× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ পৌর নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট

আন্তর্জাতিক
Colombias president is a former leftist guerrilla
hear-news
player
print-icon

কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট বামপন্থি সাবেক গেরিলা

কলম্বিয়ার-প্রেসিডেন্ট-বামপন্থি-সাবেক-গেরিলা
কলম্বিয়ায় প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন সাবেক গেরিলা ও বামপন্থি নেতা গুস্তাভো পেত্রো (ডানে) ও তার রানিংমেট ফ্রান্সিয়া মার্কেজ হতে যাচ্ছেন দেশটির প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ নারী ভাইস প্রেসিডেন্ট। ছবি: এপি
কলম্বিয়ার ইতিহাসে প্রথম বামপন্থি প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেত্রো নির্বাচিত হয়ে বলেন, ‘এই বিজয় স্রষ্টার জন্য, এই বিজয় জনগণের জন্য।’

কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জয়ী হয়েছেন সাবেক গেরিলা ও বামপন্থি নেতা গুস্তাভো পেত্রো।

৬২ বছর বয়সী এই সিনেটর ৫০ দশমিক ৫ শতাংশ ভোট পেয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আবাসন ব্যবসায়ী ধনকুবের রোদোলফো হার্নান্দেজের চেয়ে ৭ লাখ ভোট বেশি পেয়েছেন রাজধানী বাগোতার সাবেক এই মেয়র।

সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কলম্বিয়ার ইতিহাসে প্রথম বামপন্থি প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেত্রো নির্বাচিত হয়ে বলেন, ‘এই বিজয় স্রষ্টার জন্য, এই বিজয় জনগণের জন্য।’

পেত্রো টুইটারে লিখেছেন, ‘আজ যে আনন্দের ধারা দেশবাসীর হৃদয়কে প্লাবিত করেছে, তা দিয়ে সহজে দুঃখ-কষ্ট দূর হয়ে যাবে। আজ সড়ক ও চত্বরে সময় কাটানোর দিন।’

এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেয়া এক ভিডিও বার্তায় পরাজয় মেনে নিয়েছেন রোদোলফো হার্নান্দেজ।

হার্নান্দেজ বলেন, ‘কলম্বিয়ার নাগরিকরা আমাকে ছাড়া অন্য একজনকে বেছে নিয়েছেন, তবুও আমি ফল মেনে নিয়েছি। আমি বিশ্বাস করি, গুস্তাভো পেত্রো ভালো জানেন কীভাবে দেশ পরিচালনা করতে হয়। দুর্নীতির বিরুদ্ধে তার আপসহীন সংগ্রাম সম্পর্কে আমার বিশ্বাস রয়েছে।’

তৃতীয় দফায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে বাধা থাকায় নির্বাচনে অংশ নিতে পারেননি দেশটির প্রেসিডেন্ট ইভান ডুক। পেত্রোকে অভিনন্দন জানিয়ে ডুক বলেন, ‘সংহতি ও সহমর্মিতার মাধ্যমে সমাজ গড়ায় পেত্রোর চেষ্টার সঙ্গে থাকব আমিও।’

পেত্রোর রানিংমেট ফ্রান্সিয়া মার্কেজ যিনি একজন ‘সিঙ্গেল’ মা এবং সাবেক গৃহকর্মী, তিনি হতে যাচ্ছেন দেশটির প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ নারী ভাইস প্রেসিডেন্ট।

গত ১৯ জুন ভোটের দ্বিতীয় রাউন্ডে ধনকুবের রোদোলফো হার্নান্দেজের মুখোমুখি হন পেত্রো।

অবশ্য প্রথম রাউন্ডের আগে জরিপগুলোতে বলা হয়েছিল, পেত্রোর চেয়ে সামান্য ব্যবধানে পিছিয়ে থাকবেন রোদোলফো। যদিও ফলে ব্যবধানটা চোখে পড়ার মতো।

রাজধানী বোগোতার সাবেক মেয়র পেত্রো জনমত জরিপগুলোতে ধারাবাহিকভাবে এগিয়ে ছিলেন। পেনশন সুবিধা ফিরিয়ে আনা, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে বিনা মূল্যে শিক্ষার সুযোগসহ বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি দিয়ে জনপ্রিয়তার শীর্ষে ওঠেন তিনি।

প্রথম রাউন্ডের ফল প্রকাশের পর বোগোতার প্রাণকেন্দ্রে উচ্ছ্বসিত সমর্থকদের উদ্দেশে পেত্রো বলেন, ‘এ সময়ে এসে পরিবর্তনের বিষয়ে আর সন্দেহ নেই।’

জয়ী হলে কলম্বিয়ার বিদ্রোহী গোষ্ঠী ফার্কের সঙ্গে ২০১৬ সালে তৎকালীন সরকারের করা চুক্তির পূর্ণ বাস্তবায়নের আশ্বাস দিয়েছেন পেত্রো। সক্রিয় বিদ্রোহী গোষ্ঠী ইএলএনের সঙ্গে শান্তি আলোচনার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন তিনি।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

আন্তর্জাতিক
Women in the United States are losing the right to abortion

যুক্তরাষ্ট্রের নারীরা হারাতে যাচ্ছেন গর্ভপাতের অধিকার

যুক্তরাষ্ট্রের নারীরা হারাতে যাচ্ছেন গর্ভপাতের অধিকার রায়ে উচ্ছ্বসিত গর্ভপাতবিরোধীরা। ছবি: সংগৃহীত
মিসিসিপির গভর্নর টেট রিভস এই রায়কে স্বাগত জানিয়ে বলেছেন, এই সিদ্ধান্তের ফলে আরও হৃৎপিণ্ড স্পন্দিত হবে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন গর্ভপাতের অধিকার কেড়ে নেয়াকে একটি ‘দুঃখজনক ত্রুটি’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

যুক্তরাজ্যে লাখ লাখ নারী গর্ভপাতের সাংবিধানিক অধিকার হারাতে যাচ্ছে।

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ৫০ বছর পর সুপ্রিম কোর্ট ‘রো বনাম ওয়েডের’ সিদ্ধান্তকে বাতিল করে দিয়েছে। ফলে যুক্তরাষ্ট্রের নারীরা গর্ভপাতের অধিকার হারাতে যাচ্ছেন।

সুপ্রিম কোর্টের এই রায় দেশটির অন্যান্য রাজ্যে গর্ভপাত নিষিদ্ধ করার পথ প্রশস্ত করবে। এই রায়ে উচ্ছ্বসিত যুক্তরাষ্ট্রের রক্ষণশীল নাগরিকরা।

একজন গর্ভপাতবিরোধী কর্মী বিবিসিকে বলেছেন, এই দেশে আইনই যথেষ্ট নয়, জীবনে এই বিষয়টিকে (গর্ভপাত) অচিন্তনীয় করে দিতে হবে।

মিসিসিপির গভর্নর টেট রিভস এই রায়কে স্বাগত জানিয়ে বলেছেন, এই সিদ্ধান্তের ফলে আরও হৃৎপিণ্ড স্পন্দিত হবে, আরও রিপোর্ট কার্ড দেয়া হবে, আরও লীগ গেমস খেলা হবে এবং আরও বেশি জীবন ভালোভাবে বেঁচে থাকতে পারবে। এটি একটি আনন্দের দিন।

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্সের ‘রো বনাম ওয়েডের’ একজন সমালোচক। তিনি গর্ভপাতবিরোধী সমর্থকদের উদ্দেশে আহ্বান জানিয়েছেন, প্রতিটি রাজ্যে আইনের মাধ্যমে ‘জীবনের পবিত্রতা’ সুরক্ষিত না হওয়া পর্যন্ত থামা যাবে না।

তবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন গর্ভপাতের অধিকার কেড়ে নেয়াকে একটি ‘দুঃখজনক ত্রুটি’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন এবং রাজ্যগুলোকে গর্ভপাত পদ্ধতির অনুমতি দেয়ার জন্য আইন প্রণয়নের আহ্বান জানিয়েছেন।

গর্ভপাত প্রদানকারী স্বাস্থ্যসেবা সংস্থা প্ল্যান্ড প্যারেন্টহুডের গবেষণা অনুসারে, সুপ্রিম কোর্টের এই রায়ের পর প্রজননে সক্ষম ৩ কোটি ৬০ লাখ নারীর গর্ভপাতের সুবিধা বন্ধ হয়ে যাবে।

এর আগে ‘রো বনাম ওয়েড’ মামলায় ১৯৭৩ সালে সুপ্রিম কোর্টের রায়ে বলা হয়, একজন নারীর গর্ভপাতের অধিকার যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান দ্বারা সুরক্ষিত।

সেই রায় দেশটির নারীদের গর্ভাবস্থার প্রথম ৩ মাসে (ত্রৈমাসিক) গর্ভপাতের নিরঙ্কুশ অধিকার দেয়া হয়েছিল। পরবর্তী ৩ মাসে ছিল বিধিনিষেধ। ৬ মাস পরে গর্ভপাত নিষিদ্ধ।

আরও পড়ুন:
স্বামীকে হত্যার দায়ে ‘স্বামীকে কীভাবে হত্যা করবেন’ বইয়ের লেখকের যাবজ্জীবন
যুক্তরাষ্ট্রে সপ্তাহান্তে গুলিতে নিহত ৫, আহত ২৭
যুক্তরাষ্ট্রে বন্দুক নিয়ন্ত্রণে দুই দলে ঐকমত্য
যুক্তরাষ্ট্রে শ্বেতাঙ্গ জাতীয়তাবাদী গোষ্ঠীর ৩১ সদস্য গ্রেপ্তার
বন্দুক সহিংসতার বিরুদ্ধে বিক্ষোভে উত্তাল যুক্তরাষ্ট্র

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Abolition of Abortion Rights Act in the United States

যুক্তরাষ্ট্রে গর্ভপাত অধিকার আইন বাতিল

যুক্তরাষ্ট্রে গর্ভপাত অধিকার আইন বাতিল প্রায় ৫০ বছর ধরে গর্ভপাতের জন্য সাংবিধানিক সুরক্ষা শেষ করার পর গর্ভপাতবিরোধী আইনজীবীরা সুপ্রিম কোর্টের বাইরে উদযাপন করছেন। ছবি: এপি
প্রজনন অধিকার সংগঠন গুটমাচার ইনস্টিটিউট বলছে, ১৯৭৩ সালের আইনি নজির উল্টে যাওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের অন্তত ২৪টির বেশি রাজ্যে এখন গর্ভপাত নিষিদ্ধ করার সম্ভাবনা রয়েছে। এটি অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে নিম্ন আয়ের নারীর ওপর প্রভাব ফেলবে।

যুক্তরাষ্ট্রে বাতিল হলো গর্ভপাত অধিকার আইন। দেশটির সর্বোচ্চ আদালত শুক্রবার ঐতিহাসিক এ রায় দেয়। এতে দেশজুড়ে গর্ভপাতকে বৈধতা দেয়া ১৯৭৩ সালের আইনি সিদ্ধান্ত ‘রো বনাম ওয়েড’ আর থাকছে না। ফলে প্রতিটি রাজ্যই এখন নিজস্বভাবে গর্ভপাত নিষিদ্ধ করার পদক্ষেপ নিতে পারবে।

রায়ে বিচারকরা জানান, সংবিধান গর্ভপাতের অধিকার দেয় না। সিদ্ধান্তের পক্ষে সমর্থন দেন ছয়জন বিচারক, বিপক্ষে তিনজন।

এ রায়ে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ব্যাপক প্রতিবাদ ও নিন্দার জন্ম দিয়েছে। প্রজনন অধিকারের সমর্থকরা বলছেন, লাখ লাখ নারী গর্ভপাত পরিষেবাগুলো নিতে পারবেন না।

প্রজনন অধিকার সংগঠন গুটমাচার ইনস্টিটিউট বলছে, ১৯৭৩ সালের আইনি নজির উল্টে যাওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের অন্তত ২৪টির বেশি রাজ্যে এখন গর্ভপাত নিষিদ্ধ করার সম্ভাবনা রয়েছে। এটি অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে নিম্ন আয়ের নারীর ওপর প্রভাব ফেলবে।

বিচারকরা জানান, আগের আইনে ২৪ থেকে ২৮ সপ্তাহের মধ্যে গর্ভপাত বৈধ ছিল। এটি ভুল সিদ্ধান্ত ছিল। কারণ সংবিধানে গর্ভপাতের অধিকার নিয়ে নির্দিষ্ট কিছু উল্লেখ নেই।

রো বনাম ওয়েডের রায়ে যুক্তি দেয়া হয়েছিল, সংবিধানের অধীনে ব্যক্তিগত গোপনীয়তার অধিকার একজন নারীর গর্ভাবস্থা বন্ধ করার ক্ষমতাকে রক্ষা করে।

সুপ্রিম কোর্ট ১৯৯২ সালের সাউথইস্টার্ন পেনসিলভানিয়া বনাম ক্যাসি প্ল্যানড প্যারেন্টহুড নামে একটি রায়ে গর্ভপাতের অধিকারকে পুনরায় নিশ্চিত করেছিল। রায়ে বলা হয়েছিল, গর্ভপাতের বিষয়ে ‘অযথা বোঝা’ চাপিয়ে দেয়া আইনগুলোকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

রক্ষণশীল বিচারপতি স্যামুয়েল আলিটো বলেন, ‘রো এবং প্ল্যানড প্যারেন্টহুড বনাম কেসি ভুল ছিল। এটি অবশ্যই বাতিল করা উচিত।

‘আমরা মনে করি যে রো এবং কেসিকে অবশ্যই বাতিল করা উচিত। সংবিধানে গর্ভপাত উল্লেখ নেই। এ ধরনের অধিকার সাংবিধানিক বিধান দ্বারা সুরক্ষিত নয়।’

বিচারপতি ক্লারেন্স থমাস, নিল গর্সুচ, ব্রেট কাভানাফ এবং অ্যামি রায়ের পক্ষে ভোট দিয়েছেন। বিপক্ষে দেয়া তিন বিচারপতি ট্রাম্পের নিয়োগপ্রাপ্ত।

উদারপন্থি বিচারপতি স্টিফেন ব্রেয়ার, সোনিয়া সোটোমায়র এবং এলেনা কাগান ভিন্নমত পোষণ করেন।

তারা জানান, ‘এটা আদালতের জন্য দুঃখের খবর। তবে লাখ লাখ আমেরিকান নারী আজ একটি মৌলিক সাংবিধানিক সুরক্ষা হারিয়েছেন। আমরা ভিন্নমত পোষণ করছি।’

জনমত জরিপ দেখা গেছে, বেশির ভাগ আমেরিকান গর্ভপাতের অধিকারকে সমর্থন করেন।

গত মাসের শুরুর দিকে সুপ্রিম কোর্টের ফাঁস হওয়া একটি গোপন খসড়া নথিতে ঐতিহাসিক গর্ভপাত অধিকার আইন বাতিল হতে পারে বলে আভাস মিলেছিল। রাজনীতিবিষয়ক সংবাদমাধ্যম পলিটিকো সেই নথি প্রকাশ করেছিল।

আরও পড়ুন:
অনাগত সন্তানকে বাঁচাতে স্বামীর নামে মামলা
‘যৌতুক না পেয়ে’ গর্ভপাত, স্বামী-নার্সসহ গ্রেপ্তার ৫
কৃষ্ণাঙ্গ নারীদের গর্ভপাত ৪৩ শতাংশ বেশি: গবেষণা
অনাকাঙ্ক্ষিত গর্ভধারণে দ্বিগুণ বেড়েছে গর্ভপাত
এক নারীর পরিবর্তে আরেক জনের গর্ভপাতের চেষ্টা তদন্তে কমিটি

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Weapons restrictions are coming to the United States

অস্ত্রে বিধিনিষেধ আসছে যুক্তরাষ্ট্রে

অস্ত্রে বিধিনিষেধ আসছে যুক্তরাষ্ট্রে ডেমোক্র্যাট সমর্থক এবং অ্যাক্টিভিস্টরা বলছেন, দাবি অনুযায়ী হয়নি প্রস্তাবগুলো। ছবি: সংগৃহীত
বিলটি নিম্নকক্ষ হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভে পাস হলে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সইয়ের মধ্য দিয়ে কার্যকর হবে। ডেমোক্র্যাট নিয়ন্ত্রিত নিম্নকক্ষে শিগগিরই ভোট হবে।

অবশেষে অস্ত্র আইন পাস হলো যুক্তরাষ্ট্রে। বলা হচ্ছে, তিন দশকের মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আগ্নেয়াস্ত্র আইন হতে যাচ্ছে এটি। এই আইন তরুণ ক্রেতাদের ওপর কড়াকড়ি আরোপের পাশাপাশি হুমকি হিসেবে বিবেচিত মানুষদের অস্ত্র কিনতে নিরুৎসাহী করবে।

কংগ্রেসের উচ্চকক্ষ সিনেটের ১০০ সদস্য বৃহস্পতিবার ভোট দেন। আইন সংস্কারের পক্ষে পড়ে ৬৫ ভোট, বিপক্ষে ৩৩টি।

বিলটি নিম্নকক্ষ হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভে পাস হলে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সইয়ের মধ্য দিয়ে কার্যকর হবে। ডেমোক্র্যাট নিয়ন্ত্রিত নিম্নকক্ষে শিগগিরই ভোট হবে।

প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ‘দ্বিদলীয় এই বিলে’ দ্রুত ভোট আয়োজনের তাগিদ দিয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘২৮ বছরের নিষ্ক্রিয়তার পর কংগ্রেসের দ্বিদলীয় সদস্যরা তাদের পরিবারের আহ্বানে একত্রিত হয়েছিলেন। সম্প্রদায়গুলোতে বন্দুক সহিংসতার অভিশাপ মোকাবিলায় আইন পাস হয়েছে।’

নিউ ইয়র্কের বাফেলোর একটি সুপারমার্কেটে এবং টেক্সাসের উভালদেতে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বন্দুক হামলার পর আইন সংস্কারের দাবি জোরালো হয়। ওই দুই হামলায় নিহত হন ৩১ জন।

সংস্কারগুলোর মধ্যে রয়েছে ২১ বছরের কম বয়সী ক্রেতাদের জন্য বিস্তারিত পরিচয় নিশ্চিত করা, মানসিক স্বাস্থ্য প্রকল্প এবং স্কুল নিরাপত্তাব্যবস্থাকে শক্তিশালী করতে ১৫ বিলিয়ন ডলার ফেডারেল তহবিল গঠন এবং হুমকি হিসেবে বিবেচিতদের কাছ থেকে আগ্নেয়াস্ত্র ফিরিয়ে নেয়ার জন্য ‘লাল পতাকা’ আইন বাস্তবায়নে রাজ্যগুলোকে উৎসাহিত করতে অর্থায়ন করা হবে।

এ ছাড়া যারা ইতোমধ্যে অস্ত্রের অপব্যাবহারের দায়ে দোষী প্রমাণিত হয়েছেন, তাদের কাছে অস্ত্র বিক্রি করা যাবে না।

গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক

বিলটি অনেক তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ এটি কয়েক দশকের মধ্যে প্রথমবারের মতো প্রস্তাবিত সংস্কারগুলোর একটি, যেটি ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকান দুই পক্ষের সমর্থন পেয়েছে।

ঐতিহাসিকভাবে যুক্তরাষ্ট্রের বন্দুক আইন শক্তিশালী করার প্রচেষ্টা দেখা গেছে রিপাবলিকানদের মধ্যে। এবার ১০০ সদস্যের সিনেটে ভোট পড়েছে ৬৫-৩৩।

দলের সবচেয়ে রক্ষণশীল সদস্য সিনেটর জো মানচিন এবং কার্স্টেন সিনেমাসহ ৫০ জন ডেমোক্র্যাট বিলটির পক্ষে ভোট দিয়েছেন।

অস্ত্রে বিধিনিষেধ আসছে যুক্তরাষ্ট্রে
টেক্সাসের সিনেটর জন কর্নিন এই সংস্কারের জন্য রিপাবলিকান কণ্ঠে পরিণত হন। ছবি: সংগৃহীত

তাদের সঙ্গে প্রস্তাব তৈরিকারী রিপাবলিকানরা যোগ দিয়েছিলেন। যার মধ্যে পার্টির সিনেট নেতা মিচ ম্যাককনেল এবং লিন্ডসে গ্রাহাম আছেন। গ্রাহাম সাবেক প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ মিত্র এবং বন্দুক-নিয়ন্ত্রণ আইনের বিরোধী ছিলেন। দুই-তৃতীয়াংশ রিপাবলিকান এই আইনের বিরোধিতা করেছেন।

টেক্সাসের সিনেটর টেড ক্রুজ বলেন, ‘শিশুদের সুরক্ষার জন্য গুরুতর ব্যবস্থা নেয়ার পরিবর্তে আইন মেনে চলা নাগরিকদের নিরস্ত্র করার চেষ্টা এটি।’

বিলটিকে স্বাগত জানিয়েছে বন্দুক সুরক্ষা গ্রুপ মার্চ ফর আওয়ার লাইভস। ফ্লোরিডায় ২০১৮ সালে পার্কল্যান্ড স্কুলের বন্দুক হামলা থেকে বেঁচে যাওয়া ব্যক্তিদের নিয়ে প্রতিষ্ঠিত এই সংগঠনটি।

টুইটে সংগঠনটি জানায়, ‘আমরা জানি এই মহামারি শেষ করতে আরও অনেক কাজ করতে হবে। আমরা ছাড় দিতে বা দমে যেতে রাজি নই। বন্দুক সহিংসতা বন্ধ করা আমাদের জীবনের লড়াই।’

ন্যাশনাল রাইফেল অ্যাসোসিয়েশন (এনআরএ) বিলটির বিরোধিতা করেছে। তাদের যুক্তি, এটি কোনোভাবেই সহিংসতা বন্ধ করবে না।

কেন বন্দুক নিয়ন্ত্রণে এত বড় চুক্তি?

যুক্তরাষ্ট্রে বর্তমানে আনুমানিক ৩৯৩ মিলিয়ন আগ্নেয়াস্ত্র রয়েছে। বিশ্বের ধনী দেশগুলোর মধ্যে আগ্নেয়াস্ত্রে মৃত্যুর সর্বোচ্চ হার এই যুক্তরাষ্ট্রেই।

গান ভায়োলেন্স আর্কাইভের হিসাবে, চলতি বছর দেশটিতে বন্দুক সহিংসতায় ২ হাজার ৯০০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন।

তবে যুক্তরাষ্ট্র এমন একটি দেশ, যেখানে বন্দুক রাখার অধিকারের কথা বলা হয়েছে দেশটির সংবিধানে।

সর্বশেষ উল্লেখযোগ্য ফেডারেল বন্দুক নিয়ন্ত্রণ আইন ১৯৯৪ সালে পাস হয়েছিল। অ্যাসল্ট রাইফেল এবং বড় ক্ষমতার ম্যাগাজিনগুলো বেসামরিক ব্যবহারের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়েছিল এতে। তবে এক দশক পর আইনটি বাতিল হয়ে যায়।

সুপ্রিম কোর্ট বৃহস্পতিবার নিউ ইয়র্কের একটি আইন বাতিল করে। এই আইনে যেকোনো নাগরিক বন্দুক বহন করতে পারে।

জরিপ বলছে, বেশির ভাগ আমেরিকান বন্দুক নিয়ন্ত্রণের প্রচেষ্টাকে সমর্থন করে। অনেক রিপাবলিকান সিনেটর বন্দুকপন্থি বড় সম্প্রদায়ের রাজ্যগুলোর প্রতিনিধিত্ব করে। এসব রাজ্যের রিপাবলিকান সমর্থকরা আইন সংস্কারের ঘোর বিরোধী।

আরও পড়ুন:
যুক্তরাষ্ট্রে সপ্তাহান্তে গুলিতে নিহত ৫, আহত ২৭
যুক্তরাষ্ট্রে বন্দুক নিয়ন্ত্রণে দুই দলে ঐকমত্য
যুক্তরাষ্ট্রে শ্বেতাঙ্গ জাতীয়তাবাদী গোষ্ঠীর ৩১ সদস্য গ্রেপ্তার
বন্দুক সহিংসতার বিরুদ্ধে বিক্ষোভে উত্তাল যুক্তরাষ্ট্র
যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবন্দরে আর লাগবে না করোনার নেগেটিভ সনদ

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Europe in intense heat

তীব্র তাপদাহে ইউরোপ

তীব্র তাপদাহে ইউরোপ ফ্রান্সের অন্যান্য অঞ্চলে উন্মুক্ত স্থানে অনুষ্ঠান চলছে। ছবি: এএফপি
জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বিশ্বের তাপমাত্রা বাড়ছে। কার্বন-ডাই-অক্সাইডের মতো গ্রিনহাউস গ্যাসগুলো পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে প্রচুর পরিমাণে নির্গত হচ্ছে। এ ধরনের গ্যাস সূর্যের তাপকে আটকে রাখে, ফলে গ্রহটি উষ্ণ হয়ে ওঠে।

স্মরণকালের ভয়াবহ তাপদাহে ধুঁকছে ইউরোপ। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে ঠেকছে যে ফ্রান্সের একটি অঞ্চলে উন্মুক্ত স্থানে সব ধরনের আয়োজন নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ

দক্ষিণ-পশ্চিম ফ্রান্সের গিরন্ড জেলার বন্দর শহর বোর্দোতে আপাতত কনসার্ট এবং বড় জনসমাবেশ করা যাবে না।

গত সপ্তাহে ফ্রান্সের কিছু অংশে তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছায়। তাপমাত্রা আরও বাড়ার আশঙ্কায় করছে দেশটির আবহাওয়া অফিস।

ফ্রান্সের আবহাওয়া অফিস বলছে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক না শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ব্যতীত স্থানগুলোতেও অভ্যন্তরীণ অনুষ্ঠান নিষিদ্ধ থাকবে। তবে ব্যক্তিগত উদযাপন যেমন বিয়ে করার অনুমতি দেয়া হবে।

স্থানীয় কর্মকর্তা ফ্যাবিয়েন বুসিও ফ্রান্স ব্লু রেডিওকে বলেন, ‘প্রত্যেকই এখন স্বাস্থ্য ঝুঁকির সম্মুখীন।’

বিজ্ঞানীরা বলছেন, বিশ্ব উষ্ণায়নের ফলে তীব্র তাপের সময়কাল আরও বেশি এবং দীর্ঘস্থায়ী হচ্ছে।

তীব্র তাপদাহে ইউরোপ

ফ্রান্সের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয় জানায়, তারা জনগণকে সতর্ক করেছে। এই আবহাওয়ার যেন কেউ বাইরে না বের হয়।

গিরন্ডের আবহাওয়া কর্মকর্তা মেটিও ফ্রান্স বলেন, তীব্র গরমে ধুঁকছে ফ্রান্স। উত্তর আফ্রিকা উড়ে আসা গরম বাতাসের কারণে এমনটা ঘটেছে।

‘প্যারিসে তাপমাত্রা ৩৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছতে পারে। এটি খরা দাবানলের ঝুঁকিও বাড়িয়ে দিয়েছে।

ফ্রান্সের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর তুলুসের বাসিন্দা জ্যাকলিন বননড। তিনি বলেন, ‘আমি বয়স ৮৬। এখানেই আমার জন্ম। মনে হচ্ছে এটিই আমার দেখা সবচেয়ে খারাপ তাপপ্রবাহ।’

গ্রিড অপারেটর আরটিই জানিয়েছে, এয়ার-কন্ডিশনার এবং ফ্যানের মাত্রাতিরিক্ত ব্যবহার ফ্রান্সকে প্রতিবেশী দেশগুলো থেকে বিদ্যুৎ আমদানি করতে বাধ্য করছে।

একই দশার মধ্যে আছে স্পেন, ইতালি এবং যুক্তরাজ্যও।

শতাব্দীর উষ্ণতম তাপদাহ অনুভূত হচ্ছে স্পেনে। সপ্তাহান্তে তাপমাত্রা সর্বোচ্চে ৪৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস পৌঁছানোর পূর্বাভাস দিয়েছে দেশটির আবহাওয়া পরিষেবা-অ্যামেট। আঞ্চলিক সরকার জানিয়েছে, কাতালোনিয়ায় ২০ হাজার হেক্টর জমি দাবানলে পুড়ে গেছে।

তীব্র তাপদাহে ইউরোপ

ইতালির বৃহত্তম নদী পো-এর বিশাল অংশে পানি এতটাই কম যে, স্থানীয়রা বালির বিস্তৃতির মাঝখান দিয়ে হেঁটে যেতে পারছে। এমনকি যুদ্ধকালীন জাহাজের ধ্বংসাবশেষ পুনরুত্থিত হচ্ছে।

তীব্র তাপদাহে ইউরোপ

যুক্তরাজ্যের দক্ষিণ ইংল্যান্ডে তাপমাত্রা ৩৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছবে বলে শঙ্কা করা হচ্ছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় লন্ডনে তৃতীয় স্তরের তাপ-স্বাস্থ্য সতর্কতা জারি হয়েছে।

চরম তাপ ইউরোপে সীমাবদ্ধ না

গেল সপ্তাহে রেকর্ড তাপমাত্রার কারণে যুক্তরাষ্ট্রের মোট জনসংখ্যার এক তৃতীয়াংশকে বাড়ির ভেতরে থাকার পরামর্শ দেয়া হয়েছিল। ভারতের দিল্লিতে চলতি গ্রীষ্মের ২৫ দিনে সর্বোচ্চ ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে।

জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বিশ্বের তাপমাত্রা বাড়ছে। কার্বন-ডাই-অক্সাইডের মতো গ্রিনহাউস গ্যাসগুলো পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে প্রচুর পরিমাণে নির্গত হচ্ছে। এ ধরনের গ্যাস সূর্যের তাপকে আটকে রাখে, ফলে গ্রহটি উষ্ণ হয়ে ওঠছে।

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Trump read Marilyn Biden

ট্রাম্প মারলেন, বাইডেন পড়লেন

ট্রাম্প মারলেন, বাইডেন পড়লেন বাইডেনের সাইকেল থেকে পড়ে যাওয়া নিয়ে ভিডিও পোস্ট করেছেন ট্রাম্প। ছবি: সংগৃহীত
সবশেষ প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে বাইডেনের কাছে পরাজিত ট্রাম্প তৈরি করেছেন একটি ভিডিও। এতে দেখা যায়, একটি মাঠে কষে গলফ স্টিক হাঁকাচ্ছেন ট্রাম্প, এর পরের দৃশ্যে রাস্তার মাঝে সাইকেল থেকে পতন ঘটছে বাইডেনের।   

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন সম্প্রতি ডেলওয়্যারে নিজের অবকাশকালীন বাড়ির কাছে সাইকেল থেকে পড়ে গিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নতুন করে হাস্যরসের জন্ম দিয়েছেন। ওই ঘটনা নিয়ে এবার বিদ্রুপে যোগ দিলেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প।

সবশেষ প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে বাইডেনের কাছে পরাজিত ট্রাম্প তৈরি করেছেন একটি ভিডিও। এতে দেখা যায়, একটি মাঠে কষে গলফ স্টিক হাঁকাচ্ছেন ট্রাম্প, এর পরের দৃশ্যে রাস্তার মাঝে সাইকেল থেকে পতন ঘটছে বাইডেনের।

নিজ উদ্যোগে গড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে ভিডিওটি পোস্ট করেছেন ট্রাম্প। এরই মধ্যে পোস্টটি রিট্রুথ হয়েছে ৪ হাজার ২০ বার এবং লাইক পড়েছে ৯ হাজার ৩৭০টি।

যুক্তরাষ্ট্রে গত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের সময় বিদ্বেষ ও সহিংসতা ছড়ানোর অভিযোগে ডনাল্ড ট্রাম্পের অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দেয় ফেসবুক ও টুইটার। এরপর নিজেই চালু করে দেন ট্রুথ সোশ্যাল। এটি এখনও পরীক্ষামূলক পর্যায়ে রয়েছে। টুইটারে কোনো পোস্ট ফের শেয়ার করা হলে তাকে বলা হয় রিটুইট। এর আদলে ট্রুথ সোশ্যালের পোস্ট শেয়ার করলে বলা হয় রিট্রুথ।

ব্যাঙ্গাত্মক ভিডিও পোস্টের পাশাপাশি কথার জালেও বাইডেনকে উপহাস করেছেন ট্রাম্প। আমেরিকা ফ্রিডম ট্যুরের এক শোভাযাত্রায় বক্তব্যের সময় তিনি বলেন, ‘আমি আশা করি তিনি (জো বাইডেন) সুস্থ হয়ে উঠেছেন। না, আমি সিরিয়াস। আশা করি তিনি ঠিক আছেন। আমি আপনাদের কাছে আজ প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি, আমি কখনও সাইকেলে চড়ব না।’

আমেরিকার স্থানীয় সময় শনিবার সকাল ৯টা ৪০ মিনিটে ডেলাওয়্যার অঙ্গরাজ্যের রেহোবোত সমুদ্রসৈকতের কাছে বাইডেন সাইকেল থেকে পড়ে যান।

স্ত্রীর সঙ্গে ৪৫তম বিবাহবার্ষিকী উদযাপনে সেখানে গিয়েছিলেন প্রেসিডেন্ট বাইডেন।

ভিডিওতে দেখা যায়, বেশ কয়েকজনের সঙ্গে লাইন ধরে সাইকেল চালিয়ে আসছেন বাইডেন। একপর্যায়ে হঠাৎ পড়ে যান তিনি। তাকে টেনে তোলেন কয়েকজন।

রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা একজনের সঙ্গে কথা বলার জন্য থামলে সাইকেলসহ ধরাশায়ী হন তিনি। স্থানীয় লোকজন ছাড়াও এ সময় সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

নিজেকে সামলে উঠে দাঁড়ানোর সময় বাইডেন বলছিলেন, ‘আমি ভালো অছি’, ‘আমি ভালো আছি’।

এমন দুর্ঘটনা বাইডেনের জীবনে এটিই প্রথম নয়। ২০২০ সালের ডিসেম্বরে নিজের পোষা কুকুরের সঙ্গে খেলতে গিয়ে পড়ে পা ভাঙেন তিনি। চিকিৎসার পাশাপাশি সে সময় তাকে কয়েক সপ্তাহ মেডিক্যাল বুট পরে থাকতে হয়েছিল।

ক্ষমতা গ্রহণের পর গত বছরের মার্চে বিমানে ওঠার সময় সিঁড়িতে তিনবার হোঁচট খান প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। ওয়াশিংটন ডিসি থেকে আটলান্টা যাওয়ার জন্য এয়ারফোর্স ওয়ানে উঠছিলেন বাইডেন। একপর্যায়ে বিমানটির সিঁড়িতে তিনবার হোঁচট খান তিনি।

বিভিন্ন গণমাধ্যমে এ ঘটনার ভিডিও প্রকাশিত হয়। পরে অবশ্য ঠিকমতো বিমানের কেবিন পর্যন্ত পৌঁছান বাইডেন। সিঁড়ির মুখে দাঁড়িয়ে স্যালুটও দেন।

আরও পড়ুন:
যুক্তরাষ্ট্রে বন্দুক নিয়ন্ত্রণে দুই দলে ঐকমত্য
যুক্তরাষ্ট্রে শ্বেতাঙ্গ জাতীয়তাবাদী গোষ্ঠীর ৩১ সদস্য গ্রেপ্তার
বন্দুক সহিংসতার বিরুদ্ধে বিক্ষোভে উত্তাল যুক্তরাষ্ট্র
যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবন্দরে আর লাগবে না করোনার নেগেটিভ সনদ
যুক্তরাষ্ট্রে বিদ্যুৎসংকট: জ্বালানি জরুরি অবস্থা ঘোষণা বাইডেনের

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
The transgender girl in the mask wants to change the name given by her parents

বাবা-মায়ের দেয়া নাম বদলাতে চান মাস্কের ট্রান্সজেন্ডার মেয়ে

বাবা-মায়ের দেয়া নাম বদলাতে চান মাস্কের ট্রান্সজেন্ডার মেয়ে ইলন মাস্ক
সম্প্রতি ১৮ বছরে পা দেয়া জেভিয়ার আলেকজান্ডার মাস্ক তার বাবা বিশ্বের শীর্ষ ধনকুবের মাস্কের সঙ্গে আর কোনোভাবেই সম্পর্কিত থাকতে চান না বলে জানিয়েছেন। 

বাবা-মায়ের দেয়া নাম বদলাতে চান ইলেকট্রিক গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান টেসলা ও মহাকাশ সংস্থা স্পেসএক্সের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইলন মাস্কের ট্যান্সজেন্ডার মেয়ে।

গত এপ্রিলে যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলসের সুপ্রিম কোর্টে তিনি নাম বদল ও নতুন জন্ম সনদ চেয়ে আবেদন করেন বলে এক প্রতিবেদনে মঙ্গলবার জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি

সম্প্রতি ১৮ বছরে পা দেয়া জেভিয়ার আলেকজান্ডার মাস্ক তার বাবা বিশ্বের শীর্ষ ধনকুবের মাস্কের সঙ্গে আর কোনোভাবেই সম্পর্কিত থাকতে চান না বলে জানিয়েছেন।

আদালতের কাছে ছেলে থেকে মেয়ে পরিচয়ের স্বীকৃতি এবং বর্তমান নাম পরিবর্তন করে নতুন নাম নিবন্ধন করতে আবেদন করেন তিনি।

আলেকজান্ডার মাস্ক বলেন, 'আমি আর কোনোভাবেই আমার জন্মদাতা বাবার সঙ্গে থাকতে বা তার নাম-পরিচয় বহনের সম্পর্ক রাখতে চাই না।'

ইলন মাস্ক-জাস্টিন উইলসনের ঘরে জন্ম নেন আলেকজান্ডার মাস্ক। ২০০৮ সালে তার বাবা-মায়ের বিয়ে বিচ্ছেদ হয়ে যায়।

২০০০ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত জাস্টিনের সঙ্গে ঘর করার পর আরও দুই নারীকে বিয়ে করেছিলেন ইলন মাস্ক। অবশ্য এই দুই স্ত্রীর সঙ্গেও বিচ্ছেদ হয় তার।

মেয়ের নাম পরিবর্তনের আবেদনের ব্যাপারে মাস্কের প্রতিষ্ঠান টেসলা বা তার নিজের কোনো আইনজীবীর মন্তব্য জানা যায়নি।

তবে এই আবেদনের মাসখানেক পর যুক্তরাষ্ট্রের রিপাবলিকান পার্টির প্রতি সমর্থনের কথা জানান ইলন মাস্ক; যে পার্টির নির্বাচিত প্রতিনিধিদের অবস্থান দেশজুড়ে ট্রান্সজেন্ডার অধিকারকে সীমিত করার আইনের পক্ষে।

এর আগে ২০২০ সালে এক টুইট বার্তায় ইলন মাস্ক বলেছিলেন, 'আমি পুরোপুরি ট্রান্সজেন্ডারদের সমর্থন করি। কিন্তু নারী বা পুরুষ পরিচয় বেছে নেওয়া একটি দুঃস্বপ্ন।'

আরও পড়ুন:
বাংলাদেশ থেকে ইলন মাস্কের স্টারলিংকের অর্ডার নেয়া শুরু
জীবনহানির শঙ্কায় ইলন মাস্ক
ইলন মাস্ককে টুইটারের বদলে শ্রীলঙ্কা কেনার পরামর্শ

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
The house is being demolished by Brin the sixth richest man in the world

ঘর ভাঙছে বিশ্বের ষষ্ঠ ধনী ব্রিনের

ঘর ভাঙছে বিশ্বের ষষ্ঠ ধনী ব্রিনের সার্গেই ব্রিন ও নিকোলি শানাহান
সার্গেই ব্রিন-নিকোলি শানাহান দম্পতির তিন বছরের সংসারে একটি তিন বছর বয়সী ছেলেসন্তান রয়েছে। আদালতের কাছে তারা আবেদন জানিয়েছেন, বিচ্ছেদ নিয়ে সব তথ্য যেন গোপন রাখা হয়।

কোনোভাবেই কী তাহলে আর মিলছে না! মিটে গেছে সব হিসাব-নিকাশ! একসঙ্গে জীবন কাটানোর সব আয়োজনই ম্লান হয়েছে! হাঁপিয়ে উঠেছেন তারা? এসব প্রশ্নের উত্তর হয়তো হ্যাঁ। তাই তো স্ত্রীর সঙ্গে বিয়েবিচ্ছেদের আবেদন করেছেন বিশ্বের ষষ্ঠ ধনী ও সার্চ ইঞ্জিন গুগলের অন্যতম কারিগর এবং সহপ্রতিষ্ঠাতা সার্গেই ব্রিন।

সম্পর্কে বৈরিতা এসেছে জানিয়ে চলতি মাসেই যুক্তরাষ্ট্রের একটি আদালতে ব্রিন বিচ্ছেদের আবেদন করেছেন বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি

সার্গেই ব্রিন-নিকোলি শানাহান দম্পতির তিন বছরের সংসারে একটি তিন বছর বয়সী ছেলেসন্তান রয়েছে। আদালতের কাছে তারা আবেদন জানিয়েছেন, বিচ্ছেদ নিয়ে সব তথ্য যেন গোপন রাখা হয়।

গুগলসহ আরও কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে জড়িত ৪৮ বছর বয়সী ব্রিন ৯৪ বিলিয়ন ডলারের সমপরিমাণ সম্পদের মালিক। আরও একবার বিয়ের পিঁড়িতে বসেছিলেন তিনি। তবে ২০১৫ সালে ওই স্ত্রীর সঙ্গেও তার বিচ্ছেদ হয়ে যায়।

এর আগে গত বছরের মে মাসে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে শিরোনাম হয় ওই মুহূর্তে বিশ্বের শীর্ষ ধনীদের তালিকায় চতুর্থ অবস্থানে থাকা বিল গেটসের বিয়েবিচ্ছেদের খবর। মাইক্রোসফট প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস ও মেলিন্ডা গেটসের ২৭ বছরের দাম্পত্যে ইতি ঘটলে তা ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।

বিল ও মেলিন্ডা তাদের বিয়েবিচ্ছেদের ঘোষণা দিয়ে তখন বলেন, জুটি হিসেবে এগিয়ে যেতে পারি, এটা আমরা আর বিশ্বাস করি না।

আরও পড়ুন:
অবশেষে বিচ্ছিন্ন বিল-মেলিন্ডা
বিল গেটসের টয়লেটে মল পরিণত হবে ‘সম্পদে’
বিল গেটসের হাতে নতুন ‘বিয়ের’ আংটি
বিচ্ছেদের নেপথ্যে বিল গেটসের এপস্টেইন ঘনিষ্ঠতা?

মন্তব্য

p
উপরে