া রক্ত পরিসঞ্চালন, চুম্বন, চামড়ায় আঘাত এবং গর্ভাবস্থায় বা জন্মের সময় মায়ের কাছ থেকে ভ্রূণে সংক্রমিত হতে পারে।

যৌনকর্মী থেকে যৌন শিক্ষাবিদ বনে যাওয়া লিয়ান ইয়ং বলেন, ‘যদিও এটা ভয়ঙ্কর, তবে এই দুর্যোগে যুক্তরাজ্যের যৌনকর্মীদের এক হওয়ার সুযোগ রয়েছে। তাদের এখন পেশাদার আরচণ করা উচিত। সেক্স ইন্ড্রাস্টির নিরাপত্তার বিষয়গুলো নিয়ে আওয়াজ তুলতে হবে।’

ইয়াং আটজন যৌনকর্মীর সঙ্গে কথা বলেছেন এই রোগ নিয়ে, যারা সিফিলিস আতঙ্কে কাজ ছেড়ে দিয়েছেন।

ইয়াং বলেন, ‘তারা রোজগার হারাচ্ছে। এই পরিস্থিতি থেকে বের হতে সবাইকে একত্রিত হতে হবে। এতেই মিলবে সমাধান।

‘কয়েক বছর ধরেই একটি ইউনিয়ন চাইছে এ পেশায় জড়িতরা। যুক্তরাজ্যে এ ধরনের একটি ইউনিয়ন গড়ে তুলতে ইউএস ইউনিয়ন দ্য অ্যাডাল্ট পারফরম্যান্স আর্টিস্ট গিল্ডের প্রেসিডেন্ট অ্যালানা ইভান্সের সঙ্গেও যোগাযোগ করেছি।’

ঢালাও স্বাস্থ্য পরীক্ষার মাধ্যমে পেশাদার যৌনকর্মীদের সুরক্ষা দেয়া সবচেয়ে সহজ সমাধান। আমেরিকা ও ইউরোপের যৌনকর্মীদের ৭ বা ১৪ দিন পরপর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়। তবে যুক্তরাজ্যে ২৮ দিন পর পর এই পরীক্ষা হয়।

ইউরোপের দেশটিতে সিফিলিস দ্রুত ছড়িতে পড়তে পারে বলে উদ্বেগে আছেন লিয়ান ইয়ং। তিনি বলেন, ‘যৌনকর্মীরাও মানুষ। তাদের উচিত, পাবলিক হেলথ ইংল্যান্ড এবং পুলিশের সঙ্গে শক্ত যোগাযোগ স্থাপন করা। আর এ জন্য প্রয়োজন একটি ইউনিয়ন।’

যুক্তরাষ্ট্রের যৌনকর্মীর স্বাস্থ্যের তথ্য সংগ্রহে রাখে পাস নামে একটি সংস্থা। এটি জানায়, ইউরোপে সিফিলিসে আক্রান্ত কয়েকজন যৌনকর্মীর তথ্য পেয়েছে তারা। সেক্স ইন্ড্রাস্টির খবর ছাপানো প্রকাশনা সংস্থা Xbiz-এ গত সপ্তাহে একটি সতর্কতাও দেয়া হয়েছিল

ইউরোপে এসটিডি পরীক্ষার মান অতোটা ভালো না। অন্যদিকে পাস আনুষ্ঠানিকভাবে ইউরোপে কাজ করে না। এ জন্য তাদের কাছে যৌনরোগে আক্রান্তদের সঠিক হিসাব রাখা সম্ভব হয় না।

ইউনিয়ন গড়ে অবশ্য এসটিডি প্রাদুর্ভাব ঠেকানোর নিশ্চয়তা নেই। কারণ যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল (সিএসডি) সেপ্টেম্বরে জানায়, গত বছরের চেয়ে ২৬ শতাংশ বেড়েছে তাদের দেশে সিফিলিসে আক্রান্ত।

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
The advance of Ukrainian troops continues

ইউক্রেনীয় সেনাদের অগ্রযাত্রা চলছেই

ইউক্রেনীয় সেনাদের অগ্রযাত্রা চলছেই ইউক্রেনীয় সেনা ট্যাংকবহর। ছবি: সংগৃহীত
ইউক্রেনীয় সেনাদের আক্রমণের তীব্রতায় বিভিন্ন ফ্রন্ট থেকে পিছু হটছে রুশ সেনারা। কিয়েভ বলছে, ইউক্রেনীয় সেনাদের গতি রোধ করার জন্য পিছিয়ে পড়ার আগে ডিপো, ব্রিজ ভেঙে যাচ্ছে তারা। এমন যুদ্ধ পরিস্থিতিতেও হাল ছাড়ছে না ক্রেমলিন। পুতিনের নির্দেশে এরই মধ্যে ২ লাখ রিজার্ভ সেনা জড়ো করা হয়েছে। যাদের খুব শিগগিরই দোনেৎস্ক, লুহানস্ক, জাপোরিজ্জা ও খেরসনে মোতায়েন করা হবে।

ইউক্রেনে বিভিন্ন ফ্রন্টে পিছিয়ে পড়তে শুরু করেছে রাশিয়ার সেনারা। এমনটি দেখা গেছে দেশটিরই প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দেখানো মানচিত্রে।

মঙ্গলবার রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দৈনিক ভিডিও ব্রিফিংয়ে কোনো সামরিক ক্ষয়ক্ষতির কথা উল্লেখ করা না হলেও যে মানচিত্র দেখানো হয়েছে, তাতে দেখা গেছে দিনিপার নদীর পশ্চিম তীরের দুদচানি গ্রাম আর রাশিয়ার সেনাদের নিয়ন্ত্রণে নেই।

প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মানচিত্রে আরও দেখা গেছে রুশ বাহিনী ওসকিল নদীর পশ্চিম তীরের অবস্থানও ছেড়ে চলে গেছে।

এদিকে এই মাসে ইউক্রেনীয় সেনাবাহিনীর আক্রমণের পর লুহানস্ক প্রদেশের সীমান্ত থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার পিছু হটেছে রাশিয়ার সেনা।

সবমিলিয়ে ইউক্রেনে রুশ সেনাদের ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠছে।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলদিমির জেলেনস্কি মঙ্গলবার রাতে এক ভিডিও ভাষণে বলেন, ‘বর্তমান প্রতিরক্ষা অভিযানে ইউক্রেনের সেনাবাহিনী দেশের দক্ষিণে বেশ দ্রুত ও শক্তিশালী পদ্ধতিতে অগ্রসর হচ্ছে। খেরসন, খারকিভ, লুহানস্ক ও দোনেৎস্কের অনেক শহর মুক্ত করা হয়েছে।’

ইউক্রেনের সামরিক বাহিনীও মঙ্গলবারের আগে এক বিবৃতিতে দাবি করেছে যে খেরসনে রুশ বাহিনী ‘নিঃস্ব’ এবং তাদের অবস্থান থেকে তারা পিছিয়ে পড়ছে। পিছিয়ে যাওয়ার আগে গোলাবারুদ, ডিপো ও ব্রিজ ধ্বংস করছে তারা।

ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বলছে, আমাদের সেনাদের অগ্রসরের গতি ধীর করার জন্য এসব করা হয়েছে।

ইউক্রেনের অভ্যন্তরীণ উপমন্ত্রী ইয়েভেন এনিন মঙ্গলবার বলেছেন যে ইউক্রেনের বাহিনী খেরসনের ৫০টি শহর ও গ্রাম পুনরুদ্ধার করেছে।

বিশেষ করে যেসব অঞ্চলে এখন ইউক্রেনীয় সেনারা অভিযান পরিচালনা করছে, তা গণভোটের আলোকে ও নিজেদের পার্লামেন্টে এই অঞ্চলগুলোকে রাশিয়ার সঙ্গে সংযুক্ত করা হয়েছে।

সে ক্ষেত্রে এসব অঞ্চলে ইউক্রেনের সেনাদের সামরিক অভিযান, রাশিয়ার ভূখণ্ডে সেনা অভিযানের সমতুল্য।

এরই মধ্যে এসব অঞ্চলে মোতায়েনের জন্য দুই লাখ রিজার্ভ সেনা জড়ো করেছে রাশিয়া।

ইউক্রেনে চলতি সামরিক অভিযানের শুরুর দিকেই দক্ষিণ কৃষ্ণ সাগর অঞ্চল খেরসন দখল করে রুশ সেনারা।

আরও পড়ুন:
ইউক্রেনের ন্যাটোভুক্তির বিষয়ে যা জানাল আমেরিকা
ইউক্রেনের ৪ অঞ্চলকে রাশিয়ায় সংযুক্তির ঘোষণা পুতিনের
জাপোরিজ্জায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত ২৩
ইউক্রেনের আরও দুই অঞ্চলের স্বাধীনতায় স্বীকৃতি পুতিনের
ইউক্রেনে ঢুকতে পারে ন্যাটো সেনা: পোল্যান্ডের মন্ত্রী

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Nuclear submarines have also left the Russian nuclear weapon train base

রাশিয়ার পরমাণু অস্ত্রের ট্রেন সচল, ঘাঁটিও ছেড়েছে পরমাণু সাবমেরিন

রাশিয়ার পরমাণু অস্ত্রের ট্রেন সচল, ঘাঁটিও ছেড়েছে পরমাণু সাবমেরিন পরমাণু হামলা চালাতে সক্ষম রাশিয়ার সাবমেরিন বেলগরোদ। ছবি: সংগৃহীত
রাশিয়ার দখল করা একের পর এক অঞ্চল পুনরুদ্ধারের দাবি করছে কিয়েভ। এমন পরিস্থিতিতে প্রথাগত যুদ্ধে পিছিয়ে পড়লেও রাশিয়ার পরমাণু বাহিনী তৎপরতা শুরু করেছে। কিন্তু এটি কি কোনো মহড়ার প্রস্তুতি, নাকি সত্যিই ইউক্রেনে পরমাণু অস্ত্র ব্যবহার করতে যাচ্ছে রাশিয়ার সেনারা। উদ্দেশ্য এখনও স্পষ্ট নয়।

ক্রিমিয়ার পর নতুন করে ইউক্রেনের চার অঞ্চলকে রাশিয়ার ভূখণ্ডের সঙ্গে যুক্ত করার আনুষ্ঠানিক ঘোষণাকে তোয়াক্কা করছে না ইউক্রেনীয় সেনারা। এরই মধ্যে দোনেৎস্কের গুরুত্বপূর্ণ শহর লেমিন থেকে রুশ সেনাদের হটিয়ে দেয়ার দাবি করেছে কিয়েভ। এ ছাড়া খেরসন অঞ্চলের দুটি শহরকে পুনরুদ্ধারের দাবি করেছেন প্রেসিডেন্ট ভলদিমির জেলেনস্কি।

এমন পরিস্থিতিতে যখন প্রথাগত যুদ্ধে রাশিয়ার সেনারা সাফল্য আনতে পারছে না তখন রাশিয়ার পরমাণু বাহিনীর তৎপরতা শুরু হয়েছে বলে জানা গেছে ডেইলি মেইলের এক প্রতিবেদনে

রাশিয়ার পরমাণু অস্ত্রের সরঞ্জামবাহী ট্রেন এরই মধ্যে যাত্রা শুরু করেছে। তবে এর গন্তব্য অজানা। ট্রেনটি রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণে থাকা পরমাণু অস্ত্র সংক্রান্ত বিভাগের। যারা মূলত পরমাণু অস্ত্র মজুত, রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে থাকে।

রাশিয়া পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করবে- এমনটা এখনও নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।

সমর বিশারদ কনরাদ মুসিকা বলেন, ‘পরমাণু ইউনিটের ভারী সামরিক সরঞ্জাম চলাচলের মানে এই নয় যে রাশিয়া ইউক্রেনে পারমাণবিক অস্ত্র মোতায়েনের প্রস্তুতি নিচ্ছে।’

তবে মুসিকার মতে, এটি (রাশিয়া) পশ্চিমের কাছে একটি সংকেত হতে পারে যে মস্কো সংঘাতের পরিধি বাড়াচ্ছে।

রাশিয়ার পরমাণু অস্ত্রের ট্রেন সচল, ঘাঁটিও ছেড়েছে পরমাণু সাবমেরিন
রাশিয়ার স্ট্র্যাটেজিক রকেট ফোর্সেস

তবে বছরের এ সময় এমনিতেও রাশিয়ার স্ট্র্যাটেজিক রকেট ফোর্সেস (আরভিএসএন) শরৎকালীন মহড়া চালিয়ে থাকে।

আরভিএসএন হচ্ছে রাশিয়ার সশস্ত্র বাহিনীর একটি বিশেষ শাখা, যা দেশটির পারমাণবিক প্রতিরক্ষা ও প্রতিরোধ কর্মসূচির ভিত্তি। এই বাহিনী বিশ্বের সবচেয়ে বড় পরমাণু অস্ত্রবাহী ক্ষেপণাস্ত্রসংক্রান্ত বাহিনী।

আরভিএসএন অনেক মিসাইল রেজিমেন্টের সমন্বয়ে গঠিত। যাদের কাছে আছে হাজার হাজার পারমাণবিক অস্ত্র ও আন্তর্মহাদেশীয় ব্যালাস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র (আইসিবিএম)।

এদিকে শুধু পরমাণু অস্ত্রের সরঞ্জামবাহী ট্রেনই নয়। পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটো জানিয়েছে, আর্কটিকে থাকা রাশিয়ার নৌঘাটি থেকে পরমাণু অস্ত্র বহনে সক্ষম ‘বেলগরোদ’ পরমাণু শক্তিচালিত সাবমেরিন ঘাঁটি ছেড়ে গেছে।

রাশিয়ার পরমাণু অস্ত্রের ট্রেন সচল, ঘাঁটিও ছেড়েছে পরমাণু সাবমেরিন
পোসাইডন

ন্যাটো বলছে, বেলগরোদ সাবমেরিনটি ‘কারা’ সাগরে বিশেষ পরমাণু অস্ত্র পোসাইডন পরীক্ষা করতে পারে।

পোসাইডন হলো এমন এক পারমাণবিক ড্রোন, যা উপকূলীয় অঞ্চলে ১ হাজার ৬০০ ফুট উচ্চতার সুনামি তৈরি করতে পারে।

এর আগে সম্প্রতি রুশ সামরিক ব্যর্থতার কারণে চেচেন প্রজাতন্ত্রের নেতা রমজান কাদিরভ ইউক্রেনে স্বল্পমাত্রার পারমাণবিক বোমা ব্যবহারের আহ্বান জানিয়েছিলেন।

যদিও কাদিরভের বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে ক্রেমলিন মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ স্পষ্ট করে বলেছিলেন, আবেগ দিয়ে নয়। নিউক্লিয়ার ডকট্রেইন (পরমাণু অস্ত্র ব্যবহারের নীতি) মোতাবেক সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

আরও পড়ুন:
ইউক্রেনের আরও দুই অঞ্চলের স্বাধীনতায় স্বীকৃতি পুতিনের
ইউক্রেনে ঢুকতে পারে ন্যাটো সেনা: পোল্যান্ডের মন্ত্রী
ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে আলোচনা চায় ভারত ও চীন  
রুশ নিয়ন্ত্রিত অঞ্চলে ভোট দেয়া যাচ্ছে রাশিয়ার বিপক্ষেও
পারমাণবিক হুমকি মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতি পোল্যান্ডের

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
China India did not vote against Russia in the United Nations

জাতিসংঘে রাশিয়ার বিপক্ষে ভোট দেয়নি চীন-ভারত

জাতিসংঘে রাশিয়ার বিপক্ষে ভোট দেয়নি চীন-ভারত আফ্রিকার দেশ গ্যাবনও রাশিয়ার বিপক্ষে ভোটদানে বিরত থাকে। ছবি: সংগৃহীত
ইউক্রেনীয় অঞ্চল রাশিয়ায় যুক্ত করার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে জাতিসংঘে নিন্দা প্রস্তাব উত্থাপন করেছিল যুক্তরাষ্ট্র ও আলবেনিয়া। রাশিয়ার ভেটোতে প্রস্তাব পাস হয়নি। ক্রেমলিনের জন্য স্বস্তি এই যে, ইউক্রেনীয় অঞ্চল সংযুক্তির পরেও চীন ও ভারত তাদের বিপক্ষে ভোটদানে বিরত ছিল।

দোনেৎস্ক, লুহানস্ক, জাপোরিজ্জা ও খেরসনকে রাশিয়ার ভূখণ্ডে যুক্ত করার নিন্দা জানিয়ে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে প্রস্তাব উত্থাপন করেছিল আমেরিকা ও আলবেনিয়া।

তবে রাশিয়ার ভেটোর কারণে প্রস্তাব পাস হয়নি। একই সঙ্গে নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য চীন ভোটদানে বিরত থাকে।

নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী দেশ ভারত, ব্রাজিল ও গ্যাবন রাশিয়ার বিপক্ষে ভোট না দিয়ে ভোটদানে বিরত থাকে।

তবে প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দিয়েছে আমেরিকা, আলবেনিয়া, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, ঘানা, আয়ারল্যান্ড, কেনিয়া, মেক্সিকো, নরওয়ে।

গত ২৪ ফেব্রুয়ারি থেকে ইউক্রেনে চলছে রাশিয়ার সামরিক অভিযান। পশ্চিমারা রাশিয়ার ওপর একের পর এক নিষেধাজ্ঞা দিলেও চীন ও ভারত রাশিয়ার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। এর বদলে রাশিয়া থেকে রেকর্ড পরিমাণ জ্বালানি তেল কিনেছে দুই দেশই।

একই অবস্থা ব্রাজিলেরও। রাশিয়ার বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থানে যেতে নারাজ দেশটি। উল্টো আসন্ন বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দা মোকাবিলায় রাশিয়ার সার, খাদ্যশস্য ও জ্বালানি ব্যবহার করতে চায় দেশটি।

এর আগে শুক্রবার ইউক্রেনের অঞ্চল দোনেৎস্ক, লুহানস্ক, খেরসন ও জাপোরিজ্জাকে রাশিয়ায় অন্তর্ভুক্তির আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।

জাতিসংঘে রাশিয়ার বিপক্ষে ভোট দেয়নি চীন-ভারত
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন

ক্রেমলিনে চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে দেয়া এক ভাষণে এই চার অঞ্চল রাশিয়ার সঙ্গে যুক্ত হওয়ার বিষয়ে পুতিন বলেছেন, এর মাধ্যমে এই অঞ্চলগুলোর বাসিন্দাদের স্বাধীন ইচ্ছাকে স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে এবং তারাও তাদের ইতিহাস ও সংস্কৃতির অংশীদারদের সঙ্গে মিলিত হয়েছে।

ভাষণে পুতিন দাবি করেন, সোভিয়েত ইউনিয়ন ভাঙনের ফলে যে অন্যায় হয়েছে এই ৪ অঞ্চলের যুক্ত হওয়া কিছুটা হলেও সেই অন্যায় মেরামত করেছে।

পশ্চিমাদের আধিপত্যবাদী উল্লেখ করে পুতিন বলেছেন, তারা তাদের ইচ্ছাকে পুরো বিশ্বের ওপর চাপিয়ে দিতে চায় এবং তারা রাশিয়াকে উপনিবেশে পরিণত করতে চায়।

একই সঙ্গে তিনি নিশ্চয়তা দিয়েছেন নতুন যুক্ত হওয়া এই অঞ্চলের বাসিন্দারা রাশিয়ার নাগরিকত্ব পাবেন এবং রাশিয়া কখনোই এই সংযুক্তির বিষয়ে আপস করবে না।

তবে কিয়েভ বলছে, এই সংযুক্তি যুদ্ধক্ষেত্রে কোনো পরিবর্তন আনবে না। তারা রাশিয়ার দখলকৃত অঞ্চল ফিরিয়ে নিতে লড়াই চালিয়ে যাবে।

এর আগে এই চার অঞ্চলে ৫ দিনব্যাপী গণভোট অনুষ্ঠিত হয়। যদিও ইউক্রেন ও পশ্চিমারা বলে আসছিল, এই গণভোট ও গণভোটের ভিত্তিতে ইউক্রেনের ভূখণ্ড রাশিয়ায় সংযুক্তি কোনোভাবেই বৈধ নয়।

তবে পশ্চিমা বিধিনিষেধ তোয়াক্কা না করে এর আগেও ২০১৪ সালে ক্রিমিয়াকে নিজ ভূখণ্ডের সঙ্গে যুক্ত করে রাশিয়া।

ক্রেমলিনের মতে, ইউক্রেনের নব্য নাৎসিদের হাতে রুশভাষী নাগরিকরা নিরাপদ নয় এবং এই রুশভাষীদের রক্ষা করা রাশিয়ার দায়িত্ব।

এদিকে এই সংযুক্তিকে স্বীকৃতি দেয়া হবে না বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা বিশ্বের অনেক দেশ।

জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস নিউ ইয়র্ক সিটিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের বলেছেন, এর (চার অঞ্চলের রাশিয়ার সঙ্গে সংযুক্তি) কোনো আইনি ভিত্তি নেই।

এ ছাড়া ইউক্রেনের অঞ্চল রাশিয়ায় সংযুক্তির ঘটনা, যুদ্ধের গতিপ্রকৃতি নাটকীয়ভাবে পরিবর্তন করে দিতে পারে এবং সেই বিষয়টি জানেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।

তাই মূল ভূখণ্ডে সংযুক্তির আগে তিনি আংশিক সেনা সমাবেশের ঘোষণা দিয়েছেন। ফলে ৩ লাখ নতুন সেনাকে এসব অঞ্চলে মোতায়েন করা হবে। প্রয়োজনে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের প্রচ্ছন্ন ইংগিতও দিয়েছেন পুতিন।

এই চার অঞ্চল ইউক্রেনের মোট ভূখণ্ডের প্রায় ১৫ শতাংশ, আয়তন প্রায় ১ লাখ বর্গ কিলোমিটারের ওপর এবং কৃষি উৎপাদনের ১৩-১৫ শতাংশ এই অঞ্চলগুলোতেই উৎপন্ন হয়।

এ ছাড়া জাপোরিজ্জাতে রয়েছে ইউরোপের সবচেয়ে বড় পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র।

আরও পড়ুন:
ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে আলোচনা চায় ভারত ও চীন  
রুশ নিয়ন্ত্রিত অঞ্চলে ভোট দেয়া যাচ্ছে রাশিয়ার বিপক্ষেও
পারমাণবিক হুমকি মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতি পোল্যান্ডের
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ থামান: জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রী
অধিকৃত ইউক্রেনের ভোট থেকে যা চায় রাশিয়া

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
What America said about Ukraines NATO membership

ইউক্রেনের ন্যাটোভুক্তির বিষয়ে যা জানাল আমেরিকা

ইউক্রেনের ন্যাটোভুক্তির বিষয়ে যা জানাল আমেরিকা ন্যাটোর সামরিক মহড়া। ছবি: সংগৃহীত
রাশিয়ার সঙ্গে চলমান সংঘাতের মধ্যেই ন্যাটোতে যোগদানের আবেদন করেছে ইউক্রেন। প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কির মতে, কিয়েভ কার্যত ন্যাটোর মিত্র, সে হিসেবে জোটটিতে দ্রুত যোগদান পদ্ধতির দাবিদার ইউক্রেন। তবে আমেরিকা মনে করে, ইউক্রেনে ন্যাটোতে যোগদানের এটি সঠিক সময় নয়।

পশ্চিমা সামরিক জোটে কোনো দেশের যুক্ত হওয়ার বিষয়ে ‘খোলা দরজা’ নীতিতে সব সময়ই প্রতিশ্রুতিবদ্ধ আমেরিকা। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে ইউক্রেনের সদস্যপদ আবেদন বিবেচনার এখন ভুল সময়।

শুক্রবার এক সংবাদ সম্মেলনে এমনটাই বলেছেন হোয়াইট হাউসের নিরাপত্তা উপদেষ্টা জ্যাক সুলিভান।

হোয়াইট হাউসে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, এই মুহূর্তে আমরা মনে করি, ইউক্রেনকে সমর্থন করার সবচেয়ে ভালো উপায় হলো দেশটিকে গ্রাউন্ড সাপোর্ট (অস্ত্র দিয়ে সহায়তা) করা, ব্রাসেলসের প্রক্রিয়াটি (ন্যাটোতে যুক্ত হওয়া) অন্য সময়ে নেয়া উচিত।

এদিকে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলদিমির জেলেনস্কি ন্যাটোতে যোগদানের আবেদন করেছেন।

তিনি দাবি করেছেন, কিয়েভ এরই মধ্যে কার্যত ন্যাটোর মিত্র, তাই এটি (ইউক্রেন) দ্রুত যোগদান পদ্ধতির দাবি করেছে।

ইউক্রেনের ন্যাটোভুক্তির বিষয়ে যা জানাল আমেরিকা
হোয়াইট হাউসের নিরাপত্তা উপদেষ্টা জ্যাক সুলিভান

ইউক্রেন বর্তমানে রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধে লিপ্ত। এমন অবস্থায় দেশটির ন্যাটোতে যোগদান মানে রাশিয়ার সঙ্গে সরাসরি যুদ্ধে জড়িয়ে যাবে ন্যাটো। এমনটা চাইছে না পশ্চিমা এই সামরিক জোটটি।

এ ছাড়া ন্যাটোভুক্ত দেশ তুরস্কের সঙ্গে রাশিয়ার বেশ উষ্ণ সম্পর্ক রয়েছে। ইউক্রেন ও রাশিয়ার বিভিন্ন মধ্যস্ততায় দেশটিকে ভূমিকা পালন করতে দেখা গেছে।

সে ক্ষেত্রে আঙ্কারার পক্ষে ইউক্রেনকে ন্যাটোতে যোগদানের বিষয়ে সমর্থন দেয়াটা বেশ জটিল। যদিও ইউক্রেনের সঙ্গে তুরস্কের সামরিক খাতেও সম্পর্ক রয়েছে।

এমন পরিপ্রেক্ষিতে ইউক্রেনের ন্যাটোতে যোগদান এই মুহূর্তে সম্ভব নয় ইঙ্গিত দিয়ে ন্যাটোর মহাসচিব জেনস স্টলটেনবার্গ বলেছেন, ইউক্রেনকে ন্যাটোর সদস্য করতে হলে ন্যাটোভুক্ত ৩০ দেশেরই ঐকমত্য প্রয়োজন।

যদিও একই সঙ্গে স্টলটেনবার্গ ইউক্রেনের প্রতি অটল ও দৃঢ় সমর্থনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

আরও পড়ুন:
রুশ নিয়ন্ত্রিত অঞ্চলে ভোট দেয়া যাচ্ছে রাশিয়ার বিপক্ষেও
পারমাণবিক হুমকি মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতি পোল্যান্ডের
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ থামান: জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রী
অধিকৃত ইউক্রেনের ভোট থেকে যা চায় রাশিয়া
দোনবাস রক্ষায় রুশ পরমাণু অস্ত্র, ইউএস কমান্ডারের মতে পরমাণু যুদ্ধ সম্ভব

মন্তব্য

p
উপরে