× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

আন্তর্জাতিক
Street drinking Social media influencer arrested
hear-news
player
google_news print-icon

রাস্তায় মদ্যপান: গ্রেপ্তার হচ্ছেন সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার

রাস্তায়-মদ্যপান-গ্রেপ্তার-হচ্ছেন-সোশ্যাল-মিডিয়া-ইনফ্লুয়েন্সার
রাস্তা বন্ধ করে মদ্যপানের অভিযোগ রয়েছে ববির বিরুদ্ধে। ছবি: সংগৃহীত
পুলিশ জানিয়েছে, জেলা আদালত থেকে ববির বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য ওয়ারেন্ট পেয়েছে তারা এবং তাকে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের একাধিক দলকে হরিয়ানা ও অন্যান্য স্থানে পাঠানো হচ্ছে।

রাস্তার মধ্যে চেয়ারে বসে মদ্যপান, রাস্তায় যান চলাচল বন্ধ এবং পুলিশকে হুমকি দেয়ায় ভারতের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের একজন ইনফ্লুয়েন্সারকে গ্রেপ্তার করতে যাচ্ছে দেশটির পুলিশ।

এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতের উত্তরাখণ্ড রাজ্যের রাজধানী দেরাদুনে মহাসড়কে চেয়ার ফেলে রাস্তা বন্ধ করে মদপান করেছিলেন ববি কাটারিয়া।

ববি গুরগাওয়ের বাসিন্দা এবং তার ইনস্টাগ্রামে ফলোয়ারের সংখ্যা ৬ লাখ ৩০ হাজার।

ভারতীয় দণ্ডবিধি (আইপিসি) ও আইটি আইনের প্রাসঙ্গিক ধারার অধীনে তার বিরুদ্ধে পুলিশ একটি এফআইআর নথিভুক্ত করেছে।

পুলিশ জানিয়েছে, জেলা আদালত থেকে ববির বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য ওয়ারেন্ট পেয়েছে তারা এবং তাকে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের একাধিক দলকে হরিয়ানা ও অন্যান্য স্থানে পাঠানো হচ্ছে।

রাস্তায় মদ্যপান: গ্রেপ্তার হচ্ছেন সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার
ববির বিরুদ্ধে ফ্লাইটে ধূমপানের অভিযোগ রয়েছে

এর আগেও ববি কাটারিয়ার বিরুদ্ধে স্পাইসজেটের একটি ফ্লাইটে ধূমপানের অভিযোগ ছিল।

সে সময় তিনি দাবি করেন, বিমানে লাইটার নিয়ে সিগারেট ধরানো অসম্ভব। এটি ছিল দুবাইয়ের থেমে থাকা বিমানের ভেতর করা শুটিংয়ের একটি অংশ।

আরও পড়ুন:
ফেসবুক-গুগলকে ডেকেছে ভারতের পার্লামেন্ট
পিপিই পরে ঘেমে একাকার, ছবি ভাইরাল চিকিৎসকের
মুখে মাস্কের ছবি এঁকে ধোঁকা: ফাঁসলেন রুশ তরুণী
করপোরেট চাকরি ও সাহিত্যের রাজনীতি
সামাজিক মাধ্যমে সক্রিয়তায় ফের সেরা রবি

মন্তব্য

আরও পড়ুন

আন্তর্জাতিক
Realme smiled at the rapper

র‍্যাপারের খোঁজে ‘রিয়েলমি হাসল্‌’

র‍্যাপারের খোঁজে ‘রিয়েলমি হাসল্‌’
প্রতিযোগীদের মধ্য থেকে সবচেয়ে সৃজনশীল র‍্যাপারকে বিজয়ী হিসেবে বাছাই করা হবে। র‍্যাপারদের জন্য ডেমো পাঠানোর সুযোগ থাকছে ৪ অক্টোবর পর্যন্ত।  

দেশে তরুণদের প্রতিভা বিকাশ এবং তা তুলে ধরার লক্ষে ‘রিয়েলমি হাসল্‌’ প্লাটফর্মের যাত্রা শুরু হয়েছে।

এরই অংশ হিসেবে বাংলাদেশের আগামী দিনের স্টার র‍্যাপারকে খুঁজছে রিয়েলমি। বিজয়ী পাবেন রিয়েলমির পরবর্তী র‍্যাপ মিউজিকে পারফর্ম করার সুযোগ, গানটি কম্পোজ করবেন অ্যাপিরাস ডুয়ো।

গানটিতে আরও অংশ নেবেন বাংলাদেশের আইকনিক র‍্যাপার ব্ল্যাক জ্যাং, আলী হাসানসহ আরও অনেকেই।

প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে র‍্যাপারদের র‍্যাপের ডেমো রেকর্ড করে এই ঠিকানায় মাধ্যমে রিয়েলমির কাছে পাঠাতে হবে।

প্রতিযোগীদের মধ্য থেকে সবচেয়ে সৃজনশীল র‍্যাপারকে বিজয়ী হিসেবে বাছাই করা হবে। র‍্যাপারদের জন্য ডেমো পাঠানোর সুযোগ থাকছে ৪ অক্টোবর পর্যন্ত।

অ্যাপিরাস ডুয়ো গড়ে উঠেছে ইডিএম মিউজিক প্রোডিউসার, কম্পোজার এবং ডিজে মিউজিশিয়ান দুই ভাই – শেখ শাফী মাহমুদ ও শেখ সামি মাহমুদ – কে নিয়ে। দেশের বিনোদন জগতে জিঙ্গেল নির্মাণ করে তারা ইতোমধ্যে জিতে নিয়েছেন বিভিন্ন সম্মাননা।

পাশাপাশি, বলিউডের অনেক বিখ্যাত শিল্পী যেমন মিকা সিং, আরমান মালিক; সনি মিউজিক ইন্ডিয়া, সারেগামা ও টি-সিরিজের প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ইতোমধ্যে কাজ করেছেন অ্যাপিরাস ডুয়ো।

গানটিতে আরও অংশ নিতে যাচ্ছেন তরুণদের আইকন হিপহপ স্টার ব্ল্যাক জ্যাং।

আরও পড়ুন:
দারাজে রিয়েলমি দিচ্ছে ৩৪০০ টাকা পর্যন্ত ছাড়
রিয়েলমি স্মার্টফোন কিনে ঘুরে আসুন থাইল্যান্ড
‘প্রবৃদ্ধির দ্বিতীয় ধাপে রিয়েলমি’
রিয়েলমির মেগা ডিসকাউন্ট লাইভ, জিটি মাস্টার কিনলেই ছাড়
‘কিপ ইট রিয়েল’ থিমে শুরু রিয়েলমি ফ্যান ফেস্ট

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Emore Family Guard to prevent online scams

অনলাইন স্ক্যাম রোধে ইমোর ‘ফ্যামিলি গার্ড’

অনলাইন স্ক্যাম রোধে ইমোর ‘ফ্যামিলি গার্ড’
ব্যবহারকারীদের নিরাপত্তার প্রয়োজনীয়তাকে বিবেচনা করে, ইমো শীঘ্রই ‘ডিজঅ্যাপিয়ারিং মেসেজ’ নামে আরেকটি ফিচার নিয়ে আসবে, যা ব্যবহারকারীদের অন্যদের সাথে চ্যাট করার ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত বার্তা নির্দিষ্ট সময় পর মুছে ফেলার সুযোগ করে দেবে।

ব্যবহারকারীদের নিরাপদ ও সুরক্ষিত উপায়ে ডিজিটাল কানেক্টিভিটি সেবা দিতে ‘ফ্যামিলি গার্ড’ নামে ফিচার উন্মোচন করেছে ইমো।

ফিচারটির মাধ্যমে ব্যবহারকারীদের সুরক্ষা ও গোপনীয়তা সম্পর্কিত বিষয়গুলো আরও মজবুত করল প্ল্যাটফর্মটি।

এ ফিচারের ফলে ব্যবহারকারীরা তাদের কাছের মানুষদের সুরক্ষা সংশ্লিষ্ট ঝুঁকি এবং হুমকি থেকে সুরক্ষিত রাখতে পারবেন। সুরক্ষিত কোনো অ্যাকাউন্টের ক্ষেত্রে যদি অস্বাভাবিক কোনো কর্মকাণ্ড দেখা যায় সেক্ষেত্রে অভিভাবকরা সেফটি অ্যালার্ট পাবেন। এর মাধ্যমে অভিভাবকরা অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা থেকে ব্যবহারকারীর অ্যাকাউন্টকে সুরক্ষিত রাখতে সহায়তা করতে পারবেন।

বাংলাদেশে বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তিদের মধ্যে সাইবার নিরাপত্তা নিয়েও সচেতনতার অভাব রয়েছে। পাশাপাশি, অনেকেই ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহারের ব্যাপারে অতোটা দক্ষ নন। যখন কোনো সুরক্ষিত অ্যাকাউন্টের ক্ষেত্রে অস্বাভাবিক ঘটনা; যেমন: লগ-ইন করার চেষ্টা, ফোন নম্বর পরিবর্তন এবং অপরিচিত ডিভাইস বা লোকেশন থেকে অ্যাকাউন্ট ডিলিটের চেষ্টার মতো অপ্রত্যাশিত কোনো প্রচেষ্টা দেখা যাবে, তখনই সম্ভ্যাব্য এসব ঝুঁকি থেকে অ্যাকাউন্টের সুরক্ষায় অভিভাবকরা সেফটি অ্যালার্ট পাবেন।

সিকিউরিটি অ্যালার্ট পাওয়া মাত্রই ‘রিমাইন্ড ফ্রেন্ড’ বাটনে ক্লিক করতে পারবেন। এতে ওই ব্যবহারকারীর কাছে তাৎক্ষণিক বার্তা চলে যাবে। এ ছাড়া অ্যাকাউন্টের সুরক্ষায় অভিভাবক ওই অ্যাকাউন্টের ব্যবহারকারীর সাথে প্রাইভেটলি যোগাযোগ করতে পারবেন। এ ফিচার ব্যবহার করে, ইমো ব্যবহারকারীরা সাইবার হামলা ও অনলাইন স্ক্যাম থেকে স্বাচ্ছন্দ্যদায়কভাবে ও সহজে তাদের কাছের মানুষদের সুরক্ষিত রাখতে পারবেন।

ব্যবহারকারীদের নিরাপত্তার প্রয়োজনীয়তাকে বিবেচনা করে, ইমো শীঘ্রই ‘ডিজঅ্যাপিয়ারিং মেসেজ’ নামে আরেকটি ফিচার নিয়ে আসবে, যা ব্যবহারকারীদের অন্যদের সাথে চ্যাট করার ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত বার্তা নির্দিষ্ট সময় পর মুছে ফেলার সুযোগ করে দেবে।

আরও পড়ুন:
সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের শিক্ষা উপকরণ দিল ইমো
ইমো চ্যানেলে আন্তর্জাতিক রিক্রুটিং এজেন্সির ব্যবসার প্রবৃদ্ধি
বন্যাদুর্গতদের ফ্রি ডাটা দিচ্ছে ইমো
লালপুর থেকে ৫ ‘ইমো হ্যাকার’ আটক
লাভ ইমোজিতে সাবধান!

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Saudi Arabia deletes 5 million telegram messages

উগ্রবাদী ৫০ লাখ টেলিগ্রাম বার্তা মুছল সৌদি আরব   

উগ্রবাদী ৫০ লাখ টেলিগ্রাম বার্তা মুছল সৌদি আরব    সৌদি আরবের রিয়াদে অবস্থিত এতিদালের সদরদপ্তর। ছবি: এএফপি
দ্য গ্লোবাল সেন্টার ফর কমবেটিং এক্সট্রিমিস্ট আইডিওলজি (এতিদাল) জানিয়েছে, ১৭ জুলাই থেকে ১৩ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সন্ত্রাসবাদ এবং সহিংস চরমপন্থা প্রতিরোধ ও মোকাবিলায় টেলিগ্রামের একটি টাস্ক ফোর্সের সঙ্গে মিলে ৫২ লাখ ৬৯ হাজার ৭৮টি কনটেন্ট মুছে ফেলেছে তারা।

সৌদি আরবে দুই মাসে ৫০ লাখের বেশি উগ্রবাদী টেলিগ্রাম বার্তা মুছে দিয়েছে দেশটির সরকার।

দ্য গ্লোবাল সেন্টার ফর কমবেটিং এক্সট্রিমিস্ট আইডিওলজি (এতিদাল) সোমবার এ তথ্য জানিয়েছে। তারা বলেছে, ১৭ জুলাই থেকে ১৩ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সন্ত্রাসবাদ এবং সহিংস চরমপন্থা প্রতিরোধ ও মোকাবিলায় টেলিগ্রামের একটি টাস্ক ফোর্সের সঙ্গে মিলে ৫২ লাখ ৬৯ হাজার ৭৮টি কনটেন্ট মুছে ফেলা হয়েছে।

মুছে ফেলা কনটেন্টগুলোর মধ্যে আছে, সিরিয়া গৃহযুদ্ধে জড়িত জঙ্গি গোষ্ঠী তাহরির আল-শাম সম্পর্কিত ৩০ লাখ ১২ হাজার ৪৮৩টি বার্তা, আল-কায়েদা সম্পর্কিত ১১ লাখ ৬৮ হাজার ৪৪৭টি এবং আইএস সম্পর্কিত ১০ লাখ ৮৮ হাজার ১৪২টি বার্তা।

এতিদাল জানায়, উগ্রবাদী কনটেন্ট সরিয়ে নিতে চলতি বছরের ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে টেলিগ্রামের সঙ্গে কাজ শুরু করে তারা। মূলত ব্যবহারকারীদের হুমকি এবং নেতিবাচক মতাদর্শ থেকে রক্ষা করতেই এ পদক্ষেপ নেয়া হয়। মুছে ফেলা আরবি বার্তাগুলোর মধ্যে আছে, পিডিএফ, ভিডিও এবং ভিডিওসহ বিভিন্ন ধরনের মিডিয়া ফাইল।

সৌদি লেখক এবং রাজনৈতিক বিশ্লেষক মুবারক আল-আতি মনে করছেন, চরমপন্থি বক্তব্য ও সন্ত্রাসবাদের ধারণা মোকাবিলায় তারা যথেষ্ট... এটা প্রমাণ করতে যাচ্ছে এতিদাল।

তিনি বলেন, ‘স্থানীয়, আঞ্চলিক এবং বৈশ্বিকস্তরে হুমকি মোকাবিলায় সংস্থাটির কাজ সুপরিচিত। টেলিগ্রামের মতো হাই-প্রোফাইল অংশীদারের সঙ্গে কাজ করে সোশ্যাল মিডিয়া এবং অন্যান্য পাবলিক অনলাইনে চরমপন্থী প্রভাব কমাতে পারবে তারা।

‘এটি সমাজে এ ধরনের কনটেন্টের প্রভাব কমিয়ে আনবে। পাশাপাশি প্রাসঙ্গিক সংস্থাগুলোকে সমাজের নিরাপত্তা রক্ষা ও বজায়ে নিজেদের দায়িত্বগুলোকে মনে করিয়ে দেবে।’

উগ্রবাদী ৫০ লাখ টেলিগ্রাম বার্তা মুছল সৌদি আরব
সৌদি লেখক এবং রাজনৈতিক বিশ্লেষক মুবারক আল-আতি

এতিদাল হলো একটি বৈশ্বিক সংস্থা; যার কাজ চরমপন্থা মোকাবিলা এবং এর মূলোৎপাটন করা। সেই সঙ্গে জনগণের মধ্যে সহনশীলতা ও সহাবস্থানের সংস্কৃতি প্রচার করে থাকে সংস্থাটি।

রিয়াদে ২০১৭ সালের ২১ মে আরব-ইসলামিক-আমেরিকান শীর্ষ সম্মেলনের সময় আঞ্চলিক এবং আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্কগুলোর মধ্যে সহযোগিতার লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল এতিদাল। এটির সদরদপ্তর সৌদি রাজধানী রিয়াদে।

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
TikTok is exploring new destinations for travelers

ভ্রমণ পিপাসুদের নতুন গন্তব্যের খোঁজ দিচ্ছে টিকটক

ভ্রমণ পিপাসুদের নতুন গন্তব্যের খোঁজ দিচ্ছে টিকটক
বিভিন্ন উপায়ে প্রকৃতির সঙ্গে মিথষ্ক্রিয়া, বিভিন্ন সংস্কৃতির খাবার, স্থানীয় বিভিন্ন বিষয়ের অভিজ্ঞতা নিতে এখন টিকটক একটি উপযুক্ত মাধ্যম হিসেবে খুব দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।

করোনাভাইরাস মহামারি বিশ্বে যে কয়েকটি খাতে সবচেয়ে বড় প্রভাব ফেলেছিল তার একটি পর্যটন। মহামারির পর বিশ্বের পর্যটন খাত পুরোদমে ফিরে আসতে শুরু করেছে। এই শিল্পের সঙ্গে জড়িত ও স্টেকহোল্ডাররা এ বছর ‘রিথিংকিং ট্যুরিজম’ স্লোগান নিয়ে বিশ্ব পর্যটন দিবসে ভ্রমণকে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে বড় ধরনের পরিবর্তন নিয়ে ভাবছে।

ডিজিটাল বিপ্লবের ফলে পর্যটকরা কোথায় যাবেন এবং কীভাবে তাদের ট্রিপ বুক করবেন তার একটা রূপান্তর ঘটেছে। এখন পর্যটকরা ঘরে বসেই তাদের গন্তব্যের জায়গাগুলো খুঁজে বের করতে পারছে, ভ্রমণের পরামর্শ এবং এমনকি এখন সোশ্যাল মিডিয়া ইমেইলের পরিবর্তে যোগাযোগের প্রধান মাধ্যম হয়ে উঠেছে। বাংলাদেশেও, পর্যটকরা প্রতিনিয়তই প্রযুক্তি সচেতন হয়ে উঠছে। তারাও এখন তাদের ভ্রমণের পরিকল্পনা থেকে শুরু করে অন্যদের প্রভাবিত করার জন্য টিকটকের মতো ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের ওপর নির্ভর করতে শুরু করেছে।

আর এর ফলে, বিভিন্ন উপায়ে প্রকৃতির সঙ্গে মিথষ্ক্রিয়া, বিভিন্ন সংস্কৃতির খাবার, স্থানীয় বিভিন্ন বিষয়ের অভিজ্ঞতা নিতে এখন টিকটক একটি উপযুক্ত মাধ্যম হিসেবে খুব দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। এমনকি বাংলাদেশের ডিজিটাল ল্যান্ডস্কেপে, শর্ট ভিডিও প্ল্যাটফর্ম টিকটক আগামীর পর্যটন খাতে একটি বড় পদপ্রদর্শক হতে যাচ্ছে।

টিকটক এমন একটি প্ল্যাটফর্ম হিসেবেই আবির্ভূত হয়েছে, যেখানে কমিউনিটির জেনুইন, ভিজ্যুয়াল এবং জিও-ট্যাগযুক্ত কনটেন্টের মাধ্যমে নিজেদেরকে স্টোরি বলতে প্রস্তুত। সেই সঙ্গে তারা আজকের ডিজিটাল বাংলাদেশে লোভনীয় ও স্বাধীনভাবে কিছু করতে প্রস্তুত। এটি সম্ভব হচ্ছে খুব সহজ কিছু টুলস, স্থানীয় প্ল্যাটফর্মের কনটেন্ট এবং ক্রিয়েটর দিয়ে, যারা ভিন্নধর্মী কনটেন্ট সরবরাহ করছে।

টিকটকে ভ্রমণের অভিজ্ঞতার আকর্ষণগুলো হলো, ব্যক্তিগত, সহজলভ্য এবং প্রেরণাদায়ক একটা গল্প থাকে। যার মাধ্যমে পর্যটকরা যাত্রা শুরু করবেন কিনা সে সিদ্ধান্ত সহজেই নিতে পারছেন।

সৃজনশীল প্ল্যাটফর্ম হিসেবে টিকটকে ব্যবহারকারীরা তাদের প্রকৃত পোস্ট শেয়ার করতে পারছেন, যার সঙ্গে বড় পরিসরে রয়েছে সাউন্ড, ইফেক্ট এবং অন্য সৃজনশীল সব টুলস। এসব ব্যবহারকারীদের কল্পনা ও বাস্তব অভিজ্ঞতাকে আরও উন্নত করে। জনপ্রিয় মিউজিক ব্যবহারের মতো ফিচার, হ্যাশট্যাগ এবং ফিল্টারগুলো কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের আরও বেশি দর্শকের কাছে পৌঁছে দিচ্ছে।

বাংলাদেশ তার প্রাকৃতিক সৌন্দয্যের জন্য বিশ্বের কাছেই পরিচিত। এর নদ-নদী, উপকূল, সৈকত, ঐতিহাসিক স্থান এবং ধর্মীয় সাইট, পাহাড়, বন, ঝরণা এবং চা বাগানের সৌন্দর্য্য যে কাউকে আকৃষ্ট করে। সুন্দরবন, বাগেরহাটের ঐতিহাসিক ষাট গম্বুজ মসজিদ এবং নওগাঁর পাহাড়পুরের বৌদ্ধ বিহার দেশের তিনটি ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট, যেগুলো প্রতি বছর হাজার হাজার পর্যটক ভ্রমণ করেন।

টিকটকের কনটেন্ট নির্মাতারা এখন দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পর্যটনের এমন লুকানো রত্নগুলো (জায়গা) খুঁজে বের করার চেষ্টা করছেন। এটি শুধু দেশের মধ্যেই নয়, দেশের বাইরের পর্যটকদের কাছেও বাংলাদেশ ভ্রমনে আগ্রহী করে তুলছে। টিকটক ব্যবহারকারীরা অনাবিষ্কৃত অসংখ্য স্পট আবিষ্কার করছেন, যেগুলো এখন পর্যটকদের পদচারণায় মুখরিত হতে শুরু করেছে।

৩৪ বিলিয়ন ভিউ নিয়ে #TikTokTravel এখন অন্যতম জনপ্রিয় অ্যাপ। পরবর্তী প্রজন্মের ভ্রমন পিয়াসীদের অন্যতম কার্যকরী যোগাযোগ প্ল্যাটফর্ম এখন টিকটক।

আরও পড়ুন:
সৈকতে পর্যটন মেলা, বিচ কার্নিভাল শুরু
পর্যটন দিবস: ৬ বলে ৩৬ রান চান প্রতিমন্ত্রী
শীতের জন্য প্রস্তুত হচ্ছে কুয়াকাটা
সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের বিনা মূল্যে পদ্মা সেতু দেখাবে বিপিসি
বিদেশি পর্যটকদের আসতে আর বাধা নেই

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Irani 2 sisters heartwarming moments in freedom of dress

পোশাকের স্বাধীনতায় ইরানি ২ বোনের হৃদয়ছোঁয়া ‘বেলা চাও’

পোশাকের স্বাধীনতায় ইরানি ২ বোনের হৃদয়ছোঁয়া ‘বেলা চাও’ ‘বেলা চাও’-এর ফার্সি সংস্করণ গাইছেন বেহিন ও সামিন বোলোরি। ছবি: সংগৃহীত
ইরানি দুই বোনের গাওয়া একটি গান ঝড় তুলেছে নেট দুনিয়ায়। উনিশ শতকের ইতালীয় ভাষায় রচিত বিপ্লবী লোকগান ‘বেলা চাও’- এর ফার্সি সংস্করণ ছুঁয়ে যাচ্ছে হাজারো মানুষকে। মাহসা যেদিন মারা যান, সেই ১৬ সেপ্টেম্বরেই ইনস্টাগ্রামে গানটি আপলোড করেন ইরানি তরুণী বেহিন বোলোরি ও তার ছোট বোন সামিন বোলোরি।

পুলিশি হেফাজতে কুর্দি তরুণী মাহসা আমিনির মৃত্যুর ঘটনায় ইরানজুড়ে চলছে অভূতপূর্ব বিক্ষোভ। ইসলামি শাসনব্যবস্থাকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ করছেন ইরানের মেয়েরা। তাদের প্রতি সংহতি জানিয়ে বিক্ষোভে শামিল হচ্ছেন পুরুষরাও।

যে পোশাক বিধি অমান্যের অভিযোগে ২২ বছরের আমিনিকে ১৩ সেপ্টেম্বর গ্রেপ্তার করা হয়, তার প্রতিবাদে এখন প্রকাশ্যে হিজাব পুড়িয়ে দিচ্ছেন বিক্ষোভকারীরা। অনেকে কেটে ফেলছেন নিজের চুল। কট্টর শাসনের অধীন ইরানে এমন বিক্ষোভ নাড়া দিয়েছে গোটা বিশ্বকে।

দেশের বাইরে থেকে ইরানের নারীদের প্রতি সংহতি জানিয়েও বিক্ষোভ চলছে। এথেন্স, বার্লিন, ব্রাসেলস, ইস্তাম্বুল, মাদ্রিদ, নিউ ইয়র্ক, প্যারিস, সান্তিয়াগো, স্টকহোম, হেগ, টরন্টো, ওয়াশিংটনসহ পশ্চিমা বিভিন্ন শহরে চলছে প্রতিবাদ।

এর মধ্যেই ইরানি দুই বোনের গাওয়া একটি গান ঝড় তুলেছে নেট দুনিয়ায়। উনিশ শতকে ইতালীয় ভাষায় রচিত বিপ্লবী লোকগান ‘বেলা চাও’- এর ফার্সি সংস্করণ ছুঁয়ে যাচ্ছে হাজারো মানুষকে। মাহসা যেদিন মারা যান, সেই ১৬ সেপ্টেম্বরেই ইনস্টাগ্রামে গানটি আপলোড করেন ইরানি তরুণী বেহিন বোলোরি ও তার ছোট বোন সামিন বোলোরি।

গানটিতে স্বৈরশাসকের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ, দেশপ্রেম ও আত্মত্যাগের কথা রয়েছে। প্রবল দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ একজন বিপ্লবীদের প্রতি তাকে সঙ্গী করার আহ্বান জানান। তার আকাঙ্ক্ষা দখলবাজ শাসকের বিরুদ্ধে লড়াইয়েই মৃত্যু হবে, এরপর সহযোদ্ধারা তাকে শায়িত করবেন ফুলে ঢাকা কোনো পাহাড়ে।

ভাইরাল গানের ভিডিওটি ইরানি শিল্পী বেহিন বোলোরি #bellaciao হ্যাশট্যাগে নিজের ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করেন। শিরোনামে প্রতিবাদে শামিল না হওয়া ইরানিদের প্রতি বিদ্রূপাত্মক ভাষায় তিনি লেখেন, ‘ইউ আর নট অ্যাওয়েক আনটিল টুমরো... (ভোর না হওয়া পর্যন্ত তোমরা জাগবে না)।’

ভিডিওতে কালো ব্যাকগ্রাউন্ডে ২৮ বছরের বেহিন বোলোরি ও ২১ বছরের বোন সামিন বোলোরিকে ফার্সি ভাষায় ‘বেলা চাও’ গানটি গাইতে দেখা যায়। সোমবার পর্যন্ত ৪২ লাখের বেশিবার দেখা হয়েছে ভিডিওটি। মন্তব্যে ইরানি নারীর পোশাকের পক্ষে অবস্থান জানিয়েছেন অসংখ্য মানুষ।

ইরানের রাশত শহরে বেহিন বোলোরির জন্ম ১৯৯৪ সালের ২৬ জুলাই। থিয়েটার কস্টিউম ডিজাইনে ডিগ্রিধারী বেহিন একজন পেশাদার পপ গায়িকা। পাঁচ বছর ধরে ছোট বোন সামিন বোলোরির সঙ্গে ডুয়েট গাইছেন তিনি।

নিউজবাংলার পাঠকের জন্য গানটির ইংরেজি সংস্করণের বাংলা অনুবাদ দেয়া হলো

একদিন ভোরে ঘুম ভেঙে দেখি,

ওহ বেলা চাও, বেলা চাও, বেলা চাও, চাও, চাও! (বিদায় হে সুন্দর)

একদিন ভোরে ঘুম ভেঙে দেখি

দখলবাজেরা আসছে ছুটে।

হে দেশপ্রেমী আমাকেও নিয়ে যাও,

ওহ বেলা চাও, বেলা চাও, বেলা চাও, চাও, চাও

হে দেশপ্রেমী আমাকেও নিয়ে যাও,

ওদিকে মৃত্যু আসছে ধেয়ে।

যদি মরে যাই দেশপ্রেমী হয়ে,

ওহ বেলা চাও, বেলা চাও, বেলা চাও, চাও, চাও

যদি মরে যাই দেশপ্রেমী হয়ে,

তবে তোমারি হাতে হবে আমার সমাধি।

আমাকে শুইয়ে দিও পাহাড়ে,

ওহ বেলা চাও, বেলা চাও, বেলা চাও, চাও, চাও

আমাকে শুইয়ে দিও পাহাড়ে,

দারুণ সুন্দর কোনো ফুলেল ছায়ায়।

পাশ দিয়ে যাওয়া পথিক তাকাবে,

ওহ বেলা চাও, বেলা চাও, বেলা চাও, চাও, চাও

পাশ দিয়ে যাওয়া পথিক তাকাবে,

বলবে, ‘কী দারুণ ফুল।‘

এই ফুল দেশপ্রেমিকের,

ওহ বেলা চাও, বেলা চাও, বেলা চাও, চাও, চাও

এই ফুল দেশপ্রেমিকের,

স্বাধীনতার জন্য যারা দিয়েছে প্রাণ।

আরও পড়ুন:
উত্তাল ইরানের এক শহর নিরাপত্তা বাহিনীর হাতছাড়া
ইরানে পোশাকের স্বাধীনতার বিক্ষোভে মৃত্যু বেড়ে ৫০
ইরানের রাস্তায় এবার হিজাবপন্থিরা
ইরানে পোশাকের স্বাধীনতার বিক্ষোভে মৃত বেড়ে ২৬
হিজাবে রাজি হননি সিএনএনের আমানপোর, ইরানি প্রেসিডেন্টের সাক্ষাৎকার বাতিল

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
What happened at Buffs press conference?

আসলে কী হয়েছিল বাফুফের সংবাদ সম্মেলনে

আসলে কী হয়েছিল বাফুফের সংবাদ সম্মেলনে সংবাদ সম্মেলনে সাফ চ্যাম্পিয়ন দলের অধিনায়ক সাবিনার দাঁড়িয়ে থাকার এ ছবিটি ভাইরাল হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত
বাফুফে কার্যালয়ে সাফ শিরোপাজয়ী নারী দলকে নিয়ে সংবাদ সম্মেলনের কিছু ছবি ও ভিডিও ঘিরে চলছে বিতর্ক। তবে ঘটনাস্থলে উপস্থিত বাফুফে কর্মকর্তা, সংবাদকর্মী, এমনকি জাতীয় নারী ফুটবল দলের অধিনায়ক সাবিনা খাতুন বলছেন, পুরো সংবাদ সম্মেলনের খণ্ডিত একটি অংশ প্রচার করে ছড়ানো হয়েছে বিভ্রান্তি।  

সাফ শিরোপাজয়ী নারী দলের ঢাকায় ফেরার পর বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনের কিছু ছবি ও ভিডিও ঘিরে তৈরি হয়েছে প্রবল বিতর্ক।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এসব ছবি ও ভিডিও ক্লিপে দেখা যায়, জাতীয় দলের অধিনায়ক ও হেড কোচকে পেছনে দাঁড় করিয়ে রেখে চেয়ারে বসে বক্তব্য দিচ্ছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী, বাফুফে সভাপতি, সিনিয়র সহ-সভাপতি। সংবাদ সম্মেলন কক্ষে খেলোয়াড়দের বসার কোনো ব্যবস্থা ছিল না বলেও প্রতিবেদন প্রচার করেছে কয়েকটি সংবাদ মাধ্যম।

বিষয়টি নিয়ে তীব্র ক্ষোভ জানাচ্ছেন ফুটবল সমর্থক ও সংগঠকরা। তাদের অভিযোগ জাতীয় তারকাদের প্রতি চরম অশ্রদ্ধা দেখানো হয়েছে বাফুফের সংবাদ সম্মেলনে।

তবে ঘটনাস্থলে উপস্থিত বাফুফে কর্মকর্তা, সংবাদকর্মী, এমনকি জাতীয় নারী ফুটবল দলের অধিনায়ক সাবিনা খাতুন বলছেন, পুরো সংবাদ সম্মেলনের খণ্ডিত একটি অংশ প্রচার করে ছড়ানো হয়েছে বিভ্রান্তি।

সাফ বিজয়ীরা বাফুফে কার্যালয়ে পৌঁছানোর পর থেকে সংবাদ সম্মেলন পুরোটা সময় ঘটনাস্থলে ছিলেন নিউজবাংলার প্রতিবেদক কাজী নাহিয়ান আরেফীন ও নাজিবুর রহমান নাঈম।

আসলে কী হয়েছিল বাফুফের সংবাদ সম্মেলনে
বাফুফের সংবাদ সম্মেলনে সভাপতি কাজী সালাউদ্দিনের সঙ্গে জাতীয় নারী দলের অধিনায়ক সাবিনা খাতুন ও সর্বডানে হেড কোচ গোলাম রাব্বানী ছোটন। ছবি: নিউজবাংলা

নেপাল থেকে সাফের শিরোপা নিয়ে বুধবার জাতীয় দল যখন বাফুফে ভবনে পৌঁছায় সময় তখন ঘড়ির কাঁটায় সাড়ে ৭টা। এরপর হয় আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলন। সংবাদ সম্মেলন কাভার করতে যাওয়া সাংবাদিকদের শুরুতেই পড়তে হয় বিড়ম্বনায়। ফুটবল সমর্থক ও ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীদের ভিড় ঠেকাতে হিমশিম খাওয়া বাফুফের নিরাপত্তা কর্মীরা সাংবাদিকদেরও নির্ধারিত কক্ষে ঢুকতে বাধা দেন।

শেষ পর্যন্ত ৮টা ৪০ মিনিটে সংবাদকর্মীরা প্রবেশ করেন সংবাদ সম্মেলন কক্ষে। দীর্ঘ শোভাযাত্রার ক্লান্তিজনিত কারণে এই কক্ষে সাফজয়ী দলের বেশিরভাগ সদস্যই ছিলেন অনুপস্থিত। বিশ্রাম নিতে তারা চলে যান ডরমেটরিতে। সংবাদ সম্মেলন কেন্দ্রে অধিনায়ক সাবিনা খাতুন এবং হেড কোচ গোলাম রাব্বানী ছোটনসহ উপস্থিত ছিলেন দলের তিন-চার জন সদস্য।

শুরুতে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. জাহিদ আহসান রাসেল, বাফুফে সভাপতি কাজী সালাউদ্দিনসহ ফেডারেশনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে সাফজয়ী দলের অধিনায়ক ও কোচ চেয়ারে বসেছিলেন। সেখানে বসেই বক্তব্য দেন দুজন। এরপর ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ও বাফুফে সভাপতি সাফের ট্রফি তুলে দেন সাবিনার হাতে।

এ সময় টেলিভিশন সাংবাদিকদের অনুরোধে সাবিনা ও রাব্বানী টেবিলের মাঝামাঝি এসে দাঁড়িয়ে কিছু কথা বলেন। পরে তারা পেছনে সরে একপাশে দাঁড়িয়েছিলেন। তখনকার ছবিই ছড়িয়ে পড়েছে ফেসবুকে।

সাবিনা ও রাব্বানী সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাব দেয়ার পর অনুষ্ঠানের অতিথি ও কর্মকর্তাও বক্তব্য দেন।

বুধবার রাতের সংবাদ সম্মেলনটি কাভার করেন প্রতিদিনের বাংলাদেশের সাংবাদিক জয়ন্ত সাহা জয়। তিনি ফেসবুকে এক স্ট্যাটাসে লিখেছেন (বানান ও ভাষারীতি অপরিবর্তিত), ‘বলা হচ্ছে কৃষ্ণা, সাবিনা ও সানজিদা বা মারিয়ারা সেখানে বসার জায়গা পাননি৷ বসতে পারেননি কোচ গোলাম রাব্বানী ছোটনও৷ আদতে ঘটনা ওইরকম নয়৷ সংবাদ সম্মেলনের পোর্ডিয়ামের ঠিক পাশে সোফায় বসে নোট নিয়েছি। আমার ঠিক সামনে বসেছিলেন ছোটন ভাই। কৃষ্ণা, সাবিনা, সিরাত ও মারিয়ারা এসেছিলেন৷ সাবিনা ও ছোটন ভাই বসেছিলেন চেয়ারে। বাকিরা বসতে চায়নি৷

‘বাফুফে ভবনের তিন তলায় কনফারেন্স রুমটা খুব ছোট। এসি চলে না৷ মারিয়া এসেই বললো, তার শ্বাসকষ্ট হচ্ছে। তাকে দ্রুত চলে যেতে বলি, কৃষ্ণাও চলে যায়৷ ওই ছোট রুমে আজ সব মিডিয়াকর্মীরা হুমড়ি খেয়ে পড়েছেন৷ সাবিনা ও ছোটন ভাইকে রিকোয়েস্ট করা হলো তারা যেন আসন ছেড়ে মাঝে এসে কথা বলেন। বেশ কয়েকটি টিভি চ্যানেলের ক্যামেরাপারসনরা বলেছেন, তাদের সুবিধা হয়। সাবিনা ও ছোটন ভাই তাই দাঁড়িয়ে কথা বলেছেন।’

অন্যদিকে, বাফুফের দাবি খেলোয়াড়দের প্রতি কোনো ধরনের অশ্রদ্ধা প্রদর্শন করা হয়নি। প্রয়োজন অনুযায়ী এবং সাংবাদিকদের অনুরোধে জায়গা বদল করেছেন খেলোয়াড় ও কোচ।

আসলে কী হয়েছিল বাফুফের সংবাদ সম্মেলনে
সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখছেন নারী দলের হেড কোচ গোলাম রাব্বানী ছোটন। ছবি: সংগৃহীত

বাফুফের সাধারণ সম্পাদক আবু নাঈম সোহাগ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমরা সবাই ছিলাম। পরিস্থিতি কী ছিল সেটা দেখেন। মন্ত্রী মহোদয় এসেছেন। তারা বসে ছিলেন। সাবিনাও বসা ছিল। সাবিনা সিট ছেড়ে হেড কোচকে জায়গা করে দিয়েছে সেটাও আপনাদের (সাংবাদিকদের) অনুরোধে। আপনারাই বলেছিলেন, হেড কোচ দূরে বসেছেন, তাকে এখানে নিয়ে আসলে ক্যামেরায় পেতে সুবিধা হবে। আপনাদের অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে তেমনটাই করা হয়েছে।

‘আমরাও বিষয়গুলো বুঝি যে, অনেক সময় অনেক কিছু হয়ে যায়। তবে আমি অনুরোধ করব আমরা যে একটা দারুণ একটা ফ্লো-র মধ্যে রয়েছি সেটা যেন ধারাবাহিকভাবে সম্পন্ন করতে পারি।’

বিষয়টি নিয়ে তুমুল বিতর্কের মধ্যেই বৃহস্পতিবার নিজের ফেসবুক পেজে সংবাদ সম্মেলনের একটি ভিডিও ক্লিপ শেয়ার করেছেন নারী দলের অধিনায়ক সাবিনা খাতুন।

এতে দেখা যাচ্ছে, সাবিনা ও হেড কোচ দুজনে চেয়ারে বসেই বক্তব্য দিচ্ছেন।

সাবিনা লিখেছেন, ‘বিষয়গুলোকে নেতিবাচক হিসেবে নেবেন না। এসব নেতিবাচক বিষয় সামনে এনে আমাদের জীবনের সবচেয়ে আনন্দের দিনটিকে নষ্ট করবেন না। সবাই ইতিবাচক হওয়ার চেষ্টা করি ও উপভোগ করি। আমার এটুকুই বলার ছিল। সবার প্রতি ভালোবাসা।’

আরও পড়ুন:
মনে হয় শেখ হাসিনা ক্যাপ্টেন ছিলেন: মান্না
খেলোয়াড়দের চুরি যাওয়া টাকা দেবে বাফুফে
তালাবদ্ধ অক্ষত লাগেজ দেয়া হয়েছে: বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ
রাশিয়ার বিরুদ্ধে সরাসরি যুদ্ধে ন্যাটো!  

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
In Iran Instagram photos are not available on WhatsApp

ইরানে বন্ধ ইনস্টাগ্রাম, ছবি যাচ্ছে না হোয়াটসঅ্যাপে

ইরানে বন্ধ ইনস্টাগ্রাম, ছবি যাচ্ছে না হোয়াটসঅ্যাপে ইনস্টাগ্রাম, হোয়াটসঅ্যাপের মতো সামাজিক যোগাযোগ নেটওয়ার্ক প্রায় বন্ধ আছে ইরানে। ছবি: সংগৃহীত
ইরানে নারীর পোশাকের স্বাধীনতার দাবিতে তুমুল আন্দোলনের মধ্যে দেশটিতে ইন্টারনেট সেবা বিঘ্নিত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। ইনস্টাগ্রাম কাজ করছে না। হোয়াটসঅ্যাপে পাঠানো যাচ্ছে না ছবি।

‘সঠিক নিয়মে’ হিজাব না পরার অভিযোগে গ্রেপ্তারের পর ২২ বছরের মাহসা আমিনির মৃত্যুর ঘটনায় ইরানে চলমান বিক্ষোভ সামাল দিতে ইনস্টাগ্রাম, হোয়াটসঅ্যাপের মতো সামাজিক যোগাযোগ নেটওয়ার্ক ব্লক করেছে দেশটির সরকার।

বৈশ্বিক ইন্টারনেট পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা নেটব্লক্সের বরাতে এমনটাই জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।

নেটব্লক্স বলছে, সোমবার থেকে পশ্চিম ইরানের কুর্দিস্তান প্রদেশের কিছু অংশে শুরুতে ইন্টারনেট সেবা প্রায় বিচ্ছিন্ন করে দেয়া হয়েছে। বিক্ষোভ শুরুর পর তেহরান ও অন্যান্য শহরেও ইন্টারনেট সেবায় বিঘ্ন ঘটছে।

তেহরান ও দক্ষিণ ইরানের বাসিন্দারা জানিয়েছেন, তারা হোয়াটসঅ্যাপে টেক্সট পাঠাতে পারলেও কোনো ছবি পাঠাতে পারছেন না। ইনস্টাগ্রাম সম্পূর্ণরূপে বন্ধ রয়েছে।

চলমান উত্তাল পরিস্থিতিতে ইরানে ইন্টারনেটের গতিও কমিয়ে দেয়ার খবর পাওয়া গেছে। একটি বড় মোবাইল ফোন অপারেটরের নেটওয়ার্ক ব্যাহত হওয়ার কারণে লাখ লাখ গ্রাহকের সংযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে।

ইন্টারনেট সেবা নিয়ে ইরানি কর্তৃপক্ষ এখনও কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। দেশটিতে ইন্টারনেটে হস্তক্ষেপ নতুন ঘটনা নয়। এর আগে ২০১৯ সালে সরকারবিরোধী বিক্ষোভের সময়েও প্রায় সপ্তাহখানেক ইন্টারনেট বন্ধ রাখে কর্তৃপক্ষ।

পুলিশি হেফাজতে মাহসা আমিনির মৃত্যুর পর নারীর পোশাকের স্বাধীনতার দাবিতে দেশটিতে প্রবল বিক্ষোভ চলছে। অনেক নারী এই বিক্ষোভে সমর্থন জানাতে হিজাব আগুনে পুড়িয়ে দেয়ার ছবি ইনস্টাগ্রামের মতো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করছিলেন।

আরও পড়ুন:
‘প্রয়োজনে মরব, তবু আগের ইরান ফিরিয়ে আনব’
হিজাবে অনিচ্ছুক নারীদের হয়রানি বন্ধ করুন: জাতিসংঘ
নারীর পোশাকের স্বাধীনতার দাবিতে উত্তাল ইরান, নিহত ৫
বিশ্ববিদ্যালয়ে বোরকাকে ফরমাল ড্রেস করার দাবি
ঢাবিতে এবার পোশাকের স্বাধীনতার পক্ষে অবস্থান

মন্তব্য

p
উপরে