× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

আন্তর্জাতিক
5 policemen were transferred for walking on the ramp
hear-news
player
print-icon

র‍্যাম্পে হাঁটায় বদলি ৫ পুলিশ সদস্য

র‍্যাম্পে-হাঁটায়-বদলি-৫-পুলিশ-সদস্য
গত রোববার মায়িলাদুথুরাই জেলার সেম্বানারকোভিল এলাকায় সৌন্দর্য প্রতিযোগিতার সময় র‍্যাম্পে হাঁটেন পাঁচ পুলিশকর্মী। ছবি: সংগৃহীত
গত রোববার মায়িলাদুথুরাই জেলার সেম্বানারকোভিল এলাকায় সৌন্দর্য প্রতিযোগিতার সময় র‍্যাম্পে হাঁটেন পাঁচ পুলিশ সদস্য। ছবি: সংগৃহীত

ভারতে সৌন্দর্য প্রতিযোগিতা চলাকালে র‍্যাম্পে হাঁটায় বদলি করা হয়েছে পাঁচ পুলিশ সদস্যকে।

স্থানীয় সময় রোববার তামিলনাড়ুতে সৌন্দর্য প্রতিযোগিতার সময় পুলিশের পোশাক পরেই র‍্যাম্পে হাঁটেন তারা। এদের মধ্যে রয়েছেন দুজন পুরুষ ও তিনজন নারী সদস্য।

শুক্রবার তাদের বদলির আদেশ পাঠান নাগাপত্তিনাম পুলিশ সুপার জাওয়াগার। আদেশে বলা হয়, ‘পুলিশের পোশাক পরে সৌন্দর্য প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ায় পাঁচ পুলিশ সদস্যকে বদলির নির্দেশ দেয়া হয়েছে।’

গত রোববার মায়িলাদুথুরাই জেলার সেম্বানারকোভিল এলাকায় সৌন্দর্য প্রতিযোগিতার আয়োজন করে একটি বেসরকারি সংস্থা। অভিনেত্রী ইয়াশিকা আনন্দ বিশেষ অতিথি হিসেবে প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন।

ওই অনুষ্ঠানে র‍্যাম্পে হাঁটেন পাঁচ পুলিশ সদস্য। এ খবরে বিতর্ক ছড়িয়ে পড়ে।

এর পরই রেণুকা, অশ্বিনী, নিত্যশিলা, শিবানেসান ও স্পেশাল অ্যাসিস্ট্যান্ট ইনস্পেক্টর সুব্রহ্মণ্যনিয়ানকে বদলির নির্দেশ দিয়েছেন নাগাপত্তিনাম জেলা পুলিশ সুপার।

তবে ওই পুলিশ সদস্যরা প্রতিযোগিতায় নিবন্ধন করে অংশ নিয়েছেন নাকি শুধু র‍্যাম্পে হেঁটেছেন সেটি স্পষ্ট করেনি কর্তৃপক্ষ।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

আন্তর্জাতিক
Even though the price of oil is the same the bus fare in Kolkata is less than in Dhaka
বাস ভাড়ায় নৈরাজ্য-৯

তেলের দাম সমান হলেও কলকাতায় বাস ভাড়া ঢাকার চেয়ে কম

তেলের দাম সমান হলেও কলকাতায় বাস ভাড়া ঢাকার চেয়ে কম পশ্চিমবঙ্গের কলকাতা ও বাংলাদেশের ঢাকার বাস ভাড়াতেও রয়েছে ব্যাপক পার্থক্য। ছবি: নিউজবাংলা
২০১৮ সালে সবশেষ সেখানে বাস ভাড়া বাড়ানো হয়েছিল, যখন ডিজেলের দর ছিল লিটারে ৬২ রুপি। এখন সেই দর ৯৪, মাঝে উঠেছিল ১০৬। তবে বাস ভাড়া বাড়ানো হয়নি। প্রথম চার কিলোমিটারের ভাড়া ৮ রুপি, এরপর প্রতি কিলোমিটার ৭৫ পয়সা। অর্থাৎ সেখানে বেশি দূরত্বে গেলে ভাড়া কমে। কিন্তু ঢাকায় কিলোমিটারপ্রতি ভাড়া ঠিক করে দেয়া হয়েছে আড়াই টাকা। যাত্রী যত দূরই যাক না কেন, ভাড়ার হার একই। অবশ্য ঢাকার মতো কলকাতাতেও বাড়তি আদায়ের অভিযোগ আছে।

জ্বালানি তেলের দাম পশ্চিমবঙ্গের সমান করার পর রাজ্যের রাজধানী কলকাতার বাস ভাড়ার ক্ষেত্রে সেখানকার উদাহরণ আর গ্রহণ করা হয়নি।

সেখানে বাসে সর্বনিম্ন ভাড়া ঢাকার সমান হলেও প্রতি কিলোমিটারের ভাড়া ঢাকার চেয়ে কম। সেখানে বাসে টিকিট দেয়া হয়, যা ঢাকায় নেই।

আবার কলকাতায় একজন যাত্রী বেশি দূরত্বের গন্তব্যে গেলে তার ভাড়ার হার কমে আসে, সেটি ঢাকা তো দূরের কথা, বাংলাদেশের কোথাও নেই।

এখানে দূরপাল্লায় ৫০ কিলোমিটারের ক্ষেত্রে ভাড়ার যে হার, ৫০০ কিলোমিটারের ক্ষেত্রেও একই হার। অথচ এই দেশের লঞ্চের ক্ষেত্রে উদাহরণ আছে যে বেশি দূরত্বে গেলে ভাড়ার হার কম হয়।

ভারতের জ্বালানি তেলের দাম নিয়মিত ওঠানামা করে বিশ্ববাজারের সঙ্গে মিল রেখে। আর দাম বাড়লে বা কমলেই বাস ভাড়া বাড়ে বা কমে না।

২০১৮ সালে সবশেষ সেখানে বাস ভাড়া বাড়ানো হয়েছিল, যখন ডিজেলের দর ছিল লিটারে ৬২ রুপি। এখন সেই দর ৯৪, মাঝে উঠেছিল ১০৬। তবে বাস ভাড়া বাড়ানো হয়নি।

সে সময় বাস ভাড়া ঠিক করা হয় প্রথম চার কিলোমিটারের জন্য ৮ রুপি এবং পরের প্রতি কিলোমিটারের জন্য ৭৫ পয়সা করে। আবার বেশি দূরত্বে গেলে সেটিও কমে আসে।

কিন্তু বাংলাদেশে ভাড়া ঠিক করার ক্ষেত্রে এই স্ল্যাব রাখা হয়নি। এখানে ঢাকা ও চট্টগ্রামে প্রতি কিলোমিটার সরাসরি আড়াই টাকা আর দূরপাল্লায় ঠিক করা হয়েছে ২ টাকা ২০ পয়সা হারে।

অবশ্য কলকাতাতেও ঢাকার মতোই বাস ভাড়া বেশি আদায় করার প্রমাণ মিলছে। তার পরও যতটা বেশি নিচ্ছে, সেটি ঢাকায় নির্ধারণ করা হারের চেয়ে সাশ্রয়ী। ঢাকায় নির্ধারিত হারের চেয়ে অনেক বেশি ভাড়া আদায় করা হয়। এমনকি সরকারি পরিবহন কোম্পানি বিআরটিসি ও সরকারি আবাসন সংস্থা রাজউকের বাসেও বেশি আদায় হয়। এর মধ্যে হাতিরঝিলে রাজউক পরিচালিত চক্রাকার বাসে ভাড়া যেকোনো বেসরকারি কোম্পানির ভাড়ার হারের চেয়ে অনেক বেশি।

কলকাতায় বাসের ভাড়া নির্ধারণ যে পদ্ধতিতে

২০১৮ সালের চার্ট অনুযায়ী বাসের ন্যূনতম ভাড়া ৮ রুপি, যেটি বাংলাদেশি মুদ্রায় ১০ টাকার মতো। এর পরের ১২ কিলোমিটার গেলে প্রতি কিলোমিটারে ভাড়া যোগ করা হয় ৭৫ পয়সা হারে।

অর্থাৎ কেউ ১২ কিলোমিটার গেলে ভাড়া হবে ১৪ রুপি, যা বাংলাদেশের মুদ্রায় ১৭ টাকা।

কিন্তু বাংলাদেশে ১২ কিলোমিটারের জন্য ভাড়া ৩০ টাকা, আদায় করা হচ্ছে কোথাও ৪০, কোথাও তার চেয়ে বেশি।

অথচ দেশেই সিএনজিচালিত অটোরিকশার ভাড়া নির্ধারণের ক্ষেত্রে প্রথম দুই কিলোমিটারের ভাড়া ৪০ টাকা, অর্থাৎ প্রতি কিলোমিটারে পড়ে ২০ টাকা। এরপর প্রতি কিলোমিটারের ভাড়া ১২ টাকা। প্রতি মিনিটে ওয়েটিংয়ে ২ টাকা।

লঞ্চ ভাড়ার ক্ষেত্রেও আছে একই উদাহরণ। প্রথম ১০০ কিলোমিটারের জন্য কিলোমিটারপ্রতি ভাড়া ২ টাকা ৩০ পয়সা আর ১০০ কিলোমিটারের বেশি হলে তখন প্রতি কিলোমিটারের ভাড়া হয় ২ টাকা হারে।

বিআরটিএ চুপ, যাত্রীর পক্ষের লোকরা অসহায়

ঢাকার তুলনায় কলকাতার যাত্রীদের বাস ভাড়া কম নির্ধারণের বিষয়ে সড়ক পরিবহন নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিআরটিএর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। গত ৬ আগস্ট বাস ভাড়া বাড়িয়ে দেয়ার পর সড়কে যেসব বিশৃঙ্খলা ও বাড়তি ভাড়ার সমস্যা ছিল, সেগুলো নিয়ে পরদিন থেকে নিউজবাংলা প্রতিবেদন তৈরির জন্য বহুবার বিআরটিএ চেয়ারম্যান নুর মোহাম্মদ মজুমদারের বক্তব্য নেয়ার চেষ্টা করেছে।

বহু ফোন তিনি উপেক্ষা করেছেন। একবার কল করে এসএমএস পাঠাতে বলেন। তার কাছে অনিয়মের বিষয়ে প্রশ্ন রেখে এসএমএস পাঠানো হলেও তিনি জবাব দেননি।

যাত্রী অধিকার নিয়ে সোচ্চার সংগঠন বাংলাদেশ যাত্রীকল্যাণ সমিতির মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরী নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমরা বরাবরই বলে আসছি আমাদের দেশে মালিকদের প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী ভাড়া নির্ধারণ করা হয়। ভাড়া নির্ধারণের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণ করা হয় না।’

প্রতিবেশী দেশগুলো সেবার মানের দিকে এগিয়ে দাবি করে তিনি বলেন, ‘আমাদের দেশে যাত্রীসেবার মান তলানিতে। লক্কড়-ঝক্কড় বাসকে সর্বোচ্চ দামের ধরে ভাড়া ঠিক করা হয়। এসব অনিয়ম নিয়ে সরকার ও বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষকে (বিআরটিএ) কিছুই বলে না।’

গণপরিবহন নিয়ে কাজ করা বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) সড়ক দুর্ঘটনা গবেষণা ইনস্টিটিউটের (এআরআই) পরিচালক অধ্যাপক মো. হাদিউজ্জামান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘বাস ভাড়া বৃদ্ধির সময় ১৮টি খাত বিবেচনা করে ভাড়া বাড়ানো হয়। যেগুলো কিছুটা অতিরঞ্জিত। অনেক ক্ষেত্রে বাস্তবে ওই ক্ষেত্রে ব্যয় হয় কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন আছে।’

তিনি বলেন, ‘বাস কোম্পানির হিসাবে শুভঙ্করের ফাঁকি রয়েছে। এ ছাড়া কিছু হিডেন কস্ট রয়েছে। যেমন, চাঁদা।’

ওয়েবিলের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ‘ওয়েবিল নামে কোনো দর্শন পৃথিবীর কোথাও নেই। বাংলাদেশের মালিক সমিতি তাদের উদ্ভাবনী মেধাশক্তি দিয়ে এই প্রথা চালু করেছে। কিন্তু এই মেধা যদি তারা যাত্রীসেবায় ব্যয় করত, তাহলে যাত্রীদের সেবার মানের অনেক উন্নতি হতো।

বাড়তি ভাড়া আদায়ের সমস্যা কলকাতাতেও আছে

ঢাকার মতোই কলকাতাতেও বাড়তি ভাড়া আদায়ের সমস্যা আছে। এ নিয়ে যাত্রীদের সঙ্গে ঝগড়াঝাটিও নিয়মিত হয়। বাড়তি ভাড়া আদায়ে বাসে ভুয়া টিকিট বিতরণের অভিযোগও আছে।

যেমন প্রথম চার কিলোমিটারে নির্ধারিত ভাড়ার ৮ রুপির জায়গায় তেলের বাড়তি দরের কথা বলে ১০ রুপি নেয়া হচ্ছে। পরের স্টেজে ১০ রুপি দিয়ে যে ১২ কিলোমিটার পর্যন্ত যাওয়া যেত, এখন সেখানে ১৫ রুপি নেয়া হচ্ছে। তারপর স্টেজে ১৮ কিলোমিটার পর্যন্ত ২০ থেকে ২৫ রুপি নেয়া হচ্ছে।

বিভিন্ন রুটে একই দূরত্বের জন্য বিভিন্ন রকম ভাড়া নেয়া হচ্ছে। বিভিন্ন অঞ্চলে বাস মালিকরা তাদের নিজেদের মতো করে ভাড়া ঠিক করে নিয়েছেন।

আমতলা শিয়ালদা ২৩৫ নম্বর রুটে ন্যূনতম বাস ভাড়া ১০ রুপি। পরের স্টেজে বেহালা থেকে ধর্মতলা পর্যন্ত ১০ কিলোমিটারের জন্য দিতে হচ্ছে ১৫ রুপি। আবার আলিপুর চিড়িয়াখানা থেকে সল্টলেক নিউ টাউন বাসে ধর্মতলা থেকে করুণাময়ী পর্যন্ত ১০ থেকে ১২ কিলোমিটারের জন্য ২০ থেকে ২৫ রুপি ভাড়া নেয়া হচ্ছে।

২৩৯ নম্বর রুটে বাবুঘাট নিউ টাউন বাসে ন্যূনতম ভাড়া ১০ রুপি। কিন্তু তার পরের ধাপে ১০ থেকে ১২ কিলোমিটারের জন্য কোথাও ১৫ কোথাও ২০ আবার কোথাও ২৫ রুপি পর্যন্ত ভাড়া নেয়া হচ্ছে।

এ নিয়ে প্রবল বচসা, উত্তেজনার পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে প্রতিদিন।

বাস মালিক ও যাত্রী- দুই পক্ষই চাইছে সরকার জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির সঙ্গে তাল মিলিয়ে নতুন বাস ভাড়ার তালিকা দিক। তাহলে কোনো পক্ষের আর ঠকতে হয় না।

তবে সরকারি বাসে কোনো ভাড়া বাড়েনি । বাড়তি ভাড়া নেয়ার বিষয় নেই। কিন্তু রাস্তায় সরকারি বাসের দেখা মেলা ভার।

রবীন্দ্রসদন থেকে ২৩০ নম্বর বাসে উঠেছেন রীনা রায়, যাবেন শিয়ালদা। তার সাফ কথা, 'ফেয়ার চার্ট দেখাতে হবে। আর বাড়তি ভাড়ার টিকিট দিতে হবে। তাহলে কোনো অসুবিধা নেই।'

শিয়ালদা থেকে বড়িষা যাবেন পীযূষ কান্তি সরকার। বাস ভাড়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘সরকার ফেয়ার চার্ট দিচ্ছে না। যে যার মতো ভাড়া নিচ্ছে! মগের মুলুক চলছে।'

এ প্রসঙ্গে রাজ্যের পরিবহনমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম সম্প্রতি বলেন, 'যদি অতিরিক্ত ভাড়া চান কন্ডাক্টর, তাকে ভাড়াটা দিয়ে টিকিটটা নিন। তারপর যেখানে নামছেন, সেখানকার স্থানীয় থানায় ওই বাসের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করুন। সেই অভিযোগের রিসিভ কপি আমাকে পাঠিয়ে দিন। আমি পরিবহন দপ্তরের কর্মকর্তাদের বলব, ওই বাসের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে।’

বাসভাড়া বৃদ্ধি নিয়ে লাগাতার আন্দোলন করে চলেছে এসইউসিআই পার্টি। দলের নেতা প্রভাশিস জানার অভিযোগ, বাড়তি ভাড়া নেয়ার অভিযোগে বিভিন্ন থানায় অভিযোগ করে সেই কপি পরিবহন দপ্তরে পাঠানো হলেও সরকারের তরফে কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি।

তিনি বলেন, ‘সরকার ভাড়া বাড়াবে না এ কথা বলে, কার্যত মালিকদের সুবিধা করে দিয়েছে। জনগণের ওপর অলিখিতভাবে বাড়তি ভাড়ার বোঝা চাপিয়ে দেয়া হয়েছে। সরকার সব জেনে বুঝে কোনো দায়িত্ব নিচ্ছে না।'

বেহালা শিয়ালদা মিনিবাস রুটের ড্রাইভার বাবুল লস্কর বলছেন, 'যখন ৮ টাকা ন্যূনতম ভাড়া ছিল, তখন এক লিটার ডিজেলের দাম ছিল ৬২ টাকা। আর এখন ১০০ টাকা ছুঁইছুঁই করছে। তেলের দাম যদি কমে, সে অনুযায়ী সরকার যদি ভাড়ার তালিকা দেয়, সবাই তালিকা অনুযায়ী ভাড়া দিলে, কোনো ঝামেলা থাকবে না।'

বড়িশা জয়েন্ট কাউন্সিল বাস সিন্ডিকেটের অমল সাহা বলেন, ‘বাস ভাড়া নিয়ে মাঝেমধ্যে গণ্ডগোল হয়। কিন্তু পরিস্থিতির চাপে সবাই, সব মেনে নিচ্ছেন। মেনে নিয়েই কাজ করছেন। সরকারের কাছে বারবার বলা হয়েছে, কিন্তু কেউ নতুন ভাড়ার তালিকা দিচ্ছে না। উল্টো হুমকি দিচ্ছে, আগের ভাড়াই দিতে হবে। এভাবে তো আর গাড়ি চলে না। কিন্তু পাবলিক মোটামুটি মেনে নিয়েছেন। এই অবস্থায় গাড়ি চলছে।’

আরও পড়ুন:
বাস ভাড়ার প্রতারণা কাদেরকে জানালেন জাফরউল্লাহ
বিআরটিএ ঘুমিয়ে, ফায়দা নিয়েই যাচ্ছে রাইদা
স্বাধীন পরিবহন ভাড়া কাটে ‘স্বাধীনভাবে’
কার কাছে বিচার দেবেন বাসযাত্রীরা
বাস ভাড়ায় স্বল্প দূরত্বে স্বস্তি দিল বিআরটিএ

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Taliban beat women protestors

বিক্ষোভকারী নারীদের পেটাল তালেবান

বিক্ষোভকারী নারীদের পেটাল তালেবান আফগানিস্তানে কর্মের অধিকার ও স্বাধীনতার দাবিতে শনিবার বিক্ষোভ করেন নারীরা। ছবি: এএফপি
কাবুলে বিক্ষোভকারী নারীদের কয়েকজন বিক্ষোভস্থলের আশপাশের দোকানগুলোতে আশ্রয় নিয়েছিলেন। তাদের ধরে এনে রাইফেলের বাঁট দিয়ে পিটিয়েছেন তালেবান যোদ্ধারা।

আফগানিস্তানে তালেবানের ফের ক্ষমতায় আসার বার্ষিকীর দুই দিন আগে কর্মের অধিকার ও স্বাধীনতার দাবিতে বিক্ষোভ করেছেন নারীরা।

স্থানীয় সময় শনিবার রাজধানী কাবুলে এ বিক্ষোভ সমাবেশ হয়, যেটি লাঠিপেটা ও ফাঁকা গুলি ছুড়ে ছত্রভঙ্গ করে দেয় তালেবান।

কাবুলে প্রবেশের মধ্য দিয়ে ২০২১ সালের ১৫ আগস্ট আফগানিস্তানে ক্ষমতার পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নেয় তালেবান। এর পর থেকে শিক্ষা, চাকরিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে নারীদের ওপর বিধিনিষেধ দেয় সংগঠনটি।

আল জাজিরার প্রতিবেদনে জানানো হয়, তালেবান শাসনের প্রথম বর্ষপূতির প্রাক্কালে কাবুলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সামনে সমাবেশে অংশ নেন প্রায় ৪০ নারী, যাদের মুখে ছিল ‘রুটি, কাজ ও স্বাধীনতা’ স্লোগান।

প্রায় দুই দশক পর ক্ষমতায় এসে তালেবান নারীদের স্বাধীনতা রক্ষায় কিছু প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, কিন্তু সেগুলো রক্ষা না করে হাই স্কুলের মেয়েদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছে তারা।

বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়, বিক্ষোভকারী নারীদের কয়েকজন বিক্ষোভস্থলের আশপাশের দোকানগুলোতে আশ্রয় নিয়েছিলেন। তাদের ধরে এনে রাইফেলের বাঁট দিয়ে পিটিয়েছেন তালেবান যোদ্ধারা।

বিক্ষোভকারীরা চাকরির অধিকারের পাশাপাশি রাজনৈতিক অংশগ্রহণের সুযোগও চেয়েছেন। তারা ‘১৫ আগস্ট কালো দিবস’ লেখা ব্যানারকে সামনে রেখেছিলেন।

ওই নারীদের অনেকে মুখ ঢাকা বোরকা পরেননি। তারা ‘ন্যায়বিচার, ন্যায়বিচার; আমরা অজ্ঞতা নিয়ে বিরক্ত’ স্লোগানও দেন।

বিক্ষোভ সমাবেশের আয়োজকদের একজন জোলিয়া পার্সি বলেন, ‘দুঃখজনকভাবে গোয়েন্দা সংস্থার তালেবান সদস্যরা (বিক্ষোভস্থলে) এসে ফাঁকা গুলি ছুড়েছে।’

আরও পড়ুন:
ইরানি বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে তালেবান নিহত
মেয়েদের স্কুল খোলার আহ্বান আফগানদের
আফগানিস্তানে জরুরি মানবিক সহায়তা পাঠাল বাংলাদেশ
আফগানিস্তানে খাবার, ওষুধ, কম্বল পাঠাচ্ছে বাংলাদেশ
প্রকাশ্যে তালেবানের নেতা আখুন্দজাদা

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
The Chinese ship got permission to anchor in Sri Lanka

শ্রীলঙ্কায় নোঙরের অনুমতি পেল চীনের সেই জাহাজ

শ্রীলঙ্কায় নোঙরের অনুমতি পেল চীনের সেই জাহাজ শ্রীলঙ্কার বন্দরে নোঙরের অনুমতি পেয়েছে চীনের গবেষণা জাহাজ। ছবি: এএফপি
শ্রীলঙ্কার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশটির দক্ষিণ উপকূলীয় হাম্বানটোটা বন্দরে ইউয়ান ওয়াং ফাইভের নোঙর করার কথা ছিল গত ১১ আগস্ট। অনুমতি পাওয়ার পর এটি তীরে ভিড়বে মঙ্গলবার।

ভারতের নিরাপত্তা উদ্বেগ সত্ত্বেও চীনের বিতর্কিত গবেষণা জাহাজকে তীরে ভেড়ার অনুমতি দেয়ার কথা জানিয়েছে সংকটে থাকা শ্রীলঙ্কা।

আল জাজিরার প্রতিবেদনে জানানো হয়, আন্তর্জাতিক নৌ চলাচল ও অ্যানালিটিকস সংক্রান্ত বিভিন্ন সাইট ‘ইউয়ান ওয়াং ফাইভ’ নামের জাহাজটিকে গবেষণা ও জরিপ তরি হিসেবে পরিচিত করেছে, তবে ভারতের সংবাদমাধ্যমগুলো বলছে, জাহাজটি দিয়ে একই সঙ্গে গুপ্তচরবৃত্তিও করা হয়।

স্বাধীনতা পরবর্তী সবচেয়ে বড় অর্থনৈতিক সংকটে থাকা শ্রীলঙ্কায় প্রভাব বাড়ানোর চেষ্টা করেছে চীন ও ভারত। যেকোনো দেশের তুলনায় শ্রীলঙ্কাকে বেশি সহায়তা করেছে দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম দেশটি, তবে ভারতের ভয়, এশিয়া-ইউরোপের প্রধান নৌ চলাচল পথের কাছে শ্রীলঙ্কার হাম্বানটোটা বন্দরকে সামরিক ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহার করবে বৈশ্বিক পরাশক্তি চীন।

শ্রীলঙ্কার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশটির দক্ষিণ উপকূলীয় হাম্বানটোটা বন্দরে ইউয়ান ওয়াং ফাইভের নোঙর করার কথা ছিল গত ১১ আগস্ট। অনুমতি পাওয়ার পর এটি তীরে ভিড়বে মঙ্গলবার।

শ্রীলঙ্কায় অর্থনৈতিক সংকটের জেরে কয়েক মাস ধরে বিক্ষোভের পর গত ১৩ জুলাই দেশ ছেড়ে পালান প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া রাজাপাকসে। এর এক দিন আগে শ্রীলঙ্কার উপকূলে আসার অনুমতি পেয়েছিল চীনের জাহাজটি।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, মহাশূন্য ও স্যাটেলাইট ট্র্যাকিংয়ের কাজে মোতায়েন করা হতে পারে চীনা জাহাজটিকে। আন্তমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার কাজেও এটি ব্যবহার করা হয়।

আরও পড়ুন:
ভারতের চাপে চীনা যুদ্ধ জাহাজকে শ্রীলঙ্কার ‘না’   
চীনের মহড়া হামলার প্রস্তুতি: তাইওয়ান
ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক রক্তের, প্রভাব পড়বে না: তথ্যমন্ত্রী
চীনের নতুন সামরিক মহড়া ঘোষণা
আন্তর্জাতিক ফোরামে বাংলাদেশকে সমর্থন দিয়ে যাবে চীন

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
I might go down the street begging

‘আমি হয়তো রাস্তায় ভিক্ষা করতে নামব’

‘আমি হয়তো রাস্তায় ভিক্ষা করতে নামব’ খরচ চালাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে নুরুল ইসলামকে। ছবি: বিবিসি
জ্বালানির মূল্য বাড়ানোর পেছনে বিশ্ববাজার পরিস্থিতিকে দায়ী করা হচ্ছে। অবশ্য ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধসহ নানা প্রেক্ষাপটে মাঝে বাড়লেও বিভিন্ন দেশে এখন জ্বালানির মূল্য অনেকটাই সহনীয়। এ নিয়ে বিক্ষোভের মুখে পড়েছে সরকার।

জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধিতে নিত্যপণ্যসহ নানা পণ্যের মূলের ওপর যে প্রভাব পড়েছে, তাতে দুর্ভোগে পড়েছে মানুষ। এ অবস্থায় রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ করছে দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতির দেশ বাংলাদেশের জনসাধারণ।

সার্বিক পরিস্থিতিতে অবস্থা যেদিকে যাচ্ছে, তাতে হয়তো আক্ষরিক অর্থেই পথে বসতে হতে পারে কাউকে কাউকে। এদেরই একজন নুরুল ইসলাম বলছেন, 'আমার ভয় হয়, দ্রুতই হয়তো রাস্তায় ভিক্ষা করতে নামতে পারি।'

যুক্তরাজ্যের সংবাদমাধ্যম বিবিসি এক প্রতিবেদনে রোববার বাংলাদেশের পরিস্থিতি নিয়ে যে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে তাতেই এসব কথা বলা হয়েছে। ওই প্রতিবেদনের শিরোনাম বিবিসি দিয়েছে, ‘বাংলাদেশে জ্বালানির দাম: আমি হয়তো রাস্তায় ভিক্ষা করতে নামব’।

গত ৫ আগস্ট মধ্যরাত থেকে ডিজেল ও কেরোসিনের দাম লিটারে ৩৪ টাকা এবং পেট্রল ও অকটেনের দাম যথাক্রমে ৪৪ ও ৪৬ টাকা করে বাড়ায় সরকার। নতুন দাম অনুযায়ী এক লিটার ডিজেল ও কেরোসিন কিনতে হবে ১১৪ টাকায়। প্রতি লিটার অকটেন কিনতে ১৩৫ টাকা গুনতে হবে। এখন থেকে জ্বালানিটির প্রতি লিটার ১৩০ টাকা। শতকরা হিসাবে ডিজেলের দাম বাড়ানো হয় ৪২ দশমিক ৫ শতাংশ। আর অকটেন ও পেট্রলের দাম বৃদ্ধি করা হয় ৫১ শতাংশ।

জ্বালানির মূল্য বাড়ানোর পেছনে বিশ্ববাজার পরিস্থিতিকে দায়ী করা হচ্ছে। অবশ্য ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধসহ নানা প্রেক্ষাপটের মাঝে বাড়লেও বিভিন্ন দেশে এখন জ্বালানির মূল্য অনেকটাই সহনীয়। এ নিয়ে বিক্ষোভের মুখে পড়েছে সরকার।

৯ বছর ধরে দিনাজপুর থেকে ট্রাকে সবজি নিয়ে তা ঢাকায় পৌঁছে দেন চালক নুরুল ইসলাম। জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি কীভাবে তার জীবনে প্রভাব ফেলেছে তা নিয়ে বিস্তারিত জানিয়েছেন তিনি। তিনি যে বেতন পান তাতে দুই সন্তান, স্ত্রী ও বাবা-মাকে নিয়ে সংসার চালানো খুবই কঠিন হয়ে পড়েছে তার জন্য।

‘আমি হয়তো রাস্তায় ভিক্ষা করতে নামব’

নুরুল বলেন, ‘নিত্যপণ্যের জন্য রীতিমতো যুদ্ধ করতে হচ্ছে। বাজারে যখন যাই, তখন পুরো পরিবারের জন্য পর্যাপ্ত খাবার কিনতে পারি না।

‘তেলের দাম যদি এমন করে বাড়তে থাকে, তাহলে তো আমি বাবা-মাকে দেখাশোনা করতে পারব না। ছেলে দুটিকেও স্কুলে পাঠাতে পারব না।’
এই ট্রাকচালক বলেন, ‘চাকরি না থাকলে আমাকে তো রাস্তায় ভিক্ষা করতে নামতে হবে।’

অবশ্য এই অবস্থা এখন যে শুধু নুরুলের তা নয়, তার মতো স্বল্প আয়ের অধিকাংশ মানুষকেই একই ধরনের শঙ্কার মধ্য দিয়ে সময় পার করতে হচ্ছে। অপেক্ষাকৃত সামান্য বেশি আয়ের মানুষও পড়েছেন এমন অবস্থায়।

জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধিতে বাসভাড়া বেড়ে যাওয়ায় শুধু অতি প্রয়োজনীয় ছাড়া সব ধরনের ভ্রমণ বন্ধ করে দিয়েছে জাকিয়া সুলতানা। তাকে হিমশিম খেতে হচ্ছে সন্তানের চিকিৎসা ব্যয় মেটাতেও।

জাকিয়া বলেন, ‘শুধু যে বাসভাড়া বেড়েছে তা নয়, বাজারে সব কিছুর দামই এখন বেড়েছে। আমার পরিবারের খরচ মেটানো কঠিন হয়ে গেছে।

‘এটা শুধু বাসভাড়া বৃদ্ধি নয়, রিকশাসহ সব যানবাহনেরই ভাড়া বেড়েছে। বাসা থেকে বের হওয়াই তো কঠিন হয়ে যাচ্ছে।’

সার্বিক পরিস্থিতিতে বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেছেন, ‘জ্বালানির দাম অনেক বেড়েছে। বিশ্ববাজারে যদি দাম বাড়ে, তাহলে আমাদের কী করার আছে?’

সরকারের অর্থনৈতিক অব্যবস্থাপনার অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি বলেন, ‘এরই মধ্যে এ খাতে ভর্তুকি দেয়া হয়েছে। তবে এখন মূল্যবৃদ্ধিটা অনিবার্য ছিল।’

আরও পড়ুন:
দেশে খাদ্যের নয়, জ্বালানির ঘাটতি আছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
কাঁচাবাজার নিয়ন্ত্রণহীন
জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে শাবিতে সপ্তাহে এক দিন অনলাইনে ক্লাস
সমালোচনার মুখে জ্বালানি তেলের দাম কমানোর উদ্যোগ

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Facebook moves bikini wearing teacher to protest firing

বিকিনি পরা ছবি দিয়ে প্রতিবাদ

বিকিনি পরা ছবি দিয়ে প্রতিবাদ বিকিনি পরে সমুদ্র সৈকতে নারীরা। ছবি: সংগৃহীত
রত্নাবলী তার ফেসবুকে, ‘কাঁচকলা। কাঁচকলা। ব্যক্তি শিক্ষকের পোশাক ছাত্র-ছাত্রীদের কাছে বিড়ম্বনার হয় না। এটি আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতায় জানি। যে কর্তৃপক্ষ এটা বোঝে না, তাদের শিক্ষার পরিধি বাড়ানোর দরকার।’

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিকিনি পরা ছবি পোস্ট করায় প্রতিষ্ঠানের ঐতিহ্যে আঘাত লেগেছে মনে করে কলকাতার সেন্ট জেভিয়ার্স বিশ্ববিদ্যালয় এক ইংরেজি শিক্ষিকাকে চাকরিচ্যুত করেছে কর্তৃপক্ষ। চাকরিচ্যুতির সে ঘটনায় সাঁতারের পোশাক পরা ছবি পোস্ট করে প্রতিবাদে সরব হয়েছেন সমাজের বিভিন্ন মহলের মানুষজন।

মেন্টাল হেলথ অ্যাক্টিভিস্ট রত্নাবলী রায় ফেসবুকে নিজের সাঁতারের পোশাক পরা ছবি পোস্ট করে সেন্ট জেভিয়ার্স ইউনিভার্সিটির এই পিছিয়ে পড়া মনোভাবের বিরুদ্ধে সবাইকে সাঁতারের পোশাক পরা ছবি পোস্ট করে প্রতিবাদ জানানোর আবেদন জানান।

রত্নাবলী তার ফেসবুকে, ‘কাঁচকলা। কাঁচকলা। ব্যক্তি শিক্ষকের পোশাক ছাত্র-ছাত্রীদের কাছে বিড়ম্বনার হয় না। এটি আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতায় জানি। যে কর্তৃপক্ষ এটা বোঝে না, তাদের শিক্ষার পরিধি বাড়ানোর দরকার।’

রত্নাবলীর পোস্টকে সমর্থন করে তীব্র সমালোচনার পাশাপাশি আরও অনেকে সাঁতারের পোশাক পরা ছবি পোস্ট করে এই ঘটনার প্রতিবাদে সরব হয়েছেন।

সেন্ট জেভিয়ার্স ইউনিভার্সিটির ওই শিক্ষিকা গত বছর জুন মাসে তার ইনস্টাগ্রাম প্রোফাইলে বিকিনি পরা কয়েকটি ছবি পোস্ট করেছিলেন। যা সম্পূর্ণ প্রাইভেট বলে দাবি করেছেন তিনি।

ঘটনার দুই মাস পর অক্টোবরে তিনি কাজে যোগ দিলে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাকে একটি বৈঠকে ডেকে তার বিকিনি পরা ছবির প্রিন্ট দেখিয়ে অশ্লীল মন্তব্য ও যৌন হেনস্তার পাশাপাশি তাকে চাকরি ছাড়তে বাধ্য করে বলে সম্প্রতি সংবাদমাধ্যমে উঠে আসে।

এ বিষয়ে ওই শিক্ষিকা আগে যাদবপুর থানায় একটি অভিযোগ করেন। সেখানে তিনি বলেন, ইনস্টাগ্রাম প্রাইভেট মোডের ছবি, যা কিনা ২৪ ঘণ্টা পর এমনি মুছে যাওয়ার কথা, দুমাস পর সেই ছবি দেখিয়ে তাকে হেনস্থা করা হয়েছে। তাকে চাকরি ছাড়তে বাধ্য করা হয়েছে।

তার দাবি, তার প্রোফাইল হ্যাক করা হয়ে থাকতে পারে।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ অবশ্য শিক্ষিকার দাবি অস্বীকার করে, তিনি স্বেচ্ছায় চাকরি ছেড়ে দিয়েছেন বলে দাবি করেছে।

সেন্ট জেভিয়ার্স বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ইংরেজি স্নাতক স্তরের প্রথম বর্ষের এক ছাত্রের বাবার অভিযোগের ভিত্তিতে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানা গেছে।

ওই ছাত্রের বাবা অভিযোগে লেখেন, ‘ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করা এক শিক্ষিকার বিকিনি পরা ছবি দেখছিল আমার ছেলে। ছবিগুলো কুরুচিকর, অশ্লীল, প্রায় নগ্ন। যৌন উত্তেজনামূলক পোশাক পরা। শিক্ষিকার অন্তর্বাস পরা ছবি দেখছে ছেলে, বাবা হিসেবে এ দৃশ্য অত্যন্ত লজ্জার।’

এরপর ফেসবুকে চিঠিটি ভাইরাল হয়। পরে শিক্ষিকার বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ৯৯ কোটি টাকার মানহানির মামলা করেছে বলেও দাবি করেন ওই শিক্ষিকা।

শিক্ষাবিদ, সমাজকর্মী মিরাতুন নাহার এই ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমি অধ্যাপনা পেশার সঙ্গে দীর্ঘ ৩৪ বছর যুক্ত ছিলাম। ব্যক্তিগতভাবে মনে করি, এত তুচ্ছ একটা বিষয় নিয়ে তিনি ইনস্টাগ্রাম পোস্টে যাচ্ছেন কেন? প্রাইভেট হোক আর পাবলিক হোক। এরকম মনোবৃত্তিটা হয় কীভাবে? এরকম প্রশ্ন আমার মনে জাগে। তাই বলে, তার ওপর কিছু আমি আরোপ করতে চাই না।’

মীরাতুন্নাহার বলেন, ‘যেটা শুনতে পাচ্ছি, একজন মাত্র অভিভাবক অভিযোগ করেছেন। তাও ঘটনার দুমাস পরে এবং তিনি তখনও অধ্যাপনায় যোগ দেননি। সেরকম সময়ের ইনস্টাগ্রাম পোস্ট। এই তথ্যগুলো যুক্তিসঙ্গত। সেন্ট জেভিয়ার্সের যিনি অধ্যক্ষ তিনি আমার খুব পরিচিত। তার ব্যক্তিগত জীবন, তিনি কেমন মানুষ, আমার জানা। ফলে তার মতো মানুষ বা কর্তৃপক্ষ একটা মানুষের উপর সবটা কর্তৃত্ব করবেন, এটা হতে পারে না।

‘অধ্যাপনা জীবনের বাইরের ঘটনা নিয়ে যদি চাকরি ছাড়তে বাধ্য করা হয়, তার তীব্র নিন্দা করছি। অত্যন্ত অন্যায় হয়েছে বলে আমি মনে করি। এটা ঠিক হয়নি।’

সাহিত্যিক আবুল বাশার নিউজবাংলার থেকে এই ঘটনা শোনার পর তিনি বলেন, ‘বর্তমান ডিজিটাল যুগে ব্যক্তিগত পরিসর বলে আর কিছু নেই। তবে আমাদের জানতে হবে কীভাবে ডিজিটাল যন্ত্র ব্যবহার করতে হয়, সেই সামাজিক জ্ঞানও মানুষের নেই।’

আবুল বাশার আরও বলেন, ‘চাকরি এখন খোলামকুচি নয়। ইচ্ছে করলেই চাকরি থেকে বরখাস্ত করা যায়? বিকিনি পরে উনি তো আর বিশ্ববিদ্যালয় যাননি?

‘কোথায় কী গোপন ছবি বেরিয়েছে, তার উপর ভিত্তি করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কেন সিদ্ধান্ত নেবেন? একটা ব্যক্তিগত পরিসর আর একটা সামাজিক পরিসর। বিশ্ববিদ্যালয় সামাজিক পরিসরের অংশ। দুটোকে গুলিয়ে ফেলার কারণ নেই। ব্যক্তিগত ছবি ব্যবহার করে জীবন বিনাশী, হঠকারী সিদ্ধান্ত, এটা মোটেই বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ঠিক কাজ করেনি।’

আরও পড়ুন:
পশ্চিমবঙ্গে মন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ মডেলের ঘর থেকে ২০ কোটি রুপি জব্দ
পশ্চিমবঙ্গের নতুন রাজ্যপাল হিসেবে গণেশনের শপথ
চলন্ত বাইক আরোহীর ওপর চিতার হামলা
বিজেপি নেতা শুভেন্দুকে গ্রেপ্তারের দাবি তৃণমূলের
দেড় শ বছরে কলকাতার ট্রাম, ফিরছে নতুন রুটে

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Chaturvedis 22 year struggle for Rs

২০ রুপির জন্য চতুর্বেদীর ২২ বছরের লড়াই

২০ রুপির জন্য চতুর্বেদীর ২২ বছরের লড়াই
ট্রেনের প্রতিটি টিকিটের দাম ৩৫ রুপি ছিল। চতুর্বেদী দুটি টিকিট নিয়ে কেরানিকে ১০০ রুপির একটি নোট দিয়েছিলেন। ৭০ টাকার পরিবর্তে কেরানি তার কাছ থেকে নিয়েছিলেন ৯০ রুপি। ১০ রুপি তাকে ফেরত দেয়া হয়।

একেই বলে ধৈর্য। নয়তো ২০ রুপির জন্য দীর্ঘ ২২ বছর কেউ মামলা চালিয়ে যায়? তাও আবার সরকারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে! অবশেষে গত সপ্তাহে মামলার রায় আসে তার পক্ষে।

সময়টা ১৯৯৯ সাল। উত্তর প্রদেশের বাসিন্দা তুঙ্গনাথ চতুর্বেদী রেলযাত্রার জন্য দুটি টিকিট কিনেছিলেন। সেদিন তার কাছ থেকে নির্ধারিত টাকার চেয়ে ২০ রুপি বেশি নেয়া হয়েছিল

ঘটনাটি ঘটে মথুরা সেনানিবাস রেলওয়ে স্টেশনে। পেশায় আইনজীবী চতুর্বেদী বিষয়টি মেনে নিতে পারেননি। কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে সাড়া না পেয়ে আদালতের শরণাপন্ন হন তিনি।

ভোক্তা আদালত গত সপ্তাহে চতুর্বেদীর পক্ষে রায় দেয়। রেলওয়েকে বলা হয়, সুদসহ অর্থ ফেরত দিতে বাদীকে।

চতুর্বেদী বলেন, ‘এই মামলায় ১০০টিরও বেশি শুনানিতে অংশ নিয়েছি। মামলা লড়তে যে শক্তি এবং সময় হারিয়েছি, তার মূল্য আপনি দিতে পারবেন না।’

ভারতে ভোক্তা আদালত বিশেষভাবে পরিষেবা সম্পর্কিত অভিযোগগুলোর ফয়সালা করে। তবে এসব আদালত থাকে মামলায় ঠাসা। কখনো কখনো সাধারণ মামলাগুলোর সমাধানে কয়েক বছর লেগে যায়।

ঘটনায় সময় চতুর্বেদীর বয়স ছিল ৪২ বছর। মথুরা থেকে মোরাদাবাদে যাচ্ছিলেন তিনি। একজন টিকিট-বুকিং কেরানি তার কেনা দুটি টিকিটের জন্য অতিরিক্ত চার্জ করেছিলেন।

প্রতিটি টিকিটের দাম ৩৫ রুপি ছিল। চতুর্বেদী দুটি টিকিট নিয়ে কেরানিকে ১০০ রুপির একটি নোট দিয়েছিলেন। ৭০ টাকার পরিবর্তে কেরানি তার কাছ থেকে নিয়েছিলেন ৯০ রুপি। ১০ রুপি তাকে ফেরত দেয়া হয়।

চতুর্বেদী সঙ্গে সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানিয়েছিলেন। তারা বিষয়টিকে পাত্তা দেয়নি। তাই উত্তর-পূর্ব রেলওয়ের (গোরখপুর) বুকিং ক্লার্কের বিরুদ্ধে মথুরার একটি ভোক্তা আদালতে মামলা করার সিদ্ধান্ত নেন চতুর্বেদী৷

তিনি জানান, ভারতে বিচারব্যবস্থা যে ধীর গতিতে কাজ করে, তার জন্য এত বছর লেগেছে।

‘রেলওয়ে মামলাটি খারিজ করার চেষ্টা করেছিল। তারা জানিয়েছিল, রেলওয়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ একটি রেলওয়ে ট্রাইব্যুনালে সুরাহা করা উচিত, ভোক্তা আদালতে নয়। তবে আমি ২০২১ সালের সুপ্রিম কোর্টের একটি রায় দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখিয়ে প্রমাণ করি বিষয়টির শুনানি ভোক্তা আদালতে হতে পারে।’

দীর্ঘ লড়াইয়ের পর, বিচারক রেলওয়েকে ১৫ হাজার রুপি জরিমানা করেন। অর্থাৎ আদালত রেলওয়েকে ১৯৯৯ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত প্রতি বছর ১২ শতাংশ হারে সুদে ২০ রুপি ফেরত দেয়ার নির্দেশ দিয়েছে। আর যদি ৩০ দিনের নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে অর্থ প্রদান না করা হয়, তবে সুদের হার হবে ১৫ শতাংশ।

চতুর্বেদী বলেন, ‘যে ক্ষতিপূরণ পেয়েছি তা খুব অল্প। মামলাটি আমাকে যে পরিমাণ মানসিক যন্ত্রণা দিয়েছে তা অপূরণীয়। আমার পরিবার বহুবার মামলা তুলে নিতে চাপ দিয়েছিল।

‘এটা আসলে অর্থের বিষয় নয়। এটা ছিল অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াই। তাই মামলাটি আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ ছিল। আর যেহেতু আমি নিজে একজন আইনজীবী, তাই নিজেই মামলাটি লড়েছি। বাড়তি অর্থ খরচ হয়নি।

‘কোনো ব্যক্তির সরকারি পদমর্যাদা যাই হোক না কেন, তাকে জনগণের প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। এটাই নিয়ম। আপনি যদি এমন করেন, তবে দুর্নীতি ঠেকানোর জন্য অনেকটাই সহজ হবে।‘

মামলা অন্যদের জন্য একটি অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করবে বলে বিশ্বাস তুঙ্গনাথ চতুর্বেদীর। তিনি বলেন, ‘লড়াই কঠিন মনে হলেও, হাল ছেড়ে দেবেন না।’

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Workers killed in firing in Jammu and Kashmir

জম্মু-কাশ্মীরে গুলিতে শ্রমিক নিহত

জম্মু-কাশ্মীরে গুলিতে শ্রমিক নিহত
কাশ্মীর পুলিশের টুইট বার্তায় গুলিতে শ্রমিক নিহতের তথ্য নিশ্চিত করে বলা হয়েছে, হাসপাতালে নেয়ার পরও তাকে বাঁচানো যায়নি।

ভারত নিয়ন্ত্রিত জম্মু-কাশ্মীরে গুলিতে এক শ্রমিক নিহত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে বান্দিপোর জেলার আজাজ এলাকায় এই ঘটনা ঘটে বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি

পুলিশ জানিয়েছে, সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত মোহম্মদ আমরেজ বিহার থেকে ওই এলাকায় এসেছিলেন।

আমরেজকে গুলি করে পালিয়ে যায় সন্ত্রাসীরা। এরপর হাসপাতালে নেয়া হলে তাকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক।

এর আগে এদিন সকালে রজৌরিতে ভারত ও পাকিস্তানকে বিভক্তকারী সীমান্তের নিয়ন্ত্রণ রেখার (এলওসি) কাছে হামলায় নিহত হন তিন সেনা সদস্য।

কাশ্মীর পুলিশের টুইট বার্তায় গুলিতে শ্রমিক নিহতের তথ্য নিশ্চিত করে বলা হয়েছে, হাসপাতালে নেয়ার পরও তাকে বাঁচানো যায়নি।

গত কয়েক বছর ধরে ধারাবাহিকভাবে জম্মু-কাশ্মীরে দেশটির অন্য রাজ্যের শ্রমিকদের গুলি করে হত্যার ঘটনা ঘটছে। গত সপ্তাহে বিহার থেকে আসা এক শ্রমিককে গুলি করে হত্যা করে সন্ত্রাসীরা।

এর আগে অক্টোবরে বিহারের বাসিন্দা ফুচকা বিক্রেতা অরবিন্দ কুমার শাহকে শ্রীনগরে এবং উত্তর প্রদেশের বাসিন্দা কাঠমিস্ত্রি সাগির আহমেদকে পুলওয়ামায় খুন করা হয়েছিল।

এর পর কুলগামের ওয়ানপো এলাকায় বিহারের তিন শ্রমিককে গুলি করা হয়। চলতি বছরের জুনে চাদুরা এলাকায় মগ্রেপোরায় একটি ইটভাটার দুই বিহারি শ্রমিককেও একই কায়দায় খুন করা হয়।

এই পরিস্থিতিতে জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের কাছে নিরাপত্তার দাবিতে বিহার, উত্তর প্রদেশসহ কয়েকটি রাজ্যের পক্ষ থেকে আবেদন জানানো হয়েছে।

আরও পড়ুন:
পুলিৎজারজয়ী কাশ্মীরের চিত্র সাংবাদিককে আটকে দিল নয়াদিল্লি
কাশ্মীরে টার্গেট কিলিং নিয়ে পাকিস্তানকে অভিযুক্ত করল ভারত
২৬ দিনে ১০ খুন, আতঙ্ক কাশ্মীরে

মন্তব্য

p
উপরে