× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

আন্তর্জাতিক
Mamata danced in tribal dance on Independence Day
hear-news
player
google_news print-icon

স্বাধীনতা দিবসে আদিবাসী নৃত্যে পা মিলিয়ে নাচলেন মমতা

স্বাধীনতা-দিবসে-আদিবাসী-নৃত্যে-পা-মিলিয়ে-নাচলেন-মমতা-
আদিবাসীদের সঙ্গে নাচের ছন্দে পা মেলান মমতাও। ছবি: সংগৃহীত
ভারতের স্বাধীনতা দিবস উদযাপনে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সকাল ১০ টা নাগাদ রেড রোডের মূল অনুষ্ঠান মঞ্চে পৌঁছে যান। সেখানে পুলিশ মেমোরিয়ালে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানোর পর জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন তিনি। আকাশ থেকে হেলিকপ্টারে ফুল বৃষ্টি করা হয়। এরপর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে গার্ড অফ অনার দেয়া হয়।

ভারতের স্বাধীনতার ৭৫ তম বার্ষিকীতে গোটা পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে বর্ণাঢ্য ১৫ আগস্ট উদযাপন চলছে। দিনটি উপলক্ষে রেড রোডে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়।

স্বাধীনতা দিবস উদযাপনের জন্য রেড রোডে তৈরি করা অনুষ্ঠান মঞ্চে সকাল ১০টায় পৌছান মমতা বন্দোপাধ্যায়। সেখানে পুলিশ মেমোরিয়ালে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানোর পর দেশের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন তিনি।

এ সময় আকাশ থেকে হেলিকপ্টারে ফুল বৃষ্টি দেয়া হয়। পরে মুখ্যমন্ত্রীকে গার্ড অফ অনার প্রদান করা হয়।

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সকাল ১০ টা নাগাদ রেড রোডের মূল অনুষ্ঠান মঞ্চে পৌঁছে যান । সেখানে পুলিশ মেমোরিয়ালে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানোর পর জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন তিনি। আকাশ থেকে হেলিকপ্টারে ফুল বৃষ্টি করা হয়। এরপর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে গার্ড অফ অনার দেয়া হয়।

স্বাধীনতা দিবস উদযাপনের মূল অনুষ্ঠান শুরু হলে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জঙ্গলমহলের আদিবাসী নৃত্যের সঙ্গে পা মিলিয়ে নৃত্যানুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করতে দেখা যায়। রাজ্যের মন্ত্রী বীরবাহা হাঁসদাও আদিবাসী নৃত্যের তালে পা মেলান।

অনুষ্ঠান মঞ্চে কলকাতার ভবানীপুর গার্লস, বালিগঞ্জ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, যোধপুর পার্ক বয়েজ, সুন্দরবন বালিকা বিদ্যানিকেতন, মহেশ্বরী গার্লসের মতো একাধিক স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীরা নৃত্যানুষ্ঠান পরিবেশন করেন।

দিনটি উপলক্ষে পুরো পশ্চিমবঙ্গের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। জায়গায় জায়গায় পুলিশি টহলদারির পাশাপাশি চলছে নাকা চেকিং। কলকাতাকে নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয়েছে। কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এমন পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন:
কে এই অর্পিতা
পশ্চিমবঙ্গে মন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ মডেলের ঘর থেকে ২০ কোটি রুপি জব্দ
পশ্চিমবঙ্গের নতুন রাজ্যপাল হিসেবে গণেশনের শপথ
চলন্ত বাইক আরোহীর ওপর চিতার হামলা
বিজেপি নেতা শুভেন্দুকে গ্রেপ্তারের দাবি তৃণমূলের

মন্তব্য

আরও পড়ুন

আন্তর্জাতিক
10th Bangladesh Book Fair started in Kolkata

কলকাতায় শুরু ১০ম বাংলাদেশ বইমেলা

কলকাতায় শুরু ১০ম বাংলাদেশ বইমেলা ফাইল ছবি
এবারের কলকাতার বাংলাদেশ বইমেলাটি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতির উদ্দেশে উৎসর্গ করা হয়েছে। মেলা প্রাঙ্গণে স্থাপন করা হয়েছে বঙ্গবন্ধু কর্নার।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কলকাতার কলেজ স্কয়ারে শুরু হলো ১০ম বাংলাদেশ বইমেলা।

শুক্রবার বিকেলে বাংলাদেশের প্রবাসী ছাত্র-ছাত্রীদের জাতীয় সংগীত পরিবেশনা এবং পশ্চিমবঙ্গের লোকনৃত্য রণপা পরিবেশনের মধ্য দিয়ে মেলার উদ্বোধন হয়।

প্রতিদিন দুপুর ১টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত মেলা উন্মুক্ত থাকবে। মেলা চলবে ১১ ডিসেম্বর পর্যন্ত।

বাংলাদেশ বইমেলার সূচনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু ও বাংলাদেশের শিক্ষাবিদ ও প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম। আরও উপস্থিত ছিলেন কলকাতার বাংলাদেশ উপদূতাবাসের উপ-হাই কমিশনার আন্দালিব ইলিয়াস।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ব্রাত্য বসু বলেন, বাংলাদেশ বইমেলার সূচনা মঞ্চ আজ দুই বাংলার মিলনস্থলে পরিণত হয়েছে। দুই বাংলাকে জুড়ে রেখেছে আমাদের শিল্প-সংস্কৃতি এবং অবশ্যই বই।যা কাঁটাতারের বেড়া দিয়ে আটকানো যাবে না।

বইমেলার স্টল ঘুরে দেখেন এবং প্রকাশক ও পাঠকদের সঙ্গে কথা বলেনদীপু মনি। তিনি বলেন, যেকোনো মেলাই আনন্দের। আর সেটা যদি বইমেলা হয় তা আরও আনন্দের। বইয়ের মতো ভালো বন্ধু হয় না।

তিনি বলেন, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নোবেল পুরস্কার জয় করে বাংলাকে বিশ্বের দরবারে তুলে ধরেছিলেন। আর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশ নামে একটি দেশ সৃষ্টি করে বাংলাকে আরও উচ্চতায় নিয়ে গেছেন। আমাদের দুই দেশের মধ্যে যে ভ্রাতৃত্বের বন্ধন দৃঢ় হয়েছে তা ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে হয়েছে। বাংলাদেশ বইমেলার মধ্য দিয়ে সেই আত্মীয়তার বন্ধন আরও দৃঢ় হবে এই আশা করি।

এবারের কলকাতার বাংলাদেশ বইমেলাটি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতির উদ্দেশে উৎসর্গ করা হয়েছে। মেলা প্রাঙ্গণে স্থাপন করা হয়েছে বঙ্গবন্ধু কর্নার।

বাংলাদেশের পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতির উদ্যোগে রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো বাংলাদেশের সহযোগিতায় কলকাতার বাংলাদেশ উপ দূতাবাসের ব্যবস্থাপনায় অনুষ্ঠিত ১০ দিনব্যাপী এই মেলায় ৭৭টি বইয়ের স্টলে বাংলাদেশের সৃজনশীল বিভিন্ন প্রকাশনা সংস্থার প্রকাশিত বইয়ের সম্ভার থাকছে।

প্রতিদিন সন্ধ্যায় মেলা মঞ্চে বিভিন্ন বিষয়ের ওপর সেমিনার, কবিতাপাঠ এবং পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের শিল্পীদের দ্বারা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা রয়েছে।

কলকাতার বাংলাদেশ বইমেলায় অংশ নিয়েছে প্রান্ত প্রকাশন। বিজ্ঞানভিত্তিক, কৃষিভিত্তিক এবং গবেষণামূলক বই প্রকাশ করে এই সংস্থা।

প্রান্ত প্রকাশনা সংস্থার কর্ণধার আমিনুর রহমান নিউজবাংলাকে বলেন, আমি আগেও কলকাতার বাংলাদেশ বইমেলায় অংশগ্রহণ করেছি। ভালো অভিজ্ঞতা রয়েছে।

উত্তর কলকাতার গৌরীবাড়ি থেকে বাংলাদেশ বইমেলায় এসেছেন সুমিতা সরকার। তিনি বলেন, খুবই ভালো লাগছে। এভাবে স্টলে ঘুরে ঘুরে বাংলাদেশের প্রিয় লেখক লেখিকাদের বই কিনতে পারছি, এটা দারুণ পাওয়া।

২০১১ সালে বাংলাদেশ বইমেলার যাত্রা শুরু হয়েছিল কলকাতার গগনেন্দ্র সংগ্রহশালায়। পর পর ৩ বছর সেখানে বইমেলা চলার পর সেটি রবীন্দ্র সদনের খোলা প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয়।

২০১৭ সালে রবীন্দ্র সদনের কাছে মোহরকুঞ্জে এই মেলা স্থানান্তরিত হয়। সেখানেও পর পর ৩ বছর বাংলাদেশ বইমেলা অনুষ্ঠিত হয়। গত দুবছর করোনা ভাইরাস সংক্রমণের কারণে কলকাতায় বাংলাদেশ বইমেলা করা সম্ভব হয়নি। এ বছর আবার কলকাতায় বাংলাদেশ বইমেলা হচ্ছে। তবে মোহরকুঞ্জের পরিবর্তে এবার কলকাতার কলেজ স্কয়ারে মেলা হচ্ছে।

আরও পড়ুন:
কলকাতা বইমেলা শুরু

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Wife killed by car to get insurance money

বীমার টাকার জন্য স্ত্রীকে খুন

বীমার টাকার জন্য স্ত্রীকে খুন মহেশ চাঁদ ও তার স্ত্রী শালু। ছবি: সংগৃহীত
ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের রাজস্থানে, গত ৫ অক্টোবর। সেদিন মহেশ চাঁদ তার স্ত্রী শালুকে হত্যার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করেন। পরিকল্পনা অনুযায়ী, শ্যালকের মোটরসাইলেকে শালুকে মন্দিরে পাঠান মহেশ। স্থানীয় সময় ভোর ৪টা ৪৫ মিনিটের দিকে শালুকে বহন করা মোটরসাইকেলটিকে চাপা দেয় একটি গাড়ি। এতে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় শালুর। গুরুতর আহত হন তার চাচাতো ভাই রাজু।

স্ত্রী মারা গেলেই পাবেন জীবন বীমার প্রায় আড়াই কোটি টাকা। এ লোভ সামলাতে না পেরে ভাড়াটে খুনী দিয়ে স্ত্রীকে গাড়িচাপা দিয়ে মেরে ফেললেন এক ব্যক্তি। পুলিশ বলছে, খুনি তার সহযোগীদের নিয়ে ওই নারীকে বহনকারী মোটরসাইকেলকে চাপা দেন।

ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের রাজস্থানে, গত ৫ অক্টোবর। সেদিন মহেশ চাঁদ তার স্ত্রী শালুকে হত্যার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করেন। পরিকল্পনা অনুযায়ী, শ্যালকের মোটরসাইলেকে শালুকে মন্দিরে পাঠান মহেশ। স্থানীয় সময় ভোর ৪টা ৪৫ মিনিটের দিকে শালুকে বহন করা মোটরসাইকেলটিকে চাপা দেয় একটি গাড়ি। এতে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় শালুর। গুরুতর আহত হন তার চাচাতো ভাই রাজু।

শুরুতে এটিকে সাধারণ দুর্ঘটনা হিসেবেই দেখছিল পুলিশ। তবে তদন্তে উঠে আসে ভয়াবহ তথ্য। পুলিশ জানতে পারে মহেশ বীমার টাকার জন্য তার স্ত্রীকে হত্যার পরিকল্পনা করেছিলেন।

রাজস্থানের ডেপুটি পুলিশ কমিশনার ভান্দিনা রানা বলেন, ‘লাইফ ইনস্যুরেন্স করেছিলেন শালু। সেখানে তার এক কোটি রুপি জমে। শানুর স্বাভাবিক মৃত্যু হলে প্রায় ১ কোটি (বাংলাদেশি মুদ্রায় এক কোটি ২৬ লাখ) এবং দুর্ঘটনায় মৃত্যু হলে ১ কোটি ৯০ লাখ রুপি (২ কোটি ৪০ লাখ) পাওয়ার কথা ছিল তার পরিবারের।’

এটি জানার পর মহেশ ভাড়াটে খুনি মুকেশ সিং রাথোরকে শালুকে হত্যার দায়িত্ব দেন। ১০ লাখ রুপিতে হয় চুক্তি। অগ্রিম সাড়ে পাঁচ লাখ রুপি নেন রাথোর।

পুলিশ জানায়, ২০১৫ সালে শালুর সঙ্গে মহেশের বিয়ে হয়। তাদের ঘরে একটি মেয়ে আছে। বিয়ের দুই বছর পরই তাদের মধ্যে বিরোধ শুরু হয়। এরপর থেকেই শালু তার বাবার বাড়িতে থাকতেন। ২০১৯ সালের শালু তার স্বামীর বিরুদ্ধে নির্যাতনের মামলাও করেছিলেন।

সম্প্রতি শালুর বীমার কথা জানতে পারেন মহেশ। একদিন তিনি শালুকে জানান, তার স্ত্রী ১১ দিন টানা মন্দিরে যাবে... এটা তার ইচ্ছা। আশ্বাস দেন, এমনটা করলে শালুকে ফিরিয়ে নেবেন তিনি। এরপর থেকেই চাচাতো ভাইকে নিয়ে মন্দিরে যাওয়া শুরু করেন শালু।

ঘটনার দিন শালুকে বহনকারী মোটরসাইকেলকে চাপা দেয় রাথোর ও তার সঙ্গীরা। এ সময় মহেশ আরেকটি মোটরসাইকেলে করে ঘটনাটি পর্যবেক্ষণ করছিলেন। সড়ক দুর্ঘটনার পর ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান মহেশ।

এ ঘটনায় রাথোর, সোনু এবং হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত গাড়ির মালিক রাকেশ সিংকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আরও দুই অভিযুক্ত পলাতক রয়েছে।

আরও পড়ুন:
২৯ বছর পর ৩ আসামির যাবজ্জীবন
সাবেক ছাত্রনেতা খায়রুল হত্যা মামলায় ৬ জনের যাবজ্জীবন
বড় ভাই খুন, অভিযোগ ছোট ভাইয়ের বিরুদ্ধে
গৃহবধূ হত্যার ১৬ বছর পর ৬ আসামির যাবজ্জীবন
আফতাবকে বহনকারী পুলিশ ভ্যানে তরবারি হামলা

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Indias media freedom is under question

ভারতে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা হুমকিতে!

ভারতে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা হুমকিতে! এনডিটিভির ২৯ দশমিক ১৮ শতাংশ শেয়ার কিনে নিয়েছেন গৌতম আদানি। ছবি কোলাজ: নিউজবাংলা
ইউটিউবে প্রচারিত একটি ভিডিও বার্তায় কুমার বলেন, ‘যারা সাংবাদিক হওয়ার জন্য লেখাপড়ার পেছনে লাখ লাখ টাকা খরচ করছেন, তারা দালালের কাজ করতে বাধ্য হবে। আর যারা বর্তমানে কাজ করছেন, তাদের ভুগতে হবে। কেউ কেউ এই পেশায় ক্লান্ত বোধ করছেন। আবার অনেকেই পেশা ছেড়ে দিচ্ছেন।’

এশিয়ার সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি গৌতম আদানির আদানি গ্রুপের নিয়ন্ত্রণে দেশটির শীর্ষ বেসরকারি গণমাধ্যম নিউ দিল্লি টেলিভিশন (এনডিটিভি)। আর এরপরই ‘ব়্যামন ম্যাগসাইসাই’ পুরস্কারজয়ী ভারতীয় সাংবাদিক রবীশ কুমার এনডিটিভি থেকে পদত্যাগ করেন। এর আগে, বুধবার এনডিটিভির প্রতিষ্ঠাতা অর্থনীতিবিদ প্রণয় রায় ও তার স্ত্রী রাধিকা রায় পরিচালক বোর্ড থেকে পদত্যাগ করেন।

আদানির লোকজন এখন বোর্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে। সুদীপ্ত ভট্টাচার্য, সঞ্জয় পুগলিয়া এবং সন্থিল সিন্নাইয়া চেঙ্গালভারায়ণকে এনডিটিভির পরিচালন বোর্ডে নিয়োগ দেয়া হয়েছে।

এনডিটিভির ২৯ দশমিক ১৮ শতাংশ শেয়ারের মালিক আদানির মিডিয়া নেটওয়ার্ক- এএমএনএল। এতদিন এই শেয়ারের মালিকানা ছিল প্রণয় রায় ও তার স্ত্রী রাধিকা রায়ের।

ধারণা করা হচ্ছে, শিগগিরই এনডিটিভির আরও ২৬ শতাংশ শেয়ার বাজার থেকে কিনে নেবেন আদানি। এতে চ্যানেলটির পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ চলে আসবে ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদি ‘ঘনিষ্ঠ’ আদানি।

রবীশ কুমার গত কয়েক দশক ধরে এনডিটিভির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। কি রিপোর্ট, প্রাইম টাইম, হাম লোগ, দেশ কি বাতের মতো জনপ্রিয় অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেছেন তিনি।

ভারতে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা হুমকিতে!
এনডিটিভির সাবেক সাংবাদিক রবীশ কুমার


কুমার তার শো চলাকালীন প্রায়ই হিন্দু-মুসলিম বিদ্বেষ ছড়ানোর অভিযোগে ক্ষমতাসীন বিজেপিকে অভিযুক্ত করতেন।

ইউটিউবে প্রচারিত একটি ভিডিও বার্তায় কুমার বলেন, ‘যারা সাংবাদিক হওয়ার জন্য লেখাপড়ার পেছনে লাখ লাখ টাকা খরচ করছেন, তারা দালালের কাজ করতে বাধ্য হবে। আর যারা বর্তমানে কাজ করছেন, তাদের ভুগতে হবে। কেউ কেউ এই পেশায় ক্লান্ত বোধ করছেন। আবার অনেকেই পেশা ছেড়ে দিচ্ছেন।’

রবীশ কুমারের পদত্যাগের পর টুইটারে লিখেছেন #RIPNDTV

১২ বছর এনডিটিভির সঙ্গে কাজ করেছেন রিভাতি লৌল। ২০০৯ সালে পদত্যাগ করেন তিনি। সম্প্রতি রিভাতি বলেন, ‘নির্বাচন বিশ্লেষণ, বাজেট বিশ্লেষণ এনডিটিভির মাধ্যমেই শুরু হয়েছিল।’

এনডিটিভির মতো আরেকটি সম্প্রচারমাধ্যম আর হবে না জানিয়ে লৌল আরও বলেন, ‘আমরা টেলিভিশন নিউজ রিপোর্টিংয়ের যুগ পেরিয়ে এসেছি। এখন সেখানে কেবল প্রোপাগান্ডা ছড়ায়।’

গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে কাজ করা সংস্থা-দ্য ফ্রি স্পিচের সহপ্রতিষ্ঠাতা গীতা সেশু বলেন, ‘কুমার এবং রায়দের পদত্যাগগুলো ইঙ্গিত দেয় যে কীভাবে ভারতের স্বাধীন মতামতের জায়গা আরও সঙ্কুচিত হচ্ছে। গণতান্ত্রিক একটি দেশের জন্য একটি উদ্বেগের।’

প্যারসভিত্তিক পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা রিপোর্টার্স উইথআউট বর্ডারের প্রতিবেদনে বলা হয়, মুক্তগণমাধ্যম সূচকে বিশ্বের ১৮০টি দেশের মধ্যে ভারতের অবস্থান ১৫০।

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
From the wedding ceremony to the polling station

বিয়ের আসর থেকে ভোটকেন্দ্রে

বিয়ের আসর থেকে ভোটকেন্দ্রে ভোটকেন্দ্রে নবদম্পতি। ছবি: সংগৃহীত
গণতন্ত্রে বিশ্বাসী এই দম্পতি হলেন কবিতা ও বৈভব। তারা কুচ জেলার ভুজ আসনের একটি কেন্দ্রে ভোট দিয়েছেন। 

ভারতে বিয়ের আসর থেকে সরাসরি ভোটকেন্দ্রে ছুটে গেলেন এক নবদম্পতি। বিয়ের পোশাকে তাদের ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত হওয়ার দৃশ্য নেট দুনিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। রাজস্থানের বিধানসভা নির্বাচনে ঘটেছে এই ঘটনা।

‘গণতন্ত্রে’ বিশ্বাসী এই দম্পতি হলেন কবিতা ও বৈভব। তারা কুচ জেলার ভুজ আসনের একটি কেন্দ্রে ভোট দিয়েছেন।

ভাইরাল ছবিতে দেখা যায়, ব্লাউজের ওপর জরির কাজসহ লেহেঙ্গা পরে আছেন নববধূ কবিতা। গলায় ঝুলছে বিয়ের মালা। পাশে শেরওয়ানিতে দেখা যায় বৈভবকে।

২০১৭ সালেও এমন ঘটনার সাক্ষী হয়েছিল ভারত। গুজরাটের বিধানসভা নির্বাচনে ভোট দিতে হলুদের অনুষ্ঠান থেকে সরাসরি ভোটকেন্দ্রে হাজির হন এক কনে। ফেনি পারেখে নামের ওই কনে সুরাটের কাতারগামের একটি কেন্দ্রে ভোট দেন।

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
An easy test for Modi is the Gujarat assembly elections

গুজরাটে মোদির সহজ জয়ের আভাস

গুজরাটে মোদির সহজ জয়ের আভাস  গুজরাটের বিধানসভা নির্বাচনে লাইনে দাঁড়িয়ে ভোটাররা। ছবি: সংগৃহীত
নির্বাচনি জরিপ বলছে, বিজেপি এবার ১৩১-১৩৯ আসন পেতে পারে। যেখানে কংগ্রেস পেতে পারে ৩১-৩৯ আসন। আর এএপির পক্ষে যেতে পারে ১৫ আসন।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নিজ রাজ্য গুজরাটের বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফার ভোট শেষ হয়েছে। প্রথম ধাপে বৃহস্পতিবার বিধানসভার ১৮২ আসনের মধ্যে ৮৯টিতে ভোট গ্রহণ করা হয়। ৫ ডিসেম্বর গুজরাটের দ্বিতীয় দফার ভোট হবে। ফল প্রকাশিত হবে ৮ ডিসেম্বর।

জরিপ বলছে, মোদির নেতৃত্বাধীন হিন্দু জাতীয়তাবাদী দল ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) গুজরাটে টানা সপ্তমবারের মতো জয় পেতে যাচ্ছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, নির্বাচনে অপ্রত্যাশিত কিছু ঘটে গেলে তা ২০২৪ সালের জাতীয় নির্বাচনে শক্ত প্রভাব ফেলতে পারে।

গুজরাটে ১৯৯৫ সাল থেকে ক্ষমতায় বিজেপি। ২০১৪ সালের জাতীয় নির্বাচনে কংগ্রেসকে হারিয়ে মোদি ভারতের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার আগপর্যন্ত প্রায় ১৩ বছর এ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন। ২০০২ সালে গুজরাটে ভয়াবহ দাঙ্গা হয়। ওই দাঙ্গায় হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়। দাঙ্গার জন্য রাজ্য প্রশাসনের বিরুদ্ধে ব্যাপক অভিযোগ আছে।

গুজরাট নির্বাচনে বিজেপি-কংগ্রেসের সঙ্গে এবার লড়াইয়ে রয়েছে আম আদমি পার্টি (এএপি)। ২০১৭ সালের গুজরাটের বিধানসভা নির্বাচনে ৯৯ আসন পায় বিজেপি। অন্যদিকে কংগ্রেস পেয়েছিল ৭৭ আসনে জয়।

নির্বাচনি জরিপ বলছে, বিজেপি এবার ১৩১-১৩৯ আসন পেতে পারে। যেখানে কংগ্রেস পেতে পারে ৩১-৩৯ আসন। আর এএপির পক্ষে যেতে পারে ১৫ আসন।

মুদ্রাস্ফীতি এবং বেকারত্বের হার বাড়তে থাকলেও, ভারতের অনেক জায়গায় মোদি বেশ জনপ্রিয়। তার দল বিজেপি হিমাচলের বিধানসভা নির্বাচনেও জয়ের প্রত্যাশা করছে। ৮ ডিসেম্বর হিমাচল বিধানসভার ফল প্রকাশ হবে।

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Calcutta Book Fair starts on January 30

কলকাতা বইমেলা শুরু ৩০ জানুয়ারি

কলকাতা বইমেলা শুরু ৩০ জানুয়ারি পাঁচতারকা হোটেলে বুধবার সংবাদ সম্মেলন করে পাবলিশার্স অ্যান্ড বুক সেলার্স গিল্ডের পক্ষে সম্পাদক ত্রিদিব চট্টোপাধ্যায় এবং সভাপতি সুধাংশু শেখর দে বইমেলার সূচি ঘোষণা করেন। ছবি: নিউজবাংলা
গিল্ডের পক্ষে সম্পাদক ত্রিদিব চট্টোপাধ্যায় বলেন, ‘২০২২ সালে সল্টলেকের করুণাময়ীর সেন্ট্রাল পার্কে অনুষ্ঠিত কলকাতা বইমেলায় প্রায় ২২ লাখ বইপ্রেমী অংশ নিয়েছিলেন। মেলার বিভিন্ন স্টল থেকে প্রায় ২৩ কোটি টাকার বই বিক্রি হয়েছিল। এবার আরও বেশি সাড়া পাব বলে আশা করছি।’ 

২০২৩ সালের ৩০ জানুয়ারি থেকে শুরু হচ্ছে ৪৬তম আন্তর্জাতিক কলকাতা বইমেলা। মেলা চলবে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। এবার কলকাতা বইমেলার থিম ‘কান্ট্রি স্পেন’। প্রতিবছরের মতো মেলা উদ্বোধন করবেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

কলকাতার একটি পাঁচতারকা হোটেলে বুধবার সংবাদ সম্মেলন করে পাবলিশার্স অ্যান্ড বুক সেলার্স গিল্ডের পক্ষে সম্পাদক ত্রিদিব চট্টোপাধ্যায় এবং সভাপতি সুধাংশু শেখর দে বইমেলার সূচি ঘোষণা করেন। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ভারতে নিযুক্ত স্পেনের রাষ্ট্রদূত যোসে মারিয়া রিদাও দোমিনিগেজ।

স্পেন ছাড়াও ফ্রান্স, জার্মানি, রাশিয়া, বাংলাদেশ এবং যুক্তরাষ্ট্রের মতো দেশ এবারের বইমেলায় তাদের বইয়ের সম্ভার নিয়ে উপস্থিত থাকবেন বলে জানিয়েছে গিল্ড কর্তৃপক্ষ।

২০০৬ সালেও স্পেনকে কলকাতা বইমেলার থিম কান্ট্রি হিসেবে বেছে নেয়া হয়েছিল। ফের বইমেলার থিম কান্ট্রি হিসেবে মনোনীত হওয়ায় উচ্ছ্বসিত স্পেনের রাষ্ট্রদূত যোসে মারিয়া রিদাও দোমিনিগেজ।

তিনি বলেন, ‘বইমেলায় স্পেনের এই অংশগ্রহণের ফলে দুই দেশের সাংস্কৃতিক বন্ধন আরও দৃঢ় হবে বলে আমরা বিশ্বাস করি।

‘থিম কান্ট্রি হিসেবে কলকাতা বইমেলায় স্পেনের যে প্যাভিলিয়ন হবে, তা সম্পূর্ণ ভারতীয় উপকরণ তৈরি হবে।’

কলকাতা বইমেলার অন্যতম আকর্ষণ লিটারেচার ফেস্টিভ্যাল চলবে ৯ থেকে ১১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।

গিল্ডের পক্ষে সম্পাদক ত্রিদিব চট্টোপাধ্যায় বলেন, ‘২০২২ সালে সল্টলেকের করুণাময়ীর সেন্ট্রাল পার্কে অনুষ্ঠিত কলকাতা বইমেলায় প্রায় ২২ লাখ বইপ্রেমী অংশ নিয়েছিলেন। মেলার বিভিন্ন স্টল থেকে প্রায় ২৩ কোটি টাকার বই বিক্রি হয়েছিল। এবার আরও বেশি সাড়া পাব বলে আশা করছি।’

আরও পড়ুন:
হেমন্তে কলকাতায় শীতের আমেজ
কলকাতায় শুরু চতুর্থ বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উৎসব
‘হাওয়া’ দেখতে দীর্ঘ লাইন কলকাতায়  
কলকাতায় আমরণ অনশনে চাকরিপ্রার্থীরা
ডেঙ্গু বাড়ছে কলকাতাতেও

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
The hanging body of Chittagongs top terrorist is in Kolkata

চট্টগ্রামের ‘শীর্ষ সন্ত্রাসীর’ ঝুলন্ত দেহ কলকাতায়

চট্টগ্রামের ‘শীর্ষ সন্ত্রাসীর’ ঝুলন্ত দেহ কলকাতায় নূরনবী ওরফে ম্যাক্সন ওরফে তমাল চৌধুরী। ফাইল ছবি
পুলিশ বলছে, মঙ্গলবার রাতে বাড়িতে ফিরে অর্পিতা সদর দরজা বন্ধ পান। অনেকক্ষণ ডাকাডাকি করেও সাড়া না মেলায় প্রতিবেশীদের ডাকেন তিনি। তাদের সাহায্য নিয়ে দরজা ভেঙে ঘরে ঢুকে তমাল চৌধুরী ওরফে ম্যাক্সনের ঝুলন্ত দেহ দেখতে পান তারা।

চট্টগ্রামের শীর্ষ সন্ত্রাসী শিবির ক্যাডার মুহাম্মদ নূরনবী ওরফে ম্যাক্সন ওরফে তমাল চৌধুরীর মরদেহ উদ্ধার হয়েছে দক্ষিণ কলকাতার হরিদেবপুরের একটি বাড়ি থেকে।

পুলিশ জানায়, জামিনে থাকা ম্যাক্সন ওরফে তমাল চৌধুরী ও তার প্রেমিকা অর্পিতা হরিদেবপুরের একটি বাড়িতে একসঙ্গে থাকতেন।

অর্পিতার বরাতে পুলিশ বলছে, মঙ্গলবার রাতে বাড়িতে ফিরে অর্পিতা সদর দরজা বন্ধ পান। অনেকক্ষণ ডাকাডাকি করেও সাড়া না মেলায় প্রতিবেশীদের ডাকেন তিনি। তাদের সাহায্য নিয়ে দরজা ভেঙে ঘরে ঢুকে নূরনবী ওরফে তমাল চৌধুরী ওরফে ম্যাক্সনের ঝুলন্ত দেহ দেখতে পান তারা।

পরে মরদেহ কলকাতার এম আর বাঙুর হাসপাতালে পাঠায় পুলিশ।

বাঙুর হাসপাতালে সুপার শিশির অধিকারী বলেন, ‘তমাল চৌধুরী নামে একজনের মরদেহ খাতায় নথিভুক্ত করা হয়েছে। কীভাবে মৃত্যু হয়েছে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন না পেলে বলা যাবে না।’

বাংলাদেশের গোপন খবরের ভিত্তিতে ভারতে আত্মগোপন করে থাকা সন্ত্রাসী নূরনবীকে (ম্যাক্সন) উত্তর চব্বিশ পরগনার ডানলপ এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছিল পশ্চিমবঙ্গের গোয়েন্দা সংস্থা- সিআইডি।

মধ্যমগ্রাম এলাকায় ভুয়া পরিচয়ে বাড়ি ভাড়া নিয়ে থাকছিলেন তিনি। তার বিরুদ্ধে একাধিক খুন, চুরির অভিযোগে বহু মামলা রয়েছে।

ম্যাক্সনকে উত্তর চব্বিশ পরগনার ব্যারাকপুর আদালতে তুলে ১০ দিনের জন্য সে সময় নিজেদের হেফাজতে নিয়েছিল সিআইডি। পরে তাকে জেল হেফাজতে পাঠানো হয়। একপর্যায়ে উপযুক্ত নথির অভাবে ম্যাক্সনকে জামিন দেয় আদালত। এরপর থেকে ম্যাক্সন তার প্রেমিকা অর্পিতার সঙ্গে হরিদেবপুরে থাকছিলেন।

আরও পড়ুন:
‘বিসিএস ক্যাডার’ কনস্টেবল কর্মস্থলে অনুপস্থিত এক বছর
শিবিরের পোস্টার লাগানোর সময় দুজনকে পুলিশে দিল ছাত্রলীগ
শিক্ষা ক্যাডারে সাড়ে ১২ হাজার পদ সৃষ্টির উদ্যোগ
ফরিদপুরে ‘ভাগনে জুয়েল’ হেরোইনসহ গ্রেপ্তার
জেলায় জেলায় শিবিরের শোডাউন

মন্তব্য

p
উপরে