× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

আন্তর্জাতিক
The search of secret documents from Trumps house is on specific charges
hear-news
player
google_news print-icon

ট্রাম্পের বাসা থেকে গোপন নথি উদ্ধার, তল্লাশি ‘নির্দিষ্ট অভিযোগে’

ট্রাম্পের-বাসা-থেকে-গোপন-নথি-উদ্ধার-তল্লাশি-নির্দিষ্ট-অভিযোগে
ডনাল্ড ট্রাম্প
ট্রাম্পের বাসায় যে পরোয়ানায় তল্লাশি, তাতে মূলত তিনটি অভিযোগ। এর মধ্যে একটি হলো গুপ্তচরবৃত্তি আইন লঙ্ঘন। এই আইনে জাতীয় নিরাপত্তার ক্ষতি করতে পারে- এমন তথ্য প্রকাশ করাকে গুরুতর অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের বাসায় তল্লাশি চালিয়ে অতি গোপনীয়সহ মোট ১১টি নথি উদ্ধার করেছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা (এফবিআই)। আর এই অভিযান চালানো হয়েছে গুপ্তচরবৃত্তি আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে।

গত মঙ্গলবার ফ্লোরিডায় ট্রাম্পের মার-এ-লাগো এস্টেটে চালানো ওই অভিযান নিয়ে শুক্রবার এফবিআই এ তথ্য জানিয়েছে বলে রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

দেশটির বিচারিক আদালতের দেয়া পরোয়ানায় ট্রাম্পের বাসায় অভিযান চালানো হয়। পরোয়ানায় আসলে কী আছে, তা নিয়ে এখনও বিস্তারিত জানা যায়নি।

তবে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো পরোয়ানার কপি পেয়েছে জানিয়ে প্রতিবেদনে প্রকাশ করছে। এতেই উঠে এসেছে নানা ঘটনা। সাবেক প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প অবশ্য বলছেন, যা চলছে তা রাজনৈতিক।

ট্রাম্পের বাসায় যে পরোয়ানায় তল্লাশি, তাতে মূলত তিনটি অভিযোগ। এর মধ্যে একটি হলো গুপ্তচরবৃত্তি আইন লঙ্ঘন। এই আইনে জাতীয় নিরাপত্তার ক্ষতি করতে পারে- এমন তথ্য প্রকাশ করাকে গুরুতর অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়।

ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল বলছে, উদ্ধার হওয়া নথিগুলো কয়েকটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে। একটি তালিকা ‘টিএস/এসসিআই’ বা অতি গোপন/সংবেদনশীল তথ্যের জন্য সংরক্ষিত। এ নথির তালিকায় ‘অতি গোপন নথির চার সেট’, ‘গোপন নথির তিনটি সেট’ এবং ‘গোপনীয়’ নথির তিনটি সেট করা হয়েছে।

এফবিআইয়ের উদ্ধার করা জিনিসের মধ্যে ২০টি বাক্স, ফটো বাইন্ডার, ‘ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট’ সম্পর্কে লেখা এবং ট্রাম্পের দীর্ঘদিনের মিত্র রাজনৈতিক পরামর্শদাতা রজার স্টোনের পক্ষে লেখা একটি চিঠি উদ্ধার করা হয়েছে।

এসব ঘটনার প্রেক্ষাপটে ট্রাম্প তার ট্রুথ সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে এক বিবৃতিতে বলেছেন, উদ্ধার হওয়া সব কিছু ‘শ্রেণিবদ্ধ’ এবং ‘নিরাপদে’ সংরক্ষণ করা হয়েছিল।

তিনি বলেন, এসব জিনিস জব্দ করার কিছু নেই। রাজনৈতিক নাটক না করে, বাসায় না তল্লাশি চালিয়েও এগুলো তারা নিতে পারতেন।

এফবিআই এজেন্টরা গত মঙ্গলবার ফ্লোরিডায় ট্রাম্পের মার-এ-লাগো এস্টেটে অভিযান চালায়। এরপর ট্রাম্পের অসংখ্য আইনি জটিলতাগুলো আবার লাইমলাইটে চলে আসে।

এফবিআইয়ের দাবি, ২০২১ সালে হোয়াইট হাউস ছাড়ার সময় গোপনীয় কিছু তথ্য সঙ্গে করে নিয়ে গিয়েছিলেন ট্রাম্প।

পর্যবেক্ষকরা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ সাবেক প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে ফৌজদারি অভিযোগের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে, এমন ধারণাই এখন স্পষ্ট।

এর আগে ট্রাম্পের ছেলে ডনাল্ড জুনিয়র এবং ইভাঙ্কাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল।

নানা নাটকীয়তার পর গত বছরের ২০ জানুয়ারি ক্ষমতা ছাড়েন ট্রাম্প। ২০২৪ সালে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে তিনি আবার লড়বেন বলে আলোচনা চলছে।

এরই মধ্যে সাবেক এই প্রেসিডেন্টের বাসভবনে এফবিআইয়ের অভিযান ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে ঝড় উঠেছে। রিপাবলিকান পার্টির শীর্ষ নেতারা বিচার বিভাগ ও এফবিআইয়ের কঠোর নিন্দা করেছেন।

আরও পড়ুন:
ট্রাম্পকে পুড়িয়ে ছেলেসহ অবকাশে বাইডেন
তদন্তকারীদের কাছে মুখ খোলেননি ট্রাম্প

মন্তব্য

আরও পড়ুন

আন্তর্জাতিক
Brazils presidential election votes in second round

ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ভোট দ্বিতীয় দফায়

ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ভোট দ্বিতীয় দফায় ব্রাজিলে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন। ছবি: রয়টার্স
স্থানীয় সময় রোববার অনুষ্ঠিত দেশটির ৩৯তম প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে সাবেক প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভা পেয়েছেন ৪৮ শতাংশ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বর্তমান প্রেসিডেন্ট জাইর বলসোনারো পেয়েছেন ৪৩ শতাংশ ভোট।

ব্রাজিলে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে কোনো প্রার্থী নির্ধারিত ৫০ শতাংশ ভোট না পাওয়ায় ভোটগ্রহণ দ্বিতীয় দফায় গড়িয়েছে।

স্থানীয় সময় রোববার অনুষ্ঠিত দেশটির ৩৯তম প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে সাবেক প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভা পেয়েছেন ৪৮ শতাংশ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বর্তমান প্রেসিডেন্ট জাইর বলসোনারো পেয়েছেন ৪৩ শতাংশ ভোট।

নির্ধারিত ৫০ শতাংশ ভোট পাওয়া থেকে ২ শতাংশ পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় দফা ভোট ঠেকাতে পারেননি সাবেক প্রেসিডেন্ট ও বামপন্থি এই নেতা।

দেশটির পরবর্তী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ভোটারদের হাতে সময় রয়েছে চার সপ্তাহ।

দেশটিতে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রথম ধাপেই জয়ের রেকর্ড রয়েছে ২৪ বছর আগের। এর পরের সব নির্বাচন দ্বিতীয় ধাপে গড়িয়েছে।

যদিও নির্বাচনের আগে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বী এই দুই প্রার্থীই প্রথম ধাপের নির্বাচনেই জয়ের আশ্বাস দিয়েছিলেন সমর্থকদের।

এর আগে ২০১৮ সালের নির্বাচনে অংশ নিতে পারেননি। এবার সব বুথফেরত জরিপে এগিয়ে লুলা দা সিলভা। দুর্নীতির মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হয়ে কারাগারে ছিলেন তিনি।

এদিকে নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ এনেছেন বর্তমান প্রেসিডেন্ট বলসোনারো।

স্থানীয় সময় রোববার সকাল ৮টায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে শেষ হয় বিকেল ৫টায়। লাতিন আমেরিকার বৃহত্তম এই দেশটিতে মোট ভোটার সংখ্যা সাড়ে ১৫ কোটির বেশি।

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Hundreds of migrants in front of the residence of Kamala Harris

কমলা হ্যারিসের বাসভবনের সামনে শতাধিক অভিবাসী

কমলা হ্যারিসের বাসভবনের সামনে শতাধিক অভিবাসী অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো সীমান্ত পাড়ি দিয়ে টেক্সাসে আসা দুই শতাধিক অভিবাসনপ্রত্যাশীকে রাজ্যের গর্ভনর রিপাবলিকার নেতা গ্রেগ অ্যাবোটের নির্দেশে দুটি বাসে করে ভাইস প্রেসিডেন্টের বাসভবনের সামনে পাঠানো হয়। ছবি: রয়টার্স
রিপাবলিকান নেতা গ্রেগ অ্যাবোট বলেন, ‘অবৈধ অভিবাসী নিয়ন্ত্রণে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ও তার নিযুক্ত সীমান্ত সম্রাট (বর্ডার জার) কমলা হ্যারিসকে ব্যর্থতার দায় নিয়ে পদত্যাগ না করা পর্যন্ত এমনভাবে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের বাসে করে ওয়াশিংটনসহ বিভিন্ন সুরক্ষিত শহরে পাঠানো অব্যাহত থাকবে।’

যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিসের ওয়াশিংটন ডিসির বাসভবনের সামনে দুই শতাধিক অভিবাসনপ্রত্যাশীকে জড়ো করা হয়েছে।

অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো সীমান্ত পাড়ি দিয়ে টেক্সাসে আসা এই অভিবাসনপ্রত্যাশীকে রাজ্যের গর্ভনর রিপাবলিকার নেতা গ্রেগ অ্যাবোটের নির্দেশে দুটি বাসে করে ভাইস প্রেসিডেন্টের বাসভবনের সামনে পাঠানো হয়। রিপাবলিকান এই নেতা হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, অভিবাসন সমস্যা সমাধান না হওয়া পর্যন্ত এমনভাবে অভিবাসীদের পাঠানো অব্যাহত থাকবে।

অবৈধ অভিবাসন ইস্যুতে বেকায়দায় থাকা ডেমোক্রেট প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ও ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিসের সরকারকে এক হাত নিতে এসব করেছেন রিপাবলিকান এই নেতা, এমন দাবি বাইডেন-কমলা সরকার সমর্থক অনেকের।

ডেমোক্রেটরা অভিযোগ করেছেন, রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিলের জন্যে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের দাবার গুটি হিসেবে ব্যবহার করছেন রিপাবলিকানরা।

স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার রিপাবলিকান নেতা গ্রেগ অ্যাবোট এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, কলম্বিয়া, কিউবা, নিকারাগুয়া, পানামা ও ভেনেজুয়েলা থেকে অবৈধভাবে টেক্সাস সীমান্ত দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে ঢুকে যাওয়া শতাধিক অভিবাসীকে দুটি বাসে করে কমলা হ্যারিসের বাসায় পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ‘অবৈধ অভিবাসী নিয়ন্ত্রণে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ও তার নিযুক্ত সীমান্ত সম্রাট (বর্ডার জার) কমলা হ্যারিসকে ব্যর্থতার দায় নিয়ে পদত্যাগ না করা পর্যন্ত এমনভাবে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের বাসে করে ওয়াশিংটনসহ বিভিন্ন সুরক্ষিত শহরে পাঠানো অব্যাহত থাকবে।’

বাসে করে টেক্সাস থেকে ওয়াশিংটন ডিসিতে পৌঁছাতে তাদের ৩০ ঘণ্টার বেশি সময় লেগেছে। দীর্ঘ এই যাত্রায় ডায়াবেটিকস আক্রান্ত নারীসহ একটি শিশু অসুস্থ হয়ে পড়ে। বিভিন্ন স্বেচ্চাসেবী সংগঠনের কর্মীরা তাদেরকে দ্রুত একটি হাসপাতালে ভর্তি করান। অন্য অভিবাসীদের বাসভবনের সামনে থেকে সরিয়ে পাশের একটি গির্জায় নেয়া হয়। সেখানে তাদের জন্যে খাবার ও চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

মানবাধিকারকর্মী জৌ ক্যাস্ট্রো জানিয়েছেন, এসব অভিবাসনপ্রত্যাশীদের শিগগিরই অন্য একটি স্থানে সরিয়ে নেয়া হবে।

এই ত্রাণকর্মী আরও জানান, ‘নিজ দেশে সহিংসতার শিকার হয়ে যুক্তরাষ্ট্রে আশ্রয় নিতে আসা অভিবাসনপ্রত্যাশীদের অমানবিকভাবে এই দীর্ঘ বাস যাত্রা সহ্য করতে হয়েছে। এটি অমানবিক ও তাদের সঙ্গে ঘৃণিত আচরণ করা হয়েছে।

চলতি বছর এপ্রিল থেকে রিপাবলিকান নেতা গ্রেগ একইভাবে বাসে করে অভিবাসীদের ডেমোক্রেট গভর্নরশাসিত ওয়াশিংটন ডিসি, নিউইয়র্ক ও শিকাগোতে পাঠিয়েছেন। রাজনৈতিক কৌশলের অংশ হিসেবে জো বাইডেন প্রশাসনকে চাপে রাখতে এমনটি করছেন তিনি।

তবে তার দাবি, বাইডেন-কমলার ব্যর্থ অভিবাসন নীতির কারণে অভিবাসীরা সীমান্ত পাড়ি দিতে উৎসাহিত হচ্ছে।

আরও পড়ুন:
আধুনিক দাসত্ব: সবচেয়ে ভয়াবহ আরবে, পরে ইউরোপ
ছয় গুণ অভিবাসী নেবে অস্ট্রেলিয়া
১৯৯৬ সালের পর সর্বনিম্ন যুক্তরাষ্ট্রের গড় আয়ু
যুক্তরাষ্ট্রে গুলিবিদ্ধ ৩ ডাচ সেনার ১ জনের মৃত্যু

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Musk has no option not to buy Twitter

টুইটার না কেনার ‘সুযোগ নেই’ মাস্কের

টুইটার না কেনার ‘সুযোগ নেই’ মাস্কের
গত এপ্রিলে বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি ইলন মাস্কের কাছে কোম্পানিটি বিক্রি করতে সম্মত হয় টুইটার। তবে টুইটারের কিছু কার্যক্রম নিয়ে ধোঁয়াশা সৃষ্টি হলে চুক্তিটি ভেস্তে যাওয়ার উপক্রম হয়।

জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টুইটার কেনার পথে আরও এক ধাপ এগিয়ে গেছেন আমেরিকান ধনকুবের ইলন মাস্ক। টুইটারের শেয়ারহোল্ডাররা ৪৪ বিলিয়ন ডলারে মাস্কের কাছে প্ল্যাটফর্মটি বিক্রি করতে একটি চুক্তি অনুমোদনের পক্ষে ভোট দিয়েছেন

প্রতিষ্ঠানটির সান ফ্রান্সিসকো সদর দপ্তর থেকে বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে সংক্ষিপ্ত এক সম্মেলনে মঙ্গলবার এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এতে টুইটার আদালতে ইলন মাস্ককে কোম্পানিটি কিনতে বাধ্য করার চেষ্টা করবে।

যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটের সামনে টুইটারের সাবেক নিরাপত্তাপ্রধান পিটার জাটকোর ‘চাঞ্চল্যকর সাক্ষের’ পর পরই বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।

টুইটার না কেনার ‘সুযোগ নেই’ মাস্কের
টুইটারের সাবেক নিরাপত্তাপ্রধান পিটার জাটকো। ছবি: সংগৃহীত

গত এপ্রিলে বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি ইলন মাস্কের কাছে কোম্পানিটি বিক্রি করতে সম্মত হয় টুইটার। তবে টুইটারের কিছু কার্যক্রম নিয়ে ধোঁয়াশা সৃষ্টি হলে চুক্তিটি ভেস্তে যাওয়ার উপক্রম হয়।

মাস্ক জানিয়েছিলেন, মে মাসে টুইটার কিনতে চান না তিনি। তবে টুইটার সে সময় যুক্তি দিয়েছিল যে মাস্কের এখন চুক্তি থেকে সরে আসার সুযোগ নেই।

টুইটারের বর্তমান দাম ৩২ বিলিয়ন ডলার। মাস্ক সেটিকে ১২ বিলিয়ন ডলার বেশি দিয়ে কেনার প্রস্তাব দিয়েছেন।

মঙ্গলবারের ভোট টুইটারের আইনি জটিলতার অবসান ঘটাতে পারত। তবে শেয়ারহোল্ডাররা বেছে নিয়েছেন অন্য পথ। তাদের এই সিদ্ধান্তের ফলে টুইটার এখন ইলন মাস্কের আদালত পর্যন্ত টেনে নিতে পারবে।

আগামী মাসে ডেলাওয়ার রাজ্য আদালতে মাস্ক ও জাটকোর দেখা হওয়ার কথা রয়েছে। মাস্ককে টুইটার কিনতে হবে কি না, শুনানি শেষে বিচারক তা নির্ধারণ করবেন।

শেয়ারহোল্ডারদের সিদ্ধান্তের ঠিক আগে টুইটারের সাবেক নিরাপত্তাপ্রধান পিটার জাটকো ওয়াশিংটনে সিনেট জুডিশিয়ারি কমিটির সামনে ‘কথিত নিরাপত্তা ত্রুটির’ বিষয়ে সাক্ষ্য দেন।

তিনি জানান, প্ল্যাটফর্মটি কতটা নিরাপদ সে সম্পর্কে জনগণকে বিভ্রান্ত করছে টুইটার।

জাটকোর দাবি, টুইটারের নিরাপত্তার মানদণ্ড অনেক পিছিয়ে আছে। তবে টুইটার বলছে, জাটকোকে তার চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে। ওনার দাবিগুলো সঠিক নয়।

আরও পড়ুন:
টুইটারের মালিক হচ্ছেন ইলন মাস্ক!  
ফেসবুক-টুইটারকে দমাতে এলো ট্রাম্পের ‘ট্রুথ সোশ্যাল’
টুইটার ছাড়ছেন ডরসি, দায়িত্বে ভারতীয় বংশোদ্ভূত পরাগ
রাহুল গান্ধীসহ ৫০০০ জনের টুইটার অ্যাকাউন্ট বন্ধ
টুইটারের ভারতীয় প্রধান আটক

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Pearl Harbor Jacobson buried 80 years after death

পার্ল হারবার: মৃত্যুর ৮০ বছর পর সমাহিত জ্যাকবসন

পার্ল হারবার: মৃত্যুর ৮০ বছর পর সমাহিত জ্যাকবসন ২ ঘণ্টাব্যাপী বিমান হামলায় ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয় আমেরিকার নৌঘাঁটি পার্ল হারবার।
পার্ল হারবারে সেদিন নেমে এসেছিল নরকের বিভীষিকা। ২ ঘণ্টাব্যাপী হামলায় প্রাণ হারান ২ হাজার ৪০২ আমেরিকান, আহত হন ১ হাজার ২৮২ জন। অনেকেরই সলীল সমাধি হয় প্রশান্ত মহাসাগরে।

১৯৪১ সালের ৭ ডিসেম্বর। এদিন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সবচেয়ে বড় চমক দেখায় অক্ষশক্তির দেশ জাপান। হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জে আমেরিকার পার্ল হারবার নৌঘাঁটিতে হামলা চালিয়ে বসে তারা।

ছয়টি বিমানবাহী জাহাজ থেকে ৩৫৩টি জাপানি যুদ্ধবিমান, বোমারু বিমান এবং টর্পেডো বিমান নৌঘাঁটিটিতে একযোগে আক্রমণ করে। হামলায় আমেরিকার চারটি যুদ্ধজাহাজ তাৎক্ষণিক ডুবে যায়; অন্য চারটি যুদ্ধজাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত হয় মারাত্মকভাবে। ধ্বংস হয় ১৮৮টি যুদ্ধবিমান।

পার্ল হারবারে সেদিন নেমে এসেছিল নরকের বিভীষিকা। ২ ঘণ্টাব্যাপী হামলায় প্রাণ হারান ২ হাজার ৪০২ আমেরিকান, আহত হন ১ হাজার ২৮২ জন। অনেকেরই সলীল সমাধি হয় প্রশান্ত মহাসাগরে।

এই হামলার জেরেই দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে আমেরিকার আবির্ভাব ঘটে। পরদিন ৮ ডিসেম্বর জাপানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেন আমেরিকার তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কলিন রুজভেল্ট। পাল্টে যায় যুদ্ধের গতিপথ।

পার্ল হারবার হামলার ৮০ বছর পর নিহত এক আমেরিকান নাবিককে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে পেরেছে তার পরিবার। নাবিকের নাম বার্ট জ্যাকবসন। ফরেনসিক পরীক্ষায় তার দেহাবশেষ শনাক্ত করার পর আর্লিংটন জাতীয় কবরস্থানে মঙ্গলবার সমাহিত করা হয় তাকে।

জ্যাকবসনের ভাগনে ব্র্যাড ম্যাকডোনাল্ড বলেন, ‘তখন ওনার বয়স ছিল ২১। তিনি ওই ৪০০ নাবিকের সঙ্গে ছিলেন, যারা ইউএসএস ওকলাহোমা যুদ্ধজাহাজের দায়িত্বে ছিলেন। জাপানের টর্পেডো হামলায় সবাই নিহত হন।’

হামলার দুই বছর পর তাদের দেহাবশেষ উদ্ধার হলেও অনেককেই এখনও শনাক্ত করা যায়নি। তার পরও দমে যাননি কর্মকর্তারা। তারা নিহতদের তালিকা তৈরির চেষ্টা অব্যাহত রাখেন। সর্বাধুনিক ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে ২০১৯ সালে জ্যাকবসনকে শনাক্ত করা হয়।

জ্যাকবসনের সমাহিত করার কথা ছিল আগেই। করোনা মহামারির কারণে তা পিছিয়ে যায়। শেষকৃত্যে জ্যাকবসনের এমন বংশধররা উপস্থিত ছিলেন, যারা তাকে কখনও জানারই সুযোগ পাননি।

পার্ল হারবার: মৃত্যুর ৮০ বছর পর সমাহিত জ্যাকবসন
পার্ল হারবারের বর্তমান ছবি।

ম্যাকডোনাল্ড বলেন, ‘এটা আমাদের কাছে একটা অমীমাংসিত রহস্য ছিল। শেষ পর্যন্ত কী হয়েছিল জ্যাকবসনের, সে কোথায় আছে। একসময় তার কথা ভুলেই গিয়েছিলাম। ভাগ্য সহায়... অবশেষে ওনাকে সমাহিত করতে পেরেছি।’

পার্ল হারবারে হতাহতদের শনাক্তে কয়েক দফায় ব্যর্থ হন আমেরিকান কর্তারা। ২০০৩ ও ২০১৫ সালে দুই দফায় ডিএনএ প্রযুক্তি ব্যবহার করে শনাক্তের কাজ করা হয়।

২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর নিউ ইয়র্কে সন্ত্রাসী হামলার আগপর্যন্ত পার্ল হারবারের ঘটনাটি আমেরিকার মাটিতে সবচেয়ে মারাত্মক ছিল।

হাওয়াইয়ের পার্ল হারবার এখনও একটি সক্রিয় নৌঘাঁটি। এখানে রয়েছে একটি জাদুঘর এবং হামলায় নিহতদের স্মরণে একটি জাতীয় স্মৃতিস্তম্ভ।

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
World suffers over Ukraine war sanctions PM to US envoy

ইউক্রেন যুদ্ধের নিষেধাজ্ঞায় সারা বিশ্বে ভোগান্তি: যুক্তরাষ্ট্রের দূতকে প্রধানমন্ত্রী

ইউক্রেন যুদ্ধের নিষেধাজ্ঞায় সারা বিশ্বে ভোগান্তি: যুক্তরাষ্ট্রের দূতকে প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত পিটার হাস। ছবি: সংগৃহীত
‘করোনা মহামারি, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ এবং এই যুদ্ধকে ঘিরে পাল্টাপাল্টি নিষেধাজ্ঞায় সারা বিশ্বের মানুষের ভোগান্তি বেড়েছে। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশের মানুষও ভোগান্তিতে আছে।’

রাশিয়াকে শায়েস্তা করতে যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধের ফলে সারা বিশ্বের শত কোটি মানুষের দুর্ভোগের বিষয়টি এবার ঢাকায় দেশটির রাষ্ট্রদূত পিটার হাসের কাছে তুলে ধরলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

যুক্তরাষ্ট্র সফরের দুই দিন আগে মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন পিটার হাস। এ সময় তিনি এসব কথা বলেন।

পরে প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব হাসান জাহিদ তুষার সাংবাদিকদের এ বিষয়ে ব্রিফ করেন।

জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে যোগ দিনে শেখ হাসিনা বৃহস্পতিবার রাতে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়বেন। তার আগে দেশটির রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে সাক্ষাতে তিনি বলেন, ‘করোনা মহামারি, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ এবং এই যুদ্ধকে ঘিরে পাল্টাপাল্টি নিষেধাজ্ঞা সারা বিশ্বের মানুষের ভোগান্তি বেড়েছে। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশের মানুষও ভোগান্তিতে আছে।’

আওয়ামী লীগ সরকার সাধ্যমতো মানুষের জন্য কাজ করে যাচ্ছে বলেও উল্লেখ করেন সরকারপ্রধান।

গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে রাশিয়ার সামরিক হামলা শুরুর পর রাশিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয় যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন। এর প্রতিক্রিয়ায় ইউরোপ তেল ও গ্যাস সরবরাহ ধাপে ধাপে পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়।

এসব প্রতিক্রিয়ায় বিশ্বজুড়ে তেল ও গ্যাসের দামে ঊর্ধ্বগতি দেখা দেয়। রাশিয়া ও ইউক্রেন থেকে খাদ্য রপ্তানি কয়েক মাস বন্ধ থাকায় গমের দামেও দেয় লাফ। এতে দেশে দেশে দেখা দেয় মূল্যস্ফীতি, রিজার্ভের ওপর চাপ।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এর আগেও নানা আয়োজনে বলেছেন, রাশিয়াকে শায়েস্তা করতে গিয়ে যুক্তরাষ্ট্র সারা বিশ্বেই এক সংকট বয়ে আনছে।

পিটার হাসের সঙ্গে আলাপনে শেখ হাসিনা ২০০৯ সালের জানুয়ারিতে ক্ষমতায় আসার পর থেকে তার সরকারের নানা পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেন। বলেন, ২০০৮-এর নির্বাচনে জয় পর থেকে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে এবং বাংলাদেশের জনগণের ভাগ্য পরিবর্তনে সরকার বিভিন্ন কার্যক্রম হাতে নিয়েছে। আওয়ামী লীগ সরকার সকল সম্প্রদায়, শ্রেণি ও পেশার মানুষের জীবনমান পরিবর্তনে নানা ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে এবং তার ফলেই বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে।

বিভিন্ন ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ প্রতিরোধেও বাংলাদেশের সক্ষমতার কথা তুলে ধরেন সরকারপ্রধান।

পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে অগ্রাধিকার দিয়ে সরকার সব মানুষের জন্য কাজ করে যাচ্ছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী। বলেন, সরকার দেশের তৃণমূল মানুষের জীবনমান পরিবর্তনে বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে।

জবাবে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হওয়ায় প্রশংসা করেন পিটার হাস। বাংলাদেশ আরও উন্নতির দিকে এগিয়ে যাবে বলেও আশা তার।

করোনা মোকাবিলায় বাংলাদেশের সাফল্য বিস্ময়কর: পিটার হাস

এই সাক্ষাতে করোনা মোকাবিলায় বাংলাদেশের ভূয়সী প্রশংসা করেন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত। তিনি বলেন, ‘এক্ষেত্রে বাংলাদেশ উল্লেখযোগ্য সক্ষমতা দেখিয়েছে এবং তা সত্যিই বিস্ময়কর।

মহামারির ভবিষ্যত পরিস্থিতি মোকাবিলায় ‘গ্লোবাল কোভিড অ্যাকশন প্ল্যান’-এ বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করার আগ্রহের কথাও জানান তিনি।

ভবিষ্যতে কোভিড-১৯ মহামারি মোকাবিলায় করণীয় ঠিক করতে জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনের সাইড লাইনে মন্ত্রী পর্যায়ে একটি আলোচনা হবে বলেও জানান পিটার হাস।

কোভিড-১৯ টিকা প্রদানে বাংলাদেশ আমেরিকার চেয়েও এগিয়ে আছে বলে জানান তিনি।

মহামারির মধ্যে বাংলাদেশকে টিকা দেয়ায় দেশটির প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান প্রধানমন্ত্রী। করোনা নিয়ন্ত্রণ ও টিকা দানে সরকারের নেয়া নানা উদ্যোগের কথাও তুলে ধরেন তিনি।

টিকা কর্মসূচির কথা ‍তুলে ধরে সরকারপ্রধান বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সরকার জনগণকে বিনা মূল্যে তিন ডোজ টিকা দিয়েছে। এখন শিশুদেরও টিকা দেয়া শুরু হয়েছে।’

করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের বিভিন্ন সংস্থার পাশাপাশি আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের ভূমিকার কথাও উঠে আসে প্রধানমন্ত্রীর কথায়। তিনি বলেন, ‘শুরু থেকেই এই কোভিড মোকাবিলায় আওয়ামী লীগ ও তার সহযোগী সংগঠন দিনরাত মানুষের মধ্যে সচেতনতা তৈরি করা থেকে শুরু করে রোগীদের সেবা, ওষুধ বিতরণ, অক্সিজেন সরবরাহের মধ্য দিয়ে কোভিড পরিস্থিতি মোকাবিলা সম্ভব হয়েছে।’

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন অ্যাম্বাসেডর অ্যাট লার্জ এম জিয়াউদ্দিন, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস।

আরও পড়ুন:
ব্রিটিশ হাইকমিশনে রানির প্রতিকৃতিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা
ভারত সফর নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে আসছেন প্রধানমন্ত্রী
স্থিতিশীল উন্নয়নে প্রয়োজন আঞ্চলিক সহযোগিতা: প্রধানমন্ত্রী
রানির শেষকৃত্যে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Biden will attend the Queens funeral

রানির শেষকৃত্যে থাকবেন বাইডেন

রানির শেষকৃত্যে থাকবেন বাইডেন রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের সঙ্গে জো বাইডেন। ছবি: এএফপি
যুক্তরাষ্ট্রের ওহাইওতে বক্তৃতা শেষে প্রেসিডেন্টকে বহনকারী উড়োজাহাজ এয়ার ফোর্স ওয়ানে ওঠার আগে সাংবাদিকদের জো বাইডেন বলেন, ‘এখন পর্যন্ত বিস্তারিত কিছু জানি না, তবে আমি যাচ্ছি।’

যুক্তরাজ্যের রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের শেষকৃত্যে থাকবেন বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।

স্থানীয় সময় শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের ওহাইওতে বক্তৃতা শেষে প্রেসিডেন্টকে বহনকারী উড়োজাহাজ এয়ার ফোর্স ওয়ানে ওঠার আগে সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি।

পলিটিকোর প্রতিবেদনে জানানো হয়, রানির শেষকৃত্যে বাইডেনের যোগদান নিয়ে এটাই ছিল সুনির্দিষ্ট কোনো বক্তব্য।

বাইডেন বলেন, ‘এখন পর্যন্ত বিস্তারিত কিছু জানি না, তবে আমি যাচ্ছি।’

প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, রাজা চার্লসের বিষয়ে জানাশোনা আছে তার, তবে রানির মৃত্যুর পর তার সঙ্গে কথা হয়নি।

ওহাইওতে বাইডেনের বক্তব্যের আগে রানির শেষকৃত্যে তার যোগদান নিয়ে কোনো মন্তব্য করেনি হোয়াইট হাউস।

যুক্তরাজ্যের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি সময় সিংহাসনে থাকা রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের মৃত্যু হয় গত বৃহস্পতিবার। তার বয়স হয়েছিল ৯৬ বছর।

এলিজাবেথ ৭০ বছরের বেশি সময় রাজত্ব করেছেন। তার সময়ে ১৪ জন প্রেসিডেন্ট দেখেছে যুক্তরাষ্ট্র।

রানির মৃত্যুতে শোকবার্তা পাঠিয়েছেন বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধান।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন তার শোকবার্তায় বলেছেন, অনন্য মর্যাদাসম্পন্ন রাষ্ট্রনায়ক ছিলেন এলিজাবেথ। তিনি যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের দৃঢ় সম্পর্ককে আরও গভীর করেছেন।

আরও পড়ুন:
রানি এলিজাবেথকে ভোলেনি বৈরাগীরচালা গ্রাম
ঘৃণার আগুনে ফুল ফোটানো ব্রিটিশ রাজবধূ ক্যামিলা
কত সম্পদ রেখে গেলেন রানি?
প্রিমিয়ার লিগের এ সপ্তাহের ম্যাচ স্থগিত
কমল হাসানের শুটিং সেটে এসেছিলেন রানি

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
New York returns rare stolen artefact to Rome

চুরির দুর্লভ শিল্পকর্ম রোমকে ফেরত দিল নিউ ইয়র্ক  

চুরির দুর্লভ শিল্পকর্ম রোমকে ফেরত দিল নিউ ইয়র্ক   দেবি এথেনার মার্বেল পাথরের মাথাটির আনুমানিক মূল্য ৩০ লাখ ডলার। ছবি: সংগৃহীত
নিউ ইয়র্ক ডিস্ট্রিক অ্যাটর্নি অ্যালভিন ব্রাগ বলেন, ‘চুরি হওয়া প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনগুলো জাদুঘর এবং ব্যক্তিগত ডিলারদের কাছে পাচারকারীরা বিক্রি করেছিল।’

চুরি যাওয়া দুর্লভ কিছু শিল্পকর্ম ইতালিতে ফেরত পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্ক সিটি কর্তৃপক্ষ। বলা হচ্ছে, এসব প্রত্নসম্পদের মূল্য প্রায় ১ কোটি ৯০ লাখ ডলার।

ফেরত পাঠানো ৫৮টি টুকরার মধ্যে আছে ২০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দের দেবি এথেনার মার্বেল পাথরের মাথা; যেটির আনুমানিক মূল্য ৩০ লাখ ডলার।

নিউ ইয়র্ক ডিস্ট্রিক অ্যাটর্নি অ্যালভিন ব্রাগ বলেন, ‘চুরি হওয়া প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনগুলো জাদুঘর এবং ব্যক্তিগত ডিলারদের কাছে পাচারকারীরা বিক্রি করেছিল।

‘ইতালিজুড়ে একটি নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে অরক্ষিত সাইটগুলো থেকে ঐতিহাসিক নিদর্শনগুলো চুরি করে আসছে গিয়াকোমো মেডিসি এবং জিওভান্নি ফ্রাঙ্কো বেচিনার মতো দুর্ধর্ষ পাচারকারীরা।’

এটি চলতি বছর ইতালিতে ফেরত দেয়া সবশেষ প্রচেষ্টা। গত ৯ মাসে নিউ ইয়র্ক সিটি ৬ কোটি ৬০ লাখ ডলারের প্রত্নসম্পদ ফেরত দিয়েছে রোমে।

এসব প্রত্নসম্পদ উদ্ধার করে হোমল্যান্ড সিকিউরিটি। তারাই এগুলো ফিরিয়ে দেয়ার কাজ করছে। সবশেষ উদ্ধার ৫৮ টুকরার মধ্যে ২১টি এসেছে মেট্রোপলিটন মিউজিয়াম অফ আর্ট থেকে।

যদিও টুকরাগুলোর আর্থিক মূল্য অনেক, তবে ইতালীয় কর্মকর্তা জেনারেল রবার্তো রিকার্ডি এগুলোকে ‘অমূল্য’ বলে বর্ণনা করেছেন।

তিনি বলেন, ‘আমি আনন্দিত। এসব এমন সম্প্রদায়ের কাছে ফিরে যাবে, যারা এগুলোর মধ্যে নিজেদের ইতিহাস ও ঐতিহ্য খুঁজে পাবে।’

হোমল্যান্ড সিকিউরিটি কর্মকর্তারা বলছেন, প্রত্নতত্ন চোরাচালানকারীদের শনাক্ত করতে কয়েক বছর ধরে তারা কাজ করেছেন।

আরও পড়ুন:
উঠান খুঁড়তে উঠে এল ১৪০০ বছর আগের নিদর্শন

মন্তব্য

p
উপরে