× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

আন্তর্জাতিক
The world is bursting into flames
hear-news
player
print-icon

বিশ্ব ফুটছে দাবদাহে

বিশ্ব-ফুটছে-দাবদাহে
বৈশ্বিক তাপমাত্রা বিষয়ক নাসার দেয়া ১৩ জুলাইয়ের মানচিত্র। ছবি: সংগৃহীত
জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পৃথিবীর তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে। স্পেন, ইরান, তিউনিশিয়া, চীনসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অত্যধিক তাপমাত্রায় জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়ছে। এরই মধ্যে দেখা দিচ্ছে দাবানল। জলবায়ু পরিবর্তন ঠেকাতে কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে পরিস্থিতি আরও বিপজ্জনক দিকে মোড় নিতে পারে।

জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধিতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ছে গোটা বিশ্ব। যুক্তরাজ্যের লন্ডন থেকে শুরু করে ইরানের আহবাজেও এর প্রভাব পড়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা বলছে, এ বছর জুন এবং জুলাই মাসে বৈশ্বিক তাপপ্রবাহে ইউরোপ, উত্তর আফ্রিকা, মধ্যপ্রাচ্য, এশিয়ার অনেক স্থানেই তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়ে যায়, এমনকি অনেক স্থানেই পূর্বের দীর্ঘস্থায়ী তাপমাত্রার রেকর্ডও ভেঙে যাচ্ছে।

বৈশ্বিক তাপমাত্রার অবস্থা ফুটিয়ে তুলতে পৃথিবীর পূর্বগোলার্ধের ১৩ জুলাইয়ের বায়ুর তাপমাত্রার ওপর ভিত্তি করে নাসা একটি মানচিত্র প্রকাশ করেছে।

সেই মানচিত্রে লাল অংশে সবচেয়ে গরম ও নীল অংশে সবচেয়ে শীতল এলাকা নির্দেশ করছে।

মানচিত্রে দেখা যাচ্ছে উত্তর আফ্রিকার পুরোটাজুড়েই তীব্র দাবদাহ চলছে। ইউরোপের দেশ স্পেনের শহর সেভিয়ায় তাপমাত্রা দেখাচ্ছে ৪২.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এরই মধ্যে স্পেনসহ পশ্চিম ইউরোপের দেশ পর্তুগাল ও ফ্রান্সে দাবদাহে সৃষ্ট দাবানল ভয়ংকর রূপ ধারণ করেছে।

বিশ্ব ফুটছে দাবদাহে
পর্তুগালের উত্তরাঞ্চলীয় বুস্তেলো এলাকায় বিমান থেকে পানি ছুড়ে নেভানো হচ্ছে দাবানল

ফ্রান্সের দাবানলে পুড়ে গেছে ৩৭ হাজার একরেরও বেশি এলাকা।

পর্তুগালের লেইরিয়া শহরে ১৩ জুলাই তাপমাত্রা ৪৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছেছিল। দেশটিতে ৭ হাজার ৪০০ একর জমি দাবানলে পুড়ে গেছে। পর্তুগালের ১৪টি স্থানে দাবানলের বিরুদ্ধে লড়ছে দমকল বাহিনী। দেশের অর্ধেকেরও বেশি অংশে চলছে রেড এলার্ট।

পর্তুগাল সরকার জানিয়েছে, তাপে গত সপ্তাহে ৬৫৯ জনের মৃত্যু হয়েছে, যাদের বেশির ভাগ প্রাপ্তবয়স্ক।

বিশ্ব ফুটছে দাবদাহে

সুওমি এনপিপি স্যাটেলাইটে দৃশ্যমান ইনফ্রারেড ইমেজিং রেডিওমিটার স্যুটে পর্তুগাল ও স্পেনে দাবানল আক্রান্ত এলাকা

এদিকে ইতালিতে রেকর্ড তাপে ৩ জুলাই ডলোমাইটসের মারমোলাডা হিমবাহের একটি অংশ ধসের ফলে ১১ পর্বতারোহীর মৃত্যু হয়।

ইতালির প্রধানমন্ত্রী মারিও দ্রাঘি বলেছিলেন, সন্দেহ নেই যে এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত জলবায়ু পরিবর্তন।

আমি বলতে চাচ্ছি যে সামনের বছরগুলোতে তাপমাত্রা যে বাড়বে না, তা বলা যাচ্ছে না। মানে তাপ তরঙ্গের ঘটনাগুলো আরও বেশি স্বাভাবিক হয়ে উঠবে... ইউরোপজুড়ে।

সে সময় উদ্ধারকারী সংস্থার মুখপাত্র ওয়াল্টার মিলান দেশটির রাষ্ট্রীয় টিভিকে বলেছিলেন, সাম্প্রতিক দিনগুলোতে এই অঞ্চলটি অস্বাভাবিক উচ্চ তাপমাত্রার সম্মুখীন হচ্ছে। হিমবাহের চূড়ার তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছেছে।

এদিকে যুক্তরাজ্যের চরম তাপমাত্রা সতর্কতা জারি করেছে কারণ তাপমাত্রা ক্রমাগত বাড়তে থাকবে এবং সর্বকালের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে।

বিশ্ব ফুটছে দাবদাহে
সাবওয়েতে হাতপাখা দিয়ে নিজেকে ঠান্ডা রাখার চেষ্টা করছেন একজন ব্রিটিশ নারী

দাবদাহ ও দাবানল আঘাত করেছে উত্তর আফ্রিকাতেও। দাবানলে সেখানকার শস্য ও ফসলের ক্ষতি হচ্ছে।

১৩ জুলাই উত্তর আফ্রিকার দেশ তিউনিসিয়ার রাজধানী তিউনিসে তাপমাত্রা ৪৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস স্পর্শ করেছে যা ৪০ বছরে সর্বোচ্চ।

ইরানে জুনের শেষদিকে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৫২ ডিগ্রি সেলসিয়াস স্পর্শ করে। জুলাই মাসেও তাপমাত্রা বেশি।

চীনে এবারের গ্রীষ্মকালের দাবদাহে রাস্তার পিচ গলে গিয়েছিল, ছাদের টাইলস পর্যন্ত ভেঙে গিয়েছিল। ১৩ জুলাই সাংহাইয়ের তাপমাত্রা ছিল ৪০.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস এর সঙ্গে উচ্চ আর্দ্রতা মিলে মারাত্মক পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে।

এই ধরনের দাবদাহ মানুষের স্বাস্থ্যের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলে। যুক্তরাজ্যে সাধারণ নাগরিকদের বিনা প্রয়োজনে ভ্রমণ করতে নিষেধ করা হয়েছে। লন্ডনের অনেক স্থানেই গণপরিবহন বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। ক্লাস বন্ধ অনেক স্কুলেই।

উত্তর আমেরিকাও কয়েক বছর ধরে দাবানল দেখছে। যুক্তরাষ্ট্রেও বিভিন্ন স্থানে দাবানল দেখা দিয়েছে। ক্যালিফোর্নিয়ায় গত ৭ জুলাই থেকে শুরু হয়েছে দাবানল। তবে পরিস্থিতি এখন কিছুটা নিয়ন্ত্রণে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে তাপপ্রবাহ ঘন ঘন, তীব্র এবং দীর্ঘস্থায়ী হচ্ছে। শিল্প যুগ শুরু হওয়ার পর থেকে পৃথিবী ইতোমধ্যেই প্রায় ১ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় উষ্ণ হয়েছে। কার্বন নিঃসরণ কমাতে না পারলে তাপমাত্রা বাড়তে থাকবে।

স্পেনের ক্যাস্টিলা-লা মাঞ্চা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফ্যাকাল্টি এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সেস অ্যান্ড বায়োকেমিস্ট্রির ডিন এনরিক সানচেজ জানিয়েছেন, তাপপ্রবাহ শিগগিরই স্বাভাবিক হয়ে উঠবে।

‘আমি বলতে চাচ্ছি যে সামনের বছরগুলোতে তাপমাত্রা যে বাড়বে না, তা বলা যাচ্ছে না। মানে তাপ তরঙ্গের ঘটনাগুলো আরও বেশি স্বাভাবিক হয়ে উঠবে... ইউরোপজুড়ে।’

আর্কটিক সার্কেলের উত্তরে সবচেয়ে শীতল জনবসতিপূর্ণ স্থান হিসেবে বিখ্যাত ছিল সাইবেরিয়ার গ্রাম ভারখোয়ানস্ক, যেখানে রেকর্ড সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৬৭ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

চলতি বছরের জুনে এ গ্রামটি আর্কটিক সার্কেলের উত্তরে উষ্ণতম স্থানে পরিণত হয়েছে। গ্রামটির সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যেখানে সাধারণ গ্রীষ্মে তাপমাত্রা থাকত ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশপাশে।

স্পেনে যাত্রীবাহী ট্রেনের দুইপাশে দাবানল

ওয়ার্ল্ড ওয়েদার অ্যাট্রিবিউশন প্রজেক্ট বলছে, মানবসৃষ্ট জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে পৃথিবীর তাপমাত্রা ৬০০ গুণ বেড়েছে।

ল্যানসেটের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বায়ুমণ্ডলে গ্রিনহাউস গ্যাস ব্যাপক মাত্রায় বেড়েছে। এই উষ্ণায়ন বন্যা, দূষণ, রোগের বিস্তারসহ নানা বিপদ ডেকে আনবে। তবে গবেষকরা এসবের মধ্যে তাপপ্রবাহকে সবচেয়ে গুরুত্ব দিচ্ছেন।

চলতি সপ্তাহে বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার একটি প্রতিবেদনে বলা হয়, রেকর্ডের তিনটি উষ্ণতম বছরের মধ্যে একটি ২০২০ সাল; তখন গড় বৈশ্বিক তাপমাত্রা প্রাক-শিল্প স্তর থেকে ১ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি রেকর্ড হয়েছিল। ২০২৪ সালের মধ্যে এটি ১ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে বৃদ্ধি পাবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন:
যুক্তরাজ্যে তীব্র গরমে গলে গেছে রানওয়ে

মন্তব্য

আরও পড়ুন

আন্তর্জাতিক
11 pythons born in the zoo went into the wild

বনবাসে গেল চিড়িয়াখানায় জন্মানো ১১ অজগর

বনবাসে গেল চিড়িয়াখানায় জন্মানো ১১ অজগর সীতাকুণ্ড ইকোপার্কে অজগরের বাচ্চাগুলোকে অবমুক্ত করা হয়। ছবি: নিউজবাংলা
এর আগে ২০১৯ সালে প্রথমবার অজগরের ২৫টি ডিম থেকে কৃত্রিম উপায়ে বাচ্চা ফোটানো হয়। ২০২১ সালে দ্বিতীয় দফায় আরও ২৮টি বাচ্চা ফোটানো হয়।

চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায় কৃত্রিম উপায়ে ফোটানো অজগরের ১১টি বাচ্চাকে বনে অবমুক্ত করা হয়েছে।

রোববার দুপুরে এগুলোকে সীতাকুণ্ড ইকোপার্কে অবমুক্ত করা হয়।

বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানার ডেপুটি কিউরেটর শাহাদাৎ হোসেন শুভ।

তিনি জানান, গত ২০ জুন ১৫টি ডিম থেকে কৃত্রিম উপায়ে ১১টি বাচ্চা ফোটানো হয়। ইনকিউবেটরে ৬৫ দিন রাখার পর এসব ডিম থেকে বাচ্চা ফুটে। এর মধ্যে ১১টি বাচ্চা বেঁচে ছিল। রোববার এগুলোকে সীতাকুণ্ড ইকোপার্কে অবমুক্ত করা হয়েছে।

এ সময় সীতাকুণ্ড উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আশরাফুল আলম, মো. আলাউদ্দিন, অসীম কান্তি দাসসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে ২০১৯ সালে প্রথমবার অজগরের ২৫টি ডিম থেকে কৃত্রিম উপায়ে বাচ্চা ফোটানো হয়। ২০২১ সালে দ্বিতীয় দফায় আরও ২৮টি বাচ্চা ফোটানো হয়। ওই বাচ্চাগুলোকেও পরে বনে অবমুক্ত করা হয়েছিল।

আরও পড়ুন:
মাছ ধরতে গিয়ে পুকুরে মিলল অজগর
লাউয়াছড়ার অজরগরটি কি দেশের সবচেয়ে বড়?
পুকুর থেকে সুন্দরবনে ফিরল অজগর
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ভবনের গ্রিলে অতিকায় অজগর
কারও সাড়া না পেয়ে নিজেরাই অবমুক্ত করল অজগর

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Dhaka is as hot as Jeddah

ঢাকায়-জেদ্দায় সমান গরম!

ঢাকায়-জেদ্দায় সমান গরম! রোববার দুপুরে জেদ্দা-বাড্ডায় সমান ৪১ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা অনুভূত হয়েছে। ছবি: কোলাজ/নিউজবাংলা
আবহাওয়াবিষয়ক ওয়েবসাইট অ্যাকুওয়েদারের হিসাবে বেলা দেড়টার দিকে ঢাকার বাড্ডায় তখন তাপমাত্রা অনুভূত হচ্ছিল ৪১ ডিগ্রি। এটাকে বলে রিয়েল ফিল, মানে আসলে কত ডিগ্রির সমান তাপমাত্রা অনুভূত হচ্ছে। একই সময়ে মরুভূমির সৌদি আরবের শহর জেদ্দায়ও রিয়েল ফিল ছিল সমান।

হাতিরঝিল ধরে হাঁটছিলেন আল ফারুক। গাছের ছায়াঘেরা ফুটপাত পেরিয়ে যখন এফডিসিসংলগ্ন সেতুতে ওঠেন, তখন তীব্র রোদে গরমে পুড়তে হয় তাকে।

বর্ষার এই সময়ে চৈত্রের কাঠফাটা রোদ যেন- নিউজবাংলাকে বলছিলেন ফারুক। বলেন, ‘সামান্য দুই থেকে তিন শ মিটার পথ হাঁটতে গিয়ে আমি ঘেমে একাকার। মাথা ভিজে পুরো চুপচুপে হয়ে গেছে।’

মিরপুর থেকে বাইকে করে বাড্ডায় আসা নাহিয়ান আরেফিন বলেন, ‘গরমের কথা কী আর বলব? রোদে এতটা গরম হয়েছিল যে সিটে বসার সাহস পাচ্ছিলাম না। সম্ভব হলে দাঁড়িয়ে বাইক চালাতাম। এই সময়ে জীবনেও এমন গরম দেখি নাই।’

তিনি বলেন, ‘ফ্যানের বাতাসটাও গরম লাগে বাসায়। বাইরে বের হলে মনে হয় পৃথিবী আর সূর্যের মাঝখানে বাংলাদেশকে রেখে দিছে।’

এবারের বর্ষা শীতলতা আনেনি। বরং গ্রীষ্মের মতো উত্তাপ ছড়িয়ে মানুষের ঘাম ঝরাচ্ছে। ঢাকা মহানগর যেন উত্তপ্ত কড়াই।

তাপমাত্রা মাপার পারদে রোববার দুপুরে বাড্ডা এলাকায় তাপমাত্রা ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আবহাওয়া অধিদপ্তর দেখাচ্ছিল সে সময় ঢাকার গড় তাপমাত্রা ছিল ৩৩ ডিগ্রি।

তবে পারদে যতটা তাপ দেখায়, মানুষের মধ্যে গরমের অনুভূতি থাকতে পারে তার চেয়ে বেশি।

আবহাওয়াবিষয়ক ওয়েবসাইট অ্যাকুওয়েদারের হিসাবে বাড্ডায় তখন তাপমাত্রা অনুভূত হচ্ছিল ৪১ ডিগ্রি। এটাকে বলে রিয়েল ফিল, মানে আসলে কত ডিগ্রির সমান তাপমাত্রা অনুভূত হচ্ছে।

একই সময়ে মরুভূমির দেশ সৌদি আরবের অন্যতম বড় ও ব্যস্ত শহর জেদ্দার তাপমাত্রা ছিল ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সেখানেও রিয়েল ফিল ছিল ৪১ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

সেখানকার পূর্বাভাস অনুযায়ী সর্বোচ্চ মাপমাত্রা ৩৭ ডিগ্রি পর্যন্ত বাড়তে পারে। তখন রিয়েল ফিল থাকবে ৪৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

অ্যাকুওয়েদারের পূর্বাভাস অনুযায়ী দিনের তাপমাত্রা সর্বোচ্চ ৩৫ ডিগ্রি পর্যন্ত উঠতে পারে। তখন অনুভূত হবে ৪২ ডিগ্রির মতো।

সাধারণত কোনো এলাকার আর্দ্রতা, মেঘাচ্ছন্ন অবস্থা এবং বৃষ্টি ও বাতাসের সম্ভাবনার ওপর নির্ভর করে অনুভূত তাপমাত্রা নির্ধারণ করা হয়।

৪২ বছরের মধ্যে সবচেয়ে কম বৃষ্টি

বর্তমান প্রজন্ম তো বটেই, আগের কয়েক প্রজন্ম এমন বৃষ্টিহীন বর্ষা দেখেনি। আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য-উপাত্ত বলছে, এবার জুলাইয়ে বৃষ্টিপাত গত ৪২ বছরের মধ্যে সবচেয়ে কম। স্বাভাবিকভাবে গরমটাও বেশি। তবে আগামী দুই দিনের মধ্যে বৃষ্টির মৌসুমি বায়ু সৃষ্টি হতে পারে।

বৃষ্টিহীন বর্ষায় এমন তীব্র গরমকে অস্বাভাবিক আবহাওয়া বলছেন খোদ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা আবদুল মান্নান। বলেছেন, ‘এবারের আবহাওয়াটা তো একটু অন্য রকম।’

তিনি জানান, জুলাই মাসে দেশে গড়ে ৪৯৬ মিলিমিটার বৃষ্টি হওয়ার কথা থাকলেও এবার বৃষ্টি রেকর্ড হয়েছে ২১১ মিলিমিটার, স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে যা ৫৭ দশমিক ৬ শতাংশ কম।

নিউজবাংলাকে এই আবহাওয়াবিদ বলেন, ‘এখন আবহাওয়া অনেকটা অসহনীয়। রোববার বিকেল পর্যন্ত ঢাকায় তাপমাত্রা ছিল ৩৩ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর দেশের কোনো কোনো স্থানে ৩৬ ডিগ্রির ওপরে আছে। এমন আবহাওয়া বৈশ্বিক উষ্ণতা ও জলবায়ুর পরিবর্তনের কারণেই হচ্ছে।

‘বৃষ্টি কেন হচ্ছে না’- জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘অতীতেও বর্ষা কখনও বৃষ্টিহীন গেছে। তবে এবার ব্যতিক্রম। এবার দীর্ঘ সময় ধরেই বৃষ্টি হচ্ছে না। আর বৃষ্টি হলেও তার পরিমাণ খুবই অল্প। যার কারণে গরম আটকে রাখা সম্ভব হচ্ছে না। একটি উচ্চ তাপমাত্রার সৃষ্টি হয়েছে।’

এমন হওয়ার কারণ কী- জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘বর্ষার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট যে মেঘমালা সেটা এবার নেই। বঙ্গোপসাগরে এই বর্ষার উৎপত্তি। সেখান থেকে এবার পর্যাপ্ত শক্তি না পাওয়ার কারণেই এবার বর্ষা দুর্বল। মানে এবার বর্ষাকাল তেমন বৃষ্টিপাত ঘটাতে সক্ষম হয়নি।’

এ থেকে উত্তরণের কি কোনো আভাস নেই?

মান্নান বলেন, ‘আমরা আশা করছি, দুই দিন পরে বাংলাদেশে মৌসুমি বায়ুর সক্রিয়তা বৃদ্ধি পাবে। তখন বৃষ্টিপাত একটু বাড়বে।’

এই সময়ে এত গরম স্বাভাবিক নয়

আরেক আবহাওয়াবিদ বজলুর রশিদ জানান, বর্তমানে যে তাপমাত্রা, সেটি বছরের এই সময়ের স্বাভাবিক অবস্থার চেয়ে বেশি।

নিউজবাংলাকে তিনি বলেন, ‘জুলাই মাসে দিনে বাংলাদেশে অন্য মাসগুলোর চেয়ে গড়ে ২ দশমিক ৬ ডিগ্রি বেশি ছিল। গত বছরগুলোতে এর চেয়ে তাপমাত্রা কম ছিল। এটি রেকর্ড।’

এবার আবহাওয়া এমন রুক্ষভাব দেখাচ্ছে কেন- জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘বৈশ্বিক উষ্ণতার কারণে তাপমাত্রা বেশি। এটা শুধু বাংলাদেশ না, অনেক দেশেই বেশি। তবে এটা মরু আবহাওয়ার মতো নয়। মরুভূমির প্রেক্ষাপট আর আমাদের দেশের প্রেক্ষাপট সম্পূর্ণ ভিন্ন।’

আরও পড়ুন:
দিল্লিতে ৯ বছর পর বর্ষাকালের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা
দিল্লিতে জুনে সর্বকালের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা
দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা দিনাজপুরে
দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা শ্রীমঙ্গলে
আজও দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা শ্রীমঙ্গলে

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
The dog is walking around with a fan on in the intense heat

তীব্র গরমে গায়ে ফ্যান লাগিয়ে ঘুরছে কুকুর

তীব্র গরমে গায়ে ফ্যান লাগিয়ে ঘুরছে কুকুর ইয়র্কশায়ার টেরিয়ার অ্যান এবং নন বিশেষ ফ্যানে বেশ স্বাচ্ছন্দ্য। ছবি: সংগৃহীত
ইতোমধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলছে হিকারু উজাওয়ার এই বিশেষ ফ্যান। ১ জুলাই দোকানটি উদ্বোধনের পর অন্তত ১০০টি অর্ডার পেয়েছেন তিনি। অস্ট্রেলিয়া এবং ইতালি থেকেও আসছে চাহিদা।

জলবায়ু পরিবর্তনে পুড়ছে বিশ্ব। মানুষ, পশু-পাখি, গাছপালা কিছুই রেহাই পাচ্ছে তীব্র গরম থেকে। কদিন আগেই, ব্রিটেনের একটি প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়া শূকরদের গরম থেকে রক্ষা করতে সানস্ক্রিন মাখিয়েছিল খামারিরা।

ইউরোপের হাওয়া লেগেছে পূর্ব এশিয়াতেও। গ্রীষ্মের অসহ্য গরমে শীতল থাকার জন্য কুকুরের গায়ে আটকানো যায় এমন ফ্যান (ওয়ারেবল ফ্যান) কেনায় মেতে উঠেছেন জাপানের কুকুর মালিকরা

ওয়ানসি নামের ফ্যানটি একটি জালের সাথে সংযুক্ত। এটি পোষা প্রাণীর পশমের নিচের স্তরও ঠান্ডা রাখে।

হিকারু উজাওয়া সুইট মাম্মি নামে একটি মাতৃকালীন পোশাকের দোকানমালিক। তিনি বলেন, ‘আমার কুকুর বাইরে হেঁটে আসার পর হাঁপাত। অসহ্য গরমে সে দুর্বল হয়ে যেত। এ ফ্যান ব্যবহারের পর সে হাঁপানো বন্ধ করে দিয়েছে।’

ইতোমধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলছে হিকারু উজাওয়ার এই বিশেষ ফ্যান। ১ জুলাই দোকানটি উদ্বোধনের পর অন্তত ১০০টি অর্ডার পেয়েছেন তিনি। অস্ট্রেলিয়া এবং ইতালি থেকেও আসছে চাহিদা।

কেবল কুকুরের শরীর ঠান্ড রাখে, তা কিন্তু নয়। তাপমাত্রা ও আর্দ্রতাও ঠিকঠাক আপনাকে জানিয়ে দেবে হিকারুর এই বিশেষ ফ্যান।

তীব্র গরমে গায়ে ফ্যান লাগিয়ে ঘুরছে কুকুর

জুলাইয়ের শুরুতে রাজধানী টোকিওর বেশ কয়েকটি অঞ্চলে তাপমাত্রার নতুন রেকর্ড হয়। এসব অঞ্চলে তাপমাত্রা পৌঁছেছিল ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ওপরে। অবস্থা বেগতিক দেখে দিনের বেলা বাইরে যাওয়া এবং ব্যায়াম করা থেকে বিরত থাকার জন্য জনগণকে অনুরোধ জানায় কর্তৃপক্ষ।

সারা বিশ্বেই এমন প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। জুলাইয়ের মাঝামাঝিতে ইংল্যান্ডে ৪০ ডিগ্রির বেশি তাপমাত্রা রেকর্ড হয়; যা আগের সব রেকর্ড ভেঙে দেয়। দেশটির ইতিহাসে প্রথমবারের মতো জারি হয় ‘চরম তাপ সতর্কতা’। কর্তৃপক্ষের আশঙ্কা, এই গ্রীষ্ম মৌসুমে তাপজনিত মৃত্যুর কারণে শত শত মানুষ মারা যেতে পারে।

হিকারু বলেন, ‘গরম থেকে বাঁচাতে আমার চিহুয়াহুয়া ও সোয়ানের (কুকুর) জন্য বহনযোগ্য পাখা তৈরি করেছি।’

হিকারুর এ ধরনের ফ্যানের ধারণা আসে তিন বছর আগে, ২০১৯ সালে। তিনি লক্ষ্য করেছিলেন গ্রীষ্মে হাঁটার পর সোয়ান অনেক ক্লান্ত হয়ে যায়।

হিকারু বলেন, ‘কাজের সময়সূচির কারণে আমার জন্য তাড়াতাড়ি ঘুম থেকে ওঠা কঠিন ছিল। তাই মধ্যাহ্নের গরমেই ওদের হাঁটাতে নিয়ে যেতাম।

পশু চিকিৎসকদের সাহায্যে এই ফ্যান তৈরি করেন হিকারু। এখন পাঁচটি ভিন্ন আকারের ফ্যান বিক্রি করছেন তিনি। প্রতিটির দাম নিচ্ছেন ৯ হাজার ৯০০ ইয়েন; অর্থাৎ ৭৪ ডলারের কাছাকাছি।

হিরোকো মুরায়ামা তার দুটি ইয়র্কশায়ার টেরিয়ার অ্যান এবং ননের জন্য ওয়ানসি কিনেছিলেন। তিনি বলেন, ‘আমি উদ্বিগ্ন ছিলাম যে ফ্যানের ঘূর্ণায়মান শব্দ তারা অপছন্দ করতে পারে। তবে এমনটা হয়নি। প্রতিদিন সকালে হাঁটার সময় তারা এগুলোর জন্য অপেক্ষায় থাকে।’

হিকারু বলেন, ‘চাহিদা থাকায় আরও দুটি পরিধানযোগ্য ফ্যানের মডেল তৈরি হচ্ছে। একটি শরীরের সঙ্গে সংযুক্ত, অন্যটি পরিধানযোগ্য। এখন কুকুররা উত্সবে গেলেও শান্ত থাকবে।’

আরও পড়ুন:
জলবায়ু ক্ষতিপূরণ আদায়ে ঐক্যবদ্ধ প্রয়াস চান প্রধানমন্ত্রী
নথি ফাঁস: জলবায়ু প্রতিবেদন পরিবর্তনে চলছে লবিং
জলবায়ু পরিবর্তন: ক্ষতিপূরণ দাবিতে সড়ক অবরোধ
গ্রিনহাউজ গ্যাস নিঃসরণে চীনের নতুন রেকর্ড
জলবায়ু পরিবর্তন: পৃথিবী রক্ষায় প্রধানমন্ত্রীর চার প্রস্তাব

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
This monsoon rain is unusually low

এবার বর্ষায় অস্বাভাবিক কম বৃষ্টি

এবার বর্ষায় অস্বাভাবিক কম বৃষ্টি গরম থেকে খানিকটা স্বস্তি পেতে নদীতে গোসল করছে একদল শিশু-কিশোর। ছবি: নিউজবাংলা
জুলাই মাসে দেশে গড়ে ৪৯৬ মিলিমিটার বৃষ্টি হওয়ার কথা থাকলেও এবার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে ২১১ মিলিমিটার, স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে যা ৫৭ দশমিক ৬ শতাংশ কম। আলাদাভাবে প্রতিটি বিভাগেই স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক কম বৃষ্টি হয়েছে।

বর্ষা মৌসুমের শেষ দিকে এসেও তীব্র দাবদাহে পুড়ছে দেশ। শ্রাবণের প্রায় পুরোটা কেটেছে কাঠফাটা রোদে। ছেড়া ছেড়া বৃষ্টি নামলেও তাতে গরম কমেনি। আগামী দিনগুলোর জন্যও কোনো সুখবর দিতে পারছে না আবহাওয়া অধিদপ্তর।

আগামী তিন দিনে সাগরে লঘুচাপ সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা আছে, যার ফলে উপকূলীয় এলাকায় বৃষ্টিপাতের পরিমাণ বাড়তে পারে। তবে সারা দেশে এর তেমন প্রভাব পড়বে না বলে মনে করছেন আবহাওয়াবিদ শাহীনুল ইসলাম।

জুলাই মাসে দেশে গড়ে ৪৯৬ মিলিমিটার বৃষ্টি হওয়ার কথা থাকলেও এবার বৃষ্টি রেকর্ড হয়েছে ২১১ মিলিমিটার, স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে যা ৫৭ দশমিক ৬ শতাংশ কম। আলাদাভাবে প্রতিটি বিভাগেই স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক কম বৃষ্টি হয়েছে। শুধু ব্যতিক্রম সিলেট অঞ্চল, সেখানে বৃষ্টি হয়েছে এ মৌসুমের গড় বৃষ্টিপাতের চেয়ে ৮ দশমিক ৩ শতাংশ কম।

চলতি আগস্ট মাসেও দেশে স্বাভাবিকের চেয়ে কম বৃষ্টিপাত হবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। পরিচালক আজিজুর রহমান স্বাক্ষরিত আগস্ট মাসের দীর্ঘমেয়াদি আবহাওয়ার পূর্ভাবাস বিশ্লেষণ করে এ তথ্য পাওয়া যায়।

জুলাই মাসে ঢাকা বিভাগে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাত ৩৬৮ মিলিমিটার। তবে এবার এ মাসে বৃষ্টির পরিমাণ রেকর্ড করা হয়েছে মাত্র ১৪৬ মিলিমিটার। ময়মনসিংহ বিভাগে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাত ৪২৭ মিলিমিটার হওয়ার কথা থাকলেও ২০৪ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে সেখানে। অন্যদিকে চট্টগ্রাম বিভাগে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ৭২০ মিলিমিটারের বিপরীতে ২৩২ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড হয়েছে।

শুধু সিলেটেই এবার প্রায় স্বাভাবিক বৃষ্টিপাত হয়েছে। জুলাই মাসে ৫৩১ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে এ বিভাগে, তবে সেখানে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাত হওয়ার কথা ছিল ৫৭৯ মিলিমিটার। রাজশাহীতে ৩৬২ মিলিমিটার স্বাভাবিক বৃষ্টিপাতের জায়গায় ১৩৮ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। উত্তরাঞ্চলের রংপুর বিভাগে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাত ৪২৭ মিলিমিটার হওয়ার কথা থাকলেও রেকর্ড হয়েছে ২৯৯ মিলিমিটার। খুলনায় ৩৩৯ মিলিমিটার বৃষ্টির জায়গায় বৃষ্টি হয়েছে ১২০ মিলিমিটার। দক্ষিণের বরিশাল বিভাগে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাত ৫১৯ মিলিমিটার হওয়ার কথা থাকলেও রেকর্ড করা বৃষ্টির পরিমাণ মাত্র ১৮৩ মিলিমিটার।

আবহাওয়া অফিস আরও জানায়, বায়ুমণ্ডলে পর্যাপ্ত জলীয় বাষ্পের উপস্থিতি, প্রখর সূর্যকিরণ এবং মৌসুমি বায়ু দুর্বল থাকায় এবার রাজশাহী, রংপুর, ঢাকা, সিলেট, কুমিল্লা ও নোয়াখালী অঞ্চল দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি তাপপ্রবাহ বয়ে যায়।

চলতি আগস্ট মাসেও সামগ্রিকভাবে দেশে স্বাভাবিকের চেয়ে কম বৃষ্টিপাতের আশঙ্কা করছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এ মাসে বঙ্গোপসাগরে দুটি বর্ষাকালীন লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে, যা পরে মৌসুমি নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে।

আরও পড়ুন:
বৃষ্টির জন্য নামাজ, বিশেষ দোয়া
বৃষ্টির আশায় ‘ইন্দ্র দেব-কলাবতীর’ বিয়ে
স্বস্তির বৃষ্টি নামতে পারে মঙ্গলবার
৩৭ ডিগ্রি পোড়াচ্ছে ৪২ ডিগ্রির সমান
বৃষ্টি কমতে পারে সিলেটে

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Poisonous water in India

ভারতে পানি বিষাক্ত!

ভারতে পানি বিষাক্ত!
জলশক্তি মন্ত্রকের একটি নথি অনুসারে, ভারতের জনসংখ্যার ৮০ শতাংশেরও বেশি মানুষ মাটি থেকে পানি পায়। তাই ভূগর্ভস্থ পানিতে বিপজ্জনক ধাতুর পরিমাণ নির্ধারিত মান ছাড়িয়ে যাওয়ার অর্থ পানি ‘বিষ’ হয়ে উঠছে।

ভারত সরকার সংসদে মেনে নিয়েছে যে দেশে পানির মান খারাপ হচ্ছে। রাজ্যসভায় সরকার যে পরিসংখ্যান দিয়েছে, তা কেবল হতবাকই করে না, ভয়ংকরও। এই পরিসংখ্যান অনুসারে, ভারতের জনগণ এখন পর্যন্ত যে পানি পান করছে, তা 'বিষাক্ত'। দেশের প্রায় সব রাজ্যের অধিকাংশ জেলায় ভূগর্ভস্থ পানিতে অতিরিক্ত পরিমাণে বিষাক্ত ধাতু পাওয়া গেছে।

জলশক্তি মন্ত্রকের একটি নথি অনুসারে, দেশের জনসংখ্যার ৮০ শতাংশেরও বেশি মানুষ মাটি থেকে পানি পায়। তাই ভূগর্ভস্থ পানিতে বিপজ্জনক ধাতুর পরিমাণ নির্ধারিত মান ছাড়িয়ে যাওয়ার অর্থ পানি ‘বিষ’ হয়ে উঠছে।

রাজ্যসভায় সরকার আবাসিক এলাকার সংখ্যাও দিয়েছে, যেখানে পানীয় জলের উৎসগুলো দূষিত হয়েছে। এই হিসাবে ফ্লোরাইড দ্বারা ৬৭১টি এলাকা, আর্সেনিক দ্বারা ৮১৪টি এলাকা, লোহা দ্বারা ১৪,০৭৯টি, লবণাক্ত এলাকা ৯,৯৩০টি, ৫১৭টি নাইট্রেট দ্বারা এবং ১১১টি এলাকার পানি ভারী ধাতু দ্বারা প্রভাবিত।

শহরগুলোর তুলনায় গ্রামে সমস্যাটি আরও গুরুতর, কারণ ভারতের অর্ধেকেরও বেশি জনসংখ্যা গ্রামে বাস করে। এখানকার পানীয় জলের প্রধান উৎস হলো হাতপাম্প, কূপ, নদী বা পুকুর। এখানে পানি সরাসরি মাটি থেকে আসে। এ ছাড়া গ্রামে সাধারণত এই পানি পরিষ্কার করার কোনো উপায় নেই। তাই বিষাক্ত পানি পান করতে বাধ্য হচ্ছে গ্রামাঞ্চলের মানুষ।

সরকারের দেয়া তথ্য অনুযায়ী ২৫টি রাজ্যের ২০৯টি জেলার কিছু অংশে ভূগর্ভস্থ পানিতে আর্সেনিকের পরিমাণ প্রতি লিটারে ০.০১ মিলিগ্রামের বেশি। ২৯টি রাজ্যের ৪৯১টি জেলার কিছু অংশে ভূগর্ভস্থ পানিতে লোহার পরিমাণ প্রতি লিটারে ১ মিলিগ্রামের বেশি। ১১টি রাজ্যের ২৯টি জেলার কিছু অংশে ভূগর্ভস্থ পানিতে ক্যাডমিয়ামের পরিমাণ প্রতি লিটারে ০.০০৩ মিলিগ্রামের বেশি পাওয়া গেছে।

১৬টি রাজ্যের ৬২টি জেলার কিছু অংশে ভূগর্ভস্থ পানিতে ক্রোমিয়ামের পরিমাণ প্রতি লিটারে ০.০৫ মিলিগ্রামের বেশি। ১৮টি রাজ্যের ১৫২টি জেলা রয়েছে, যেখানে ভূগর্ভস্থ পানিতে প্রতি লিটারে ০.০৩ মিলিগ্রামের বেশি ইউরেনিয়াম পাওয়া গেছে।

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Vegetable garden in multi storey parking space

বহুতল পার্কিং স্পেসে সবজি বাগান

বহুতল পার্কিং স্পেসে সবজি বাগান সিঙ্গাপুরে বহুতল ভবনের ছাদে সবজি খামার। ছবি:সংগৃহীত
বিবিসি নিউজ আইলিন গোহের খামার পরিদর্শন করে দেখে, এটি একটি ফুটবল মাঠের আয়তনের প্রায় তিন গুন। সেখানে শ্রমিকরা চাইনিজ রান্নায় ব্যবহৃত সবুজ শাক-সবজি বাছাই করে প্যাকিং করছিলেন।

বহুতল ভবনের ছাদে গাড়ি পার্কিং সিঙ্গাপুরের শহরগুলোতে প্রচলিত। যানযট দূর করতে অনেক ভবনের ছাদকে গাড়ি পার্কিং এর জন্য ব্যবহার করা হয়। তবে অনেকেই গাড়ি পার্কের এই জায়গাগুলোকে খামার হিসেবে ব্যবহার করছেন।

আইলিন গোহ নােেম এক নারী সিঙ্গাপুরের একটি গাড়ি পার্কের উপরের ডেক থেকে একটি সবজির খামার চালান।

বিবিসির প্রতিবেদন বলছে, তিনি এটি বেশ বড় পরিসরে করেছেন। যেখান থেকে আশেপাশের খুচরা বিক্রেতাদের দিনে চার’শ কেজি পর্যন্ত সবজি সরবরাহ করেন।

আইলিন বলেন, ‘সিঙ্গাপুর বেশ ছোট। তবে আমাদের অনেক গাড়ি পার্ক আছে। এখানকার বাসিন্দাদের চাহিদা পূরণের জন্য খামার করাটা অনেকটাই স্বপ্ন।

সরকার স্থানীয় খাদ্য উৎপাদন বাড়ানোর পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ২০২০ সালে অব্যবহৃত প্লটগুলো লিজ দেওয়া শুরু করে। ৫.৫ মিলিয়ন লোক বাস করা দেশটি এখন খাদ্যের ৯০ শতাংশেরও বেশি আমদানি করে।

তবে এই ঘনবসতিপূর্ণ দ্বীপরাষ্ট্রে জায়গার অভাব রয়েছে। তার মানে এখানে জমির দাম কম নয়। তাছাড়া সিঙ্গাপুরে বিশ্বের সবচেয়ে দামি কিছু সম্পদ রয়েছে।

একজন কৃষক বিবিসিকে বলেন, যে তার প্রথম গাড়ি পার্কিং প্লটের দাম বেশি। এর মানে হল এটি তাকে ছেড়ে দিয়ে কোন সস্তা জায়গায় চলে যেতে হবে।

বিবিসি নিউজ আইলিন গোহের খামার পরিদর্শন করে দেখে, এটি একটি ফুটবল মাঠের আয়তনের প্রায় তিন গুন। সেখানে শ্রমিকরা চাইনিজ রান্নায় ব্যবহৃত সবুজ শাক-সবজি বাছাই করে প্যাকিং করছিলেন।

গোহ বলেন, ‘আমরা প্রতিদিন ফসল কাটাই। এটি প্রতিদিন একশ কেজি থেকে ৪০০ কেজি পর্যন্ত হতে পারে। এটি আমরা যে পরিমাণ সবজি চাষ করি তার উপর নির্ভর করে।’

তিনি বলেন, খামারটি শুরু করতে প্রায় এক মিলিয়ন খরচ হয়েছে। যার বেশিরভাগ অর্থ চাষাবাদ বাড়ানো জন্য সরঞ্জাম কিনতে ব্যয় করা হয়েছে।

‘আমাদের সেট আপ কোভিড চলাকালীন খামারের কাজ শুরু করেছি। তাই সরঞ্জাম অনেক বেশি ব্যয়বহুল ছিল। পাশাপাশি বেশ সময়ও লেগেছে।’

তিনি আরও বলেন, সরকারের দেয়া ছাদের গাড়ি পার্কের প্রথম দরপত্র। তাই এটি সবার জন্য নতুন একটি বিষয় হিসেবে আলোচিত হয়।’

এতে সিঙ্গাপুরের ছাদকৃষি যারা করছেন তারা অর্থ উপার্জনের অন্য উপায় খুঁজে পাচ্ছেন।

তবে ছাদের খামারগুলোই সিঙ্গাপুরের লক্ষ্যমাত্রায় খাদ্যের পরিমাণ বৃদ্ধি করার একমাত্র উপায় নয়।

দেশের বেশিরভাগ উৎপাদিত পণ্য উচ্চ প্রযুক্তির কল্যাণে পাওয়া। যাতে সরকার প্রচুর ভর্তুকি দেয়। সরকারী পরিসংখ্যান অনুসারে, ২০২০ সালে ২৩৮টি লাইসেন্সপ্রাপ্ত খামার ছিল।

সিঙ্গাপুর ফুড এজেন্সি (এসএফএ) বলছে, কিছু খামার ইতিমধ্যেই লাভজনক ব্যবসা করছে। লাভ বৃদ্ধি করতে তারা উৎপাদন আরও বাড়াতে পারে।

এসএফএ’র মুখপাত্র বিবিসিকে বলেন, ‘খাদ্য নিরাপত্তা সিঙ্গাপুরের জন্য একটি অস্তিত্বের সমস্যা। একটি ছোট শহর-রাজ্য হিসেবে সিঙ্গাপুর খাদ্য সরবরাহ কম হওয়ার ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। এ কারণেই আমরা আমাদের সম্পদকে সুরক্ষিত করার জন্য পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরী।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের খাদ্য বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি প্রোগ্রামের একজন পরিচালক অধ্যাপক চেন বলেছেন, ‘এসএফএ থেকে অনুদান এবং ভোক্তাদের আরও স্থানীয় পণ্য কিনতে উত্সাহিত করার জন্য নিয়মিত কৃষকের বাজারের মতো ব্যবস্থা রয়েছে।"

যাইহোক, লি কুয়ান ইউ স্কুল অফ পাবলিক পলিসির সহকারী অধ্যাপক সোনিয়া আক্তার বিশ্বাস করেন যে উচ্চ পরিচালন খরচ শহুরে কৃষকদের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হতে পারে।

"সিঙ্গাপুর এই স্পেসে কাজ করা উদ্যোক্তাদের প্রচুর ভর্তুকি এবং আর্থিক সহায়তা দিচ্ছে," সে বলে৷

"প্রশ্ন হল এই খামারগুলি পরিচালনা করতে এবং বাণিজ্যিকভাবে কার্যকর হবে কিনা যখন সরকারী সহায়তা প্রবাহ বন্ধ হয়ে যাবে।"

সিঙ্গাপুরের শহুরে ছাদে মাঝখানে টাওয়ার ব্লক করে গোহের এই কৃষিকাজ সাধারণ কৃষি ঐতিহ্য আলাদা মনে হতে পারে।

তবে যাই হোক, তিনি তার আগে আসা কৃষকদের প্রজন্মকে প্রতিনিধিত্ব করছেন। হাল ছেড়ে দেওয়া কোনও সমাধান নয়। এটি যেমন চ্যালেঞ্জিং, তত বেশি ফলপ্রসূ।

আরও পড়ুন:
খামারির ‘লাভের অর্ধেক চান’ প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা
খামার বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন, কয়েক শ মুরগির মৃত্যু
বেড়ার রাস্তায় দুধ ঢালার দিন শেষ
লকডাউনে পশুর খামারিদের মাথায় হাত
দুধ নিয়ে বিপাকে খামারিরা

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Mayor Taps thinks of fuel saving in quality bus service

মানসম্পন্ন বাস সেবায় জ্বালানি সাশ্রয়ের চিন্তা মেয়র তাপসের

মানসম্পন্ন বাস সেবায় জ্বালানি সাশ্রয়ের চিন্তা মেয়র তাপসের ফাইল ছবি
‘গণপরিবহনে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে আমরা গত বছরের শেষভাগে বাস রুট রেশনালাইজেশনের আওতায় ‘ঢাকা নগর পরিবহন’ নামে শৃঙ্খলিত বাস সেবা চালু করেছি। ধীরে ধীরে এই সেবা পুরো শহরে চালু করা হবে। এর মাধ্যমে জনগণ গণপরিবহনে চলাচলে স্বস্তি খুঁজে পাবে বিধায় ব্যক্তিগত গাড়ির ব্যবহার কমতে শুরু হবে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার কমবে।’

জ্বালানি সাশ্রয়ে নগরে ব্যক্তিগত গাড়ি কমিয়ে বাস সেবায় জোর দিচ্ছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস।

মানসম্পন্ন বাস সেবায় ঢাকা নগর পরিবহন নামে যে উদ্যোগ নিয়ে আসা হয়েছে, বৈশ্বিক উষ্ণায়ন ও জ্বালানি সংকটের মধ্যে একে আরও দ্রুত এগিয়ে নেয়ার কথাও বলেছেন তিনি।

রোববার সিঙ্গাপুরে ওয়ার্ল্ড সিটিজ সামিট ২০২২-এর মেয়রস ফোরামে অংশ নিয়ে তাপস এসব কথা বলেন। সিটি করপোরেশনের জনসংযোগ বিভাগ থেকে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা বলা হয়। এতে জানানো হয়, মেয়র সামিটে জানান, ঢাকাকে একটি উন্নত ও টেকসই মহানগরী হিসেবে গড়ে তুলতে সমন্বিত ও কার্যকর পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

তাপস বলেন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন দীর্ঘমেয়াদি সমন্বিত মহাপরিকল্পনা তৈরি করছে। এর আওতায় পরিবহন ব্যবস্থাপনা, সামাজিক সুবিধা, কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, পরিবেশ উন্নয়ন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ইত্যাদি বিষয়কে সন্নিবেশ করা হয়েছে।

গণপরিবহনে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার পাশাপাশি জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার কমিয়ে আনার লক্ষ্যে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে জানিয়ে মেয়র বলেন, “গণপরিবহনে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে আমরা গত বছরের শেষভাগে বাস রুট রেশনালাইজেশনের আওতায় ‘ঢাকা নগর পরিবহন’ নামে শৃঙ্খলিত বাস সেবা চালু করেছি। ধীরে ধীরে এই সেবা পুরো শহরে চালু করা হবে। এর মাধ্যমে জনগণ গণপরিবহনে চলাচলে স্বস্তি খুঁজে পাবে বিধায় ব্যক্তিগত গাড়ির ব্যবহার কমতে শুরু হবে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার কমবে।”

বায়ুমণ্ডলে মাত্র শূন্য দশমিক ৫০ শতাংশ কার্বন নিঃসরণ কমলেও জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর অন্যতম বাংলাদেশ। এ বিষয়টি উল্লেখ করে তিনি বলেন, কয়েক দশকে ঢাকা শহরের তাপমাত্রা যেমন বেড়েছে, তেমনি ঋতু পরিবর্তনজনিত প্রভাবে স্বাভাবিক নাগরিক জীবন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। এতে করে নগর ব্যবস্থাপনার চ্যালেঞ্জও বেড়েই চলেছে।

ছয় ঋতুর বাংলাদেশকে আজ খুঁজে পাওয়া দুষ্কর বলে মন্তব্য করে শেখ তাপস বলেন, ‘ঋতুবৈচিত্র্যে বিপর্যয়ের পাশাপাশি নানাবিধ নাগরিক সমস্যার উদ্ভব ঘটছে। প্রলম্বিত হচ্ছে গ্রীষ্মকাল। এতে করে তাপদাহ বাড়ছে, সুপেয় পানির সরবরাহ কমছে।

‘একইভাবে বর্ষাকালে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ও মাত্রায়ও বিরূপ প্রতিক্রিয়া সুস্পষ্ট হচ্ছে। গত বছর একনাগাড়ে চার মাস থেমে থেমে বৃষ্টিপাত হওয়ায় ডেঙ্গু পরিস্থিতি কিছুটা উদ্বেগ সৃষ্টি করেছিল। যদিওবা আমাদের সামগ্রিক প্রচেষ্টায় আমরা ডেঙ্গু রোগ নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম হয়েছি।’

চার দিনের সামিটটি সিঙ্গাপুরের মেরিনা স্যান্ডস্ বে হোটেলে হচ্ছে। সিঙ্গাপুরের জাতীয় উন্নয়নমন্ত্রী ও সামাজিক সেবা সমন্বয়করণ মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রী ডেসমন্ড লি কালে সামিটের উদ্বোধন করেন।

এতে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া, জাপান, দক্ষিণ আফ্রিকাসহ ৬০ দেশের মেয়ররা অংশ নিচ্ছেন। আগামী ৩ আগস্ট সামিটের পর্দা নামবে।

মেয়রের সঙ্গে দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ফরিদ আহাম্মদ ও মেয়রের একান্ত সচিব মারুফুর রশিদ খান সামিটে অংশগ্রহণ করছেন।

আরও পড়ুন:
সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল সরাতে বললেন মেয়র তাপস
ঢাকায় অতিবৃষ্টির জলাবদ্ধতাও দূর হবে আধা ঘণ্টায়: তাপস
যাদের প্রাপ্যতা আছে, শুধু তারা প্রকল্পের সুবিধাভোগী: তাপস
বুড়িগঙ্গার আদি চ্যানেল পুনরুদ্ধার কাজ শুরু মার্চে
করোনায় আক্রান্ত মেয়র তাপস

মন্তব্য

p
উপরে