× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

আন্তর্জাতিক
Dad donates sperm to make replica of Elon Musk
hear-news
player
print-icon

ইলন মাস্কের প্রতিরূপ তৈরিতে শুক্রাণু দিচ্ছেন বাবা

ইলন-মাস্কের-প্রতিরূপ-তৈরিতে-শুক্রাণু-দিচ্ছেন-বাবা-
বাঁয়ে: ইরোল মাস্ক, ডানে: ইলন মাস্ক। ছবি: সংগৃহীত
শুক্রাণু দানের জন্য দক্ষিণ আমেরিকা ভিত্তিক প্রতিষ্ঠানটি ইরোলকে কোনো অর্থের প্রস্তাব দেয়নি। শুক্রাণু দাতা হিসেবে তিনি কেবল বিশেষ কিছু সুবিধা পেতে পারেন, যেমন প্রথম শ্রেনীর ভ্রমণ, পাঁচতারকা হোটেলে থাকার ব্যবস্থা এবং অন্যান্য সুবিধা।  

দক্ষিণ আমেরিকা ভিত্তিক একটি বেনামি প্রতিষ্ঠান ইলন মাস্কের একটি নতুন প্রজন্ম তৈরি করতে চায়, এমনটাই দাবি করেছেন ইলন মাস্কের বাবা ইরোল মাস্ক।

রাশিয়া টুডের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ৭৬ বছর বয়সী ইরোল মাস্ক ব্রিটিশ ট্যাবলয়েড দ্য সানকে বলেছেন, দক্ষিণ আমেরিকান প্রতিষ্ঠানটি তার শুক্রাণু একজন উচ্চশ্রেনীর কলম্বিয় নারীর গর্ভে স্থাপণ করতে চায়।

দ্য সানকে ইরল বলেন, কোম্পানির পক্ষ থেকে তাকে বলা হয়েছিল, তারা ইলনের কাছে কেনই বা যাবেন(শুক্রাণুর জন্য) , যেখানে ইলনকে যিনি তৈরি করেছেন, তার কাছেই যেতে পারেন।

তবে এ কাজের জন্য প্রতিষ্ঠানটি ইরোলকে কোনো অর্থের প্রস্তাব দেয়নি। শুক্রাণু দাতা হিসেবে তিনি কেবল বিশেষ কিছু সুবিধা পেতে পারেন, যেমন প্রথম শ্রেনীর ভ্রমণ, পাঁচতারকা হোটেলে থাকার ব্যবস্থা এবং অন্যান্য সুবিধা।

দ্য সানের পক্ষ থেকে ইরোল মাস্ককে প্রশ্ন করা হয়েছিল, কোনো মূল্য ছাড়াই আপনি শুক্রাণু দিতে রাজি হলেন।

জবাবে ইরোল বলেন, ‘আচ্ছা, কেনো নয়?’

সানকে দেয়া এর আগের সাক্ষাৎকারে ইরোল জানিয়েছিলেন ইলন মাস্কেরই গোপন ২ ভাই-বোনের কথা।

আর ইলন মাস্কের এই ২ বোনের মা আর কেউ নন, ইরোলেরই সৎমেয়ে জনা বেজুইডেনহাউট।

ইরোল ও তার সৎমেয়ে জনা ৩ বছর আগে সর্বশেষ তাদের কন্যাসন্তানকে স্বাগত জানান। এরই মধ্যে তাদের দুজনের একটি ছেলেও রয়েছে।

সৎমেয়ের সঙ্গে সন্তান জন্মদানকে ইরোল মাস্ক অনৈতিকভাবে দেখেন না। তিনি বলেন, পৃথিবীতে আমরা একমাত্র যেই জিনিসটির জন্য রয়েছি, তা হলো পুনরুৎপাদন করা। যদি আমার আরেকটি সন্তান হতে পারে। তবে আমি তাই করব। আমি না করার কোনো কারণ দেখছি না।

তবে তিনি জানিয়েছেন, এখন আর সৎমেয়ে জনার সঙ্গে থাকছেন না তিনি। ৪১ বছরের ছোট জনাকে ৪ বছর বয়স থেকে নিজের মেয়ের মতোই বড় করেছেন ইরোল মাস্ক। জনার মা হেইডের সঙ্গেও ইরোল ১৮ বছরের দাম্পত্য জীবন কাটিয়েছেন এবং হেইডের ঘরেও তার ২ সন্তান রয়েছে। জনাকেও তিনি বড় করেছেন নিজের মেয়ের মতো করেই।

জনার ঘরের এই দুই সন্তান ও ইলন মাস্কসহ ইরোল এখন ৭ সন্তানের জনক।

যদিও তার আরও বংশধর থাকতে পারে। আরও ৬ জন নারী দাবি করেন যে তারা ইরোল মাস্কের সন্তানের মা।

তবে ইরোল বলছেন, তারা আসলে সুযোগ সন্ধানী।

আরও পড়ুন:
বাবা-মায়ের দেয়া নাম বদলাতে চান মাস্কের ট্রান্সজেন্ডার মেয়ে
বাংলাদেশ থেকে ইলন মাস্কের স্টারলিংকের অর্ডার নেয়া শুরু
জীবনহানির শঙ্কায় ইলন মাস্ক
ইলন মাস্ককে টুইটারের বদলে শ্রীলঙ্কা কেনার পরামর্শ
ইলন মাস্ক ‘বড় একা’

মন্তব্য

আরও পড়ুন

আন্তর্জাতিক
Compensation to teacher fired for catfight

বিড়ালকাণ্ডে বরখাস্ত শিক্ষককে ক্ষতিপূরণ

বিড়ালকাণ্ডে বরখাস্ত শিক্ষককে ক্ষতিপূরণ ক্লাস চলাকালে পাঁচবার ক্যামেরার সামনে এসে লাফ দেয় বিড়ালটি। ছবি: সংগৃহীত
চীনের গুয়াংজু শহরের এক শিক্ষক তার অনলাইন ক্লাসে একটি বিড়ালের উপস্থিতির জন্য বরখাস্তের মামলায় ৬ হাজার ডলার ক্ষতিপূরণ পেয়েছেন।

করোনার কারণে অনলাইনে ক্লাস নিচ্ছিলেন চীনের গুয়াংজু শহরের আর্ট শিক্ষক লুও। জুনের এক সকালে ক্লাস নেয়ার সময় শিক্ষকের পোষা বিড়ালটি চলে আসে ক্যামেরার সামনে। একবার না, পাঁচ দফায় ক্যামেরার সামনে এসে লাফ দেয় দুষ্টু বিড়ালটি।

আর এতেই চটে যায় ভার্চুয়াল ক্লাস পরিচালনাকারী শিক্ষা প্রযুক্তি সংস্থা। তারা লুওকে বরখাস্ত করে। কারণে বলা হয়, ক্লাস চলাকালীন ‘অ-শিক্ষক’ কার্যকলাপে অংশ নিয়েছিলেন লুও। এ ছাড়া আগের একটি ক্লাসে তিনি ১০ মিনিট দেরি করেছিলেন।

লুও এ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করেন। তবে অন্যায্য বরখাস্তের জন্য শিক্ষককে ক্ষতিপূরণ দিতে অস্বীকার করে সংস্থাটি। চলে যুক্তিতর্ক।

অবশেষে মামলার রায় আসে শিক্ষক লুওর পক্ষে। ক্ষতিপূরণ বাবদ লুওকে ৬ হাজার ডলার দেয়ার আদেশ দেন বিচারক।

গুয়াংজু তিয়ানহে পিপলস কোর্টের বিচারক লিয়াও ইয়াজিং বলেন, ‘নিয়োগকর্তারা যদি তাদের কর্মীদের বাড়ি থেকে কাজ করতে চান, তবে অফিসে বসে কাজ করার মতো একই প্রত্যাশা করা উচিত নয়।

‘নিয়োগকর্তার নিয়মগুলো কেবল আইন মেনে চলবে না, বরং ন্যায্য এবং যুক্তিসংগত হওয়া উচিত।’

আরও পড়ুন:
ভবিষ্যতে শ্রেণিকক্ষের বদলে অনলাইন ক্লাস বাড়বে
যৌন শিক্ষার অনলাইন ক্লাসে শিক্ষার্থীর যৌন সঙ্গম
করোনা শেষেও বিশ্ববিদ্যালয়ে অনলাইনে ক্লাস
অনলাইনে একাদশ শ্রেণির ক্লাস শুরু

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Tamil Nadu disoriented by mad ants

পাগলাটে পিঁপড়ার দাপটে দিশেহারা তামিলনাড়ু

পাগলাটে পিঁপড়ার দাপটে দিশেহারা তামিলনাড়ু হলুদ পিঁপড়া। ছবি: সংগৃহীত
এই পিঁপড়ার বৈজ্ঞানিক নাম অ্যানোপ্লোলেপিস গ্র্যাসিলিপস। এদের বাস গ্রীষ্মমণ্ডলীয় এবং উপক্রান্তীয় অঞ্চলে। তারা অনিয়মিত, সমন্বয়হীনভাবে চলাফেরা করে। তবে চলাফেরার সময় তারা কোনো বাধা পেলে আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে।

ভারতের দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্য তামিলনাড়ুর সাতটি গ্রামের শত শত বাসিন্দা পিঁপড়ার উপদ্রবে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন। তারা বলছেন, পিঁপড়ার দল তাদের গবাদিপশুকে আক্রমণ করছে। তাদের ফসলি জমি, তাদের ঘরবাড়ি কিছুই উপদ্রব থেকে বাদ পড়ছে না।

ইন্টারন্যাশনাল ইউনিয়ন ফর কনজারভেশন অফ নেচার অনুসারে, হলুদ পিঁপড়া বা ইয়েলো ক্রেজি অ্যান্ট বিশ্বের সবচেয়ে আক্রমণাত্মক প্রজাতির মধ্যে অন্যতম। এই প্রজাতির পিঁপড়া কামড় দেয় না। তবে তারা এক ধরনের ফরমিক অ্যাসিড ছোড়ে, যা ক্ষতির কারণ হতে পারে।

এই পিঁপড়ার বৈজ্ঞানিক নাম অ্যানোপ্লোলেপিস গ্র্যাসিলিপস। এদের বাস গ্রীষ্মমণ্ডলীয় এবং উপক্রান্তীয় অঞ্চলে। তারা অনিয়মিত, সমন্বয়হীনভাবে চলাফেরা করে। তবে চলাফেরার সময় তারা কোনো বাধা পেলে আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই প্রজাতির পিঁপড়া দ্রুত বংশ বৃদ্ধি করতে পারে। তারা দেশীয় বন্য প্রাণীর প্রচুর ক্ষতি করতে পারে। অস্ট্রেলিয়ার অনেক অংশে এই পিঁপড়ার উপদ্রবের খবর পাওয়া গেছে।

ড. প্রণয় বৈদ্য একজন কীটবিজ্ঞানী। তিনি হলুদ পিঁপড়ার ওপর অনেক গবেষণা করেছেন। তিনি বলেছেন, এই প্রজাতির পিঁপড়া সুবিধাবাদী।

কোনো একটা খাবার তারা বেশি পছন্দ করে এমনটি নয়। তারা সবকিছুই খায়। এই হলুদ পিঁপড়ারা অন্য প্রজাতির পিঁপড়া, মৌমাছি কোনো কিছু খেতেই বাদ রাখে না।

তামিলনাড়ুর ক্ষতিগ্রস্ত গ্রামগুলো ডিন্ডিগুল জেলার কারান্থামালাই বনের চারপাশে একটি পাহাড়ি অঞ্চলে অবস্থিত। এখানকার অধিকাংশ বাসিন্দা কৃষিকাজ করেন অথবা গবাদিপশুর মালিক।

তামিলনাড়ুর সেলভাম নামের এক কৃষক বলেছেন, হলুদ পিঁপড়ার উপদ্রবে তারা বনের কাছাকাছি কাজ করতে পারছেন না।

৫৫ বছর বয়সী সেলভাম বলেন, ‘বনের কাছাকাছি গেলেই পিঁপড়া আমাদের গা বেয়ে উঠতে শুরু করে। আমরা খাবার তো দূরের কথা, পানি পর্যন্ত সঙ্গে নিয়ে যেতে পারি না। পিঁপড়া পানির পাত্রের মধ্যে গিয়েও বসে থাকে। আমরা জানি না এই উপদ্রব থেকে কীভাবে মুক্তি পাব।’

পাগলাটে পিঁপড়ার দাপটে দিশেহারা তামিলনাড়ু

গ্রামবাসী জানান, তারা কয়েক বছর ধরে আশপাশের জঙ্গলে এই পিঁপড়া দেখছেন। কিন্তু সম্প্রতি গ্রামের মধ্যেও তাদের উপদ্রব বেড়েছে। পিঁপড়ার দল তাদের জীবন অতিষ্ঠ করে তুলেছে।

বনের আশপাশে বসবাসকারী গবাদিপশু পালকরা বলছেন, উপদ্রবের কারণে তারা সেসব স্থান ছেড়েছেন।

নাগাম্মল নামের এক বাসিন্দা ছাগল পোষেণ। তার খামারের ছাগলগুলোকে পিঁপড়ার দল আক্রমণ করেছিল। তিনি বলেন, ‘আমার বাড়িতে এই পিঁপড়ার দল হানা দিয়েছিল। তাই আমি গ্রামে চলে এসেছি। আমরা তাদের নিয়ন্ত্রণ করতে পারিনি। তাদের সংখ্যা দিনকে দিন বাড়ছেই।’

স্থানীয় বন কর্মকর্তা প্রভু বলেন, ‘এ বিষয়ে তদন্ত করে রিপোর্ট জমা দিতে বলেছি। রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পর এ বিষয়ে কথা বলতে পারব।’

ডা. সিঙ্গামুথু একজন সরকারি পশু চিকিৎসক। তিনি বলেছেন, পিঁপড়াগুলো সাধারণ পিঁপড়ার মতোই দেখতে। তিনি বলেন, ‘আমরা জানি না কেন পিঁপড়ার সংখ্যা এত পরিমাণে বাড়ছে। তাদের কীভাবে নিয়ন্ত্রণ করব সেটিও বুঝতে পারছি না। গ্রামবাসীকে আপাতত বনে গবাদিপশু চড়াতে মানা করা হয়েছে।’

গ্রামবাসীর অভিযোগ, পিঁপড়ার আক্রমণে শুধু গবাদিপশু নয়, ইতোমধ্যে সাপ এবং খরগোশও মারা গেছে।

কীটবিজ্ঞানী ড. প্রণয় বৈদ্য বলেছেন, শত শত পিঁপড়া যে ফরমিক অ্যাসিড ছুড়ে দেয় তা প্রাণীর চোখের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। তবে তারা বিশেষভাবে চোখকে লক্ষ্য করে কি না তা রেকর্ড করা হয়নি। এই অ্যাসিড মানুষের দেহে অ্যালার্জির কারণ হতে পারে। তবে এটি প্রাণঘাতী না-ও হতে পারে।

পোকামাকড়ের এই বিস্তার অঞ্চলটির পরিবেশকে প্রভাবিত করতে পারে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞরা।

ড. বৈদ্য জানান, এই পিঁপড়াগুলো প্রথম অস্ট্রেলিয়ার ক্রিসমাস দ্বীপে আক্রমণ করে। তারা প্রথম সেখানকার স্থানীয় পিঁপড়াদের আক্রমণ করে এবং তাদের খাদ্যের উৎস দখল করে নেয়। স্থানীয় পিঁপড়াদের স্থানচ্যুত করে। সেই সঙ্গে দ্বীপের লাখ লাখ লাল কাঁকড়াকে অন্ধ করে মেরে ফেলে।

ড. প্রিয়দর্শন ধর্মরাজন একজন কীটতত্ত্ববিদ। তিনি বলেছেন, এই পিঁপড়ার ফসলের রসচোষক ক্ষুদ্র এক ধরনের পোকা এফিডের সঙ্গে সহজীবী সম্পর্ক রয়েছে। এফিড রস চুষে ফসলের ক্ষতি করে।

ধর্মরাজন বলেছেন, ক্রমাগত তাপমাত্রা বৃদ্ধির কারণে পিঁপড়ার আক্রমণ এখন আরও বাড়তে পারে। কারণ যখন তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়, তখন তাদের হজমক্ষমতা বাড়ে। যার ফলে তারা আরও বেশি খায়। এটি একটি কারণ হতে পারে।

তবে তিনি এও বলেছেন, এটি ধারণামাত্র। এ ব্যাপারে এখনও কোনো তথ্য আমরা পাইনি। আমাদের সংক্রমণের এলাকার আবহাওয়ার ধরন সম্পর্কিত আরও তথ্য সংগ্রহ করতে হবে এবং এটি বিশ্লেষণ করতে হবে। তারপরই নিশ্চিত করে বলা যাবে।

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Hate keeps us happy

ঘৃণা আমাদের সুখী রাখে

ঘৃণা আমাদের সুখী রাখে মনোবিজ্ঞানীরা বলছেন, অপছন্দের মানুষকেও অনুসরণ করার পেছনে বিশেষ মানসিক উদ্দীপনা কাজ করে। ছবি: সংগৃহীত
বিদ্বেষ এবং ঘৃণার প্রতি মানুষের কেন এত আসক্তি? এমন প্রশ্নে মনোবিজ্ঞানী ইলাগান বলছেন, এই আসক্তির সঙ্গে মানুষের জৈবিক, মনস্তাত্ত্বিক ও সামাজিক বিভিন্ন কারণের গভীর সংযোগ রয়েছে। কাউকে ঘৃণা করার পেছনে লুকিয়ে আছে গভীর মানসিক আনন্দ।

ধরা যাক হিরো আলমকে আপনার প্রচণ্ড অপছন্দ, তার হেড়ে গলায় গাওয়া রবীন্দ্রসংগীতে গা জ্বলে যায়, পুলিশ ডেকে মুচলেকা নিলে খুশিতে আটখানা হন; কিন্তু তার পরও হিরো আলম কেন আপনার মাথায় গেঁথে থাকেন? সোশ্যাল মিডিয়ায় কেন হিরো আলমের কর্মকাণ্ড উঁকিঝুঁকি মেরে দেখেন, আর সুযোগ পেলেই তীব্র কটাক্ষ করে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেন?

মনোবিজ্ঞানীরা বলছেন, যাকে পছন্দ নয়, তাকেও অনুসরণের পেছনে মানুষের বিশেষ মানসিক উদ্দীপনা কাজ করে। এর মানে হলো, যাকে আপনি চূড়ান্ত অপছন্দ বা ঘৃণা করছেন তিনিও আপনার জন্য বেশ গুরুত্বপূর্ণ।

অপছন্দের মানুষের কাণ্ডকারখানা সংগোপনে দেখার এই প্রবণতাকে ইংরেজিতে বলা হয় ‘হেট ওয়াচিং’, বাংলায় যার অর্থ হতে পারে ‘বিদ্বেষমূলক দর্শন’। অক্সফোর্ড ল্যাঙ্গুয়েজের সংজ্ঞা অনুসারে, এটি এমন এক ধরনের কর্মকাণ্ড, যা মূলত উপহাস বা সমালোচনার মাধ্যমে আনন্দ পেতে মানুষ করে থাকে।

নেটফ্লিক্সে এমিলি ইন প্যারিস সিরিজটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনার শেষ নেই। অথচ এ সিরিজটি নেটফ্লিক্সে সবচেয়ে বেশি দেখা সিরিজের অন্যতম। সিরিজটি আসার ২৮ দিনের মধ্যেই এটি দেখেছে ৫ কোটি ৪০ লাখের বেশি পরিবার। আর এই বিপুল ভিউকে গুরুত্ব দিয়ে সিরিজটির তৃতীয় সিজন শিগগিরই আসছে নেটফ্লিক্সে।

মনোবিজ্ঞানীরা বলছেন, আমরা অনেকেই ঘৃণা করতে প্রচণ্ড ভালোবাসি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের উত্থানের সঙ্গে এই প্রবণতার অনেক বেশি বিস্তার ঘটেছে। যাদের মোটেই পছন্দ করি না, এমন অসংখ্য মানুষকে আমরা অনুসরণ করি। লাল চুলের কোনো টিকটকারকে সমালোচনায় ধুয়ে দিতে আমরা হাজির করি তার বিভিন্ন সময়ের ‘আপত্তিকর’ কর্মকাণ্ড।

ম্যানিলার ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিস্ট জে আর ইলাগান বলছেন, ‘দূর বা কাছ থেকে ঘৃণা করার এই প্রবণতা সব সময়েই ছিল। তবে এখন আমরা যে ধরনের ঘৃণা নিয়ে বেশি কথা বলছি, সেগুলো মূলত পাবলিক কন্টেন্ট, পাবলিক পারসন এবং এ ধরনের আরও বেশ কিছু বিষয়কেন্দ্রিক।’

ইলাগানের মতে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের যুগে ঘৃণামূলক অনুসরণ একটি সাম্প্রতিক প্রবণতা। এই প্ল্যাটফর্মগুলো সুপরিচিত ব্যক্তিত্বদের প্রতি ঘৃণা উদ্‌গিরণের পথ সহজ করে দিয়েছে।

তিনি বলছেন, ‘বিষয়টি বেশ বিরক্তিকর অনলাইন বন্ধুদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হতে পারে। বিরক্তিকর হলেও আপনি নিয়মিত তাদের ওপর চোখ রাখেন। মনে মনে ভাবেন- ওরা বিশেষ কিছু হয়ে যাননি। তার পরও তাদের ওয়ালে স্ক্রল করা ঠেকিয়ে রাখতে পারেন না।’

বিরক্তিকর মনে করেও কেন আমরা এটা করি? বিদ্বেষমূলক দর্শন এবং ঘৃণামূলক অনুসরণে কেন এত আসক্তি? এমন প্রশ্নে ইলাগান বলছেন, এই আসক্তির সঙ্গে মানুষের জৈবিক, মনস্তাত্ত্বিক ও সামাজিক বিভিন্ন কারণের গভীর সংযোগ রয়েছে। কাউকে ঘৃণার পেছনে লুকিয়ে আছে গভীর মানসিক আনন্দ।

জৈবিকভাবে ঘৃণা মন ভালো রাখে!

ইলাগান বলছেন, ঘৃণা, ভালোবাসা ও উপভোগ হলো শক্তিশালী মানসিক প্রতিক্রিয়া। কখনও কখনও সত্যিকারের হুমকির অনুপস্থিতিতেও মানুষ শক্তিশালী মানসিক প্রতিক্রিয়ার মুখোমুখি হয়। এ সময় মস্তিষ্কের মাধ্যমে নিউরোট্রান্সমিটার নিঃসৃত হয়ে থাকে।

এই নিউরোট্রান্সমিটার সাধারণত সেরোটোনিন, ডোপামিন এবং অক্সিটোসিন। সাধারণভাবে এরা ‘সুখী হরমোন’ হিসেবে পরিচিত, যা ইতিবাচক অনুভূতির জন্ম দেয়। বিশেষ পরিস্থিতিতে ঘৃণাও আমাদের মস্তিষ্কে ভালো অনুভূতির জন্ম দিতে পারে। যেমন ২০২০ সালে লকডাউনের সময় বেশ কয়েকটি দেশে নেটফ্লিক্সের রিয়েলিটি শোর জনপ্রিয়তা বেড়ে যায়। ঘরবন্দি অবস্থায় অনেকে মানসিক আমোদের জন্য এ ধরনের অনুষ্ঠানের দিকে ঝুঁকে পড়েছিলেন।

কয়েকটি গবেষণায় দেখা গেছে, দৃশ্যত অপ্রীতিকর হলেও মানুষ কোনো আবেগ অনুভবে সক্ষম হলে নিজেকে সুখী ভাবতে থাকে। যেমন, ফেসবুকে কোনো উদ্ভট মিম দেখে মেজাজ খিঁচড়ে যাওয়ার পর হাতের ফোনটি দেয়ালে ছুড়ে মারার পর বেশ ভালো বোধ করে মানুষ।

এই একই কারণে বিষাক্ত ইতিবাচকতা শেষ পর্যন্ত মনের জন্য কিন্তু বিষাক্ত। কোনো কিছু খারাপ লাগলে সেটি প্রকাশ না করা মানে হলো, নিজের আবেগকে গলা টিপে দমন করা। আর তাই কাউকে ভালো না লাগলে তার মিথ্যা প্রশংসায় মেতে ওঠার কোনো কারণ নেই।

আমরা অন্যের সঙ্গে নিজেদের তুলনা পছন্দ করি

ইলাগান বলেন, বিদ্বেষমূলক দর্শন বা ঘৃণামূলক অনুসরণের ক্ষেত্রে আমরা মানসিকভাবে অনুসরণকারীর সঙ্গে নিজেদের তুলনায় উৎসাহী হই। এর ফলে মনের মধ্যে ভালো বা খারাপ অনুভূতি জন্ম নিতে পারে।

তিনি বলেন, নাটক বা চলচ্চিত্রের চরিত্রগুলোর সঙ্গে হরহামেশা আমরা এই তুলনা করে থাকি। তবে বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এ ধরনের কর্মকাণ্ডের প্রাথমিক প্ল্যাটফর্ম হয়ে উঠেছে। কারণ হিসেবে ইলাগান বলছেন, মানুষ সহজাতভাবে ভয়ারিস্টিক। ভয়ারিস্টিক বৈশিষ্ট্যের মানুষ অন্যের দুঃখ-যন্ত্রণা বা বিপদগ্রস্ত অবস্থায় আনন্দিত হয়। এমনকি অন্যের যৌনতা বা নগ্নতা দেখে নিজেও যৌন আনন্দ অনুভব করে।

ইলাগানের মতে, অন্যের সঙ্গে দুভাবে আমরা নিজেদের তুলনা করে থাকি। এর মধ্যে ঊর্ধ্বগামী তুলনা হলো, যখন আমরা নিজেদের তুলনায় আপাতদৃষ্টে উচ্চ অবস্থানের কারও সঙ্গে নিজেকে মেলাই। এটি ঈর্ষাকে উসকে দিতে পারে, যা শেষ পর্যন্ত ঘৃণার দিকে ধাবিত হয়। আমাদের মুখ থেকে তখন বের হতে পারে, ‘ওহ, উনি খুব ভালো করছেন? ঠিক আছে, তবে তিনি যা করছেন আমার তা পছন্দ নয়।’

আবার আপাতদৃষ্টে ‘নিম্ন’ অবস্থানে থাকা ব্যক্তির সঙ্গেও আমরা নিজেদের তুলনা করি। ফেসবুক বা টুইটারে তাদের পোস্ট আমাদের মনে বিরক্তি বা ঘৃণার জন্ম দেয়। এই ঘৃণা একই সঙ্গে আমাদের মনে নিজেদের ‘ভালোত্বের’ অনুভূতি তৈরি করে। বিষয়টি ঠিক কোনো ট্রেনের ধ্বংসাবশেষের ছবি দেখার অনুভূতির মতো। দেখতে কষ্ট হয়, কিন্তু ওই ট্রেনে না থাকা নিয়ে মনে স্বস্তিও কাজ করে।

ঘৃণা সামাজিক বন্ধনও বাড়ায়

ঘৃণা সব সময় বিচ্ছিন্নতা বাড়ায়, সেটি কিন্তু বলা যাবে না। হিরো আলমকে নিয়ে নিজের মনোভাব জানাতে ফেসবুকে কতবার স্ট্যাটাস দিয়েছেন একবার ভাবুন। হতে পারে তাকে আপনি পছন্দ করছেন না, কিন্তু সেই বিদ্বেষ প্রচার করতে আপনি কোনো না কোনোভাবে ফেসবুকেই যাচ্ছেন। আপনার স্ট্যাটাসে বন্ধুরা কী প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছেন, সেটাও দেখছেন মনের আনন্দ নিয়ে।

আবার ধরুন হাওয়া সিনেমা ভালো লাগেনি। ওই সিনেমার দুর্বলতাগুলো খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে তুলে ধরে বন্ধুদের সমর্থন পেতে তাদের আপনি যেতে বলছেন সিনেমা হলে।

ইলাগান বলেন, ‘আমি বলতে চাচ্ছি, একসঙ্গে মিলেমিশে কোনো মানুষকে ঘৃণা করা বেশ মজাদার। আপনাদের একজন সাধারণ শত্রু আছেন এবং এটি আপনারা সবাই মিলে বলতে পারছেন।’

এ কারণেই সবচেয়ে বাজে চলচ্চিত্রের অভিযোগ তুলেও লোকজন দ্য রুম দেখতে বানের পানির মতো সিনেমা হলে ছুটে গেছে এবং মুভি চলার সময় পর্দায় দল বেঁধে চামচ ছুড়ে মেরেছে।

নৃতাত্ত্বিক ও ইতিহাসবিদরাও মনে করেন, গালগল্প এক ধরনের আঠার মতো, যা সমাজকে একত্রিত রাখে। এ কালে এর মাত্রা অনেক প্রকাশ্য হয়েছে। কিছু লোক তাদের ঘৃণার প্রকাশকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেক বেশি ‘দর্শনীয়’ করে তুলতে চান, যাতে বন্ধুরাও এতে যোগ দিতে পারেন।

বিদ্বেষমূলক দর্শন বা ঘৃণামূলক অনুসরণ কি খারাপ?

ইলাগানের মতে, দুই ধরনের বিদ্বেষী মানুষ রয়েছেন। কেউ কেউ সত্যিকারের খারাপ বিষয়বস্তুতে আহত হয়ে সেটি ঘৃণা করেন। আবার এমন মানুষও আছেন, যারা বিষয়বস্তু যা-ই হোক না কেন, ঘৃণার উপাদান খুঁজে পান।

‘আপনি প্রথম ধারাটির মানুষ হলে চিন্তার কিছু নেই। এ ক্ষেত্রে আপনার ঘৃণা যৌক্তিক।’

ইলাগান বলছেন, ‘কখনও কখনও লোকজন অনলাইনে যা করেন সত্যিই তা বেশ হাস্যকর। এ ক্ষেত্রে সমালোচনার মুখে পড়ার যৌক্তিক কারণ থাকে। তাই কোনো কিছু পোস্ট করার আগে নিজের সক্ষমতা ও পরিস্থিতি জেনেবুঝে নিন।’

মাত্রা ছাড়া ঘৃণা বা বিদ্বেষ সম্পর্কেও সতর্ক করছেন ইলাগান। তিনি বলছেন, ‘ঘৃণার প্রকাশ নিজের কতটা কাজে আসছে সেটি বোঝাও জরুরি। আপনাকে বুঝতে হবে, নিজের খারাপ লাগা প্রকাশ করে একটু স্বস্তি পেতেই এটা করছেন, নাকি অপছন্দের ব্যক্তিকে একেবারে খারিজ করে দিতে চাইছেন।’

ক্রমাগত ঘৃণা ছড়ানোর কারণে শেষ পর্যন্ত আপনি নিজেই একজন ‘ঘৃণিত ব্যক্তিতে’ পরিণত হতে পারেন। আপনার সব কথাই হয়ে পড়তে পারে অযৌক্তিক। তাই নিজের মানসিক সুস্থতার জন্য এমন অস্বাস্থ্যকর অবস্থা সম্পর্কেও সতর্ক থাকা জরুরি।

সর্বশেষ কথা হলো, বিদ্বেষপ্রবণতা মানুষের স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্য। মন ঝরঝরে রাখতে কখনও কখনও মৃদুমন্দ ঘৃণার দাওয়াই হয়ে উঠতে পারে অতুলনীয়।

আরও পড়ুন:
বাম ভাইদের সম্মান করি: তথ্যমন্ত্রী
অক্টোবরে জিনিসপত্রের দাম কমবে, আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর
আর কিছু আশা করি না, ১৫ আগস্টে নেতাদের নির্লিপ্ততা নিয়ে শেখ হাসিনা
পণ্যমূল্য সহনীয় পর্যায়ে আনা একান্ত জরুরি: প্রধানমন্ত্রী
বাজার কারসাজিতে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার নির্দেশ বাণিজ্যমন্ত্রীর

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Why Japan wants alcoholic youth

কেন মদে আসক্ত তারুণ্য চায় জাপান

কেন মদে আসক্ত তারুণ্য চায় জাপান জাপানিদের মদের প্রতি আগ্রহী করার চেষ্টা করছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। ছবি: সংগৃহীত
‘সেক ভাইভা’ প্রচারাভিযানে এক প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে, যেখানে ২০ থেকে ৩৯ বছর বয়সী জাপানিদের মদসংক্রান্ত ব্যাবসায়িক ধারণাগুলো তাদের সমবয়সীদের মধ্যে শেয়ার করতে হবে। তারা গ্রুপ হয়েও কাজটি করতে পারবে। সে ক্ষেত্রে গ্রুপের সদস্য হতে হবে ৩ জনের বেশি।

বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক সংকটের মধ্যেই জাপানি তরুণদের মদ্যপানে অনীহা দেশটির কর্তৃপক্ষকে চিন্তায় ফেলেছে।

বর্তমান প্রজন্ম তাদের বাবা-মায়ের তুলনায় অনেক কম মদ পান করে। ১৯৯৫ সালে একজন জাপানি যেখানে বছরে গড়ে ১০০ লিটার মদ পান করতেন, ২০২০-এ এসে তা হ্রাস পেয়ে হয়েছে ৭৫ লিটার।

জাপান টাইমস বলছে, ১৯৮০ সালে মোট সংগৃহীত ট্যাক্সের ৫ শতাংশ ছিল মদশিল্প থেকে, সেখানে ২০২০ সালে মদশিল্প থেকে ট্যাক্স সংগ্রহ করা হয়েছে মাত্র ১.৭ শতাংশ।

ফলে সেকের (রাইস ওয়াইন) মতো মদ থেকে যে পরিমাণ ট্যাক্স সংগ্রহ করত তা অনেক কমে এসেছে।

ট্যাক্স কমে যাওয়ায় চিন্তায় পড়েছে দেশটির কর্তৃপক্ষ।

এমন পরিস্থিতে মদ থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়া তরুণ প্রজন্মকে মদে আকৃষ্ট করতে ‘সেক ভাইভা’ নামে প্রচারাভিযান শুরু করেছে জাপানের ট্যাক্স বিভাগ।

কর্তৃপক্ষ আশাবাদী, নতুন এই প্রচারাভিযানে তরুণসমাজ মদের প্রতি আগ্রহী হবে। যদিও মদ্যপানের ক্ষতিকর দিক থাকায় কেউ কেউ এর সমালোচনাও করেছেন।

‘সেক ভাইভা’ প্রচারাভিযানে এক প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে, যেখানে ২০ থেকে ৩৯ বছর বয়সী জাপানিদের মদসংক্রান্ত ব্যাবসায়িক ধারণাগুলো তাদের সমবয়সীদের মধ্যে শেয়ার করতে হবে। তারা গ্রুপ হয়েও কাজটি করতে পারবে। সে ক্ষেত্রে গ্রুপের সদস্য হতে হবে ৩ জনের বেশি।

পরিকল্পনা অনলাইনেই সাবমিশন করতে হবে এবং প্রতিযোগিতায় যোগদানের জন্য কোনো এন্ট্রি ফি রাখা হয়নি।

প্রতিযোগীদের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তাদের ব্যাবসায়িক পরিকল্পনা পেশ করার সুযোগ পাবেন। নভেম্বরে চূড়ান্ত প্রস্তাব উপস্থাপনের আগে বিশেষজ্ঞদের সাহায্যে সেরা প্রকল্পগুলো তৈরি করা হবে।

আরও পড়ুন:
আবের মৃত্যুতে সারা দেশে শোক
আবের মরদেহবাহী গাড়ি একনজর দেখতে শত শত মানুষের ভিড়
আবের মৃত্যুতে বাংলাদেশে রাষ্ট্রীয় শোক
বাঁচানো গেল না গুলিবিদ্ধ আবেকে
গুলিতে আহত শিনজো আবে সংকটাপন্ন

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Chaturvedis 22 year struggle for Rs

২০ রুপির জন্য চতুর্বেদীর ২২ বছরের লড়াই

২০ রুপির জন্য চতুর্বেদীর ২২ বছরের লড়াই
ট্রেনের প্রতিটি টিকিটের দাম ৩৫ রুপি ছিল। চতুর্বেদী দুটি টিকিট নিয়ে কেরানিকে ১০০ রুপির একটি নোট দিয়েছিলেন। ৭০ টাকার পরিবর্তে কেরানি তার কাছ থেকে নিয়েছিলেন ৯০ রুপি। ১০ রুপি তাকে ফেরত দেয়া হয়।

একেই বলে ধৈর্য। নয়তো ২০ রুপির জন্য দীর্ঘ ২২ বছর কেউ মামলা চালিয়ে যায়? তাও আবার সরকারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে! অবশেষে গত সপ্তাহে মামলার রায় আসে তার পক্ষে।

সময়টা ১৯৯৯ সাল। উত্তর প্রদেশের বাসিন্দা তুঙ্গনাথ চতুর্বেদী রেলযাত্রার জন্য দুটি টিকিট কিনেছিলেন। সেদিন তার কাছ থেকে নির্ধারিত টাকার চেয়ে ২০ রুপি বেশি নেয়া হয়েছিল

ঘটনাটি ঘটে মথুরা সেনানিবাস রেলওয়ে স্টেশনে। পেশায় আইনজীবী চতুর্বেদী বিষয়টি মেনে নিতে পারেননি। কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে সাড়া না পেয়ে আদালতের শরণাপন্ন হন তিনি।

ভোক্তা আদালত গত সপ্তাহে চতুর্বেদীর পক্ষে রায় দেয়। রেলওয়েকে বলা হয়, সুদসহ অর্থ ফেরত দিতে বাদীকে।

চতুর্বেদী বলেন, ‘এই মামলায় ১০০টিরও বেশি শুনানিতে অংশ নিয়েছি। মামলা লড়তে যে শক্তি এবং সময় হারিয়েছি, তার মূল্য আপনি দিতে পারবেন না।’

ভারতে ভোক্তা আদালত বিশেষভাবে পরিষেবা সম্পর্কিত অভিযোগগুলোর ফয়সালা করে। তবে এসব আদালত থাকে মামলায় ঠাসা। কখনো কখনো সাধারণ মামলাগুলোর সমাধানে কয়েক বছর লেগে যায়।

ঘটনায় সময় চতুর্বেদীর বয়স ছিল ৪২ বছর। মথুরা থেকে মোরাদাবাদে যাচ্ছিলেন তিনি। একজন টিকিট-বুকিং কেরানি তার কেনা দুটি টিকিটের জন্য অতিরিক্ত চার্জ করেছিলেন।

প্রতিটি টিকিটের দাম ৩৫ রুপি ছিল। চতুর্বেদী দুটি টিকিট নিয়ে কেরানিকে ১০০ রুপির একটি নোট দিয়েছিলেন। ৭০ টাকার পরিবর্তে কেরানি তার কাছ থেকে নিয়েছিলেন ৯০ রুপি। ১০ রুপি তাকে ফেরত দেয়া হয়।

চতুর্বেদী সঙ্গে সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানিয়েছিলেন। তারা বিষয়টিকে পাত্তা দেয়নি। তাই উত্তর-পূর্ব রেলওয়ের (গোরখপুর) বুকিং ক্লার্কের বিরুদ্ধে মথুরার একটি ভোক্তা আদালতে মামলা করার সিদ্ধান্ত নেন চতুর্বেদী৷

তিনি জানান, ভারতে বিচারব্যবস্থা যে ধীর গতিতে কাজ করে, তার জন্য এত বছর লেগেছে।

‘রেলওয়ে মামলাটি খারিজ করার চেষ্টা করেছিল। তারা জানিয়েছিল, রেলওয়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ একটি রেলওয়ে ট্রাইব্যুনালে সুরাহা করা উচিত, ভোক্তা আদালতে নয়। তবে আমি ২০২১ সালের সুপ্রিম কোর্টের একটি রায় দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখিয়ে প্রমাণ করি বিষয়টির শুনানি ভোক্তা আদালতে হতে পারে।’

দীর্ঘ লড়াইয়ের পর, বিচারক রেলওয়েকে ১৫ হাজার রুপি জরিমানা করেন। অর্থাৎ আদালত রেলওয়েকে ১৯৯৯ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত প্রতি বছর ১২ শতাংশ হারে সুদে ২০ রুপি ফেরত দেয়ার নির্দেশ দিয়েছে। আর যদি ৩০ দিনের নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে অর্থ প্রদান না করা হয়, তবে সুদের হার হবে ১৫ শতাংশ।

চতুর্বেদী বলেন, ‘যে ক্ষতিপূরণ পেয়েছি তা খুব অল্প। মামলাটি আমাকে যে পরিমাণ মানসিক যন্ত্রণা দিয়েছে তা অপূরণীয়। আমার পরিবার বহুবার মামলা তুলে নিতে চাপ দিয়েছিল।

‘এটা আসলে অর্থের বিষয় নয়। এটা ছিল অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াই। তাই মামলাটি আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ ছিল। আর যেহেতু আমি নিজে একজন আইনজীবী, তাই নিজেই মামলাটি লড়েছি। বাড়তি অর্থ খরচ হয়নি।

‘কোনো ব্যক্তির সরকারি পদমর্যাদা যাই হোক না কেন, তাকে জনগণের প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। এটাই নিয়ম। আপনি যদি এমন করেন, তবে দুর্নীতি ঠেকানোর জন্য অনেকটাই সহজ হবে।‘

মামলা অন্যদের জন্য একটি অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করবে বলে বিশ্বাস তুঙ্গনাথ চতুর্বেদীর। তিনি বলেন, ‘লড়াই কঠিন মনে হলেও, হাল ছেড়ে দেবেন না।’

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Canada is pouring 154 million dollars into cannabis

গাঁজা খাওয়াতে ১৫ কোটি ৪০ লাখ ডলার ঢালছে কানাডা

গাঁজা খাওয়াতে ১৫ কোটি ৪০ লাখ ডলার ঢালছে কানাডা
বিনোদনমূলক ক্ষেত্রে গাঁজার ব্যবহার ২০১৮ সালের অক্টোবরে বৈধ করে কানাডা। দেশটির সরকার ২০০৮ সাল থেকে সাবেক সামরিক সদস্যদের চিকিৎসার জন্য ব্যবহৃত গাঁজার খরচ দিচ্ছে।  

সাবেক সেনাদের গাঁজা কেনা সহজ করতে আরও টাকা ঢালতে যাচ্ছে কানাডা সরকার। বলা হচ্ছে, সরকার এবার এ খাতে প্রায় ১৫ কোটি ৪০ লাখ ডলার খরচ করবে। এই অঙ্ক গত বছরের তুলনায় ৩০ শতাংশ এবং ২০১৯ সালের তুলনায় ১৩৫ শতাংশ বেশি। কানাডার ভেটেরান অ্যাফেয়ার্স ২০০৮ সাল থেকে ওষুধ হিসেবে ব্যবহৃত গাঁজার জন্য এ অর্থ ব্যয় করছে।

বিনোদনমূলক ক্ষেত্রে গাঁজার ব্যবহার ২০১৮ সালের অক্টোবরে বৈধ করে কানাডা। উরুগুয়ের পর কানাডা এ ধরনের পদক্ষেপ নেয়া দ্বিতীয় দেশ। সংঘটিত অপরাধের বিরুদ্ধে লড়াই এবং ভোক্তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের পদক্ষেপ হিসেবে এ ব্যবস্থাটির বৈধতা দেয় জাস্টিন ট্রুডোর সরকার।

কানাডায় ওষুধ হিসেবে গাঁজা ২০০১ সাল থেকে বৈধ। গবেষণায় দেখা গেছে, উদ্বেগ, পোস্ট-ট্রমাটিক স্ট্রেস ডিসঅর্ডার এবং দীর্ঘস্থায়ী ব্যথার মতো সমস্যায় যারা ভোগেন, তাদের ক্ষেত্রে গাঁজা ভীষণ কার্যকর।

২০০৮ সালে আইনি নানা বাধা কাটিয়ে ভেটেরান অ্যাফেয়ার্স অবসরপ্রাপ্ত সেনাদের চিকিৎসায় ঔষধি গাঁজার অনুমোদন দেয়। তিন বছর পর ২০১১ সালে গাঁজাকে আরও বেশি মানুষের কাছে পৌঁছাতে নিয়মকানুনগুলো সহজ করে সরকার। এ বছর গাঁজা কেনার জন্য ৩৭ জনকে ৮১ হাজার ডলার দেয়া হয়।

ভেটেরান অ্যাফেয়ার্স বলছে, মেডিক্যাল গাঁজা ‘চিকিৎসা বিজ্ঞানে দারুণ একটি ক্ষেত্র। এ নিয়ে আরও গবেষণা চলবে। বয়স্ক এবং তাদের পরিবারের কল্যাণে প্রয়োজনীয় নীতি সমন্বয় করা হবে।

কানাডিয়ান সিনেট কমিশন ২০১৯ সালে চিকিৎসার উদ্দেশে গাঁজার ইতিবাচক ফলাফলের ওপর জোর দিয়েছিল। বিশেষ করে দীর্ঘস্থায়ী ব্যথার বিরুদ্ধে ‘অত্যন্ত আসক্তিযুক্ত’ ওপিওডের বিকল্প ধরা হচ্ছে গাঁজাকে।

সিনেটররা বলেন, ‘গাঁজার দাম নিয়মিত মূল্যায়ন করা দরকার। কারণ কিছু অভিজ্ঞ সেনার সামর্থ্যের চেয়ে বেশি খরচ হতে পারে।’

সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, ২০২১ সালে কমপক্ষে ১৮ হাজার সাবেক সেনাকে ঔষধি গাঁজার জন্য টাকা দিয়েছিল কানাডা সরকার, যা ফেডারেল খরচের (১১ কোটি ৮০ লাখ ডলার) সমান।

বিশেষজ্ঞরা প্রবীণদের জন্য পরিকল্পনাটিকে অনেকাংশেই সমর্থন করেন। তবে তারা বলছেন, এটির সঙ্গে মনোসামাজিক সহায়তা থাকা জরুরি, বিশেষ করে উদ্বেগ এবং পোস্ট-ট্রমাটিক স্ট্রেস ডিসঅর্ডারের ক্ষেত্রে।

আরও পড়ুন:
মাল্টার আদলে গাঁজা ‘পাচার’
গাঁজা সেবনের দায়ে ছাত্রদল নেতাকে জরিমানা
লং কোভিড চিকিৎসায় ‘অতুলনীয়’ গাঁজা
গাঁজা চাষে বিনিয়োগে জার্মান ব্যবসায়ীর সঙ্গে তালেবানের চুক্তি!
‘গাঁজা কিনতেন জাল টাকায়’

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
The dog is walking around with a fan on in the intense heat

তীব্র গরমে গায়ে ফ্যান লাগিয়ে ঘুরছে কুকুর

তীব্র গরমে গায়ে ফ্যান লাগিয়ে ঘুরছে কুকুর ইয়র্কশায়ার টেরিয়ার অ্যান এবং নন বিশেষ ফ্যানে বেশ স্বাচ্ছন্দ্য। ছবি: সংগৃহীত
ইতোমধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলছে হিকারু উজাওয়ার এই বিশেষ ফ্যান। ১ জুলাই দোকানটি উদ্বোধনের পর অন্তত ১০০টি অর্ডার পেয়েছেন তিনি। অস্ট্রেলিয়া এবং ইতালি থেকেও আসছে চাহিদা।

জলবায়ু পরিবর্তনে পুড়ছে বিশ্ব। মানুষ, পশু-পাখি, গাছপালা কিছুই রেহাই পাচ্ছে তীব্র গরম থেকে। কদিন আগেই, ব্রিটেনের একটি প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়া শূকরদের গরম থেকে রক্ষা করতে সানস্ক্রিন মাখিয়েছিল খামারিরা।

ইউরোপের হাওয়া লেগেছে পূর্ব এশিয়াতেও। গ্রীষ্মের অসহ্য গরমে শীতল থাকার জন্য কুকুরের গায়ে আটকানো যায় এমন ফ্যান (ওয়ারেবল ফ্যান) কেনায় মেতে উঠেছেন জাপানের কুকুর মালিকরা

ওয়ানসি নামের ফ্যানটি একটি জালের সাথে সংযুক্ত। এটি পোষা প্রাণীর পশমের নিচের স্তরও ঠান্ডা রাখে।

হিকারু উজাওয়া সুইট মাম্মি নামে একটি মাতৃকালীন পোশাকের দোকানমালিক। তিনি বলেন, ‘আমার কুকুর বাইরে হেঁটে আসার পর হাঁপাত। অসহ্য গরমে সে দুর্বল হয়ে যেত। এ ফ্যান ব্যবহারের পর সে হাঁপানো বন্ধ করে দিয়েছে।’

ইতোমধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলছে হিকারু উজাওয়ার এই বিশেষ ফ্যান। ১ জুলাই দোকানটি উদ্বোধনের পর অন্তত ১০০টি অর্ডার পেয়েছেন তিনি। অস্ট্রেলিয়া এবং ইতালি থেকেও আসছে চাহিদা।

কেবল কুকুরের শরীর ঠান্ড রাখে, তা কিন্তু নয়। তাপমাত্রা ও আর্দ্রতাও ঠিকঠাক আপনাকে জানিয়ে দেবে হিকারুর এই বিশেষ ফ্যান।

তীব্র গরমে গায়ে ফ্যান লাগিয়ে ঘুরছে কুকুর

জুলাইয়ের শুরুতে রাজধানী টোকিওর বেশ কয়েকটি অঞ্চলে তাপমাত্রার নতুন রেকর্ড হয়। এসব অঞ্চলে তাপমাত্রা পৌঁছেছিল ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ওপরে। অবস্থা বেগতিক দেখে দিনের বেলা বাইরে যাওয়া এবং ব্যায়াম করা থেকে বিরত থাকার জন্য জনগণকে অনুরোধ জানায় কর্তৃপক্ষ।

সারা বিশ্বেই এমন প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। জুলাইয়ের মাঝামাঝিতে ইংল্যান্ডে ৪০ ডিগ্রির বেশি তাপমাত্রা রেকর্ড হয়; যা আগের সব রেকর্ড ভেঙে দেয়। দেশটির ইতিহাসে প্রথমবারের মতো জারি হয় ‘চরম তাপ সতর্কতা’। কর্তৃপক্ষের আশঙ্কা, এই গ্রীষ্ম মৌসুমে তাপজনিত মৃত্যুর কারণে শত শত মানুষ মারা যেতে পারে।

হিকারু বলেন, ‘গরম থেকে বাঁচাতে আমার চিহুয়াহুয়া ও সোয়ানের (কুকুর) জন্য বহনযোগ্য পাখা তৈরি করেছি।’

হিকারুর এ ধরনের ফ্যানের ধারণা আসে তিন বছর আগে, ২০১৯ সালে। তিনি লক্ষ্য করেছিলেন গ্রীষ্মে হাঁটার পর সোয়ান অনেক ক্লান্ত হয়ে যায়।

হিকারু বলেন, ‘কাজের সময়সূচির কারণে আমার জন্য তাড়াতাড়ি ঘুম থেকে ওঠা কঠিন ছিল। তাই মধ্যাহ্নের গরমেই ওদের হাঁটাতে নিয়ে যেতাম।

পশু চিকিৎসকদের সাহায্যে এই ফ্যান তৈরি করেন হিকারু। এখন পাঁচটি ভিন্ন আকারের ফ্যান বিক্রি করছেন তিনি। প্রতিটির দাম নিচ্ছেন ৯ হাজার ৯০০ ইয়েন; অর্থাৎ ৭৪ ডলারের কাছাকাছি।

হিরোকো মুরায়ামা তার দুটি ইয়র্কশায়ার টেরিয়ার অ্যান এবং ননের জন্য ওয়ানসি কিনেছিলেন। তিনি বলেন, ‘আমি উদ্বিগ্ন ছিলাম যে ফ্যানের ঘূর্ণায়মান শব্দ তারা অপছন্দ করতে পারে। তবে এমনটা হয়নি। প্রতিদিন সকালে হাঁটার সময় তারা এগুলোর জন্য অপেক্ষায় থাকে।’

হিকারু বলেন, ‘চাহিদা থাকায় আরও দুটি পরিধানযোগ্য ফ্যানের মডেল তৈরি হচ্ছে। একটি শরীরের সঙ্গে সংযুক্ত, অন্যটি পরিধানযোগ্য। এখন কুকুররা উত্সবে গেলেও শান্ত থাকবে।’

আরও পড়ুন:
জলবায়ু ক্ষতিপূরণ আদায়ে ঐক্যবদ্ধ প্রয়াস চান প্রধানমন্ত্রী
নথি ফাঁস: জলবায়ু প্রতিবেদন পরিবর্তনে চলছে লবিং
জলবায়ু পরিবর্তন: ক্ষতিপূরণ দাবিতে সড়ক অবরোধ
গ্রিনহাউজ গ্যাস নিঃসরণে চীনের নতুন রেকর্ড
জলবায়ু পরিবর্তন: পৃথিবী রক্ষায় প্রধানমন্ত্রীর চার প্রস্তাব

মন্তব্য

p
উপরে