× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

আন্তর্জাতিক
30 fighter jets with 1600 crew take off from the 18 story battleship
hear-news
player
google_news print-icon
আইএনএস বিক্রান্ত

৩০ যুদ্ধবিমান, ১৬০০ ক্রু নিয়ে যাত্রা ১৮ তলা রণতরির

৩০-যুদ্ধবিমান-১৬০০-ক্রু-নিয়ে-যাত্রা-১৮-তলা-রণতরির
ভারতের নৌবাহিনীতে যুক্ত হয় বিমানবাহী রণতরি আইএনএস বিক্রান্ত। ছবি: বিবিসি
৩০টি যুদ্ধবিমান ও হেলিকপ্টার একসঙ্গে অবস্থান করতে পারে ২৬২ মিটার লম্বা ও ৬২ মিটার চওড়া রণতরিটিতে। এতে মোট কক্ষের সংখ্যা ২৪০০টি। ২৫০টি তেলবাহী ট্যাংকারের সমপরিমাণ জ্বালানি রয়েছে এতে।

৩০টি যুদ্ধবিমান, ১৬০০ ক্রু নিয়ে নৌবাহিনীতে যুক্ত হয়েছে সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি ১৮ তলাবিশিষ্ট ভারতের প্রথম বিমানবাহী রণতরি ‘আইএনএস বিক্রান্ত’।

১৬ শয্যার হাসপাতালসহ অত্যাধুনিক সব ধরনের প্রযুক্তি-সমরাস্ত্র ও সেবা সংবলিত এই রণতরিটিকে তুলনা করা হচ্ছে ‘ভাসমান ঘাঁটির’ সঙ্গে।

কেরালা রাজ্যের কোচি শিপইয়ার্ডে দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি স্থানীয় সময় শুক্রবার সকালে রণতরিটিকে নৌবাহিনীর বহরে যুক্ত করেন।

৩০টি যুদ্ধবিমান ও হেলিকপ্টার একসঙ্গে অবস্থান করতে পারে ২৬২ মিটার লম্বা ও ৬২ মিটার চওড়া রণতরিটিতে। এতে মোট কক্ষের সংখ্যা ২৪০০টি। ২৫০টি তেলবাহী ট্যাংকারের সমপরিমাণ জ্বালানি রয়েছে এতে।

যুক্তরাজ্যের রণতরি রয়েল নেভির এইচএমএস কুইন এলিজাবেথের যুদ্ধবিমান ধারণক্ষমতা অন্তত ৪০টি এবং যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর রণতরিতে যুদ্ধবিমান থাকতে পারে ৬০ এর বেশি।

‘আইএনএস বিক্রমাদিত্যর’ পর এটি ভারতের দ্বিতীয় রণতরি, তবে বিমানবাহী রণতরি হিসেবে প্রথম।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে নরেন্দ্র মোদি বলেন, এর মধ্য দিয়ে ভারতবাসী তাদের মনের দাসত্বকে মুছে ফেলতে সক্ষম হয়েছে।

এর আগে গত বছরের ২৫ জুন সব বাধা পেরিয়ে সমুদ্রে নামে দেশটির প্রথম এয়ারক্রাফট কেরিয়ার ‘আইএনএস বিক্রান্ত’।

৩০ যুদ্ধবিমান, ১৬০০ ক্রু নিয়ে যাত্রা ১৮ তলা রণতরির
ভারতের প্রথম বিমানবাহী রণতরি ‘আইএনএস বিক্রান্ত’

আইএনএস বিক্রান্ত নামে ভারতে আগে একটি রণতরি ছিল। সেটি ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ভারতের হয়ে যুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। পুরোনো হয়ে যাওয়ায় সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের সহযোগিতায় তৈরি সেই রণতরিটি পরে ভারতীয় নৌবহর থেকে বাতিল করে দেয়া হয়।

নতুন এই বিমানবাহী রণতরিটিকে ভারত তার সমুদ্র অভিযানে উল্লেখযোগ্য অর্জন হিসেবে দেখছে।

যুদ্ধজাহাজটি তৈরির পরিকল্পনা শুরু হয়েছিল তিন দশক আগে। কাজ শুরু হয় ১৯৯৯ সালে। তারপর নানা কারণে পিছিয়ে যেতে থাকে ২০ হাজার কোটি রুপির এই প্রকল্প।

তার মধ্যে করোনা মহামারির কারণে ভয়াবহ পরিস্থিতিতে নতুন করে ধাক্কা খায় প্রকল্পের অগ্রগতি।

দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং শুক্রবার জানিয়েছেন, আগামী বছরেই শত্রু মোকাবিলায় সমুদ্রে নামবে এটি।

‘আইএনএস বিক্রান্ত’ ইন্ডিজেনাস এয়ারক্রাফট ক্যারিয়ার ১ বা আইএসি-১ নামেও পরিচিত। কেরালার কোচি শিপইয়ার্ড লিমিটেডে নির্মিত হয়েছে এই যুদ্ধবিমানবাহী রণতরি।

৩০ যুদ্ধবিমান, ১৬০০ ক্রু নিয়ে যাত্রা ১৮ তলা রণতরির

রণতরি আইএনএস বিক্রান্তের ভেতরে যুদ্ধবিমান মিগ-২৯। ছবি: বিবিসি

কোচিতে সেই এয়ারক্রাফট কেরিয়ারের নির্মাণকাজ পরিদর্শন করে রাজনাথ সিং এমনটি জানিয়েছেন।

২০ হাজার কোটি ভারতীয় রুপির এই প্রকল্প সম্পন্ন করার কথা ছিল ২০১৮ সালে। কিন্তু নানা কারণে তা পিছিয়ে যায়। নৌবাহিনী সূত্রে খবর, ২০২০ সালের নভেম্বরে ট্রায়াল সম্পন্ন হয়। এই রণতরি ৪০ হাজার টন ওজন বহন করতে পারবে।

১৯৯৯ সালে তৎকালীন প্রতিরক্ষামন্ত্রী জর্জ ফার্নান্ডেজের তত্ত্বাবধানে প্রথম এই প্রকল্পের কাজ শুরু হয়। ২০১১ সালে এর নির্মাণকাজ মোটামুটিভাবে শেষ হয়। ২০১৩ সালের ১২ আগস্ট প্রথম সমুদ্রে নামানো হয় এই রণতরিটিকে।

নৌবাহিনী সূত্রে জানা গিয়েছে, এ পর্যন্ত ভারতে যত রণতরি তৈরি হয়েছে তার মধ্যে এর নকশা সবচেয়ে জটিল।

এই রণতরিতে যে যুদ্ধাস্ত্র আছে তাতে যেকোনো ধরনের রণকৌশলের সঙ্গে মোকাবিলা করতে পারবে। এতে রয়েছে দুটি ৩২ সেল যুক্ত ভার্টিকাল লঞ্চ সিস্টেম, যেখান থেকে ৬২টি ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া সম্ভব।

ইসরায়েলের তৈরি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধব্যবস্থা বারাক ওয়ান মিসাইল সিস্টেমও থাকবে আইএনএস বিক্রান্তে।

আরও পড়ুন:
ভারতের নিজস্ব বিমানবাহী রণতরি যুক্ত হচ্ছে নৌবাহিনীতে
শার্শায় ভারতীয় ৩ নাগরিক গ্রেপ্তার

মন্তব্য

আরও পড়ুন

আন্তর্জাতিক
Imrans PTI could not facilitate in the High Court

হাইকোর্টেও সুবিধা করতে পারল না ইমরানের পিটিআই

হাইকোর্টেও সুবিধা করতে পারল না ইমরানের পিটিআই ইসলামাবাদ হাইকোর্ট। ছবি: সংগৃহীত
ইমরান খানকে প্রধানমন্ত্রী পদ থেকে অপসারণের জেরে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন পিটিআইয়ের পার্লামেন্ট সদস্যরা। কেবল ১১ জনের পদত্যাগপত্র তখন গৃহীত হয়। পদত্যাগী সেই সদস্যরাই এখন পার্লামেন্টে ফিরতে চাচ্ছে। এর জন্য পিটিআই দ্বারস্থ হয়েছে ইসলামাবাদ হাইকোর্টের। হাইকোর্ট সাফ জানিয়ে দিয়েছে, পার্লামেন্টের ইস্যু- পার্লামেন্টেই সমাধান করতে।

পার্লামেন্টে পদত্যাগপত্রবিষয়ক পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) জমা দেয়া এক আবেদনের শুনানি হয়েছে ইসলামাবাদ হাইকোর্টে।

বৃহস্পতিবার সকালে এই শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।

মামলাটির শুনানি করেছেন ইসলামাবাদ হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি আতহার মিনাল্লাহ। শুনানির শুরুতেই প্রধান বিচারপতি পিটিআইয়ের জমা দেয়া আবেদনের পেছনের উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।

তিনি মন্তব্য করেন, সংসদের বিষয়গুলো সংসদেই সমাধান করতে হবে এবং বিষয়টি রাজনৈতিক কি না, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে দলকে আহ্বান জানান।

পিটিআই আদালত থেকে কোনো রাজনৈতিক লক্ষ্য অর্জন করতে চায় কি না, তা নিয়েই প্রশ্ন তোলেন বিচারপতি আতহার।

পিটিআইয়ের পক্ষে ব্যারিস্টার আলী জাফর আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

আদালত তার কাছে জানতে চান, পিটিআই দলের সদস্যদের পদত্যাগ করতে বাধ্য করা হয়েছিল কি না।

সে বিষয়ে সরাসরি কিছু না বললেও আলী জাফর জানান, পদত্যাগপত্র গ্রহণের জন্য একটি বিধিবদ্ধ প্রক্রিয়া রয়েছে। এ ক্ষেত্রে পদত্যাগপত্র ভুল উপায়ে গ্রহণ করা হয়েছিল। আর সেটি চূড়ান্ত পদত্যাগপত্র ছিল না, এর সঙ্গে কিছু শর্ত যুক্ত ছিল।

আলি জাফর পাল্টা প্রশ্ন ছুড়ে বলেন, ১২৩ জনের মধ্যে কেবল ১১ জনের পদত্যাগপত্রই কেন গ্রহণ করা হলো।

ডেপুটি স্পিকার কোনো পদত্যাগের তদন্ত করেননি। অর্থাৎ তার সাংবিধানিক দায়িত্ব তিনি পালন করেননি।

ব্যারিস্টার আলি ফজলের যুক্তি ছিল, যদি আদালত পিটিআইয়ের পদত্যাগপত্র অকার্যকর ঘোষণা করে, তবে তাদের সদস্যরা পার্লামেন্টে ফিরতে পারে। জবাবে আদালত বলেছে, যে সদস্যরা পদত্যাগ করেছেন, তাদের অবশ্যই পার্লামেন্টে থাকতে হবে এবং পার্লামেন্ট হাউসের সঙ্গে পরামর্শ করতে হবে।

প্রধান বিচারপতি আরও মন্তব্য করেন যে আদালত সংসদের সঙ্গে মতবিরোধ তৈরি করতে পারে না এবং এটা নৈতিকও নয়।

আইনজীবীকে উদ্দেশ করে বিচারপতি বলেন, ‘আপনি এমন ধারণা দিচ্ছেন যে আপনি সংসদকে সম্মান করেন না। আপনাকে প্রমাণ করতে হবে যে আপনি সম্মান (সংসদকে) করেন।’

এরপর শুনানি এক ঘণ্টা মুলতবি করা হয়।

পাকিস্তানে প্রধানমন্ত্রী পদ থেকে ইমরান খানের অপসারণের পর গত এপ্রিলে তার দল পিটিআইয়ের সদস্যরা পার্লামেন্ট থেকে পদত্যাগ করার সিদ্ধান্ত নেন এবং একযোগে স্পিকার বরাবর পদত্যাগপত্র পাঠান।

আরও পড়ুন:
ইমরান খানের পিটিআই নিয়েছিল নিষিদ্ধ বিদেশি অনুদান

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
8 dead in Durga landslide in West Bengal

পশ্চিমবঙ্গে দুর্গা বিসর্জনে পাহাড়ি ঢলে মৃত ৮

পশ্চিমবঙ্গে দুর্গা বিসর্জনে পাহাড়ি ঢলে মৃত ৮ মাল নদীতে হরপা বানে ভেসে যাচ্ছে মানুষ। ছবি: সংগৃহীত
প্রতিমা বিসর্জন চলাকালীন পাহাড়ি ঢলে আচমকা মাল নদী ফুলে ওঠে। কিছু বুঝে ওঠার আগেই নদীতে পড়ে যান বহু মানুষ। নদীতে আটকে পড়ে বিসর্জনের গাড়িও। ৮ জনের মৃত্যুর খবর জানা গেলেও মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।

পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়ি জেলার মাল নদীতে দুর্গা প্রতিমা বিসর্জন করতে গিয়ে হড়পা বানে (পাহাড়ি ঢল) ভেসে গিয়ে ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে।

ভারতের জাতীয় দুর্যোগ মোকাবিলা দল উদ্ধারকাজ চালিয়ে যাচ্ছে। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।

ঘটনার সময় বুধবার সন্ধ্যায় দুর্গা প্রতিমা বিসর্জন চলছিল মাল নদীতে। বিসর্জন দেখতে নদীর ধারে বহু দর্শনার্থী ভিড় জমিয়েছিলেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, প্রতিমা বিসর্জন চলাকালীন আচমকা নদী ফুলে ওঠে। পাহাড় থেকে পানির স্রোত নেমে আসে। কিছু বুঝে ওঠার আগেই নদীতে পড়ে যান বহু মানুষ। নদীতে আটকে পড়ে বিসর্জনের গাড়িও।

পানির স্রোতে ৩০ থেকে ৪০ জন দর্শনার্থী ভেসে যান। উদ্ধারকাজে নামে এনডিআরএফের দল এবং রাজ্য পুলিশ। উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের স্থানীয় মালবাজার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

স্থানীয় তৃণমূল নেতা বুলুচিক বরাইক জানান, ‘উদ্ধারকাজের সব রকম ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। হঠাৎ করে পানি বেড়ে যাওয়ায় এ রকম দুর্ঘটনা ঘটেছে।’

সেখানে জলপাইগুড়ি মালবাজারের চা-বাগানগুলোর প্রতিমা বিসর্জন চলছিল মাল নদীতে। আগেও এই এলাকায় হড়পা বানের নজির থাকার পরও কেন প্রশাসন আগেভাগে ব্যবস্থা নেয়নি তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এদিন রাতে বিবৃতি দিয়ে সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মো. সেলিম জানান, ‘এই ঘটনা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। এই মুহূর্তে উদ্ধারকাজে সহযোগিতার আহ্বান জানাচ্ছি। ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়াতে হবে।’

বৃহস্পতিবার সকালে ঘটনাস্থলে যাওয়ার কথা রাজ্যের উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী উদয়ন গুহর। উদয়ন গুহ বলেন, ‘এই ঘটনার কোনো সতর্কতা আগে থেকে নেয়া সম্ভব ছিল না। যা পানি ছিল হঠাৎ করে তা ৫ গুণ বেড়ে যাওয়ায় বিপত্তি দেখা দেয়। উদ্ধারকাজ চলছে।’

এদিকে হাসপাতালে ভর্তি আহতদের পরিবারের অভিযোগ, বিধায়ক এসে দেখে গেলেও হাসপাতালে আহতদের ঠিকমতো দেখভাল করা হচ্ছে না।

আরও পড়ুন:
পশ্চিমবঙ্গে অস্থির চালের বাজার
বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপে সতর্কতা পশ্চিমবঙ্গে
বিজেপির সভামঞ্চে নারীকে মারধর
টেলিমেডিসিনে সুস্থ স্ট্রোকের রোগী
দুধের কনটেইনারে ‘গরু পাচার’

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
32 killed in marriage ceremony bus crash in Uttarakhand

উত্তরাখণ্ডে বিয়ের অনুষ্ঠানের বাস খাদে, নিহত ৩২

উত্তরাখণ্ডে বিয়ের অনুষ্ঠানের বাস খাদে, নিহত ৩২ ভারতের উত্তরাখণ্ডের পৌরির ধুমকোট থানাধীন সিমদি গ্রামের কাছে গভীর খাদে পড়ে যায় বাসটি। ছবি: এএনআই
পঞ্চাশোর্ধ্ব যাত্রী নিয়ে বাসটি রাজ্যের হরিদ্বার জেলার লালধং থেকে পৌরির বীরখাল ব্লকে যাচ্ছিল। পথে পৌরির ধুমকোট থানাধীন সিমদি গ্রামের কাছে এটি দুর্ঘটনার শিকার হয়।

ভারতের উত্তরাখণ্ডের পৌরি জেলায় বিয়ের অনুষ্ঠানের বাস ৫০০ মিটার গভীর খাদে পড়ে কমপক্ষে ৩২ জন নিহত হয়েছেন।

স্থানীয় সময় মঙ্গলবারের এ ঘটনায় ২০ জনের মতো যাত্রী আহত হয়েছেন।

ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদনে জানানো হয়, দুর্ঘটনার পর উদ্ধার তৎপরতা চালান স্টেট ডিজ্যাস্টার রেসপন্স ফোর্স (এসডিআরএফ) ও ন্যাশনাল ডিজ্যাস্টার রেসপন্স ফোর্সের (এনডিআরএফ) সদস্যরা। আহত যাত্রীদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

পঞ্চাশোর্ধ্ব যাত্রী নিয়ে বাসটি রাজ্যের হরিদ্বার জেলার লালধং থেকে পৌরির বীরখাল ব্লকে যাচ্ছিল। পথে পৌরির ধুমকোট থানাধীন সিমদি গ্রামের কাছে চালক নিয়ন্ত্রণ হারালে এটি খাদে পড়ে যায়।

খবর পাওয়ার পরপরই দুর্ঘটনাস্থলে ছুটে যান ধুমকোট থানার কর্মকর্তারা। উত্তরাখণ্ডের ‍মুখ্যমন্ত্রী পুশকার সিং ধামিও দ্রুত স্টেট ডিজ্যাস্টার ম্যানেজমেন্ট সেন্টারে পৌঁছান।

বাস দুর্ঘটনায় ব্যাপক প্রাণহানির খবরে শোক প্রকাশ করেছেন ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং।

তিনি টুইটারে লেখেন, ‘উত্তরাখণ্ডের পৌরি জেলায় বাস দুর্ঘটনাটি হৃদয়বিদারক। এ ঘটনায় স্বজন হারানো মানুষদের প্রতি শোক প্রকাশ করছি।

‘ঈশ্বর যেন তাদের এই অপূরণীয় ক্ষতি সইবার শক্তি দেন। এ দুর্ঘটনায় আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করছি।’

আরও পড়ুন:
নাচতে নাচতে যুবকের মৃত্যু, শোকে বাবাও পরপারে
ইরানি ফ্লাইটে বোমা আতঙ্ক, যুদ্ধবিমান পাঠাল ভারত 
উত্তর প্রদেশে সড়কে গেল ৩১ প্রাণ
প্রতারককে ব্যাংকের তথ্য জানিয়ে অর্থ খোয়ালেন অন্নু
‘খেলা হবে’ দিবসের সেই এমপি এবার নেচে ভাইরাল

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
The director general of police was killed by slitting the throat of a prison in Kashmir

কাশ্মীরে কারা পুলিশের মহাপরিচালককে গলা কেটে হত্যা

কাশ্মীরে কারা পুলিশের মহাপরিচালককে গলা কেটে হত্যা
পুলিশ কর্মকর্তার মৃত্যুর পর থেকে তার গৃহকর্মী পলাতক। তাকে খুঁজতে অভিযান শুরু হয়েছে।

ভারত নিয়ন্ত্রিত জম্মু-কাশ্মীরে পুলিশের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে।

জম্মুর উপকণ্ঠে উদাইওয়ালায় নিজ বাড়ি থেকে সোমবার তার মরদেহ উদ্ধার করা হয় বলে পুলিশের বরাত দিয়ে জানিয়েছে এনডিটিভি

৫৭ বছর বয়সী হেমন্ত লহিয়া কারারক্ষীর দায়িত্বে ছিলেন। তিনি ১৯৯২ সালে আইপিএস অফিসার পদে যোগ দেন। গত আগস্টে দায়িত্ব পান জম্মু-কাশ্মীরের কারা মহাপরিচালক হিসেবে।

কারা পুলিশের অতিরিক্ত পরিচালক মুকেশ সিং জানিয়েছেন, পুলিশ কর্মকর্তার মৃত্যুর পর থেকে তার গৃহকর্মী পলাতক। তাকে খুঁজতে অভিযান শুরু হয়েছে।

পুলিশের অপরাধ ও ফরেনসিক দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করেছে বলে জানান তিনি।

জম্মু-কাশ্মীরে সম্প্রতি ‘টার্গেট কিলিং’ বেড়েছে। এতে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে উপত্যকায়। প্রাণ বাঁচাতে উপত্যকা ছেড়ে চলে যাচ্ছেন অনেকেই।

২০১৯ সালের ৫ আগস্ট মোদি সরকার ভারতশাসিত কাশ্মীরের বিশেষ স্বায়ত্তশাসিত মর্যাদা কেড়ে নেয়। এরপর থেকেই কাশ্মীরে অশান্তি বেড়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

মাঝে কিছুদিন পুলিশ ও সেনা তৎপরতায় পরিস্থিতি খানিকটা নিয়ন্ত্রণ করা গেলেও গত কয়েক মাসে হাতের বাইরে চলে যাচ্ছে পরিস্থিতি।

অভিযোগ রয়েছে, পাক-মদদপুষ্ট জঙ্গিদের আনাগোনা মারাত্মক বেড়ে গেছে। একের পর এক সাধারণ মানুষকে নিশানা করছে তারা।

আরও পড়ুন:
মেডিক্যালে পড়তে আসা কাশ্মীরি ছাত্রীর রহস্যজনক মৃত্যু
জম্মু-কাশ্মীরে গুলিতে শ্রমিক নিহত
পুলিৎজারজয়ী কাশ্মীরের চিত্র সাংবাদিককে আটকে দিল নয়াদিল্লি

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Death toll in Kabul education center attack rises to 35

কাবুলে শিক্ষা কেন্দ্রে হামলায় নিহত বেড়ে ৩৫

কাবুলে শিক্ষা কেন্দ্রে হামলায় নিহত বেড়ে ৩৫
কাবুলের শিক্ষা কেন্দ্রে আত্মঘাতী হামলায় ৩৫ জন নিহত হয়েছেন। ছবি: এএফপি
দাশত-ই-বারচি এলাকার বাসিন্দাদের অনেকে সংখ্যালঘু হাজারা সম্প্রদায়ের। অতীতে অনেক হামলার শিকার হয়েছে এ সম্প্রদায়ের লোকজন। শুক্রবারের হামলার দায় স্বীকার করেছে জঙ্গি সংগঠন আইএস।  

আফগানিস্তানে একটি শিক্ষাকেন্দ্রে আত্মঘাতী হামলায় মৃত বেড়ে ৩৫ হয়েছে। নিহতদের বেশিরভাগই তরুণী এবং অল্প বয়সী নারী। দেশটিতে জাতিসংঘ মিশন সোমবার আপডেটে এ তথ্য জানায়। হামলার আহত হয়েছেন ৮২ জন।

রাজধানী কাবুলের পশ্চিমে দাশত-ই-বারচি এলাকায় ‘কাজ’ নামের শিক্ষা কেন্দ্রে শুক্রবার হামলাটি হয়। এ সময় সেখানে পরীক্ষা চলছিল।

দাশত-ই-বারচি এলাকার বাসিন্দাদের অনেকে সংখ্যালঘু হাজারা সম্প্রদায়ের। অতীতে অনেক হামলার শিকার হয়েছে এ সম্প্রদায়ের লোকজন। শুক্রবারের হামলার দায় স্বীকার করেছে জঙ্গি সংগঠন আইএস।

আফগানিস্তানে তালেবান নেতৃত্বাধীন সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আবদুল নাফি টাকোর বলেন, ‘বেসামরিক লক্ষ্যবস্তুতে আঘাতের মধ্য দিয়ে শত্রুরা তাদের নিষ্ঠুরতা ও নৈতিকতাহীনতার পরিচয় দিয়েছে।’

গত বছরের আগস্টে ক্ষমতায় আসে তালেবান। দলটির ভাষ্য, তারা আফগানিস্তানে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছে। তবে দক্ষিণ এশিয়ার দেশটিতে নিয়মিত হামলা চালিয়ে যাচ্ছে জঙ্গি সংগঠন ইসলামিক স্টেট (আইএস)।

তালেবান ক্ষমতায় ফেরার আগে গত বছর দাশত-ই-বারচির একটি গার্লস স্কুলে হামলায় কমপক্ষে ৮৫ জন নিহত হয়। এ হামলায় আহত হয় অনেকে।

আরও পড়ুন:
গ্যালারিতে পাকিস্তানিদের ওপর চেয়ার ছুড়ে মারল আফগানরা
কাবুলে রুশ দূতাবাসের সামনে আত্মঘাতী হামলা, নিহত ৮
আফগানিস্তানে ভূমিকম্পে ৬ মৃত্যু
শততম ম্যাচে জয়ের জন্য আফগানদের লক্ষ্য ১০৬ রান
নারী বিষয়ে তালেবানকে চ্যালেঞ্জ করুক মুসলিম বিশ্ব: আমেরিকার দূত

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
The father is also mourning the death of the young man while dancing

নাচতে নাচতে যুবকের মৃত্যু, শোকে বাবাও পরপারে

নাচতে নাচতে যুবকের মৃত্যু, শোকে বাবাও পরপারে মনিশ নারাপজি সোনিগ্রা (বাঁয়ে) এবং নরাপজি সোনিগ্রা। ছবি: সংগৃহীত
পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর চিকিৎসক মনিশকে মৃত ঘোষণা করেন। এই ধাক্কা সহ্য করতে পারেনি ৬৬ বছরের বাবা নরাপজি সোনিগ্রা। লুটিয়ে পড়েন তিনি; ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তার। 

মহারাষ্ট্রের ৩৫ বছরের যুবক মনিশ নারাপজি সোনিগ্রা। শনিবার সূর্য নামতেই পালঘর জেলার ভিরার শহরে এক গারবা অনুষ্ঠানে যোগ দেন তিনি। আয়োজনে উপস্থিত সবাই যখন নাচে ব্যস্ত, সময় তখন মধ্যরাত। নাচতে নাচতে হঠাৎ মেঝেতে লুটিয়ে পড়েন মনিশ।

তড়িঘড়ি করে খবর দেয়া হলো মনিশের বাবা নরাপজি সোনিগ্রাকে। তিনিই ছেলেকে হাসপাতালে নেন।

পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর চিকিৎসক মনিশকে মৃত ঘোষণা করেন। এই ধাক্কা সহ্য করতে পারেনি ৬৬ বছরের বাবা নরাপজি সোনিগ্রা। লুটিয়ে পড়েন তিনি; ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তার।

পুলিশ জানায়, মধ্যরাতে ভিরারের গ্লোবাল সিটি কমপ্লেক্সে একটি গারবা অনুষ্ঠানে নাচতে গিয়ে একজন মারা গেছেন। এই খবরে ওই ব্যক্তির বাবা ঘটনাস্থলেই মারা যান।

‘ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ দুটি মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় একটি মামলা হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
কাজলায় বালতির পানিতে পড়ে শিশুর মৃত্যু
‘খেলা হবে’ দিবসের সেই এমপি এবার নেচে ভাইরাল
বুমরাহর বদলি সিরাজ
‘কবিরাজি চিকিৎসায়’ প্যারালাইজড কিশোরের মৃত্যু, গ্রেপ্তার ৩
ডোবায় মিলল ভাই-বোনের মরদেহ

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Controversy surrounding Gandhi statue instead of demon

অসুরের বদলে গান্ধী বধ, প্রতিমা ঘিরে বিতর্ক

অসুরের বদলে গান্ধী বধ, প্রতিমা ঘিরে বিতর্ক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে এই প্রতিমার ছবি। নিউজবাংলা
রোববার সন্ধ্যায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিতর্কিত এই দুর্গা প্রতিমার ছবিটি ভাইরাল হয়। দেবী দুর্গার পায়ের নিচে বসে রয়েছেন অসুর রূপি মহাত্মা গান্ধী। আর তাকে ত্রিশূল দিয়ে বধ করছেন দেবী দুর্গা।

দুর্গাপূজার প্রতিমায় মহিষাসুরের জায়গায় বসানো হয়েছে মহাত্মা গান্ধীকে। ত্রিশূল দিয়ে অসুর নয়, তাকে বধ করছেন দেবী দুর্গা।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কলকাতা রুবি পার্কের প্রতিমার এই ছবি প্রকাশ্যে আসতেই রাজনৈতিক মহল থেকে শুরু করে নাগরিক সমাজে সমালোচনার ঝড় উঠেছে ।

রোববার সন্ধ্যায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিতর্কিত এই দুর্গা প্রতিমার ছবিটি ভাইরাল হয়। দেবী দুর্গার পায়ের নিচে বসে রয়েছেন অসুর রূপি মহাত্মা গান্ধী। আর তাকে ত্রিশূল দিয়ে বধ করছেন দেবী দুর্গা।

মহাত্মা গান্ধীকে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর মহাত্মা বলে সম্বোধন করেছিলেন । আর নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসু তাকে সম্বোধন করেছিলেন জাতির পিতা বলে।
গান্ধীর অহিংস আন্দোলনে সাড়া দিয়ে আসমুদ্র হিমাচল ব্রিটিশের বিরুদ্ধে পথে নেমেছিল। সেই গান্ধীকে শুধু বিসর্জন নয়, অসুর বানিয়ে বধ করার ব্যবস্থা করা হয়েছে কলকাতা রুবি পার্কের এই হিন্দু মহাসভার মণ্ডপে।

প্রখ্যাত সংগীত শিল্পী কবীর সুমন এ প্রসঙ্গে তার প্রতিক্রিয়ায় ফেসবুক পোস্টে বলেন, ‘মহাত্মা গান্ধীকে অসুর বানিয়ে তামাশা করে যারা, তাদেরই চ্যানেলের লোককে আমি ফোনে গালাগাল দিয়েছিলাম।’

অসুরের বদলে গান্ধী বধ, প্রতিমা ঘিরে বিতর্ক

তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র কুনাল ঘোষ বলেন, ‘বিজেপির আসল মুখ সামনে এসেছে। ওরা আসলে গডসের পূজারী । গান্ধীর হত্যাকারীদের পূজারী। এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করছি।’

কুনাল আরও বলেন, ‘গান্ধীজি আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে ভারতের অন্যতম প্রতীক । তাকে নিয়ে এমন অবমাননা কোনোভাবে বরদাস্ত করা যায় না । এসব বিজেপির অন্তরাত্মা।’

কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরী বলেন, ‘হিন্দুত্বের ধ্বজাধারীরা মানুষের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করে চলেছে।’

বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘এ রকম হয়ে থাকলে খারাপ বিষয়।’

ফেসবুকে একজন লিখেছেন, এত সহিংসতার মাঝে অহিংসা বড্ড বেমানান। তাই উন্নত বিশ্বে যখন অহিংসার বাণী সমাদর পায়, আমরা বিসর্জন দিই। সমগ্র জাতির লজ্জা। ধিক্কার জানাই।

আরেকজন লিখেছেন, হিন্দুত্ববাদীদের হিন্দি, হিন্দু, হিন্দুস্তান এই আওয়াজের কণ্ঠ রোধ করে আসুন, ওদের হিন্দু রাষ্ট্র গড়ার স্বপ্নকে সমূলে বিনাশ করি।

রুবি পার্কের বিতর্কিত প্রতিমা ঘিরে চারদিকে সমালোচনার ঝড় ওঠায় পূজা উদ্যোক্তারা রাতারাতি গান্ধীর আদল সরিয়ে অসুরের আদল তৈরি করে দেন।

পূজা কমিটির অন্যতম সদস্য চন্দ্রচূড় গোস্বামী বলেন, ‘ওপরের চাপে পড়ে গান্ধীজির চেহারা বদলাতে হলো।’

আরও পড়ুন:
কুমারী পূজার উৎসবমুখর আয়োজন
পূজামণ্ডপের পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিতে মেয়রের নির্দেশ
দিনাজপুরে এবার কর্কশিটের দুর্গা

মন্তব্য

p
উপরে