× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

আন্তর্জাতিক
Mother Anganwari worker sons job worth two crore rupees
hear-news
player
print-icon

মা ‘অঙ্গনওয়াড়ি’ কর্মী, ছেলের দুই কোটি টাকার চাকরি

মা-অঙ্গনওয়াড়ি-কর্মী-ছেলের-দুই-কোটি-টাকার-চাকরি
গুগল ও ফেসবুকে চাকরির প্রস্তাব পেয়েছেন বিশাখ মণ্ডল। ছবি: সংগৃহীত
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশলে স্নাতক বিশাখ মণ্ডলের সাফল্যে খুশি মা শিবানী দেবী। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ-উপাচার্য চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য বিশাখের এই সাফল্য নিয়ে বলেন, ‘এটা আমাদের গর্বের মুহূর্ত। বিশাখ আমাদের মুখ উজ্জ্বল করেছে। আমাদের ছাত্র-ছাত্রীরা যে সেরা এবং আইআইটির থেকে পিছিয়ে নেই, এটা তারই প্রমাণ।’

মা গ্রামীণ শিশু যত্ন কেন্দ্র অঙ্গনওয়াড়ির কর্মী, বাবা কৃষক অথচ ছেলে বিশাখ মণ্ডল গুগল ও ফেসবুকে বার্ষিক দুই কোটি টাকা বেতনের চাকরির প্রস্তাব পেয়েছেন। সব ঠিক থাকলে আগামী সেপ্টেম্বরে লন্ডনে কাজে যোগ দেবেন তিনি।

যদিও ভারতের যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশলে স্নাতক এই যুবক এখনও সিদ্ধান্ত নেননি কোন প্রতিষ্ঠানে চাকরি নেবেন।

ছেলের এই কৃতিত্বে খুশি মা শিবানী দেবী। তিনি বলেন, ‘আমরা দিদির (মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়) কাছেও কৃতজ্ঞ। কারণ ছেলে যদি বিবেকানন্দ স্কলারশিপ না পেত, তাহলে ওকে কলকাতায় রেখে পড়াতে পারতেন না।’

তিনি আরও বলেন, 'ছেলেবেলা থেকে জানতাম, ছেলের মধ্যে একটা আলো আছে। তা নিয়ে অনেকের সঙ্গে আমার বিবাদ হয়েছে। কিন্তু ছেলের কোনো অসুবিধে হতে দিইনি।‘

বিশাখ বলেন, ‘ছেলেবেলা থেকে দেখছি, মা কত কষ্ট করছেন। তাও আমাকে কখনও বলেননি বড় চাকরি পেতে হবে। সব সময় বলেছেন বড় মানুষ হতে হবে। সেটাই আমার লক্ষ্য।’

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ-উপাচার্য চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য বিশাখের এই সাফল্য নিয়ে বলেন, ‘এটা আমাদের গর্বের মুহূর্ত। বিশাখ আমাদের মুখ উজ্জ্বল করেছে। আমাদের ছাত্র-ছাত্রীরা যে সেরা এবং আইআইটির থেকে পিছিয়ে নেই, এটা তারই প্রমাণ।’

আরও পড়ুন:
ভারতে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিরোধী জোটের প্রার্থী যশবন্ত সিনহা
পুলিশের কাছে ৪ সপ্তাহ সময় চাইলেন নূপুর শর্মা
ভারতে বুলডোজার দিয়ে মুসলিমদের বাড়ি গুঁড়িয়ে দেয়ার অভিযোগ
ভারতে পাঠ্যবই থেকে মোগল ইতিহাস-গুজরাট দাঙ্গা উধাও
ভারত সফরে অর্থনৈতিক কূটনীতিতে জোর মোমেনের

মন্তব্য

আরও পড়ুন

আন্তর্জাতিক
Supporters will be on the streets on game days

‘খেলা হবে’ দিবসে রাস্তায় সমর্থকরা

‘খেলা হবে’ দিবসে রাস্তায় সমর্থকরা পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ছবি: সংগৃহীত
জেলায় জেলায় চোর ধরো, জেলে ভরো কর্মসূচিতে পথে নেমেছে সিপিএম, বিজেপি। বিজেপির সর্বভারতীয় সহসভাপতি দিলীপ ঘোষ তৃণমূলের দিবসটিকে কটাক্ষ করে মঙ্গলবার বলেন, আমরাও দেখব, কী খেলা হয়। খেলা তো শুরু হয়ে গিয়েছে। দুটো গোল খেয়েছে । তিন নম্বর হলেই চিৎ।’

ভারতের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে ‘খেলা হবে’ দিবসে রাজ্যজুড়ে রাস্তায় নেমে ইডি সিবিআইয়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ালেন তৃণমূল সমর্থকরা।

সারদা আর্থিক কেলেঙ্কারিতে অভিযুক্ত বিরোধী দলনেতা বিজেপির শুভেন্দু অধিকারীর মুখোশ পরা একজন লোকের কোমরে দড়ি বেঁধে মিছিলে ঘোরানো হয়। গায়ে লেখা আমি চোর। মিছিল থেকে প্রশ্ন তোলা হয়, শুভেন্দু অধিকারীকে ছাড় দেয়া হচ্ছে কেন?

মঙ্গলবার সকালে তৃণমূলের খেলা হবে দিবসে টুইট করে রাজ্যবাসীকে শুভেচ্ছা জানান তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি টুইটে লিখেছেন, ‘সবাইকে খেলা হবে দিবসের শুভেচ্ছা। গতবার এই দিনটি সাফল্যের সঙ্গে উদযাপিত হয়েছে। এ বছর আরও বেশি যুবক-যুবতী এতে অংশগ্রহণ করুক।’

২০২১ বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের খেলা হবে স্লোগানটি ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করে। রাজ্যে তৃতীয়বার সরকার গঠনের পর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় খেলা হবে স্লোগানটিকে চিরস্থায়ী করতে প্রতি বছর ১৬ আগস্ট খেলা হবে দিবস হিসেবে পালন করার কথা ঘোষণা করেন।

স্কুলশিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় রাজ্যের সাবেক শিক্ষামন্ত্রী, তৃণমূল কংগ্রেসের মহাসচিব ইডির হাতে গ্রেপ্তার হলে দল কারও পাপের দায় নেবে না বলে দলীয় ও প্রশাসনিক সব পদ থেকে পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে সরিয়ে দেয়া হয়। বর্তমানে ইডি হেফাজতে রয়েছেন তিনি।

এর মধ্যে আবার গরু পাচার মামলায় বীরভূমের প্রতাপশালী তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডল ওরফে কেষ্ট মণ্ডলকে গ্রেপ্তার করে সিবিআই। দুর্নীতি ইস্যুতে তৃণমূল কংগ্রেস কার্যত চাপের মুখে পড়ে যায়। তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের মনোবল ধাক্কা খায়।

এই পরিস্থিতিতে শনিবার বেহালার একটি দলীয় অনুষ্ঠানে গিয়ে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘১৬ আগস্ট থেকে আন্দোলন আবার শুরু হবে । খেলা হবে দিবসে মিটিং মিছিল, প্রতিবাদ, প্রতিরোধ, কাজকর্মও করবেন। রাস্তায় নামতে হবে । রাস্তাই আমাদের রাস্তা দেখাবে। সেই যুদ্ধটা হবে, খেলা দিবস থেকে । খেলা হবে। সকলে খেলা দিবসে অংশগ্রহণ করবেন। একটু খেলাধুলা করবেন । খেলতে খেলতে রাস্তায় মিছিল করুন না, ভালো লাগবে।’

অন্যদিকে জেলায় জেলায় চোর ধরো, জেলে ভরো কর্মসূচিতে পথে নেমেছে সিপিএম, বিজেপি।

বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষ তৃণমূলের দিবসটিকে কটাক্ষ করে মঙ্গলবার বলেন, ‘আমরাও দেখব, কী খেলা হয়। খেলা তো শুরু হয়ে গিয়েছে। দুটো গোল খেয়েছে । তিন নম্বর হলেই চিৎ।’

এ দিন খেলা হবে দিবসের মূল অনুষ্ঠানটি হয় কলকাতার নেতাজি ইনডোর স্টেডিয়ামে । অনুষ্ঠানে কমনওয়েলথ গেমসে স্বর্ণপদক জয়ী অচিন্ত্য শিউলি ও ব্রোঞ্জ পদকজয়ী সৌরভ ঘোষালকে বিশেষ সম্মান জানানো হয়।

কয়েকদিন আগে কয়েক হাজার কোটি টাকার সারদা চিটফান্ড কেলেঙ্কারির মূল হোতা সুদীপ্ত সেন সংবাদমাধ্যমের কাছে অভিযোগ তোলেন, বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ব্ল্যাকমেইল করে তার কাছ থেকে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। এ বিষয়ে তিনি চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এবং হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতিকে চিঠি লিখে বিস্তারিত জানিয়েছেন।

আর সুদীপ্ত সেনের এই অভিযোগকে হাতিয়ার করে তৃণমূলের প্রশ্ন, সুদীপ্ত সেন নিজে যখন শুভেন্দুর বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলছেন, তখন তাকে গ্রেপ্তার করা হবে না কেন? বিজেপিতে আছেন বলেই কি সিবিআই গ্রেপ্তারি থেকে ছাড়া পেয়ে চলেছেন শুভেন্দু?

আরও পড়ুন:
জেল হেফাজতে পার্থ-অর্পিতা
আগামী লোকসভা নির্বাচনে ভেসে যাবে বিজেপি: মমতা
ভারতের উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দেবে না তৃণমূল
ত্রিপুরায় তৃণমূলের নতুন কমিটি
জয়প্রকাশ যোগ দিলেন তৃণমূলে

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Mamata told about her dream India

নিজের স্বপ্নের ভারতের কথা জানালেন মমতা

নিজের স্বপ্নের ভারতের কথা জানালেন মমতা পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ছবি: সংগৃহীত
স্বপ্নের ভারতের কথা বলতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বলেন, আমি এমন একটি দেশ গঠন করতে চাই, যেখানে কেউ অভুক্ত থাকবে না। যেখানে কোনো নারী নিরাপত্তা হীনতায় ভুগবে না । যেখানে প্রতিটি শিশু শিক্ষার আলো দেখবে। যেখানে সবাইকে সমান চোখে দেখা হবে। যেখানে কোনো বিভেদকামী শক্তি থাকবে না। সম্প্রীতির দিন আসবে।

ভারতের স্বাধীনতার ৭৫ বছর পূর্তির দিনে নিজের স্বপ্নের ভারতের কথা এক টুইট বার্তায় জানালেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

তিনি এমন এক ভারতের কথা বলেছেন, যেখানে বিভেদকামী শক্তি থাকবে না, বইবে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বাতাবরণ, যেখানে কোনো মানুষ অভুক্ত থাকবে না।

মমতা টুইটে বলেন, ‘ভারতের জন্য আমার একটা স্বপ্ন আছে। আমি এমন একটি দেশ গঠন করতে চাই, যেখানে কেউ অভুক্ত থাকবে না। যেখানে কোনো নারী নিরাপত্তা হীনতায় ভুগবে না । যেখানে প্রতিটি শিশু শিক্ষার আলো দেখবে। যেখানে সবাইকে সমান চোখে দেখা হবে। যেখানে কোনো বিভেদকামী শক্তি থাকবে না। সম্প্রীতির দিন আসবে।’

মমতা এদিনের টুইটে আরও লিখেছেন, ‘দেশের মহান মানুষের কাছে আমার প্রতিশ্রুতি, আমি স্বপ্নের ভারতের জন্য প্রতিদিন চেষ্টা করে যাব।’

তবে মুখমন্ত্রীর এই টুইটকে কটাক্ষ করেছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহসভাপতি দিলীপ ঘোষ।

তিনি বলেন, ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রধানমন্ত্রী হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন। তাই এ ধরনের টুইট করেছেন। পশ্চিমবঙ্গের নারীদের নিরাপত্তা নেই। পেটের জ্বালায় শ্রমিকরা অন্য রাজ্যে কাজে যাচ্ছেন। আর মুখ্যমন্ত্রী ভারত গড়ার দিবাস্বপ্ন দেখছেন।’

আরও পড়ুন:
সেই অর্পিতার আরেক ফ্ল্যাটে ২৯ কোটি রুপি
কে এই অর্পিতা
পশ্চিমবঙ্গে মন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ মডেলের ঘর থেকে ২০ কোটি রুপি জব্দ
পশ্চিমবঙ্গের নতুন রাজ্যপাল হিসেবে গণেশনের শপথ
চলন্ত বাইক আরোহীর ওপর চিতার হামলা

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
20 killed in a bus collision with an oil tanker in Pakistan

পাকিস্তানে তেলের ট্যাংকারের সঙ্গে বাসের সংঘর্ষে নিহত ২০

পাকিস্তানে তেলের ট্যাংকারের সঙ্গে বাসের সংঘর্ষে নিহত ২০ দুর্ঘটনার পর মোটরওয়েতে কয়েক ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ থাকে। ছবি: রেডিও পাকিস্তান
তেল ট্যাংকারের সঙ্গে স্লিপার কোচের সংঘর্ষে আগুন ধরে যায়। আগুন এতটাই তীব্র ও ভয়ংকর ছিল যে অনেক দূর থেকেও তা দেখা যাচ্ছিল এবং তা নেভাতে উদ্ধারকারী দলের কয়েক ঘণ্টা সময় লেগেছিল।

পাকিস্তানে যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে একটি তেলবাহী ট্যাংকারের সংঘর্ষে কমপক্ষে ২০ জন নিহত ও ৬ জন আহত হয়েছেন।

দ্য নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার মুলতান-সুককুর মোটরওয়েতে(এম-ফাইভ) এই দুর্ঘটনা ঘটেছে।

বাস কোম্পানির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, স্লিপার কোচটিতে ২ জন ড্রাইভার ও ২৪ জন যাত্রী ছিল।

মোটরওয়ের কর্মকর্তারা বলেছেন, অতিরিক্ত গতির কারণেই এই দুর্ঘটনা ঘটেছে।

দ্রুতগামী একটি স্লিপার বাস নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গিয়ে একটি তেলের ট্যাংকারের সঙ্গে ধাক্কা খায়।

মোটরওয়ে পুলিশের মুখপাত্র জানিয়েছেন, সংঘর্ষের পরপরই তেল ট্যাংকার ও যাত্রীবাহী বাসটিতে আগুন ধরে যায়।

দুর্ঘটনার পরপরই দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন পুলিশ ও উদ্ধারকর্মীরা।

আগুনে পুড়ে যাওয়া বাস থেকে অন্তত ৯ যাত্রীকে জীবিত উদ্ধার করা হয়। তাদের নিকটবর্তী হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

আগুন এতটাই তীব্র ও ভয়ংকর ছিল যে অনেক দূর থেকেও তা দেখা যাচ্ছিল এবং তা নেভাতে উদ্ধারকারী দলের কয়েক ঘণ্টা সময় লেগেছিল।

দুর্ঘটনার পর কয়েক ঘণ্টা হাইওয়েতে যান চলাচল বন্ধ থাকে।

আরও পড়ুন:
এশিয়া কাপে পাকিস্তান দল থেকে বাদ হাসান আলি
শেখ হাসিনার কাছ থেকে শিখুন: পাকিস্তানি আমলা
ইমরান খানের পিটিআই নিয়েছিল নিষিদ্ধ বিদেশি অনুদান
পাকিস্তানে বন্যায় ১৩৬ মৃত্যু, ইরানে ৬৯
রেটিং বলছে শ্রীলঙ্কাই হতে যাচ্ছে পাকিস্তান

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Mourning Day was celebrated in Kolkata

কলকাতায় পালিত হলো শোক দিবস

কলকাতায় পালিত হলো শোক দিবস কলকাতায় বাংলাদেশ হাইকমিশনে শোক দিবস উপলক্ষে জাতির পিতার প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়। ছবি: সংগৃহীত
১৫ আগস্ট সোমবার সকাল ৮টায় জাতীয় শোক দিবস পালনে কলকাতার বাংলাদেশ উপহাইকমিশনের জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত করে অনুষ্ঠানের সূচনা করা হয়। দুপুরে হাইকমিশনের মসজিদে বাদ জোহর বিশেষ মোনাজাতের আয়োজন করা হয়। এমিতখানার দুস্থ ও অনাথ শিশুদের জন্য দুপুরের খাবারের আয়োজন করা হয়।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৭তম শাহাদাতবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস পালন উপলক্ষে কলকাতার বাংলাদেশ উপহাইকমিশন প্রাঙ্গণে এক বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

১৫ আগস্ট সোমবার সকাল ৮টায় জাতীয় শোক দিবস পালনে কলকাতার বাংলাদেশ উপহাইকমিশনের জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত করে অনুষ্ঠানের সূচনা করা হয়।

দূতাবাস প্রাঙ্গণের মুজিব মঞ্চে বঙ্গবন্ধুর আবক্ষ ভাস্কর্যে পুষ্পস্তবক দিয়ে শ্রদ্ধা জানান কমিশনের সব কর্মকর্তা, কর্মীরা ও উপস্থিত বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।

এদিন কলকাতার বেকার গভ: হোস্টেলের বঙ্গবন্ধু স্মৃতিকক্ষে বঙ্গবন্ধুর আবক্ষ ভাস্কর্যে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।

দুপুরে হাইকমিশনের মসজিদে বাদ জোহর বিশেষ মোনাজাতের আয়োজন করা হয়। এতিমখানার দুস্থ ও অনাথ শিশুদের জন্য দুপুরের খাবারের আয়োজন করা হয়।

সন্ধ্যা ৬টার সময় ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। বাংলাদেশের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি দিয়ে তার জীবনীভিত্তিক একটি প্রামাণ্য তথ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।

সন্ধ্যার অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বাণী পাঠ করে শোনানো হয় । বিশেষ মোনাজাতের মধ্য দিয়ে এদিনের জাতীয় শোক দিবসের অনুষ্ঠান শেষ হয়।

আরও পড়ুন:
অসাম্প্রদায়িক-সমৃদ্ধ দেশ গড়তে বঙ্গবন্ধু চর্চা বাড়ানোর আহ্বান
শোক দিবসে ক্রিকেটারদের শ্রদ্ধা
খুনি চক্র এখনও সক্রিয়, জাতি সাবধান: তাপস
বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানাতে মানুষের ঢল
জাতির পিতার সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
After 38 years Senas body was found on the hill

৩৮ বছর পর সিয়াচেনে পাওয়া গেল সেনার মরদেহ

৩৮ বছর পর সিয়াচেনে পাওয়া গেল সেনার মরদেহ হিমবাহে টহলরত ভারতীয় সেনা। ছবি: সংগৃহীত
হারবোলা ছিলেন ২০ সদস্যের সৈনিকের দলের একজন সদস্য, যাদেরকে ১৯৮৪ সালে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার জন্য ‘অপারেশন মেঘদূত’ এ বিশ্বের সর্বোচ্চ শিখরে পাঠানো হয়েছিল। সে সময় টহল দেয়ার সময় তুষার ঝড়ের কবলে পড়ে ২০ জন সেনাই মারা যান।

টহল দেয়ার সময় তুষারধসে নিখোঁজ হওয়ার ৩৮ বছর পর সিয়াচনের একটি পুরোনো বাঙ্কারে এক ভারতীয় সেনা জওয়ানের দেহ পাওয়া গেছে।

এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রানিক্ষেতের সৈনিক গ্রুপ সেন্টার মরদেহটি শনাক্ত করেছে।

মরদেহটি নাইন্টিন কুমায়ন রেজিমেন্টের সেনা চন্দ্রশেখর হারবোলার।

হারবোলা ছিলেন ২০ সদস্যের সৈনিকের দলের একজন সদস্য, যাদেরকে ১৯৮৪ সালে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার জন্য ‘অপারেশন মেঘদূত’ এ বিশ্বের সর্বোচ্চ শিখরে পাঠানো হয়েছিল।

সে সময় টহল দেয়ার সময় তুষার ঝড়ের কবলে পড়ে ২০ জন সেনাই মারা যান। সে সময় ১৫ জন সেনার মরদেহ উদ্ধার করা সম্ভব হলেও বাকি পাঁচজনের দেহ আর পাওয়া যায়নি। তাদের মধ্যেই একজন হারবোলা।

মরদেহ পাওয়ার পর এবার পরিপূর্ণ সামরিক মর্যাদায় তার শেষকৃত্য করা হবে।

হরবোলার স্ত্রী শান্তি দেবী বলেছেন, পরিবারের থেকেও দেশকে অগ্রাধিকার দিয়েছেন তার স্বামী। এতে তিনি গর্বিত।

তিনি জানিয়েছেন, যখন তার স্বামী নিখোঁজ হয় তখন তার বয়স ছিল মাত্র ২৮ বছর। তার বড় মেয়ের বয়স ছিল ৪ বছর এবং ছোট মেয়ের বয়স দেড় বছর।

১৯৮৪ সালে সবশেষ হারবোলা বাড়ি ফেরার প্রতিশ্রুতি দিয়েই ঘর ছেড়েছিলেন, এমনটাই জানান তার সহধর্মিনী।

১৯৭৫ সালে তিনি ভারতীয় সেনাবাহিনীতে যোগ দেন।

হরবোলার পাশাপাশি অন্য আরেকজন সেনার মৃতদেহ পাওয়া গেলেও তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

আরও পড়ুন:
কাশ্মীরে বন্দুকধারীর হামলায় ৩ ভারতীয় সেনা নিহত

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Suu Kyi gets 6 more years in prison

সু চির আরও ৬ বছরের জেল

সু চির আরও ৬ বছরের জেল অং সান সু চি
৭৭ বছর বয়সী সু চির বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগে এক ডজনের বেশি মামলা করেছে সেনাবাহিনী। এরই মধ্যে বেশ কয়েক মামলায় ১১ বছরের কারাদণ্ডের সাজাও হয়েছে তার বিরুদ্ধে।

মিয়ানমারের ক্ষমতাচ্যুত নেত্রী অং সান সু চিকে দুর্নীতির মামলায় আরও ছয় বছরের কারাদণ্ডের রায় ঘোষণা করা হয়েছে।

দেশটির জান্তা সরকার নিয়ন্ত্রণাধীন আদালতে সোমবার এ রায় ঘোষণা করা হয় বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম রয়টার্স

৭৭ বছর বয়সী সু চির বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগে এক ডজনের বেশি মামলা করেছে সেনাবাহিনী। এরই মধ্যে বেশ কয়েক মামলায় ১১ বছরের কারাদণ্ডের সাজাও হয়েছে তার বিরুদ্ধে।

সর্বশেষ আরও কয়েক মামলার রায় হলো নেপিদোতে বন্দি থাকা ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসির (এনএলডি) এই নেত্রীর বিরুদ্ধে। অবশ্য বরাবরই তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন।

আন্তর্জাতিক একাধিক সংবাদমাধ্যম বলছে, শান্তিতে নবেল পুরস্কারজয়ী সু চির বিরুদ্ধে যত অভিযোগ আনা হয়েছে, এতে সবমিলিয়ে ১৯০ বছরের বেশি দণ্ড হতে পারে তার।

সোমবারের রায়ে আদালত জানিয়েছে, ক্ষমতায় থাকাকালীন সু চি স্বাস্থ্য ও শিক্ষা সংক্রান্ত সংগঠনে সরকারি অর্থের অপব্যবহার করেছেন।

গত বছরের ১ ফেব্রুয়ারি অভ্যুত্থানের মাধ্যমে মিয়ানমারের নির্বাচিত সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করে দেশটির সেনাবাহিনী; আটক করে নেত্রী সু চি ও প্রেসিডেন্ট উইন মিন্তসহ অনেককে।

তাদের গ্রেপ্তারের পর থেকেই গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের দাবিতে নজিরবিহীন বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে ওঠে মিয়ানমার। বিক্ষোভ দমনে কঠোর হয় সেনাবাহিনী। এমন বিক্ষোভে বহু মানুষকে হত্যা এবং গ্রেপ্তার করা হয়।

আরও পড়ুন:
দুর্নীতির মামলায় সু চির ৫ বছর জেল
সু চির বিরুদ্ধে ঘুষের মামলার রায় স্থগিত
সু চির বিরুদ্ধে ঘুষের মামলার রায়ের অপেক্ষা

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Why was India divided 75 years ago?

৭৫ বছর আগে ভারত কেন ভাগ হলো

৭৫ বছর আগে ভারত কেন ভাগ হলো মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ ও মোহনদাস গান্ধী ভারত বিভাজন নিয়ে বিপরীতমুখী অবস্থান নিয়েছিলেন। ছবি: টুইটার
ড. গ্যারেথ প্রাইস বলেন, ‘ভারতের স্বাধীনতা ঘনিয়ে আসার সময় অনেক ভারতীয় মুসলিম ভাবতে শুরু করেন, তারা কীভাবে একটি হিন্দুশাসিত দেশে থাকবেন। তারা ধরে নিয়েছিলেন, তেমন কোনো সুযোগ-সুবিধা পাবেন না। তাই আলাদা একটি মুসলিম দেশের জন্য তারা আন্দোলনে থাকা রাজনৈতিক নেতাদের সমর্থন জোগানো শুরু করেন।’

এখন থেকে ৭৫ বছর আগে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভ করেছিল ভারতীয় উপমহাদেশ তবে যাওয়ার আগে ব্রিটিশ সরকার ভারতবর্ষকে দুটি ভাগে করে দিয়ে যায় ভারত পাকিস্তান

দেশভাগের পরই শুরু হয় দাঙ্গা দেড় কোটি মানুষ বাস্তুহারা হন, সহিংসতায় প্রাণ হারান ১০ লাখ ওই বিভাজনের পর থেকে ভারত পাকিস্তান চিরশত্রুতে পরিণত হয়

১৪ আগস্ট পাকিস্তানের স্বাধীনতা দিবস আর ১৫ আগস্ট ভারতের উপমহাদেশে বিভাজনের ৭৫ বছর উপলক্ষে এক নিবন্ধে বিবিসি বিশ্লেষণ করেছে পেছনের কারণগুলো সেটি ভাষান্তর করা হয়েছে নিউজবাংলার পাঠকদের জন্য

বিভাজনের মূল কারণ কী

১৯৪৬ সালে ব্রিটেন ভারতকে স্বাধীনতা দেয়ার ঘোষণা দেয়। দেশটির শাসনকাজ চালানোর সক্ষমতা হারানোর পর তারা যত দ্রুত সম্ভব চলে যেতে চাইছিল।

ব্রিটিশ ভারতের শেষ ভাইসরয় লর্ড মাউন্টব্যাটেন ভারত স্বাধীনের তারিখ ঠিক করেন ১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্ট।

এ অঞ্চলের ২৫ শতাংশ নাগরিক ছিল মুসলমান, বাকিদের অধিকাংশ হিন্দু। এরপর ছিল শিখ, বৌদ্ধ ও অন্যান্য ধর্মাবলম্বী।

ভারতের দ্য আর্টস অ্যান্ড হিউম্যানিটিস রিসার্চ কাউন্সিলের অধ্যাপক নাভতেজ পুরেওয়াল বিবিসিকে বলেন, ‘ভারতের মানুষকে বিভিন্ন শ্রেণিতে বিভাজনের জন্য ব্রিটিশরা ধর্মকে বেছে নেয়। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, তারা স্থানীয় নির্বাচনে মুসলিম ও হিন্দু ভোটারদের জন্য আলাদা তালিকা তৈরি করেছিল।

‘মুসলমান রাজনীতিকদের জন্য সংরক্ষিত আসন ছিল। একই রকম সংরক্ষিত আসন ছিল হিন্দুদের জন্যও। রাজনীতিতে ধর্ম বড় একটা মুখ্য বিষয় হয়ে দাঁড়ায়।’

যুক্তরাজ্যভিত্তিক চ্যাটাম হাউস ফরেন পলিসি ইনস্টিটিউটের সদস্য ড. গ্যারেথ প্রাইস বলেন, ‘ভারতের স্বাধীনতা ঘনিয়ে আসার সময় অনেক ভারতীয় মুসলিম ভাবতে শুরু করেন, তারা কীভাবে একটি হিন্দুশাসিত দেশে থাকবেন। তারা ধরে নিয়েছিলেন, তেমন কোনো সুযোগ-সুবিধা পাবেন না। তাই আলাদা একটি মুসলিম দেশের জন্য তারা আন্দোলনে থাকা রাজনৈতিক নেতাদের সমর্থন জোগানো শুরু করেন।’

কংগ্রেস পার্টির স্বাধীনতা-আন্দোলনের নেতা মোহনদাস গান্ধী ও জওহরলাল নেহরু এমন এক অখণ্ড ভারত চাচ্ছিলেন, যা সমস্ত ধর্মকে বরণ করে নেয়। তবে অল ইন্ডিয়া মুসলিম লীগ নেতা মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ স্বাধীনতার অংশ হিসেবে দেশভাগের দাবি তোলেন।

ড. প্রাইস বলেন, ‘অখণ্ড ভারত কীভাবে কাজ করবে সেটা ঠিক করতে অনেক সময় লেগে যেত। দেশভাগ ছিল দ্রুত ও চটজলদি একটা সমাধান।’

দেশভাগে ক্ষতির পরিমাণ কতটা?

ব্রিটিশ সরকারি কর্মকর্তা স্যার সিরিল র‍্যাডক্লিফ ১৯৪৭ সালে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সীমানা নির্ধারণ করেন।

উপমহাদেশকে তিনি মূলত দুটো বৈশিষ্ট্যে ভাগ করেন:

. হিন্দু অধ্যুষিত মধ্য দক্ষিণাঞ্চল

. উত্তর-পশ্চিম উত্তর-পূর্বের দুটি অঞ্চল যেখানে মুসলিমরা সংখ্যাগরিষ্ঠ

তবে ব্রিটিশ ভারতে হিন্দু ও মুসলিমরা ছড়িয়ে-ছিটিয়ে বিভিন্ন অঞ্চলে বাস করত। প্রায় দেড় কোটি লোককে বহু পথ পাড়ি দিয়ে সীমানা অতিক্রম করতে হয়।

১৯৪৬ সালে কলকাতা রায়টের মধ্য দিয়ে শুরু হয় সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা। এ কারণেও বহু লোককে ঘরছাড়া হতে হয়। কলকাতার দাঙ্গায় প্রায় ২০০০ মানুষ মারা পড়েন।

এসওএএস ইউনিভার্সিটি অফ লন্ডনের অধ্যাপক এলানর নিউবিগিন এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘ডানপন্থি হিন্দু গ্রুপ ও মুসলিম লীগ মিলিশিয়া বাহিনী গঠন করেছিল। সন্ত্রাসী গ্রুপগুলো মানুষদের গ্রাম থেকে তাড়িয়ে দিত।’

কমপক্ষে ২ লাখ থেকে সর্বোচ্চ ১০ লাখ লোক এ সময় সাম্প্রদায়িক দাঙ্গায় ও শরণার্থী ক্যাম্পগুলোতে রোগশোকে ভুগে মারা যান। হিন্দু ও মুসলিম হাজার হাজার নারীকে ধর্ষণ, অপহরণ বা ক্ষতবিক্ষত করা হয়েছে।

৭৫ বছর আগে ভারত কেন ভাগ হলো
প্রস্তাবিত পাকিস্তান ও ভারতের মানচিত্র (বাঁয়ে), চূড়ান্ত কার্যকর হওয়া মানচিত্র । ছবি কোলাজ: নিউজবাংলা



বিভাজনের চূড়ান্ত ফল কী

দেশভাগের পর থেকে কাশ্মীর প্রদেশের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ভারত ও পাকিস্তান একাধিকবার যুদ্ধে জড়িয়েছে। ১৯৪৭-৪৮ ও ১৯৬৫ সালে দুই দেশ যুদ্ধে জড়ায়। ১৯৯৯ সালে কারগিলেও লড়েছে ভারত ও পাকিস্তান। বর্তমানে দেশ দুটি কাশ্মীরের দুটি ভিন্ন অঞ্চল নিয়ন্ত্রণ করছে। ১৯৭১ সালে পাকিস্তানের সঙ্গে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে ভারত বাংলাদেশকে সহায়তা করে।

বর্তমানে পাকিস্তানে মোট জনসংখ্যার ২ শতাংশেরও কম হিন্দু। ড. প্রাইস বলেন, ‘পাকিস্তান দিনে দিনে আরও বেশি ইসলামপন্থি হয়ে উঠছে। এর মূল কারণ হচ্ছে জনসংখ্যার বড় একটা অংশ মুসলমান এবং খুব বেশি হিন্দু দেশটিতে বাস করেন না। একইভাবে ভারত এখন হিন্দুত্ববাদের দিকে ঝুঁকছে।’

ড. নিউবিগিন বলেন, ‘ভারত ভাগের পরবর্তী আখ্যানটি দুঃখজনক। দুই দেশেই শক্তিশালী ধর্মীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা তৈরি হয়েছে। সংখ্যালঘুদের সংখ্যা কমে এসেছে এবং তারা আগের চেয়ে বেশি ঝুঁকির মুখে আছে।’

অধ্যাপক পুরেওয়াল যোগ করেন, ‘১৯৪৭ সালে হয়তো অবিভক্ত ভারত রাখা সম্ভব ছিল। হয়তো কয়েকটি রাজ্যের ফেডারেশন হিসেবে একে গঠন করা যেত, যেখানে কয়েকটি রাজ্যে মুসলমানরা সংখ্যাগরিষ্ঠ থাকতেন। তবে গান্ধী ও নেহরু দুজনেই কেন্দ্রশাসিত অবিভক্ত একটি রাষ্ট্রের ধারণায় অটল ছিলেন। তারা ভাবেননি যে সংখ্যালঘু মুসলিমরা কীভাবে সে দেশে থাকবেন।’

আরও পড়ুন:
কাশ্মীরে বন্দুকধারীর হামলায় ৩ ভারতীয় সেনা নিহত
বিকিনি পরায় চাকরি খোয়ালেন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষিকা
কংগ্রেসের ‘ভারত জোড়ো যাত্রা’ ৭ সেপ্টেম্বর থেকে

মন্তব্য

p
উপরে