× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ পৌর নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট

আন্তর্জাতিক
The young woman married herself
hear-news
player
print-icon

নিজেকেই নিজে বিয়ে করলেন তরুণী

নিজেকেই-নিজে-বিয়ে-করলেন-তরুণী
একটি মন্দিরে ১১ জুন সন্ধ্যায় ২৪ বছর বয়সী ক্ষমার বিয়ের কথা ছিল। তবে কিছু বিতর্ক এড়াতে এর দুদিন আগেই বিয়ের আয়োজন সারেন তিনি। অন্যসব বিয়ের মতোই বিয়েতে ব্যবস্থা ছিল হলুদ ও মেহেদির। ৪০ মিনিট ধরে চলে আনুষ্ঠানিকতা। বন্ধুরা ছিটাতে থাকেন ফুল। তরুণীও শপথ নেন নিজেকে ভালোবাসার।

প্রথাগত রীতি ভেঙে স্ববিবাহ, অর্থাৎ নিজেকেই নিজে বিয়ে করলেন ভারতের গুজরাটের এক তরুণী। এই বিয়েতে সম্পন্ন হয়েছে সব আনুষ্ঠানিকতাই। শুধু ছিলেন না বর।

গুজরাটের গত্রি এলাকায় বুধবার নিজের বাড়িতে খুব কাছের কিছু বন্ধুবান্ধব নিয়ে ক্ষমা বিন্দু বিয়ের পিঁড়িতে বসেন বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে টাইমস অফ ইন্ডিয়া

সলোগামি বা নিজেকে বিয়ের ঘটনা এর আগেও ঘটেছে বিভিন্ন দেশে। তবে গুজরাটে এমন ঘটনা এটিই প্রথম।

একটি মন্দিরে ১১ জুন সন্ধ্যায় ২৪ বছর বয়সী ক্ষমার বিয়ের কথা ছিল। তবে কিছু বিতর্ক এড়াতে এর দুদিন আগেই বিয়ের আয়োজন সারেন তিনি।

অন্যসব বিয়ের মতোই বিয়েতে ব্যবস্থা ছিল হলুদ ও মেহেদির। ৪০ মিনিট ধরে চলে আনুষ্ঠানিকতা। বন্ধুরা ছিটাতে থাকেন ফুল। তরুণীও শপথ নেন নিজেকে ভালোবাসার।

ক্ষমা বিয়ের লাল পোশাকে সজ্জিত হয়েছিলেন, সিঁথিতে সিঁদুর দিয়ে নববধূ হিসেবে পবিত্র আগুনের চারপাশে সাতবার প্রদক্ষিণও করেন। এখন দুই সপ্তাহের হানিমুনে গোয়া যাবেন তিনি।

নিজেকেই নিজে বিয়ে করলেন তরুণী

একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ক্ষমা বিন্দু বলেছেন, তিনি আত্মপ্রেমে জীবন উৎসর্গ করবেন। তার মতে স্ববিবাহ হলো নিজের জন্য এক জীবনধারা, জীবিকা বেছে নেয়ার প্রতিশ্রুতি; যা একজন ব্যক্তিকে সবচেয়ে জীবন্ত, সুন্দর ও গভীরভাবে সুখী ব্যক্তিতে পরিণত করবে।

নিজেকে বিয়ে করার ধারণাটি প্রথম আসে আমেরিকান সিরিজ ‘সেক্স অ্যান্ড দ্য সিটি’ থেকে। টেলিভিশন সিরিজের জনপ্রিয় চরিত্র ক্যারি ব্র্যাডশো প্রথম এটি তুলে ধরেছিলেন। কিন্তু সেটা ছিল নিছক কমেডি সিরিজ।

এরপর এমন স্ববিবাহের ঘটনা বিশ্বে শত শত ঘটেছে। এর বেশির ভাগই ছিলেন অবিবাহিত নারী। নববধূরা আদিম বিবাহের গাউন পরে হেঁটেছেন, একটি ফুলের তোড়া নিয়ে হেঁটেছেন। কখনও কখনও পরিবার ও বন্ধুরাও তাদের উৎসাহ দিয়েছেন।

৩৩ বছর বয়সী ব্রাজিলিয়ান মডেল ক্রিস গালেরা নিজেকে বিয়ে করার তিন মাস পরে আবার নিজেকে তালাকও দিয়েছিলেন। কারণ তার থেকেও অসাধারণ কাউকে খুঁজে পেয়েছিলেন। ফলে নিজের সঙ্গে নিজের বিয়ের বিচ্ছেদ তাকে করতেই হয়।

আরও পড়ুন:
২৭ মাস পর বাংলাদেশ-ভারত বাস চলাচল শুরু
ভারতের রান পাহাড় টপকে অনায়াস জয় সাউথ আফ্রিকার
কে এই নূপুর শর্মা

মন্তব্য

আরও পড়ুন

আন্তর্জাতিক
Bipake Indonesian bar with free wine offer

ফ্রিতে মদের অফার দিয়ে বিপাকে ইন্দোনেশিয়ার বার

ফ্রিতে মদের অফার দিয়ে বিপাকে ইন্দোনেশিয়ার বার ‘পর্যটনখাত’ আয়ের অন্যতম প্রধান উৎস হওয়ায় পর্যটকদের আকৃষ্ট করতে ইন্দোনেশিয়াতে গড়ে উঠেছে অনেক মদের বার। ছবি: সংগৃহীত
পুলিশ হলিউইংসের ক্রিয়েটিভ ডিরেক্টর এবং এই বারের প্রচারমূলক দলের প্রধানসহ ৬ জন সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তার করে সংবাদ সম্মেলনে উপস্থাপন করেছে। তাদের বিরুদ্ধে ব্লাসফেমি ও ধর্মীয় ঘৃণা ছড়ানোসহ একাধিক অপরাধের অভিযোগ আনা হয়েছে। পুলিশ বলছে, দোষী প্রমাণিত হলে তাদের ১০ বছরের জেলও হতে পারে।

ইন্দোনেশিয়ায় মদ প্রচারে বিতর্কিত পন্থা অবলম্বন করায় ৬ জন ব্যক্তিকে আটক করেছে দেশটির পুলিশ।

মালয়েশিয়ার দ্য স্টার পত্রিকার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইন্দোনেশিয়ার হলিউইংস বার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক পোস্টে প্রচারণার অংশ হিসেবে প্রতি বৃহস্পতিবার মুহাম্মদ নামের পুরুষ ও মারিয়া নামের নারীদের বিনামূল্যে জিনের বোতল দেয়া হবে বলে জানায়। সেক্ষেত্রে গ্রাহককে তার আইডিকার্ড দেখাতে হবে।

এই পোস্টের পরই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিতর্কের ঝড় ওঠে। কারণ ইন্দোনেশিয়ার অধিকাংশ প্রদেশ রক্ষণশীল ইসলামিক জীবনযাপনে অভ্যস্ত। হলিউইংস কর্তৃপক্ষ দ্রুতই পোস্টটি তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে সরিয়ে ফেলে।

ইসলামিক আইনের অধীনে অ্যালকোহল নিষিদ্ধ। যদিও ইন্দোনেশিয়া কোনো শরীয়াহ শাসিত দেশ নয় এবং দেশটিতে অ্যালকোহল নিষিদ্ধও নয়। কিন্তু মুহাম্মদ নামের ব্যক্তিদের বিনামূল্যে মদের বোতল দেয়ার বিষয়টি মেনে নিতে পারেনি দেশটির ধর্মপ্রাণ নেটিজেনরা।

বেশ কয়েকটি যুব সংগঠন পুলিশকে ব্লাসফেমি অপরাধ করায় এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার আহ্বান জানায়, এমনকি অনেক যুব সংগঠন নিজেরাই মদের দোকানে অভিযান চালানোর হুমকি দেয়।

এমন পরিস্থিতিতে পুলিশ হলিউইংসের ক্রিয়েটিভ ডিরেক্টর এবং এই বারের প্রচারমূলক দলের প্রধানসহ ৬ জন সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তার করে সংবাদ সম্মেলনে উপস্থাপন করেছে।

দক্ষিণ জাকার্তার পুলিশ প্রধান বুফহি হার্দি সুসিয়ানতো বলেছেন, ‘আটক সন্দেহভাজন ৬ হলিউইংসের জন্য কাজ করে।’

সংবাদ সম্মেলনে হাজির করা ৬ জনের সবাই কমলা রংয়ের শার্ট পড়া ছিল, যা সাধারণত ইন্দোনেশিয়ায় অপরাধীদের পড়ানো হয়।

এই দলটির বিরুদ্ধে ব্লাসফেমি ও ধর্মীয় ঘৃণা ছড়ানোসহ একাধিক অপরাধের অভিযোগ আনা হয়েছে। পুলিশ বলছে, দোষী প্রমাণিত হলে তাদের ১০ বছরের জেলও হতে পারে।

এদিকে সাধারণ ইন্দোনেশীয়দের ক্ষোভের মুখে হলিউইংস এক বিজ্ঞপ্তিতে দেশবাসীর কাছে ক্ষমা চেয়েছে এবং জানিয়েছে বারটির ব্যবস্থাপনা বিভাগ এই প্রচারনার বিষয়টি জানতো না।

আরও পড়ুন:
ইন্দোনেশিয়ায় অগ্ন্যুৎপাতে মৃত্যু বেড়ে ১৩
ইন্দোনেশিয়ায় অগ্ন্যুৎপাতে প্রাণহানি, এলাকা ছাড়ছে মানুষ
রাইস কুকারকে ‘বিয়ে’
ইন্দোনেশিয়ার কারাগারে আগুন, ৪১ মৃত্যু
সুবর্ণজয়ন্তীতে বাংলাদেশ-ইন্দোনেশিয়া সম্পর্ক জোরদারের আশা

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Bidens son used to pay the sex workers bill with his fathers money

বাবার টাকায় যৌনকর্মীর বিল মেটাতেন বাইডেনপুত্র

বাবার টাকায় যৌনকর্মীর বিল মেটাতেন বাইডেনপুত্র জো বাইডেনের সঙ্গে হান্টার বাইডেন। ছবি: সংগৃহীত
হান্টার বাইডেন যৌনকর্মীর জন্য ৩০ হাজার ডলারের বিল শোধ করেন ২০১৮-এর নভেম্বর থেকে ২০১৯ সালের মার্চ পর্যন্ত। এই সময়ে জো বাইডেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হিসেবে নিজেকে তৈরি করছিলেন।

যৌনকর্মীর বিল পরিশোধের জন্য বাবার দেয়া টাকাই ব্যবহার করতেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের ছেলে হান্টার বাইডেন। তবে জো বাইডেন বিষয়টি জানতেন কি না তা স্পষ্ট নয়।

রাশিয়া টুডের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওয়াশিংটন এক্সামিনার সোমবার এক রিপোর্টে দাবি করেছে, হান্টার বাইডেন কিয়েভ ও মস্কোতে একটি মডেল এজেন্সিকে এসকর্টের (যৌনকর্মীর) বিল বাবদ ৩০ হাজার ডলার (২৭ লাখ টাকা) পরিশোধ করেন।

ওয়াশিংটন এক্সামিনারের প্রতিবেদন অনুসারে, এই ৩০ হাজার ডলারের বিল তিনি শোধ করেন ২০১৮-এর নভেম্বর থেকে ২০১৯ সালের মার্চ পর্যন্ত। এই সময়ে জো বাইডেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হিসেবে নিজেকে তৈরি করছিলেন। এই সময়জুড়ে জো বাইডেন তার ছেলেকে ১ লাখ ডলার দিয়েছিলেন বিল পরিশোধের জন্য। হান্টার বাইডেন কীভাবে এই অর্থ ব্যয় করছেন তা জো বাইডেন জানতেন কি না, স্পষ্ট নয়।

হান্টার বাইডেনের ফাঁস হওয়া মেইলে দেখা যায়, তিনি ‘উবারজিএফই’ নামের একটি এক্সক্লুসিভ মডেল এজেন্সির কর্মচারী ইভার সঙ্গে যোগাযোগ করেন। এ সময়ে তাদের মধ্যে অর্থ পরিশোধসংক্রান্তও অনেক বিষয়ে কথাবার্তা হয়।

উবারজিএফই যুক্তরাষ্ট্র, লন্ডন, প্যারিস ও দুবাইতে এসকর্ট সার্ভিস দিয়ে থাকে।

২০২০ সালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের কয়েক সপ্তাহ আগে যখন হান্টার বাইডেনের ল্যাপটপের বিষয়বস্তু নিয়ে নিউ ইয়র্ক পোস্ট প্রথম প্রতিবেদন প্রকাশ করে, তখন বাইডেন টিম বিষয়টিকে বিভ্রান্তিকর প্রচারণার অংশ হিসেবে আখ্যা দিয়েছিল। তাদের দাবি ছিল, এর সঙ্গে জড়িত রাশিয়া।

পরে তার মেইলের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়েছে এবং নিউ ইয়র্ক টাইমস ও ওয়াশিংটন পোস্টও বলছে হান্টার বাইডেনের মেইলগুলো আসল।

হান্টার বাইডেনও যৌনকর্মী ভাড়া নেয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেননি। বরং তিনি সংবাদপত্রে বার্তা পাঠান, ‘আপনার কী সমস্যা?’

আরও পড়ুন:
ওয়াশিংটনে গুলিতে কিশোর নিহত, পুলিশসহ আহত ৩
যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সুদের হারে তিন দশকে সর্বোচ্চ বৃদ্ধি
স্বামীকে হত্যার দায়ে ‘স্বামীকে কীভাবে হত্যা করবেন’ বইয়ের লেখকের যাবজ্জীবন
যুক্তরাষ্ট্রে সপ্তাহান্তে গুলিতে নিহত ৫, আহত ২৭
যুক্তরাষ্ট্রে বন্দুক নিয়ন্ত্রণে দুই দলে ঐকমত্য

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
A pillow worth Rs 53 lakh will make you sleep comfortably

আরামে ঘুম পাড়াবে ৫৩ লাখ টাকার বালিশ

আরামে ঘুম পাড়াবে ৫৩ লাখ টাকার বালিশ ভ্যান ডার হিলস্ট টেইলরমেড পিলো তৈরিতে গবেষণা করেছেন দীর্ঘ ১৫ বছর। ছবি: টেইলরমেড পিলোর ওয়েবসাইট থেকে
বালিশটি হবে একেবারেই ব্যক্তিগত বালিশ। একজন ব্যক্তির কাঁধ, মাথা ও ঘাড় থ্রিডি স্ক্যানারের মাধ্যমে সাবধানে হিসাব করে প্রত্যেক গ্রাহকের জন্য আলাদাভাবে তৈরি করা হবে। বালিশ তৈরির আগে গ্রাহকের ঘুমানোর ভঙ্গিও পর্যবেক্ষণ করা হবে।

ভালো ঘুমের জন্য ভালো বালিশের বিকল্প নেই। অনেকেরই রাতে ঘুম হয় না। একটু ভালো বালিশের জন্য বাড়তি কিছু টাকা খরচ করা তাদের কাছে কোনো ব্যাপারই নয়। কিন্তু সেই বাড়তি অঙ্কটা ঠিক কত?

বিশ্বের সবচেয়ে দামি ও উন্নত বালিশ তৈরির দাবি করেছেন ডাচ ডিজাইনার ভ্যান ডার হিলস্ট, যিনি একজন সার্ভিক্যাল (কাঁধ ও গলার সমস্যা) বিশেষজ্ঞও। তার তৈরি বালিশ ‘টেইলরমেড পিলো’ আপনাকে দিতে পারে আরামদায়ক ঘুমের নিশ্চয়তা।

তবে এই বালিশে শান্তির ঘুম দিতে চাইলে বাড়তি কিছু খরচ করলেই হবে না, আপনাকে খরচ করতে হবে বেশ বড় অঙ্কের অর্থ।

টেইলরমেড পিলোর ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, এই বালিশের দাম হবে ৫৩ লাখ টাকা (৫৭ হাজার ডলার)।

দামি এই বালিশের ভেতর দেয়া হয়েছে মিসরীয় তুলা, এর কাপড় তুত সিল্কের তৈরি। এতে ২৪ ক্যারেট সোনার আবরণ রয়েছে ও এর জিপারে রয়েছে ২২ ক্যারেটের একটি নীলকান্তমণি ও চারটি হীরা।

তাদের ওয়েবসাইটে দাবি করা হয়, বালিশে যে ২৪ ক্যারেটের সোনার আবরণ রয়েছে তা ক্ষতিকর ইলেকট্রোম্যাগনেটিক বিকিরণকে ঠেকিয়ে দিতে পারে। ফলে এই বালিশে ঘুমানোর অভিজ্ঞতা হবে আরামদায়ক, নিরাপদ ও স্বাস্থ্যকর।

এই বালিশের নকশাকার ভ্যান ডার হিলস্ট এটি তৈরিতে গবেষণা করেছেন দীর্ঘ ১৫ বছর।

হিলস্ট দাবি করেছেন, বালিশটি অনিদ্রায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের শান্তিতে ঘুমাতে সাহায্য করবে।

বালিশটি হবে একেবারেই ব্যক্তিগত বালিশ। একজন ব্যক্তির কাঁধ, মাথা ও ঘাড় থ্রিডি স্ক্যানারের মাধ্যমে সাবধানে হিসাব করে প্রতিটি গ্রাহকের জন্য আলাদাভাবে তৈরি করা হবে। বালিশ তৈরির আগে গ্রাহকের ঘুমানোর ভঙ্গিও পর্যবেক্ষণ করা হবে।

প্রতিষ্ঠানটি বলছে, আপনি ছোট বা বড়, পুরুষ বা নারী। পাশ ফিরে ঘুমান, নাকি পেছন ফিরে ঘুমান। যেভাবেই ঘুমান না কেন? টেইলরমেড বালিশ আপনাকে সবভাবেই আরামদায়ক ঘুমের নিশ্চয়তা দেবে।

আরও পড়ুন:
স্ত্রীর চোখকে আরাম দিতে ঘুরন্ত বাড়ি তৈরি
স্ত্রীকে গোখরা সাপ দিয়ে হত্যার অপরাধে আমৃত্যু কারাদণ্ড
ঘরের ছাদ ভেঙে বিছানায় উল্কাপিণ্ড!
পায়ুপথে ৪২ লাখ রুপির স্বর্ণের গুঁড়ো!
৩৬৭ ফুট গভীর ‘নরকের কুয়ায়’ জিন নেই, আছে সাপের গর্ত

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
The husband was beaten in Ayodhya for kissing his wife

‘পবিত্র নদীতে’ স্ত্রীকে চুম্বন, মার খেলেন স্বামী

‘পবিত্র নদীতে’ স্ত্রীকে চুম্বন, মার খেলেন স্বামী অযোধ্যায় পবিত্র সরায়ু নদীতে স্ত্রীকে চুম্বন করায় এক ব্যক্তিকে মারধর করে জনতা। ছবি: এনডিটিভি
ভিডিওতে দেখা যায়, ঘাটের কাছে স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে গোসল করছে এক যুবক। পানিতে ডুব দিয়ে ওঠার পর খানিকটা ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেন স্ত্রী। তিনি স্বামীকে আঁকড়ে ধরার চেষ্টা করেন। ওই সময় স্ত্রীর ঠোঁটে চুমু খান যুবক। এতে মুহূর্তেই ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে গোসলরত অনেকে।

ভারতের উত্তর প্রদেশের অযোধ্যায় পবিত্র সরায়ু নদীতে গোসল করার সময় স্ত্রীকে চুম্বন করায় এক ব্যক্তিকে মারধর করে ক্ষিপ্ত জনতা। নিপীড়নের এই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং নিন্দার ঝড় ওঠে। ভিডিও হাতে পেয়েই তদন্তে নামে অযোধ্যা পুলিশ।

গঙ্গার সাতটি উপনদীর একটি সরায়ু। হিন্দুধর্মাবলম্বীদের কাছে এটি পবিত্র নদী বলে বিবেচিত হয়। বলা হয়ে থাকে, ভগবান রামের জন্মস্থান এই সরায়ু নদীর তীরে।

গত বুধবার সরায়ু নদীর ‘রাম কি পায়দি’ ঘাটে এই ঘটনা ঘটে। ভিডিওতে দেখা যায়, ঘাটের কাছে স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে গোসল করছে এক যুবক। পানিতে ডুব দিয়ে ওঠার পর খানিকটা ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেন স্ত্রী। তিনি স্বামীকে আঁকড়ে ধরার চেষ্টা করেন। ওই সময় স্ত্রীর ঠোঁটে চুমু খান যুবক। এতে মুহূর্তেই ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে গোসলরত অনেকে। প্রথমে এক ব্যক্তি এগিয়ে যুবককে আঘাত করেন এবং হুঁশিয়ারি দেন, ‘এটা অযোধ্যা, এখানে এমন অসভ্যতামি, অশ্লীলতা চলবে না।’

এ কথা বলতে না বলতে যুবককে মারতে শুরু করেন ওই ব্যক্তি। স্ত্রী তাকে বাধা দেয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু আরও কয়েকজন এগিয়ে এসে মারতে থাকেন যুবককে। চলতে থাকে একের পর এক চড়, ঘুষি আর লাথি।

ভিডিওতে দেখা যায় প্রাণপণে তাদের হাত থেকে স্বামীকে বাঁচানোর চেষ্টা করে ব্যর্থ হচ্ছেন তরুণী। ততক্ষণে অনেকে ঘিরে ফেলে যুবককে। শেষ পর্যন্ত ওইভাবে মারতে মারতেই তাকে পানি থেকে টেনে-হিঁচড়ে ঘাটে তুলে দেয়া হয়। ওই দম্পতিকে ঘাট এলাকা ছাড়তে বাধ্য করেন ওই দলে থাকা ১০-১২ জন পুরুষ।

নিপীড়নের এই ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই অনেকে প্রশ্ন তোলেন, ‘অযোধ্যা হোক বা অন্য কোনো পবিত্র স্থানই হোক, স্ত্রীকে চুমু খেয়েছেন বলে স্বামীকে মারধর করা হবে? কিসের ভিত্তিতে এই কাজকে অপরাধ বলা হচ্ছে?

এরই মধ্যে ঘটনার ভিডিও পৌঁছায় পুলিশের কাছে। অপরাধীদের শনাক্ত করতে তদন্ত শুরু করে পুলিশ।

অযোধ্যার সিনিয়র সুপারিনটেনডেন্ট অব পুলিশ (এসএসপি) শাইলেস পান্ডে বলেন, ‘ভিডিওটি এক সপ্তাহ আগের, তবে এখন পর্যন্ত এ ঘটনায় কেউ কোনো অভিযোগ করেননি। অযোধ্যা কোতোয়ালি থানার পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। অভিযোগ করলে নিপীড়নের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে উপযুক্ত পদক্ষেপ নেয়া হবে।’

আরও পড়ুন:
স্কুলে শিশুকে ‘যৌন নিপীড়ন’, দপ্তরিকে গ্রেপ্তারের দাবি
স্কুলে শিশুকে ‘যৌন নিপীড়ন’, দপ্তরির নামে মামলা
স্ত্রীর টাকায় নেশা-জুয়া, হিসাব চাইতে গিয়ে খুন
গৃহবধূকে ‘যৌন নিপীড়ন’, আ. লীগ নেতা কারাগারে
যৌন পেশায় ‘বাধ্য করায়’ ফুপু-ফুপার বি‌রু‌দ্ধে মামলা

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
True love in chastity Pope

সত্যিকার ভালোবাসা সতীত্বে: পোপ

সত্যিকার ভালোবাসা সতীত্বে: পোপ ক্যাথলিক ধর্মগুরু পোপ ফ্রান্সিস। ছবি: সংগৃহীত
চার্চ কখনই সতীত্বের মূল্যবান গুণের প্রকাশ করতে সাহস দেখানোর ক্ষেত্রে ব্যর্থ হবে না, যদিও এটি এখন সাধারণ মানসিকতার সরাসরি বিপরীত। সতীত্বকে অবশ্যই খাঁটি প্রেমের মিত্র হিসেবে তুলে ধরতে হবে। প্রেমে অস্বীকারকারী হিসেবে নয়। যদিও ধর্মতত্ত্ববিদরা যৌনতার বিষয়ে ক্যাথলিক চার্চের অবস্থানের বিষয়ে একমত নন।

মানুষের জীবনে ভালোবাসার গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব রয়েছে। অনেকে বলেন, ভালোবাসাই সবকিছু। ভালোবাসাকে ঘিরেই জীবনের বাকি সব উপাদান টিকে আছে। কিন্তু সত্যিকার ভালোবাসা কয়জনের কপালেই বা জোটে। এবার ক্যাথলিক ধর্মগুরু ও ভ্যাটিক্যান সিটির পোপ ফ্রান্সিস সত্যিকার ভালোবাসার নতুন এক পথ বাতলে দিলেন।

ডেইলি মেইলের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পোপ ফ্রান্সিস বলেছেন, সতীত্ব থেকেই সত্যিকার ভালোবাসা আসে।

দম্পতিদের সঙ্গে কাজ করতে নিযুক্ত পুরোহিত ও ডায়োসিসের জন্য নতুন নথির মুখবন্ধে পোপ ফ্রান্সিস লিখেছেন, সত্য, সূক্ষ্ম ও উদার প্রেমের উপযুক্ত সময় ও উপায় শেখায় সতীত্ব।

তিনি দাবি করেন, এখনকার দাম্পত্য সম্পর্কগুলো দ্রুত বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়, কিন্তু সতী দম্পতিরা যৌন সম্পর্কের চাপ ছাড়াই কীভাবে একসঙ্গে থাকতে হয় তা শিখতে সক্ষম হয়। যখন তাদের বয়স হয়ে যায়, যৌন চাহিদা আর থাকে না। তখনও এই শিক্ষা তাদের সাহায্য করে। তারা সুখে বসবাস করতে থাকে।

সদ্য ভ্যাটিকান থেকে প্রকাশিত ৯৭ পৃষ্ঠার নথিতে পোপ যেই বক্তব্য দিয়েছে, এর আগে তালাকপ্রাপ্ত ও সমকামী দম্পতিদের প্রতি পোপের খোলামেলা পূর্বের অবস্থানের সম্পূর্ণ বিপরীত। এর আগে পোপ সমকামীদের উদ্দেশ্যে বলেছিলেন, আপনারা যেমন, সেভাবেই ঈশ্বর আপনাকে ভালোবাসেন। এমন কি তালাক হয়ে যাওয়া নারীদের বিষয়েও তার চিন্তাভাবনা ছিল প্রগতিশীল।

অথচ নতুন নথিতে বলা হয়েছে, চার্চ কখনই সতীত্বের মূল্যবান গুণের প্রকাশ করতে সাহস দেখানোর ক্ষেত্রে ব্যর্থ হবে না, যদিও এটি এখন সাধারণ মানসিকতার সরাসরি বিপরীত। সতীত্বকে অবশ্যই খাঁটি প্রেমের মিত্র হিসেবে তুলে ধরতে হবে। প্রেমে অস্বীকারকারী হিসেবে নয়।

যদিও ধর্মতত্ত্ববিদরা যৌনতার বিষয়ে ক্যাথলিক চার্চের অবস্থানের বিষয়ে একমত নন। তাদের মতে, বিয়ের বিষয়ে চার্চের ধারণা সেকেলে।

ইতালীয় ধর্মতত্ত্ববিদ ভিটো মানকুসো বলেন, ‘ক্যাথলিকরা সব সময় যৌনতাকে বাদ দিয়ে এসেছে। এটি একটি গুরুতর নৈতিক ত্রুটি।’

আরও পড়ুন:
বিশপ পরিষদে এই প্রথম নারী
এবার আরেক লাস্যময়ীর ছবিতে পোপের লাভ রিঅ্যাক্ট
উইঘুররা নির্যাতনের শিকার: পোপ
স্বল্প বসনার ছবিতে পোপের ‘লাইক’
পোপ পলের ভাস্কর্য নিয়ে সমালোচনা

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
After 10 months she found out that her husband was actually a woman

১০ মাস পর জানলেন স্বামী আসলে ‘নারী’

১০ মাস পর জানলেন স্বামী আসলে ‘নারী’ বিয়ে করে অদ্ভুত প্রতারণার শিকার হয়েছেন ইন্দোনেশিয়ার এক নারী। ছবি: সংগৃহীত
অভিযোগকারী নারী যার ছদ্মনাম এনএ, তার আইনি নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে এক ডেটিং অ্যাপে তার সঙ্গীর সঙ্গে পরিচয় হয়। যার ছদ্মনাম এএ। তখন তিনি জানতে পারেন এএ একজন সার্জন ও একই সঙ্গে কয়লা ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। তিনি নিজেকে একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যক্তি হিসেবে তুলে ধরেন।

ডেটিং অ্যাপে পরিচয়ের সূত্র ধরে ইন্দোনেশিয়ার এক নারীর জীবনে দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা ঘটেছে।

টাইমস নাউ নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইন্দোনেশিয়ার এক নারী দাবি করেছেন, তার সঙ্গে প্রতারণা করা হয়েছে। ৩ মাস প্রেমের পর ভালোবেসে বিয়ে করা তার স্বামী আসলে পুরুষই নন, একজন নারী।

অথচ আশ্চর্যের বিষয় হলো তার স্বামী যে পুরুষ নন, এই বিষয়টি তিনি ধরতে পারেন বিয়ের ১০ মাস পর।

অভিযোগকারী নারী যার ছদ্মনাম এনএ, তার আইনি নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে, এক ডেটিং অ্যাপে তার সঙ্গীর সঙ্গে পরিচয় হয়। যার ছদ্মনাম এএ। তখন তিনি জানতে পারেন এএ একজন সার্জন ও একই সঙ্গে কয়লা ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। তিনি নিজেকে একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যক্তি হিসেবে তুলে ধরেন।

পরে এক গোপন অনুষ্ঠানে বিয়ে করেন এই জুটি। এরপরে নতুন বাড়িতে বসবাস করতে পরিবার থেকে তারা দূরে চলে যায়।

কিন্তু দম্পতি দক্ষিণ সুমাত্রায় চলে যাওয়ার পরই বর কনের পরিবারকে টাকার জন্য চাপ দিতে থাকে।

মিররের একটি প্রতিবেদন অনুসারে এনএ দাবি করেছে, তার পরিবার থেকে ১৬ হাজারের বেশি পাউন্ড নিয়েছে এএ।

একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী ও সার্জনের এমন টাকা নেয়ার ঘটনায় সন্দেহ হয় এনআইয়ের। একই সঙ্গে বুঝতে পারেন যে আসলে তার স্বামী পুরুষই নন।

ইন্দোনেশিয়ার জাম্বি জেলা কোর্টে হাজির হয়ে এএ দাবি করেন যে তার সঙ্গী আইনি বিয়ের কোনো নথি উপস্থাপন করতে পারেনি।

যদিও এনএ বলেছিলেন, তার সঙ্গী এএ ‘গোপন বিয়ের’ আয়োজন করেছিল। এসব অনিবন্ধিত হয়।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার বিয়ের গল্প শেয়ার করার পর এনএ নেটিজেনদের থেকে ব্যাপক সমর্থন পাচ্ছেন।

ইন্দোনেশিয়ায় এরই মধ্যে খবরটি জাতীয় খবরে পরিণত হয়েছে।

আরও পড়ুন:
ইন্দোনেশিয়ায় অগ্ন্যুৎপাতে প্রাণহানি, এলাকা ছাড়ছে মানুষ
রাইস কুকারকে ‘বিয়ে’
ইন্দোনেশিয়ার কারাগারে আগুন, ৪১ মৃত্যু
সুবর্ণজয়ন্তীতে বাংলাদেশ-ইন্দোনেশিয়া সম্পর্ক জোরদারের আশা
জেগে উঠেছে জাভার মেরাপি আগ্নেয়গিরি

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Pretend to sleep when you see very lazy work

ভীষণ অলস, কাজ দেখলেই ঘুমের ভান!

ভীষণ অলস, কাজ দেখলেই ঘুমের ভান! কাজে ফাঁকি দিতে ঘুমের ভান ধরে সুগার নামে এই ঘোড়া। ছবি: সংগৃহীত
জিম রোজ নামের এক ব্যক্তি টুইটে ঘোড়াটির ছবি পোস্ট করে লেখেন, ‘সুগারের সঙ্গে দেখা করুন। সে চড়াতে পছন্দ করে না। যদি সুগারের কাছে জিন নিয়ে যাই, সে শুয়ে পড়ে। ঘুমের ভান করে। রাইডাররা চলে না যাওয়া পর্যন্ত সে চোখ খুলে না।’

ঘোড়াটির নাম সুগার। ভীষণ অলস। কাজ দেখলেই অলসতা বেড়ে যায় তার। ধরে ঘুমের ভান। জিম রোজ নামের এক ব্যক্তি টুইটারে সম্প্রতি ঘাসে তার পাশে থাকা সুগারের একটি ছবি শেয়ার করেছেন। মুহূর্তেই সেটি ভাইরাল হয়।

পোস্টের ক্যাপশনে লেখা, ‘সুগারের সঙ্গে দেখা করুন। সে চড়াতে পছন্দ করে না। যদি সুগারের কাছে জিন নিয়ে যাই, সে শুয়ে পড়ে। ঘুমের ভান করে। রাইডাররা চলে না যাওয়া পর্যন্ত সে চোখ খুলে না।’

পোস্টটি ইন্টারনেটে ঝড় তুলেছে। এরই মধ্যে এটিতে চার লাখ ৭৬ হাজার বারের বেশি লাইক পড়েছে। ৪১ হাজারের বেশি রিটুইট হয়েছে।

নেটিজেনরা স্পষ্টতই সুগারকে তাদের ‘আত্মার প্রাণী’ হিসেবে খুঁজে পেয়েছেন।

একজন ব্যবহারকারী লেখেন, ‘সুগার আমার প্রাণের পশু।’

অন্য একজন লিখেছেন, ‘সত্যি বলতে ও একটা স্মার্ট ঘোড়া।

আরেকজন লিখেছেন, ‘ভালো ঘোড়া। আমি চাই ও আমার অফিসে কাজ করুক। আমি চড়তেও পছন্দ করি না।’

একজন উদ্বিগ্ন ব্যবহারকারী লিখেছেন, ‘আমি চাই সে উঠুক। ঘোড়াকে শুয়ে থাকতে দেখিনি। আমি ভেবেছিলাম মৃত্যুর আগে ঘোড়ারা কখনও শুয়ে পড়ে না।’

ঘোড়ারা আদতে ঘুমানোর জন্য শুয়ে থাকে। প্রাণী আচরণ বিশেষজ্ঞ সুসান হ্যাজেলকে উদ্ধৃত করে নিউ ইয়র্ক পোস্ট বলছে, প্রচণ্ড ঘুমের সময় অনেক প্রজাতির মধ্যে এমন প্রবণতা দেখা যায়।

আরও পড়ুন:
ঘোড়া দিয়ে হাল চাষ
‘বেকার থাকলে বাঁচানো যাবে না ঘোড়াগুলো’
সৈকতের ঘোড়ার দায়িত্ব নিলেন ব্যারিস্টার নাঈম
ঘোড়ার দেখভাল নিশ্চিতে আইনি নোটিশ
লকডাউনে খাবার পাচ্ছে না সৈকতের ঘোড়াগুলো

মন্তব্য

p
উপরে