× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

আন্তর্জাতিক
Russia evacuated 28 thousand Ukrainians including 5148 children
hear-news
player
print-icon

৫১৪৮ শিশুসহ ২৮ হাজার ইউক্রেনীয়কে সরিয়ে নিল রাশিয়া

৫১৪৮-শিশুসহ-২৮-হাজার-ইউক্রেনীয়কে-সরিয়ে-নিল-রাশিয়া
দোনবাস রিপাবলিকের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ইউক্রেনীয় শিশুসহ নাগরিকদের সরিয়ে নেয়া হচ্ছে। ছবি: এএফপি
রাশিয়ার প্রতিরক্ষা প্রধান মিখাইল মিজিনসেভ বলেন, ‘রাশিয়ার বিশেষ অভিযান শুরুর পর থেকে রুশ বাহিনীর তত্ত্বাবধানে এখন পর্যন্ত ৪ লাখ ১২ হাজার ৫৫৩ শিশুসহ ২৬ লাখ ১২ হাজার ৭৪৭ ইউক্রেনীয়কে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেয়া হয়েছে।’

গত ২৪ ঘণ্টায় পাঁচ হাজার ১৪৮ শিশুসহ ২৮ হাজার ৪২৪ ইউক্রেনীয়কে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয়া হয়েছে, এমনটি দাবি করেছে রুশ বাহিনী।

স্থানীয় সময় শনিবার সংবাদ সম্মেলনে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা প্রধান মিখাইল মিজিনসেভ বলেন, ইউক্রেনের কোনো ধরনের সহায়তা ছাড়াই শনিবার এই বিপুলসংখ্যক ইউক্রেনীয়র হামলাপ্রবণ অঞ্চল এবং দোনবাস রিপাবলিকের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে উদ্ধার করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ‘রাশিয়ার বিশেষ অভিযান শুরুর পর থেকে রুশ বাহিনীর তত্ত্বাবধানে এখন পর্যন্ত ৪ লাখ ১২ হাজার ৫৫৩ শিশুসহ ২৬ লাখ ১২ হাজার ৭৪৭ ইউক্রেনীয়কে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেয়া হয়েছে।’

রাশিয়ার এমন পদক্ষেপকে জোরপূর্বকভাবে ইউক্রেনীদের একীভূতকরণের অপচেষ্টা হিসেবে উল্লেখ করে এর তীব্র সমালোচনা করেন ইউক্রেন এবং পশ্চিমা জোটভুক্ত দেশের সদস্যরা।

শনিবার থেকে আবারও ইউক্রেনের ওপর সামরিক অভিযান তীব্র করেছে মস্কো। সামরিক স্থাপনাসহ বিভিন্ন স্থাপনায় রুশ হামলায় গত ২৪ ঘণ্টায় নিহত হয়েছে কমপক্ষে ১৭ জন।

ইউক্রেনের যুদ্ধকে ‘বিশেষ সামরিক অভিযান’ বলে অভিহিত করছে রাশিয়া।

আরও পড়ুন:
রাশিয়ায় প্রবেশ নিষিদ্ধ ৩৮৪ জাপানি আইনপ্রণেতার
ইউক্রেনে সহায়তা বন্ধ করে দিতে পারে ইইউ
রুশ মিসাইলে ঝরল ২২ প্রাণ  
ইউক্রেনীয়দের নাগরিকত্বের টোপ রাশিয়ার
রুশ হেলিকপ্টার লক্ষ্য করে জাভালিন নিক্ষেপের ভিডিও কি সত্যি

মন্তব্য

আরও পড়ুন

আন্তর্জাতিক
13 dead in Europes worst storm

ইউরোপে ভয়ংকর ঝড়ে মৃত্যু ১৩

ইউরোপে ভয়ংকর ঝড়ে মৃত্যু ১৩ ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত অস্ট্রিয়ার কারেন্থিয়া। ছবি: সংগৃহীত
তীব্র দাবদাহ ও খরার পর ভয়াবহ ঝড়-বৃষ্টির কবলে পড়েছে ইউরোপ। বেশ কয়েকটি দেশে আঘাত হানা এই ঝড়ে ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে, আহত হয়েছেন আরও অনেকে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে দাবদাহ, খরা ও অসময়ে ঝড়-বৃষ্টিপাতের মতো ঘটনা ঘটছে।

তীব্র দাবদাহের পর এবার মধ্য ও দক্ষিণ ইউরোপে আঘাত করা শক্তিশালী ঝড়ে ৩ শিশুসহ অন্তত ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।

ইতালি, অস্ট্রিয়া ও ফরাসি দ্বীপ কর্সিকাতে এই মৃতের ঘটনাগুলো ঘটেছে এবং বেশির ভাগের মৃত্যু হয়েছে গাছ পড়ে।

প্রবল বৃষ্টি ও ঝোড়ো বাতাসে ইতালির ভেনিসের ক্যাম্পসাইটগুলো উড়ে গিয়েছে।

ফ্রান্সের কর্সিকায় ঘণ্টায় ২২৪ কিলোমিটার বেগে বয়ে যাওয়া ঝোড়ো হাওয়ায় অনেক গাছ উপড়ে গেছে এবং মোবাইল টাওয়ারগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

কর্তৃপক্ষ বলছে, সেখানে একটি গাছ পড়ে ১৩ বছর বয়সী এক কিশোরীর মৃত্যু হয়েছে।

ইউরোপে ভয়ংকর ঝড়ে মৃত্যু ১৩
কর্সিকা দ্বীপে ঝড়ে উপড়ে যাওয়া গাছ দেখছেন ফ্রান্সের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জেরাল্ড ডারমানিন

ফ্রান্সের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জেরাল্ড ডারমানিন কর্সিকাতে ঝড়ের ক্ষয়ক্ষতি পরিদর্শন করেছেন এবং এই দ্বীপেই ৬ মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

স্থল ও সমুদ্রভাগে আরও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।

ঝড়ের প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেছেন, এটি সম্পূর্ণ অপ্রত্যাশিত ছিল এবং কোনো সতর্কতা দেয়া হয়নি।

কর্সিকার এক রেস্তোরাঁর মালিক প্রত্যক্ষদর্শী একজন সেড্রিক বোয়েল বলেন, ‘আমরা এমন ঝড় এর আগে কখনও দেখিনি।’

ফ্রান্সের মূল ভূখণ্ডের দক্ষিণাঞ্চলে অনেক এলাকায় বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে এবং দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর মার্সেইর রাস্তাগুলোও প্লাবিত হয়েছে।

অস্ট্রিয়ার ক্যারিন্থিয়াতেও প্রবল বৃষ্টিপাত হয়েছে। সেখানে একটি হ্রদের কাছে গাছ পড়ে দুই মেয়ের মৃত্যু হয়েছে।

ইতালির তাসকানি দ্বীপে পৃথক ঘটনায় একজন নারী ও একজন পুরুষ মারা গেছেন।

বিশেষজ্ঞদের মতে জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে দাবদাহ, খরা, ঝড়ের মতো ভীতিকর ঘটনাগুলো ঘটছে।

আরও পড়ুন:
তীব্র গরমে গায়ে ফ্যান লাগিয়ে ঘুরছে কুকুর
দাবদাহে যুক্তরাজ্যে জরুরি অবস্থা
জলবায়ু সম্মেলন চুক্তির খসড়া প্রকাশ

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
The video of Finlands prime ministers daring dance is leaked

ফিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রীর উদ্দাম নাচের ভিডিও ফাঁস

ফিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রীর উদ্দাম নাচের ভিডিও ফাঁস নাচের ভিডিও ফাঁস হওয়ায় বিরোধী নেতাদের সন্দেহ, ফিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী সান্না মারিন মাদকাসক্ত। ছবি: সংগৃহীত
ফিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রীর উদ্দাম নাচের ভিডিও প্রকাশ পাওয়ায় বিরোধী নেতারা প্রধানমন্ত্রীর সমালোচনা করেছেন। যদিও প্রধানমন্ত্রী সান্না মারিনের মতে, তার বয়সী একজন ব্যক্তির জন্য এই ধরনের পার্টি উদযাপন খুবই স্বাভাবিক। সমালোচনার মুখে তিনি তার চালচলনে পরিবর্তন আনবেন না।

একটি ফাঁস হওয়া ভিডিওতে ফিনল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট সানা মারিনকে উদ্দাম নাচতে দেখা যাওয়ায় দেশটিতে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।

ফাঁস হওয়া ভিডিওতে প্রধানমন্ত্রী ও তার বন্ধুদের নাচতে ও গাইতে দেখা গেছে। তাদের মধ্যে ফিনিশ সেলিব্রেটিরাও রয়েছেন।

ভিডিও ফাঁসের পর সমালোচনার মুখে পড়েছেন সান্না মারিন।

এরই মধ্যে বিরোধীদলীয় নেতা রিক্কা পুররা প্রধানমন্ত্রীর মাদকাসক্তি বিষয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করে তার ড্রাগ টেস্টের দাবি জানিয়েছেন।

একসময় মারিনের হয়ে কোয়ালিশন সরকারে কাজ করা পার্লামেন্ট সদস্য মিক্কো কারনাও বলেছেন, এটি বুদ্ধিমানের কাজ হবে যদি মারিন নিজে থেকে ড্রাগ টেস্ট করতে যায়।

তবে ৩৬ বছর বয়সী প্রধানমন্ত্রী সান্না মারিন মাদকাসক্তির বিষয়টি অস্বীকার করেছেন। মারিনের দাবি, তিনি শুধু মদ পান করেছিলেন এবং হইচই করে পার্টি উদযাপন করেছিলেন।

বৃহস্পতিবার দেয়া এক বার্তায় তিনি বলেছেন, তিনি জানতেন যে ভিডিও ধারণ করা হচ্ছে এবং তিনি উদ্বিগ্ন ছিলেন যে ভিডিও জনসমক্ষে প্রকাশ পেতে পারে।

মারিন বলেন, ‘আমি নেচেছি, গেয়েছি, পার্টি করেছি। এগুলো সবই বৈধ এবং আমি কখনই কোনো ড্রাগ সেবন করিনি। আমার পারিবারিক জীবন আছে। আমার কাজ আছে এবং অবসর সময়ও আছে। আমার বয়সী মানুষেরা যেভাবে বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটায়, আমিও একইভাবে সময় কাটাই।’

তবে একই সঙ্গে মারিন জানিয়েছেন, টেস্ট করতে তার কোনো আপত্তি নেই এবং তিনি তার ব্যবহার, চালচলন পরিবর্তন করতেও রাজি নন।

মারিন আশা করেন, সবাই এটি স্বাভাবিকভাবেই নেবে।

বর্তমান বিশ্বের সর্বকনিষ্ঠ রাষ্ট্রপ্রধান এবারই প্রথম বিতর্কের জন্ম দেননি তিনি। গত বছর কোভিড আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে আসার পরেও তিনি ক্লাবে গিয়েছিলেন। পরে এই জন্য তিনি ক্ষমাও চান।

গত সপ্তাহে জার্মান নিউজ আউটলেট বিল্ড তাকে এই পৃথিবীর সবচেয়ে ভালো প্রধানমন্ত্রী আখ্যা দিয়েছে।

আরও পড়ুন:
জনগণের টাকায় নাশতা, বিপাকে ফিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
এক দিনের প্রধানমন্ত্রী

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Guterres Erdogan is sitting with Zelensky

জেলেনস্কির সঙ্গে বসছেন গুতেরেস, এরদোয়ান

জেলেনস্কির সঙ্গে বসছেন গুতেরেস, এরদোয়ান ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলদিমির জেলেনস্কি, তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান ও জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস। ছবি কোলাজ: এএফপি
জাতিসংঘ মহাসচিবের মুখপাত্র স্টিফেন দুজারিক বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট ভলদিমির জেলেনস্কির আমন্ত্রণে বৃহস্পতিবার লাভিভে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান ও ইউক্রেনের রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে ত্রিপক্ষীয় বৈঠকে বসবেন (জাতিসংঘের) মহাসচিব।’

ইউক্রেনে দেশটির প্রেসিডেন্ট ভলদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে বৈঠক করবেন জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস ও তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান।

জাতিসংঘ মহাসচিবের মুখপাত্র স্টিফেন দুজারিক মঙ্গলবার বিষয়টি জানিয়েছেন।

দুজারিক বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট ভলদিমির জেলেনস্কির আমন্ত্রণে বৃহস্পতিবার লাভিভে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান ও ইউক্রেনের রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে ত্রিপক্ষীয় বৈঠকে বসবেন (জাতিসংঘের) মহাসচিব।’

গুতেরেসের মুখপাত্রের বরাত দিয়ে আল জাজিরার প্রতিবেদনে জানানো হয়, ত্রিপক্ষীয় বৈঠকের পরের দিন শুক্রবার কৃষ্ণসাগরীয় বন্দর ওডেসায় যাবেন জাতিসংঘের মহাসচিব ও দুই প্রেসিডেন্ট। জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় চুক্তি অনুযায়ী ওডেসা দিয়ে খাদ্যশস্য রপ্তানি শুরু হয়।

গত ২৪ ফেব্রুয়ারি রাশিয়ার সামরিক অভিযান শুরুর পর ইউক্রেন থেকে খাদ্যশস্য রপ্তানি বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। এতে বিশ্বজুড়ে খাদ্য সংকট সৃষ্টি হয়।

এমন বাস্তবতায় জাতিসংঘ ও তুরস্কের সঙ্গে গত ২২ জুলাই আলোচিত চুক্তিতে সই করে রাশিয়া ও ইউক্রেন। ওই চুক্তি অনুযায়ী ইউক্রেনের বন্দর ছেড়ে যায় শস্যবাহী জাহাজ।

ইউক্রেনে জাতিসংঘ মহাসচিবের কর্মসূচি নিয়ে দুজারিক আরও বলেন, জেলেনস্কির সঙ্গে বৈঠকে জাপোরিজ্জা পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলবেন গুতেরেস। পাশাপাশি রাশিয়ার সঙ্গে সংঘাতের রাজনৈতিক সমাধান নিয়েও আলোচনা করবেন তিনি।

সামরিক অভিযান শুরুর পরপরই জাপোরিজ্জা বিদ্যুৎ কেন্দ্রের দখল নেন রুশ সেনারা। পূর্ব ইউক্রেনের এ বিদ্যুৎ কেন্দ্রে গোলাবর্ষণের জন্য পরস্পরকে দায়ী করে আসছে ইউক্রেন ও রাশিয়া।

আরও পড়ুন:
ভয়াবহ বিস্ফোরণের জেরে ক্রিমিয়া ছেড়ে পালাচ্ছে রুশরা
যুদ্ধের থ্রিল নিতে পর্যটক ডাকছে ইউক্রেনীয় প্রতিষ্ঠান
ইউরোপে রুশ তেলের পাইপলাইন বন্ধ করল ইউক্রেন
ইউরোপে পারমাণবিক বিপর্যয়ের শঙ্কা জাতিসংঘের
‘রাজাকার’ ধরতে ইউক্রেনীয় শহরে অভিযান

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
3 days a week classes in the UK to reduce school costs

খরচ কমাতে যুক্তরাজ্যে স্কুলে সপ্তাহে ৪ দিন ছুটির চিন্তা

খরচ কমাতে যুক্তরাজ্যে স্কুলে সপ্তাহে ৪ দিন ছুটির চিন্তা শিক্ষকদের বেতন ও বিদ্যুৎ বিল বৃদ্ধিতে খরচ সামাল দিতে চেষ্টা করছে যুক্তরাজ্যের স্কুলগুলো। ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাজ্যের স্কুলশিক্ষকদের বেতন বাড়ছে, একই সঙ্গে আশঙ্কা করা হচ্ছে বিদ্যুৎ বিল ৩০০ শতাংশ বৃদ্ধি পেতে পারে। ফলে খরচ সামলিয়ে তহবিল প্রবাহিত রাখতে স্কুল সপ্তাহে ৩ দিন খোলা রাখার বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে।

ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে জ্বালানি নিয়ে অনিশ্চয়তায় পড়া যুক্তরাজ্য এবার বিদ্যুৎ সাশ্রয় ও খরচ কমাতে স্কুলের ছুটি বাড়িয়ে সপ্তাহে ৪ দিন করার চিন্তা করছে।

গ্যাসের সংকট ও নদীতে পানির স্তর কমে যাওয়ায় ইউরোপে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যহত হচ্ছে। এরই মধ্যে সংকটে পড়েছে অনেক দেশ। যুক্তরাজ্যেও অস্বাভাবিক বৃদ্ধি পেয়েছে বিদ্যুতের দাম।

সেপ্টেম্বর থেকেই যুক্তরাজ্যের স্কুলশিক্ষকদের বেতন বাড়ছে, একই সঙ্গে আশঙ্কা করা হচ্ছে বিদ্যুৎ বিল এরই মধ্যে ৩০০ শতাংশ বৃদ্ধি পেতে পারে। ফলে স্কুলের খরচ সামাল দেয়া নিয়েও তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা।

ক্রিয়েটিভ ট্রাস্টের প্রধান নির্বাহী মার্ক জর্ডান বলেছেন যে বিদ্যুৎ বিলের খরচ কমাতে স্কুলে সপ্তাহে তিন দিন ক্লাসের বিষয়ে আলোচনা করতে তিনি শুনেছেন।

জর্ডানের ক্রিয়েটিভ এডুকেশন ট্রাস্ট যুক্তরাজ্যের পূর্ব ও পশ্চিম মিডল্যান্ডস ও নরফোকের ১৭টি স্কুল পরিচালনা করে যেখানে পড়াশোনা করছে ১৩ হাজার ৫০০ শিক্ষার্থী।

তিনি নিজের ট্রাস্ট সম্পর্কে বলেছেন, এরই মধ্যে তারা খরচ কমাতে একটি শিক্ষক নিয়োগ স্থগিত করছে এবং স্কুল ভবনগুলোর একটি পরিকল্পিত প্রকল্প বাতিলে বাধ্য হতে পারে।

সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাজ্যের স্কুলগুলো পর্যাপ্ত বিনিয়োগ পাচ্ছে না। ফলে অনেক শিক্ষকও খরচ কমাতে সাপ্তাহিক স্কুলের দিনের সংখ্যা কমিয়ে আনার পক্ষপাতি।

এসেক্সের সাউথেন্ড হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষ ড. রবিন বেভান বলেছেন, ‘যদি এরই মধ্যে চার দিন স্কুল খোলা রাখার পরিকল্পনা না করা হয়, তবে অবশ্যই তা বিবেচনা করা হবে।’

শুধু স্কুলই নয়, যুক্তরাজ্যে সামনের শীতে জানুয়ারিতে শিল্প-কারখানা ও সাধারণ পরিবারগুলোর জন্যও সাময়িকভাবে বিদ্যুৎ সংযোগ পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়া হতে পারে।

দেশটির কর্তৃপক্ষ বলছে, ‘সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতির’ বিষয় মাথায় রেখে সরকারি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র চালু করার পরও সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ ব্যবহারের ছয় ভাগের এক ভাগ ঘাটতি থাকবে।

আরও পড়ুন:
যুক্তরাজ্যে তীব্র গরমে গলে গেছে রানওয়ে
যুক্তরাজ্যে প্রধানমন্ত্রিত্বের দৌড়ে এগিয়ে ঋষি সুনাক
যুক্তরাজ্যে নতুন প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা ৫ সেপ্টেম্বর
প্রধানমন্ত্রিত্ব হারানোর মুখে বরিস জনসন
খুন করলেও কি আইনের ঊর্ধ্বে ব্রিটিশ রানি

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Europes water is drying up electricity production is decreasing

শুকিয়ে যাচ্ছে ইউরোপের জলাধার

শুকিয়ে যাচ্ছে ইউরোপের জলাধার
পানিবিদ্যুৎ প্রকল্পে বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে ব্যবহার করা হয় পানি; পানি নিয়ে সংকটময় সময় পার হওয়ার এই সময়ে এ উপায়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন ২০ ভাগ কমে এসেছে যুক্তরাজ্যে।

পরিবর্তিত জলবায়ু পরিস্থিতিতে শুকিয়ে যাচ্ছে যুক্তরাজ্যসহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশের নদ-নদী,খাল-বিলসহ পানির উৎস, তৈরি হচ্ছে শুষ্ক অবস্থা। এ প্রেক্ষাপটে প্রভাব পড়ছে বিদ্যুৎ উৎপাদনে। এই মুহূর্তে বড় ধরনের সংকটে না পড়লেও আগামী দিনে আসলে যুক্তরাজ্য এবং ওই সব দেশের বিদ্যুতের অবস্থা কোন দিকে যাচ্ছে, তা নিয়ে উদ্বেগ ছড়াচ্ছে প্রতিদিনই।

পানিবিদ্যুৎ প্রকল্পে বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে ব্যবহার করা হয় পানি; পানি নিয়ে সংকটময় সময় পার হওয়ার এই সময়ে এ উপায়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন ২০ ভাগ কমে এসেছে যুক্তরাজ্যে। খরাময় অবস্থা শুধু যে বিদ্যুৎ উৎপাদনব্যবস্থাকে প্রভাবিত করছে তা-ই নয়, এই সমস্যা ছড়িয়ে পড়েছে অন্য ক্ষেত্রেও।

বিবিসি বলছে, পারমাণবিক স্থাপনায় যেখানে নদীর পানি ব্যবহার করে ঠান্ডা পরিবেশ তৈরি করা হয়; সেখানেও পানির ব্যবহার সীমিত করা হয়েছে।

এমন পরিস্থিতিতে যুক্তরাজ্যের মতো দেশেও সামনের শীতে জানুয়ারিতে শিল্প-কারখানা ও সাধারণ পরিবারগুলোর জন্যও সাময়িকভাবে বিদ্যুৎ সংযোগ পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়া হতে পারে।

দেশটির কর্তৃপক্ষ বলছে, ‘সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতির’ বিষয় মাথায় রেখে সরকারি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র চালু করার পরও সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ ব্যবহারের ছয় ভাগের এক ভাগ ঘাটতি থাকবে।

এদিকে টেমস নদী আগের থেকে অনেক বেশি শুকিয়ে গেছে। বিভিন্ন অঞ্চলে দেখা দিয়েছে খরা। এ অবস্থায় দক্ষিণ, মধ্য ও পূর্ব ইংল্যান্ডে আনুষ্ঠানিকভাবে খরা পরিস্থিতি ঘোষণা করেছে ব্রিটিশ সরকার। যুক্তরাজ্যের ন্যাশনাল গ্রিড বিদ্যুৎ বিপর্যয় এড়াতে বিশালসংখ্যক গ্রাহকের বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করে দিতে পারে।

বিবিসি বলছে, ইউরোপে বিদ্যুৎ উৎপাদনের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলো পানি। কিন্তু নদী ও জলাশয়ে পানির অভাব এখন বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে ফেলছে।

ইতালিতে মোট বিদ্যুতের পাঁচ ভাগের এক ভাগ পাওয়া যায় পানিবিদ্যুৎ থেকে। অথচ গত ১২ মাসে এই উৎসের বিদ্যুৎ কমে এসেছে ৪০ ভাগ।
প্রায় একই অবস্থা স্পেনেও। এ দেশে উৎপাদন কমেছে ৪৪ ভাগ। পানি বিদ্যুৎ নিয়ে সংকটে পড়েছে নরওয়েও।

বিদ্যুৎ নিয়ে গবেষণা করা ফ্যাবিয়ান রনিনগেন বলেছেন, এ প্রক্রিয়ায় বিদ্যুৎ উৎপাদন কমবেশি হতে পারে। তবে উৎপাদন ৪০ ভাগ কম মানে হলো, চরম পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

তিনি বলেন, পানিবিদ্যুৎ নিয়ে এই পরিসংখ্যান শুধু ইউরোপের একটি অংশে কার্যকর তা নয়। এমন ঘটনা ঘটেছে সব বড় বড় পানিবিদ্যুৎ উৎপাদনকারী দেশগুলোতেও। সব জায়গায়ই বিদ্যুৎ উৎপাদন কমে গেছে।

এটি সত্যিই একটি বড় প্রভাব, মন্তব্য করেন ফ্যাবিয়ান।

বিশ্লেষকরা বলছেন, বিদ্যুৎ নিয়ে ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্য একে অন্যের ওপর নির্ভরশীল। একই সঙ্গে যদি দুই দেশ বিদ্যুৎ সংকটে পড়ে তাহলে আসলে কী ঘটবে কেউই তা জানে না।

আরও পড়ুন:
বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে শিল্পাঞ্চলে জোনভিত্তিক ছুটি নির্ধারণ
জার্মানিতে বিদ্যুতের দাম বেড়ে ৫ গুণ
সেচ দিতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে প্রাণ গেল কৃষকের

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Ukraines Western allies will be responsible for the nuclear disaster

‘পারমাণবিক বিপর্যয়ে দায়ী থাকবে ইউক্রেনের পশ্চিমা মিত্ররা’

‘পারমাণবিক বিপর্যয়ে দায়ী থাকবে ইউক্রেনের পশ্চিমা মিত্ররা’ চেরনোবিল দুর্ঘটনায় পরিত্যক্ত ভবন। ছবি: সংগৃহীত
জাতিসংঘে রাশিয়ার স্থায়ী প্রতিনিধি ভ্যাসিলি নেবেনজিয়া বলেছেন, পারমাণবিক অবকাঠামোতে কিয়েভের অপরাধমূলক আক্রমণ বিশ্বকে একটি পারমাণবিক বিপর্যয়ের দ্বারপ্রান্তে ঠেলে দিচ্ছে, যা চেরনোবিলের মতো ঘটনার জন্ম দেবে এবং ইউরোপকে সবচেয়ে বড় তেজস্ক্রিয় দূষণের দিকে নিয়ে যাবে। এর প্রভাব রাজধানী কিয়েভসহ অন্তত আটটি ইউক্রেনীয় অঞ্চলকে প্রভাবিত করতে পারে। এ ছাড়া লুহানস্ক ও দোনেৎস্ক ছাড়াও মলদোভা, রোমানিয়া, বুলগেরিয়া ও বেলারুশেরও ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

ইউরোপের সবচেয়ে বড় পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্র জাপোরিজ্জা রুশ সেনাদের নিয়ন্ত্রণে। কিয়েভের দাবি, সেখানে সমরাস্ত্র জমা করে ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহার করেছে রুশ সেনারা। পাল্টা অভিযোগ করে কিয়েভ বলছে, ইউক্রেনীয় সেনারা পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে গোলা নিক্ষেপ করছে।

রাশিয়া টুডের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এমন পরিস্থিতিতে জাতিসংঘে রাশিয়ার স্থায়ী প্রতিনিধি ভ্যাসিলি নেবেনজিয়া বৃহস্পতিবার নিরাপত্তা পরিষদে বলেছেন, কিয়েভের বেপরোয়া কর্মকাণ্ড বিশ্বকে বড় পারমাণবিক বিপর্যয়ের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

তিনি বলেন, ‘আমরা বারবার আমাদের পশ্চিমা সহকর্মীদের সতর্ক করে দিয়েছি যে, তারা কিয়েভের সঙ্গে কথা বলতে ব্যর্থ হলে এটি সবচেয়ে জঘন্য ও বেপরোয়া পদক্ষেপ নেবে, যার পরিণতি ইউক্রেনের বাইরেও পড়বে।’

ভ্যাসিলি এ সময় পশ্চিমাদের উদ্দেশে বলেন, যেকোনো পারমাণবিক বিপর্যয়ের জন্য কিয়েভের পশ্চিমা সমর্থকদেরই দায় বহন করতে হবে।

তার মতে, পারমাণবিক অবকাঠামোতে কিয়েভের অপরাধমূলক আক্রমণ বিশ্বকে একটি পারমাণবিক বিপর্যয়ের দ্বারপ্রান্তে ঠেলে দিচ্ছে, যা চেরনোবিলের মতো ঘটনার জন্ম দেবে এবং ইউরোপকে সবচেয়ে বড় তেজস্ক্রিয় দূষণের দিকে নিয়ে যাবে। এর প্রভাব রাজধানী কিয়েভসহ অন্তত আটটি ইউক্রেনীয় অঞ্চলকে প্রভাবিত করতে পারে। এ ছাড়া লুহানস্ক ও দোনেৎস্ক ছাড়াও মলদোভা, রোমানিয়া, বুলগেরিয়া ও বেলারুশেরও ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

‘পারমাণবিক বিপর্যয়ে দায়ী থাকবে ইউক্রেনের পশ্চিমা মিত্ররা’
জাতিসংঘে রাশিয়ার স্থায়ী প্রতিনিধি ভ্যাসিলি নেবেনজিয়া

নেবেনজিয়া আরও বলেন, এই ধরনের মাত্রার পারমাণবিক বিপর্যয় কল্পনা করা কঠিন।

রুশ সেনাদের নিয়ন্ত্রণে থাকা ইউক্রেনীয় শহর এনারগোদারে অবস্থিত জাপোরিজ্জা প্ল্যান্টটি গত কয়েক সপ্তাহ যাবৎ ধারাবাহিক হামলার শিকার হচ্ছে।

চীন সমস্যা সমাধানে ইউক্রেন ও রাশিয়াকে আলোচনার আহ্বান জানিয়েছে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র এই পরিস্থিতির জন্য রাশিয়াকেই দায়ী করছে।

গত ৬ আগস্ট ইউক্রেনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, শনিবার রাশিয়ার রকেট হামলায় পারমাণবিক স্থাপনার গুরুতর ক্ষতি হয়েছে। তিনটি তেজস্ক্রিয় শনাক্তকরণ যন্ত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ফলে যেকোনো তেজস্ক্রিয় লিকের ক্ষেত্রে প্রাথমিক অবস্থায় তা শনাক্তকরণ ও বিকিরণ প্রতিরোধ অসম্ভব হয়ে গেছে।

কিয়েভ বলছে, এবার ভাগ্যক্রমে পারমাণবিক বিপর্যয় থেকে রক্ষা পেলেও বার বার ভাগ্য সহায়ক হবে না।

এমন পরিস্থিতিতে আইএইএ প্রধান রাফায়েল মারিয়ানো গ্রসি বলেছেন, ইউরোপের বৃহত্তম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে গোলাগুলির খবরে তিনি অত্যন্ত উদ্বিগ্ন।

জাতিসংঘের আণবিক পর্যবেক্ষক সংস্থা (আইএইএ) ইউক্রেনের জাপোরিজ্জা পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের কাছে যেকোনো ধরনের সামরিক পদক্ষেপ অবিলম্বে বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছেন।

গ্রসি বলেছেন, শুক্রবারের হামলা পারমাণবিক বিপর্যয়ের সত্যিকারের ঝুঁকি তৈরি করেছে, যা ইউক্রেন এবং এর বাইরে জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশকে হুমকির মুখে ফেলতে পারে।

আমরা বারবার আমাদের পশ্চিমা সহকর্মীদের সতর্ক করে দিয়েছি যে, তারা কিয়েভের সঙ্গে কথা বলতে ব্যর্থ হলে এটি সবচেয়ে জঘন্য ও বেপরোয়া পদক্ষেপ নেবে, যার পরিণতি ইউক্রেনের বাইরেও পড়বে।

তিনি বলেন, ইউক্রেনীয় কর্মীদেরর অবশ্যই হুমকি ও চাপ ছাড়াই তাদের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করতে দিতে হবে এবং আইএইএকে প্রযুক্তিগত সহায়তার অনুমতি দেয়া উচিত।

গ্রসি আরও বলেন, ইউক্রেন এবং অন্যত্র একটি সম্ভাব্য পারমাণবিক দুর্ঘটনা থেকে জনগণকে রক্ষা করার স্বার্থে আমাদের মতভেদ ভুলে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।

তবে মস্কোর পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, এই হামলা চালিয়েছে ইউক্রেন।

জাপোরিজ্জায় বর্তমান ভারপ্রাপ্ত রুশ প্রধান ইয়েভজেনি বালিতস্কি রোবরার টেলিগ্রামে এক বার্তায় বলেন, ইউক্রেনীয় সেনারাই বিদ্যুৎকেন্দ্রের তেলের মজুত লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। তাদের হামলায় প্রশাসনিক ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

‘পারমাণবিক বিপর্যয়ে দায়ী থাকবে ইউক্রেনের পশ্চিমা মিত্ররা’
জাপোরিজ্জা পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে প্রহরারত রুশ সেনা

তবে নিরপেক্ষভাবে কিয়েভ ও মস্কোর দাবির সত্যতাই যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

যেহেতু পারমাণবিক প্রকল্পটি রুশ সেনাদের নিয়ন্ত্রণেই রয়েছে এবং সেখানে রুশ সেনারাই অবস্থান করছে, তাহলে ঠিক কী কারণে রুশ সেনারাই সেখানে হামলা চালাবে তা স্পষ্ট করেনি কিয়েভ।

এদিকে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলদিমির জেলেনস্কি বলেছেন, ‘পারমাণবিক প্রকল্পে যেকোনো বোমা হামলা নির্লজ্জ অপরাধ, সন্ত্রাসের কাজ।’

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন গত সপ্তাহের শুরুর দিকে অভিযোগ করেছেন, ইউক্রেনীয় বাহিনীর ওপর হামলা চালানোর জন্য এই প্ল্যান্টটিকে নিরাপদ সামরিক ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহার করছে রাশিয়া। কারণ বিদ্যুৎকেন্দ্রে ক্ষতি হওয়ার শঙ্কা থাকায় ইউক্রেনীয় সেনারা সেখানে গোলা বর্ষণ করতে পারবে না।

গত মার্চে ইউক্রেনে সামরিক অভিযানের মধ্যেই দেশটিতে অবস্থিত ইউরোপের সবচেয়ে বড় পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র জাপোরিজ্জাতে হামলা চালায় রুশ সেনারা। ইউক্রেন সে সময় দাবি করে, রুশ গোলার আঘাতে বিদ্যুৎকেন্দ্রটিতে আগুন ধরে যায়।

ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী দিমিত্র কুলেবা জানিয়েছিলেন, এই কেন্দ্রের চুল্লি গলে যাওয়া চেরনোবিলের থেকে ১০ গুণ বেশি ভয়াবহ হতে পারে।

এর আগে ১৯৮৬ সালে ইউক্রেনের চেরনোবিলে সোভিয়েত আমলে এক পারমাণবিক দুর্ঘটনায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। পারমাণবিক প্রযুক্তির ইতিহাসে এটিই ছিল সবচেয়ে বড় দুর্ঘটনা।

২০০৫ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, চেরনোবিল দুর্ঘটনার পর ২০ বছরে তেজস্ক্রিয়তার পরোক্ষ প্রভাবে প্রায় ৪ হাজার মানুষ প্রাণ হারিয়েছিলেন।

আরও পড়ুন:
ইউরোপে পারমাণবিক বিপর্যয়ের শঙ্কা জাতিসংঘের
‘রাজাকার’ ধরতে ইউক্রেনীয় শহরে অভিযান
রুশ-ইউক্রেন যুদ্ধে মুসলমানরা কোন পক্ষে?
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বন্দি বিনিময়ে রুশ মন্ত্রীর ইঙ্গিত
খাদ্যশস্যের আরও ৩ জাহাজ ইউক্রেন ছাড়বে আজ

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Burnt ashes Italian billionaires pleasure

পুড়ে ছাই ইতালিয়ান ধনকুবেরের প্রমোদতরী

পুড়ে ছাই ইতালিয়ান ধনকুবেরের প্রমোদতরী
আগুনের কারণে সৃষ্ট কালো ধোঁয়া প্রতিবেশী দ্বীপ ইবিজা থেকেও দেখা গেছে। আগুনের কারণ জানা যায়নি এখনও।

মাত্র এক মাস আগেই ১ কোটি ৯০ লাখ টাকা দিয়ে বিলাসবহুল একটি প্রমোদতরী কিনেছিলেন ইতালিয়ান ধনকুবের পাওলো স্কুডিয়ারি। ভূমধ্যসাগরীয় দ্বীপ ফরমেন্তেরার পশ্চিম উপকূলে ক্যালা সাওনায় এটি ভাসছিল। বৃহস্পতিবার দুপুরের দিকে আগুন ধরে যায় প্রমোদতরীতে।

আরিয়া এসএফটি নামে প্রমোদতরীর আয়তন ১৫০ ফুট। আগুন লাগার সময় এটিতে ৯ যাত্রী এবং সাতজন ক্রু ছিলেন। স্প্যানিশ দুটি উপকূলরক্ষী জাহাজ তাদের অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করেছে। তবে এটা স্পষ্ট নয় তাদের মধ্যে প্রমোদতরীর মালিক স্কুডিয়ারি ছিলেন কি না।

আগুনের কারণে সৃষ্ট কালো ধোঁয়া প্রতিবেশী দ্বীপ ইবিজা থেকেও দেখা গেছে। আগুনের কারণ জানা যায়নি এখনও।

ইতালির নেপলসে জন্ম শিল্পপতি স্কুডিয়ারির। গাড়ির অভ্যন্তরীণ উপাদান প্রযোজক গ্রুপো অ্যাডলারের চেয়ারম্যান তিনি, যার আনুমানিক মূল্য ৪০০ মিলিয়ন ডলারের বেশি। ১৯৫৬ সালে তার বাবা অ্যাচিল এটি প্রতিষ্ঠা করেন।

পুড়ে ছাই ইতালিয়ান ধনকুবেরের প্রমোদতরী
পাওলো স্কুডিয়ারি। ফাইল ছবি

এ ছাড়া ট্যুরিজম এবং বেশ কিছু নামকরা রেস্তোরাঁর মালিক ৬২ বছর বয়সী পাওলো স্কুডিয়ারি।

মন্তব্য

p
উপরে