× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

আন্তর্জাতিক
Throwing hot water on the genitals of the husband for the crime of love with another woman in a dream
hear-news
player
print-icon

স্বামীর যৌনাঙ্গে গরম পানি

স্বামীর-যৌনাঙ্গে-গরম-পানি
প্রতীকী ছবি
পুলিশ জানিয়েছে, ওই ব্যক্তির যৌনাঙ্গের পাশাপাশি হাতে ও পিঠে সেকেন্ড ডিগ্রি বার্ন হয়েছে। তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পুলিশ পুরো বিষয়টি তদন্ত করছে।

স্বামীর যৌনাঙ্গে গরম পানি নিক্ষেপের অপরাধে বলিভিয়ায় এক নারীকে আটক করা হয়েছে। নারীর অভিযোগ, তার স্বামী ঘুমের মধ্যে স্বপ্নে অন্য নারীকে ভালোবাসে।

অডিটি সেন্ট্রালের প্রতিবেদন অনুসারে বলিভিয়ার লা পাজ শহরে গত সপ্তাহে এই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে।

ভদ্রলোকের স্ত্রী পুলিশকে জানান, তার ৪৫ বছর বয়সী স্বামী ঘুমিয়ে ছিলেন। এ সময় তিনি শুনতে পান, তিনি ঘুমের মধ্যে অন্য নারীর কাছে প্রেম নিবেদন করছেন। সেসব শুনে তিনি রেগে যান এবং রান্নাঘরে গিয়ে গরম পানি নিয়ে আসেন। সেগুলো তিনি স্বামীর যৌনাঙ্গে নিক্ষেপ করেন।

পুলিশ জানিয়েছে, ওই ব্যক্তির যৌনাঙ্গের পাশাপাশি হাতে ও পিঠে সেকেন্ড ডিগ্রি বার্ন হয়েছে। তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পুলিশ পুরো বিষয়টি তদন্ত করছে।

সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, আহত ভদ্রলোক পুলিশ ডেকেছেন, নাকি তার চিৎকারে প্রতিবেশীরা পুলিশ ডেকেছে, সেটা পরিষ্কার নয়।

পুলিশ আরও জানিয়েছে, এটাই ওই নারীর প্রথম আক্রমণ নয়। এর আগেও একবার তিনি স্বামীকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যার চেষ্টা করেছিলেন।

আরও পড়ুন:
আলু মমি করে ২০ বছর সংরক্ষণ
বলিভিয়ায় জয়ের পথে মোরালেসের মিত্র আরসি

মন্তব্য

আরও পড়ুন

আন্তর্জাতিক
Shia hatred is the reason behind the killing of 4 Muslims in the United States

যুক্তরাষ্ট্রে ৪ মুসলিম হত্যার কারণ ‘শিয়া বিদ্বেষ’

 যুক্তরাষ্ট্রে ৪ মুসলিম হত্যার কারণ ‘শিয়া বিদ্বেষ’ ৪ মুসলিম হত্যায় অভিযুক্ত মুহাম্মদ সাইদ। ছবি: সংগৃহীত
অভিযুক্ত মুহাম্মদ সাইদ একজন সুন্নি মুসলিম। তিনি পুলিশকে বলেছেন, তিনি আশঙ্কা করছিলেন তার মেয়ে শিয়া কোনো মুসলিমকে বিয়ে করতে পারে। তবে পুলিশ বলছে, এটিই সত্যিকার কারণ কি না তা স্পষ্ট নয়।

যুক্তরাষ্ট্রের নিউ মেক্সিকোতে ৪ মুসলিম হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহভাজন একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পুলিশের হাতে আটক ৫১ বছর বয়সী মুহাম্মদ সাইদের বিরুদ্ধে ২ জন মুসলিমকে হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে।

পুলিশ বলছে, অন্য ২ হত্যাকাণ্ডেও সাইদের সম্পৃক্ততার অভিযোগ আনতে কাজ করছে তারা।

অভিযুক্তের বাড়ি থেকে বেশ কয়েকটি আগ্নেয়াস্ত্রও উদ্ধার করেছে পুলিশ।

এর আগে ৪ মুসলিমের হত্যাকে বিদ্বেষপ্রসূত হামলা হিসেবে ধারণা করা হয়েছিল। এমনকি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ও ভাইস প্রেসিডেন্ট কামালা হ্যারিসও এই হামলার নিন্দা জানানোর সময় একে বিদ্বেষপ্রসূত হামলার কথাই বলেন।

 যুক্তরাষ্ট্রে ৪ মুসলিম হত্যার কারণ ‘শিয়া বিদ্বেষ’
যেই ভক্সওয়াগন গাড়ির সূত্র ধরে গ্রেপ্তার করা হয় অভিযুক্ত মোহাম্মদ সাইদকে

যদিও পুলিশ একে বিদ্বেষমূলক হামলা বলেনি।

আল বুকার্ক পুলিশপ্রধান হ্যারল্ড মেডিনা মঙ্গলবার বলেছেন, হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে তারা আগেই একটি গাড়ি শনাক্ত করেছিল। রুপালি রঙের সেই ভক্সওয়াগন গাড়িটি সম্পর্কে তথ্য দিতে শহরবাসীর প্রতি আহ্বানও জানায় পুলিশ।

 যুক্তরাষ্ট্রে ৪ মুসলিম হত্যার কারণ ‘শিয়া বিদ্বেষ’
বাম থেকে হত্যার শিকারঃ মোহাম্মদ আহমাদি, আফজাল হুসেন ও আফতাব হুসেন

তদন্তকারীরা বলছেন, সম্ভবত ব্যক্তিগত দ্বন্দ্বের কারণেই হত্যাগুলো ঘটেছে। সন্দেহভাজন আফগান নাগরিক কয়েক বছর আগে যুক্তরাষ্ট্রে এসেছেন।

পুলিশ বলছে, অভিযুক্ত মুহাম্মদ সাইদ একজন সুন্নি মুসলিম। তিনি পুলিশকে বলেছেন, তিনি আশঙ্কা করছিলেন তার মেয়ে শিয়া কোনো মুসলিমকে বিয়ে করতে পারে।

তবে পুলিশ বলছে, এটিই সত্যিকার কারণ কি না তা স্পষ্ট নয়। আরো অন্য কোনো কারণ রয়েছে কি না তা খতিয়ে দেখবে পুলিশ।

গত ৯ মাসে এই হত্যার ঘটনাগুলো ঘটেছে। তবে দুই সপ্তাহের ব্যবধানে মারা গেছেন ৩ পাকিস্তানি। যারা একই মসজিদে জমায়েত হতেন। তাদের কোনো সতর্কতা ছাড়াই হত্যা করা হয়।

অন্য আফগান ব্যক্তি মোহাম্মদ আহমাদিকে গত নভেম্বরে হত্যা করা হয়।

তবে হত্যাকাণ্ডগুলো কী একই ভাবে করা হয়েছে কি না তা জানায়নি আল বুকার্ক পুলিশ।

আরও পড়ুন:
নিউ মেক্সিকোতে ৪ মুসলিম হত্যায় সন্দেহের কেন্দ্রে রুপালি ভক্সওয়াগন
ফিলিপাইন চীনের ধাওয়া খেলে ‘বাঁচাবে’ যুক্তরাষ্ট্র
চীন সীমান্তে ভারতের সঙ্গে সামরিক মহড়ায় যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র
যুক্তরাষ্ট্রের ফোন ‘ধরছে না’ চীন
আগুন নেভাতে গিয়ে দেখলেন মৃতদের সবাই পরিবারের

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
US invests 28 billion to counter China in technology

প্রযুক্তিতে চীনকে মোকাবিলায় ২৮ হাজার কোটি ডলার বিনিয়োগ যুক্তরাষ্ট্রের

প্রযুক্তিতে চীনকে মোকাবিলায় ২৮ হাজার কোটি ডলার বিনিয়োগ যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তি খাতে বিপুল বিনিয়োগ নিশ্চিতের আইনে যুক্তরাষ্ট্রে কম্পিউটার চিপ উৎপাদন কারখানা নির্মাণকারী কোম্পানিগুলোর করে ছাড় দেয়ার কথা বলা হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত
চীনের ওপর নির্ভরশীলতা কমানোর অংশ হিসেবে আরও সমর্থন দিতে যুক্তরাষ্ট্র সরকারকে দীর্ঘদিন ধরে চাপ দিয়ে আসছিল বিভিন্ন শিল্পগোষ্ঠী। মাইক্রোচিপের বৈশ্বিক স্বল্পতা তাদের এ আহ্বানকে আরও জোরালো করে।

অত্যাধুনিক প্রযুক্তি পণ্য উৎপাদন ও বৈজ্ঞানিক গবেষণায় ২৮ হাজার কোটি ডলার বরাদ্দের প্রতিশ্রুতি দেয়া একটি আইনে সই করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।

প্রযুক্তি খাতে চীনের এগিয়ে যাওয়ার শঙ্কার মধ্যে স্থানীয় সময় মঙ্গলবার আইনটিতে সই করেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট।

প্রযুক্তি খাতে বিপুল বিনিয়োগ নিশ্চিতের এ আইনে যুক্তরাষ্ট্রে কম্পিউটার চিপ উৎপাদন কারখানা নির্মাণকারী কোম্পানিগুলোর করে ছাড় দেয়ার কথা বলা হয়েছে।

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, চীনের ওপর নির্ভরশীলতা কমানোর অংশ হিসেবে আরও সমর্থন দিতে যুক্তরাষ্ট্র সরকারকে দীর্ঘদিন ধরে চাপ দিয়ে আসছিল বিভিন্ন শিল্পগোষ্ঠী। মাইক্রোচিপের বৈশ্বিক স্বল্পতা তাদের এ আহ্বানকে আরও জোরালো করে।

আইনটির বিষয়ে ডেমোক্রেটিক পার্টির বর্ষীয়ান রাজনীতিক ও যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসের উচ্চকক্ষ সিনেটের সংখ্যাগরিষ্ঠ নেতা চাক শুমার বলেন, এটি পটপরিবর্তন করে দেবে, যা আগামী শতকে আমেরিকার নেতৃত্ব ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করবে।

প্রযুক্তি খাতে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় প্রতিদ্বন্দ্বী চীনের কথা উল্লেখ না করে শুমার বলেন, ‘আমাদের পিছিয়ে পড়তে দেখে কর্তৃত্ববাদীরা উল্লসিত ছিল এবং ভেবেছিল আমরা নির্বিকার বসে থাকব। চিপস অ্যান্ড সায়েন্স অ্যাক্ট পাসের মধ্য দিয়ে আমরা আরেকটি মহান আমেরিকান শতক নিশ্চিতের বিষয়টি খোলাসা করে দিচ্ছি।’

যুক্তরাষ্ট্র বর্তমানে বিশ্বের মোট সেমিকনডাক্টরের ১০ শতাংশের মতো জোগান দেয়। গাড়ি থেকে মোবাইল ফোনের মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ এই সেমিকনডাক্টর। ১৯৯০ সালে সেমিকনডাক্টরের বৈশ্বিক জোগানের প্রায় ৪০ শতাংশ দিত যুক্তরাষ্ট্র।

এ খাতে হারানো প্রভাব ফিরিয়ে আনতেই বিপুল পরিমাণ বিনিয়োগের পথ তৈরি করল বাইডেনের নেতৃত্বাধীন প্রশাসন।

আইনটিতে সমর্থন দিয়েছে বিরোধী রিপাবলিকান পার্টিও।

আরও পড়ুন:
যুক্তরাষ্ট্রের ফোন ‘ধরছে না’ চীন
উত্তেজনা বাড়িয়ে তাইওয়ানে শান্তি চাইলেন পেলোসি
চীনকে মোকাবিলায় ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন তাইওয়ানের
তাইওয়ান প্রণালিতে যাবে যুক্তরাষ্ট্রের রণতরি
তাইওয়ানে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল চীন

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Trumps response to house searches in the election campaign

বাড়ি তল্লাশির পাল্টা জবাব, নির্বাচনি প্রচারে ট্রাম্প!

বাড়ি তল্লাশির পাল্টা জবাব, নির্বাচনি প্রচারে ট্রাম্প! সাদা-কালো ব্যাকগ্রাউন্ডে বক্তব্য রাখেন ট্রাম্প। ছবি: সংগৃহীত
ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা এমন একটি জাতি যারা গত দুই বছরে সারা বিশ্বে নিজেদের সম্মান খুইয়েছি। আমেরিকা বিভিন্ন কারণে এখন হাসির পাত্র হয়ে গেছে। তবে পরিশ্রমী দেশপ্রেমিকরা আমেরিকাকে রক্ষা করবে।’

বাসভবনে এফবিআইয়ের অভিযান কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছেন না যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। ২০২৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জয়ী হয়ে জবাব দিতে চাইছেন তিনি। তাই তো অভিযানের কয়েক ঘণ্টা মধ্যেই, নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশ্যালে নির্বাচনি প্রচারের আদলে একটি ভিডিও প্রকাশ করেন এ রিপাবলিকান।

ফক্স নিউজের খবরে বলা হয়, তিন মিনিট ৫০ সেকেন্ডের ভিডিওটি ফ্লোরিডার পাম বিচের বাড়িতে ফেডারেল এজেন্টদের অভিযানের প্রতিক্রিয়ায় আপলোড করা হয়। একাধিক সূত্রের বরাতে ফক্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রেসিডেন্টের মেয়াদ শেষে ট্রাম্প তার ব্যক্তিগত বাসভবনে যে সামগ্রী নিয়ে এসেছেন, অভিযান সেসবের সঙ্গে সম্পর্কিত।

বিষয়টি খতিয়ে দেখতে ন্যাশনাল আর্কাইভস অ্যান্ড রেকর্ডস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন বিচার বিভাগের হস্তক্ষেপ চেয়েছিল। অভিযানে ট্রাম্পের ব্যক্তিগত বাসভবন থেকে অন্তত ১৫ বাক্সে গোপনীয় তথ্য-সামগ্রী মিলেছে বলে জানিয়েছে এফবিআই।

ভিডিওর শুরুতে আমেরিকাকে ‘পতনশীল জাতি’ বলে বর্ণনা করেন ট্রাম্প। আফগানিস্তান থেকে সেনা প্রত্যাহার থেকে শুরু করে আকাশছোঁয়া জ্বালানির দাম, এমন অনেক বিষয় নিয়ে কথা বলেন ট্রাম্প।

তিনি বলেন, ‘আমরা এমন একটি জাতি যারা রাশিয়াকে একটি দেশ (ইউক্রেন) ধ্বংস করার অনুমতি দিয়েছি। তারা সেখানে কয়েক হাজার মানুষকে হত্যা করছে। পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে।

‘আমরা এমন একটি জাতি যারা বিরোধী রাজনৈতিক দলের বিরুদ্ধে আইন প্রয়োগকারীদের লেলিয়ে দিয়েছি, যা আগে কখনও হয়নি।’

নিজের আমেরিকান ফার্স্ট নীতি থেকে নিজেকে দূরে রাখার জন্য বর্তমান প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের পরোক্ষ সমালোচনা করেন ট্রাম্প।

তিনি বলেন, ‘আমরা এমন একটি জাতি যারা ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরিতে এবং যুক্তরাষ্ট্র থেকে নেয়া ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন ডলার ব্যবহারে চীনকে অনুমতি দিচ্ছি। এই অর্থ দিয়ে তারা (চীন) সামরিক শক্তি বাড়াচ্ছে।

দুঃখ প্রকাশ করে ট্রাম্প আরও বলেন, ‘আমরা এমন একটি জাতি যারা গত দুই বছরে সারা বিশ্বে নিজেদের সম্মান খুইয়েছি। আমেরিকা বিভিন্ন কারণে এখন হাসির পাত্র হয়ে গেছে। তবে পরিশ্রমী দেশপ্রেমিকরা আমেরিকাকে রক্ষা করবে।

‘এমন কোনো পর্বত নেই যেখানে আমরা আরোহণ করতে পারি না। এমন কোনো চূড়া নেই যেখানে আমরা পৌঁছাতে পারি না। এমন কোনো চ্যালেঞ্জ নেই যা আমরা মোকাবিলা করতে পারি না। আমরা মচকাব না, ভাঙবও না।

‘আমরা যে অত্যাচারীদের বিরুদ্ধে লড়াই করছি, তাদের পরাজয় নিশ্চিত। কারণ আমেরিকানরা ঈশ্বর কেবল ঈশ্বরের কাছেই নতজানু হয়। আমাদের এই মহানুভবতা আবার শুরু করার সময় এসেছে।’

ভিডিওটি একটি উদ্ধৃতি পড়ার মাধ্যমে শেষ হয়। ট্রাম্প বলেন, ‘সেরাটা এখনও আসতে বাকি।’

আরও পড়ুন:
ইউক্রেনকে সহায়তার আগে নিজেদের স্কুলের নিরাপত্তা দরকার: ট্রাম্প
মেক্সিকোতে হামলা চালাতে চেয়েছিলেন ট্রাম্প
অভিমানী ট্রাম্প ফিরবেন না টুইটারে
ন্যাটো-যুক্তরাষ্ট্র বেকুব, পুতিন স্মার্ট: ট্রাম্প
ফেসবুক-টুইটারকে দমাতে এলো ট্রাম্পের ‘ট্রুথ সোশ্যাল’

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Angry supporters protest FBI search of Trumps home

ট্রাম্পের বাড়িতে এফবিআইয়ের তল্লাশি, প্রতিবাদে ক্ষুব্ধ সমর্থকরা

ট্রাম্পের বাড়িতে এফবিআইয়ের তল্লাশি, প্রতিবাদে ক্ষুব্ধ সমর্থকরা ট্রাম্পের ফ্লোরিডার বাড়িতে এফবিআইয়ের তল্লাশির প্রতিবাদে সমর্থকদের প্রতিবাদ। ছবি: ডেইলি মেইল
কিউবায় নির্বাসিত এক নারী এনবিসিসিক্সকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, তিনি বুঝতে পারছেন না কেন ট্রাম্পের বিরুদ্ধে এফবিআই তদন্ত করছেন। কেন ‘হান্টার’ বাইডেন কিংবা ন্যান্সি পেলোসির স্বামীর বিরুদ্ধে নন।

কারও হাতের প্ল্যাকার্ডে লেখা, ‘ট্রাম্পকে আমরা বিশ্বাস করি’, কারও হাতে ‘মেইক আমেরিকা, গ্রেট এগেইন’, আবার কারও হাতের প্ল্যাকার্ডে ‘ফেইক নিউজ সিএনএন’। দূর-দূরান্ত থেকে তারা এসেছেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের ফ্লোরিডার রিসোর্ট ও বাড়ি মার-এ-লাগোর সামনে। করছেন প্রতিবাদ-বিক্ষোভ।

দেশটির কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা (এফবিআই) ডনাল্ড ট্রাম্পের ফ্লোরিডার বাড়িতে অভিযান চালাতে পারে এমন খবর পেয়ে গত শুক্রবার থেকে তারা সাবেক প্রেসিডেন্টের সমর্থনে হাজির হয়েছেন।

সেখানেই তারা ট্রাম্পের পক্ষে নানা ধরনের স্লোগান লেখা প্ল্যাকার্ড ও টিশার্ট পরে দাঁড়িয়েছেন।

ডেইলি মেইলের খবরে বলা হয়, শুক্রবার থেকেই সমর্থকরা বাড়ির সামনে দাঁড়ালেও ট্রাম্পের বাড়িটিতে এফবিআই তল্লাশি শুরু করে সোমবার।

প্রেসিডেন্ট দপ্তরের কিছু নথিপত্র সরিয়ে ট্রাম্প নিজের ফ্লোরিডার রিসোর্টে রেখেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। সে অভিযোগের তদন্ত চালাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ। এর অংশ হিসেবে তার বাড়িতে গোয়েন্দা সংস্থাটি তল্লাশি চালিয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

সোমবার ট্রাম্প তার বাসাটিতে অভিযানের কথা জানালেও বিস্তারিত কিছু বলেননি।

অবশ্য তার আগেই একবার তার রিসোর্টটিতে অভিযান চালানো হতে পারে বলে জানান ট্রাম্প, আর সেই খবরেই সমর্থকরা আগেই হাজির হয়ে প্রতিবাদ জানাতে শুরু করেন।

দুইবার অভিশংসনের শিকার হওয়া ট্রাম্পের সমর্থনে শুক্রবার যেসব সমর্থক ফ্লোরিডার রিসোর্টটির সামনে হাজির হন তারা অনেকেই সেখানে ক্যাম্প করে থাকছিলেন।

সোমবার রাতে তল্লাশির সময় সেখানে দেখা যায়, অনেকেই ট্রাম্পের সমর্থন করলেও সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্সের নামে ক্রসচিহ্ন দিয়ে রেখেছেন।

এক তরুণকে দেখা যায়, যিনি ট্রাম্পের সমর্থক হিসেবে নিজেকে গর্বিত বলে দাবি করেন।

ট্রাম্পপন্থি অনেক প্রতিবাদকারীকে দেখা গেছে, গত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের সময় ট্রাম্পের স্লোগান, ‘মেইক ভোট, কাউন্ট এগেইন’, ‘কিপ আমেরিকা গ্রেট এবং ট্রাম্পকে আমরা বিশ্বাস করি’, লেখা নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকতে।

প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে হারের প্রতিদ্বন্দ্বী ও বর্তমান প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলেন ট্রাম্প। তিনি ভোটের ফলাফল কারচুপি হয়েছে অভিযোগ করে পুনর্গণনার দাবি করেন।

যখন ট্রাম্পের ফ্লোরিডার বাসায় এফবিআই অভিযান চালাচ্ছে, তখনও সেখানে তার সমর্থকরা ভোট গণনার দাবি করছেন। জো বাইডেনকে ডিকটেটর অ্যাখ্যা দিয়ে টিশার্ট পরে দাঁড়িয়েছেন, ‘নট মাই ডিকটেটর’।

এক প্রতিবাদকারী তো রীতিমতো সিএনএনের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছেন। সংবাদমাধ্যমটির এক প্রতিবেদকের পাশে দাঁড়িয়ে প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে দেখাচ্ছেন, ‘ফেক নিউজ ইজ সিএনএন’।

ট্রাম্পের সমর্থনে অসংখ্য সমর্থক দাঁড়ালেও কিন্তু ট্রাম্পবিরোধী একজনকে সেখানে দেখা গেছে। সাবেক প্রেসিডেন্টকে গালি দিয়ে লেখা প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন করছেন তিনি।

কিউবায় নির্বাসিত এক নারী এনবিসিসিক্সকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, তিনি বুঝতে পারছেন না কেন ট্রাম্পের বিরুদ্ধে এফবিআই তদন্ত করছেন। কেন ‘হান্টার’ বাইডেন কিংবা ন্যান্সি পেলোসির স্বামীর বিরুদ্ধে নন।

বাড়িতে অভিযানের তথ্য জানালেও তার বিস্তারিত কিছু বলেননি ডনাল্ড ট্রাম্প।

তিনি বলেন, ‘সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থাগুলোর সঙ্গে কাজ ও সহায়তার পরও আমার বাড়িতে অঘোষিত তল্লাশির দরকার ছিল না; এটা সমীচীনও নয়। এমনকি তারা আমার গোপনীয়তা লঙ্ঘন করেছে।’

এ বিষয়ে অবশ্য কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ। ওয়াশিংটন ডিসিতে এফবিআই সদর দপ্তর ও ফ্লোরিডার মায়ামিতে সংস্থাটির আঞ্চলিক কার্যালয়ের কোনো কর্মকর্তাও এ নিয়ে মুখ খোলেননি।

আরও পড়ুন:
মেক্সিকোতে হামলা চালাতে চেয়েছিলেন ট্রাম্প
অভিমানী ট্রাম্প ফিরবেন না টুইটারে
ন্যাটো-যুক্তরাষ্ট্র বেকুব, পুতিন স্মার্ট: ট্রাম্প
ফেসবুক-টুইটারকে দমাতে এলো ট্রাম্পের ‘ট্রুথ সোশ্যাল’
ট্রাম্পের ‘ট্রুথ সোশ্যাল’ চালু সোমবার

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
FBI raids Trumps Florida home

ট্রাম্পের ফ্লোরিডার বাড়িতে ‘এফবিআইয়ের তল্লাশি’

ট্রাম্পের ফ্লোরিডার বাড়িতে ‘এফবিআইয়ের তল্লাশি’ যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় ট্রাম্পের রিসোর্ট মার-এ-লাগো। ছবি: সংগৃহীত
প্রেসিডেন্ট দপ্তরের কিছু নথিপত্র সরিয়ে ট্রাম্প নিজের ফ্লোরিডার রিসোর্টে রেখেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। সে অভিযোগের তদন্ত চালাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ। এর অংশ হিসেবে তার বাড়িতে সংস্থাটি তল্লাশি চালিয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় রিসোর্ট ও বাড়ি মার-এ-লাগোতে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার (এফবিআই) কর্মীরা তল্লাশি চালিয়েছে বলে দাবি করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প।

স্থানীয় সময় সোমবার এ তল্লাশি চালানো হয় বলে বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

প্রেসিডেন্ট দপ্তরের কিছু নথিপত্র সরিয়ে ট্রাম্প নিজের ফ্লোরিডার রিসোর্টে রেখেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। সে অভিযোগের তদন্ত চালাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ। এর অংশ হিসেবে তার বাড়িতে গোয়েন্দা সংস্থাটি তল্লাশি চালিয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

ট্রাম্পের ভাষ্য, এফবিআই কর্মীদের বিশাল একটি দল তার বাড়িতে তল্লাশি চালিয়েছে।

এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ। ওয়াশিংটন ডিসিতে এফবিআই সদরদপ্তর ও ফ্লোরিডার মায়ামিতে সংস্থাটির আঞ্চলিক কার্যালয়ের কোনো কর্মকর্তাও এ নিয়ে মুখ খোলেননি। ‍

তদন্ত সংশ্লিষ্ট দুটি সূত্রের বরাত দিয়ে দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়, হোয়াইট হাউস থেকে কয়েক বাক্স নথিপত্র সরিয়ে ফ্লোরিডার বাড়িতে রেখেছেন ট্রাম্প।

তল্লাশির কথা জানিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট বলেন, তার রিসোর্টটি অবরোধ ও দখলে রাখা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ‘সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থাগুলোর সঙ্গে কাজ ও সহায়তার পরও আমার বাড়িতে অঘোষিত তল্লাশির দরকার ছিল না; এটা সমীচীনও নয়। এমনকি তারা আমার গোপনীয়তা লঙ্ঘন করেছে।’

কেন তল্লাশি চালানো হয়েছে, সে বিষয়ে কিছু জানাননি ট্রাম্প।

আরও পড়ুন:
অভিমানী ট্রাম্প ফিরবেন না টুইটারে
ন্যাটো-যুক্তরাষ্ট্র বেকুব, পুতিন স্মার্ট: ট্রাম্প
ফেসবুক-টুইটারকে দমাতে এলো ট্রাম্পের ‘ট্রুথ সোশ্যাল’
ট্রাম্পের ‘ট্রুথ সোশ্যাল’ চালু সোমবার
বুস্টার ডোজ নিয়েছেন ট্রাম্প

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Former guerrilla sworn in as president of Colombia

কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ সাবেক গেরিলার

কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ সাবেক গেরিলার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে গুস্তাভো পেত্রো। ছবি: সংগৃহীত
সাবেক বামপন্থী গেরিলা নেতা গুস্তাভো পেত্রো রোববার বিকেলে শপথ নিয়েছেন এবং শপথ অনুষ্ঠানে তিনি বৈচিত্রের এই দেশটিতে বৈষম্য, জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ, বিদ্রোহী ও অপরাধী গোষ্ঠীর সঙ্গে শান্তি প্রতিষ্ঠার মতো বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করার অঙ্গীকার করেছেন।

কলম্বিয়ার এক সময়ের বামপন্থী গেরিলা নেতা গুস্তাভো পেত্রো দেশটির প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিয়েছেন।

আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পেত্রোর শপথের মধ্যে দিয়ে প্রথম কোনো বামপন্থী নেতা কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট হলেন।

সশস্ত্র বামপন্থী গোষ্ঠী এম-নাইন্টিনের সাবেক এই সদস্য দেশটির রাজধানী বোগোতার বলিভার প্লাজায় রোববার বিকেলে শপথ নিয়েছেন এবং শপথ অনুষ্ঠানে তিনি বৈচিত্রের এই দেশটিতে বৈষম্য, জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ, বিদ্রোহী ও অপরাধী গোষ্ঠীর সঙ্গে শান্তি প্রতিষ্ঠার মতো বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করার অঙ্গীকার করেছেন।

এর আগে গত ১৯ জুন কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জয়ী হয়েছিলেন গুস্তাভো পেত্রো।

৬২ বছর বয়সী এই সিনেটর প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ৫০ দশমিক ৫ শতাংশ ভোট পেয়েছিলেন।

তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী রোদোলফো হার্নান্দেজও তার জয়ে অভিনন্দন জানিয়েছিলেন।

নির্বাচনে পেত্রোর বিজয়ের পর হার্নান্দেজ বলেছিলেন, ‘কলম্বিয়ার নাগরিকরা আমাকে ছাড়া অন্য একজনকে বেছে নিয়েছেন, তবুও আমি ফল মেনে নিয়েছি। আমি বিশ্বাস করি, গুস্তাভো পেত্রো ভালো জানেন কীভাবে দেশ পরিচালনা করতে হয়। দুর্নীতির বিরুদ্ধে তার আপসহীন সংগ্রাম সম্পর্কে আমার বিশ্বাস রয়েছে।’

কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ সাবেক গেরিলার
কলম্বিয়ায় প্রেসিডেন্ট সাবেক গেরিলা ও বামপন্থি নেতা গুস্তাভো পেত্রো (ডানে) ও তার রানিংমেট ফ্রান্সিয়া মার্কেজ

পেত্রোর রানিংমেট ফ্রান্সিয়া মার্কেজ যিনি একজন ‘সিঙ্গেল’ মা এবং সাবেক গৃহকর্মী, তিনি দেশটির প্রথম আফ্রিকান বংশোদ্ভূত নারী ভাইস প্রেসিডেন্ট।

আরও পড়ুন:
কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট বামপন্থি সাবেক গেরিলা
কলম্বিয়ায় নির্বাচন: প্রথম রাউন্ডে এগিয়ে সাবেক গেরিলা

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Bill passes record investment to save US environment

যুক্তরাষ্ট্রে পরিবেশ বাঁচাতে রেকর্ড বিনিয়োগের বিল পাস

যুক্তরাষ্ট্রে পরিবেশ বাঁচাতে রেকর্ড বিনিয়োগের বিল পাস যুক্তরাষ্ট্রের সিনেট অধিবেশন কক্ষ। ছবি: সংগৃহীত
ডেমোক্রেটিক পার্টি নিয়ন্ত্রিত সিনেটে শুরুতে ‘ইনফ্লেশন রিডাকশন অ্যাক্ট’ নামের বিলটির পক্ষে-বিপক্ষে ভোট পড়ে ৫০টি করে। পরবর্তী সময়ে ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিসের ভোটে ব্যবধান বাড়িয়ে বিলটি পাসে সক্ষম হয় ডেমোক্র্যাটরা। ১২ আগস্ট বিলটি আইনে পরিণত হওয়ার আগে প্রেসিডেন্টের অনুমোদনের প্রয়োজন হবে।  

যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটে ডেমোক্রেটদের আনা ৭৫ হাজার কোটি ডলারের স্বাস্থ্যসেবা, ট্যাক্স, জলবায়ু তহবিলের বিল পাস হয়েছে।

সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রোববার পাস হওয়া এই বিল প্রেসিডেন্ট বাইডেন ও তার দলের জন্য বড় বিজয় হিসেবে দেখা হচ্ছে।

রিপাবলিকানরা শুরু থেকেই এই প্রস্তাবিত আইনের বিরোধিতা করে আসছিল।

ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিসের ভোটে বিলটির পক্ষে-বিপক্ষে থাকা সমানসংখ্যক ৫০ ভোটের টাই ভেঙে ডেমোক্রেট নিয়ন্ত্রিত সিনেটে ৫১-৫০ ভোটে বিলটি পাস হয়।

১২ আগস্ট বিলটি আইনে পরিণত হওয়ার আগে প্রেসিডেন্টের অনুমোদনের প্রয়োজন হবে।

প্রস্তাবিত এই বিলটির শিরোনাম ইনফ্লেশন রিডাকশন অ্যাক্ট (মুদ্রাস্ফীতি কমিয়ে আনতে আইন)। যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে এই বিলেই জলবায়ুতে সবচেয়ে বড় বিনিয়োগের প্রস্তাব রাখা হয়েছে।

স্বাস্থ্যসেবাতেও বড় ধরনের পরিবর্তন আসছে।

বিশ্বের সবচেয়ে বেশি কার্বন নিঃসরণকারী দেশের তালিকায় চীনের পরই যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান।

তবে এবার নতুন বিলটিতে প্রস্তাব করা হয়েছে, কার্বন নিঃসরণ কমিয়ে আনতে ও সহজ স্বাস্থ্যবীমায় সামনের ১০ বছরে যুক্তরাষ্ট্র ব্যয় করবে ৪৩ হাজার কোটি ডলার।

চাকরিজীবীদের ওপর করের বোঝা কমাতে বিলটিতে বড় করপোরেশনের জন্য সর্বনিম্ন ১৫ শতাংশ ট্যাক্স রাখা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
আগুন নেভাতে গিয়ে দেখলেন মৃতদের সবাই পরিবারের
উত্তেজনা বাড়িয়ে তাইওয়ানে শান্তি চাইলেন পেলোসি
চীনকে মোকাবিলায় ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন তাইওয়ানের
তাইওয়ান প্রণালিতে যাবে যুক্তরাষ্ট্রের রণতরি
চীনা মিসাইল পড়ল জাপানে

মন্তব্য

p
উপরে