× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

আন্তর্জাতিক
When he came to his brothers funeral he also died from a snake bite
google_news print-icon

ভাইয়ের শেষকৃত্যে এসে তারও মৃত্যু সাপের ছোবলে

ভাইয়ের-শেষকৃত্যে-এসে-তারও-মৃত্যু-সাপের-ছোবলে-
প্রতীকী ছবি
বুধবার ভাইয়ের শেষকৃত্যে অংশ নিতে আসেন ওই যুবক। বৃহস্পতিবার তারও মৃত্যু হয়েছে সাপের কামড়ে।

সাপের ছোবলে মারা যাওয়া ভাইয়ের শেষকৃত্যে অংশ নিতে এসে সাপের ছোবলেই মারা গেলেন এক যুবক।

ভারতের উত্তর প্রদেশে বলরামপুরের একটি গ্রামে সম্প্রতি এ ঘটনা ঘটেছে বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি

৩৮ বছর বয়সী অরিভিন্দ মিশ্রের শেষকৃত্যে এসে সেই বাড়িতেই ঘুমের মধ্যে সাপের ছোবলে মারা যাওয়া ২২ বছর বয়সী যুবকের নাম গোভিন্দ মিশ্র।

স্থানীয় পুলিশ কর্মকর্তা রাধা রমণ সিং জানিয়েছেন, বুধবার ভাইয়ের শেষকৃত্যে অংশ নিতে আসেন ওই যুবক। বৃহস্পতিবার তারও মৃত্যু হয়েছে সাপের কামড়ে।

তিনি বলেন, ঘুমের মধ্যে সাপের ছোবলে মারা গেছেন গোভিন্দ। একই ঘরে একই সময়ে তার আরেক আত্মীয়ও সাপের ছোবলে আহত হয়েছেন।

আহত যুবকের অবস্থাও আশঙ্কাজনক বলে জানান পুলিশ কর্মকর্তা।

স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ও পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। এ ব্যাপারে পদক্ষেপের কথা বলেছেন তারা।

আরও পড়ুন:
সাপের ছোবলে প্রাণ গেল ২ মাদ্রাসাছাত্রের
সাপের মাথার আকৃতি বলে দেয় বিষধর কি না
বিষধর সাপ উদ্ধারের পর বনে অবমুক্ত

মন্তব্য

আরও পড়ুন

আন্তর্জাতিক
9 killed in chemical factory fire in India

ভারতে রাসায়নিক কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে নিহত ৯

ভারতে রাসায়নিক কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে নিহত ৯ শুক্রবার মহারাষ্ট্র রাজ্যের থানে জেলার একটি কারখানায় এই আগুন লাগে। ছবি: সংগৃহীত
শুক্রবার মহারাষ্ট্র রাজ্যের থানে জেলার একটি কারখানায় এই আগুন লাগে। নিখোঁজদের উদ্ধারে ধ্বংসাবশেষের মধ্যে ব্যাপক তল্লাশি চালাচ্ছে জরুরি উদ্ধারকর্মীরা।

ভারতের পশ্চিমাঞ্চলে একটি রাসায়নিক কারখানায় বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ৯ জন নিহত হয়েছে। এতে আহত হয়েছেন অন্তত আরও ৬৪ জন।

শুক্রবার মহারাষ্ট্র রাজ্যের থানে জেলার একটি কারখানায় এই আগুন লাগে। নিখোঁজদের উদ্ধারে ধ্বংসাবশেষের মধ্যে ব্যাপক তল্লাশি চালাচ্ছে জরুরি উদ্ধারকর্মীরা। খবর ইউএনবি

প্রশাসনিক কর্মকর্তা শচীন শেজাল জানান, বৃহস্পতিবার কারখানার বয়লারে বিস্ফোরণের ফলে মহারাষ্ট্র রাজ্যের থানে জেলায় কারখানার বয়লার বিস্ফোরণে আশপাশের কারখানা ও বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

সেজাল বলেন, আগুন নিভিয়ে ফেলা হয়েছে এবং উদ্ধারকারীরা ধ্বংসস্তূপের মধ্যে আরও দুটি মৃতদেহ খুঁজে পেতে অনুসন্ধান চালাচ্ছে। যদিও ধ্বংসাবশেষের পরিমাণ অতিরিক্ত হওয়ার কারণে অনুসন্ধান বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

সেজাল বলেন, এখন পর্যন্ত দুটি লাশ শনাক্ত করা গেছে এবং সাতটি বেশি পুড়ে যাওয়ার কারণে তাদের চেনা যাচ্ছে না।

তিনি বলেন, 'আমরা নিহতদের পরিবারের সদস্যদের ডিএনএ নমুনা জমা দিতে বলেছি। যা লাশগুলো শনাক্তে আমাদের সহায়তা করতে পারে।’

বিস্ফোরণের পর ওই এলাকায় ধূসর ধোঁয়ার কুণ্ডলী ছড়িয়ে পড়ার কারণ ক্ষতিয়ে দেখা হচ্ছে বলেও জানান এই প্রশাসনিক কর্মকর্তা।

ভারতের ন্যাশনাল ডিজাস্টার রেসপন্স ফোর্স জানিয়েছে, কারখানাটিতে খাবারের রং উৎপাদন করা হতো। এতে খুবই প্রতিক্রিয়াশীল রাসায়নিক ব্যবহার করার কারণে বিস্ফোরণ ঘটে থাকতে পারে।

সেজাল বলেন, বৃহস্পতিবারের বিস্ফোরণে তীব্র কম্পনের কারণে আশপাশের কারখানাগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং আশপাশের বাড়ির কাচের জানালা ভেঙে গেছে।

এদিকে দিল্লির কার্নিভাল রিসোর্টে আরেকটি আগুনের ঘটনা ঘটেছে।

বার্তা সংস্থা এএনআইয়ের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দমকল কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে এবং আগুন নেভানোর চেষ্টা চলছে।

শুক্রবার দিল্লির আলিপুর এলাকায় কার্নিভাল রিসোর্টে এই ভয়াবহ আগুনের ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে দমকল কর্মকর্তারা।

আরও পড়ুন:
ভারতে চলন্ত বাসে আগুনে ৯ জনের মৃত্যু

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
NDTV reports gory description of MP Annas murder

এনডিটিভির প্রতিবেদনে এমপি আনার হত্যার লোমহর্ষক বর্ণনা

এনডিটিভির প্রতিবেদনে এমপি আনার হত্যার লোমহর্ষক বর্ণনা কলকাতার নিউ টাউনের একটি ফ্ল্যাটে এমপি আনার খুন হন বলে জানায় পশ্চিমবঙ্গের পুলিশ। ছবি: এনডিটিভি
হত্যাকাণ্ডের তদন্তে প্রাপ্ত তথ্যের বরাত দিয়ে এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশি একজন এমপির (যিনি কলকাতায় খুন হয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে) চামড়া তুলে ফেলা হয়েছে। একটি ফ্ল্যাটে তার মরদেহ টুকরা হয়েছে। পরে কয়েকটি প্লাস্টিকের প্যাকেটে ভরে শহরজুড়ে মরদেহের অংশগুলো ফেলা হয়েছে।

ভারতে গিয়ে ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) আনোয়ারুল আজীম আনারের খুন হওয়া নিয়ে শুক্রবার প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে নয়াদিল্লিভিত্তিক জনপ্রিয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।

এতে আনার হত্যার লোমহর্ষক বর্ণনা দেয়া হয়েছে।

হত্যাকাণ্ডের তদন্তে প্রাপ্ত তথ্যের বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যমটির প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশি একজন এমপির (যিনি কলকাতায় খুন হয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে) চামড়া তুলে ফেলা হয়েছে। একটি ফ্ল্যাটে তার মরদেহ টুকরা হয়েছে। পরে কয়েকটি প্লাস্টিকের প্যাকেটে ভরে শহরজুড়ে মরদেহের অংশগুলো ফেলা হয়েছে।

চিকিৎসার জন্য গত ১২ মে কলকাতায় যান এমপি আনার, যার দুই দিন পর ১৪ মে থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন।

এনডিটিভির খবরে বলা হয়, পশ্চিমবঙ্গের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) মুম্বাইয়ের বাসিন্দা অবৈধ বাংলাদেশি অভিবাসী জিহাদ হাওলাদারকে গ্রেপ্তারের পর আনার হত্যার তদন্তে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে।

সিআইডির সূত্রের বরাতে সংবাদমাধ্যমটি জানায়, কলকাতার নিউ টাউনের ফ্ল্যাটে বাংলাদেশি এমপিকে হত্যা ও তার দেহ টুকরা করার সঙ্গে জড়িত থাকার স্বীকার করেছেন জিহাদ।

এনডিটিভি জানায়, জিহাদকে জিজ্ঞাসাবাদে খুনের নিখুঁত পরিকল্পনা ও সংঘটনের মর্মান্তিক বর্ণনা উঠে আসে।

সিআইডির সূত্র জানায়, বাংলাদেশি আমেরিকান আখতারুজ্জামান এমপি আনার হত্যার হোতা। আখতারুজ্জামানের নির্দেশে কলকাতার নিউ টাউনের ফ্ল্যাটে জিহাদ ও অন্য চার বাংলাদেশি শ্বাসরোধ করে আনারকে হত্যা করেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বুধবার এমপি আনার খুনের বিষয়টি জানিয়ে সাংবাদিকদের বলেন, এ ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

পশ্চিমবঙ্গ সিআইডি নিউ টাউনের ফ্ল্যাটটিতে রক্তের দাগ ও বেশ কিছু প্লাস্টিকের ব্যাগ পায়। এসব ব্যাগ দিয়ে আনারের দেহের টুকরাগুলো ফেলা হয়েছে বলে ধারণা করছে পুলিশের বিভাগটি।

পুলিশের দাবি, পারিপার্শ্বিক প্রমাণ দেখে মনে হচ্ছে, এমপি আনারকে শুরুতে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয় এবং পরবর্তী সময়ে তার দেহ কয়েক টুকরা করা হয়।

পুলিশের কাছে জিহাদের দেয়া বর্ণনার ভিত্তিতে এনডিটিভির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, আনারকে হত্যার পর দলটি তার গায়ের চামড়া তোলার পাশাপাশি হাড় থেকে মাংস ছাড়িয়ে ফেলে। আনারের দেহকে ছোট ছোট টুকরা করা হয়, যাতে তাকে চেনার কোনো সম্ভাবনা না থাকে।

হত্যাকারী দলটি এমপির হাড়গুলোকেও ছোট ছোট টুকরা করে এবং দেহের অংশগুলো প্লাস্টিকের ব্যাগে ভরে। পরবর্তী সময়ে সেগুলো গাড়িতে করে কলকাতার বিভিন্ন স্থানে ফেলা হয়।

পশ্চিমবঙ্গের পুলিশ জানায়, খুনের শিকার হওয়া বাংলাদেশি এমপির দেহের অংশগুলো কোথায় ফেলা হয়েছে, তা নিয়ে আরও তথ্য জানার চেষ্টা চলছে।

আরও পড়ুন:
এমপি আনার খুন: ভারতের সংবাদমাধ্যম যা বলছে
শেরেবাংলা নগর থানায় এমপি আনারের মেয়ের মামলা
এমপি হত্যায় ভারতকে দোষারোপ না করার আহ্বান কাদেরের
এমপি আনারকে হত্যা করেছে বাংলাদেশি অপরাধীরা: ডিএমপি ডিবি প্রধান
এমপি আনারের হত্যাকাণ্ড দুই রাষ্ট্রের বিষয় নয়: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Bir Bahadur is on his way to his homeland Nepal after 40 years with Banglabandha

বাংলাবান্ধা দিয়ে ৪০ বছর পর স্বদেশ নেপালের পথে বীর বাহাদুর

বাংলাবান্ধা দিয়ে ৪০ বছর পর স্বদেশ নেপালের পথে বীর বাহাদুর বাংলাবান্ধা ইমিগ্রেশন চেকপোস্টে বৃহস্পতিবার স্বজনদের কাছে বীর বাহাদুর রায়কে হস্তান্তর করা হয়। ছবি: নিউজবাংলা
প্রায় ৪০ বছর আগে ভারত হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেন বীর বাহাদুর রায়। দীর্ঘ এই সময়ে তিনি বাংলাদেশের বিভিন্ন হোটেল-রেস্টুরেন্ট ও চাতালে কাজ করেন। অবশেষে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগের সহায়তায় নিজ দেশের উদ্দেশে রওনা হয়ে যান তিনি।

বীর বাহাদুর রায় তার জীবনের দীর্ঘ ৪০টি বছর কাটিয়ে দিয়েছেন এই বাংলাদেশে। অবশেষে তিনি ফিরে গেলেন নিজ দেশ নেপালে।

পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলা প্রশাসনের সার্বিক সহযোগিতায় বৃহস্পতিবার (২৩ মে) বিকেল ৪টার দিকে বাংলাবান্ধা ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে ভারত হয়ে দেশের পথে রওনা হয়ে গেছেন এই নেপালি নাগরিক।

বীর বাহাদুরের বাড়ি নেপালের গোরখে বাঙ্গিনা এলাকায়। তিনি ওই এলাকার মৃত অধীর চন্দ্রের ছেলে বলে জানা যায়।

বীর বাহাদুরকে বৃহস্পতিবার বাংলাবান্ধায় স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন তেঁতুলিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফজলে রাব্বি, নেপাল দূতাবাসের উপ-রাষ্ট্রদূত ললিতা সিলওয়াল, দ্বিতীয় সচিব ইয়োজানা বামজান ও সেক্রেটারি অফ অ্যাম্বাসেডর রিয়া ছেত্রী, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাহবুবুল হাসান, বাংলাবান্ধা ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের এসআই ও ইনচার্জ অমৃত অধিকারীসহ পুলিশ ও বিজিবি সদস্যবৃন্দ।

বীর বাহাদুরকে স্বজনদের কাছে হস্তান্তরের সময় এক আবেগঘন দৃশ্যের অবতারণা হয়। বাংলাদেশে থাকার সময় যারা দীর্ঘ ৪০ বছর পরম যত্নে রেখেছিলেন তাদেরকে স্মরণ করেন তিনি। একইসঙ্গে স্বজনদের ফিরে পাওয়ার আনন্দে চোখের পানি ফেলেন। এই বৃদ্ধ। একইসঙ্গে স্বজনদের কাছে ফিরিয়ে দেয়ায় বাংলাদেশের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এই নেপালি।

জানা যায়, প্রায় ৪০ বছর আগে ভারত হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেন বীর বাহাদুর রায়। দীর্ঘ এই সময়ে তিনি বাংলাদেশের বিভিন্ন হোটেল-রেস্টুরেন্টে কাজ করেন। প্রায় ৩০ বছর ধরে বগুড়ার দুপচাঁচিয়া এলাকার অলক বসাকের চাতালে কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছিলেন তিনি।

বাংলাদেশে অবস্থানকালে বীর বাহাদুর রায়ের বিরুদ্ধে কোনো মামলা বা বিরূপ কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। এসব দিক বিবেচনা করে ১৬ মে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগ থেকে নেপালি নাগরিক বীর বাহাদুর রায়কে স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের অনুমতি দেয়া হয়। সে অনুযায়ী আইনি জটিলতা নিরসন শেষে বৃহস্পতিবার বিকেলে বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর ইমিগ্রেশন চেকপোস্টে তাকে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

বীর বাহাদুরের ভাতিজা রাজন রায় বলেন, ‘আমরা খুব কৃতজ্ঞ বাংলাদেশের মানুষ ও প্রশাসনের প্রতি। তারা আমার চাচাকে পরম যত্নে রেখেছিলেন। এজন্য তেঁতুলিয়া প্রশাসনকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফজলে রাব্বি বলেন, ‘বীর বাহাদুর রায় একজন নেপালি নাগরিক। তিনি বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গাসহ বগুড়ার দুপচাঁচিয়ায় একজনের আশ্রয়ে ছিলেন। তার এই অবস্থানকালে কোনো ধরনের মামলা কিংবা তার ব্যাপারে বিরূপ কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। তাই তাকে স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের অনুমতি দেয় প্রশাসন। তারই ধারাবাহিকতায় আজ (বৃহস্পতিবার) বিকেলে উপজেলা প্রশাসনের সার্বিক সহযোগিতায় বীর বাহাদুর রায়কে তার স্বজনের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।’

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Modi deeply saddened by Raisis tragic death

রাইসির ‘বিষাদময়’ মৃত্যুতে ‘গভীরভাবে দুঃখিত’ মোদি

রাইসির ‘বিষাদময়’ মৃত্যুতে ‘গভীরভাবে দুঃখিত’ মোদি দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গে ২০২৩ সালের আগস্টে অনুষ্ঠিত ব্রিকস সম্মেলন চলাকালে ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আলাপ। ছবি: এক্স
এক্সে দেয়া পোস্টে মোদি লিখেন, ‘ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের প্রেসিডেন্ট ড. সাইয়েদ ইব্রাহিম রাইসির বিষাদময় মৃত্যুতে (আমি) গভীরভাবে দুঃখিত ও মর্মাহত। ভারত-ইরান দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক মজবুত করতে তার অবদান সবসময় স্মরণ করা হবে।’

ইরানের পূর্ব আজারবাইজান প্রদেশে রোববার হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে দেশটির প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসির মৃত্যুতে গভীর দুঃখ প্রকাশ করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে সোমবার এক পোস্টে মোদি তার এ অভিব্যক্তি প্রকাশ করেন।

ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যমে প্রেস টিভির প্রতিবেদনে জানানো হয়, পূর্ব আজারবাইজান প্রদেশের ভারজাকান ও জোলফা শহরের মধ্যবর্তী দিজমার বনে বিধ্বস্ত হয় ইরানের প্রেসিডেন্ট ও তার সফরসঙ্গীদের বহনকারী হেলিকপ্টারটি। এতে থাকা আরোহীদের সবাইকে মৃত ঘোষণা করা হয়েছে।

এক্সে দেয়া পোস্টে মোদি লিখেন, ‘ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের প্রেসিডেন্ট ড. সাইয়েদ ইব্রাহিম রাইসির বিষাদময় মৃত্যুতে (আমি) গভীরভাবে দুঃখিত ও মর্মাহত। ভারত-ইরান দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক মজবুত করতে তার অবদান সবসময় স্মরণ করা হবে।

‘তার (রাইসি) পরিবার ও ইরানের জনগণের প্রতি আমার হৃদয় নিংড়ানো সমবেদনা। শোকের এ সময়ে ইরানের পাশে আছে ভারত।’

আরও পড়ুন:
যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার হুঁশিয়ারির জবাব ভারতের
ভারতকে নিষেধাজ্ঞার হুমকি যুক্তরাষ্ট্রের
লোকসভা নির্বাচন: তৃতীয় ধাপে ভোট দিলেন মোদি
নিরাপত্তা সহযোগিতা জোরদারে ইরান-রাশিয়া সমঝোতা
ফের ‘ভুল’ না করতে ইসরায়েলকে কড়া বার্তা ইরানের

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
9 people died in a moving bus fire in India

ভারতে চলন্ত বাসে আগুনে ৯ জনের মৃত্যু

ভারতে চলন্ত বাসে আগুনে ৯ জনের মৃত্যু বাসটিতে মহিলা ও শিশুসহ ৬০ জনের বেশি যাত্রী ছিলেন। ছবি: এনডিটিভি
বেঁচে যাওয়া এক যাত্রী বলেন, ‘আমরা ১০ দিনের জন্য তীর্থযাত্রা করতে বাস ভাড়া করেছিলাম। শুক্রবার রাতে আমরা বাড়ি ফিরছিলাম। রাতে ঘুমানোর সময় ধোঁয়ার গন্ধ পেয়েছি। মোটরসাইকেল আরোহী চালককে সতর্ক করার পরে বাসটি থামানো হয়।’

ভারতে হরিয়ানা রাজ্যে একটি যাত্রীবাহী চলন্ত বাসে আগুন লেগে ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে।

উত্তরপ্রদেশের মথুরা ও বৃন্দাবনে তীর্থস্থান থেকে ফেরার সময় রাজ্যের নুহ জেলায় শুক্রবার রাতে এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি। এতে আহত হয়েছেন অনেকে।

বাসটিতে মহিলা ও শিশুসহ একটি পরিবারের ৬০ জনেরও বেশি লোক ছিল, যাদের সবাই পাঞ্জাবের বাসিন্দা।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শুক্রবার রাত দেড়টার দিকে বাসের পেছনে ধোঁয়ার গন্ধ পান তারা। একজন মোটরসাইকেল আরোহী বাসের পেছনে আগুন দেখতে পেয়ে সেটি অনুসরণ করেন। পরে তিনি বাসে উঠে বাস থামানোর জন্য চালককে সতর্ক করেন।

বেঁচে যাওয়া এক যাত্রী বলেন, ‘আমরা ১০ দিনের জন্য তীর্থযাত্রা করতে বাস ভাড়া করেছিলাম। শুক্রবার রাতে আমরা বাড়ি ফিরছিলাম। রাতে ঘুমানোর সময় ধোঁয়ার গন্ধ পেয়েছি। মোটরসাইকেল আরোহী চালককে সতর্ক করার পরে বাসটি থামানো হয়।’

ইন্সপেক্টর জিতেন্দ্র কুমার সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে জানান, দুর্ঘটনায় ছয় নারী ও তিন পুরুষসহ ৯ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় ১৫ জন আহত হয়েছেন এবং তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, বাসটি সম্পূর্ণ পুড়ে যাওয়ার তিন ঘণ্টা পর উদ্ধার কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান।

স্থানীয় একজনের ভাষ্য, ‘আগুনের তীব্রতা বেড়ে যাওয়ার আগেই আমরা বাসের পেছনে দৌড়ে গিয়ে জানালা ভেঙে যতটা সম্ভব লোকদের বের করে আনতে পারি। পুলিশকে খবর দিয়েছিলাম, কিন্তু তারা আসতে অনেক সময় নেয়।’

আগুন লাগার কারণ এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

আরও পড়ুন:
যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার হুঁশিয়ারির জবাব ভারতের
ভারতকে নিষেধাজ্ঞার হুমকি যুক্তরাষ্ট্রের
মুম্বাইয়ে বিলবোর্ড পড়ে নিহত ১৪, আহত অন্তত ৭০
লোকসভা নির্বাচন: চতুর্থ ধাপে ভোট দিচ্ছেন ভারতীয়রা
ভারতের পররাষ্ট্র সচিব ঢাকায়

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Teesta is changing course

গতিপথ বদলাচ্ছে তিস্তা

গতিপথ বদলাচ্ছে তিস্তা গতিপথ বদলাচ্ছে তিস্তা নদী। ফাইল ছবি
গত অক্টোবরের সিকিমের হ্রদ বিপর্যয়ের পরে সমতলে তিস্তা কিছু জায়গায় নতুন পথ দিয়ে বইছে। তাই সেই সব এলাকাতেও বন্যা নিয়ন্ত্রণের কতটা কাজ করতে হবে তা নিয়ে আশঙ্কায় সেচ অধিদপ্তর।

ভারতে তিস্তা নদীর গতিপথ ক্রমেই বদলাচ্ছে। তাল মেলাতে এখন তাই হিমশিম পরিস্থিতি সেচ ও জলপথ অধিদপ্তরের।

বাংলাদেশ-ভারতের আন্তঃসীমান্ত এই নদীটি ভারতের সিকিম ও পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য ও বাংলাদেশের মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।

গত অক্টোবর মাসে সিকিমে প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের পরে তিস্তা নদী একাধিক জায়গায় গতিপথ বদলেছে। তাই নদীতে জল বাড়লে কোথায় কী ঘটে যাবে তা ভেবে বর্ষার মৌসুমের আগে আশঙ্কা করছে সেচ অধিদপ্তর।

প্রতি বছরই বর্ষার আগে বন্যা মোকাবিলার কাজ শুরু হয়। কোন নদীবাঁধ দুর্বল, কোথায় নদীপার থেকে মাটি খসে পড়েছে, অনেকটা সে সব দেখে মেরামত করা হয়।

আনন্দবাজার পত্রিকা বলছে, গত অক্টোবরের সিকিমের হ্রদ বিপর্যয়ের পরে সমতলে তিস্তা কিছু জায়গায় নতুন পথ দিয়ে বইছে। তাই সেই সব এলাকাতেও বন্যা নিয়ন্ত্রণের কতটা কাজ করতে হবে তা নিয়ে আশঙ্কায় সেচ অধিদপ্তর।

সম্প্রতি আরআরআই তথা রিভার রিসার্চ ইনস্টিটিউটের পক্ষে তিস্তার গতিপথ বদলানোর সমীক্ষা হয়েছে। সেই সমীক্ষা রিপোর্ট হাতে পেলে সেচ অধিদপ্তর বন্যা মোকাবিলার কাজ শুরু করতে পারবে।

সেচ দপ্তরের এক কর্মকর্তা বলেন, আমরা এখন সেই রিপোর্টের আপেক্ষায়। রিপোর্টেই নদী নিজস্ব গতিতে কোথায় স্বাভাবিকভাবে সরে গিয়েছে, কোথায় ফিরে আসার আশঙ্কা সে সব বোঝা যাবে। সেই মতো বন্যা নিয়ন্ত্রণের কাজ না হলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।

সেচ দপ্তর ইতোমধ্যেই প্রায় ২৮ কোটি রুপির প্রাথমিক কাজ শুরু করেছে। এ কাজের অধিকাংশই বদলে যাওয়া গতির তিস্তা নিয়ে।

সেচ অধিদপ্তরের দাবি, আগে যে এলাকাগুলো নিয়ে সেচ দপ্তরকে বেশি মাথা ঘামাতে হত না সেখানে এ বছর নতুন করে বন্যা নিয়ন্ত্রণের কাজ করতে হচ্ছে। যেমন প্রেমগঞ্জে, সেখানে প্রায় পাঁচ কোটি টাকার কাজ হয়েছে। দক্ষিণ চেংমারিতেও বন্যা রোখার কাজ চলছে। ময়নাগুড়ির বাকালির এক পাশে নতুন করে তিস্তা বইছে, সেখানেই বর্ষার আগে মেরামতির কাজ করতে হচ্ছে। লালটং বনবস্তি এলাকায় নতুন স্পার তৈরি করতে হবে বর্ষার তিস্তাকে বাঁধতে। এই এলাকাগুলিতে তিস্তা নতুন করে বইছে, সে কারণে বর্ষার সময়ে এ বছর নতুন এলাকায় বন্যার আশঙ্কা রয়েছে।

বিপর্যয়ের পর তিস্তা কোথাও ডান দিকে, কোথাও বাঁ দিক ঘেঁষে বইছে। পুরনো গতিপথ পাল্টে ফেলাতেই নতুন এলাকায় বন্যা পরিস্থিতি তৈরির আশঙ্কা হয়েছে বর্ষার সময়ে। সমতলে নেমেছে তিস্তা। সেখান থেকেই গতিপথ বদলেছে।

এদিকে এর আগে উপগ্রহ চিত্রের মাধ্যমেও তিস্তার বদলে যাওয়ার ইঙ্গিত মিলেছিল। উপগ্রহের মাধ্যমে সেই ছবি ধরা পড়েছে। আর সেই ছবিতে দেখা গিয়েছিল একাধিক জায়গায় তিস্তার গতিপথ বদলে গিয়েছে।

উত্তরবঙ্গের বিস্তীর্ণ এলাকার জীবন জীবিকা এই তিস্তার ওপর নির্ভরশীল। জলপাইগুড়ির বিস্তীর্ণ এলাকা রয়েছে তিস্তা নদীর ধারে।

সেচ অধিদপ্তরের এক কর্মকর্তা বলেন, সমীক্ষার কিছু প্রাথমিক তথ্য আমরা পেয়েছি, সে মতো কাজও শুরু হয়েছে। তিস্তা কিছু জায়গায় নতুন পথে বইছে, তাই নতুন এলাকা বন্যায় প্লাবিত হবে এই আশঙ্কা রয়েছে।

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Sachin Tendulkars security guard committed suicide with a pistol

শচীন টেন্ডুলকারের নিরাপত্তারক্ষীর ‘আত্মহত্যা’

শচীন টেন্ডুলকারের নিরাপত্তারক্ষীর ‘আত্মহত্যা’ প্রতীকী ছবি
প্রতিবেদন বলছে, ছুটিতে তিনি নিজের গ্রামের বাড়িতে গিয়েছিলেন। মঙ্গলবার রাতে হঠাতই নিজের সার্ভিস রিভলবার গলায় ঠেকিয়ে গুলি চালিয়ে দেন। তার বাবা-মা, স্ত্রী, দুই নাবালক সন্তান, ভাই এবং পরিবারের অন্যান্য সদস্য রয়েছেন।

কিংবদন্তি ভারতীয় ক্রিকেটার শচীন টেন্ডুলকারের এক নিরাপত্তারক্ষীর অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে।

মঙ্গলবার রাতে মহারাষ্ট্রের জামনের শহরে নিজ বাড়িতে গুলি করে তিনি আত্মহত্যা করেন বলে দেশটির একাধিক সংবাদমাধ্যম সূত্রের বরাতে জানিয়েছে।

মহারাষ্ট্রের রাজ্য রিজার্ভ পুলিশ ফোর্সের (এসআরপিএফ) ওই সদস্যের নাম প্রকাশ কাপড়ে। ভিভিআইপিদের জন্য নির্দিষ্ট নিরাপত্তারক্ষী দলের সদস্য ছিলেন তিনি।

প্রতিবেদন বলছে, ছুটিতে তিনি নিজের গ্রামের বাড়িতে গিয়েছিলেন। মঙ্গলবার রাতে হঠাতই নিজের সার্ভিস রিভলবার গলায় ঠেকিয়ে গুলি চালিয়ে দেন। তার বাবা-মা, স্ত্রী, দুই নাবালক সন্তান, ভাই এবং পরিবারের অন্যান্য সদস্য রয়েছেন।

জামনের থানার পুলিশ ইনস্পেক্টর কিরণ শিন্ডে জানিয়েছেন, মঙ্গলবার রাত দেড়টার দিকে এই ঘটনা ঘটেছে। ঠিক কী কারণে প্রকাশ আত্মহত্যা করেছেন তা জানা যায়নি। তদন্ত শুরু হয়েছে।

সংবাদ সংস্থাকে শিন্ডে বলেছেন, প্রাথমিক তদন্তের পর আমরা জানতে পেরেছি ব্যক্তিগত কারণেই উনি এই কাজ করেছেন। আপাতত তদন্ত চলবে। সম্পূর্ণ তথ্য হাতে আসার পরই আমরা বাকিটা বলতে পারব।

প্রকাশের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যুর ধারায় মামলা করেছে পুলিশ। আপাতত পুলিশ প্রকাশের পরিবারের সদস্য, সহকর্মী এবং অন্যান্য পরিচিতদের জিজ্ঞাসাবাদ করছে।

মন্তব্য

p
উপরে