× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ পৌর নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট

আন্তর্জাতিক
Emergency meeting of WHO on MonkeyPix
hear-news
player
print-icon

মাঙ্কিপক্স নিয়ে ডব্লিউএইচওর জরুরি বৈঠক

মাঙ্কিপক্স-নিয়ে-ডব্লিউএইচওর-জরুরি-বৈঠক
দ্রুতগতিতে ছড়িয়ে পড়ছে মাঙ্কিপক্স
করোনাভাইরাসের সংক্রমণ যখন অনেকটাই কমে এসেছে, তখন বিভিন্ন দেশে এই ভাইরাসে সংক্রমিত হওয়ার খবর পাওয়া যাচ্ছে। সাধারণত শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণের মাধ্যমে ভাইরাসটি ছড়িয়ে পড়ে।

উত্তর আমেরিকা ও ইউরোপে দ্রুতগতিতে ছড়িয়ে পড়া মাঙ্কিপক্স নিয়ে জরুরি বৈঠক ডেকেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।

কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি শুক্রবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ যখন অনেকটাই কমে এসেছে, তখন বিভিন্ন দেশে এই ভাইরাসে সংক্রমিত হওয়ার খবর পাওয়া যাচ্ছে। সাধারণত শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণের মাধ্যমে ভাইরাসটি ছড়িয়ে পড়ে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ডব্লিউএইচওর বৈঠকে মাঙ্কিপক্সের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ এবং এর ভ্যাকসিন নিয়ে আলোচনা হতে পারে।

চলতি মাসে বিশ্বের বেশ কয়েকটি দেশে মাঙ্কিপক্সে আক্রান্ত হওয়ার তথ্য মিলেছে। এর মধ্যে ৬ মে থেকে এ পর্যন্ত যুক্তরাজ্যে শনাক্ত হয়েছেন ২০ জন। আর শুক্রবার ফ্রান্স, জার্মানি ও বেলজিয়ামে প্রথমবারের মতো ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে।

একসময় গুটি বসন্তে আক্রান্ত হয়ে অনেক মানুষ মারা যেত। এ ভাইরাসটি ১৯৮০ সালে পুরোপুরি নির্মূল ঘোষণা করা হয়েছে। এ ছাড়া রয়েছে চিকেন পক্স, এটিকে সাধারণত শৈশবের রোগ হিসেবেই বিবেচনা করা হয়।

চিকেন পক্সে আক্রান্ত হলে জ্বর, মাথাব্যথা, পেশিব্যথা এবং শরীরে ফুসকুড়ি দেখা দেয়। চিকেন পক্স পুরোপুরি নিরাময়যোগ্য। কয়েক দিনের মধ্যেই আক্রান্ত ব্যক্তি সুস্থ হয়ে যায়। বর্তমানে ছড়িয়ে পড়া মাঙ্কিপক্সের সঙ্গে গুটি বসন্ত ও চিকেন পক্স উভয়েরই মিল রয়েছে।

মাঙ্কিপক্সে প্রাণহানির সংখ্যা খুবই কম। এই ভাইরাস মানুষ থেকে মানুষে সংক্রমণ ঘটলেও তা সীমিত। কাঠবিড়ালি, গাম্বিয়ান ইঁদুর, ডর্মিসের পাশাপাশি বিভিন্ন প্রজাতির বানরসহ কিছু প্রাণীর মধ্যে মাঙ্কিপক্স পাওয়া গেছে।

এ বছরই যুক্তরাষ্ট্রে মাঙ্কিপক্সে আক্রান্ত রোগী প্রথম দেখা গেছে। মাদ্রিদে এরই মধ্যে ২৩ জনের শরীরে এই ভাইরাস সংক্রমিত হলে সম্ভাব্য প্রাদুর্ভাবের বিষয়ে স্প্যানিশ কর্তৃপক্ষ সতর্কতা জারি করে। আক্রান্তদের মধ্যে আটজন সমকামী পুরুষ রয়েছে।

মাদ্রিদের আঞ্চলিক স্বাস্থ্য বিভাগের একজন মুখপাত্র বলেছেন, মাদ্রিদে ভাইরাসটি ফ্লুইড কনটাক্টের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

ইউরোপে শুধু স্পেনই নয়, লিসবন এবং আশপাশের এলাকায় পর্তুগিজ যুবকদের মাঙ্কিপক্সে আক্রান্ত হওয়ার ২০টি সন্দেহভাজন ঘটনা প্রকাশ পেয়েছে।

মাঙ্কিপক্সের দুটি রূপ রয়েছে। একটি পশ্চিম আফ্রিকান স্ট্রেন এবং অন্যটি মধ্য আফ্রিকান স্ট্রেন। ধারণা করা হচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্রে আক্রান্ত ব্যক্তির মাঙ্কিপক্স হালকা ওয়েস্ট আফ্রিকান স্ট্রেনের।

তবে ভাইরাসটি ছড়িয়ে পড়া কঠিন। এর সংক্রমণ সাধারণত ফ্লুইড ট্রান্সফার, ঘা, দূষিত পোশাক বা দীর্ঘস্থায়ী মুখোমুখি যোগাযোগ কিংবা সহাবস্থানের মাধ্যমে ঘটে, যা শ্বাসযন্ত্রের মাধ্যমে সংক্রমিত হয়।

আরও পড়ুন:
স্পেনে সতর্কতার পর এবার যুক্তরাষ্ট্রেও মাঙ্কিপক্স

মন্তব্য

আরও পড়ুন

আন্তর্জাতিক
Bank loans are not for importing luxury goods

বিলাস পণ্য আমদানিতে ব্যাংকঋণ নয়

বিলাস পণ্য আমদানিতে ব্যাংকঋণ নয় গাড়িসহ বিলাসজাতীয় পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে কোনো ধরনের ঋণ দিতে পারবে না ব্যাংক। ফাইল ছবি
সব ধরনের মোটরকার, হোম অ্যাপ্লায়েন্স হিসেবে ব্যবহৃত ইলেকট্রিক্যাল এবং ইলেকট্রনিকস সামগ্রী, প্রসাধনী, স্বর্ণালংকার, তৈরি পোশাক, গৃহস্থালি বৈদ্যুতিক সামগ্রী বা হোম অ্যাপ্লায়েন্স, পানীয়সহ বেশকিছু পণ্য আমদানিতে এখন থেকে ব্যাংক থেকে কোনো ধরনের ঋণসুবিধা পাবেন না আমদানিকারকরা।

অর্থনীতিতে আমদানি ব্যয়ের চাপ কমাতে এবং বিলাস পণ্য আমদানির লাগাম টেনে ধরতে আরও কড়াকড়ি আরোপ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

সব ধরনের মোটরকার, হোম অ্যাপ্লায়েন্স হিসেবে ব্যবহৃত ইলেকট্রিক্যাল এবং ইলেকট্রনিকস সামগ্রী, প্রসাধনী, স্বর্ণালংকার, তৈরি পোশাক, গৃহস্থালি বৈদ্যুতিক সামগ্রী বা হোম অ্যাপ্লায়েন্স, পানীয়সহ বেশকিছু পণ্য আমদানিতে এখন থেকে ব্যাংক থেকে কোনো ধরনের ঋণসুবিধা পাবেন না আমদানিকারকরা।

এসব পণ্যের আমদানি ঋণপত্র (এলসি) খোলার ক্ষেত্রে শতভাগ নগদ মার্জিন সংরক্ষণ করতে হবে। এর আগে যা ছিল ৭৫ শতাংশ।

অর্থাৎ এসব বিলাসজাতীয় পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে পণ্যের পুরো আমদানিমূল্য ব্যাংকে জমা দিতে হবে আমদানিকারকদের। এসব পণ্য আমদানির জন্য ব্যাংক কোনো ধরনের ঋণ দিতে পারবে না।

বিলাস পণ্য আমদানিতে ব্যাংকঋণ নয়

সব ধরনের মোটরকারসহ বেশকিছু বিলাস পণ্য আমদানিতে এখন থেকে ব্যাংক থেকে কোনো ধরনের ঋণসুবিধা পাবেন না আমদানিকারকেরা। ফাইল ছবি

দেশের সব ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো এক সার্কুলারে সোমবার এই নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

আমদানি ব্যয় অস্বাভাবিক বেড়ে যাওয়ায় চাপের মুখে পড়েছে দেশের অর্থনীতি। বাণিজ্য ঘাটতি ৩০ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে।

ফলে ডলারের দাম বেড়েই চলেছে। আন্তব্যাংক মুদ্রাবাজারেই এখন এক ডলারের জন্য ৯৩ টাকা ৪৫ পয়সা খরচ করতে হচ্ছে।

ব্যাংকগুলো ডলার বিক্রি করছে এর চেয়ে সাড়ে পাঁচ-ছয় টাকা বেশি দরে।

এ নাজুক পরিস্থিতিতে আমদানি ব্যয়ের লাগাম টেনে ধরতে বিলাস পণ্য আমদানি কমাতে আরও কড়াকড়ি আরোপ করল কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, করোনার দীর্ঘমেয়াদি নেতিবাচক প্রভাব এবং বহির্বিশ্বে সাম্প্রতিক যুদ্ধাবস্থা প্রলম্বিত হওয়ার কারণে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। এ প্রেক্ষাপটে দেশের মুদ্রা ও ঋণ ব্যবস্থাপনা অধিকতর সুসংহত রাখার লক্ষ্যে আমদানি ঋণপত্র স্থাপনের ক্ষেত্রে নগদ মার্জিন হার পুনর্নির্ধারণের জন্য নির্দেশনা দেয়া হলো।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, মোটরকার (সেডানকার,এসইউভি, এমপিভি ইত্যাদি), ইলেকট্রিক্যাল এবং ইলেকট্রনিকস হোম অ্যাপ্লায়েন্স, স্বর্ণ ও স্বর্ণালংকার, মূল্যবান ধাতু ও মুক্তা, তৈরি পোশাক, চামড়াজাত পণ্য, পাটজাত পণ্য, প্রসাধনী, আসবাব ও সাজসজ্জার সামগ্রী, ফল ও ফুল, নন–সিরিয়াল ফুড (যেমন অশস্য খাদ্যপণ্য, প্রক্রিয়াজাত খাদ্যদ্রব্য ও পানীয়, যেমন টিনজাত খাদ্য, চকলেট, বিস্কুট, জুস, সফট ড্রিংকস ইতাদি), অ্যালকোহল–জাতীয় পানীয়, তামাক, তামাকজাত বা এর বিকল্প পণ্যসহ অন্যান্য বিলাসজাতীয় পণ্যের আমদানি ঋণপত্র স্থাপনের ক্ষেত্রে শতভাগ নগদ মার্জিন সংরক্ষণ করতে হবে।

অর্থাৎ কোনো ব্যবসায়ী বা ব্যক্তি ১ কোটি টাকার একটি গাড়ি আমদানি করতে চাইলে তাকে পুরো টাকা নগদ দিতে হবে। ব্যাংক কোনো ঋণ দেবে না।

গত ১১ এপ্রিল জরুরি পণ্য ছাড়া অন্য সকল পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে কমপক্ষে ২৫ শতাংশ এলসি মার্জিন রাখার নির্দেশ দিয়েছিল বাংলাদেশ ব্যাংক।

এরপর ১০ মে সে নির্দেশনায় পরিবর্তন এনে সব ধরনের গাড়ি, ইলেকট্রিক্যাল এবং ইলেকট্রনিকস সামগ্রী আমদানির এলসি খুলতে ন্যূনতম ৭৫ শতাংশ নগদ মার্জিন রাখার নির্দেশ দেয়া হয়। জরুরি পণ্য ছাড়া অন্য সব পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে কমপক্ষে ৫০ শতাংশ মার্জিন রাখতে বলা হয়।

আরও পড়ুন:
কাগজ আমদানিতে শুল্ক কমানোর দাবি
কিছুতেই লাগাম পরানো যাচ্ছে না আমদানিতে
আমদানি কমাতে ১৩৫ পণ্যে শুল্কারোপ
বিলাস পণ্য আমদানি কমাতে আরও কড়াকড়ি
ভোমরায় ৭ ঘণ্টা আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকল কেন

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
There are many casualties in shopping malls in Denmark

ডেনমার্কে শপিং মলে গুলি, নিহত ৩

ডেনমার্কে শপিং মলে গুলি, নিহত ৩ বন্ধুকধারীর গুলি থেকে বাঁচতে নিরাপদ স্থানে দৌড়াচ্ছে মানুষ। ছবি: এএফপি
কোপেনহেগেনের মেয়র সোফি এইচ অ্যান্ডারসেন এক টুইটে লিখেছেন, ‘গুলি চালানোর ভয়ংকর খবর! আমরা এখনও নিশ্চিত নই কতজন আহত বা মারা গেছেন। তবে এটি খুবই গুরুতর।’

ডেনমার্কের রাজধানী কোপেনহেগেনে ফিল্ডস নামে একটি শপিং মলে এক বন্দুকধারীর হামলায় অন্তত তিনজন নিহত হয়েছেন।

রোববার মাঝরাতে দেশটির পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় আরও অসংখ্য মানুষ আহত হয়েছেন।

কোপেনহেগেন পুলিশ অপারেশন ইউনিটের প্রধান পুলিশ ইন্সপেক্টর সোরেন থমাসেন বলেছেন, সন্দেহভাজন হামলাকারীকে ইতোমধ্যেই আটক করা হয়েছে। ২২ বছর বয়সী জাতিগত ডেনিশ ওই যুবককে রাজধানীর দক্ষিণ প্রান্তে ফিল্ডস শপিং সেন্টারের কাছ থেকে আটক করা হয়।

সাংবাদিকদের সোরেন বলেন, ‘আমরা জানি সেখানে কয়েকজন নিহত হয়েছেন। অনেকে আহতও হয়েছেন।’

এ ঘটনায় সন্ত্রাসবাদকে উড়িয়ে দেয়া যায় না বলেও মন্তব্য করেন তিনি। এতে আরও মানুষের সম্পৃক্ততা আছে কি-না খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই মুহূর্তে শহরের কাউকেই সন্দেহের বাইরে রাখা হচ্ছে না। তবে ‘জাতিগত ডেন’ ছাড়া আটক যুবক সম্পর্কে খুব বেশি বিবরণ দেননি সোরেন।

ডেনমার্কে শপিং মলে গুলি, নিহত ৩

ফিল্ডস শপিং সেন্টারটি কোপেনহেগেনের উপকণ্ঠে অবস্থিত। সাবওয়ে লাইনের বিপরীতে, যা শহরের কেন্দ্রকে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সঙ্গে যুক্ত করেছে।

পাশ্চাত্যের বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত ছবিতে ঘটনাস্থল থেকে আহত ব্যক্তিদের উদ্ধার তৎপরতা ছাড়াও প্রাণভয়ে নারী-পুরুষদের ছোটাছুটি করতেও দেখা গেছে।

কোপেনহেগেনের মেয়র সোফি এইচ অ্যান্ডারসেন এক টুইটে লিখেছেন, ‘ফিল্ডসে গুলি চালানোর ভয়ংকর খবর! আমরা এখনও নিশ্চিত নই কতজন আহত বা মারা গেছেন। তবে এটি খুবই গুরুতর।’

আরও পড়ুন:
শামীম ওসমানপুত্রের বিরুদ্ধে ফাঁকা গুলি ছোড়ার অভিযোগ
এলডিপির মহাসচিব রেদোয়ানের জামিন
শপিং ব্যাগে গুলির ১৩৭ খোসা
‘আধিপত্য বিস্তারে ককটেল-গুলি’, আহত ৪
খুলনায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে ব্যবসায়ী নিহত

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Panchil Topke Mamatas house

পাঁচিল টপকে মমতার বাড়িতে

পাঁচিল টপকে মমতার বাড়িতে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ছবি: সংগৃহীত
শনিবার রাত ১টার পর কলকাতার কালীঘাটে হরিশ চ্যাটার্জী রোডে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির পাঁচিল টপকে ভেতরে ঢুকে পড়েন এক ব্যক্তি। তিনি মুখ্যমন্ত্রীর গাড়ি রাখার জায়গা পর্যন্ত পৌঁছে যান এবং সারারাত সেখানেই নির্বিঘ্নে কাটিয়ে দেন। পরে পুলিশ তাকে আটক করে।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির পাঁচিল টপকে অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তি ভেতরে ঢুকে পড়ায় প্রশ্নের মুখে পড়েছে মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তা ব্যবস্থা। ইতোমধ্যে মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর।

কলকাতার কালীঘাটের মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির নিরাপত্তা রক্ষীরা রোববার সকালে ওই ব্যক্তিকে বাড়ির ভেতরে দেখতে পান। একইসঙ্গে তারা জানতে পারেন, ওই লোক সেখানে পুরো রাত নির্বিঘ্নে কাটিয়ে দিয়েছেন।

পুলিশ সূত্র জানায়, শনিবার রাত ১টার পর হরিশ চ্যাটার্জী রোডে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির পাঁচিল টপকে ভেতরে ঢুকে পড়েন ওই ব্যক্তি। তিনি মুখ্যমন্ত্রীর গাড়ি রাখার জায়গা পর্যন্ত পৌঁছে যান। এবং সারারাত মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতেই কাটান। পরে কালীঘাট থানার পুলিশ তাকে আটক করে।

ওই ব্যক্তি কী উদ্দেশ্য নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে ঢুকেছিলেন তা জিজ্ঞাসাবাদ করে জানার চেষ্টা করছে পুলিশ। তিন স্তরের নিরাপত্তা বলয় পেরিয়ে কিভাবে মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে ঢুকে পড়লেন ওই ব্যক্তি তা তদন্ত করে দেখছেন লালবাজারের গোয়েন্দারা।

এ ঘটনার পর রাজ্যের পুলিশ কমিশনার, ডিজি, ডিসি সাউথসহ পুলিশের অন্যান্য কর্মকর্তা জরুরি বৈঠকে বসেন।

জয়েন্ট সিপি ক্রাইম মুরলিধর শর্মা বলেন, ‘সন্দেহজনক উদ্দেশ্য নিয়েই ওই ব্যক্তি মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে ঢুকেছিলেন বলে মনে করা হচ্ছে। বিষয়টি বিশেষ জোর দিয়ে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হচ্ছে।’

রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জেড ক্যাটাগরির নিরাপত্তা পান। সেই নিরাপত্তা বলয় ভেদ করে কীভাবে ওই ব্যক্তি কী উদ্দেশ্যে মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে ঢুকেছিলেন তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

আরও পড়ুন:
কংগ্রেস ব্যর্থ, বিজেপিকে হারাতে পারে তৃণমূল: মমতা
মমতাই মুখ্যমন্ত্রী, ন্যাড়া হয়ে বিজেপি ছাড়ার ঘোষণা এমপির
ভবানীপুরের জয়ে মমতাকে অভিনন্দন বিজেপিবিরোধীদের
বিশাল জয়, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী থাকছেন মমতা
দ্বিতীয় রাউন্ড ভোট গণনা শেষে এগিয়ে মমতা

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Lookout notice against Nupur Sharma

নূপুর শর্মার বিরুদ্ধে লুকআউট নোটিশ

নূপুর শর্মার বিরুদ্ধে লুকআউট নোটিশ বিজেপি নেত্রী নূপুর শর্মা। ছবি: সংগৃহীত
মহানবী (সা.) সম্পর্কে অবমাননাকর মন্তব্য ইস্যুতে নূপুর শর্মার বিরুদ্ধে সমন পাঠায় কলকাতা পুলিশ। নিজের প্রাণের ঝুঁকির উল্লেখ করে তিনি চার সপ্তাহ সময় নেন। দ্বিতীয় দফা সমনেও সাড়া দেননি এই বিজেপি নেত্রী। অবশেষে পুলিশ তার বিরুদ্ধে লুকআউট নোটিশ জারি করেছে।

মহানবী (সা.) সম্পর্কে অবমাননাকর মন্তব্য ঘিরে সৃষ্ট বিতর্কে ভারতে ক্ষমতাসীন দল বিজেপির নেত্রী নূপুর শর্মাকে দু-দুবার হাজিরা দেয়ার নোটিশ পাঠালেও তিনি পুলিশের মুখোমুখি হননি। এবার তার বিরুদ্ধে লুকআউট নোটিশ জারি করেছে কলকাতা পুলিশ।

কলকাতার নারকেলডাঙ্গা থানায় নূপুরের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া অভিযোগের ভিত্তিতে এই লুকআউট নোটিশ জারি করেছে পুলিশ।

বিজেপি থেকে বরখাস্ত হওয়া নূপুর শর্মা মহানবী (স.)কে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করার জের ধরে ভারতে অশান্তির আগুন ছড়িয়ে পড়ে। বিদেশেও এ নিয়ে সমালোচনা ও প্রতিবাদের ঝড় ওঠে। সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে। বাদ যায়নি পশ্চিমবঙ্গও। এই রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় অশান্তির আগুন ছড়িয়ে পড়ে।

পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরামর্শক্রমে কলকাতাসহ রাজ্যের বিভিন্ন থানায় এফআইআর দায়ের হয় নূপুর শর্মার বিরুদ্ধে। কলকাতার নারকেলডাঙ্গা থানায় নূপুরের বিরুদ্ধে অভিযোগের ভিত্তিতে সমন পাঠায় কলকাতা পুলিশ। কিন্তু নূপুর কলকাতা পুলিশকে ই-মেইল করে জানান, নিজের প্রাণের ঝুঁকির কারণে তিনি এখনই হাজিরা দিতে পারছেন না। সে জন্য তিনি চার সপ্তাহ সময় চেয়ে নেন।

চার সপ্তাহ পর আবারও জুনে সমন পাঠালে বিজেপি নেত্রী সেই হাজিরাও এড়িয়ে যান। এরপর নারকেলডাঙ্গা থানার অভিযোগের ভিত্তিতে কলকাতা পুলিশ নূপুর শর্মার বিরুদ্ধে লুকআউট নোটিশ জারি করে।

পুলিশ সূত্রে খবর, নূপুর শর্মার বিরুদ্ধে রাজ্যের অন্তত ১০টি থানায় এফআইআর হয়েছে। নূপুরের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া অভিযোগের তদন্ত প্রয়োজন। সে কারণে লুকআউট নোটিশ জারি হয়েছে।

আরও পড়ুন:
রাজস্থানে দর্জি হত্যার পেছনে পাকিস্তানের জঙ্গিরা?
নূপুর শর্মাকে দেশবাসীর কাছে ক্ষমা চাইতে বলল আদালত
ভারতে ‘তালেবানি মানসিকতা’ চলবে না: আজমির শরিফ প্রধান
সেই নূপুরের পক্ষ নেয়ায় রাজস্থানে দর্জি খুন, ১৪৪ ধারা
জবিতে শিক্ষার্থীদের ভারতীয় পণ্য বয়কটের ডাক

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
China India leaving WHO?

ডব্লিওএইচও ছাড়ছে চীন-ভারত? 

ডব্লিওএইচও ছাড়ছে চীন-ভারত?  ভারত, চীন, রাশিয়াসহ সাত দেশের বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ছাড়ার খবর ভুয়া। ছবি: সংগৃহীত
একাধিক গুগল কি-ওয়ার্ড অনুসন্ধানেও এ ইস্যুতে বিশ্বাসযোগ্য কোনো প্রতিবেদন বা ঘোষণা পাওয়া যায়নি। ডব্লিওএইচও-র ওয়েবসাইটে এসব দেশের নাম এখনও রয়েছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সদস্যপদ ছেড়ে দিচ্ছে সাত দেশ- সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এমন কিছু পোস্ট এখন আলোচনায়। এসব পোস্টে বলা হচ্ছে, চীন, ভারত এবং রাশিয়াসহ সাত দেশ ঘোষণা দিয়েছে, তারা সংস্থাটি ছেড়ে দেবে। তবে অনুসন্ধানে দেখা গেছে বাস্তবে এমন কিছুই ঘটছে না। সংস্থাটির কোনো সদস্যই এমন ঘোষণা দেয়নি।

মিথ্যা দাবিটি ৪ জুন প্রথম টুইটারে শেয়ার হয়। যে অ্যাকাউন্ট থেকে এটি শেয়ার হয়, সেটির প্রায় ১৪ হাজার ফলোয়ার রয়েছে।

চীনা অক্ষরে ওই পোস্টে লেখা হয়, ‘রাশিয়া, ভারত, চীন, সাউথ আফ্রিকা, ইরান এবং মালয়েশিয়ার পাশাপাশি ব্রাজিল ঘোষণা দিয়েছে, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিওএইচও)-এর সদস্যপদ ছেড়ে দিচ্ছে তারা।

লেখার সঙ্গে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অধিবেশনের একটি ছবি প্রকাশ হয়, যেটি ২০১৭ সালের।

আরও কয়েকটি অ্যাকাউন্ট থেকে একই দাবি করে টুইট করা হয়। বাদ যায়নি ফেসবুক। কেবল তা-ই নয়, ইংরেজি এবং ফরাসি ভাষায় একই ধরনের দাবি করা আরও কিছু টুইট ছড়িয়ে পড়েছে।

সেখানে বলা হয়, ভবিষ্যতে রোগের প্রাদুর্ভাবের বিষয়ে এজেন্সির প্রতিক্রিয়াকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে ডব্লিওএইচও নীতিমালায় পরিবর্তন আনছে। যুক্তরাষ্ট্র সংশোধনীর প্রস্তাবটি তুলেছে।

এই প্রস্তাব পাস হলে ডব্লিওএইচও সদস্য দেশের অভ্যন্তরীণ নীতিতে হস্তক্ষেপ করতে পারবে।

এসব পোস্টে করা মন্তব্যগুলোও জনগণকে বিভ্রান্ত করছে। ডব্লিউএইচওর মহাপরিচালকে উল্লেখ করে একজন লেখেন, ‘ডব্লিউএইচও কি চীন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত নয়? টেড্রোসের এখন কী হবে?’

আরেকজন লেখেন, ‘আপনি চলে যাওয়ার সময় দয়া করে টেড্রোসকে নিয়ে যান।’

বিষয়টি নিশ্চিত হতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে, সংস্থাটির এক মুখপাত্র জানান, এমন কিছুই ঘটছে না।

তিনি বলেন, ‘ডব্লিউএইচও-এর ১৯৪ সদস্য রাষ্ট্রের কেউই সংস্থা থেকে প্রত্যাহারের ঘোষণা দেয়নি।’

একাধিক গুগল কি-ওয়ার্ড অনুসন্ধানেও এ ইস্যুতে বিশ্বাসযোগ্য কোনো প্রতিবেদন বা ঘোষণা পাওয়া যায়নি। ডব্লিওএইচও-র ওয়েবসাইটে এসব দেশের নাম এখনও রয়েছে।

আরও পড়ুন:
শিক্ষাবোর্ডের নামে ‘সুন্দরী বউ’ বাছাইয়ের তথ্য ছড়াল কারা
আরিয়ানের শাক বেচে চাল কেনার দাবি কতটা সত্যি?
মঙ্গল শোভাযাত্রায় ‘দেশাত্মবোধক গান’-এর পেছনে কী?
মাদকবিরোধী দেয়াল লিখনে ভুলের সত্যতা কতটা
বুলেট-নির্মিত পুতিনের শিল্পকর্মটি কবেকার?

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
There are no temples or idols inside the Taj Mahal ASI

‘তাজমহলে মন্দির বা দেবদেবীর মূর্তি নেই’

‘তাজমহলে মন্দির বা দেবদেবীর মূর্তি নেই’ পৃথিবীর সপ্তম আশ্চর্য হয়ে ভারতের আগ্রায় দাঁড়িয়ে আছে তাজমহল। ছবি: সংগৃহীত
ভারতের পুরাতত্ত্ব বিভাগ জানায়, এএসআইয়ের রেকর্ড অনুযায়ী ‘তেজো মহালয়’ নামে কোনো শিবমন্দিরের কাঠামোর ওপর তাজমহল নির্মিত হয়নি। আর তাজমহলের ভেতরে হিন্দু দেবদেবী রয়েছেন, এমন কোনো বন্ধ ঘরও নেই।

পৃথিবীর সপ্তম আশ্চর্য ভারতের তাজমহলের ভেতরে কোনো হিন্দু মন্দির বা দেবদেবীর মূর্তি নেই বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়া (এএসআই)।

পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতাসীন দল তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র আরটিআই অ্যাক্টিভিস্ট সাকেত গোখেলের প্রশ্নের জবাবে ভারতের পুরাতত্ত্ব বিভাগ এমন তথ্য জানিয়েছে।

তথ্য জানার অধিকার আইনের আওতায় সাকেত গোখেলের প্রশ্নের জবাবে পুরাতত্ত্ব বিভাগ জানায়, এএসআইয়ের রেকর্ড অনুযায়ী ‘তেজো মহালয়’ নামে কোনো শিবমন্দিরের কাঠামোর ওপর তাজমহল নির্মিত হয়নি। আর তাজমহলের ভেতরে হিন্দু দেবদেবী রয়েছেন, এমন কোনো বন্ধ ঘরও নেই।

দীর্ঘদিন ধরে বিজেপি নেতারা দাবি করে আসছিলেন, তাজমহল আসলে হিন্দুদের তেজো মহালয় বা শিবমন্দিরের ওপর নির্মাণ করা হয়েছে। কিছু হিন্দুত্ববাদী সংগঠন বিষয়টি নিয়ে আদালতে মামলাও করে। এমনকি তাজমহলের একাংশ ভেঙে শিবমন্দির গড়ার দাবি তোলে তারা।

সেই দাবি নিয়ে আদালতে ধাক্কা খাওয়ার পর ভারতের পুরাতত্ত্ব বিভাগের এই জবাবে শিবমন্দির এবং তাজমহল বিতর্কে বড়সড় ধাক্কা খেল বিজেপি নেতৃত্ব। তাদের হিন্দু-মুসলিম বিতর্ক উসকে দিয়ে রাজনৈতিক ফায়দা তোলার হাতিয়ার ভোঁতা হয়ে গেল বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশ।

আরও পড়ুন:
তাজমহলের বন্ধ দরজা খোলার আবেদন খারিজ
মোদি ফুল দিলেন, শাহজাহান কি হাত কেটেছিলেন?
নারায়ণগঞ্জের তাজমহল দেখতে দর্শনার্থীদের ভিড়

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
The mother tied up the drug addicted boy

মাদকাসক্ত ছেলেকে শিকলে বেঁধে রাখলেন মা

মাদকাসক্ত ছেলেকে শিকলে বেঁধে রাখলেন মা পাঞ্জাবের মোগা জেলায় শিকলে আটকে রাখা মাদকাসক্ত যুবক। ছবি: সংগৃহীত
প্রতিবেদনে বলা হয়, আট দিন ধরে সেই যুবককে শিকল দিয়ে বেঁধে রাখা হয়েছে এবং পাশাপাশি চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। তার নেশার কারণে হতাশ হয়ে বাবা-মা সবকিছু তালাবদ্ধ করে রাখেন, যেন চুরি করতে না পারে।

মা-বাবার কাছে সবচেয়ে মূল্যবান তাদের সন্তান। সন্তানকে যক্ষের ধনের মতো আগলে রাখেন তারা। আর সেই সন্তানকেই শেকল দিয়ে বেঁধে রাখতে হলো। নেশাগ্রস্ত সন্তানের অত্যাচার সইতে না পেরে এমনটা করতে বাধ্য হলেন তারা।

এমন ঘটনা ঘটেছে ভারতের পাঞ্জাবের মোগা জেলায়।

২৩ বছর বয়সী দিনমজুর ছেলে নিজের আয়ের সব টাকা মাদকের পেছনে ব্যয় করে বলে অভিযোগ করেন তার মা।

একটি ভিডিওতে ওই যুবককে খাটের সঙ্গে শিকলে বাঁধা অবস্থায় দেখা যায়। তাকে মাদক নেয়া থেকে বিরত রাখতে বাবা-মা এভাবে আটকে রাখতে বাধ্য হন।

তার মা বলেন, ‘ছেলে প্রতিদিন মাদক নিতে গিয়ে ৮০০ রুপি খরচ করেন। গত পাঁচ-ছয় বছর ধরে এ কাজ করে আসছে সে।’

ওই যুবক আয়ের সব অর্থ ব্যয় করেন মাদকের পেছনে। এরপর বাড়ির জিনিসপত্র চুরি করতে শুরু করে বলে বিলাপ করতে থাকেন তার মা।

তিনি বলেন, ‘মাঝে মাঝেই গৃহস্থালির জিনিসপত্র না পেলে আমাদের মারধরও করত।’

এনডিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, আট দিন ধরে সেই যুবককে শিকল দিয়ে বেঁধে রাখা হয়েছে এবং পাশাপাশি চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। তার নেশার কারণে হতাশ হয়ে বাবা-মা সবকিছু তালাবদ্ধ করে রাখেন, যেন চুরি করতে না পারেন।

তার মা আরও বলেন, ‘নেশার জন্য আমাদের অনেক কষ্ট দিয়েছে সে। তাকে আটকে রাখলেও মাঝে মাঝে গবাদি পশুর খাবার আনার জন্য আমি তালা খুলে দেই।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের গ্রামেই মাদক বিক্রি হয়, আমি চাই সরকার যেন কঠোর ব্যবস্থা নেন এবং মাদকের অপব্যবহার বন্ধ করেন।’

পাঞ্জাবে কোটি কোটি টাকার মাদকদ্রব্য জব্দ করা খুবই সাধারণ ব্যাপার, সেখানে এখন বছরের পর বছর ধরে মাদকদ্রব্যের কারণে মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

মন্তব্য

p
উপরে