× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ পৌর নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট

আন্তর্জাতিক
Where the Black Death started
hear-news
player
print-icon

ব্ল্যাক ডেথের শুরু যেখান থেকে

ব্ল্যাক-ডেথের-শুরু-যেখান-থেকে
ব্ল্যাক ডেথে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা করতে ডাক্তাররা এমন লম্বা মাস্ক পরতেন। ছবি: সংগৃহীত
টিউবিনজেন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক ডা. মারিয়া স্পাইরু বলেছেন, দলটি সাতটি কঙ্কাল থেকে ডিএনএ সিকোয়েন্স করেছে। এসব নমুনার তিনটিতে প্লেগ, ব্যাকটেরিয়া ও ইয়ারসিনিয়া পেস্টিস খুঁজে পেতে সক্ষম হয়েছে।

ইউরোপ, এশিয়া ও উত্তর আফ্রিকায় ব্ল্যাক ডেথ মহামারিতে কয়েক কোটি লোক মারা যায়। ১৪ শতকের মাঝামাঝি সময়ে দেখা দেয়া এই স্বাস্থ্য বিপর্যয় মানব ইতিহাসে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য সংক্রামক ঘটনাগুলোর একটি। ইউরোপের মোট জনসংখ্যার ৩০ থেকে ৬০ ভাগ এই ব্ল্যাক ডেথে মারা যায়।

ন্যাচারের প্রকাশিত এক গবেষণা প্রবন্ধে বলা হয়েছে, এবার এই ব্ল্যাক ডেথ মহামারির ৬০০ বছর পরে এসে গবেষকরা বলছেন তারা এই মহামারির উৎসের সন্ধান পেয়েছেন। বছরের পর বছর গবেষণা করেও এত দিন এর উৎস ছিল অজানা।

গবেষকরা বলছেন, এর সূত্রপাত ১৩৩০-এর দশকে মধ্য এশিয়ার কিরগিজস্তানে। সেখানে দুটি কবরস্থান কারা ডিজিগাচ ও বুরানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করেন তারা।

ধারণা করা হয়, মহামারির কারণে মারা যাওয়া লোকদের এই কবরস্থানগুলোতে সমাধিস্থ করা হয়েছে। এই কবরস্থানের সমাধিফলকগুলোতে মৃত্যুর তারিখও লেখা আছে। এই কবরস্থানগুলো আইসিককুল হ্রদের কাছে অবস্থিত।

মহামারির কারণে ১৩৩৮ থেকে ১৩৩৯ সালে সেখানে সমাধিগুলোর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছিল।

স্কটল্যান্ডের ইউনিভার্সিটি অফ স্টার্লিং, জার্মানির ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক ইনস্টিটিউট ও ইউনিভার্সিটি অফ টিউবিনজেনের গবেষণা দল ৭টি কঙ্কালের দাঁত থেকে প্রাচীন ডিএনএ নমুনা বিশ্লেষণ করেছেন।

টিউবিনজেন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক ডা. মারিয়া স্পাইরু বলেছেন, দলটি সাতটি কঙ্কাল থেকে ডিএনএ সিকোয়েন্স করেছে।

গবেষকদল এসব নমুনার তিনটিতে প্লেগ, ব্যাকটেরিয়া ও ইয়ারসিনিয়া পেস্টিস খুঁজে পেতে সক্ষম হয়েছে।

তাই গবেষকদের দাবি চৌদ্দ শতকের প্রথম দিকেই এই মহামারির প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছিল। যদিও ব্ল্যাক ডেথের ভয়ংকর সময়সীমা বলতে বোঝানো হয়, ১৩৪৬ থেকে ১৩৫৩ সাল পর্যন্ত।

প্লেগ একটি সম্ভাব্য প্রাণঘাতী ব্যাকটেরিয়াবাহিত সংক্রামক রোগ। প্রধানত এর বাহক হলো ইঁদুর ও মাছি। ইয়েরসেনিয়া পেস্টিস ব্যাকটেরিয়া এই রোগের উত্তরসূরি।

এর মধ্যে বুবোনিক প্লেগে মানুষের আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। এই রোগে আক্রান্ত নারী ও পুরুষ কবজি ও বগলের স্থানে টিউমারের মতো কোনো কিছুর অস্তিত্ব অনুভব করে। ধীরে ধীরে সেগুলো বড় হতে থাকে।

একপর্যায়ে এটি আপেল বা ডিমের মতো আকার ধারণ করে ও ছড়িয়ে পড়তে থাকে। কালো রঙের এই ফোড়া অত্যন্ত বেদনাদায়ক হয় এবং রোগাক্রান্ত ব্যক্তির সারা শরীরে এটি দেখা যায়। একপর্যায়ে এগুলো পচে যায় ও পুঁজ বের হতে থাকে এবং আক্রান্ত ব্যক্তি সাধারণত ৩ থেকে ৭ দিনের মধ্যে মারা যায়।

ব্ল্যাক ডেথের শুরু যেখান থেকে
ব্ল্যাক ডেথে আক্রান্ত রোগীর আঙুল। ছবি: সিডিসি

২০১০ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত বিশ্বব্যাপী ৩ হাজার ২৪৮ জনের প্লেগ শনাক্ত হয়। আক্রান্তদের মধ্যে ৫৮৪ জন মারা যায়।

ঐতিহাসিকভাবে এই প্লেগকে ব্ল্যাক ডেথ বলা হয়, কারণ এই রোগে আক্রান্ত হলে হাত-পায়ের আঙুল কালো হয়ে যায়।

আরও পড়ুন:
মহামারিতে স্কুল হারিয়েছে হাজারও ছেলেশিশু
দেশের ৫৫ কোটি মানুষের সমান সম্পদের মালিক ৯৮ ভারতীয়
ভবিষ্যৎ মহামারি মোকাবিলায় বাংলাদেশ ‘অপ্রস্তুত’
মহামারিতে অতিধনীরা আরও ফুলে-ফেঁপে উঠেছেন
টিকা জাতীয়তাবাদে ভুগবে বিশ্ব: ডব্লিউটিও প্রধান

মন্তব্য

আরও পড়ুন

আন্তর্জাতিক
Those who giggle on peoples faces all night

রাতভর মানুষের মুখের ওপর কিলবিল করে যারা

রাতভর মানুষের মুখের ওপর কিলবিল করে যারা প্রতি রাতে মানুষের মুখের ওপর রাজত্ব কায়েম করে ডেমোডেক্স ফলিকুলরাম নামের এক ধরনের মাইট। ছবি সংগৃহীত
ডেমোডেক্স ফলিকুলরামের একমাত্র আবাসস্থল মানুষ। এরা আমাদের মুখের লোমকূপে জন্মায়, খাওয়া-দাওয়া করে; এমনকি সঙ্গমের জায়গা হিসেবে বেছে নেয় মুখের নরম ত্বক। এদের খাবারের সবটা জোগান দেয় মানুষের মুখের মৃত কোষ।

রাতের আঁধার ঘনিয়ে এলেই গোপন আবাস ছেড়ে বেরিয়ে আসে এরা। ধীর পায়ে কিলবিল করে মুখজুড়ে। খাওয়া-দাওয়া করে, এমনকি সুযোগ বুঝে সেরে নেয় সঙ্গম। ত্বকের মৃত কোষ এদের দারুণ পছন্দ। রাতভর উদরপূর্তি শেষে ভোরের আলো ফুটতেই এরা আবার ফিরে যায় নিজেদের গোপন ডেরায়।

প্রতি রাতে মানুষের মুখের ওপর এভাবে রাজত্ব কায়েম করে ডেমোডেক্স ফলিকুলরাম নামের এক ধরনের মাইট। এদের জন্ম মানুষের মুখের লোমকূপে, মুখের মৃত কোষ খেয়েই বাড়বাড়ন্ত; প্রায় দুই সপ্তাহের জীবনকাল কেটে যায় মানুষের মুখমণ্ডলে বিচরণ করেই।

সুদীর্ঘকাল ধরে মানুষের মুখকে পোষক বানিয়ে টিকে আছে এই প্রজাতির মাইট। তৈরি করেছে মানব মুখমণ্ডলের সঙ্গে এক গভীর আন্তসম্পর্ক। শুনতে ভয়ের মনে হলেও এদের আবাস হওয়ার বিনিময়ে বিশেষ কিছু সুবিধাও কিন্তু আদায় করে নিচ্ছে আমাদের মুখের ত্বক। এসব মাইট মৃত কোষভোজী হওয়ার কারণে পরিষ্কার থাকছে মানুষের মুখের লোমকূপ।

ডেমোডেক্স ফলিকুলরাম ছাড়াও আরও বেশ কিছু মাইটের অস্তিত্ব দেখা যায় মানুষের শরীরে। তবে এগুলোর কোনোটির পুরো জীবনচক্র মানুষের দেহনির্ভর নয়। কেবল ডেমোডেক্স ফলিকুলরামের একমাত্র আবাসস্থল মানুষ। এরা আমাদের মুখের লোমকূপে জন্মায়, খাওয়া-দাওয়া করে; এমনকি সঙ্গমের জায়গা হিসেবে বেছে নেয় মুখের নরম ত্বক। এদের খাবারের সবটা জোগান দেয় মানুষের মুখের মৃত কোষ।

মলিকুলার বায়োলজি অ্যান্ড ইভোলিউশনে সম্প্রতি প্রকাশিত এক গবেষণাপত্রে বলা হয়েছে, ডেমোডেক্স ফলিকুলরাম মানুষনির্ভরতা জোরদার করতে নিজেদের জিনগত বিবর্তনও ঘটিয়েছে।

এতে বলা হয়, ‘আণুবীক্ষণিক মাইটগুলো একটি বাহ্যিক পরজীবী থেকে ক্রমশ মানবত্বকের অভ্যন্তরীণ বৈশিষ্ট্যে বিকশিত হওয়ার প্রক্রিয়ায় রয়েছে। এটি হোস্টের (মানুষ) সঙ্গে পারস্পরিক সুবিধার সম্পর্ক তৈরি করেছে।’

রাতভর মানুষের মুখের ওপর কিলবিল করে যারা

অন্যকথায় মাইটগুলো ধীরে ধীরে আমাদের দেহের অংশ হয়ে যাচ্ছে। গবেষকেরা বিভিন্ন অণুজীবের জিন বিন্যাস করে দেখেছেন ডেমোডেক্স ফলিকুলরামের মতো মানুষনির্ভরতা অন্য প্রজাতির মাইটের মধ্যে নেই।

যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অফ রিডিংয়ের অমেরুদণ্ডী প্রাণী বিশেষজ্ঞ আলেজান্দ্রা পেরোত্তি বলেন, ‘এই মাইটে অনুরূপ প্রজাতির চেয়ে জিনগত আলাদা বিন্যাস রয়েছে। এরা লোমকূপের ভেতর আশ্রিত জীবনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে পারে।

‘ডিএনএতে এই পরিবর্তনের কারণে কিছুটা অস্বাভাবিক বৈশিষ্ট্য এবং আচরণ দেখা যায় এগুলোর মধ্যে।’

ডেমোডেক্স ফলিকুলরামের একমাত্র খাদ্য মানুষের ত্বকের অবশেষ বা মৃত কোষ। এগুলো কেবল রাতে বেরিয়ে আসে। নিকষ আঁধারে সঙ্গী খুঁজে বেড়ায়। এ জন্য ত্বকজুড়ে এরা হামাগুড়ি দিতে থাকে। খাদ্যগ্রহণ এবং সঙ্গীর সঙ্গে সহবাস শেষে ভোরের আগে এরা আবার লোমকূপের নিরাপদ আশ্রয়ে ফিরে যায়।

দৈর্ঘ্যে এরা এক মিলিমিটারের মাত্র এক-তৃতীয়াংশ। সসেজ আকৃতির দেহের এক প্রান্তে একগুচ্ছ পা এবং একটি মুখ আছে।

যুক্তরাজ্যের ব্যাঙ্গর ইউনিভার্সিটির জিনতত্ত্ববিদ গিলবার্ট স্মিথের নেতৃত্বে একদল গবেষক মাইটটির জিনগত কিছু আকর্ষণীয় বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করেছেন।

তিনি বলছেন, ‘এদের জীবন খুবই সরল। এদের কোনো প্রাকৃতিক শিকারি নেই। নেই কোনো প্রতিযোগিতা। কেবল প্রোটিন তাদের বাঁচিয়ে রাখে। এরা রাতে বেরিয়ে আসে।

‘এর কারণ যেসব জিন সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মির বিরুদ্ধে প্রাণীর ত্বককে সুরক্ষা দেয়, এই মাইটদের মধ্যে সেই জিন নেই। এ জন্য দিনের পরিবর্তে এরা রাতে ঘুরে বেড়ায়।’

এসব মাইট মেলাটোনিন হরমোন তৈরি করতে পারে না, এই হরমোন বেশির ভাগ জীবিত প্রাণীর মধ্যে পাওয়া যায়। মেলাটোনিন মানুষের ঘুমের চক্র নিয়ন্ত্রণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এ ছাড়া এই হরমোন ক্ষুদ্র অমেরুদণ্ডী প্রাণীর প্রজনন ও গতিশীলতায় সাহায্য করে।

ডেমোডেক্স ফলিকুলরাম নিজের দেহে মেলাটোনিন তৈরি করতে না পারলেও খুব একটা অসুবিধায় পড়ে না, কারণ এই হরমোন তারা ছেঁকে নেয় মানুষের মুখের ত্বক থেকে।

বিশেষ এই মাইটের প্রজনন অঙ্গ থাকে দেহের সামনের দিকে, যা অন্যান্য মাইটের চেয়ে ভিন্ন। মাইটটির পুরুষাঙ্গ তাদের পিঠ থেকে ওপরের দিকে নির্দেশ করা। এর অর্থ, সঙ্গমের সময় স্ত্রীর নিচে রাখতে হয় নিজেকে।

গবেষণায় দেখা গেছে, লার্ভা এবং প্রাপ্তবয়স্কের বিকাশ অল্প সময়ে ঘটে। এরা প্রাপ্তবয়স্ক পর্যায়ে পৌঁছানোর পর ধীরে ধীরে দেহকোষ হারাতে শুরু করে।

বছরের পর বছর ধরে বিজ্ঞানীরা মনে করতেন, ডেমোডেক্স ফলিকুলমের মলদ্বার নেই। এর পরিবর্তে এরা মারা গেলে বিস্ফোরিত হয়। এ সময় এদের শরীরে বর্জ্যে ত্বকের প্রদাহ সৃষ্টি হয়। তবে নতুন গবেষণায়, এই মাইটদের ছোট মলদ্বার পাওয়া গেছে। ফলে রাতভর মানুষের মুখের ত্বক মাইটের মলে ছেয়ে যাওয়ার আশঙ্কা একেবারে উড়িয়ে দেয়া যাচ্ছে না।

এতে আঁতকে ওঠার কিছু নেই, আপনি চাইলেও মুখ থেকে ওদের তাড়ানোর কোনো উপায় নেই। বরং এসব মাইটের উপকারী দিক নিয়ে ভাবতে পারেন। আর্জেন্টিনার ব্যাঙ্গর ইউনিভার্সিটি এবং সান জুয়ান ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির প্রাণিবিদ হেঙ্ক ব্রেইগ যেমনটি বলছেন, ‘বিভিন্ন মাইটকে অনেক কিছুর জন্য দায়ী করা হয়। তবে এই মাইটগুলো আমাদের জন্য বেশ উপকারী। বিশেষ করে এদের কারণেই আমাদের মুখের লোমকূপগুলো মরা কোষের কারণে অবরুদ্ধ হয়ে যায় না।’

আরও পড়ুন:
পৃথিবীর ‘সবচেয়ে বড়’ উদ্ভিদের সন্ধান
ভিডিও গেমে বুদ্ধি বাড়ে শিশুর
‘পৌরুষত্বের অনুভূতি’ রক্ষার চাপে নারীর অপূর্ণ যৌনজীবন  
শার্ট খোলা ছবি দিলেই আবেদন হারায় পুরুষ!
মঙ্গলে কবে ঘর বাঁধবে মানুষ

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
50 feet diameter sundial in Calcutta

৫০ ফুট ব্যাসের সূর্যঘড়ি কলকাতায়

৫০ ফুট ব্যাসের সূর্যঘড়ি কলকাতায় কলকাতার সায়েন্স সিটি মিউজিয়াম। ছবি: ফেসবুক থেকে
কলকাতার বাইপাসের পাশেই ১৯৯৭ সালে চালু হয় বিজ্ঞান বিনোদন পার্ক। ২৫ বছর হয়ে গেলেও বিনোদন স্থান হিসেবে এখনও  শহরে নিজের জনপ্রিয়তা ধরে রেখেছে পার্কটি। করোনাভাইরাস সংক্রমণের কারণে ২০২০ সাল থেকে দুই বছর দর্শনার্থী শূন্য থাকার পর আবার জমে উঠেছে কলকাতার সায়েন্স সিটি মিউজিয়াম।

কলকাতা শহরের জনপ্রিয় জায়গাগুলোর মধ্যে অন্যতম সায়েন্স সিটি মিউজিয়াম। এই মিউজিয়ামের ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে দর্শকদের জন্য একাধিক চমক হাজির করছে মিউজিয়াম কর্তৃপক্ষ।

নতুন চমকের অংশ হিসেবে সায়েন্স সিটি পার্কে বসছে ৫০ ফুট ব্যাসের সুর্যঘড়ি। সুর্যোদয় থেকে সুর্যাস্ত পর্যন্ত নিখুঁত হিসেব দেবে এই ঘড়ি।

কলকাতার বাইপাসের পাশেই ১৯৯৭ সালে চালু হয় বিজ্ঞান বিনোদন পার্ক। ২৫ বছর হয়ে গেলেও বিনোদন স্থান হিসেবে এখনও শহরে নিজের জনপ্রিয়তা ধরে রেখেছে পার্কটি।

করোনাভাইরাস সংক্রমণের কারণে ২০২০ সাল থেকে দুই বছর দর্শনার্থী শূন্য থাকার পর আবার জমে উঠেছে কলকাতার সায়েন্স সিটি মিউজিয়াম।

মিউজিয়ামের প্রধান কর্মকর্তা অনুরাগ কুমার জানান, ‘এবছর মে মাসে গত ২৪ বছরের মধ্যে সবচেয়ে বেশি লোকসমাগম হয়েছে। ১৯৯৮ সালের মে মাসে ১ লাখ ৪৯ হাজার দর্শনার্থী এসেছিলেন। এবার মে মাসে দর্শনার্থী আসেন ১ লাখ ৫৪ হাজার।’

দর্শনার্থীদের জন্য সায়েন্স সিটি মিউজিয়ামের প্রধান আকর্ষণ স্পেস থিয়েটার, টাইম মেশিন, ডাইনোসর পার্ক রাইড, ডিজিটাল প্যানোরমা। এবার এই তালিকায় যোগ হচ্ছে ৫০ ফুট ব্যাসের সূর্য ঘড়ি।

আরও পড়ুন:
কলকাতার এয়ারক্রাফট মিউজিয়ামে কার্গিল যুদ্ধের উড়োজাহাজ

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
5 planets can be seen together with the naked eye

খালি চোখে একসঙ্গে দেখা যাবে ৫ গ্রহ

খালি চোখে একসঙ্গে দেখা যাবে ৫ গ্রহ মহাজাগতিক ঘটনাগুলো সংগঠিত হয় অনেক বছর পর পর। ছবি: সংগৃহীত
পাঁচটি গ্রহের অর্ধাকার চাঁদের মতো এই সংযোগ শুক্রবার সবচেয়ে ভালো দেখা যাবে এবং বিশ্বের অধিকাংশ জায়গায় সোমবার পর্যন্ত দেখা যাবে। শেষবার গ্রহগুলোর এই অর্ধচন্দ্রাকৃতির সংযোগ ঘটেছিল ২০০৪ সালে। পরে আবার এই সংযোগ দেখতে চাইলে অপেক্ষা করতে হবে ২০৪০ সাল পর্যন্ত।

মহাজাগতিক যেকোনো ঘটনার জন্য অপেক্ষা করতে হয় বহু বছর। এবার এমনই এক মহাজাগতিক ঘটনার সাক্ষী হতে যাচ্ছে বিশ্ববাসী। যা এর আগে হয়েছিল ১৮ বছর আগে। আবার এই ঘটনা দেখতে চাইলে অপেক্ষা করতে হবে আরও ১৮ বছর।

আমাদের সৌরজগতের প্রধান পাঁচটি গ্রহ শুক্রবার থেকে একই সারিতে উজ্জ্বলভাবে জ্বলবে আবারও।

স্পেসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভোরের আগে আকাশ পরিষ্কার থাকলে বুধ, শুক্র, মঙ্গল, বৃহস্পতি এবং শনিগ্রহ দেখার জন্য খালি চোখই যথেষ্ট।

তবে বুধগ্রহকে দেখার জন্য এটিই বিশেষ সুযোগ, সাধারণত সূর্যের উজ্জ্বল আলোর কারণে বুধ অস্পষ্ট থাকে।

বলা হচ্ছে পাঁচটি গ্রহের অর্ধাকার চাঁদের মতো এই সংযোগ শুক্রবার সবচেয়ে ভালো দেখা যাবে এবং বিশ্বের অধিকাংশ জায়গায় সোমবার পর্যন্ত দেখা যাবে।

খালি চোখে একসঙ্গে দেখা যাবে ৫ গ্রহ
সমান্তরালে শুক্র, বৃহস্পতিগ্রহ ও চাঁদ

মহাকাশ বিজ্ঞানী এবং সোসাইটি ফর পপুলার অ্যাস্ট্রোনমির প্রফেসর লুসি গ্রিন ব্যাখ্যা করেছেন যে, ‘মুক্তোর একটি মালার মতন দিগন্তের কাছাকাছি থেকে তা ছড়িয়ে পড়বে।’

শেষবার গ্রহগুলোর এই অর্ধচন্দ্রাকৃতির সংযোগ ঘটেছিল ২০০৪ সালে। পরে আবার এই সংযোগ দেখতে চাইলে অপেক্ষা করতে হবে ২০৪০ সাল পর্যন্ত।

আরও পড়ুন:
পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসছে প্লাজমা
মঙ্গলগ্রহে যেতে লাগবে লেটুস পাতা
পৃথিবীর প্রত্যেকে হবে বিলিয়নেয়ার!
সৌরজগতে তিন চাঁদের গ্রহাণু
সবচেয়ে বড় ছায়াপথের সন্ধান

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Where did the mysterious alien signal from China come from?

চীনের রহস্যজনক এলিয়েন সংকেত এলো কোথা থেকে

চীনের রহস্যজনক এলিয়েন সংকেত এলো কোথা থেকে এখন পর্যন্ত পৃথিবীর বাইরের বুদ্ধিমত্তার মুখোমুখি হয়নি মানুষ। ছবি: সংগৃহীত
চীনের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে প্রকাশিত দৈনিকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দৈত্যাকার স্কাই আই টেলিস্কোপ পৃথিবীর বাইরে জীবনের চিহ্নের সন্ধান পেয়েছে। যদিও গবেষক ড্যান ওয়ারথিমার যিনি প্রথম সংকেতগুলো দেখেছিলেন তিনি লাইফ সায়েন্সকে বলেছিলেন, এটি মানব হস্তক্ষেপ ( ন্যারো ব্যান্ড রেডিও সিগন্যাল) থেকে এসেছে, বহির্জাগতিক বিষয় নয়।

পৃথিবীর বাইরে বুদ্ধিমত্তার খোঁজে দীর্ঘদিন যাবৎ কাজ করে আসছে বিজ্ঞানীরা, তবে তেমন কিছুর দেখা এখনও পাওয়া যায়নি। অনেক ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান প্রায়ই এলিয়েনের অস্তিত্বের বিভিন্ন প্রমাণ সামনে নিয়ে এলেও শেষ পর্যন্ত সেই প্রমাণগুলো আর টেকেনি।

সবশেষ চীনের একটি রাষ্ট্রীয় প্রযুক্তি পত্রিকায় বলা হয়, দেশটির গবেষকরা দাবি করেছিলেন, তারা খুব সম্ভবত তাদের রেডিও টেলিস্কোপ ‘স্কাই আই’তে বুদ্ধিমান এলিয়েনদের পাঠানো সংকেত পেয়ে থাকতে পারে।

তবে লাইফ সায়েন্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের এলিয়েন গবেষকদের এ নিয়ে সংশয় রয়েছে।

চীনে প্রাপ্ত এলিয়েন সংকেত গবেষণা প্রকল্পের একজন সহ-লেখক ক্যালিফোর্নিয়ার বার্কলে বিশ্ববিদ্যালয়ের পৃথিবীর বাইরে বুদ্ধিমত্তা খোঁজার গবেষণা প্রতিষ্ঠান সার্চ ফর এক্সট্রাটেরেস্ট্রিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এসইটিআই) গবেষক ড্যান ওয়ারথিমার যিনি প্রথম সংকেতগুলো দেখেছিলেন তিনি লাইফ সায়েন্সকে বলেছিলেন, এটি মানব হস্তক্ষেপ (ন্যারো ব্যান্ড রেডিও সিগন্যাল) থেকে এসেছে, বহির্জাগতিক বিষয় নয়।

সাধারণত ন্যারো ব্যান্ড রেডিও সংকেতগুলো প্রাকৃতিক উৎস থেকে সৃষ্টি হয় না।

স্কাই আই টেলিস্কোপের সংকেত ধারণের মতো ঘটনা এবারই প্রথম নয়। ২০১৯ সালেও বিজ্ঞানীরা এমন একটি সংকেত শনাক্ত করে, যা তারা ধারণা করেছিলেন প্রক্সিমা সেন্টোরি থেকে এসেছে, যেখানে অন্তত সম্ভাব্য বাসযোগ্য গ্রহ রয়েছে বলে বিজ্ঞানীদের ধারণা।

সেখান থেকে প্রাপ্ত সংকেতটিও ছিল ন্যারো ব্যান্ডের।

যদিও দুই বছরের গবেষণায় বেরিয়ে আসে যে, কারিগরি ত্রুটির কারণেই এমনটি হয়েছিল। সেটি কোনো এলিয়েন প্রযুক্তি থেকে আসা রেডিও সিগন্যাল ছিল না।

চীনের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে প্রকাশিত দৈনিকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চীনের দৈত্যাকার স্কাই আই টেলিস্কোপ পৃথিবীর বাইরে জীবনের চিহ্নের সন্ধান পেয়েছে।

যদিও প্রতিবেদনটিতে বলা হয়, পৃথিবীর বাইরের সভ্যতা অনুসন্ধান দলের প্রধান বিজ্ঞানী ঝাং টঞ্জি বলেছেন, সন্দেহজনক সংকেতগুলো রেডিও হস্তক্ষেপও হতে পারে এবং এর জন্য আরও তদন্তের প্রয়োজন।

দৈনিকটি পরে এ-সংক্রান্ত সব প্রতিবেদন ও পোস্টগুলো মুছে ফেলে।

তবে চীনের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দৈনিক থেকে কেন প্রতিবেদনটি সরিয়ে দেয়া হয়েছিল তা স্পষ্ট নয়।

খবরটি এরই মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ওয়েবুতে ছড়িয়ে পড়েছে এবং আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে খবরটি চলে এসেছে।

স্কাই আই বিশ্বের সবচেয়ে বড় রেডিও টেলিস্কোপ। এটি ন্যারো-ব্যান্ড ইলেকট্রোম্যাগনেটিক সিগন্যালে কাজ করে।

২০২০ সালের সেপ্টেম্বরে আনুষ্ঠানিকভাবে বহির্জাগতিক প্রাণের অনুসন্ধান শুরু করে স্কাই আই। চীনের দক্ষিণ-পশ্চিম গুইঝো প্রদেশে এর অবস্থান। টেলিস্কোপটির ব্যাস ৫০০ মিটার (১ হাজার ৬৪০ ফুট)।

ঝাংয়ের মতে, কম ফ্রিকোয়েন্সির এই রেডিও ব্যান্ড টেলিস্কোপ স্কাই আই অত্যন্ত সংবেদনশীল। বহির্জাগতিক প্রাণের সন্ধানে এর ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।

আরও পড়ুন:
এলিয়েনের সংস্পর্শে গর্ভবতী!
এলিয়েনের উদ্দেশে খোলা চিঠি
ইউএফও নিয়ে ব্যাখ্যা নেই যুক্তরাষ্ট্রের কাছে
‘এলিয়েনের নজরদারি’, ২৯ গ্রহ চিহ্নিত
এলিয়েনের খোঁজ পেয়েছে মানুষ!

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Construction of high tech park begins in Barisal

ব‌রিশালে হাইটেক পার্ক নির্মাণ শুরু

ব‌রিশালে হাইটেক পার্ক নির্মাণ শুরু বরিশালের হাইটেক পার্কের নকশা। ছবি: সংগৃহীত
‘বরিশালে সাড়ে ছয় একর জ‌মিতে হাইটেক পার্ক নির্মাণ হবে। আগেই এখানে শেখ কামাল আই‌টি ট্রেনিং সেন্টার নির্মাণ হয়েছে। ১৫৪ কো‌টি টাকা ব্যয়ে সাত তলা হাইটেক পার্কের ভি‌ত্তিপ্রস্তর স্থাপন হলো।’

বরিশালের নথুল্লাবাদে হাইটেক পার্কের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বৃহস্প‌তিবার দুপুরে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। এ সময় সিটি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ উপস্থিত ছিলেন।

ভারতের দেয়া সহজ শর্তে অর্থায়নে দেশের ১২ জেলায় ১২টি হাইটেক পার্ক স্থাপন প্রকল্পের অংশ হিসেবে বরিশালে এর কাজ শুরু হলো।

প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে পলক বলেন, ‘এই হাইটেক পার্ক ব‌রিশালের তরুণদের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হা‌সিনার উপহার। আমরা ছিলাম শ্রমনির্ভর অর্থনী‌তির বাংলাদেশ, প্রধানমন্ত্রী আমাদের‌ প্রযু‌ক্তিনির্ভর করতে কাজ করছেন।

‘বরিশালে সাড়ে ছয় একর জ‌মিতে হাইটেক পার্ক নির্মাণ হবে। আগেই এখানে শেখ কামাল আই‌টি ট্রেনিং সেন্টার নির্মাণ হয়েছে। ১৫৪ কো‌টি টাকা ব্যয়ে সাত তলা হাইটেক পার্কের ভি‌ত্তিপ্রস্তর স্থাপন হলো।’

প্রতিমন্ত্রী পলক বলেন, ‘এখানে সুস্থ বিনোদনের সিনেপ্লেক্স নির্মাণ হবে, এ জন্য প্রধানমন্ত্রী ২০ কো‌টি টাকা অনুমোদন দিয়েছেন। সবকিছু মি‌লিয়ে ২০০ কো‌টি টাকায় সাড়ে ছয় একর জ‌মিতে তরুণদের কর্মসংস্থান এবং বিনোদনের জন্য এই হাইটেক পার্ক নি‌র্মিত হচ্ছে।

ব‌রিশালে হাইটেক পার্ক নির্মাণ শুরু

‘ভারতের কাছ থেকে আমরা ঋণ সহায়তা পে‌য়ে‌ছি। সারা বাংলাদেশে হাইটেক পার্ক নির্মাণের জন্য প্রায় ১ হাজার ৭০০ কো‌টি টাকা ব্যয় হবে। এর মধ্যে খুব সহজ শর্তে ভারত ১ হাজার ৩০০ কো‌টি টাকা ঋণ দিয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘আগামী দুই বছরের মধ্যে এই হাইটেক পার্ক নির্মাণ শেষ হলে এক হাজার তরুণ-তরুণীকে সরাসরি প্রশিক্ষণ দেব। প্রতি বছর তিন হাজার জনের কর্মসংস্থান সৃ‌ষ্টি হবে। ব‌রিশালকে সি‌লিকন নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে এই হাইটেক পার্ক কাজ করবে।’

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন হাইটেক পার্ক প্রকল্পের প‌রিচালক এ কে এ এম ফজলুল হক, বরিশাল মহানগর পুলিশের ভা‌রপ্রাপ্ত ক‌মিশনার প্রলয় চি‌সিম, বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা প‌রিচালক বিকর্ণ কুমার ঘোষ, ব‌রিশাল চেম্বার সভাপ‌তি সাইদুর রহমান রিন্টু।

আরও পড়ুন:
ওয়াজেদ মিয়া হাইটেক পার্কের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন
হাইটেক সিটিতে সিসিটিভিসহ নিরাপত্তা সরঞ্জাম উৎপাদনে কারখানা
‘ডিজিটাল ডিভাইস উৎপাদনের হাব হবে হাইটেক পার্ক’

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Evidence of the search for life outside the Earth is probably in Chinas hands

পৃথিবীর বাইরে ‘প্রাণের সন্ধানের প্রমাণ’ সম্ভবত চীনের হাতে

পৃথিবীর বাইরে ‘প্রাণের সন্ধানের প্রমাণ’ সম্ভবত চীনের হাতে মহাজাগতিক প্রাণের সন্ধানে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে মানুষ। ছবি: সংগৃহীত
চীনের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে প্রকাশিত দৈনিকের প্রতিবেদনে  বলা হয়েছে, দৈত্যাকার স্কাই আই টেলিস্কোপ পৃথিবীর বাইরে জীবনের চিহ্নের সন্ধান পেয়েছে। যদিও পৃথিবীর বাইরের সভ্যতা অনুসন্ধান দলের প্রধান বিজ্ঞানী ঝাং টঞ্জি বলেছেন, সন্দেহজনক সংকেতগুলো রেডিও হস্তক্ষেপও হতে পারে এবং এর জন্য আরও তদন্তের প্রয়োজন।

এই বিশাল মহাবিশ্বের সীমা মানুষের অজানা। মানুষ যখন মহাবিশ্বের বিশালতার বিষয়ে ধারণা লাভ করতে পেরেছে, তখন একটি মৌলিক প্রশ্ন দাঁড়িয়ে গেছে, মহাবিশ্বে আমরা কী একা? আর এই উত্তর খুঁজতে দর্শনের পাশাপাশি মানুষ এখন দ্বারস্থ হচ্ছে বিজ্ঞানেরও।

এর উত্তর খুঁজতে আমাদের চেনা পৃথিবীর বাইরে বহির্জাগতিক প্রাণের সন্ধানের জন্য আস্ত একটি রেডিও টেলিস্কোপ বসিয়েছে চীন। আর সেই টেলিস্কোপেই ধরা পড়েছে রহস্যজনক সংকেত। চীন বলছে, পৃথিবীর বাইরে প্রাণের প্রমাণ তারা সম্ভবত পেয়ে গেছে।

চীনের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত দৈনিকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চীনের দৈত্যাকার স্কাই আই টেলিস্কোপ পৃথিবীর বাইরে জীবনের চিহ্নের সন্ধান পেয়েছে।

প্রতিবেদনটিতে বলা হয়, পৃথিবীর বাইরের সভ্যতা অনুসন্ধান দলের প্রধান বিজ্ঞানী ঝাং টঞ্জি বলেছেন, সন্দেহজনক সংকেতগুলো রেডিও হস্তক্ষেপও হতে পারে এবং এর জন্য আরও তদন্তের প্রয়োজন।

এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, দৈনিকটি পরে এ-সংক্রান্ত সব প্রতিবেদন এবং পোস্টগুলো মুছে ফেলে।

তবে চীনের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দৈনিক থেকে কেন প্রতিবেদনটি সরিয়ে দেয়া হয়েছে তা স্পষ্ট নয়।

খবরটি এরই মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ওয়েবুতে ছড়িয়ে পড়েছে এবং আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে খবরটি চলে এসেছে।

পৃথিবীর বাইরে ‘প্রাণের সন্ধানের প্রমাণ’ সম্ভবত চীনের হাতে
চীনের স্কাই আই রেডিও টেলিস্কোপ

স্কাই আই বিশ্বের সবচেয়ে বড় রেডিও টেলিস্কোপ। এটি ন্যারো-ব্যান্ড ইলেকট্রোম্যাগনেটিক সিগন্যালে কাজ করে।

২০২০ সালের সেপ্টেম্বরে আনুষ্ঠানিকভাবে বহির্জাগতিক প্রাণের অনুসন্ধান শুরু করে স্কাই আই। চীনের দক্ষিণ-পশ্চিম গুইঝো প্রদেশে এর অবস্থান। টেলিস্কোপটির ব্যাস ৫০০ মিটার (১ হাজার ৬৪০ ফুট)।

ঝাংয়ের মতে, কম ফ্রিকোয়েন্সির এই রেডিও ব্যান্ড টেলিস্কোপ স্কাই আই অত্যন্ত সংবেদনশীল। বহির্জাগতিক প্রাণের সন্ধানে এর ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।

আরও পড়ুন:
এলিয়েনের সংস্পর্শে গর্ভবতী!
এলিয়েনের উদ্দেশে খোলা চিঠি
ইউএফও নিয়ে ব্যাখ্যা নেই যুক্তরাষ্ট্রের কাছে
‘এলিয়েনের নজরদারি’, ২৯ গ্রহ চিহ্নিত
এলিয়েনের খোঁজ পেয়েছে মানুষ!

মন্তব্য

p
উপরে