× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

আন্তর্জাতিক
Two deaths due to highly contagious Marburg virus
hear-news
player
print-icon

অতিসংক্রামক মারবার্গ ভাইরাসে দুই মৃত্যু

অতিসংক্রামক-মারবার্গ-ভাইরাসে-দুই-মৃত্যু--
মারবার্গ বাদুড় থেকে মানুষে সংক্রামিত হয়। এর এখনও কোনো চিকিৎসা নেই। তবে বেশি বেশি পানি পানের পাশাপাশি মৃদু উপসর্গের চিকিৎসা করলে বেঁচে থাকার হার বাড়বে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

পশ্চিম আফ্রিকার দেশ ঘানায় মারবার্গ ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে দুজনের শরীরে। দেশটির স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ বলছে, এটি ইবোলার মতো একটি অত্যন্ত সংক্রামক রোগ। চলতি মাসের শুরুতে ভাইরাসে আক্রান্ত দুই ব্যক্তি মারা গেছেন

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) বলছে, ঘানায় ১০ জুলাই প্রথম শনাক্ত হয় এ ভাইরাস। সেনেগালের একটি ল্যাবে ফলাফলগুলো যাচাই করা হয়েছিল।

ঘানা হেলথ সার্ভিস (জিএইচএস) রোববার বিবৃতিতে জানিয়েছে, সেনেগালের ডাকারের ইনস্টিটিউট পাস্তুরে পরীক্ষার ফলগুলোকে যাচাইয়ের পর তারা এ বিষয়ে নিশ্চিত হয়েছেন।

‘ভাইরাস ছড়ানোর ঝুঁকি কমাতে কাজ করছে জিএইচএস। শনাক্ত ব্যক্তিরা যাদের কাছাকাছি গিয়েছিলেন, তাদের চিহ্নিত করে আলাদা থাকতে বলা হয়েছে।’

প্রথম শনাক্ত হয়েছিলেন ২৬ বছরের এক পুরুষ। পরদিন তিনি মারা যান। দ্বিতীয় ব্যক্তির বয়স ৫১ বছর। ২৮ জুন শনাক্ত হওয়ার কিছু পরই তার মৃত্যু হয়। দুজন একই হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছিলেন।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, দক্ষিণ ঘানার আশান্তি অঞ্চলের দুজন হাসপাতালে মারা গেছেন। তারা ডায়রিয়া, জ্বর, বমিসহ নানা উপসর্গে ভুগছিলেন।

ঘানার স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ সম্ভাব্য প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় প্রস্তুতি শুরু করেছে। আফ্রিকায় ডব্লিউএইচওর আঞ্চলিক পরিচালক মাতশিদিসো মোয়েতি বলেন, ‘এটি ভালো সিদ্ধান্ত। কারণ দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে মারবার্গ ব্যাপকহারে ছড়িয়ে পড়তে পারে।’

অতিসংক্রামক মারবার্গ ভাইরাসে দুই মৃত্যু
আফ্রিকায় ডব্লিউএইচওর আঞ্চলিক পরিচালক মাতশিদিসো মোয়েতি। ছবি: সংগৃহীত

পশ্চিম আফ্রিকায় মারবার্গের দ্বিতীয় প্রাদুর্ভাব এটি। এই অঞ্চলে ভাইরাসটি প্রথম শনাক্ত হয় গত বছর গিনিতে। এরপর আর কেউ শনাক্ত হয়নি।

১৯৬৭ সাল থেকে বেশ কয়েক দফায় বড় আকারে মারবুর্গের প্রাদুর্ভাব ঘটেছে; বেশির ভাগই দক্ষিণ ও পূর্ব আফ্রিকায়।

ভাইরাসের স্ট্রেন এবং কেস ম্যানেজমেন্টের ওপর নির্ভর করে ডব্লিউএইচও বলছে, আক্রান্তে মৃত্যুর হার ২৪ থেকে ৮৮ শতাংশ পর্যন্ত হতে পারে।

মারবার্গ বাদুড় থেকে মানুষে সংক্রামিত হয়। এর এখনও কোনো চিকিৎসা নেই। তবে বেশি বেশি পানি পানের পাশাপাশি মৃদু উপসর্গের চিকিৎসা করলে, বেঁচে থাকার হার বাড়বে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

আন্তর্জাতিক
Dhaka Medical is under pressure due to interns strike

ইন্টার্নদের কর্মবিরতিতে ঢাকা মেডিক্যালে চাপ

ইন্টার্নদের কর্মবিরতিতে ঢাকা মেডিক্যালে চাপ
জরুরি বিভাগে দায়িত্বে থাকা একজন চিকিৎসক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘জরুরি বিভাগে প্রতি শিফটেই ইন্টার্নরা থাকে। গতকাল থেকে নেই। তারা না থাকায় আমাদের কাজে চাপ পড়ছে।’

কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সহকর্মীকে মারধরে জড়িতদের শনাক্ত করতে না পারায় কর্মবিরতিতে গেছেন ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের প্রায় ২০০ ইন্টার্ন চিকিৎসক।

বৃহস্পতিবার দুপুর থেকে ঢাকা মেডিক্যালের কোনো চিকিৎসা কার্যক্রমে যুক্ত হচ্ছেন না তারা। ইন্টার্ন চিকিৎসকরা কাজে যোগ না দেয়ায় চাপ পড়েছে হাসপাতালটির পুরো চিকিৎসাব্যবস্থায়।

সাজ্জাদ হোসেন নামের ওই ইন্টার্ন চিকিৎসককে গত সোমবার রাতে কয়েকজন শহীদ মিনারে মারধর করেন। মারধরকারীরা নিজেদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হিসেবে দাবি করেছিলেন।

ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের বিচার চেয়ে এই কর্মসূচি পালন করছে হাসপাতালটির ইন্টার্ন চিকিৎসকরা।

শুক্রবার সকাল থেকে ঢাকা মেডিক্যালের জরুরি বিভাগসহ অন্তত চারটি ওয়ার্ড ঘুরে দেখা গেছে, কোথাও কোনো ইন্টার্ন চিকিৎসক নেই। তারা না থাকায় কাজের চাপ পড়ছে স্থায়ী চিকিৎসকসহ ওয়ার্ডগুলোতে দায়িত্বে থাকা অন্যদের।

মেডিক্যালের দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসক ও নার্সরা জানান, ইন্টার্ন চিকিৎসকরা মূলত সকালবেলা সিনিয়র শিক্ষকদের সঙ্গে রাউন্ডে থাকেন। হাতে-কলমে শিক্ষা নেন। এর বাইরে জরুরি বিভাগ এবং অন্য ওয়ার্ডগুলোতেও তিন শিফটে দায়িত্ব পালন করেন।

জরুরি বিভাগে দায়িত্বে থাকা একজন চিকিৎসক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘জরুরি বিভাগে প্রতি শিফটেই ইন্টার্নরা থাকে। গতকাল থেকে নেই। তারা না থাকায় আমাদের কাজে চাপ পড়ছে।’

শুক্রবার হওয়ায় রোগীর চাপ কম থাকায় সামলে নেয়া যাচ্ছে বলে জানান ১০২ নম্বর ওয়ার্ডের একজন নার্স।

তিনি বলেন, ‘আজকে রোগী কম। ইন্টার্ন না থাকলেও খুব একটা সমস্যা হচ্ছে না। তবে রোগী বাড়লে চাপ বাড়বে।’

তারা না থাকলেও চিকিৎসা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে না বলে দাবি হাসপাতাল পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. নাজমুল হকের। তবে প্রায় ২০০ ইন্টার্ন চিকিৎসক একসঙ্গে কাজ না করায় চিকিৎসা ব্যবস্থাপনায় চাপ পড়েছে বলে স্বীকার করেছেন তিনি।

সহকর্মীকে মারধরের বিচার চেয়ে আল্টিমেটাম দেয় ইন্টার্ন চিকিৎসক পরিষদ। ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটামের পর বৃহস্পতিবার দুপুর থেকে কর্মবিরতির ঘোষণা দেয় তারা।

অবশ্য এমন কর্মবিরতি দিয়ে কিছুটা সমালোচনার মুখেও পড়েছেন ইন্টার্নরা।

কর্মবিরতির ঘোষণা দিয়ে তারাও পড়েছেন উভয় সংকটে। একদিকে সহকর্মীর বিচার না পাওয়া, অন্যদিকে চিকিৎসা প্রদান থেকে নিজেদের সরিয়ে রাখা। দুটো বিষয়ই তাদের প্রশ্নের মুখে ফেলছে।

তাই তারা চান, দ্রুত সময়ের মধ্যে জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হোক।

ইন্টার্ন চিকিৎসকদের এই কর্মসূচিতে পরিবর্তন আসতে পারে বলে জানিয়েছেন ইন্টার্ন চিকিৎসক পরিষদের নেতারা।

পরিষদের সভাপতি ডা. মহিউদ্দিন জিলানী নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমরা চিকিৎসা থেকে নিজেদের বিরত রাখতে চাই না। আমরা বিচার চাই। কিন্তু এই কদিনেও জড়িতদের শনাক্ত করতে না পারাকে প্রশাসনের ব্যর্থতা হিসেবে দেখছি আমরা। জড়িতদের আইনের আওতায় না আসা পর্যন্ত আমাদের কর্মসূচি চলবে।’

কর্মবিরতি থেকে সরে আসার আভাস দিয়েছেন সাধারণ সম্পাদক ডা. মারুফ উল আহসান। তিনি বলেন, ‘আগামীকাল আমাদের মেডিক্যাল কলেজ প্রশাসনসহ অন্যদের সঙ্গে বৈঠক রয়েছে। বৈঠক থেকে পরবর্তী সিদ্ধান্ত জানানো হবে।’

ঢাকা মেডিক্যালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. নাজমুল হক বলেন, ‘আমরা পুলিশ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলেছি। জড়িতদের শনাক্তে পুলিশ চেষ্টা করছে।’

ইন্টার্নদের কর্মবিরতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘প্রায় ২০০ ইন্টার্ন আমাদের এখানে রয়েছে। তারা না থাকায় অন্যদের ওপর চাপ পড়ছে। তবে আমাদের চিকিৎসা কার্যক্রম বন্ধ নেই।’

মারধরের ওই ঘটনায় সাজ্জাদ মঙ্গলবার শাহবাগ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছেও লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন তিনি।

মারধরে জড়িতে শনাক্তের বিষয়ে শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মওদূত হাওলাদার বলেন, ‘ভুক্তভোগী জিডি করেছেন। ঘটনাস্থলে সিসিটিভি ক্যামেরা না থাকায় আমরা সরাসরি কাউকে শনাক্ত করতে পারিনি। আমরা কয়েকজন সন্দেহভাজনকে দেখিয়ে ভুক্তভোগীর কাছ থেকে শনাক্তের চেষ্টা করেছিলাম।

‘সেটাও সম্ভব হয়নি। কারণ অন্ধকারে কয়েকজন মিলে মারধর করায় ভুক্তভোগী কাউকে দেখলে চিনতে পারবেন না বলে জানিয়েছেন। আমরা তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছি। আশা করছি, একটু সময় লাগলেও জড়িতদের শনাক্ত করতে পারব।’

আরও পড়ুন:
ডিবিসির সাংবাদিকদের মারধরের ঘটনায় গ্রেপ্তার ৮
যৌনাঙ্গ কেটে রক্তাক্ত স্বামীকে নিয়ে হাসপাতালে
বগুড়ায় অধ্যক্ষকে মারধরের নেপথ্যে কী
৭ তলা থেকে পড়ে গৃহকর্মী নিহত
কেন্দ্রীয় কারাগারে অসুস্থ হাজতির মৃত্যু

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Immunization of children started with Nidhi

নীধিকে দিয়ে শিশুদের টিকাদান শুরু

নীধিকে দিয়ে শিশুদের টিকাদান শুরু
বৃহস্পতিবার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে শিশুদের করোনা টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘প্রাথমিকের দুই কোটি ২০ লাখ শিশুকে টিকা দিতে হবে। এই শিশুদের জন্য প্রায় ৪ কোটি ৪০ লাখ টিকা লাগবে। ইতোমধ্যে ৩০ লাখের মতো টিকা পাওয়া গেছে। বাকি টিকা যুক্তরাষ্ট্র সরকার কোভ্যাক্সের মাধ্যমে দেবে বলে নিশ্চিত করেছে।’

দেশে করোনার বুস্টার ডোজ টিকা কার্যক্রমে ছেলেদের তুলনায় মেয়েরা পিছিয়ে রয়েছে। প্রথম ও দ্বিতীয় ডোজ গ্রহণে ছেলে-মেয়ে প্রায় সমান থাকলেও বুস্টার ডোজে মেয়েরা পিছিয়ে রয়েছে। দ্বিতীয় ডোজ নিয়ে অনেক মেয়ে বুস্টার ডোজ নিচ্ছে না।

বৃহস্পতিবার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে (বিআইসিসি) ৫ থেকে ১১ বছরের শিশুদের করোনা টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ তথ্য জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। এ সময় পরীক্ষামূলকভাবে ৫ থেকে ১১ বছর বয়সী ১৬টি শিশুকে করোনা টিকার প্রথম ডোজ দেয়া হয়।

জাহিদ মালেক বলেন, ‘টিকা কার্যক্রম পরিচালনায় আমরা দক্ষিণ এশিয়ায় প্রথম হয়েছি। সারাবিশ্ব আমাদের প্রশংসা করছে। অনেক দেশ এখনও ১০ থেকে ৱ১৫ শতাংশ মানুষকে টিকা দিতে পারেনি। কিন্তু বাংলাদেশ টিকা দিয়ে মানুষকে সুরক্ষায় নিয়ে এসেছে। মৃত্যুও শূন্যের কোটায় নেমে এসেছে। আমরা একদিনে এক কোটি বিশ লাখ টিকা দিয়েছি। টিকায় আমাদের সক্ষমতা আছে। বিশ্ববাসী জানে আমরা টিকা দিতে পারি।’

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা শুরু থেকেই একটা চেইন মেইনটেইন করে টিকা দিয়েছি। ঝুঁকি বিবেচনায় পঞ্চাশোর্ধ্বদের আগে টিকা দিয়েছি। ফ্রন্টলাইনারদেরও আগে দিয়েছি। সবশেষে এখন শিশুদের টিকা হাতে পেয়েছি। তাই কার্যক্রম শুরু করে দিয়েছি।’

শিশুদের টিকাদান প্রসঙ্গে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘প্রাথমিকের দুই কোটি ২০ লাখ শিশুকে টিকা দিতে হবে। এই শিশুদের জন্য প্রায় ৪ কোটি ৪০ লাখ টিকা লাগবে। ইতোমধ্যে ৩০ লাখের মতো টিকা পাওয়া গেছে। বাকি টিকা যুক্তরাষ্ট্র সরকার কোভ্যাক্সের মাধ্যমে দেবে বলে নিশ্চিত করেছে।

‘এই টিকা শিশুদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি করা হয়েছে। খুবই নিরাপদ। যুক্তরাষ্ট্রে এই টিকা দেয়া হচ্ছে। ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর অনুমোদন দিয়েছে। যে টিকাগুলো এসেছে সেগুলো দুই মাসের ব্যবধানে দিতে হবে। ২৫ আগস্ট থেকে পুরোদমে শিশুদের টিকা দেয়া হবে।’

মন্ত্রী আরও বলেন, ‘শিশুরা এমনিতেই করোনা থেকে নিরাপদ ছিল। এখন পর্যন্ত দেশে ২৯ হাজার লোক মারা গেছেন। তাদের ৮০ থেকে ৮৫ শতাংশই ৫০ বছরের বেশি বয়সী। এই তালিকায় তরুণদের সংখ্যাও খুবই কম। তবে দেশে করোনায় ৫ থেকে ১১ বছরের কেউ মারা গেছে এমন খবর এখনও শোনা যায়নি।’

বক্তব্য শেষে মন্ত্রী শিশুদের টিকা কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব আনোয়ার হোসেন হাওলাদার, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাশার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম, বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত পিটার ডি হাস, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বাংলাদেশ প্রতিনিধি রাজেন্দ্র বোহরা, ইউনিসেফের বাংলাদেশ প্রতিনিধি শেলডন ইয়েট প্রমুখ।

শিশুদের মধ্যে প্রথম টিকা নিল নীধি নন্দিনী: ৫ থেকে ১১ বছরের শিশুদের মধ্যে করোনা টিকার প্রথম ডোজ নিয়েছে আবুল বাশার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী নীধি নন্দিনী। বৃহস্পতিবার বিআইসিসিতে শিশুদের করোনা টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে অতিথিদের উপস্থিতিতে প্রথম টিকা নেয় এই শিক্ষার্থী। এরপর একে একে অন্য শিক্ষার্থীদের টিকা দেয়া হয়।

টিকা নেয়া শিক্ষার্থীরা হলো- দ্বিতীয় শ্রেণির সৌম্য দ্বীপ দাস, চতুর্থ শ্রেণির মো. আবু সায়েম ফাহিম, পঞ্চম শ্রেণির বিকাশ কুমার সরকার, তৃতীয় শ্রেণির সাইমুন সিদ্দিক, তৃতীয় শ্রেণির মো. আরাফাত শেখ, আকিব আহমেদ সায়ন, চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী মাহমুদ হোসেন ও আল-আমিন, তৃতীয় শ্রেণির শামীমা সিদ্দিকা তাসিন, রুপা আক্তার, হুমায়রা আফরিন তামান্না, চতুর্থ শ্রেণির তাসলিমা আক্তার, সানজিদা আক্তার, মোছা. নুসরাত জাহান আরিন এবং প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী হীরা আক্তার।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের করোনা টিকা ব্যবস্থপনা কমিটির সদস্য সচিব ডা. শামসুল হক বলেন, ‘দেশে বর্তমানে শিশুদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি ফাইজারের করোনা টিকা মজুত আছে ৩০ লাখ। এ মাসের ২৮ তারিখের মধ্যে আরও ৭০ লাখ টিকা আমাদের হাতে আসবে। আমরা একসঙ্গে অনেক বেশি করোনা টিকা আনব না। চাহিদা দেখেই টিকা আনা হবে। পরবর্তী সময়ে ২৫ আগস্ট থেকে শুরু হবে শিশুদের প্রথম ডোজের টিকা কার্যক্রম। এর দুই মাস পর দেয়া হবে দ্বিতীয় ডোজ।’

আরও পড়ুন:
দ্বিতীয় ডোজ আর পাওয়া যাবে না, দ্রুত নিয়ে নিন: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
৫ থেকে ১২ বছর বয়সীদের করোনা টিকা নিতে লাগবে জন্মনিবন্ধন
এক সিরিঞ্জে ৩০ শিক্ষার্থীকে টিকা
৫ থেকে ১২ বছরের শিশুদের টিকা আগস্টে
করোনার টিকা: প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের প্রোফাইল তৈরির উদ্যোগ

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Canada is pouring 154 million dollars into cannabis

গাঁজা খাওয়াতে ১৫ কোটি ৪০ লাখ ডলার ঢালছে কানাডা

গাঁজা খাওয়াতে ১৫ কোটি ৪০ লাখ ডলার ঢালছে কানাডা
বিনোদনমূলক ক্ষেত্রে গাঁজার ব্যবহার ২০১৮ সালের অক্টোবরে বৈধ করে কানাডা। দেশটির সরকার ২০০৮ সাল থেকে সাবেক সামরিক সদস্যদের চিকিৎসার জন্য ব্যবহৃত গাঁজার খরচ দিচ্ছে।  

সাবেক সেনাদের গাঁজা কেনা সহজ করতে আরও টাকা ঢালতে যাচ্ছে কানাডা সরকার। বলা হচ্ছে, সরকার এবার এ খাতে প্রায় ১৫ কোটি ৪০ লাখ ডলার খরচ করবে। এই অঙ্ক গত বছরের তুলনায় ৩০ শতাংশ এবং ২০১৯ সালের তুলনায় ১৩৫ শতাংশ বেশি। কানাডার ভেটেরান অ্যাফেয়ার্স ২০০৮ সাল থেকে ওষুধ হিসেবে ব্যবহৃত গাঁজার জন্য এ অর্থ ব্যয় করছে।

বিনোদনমূলক ক্ষেত্রে গাঁজার ব্যবহার ২০১৮ সালের অক্টোবরে বৈধ করে কানাডা। উরুগুয়ের পর কানাডা এ ধরনের পদক্ষেপ নেয়া দ্বিতীয় দেশ। সংঘটিত অপরাধের বিরুদ্ধে লড়াই এবং ভোক্তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের পদক্ষেপ হিসেবে এ ব্যবস্থাটির বৈধতা দেয় জাস্টিন ট্রুডোর সরকার।

কানাডায় ওষুধ হিসেবে গাঁজা ২০০১ সাল থেকে বৈধ। গবেষণায় দেখা গেছে, উদ্বেগ, পোস্ট-ট্রমাটিক স্ট্রেস ডিসঅর্ডার এবং দীর্ঘস্থায়ী ব্যথার মতো সমস্যায় যারা ভোগেন, তাদের ক্ষেত্রে গাঁজা ভীষণ কার্যকর।

২০০৮ সালে আইনি নানা বাধা কাটিয়ে ভেটেরান অ্যাফেয়ার্স অবসরপ্রাপ্ত সেনাদের চিকিৎসায় ঔষধি গাঁজার অনুমোদন দেয়। তিন বছর পর ২০১১ সালে গাঁজাকে আরও বেশি মানুষের কাছে পৌঁছাতে নিয়মকানুনগুলো সহজ করে সরকার। এ বছর গাঁজা কেনার জন্য ৩৭ জনকে ৮১ হাজার ডলার দেয়া হয়।

ভেটেরান অ্যাফেয়ার্স বলছে, মেডিক্যাল গাঁজা ‘চিকিৎসা বিজ্ঞানে দারুণ একটি ক্ষেত্র। এ নিয়ে আরও গবেষণা চলবে। বয়স্ক এবং তাদের পরিবারের কল্যাণে প্রয়োজনীয় নীতি সমন্বয় করা হবে।

কানাডিয়ান সিনেট কমিশন ২০১৯ সালে চিকিৎসার উদ্দেশে গাঁজার ইতিবাচক ফলাফলের ওপর জোর দিয়েছিল। বিশেষ করে দীর্ঘস্থায়ী ব্যথার বিরুদ্ধে ‘অত্যন্ত আসক্তিযুক্ত’ ওপিওডের বিকল্প ধরা হচ্ছে গাঁজাকে।

সিনেটররা বলেন, ‘গাঁজার দাম নিয়মিত মূল্যায়ন করা দরকার। কারণ কিছু অভিজ্ঞ সেনার সামর্থ্যের চেয়ে বেশি খরচ হতে পারে।’

সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, ২০২১ সালে কমপক্ষে ১৮ হাজার সাবেক সেনাকে ঔষধি গাঁজার জন্য টাকা দিয়েছিল কানাডা সরকার, যা ফেডারেল খরচের (১১ কোটি ৮০ লাখ ডলার) সমান।

বিশেষজ্ঞরা প্রবীণদের জন্য পরিকল্পনাটিকে অনেকাংশেই সমর্থন করেন। তবে তারা বলছেন, এটির সঙ্গে মনোসামাজিক সহায়তা থাকা জরুরি, বিশেষ করে উদ্বেগ এবং পোস্ট-ট্রমাটিক স্ট্রেস ডিসঅর্ডারের ক্ষেত্রে।

আরও পড়ুন:
মাল্টার আদলে গাঁজা ‘পাচার’
গাঁজা সেবনের দায়ে ছাত্রদল নেতাকে জরিমানা
লং কোভিড চিকিৎসায় ‘অতুলনীয়’ গাঁজা
গাঁজা চাষে বিনিয়োগে জার্মান ব্যবসায়ীর সঙ্গে তালেবানের চুক্তি!
‘গাঁজা কিনতেন জাল টাকায়’

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
10 years in jail for stealing and selling government medicines

সরকারি ওষুধ বিক্রি করলে ১০ বছরের জেল

সরকারি ওষুধ বিক্রি করলে ১০ বছরের জেল প্রতীকী ছবি
মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ‘লাইসেন্স ছাড়া ঔষধ উৎপাদন, বিপণন বা আমদানি করলে ১০ বছরের জেল ও ১০ লাখ টাকা জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে। একইভাবে সরকারি ঔষধ চুরি করে বিক্রি করলেও একই শাস্তি ভোগ করতে হবে।’

লাইসেন্স ছাড়া ওষুধ উৎপাদন-বিপণন এবং সরকারি ওষুধ চুরি করে বিক্রি করলে সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ড ও ১০ লাখ টাকা জরিমানার বিধান রেখে ঔষধ আইন-২০২২-এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।

সচিবালয়ে বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠক হয়। এতে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হন সরকারপ্রধান।

পরে সাংবাদিকদের বৈঠকের বিস্তারিত তুলে ধরেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘এটা অনেক বড় আইন। এটার অনেক বৈশিষ্ট্য অর্থাৎ মেনশন করা আছে, বিশাল।

‘এই আইনে ১০৩ টি ধারা রয়েছে। ওষুধ প্রশাসন কীভাবে হবে, ওষুধ প্রশাসনের কার্যক্রম কী হবে, ওষুধ প্রশাসন মান কীভাবে নিয়ন্ত্রণ করবে, এটার একটা এক্সিকিউটিভ বডি থাকবে, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে ওষুধ উৎপাদন, বিক্রয়, মজুদ, বিতরণ ইত্যাদির লাইসেন্স দেয়ার জন্য কীভাবে লাইসেন্স দেবে, ফি কী হবে, লাইসেন্স প্রাপ্তির যোগ্যতা কী থাকবে- এগুলো তারা ঠিক করবে।’

তিনি বলেন, ‘লাইসেন্স কর্তৃপক্ষ কর্তৃক লাইসেন্স গ্রহীতার লাইসেন্স আবার যদি কেউ ভুল ক্রুটি করে বা অন্যায় কিছু করে কীভাবে তার লাইসেন্স স্থগিত করা যাবে সেটাও এই আইনে উল্লেখ আছে। কেউ যদি তার লাইসেন্সে প্রাপ্ত যে জিনিসগুলো উৎপাদন করার কথা তার বাইরে কিছু করে তাহলে সে ক্ষেত্রে তার বিরুদ্ধে কী অ্যাকশন নেয়া যাবে সেগুলো মেনশন করে দেয়া আছে।

‘একটা অর্ডিন্যান্স হয়েছিল ১৯৮২ সালে ড্রাগ অর্ডিন্যান্স-১৯৮২ আর ১৯৪০ সালে একটা ড্রাগ অ্যাক্ট ছিল। ওই দুইটিকে এক করে এখন এটা আপগ্রেড করা হলো। আর ১৯৮৪ সালে একটা ওষুধ নীতিমালা- ওইটা একটা বড় গাইডলাইন হিসেবে কাজ করেছে।’

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানে কোনো ধরনের ওষুধ লাইসেন্সিং কর্তৃপক্ষের নিবন্ধন ছাড়াই যদি কিছু করে তাহলে তার বিরুদ্ধে অ্যাকশনে যেতে পারবে। কোনো প্রতিষ্ঠান প্রযোজ্য ক্ষেত্রে বিক্রির জন্য মজুত প্রদর্শন করতে পারবে না।

‘সরকারি ওষুধ, ফিজিশিয়ান স্যাম্পল ওষুধ এগুলো কোনভাবেই যেন ট্রানজেকশনের মধ্যে না আসে। লাইসেন্স ব্যতীত কোনো ওষুধ আমদানি করা যাবে না। কোনো রকম ওষুধ কেউ আনতে পারবে না।’

আইনে থাকা শাস্তির বিধান তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘প্রায় ২২টি ধারাতে, অবজারভেশন দেয়া হয়েছে যে এতগুলো ধারাতে শাস্তি না দিয়ে এটাকে গ্রুপ করে অল্প কয়েকটাতে আনা যায় কিনা। এই আইনে সর্বোচ্চ সাজা ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০ লাখ টাকা জরিমানা।

‘লাইসেন্স ছাড়া কেউ যদি ওষুধ আমদানি করে তাহলে তার ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড অথবা অনধিক ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড হবে। যদি রেজিস্ট্রেশন ছাড়া কেউ উৎপাদন করে আমদানি, রপ্তানি, বিক্রয়, বিতরণ, মজুদ অথবা প্রদর্শন করে তাহলে তারও ১০ বছরের জেল এবং ১০ লাখ টাকা জরিমানা হবে।’

খন্দকার আনোয়ারুল বলেন, ‘ভেজাল ওষুধ উৎপাদন, বিক্রয়, মজুদ করলে সেখানেও ১০ লাখ টাকা জরিমানা এবং ১০ বছরের জেল হবে। সরকারি ওষুধ চুরি করে যদি কেউ বিক্রি করে তাহলে তারও ১০ বছরের জেল এবং ১০ লাখ টাকা জরিমানা হবে।

‘প্রত্যেক জেলা সদরে একটা করে আদালত থাকবে। ড্রাগ অথরিটি তারাই তদন্ত করবে যেহেতু এটা টেকনিক্যাল বিষয়।’

আরও পড়ুন:
বাতিল ওষুধ এখনও বাজারে
মাত্রাতিরিক্ত গ্যাস্ট্রিকের ওষুধে ক্যানসারসহ নানা ঝুঁকি
অ্যান্টিবায়োটিকের অতি ব্যবহার বাড়াবে মৃত্যুর শঙ্কা: সিডিসি
ওষুধ দরকার ২০ টাকার, খরচ করতে হচ্ছে ২০০
আয়ুর্বেদিকের আড়ালে ভেজাল ওষুধের কারখানা

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
7 people are sick due to the gas emitted from the chemical factory

রাসায়নিক কারখানার নির্গত গ্যাসে ৭ জন অসুস্থ

রাসায়নিক কারখানার নির্গত গ্যাসে ৭ জন অসুস্থ
ওয়াটা কেমিক্যালস লিমিটেড থেকে নির্গত ধোঁয়ায় সাতজনের অসুস্থতার খবর মিলেছে। ছবি: নিউজবাংলা
রূপগঞ্জের ইউএনও শাহ নুসরাত জাহান বলেন, ‘কারখানার বিষয়টি আগে জানতাম না। স্থানীয় করেকজনের অসুস্থতার খবর পেয়ে পরিবেশ অধিদপ্তরসহ ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানানো হয়েছে। জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর কারখানা আবাসিক এলাকায় থাকতে পারে না।’

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে একটি রাসায়নিক কারখানা থেকে গ্যাস নির্গত হয়ে নারী ও শিশুসহ অন্তত সাতজন অসুস্থ হয়েছেন বলে জানা গেছে।

উপজেলার মুড়াপাড়া ইউনিয়নের ওয়াটা কেমিক্যালস লিমিটেড নামের প্রতিষ্ঠানটিতে রোববার সকালে এ ঘটনা ঘটে।

অসুস্থ ব্যক্তিরা হলেন ৯ বছরের সামিয়া আক্তার, সিরাজুল ইসলাম, মনু মিয়া মাসুদা বেগম, ওসমান আলী, আমীর আলী ও মল্লিকা। তারা সবাই মুড়াপাড়া ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের বাসিন্দা।

আহতদের প্রথমে রূপগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হয়। পরে সেখান থেকে তাদের রাজধানীর শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে পাঠানো হয়।

অসুস্থ হওয়ার তথ্য নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন রূপগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক স্বাস্থ্য কর্মকর্তা নাজমুল আহমেদ।

তিনি বলেন, ‘রোববার সন্ধ্যায় বুক জ্বালাপোড়া ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে সাতজন হাসপাতালে আসেন। তাদের অবস্থা খারাপ হওয়ায় প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে বার্ন ইনস্টিটিউটে পাঠানো হয়েছে। ওই সাতজনের শ্বাসনালি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।’

স্থানীয়রা জানান, রোববার সকালে কেমিক্যাল কারখানাটি থেকে ধোঁয়া বের হতে থাকে। বাতাসে ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়লে মুড়াপাড়ার বানিয়াদি, বলাইনগর, ফরিদ আলীরটেক, মঙ্গলখালী ও মকিমনগর গ্রামের বেশ কয়েকজন বাসিন্দা অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাদের মধ্যে গুরুতর অসুস্থ ওই সাতজনকে সন্ধ্যায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়৷

কারখানাটির নিজেদের ওয়েবসাইটে দেয়া তথ্য অনুযায়ী সেখানে সালফিউরিক অ্যাসিড, অ্যালুমিনিয়াম সালফেট, জিঙ্ক সালফেট ও ম্যাগনেসিয়াম সালফেটসহ ৬ ধরনের কেমিক্যাল তৈরি হয়।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে পরিবেশ অধিদপ্তরের নারায়ণগঞ্জের উপপরিচালক আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘কারখানাটির পরিবেশগত ছাড়পত্র আছে। তবে ছাড়পত্র দেয়ার সময় সেখানে কোনো আবাসিক এলাকা ছিল না। গ্যাসের কারণে স্থানীয়দের সমস্যা হলে শিগগিরই কারখানা পরিদর্শনে গিয়ে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

রাসায়নিকের কারণে স্থানীয়দের অসুস্থের বিষয়টি জেনেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহ নুসরাত জাহান।

তিনি বলেন, ‘কারখানার বিষয়ে আগে থেকে জানা ছিল না। স্থানীয় কয়েকজনের অসুস্থতার খবর পেয়ে পরিবেশ অধিদপ্তরসহ ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর কারখানা আবাসিক এলাকায় থাকতে পারে না।’

এ বিষয়ে জানতে কারখানার ব্যবস্থাপনা পরিচালক নজরুল ইসলামের মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে তিনি কথা বলতে রাজি হননি।

আরও পড়ুন:
সীতাকুণ্ডে ডিপোর আগুনে দায়ী ‘অন্য রাসায়নিক’
পোস্তগোলায় কারখানার আগুন নিয়ন্ত্রণে
পোস্তগোলায় কারখানায় আগুন
বেড়ায় পুড়ল কারখানা
নেপালে সার কারখানা করতে বাংলাদেশকে প্রস্তাব

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Where free medical care till the age of 19

বয়স ১৯ পর্যন্ত ফ্রি চিকিৎসাসেবা যেখানে

বয়স ১৯ পর্যন্ত ফ্রি চিকিৎসাসেবা যেখানে এখনও অনেকে না জানলেও বগুড়ার স্কুল হেলথ ক্লিনিকে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শিক্ষার্থী চিকিৎসাসেবা নিতে আসে। ছবি: নিউজবাংলা
১৯৫১ সালে তৎকালীন ঢাকা ও চট্টগামে স্কুল পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম শুরু হয়। স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে এটি দেশব্যাপী বিস্তৃতি লাভ করে। এই সেবার আওতায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর দেশের ২৩টি জেলায় স্কুল হেলথ ক্লিনিক চালু করে। ১৯৬০ সালের দিকে বগুড়ায় স্থাপিত ক্লিনিকটির খবর নিল নিউজবাংলা।

উনিশ বছর বয়স পর্যন্ত যে কেউ এলেই পাবে চিকিৎসা। তাও বিনামূল্যে। এ জন্য আসতে হবে বগুড়া শহরের প্রাণকেন্দ্র জলেশ্বরীতলার স্কুল হেলথ ক্লিনিকে। তবে প্রায় অর্ধশত বছরের পুরনো সরকারি এই প্রতিষ্ঠানটি এখনও অনেকটাই লোকচক্ষুর আড়ালে।

সম্প্রতি বগুড়ার এই স্কুল হেলথ ক্লিনিক থেকে আরও একটি সুখবর মিলেছে। আগে ১৪ বছর বয়স পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের চিকিৎসা দিলেও এখন সেই বয়সসীমা বাড়ানো হয়েছে। ১৯ বছর পর্যন্ত কিশোর বয়সী ছেলে-মেয়েরা শারিরীকের পাশাপাশি মানসিক সমস্যার জন্যও পাচ্ছে চিকিৎসা সেবা। দেয়া হচ্ছে কাউন্সেলিং। এ জন্য ইউনিসেফের সহায়তায় চালু হচ্ছে কিশোর কর্নার।

স্কুল হেলথ ক্লিনিক সূত্র জানায়, ১৯৫১ সালে তৎকালীন ঢাকা ও চট্টগামে স্কুল পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম শুরু হয়। স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে এটি দেশব্যাপী বিস্তৃতি লাভ করে। এই সেবার আওতায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর দেশের ২৩টি জেলায় স্কুল হেলথ ক্লিনিক চালু করে।

বগুড়ায় এই ক্লিনিকটি স্থাপিত হয় ১৯৬০ সালের দিকে। তবে ৯০ দশকের গোড়ার দিকে এই ক্লিনিকের সেবা অনেকটাই ঝিমিয়ে পড়েছিল। একসময় এখানে চক্ষু সেবা দেয়া হলেও পরে তা বন্ধ হয়ে যায়।

ক্লিনিক সংশ্লিষ্টদের আক্ষেপ, ঝিমিয়ে পড়া অবস্থা এখন অনেকটাই কেটে গেছে। কিন্তু প্রচারের অভাবে এখনও এই ক্লিনিকের কথা জেলার অনেক মানুষই জানে না।

বগুড়ার স্কুল হেলথ ক্লিনিকের কর্মকর্তারা জানান, এখানে দুজন স্বাস্থ্য কর্মকর্তা, একজন ফার্মাসিস্ট, দুজন নার্স ও একজন এমএলএস এর পদ রয়েছে। তবে বর্তমানে আরও ৪ জন নার্স ডেপুটেশনে কর্মরত রয়েছেন।

এ ছাড়াও একজন উপসহকারী স্বাস্থ্য কর্মকর্তা কর্মরত আছেন। তিনি ইউনিসেফের সার্ভিস প্রোভাইডারের দায়িত্ব পালন করছেন।

ক্লিনিকে কর্মরত নার্স শামিমা আকতার ২০১৮ সালে ডেপুটেশনে এখানে এসেছেন। তার মূল কর্মস্থল আদমদীঘি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হলেও এখানে শিক্ষার্থীদের চিকিৎসাসেবায় কাজ করতে তিনি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন।

শামিমা আকতার জানান, ক্লিনিকে বর্হিবিভাগ সেবা রয়েছে। আগে বিভিন্ন স্কুলে ক্যাম্পেইন করা হতো। করোনার কারণে তা বন্ধ ছিল। এখন আবার শুরু হবে। এ ছাড়াও বিভিন্ন বোর্ড পরীক্ষা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে খেলার সময় আমাদের মেডিক্যাল টিম কাজ করে।

শামিমা বলেন, ‘হাসপাতালে গেলে অন্তত টিকিট কাটতে হয়। কিন্তু আমাদের এখানে টিকিটও লাগে না। শুধু আসতে হয়। চিকিৎসকরা রোগের অবস্থা বুঝে ব্যবস্থাপত্র দেন। সেটি দেখে এখান থেকে ওষুধও দেয়া হয়। আর বড় ধরনের সমস্যা থাকলে আমরা মোহাম্মদ আলী বা শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করে দিই।’

বয়স ১৯ পর্যন্ত ফ্রি চিকিৎসাসেবা যেখানে
বগুড়ার ক্লিনিকটি স্থাপিত হয় ১৯৬০ সালের দিকে

ক্লিনিকের উপসহকারী স্কাস্থ্য কর্মকর্তা মোছা. নাজমা খাতুন এখানে শিক্ষার্থীদের নিয়মিত চিকিৎসা সেবা দিয়ে এলেও তার দায়িত্বে এখন কাউন্সেলিং সেবাও যোগ হয়েছে। এ জন্য ক্লিনিকে চালু করা হচ্ছে অ্যাডলসেন্ট কর্নার (কিশোর কর্নার)।

নাজমা খাতুন বলেন, ‘বয়োসন্ধির সময় কিশোর-কিশোরীরা মানসিক সংকটে ভোগে। এ সময়টায় তাদের কাউন্সেলিং খুব প্রয়োজন। বগুড়া স্কুল হেলথ ক্লিনিকে এই কাউন্সিলিং জুলাই মাস থেকে চালু হয়েছে। এর মধ্যেই অনেক কিশোর-কিশোরীকে এখানে কাউন্সিলিং করা হয়েছে। মাদকের সংস্পর্শ থেকে দূরে রাখতেও কিশোরদের এই সেবাটি দিতে হয়।’

এ বিষয়ে ইউনিসেফের বগুড়া বিভাগীয় কর্মকর্তা ডা. রাকিন আহমেদ জানান, ‘ফরেন কম্বাইন্ড ইউকে’ এর অর্থায়নে ইউনিসেফের কার্যকরী সহায়তায় কৈশোরবান্ধব স্বাস্থ্যসেবা চালু করা হয়েছে। এই প্রকল্পের আওতায় বগুড়ার ১১টি উপজেলা হল কমপ্লেক্স ও বগুড়া মোহাম্মদ আলী হাসপাতালে কিশোর কর্নার স্থাপন হবে।

পাশাপাশি স্কুল হেলথ কমপ্লেক্সেও এ উদ্যোগ নেয়া হয়। এ লক্ষ্যে গত বছরের অক্টোবরে কার্যক্রম শুরু হয়। কিন্তু করোনার কারণে স্কুল বন্ধ থাকায় পুরোদমে শুরু করা যায়নি। ক্লিনিকে শুধু লজিস্টিক বিষয়গুলো স্থাপন করা হয়েছে।

এ ছাড়া ইউনিসেফ থেকে একজন প্রশিক্ষিত সার্ভিস প্রোভাইডার নির্বাচিত করা হয়েছে। তিনি কিশোর-কিশোরীদের শারিরীক ও মানসিক বিষয়ে কাউন্সিলিং করবেন। প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবাও দেবেন।

এখনও অনেকে না জানলেও বগুড়ার স্কুল হেলথ ক্লিনিকে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শিক্ষার্থী চিকিৎসাসেবা নিতে আসে। প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বেলা আড়াইটা পর্যন্ত এ ক্লিনিকে চিকিৎসাসেবা দেয়া হয়।

ক্লিনিকের রেজিস্টারের তথ্যে দেখা গেছে, জুন মাসে ৪৫৯ জন শিক্ষার্থী সেবা নিয়েছেন। আর জুলাইয়ের সেবা পেয়েছে ৩২৬ শিক্ষার্থী। সেবাগ্রহীতাদের মধ্যে প্রায় অর্ধেকই কিশোরী।

সম্প্রতি ক্লিনিকে গিয়ে দেখা হয় নুরুন্ননাহার নামে এক গৃহিনীর সঙ্গে। তার ছয় বছরের মেয়েকে নিয়ে এসেছেন চিকিৎসার জন্য। মেয়ে নুসরাত সর্দি-কাশিতে ভুগছে।

জলেশ্বরীতলার বাসিন্দা নুরুন্নাহার বলেন, ‘স্কুল ক্যাম্পেইন থেকে ক্লিনিকটি সম্পর্কে জানতে পারি। পরে এখানে এলে বুঝতে পারি চিকিৎসকরা খুব যত্ন করে বাচ্চাদের দেখেন। এ জন্য মেয়ের যে কোনো অসুখে এখানেই আসি।’

ক্লিনিকে গেলে দেখা যায় স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ছুটিতে থাকায় দায়িত্বে আছেন ফার্মাসিস্ট ফারজানা। তিনি জানান, দেশের ২৩টি স্কুল হেলথ ক্লিনিকের একটি বগুড়ার এ প্রতিষ্ঠান। ৬০ এর দশকে এটি স্থাপন করা হয়।

ফারজানা বলেন, ‘প্রতিষ্ঠানটির আরও প্রচার-প্রচারণা দরকার। এ ছাড়া ক্লিনিকের চারপাশেই আবাসিক ভবন। মানুষ বাসা-বাড়ির ময়লা জানালা কিংবা বারান্দা থেকে ক্লিনিকের আঙিনায় ফেলে দেন। একাধিকবার বলার পরও তারা সচেতন হন না।’

আরও পড়ুন:
স্বাস্থ্য খাতে দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনায় কঠোর অবস্থানে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
স্বাস্থ্যে সরকারি ব্যয় প্রতিবেশীদের তুলনায় কম বাংলাদেশে
স্বাস্থ্য গবেষণায় অবদান: ১০ নারী বিজ্ঞানীকে অনুদান
করোনা বাড়ছে, স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সতর্কতা
স্বাস্থ্যের সাবেক ডিজিসহ ৬ জনের বিচার শুরু

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Fraud on doctors identity caught red handed

চিকিৎসক পরিচয়ে প্রতারণা, হাতেনাতে ধরা

চিকিৎসক পরিচয়ে প্রতারণা, হাতেনাতে ধরা মুনতাকা ডিলশান ঝুমা। ছবি: সংগৃহীত
ইউএনও নূরুন নবী ব‌লেন, ‘অ‌ভিযা‌নে ওই ডায়াগন‌স্টিক সেন্টা‌রের‌ মে‌ডি‌ক্যাল অ‌ফিসার মুনতাকা ডিলশান ঝুমাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তি‌নি চি‌কিৎসক হিসেবে কো‌নো প্রমাণ দেখা‌তে পা‌রে‌ননি। তিনি চিকিৎসক পরিচয় দিয়ে সাধারণ মানু‌ষের সঙ্গে প্রতারণা ক‌রে আস‌ছি‌লেন।’

ব‌রিশা‌লের মে‌হে‌ন্দিগ‌ঞ্জে সান্ত্বনা ডায়াগন‌স্টিক সেন্টা‌রে চিকিৎসক পরিচয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করে আসছিলেন মুনতাকা ডিলশান ঝুমা।

উপজেলা প্রশাসন এমন তথ্যে অভিযানে গিয়ে তাকে হাতেনাতে ধরে ফেলে। মুনতাকা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের চিকিৎসক হিসেবে কোনো কাগজপত্র দেখাতে পারেননি। চিকিৎসক সেজে প্রতারণার দায়ে তাকে এক লাখ টাকা জ‌রিমানা করা হয়েছে।

মঙ্গলবার দুপু‌রে উপজেলার উলা‌নিয়া বাজারের ওই ডায়াগন‌স্টিক সেন্টা‌রে ভ্রাম্যমাণ আদাল‌তের অ‌ভিযান প‌রিচালনা ক‌রেন উপ‌জেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নূরুন নবী।

তি‌নি ব‌লেন, ‘অ‌ভিযা‌নে ওই ডায়াগন‌স্টিক সেন্টা‌রের‌ মে‌ডি‌ক্যাল অ‌ফিসার মুনতাকা ডিলশান ঝুমাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তি‌নি চি‌কিৎসক হিসেবে কো‌নো প্রমাণ দেখা‌তে পা‌রে‌ননি। তিনি চিকিৎসক পরিচয় দিয়ে সাধারণ মানু‌ষের সঙ্গে প্রতারণা ক‌রে আস‌ছি‌লেন।’

ইউএনও আরও জানান, মুনতাকাকে এক লাখ টাকা জ‌রিমানা করে মুচ‌লেকা রে‌খে ছে‌ড়ে দেয়া হ‌য়ে‌ছে।

অ‌ভিযা‌নে উপ‌জেলা স্বাস্থ্য ও প‌রিবার প‌রিকল্পনা কর্মকর্তা সাই‌য়েদ মো. আমারুল্লাহ উপ‌স্থিত ছি‌লেন।

আরও পড়ুন:
গ্রাহকদের অর্ধকোটি টাকা নিয়ে লাপাত্তা ‘নবলোক’
পত্রিকায় চাকরির বিজ্ঞাপন দিয়ে প্রতারণা, ৪ ভাই গ্রেপ্তার
পেশায় ঝাড়ুদার, করতেন ব্ল্যাকমেইল
চেক প্রতারণায় শিল্পী আবদুল মান্নান রানার কারাদণ্ড
চেহারার মিলে ডা. তামিম বেশে চিকিৎসা করছিলেন জাফরুল

মন্তব্য

p
উপরে