× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

আন্তর্জাতিক
Accused of driving a dead body in a lorry in Texas
hear-news
player
print-icon

টেক্সাসের লরিতে মৃতদেহ, চালকসহ অভিযুক্ত ২

টেক্সাসের-লরিতে-মৃতদেহ-চালকসহ-অভিযুক্ত-২
লরি থেকে ৫৩ অভিবাসনপ্রত্যাশীর মৃতদেহ উদ্ধারের ঘটনায় মানবপাচার আইনে চালকসহ দুইজনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। ছবি: বিবিসি
লরিটির নিবন্ধনের ঠিকানার সঙ্গে গ্রেপ্তার দুই ব্যক্তির নাম-পরিচয়ের মিল রয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনেও মামলা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের জাস্টিস ডিপার্টমেন্ট জানিয়েছে, গ্রেপ্তার দুইজনের সর্বোচ্চ শাস্তি হতে পারে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড।

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে ফেলে যাওয়া একটি লরি থেকে ৫৩ জনের মৃতদেহ উদ্ধারের ঘটনায় মানব পাচার আইনে চালকসহ দুইজনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।

টোক্সাসের বাসিন্দা হোমেরো জেমোরানো নামের ওই চালককে লরির পাশে একটি ঝোপ থেকে উদ্ধার করা হয়। প্রথমে তিনি পুলিশকে অভিবাসনপ্রত্যাশী হিসেবে পরিচয় দেন। পরে জিজ্ঞাসাবাদে মানব পাচারের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন তিনি।

মেক্সিকোর অভিবাসনবিষয়ক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, জেমোরানো প্রথমে নিজেকে বেঁচে যাওয়া অভিবাসনপ্রত্যাশী হিসেবে পরিচয় দেন।

মানব পাচারের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে গ্রেপ্তার অন্যজন হলেন ক্রিসচিয়ান মারটিনেজ। তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ আনা হয়েছে।

লরিটির নিবন্ধনের ঠিকানার সঙ্গে এই দুই ব্যক্তির নাম-পরিচয়ের মিল রয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনেও মামলা হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের জাস্টিজ ডিপার্টমেন্ট জানিয়েছে, গ্রেপ্তার দুইজনের সর্বোচ্চ শাস্তি হতে পারে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড।

আবদ্ধ লরিতে অতিগরমে হিটস্ট্রোক এবং পানিশূন্যতায় অভিবাসনপ্রত্যাশীদের মৃত্যু হয় বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। যাদের পরিচয় শনাক্ত হয়েছে তাদের মধ্যে ২৭ জন মেক্সিকোর নাগরিক, ১৪ জন হন্ডুরাস , সাতজন গুয়াতেমালা ও দুইজন আল-সালভাদরের নাগরিক।

স্থানীয় সময় গত সোমবার টেক্সাসের সান আন্তোনিওতে একটি লরির ভেতর থেকে ৫৩ জনকে মৃত অবস্থায় পাওয়া গেছে। ধারণা করা হচ্ছে, মারা যাওয়া সবাই যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসনপ্রত্যাশী ছিল।

সান আন্তোনিও ডিস্ট্রিক্ট-৪ সিটি কাউন্সিলের প্রতিনিধি আদ্রিয়ানা রোচা গার্সিয়া জানিয়েছেন, পুলিশপ্রধান উইলিয়াম ম্যাকম্যানাস তাকে পরিস্থিতি সম্পর্কে অবহিত করেছেন।

রোচা গার্সিয়া আরও জানিয়েছেন, আরও ১৬ জনকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফায়ার সার্ভিস নিশ্চিত করেছে যে হাসপাতালে নেয়া ১৬ জনের মধ্যে চার শিশুও রয়েছে।

এ ছাড়া ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, লরিটিতে কোনো ধরনের শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা ছিল না। এমনকি ভেতরে খাওয়ার পানিও ছিল না।

মেথোডিস্ট হেলথ কেয়ারের একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন, সেখানে তিনজনকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তাদের অবস্থা স্থিতিশীল।

বেঁচে থাকা ব্যক্তিরা গরম, হিটস্ট্রোকে ভুগছিলেন।

সান আন্তোনিওর পুলিশপ্রধান জানিয়েছেন, এ ঘটনার তদন্ত এখন ফেডারেল এজেন্টদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে এবং তিনজনকে এরই মধ্যে হেফাজতে রাখা হয়েছে।

সান আন্তোনিও, যা যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকো সীমান্ত থেকে ২৫০ কিলোমিটার দূরে। অভিবাসীদের পাচার করার জন্য একটি প্রধান ট্রানজিট রুট। লরিটি সান আন্তোনিওর দক্ষিণ-পশ্চিমে রেললাইনের পাশেই পাওয়া যায়।

টেক্সাসের রিপাবলিকান গভর্নর গ্রেগ অ্যাবট এই মৃত্যুর জন্য প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে দায়ী করেছেন এবং এই ঘটনাকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের নেয়া অতি উন্মুক্ত সীমান্ত নীতির ফল হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

আরও পড়ুন:
যুক্তরাষ্ট্রে লরিতে ৪৬ অভিবাসীর মরদেহ

মন্তব্য

আরও পড়ুন

আন্তর্জাতিক
Biden is on vacation with his son after burning Trump

ট্রাম্পকে পুড়িয়ে ছেলেসহ অবকাশে বাইডেন

ট্রাম্পকে পুড়িয়ে ছেলেসহ অবকাশে বাইডেন স্থানীয় সময় বুধবার অবকাশে অংশ নিতে সাউথ ক্যারোলিনায় স্ত্রীসহ পৌঁছান জো বাইডেন। তাদের ছেলে হান্টার বাইডেন ও তার পরিবারও সঙ্গে ছিল। ছবি: ফক্স এইট
হান্টার বাইডেনের আর্থিক এবং বৈদেশিক বাণিজ্য নিয়ে ফেডারেল তদন্ত যখন একটি জটিল পর্যায়ে পৌঁছেছে, তখন জনমানুষের দৃষ্টি অন্যদিকে ফেরাতে এমন তল্লাশি অভিযান চালানো হয়েছে কি না তা নিয়েও সন্দেহ জেগেছে জনমনে।

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের ফ্লোরিডার বাসভবনে দেশটির কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআইয়ের অভিযান নিয়ে যখন তিনি চড়াও, তখন অবকাশে পরিবারের সঙ্গে আনন্দময় সময় কাটাচ্ছেন বর্তমান প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।

শীতকালীন বাসভবন নামে পরিচিত মার-এ-লাগোতে এফবিআইয়ের এমন অভিযান কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছেন না ট্রাম্প।

২০২৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জয়ী হয়ে ডেমোক্রেটিক পার্টির জো বাইডেনকে সমীচীন জবাব দেয়ার কথাও জানিয়েছেন এই রিপাবলিকান নেতা।

অভিযানের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশ্যালে এমন বার্তা দেন সাবেক এই প্রেসিডেন্ট।

সোমবার এফবিআই অভিযান চালাতে পারে এমন খবর পেয়ে শুক্রবার থেকেই ফ্লোরিডার বাড়ির সামনে বিক্ষোভ-প্রতিবাদ কর্মসূচিতে অংশ নেন ট্রাম্প সমর্থকরা।

ট্রাম্পকে পুড়িয়ে ছেলেসহ অবকাশে বাইডেন
অভিযানের বিরুদ্ধে সাদা-কালো ব্যাকগ্রাউন্ডে বক্তব্য রাখেন ডনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: সংগৃহীত

স্থানীয় সময় বুধবার পারিবারিক অবকাশে অংশ নিতে সাউথ ক্যারোলিনায় পৌঁছান জো বাইডেনের ছেলে হান্টার বাইডেন।

প্রেসিডেন্টের বহনকারী বিশেষ উড়োজাহাজ এয়ার ফোর্স ওয়ানে চেপে সেখানে যান বাইডেনপুত্র।

হোয়াইট হাউস ছেড়ে ট্রাম্প তার পাম বিচ এস্টেটের ওই বাসভবনে যাওয়ার সময় রাষ্ট্রীয় কোনো গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র সঙ্গে নিয়েছিলেন কি না তা জানতে ফেডারেল তদন্তের অংশ হিসেবে এই অভিযান চালানো হয়।

জুনিয়র বাইডেন, তার স্ত্রী মেলিসা কোহেন এবং তাদের ছেলে বিউ মেরিল্যান্ডের জয়েন্ট বেস অ্যান্ড্রুসে জো বাইডেনের সঙ্গে দেখা করেন এবং ছবি তোলেন। জো বাইডেন এরপর সবাইকে নিয়ে ছুটি কাটাতে সাউথ ক্যারোলিনার কিয়াওয়াহ দ্বীপে উড়াল দেন।

তাদের অবকাশে যাওয়ার দুই দিন আগে স্থানীয় সময় সোমবার এফবিআই এজেন্টরা ট্রাম্পের ফ্লোরিডার রিসোর্ট ও বাড়ি মার-এ-লাগোতে অভিযান চালান।

অ্যাটর্নি জেনারেল মেরিক গারল্যান্ডের অধীনে বিচার বিভাগ কেন অভিযানের মতো এমন কঠোর পদক্ষেপ নেবে তা নিয়ে নানা মহলে উঠেছে প্রশ্ন, জিজ্ঞাসা ও সন্দেহ।

হান্টার বাইডেনের আর্থিক এবং বৈদেশিক বাণিজ্য নিয়ে ফেডারেল তদন্ত যখন একটি জটিল পর্যায়ে পৌঁছেছে, তখন জনমানুষের দৃষ্টি অন্যদিকে ফেরাতে এমন তল্লাশি অভিযান চালানো হয়েছে কি না তা নিয়েও সন্দেহ জেগেছে জনমনে।

করসংক্রান্ত তদন্তে বাইডেনপুত্রকে অভিযুক্ত করা হবে কি না তা নিয়ে সংকটে পড়েছেন ফেডারেল কর্মকর্তারা। একটি সূত্র এমনটি জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজকে

ফেডারেল কর্মকর্তারা কর আইন লঙ্ঘন, সম্ভাব্য বিদেশি লবিং ছাড়াও আরও কিছু বিষয়ে হান্টার বাইডেনকে অভিযুক্ত করবেন কি না তা খতিয়ে দেখছেন।

ফক্স নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শীর্ষ বিচার ব্যবস্থা ফেডারেল গ্র্যান্ড জুরি হান্টার বাইডেনের ব্যবসায়িক লেনদেন বিষয়ে তদন্ত করে গত মাসের শেষ দিকে প্রতিবেদন জমা দেয়ার কথা ছিল। নির্ধারিত সময় পেরিয়ে যাওয়ার পর এ বিষয়ে বিচারক জানিয়েছেন, বাইডেনপুত্রের বিষয়ে এখনও অভিযোগ গঠন করা হয়নি।

ট্রাম্পের নিযুক্ত ডেলাওয়্যার প্রসিকিউটর ইউএস অ্যাটর্নি ডেভিড ওয়েইস তদন্তকাজটি পরিচালনা করছেন।

আরও পড়ুন:
বাড়ি তল্লাশির পাল্টা জবাব, নির্বাচনি প্রচারে ট্রাম্প!
ট্রাম্পের বাড়িতে এফবিআইয়ের তল্লাশি, প্রতিবাদে ক্ষুব্ধ সমর্থকরা
ট্রাম্পের ফ্লোরিডার বাড়িতে ‘এফবিআইয়ের তল্লাশি’

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
3 killed 39 damaged in US explosion

যুক্তরাষ্ট্রে বিস্ফোরণে নিহত ৩, ক্ষতিগ্রস্ত ৩৯ বাড়ি

যুক্তরাষ্ট্রে বিস্ফোরণে নিহত ৩, ক্ষতিগ্রস্ত ৩৯ বাড়ি ইন্ডিয়ানা অঙ্গরাজ্যের ইভান্সভিলের বিস্ফোরণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ৩৯টি বাড়ি। ছবি: এপি
ইভান্সভিল ফায়ার ডিপার্টমেন্টের প্রধান মাইক কনেলি জানিয়েছেন, দুপুর ১টার দিকে বিস্ফোরণে মোট ৩৯টি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তিনি বলেন, বিস্ফোরণের সময় কতটি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত ও বসবাসের অযোগ্য হয়ে গেছে তা বিভাগ নিশ্চিত করতে পারেনি। কারণ কিছু বাড়িতে তারা এখনও ঢুকতে পারেননি।’

যুক্তরাষ্ট্রের ইন্ডিয়ানা অঙ্গরাজ্যের ইভান্সভিল শহরে একটি বাড়িতে বিস্ফোরণে তিনজন নিহত হয়েছেন।

স্থানীয় সময় বুধবার দুপুর ১টার এই বিস্ফোরণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে আরও ৩৯টি বাড়ি।

এ ঘটনায় ইভান্সভিল ফায়ার ডিপার্টমেন্টের প্রধান মাইক কনেলি জানিয়েছেন, দুপুর ১টার দিকে বিস্ফোরণে মোট ৩৯টি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তিনি বলেন, বিস্ফোরণের সময় কতটি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত ও বসবাসের অযোগ্য হয়ে গেছে তা বিভাগ নিশ্চিত করতে পারেনি। কারণ কিছু বাড়িতে তারা এখনও ঢুকতে পারেননি।’

ক্ষতিগ্রস্ত ৩৯টি বাড়ির মধ্যে কমপক্ষে ১১টি বসবাসের অযোগ্য হয়ে গেছে, কনেলি স্থানীয় ইভান্সভিল কুরিয়ার অ্যান্ড প্রেসকে এমনটি জানিয়েছেন।

বিস্ফোরণের কারণ এখনও জানা যায়নি। তবে অ্যালকোহল, তামাক, আগ্নেয়াস্ত্র এবং বিস্ফোরকবিষয়ক ব্যুরো তদন্তকাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

বিস্ফোরণের ফলে ভবনের ধ্বংসাবশেষ ১০০ ফুট ব্যাসার্ধে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পড়ে।

ইভান্সভিল পুলিশ বিভাগের মুখপাত্র সার্জেন্ট আনা গ্রে বলেন, অন্তত একজন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে এবং তাকে চিকিৎসার জন্য স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন:
উত্তরায় গ্যারেজে বিস্ফোরণে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৭

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Trump did not open his mouth to the investigators

তদন্তকারীদের কাছে মুখ খোলেননি ট্রাম্প

তদন্তকারীদের কাছে মুখ খোলেননি ট্রাম্প নিজের বিরুদ্ধে তদন্ত চললেও আসন্ন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে লড়বেন ট্রাম্প। ছবি: সংগৃহীত
ম্যানহাটনে পৌঁছানোর এক ঘণ্টা পরই অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ে উপস্থিত হলেও কোনো প্রশ্নের উত্তর দেননি ডনাল্ড ট্রাম্প। আইনি বিশ্লেষকরা বলছেন, ট্রাম্প বুধবার প্রশ্নগুলোর উত্তর দিতে অস্বীকার করেছেন, কারণ তার দেয়া উত্তরগুলো সেই অপরাধ তদন্তে তার বিরুদ্ধেই ব্যবহার করা হতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প তার পরিবারের ব্যাবসায়িক কোনো প্রশ্নের উত্তর নিউ ইয়র্ক রাজ্যের তদন্তকারীদের দিতে অস্বীকার করেছেন।

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাজ্যের কর্মকর্তারা বলছেন, লোন ও ট্যাক্সের ছাড়ের বিষয়ে এবং নিজের সম্পদের বিষয়ে ট্রাম্প কর্তৃপক্ষকে বিভ্রান্ত করেছেন।

তবে ট্রাম্প বুধবার অ্যাটর্নি জেনারেল লেটিশিয়া জেমসের কার্যালয়ে সাক্ষাৎকারটি ব্লক করার জন্য মামলা করেছিলেন এবং তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

ম্যানহাটনে পৌঁছানোর এক ঘণ্টা পরই অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ে উপস্থিত হলেও কোনো প্রশ্নের উত্তর দেননি তিনি।

তিনি বলেছেন, ‘আমি যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের অধীনে প্রতিটি নাগরিকের প্রদত্ত অধিকার এবং সুযোগ-সুবিধাগুলোর অধীনে প্রশ্নের উত্তর দিতে অস্বীকার করেছি।’

জেমসের কার্যালয় থেকে ট্রাম্পের সাক্ষাৎকারটি নেয়া হয়েছিল। কিন্তু ট্রাম্প পঞ্চম সংশোধনীর কথা বলে কোনো প্রশ্নের জবাব দেননি।

অ্যাটর্নি জেনারেলের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘অ্যাটর্নি জেনারেল সত্য ও আইনের অনুসরণ করবেন।’

একই সঙ্গে জানানো হয়েছে, ট্রাম্পের বিরুদ্ধে তদন্ত অব্যাহত থাকবে।

আইনি বিশ্লেষকরা বলছেন, ট্রাম্প বুধবার প্রশ্নগুলোর উত্তর দিতে অস্বীকার করেছেন, কারণ তার দেয়া উত্তরগুলো সেই অপরাধ তদন্তে তার বিরুদ্ধেই ব্যবহার করা হতে পারে।

তবে পঞ্চম সংশোধনী একজন নাগরিককে ফৌজদারি মামলায় নিজের বিরুদ্ধে সাক্ষী হতে বাধ্য করা থেকে রক্ষা করে।

এর আগে নিজের সোশ্যাল মিডিয়া সাইট-ট্রুথ সোশ্যালে এক পোস্টে ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, নিউ ইয়র্কের অ্যাটর্নি জেনারেল লেটিশিয়া জেমসের সঙ্গে বুধবার দেখা করতে যাচ্ছেন তিনি।

জেমস সাবেক রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এবং তার প্রতিষ্ঠানের সম্পদের মূল্য ভুলভাবে বর্ণনা করেছে কি না, তা তদন্ত করছেন।

জেমসের কার্যালয় জানুয়ারিতেও ট্রাম্পকে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডেকেছিল।

এফবিআই এজেন্টরা মঙ্গলবার ফ্লোরিডায় ট্রাম্পের মার-এ-লাগো এস্টেটে অভিযান চালায়। এরপর ট্রাম্পের অসংখ্য আইনি জটিলতাগুলো আবার লাইমলাইটে চলে আসে।

এফবিআইয়ের দাবি, ২০২১ সালে হোয়াইট হাউস ছাড়ার সময় গোপনীয় কিছু তথ্য সঙ্গে করে নিয়ে গিয়েছিলেন ট্রাম্প।

পর্যবেক্ষকরা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ সাবেক প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে ফৌজদারি অভিযোগের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে, এমন ধারণাই এখন স্পষ্ট।

চলতি বছরের মে মাসে অ্যাটর্নি জেনারেলের তদন্ত রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত জানিয়ে তদন্ত শেষ করতে ট্রাম্পের একটি মামলা খারিজ করেছিলেন এক বিচারক।

জেমস একজন ডেমোক্র্যাট, সোচ্চার ট্রাম্প সমালোচক। আদালতের ফাইলিংয়ে তিনি জানিয়েছেন, তার অফিস ট্রাম্পের বিরুদ্ধে উল্লেখযোগ্য প্রমাণ পেয়েছে।

ট্রাম্পের কোম্পানি ‘লোন, বিমা কভারেজ এবং ট্যাক্সসহ প্রচুর অর্থনৈতিক সুবিধা পাওয়ার জন্য সম্পদের বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়েছেন। তাই তদন্তের মাধ্যমে জড়িত পক্ষের বিরুদ্ধে মামলাসহ আইনি ব্যবস্থা নেয়া যেতে পারে।

এর আগে ট্রাম্পের ছেলে ডনাল্ড জুনিয়র এবং ইভাঙ্কাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল। ট্রাম্পের সাক্ষ্য ম্যানহাটন জেলা অ্যাটর্নি অফিস ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এই অফিসও ট্রাম্প অর্গানাইজেশনের ব্যাবসায়িক লেনদেনের বিষয়টি খতিয়ে দেখছে।

ম্যানহাটন ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির তদন্তে ট্রাম্প অর্গানাইজেশন এবং ফিন্যান্স চিফ অ্যালেন ওয়েইসেলবার্গের বিরুদ্ধে কর জালিয়াতির অভিযোগ আছে।

আরও পড়ুন:
ভারি বৃষ্টিতে যুক্তরাষ্ট্রে বাতিল ৯১২ ফ্লাইট
নিউ মেক্সিকোতে ৪ মুসলিম হত্যায় সন্দেহের কেন্দ্রে রুপালি ভক্সওয়াগন
ফিলিপাইন চীনের ধাওয়া খেলে ‘বাঁচাবে’ যুক্তরাষ্ট্র
চীন সীমান্তে ভারতের সঙ্গে সামরিক মহড়ায় যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র
যুক্তরাষ্ট্রের ফোন ‘ধরছে না’ চীন

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Trump is questioned under oath

শপথ পড়িয়ে ট্রাম্পকে জিজ্ঞাসাবাদ  

শপথ পড়িয়ে ট্রাম্পকে জিজ্ঞাসাবাদ   যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: সংগৃহীত
ট্রাম্পের প্রতিষ্ঠানের সম্পদ মূল্যায়নে ঋণদাতা এবং কর কর্তৃপক্ষকে বিভ্রান্ত করা হয়েছে কি না তা খতিয়ে দেখছে নিউ ইয়র্কের তদন্ত দল। 

নিজের ব্যবসায়িক লেনদেনের বিষয়ে নিউ ইয়র্ক স্টেটের নাগরিক তদন্তের অংশ হিসেবে শপথ নিয়ে সাক্ষ্য দেবেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। তার প্রতিষ্ঠানের সম্পদ মূল্যায়নে ঋণদাতা এবং কর কর্তৃপক্ষকে বিভ্রান্ত করা হয়েছে কি না তা খতিয়ে দেখছে নিউ ইয়র্কের তদন্ত দল।

নিজের সোশ্যাল মিডিয়া সাইট-ট্রুথ সোশ্যালে এক পোস্টে ট্রাম্প জানান, নিউ ইয়র্কের অ্যাটর্নি জেনারেল লেটিশিয়া জেমসের সঙ্গে বুধবার দেখা করবেন তিনি।

জেমস সাবেক রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এবং তার প্রতিষ্ঠানের সম্পদের মূল্য ভুলভাবে বর্ণনা করেছে কি না, তা তদন্ত করছেন। জেমসের কার্যালয় জানুয়ারিতেও ট্রাম্পকে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডেকেছিল।

এফবিআই এজেন্টরা মঙ্গলবার ফ্লোরিডায় ট্রাম্পের মার-এ-লাগো এস্টেটে অভিযান চালায়। এরপর ট্রাম্পের অসংখ্য আইনি জটিলতাগুলো আবার লাইমলাইটে চলে আসে। এদিন ট্রুথ সোশ্যালে প্রায় চার মিনিটের একটি ভিডিও ক্লিপে বর্তমান প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ও তার প্রশাসনকে একহাত নেন খ্যাপাটে ট্রাম্প। আভাস দেন আগাম নির্বাচনে প্রতিযোগিতার।

এফবিআইয়ের দাবি, ২০২১ সালে হোয়াইট হাউস ছাড়ার সময় গোপনীয় কিছু তথ্য সঙ্গে করে নিয়ে গিয়েছিলেন ট্রাম্প। পর্যবেক্ষকরা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে ফৌজদারি অভিযোগের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে, এমন ধারণাই এখন স্পষ্ট।

ট্রাম্প জানান, আজ রাতে নিউ ইয়র্ক সিটিতে আছি। যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসের সর্বশ্রেষ্ঠ উইচ হান্টের ধারাবাহিকতার কারণে আগামীকাল বর্ণবাদী এনওয়াইএস অ্যাটর্নি জেনারেলের সঙ্গে দেখা হচ্ছে!

‘আমার বিশাল কোম্পানি এবং আমাকে চারদিক থেকে আক্রমণ করা হচ্ছে।’

চলতি বছরের মে মাসে অ্যাটর্নি জেনারেলের তদন্ত রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত জানিয়ে তদন্ত শেষ করতে ট্রাম্পের একটি মামলা খারিজ করেছিলেন এক বিচারক।

জেমস একজন ডেমোক্র্যাট, সোচ্চার ট্রাম্প সমালোচক। আদালতের ফাইলিংয়ে তিনি জানিয়েছেন, তার অফিস ট্রাম্পের বিরুদ্ধে উল্লেখযোগ্য প্রমাণ পেয়েছে। ট্রাম্পের কোম্পানি ‘লোন, বিমা কভারেজ এবং ট্যাক্সসহ প্রচুর অর্থনৈতিক সুবিধা পাওয়ার জন্য সম্পদের বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়েছেন। তাই তদন্তের মাধ্যমে জড়িত পক্ষের বিরুদ্ধে মামলাসহ আইনি ব্যবস্থা নেয়া যেতে পারে।

এর আগে ট্রাম্পের ছেলে ডনাল্ড জুনিয়র এবং ইভাঙ্কাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল। ট্রাম্পের সাক্ষ্য ম্যানহাটন জেলা অ্যাটর্নি অফিস ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই অফিসও ট্রাম্প অর্গানাইজেশনের ব্যবসায়িক লেনদেনের বিষয়টি খতিয়ে দেখছে।

ম্যানহাটন ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির তদন্তে ট্রাম্প অর্গানাইজেশন এবং ফিন্যান্স চিফ অ্যালেন ওয়েইসেলবার্গের বিরুদ্ধে কর জালিয়াতির অভিযোগ আছে। তবে তিন বছর ধরে চলা তদন্তটি যখন ট্রাম্পের বিরুদ্ধে অভিযোগের দিকে মনোযোগী বলে মনে হচ্ছিল, তখন (জানুয়ারিতে) নতুন অ্যাটর্নি অ্যালভিন ব্র্যাগ দায়িত্ব নেন। এরপর তদন্তের গতি মূলত স্থবির হয়ে পড়ে।

তদন্তের একজন সাবেক প্রসিকিউটর তখন থেকে বলে আসছেন যে ব্র্যাগের ধারণা তারা যে প্রমাণ সংগ্রহ করেছিলেন, তার ভিত্তিতে সাবেক প্রেসিডেন্টকে অভিযুক্ত করা খুবই ঝুঁকিপূর্ণ।

এফবিআই এবং নিউ ইয়র্কে তদন্তের বাইরে জর্জিয়ায় ট্রাম্পের বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে। ২০২০ সালের নির্বাচনে হারের পর রাজ্যের অ্যাটর্নি জেনারেলকে ভোটের জন্য চাপ দেয়ার ঘটনাটি নির্বাচনি জালিয়াতি বা অন্য কোনো অপরাধে পড়েছে কি না তা তদন্ত হচ্ছে জর্জিয়ায়।

এ ছাড়া ট্রাম্প এলি ম্যাগাজিনের সাবেক লেখক ই জিন ক্যারলের করা মানহানির মামলারও মুখোমুখি হয়েছেন। ১৯৯০-এর দশকে নিউ ইয়র্ক সিটির একটি ডিপার্টমেন্ট স্টোরে ক্যারলকে ট্রাম্প ধর্ষণ করেছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

শুধু যে রাজ্যে রাজ্যে তদন্ত হচ্ছে তা না, কংগ্রেসের একটি প্যানেল গত বছরের ৬ জানুয়ারি ক্যাপিটল হিলে হামলার ঘটনায় ট্রাম্পের ভূমিকা খতিয়ে দেখছে।

আরও পড়ুন:
ক্যাপিটল হিলে দাঙ্গা: ‘অভ্যুত্থানচেষ্টা করেছিলেন ট্রাম্প’
ইউক্রেনকে সহায়তার আগে নিজেদের স্কুলের নিরাপত্তা দরকার: ট্রাম্প
মেক্সিকোতে হামলা চালাতে চেয়েছিলেন ট্রাম্প
অভিমানী ট্রাম্প ফিরবেন না টুইটারে
ন্যাটো-যুক্তরাষ্ট্র বেকুব, পুতিন স্মার্ট: ট্রাম্প

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Shia hatred is the reason behind the killing of 4 Muslims in the United States

যুক্তরাষ্ট্রে ৪ মুসলিম হত্যার কারণ ‘শিয়া বিদ্বেষ’

 যুক্তরাষ্ট্রে ৪ মুসলিম হত্যার কারণ ‘শিয়া বিদ্বেষ’ ৪ মুসলিম হত্যায় অভিযুক্ত মুহাম্মদ সাইদ। ছবি: সংগৃহীত
অভিযুক্ত মুহাম্মদ সাইদ একজন সুন্নি মুসলিম। তিনি পুলিশকে বলেছেন, তিনি আশঙ্কা করছিলেন তার মেয়ে শিয়া কোনো মুসলিমকে বিয়ে করতে পারে। তবে পুলিশ বলছে, এটিই সত্যিকার কারণ কি না তা স্পষ্ট নয়।

যুক্তরাষ্ট্রের নিউ মেক্সিকোতে ৪ মুসলিম হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহভাজন একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পুলিশের হাতে আটক ৫১ বছর বয়সী মুহাম্মদ সাইদের বিরুদ্ধে ২ জন মুসলিমকে হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে।

পুলিশ বলছে, অন্য ২ হত্যাকাণ্ডেও সাইদের সম্পৃক্ততার অভিযোগ আনতে কাজ করছে তারা।

অভিযুক্তের বাড়ি থেকে বেশ কয়েকটি আগ্নেয়াস্ত্রও উদ্ধার করেছে পুলিশ।

এর আগে ৪ মুসলিমের হত্যাকে বিদ্বেষপ্রসূত হামলা হিসেবে ধারণা করা হয়েছিল। এমনকি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ও ভাইস প্রেসিডেন্ট কামালা হ্যারিসও এই হামলার নিন্দা জানানোর সময় একে বিদ্বেষপ্রসূত হামলার কথাই বলেন।

 যুক্তরাষ্ট্রে ৪ মুসলিম হত্যার কারণ ‘শিয়া বিদ্বেষ’
যেই ভক্সওয়াগন গাড়ির সূত্র ধরে গ্রেপ্তার করা হয় অভিযুক্ত মোহাম্মদ সাইদকে

যদিও পুলিশ একে বিদ্বেষমূলক হামলা বলেনি।

আল বুকার্ক পুলিশপ্রধান হ্যারল্ড মেডিনা মঙ্গলবার বলেছেন, হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে তারা আগেই একটি গাড়ি শনাক্ত করেছিল। রুপালি রঙের সেই ভক্সওয়াগন গাড়িটি সম্পর্কে তথ্য দিতে শহরবাসীর প্রতি আহ্বানও জানায় পুলিশ।

 যুক্তরাষ্ট্রে ৪ মুসলিম হত্যার কারণ ‘শিয়া বিদ্বেষ’
বাম থেকে হত্যার শিকারঃ মোহাম্মদ আহমাদি, আফজাল হুসেন ও আফতাব হুসেন

তদন্তকারীরা বলছেন, সম্ভবত ব্যক্তিগত দ্বন্দ্বের কারণেই হত্যাগুলো ঘটেছে। সন্দেহভাজন আফগান নাগরিক কয়েক বছর আগে যুক্তরাষ্ট্রে এসেছেন।

পুলিশ বলছে, অভিযুক্ত মুহাম্মদ সাইদ একজন সুন্নি মুসলিম। তিনি পুলিশকে বলেছেন, তিনি আশঙ্কা করছিলেন তার মেয়ে শিয়া কোনো মুসলিমকে বিয়ে করতে পারে।

তবে পুলিশ বলছে, এটিই সত্যিকার কারণ কি না তা স্পষ্ট নয়। আরো অন্য কোনো কারণ রয়েছে কি না তা খতিয়ে দেখবে পুলিশ।

গত ৯ মাসে এই হত্যার ঘটনাগুলো ঘটেছে। তবে দুই সপ্তাহের ব্যবধানে মারা গেছেন ৩ পাকিস্তানি। যারা একই মসজিদে জমায়েত হতেন। তাদের কোনো সতর্কতা ছাড়াই হত্যা করা হয়।

অন্য আফগান ব্যক্তি মোহাম্মদ আহমাদিকে গত নভেম্বরে হত্যা করা হয়।

তবে হত্যাকাণ্ডগুলো কী একই ভাবে করা হয়েছে কি না তা জানায়নি আল বুকার্ক পুলিশ।

আরও পড়ুন:
নিউ মেক্সিকোতে ৪ মুসলিম হত্যায় সন্দেহের কেন্দ্রে রুপালি ভক্সওয়াগন
ফিলিপাইন চীনের ধাওয়া খেলে ‘বাঁচাবে’ যুক্তরাষ্ট্র
চীন সীমান্তে ভারতের সঙ্গে সামরিক মহড়ায় যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র
যুক্তরাষ্ট্রের ফোন ‘ধরছে না’ চীন
আগুন নেভাতে গিয়ে দেখলেন মৃতদের সবাই পরিবারের

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
US invests 28 billion to counter China in technology

প্রযুক্তিতে চীনকে মোকাবিলায় ২৮ হাজার কোটি ডলার বিনিয়োগ যুক্তরাষ্ট্রের

প্রযুক্তিতে চীনকে মোকাবিলায় ২৮ হাজার কোটি ডলার বিনিয়োগ যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তি খাতে বিপুল বিনিয়োগ নিশ্চিতের আইনে যুক্তরাষ্ট্রে কম্পিউটার চিপ উৎপাদন কারখানা নির্মাণকারী কোম্পানিগুলোর করে ছাড় দেয়ার কথা বলা হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত
চীনের ওপর নির্ভরশীলতা কমানোর অংশ হিসেবে আরও সমর্থন দিতে যুক্তরাষ্ট্র সরকারকে দীর্ঘদিন ধরে চাপ দিয়ে আসছিল বিভিন্ন শিল্পগোষ্ঠী। মাইক্রোচিপের বৈশ্বিক স্বল্পতা তাদের এ আহ্বানকে আরও জোরালো করে।

অত্যাধুনিক প্রযুক্তি পণ্য উৎপাদন ও বৈজ্ঞানিক গবেষণায় ২৮ হাজার কোটি ডলার বরাদ্দের প্রতিশ্রুতি দেয়া একটি আইনে সই করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।

প্রযুক্তি খাতে চীনের এগিয়ে যাওয়ার শঙ্কার মধ্যে স্থানীয় সময় মঙ্গলবার আইনটিতে সই করেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট।

প্রযুক্তি খাতে বিপুল বিনিয়োগ নিশ্চিতের এ আইনে যুক্তরাষ্ট্রে কম্পিউটার চিপ উৎপাদন কারখানা নির্মাণকারী কোম্পানিগুলোর করে ছাড় দেয়ার কথা বলা হয়েছে।

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, চীনের ওপর নির্ভরশীলতা কমানোর অংশ হিসেবে আরও সমর্থন দিতে যুক্তরাষ্ট্র সরকারকে দীর্ঘদিন ধরে চাপ দিয়ে আসছিল বিভিন্ন শিল্পগোষ্ঠী। মাইক্রোচিপের বৈশ্বিক স্বল্পতা তাদের এ আহ্বানকে আরও জোরালো করে।

আইনটির বিষয়ে ডেমোক্রেটিক পার্টির বর্ষীয়ান রাজনীতিক ও যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসের উচ্চকক্ষ সিনেটের সংখ্যাগরিষ্ঠ নেতা চাক শুমার বলেন, এটি পটপরিবর্তন করে দেবে, যা আগামী শতকে আমেরিকার নেতৃত্ব ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করবে।

প্রযুক্তি খাতে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় প্রতিদ্বন্দ্বী চীনের কথা উল্লেখ না করে শুমার বলেন, ‘আমাদের পিছিয়ে পড়তে দেখে কর্তৃত্ববাদীরা উল্লসিত ছিল এবং ভেবেছিল আমরা নির্বিকার বসে থাকব। চিপস অ্যান্ড সায়েন্স অ্যাক্ট পাসের মধ্য দিয়ে আমরা আরেকটি মহান আমেরিকান শতক নিশ্চিতের বিষয়টি খোলাসা করে দিচ্ছি।’

যুক্তরাষ্ট্র বর্তমানে বিশ্বের মোট সেমিকনডাক্টরের ১০ শতাংশের মতো জোগান দেয়। গাড়ি থেকে মোবাইল ফোনের মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ এই সেমিকনডাক্টর। ১৯৯০ সালে সেমিকনডাক্টরের বৈশ্বিক জোগানের প্রায় ৪০ শতাংশ দিত যুক্তরাষ্ট্র।

এ খাতে হারানো প্রভাব ফিরিয়ে আনতেই বিপুল পরিমাণ বিনিয়োগের পথ তৈরি করল বাইডেনের নেতৃত্বাধীন প্রশাসন।

আইনটিতে সমর্থন দিয়েছে বিরোধী রিপাবলিকান পার্টিও।

আরও পড়ুন:
যুক্তরাষ্ট্রের ফোন ‘ধরছে না’ চীন
উত্তেজনা বাড়িয়ে তাইওয়ানে শান্তি চাইলেন পেলোসি
চীনকে মোকাবিলায় ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন তাইওয়ানের
তাইওয়ান প্রণালিতে যাবে যুক্তরাষ্ট্রের রণতরি
তাইওয়ানে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল চীন

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Trumps response to house searches in the election campaign

বাড়ি তল্লাশির পাল্টা জবাব, নির্বাচনি প্রচারে ট্রাম্প!

বাড়ি তল্লাশির পাল্টা জবাব, নির্বাচনি প্রচারে ট্রাম্প! সাদা-কালো ব্যাকগ্রাউন্ডে বক্তব্য রাখেন ট্রাম্প। ছবি: সংগৃহীত
ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা এমন একটি জাতি যারা গত দুই বছরে সারা বিশ্বে নিজেদের সম্মান খুইয়েছি। আমেরিকা বিভিন্ন কারণে এখন হাসির পাত্র হয়ে গেছে। তবে পরিশ্রমী দেশপ্রেমিকরা আমেরিকাকে রক্ষা করবে।’

বাসভবনে এফবিআইয়ের অভিযান কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছেন না যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। ২০২৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জয়ী হয়ে জবাব দিতে চাইছেন তিনি। তাই তো অভিযানের কয়েক ঘণ্টা মধ্যেই, নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশ্যালে নির্বাচনি প্রচারের আদলে একটি ভিডিও প্রকাশ করেন এ রিপাবলিকান।

ফক্স নিউজের খবরে বলা হয়, তিন মিনিট ৫০ সেকেন্ডের ভিডিওটি ফ্লোরিডার পাম বিচের বাড়িতে ফেডারেল এজেন্টদের অভিযানের প্রতিক্রিয়ায় আপলোড করা হয়। একাধিক সূত্রের বরাতে ফক্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রেসিডেন্টের মেয়াদ শেষে ট্রাম্প তার ব্যক্তিগত বাসভবনে যে সামগ্রী নিয়ে এসেছেন, অভিযান সেসবের সঙ্গে সম্পর্কিত।

বিষয়টি খতিয়ে দেখতে ন্যাশনাল আর্কাইভস অ্যান্ড রেকর্ডস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন বিচার বিভাগের হস্তক্ষেপ চেয়েছিল। অভিযানে ট্রাম্পের ব্যক্তিগত বাসভবন থেকে অন্তত ১৫ বাক্সে গোপনীয় তথ্য-সামগ্রী মিলেছে বলে জানিয়েছে এফবিআই।

ভিডিওর শুরুতে আমেরিকাকে ‘পতনশীল জাতি’ বলে বর্ণনা করেন ট্রাম্প। আফগানিস্তান থেকে সেনা প্রত্যাহার থেকে শুরু করে আকাশছোঁয়া জ্বালানির দাম, এমন অনেক বিষয় নিয়ে কথা বলেন ট্রাম্প।

তিনি বলেন, ‘আমরা এমন একটি জাতি যারা রাশিয়াকে একটি দেশ (ইউক্রেন) ধ্বংস করার অনুমতি দিয়েছি। তারা সেখানে কয়েক হাজার মানুষকে হত্যা করছে। পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে।

‘আমরা এমন একটি জাতি যারা বিরোধী রাজনৈতিক দলের বিরুদ্ধে আইন প্রয়োগকারীদের লেলিয়ে দিয়েছি, যা আগে কখনও হয়নি।’

নিজের আমেরিকান ফার্স্ট নীতি থেকে নিজেকে দূরে রাখার জন্য বর্তমান প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের পরোক্ষ সমালোচনা করেন ট্রাম্প।

তিনি বলেন, ‘আমরা এমন একটি জাতি যারা ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরিতে এবং যুক্তরাষ্ট্র থেকে নেয়া ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন ডলার ব্যবহারে চীনকে অনুমতি দিচ্ছি। এই অর্থ দিয়ে তারা (চীন) সামরিক শক্তি বাড়াচ্ছে।

দুঃখ প্রকাশ করে ট্রাম্প আরও বলেন, ‘আমরা এমন একটি জাতি যারা গত দুই বছরে সারা বিশ্বে নিজেদের সম্মান খুইয়েছি। আমেরিকা বিভিন্ন কারণে এখন হাসির পাত্র হয়ে গেছে। তবে পরিশ্রমী দেশপ্রেমিকরা আমেরিকাকে রক্ষা করবে।

‘এমন কোনো পর্বত নেই যেখানে আমরা আরোহণ করতে পারি না। এমন কোনো চূড়া নেই যেখানে আমরা পৌঁছাতে পারি না। এমন কোনো চ্যালেঞ্জ নেই যা আমরা মোকাবিলা করতে পারি না। আমরা মচকাব না, ভাঙবও না।

‘আমরা যে অত্যাচারীদের বিরুদ্ধে লড়াই করছি, তাদের পরাজয় নিশ্চিত। কারণ আমেরিকানরা ঈশ্বর কেবল ঈশ্বরের কাছেই নতজানু হয়। আমাদের এই মহানুভবতা আবার শুরু করার সময় এসেছে।’

ভিডিওটি একটি উদ্ধৃতি পড়ার মাধ্যমে শেষ হয়। ট্রাম্প বলেন, ‘সেরাটা এখনও আসতে বাকি।’

আরও পড়ুন:
ইউক্রেনকে সহায়তার আগে নিজেদের স্কুলের নিরাপত্তা দরকার: ট্রাম্প
মেক্সিকোতে হামলা চালাতে চেয়েছিলেন ট্রাম্প
অভিমানী ট্রাম্প ফিরবেন না টুইটারে
ন্যাটো-যুক্তরাষ্ট্র বেকুব, পুতিন স্মার্ট: ট্রাম্প
ফেসবুক-টুইটারকে দমাতে এলো ট্রাম্পের ‘ট্রুথ সোশ্যাল’

মন্তব্য

p
উপরে