× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

আন্তর্জাতিক
Woman beaten in BJP meeting
hear-news
player
print-icon

বিজেপির সভামঞ্চে নারীকে মারধর

বিজেপির-সভামঞ্চে-নারীকে-মারধর-
নারী মারধরের ঘটনায় কোনো মন্তব্য করেনি রেলওয়ে শ্রমিক নেতারা। ছবি: সংগৃহীত
মারধরের শিকার নারীর বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি রেলে চাকরি দেয়ার নাম করে বহু মানুষের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা নিয়েছেন, অথচ চাকরি দেননি। তাকে বহুদিন ধরেই খুঁজছিলেন প্রতারিতরা।

ভারতে বিজেপির শ্রমিক সংগঠনের অনুষ্ঠানে এক নারীকে সভা মঞ্চেই মারধরের অভিযোগ উঠেছে।

পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার খড়গপুর শহরের গোলাবাজারে রেল শ্রমিকদের নিয়ে আয়োজিত বিজেপির এক অনুষ্ঠানে ঘটনাটি ঘটে।

সে সময় বিজেপির সর্বভারতীয় সহসভাপতি দিলীপ ঘোষ ঘটনাস্থলেই উপস্থিত ছিলেন।

মারধরের শিকার নারীর বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি রেলে চাকরি দেয়ার নাম করে বহু মানুষের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা নিয়েছেন, অথচ চাকরি দেননি। তাকে বহুদিন ধরেই খুঁজছিলেন প্রতারিতরা।

অভিযুক্ত নারী মালদা জেলার বাসিন্দা। তাকে ধরতে প্রতারণার শিকার কয়েকজন নারী শ্রমিক সংগঠনের সম্মেলন সভায় চলে আসেন।

পরে তাকে চিহ্নিত করে মঞ্চ থেকে নামিয়ে মারতে শুরু করেন।

মারধর করে অভিযুক্ত ওই নারীকে স্থানীয় একটি হোটেলের বাথরুমে আটকে রাখা হয়।

খবর পেয়ে খড়গপুর টাউন থানা পুলিশ এসে ওই নারীকে উদ্ধার করে। এ ঘটনায় জড়িত ৭ জনকে আটক করে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

এ বিষয়ে দিলীপ ঘোষের মতামত জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, শ্রমিক ইউনিয়নের নেতাদের জিজ্ঞাসা করুন। তারাই বলতে পারবেন।

তবে এ বিষয়ে মুখ খোলেননি শ্রমিক ইউনিয়নের কোনো নেতা।

আরও পড়ুন:
বিকিনি পরায় চাকরি খোয়ালেন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষিকা
চাপের মুখে মমতার মন্ত্রিসভায় রদবদল
শিবের মাথায় জল ঢালতে গিয়ে দুর্ঘটনা, নিহত ১০
সেই অর্পিতার আরেক ফ্ল্যাটে ২৯ কোটি রুপি
কে এই অর্পিতা

মন্তব্য

আরও পড়ুন

আন্তর্জাতিক
Spy arrested in West Bengal

পশ্চিমবঙ্গে ‘গুপ্তচর’ গ্রেপ্তার

পশ্চিমবঙ্গে ‘গুপ্তচর’ গ্রেপ্তার পাকিস্তানের চর সন্দেহে গ্রেপ্তার পীর মোহাম্মদ। ছবি: সংগৃহীত
পীর মোহাম্মদের কাছ থেকে দুটি মোবাইল ফোন ও একটি ল্যাপটপ জব্দ করা হয়েছে। এসটিএফ কর্মকর্তারা তা পরীক্ষা করছেন। জব্দ করা ডিভাইসে ভারতীয় সেনা ছাউনির বিভিন্ন ছবি মিলেছে। ফোনবুকে আছে অনেক পাকিস্তানি নম্বর।

ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা এনআইএ’র মোস্ট ওয়ান্টেড তালিকায় থাকা পীর মোহাম্মদ নামের কথিত এক গুপ্তচরকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

কলকাতা পুলিশের স্পেশাল টাস্কফোর্স (এসটিএফ) পশ্চিমবঙ্গের কালিংপং থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে।

পুলিশের দাবি, পীর মোহাম্মদ পাকিস্তানের চর। গুরুদাসপুরে রেললাইন ওড়ানোর ষড়যন্ত্রে তার সংশ্লিস্টতা আছে। জঙ্গিরা ভারতের কোথায় কোথায় ঘাঁটি তৈরি করতে পারে, সে বিষয়ে তথ্য পাচারের বেশ কিছু প্রমাণ আছে। তার কাছে পাকিস্তানি সিমকার্ড পাওয়া গেছে।

গ্রেপ্তারের সময় পীর মোহাম্মদের কাছ থেকে দুটি মোবাইল ফোন ও একটি ল্যাপটপ জব্দ করা হয়েছে। এসটিএফ কর্মকর্তারা তা পরীক্ষা করছেন।

জব্দ করা ডিভাইসে ভারতীয় সেনা ছাউনির বিভিন্ন ছবি মিলেছে। ফোনবুকে আছে অনেক পাকিস্তানি নম্বর। হোয়াটস অ্যাপ কলের মাধ্যমে তিনি রাওয়ালপিন্ডিতে পাক অফিসারদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেন বলে দাবি করেছেন এসটিএফ গোয়েন্দারা।

পীর মোহাম্মদ মূলত নেপালের বাসিন্দা, তবে তিনি দীর্ঘদিন কালিংপংয়ে অবস্থান করছিলেন। তিনি গ্রামে ঘুরে ঘুরে সহজ কিস্তিতে ইলেকট্রনিক্স জিনিস বিক্রি করতেন। ২০২০ সালে পীর মোহাম্মদ নেপালে যান। তাবলিগ-ই জামাত করতে গিয়ে তিনি পাক গোয়ান্দের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন। এরপর টাকার বিনিময়ে তাদের তথ্য সরবরাহ করতেন।

মূলত ‘তথ্যের বিনিময়ে টাকার’ টোপ দিয়ে পীর মোহাম্মদকে গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দারা। হেফাজতে রেখে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন:
কলকাতায় জঙ্গি নেতার বাড়িতে তল্লাশি
কালা জাদুর অভিযোগে ঘরছাড়া করা অপ্রত্যাশিত: কলকাতা হাইকোর্ট

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Four Bangladeshi women detained by BSF

বিএসএফের হাতে আটক ৪ বাংলাদেশি নারী

বিএসএফের হাতে আটক ৪ বাংলাদেশি নারী ফাইল ছবি
আটক বাংলাদেশি নারীরা খুলনা, যশোর, ও নারায়ণগঞ্জ জেলার বাসিন্দা। তিন ভারতীয়ের প্রত্যেকেই জলপাইগুড়ি জেলার বাসিন্দা। বিএসএফ জানায়, জেরায় বাংলাদেশি নারীরা জানিয়েছেন, তারা কাজের খোঁজে মুম্বাই যাচ্ছিলেন।

অবৈধভাবে আন্তর্জাতিক সীমানা অতিক্রম করে ভারতে প্রবেশ করার অভিযোগে চার বাংলাদেশি নারী ও সাহায্যকারী তিন ভারতীয়কে আটক করেছে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)।

শুক্রবার জলপাইগুড়ি জেলার রাধাবাড়ি বিএসএফ সেক্টর হেডকোয়ার্টার থেকে সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানানো হয়, বিএসএফের ১৫ নম্বর ব্যাটালিয়নের অধীন পাঠানপাড়া বিওপি গোয়েন্দা শাখার কাছে খবর আসে কয়েকজন বাংলাদেশি নারী অবৈধভাবে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে প্রবেশ করেছেন। অনুপ্রবেশের খবর পেয়েই অভিযান চালান তদন্তকারীরা। ওই নারীদের এ দেশে প্রবেশে সাহায্য করেছিল তিন ভারতীয়। এ ব্যাপারে মোট সাতজনকে আটক করা হয়েছে।

আটক বাংলাদেশি নারীরা খুলনা, যশোর, ও নারায়ণগঞ্জ জেলার বাসিন্দা। তিন ভারতীয়ের প্রত্যেকেই জলপাইগুড়ি জেলার বাসিন্দা।

বিএসএফ সূত্রে জানা গেছে, জেরায় বাংলাদেশি নারীরা জানিয়েছেন, তারা কাজের খোঁজে মুম্বাই যাচ্ছিলেন। তবে তদন্তকারীরা এই ঘটনার পেছনে কোনো নারী পাচারকারী চক্র কাজ করছে কি না, তাদের যৌন ব্যবসায় কাজে লাগানোর জন্য নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল কি না তা খতিয়ে দেখছে।

আটক কজনকে জলপাইগুড়ি জেলার কোতোয়ালি থানার পুলিশের হাতে তুলে দেয়া হয়। শনিবার তাদের জলপাইগুড়ি জেলা আদালতে তোলার কথা।

আরও পড়ুন:
ভারতে গরুসহ বাংলাদেশি যুবক আটক, থানায় হস্তান্তর

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Bhutan opened the border by increasing the cost of travel

ভ্রমণের খরচ বাড়িয়ে সীমান্ত খুলে দিল ভুটান

ভ্রমণের খরচ বাড়িয়ে সীমান্ত খুলে দিল ভুটান ভুটানের একটি পর্যটন এলাকা। ছবি: সংগৃহীত
পৃথিবীতে পর্যটকদের যেসব দেশে সবচেয়ে বেশি মাশুল দিতে হয় ভুটান তার মধ্যে অন্যতম। জলবিদ্যুতের পর পর্যটনই দেশটির রাজস্বের সবচেয়ে বড় খাত। সড়কপথে বাংলাদেশ থেকে ভুটান গেলে দেশটির অভিবাসন দপ্তর থেকে এন্ট্রি পারমিট নিতে হয়। আর বিমানে গেলে নিতে হয় বিমানবন্দরের পারমিট।

করোনা পরিস্থিতিতে দীর্ঘ আড়াই বছর বন্ধ রাখার পর আবার পর্যটকদের জন্য সীমান্ত খুলে দিল পাহাড়, নদী আর ঝরনার মিতালিতে সৃষ্ট প্রকৃতির এক অপরূপ নিদর্শনের দেশ ভুটান।

আগের চেয়ে পর্যটন ফি বা সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট ফি (এসডিএফ) বেশ বাড়িয়ে শনিবার দেশটির সীমান্ত খুলে দেয়া হয় বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে এনডিটিভি

ভুটানে গত তিন দশক ধরে প্রতি রাতের জন্য একজন পর্যটককে দিতে হতো ৬ হাজার ৭৫০ টাকা। তবে এখন থেকে এ জন্য গুনতে হচ্ছে ২০ হাজার ৭৫০ টাকা।

ভ্রমণের জন্য এত দিন আঞ্চলিক অর্থাৎ ভারতীয় ও বাংলাদেশি পর্যটকদের জন্য কোনো ফি ছিল না। কিন্তু নতুন নিয়মে তাদের জন্য ফি নির্ধারণ করা হয়েছে।

এসব দেশের পর্যটকদের ক্ষেত্রে প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য প্রতিদিন দিতে হবে ১৫৩০ টাকা। আর ৬ থেকে ১২ বছরের শিশুদের জন্য ৭৬৫ টাকা লাগবে।

ভুটানের কনসাল জেনারেল জিগমে থিনলে নামগিয়াল বলেন, ‘পর্যটন একটি জাতীয় সম্পদ এবং আমরা কার্বন নিরপেক্ষ থাকার চেষ্টা করছি। এর নিজস্ব খরচ আছে। আমাদের পর্যটনকে টেকসই করতে আমরা আমাদের অবকাঠামোর উন্নয়ন করছি। এসব কারণে আমরা এই শুল্ক নিচ্ছি।’

পৃথিবীতে পর্যটকদের যেসব দেশে সবচেয়ে বেশি মাশুল দিতে হয় ভুটান তার মধ্যে অন্যতম। জলবিদ্যুতের পর পর্যটনই দেশটির রাজস্বের সবচেয়ে বড় খাত।

সড়কপথে বাংলাদেশ থেকে ভুটান গেলে দেশটির অভিবাসন দপ্তর থেকে এন্ট্রি পারমিট নিতে হয়। আর বিমানে গেলে নিতে হয় বিমানবন্দরের পারমিট।

৪৬ হাজার ৫০০ বর্গকিলোমিটার আয়তনের দেশ ভুটানের জনসংখ্যা ৮ লাখের মতো। দেশটিতে করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ৬ হাজার ১০০। এর মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ২১ জনের। করোনার কারণে ২০২০ সালের মার্চ থেকে বন্ধ করে দেয়া হয়েছিল এ দেশের সীমান্ত।

ভুটানের ভূপ্রকৃতি পর্বতময়। উত্তরে সুউচ্চ হিমালয় পর্বতমালা, মধ্য ও দক্ষিণ ভাগে নিচু পাহাড় ও মালভূমি এবং দক্ষিণ প্রান্তসীমায় সামান্য কিছু সাভানা তৃণভূমি ও সমভূমি আছে। মধ্যভাগের মালভূমির মধ্যকার উপত্যকাগুলোতেই বেশির ভাগ লোকের বাস।

বহির্বিশ্ব থেকে বহুদিন বিচ্ছিন্ন থাকার কারণে ভুটান প্রাণী ও উদ্ভিদের এক অভয়ারণ্য। এখানে বহু দুর্লভ প্রজাতির প্রাণী ও উদ্ভিদ দেখতে পাওয়া যায়। ভুটানের প্রায় ৭০% এলাকা অরণ্যাবৃত।

আরও পড়ুন:
রিজার্ভ কমছে ভুটানের, গাড়ি আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা
ড্রুক এয়ারের ঢাকা-পারো ফ্লাইট শুরু ১ জুলাই
বাংলাদেশ থেকে ব্যান্ডউইডথ ও ট্রেইনার নেবে ভুটান
বিনা শুল্কে ভুটানে যাবে বাংলাদেশের ১০০ পণ্য

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Girl arrested after murder and missing case

কিশোরীকে ‘খুন’ করে নিখোঁজ মামলা, পরে ধরা  

কিশোরীকে ‘খুন’ করে নিখোঁজ মামলা, পরে ধরা   হরিদ্বারের বিজেপি নেতা বিনোদ আর্যের ছেলে পুলকিত আর্য (বাঁয়ে) এবং তাকে গ্রেপ্তার করছে পুলিশ। ছবি কোলাজ: নিউজবাংলা
হরিদ্বারের বিজেপি নেতা বিনোদ আর্যের ছেলে পুলকিত আর্য সপ্তাহের শুরুতে কিশোরী নিখোঁজ হওয়ার পর তার পরিবারের সঙ্গে পুলিশে গিয়েছিলেন। পুলিশকে বিভ্রান্ত করার উদ্দেশ্য ছিল তার।

ভারতের উত্তরাখণ্ডে ১৯ বছরের তরুণী হত্যার দায়ে গ্রেপ্তার হয়েছেন ক্ষমতাসীন বিজেপির জ্যেষ্ঠ নেতা বিনোদ আর্যের ছেলে পুলকিত আর্য। বৃহস্পতিবার তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

নিহত কিশোরী পাউরি জেলার ঋষিকেশ শহরের কাছে একটি রিসোর্টে রিসেপশনিস্ট পদে কাজ করতেন। পুলকিত আর্য এই রিসোর্টের মালিক।

কিশোরীর পরিবারের দাবি, সোমবার থেকেই নিখোঁজ ছিল সে। পুলিশ বলছে, রিসোর্টের দুই কর্মীর সহায়তায় তাকে হত্যা করা হয়েছে। তাদেরও গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

কিশোরীর মরদেহ এখনও পাওয়া যায়নি। তা পেতে রিসোর্টের কাছে একটি নালায় অনুসন্ধান চালাচ্ছে পুলিশ।

অভিযোগ উঠেছে, ইচ্ছা করেই তদন্তে দেরি করছে পুলিশ। কারণ অভিযুক্তের বাবা ক্ষমতাসীন বিজেপি ও আরএসএস-এর সদস্য।

পুলিশ জানায়, সোমবার সকালে তরুণীকে তার ঘরে না পাওয়ায় পুলকিত আর্য এবং তরুণীর পরিবার স্থানীয় রাজস্ব কর্মকর্তাদের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন।

রাজ্যের পুলিশ প্রধান অশোক কুমার বলেন, ‘উত্তরাখণ্ডের যেসব এলাকায় থানা নেই, সেসব এলাকায় এফআইআর নথিভুক্ত করার জন্য পাটোয়ারি (ভূমি রাজস্ব কর্মকর্তা) ব্যবস্থা রয়েছে।’

বনান্তর রিসোর্টটি প্রধান শহর ঋষিকেশ থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার দূরে যমকেশ্বর এলাকায় অবস্থিত।

অশোক কুমার বলেন, ‘মামলাটি আমাদের কাছে হস্তান্তরের পর ২৪ ঘণ্টা টানা কাজ করেছি। আরও তদন্ত চলছে।

কিশোরীকে পতিতাবৃত্তিতে বাধ্য করা হচ্ছিল বলে অভিযোগ উঠেছে। তবে পুলিশ এ বিষয়ে কিছু বলেনি।

সোশ্যাল মিডিয়ায় বৃহস্পতিবার খবরটি ভাইরাল হলে, তড়িঘড়ি করে পুলিকতকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পুলকিতের বাবা বিনোদ আর্যের সরকারে কোনো পদ না থাকলেও, প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদায় আছেন। এর আগে তিনি মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। পুলকিতের ভাই অঙ্কিত আর্যও একজন বিজেপি নেতা।

বিরোধী রাজনৈতিক দল কংগ্রেস বলছে, ঘটনা তদন্তে পুলিশ অনীহা ছিল। কারণ অভিযুক্তের সঙ্গে আরএসএস-বিজেপির সম্পর্ক আছে।

‘এটা ভয়ঙ্কর। ১৮ সেপ্টেম্বর মেয়েটি নিখোঁজ হলেও পুলিশ ২১ সেপ্টেম্বর এফআইআর নথিভুক্ত করে... এটা কেন?’

রাজ্য কংগ্রেসের মুখপাত্র গরিমা মেহরা দাসাউনি বলেন, ‘বিজেপি এবং আরএসএস নেতাদের ক্ষমতার এই নির্লজ্জ অপব্যবহার আর কতদিন চলবে?’

যারাই এ ঘটনায় জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামি।

তিনি বলেন, ‘এটি অত্যন্ত দুঃখজনক ঘটনা, জঘন্য অপরাধ। পুলিশ কাজ করছে। অপরাধী যেই হোক না কেন, তাকে রেহাই দেয়া হবে না।’

পুলকিত আর্য ছাড়াও গ্রেপ্তার করা হয়েছে রিসোর্টের ম্যানেজার সৌরভ ভাস্কর এবং অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার অঙ্কিত গুপ্তাকে।

পাউরির এক পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, ‘তারা পুলিশকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করেছিল। জিজ্ঞাসাবাদে এক সময় তারা অপরাধ স্বীকার করে।’

আরও পড়ুন:
বস্তাবন্দি মরদেহ মরিয়ম মান্নানের মায়ের কি না সংশয়
কলেজশিক্ষকের মরদেহ উদ্ধার, আটক শিক্ষার্থী
শহীদ মিনারের ফুটপাতে নবজাতকের মরদেহ
অটোচালককে হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার ২
অগ্রণী ব্যাংকের গেটে নিরাপত্তাকর্মীর মরদেহ

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
The trial of the Minister of Justice in China was given the death penalty

বিচারমন্ত্রীর বিচার বসাল চীন, দেয়া হলো মৃত্যুদণ্ড

বিচারমন্ত্রীর বিচার বসাল চীন, দেয়া হলো মৃত্যুদণ্ড ফু জেংহুয়া
অক্টোবরে হতে যাওয়া কমিউনিস্ট পার্টির একটি গুরুত্বপূর্ণ সম্মেলনের আগে জেংহুয়ার এমন রায় হলো। ওই সম্মেলনের আগে হঠাৎ করে সরকারি কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ধরপাকড় অভিযান শুরু হয়েছে।

দুর্নীতিবিরোধী বেশ কিছু অভিযানে নেতৃত্ব দেয়া চীনের বিচারবিষয়ক মন্ত্রী ফু জেংহুয়ার বিরুদ্ধে ঘুষের মামলায় মৃত্যুদণ্ডের রায় হয়েছে।

ব্যক্তিগত স্বার্থ উদ্ধারে উপহার ও অর্থের বিনিময়ে তিনি ১১৭ মিলিয়ন ইউয়ান ঘুষ নিয়েছিলেন বলে স্থানীয় কর্তৃপক্ষের বরাতে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে বিবিসি

বৃহস্পতিবার দেশটির জিলিন প্রদেশের রাজধানী চ্যাংচুনের একটি আদালত জেংহুয়াকে মৃত্যুদণ্ডের রায় দেয়। গত জুলাইয়ে অভিযুক্ত করা হয় তাকে।

সাবেক এই চীনা মন্ত্রীর নামে মৃত্যুদণ্ডের রায় হলেও দু বছর কারাভোগের পর তার সাজা কমে যাবজ্জীবন হবে। বাকি জীবন কারাগারেই থাকতে হচ্ছে তাকে।

অক্টোবরে হতে যাওয়া কমিউনিস্ট পার্টির একটি গুরুত্বপূর্ণ সম্মেলনের আগে জেংহুয়ার এমন রায় হলো। ওই সম্মেলনের আগে হঠাৎ করে সরকারি কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ধরপাকড় অভিযান শুরু হয়েছে।

প্রতি পাঁচ বছর পর এই সম্মেলন হয়ে থাকে। এতে প্রেসিডেন্ট শি চিন পিং ইতিহাস গড়ে সম্মেলনে টানা তৃতীয়বারের মতো দলীয় প্রধান হতে যাচ্ছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

মন্ত্রীর বিচারের আগে দেশটির তিন প্রাদেশিক পুলিশপ্রধানেরও সম্প্রতি বিচার করেছে আদালত। তাদের বিরুদ্ধে শুধু দুর্নীতি নয়, আনা হয়েছে প্রেসিডেন্টের প্রতি অবিশ্বস্ত হওয়ার অভিযোগও।

শাস্তির অপেক্ষায় থাকা সাবেক নিরাপত্তা কর্মকর্তা সান লিজুনের নেতৃত্বে রাজনৈতিক দল তৈরির প্রক্রিয়ার অংশ হওয়ার অভিযোগ আছে এসব পুলিশ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে।

জেংহুয়ার বিরুদ্ধে মামলাটি বেশ আলোচিত। ২০১৮ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত চীনের বিচারমন্ত্রী ছিলেন তিনি। পুলিশের চাকরির পর এক পর্যায়ে দায়িত্ব নিয়েছিলেন দেশটির জননিরাপত্তা মন্ত্রণালয়ের উপপ্রধানের।

দুর্নীতিবাজ রাজনীতিবিদদের বিরুদ্ধে অভিযানে নেতৃত্ব দিয়ে সুনাম কুড়িয়েছিলেন এই সাবেক মন্ত্রী। ঘুষের অভিযোগে শীর্ষ কর্মকর্তা জু ইয়ংকাংকে পদ থেকে সরানো তার দায়িত্ব পালনের একটি বড় নমুনা।

এ অবস্থাতেই গত বছরের অক্টোবরে দলের অভ্যন্তরীণ নজরদারি সংস্থা ঘোষণা করে, জেংহুয়ার বিরুদ্ধে শৃঙ্খলা ও জাতীয় আইনের গুরুতর লঙ্ঘনের অভিযোগের তদন্ত করা হচ্ছে।

চলতি বছরের মার্চে মন্ত্রীর দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেয়া হয় জেংহুয়াকে। এরপর বরখাস্ত করা হয় কমিউনিস্ট পার্টি থেকেও। মাস খানেক পর দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে যান তিনি।

আরও পড়ুন:
চীনের সাড়া না পাওয়াকে স্বাভাবিক ভাবছে না ঢাকা
চীনে বাস উল্টে নিহত ২৭
ভারতে পোশাক রপ্তানি বেড়ে দ্বিগুণ, কমছে চীনে

মন্তব্য

ভারতে শতাধিক ‘জঙ্গি’ আটক

ভারতে শতাধিক ‘জঙ্গি’ আটক ভারতের জাতীয় তদন্ত সংস্থা বেঙ্গালুরুতে পিএফআই অফিসে অভিযান চালাচ্ছে। বাইরে পাহারা দিচ্ছে পুলিশ। ছবি: সংগৃহীত
এনডিটিভি নেটওয়ার্ক বলছে, বেআইনি কার্যকলাপ প্রতিরোধ আইন (ইউএপিএ)-এর অধীনে কমপক্ষে চারজন পিএফআই সদস্যকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। এটি এমন একটি আইন, যার অধীনে একজন ব্যক্তিকে বিনা বিচারে বছরের পর বছর কারাগারে থাকতে হতে পারে। কারণ এই আইনে জামিন পাওয়া খুবই কঠিন।

ভারতে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদে জড়িত সন্দেহে ইসলামিক সংগঠন পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়ার (পিএফআই) শতাধিক সদস্যকে আটক করেছে দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী। অন্তত ১২টি রাজ্যে সংগঠনটির অফিস ও সদস্যদের বাড়িতে বৃহস্পতিবার অভিযান চালায় ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি (এনআইএ) এবং এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)।

আটকদের বেশির ভাগ দক্ষিণের রাজ্যগুলোর বাসিন্দা। কেরালার মুসলিম অধ্যুষিত এলাকাগুলোয় পিএফআই-এর যথেষ্ট প্রভাব রয়েছে; সেখানে ২২ জনকে আটক করা হয়।

এ ছাড়া মহারাষ্ট্র থেকে ২০ এবং কর্ণাটকে ২০, অন্ধ্রপ্রদেশ ৫, আসাম ৯, দিল্লি ৩, মধ্যপ্রদেশ ৪, পুদুচেরি ৩, তামিলনাড়ু ১০, উত্তর প্রদেশ ৮ এবং রাজস্থান থেকে ২ জনকে আটক করা হয়।

এনিডিটিভি নেটওয়ার্ক বলছে, বেআইনি কার্যকলাপ প্রতিরোধ আইন (ইউএপিএ)-এর অধীনে কমপক্ষে চারজন পিএফআই সদস্যকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। এটি এমন একটি আইন, যার অধীনে একজন ব্যক্তিকে বিনা বিচারে বছরের পর বছর কারাগারে থাকতে হতে পারে। কারণ এই আইনে জামিন পাওয়া খুবই কঠিন।

ভারতে শতাধিক ‘জঙ্গি’ আটক

পিএফআই ২০০৭ সালে তিনটি মুসলিম গোষ্ঠী- কেরালায় ‘ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট’, কর্ণাটকে ‘কর্ণাটক ফোরাম ফর ডিগনিটি’ এবং তামিলনাড়ুতে ‘মানিথা নীথি পাসরাই’-এর একীভূত হওয়ার পর প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।

দুই বছর পর ২০০৯ সালে সংগঠনটি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে তাদের রাজনৈতিক শাখা- সোশ্যাল ডেমোক্রেটিক পার্টি অফ ইন্ডিয়া (এসডিপিআই) গঠন করে।

পিএফআই-এর দাবি, তারা ভারতের মুসলিম এবং অন্যান্য প্রান্তিক সম্প্রদায়ের অধিকারের জন্য কাজ করে। তবে ক্ষমতাসীন ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)-সহ ডানপন্থী হিন্দু গোষ্ঠীগুলো তাদের সদস্যদের বিরুদ্ধে সহিংস হামলার অভিযোগ তুলেছে।

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Militant leaders house searched in Kolkata

কলকাতায় জঙ্গি নেতার বাড়িতে তল্লাশি

কলকাতায় জঙ্গি নেতার বাড়িতে তল্লাশি কলকাতার পার্ক সার্কাস তিল জলা রোডের এ ভবন ঘিরে তল্লাশি চলে। ছবি: নিউজবাংলা
পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়ার অফিসে ভোর ৩টা ৪০ মিনিটে এনআইএ এবং ইডির গোয়েন্দারা কেন্দ্রীয় বাহিনী বৃহস্পতিবার কলকাতার পার্ক সার্কাস তিল জলা রোডের একটি আবাসিক ভবন ঘিরে তল্লাশি চালায়।

পশ্চিমবঙ্গসহ দেশের ১০টি রাজ্যের ৪০টি জায়গায় একযোগে ইসলামিক জঙ্গি সংগঠন পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়ার (পিএফআই) বিরুদ্ধে যৌথ তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছে ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা এনআইএ এবং ইডি।

সন্ত্রাসবাদ ও উগ্র মনোভাবাপন্ন সংগঠনগুলোকে অর্থ সাহায্য করার পাশাপাশি কর্ণাটক এবং কেরালায় সহিংসতা ছড়ানো ও আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহারের অভিযোগ রয়েছে পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়ার বিরুদ্ধে।

পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়ার অফিসে ভোর ৩টা ৪০ মিনিটে এনআইএ এবং ইডির গোয়েন্দারা কেন্দ্রীয় বাহিনী বৃহস্পতিবার কলকাতার পার্ক সার্কাস তিল জলা রোডের একটি আবাসিক ভবন ঘিরে তল্লাশি চালায়। পপুলার ফ্রন্টের নেতা শেখ মোক্তারের বাড়িতেও হানা দেয় তদন্তকারীরা। বাড়ির সামনে সংগঠনটির একটি ব্যানার লাগানো থাকতে দেখা যায়।

তল্লাশি চালিয়ে ও অফিসের কম্পিউটার ঘেঁটে বেশ কিছু নথি উদ্ধার করেছেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার সদস্যরা। পপুলার ফ্রন্টের অফিসে উপস্থিত দুজনকে তারা জিজ্ঞাসাবাদ করে বলে সূত্রের খবর।

ভবনটির এক বাসিন্দা বলেন, ‘সারা দিন ওই অফিস ভেতর থেকে বন্ধ থাকত। বিভিন্ন লোককে আসা-যাওয়া করতে দেখতাম। তবে ভেতরে কী করে বলতে পারব না।’

সকাল ১০টার মধ্যে পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়ার অফিসে সবাই চলে আসতেন। তারপর দরজা বন্ধ করে সারা দিন, এমনকি গভীর রাত পর্যন্ত কাজ চলত বলে বাসিন্দারা জানান।

ন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট ফ্রন্ট নামে সংগঠনটি ২০০৬ সালে নাম পাল্টে পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়া নাম ধারণ করে। এদের সঙ্গে ইন্ডিয়ান মুজাহিদিনের সরাসরি যোগ রয়েছে বলে গোয়েন্দাদের দাবি।

কেরালা, কর্ণাটক, তামিলনাড়ু, উত্তরপ্রদেশ, অন্ধ্রপ্রদেশসহ ১০টি রাজ্যে তল্লাশি অভিযান চালিয়ে পপুলার ফ্রন্টের ১০০ জন কর্মীকে ভারতের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা গ্রেপ্তার করেছে বলে জানা গেছে।

আরও পড়ুন:
পশ্চিমবঙ্গের তাজপুরে বন্দর নির্মাণ করবে আদানি শিল্পগোষ্ঠী
কালা জাদুর অভিযোগে ঘরছাড়া করা অপ্রত্যাশিত: কলকাতা হাইকোর্ট
পশ্চিমবঙ্গে অস্থির চালের বাজার
বিজেপির সভামঞ্চে নারীকে মারধর

মন্তব্য

p
উপরে