× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

আন্তর্জাতিক
2 Indian soldiers killed in anti UN protests
hear-news
player
print-icon

জাতিসংঘবিরোধী বিক্ষোভে নিহত ২ ভারতীয় সেনা

জাতিসংঘবিরোধী-বিক্ষোভে-নিহত-২-ভারতীয়-সেনা-
কঙ্গোতে পরিস্থিতি সামাল দিতে ভারতীয় সেনারা ফাঁকা গুলি ছুড়ছে। ছবি: সংগৃহীত
মঙ্গলবার কঙ্গোতে মোতায়েন ২ ভারতীয় সেনা এক সশস্ত্র বিক্ষোভে গুরুতর আহত হয়ে মারা গেছেন। যে ক্যাম্পে বিএসএফ জওয়ানরা অবস্থান করছে, সে ক্যাম্প ঘিরে রেখেছে বিক্ষোভকারীরা। এদিকে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর ২ বীর ভারতীয় শান্তিরক্ষীর মৃত্যুতে গভীর শোক জানিয়েছেন।

কঙ্গোতে মঙ্গলবার এক জাতিসংঘবিরোধী বিক্ষোভে সংস্থাটির শান্তি রক্ষা মিশনে মোতায়েন ভারতীয় আধাসামরিক বাহিনী বিএসএফের ২ সদস্য নিহত হয়েছেন।

এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিএসএফের একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন, ’২৬ জুলাই ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অফ কঙ্গোর বুটেম্বোতে মোতায়েন ২ সেনা এক সশস্ত্র বিক্ষোভে গুরুতর আহত হয়ে মারা যান।’

এ মাসের শুরুর দিকেই সেখানে ৭৪-৭৬ জন ভারতীয় বিএসএফ মোতায়েন করা হয়েছিল।

এদিকে কঙ্গোতে এখনও জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী বাহিনীর বিরুদ্ধে আন্দোলন চলছে। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলো বলছে, এরই মধ্যে চলমান বিক্ষোভের দ্বিতীয় দিনে অন্তত ৫ জন নিহত ও ৫০ জন আহত হয়েছে।

এখনও বুটেম্বোতে মরোকো র‌্যাপিড ডিপ্লয়মেন্ট বিএন-এর ক্যাম্প যেখানে বিএসএফ সেনারা অবস্থান করছেন, বিক্ষোভকারীরা সে স্থান ঘিরে রেখেছে।

ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর ২ বীর ভারতীয় শান্তিরক্ষীর মৃত্যুতে গভীর শোক জানিয়েছেন এবং নিহত সেনাদের শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।

এটিকে আক্রোশজনক আক্রমণ দাবি করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর বলেন, অপরাধীদের অবশ্যই জবাবদিহি ও বিচারের আওতায় আনতে হবে।

আরও পড়ুন:
ভারতে স্টেশনে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ৪
কে এই অর্পিতা
মমতার মন্ত্রী পার্থ ও মডেল অর্পিতা গ্রেপ্তার
রোমাঞ্চকর ম্যাচে ৩ রানের জয় ভারতের
পশ্চিমবঙ্গে মন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ মডেলের ঘর থেকে ২০ কোটি রুপি জব্দ

মন্তব্য

আরও পড়ুন

আন্তর্জাতিক
Organized rape of 8 young women arrested 84

৮ তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ৮৪

৮ তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ৮৪ সোমবার গ্রেপ্তারকৃতদের আদালতে আনা হলে সেখানে বিক্ষোভ-প্রতিবাদ করেন নারীর অধিকার নিয়ে কাজ করে একটি সংগঠনের সদস্যরা। ছবি: আল জাজিরা
পুলিশ জানায়, ক্রজারেসডর্প অঞ্চলে একটি খনির কাছাকাছি বৃহস্পতিবার এ ঘটনা ঘটে। শুটিংয়ের জন্যে ৮ তরুণীসহ আরও কয়েকজন গিয়েছিলেন সেখানে। সেট তৈরির জন্য গাড়ি থেকে মালামাল নামানোর সময় তাদের ঘিরে ফেলে সংঘবদ্ধ একটি দলের প্রায় শতাধিক সদস্য। তারা সেখানে ওই আট তরুণীকে পালা করে ধর্ষণ করে।

সাউথ আফ্রিকায় একসঙ্গে আট তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮৪ জনকে। দেশটির প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাফোসা এই ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, দেশের মাটিতে ধর্ষকের কোনো স্থান নেই।

পুলিশ জানায়, ক্রজারেসডর্প অঞ্চলে একটি খনির কাছাকাছি বৃহস্পতিবার এ ঘটনা ঘটে। শুটিংয়ের জন্যে ৮ তরুণীসহ আরও কয়েকজন গিয়েছিলেন সেখানে। সেট তৈরির জন্য গাড়ি থেকে মালামাল নামানোর সময় তাদের ঘিরে ফেলে সংঘবদ্ধ একটি দলের প্রায় শতাধিক সদস্য। তারা সেখানে ওই আট তরুণীকে পালা করে ধর্ষণ করে।

এ ঘটনায় সেখানে বিভিন্ন খনিতে কাজ করা অবৈধ অভিবাসী শ্রমিকদের দায়ী করছে পুলিশ। স্থানীয়দের কাছে এই শ্রমিকরা ‘জামা জামা’ নামে পরিচিত। সেখানে অভিযান চালিয়ে সন্দেহভাজন ৮৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

দেশটির পুলিশপ্রধান ফাননি মোজেমোলা আরও বলেন, ‘অভিযানকালে তাদের সদস্যদের সঙ্গে গোলাগুলিতে নিহত হন দুজন শ্রমিক। এ সময় গুলিবিদ্ধ হন আরও একজন। তৃতীয় ওই ব্যক্তি স্থানীয় একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

সোমবার গ্রেপ্তার ৮৪ জনকে আদালতে উপস্থিত করা হয়। প্রাথমিকভাবে সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশ ও চোরাই পণ্য সঙ্গে রাখার অপরাধে তাদের অভিযুক্ত করা হয়।

পুলিশপ্রধান আরও বলেন, ‘ধর্ষণের ঘটনার সঙ্গে তাদের কেউ জড়িত থাকার ইঙ্গিত পাওয়া গেলে আরও গভীরভাবে তদন্তে নামবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সদস্যরা। এখন পর্যন্ত তাদের কারও বিরুদ্ধে যৌন হয়রানি বা ধর্ষণের মামলা করা হয়নি।’

সোমবার গ্রেপ্তারদের আদালতে আনা হলে, সেখানে বিক্ষোভ-প্রতিবাদ করেন নারীর অধিকার নিয়ে কাজ করে একটি সংগঠনের সদস্যরা।

ধর্ষকদের জামিন না দিয়ে দ্রুত বিচারের দাবি জানান তারা। এ সময় তাদের হাতে প্লেকার্ডে লেখা ছিল, ‘ধর্ষকের জামিন নয়’, ‘আমি কী পরবর্তী শিকার’, ‘আমার শরীর অপরাধস্থল নয়’।

এই ঘটনায় গোটা দেশে প্রতিবাদ ও ঘৃণা ছড়িয়ে পড়েছে। ধর্ষককে রাসায়নিক প্রয়োগ করে নপুংসক করা নিয়ে দেশটিতে চলা বিতর্ক আবারও জোরালো হয়েছে।

দেশটির প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাফোসা ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ভেকি চেলে তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন।

প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘ঘৃণ্য এই বর্বরতা নারীর অধিকার ও স্বাধীনতার পুরোপুরি পরিপন্থি। ধর্ষকের কোনো স্থান নেই এ দেশে।’

স্থানীয় সময় সোমবার সংবাদ সম্মেলনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ভেকি চেলে বলেন, ‌'ভয়ানক ঘৃণ্য নৃশংসতার এই ঘটনাটি জাতির জন্য লজ্জা।'

আরও পড়ুন:
ধর্ষণ মামলায় যাবজ্জীবন
ধর্ষণ মামলার বিচার বিলম্বে উষ্মা হাইকোর্টের
কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলায় গ্রেপ্তার ২
সংঘবদ্ধ ধর্ষণের মামলায় গ্রেপ্তার আসামি কারাগারে
শিশুকে ধর্ষণের দায়ে ৩ জনের যাবজ্জীবন

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Two deaths due to highly contagious Marburg virus

অতিসংক্রামক মারবার্গ ভাইরাসে দুই মৃত্যু

অতিসংক্রামক মারবার্গ ভাইরাসে দুই মৃত্যু
মারবার্গ বাদুড় থেকে মানুষে সংক্রামিত হয়। এর এখনও কোনো চিকিৎসা নেই। তবে বেশি বেশি পানি পানের পাশাপাশি মৃদু উপসর্গের চিকিৎসা করলে বেঁচে থাকার হার বাড়বে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

পশ্চিম আফ্রিকার দেশ ঘানায় মারবার্গ ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে দুজনের শরীরে। দেশটির স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ বলছে, এটি ইবোলার মতো একটি অত্যন্ত সংক্রামক রোগ। চলতি মাসের শুরুতে ভাইরাসে আক্রান্ত দুই ব্যক্তি মারা গেছেন

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) বলছে, ঘানায় ১০ জুলাই প্রথম শনাক্ত হয় এ ভাইরাস। সেনেগালের একটি ল্যাবে ফলাফলগুলো যাচাই করা হয়েছিল।

ঘানা হেলথ সার্ভিস (জিএইচএস) রোববার বিবৃতিতে জানিয়েছে, সেনেগালের ডাকারের ইনস্টিটিউট পাস্তুরে পরীক্ষার ফলগুলোকে যাচাইয়ের পর তারা এ বিষয়ে নিশ্চিত হয়েছেন।

‘ভাইরাস ছড়ানোর ঝুঁকি কমাতে কাজ করছে জিএইচএস। শনাক্ত ব্যক্তিরা যাদের কাছাকাছি গিয়েছিলেন, তাদের চিহ্নিত করে আলাদা থাকতে বলা হয়েছে।’

প্রথম শনাক্ত হয়েছিলেন ২৬ বছরের এক পুরুষ। পরদিন তিনি মারা যান। দ্বিতীয় ব্যক্তির বয়স ৫১ বছর। ২৮ জুন শনাক্ত হওয়ার কিছু পরই তার মৃত্যু হয়। দুজন একই হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছিলেন।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, দক্ষিণ ঘানার আশান্তি অঞ্চলের দুজন হাসপাতালে মারা গেছেন। তারা ডায়রিয়া, জ্বর, বমিসহ নানা উপসর্গে ভুগছিলেন।

ঘানার স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ সম্ভাব্য প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় প্রস্তুতি শুরু করেছে। আফ্রিকায় ডব্লিউএইচওর আঞ্চলিক পরিচালক মাতশিদিসো মোয়েতি বলেন, ‘এটি ভালো সিদ্ধান্ত। কারণ দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে মারবার্গ ব্যাপকহারে ছড়িয়ে পড়তে পারে।’

অতিসংক্রামক মারবার্গ ভাইরাসে দুই মৃত্যু
আফ্রিকায় ডব্লিউএইচওর আঞ্চলিক পরিচালক মাতশিদিসো মোয়েতি। ছবি: সংগৃহীত

পশ্চিম আফ্রিকায় মারবার্গের দ্বিতীয় প্রাদুর্ভাব এটি। এই অঞ্চলে ভাইরাসটি প্রথম শনাক্ত হয় গত বছর গিনিতে। এরপর আর কেউ শনাক্ত হয়নি।

১৯৬৭ সাল থেকে বেশ কয়েক দফায় বড় আকারে মারবুর্গের প্রাদুর্ভাব ঘটেছে; বেশির ভাগই দক্ষিণ ও পূর্ব আফ্রিকায়।

ভাইরাসের স্ট্রেন এবং কেস ম্যানেজমেন্টের ওপর নির্ভর করে ডব্লিউএইচও বলছে, আক্রান্তে মৃত্যুর হার ২৪ থেকে ৮৮ শতাংশ পর্যন্ত হতে পারে।

মারবার্গ বাদুড় থেকে মানুষে সংক্রামিত হয়। এর এখনও কোনো চিকিৎসা নেই। তবে বেশি বেশি পানি পানের পাশাপাশি মৃদু উপসর্গের চিকিৎসা করলে, বেঁচে থাকার হার বাড়বে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Cooking human flesh with the abducted woman

অপহৃত নারীকে দিয়ে মানুষের মাংস রান্না

অপহৃত নারীকে দিয়ে মানুষের মাংস রান্না ডিআর কঙ্গোর সশস্ত্রগোষ্ঠীর সদস্যরা এক নারীকে অপহরণ করে পালা করে ধর্ষণ করেন। ওই নারীকে দিয়ে মানুষের মাংস রান্না করিয়ে তা খেতে বাধ্য করানো হয়। প্রতীকী ছবি/হিউম্যান রাইটস ওয়াচ
অপহরণের শিকার নারী বলেন, ‘সশস্ত্রগোষ্ঠীর সদস্যরা আমার সামনে এক ব্যক্তিকে গলা কেটে হত্যা করেন। তার নাড়িভুঁড়ি টেনে বের করে ফেলে দেন। দেহটি কেটে টুকরো টুকরো করেন এবং আমাকে সেগুলো রান্না করতে বলেন। এ সময় তারা আমাকে দুটি রান্নার পাত্রও এনে দেন। পরে তারা সব বন্দিকে মানুষের রান্না করা মাংস খেতে দেন।’

গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের (ডিআর কঙ্গো) দুটি সশস্ত্রগোষ্ঠীর সদস্যরা এক কঙ্গোলিজ নারীকে দুবার অপহরণ করেন। পালা করে তাকে ধর্ষণ করা হয়। ওই নারীকে দিয়ে মানুষের মাংস রান্না করিয়ে তা খেতে বাধ্য করানো হয়।

স্থানীয় সময় বুধবার জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদকে এমনটি জানিয়েছে দেশটির অধিকারবিষয়ক একটি সংগঠন।

নারী অধিকারবিষয়ক সংগঠন ফিমেল সলিডারিটি ফর ইন্টিগ্রেটেড পিস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের (এসওএফইপিএডিআই) প্রেসিডেন্ট জুলিয়েন লুসেঞ্জ নিরাপত্তা পরিষদে বক্তব্য দেয়ার সময় ওই নারীর বিভীষিকাময় কাহিনি তুলে ধরেন।

১৫ সদস্যের নিরাপত্তা পরিষদের সামনে তিনি সংঘাতে বিধ্বস্ত ও বিপর্যস্ত পূর্ব কঙ্গোর এই দেশটি নিয়ে বক্তব্য দেন।

নিরাপত্তা পরিষদ কঙ্গো সম্পর্কে একটি নিয়মিত ব্রিফিংয়ের আয়োজন করে। গত মে মাসের শেষের দিকে ডিআর কঙ্গোর সশস্ত্র বাহিনী ও বিদ্রোহী গোষ্ঠীর মধ্যে ভয়াবহ লড়াই ও সহিংসতা ব্যাপকহারে বেড়ে যায়।

লুসেঞ্জ বলেন, যে নারীকে সশস্ত্রগোষ্ঠী কোডেকোর সদস্যরা অপহরণ করেন তিনি অপহৃত আরেকজনের জন্য মুক্তিপণ দিতে গিয়েছিল।

অধিকার সংগঠনকে ওই নারী বলেন, অপহরণের পর তাকে বারবার পালা করে ধর্ষণ এবং শারীরিকভাবে নির্যাতন করা হয়।

অপহরণের শিকার নারী বলেন, ‘সশস্ত্রগোষ্ঠীর সদস্যরা আমার সামনে এক ব্যক্তিকে গলা কেটে হত্যা করেন। তার নাড়িভুঁড়ি টেনে বের করে ফেলে দেন। দেহটি কেটে টুকরো টুকরো করেন এবং আমাকে সেগুলো রান্না করতে বলেন। এ সময় তারা আমাকে দুটি রান্নার পাত্রও এনে দেন। পরে তারা সব বন্দিকে মানুষের রান্না করা মাংস খেতে দেন।’

নিরাপত্তা পরিষদের সামনে এভাবে ওই নারীর বীভৎস স্মৃতির কথা তুলে ধরেন লুসেঞ্জ।

লুসেঞ্জ বলেন, ‘কয়েক দিন পর ওই নারীকে ছেড়ে দেয়া হয়। বাড়ি ফেরার সময় অন্য একটি মিলিশিয়া গ্রুপ তাকে আবারও অপহরণ করে। ওই সশস্ত্রগোষ্ঠীর সদস্যরাও তাকে পালা করে ধর্ষণ করেন।’

ওই নারী বলেন, ‘অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে তারা আমাকে আবারও মানুষের মাংস রান্না করতে বলেন। আমাকে তা খেতে বাধ্য করেন। অবশেষে সেখান থেকে আমি পালিয়ে বাঁচতে সক্ষম হই।’

লুসেঞ্জ তার কাউন্সিল ব্রিফিংয়ের সময় দ্বিতীয় সশস্ত্রগোষ্ঠীর নাম উল্লেখ করেননি। মন্তব্যের জন্য কোডেকোর সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়নি বলেও জানান তিনি।

কোডেকোসহ বেশ কয়েকটি সশস্ত্রগোষ্ঠী দীর্ঘদিন ধরে কঙ্গোর খনিজসমৃদ্ধ পূর্বাঞ্চলের জমি এবং সম্পদ দখলে নিতে সরকারি বাহিনীর সঙ্গে সংঘাত চালিয়ে যাচ্ছে। এমন সংঘাতে গত এক দশকে কয়েক হাজার মানুষ হত্যা করা হয়। বাস্তুচ্যুত হয়েছে কয়েক লাখ মানুষ।

কঙ্গোর সেনাবাহিনী গত মে মাস থেকে এম২৩ বিদ্রোহী গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে সশস্ত্র যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে। ২০১২-১৩ সালে এই গোষ্ঠী দেশটির বড় কয়েকটি অঞ্চল দখল করে নেয়।

২০ বছরেরও বেশি সময় ধরে কঙ্গোতে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী বাহিনী মোতায়েন রয়েছে।

আরও পড়ুন:
ডব্লিউডব্লিউই মঞ্চ কাঁপালেন আরব নারী
ড্র করেই চ্যাম্পিয়ন নারী ফুটবল দল
সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ৩ আসামির যাবজ্জীবন
মালয়েশিয়াকে ৬-০ গোলে বিধ্বস্ত করল সাবিনা-আঁখিরা
নারীর অর্গাজম বঞ্চনায় হলিউড, বিজ্ঞানের দায়

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Putin promises easy food exports to Africa

আফ্রিকায় খাদ্য রপ্তানি সহজের প্রতিশ্রুতি পুতিনের

আফ্রিকায় খাদ্য রপ্তানি সহজের প্রতিশ্রুতি পুতিনের রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে আফ্রিকান ইউনিয়নের প্রধান ম্যাকি সল। ছবি: এএফপি
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে আলোচনার পর এইউ প্রধান ম্যাকি সল বলেছেন, রুশ নেতা আফ্রিকায় খাদ্যশস্য ও সার রপ্তানি সহজ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তবে কিভাবে এই প্রতিশ্রুতি রক্ষা করা হবে বা কর্মপরিধি কী হবে, সে বিষয়ে ম্যাক সল কোনো বিস্তারিত বিবরণ দেননি।

ইউক্রেন যুদ্ধে কোনো ধরনের ভূমিকা নেই আফ্রিকার দেশগুলোর। কিন্তু তারাই এই যুদ্ধের নির্মম শিকার। আফ্রিকান ইউনিয়নের প্রধান (এইউ) রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে এক বৈঠকে বলেছেন, রাশিয়ার উচিত তাদের (আফ্রিকার দেশগুলোর) কষ্ট লাঘবে সহায়তা করা।

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পুতিনের সঙ্গে আলোচনার পর এইউ প্রধান ম্যাকি সল বলেছেন, রুশ নেতা আফ্রিকায় খাদ্যশস্য ও সার রপ্তানি সহজ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

তবে কিভাবে এই প্রতিশ্রুতি রক্ষা করা হবে বা কর্মপরিধি কী হবে সে বিষয়ে তিনি কোনো বিস্তারিত বিবরণ দেননি। আফ্রিকার চাহিদার ৪০ শতাংশের বেশি গমের যোগান দেয় রাশিয়া ও ইউক্রেন।

এদিকে পশ্চিমা দেশগুলো অভিযোগ করছে, মস্কো ইউক্রেনের বন্দরগুলোতে শস্য রপ্তানিতে বাধা দিচ্ছে। যদিও রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিন বৈশ্বিক খাদ্যসংকটের জন্য পশ্চিমাদের দায়ী করেছেন।

ইউক্রেনে রুশ সামরিক অভিযান শুরুর পর থেকে কৃষ্ণসাগরে ইউক্রেনের বন্দরগুলোতে রপ্তানি সুবিধা বন্ধ হয়ে যায়। কিয়েভ ও পশ্চিমারা বন্দর অবরোধের জন্য মস্কোকে দায়ী করেছে।

জাতিসংঘের সংকট সমন্বয়কারী আমিন আওয়াদ জেনেভায় বলেছেন, ‘বন্দরগুলো চালু করতে ব্যর্থ হলে দুর্ভিক্ষ দেখা দেবে। শস্যের ঘাটতি ১৪০ কোটি মানুষকে প্রভাবিত করতে পারে এবং ব্যাপক অভিবাসনের ঘটনার সূত্রপাত হতে পারে।’

ইউক্রেন-রাশিয়া সংঘাত এরই মধ্যে আফ্রিকায় বিদ্যমান অভাবকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। পুরো মহাদেশেই খাদ্যের দাম বেড়েছে এবং বিপুলসংখ্যক মানুষকে ক্ষুধার দিকে ঠেলে দিয়েছে।

পশ্চিমা অনেক বিশ্লেষক বলছেন, ক্রেমলিন প্রত্যাশা করছে, আফ্রিকায় চলমান খাদ্যসংকট ও দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ইউরোপে শরণার্থীর ঢল নামাতে পারে। সে ক্ষেত্রে পশ্চিমাদের চাপে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

তবে পুতিন বলছেন, তিনি সব সময়ই আফ্রিকার দেশগুলোর পক্ষে, তবে বর্তমান খাদ্য নিরাপত্তা ও সংকটের বিষয়ে তিনি কিছু বলেননি।

আরও পড়ুন:
ডনাল্ডের সঙ্গে কাজ করার সুযোগে রোমাঞ্চিত টাইগার পেইসাররা
সাকিবকে মিস করবেন তাসকিন
টেস্ট জয়ের অনুপ্রেরণায় আফ্রিকাতে ভালো করতে চায় টাইগাররা
বাংলাদেশ সিরিজে সাউথ আফ্রিকা দলে আইপিলের ৮ জন
সাকিব না থাকলে দলে প্রভাব পড়বে না: সুজন

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
100 killed in Chad gold mine clash

চাদে সোনার খনিতে সংঘর্ষে নিহত ১০০

চাদে সোনার খনিতে সংঘর্ষে নিহত ১০০ চাদে সোনার খনির শ্রমিক। ছবি: আফ্রিকান নিউজ
চাদের যোগাযোগমন্ত্রী কৌলামাল্লা বিবৃতিতে সংঘর্ষে নিহতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, ঘটনাস্থল দেশটির রাজধানী এম জামেনা থেকে ১ হাজার কিলোমিটার উত্তর-পূর্বের দুর্গম অঞ্চলে। দেশটির সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠী (ফ্যাক্ট) এই ঘটনার জন্য সরকারি বাহিনীকেই দায়ী করেছে এবং এটিকে হত্যা হিসেবে দাবি করেছে।

এক সপ্তাহ আগে আফ্রিকার দেশ চাদের উত্তরাঞ্চলের এক প্রত্যন্ত মরুভূমি অঞ্চলে সোনার খনির শ্রমিকদের মধ্যে সংঘর্ষে ১০০ জন নিহত হয়েছেন।

আফ্রিকান নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চাদের প্রতিরক্ষামন্ত্রী জেনারেল দাউদ ইয়ায়া ব্রাহিম জানিয়েছেন, দুই স্বর্ণ খনি শ্রমিকদের মধ্যে একটি সাধারণ বিরোধ থেকে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। সংঘর্ষ হয়েছে মৌরিতানিয়া ও লিবিয়ার লোকদের মধ্যে।

দেশটির যোগাযোগমন্ত্রী আবদেরামান কৌলামাল্লা এক বিবৃতিতেও সংঘর্ষে নিহতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। তিনি জানিয়েছেন, ঘটনাস্থল দেশটির রাজধানী এম জামেনা থেকে ১ হাজার কিলোমিটার উত্তর-পূর্বের দুর্গম অঞ্চলে।

চাদ মূলত বিস্তীর্ণ পাহাড়ি ও মরুভূমি অধ্যুষিত দেশ। দেশটিতে প্রচুর খনি রয়েছে। লিবিয়া, নাইজার, সুদানের মতো প্রতিবেশী দেশগুলো থেকে আসা সোনার খনির শ্রমিকরাই দেশটির খনিগুলো পরিচালনা করে থাকে।

দেশটিতে সোনার খনিতে সংঘর্ষের ঘটনা নতুন নয়। আবদেরামান বলেন, সংঘর্ষের জায়গাটি একটি দুর্গম অঞ্চল, স্থানটি প্রায় আইনহীন। কিন্তু সেখানে সোনা আছে, তাই সেখানে সংঘর্ষ হয়।

এদিকে দেশটির সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠী (ফ্যাক্ট) এই ঘটনার জন্য সরকারি বাহিনীকেই দায়ী করেছে এবং এটিকে হত্যা হিসেবে দাবি করেছে। তাদের দাবি, স্থানটিতে ২০০ জন নিহত হয়েছেন।

প্রতিরক্ষামন্ত্রী দাউদ ইয়ায়া দেশটির সশস্ত্র বাহিনীর সম্পৃক্ততার বিষয়টি অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, ‘প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা বাহিনী মোটেও গুলি চালায়নি এবং সেখানে ২০০ জন নিহত হননি।’

আরও পড়ুন:
সাকিবকে মিস করবেন তাসকিন
টেস্ট জয়ের অনুপ্রেরণায় আফ্রিকাতে ভালো করতে চায় টাইগাররা
বাংলাদেশ সিরিজে সাউথ আফ্রিকা দলে আইপিলের ৮ জন
সাকিব না থাকলে দলে প্রভাব পড়বে না: সুজন
সাউথ আফ্রিকা সফরে খুব বেশি পরিবর্তন চায় না বিসিবি

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
31 killed in Nigeria church stampede

নাইজেরিয়ায় গির্জায় পদদলিত হয়ে নিহত ৩১

নাইজেরিয়ায় গির্জায় পদদলিত হয়ে নিহত ৩১ নাইজেরিয়ার একটি গির্জায় পদদলিত হয়ে বেশ কয়েকজন মারা গেছে। ছবি: সংগৃহীত
রিভার রাজ্যের পুলিশের মুখপাত্র ইরিঞ্জ কোকো জানান, সেখানে একটি গির্জায় কয়েক শ মানুষ খাবারের জন্য ভিড় করে। একপর্যায়ে হুড়োগুড়িতে গির্জার গেট ভেঙে গেলে সেখানে পদদলিত হয়ে কমপক্ষে ৩১ জন নিহত হন। 

আফ্রিকার দেশ নাইজেরিয়ার দক্ষিণাঞ্চলের হারকোর্ট শহরের একটি গির্জায় পদদলিত হয়ে ৩১ জন নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় আরও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে।

সংবাদ সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়, শনিবার গির্জাটিতে খাবার নিয়ে গেলে হুড়োহুড়িতে এই প্রাণহানির ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

রিভার রাজ্যের পুলিশের মুখপাত্র ইরিঞ্জ কোকো জানান, সেখানে একটি গির্জায় কয়েক শ মানুষ খাবারের জন্য ভিড় করে। একপর্যায়ে হুড়োগুড়িতে গির্জার গেট ভেঙে গেলে সেখানে পদদলিত হয়ে কমপক্ষে ৩১ জন নিহত হয়।

তিনি আরও বলেন, ‘সেখানে আগে থেকেই শয়ে শয়ে লোক ভিড় করছিল। একটা সময় তারা অধৈর্য হয়ে পড়ে এবং ছুটতে শুরু করে। তখনই পদদলনের ঘটনা ঘটে। পুলিশ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রেখেছে, সেই সঙ্গে ঘটনার তদন্তও শুরু করেছে।’

নিহতদের মধ্যে বেশির ভাগই শিশু বলেও জানান পুলিশের ওই কর্মকর্তা।

আরও পড়ুন:
নাইজেরিয়ায় ৩০ বাসযাত্রীকে পুড়িয়ে হত্যা
স্কুল থেকে ৭৩ শিক্ষার্থীকে নিয়ে গেল বন্দুকধারীরা
নাইজেরিয়ায় ফের দস্যুদের গুলিতে ৩৫ গ্রামবাসী নিহত
নাইজেরিয়ায় বন্দুকধারীদের গুলিতে অর্ধশতাধিক গ্রামবাসী নিহত
বোকো হারামের প্রধান আত্মহত্যা করেছেন: আইএস

মন্তব্য

p
উপরে