× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

আন্তর্জাতিক
Ronils declaration of himself as Acting President is a legal crisis in Sri Lanka
hear-news
player
print-icon

নিজেকে ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট ঘোষণা রনিলের, শ্রীলঙ্কায় আইনি সংকট

নিজেকে-ভারপ্রাপ্ত-প্রেসিডেন্ট-ঘোষণা-রনিলের-শ্রীলঙ্কায়-আইনি-সংকট
বুধবার কলম্বোতে প্রধানমন্ত্রী রনিল বিক্রমাসিংহের সরকারি বাসভবন ঘিরে রেখে বিক্ষোভ করে কয়েক হাজার মানুষ। ছবি: এএফপি
আন্দোলনকারীদের নেতা কল্পনা মধুভাসিনি বলেন, ‘এমন অবৈধ জরুরি অবস্থার ঘোষণা মেনে নেব না। আমরা গোতাবায়া ও রনিল বিক্রমাসিংহের পদত্যাগ না করা পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাব। আমরা চাইব তারা এমন জরুরি অবস্থার ঘোষণা থেকে সরে আসুক।’

শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী রনিল বিক্রমাসিংহে নিজেকে ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট ঘোষণা দিয়েছেন। এতে দেশটি আইনি অচলাবস্থার মধ্যে পড়ে গেছে।

সংবিধান বিশেষজ্ঞ ড. জায়ামাফতি বিক্রমারাত্নে জানিয়েছেন, প্রেসিডেন্টের অনুপস্থিতিতে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করতে পারেন না প্রধানমন্ত্রী। সংবিধান তাকে এমন ক্ষমতা দেয়নি।

এর আগে বুধবার সকালে পলাতক প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া রাজাপাকসের বাসভবন ঘিরে চলা আন্দোলন ও বিক্ষোভ সামাল দিতে বিক্রমাসিংহের সরকার রাষ্ট্রীয় জরুরি অবস্থা ঘোষণা করে।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, কয়েক ঘণ্টার মধ্যে বিক্রমাসিংহের এমন সিদ্ধান্তের ব্যাখ্যা দেয়া হবে।

আন্দোলনকারীদের নেতা কল্পনা মধুভাসিনি বলেন, ‘এমন অবৈধ জরুরি অবস্থার ঘোষণা মেনে নেব না। আমরা গোতাবায়া ও রনিল বিক্রমাসিংহের পদত্যাগ না করা পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাব। আমরা চাইব, তারা এমন জরুরি অবস্থার ঘোষণা থেকে সরে আসুক।’

তিনি আরও বলেন, ‘জরুরি অবস্থার এই ঘোষণা জনগণকে রক্ষার জন্য করা হয়নি। বরং আন্দোলনকারীদের দমনে জারি করা হয়েছে।’

দেশটির সংবিধানবিশেষজ্ঞ ড. জায়ামাফতি বিক্রমারাত্নে জানিয়েছেন, প্রেসিডেন্টের অনুপস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রী জরুরি অবস্থা ঘোষণা করতে পারেন না। সংবিধান তাকে এমন ক্ষমতা দেয়নি। প্রেসিডেন্টের অনুপস্থিতিতে তিনি অন্য একজনকে ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট ঘোষণা করতে পারেন। তা না করে তিনি অবৈধ ঘোষণা দিয়েছেন।’

সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার সাংবাদিক স্টেপ ভ্যাসেন জানিয়েছেন, বিক্রমাসিংহের এমন ঘোষণার মধ্য দিয়ে দেশটি আইনিভাবে অচলাবস্থার মধ্যে পড়ে গেছে।

ভ্যাসেন বলেন, ‘তারা এ-সংক্রান্ত কোনো চিঠিপত্র সংবাদমাধ্যমকে দেখায়নি। এবং দেশটির প্রেসিডেন্ট পালিয়ে যাওয়ার আগে ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট হিসেবে কাউকে নিয়োগও দেননি।’

এর আগে বিভিন্ন মাধ্যমে এমন কথা ছড়িয়েছে যে, বিক্রমাসিংহে ক্ষমতা ছাড়ছেন না এবং তিনি পরবর্তী প্রেসিডেন্ট হিসেবে নিজের নাম ঘোষণা করবেন।

বিক্ষোভে উত্তাল কলম্বো

চরম অর্থনৈতিক সংকটের জন্য দেশটির পলাতক প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া রাজাপাকসেকে দায়ী করে তার পদত্যাগ দাবি করেন হাজারো বিক্ষোভকারী।

তীব্র বিক্ষোভের মুখে শ্রীলঙ্কায় জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে দেশটির সরকার।

বুধবার সকাল থেকে রাজধানী কলম্বোতে দেশটির পলাতক প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া রাজাপাকসের সরকারি বাসভবন ঘিরে রেখে বিক্ষোভ করছে কয়েক হাজার মানুষ।

চরম অর্থনৈতিক সংকটের জন্য গোতাবায়াকে দায়ী করে তার পদত্যাগ দাবি করেন তারা।

বিক্ষোভকারীরা সংবাদমাধ্যম এনডিটিভিকে জানিয়েছেন, সরকারবিরোধী আন্দোলনকারীরা দেশটির পার্লামেন্ট ভবনের দিকে যাত্রা করবে এবং প্রেসিডেন্ট রাজাপাকসে পদত্যাগ না করা পর্যন্ত সেখানে অবস্থান করে বিক্ষোভ চালিয়ে যাবেন।

এ সময় তারা প্রধানমন্ত্রী রনিল বিক্রমাসিংহের পদত্যাগও দাবি করেন।

এদিকে, প্রেসিডেন্ট গোতাবায়ার মালদ্বীপে আশ্রয় নেয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে দেশটির প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়।

কমপক্ষে ১৫০০ বিক্ষোভকারী দেশটির নতুন প্রধানমন্ত্রী রনিল বিক্রমাসিংহের কার্যালয়ের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেন।

এ সময় বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের ছোড়া টিয়ারগ্যাসের সেলের আঘাতে আহত হয়েছেন অনেকে।

এর আগে, গত ৯ জুলাই অর্থনৈতিক মন্দা ও আন্দোলনের মুখে নতুন প্রধানমন্ত্রী রনিল বিক্রমাসিংহে পদত্যাগ করতে চান বলে জানিয়েছে তার দপ্তর। প্রধানমন্ত্রীর মিডিয়া বিভাগ জানিয়েছে, পার্লামেন্টে সর্বদলীয় সরকার গঠন হওয়ার পরই পদত্যাগ করবেন তিনি।

এর আগে বুধবার সকালে বিক্ষোভের মুখে প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া রাজাপাকসে পালিয়ে মালদ্বীপে যান। বুধবার আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগের আগে দেশ ছাড়েন তিনি।

প্রেসিডেন্ট রাজাপাকসে, তার স্ত্রী, নিরাপত্তারক্ষীসহ চারজন একটি সামরিক উড়োজাহাজে কলম্বো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ছাড়েন বুধবার ভোরে।

মালে বিমানবন্দর পুলিশ জানিয়েছে, মালদ্বীপ বিমানবন্দরে অবতরণের পর কড়া পুলিশি পাহারায় তাদের গোপন স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়।

এর আগে মঙ্গলবার সকালে গোতাবায়া রাজাপাকসে দেশ ছেড়ে পালাতে বিমানবন্দরে গিয়েছিলেন। কিন্তু দেশটির ইমিগ্রেশন অফিসারদের বাধায় তিনি যেতে পারেননি। আকাশপথে ব্যর্থ হয়ে তিনি নৌবাহিনীর জাহাজে শ্রীলঙ্কা ছাড়ার চেষ্টাও করেন।

৭৪ বছর বয়সী গোতাবায়া রাজপাকসে স্ত্রীসহ দেশটির কলম্বোর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পাশে সামরিক ঘাঁটিতে ছিলেন।

তিনি সোমবার রাতে সেখানেই ছিলেন। সেখান থেকেই মঙ্গলবার সকালে তিনি বিমানবন্দরে আসেন।

গোতাবায়া বন্দরনায়েকে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে গিয়ে ভিআইপি স্যুটে অপেক্ষা করছিলেন। নিরাপত্তার জন্যই তাকে সেখানে রাখা হয়। এরপর তার পাসপোর্ট সিল মারার জন্য ইমিগ্রেশন অফিসারদের ভিআইপি স্যুটে যেতে বলা হয়। তারা গোতাবায়ার পাসপোর্টে সিল মারতে অস্বীকার করেন।

গোতাবায়া পরিবার নিয়ে সম্ভবত দুবাই যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার জন্য গোতাবায়া ভিসার আবেদন করেছিলেন। তবে তার সে আবেদন নাকচ করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

‘দ্য হিন্দু’ পত্রিকার এক শীর্ষ কর্র্মকর্তার বরাত দিয়ে শ্রীলঙ্কাভিত্তিক ডেইলি মিররের প্রতিবেদনে এমনটাই জানানো হয়েছে।

শ্রীলঙ্কা এবং যুক্তরাষ্ট্র দুই দেশেরই দ্বৈত নাগরিকত্ব ছিল গোতাবায়ার। কিন্তু ২০১৯ সালের নির্বাচনের আগে একটি আইন মেনে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব ছেড়ে দেন। ওই আইনে বিদেশি নাগরিকদের নির্বাচনে দাঁড়ানো নিষিদ্ধ ছিল।

গোতাবায়ার ছোট ভাই ও দেশটির সাবেক অর্থমন্ত্রী বাসিল রাজপাকসেও গোপনে দেশ ছেড়ে যেতে চেয়েছিলেন। কিন্তু বিক্ষোভকারীদের বাধার কারণে তার সেই চেষ্টা ব্যর্থ হয়।

সকালে দুবাই যাওয়ার উদ্দেশে গোপনে কলম্বো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ভিআইপি টার্মিনালে হাজির হন বাসিল। কিন্তু বিমানবন্দরে থাকা লোকজন তাকে চিনে ফেলেন এবং অল্প সময়ের মধ্যেই বিক্ষোভকারীরা বিমানবন্দর ঘেরাও করে অবস্থান নেন।

এ পরিস্থিতিতে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ বাসিলকে ভ্রমণজনিত ক্লিয়ারেন্স দিতে রাজি না হওয়ায় ফিরে যান শ্রীলঙ্কার সাবেক অর্থমন্ত্রী।

এর আগে গোতাবায়া পদত্যাগপত্রে স্বাক্ষর করেন। সোমবারই তিনি পদত্যাগপত্রে স্বাক্ষর করে এরই মধ্যে জ্যেষ্ঠ সরকারি কর্মকর্তার কাছে হস্তান্তর করেছেন।

যদিও যে পদত্যাগপত্রে তিনি স্বাক্ষর করেছেন তার তারিখ দেয়া আছে ১৩ জুলাই, বুধবার।

এরই মধ্যে বিষয়টি সম্পর্কে জেনেছেন দেশটির পার্লামেন্টের স্পিকার ইয়াপা আবিবর্ধনে। তিনি বুধবার প্রেসিডেন্টের পদত্যাগের বিষয়টি জনসমক্ষে জানাবেন।

আরও পড়ুন:
শ্রীলঙ্কায় জরুরি অবস্থা, বিক্ষোভে উত্তাল কলম্বো
মালদ্বীপে পালিয়ে গেলেন গোতাবায়া
গোতাবায়াকে ভিসা দিল না যুক্তরাষ্ট্র

মন্তব্য

আরও পড়ুন

আন্তর্জাতিক
India is talking about flats or prisons for Rohingyas

রোহিঙ্গাদের জন্য ভারতে ফ্ল্যাট নাকি বন্দিশালা

রোহিঙ্গাদের জন্য ভারতে ফ্ল্যাট নাকি বন্দিশালা মিয়ানমার থেকে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গারা। ছবি: রয়টার্স
চেকপোস্টে হামলার অভিযোগ এনে ২০১৭ সালে রোহিঙ্গা গণহত্যা শুরু করে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী। ওই বছরের ২৫ আগস্ট টেকনাফ এবং উখিয়া সীমান্তে রোহিঙ্গাদের ঢল নামে। একের পর এক রোহিঙ্গা মুসলিম ঢুকতে থাকে বাংলাদেশে।

মিয়ানমার থেকে ঢোকা রোহিঙ্গাদের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত কী হবে, তা নিয়ে ভারতের দুই মন্ত্রণালয় থেকে দুই তথ্য এসেছে। এক মন্ত্রণালয় বলছে, ফ্ল্যাটে রাখা হবে তাদের। আরেক মন্ত্রণালয় বলছে, এই রোহিঙ্গাদের নেয়া হবে ‘বন্দিশালায়’।

সরকারের দুই মন্ত্রণালয়ের এমন বক্তব্যে রোহিঙ্গাদের ভাগ্য নিয়ে সংকটময় অবস্থা তৈরি হয়েছে বলে এক প্রতিবেদনে বুধবার জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম রয়টার্স

চেকপোস্টে হামলার অভিযোগ এনে ২০১৭ সালে রোহিঙ্গা গণহত্যা শুরু করে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী। ওই বছরের ২৫ আগস্ট টেকনাফ এবং উখিয়া সীমান্তে রোহিঙ্গাদের ঢল নামে। একের পর এক রোহিঙ্গা মুসলিম ঢুকতে থাকে বাংলাদেশে।

সে সময় এবং তার আগে-পরে কিছু রোহিঙ্গা গেছে ভারতেও। এই সংখ্যা সব মিলিয়ে ১৭ হাজারের মতো। আর শুধু নয়াদিল্লিতে আছে ১ হাজার ১০০-এর মতো রোহিঙ্গা। এ রোহিঙ্গাদের বসবাসের জায়গা দেয়া নিয়ে ভারত সরকারের অবস্থান এখনও স্পষ্ট নয়।

রোহিঙ্গাদের স্বাগত জানিয়ে বুধবার প্রথমে একটি টুইট করেন ভারতের আবাসন ও নগর বিষয়ক মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরি। তিনি লিখেছেন, ভারতে এসে যে শরণার্থীরা আশ্রয় চান, সরকার তাদের স্বাগত জানায়। শরণার্থীদের নিয়ে যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। দিল্লির বক্করওয়ালা এলাকায় ফ্ল্যাটে স্থানান্তরিত করা হবে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের।

মন্ত্রী লেখেন, সেখানে বসবাসের মৌলিক সব সুবিধা থাকবে। পাশাপাশি দিল্লি পুলিশ তাদের নিরাপত্তার ব্যবস্থাও করবে।

এই টুইটের কিছু সময় পরই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক টুইট বার্তায় বিষয়টি নিয়ে অন্য তথ্য দেয়া হয়। আবাসন মন্ত্রণালয়ের বক্তব্যের বিপরীত অবস্থান দেখা যায় এতে।

রোহিঙ্গাদের অবৈধ বিদেশি আখ্যা দিয়ে অমিত শাহের মন্ত্রণালয়ের টুইট বলা হয়, বন্দিশালায় রেখে পরে আইন অনুযায়ী এসব রোহিঙ্গার ব্যাপারে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

টুইটে লেখা হয়েছে, অবৈধ বিদেশি রোহিঙ্গাদের থাকার ব্যবস্থা নিয়ে সংবাদমাধ্যমের একাংশে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। স্পষ্ট করে জানানো হচ্ছে, নয়াদিল্লির বক্করওয়ালা এলাকায় ফ্ল্য়াট অনুপ্রবেশকারী রোহিঙ্গাদের দেয়ার ব্যাপারে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো নির্দেশ দেয়নি।

পরে আরেক টুইটবার্তায় বলা হয়, দিল্লি সরকার রোহিঙ্গাদের নতুন স্থানে সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিল। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বর্তমান স্থানেই অবৈধ বিদেশি রোহিঙ্গাদের রাখতে বলেছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে তাদের সংশ্লিষ্ট দেশে ফিরিয়ে দেয়ার জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় উদ্যোগ নিচ্ছে।

আরও পড়ুন:
দুর্বৃত্তের গুলিতে রোহিঙ্গা নেতাসহ নিহত ২
ভাসানচর থেকে পালিয়ে আসা ৭ রোহিঙ্গা আটক
রোহিঙ্গাদের কারণে বাংলাদেশ ভিকটিম: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
‘রোহিঙ্গা ইস্যু ও জঙ্গিবাদ মোকাবিলায় দরকার আঞ্চলিক পরিকল্পনা’
অবৈধ নিবন্ধনের সিম রোহিঙ্গাদের সরবরাহ, গ্রেপ্তার ৫

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Supporters will be on the streets on game days

‘খেলা হবে’ দিবসে রাস্তায় সমর্থকরা

‘খেলা হবে’ দিবসে রাস্তায় সমর্থকরা পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ছবি: সংগৃহীত
জেলায় জেলায় চোর ধরো, জেলে ভরো কর্মসূচিতে পথে নেমেছে সিপিএম, বিজেপি। বিজেপির সর্বভারতীয় সহসভাপতি দিলীপ ঘোষ তৃণমূলের দিবসটিকে কটাক্ষ করে মঙ্গলবার বলেন, আমরাও দেখব, কী খেলা হয়। খেলা তো শুরু হয়ে গিয়েছে। দুটো গোল খেয়েছে । তিন নম্বর হলেই চিৎ।’

ভারতের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে ‘খেলা হবে’ দিবসে রাজ্যজুড়ে রাস্তায় নেমে ইডি সিবিআইয়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ালেন তৃণমূল সমর্থকরা।

সারদা আর্থিক কেলেঙ্কারিতে অভিযুক্ত বিরোধী দলনেতা বিজেপির শুভেন্দু অধিকারীর মুখোশ পরা একজন লোকের কোমরে দড়ি বেঁধে মিছিলে ঘোরানো হয়। গায়ে লেখা আমি চোর। মিছিল থেকে প্রশ্ন তোলা হয়, শুভেন্দু অধিকারীকে ছাড় দেয়া হচ্ছে কেন?

মঙ্গলবার সকালে তৃণমূলের খেলা হবে দিবসে টুইট করে রাজ্যবাসীকে শুভেচ্ছা জানান তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি টুইটে লিখেছেন, ‘সবাইকে খেলা হবে দিবসের শুভেচ্ছা। গতবার এই দিনটি সাফল্যের সঙ্গে উদযাপিত হয়েছে। এ বছর আরও বেশি যুবক-যুবতী এতে অংশগ্রহণ করুক।’

২০২১ বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের খেলা হবে স্লোগানটি ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করে। রাজ্যে তৃতীয়বার সরকার গঠনের পর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় খেলা হবে স্লোগানটিকে চিরস্থায়ী করতে প্রতি বছর ১৬ আগস্ট খেলা হবে দিবস হিসেবে পালন করার কথা ঘোষণা করেন।

স্কুলশিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় রাজ্যের সাবেক শিক্ষামন্ত্রী, তৃণমূল কংগ্রেসের মহাসচিব ইডির হাতে গ্রেপ্তার হলে দল কারও পাপের দায় নেবে না বলে দলীয় ও প্রশাসনিক সব পদ থেকে পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে সরিয়ে দেয়া হয়। বর্তমানে ইডি হেফাজতে রয়েছেন তিনি।

এর মধ্যে আবার গরু পাচার মামলায় বীরভূমের প্রতাপশালী তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডল ওরফে কেষ্ট মণ্ডলকে গ্রেপ্তার করে সিবিআই। দুর্নীতি ইস্যুতে তৃণমূল কংগ্রেস কার্যত চাপের মুখে পড়ে যায়। তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের মনোবল ধাক্কা খায়।

এই পরিস্থিতিতে শনিবার বেহালার একটি দলীয় অনুষ্ঠানে গিয়ে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘১৬ আগস্ট থেকে আন্দোলন আবার শুরু হবে । খেলা হবে দিবসে মিটিং মিছিল, প্রতিবাদ, প্রতিরোধ, কাজকর্মও করবেন। রাস্তায় নামতে হবে । রাস্তাই আমাদের রাস্তা দেখাবে। সেই যুদ্ধটা হবে, খেলা দিবস থেকে । খেলা হবে। সকলে খেলা দিবসে অংশগ্রহণ করবেন। একটু খেলাধুলা করবেন । খেলতে খেলতে রাস্তায় মিছিল করুন না, ভালো লাগবে।’

অন্যদিকে জেলায় জেলায় চোর ধরো, জেলে ভরো কর্মসূচিতে পথে নেমেছে সিপিএম, বিজেপি।

বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষ তৃণমূলের দিবসটিকে কটাক্ষ করে মঙ্গলবার বলেন, ‘আমরাও দেখব, কী খেলা হয়। খেলা তো শুরু হয়ে গিয়েছে। দুটো গোল খেয়েছে । তিন নম্বর হলেই চিৎ।’

এ দিন খেলা হবে দিবসের মূল অনুষ্ঠানটি হয় কলকাতার নেতাজি ইনডোর স্টেডিয়ামে । অনুষ্ঠানে কমনওয়েলথ গেমসে স্বর্ণপদক জয়ী অচিন্ত্য শিউলি ও ব্রোঞ্জ পদকজয়ী সৌরভ ঘোষালকে বিশেষ সম্মান জানানো হয়।

কয়েকদিন আগে কয়েক হাজার কোটি টাকার সারদা চিটফান্ড কেলেঙ্কারির মূল হোতা সুদীপ্ত সেন সংবাদমাধ্যমের কাছে অভিযোগ তোলেন, বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ব্ল্যাকমেইল করে তার কাছ থেকে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। এ বিষয়ে তিনি চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এবং হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতিকে চিঠি লিখে বিস্তারিত জানিয়েছেন।

আর সুদীপ্ত সেনের এই অভিযোগকে হাতিয়ার করে তৃণমূলের প্রশ্ন, সুদীপ্ত সেন নিজে যখন শুভেন্দুর বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলছেন, তখন তাকে গ্রেপ্তার করা হবে না কেন? বিজেপিতে আছেন বলেই কি সিবিআই গ্রেপ্তারি থেকে ছাড়া পেয়ে চলেছেন শুভেন্দু?

আরও পড়ুন:
জেল হেফাজতে পার্থ-অর্পিতা
আগামী লোকসভা নির্বাচনে ভেসে যাবে বিজেপি: মমতা
ভারতের উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দেবে না তৃণমূল
ত্রিপুরায় তৃণমূলের নতুন কমিটি
জয়প্রকাশ যোগ দিলেন তৃণমূলে

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Mamata told about her dream India

নিজের স্বপ্নের ভারতের কথা জানালেন মমতা

নিজের স্বপ্নের ভারতের কথা জানালেন মমতা পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ছবি: সংগৃহীত
স্বপ্নের ভারতের কথা বলতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বলেন, আমি এমন একটি দেশ গঠন করতে চাই, যেখানে কেউ অভুক্ত থাকবে না। যেখানে কোনো নারী নিরাপত্তা হীনতায় ভুগবে না । যেখানে প্রতিটি শিশু শিক্ষার আলো দেখবে। যেখানে সবাইকে সমান চোখে দেখা হবে। যেখানে কোনো বিভেদকামী শক্তি থাকবে না। সম্প্রীতির দিন আসবে।

ভারতের স্বাধীনতার ৭৫ বছর পূর্তির দিনে নিজের স্বপ্নের ভারতের কথা এক টুইট বার্তায় জানালেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

তিনি এমন এক ভারতের কথা বলেছেন, যেখানে বিভেদকামী শক্তি থাকবে না, বইবে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বাতাবরণ, যেখানে কোনো মানুষ অভুক্ত থাকবে না।

মমতা টুইটে বলেন, ‘ভারতের জন্য আমার একটা স্বপ্ন আছে। আমি এমন একটি দেশ গঠন করতে চাই, যেখানে কেউ অভুক্ত থাকবে না। যেখানে কোনো নারী নিরাপত্তা হীনতায় ভুগবে না । যেখানে প্রতিটি শিশু শিক্ষার আলো দেখবে। যেখানে সবাইকে সমান চোখে দেখা হবে। যেখানে কোনো বিভেদকামী শক্তি থাকবে না। সম্প্রীতির দিন আসবে।’

মমতা এদিনের টুইটে আরও লিখেছেন, ‘দেশের মহান মানুষের কাছে আমার প্রতিশ্রুতি, আমি স্বপ্নের ভারতের জন্য প্রতিদিন চেষ্টা করে যাব।’

তবে মুখমন্ত্রীর এই টুইটকে কটাক্ষ করেছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহসভাপতি দিলীপ ঘোষ।

তিনি বলেন, ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রধানমন্ত্রী হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন। তাই এ ধরনের টুইট করেছেন। পশ্চিমবঙ্গের নারীদের নিরাপত্তা নেই। পেটের জ্বালায় শ্রমিকরা অন্য রাজ্যে কাজে যাচ্ছেন। আর মুখ্যমন্ত্রী ভারত গড়ার দিবাস্বপ্ন দেখছেন।’

আরও পড়ুন:
সেই অর্পিতার আরেক ফ্ল্যাটে ২৯ কোটি রুপি
কে এই অর্পিতা
পশ্চিমবঙ্গে মন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ মডেলের ঘর থেকে ২০ কোটি রুপি জব্দ
পশ্চিমবঙ্গের নতুন রাজ্যপাল হিসেবে গণেশনের শপথ
চলন্ত বাইক আরোহীর ওপর চিতার হামলা

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
20 killed in a bus collision with an oil tanker in Pakistan

পাকিস্তানে তেলের ট্যাংকারের সঙ্গে বাসের সংঘর্ষে নিহত ২০

পাকিস্তানে তেলের ট্যাংকারের সঙ্গে বাসের সংঘর্ষে নিহত ২০ দুর্ঘটনার পর মোটরওয়েতে কয়েক ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ থাকে। ছবি: রেডিও পাকিস্তান
তেল ট্যাংকারের সঙ্গে স্লিপার কোচের সংঘর্ষে আগুন ধরে যায়। আগুন এতটাই তীব্র ও ভয়ংকর ছিল যে অনেক দূর থেকেও তা দেখা যাচ্ছিল এবং তা নেভাতে উদ্ধারকারী দলের কয়েক ঘণ্টা সময় লেগেছিল।

পাকিস্তানে যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে একটি তেলবাহী ট্যাংকারের সংঘর্ষে কমপক্ষে ২০ জন নিহত ও ৬ জন আহত হয়েছেন।

দ্য নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার মুলতান-সুককুর মোটরওয়েতে(এম-ফাইভ) এই দুর্ঘটনা ঘটেছে।

বাস কোম্পানির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, স্লিপার কোচটিতে ২ জন ড্রাইভার ও ২৪ জন যাত্রী ছিল।

মোটরওয়ের কর্মকর্তারা বলেছেন, অতিরিক্ত গতির কারণেই এই দুর্ঘটনা ঘটেছে।

দ্রুতগামী একটি স্লিপার বাস নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গিয়ে একটি তেলের ট্যাংকারের সঙ্গে ধাক্কা খায়।

মোটরওয়ে পুলিশের মুখপাত্র জানিয়েছেন, সংঘর্ষের পরপরই তেল ট্যাংকার ও যাত্রীবাহী বাসটিতে আগুন ধরে যায়।

দুর্ঘটনার পরপরই দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন পুলিশ ও উদ্ধারকর্মীরা।

আগুনে পুড়ে যাওয়া বাস থেকে অন্তত ৯ যাত্রীকে জীবিত উদ্ধার করা হয়। তাদের নিকটবর্তী হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

আগুন এতটাই তীব্র ও ভয়ংকর ছিল যে অনেক দূর থেকেও তা দেখা যাচ্ছিল এবং তা নেভাতে উদ্ধারকারী দলের কয়েক ঘণ্টা সময় লেগেছিল।

দুর্ঘটনার পর কয়েক ঘণ্টা হাইওয়েতে যান চলাচল বন্ধ থাকে।

আরও পড়ুন:
এশিয়া কাপে পাকিস্তান দল থেকে বাদ হাসান আলি
শেখ হাসিনার কাছ থেকে শিখুন: পাকিস্তানি আমলা
ইমরান খানের পিটিআই নিয়েছিল নিষিদ্ধ বিদেশি অনুদান
পাকিস্তানে বন্যায় ১৩৬ মৃত্যু, ইরানে ৬৯
রেটিং বলছে শ্রীলঙ্কাই হতে যাচ্ছে পাকিস্তান

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Mourning Day was celebrated in Kolkata

কলকাতায় পালিত হলো শোক দিবস

কলকাতায় পালিত হলো শোক দিবস কলকাতায় বাংলাদেশ হাইকমিশনে শোক দিবস উপলক্ষে জাতির পিতার প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়। ছবি: সংগৃহীত
১৫ আগস্ট সোমবার সকাল ৮টায় জাতীয় শোক দিবস পালনে কলকাতার বাংলাদেশ উপহাইকমিশনের জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত করে অনুষ্ঠানের সূচনা করা হয়। দুপুরে হাইকমিশনের মসজিদে বাদ জোহর বিশেষ মোনাজাতের আয়োজন করা হয়। এমিতখানার দুস্থ ও অনাথ শিশুদের জন্য দুপুরের খাবারের আয়োজন করা হয়।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৭তম শাহাদাতবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস পালন উপলক্ষে কলকাতার বাংলাদেশ উপহাইকমিশন প্রাঙ্গণে এক বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

১৫ আগস্ট সোমবার সকাল ৮টায় জাতীয় শোক দিবস পালনে কলকাতার বাংলাদেশ উপহাইকমিশনের জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত করে অনুষ্ঠানের সূচনা করা হয়।

দূতাবাস প্রাঙ্গণের মুজিব মঞ্চে বঙ্গবন্ধুর আবক্ষ ভাস্কর্যে পুষ্পস্তবক দিয়ে শ্রদ্ধা জানান কমিশনের সব কর্মকর্তা, কর্মীরা ও উপস্থিত বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।

এদিন কলকাতার বেকার গভ: হোস্টেলের বঙ্গবন্ধু স্মৃতিকক্ষে বঙ্গবন্ধুর আবক্ষ ভাস্কর্যে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।

দুপুরে হাইকমিশনের মসজিদে বাদ জোহর বিশেষ মোনাজাতের আয়োজন করা হয়। এতিমখানার দুস্থ ও অনাথ শিশুদের জন্য দুপুরের খাবারের আয়োজন করা হয়।

সন্ধ্যা ৬টার সময় ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। বাংলাদেশের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি দিয়ে তার জীবনীভিত্তিক একটি প্রামাণ্য তথ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।

সন্ধ্যার অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বাণী পাঠ করে শোনানো হয় । বিশেষ মোনাজাতের মধ্য দিয়ে এদিনের জাতীয় শোক দিবসের অনুষ্ঠান শেষ হয়।

আরও পড়ুন:
অসাম্প্রদায়িক-সমৃদ্ধ দেশ গড়তে বঙ্গবন্ধু চর্চা বাড়ানোর আহ্বান
শোক দিবসে ক্রিকেটারদের শ্রদ্ধা
খুনি চক্র এখনও সক্রিয়, জাতি সাবধান: তাপস
বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানাতে মানুষের ঢল
জাতির পিতার সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
After 38 years Senas body was found on the hill

৩৮ বছর পর সিয়াচেনে পাওয়া গেল সেনার মরদেহ

৩৮ বছর পর সিয়াচেনে পাওয়া গেল সেনার মরদেহ হিমবাহে টহলরত ভারতীয় সেনা। ছবি: সংগৃহীত
হারবোলা ছিলেন ২০ সদস্যের সৈনিকের দলের একজন সদস্য, যাদেরকে ১৯৮৪ সালে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার জন্য ‘অপারেশন মেঘদূত’ এ বিশ্বের সর্বোচ্চ শিখরে পাঠানো হয়েছিল। সে সময় টহল দেয়ার সময় তুষার ঝড়ের কবলে পড়ে ২০ জন সেনাই মারা যান।

টহল দেয়ার সময় তুষারধসে নিখোঁজ হওয়ার ৩৮ বছর পর সিয়াচনের একটি পুরোনো বাঙ্কারে এক ভারতীয় সেনা জওয়ানের দেহ পাওয়া গেছে।

এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রানিক্ষেতের সৈনিক গ্রুপ সেন্টার মরদেহটি শনাক্ত করেছে।

মরদেহটি নাইন্টিন কুমায়ন রেজিমেন্টের সেনা চন্দ্রশেখর হারবোলার।

হারবোলা ছিলেন ২০ সদস্যের সৈনিকের দলের একজন সদস্য, যাদেরকে ১৯৮৪ সালে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার জন্য ‘অপারেশন মেঘদূত’ এ বিশ্বের সর্বোচ্চ শিখরে পাঠানো হয়েছিল।

সে সময় টহল দেয়ার সময় তুষার ঝড়ের কবলে পড়ে ২০ জন সেনাই মারা যান। সে সময় ১৫ জন সেনার মরদেহ উদ্ধার করা সম্ভব হলেও বাকি পাঁচজনের দেহ আর পাওয়া যায়নি। তাদের মধ্যেই একজন হারবোলা।

মরদেহ পাওয়ার পর এবার পরিপূর্ণ সামরিক মর্যাদায় তার শেষকৃত্য করা হবে।

হরবোলার স্ত্রী শান্তি দেবী বলেছেন, পরিবারের থেকেও দেশকে অগ্রাধিকার দিয়েছেন তার স্বামী। এতে তিনি গর্বিত।

তিনি জানিয়েছেন, যখন তার স্বামী নিখোঁজ হয় তখন তার বয়স ছিল মাত্র ২৮ বছর। তার বড় মেয়ের বয়স ছিল ৪ বছর এবং ছোট মেয়ের বয়স দেড় বছর।

১৯৮৪ সালে সবশেষ হারবোলা বাড়ি ফেরার প্রতিশ্রুতি দিয়েই ঘর ছেড়েছিলেন, এমনটাই জানান তার সহধর্মিনী।

১৯৭৫ সালে তিনি ভারতীয় সেনাবাহিনীতে যোগ দেন।

হরবোলার পাশাপাশি অন্য আরেকজন সেনার মৃতদেহ পাওয়া গেলেও তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

আরও পড়ুন:
কাশ্মীরে বন্দুকধারীর হামলায় ৩ ভারতীয় সেনা নিহত

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Suu Kyi gets 6 more years in prison

সু চির আরও ৬ বছরের জেল

সু চির আরও ৬ বছরের জেল অং সান সু চি
৭৭ বছর বয়সী সু চির বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগে এক ডজনের বেশি মামলা করেছে সেনাবাহিনী। এরই মধ্যে বেশ কয়েক মামলায় ১১ বছরের কারাদণ্ডের সাজাও হয়েছে তার বিরুদ্ধে।

মিয়ানমারের ক্ষমতাচ্যুত নেত্রী অং সান সু চিকে দুর্নীতির মামলায় আরও ছয় বছরের কারাদণ্ডের রায় ঘোষণা করা হয়েছে।

দেশটির জান্তা সরকার নিয়ন্ত্রণাধীন আদালতে সোমবার এ রায় ঘোষণা করা হয় বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম রয়টার্স

৭৭ বছর বয়সী সু চির বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগে এক ডজনের বেশি মামলা করেছে সেনাবাহিনী। এরই মধ্যে বেশ কয়েক মামলায় ১১ বছরের কারাদণ্ডের সাজাও হয়েছে তার বিরুদ্ধে।

সর্বশেষ আরও কয়েক মামলার রায় হলো নেপিদোতে বন্দি থাকা ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসির (এনএলডি) এই নেত্রীর বিরুদ্ধে। অবশ্য বরাবরই তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন।

আন্তর্জাতিক একাধিক সংবাদমাধ্যম বলছে, শান্তিতে নবেল পুরস্কারজয়ী সু চির বিরুদ্ধে যত অভিযোগ আনা হয়েছে, এতে সবমিলিয়ে ১৯০ বছরের বেশি দণ্ড হতে পারে তার।

সোমবারের রায়ে আদালত জানিয়েছে, ক্ষমতায় থাকাকালীন সু চি স্বাস্থ্য ও শিক্ষা সংক্রান্ত সংগঠনে সরকারি অর্থের অপব্যবহার করেছেন।

গত বছরের ১ ফেব্রুয়ারি অভ্যুত্থানের মাধ্যমে মিয়ানমারের নির্বাচিত সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করে দেশটির সেনাবাহিনী; আটক করে নেত্রী সু চি ও প্রেসিডেন্ট উইন মিন্তসহ অনেককে।

তাদের গ্রেপ্তারের পর থেকেই গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের দাবিতে নজিরবিহীন বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে ওঠে মিয়ানমার। বিক্ষোভ দমনে কঠোর হয় সেনাবাহিনী। এমন বিক্ষোভে বহু মানুষকে হত্যা এবং গ্রেপ্তার করা হয়।

আরও পড়ুন:
দুর্নীতির মামলায় সু চির ৫ বছর জেল
সু চির বিরুদ্ধে ঘুষের মামলার রায় স্থগিত
সু চির বিরুদ্ধে ঘুষের মামলার রায়ের অপেক্ষা

মন্তব্য

p
উপরে