× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

আন্তর্জাতিক
3 soldiers killed in gun attack in Jammu and Kashmir
hear-news
player
google_news print-icon

কাশ্মীরে বন্দুকধারীর হামলায় ৩ ভারতীয় সেনা নিহত

কাশ্মীরে-বন্দুকধারীর-হামলায়-৩-ভারতীয়-সেনা-নিহত-
কাশ্মীরে সেনাদের গুলিতে ২ জন বন্দুকধারীও নিহত হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত
রাজ্য পুলিশের অতিরিক্ত মহাপরিচালক মুকেশ সিং বলেন, কয়েকজন সন্ত্রাসী পারগালের আর্মি ক্যাম্পে প্রবেশের চেষ্টা করলে রক্ষীরা তাদের চ্যালেঞ্জ জানায়। এ সময় গোলাগুলি শুরু হয়।

ভারতের জম্মু-কাশ্মীরের রাজৌরি সেনাক্যাম্পে বন্দুকধারীর হামলায় ৩ সেনা নিহত ও ২ জন আহত হয়েছেন।

এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হামলাকারীরা এ সময় সেনাক্যাম্পে প্রবেশের চেষ্টা করছিল। সেনা সদস্যের পাল্টা গুলিতে ২ বন্দুকধারীও নিহত হয়েছে।

জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের অতিরিক্ত মহাপরিচালক মুকেশ সিং বলেন, ‘কয়েকজন সন্ত্রাসী পারগালের আর্মি ক্যাম্পে প্রবেশের চেষ্টা করলে রক্ষীরা তাদের চ্যালেঞ্জ জানায়। এ সময় গোলাগুলি শুরু হয়।’

ক্যাম্পের নিরাপত্তা বৃদ্ধি করতে আরো সেনা পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ বলছে, এই হামলার পেছনে রয়েছে জঙ্গিগোষ্ঠী লস্কর-ই-তাইয়্যেবা।

২০১৮ সালে জম্মুর সুনজোয়ান ক্যাম্পে হামলার পর এটিই সেনা ক্যাম্পে সবচেয়ে বড় ধরনের হামলা।

২০১৬ সালে উরি ক্যাম্পে একই ধরনের হামলায় ১৮ সেনা নিহত হন।

জম্মু-কাশ্মীরের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লাহ এক টুইট বার্তায় নিহত সেনা সদস্য ও কর্মকর্তাদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন এবং আহত সেনাদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছেন।

আরও পড়ুন:
পশ্চিমবঙ্গে মন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ মডেলের ঘর থেকে ২০ কোটি রুপি জব্দ
ধর্ষণ থেকে বাঁচতে স্কুলের ছাদ থেকে লাফ, আটক ৫
কোহলিকে নিয়ে বাড়তি আলোচনা চান না রোহিত-বাটলার
কিংফিশারের মালিক মালিয়ার কারাদণ্ড
সুন্দরবনের ‘রাজার’ মৃত্যু

মন্তব্য

আরও পড়ুন

আন্তর্জাতিক
Who is the Congress President?

কে হচ্ছেন কংগ্রেস সভাপতি

কে হচ্ছেন কংগ্রেস সভাপতি কংগ্রেসের সভাপতি পদে প্রার্থী শশী থারুর ও মল্লিকার্জুন খারগে। ছবি: সংগৃহীত
ভারতের অন্যতম বৃহত্তম রাজনৈতিক দল ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস নতুন সভাপতি পেতে যাচ্ছে। আর সভাপতি পদের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য লড়ছেন শশী থারুর ও মল্লিকার্জুন খারগে। গান্ধী পরিবারের নিরপেক্ষ ভূমিকায় থাকার কথা থাকলেও ইঙ্গিত মিলেছে মল্লিকার্জুনকেই সমর্থন করতে যাচ্ছেন তারা।

মনোনয়ন জমা দেয়ার শেষ মুহূর্তে জমে উঠেছে ভারতের প্রাচীনতম রাজনৈতিক দল কংগ্রেসের সভাপতি নির্বাচন। এবারে সভাপতি পদে গান্ধী পরিবারের কেউ মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেনি। ২০ বছরের ইতিহাসে এমন ঘটনা প্রথমবারের মতো ঘটলো।

এদিকে সভাপতি নির্বাচনে গান্ধী পরিবারের নিরপেক্ষ ভূমিকা পালনের কথা থাকলেও শেষ মুহুর্তে মল্লিকার্জুন খারগের প্রতি সমর্থন দেয়ার ইঙ্গিত মিলেছে।

আজই সভাপতি পদে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন জ্যেষ্ঠ রাজনীতিবিদ শশী থারুর। মল্লিকার্জুনেরও তিনটার আগেই কাগজপত্র জমা দেয়ার কথা।

এর আগে গতকালই মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন দিগ্বিজয়ী সিং। কিন্তু মল্লিকার্জুন খারগের সঙ্গে আলোচনার পর তিনি সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে সরে দাঁড়ান।

গভীর রাতে হওয়া এক বৈঠকে কংগ্রেসের বর্ষীয়ান নেতা কেসি ভেনুগোপাল মল্লিকার্জুনকে জানান, নেতৃত্ব (গান্ধী পরিবার) চাইছে যে তিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। ভেনুগোপাল নিজেও মল্লিকার্জুনকে সমর্থন করছেন।

কংগ্রেসের ‘এক ব্যক্তি, এক পদ’ পলিসির কারণে রাজ্যসভার বিরোধী দলের নেতার পদ থেকে পদত্যাগ করতে হতে পারে মল্লিকার্জুনকে।

আরও পড়ুন:
পাঁচ রাজ্য কংগ্রেস সভাপতিকে বহিষ্কার করলেন সোনিয়া
গান্ধী পরিবারের নেতৃত্ব চান না কংগ্রেসের প্রবীণ নেতা
কংগ্রেসে নেতৃত্ব পরিবর্তনের দাবি বাড়ছে
কংগ্রেসের নেতৃত্ব হারাচ্ছে গান্ধী পরিবার?
জয়প্রকাশ যোগ দিলেন তৃণমূলে

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
19 killed in an explosion at an educational center in Kabul

কাবুলে শিক্ষা কেন্দ্রে বিস্ফোরণে নিহত ১৯

কাবুলে শিক্ষা কেন্দ্রে বিস্ফোরণে নিহত ১৯ কাবুল শহরের বিভিন্ন ভবন। ছবি: সংগৃহীত
হামলাস্থল দাশত-ই-বারচি এলাকার বাসিন্দাদের অনেকে সংখ্যালঘু হাজারা সম্প্রদায়ের। অতীতে অনেক হামলার শিকার হয়েছে এ সম্প্রদায়ের লোকজন। সর্বশেষ হামলার পর তাৎক্ষণিকভাবে দায় স্বীকার করেনি কোনো পক্ষ।

আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে শুক্রবার একটি শিক্ষা কেন্দ্রে বিস্ফোরণে কমপক্ষে ১৯ জন নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছে আরও অনেকে।

শহরের পশ্চিমে দাশত-ই-বারচি এলাকায় ‘কাজ’ নামের শিক্ষা কেন্দ্রে এ হামলা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।

শিক্ষা কেন্দ্রের কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে বিবিসির প্রতিবেদনে জানানো হয়, হামলার সময় সেখানে পরীক্ষা চলছিল।

দাশত-ই-বারচি এলাকার বাসিন্দাদের অনেকে সংখ্যালঘু হাজারা সম্প্রদায়ের। অতীতে অনেক হামলার শিকার হয়েছে এ সম্প্রদায়ের লোকজন।

হামলার পর তাৎক্ষণিকভাবে দায় স্বীকার করেনি কোনো পক্ষ।

আফগানিস্তানে তালেবান নেতৃত্বাধীন সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আবদুল নাফি টাকোর হামলার নিন্দা জানিয়ে বলেন, ঘটনাস্থলে গেছে নিরাপত্তা দল।

তিনি বলেন, বেসামরিক লক্ষ্যবস্তুতে আঘাতের মধ্য দিয়ে শত্রুরা তাদের নিষ্ঠুরতা ও নৈতিকতাহীনতার পরিচয় দিয়েছে।

গত বছরের আগস্টে ক্ষমতায় আসে তালেবান। দলটির ভাষ্য, তারা আফগানিস্তানে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছে, তবে দক্ষিণ এশিয়ার দেশটিতে নিয়মিত হামলা চালিয়ে যাচ্ছে জঙ্গি সংগঠন ইসলামিক স্টেট (আইএস)।

দাশত-ই-বারচি এলাকায় বেশ কিছু হামলা হয়েছে। এসব হামলার শিকার হয়েছে স্কুল ও হাসপাতাল।

তালেবান ক্ষমতায় ফেরার আগে গত বছর একটি গার্লস স্কুলে হামলায় কমপক্ষে ৮৫ জন নিহত হয়। এ হামলায় আহত হয় অনেকে।

আরও পড়ুন:
কাবুলে রুশ দূতাবাসের সামনে আত্মঘাতী হামলা, নিহত ৮
আফগানিস্তানে ভূমিকম্পে ৬ মৃত্যু
শততম ম্যাচে জয়ের জন্য আফগানদের লক্ষ্য ১০৬ রান
নারী বিষয়ে তালেবানকে চ্যালেঞ্জ করুক মুসলিম বিশ্ব: আমেরিকার দূত
এশিয়া কাপ: উদ্বোধনী ম্যাচে জয় চায় দুই দলই

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Abortion of unmarried persons also legal Supreme Court of India

অবিবাহিতদের গর্ভপাতের অধিকারও সমান: ভারতের সুপ্রিম কোর্ট

অবিবাহিতদের গর্ভপাতের অধিকারও সমান: ভারতের সুপ্রিম কোর্ট ভারতের সুপ্রিম কোর্ট ভবন। ছবি: টেলিগ্রাফ ইন্ডিয়া
রায়ে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট বলেছে, ১৯৭১ সালে প্রণীত মেডিক্যাল টার্মিনেশন অফ প্রেগন্যান্সি অ্যাক্টে বিবাহিত নারীদের গর্ভপাতের যে অধিকার দেয়া হয়েছে, তা পাবেন অবিবাহিত নারীরাও।

বিবাহিতদের পাশাপাশি অবিবাহিত নারীদের নিরাপদ ও বৈধ গর্ভপাতের অধিকার সমান বলে রায় দিয়েছে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট।

স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচুড়ের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ ঐতিহাসিক এ রায় দেয় বলে দি ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

রায়ে সুপ্রিম কোর্ট বলেছে, ১৯৭১ সালে প্রণীত মেডিক্যাল টার্মিনেশন অফ প্রেগন্যান্সি অ্যাক্টে বিবাহিত নারীদের গর্ভপাতের যে অধিকার দেয়া হয়েছে, তা পাবেন অবিবাহিত নারীরাও।

সর্বোচ্চ আদালত আরও বলেছে, ২০২১ সালে ওই আইনে যে সংশোধনী আনা হয়েছে, তাতে গর্ভপাতের ক্ষেত্রে বিবাহিত ও অবিবাহিতদের মধ্যে কোনো ফাঁক রাখা হয়নি। এর ফলে নিরাপদ ও বৈধ গর্ভপাতের অধিকার পাবেন সব নারী।

বিচারপতি চন্দ্রচুড়ের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চের পক্ষ থেকে বলা হয়, বিবাহিত ও অবিবাহিত নারীদের মধ্যে কৃত্রিম ফারাক থাকতে পারে না। নারীদের অবশ্যই এ ধরনের (গর্ভপাত) অধিকার চর্চার স্বাধীনতা থাকতে হবে।

জন্মদানের ক্ষেত্রে স্বাধীনতা শরীরের স্বাধীনতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত জানিয়ে রায়ে সুপ্রিম কোর্ট বলেছে, জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি বেছে নেয়া, সন্তানের সংখ্যা এবং গর্ভপাত করা কিংবা না করার সিদ্ধান্ত সামাজিক বাধাবিপত্তি ছাড়াই নেয়ার ক্ষমতা থাকতে হবে।

ভারতের সুপ্রিম কোর্টের মন্তব্য, কোনো নারীর অনাকাঙ্ক্ষিত গর্ভধারণের পরিণতিকে খাটো করে দেখা যাবে না। ভ্রুণের স্বাস্থ্য নির্ভর করে মায়ের মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর।

আরও পড়ুন:
‘খেলা হবে’ দিবসে শাড়ি পরে মাঠে নামা সেই এমপি ফের ভাইরাল
ট্যুরিস্ট ভিসায় ভারতে গিয়ে ধর্ম প্রচারের অভিযোগে ১৭ বাংলাদেশি গ্রেপ্তার
ভারতে ভারি বৃষ্টিতে দেয়াল ধসে ৯ মৃত্যু
ভারতে পোশাক রপ্তানি বেড়ে দ্বিগুণ, কমছে চীনে
বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে ধর্ষণ-হত্যা দলিত ২ বোনকে

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Indias new defense chief after 9 months of Bipins death

বিপিন নিহতের ৯ মাস পর ভারতে নতুন প্রতিরক্ষাপ্রধান

বিপিন নিহতের ৯ মাস পর ভারতে নতুন প্রতিরক্ষাপ্রধান ভারতের নতুন সিডিএস অনিল চৌহান। ছবি: এএনআই
ভারতের নতুন প্রতিরক্ষাপ্রধান অনিল চৌহান ২০২১ সালের মে মাসে ইস্টার্ন কমান্ডের প্রধান হিসেবে অবসরে যান। তিনি জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদে সামরিক উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করছিলেন।

হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় জেনারেল বিপিন রাওয়াত নিহত হওয়ার ৯ মাস পর নতুন চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফ (সিডিএস) পেয়েছে ভারত।

অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল অনিল চৌহানকে বুধবার সিডিএস হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে দেশটি।

২০২১ সালের ৮ ডিসেম্বর ভারতের বিমানবাহিনীর হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় সস্ত্রীক নিহত হন চার তারকা জেনারেল বিপিন রাওয়াত।

এনডিটিভির প্রতিবেদনে জানানো হয়, ভারতের নতুন প্রতিরক্ষাপ্রধান ৬১ বছর বয়সী অনিল ২০২১ সালের মে মাসে ইস্টার্ন কমান্ডের প্রধান হিসেবে অবসরে যান। তিনি জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদে সামরিক উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করছিলেন।

প্রায় ৪০ বছরের ক্যারিয়ারে বেশ কিছু গুরুদায়িত্ব সামলেছেন অনিল চৌহান। ভারত নিয়ন্ত্রিত জম্মু-কাশ্মীর ও দেশটির উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বিদ্রোহী তৎপরতা দমন অভিযানে ব্যাপক অভিজ্ঞতা আছে তার।

সিডিএস পদে প্রথমবারের মতো অবসরপ্রাপ্ত কোনো সামরিক কর্মকর্তাকে নিয়োগ দেয়ার আগে নিয়মে কিছু পরিবর্তন এনেছে ভারত। নিয়োগের নিয়মে এ পরিবর্তনের বিষয়টি গেজেটে জানিয়েছে সরকার।

নতুন সিডিএস অনিল চৌহানের জন্ম ১৯৬১ সালের ১৮ মে। ১৯৮১ সালে ভারতীয় সেনাবাহিনীর ১১ গোর্খা রাইফেলসে ক্যারিয়ার শুরু করেন তিনি।

ভারতের মহারাষ্ট্রের খারাকওয়াসলার ন্যাশনাল ডিফেন্স অ্যাকাডেমি, উত্তরাখণ্ডের দেরাদুনের ইন্ডিয়ান মিলিটারি অ্যাকাডেমিতে পাঠ নিয়েছেন অনিল।

মেজর জেনারেল হিসেবে নর্দান কমান্ডের বারামুল্লা সেক্টরের পদাতিক ডিভিশনের কমান্ডার ছিলেন সিডিএস অনিল। লেফটেন্যান্ট জেনারেল পদে উন্নীত হওয়ার পর উত্তর-পূর্ব ভারতের একটি কোরের কমান্ডার ছিলেন তিনি।

২০১৯ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০২১ সালের মে মাসে অবসরে যাওয়ার আগ পর্যন্ত ইস্টার্ন কমান্ডের জেনারেল অফিসার কমান্ডিং-ইন-চিফ ছিলেন অনিল চৌহান।

আরও পড়ুন:
কোনো ব্যক্তি নয়, বাংলাদেশের পাশে ভারত: দোরাইস্বামী
ভারতে ভারি বৃষ্টিতে দেয়াল ধসে ৯ মৃত্যু
ভারতে পোশাক রপ্তানি বেড়ে দ্বিগুণ, কমছে চীনে
বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে ধর্ষণ-হত্যা দলিত ২ বোনকে
‘তত্ত্বাবধায়ক চান, ওয়ান-ইলেভেন ভুলে গেছেন?’

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Myanmar model jailed by junta for spreading nude photos

নগ্ন ছবি ছড়ানোয় মিয়ানমারের মডেলের জেল

নগ্ন ছবি ছড়ানোয় মিয়ানমারের মডেলের জেল ন্যান মিউ স্যান
দণ্ডপ্রাপ্ত ন্যান মিউ স্যান গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে অং সান সু চিকে ক্ষমতাচ্যুত করে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় বসা সামরিক জান্তার বিরুদ্ধে আন্দোলনও করেছিলেন। অনলফি ফ্যানে কনটেন্ট দেয়ার ঘটনায় তিনিই প্রথম দণ্ড ভোগ করছেন।

নগ্ন ছবি ও ভিডিও ছড়ানোর দায়ে এক মডেলকে ছয় বছরের কারাদণ্ডের রায় দিয়েছে মিয়ানমারের সামরিক জান্তার আদালত।

দেশটির সংস্কৃতির ক্ষতি ও মর্যাদাহানি করায় তার বিরুদ্ধে এই ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে বলে সেনাবাহিনীর বরাত দিয়ে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম বিবিসি

সপ্তাহ দুয়েক আগেই সাবেক এই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়। তিনি একটি পর্নোগ্রাফি সংক্রান্ত যোগাযোগমাধ্যমে ছবি ও ভিডিও আপলোড করেছিলেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত ন্যান মিউ স্যান গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে অং সান সু চিকে ক্ষমতাচ্যুত করে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় বসা সামরিক জান্তার বিরুদ্ধে আন্দোলনও করেছিলেন। অনলফি ফ্যানে কনটেন্ট দেয়ার ঘটনায় তিনিই প্রথম দণ্ড ভোগ করছেন।

নগ্ন ছবি ছড়ানোয় মিয়ানমারের মডেলের জেল

এর আগে আরেক মডেলকেও সামরিক সরকারবিরোধী আন্দোলনের জন্য গ্রেপ্তার করে মিয়ানমার। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সেই আন্দোলনের ছবি পোস্ট করার ঘটনায় অক্টোবরে তার বিরুদ্ধেও রায় হবে।

স্যানের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের মধ্যে রয়েছে যোগাযোগমাধ্যমে অর্থের জন্য নগ্ন ছবি ও ভিডিও আপলোড করেছেন তিনি। এ অপরাধে দেশটিতে সর্বোচ্চ সাত বছরের সাজার আইন রয়েছে।

ইয়াঙ্গুনের একটি কারাগারে বন্দি আছেন এই মডেল। কারাগারটিতে অনেক রাজনৈতিক নেতাও বন্দি আছেন। তিনি যে মামলায় সাজা পেয়েছে, এ ধরনের মামলায় কোনো আইনজীবী নিয়োগের সুযোগ দেয় না জান্তা সরকার।

স্যানের মাা বলেছেন, সম্প্রতি তিনি মেয়ের সঙ্গে দেখা করেছেন। তবে সামরিক আদালতে রায় নিয়ে বুধবারের আগ পর্যন্ত তিনি কিছুই জানতেন না।

আরও পড়ুন:
মিয়ানমার নিয়ে অবশেষে মুখ খুলল চীন
তুমব্রু সীমান্তে দুর্গোৎসব নিয়ে উৎকণ্ঠা
যুদ্ধের মাধ্যমে উন্নয়ন ধ্বংস করতে পারি না: কৃষিমন্ত্রী

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Sri Lankan government employees are punished for posting on Facebook

ফেসবুকে পোস্ট দিলেই শাস্তি শ্রীলঙ্কার সরকারি কর্মীদের

ফেসবুকে পোস্ট দিলেই শাস্তি শ্রীলঙ্কার সরকারি কর্মীদের শ্রীলঙ্কার একটি সরকারি অফিস। ফাইল ছবি
শ্রীলঙ্কায় সরকারি চাকরিজীবীর সংখ্যা ১৫ লাখের মতো। এতদিন তাদের গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলা নিষেধ ছিল, এবার সেই নিষেধাজ্ঞা পৌঁছাল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মত প্রকাশের ক্ষেত্রেও।

নানা সংকটে বিপর্যস্ত শ্রীলঙ্কার সরকারি কর্মীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছে। ফেসবুকসহ বিভিন্ন মাধ্যমে মত প্রকাশ করে পোস্ট করলেই শাস্তি পেতে হবে তাদের।

দেশটির জনপ্রশাসন ও ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে বুধবার এই নির্দেশনা দেয়া হয় বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে হিন্দুস্তান টাইমস

শ্রীলঙ্কায় সরকারি চাকরিজীবীর সংখ্যা ১৫ লাখের মতো। এতদিন তাদের গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলা নিষেধ ছিল, এবার সেই নিষেধাজ্ঞা পৌঁছাল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মত প্রকাশের ক্ষেত্রেও।

সম্প্রতি বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী খাবারের অভাবে স্কুলে অসুস্থ হয়ে পড়েছিল বলে একটি প্রাদেশিক স্কুলের শিক্ষক ও স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের অভিযোগের পর সরকারি কর্মীদের ওপর নতুন নিয়ম প্রয়োগ করা হলো।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সরকাররি কর্মকর্তাদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মতামত প্রকাশ করা অপরাধ। এটি করলে কর্মীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হবে।

১৯৪৮ সালে ব্রিটিশরাজের কাছ থেকে স্বাধীনতা পাওয়ার পর সবচেয়ে ভয়াবহ অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলা করছে এশিয়ার এই দ্বীপরাষ্ট্র।

দেশটিতে নিত্যপণ্যের আকাশছোঁয়া দামে বিপর্যস্ত জনজীবন। মূল্যস্ফীতি, দুর্বল সরকারি অর্থব্যবস্থা এবং করোনার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত অর্থনীতি এই বিপর্যয়ের অন্যতম কারণ।

লঙ্কান সরকারের অন্যতম রাজস্ব আয়ের খাত পর্যটনশিল্প ধসে পড়েছে, রেমিট্যান্স পৌঁছেছে তলানিতে। বিদেশি মুদ্রার সঞ্চয় বা রিজার্ভ নেমে এসেছে ২ বিলিয়ন ডলারে। লোডশেডিং; খাবার, ওষুধ ও জ্বালানিসংকটে ক্ষোভ ভয়াবহ পর্যায়ে পৌঁছেছে।

গত কয়েক বছর শ্রীলঙ্কার রাজনীতি বেশ টালমাটাল ছিল। এই অবস্থায় দেশটির বিদেশি মুদ্রার রিজার্ভ নাটকীয়ভাবে কমে এসেছে।

এ প্রেক্ষাপটে সংকটের জন্য প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া রাজাপাকসে ও তার পরিবারের সদস্যদের দুর্নীতিকে দায়ী করেন বিক্ষোভকারীরা। বিক্ষোভরতদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী ও ক্ষমতাসীনদের সংঘর্ষে প্রাণ গেছে পুলিশ সদস্যসহ বেশ কয়েকজনের।

একপর্যায়ে প্রধানমন্ত্রী মাহিন্দা রাজপাকসে ও তার ভাই প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া রাজাপাকসেকে ক্ষমতা ছাড়তে হয়। এসেছে নতুন নেতৃত্ব। ঋণের জন্য চুক্তি হয়েছে আইএমএফসহ বিভিন্ন সংস্থা ও দেশের সঙ্গে। তবু অস্থিরতা চলছেই। কাটছে না দেশটির সংকট।

আরও পড়ুন:
শ্রীলঙ্কা সংকটের ‘বড় বলি’ হচ্ছেন তামিলরা
২০২২ সালে শ্রীলঙ্কাকে শীর্ষ ঋণদাতা ভারত

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Thousands of people held flowers at Shinzos funeral

ফুল হাতে হাজারো মানুষ শিনজোর অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার আয়োজনে

ফুল হাতে হাজারো মানুষ শিনজোর অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার আয়োজনে ফুল দিয়ে শেষ শ্রদ্ধা জানানো হচ্ছে শিনজো আবেকে। ছবি: বিবিসি
শিনজোর অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া নিয়ে সমালোচনা চলছে দেশজুড়ে। রাষ্ট্রীয়ভাবে কেন তার অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার আয়োজন হবে তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ক্ষুব্ধরা। তাদের মতে, এতে খরচ না করে অর্থগুলো টাইফুন শিজুয়োকাতে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য ব্যয় করা উচিত।

কঠোর নিরাপত্তায় ফুল, প্রার্থণা আর গান স্যালুটে জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবের প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানানোর আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়েছে।

স্থানীয় সময় মঙ্গলবার দুপুর ২টার দিকে টোকিওর কেন্দ্রস্থলে নিপ্পন বুদোকান হলে তার অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার এই আয়োজন শুরু হয় বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে রয়টার্স

শিনজোর অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া নিয়ে সমালোচনা চলছে দেশজুড়ে। রাষ্ট্রীয়ভাবে কেন তার অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার আয়োজন হবে তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ক্ষুব্ধরা। তাদের মতে, এতে খরচ না করে অর্থগুলো টাইফুন শিজুয়োকাতে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য ব্যয় করা উচিত।

তবে সমালোচনায় কান না দিয়ে অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় বড় ধরনের আয়োজন করেন জাপানের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ফুমিও কিশিদা। আমন্ত্রণ জানিয়েছেন বহু দেশপ্রধানকে।

অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় যোগ দিতে সকাল থেকেই ভেন্যুতে উপস্থিত হয়েছেন হাজারো মানুষ। ভিড় সামলানে না পেরে নির্ধারিত সময়ের আধা ঘণ্টা আগেই খুলে দেয়া হয় গেট।

কয়েক ঘণ্টায় ১০ হাজারের বেশি মানুষ শিনজোর প্রতি ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। ফুল দেয়ার পর কিছুক্ষণ নীরব থেকে সেখানে শিনজোর ছবির সামনে প্রার্থনা করেন তারা।

অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার এই আয়োজনে ৪ হাজার ৩ শ’র মতো মানুষ অংশ নেবে বলে আশা করা হচ্ছে। এতে যোগ দেবেন যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিসহ অন্তত ৪০টি দেশের প্রতিনিধি।

আয়োজনে অংশ নিতে আসা অতিথিসহ পুরো বিষয়ে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মোতায়েন করা হয়েছে পুলিশের ২০ হাজারের মতো সদস্য। বন্ধ রাখা হয়েছে ওই এলাকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।

গত ৮ জুলাই জাপানের পশ্চিমাঞ্চলের নারা শহরে এক নির্বাচনী সভায় বক্তৃতা দেয়ার সময় বন্দুকধারীর গুলিতে নিহত হন শিনজো।

২০২০ সালে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করলেও জাপানের ক্ষমতাসীন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির রাজনীতিতে বড় প্রভাব ছিল তার। এই দলের বড় একটি অংশের নিয়ন্ত্রণ ছিল তার হাতে।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর শিনজো আবে ছিলেন সবচেয়ে কম বয়সী প্রধানমন্ত্রী। ২০০৬ সালে তিনি প্রথবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হন। ২০১২ সালে তিনি আবারও প্রধানমন্ত্রী হন। তার বাবা ছিলেন জাপানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। এ ছাড়া তার এক দাদা জাপানের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।

জাপানে বন্দুক হামলা খুবই বিরল ঘটনা। কারণ সেখানে অস্ত্র বহন করা নিষিদ্ধ। এ ছাড়া জাপানে রাজনৈতিক ব্যক্তিদের টার্গেট করে হত্যা করার ঘটনাও খুব একটা দেখা যায় না।

২০০৭ সালে নাগাসাকি শহরের মেয়র ইচো ইতোকে গুলি করে হত্যা করেছিল গ্যাংস্টাররা। ১৯৬০ সালে জাপানের সোশ্যালিস্ট পার্টির প্রধানকে বক্তব্য দেবার সময় গুলি ছুড়ে হত্যা করে ডানপন্থিরা।

আরও পড়ুন:
আবেকে শ্রদ্ধা ভালোবাসায় শেষ বিদায়
আবেকে আগেও হত্যার চেষ্টা করেছিলেন হামলাকারী
আবের মৃত্যুতে সারা দেশে শোক

মন্তব্য

p
উপরে