× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ পৌর নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট

আন্তর্জাতিক
Ukraines military operations on the Belarusian border
hear-news
player
print-icon

‘বেলারুশ সীমান্তে ইউক্রেনের সামরিক তৎপরতা’

বেলারুশ-সীমান্তে-ইউক্রেনের-সামরিক-তৎপরতা
ইউক্রেনীয় সেনাদের মহড়া। ছবি: সংগৃহীত
বেলারুশ নিরাপত্তা পরিষদের প্রধান আলেকজান্ডার ভলফোচিভ বেলারুশ-১ টেলিভিশন চ্যানেলকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে দাবি করেছেন, ইউক্রেনীয় সেনারা বেলারুশ সীমান্ত বরাবর কয়েকটি স্থানে জড়ো হয়েছে। তারা ল্যান্ডমাইন স্থাপন ও ব্যারিকেড তৈরির কাজ করছে এবং কিছু নাশকতাকারী দল বেলারুশের ভূখণ্ডে প্রবেশ করছে।

ইউক্রেনে চলমান রুশ সামরিক অভিযানের মধ্যেই বেলারুশ সীমান্তে সামরিক তৎপরতা বৃদ্ধি করছে ইউক্রেন, এমন অভিযোগ করেছেন বেলারুশ নিরাপত্তা পরিষদের প্রধান।

রাশিয়া টুডের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বেলারুশ নিরাপত্তা পরিষদের প্রধান আলেকজান্ডার ভলফোচিভ বেলারুশ-১ টেলিভিশন চ্যানেলকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে দাবি করেছেন, ইউক্রেনীয় সেনারা বেলারুশ সীমান্ত বরাবর কয়েকটি স্থানে জড়ো হয়েছে। তারা ল্যান্ডমাইন স্থাপন ও ব্যারিকেড তৈরির কাজ করছে এবং কিছু নাশকতাকারী দল বেলারুশের ভূখণ্ডে প্রবেশ করছে।

বেলারুশের অনুমান, প্রায় ১০ হাজার ৫০০ ইউক্রেনীয় সেনা উত্তর-পশ্চিম রোভনো অঞ্চলে, ৪ হাজার ৫০০ পূর্ব চের্নিগভে ও প্রায় ৩ হাজার ৫০০ কিয়েভের বাইরে মধ্য ইউক্রেনে জড়ো হয়েছে।

সাম্প্রতিক কিছু ইস্যুতে বেলারুশের সঙ্গে ইউক্রেনের উত্তেজনাপূর্ণ সম্পর্ক চলছে। গত ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনের বিরুদ্ধে রাশিয়ার সামরিক অভিযান শুরু হলে দুই দেশের সম্পর্কের আরও অবনতি হয়। রুশ সেনারা ইউক্রেনের ওপর একাধিক দিক থেকে সামরিক অভিযান পরিচালনা করে, যার মধ্যে বেলারুশের অঞ্চলও ছিল।

যদিও বেলারুশ রাশিয়ার হয়ে যুদ্ধে অংশগ্রহণের বিষয়টি অস্বীকার করেছে। এমনকি কিছুক্ষেত্রে রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যস্ততার ক্ষেত্রেও ভূমিকা পালন করতে দেখা গেছে বেলারুশকে।

২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে সামরিক অভিযান শুরুর ঘোষণা দেন পুতিন। এর পর থেকেই পশ্চিমাদের বাধা উপেক্ষা করে পূর্ব ইউরোপের দেশটিতে চলছে রুশ সেনাদের সামরিক অভিযান।

ইউক্রেনকে ‘অসামরিকায়ন’ ও ‘নাৎসিমুক্তকরণ’ এবং দোনেৎস্ক ও লুহানস্কের রুশ ভাষাভাষী বাসিন্দাদের রক্ষা করার জন্যই এমন সামরিক পদক্ষেপ বলে দাবি করে আসছে রাশিয়া। ইউক্রেনের পক্ষ থেকে বলা হয়, সম্পূর্ণ বিনা উসকানিতে রাশিয়া হামলা চালিয়েছে। দেশটি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে সাহায্যের আবেদন জানিয়ে আসছে।

আরও পড়ুন:
আগামী কয়েক মাসে বিশ্বে খাদ্য সংকট, সতর্কতা জাতিসংঘের
রুশ টিভিতে রাশিয়ার সমালোচনা কর্নেলের
স্টিল কারখানার সেনাদের আত্মসমর্পণ করতে বলল কিয়েভ
রাশিয়াকে পরাজিত করতে পারে ইউক্রেন: ন্যাটো
‘ইউক্রেন-রাশিয়ার যুদ্ধ থামবে বছর শেষে’

মন্তব্য

আরও পড়ুন

আন্তর্জাতিক
Russia will supply Belarus with a nuclear capable missile

বেলারুশকে পরমাণু বোমা বহনে সক্ষম ক্ষেপণাস্ত্র দেবে রাশিয়া

বেলারুশকে পরমাণু বোমা বহনে সক্ষম ক্ষেপণাস্ত্র দেবে রাশিয়া রাশিয়ার তৈরি স্বল্পপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ইস্কান্দার-এম। ছবি: সংগৃহীত
সেন্ট পিটার্সবার্গে বেলারুশের প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার লুকাশেঙ্কোর সঙ্গে বৈঠকের সময় তিনি বলেছেন, প্রচলিত এবং পারমাণবিক উভয় সংস্করণেই ব্যালিস্টিক এবং ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করতে পারবে বেলারুশ। ইউক্রেনে সামরিক অভিযানের শুরু থেকেই রাশিয়ার পক্ষে অবস্থান নিয়েছে বেলারুশ। তাই মিনস্কের আশঙ্কা, পশ্চিমাদের সামরিক রোষানলে পড়তে পারে বেলারুশ।

ইউক্রেনে রুশ সামরিক অভিযানের মধ্যেই রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন শনিবার জানিয়েছেন, মিত্র দেশ বেলারুশকে পারমাণবিক বোমা বহনে সক্ষম ইস্কান্দার ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা সরবরাহ করবে রাশিয়া।

সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সেন্ট পিটার্সবার্গে বেলারুশের প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার লুকাশেঙ্কোর সঙ্গে বৈঠকের সময় তিনি বলেছেন, প্রচলিত এবং পারমাণবিক উভয় সংস্করণেই ব্যালিস্টিক এবং ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করতে পারবে বেলারুশ।

লুকাশেঙ্কোর পক্ষ থেকে ন্যাটোর হুমকির বিষয়ে পুতিনের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে রুশ প্রেসিডেন্ট বেলারুশের বিমান বাহিনীর এস-২৫ বিমানকে পারমাণবিক বোমা বহনে সক্ষম করতে বলেছেন। একই সঙ্গে পাইলটের প্রশিক্ষণ ব্যবস্থার ওপরও তিনি জোর দিয়েছেন।

এর আগে ইউক্রেনে রুশ সামরিক অভিযানের শুরুর দিকে পশ্চিমাদের উদ্দেশে লুকাশেঙ্কো বলেন, 'আপনারা যদি (পশ্চিমারা) আমাদের সীমান্ত ঘেঁষে পোল্যান্ড ও লিথুয়ানিয়াতে পারমাণবিক বোমা রাখেন। তাহলে আমিও পুতিনের কাছে যাব এবং রাশিয়াকে নিঃশর্তভাবে দেয়া পারমাণবিক অস্ত্রগুলো ফেরত চাইব।'

১৯৯৪-১৯৯৬ সালের মধ্যে প্রাক্তন সোভিয়েত রাষ্ট্র বেলারুশ, কাজাখস্তান ও ইউক্রেন নিরাপত্তা নিশ্চয়তার বিনিময়ে পারমাণবিক অস্ত্র ত্যাগ করে।

ইউক্রেনে সামরিক অভিযানের শুরু থেকেই রাশিয়ার পক্ষে অবস্থান নিয়েছে বেলারুশ। এমনকি ইউক্রেনের ভূখণ্ডে হামলার ক্ষেত্রেও বেলারুশের ভূমি ব্যবহার করেছে রুশ সেনারা। তাই মিনস্কের আশঙ্কা, পশ্চিমাদের সামরিক রোষানলে পড়তে পারে বেলারুশ।

ইস্কান্দার-এম কী?

ইস্কান্দার-এম হলো রুশ নির্মিত স্বল্প-পাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা, যা ৫০০ কিলোমিটার (৩১০ মাইল) দূরের লক্ষ্যবস্তুতেও আঘাত হানতে পারে।

জেনস ডিফেন্সের তথ্যানুসারে প্রচলিত ক্লাস্টার যুদ্ধাস্ত্র, ভ্যাকুয়াম বোমা, বাঙ্কার ব্লাস্টার, ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক পালস (ইএমপি) ওয়ারহেডের পাশাপাশি এটি পারমাণবিক ওয়ারহেড বহনে সক্ষম।

এই ক্ষেপণাস্ত্র ২০০৮ সালে রাশিয়া ও জর্জিয়ার সংঘর্ষের সময় প্রথমবারের মতো ব্যবহার করা হয়।

আরও পড়ুন:
রাশিয়ায় কেএফসি সত্যিই কি এসএফসি
পাবনায় পালিত হলো রাশিয়া ডে
বাল্টিক সাগরে রুশ মহড়া
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সরাসরি যুদ্ধের ঝুঁকি দেখছে রাশিয়া
যুদ্ধ মহড়ায় রাশিয়ার পরমাণু বাহিনী

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Russia is the first foreign debt defaulter in 100 years

১০০ বছরের মধ্যে প্রথম বৈদেশিক ঋণখেলাপি রাশিয়া

১০০ বছরের মধ্যে প্রথম বৈদেশিক ঋণখেলাপি রাশিয়া এর আগে শেষবার রাশিয়া বৈদেশিক ঋণখেলাপি হয়েছিল ১৯১৮ সালে। ছবি: সংগৃহীত
রুশ কর্তৃপক্ষ বলছে, রাশিয়ার কাছে অর্থ রয়েছে এবং ঋণ পরিশোধের জন্য দেশটি অর্থ প্রদান করতে ইচ্ছুক। কিন্তু নিষেধাজ্ঞা আন্তর্জাতিক ঋণদাতাদের অর্থ প্রদান করা অসম্ভব করে তুলেছে। রাশিয়ার বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ ৪০ বিলিয়ন ডলার। রুশ অর্থমন্ত্রী এন্তোন সিলুয়ানভ জানিয়েছেন, ভবিষ্যতে আর কোনো বৈদেশিক ঋণ নেবে না রাশিয়া। 

ইউক্রেনে চলছে রুশ সামরিক অভিযান। পশ্চিমা বাধা উপেক্ষা করে ইউক্রেনে সামরিক অভিযান চালানোতে নজিরবিহীন নিষেধাজ্ঞার মধ্যে পড়েছে রাশিয়া।

এমন পরিস্থিতিতে বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১০০ বছরেরও বেশি সময় পর এই প্রথমবারের মতো বৈদেশিক ঋণের কিস্তি পরিশোধে ব্যর্থ হয়েছে দেশটি।

রোববারের মধ্যে রাশিয়ার ১০০ মিলিয়ন ডলার শোধ করার কথা ছিল।

ঋণখেলাপ এড়াতে সংকল্পবদ্ধ ছিল রাশিয়া- এমনটাই জানিয়ে ক্রেমলিন বলছে, ‘এটি রাশিয়ার মর্যাদার ওপর আঘাত।’

রুশ কর্তৃপক্ষ বলছে, রাশিয়ার কাছে অর্থ রয়েছে এবং ঋণ পরিশোধের জন্য দেশটি অর্থ প্রদান করতে ইচ্ছুক। কিন্তু নিষেধাজ্ঞাগুলো আন্তর্জাতিক ঋণদাতাদের অর্থ প্রদান করা অসম্ভব করে তুলেছে।

রুশ অর্থমন্ত্রী এন্তোন সিলুয়ানভ এই পরিস্থিতিকে একটি প্রহসন হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

রাশিয়ার বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ ৪০ বিলিয়ন ডলার। এদিকে রাশিয়া জ্বালানি সরবরাহ করে দৈনিক ১ বিলিয়ন ডলার আয় করছে।

এমন পরিস্থিতিতে অর্থমন্ত্রী সিলুয়ানভ জানিয়েছেন, ভবিষ্যতে আর কোনো বৈদেশিক ঋণ নেবে না রাশিয়া।

শেষবার রাশিয়া বৈদেশিক ঋণখেলাপি হয়েছিল ১৯১৮ সালে। বলশেভিক বিপ্লবের সময় নতুন কমিউনিস্ট নেতা ভ্লাদিমির লেনিন রুশ সাম্রাজ্যের ঋণ পরিশোধ করতে অস্বীকার করেছিলেন।

১৯৯৮ সালেও দেশটি একবার অভ্যন্তরীণ ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হলেও সে সময়ও দেশটির বৈদেশিক ঋণখেলাপ হয়নি।

ইউক্রেনে রুশ সামরিক অভিযান শুরুর পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের নিষেধাজ্ঞায় বৈশ্বিক ব্যাংকিং সিস্টেম সুইফট থেকে ছিটকে পড়ে রাশিয়া। সে সময়েই রাশিয়ার ঋণখেলাপি হওয়া অনিবার্য বলে মনে ধরে নেয়া হচ্ছিল।

ইউক্রেন আক্রমণের পর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন কর্তৃক প্রথম নিষেধাজ্ঞা আরোপ করার পর থেকে রাশিয়া ডিফল্টের একটি অনিবার্য পথে বলে ধারণা করা হচ্ছিল।

রাশিয়া প্রতিদিন ১ বিলিয়ন ডলারের জ্বালানি রপ্তানি করছে এবং ভবিষ্যতে তাদের ঋণ নেয়ার কোনো পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়েছে দেশটির কর্মকর্তারা।

আরও পড়ুন:
পাবনায় পালিত হলো রাশিয়া ডে
বাল্টিক সাগরে রুশ মহড়া
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সরাসরি যুদ্ধের ঝুঁকি দেখছে রাশিয়া
যুদ্ধ মহড়ায় রাশিয়ার পরমাণু বাহিনী
চাঁদে ফিরছে রাশিয়া

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
At least two Russian military planes were killed in the crash

বিধ্বস্ত রুশ সামরিক বিমান, নিহত কমপক্ষে ২

বিধ্বস্ত রুশ সামরিক বিমান, নিহত কমপক্ষে ২ রাশিয়ার ইলিউশিন টু-৭৬ মডেলের বিমান। ছবি: সংগৃহীত
দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা এখনও নিশ্চিত করেনি রুশ সামরিক বাহিনী। ধারণা করা হচ্ছে, সামরিক বিমানটিতে ৯ বা ১০ জন আরোহী ছিলেন। দেশটির জরুরি বিভাগ বলছে, দুর্ঘটনায় অন্তত দুইজন মারা গেছেন এবং ঘটনাস্থল থেকে বেঁচে যাওয়া ৬ জনকে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

ইউক্রেনে চলমান রুশ সামরিক অভিযানের মধ্যেই এবার দেশটির রাজধানী মস্কো থেকে ২০০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে রিয়াজান শহরের কাছে শুক্রবার সকালে একটি সামরিক পরিবহন বিমান বিধ্বস্ত হয়েছে।

রাশিয়া টুডের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় বেশ কয়েকজন ক্রু নিহত হয়েছেন।

রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সামরিক বিমান ধ্বংস হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

তবে দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা এখনও নিশ্চিত করেনি রুশ সামরিক বাহিনী। ধারণা করা হচ্ছে, সামরিক বিমানটিতে ৯ বা ১০ জন আরোহী ছিলেন।

দেশটির জরুরি বিভাগ বলছে, দুর্ঘটনায় অন্তত দুইজন মারা গেছেন এবং ঘটনাস্থল থেকে বেঁচে যাওয়া ৬ জনকে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

বিধ্বস্ত বিমানটি ছিল ইলিউশিন টু-৭৬। বিমানটি একটি প্রশিক্ষণ ফ্লাইট পরিচালনা করছিল। দুর্ঘটনার সময় বিমানে কোনো কার্গো ছিল না।

প্রশিক্ষণ ফ্লাইট পরিচালনার সময় যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দিলে পাইলট রুক্ষ মাটিতে জরুরি অবতরণে বাধ্য হয়।

ভূমিতে আঘাত কিংবা কোনো অবকাঠামোর কোনো ক্ষতি হয়নি। বিমানটি দৃশ্যত একটি খালি মাঠে জরুরি অবতরণ করে এবং অবতরণের আগেই বিমানটির ইঞ্জিনে আগুন ধরে যায়। অগ্নিনির্বাপণ কর্মীরা আগুন নিয়ন্ত্রণে নিয়ে এসেছেন।

আরও পড়ুন:
বাল্টিক সাগরে রুশ মহড়া
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সরাসরি যুদ্ধের ঝুঁকি দেখছে রাশিয়া
যুদ্ধ মহড়ায় রাশিয়ার পরমাণু বাহিনী
চাঁদে ফিরছে রাশিয়া
নেদারল্যান্ডসে রুশ গ্যাস সরবরাহ বন্ধ

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Russia warns Europe to cut off gas supplies

গ্যাস বন্ধ করতে পারে রাশিয়া, ইউরোপকে সতর্কবার্তা

গ্যাস বন্ধ করতে পারে রাশিয়া, ইউরোপকে সতর্কবার্তা পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা মোকাবিলায় জ্বালানিকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে রাশিয়া। ছবি: সংগৃহীত
ইউক্রেনে রুশ সামরিক অভিযানের আগে, ইউরোপ তার প্রাকৃতিক গ্যাসের ৪০ শতাংশ আমদানি করত রাশিয়া থেকে। বর্তমানে তা ২০ শতাংশে নেমে এসেছে। পোল্যান্ড, বুলগেরিয়া, ফিনল্যান্ড, ডেনমার্ক ও নেদারল্যান্ডস রুশ মুদ্রা রুবলে গ্যাসের মূল্য পরিশোধে অস্বীকার করায় সেসব দেশে গ্যাস সরবরাহ স্থগিত করে দিয়েছে রাশিয়া।

ইউক্রেনে চলছে রুশ সামরিক অভিযান। ফলে রাশিয়াকে একের পর এক পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার কবলে পড়তে হচ্ছে। ইউরোপের রুশ জ্বালানিনির্ভরতাকে কেন্দ্র করে পাল্টা পদক্ষেপ নেয়ার চেষ্টা করছে রাশিয়াও।

এবার বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আসছে শীতে ইউরোপে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করে দিতে পারে রাশিয়া, এমন আশঙ্কার কথা ব্যক্ত করে ইউরোপকে সতর্ক করেছেন ইন্টারন্যাশনাল এনার্জি এজেন্সির প্রধান ফাতিহ বিরল।

তিনি বলেছেন, যদিও সম্পূর্ণ সরবরাহ বন্ধ হয়তো হবে না, তবে এমন পরিস্থিতি চিন্তা করে ইউরোপকে জরুরি পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করতে হবে।

বেশ কয়েক সপ্তাহ ধরে ইউরোপের কয়েকটি দেশ জানিয়েছে, তারা প্রত্যাশার তুলনায় বেশ কম রুশ গ্যাস পাচ্ছে।

যদিও রুশ কর্মকর্তারা বলছেন, কম গ্যাস সরবরাহ ইচ্ছাকৃত নয়। এ জন্য প্রযুক্তিগত সমস্যা দায়ী।

রুশ এই ব্যাখ্যায় একমত নন ফাতিহ বিরল। তিনি বলছেন, গ্যাস সরবরাহ কমিয়ে দেয়া রাশিয়ার ‘কৌশলগত কারণে’। রাশিয়া মূলত গ্যাস সরবরাহ কমিয়ে দেয়ার বিভিন্ন অজুহাত খুঁজে বেড়াচ্ছে এবং সম্ভবত পুরোপুরি বন্ধও করে দেবে।

ইউক্রেনে রুশ সামরিক অভিযানের আগে ইউরোপ তার প্রাকৃতিক গ্যাসের ৪০ শতাংশ আমদানি করত রাশিয়া থেকে। বর্তমানে তা ২০ শতাংশে নেমে এসেছে।

ইউরোপজুড়ে গ্যাস সরবরাহের ঘাটতির খবর পাওয়া যাচ্ছে। শুক্রবার ইতালীয় এনার্জি ফার্ম এনি বলছে যে, রাশিয়ার রাষ্ট্র নিয়ন্ত্রিত গ্যাজপ্রম থেকে যে গ্যাস তারা আশা করেছিল তার মাত্র অর্ধেক পেয়েছে।

অন্যদিকে রাশিয়া থেকে গ্যাস সরবরাহ কমে যাওয়ার খবর জানিয়েছে স্লোভাকিয়া ও অস্ট্রিয়া।

ফ্রান্স বলেছে, ১৫ জুন থেকে জার্মানি হয়ে কোনো রুশ গ্যাস তারা পায়নি।

এদিকে পোল্যান্ড, বুলগেরিয়া, ফিনল্যান্ড, ডেনমার্ক ও নেদারল্যান্ডস রুশ মুদ্রা রুবলে গ্যাসের মূল্য পরিশোধে অস্বীকার করায় সেসব দেশে গ্যাস সরবরাহ স্থগিত করে দিয়েছে রাশিয়া।

রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন স্পষ্ট জানিয়ে দেন, বন্ধু নয় এমন দেশকে রুশ মুদ্রা রুবলেই গ্যাস কিনতে হবে।

ইন্টারন্যাশনাল এনার্জি এজেন্সির প্রধান ফাতেহ বিরল মনে করেন, চলমান গ্যাস সংকটে চাহিদা কমাতে জরুরি স্বল্পমেয়াদি পদক্ষেপকে ন্যায্যতা দিয়েছে, যেমন কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের ব্যবহার বাড়ানো এবং সম্ভব হলে পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের সময়সীমা দীর্ঘায়িত করা।

যদি রাশিয়ান গ্যাস সরবরাহ সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়, তবে কঠোর ব্যবস্থার প্রয়োজন হতে পারে এবং ইউরোপে পরিকল্পিত ও সুশৃঙ্খলভাবে গ্যাস সরবরাহের ক্ষেত্রে রেশনিংয়ের প্রয়োজন হতে পারে। এমনটাই মনে করেন ফাতিহ বিরল।

এদিকে রুশ গ্যাসের ওপর নির্ভরতা কমাতে নেদারল্যান্ডসের জলবায়ু ও জ্বালানিমন্ত্রী রব জেটেন কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর ওপর সব বিধিনিষেধ তুলে নেয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।

জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশগত ক্ষতি বিবেচনায় বিশ্বব্যাপী কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রকে নিরুৎসাহিত করা হচ্ছিল। ইউরোপের দেশগুলো এ ক্ষেত্রে প্রধান ভূমিকা পালন করে আসছে শুরু থেকেই।

এক অর্থে জার্মানির পর নেদারল্যান্ডসও বিদ্যুৎকেন্দ্রে কয়লাকে পুনরায় ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নিল।

এর আগে একই ধরনের পদক্ষেপ নেয়ার পর জার্মান অর্থমন্ত্রী রবার্ট হ্যাবেক বলেছেন যে বার্লিনকে রুশ গ্যাসের ঘাটতি মেটাতে কয়লা দিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়াতে হবে।

আরও পড়ুন:
যুদ্ধ মহড়ায় রাশিয়ার পরমাণু বাহিনী
চাঁদে ফিরছে রাশিয়া
নেদারল্যান্ডসে রুশ গ্যাস সরবরাহ বন্ধ
গ্যাস সরবরাহ চুক্তিতে সম্মত রাশিয়া-সার্বিয়া
বাংলাদেশে তেল বিক্রি করতে চায় রাশিয়া: প্রতিমন্ত্রী

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Europe in intense heat

তীব্র তাপদাহে ইউরোপ

তীব্র তাপদাহে ইউরোপ ফ্রান্সের অন্যান্য অঞ্চলে উন্মুক্ত স্থানে অনুষ্ঠান চলছে। ছবি: এএফপি
জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বিশ্বের তাপমাত্রা বাড়ছে। কার্বন-ডাই-অক্সাইডের মতো গ্রিনহাউস গ্যাসগুলো পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে প্রচুর পরিমাণে নির্গত হচ্ছে। এ ধরনের গ্যাস সূর্যের তাপকে আটকে রাখে, ফলে গ্রহটি উষ্ণ হয়ে ওঠে।

স্মরণকালের ভয়াবহ তাপদাহে ধুঁকছে ইউরোপ। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে ঠেকছে যে ফ্রান্সের একটি অঞ্চলে উন্মুক্ত স্থানে সব ধরনের আয়োজন নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ

দক্ষিণ-পশ্চিম ফ্রান্সের গিরন্ড জেলার বন্দর শহর বোর্দোতে আপাতত কনসার্ট এবং বড় জনসমাবেশ করা যাবে না।

গত সপ্তাহে ফ্রান্সের কিছু অংশে তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছায়। তাপমাত্রা আরও বাড়ার আশঙ্কায় করছে দেশটির আবহাওয়া অফিস।

ফ্রান্সের আবহাওয়া অফিস বলছে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক না শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ব্যতীত স্থানগুলোতেও অভ্যন্তরীণ অনুষ্ঠান নিষিদ্ধ থাকবে। তবে ব্যক্তিগত উদযাপন যেমন বিয়ে করার অনুমতি দেয়া হবে।

স্থানীয় কর্মকর্তা ফ্যাবিয়েন বুসিও ফ্রান্স ব্লু রেডিওকে বলেন, ‘প্রত্যেকই এখন স্বাস্থ্য ঝুঁকির সম্মুখীন।’

বিজ্ঞানীরা বলছেন, বিশ্ব উষ্ণায়নের ফলে তীব্র তাপের সময়কাল আরও বেশি এবং দীর্ঘস্থায়ী হচ্ছে।

তীব্র তাপদাহে ইউরোপ

ফ্রান্সের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয় জানায়, তারা জনগণকে সতর্ক করেছে। এই আবহাওয়ার যেন কেউ বাইরে না বের হয়।

গিরন্ডের আবহাওয়া কর্মকর্তা মেটিও ফ্রান্স বলেন, তীব্র গরমে ধুঁকছে ফ্রান্স। উত্তর আফ্রিকা উড়ে আসা গরম বাতাসের কারণে এমনটা ঘটেছে।

‘প্যারিসে তাপমাত্রা ৩৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছতে পারে। এটি খরা দাবানলের ঝুঁকিও বাড়িয়ে দিয়েছে।

ফ্রান্সের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর তুলুসের বাসিন্দা জ্যাকলিন বননড। তিনি বলেন, ‘আমি বয়স ৮৬। এখানেই আমার জন্ম। মনে হচ্ছে এটিই আমার দেখা সবচেয়ে খারাপ তাপপ্রবাহ।’

গ্রিড অপারেটর আরটিই জানিয়েছে, এয়ার-কন্ডিশনার এবং ফ্যানের মাত্রাতিরিক্ত ব্যবহার ফ্রান্সকে প্রতিবেশী দেশগুলো থেকে বিদ্যুৎ আমদানি করতে বাধ্য করছে।

একই দশার মধ্যে আছে স্পেন, ইতালি এবং যুক্তরাজ্যও।

শতাব্দীর উষ্ণতম তাপদাহ অনুভূত হচ্ছে স্পেনে। সপ্তাহান্তে তাপমাত্রা সর্বোচ্চে ৪৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস পৌঁছানোর পূর্বাভাস দিয়েছে দেশটির আবহাওয়া পরিষেবা-অ্যামেট। আঞ্চলিক সরকার জানিয়েছে, কাতালোনিয়ায় ২০ হাজার হেক্টর জমি দাবানলে পুড়ে গেছে।

তীব্র তাপদাহে ইউরোপ

ইতালির বৃহত্তম নদী পো-এর বিশাল অংশে পানি এতটাই কম যে, স্থানীয়রা বালির বিস্তৃতির মাঝখান দিয়ে হেঁটে যেতে পারছে। এমনকি যুদ্ধকালীন জাহাজের ধ্বংসাবশেষ পুনরুত্থিত হচ্ছে।

তীব্র তাপদাহে ইউরোপ

যুক্তরাজ্যের দক্ষিণ ইংল্যান্ডে তাপমাত্রা ৩৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছবে বলে শঙ্কা করা হচ্ছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় লন্ডনে তৃতীয় স্তরের তাপ-স্বাস্থ্য সতর্কতা জারি হয়েছে।

চরম তাপ ইউরোপে সীমাবদ্ধ না

গেল সপ্তাহে রেকর্ড তাপমাত্রার কারণে যুক্তরাষ্ট্রের মোট জনসংখ্যার এক তৃতীয়াংশকে বাড়ির ভেতরে থাকার পরামর্শ দেয়া হয়েছিল। ভারতের দিল্লিতে চলতি গ্রীষ্মের ২৫ দিনে সর্বোচ্চ ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে।

জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বিশ্বের তাপমাত্রা বাড়ছে। কার্বন-ডাই-অক্সাইডের মতো গ্রিনহাউস গ্যাসগুলো পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে প্রচুর পরিমাণে নির্গত হচ্ছে। এ ধরনের গ্যাস সূর্যের তাপকে আটকে রাখে, ফলে গ্রহটি উষ্ণ হয়ে ওঠছে।

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Environmental disaster coal is being banned in Europe

পরিবেশ বিপর্যয় সৃষ্টিকারী কয়লায় নিষেধাজ্ঞা উঠছে ইউরোপে

পরিবেশ বিপর্যয় সৃষ্টিকারী কয়লায় নিষেধাজ্ঞা উঠছে ইউরোপে জার্মানির পর নেদারল্যান্ডসও বিদ্যুৎকেন্দ্রে কয়লাকে পুনরায় ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নিয়েছে। ছবি: সংগৃহীত
রুশ গ্যাসের ওপর নির্ভরতা কমাতে নেদারল্যান্ডসের জলবায়ু ও জ্বালানিমন্ত্রী রব জেটেন কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর ওপর সব বিধিনিষেধ তুলে নেয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।

ইউক্রেনে রুশ সামরিক অভিযানের বিরোধিতা শুরু থেকেই করে এসেছে পশ্চিমারা। রাশিয়ার ওপর আরোপ করা হয়েছে একের পর এক অবরোধ।

পশ্চিমা অবরোধের ফলে রুবল তলানিতে গিয়ে ঠেকলে রাশিয়াও পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে ইউরোপের রুশ গ্যাসনির্ভরতাকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা শুরু করে।

রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন স্পষ্ট জানিয়ে দেন, বন্ধু নয় এমন দেশকে রুশ মুদ্রা রুবলেই গ্যাস কিনতে হবে।

এমন পরিস্থিতিতে আরটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রুশ গ্যাসের ওপর নির্ভরতা কমাতে নেদারল্যান্ডসের জলবায়ু ও জ্বালানিমন্ত্রী রব জেটেন কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর ওপর সব বিধিনিষেধ তুলে নেয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।

জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশগত ক্ষতি বিবেচনায় বিশ্বব্যাপী কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রকে নিরুৎসাহিত করা হচ্ছিল। ইউরোপের দেশগুলো এ ক্ষেত্রে প্রধান ভূমিকা পালন করে আসছে শুরু থেকেই।

এক অর্থে জার্মানির পর নেদারল্যান্ডসও বিদ্যুৎকেন্দ্রে কয়লাকে পুনরায় ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নিল।

এর আগে রোববার একই ধরনের পদক্ষেপ নেয়ার পর জার্মান অর্থমন্ত্রী রবার্ট হ্যাবেক বলেছেন যে বার্লিনকে রুশ গ্যাসের ঘাটতি মেটাতে কয়লা দিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়াতে হবে।

আরও পড়ুন:
১০ কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধের কথা জানালেন প্রতিমন্ত্রী
১০ কয়লাবিদ্যুৎ প্রকল্প বাতিল
বড়পুকুরিয়া খনির ২২ জনকে কারাগারে পাঠানোর পর দিনই জামিন
কয়লা চুরি মামলায় ২২ জনের জামিন কেন বাতিল নয়: হাইকোর্ট
কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্পের রাশ টানতে চায় সরকার

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Russian journalist sends money to Ukrainians by selling Nobel Prize medals

নোবেল পুরস্কারের পদক বেচে ইউক্রেনীয়দের অর্থ পাঠাচ্ছেন রুশ সাংবাদিক

নোবেল পুরস্কারের পদক বেচে ইউক্রেনীয়দের অর্থ পাঠাচ্ছেন রুশ সাংবাদিক নিজের মেডেলের সঙ্গে সাংবাদিক দিমিত্রি মুরাতভ। ছবি: বিবিসি
গত বছর ১০২তম নোবেল শান্তি পুরস্কার পান ফিলিপিন্স আর রাশিয়ায় কর্তৃত্ববাদী শাসনকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে শাসকের রোষের মুখে পড়া দুই সাংবাদিক ফিলিপিন্সের মারিয়া রেসা এবং রাশিয়ার দিমিত্রি মুরাতভ।

মত প্রকাশের স্বাধীনতার পক্ষে ‘সাহসী লড়াইয়ে’ অবদান রাখার জন্য যে নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন, সেই পুরস্কারের পদক বিক্রি করে দিয়েছেন রাশিয়ার সাংবাদিক দিমিত্রি মুরাতভ।

যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কে নিলামে ১০৩ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারে এই পদক বিক্রি করে যা আয় হয়েছে তার পুরোটাই তিনি ইউক্রেন যুদ্ধে শরণার্থী হওয়া শিশুদের পেছনে ব্যয় করবেন বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি

গত বছর ১০২তম নোবেল শান্তি পুরস্কার পান ফিলিপিন্স আর রাশিয়ায় কর্তৃত্ববাদী শাসনকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে শাসকের রোষের মুখে পড়া দুই সাংবাদিক ফিলিপিন্সের মারিয়া রেসা এবং রাশিয়ার দিমিত্রি মুরাতভ।

নোবেল পুরস্কারের পদক বেচে ইউক্রেনীয়দের অর্থ পাঠাচ্ছেন রুশ সাংবাদিক

সম্মানজনক এই পুরস্কারের অর্থমূল্য এক কোটি সুইডিশ ক্রোনার বা ১১ লাখ মার্কিন ডলার। তাদের বিজয়ী নির্বাচন করা হয় বাছাই করা ৩২৯ জনের তালিকা থেকে।

মুরাতভের পদক কারা কিনে নিয়েছেন তা অবশ্য জানায়নি এই মেডেল নিলামে তোলা প্রতিষ্ঠান হেরিটেজ অকশন।

৬০ বছর বয়সী মুরাতভ রাশিয়ার অনুসন্ধানী সংবাদপত্র নোভায়া গেজেটার প্রধান সম্পাদক। ইউক্রেনে রাশিয়ার হামলা শুরুর পর এই পত্রিকার কার্যক্রম স্থগিত করে দেন তিনি।

সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রেসিডেন্ট মিখাইল গর্ভাচেভের পর সাংবাদিক দিমিত্রি মুরাতভ হলেন প্রথম রুশ নাগরিক, যিনি শান্তিতে নোবেল পান।

গর্ভাচেভ ১৯৯০ সালে তার নোবেল পুরস্কারের অর্থ দিয়ে নোভায়া গেজেটার পত্রিকাটি প্রতিষ্ঠায় সহায়তা করেছিলেন। সেই টাকায় কেনা একটি কম্পিউটার এখনও পত্রিকাটির অফিসে প্রদর্শনী হিসেবে রাখা আছে।

নোবেল পুরস্কারের পদক বেচে ইউক্রেনীয়দের অর্থ পাঠাচ্ছেন রুশ সাংবাদিক

সোভিয়েত ইউনিয়ন পতনের পর ১৯৯৩ সালে একদল সাংবাদিক নোভায়া গেজেটা প্রতিষ্ঠা করেন, যার মধ্যে একজন মুরাতভ। ২০০০ সাল থেকে এখন পর্যন্ত তার পত্রিকার ছয়জন সাংবাদিক পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে হত্যার শিকার হয়েছেন।

হেরিটেজ অকশন এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, স্বর্ণের মেডেল বিক্রি করে পাওয়া অর্থ ইউক্রেন থেকে বাস্তুচ্যুত হয়ে পড়া শিশুদের জন্য ব্যয় করা হবে।

সোভিয়েতের পতনের পর নতুন রাশিয়ায় যে আশাবাদ নিয়ে নোভায়া গেজেটা যাত্রা শুরু করেছিল, তা উবে যেতে সময় লাগেনি। ১৯৯৯ সালে ভ্লাদিমির পুতিন রাশিয়ার ক্ষমতায় আসার পর থেকে সমালোচক আর বিরোধী মতকে ক্রমাগত কোনঠাসা করে ফেলা হয়েছে।

এই পরিস্থিতিতেও মুরাতভ এবং নোভায়া গেজেটা মুক্তমতের পক্ষে লড়াই করে গেছেন। ক্রেমলিনের দুর্নীতি এবং অনিয়মের খবর তারা প্রকাশ করে গেছেন।

১৯০১ সাল থেকে নোবেল পুরস্কার দেয়া শুরু হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত অন্তত আটজন এই পুরস্কারের পদক বিক্রি করে দেন।

ফ্রান্স ও জার্মানির মধ্যে স্বল্পস্থায়ী এক চুক্তি রূপায়ন করায় ১৯২৬ সালে এই পুরস্কার পান ফ্রান্সেরই আরিস্তিদ ব্রাঁয়া৷ ২০০৮ সালের এক নিলামে তার পদকের দর ওঠে মাত্র ১৩ হাজার ৬৫০ ডলার৷ এখনও পর্যন্ত এটিই সব থেকে স্বল্পমূল্যে বিক্রিত নোবেল পুরস্কারের পদক।

মার্কিন বিজ্ঞানী জেমস ওয়াটসন ১৯৬২ সালে ফ্রান্সিস ক্রিক ও মরিস উইলকিন্সের সঙ্গে চিকিৎসাশাস্ত্রে নোবেল পুরস্কার পান৷ ২০১৪ সালের ডিসেম্বরে জীবিত অবস্থাতেই তিনি প্রায় ৪৮ লাখ ডলারে তার পদকটি বেচে দেন৷

১৯৪৯ সালে সাহিত্যে নোবেল জয়ী উইলিয়ম ফকনারের পরিবার ২০১৩ সালে সেই পদক নিলামে চড়িয়েও প্রত্যাহার করতে বাধ্য হয়৷ কারণ তাদের প্রত্যাশিত মূল্য, ৫ লাখ ডলারের ধারেকাছেও ওঠেনি নিলামের দর৷

আরও পড়ুন:
ছাড়ে সবচেয়ে বেশি রাশিয়ার তেল কিনেছে চীন
রুশ গান নিষিদ্ধ করল ইউক্রেনের পার্লামেন্ট
ইউক্রেনে দীর্ঘ যুদ্ধের শঙ্কা ন্যাটোপ্রধানের

মন্তব্য

p
উপরে