× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ পৌর নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট

আন্তর্জাতিক
After warnings in Spain this time Monkeypox is also in the United States
hear-news
player
print-icon

স্পেনে সতর্কতার পর এবার যুক্তরাষ্ট্রেও মাঙ্কিপক্স

স্পেনে-সতর্কতার-পর-এবার-যুক্তরাষ্ট্রেও-মাঙ্কিপক্স
মাঙ্কিপক্সের সঙ্গে গুটি বসন্ত ও চিকেনপক্স উভয়েরই মিল রয়েছে। ছবি: সিডিসি
স্পেন, পর্তুগাল, যুক্তরাজ্যের পর এবার মাঙ্কিপক্স আক্রান্ত ব্যক্তির খোঁজ পাওয়া গেল যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটসে। আক্রান্ত ব্যক্তি সম্প্রতি কানাডা ভ্রমণে গিয়েছিলেন। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা এখনই কোনো হুমকি না দেখলেও সতর্কতা জরুরি বলে মতামত দিয়েছেন।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ যখন অনেকটাই কমে এসেছে তখন ইউরোপে পাওয়া গেছে মাঙ্কিপক্স ছড়িয়ে পড়ার খবর। আক্রান্তের ঘটনাগুলোতে নজর রাখছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। এবার যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটসের এক বাসিন্দা মাঙ্কিপক্সে আক্রান্ত হয়েছেন। বুধবার দেশটির সংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র (সিডিসি) ও ম্যাসাচুসেটসের জনস্বাস্থ্য বিভাগ বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

রাশিয়া টুডের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মাঙ্কিপক্সে আক্রান্ত ব্যক্তি সম্প্রতি কানাডা ভ্রমণে গিয়েছিলেন। তাকে এরই মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আক্রান্ত ব্যক্তির অবস্থা স্থিতিশীল এবং তিনি ভালো অবস্থায় আছেন।

কর্তৃপক্ষ আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে কারা কারা এসেছেন তা খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে। তবে স্থানীয় জনস্বাস্থ্য বোর্ড বলছে, সাধারণ মানুষের কোনো ঝুঁকি নেই। সাধারণত শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণের মাধ্যমে এই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ে।

এ বছরই যুক্তরাষ্ট্রে মাঙ্কিপক্সে আক্রান্ত রোগী প্রথম দেখা গেছে। মাদ্রিদে এরই মধ্যে ২৩ জনের শরীরে এই ভাইরাস সংক্রমিত হলে সম্ভাব্য প্রাদুর্ভাবের বিষয়ে স্প্যানিশ কর্তৃপক্ষ সতর্কতা জারি করে। আক্রান্তদের মধ্যে ৮ জন সমকামী পুরুষ রয়েছে। মাদ্রিদের আঞ্চলিক স্বাস্থ্য বিভাগের একজন মুখপাত্র বলেছেন, মাদ্রিদে ভাইরাসটি ফ্লুইড কনটাক্টের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

ইউরোপে শুধু স্পেনই নয়, লিসবন এবং আশেপাশের এলাকায় পর্তুগিজ যুবকদের মাঙ্কিপক্সে আক্রান্ত হওয়ার ২০ টি সন্দেহভাজন ঘটনা প্রকাশ পেয়েছে।

যুক্তরাজ্যেও মাঙ্কিপক্সে আক্রান্তের খবর পাওয়া গেছে। এ পর্যন্ত ৭ ব্যক্তি সেখানে আক্রান্ত হয়েছেন, যার মধ্যে ৪ জন সমকামী পুরুষ। দেশটিতে প্রথম আক্রান্ত ব্যক্তি সম্প্রতি নাইজেরিয়ায় গিয়েছিলেন, ধারণা করা হচ্ছে সেখানেই তিনি মাঙ্কিপক্সে আক্রান্ত হন।

একসময় গুটি বসন্তে আক্রান্ত হয়ে অনেক মানুষ মারা যেত। এই ভাইরাসটি ১৯৮০ সালে পুরোপুরি নির্মূল ঘোষণা করা হয়েছে। এ ছাড়া রয়েছে চিকেন পক্স, এটিকে সাধারণত শৈশবের রোগ হিসেবেই বিবেচনা করা হয়। এতে আক্রান্ত হলে জ্বর, মাথাব্যথা, পেশি ব্যথা এবং শরীরে ফুসকুড়ি দেখা দেয়। চিকেন পক্স পুরোপুরি নিরাময়যোগ্য। কয়েক দিনের মধ্যেই আক্রান্ত ব্যক্তি সুস্থ হয়ে যায়।

বর্তমানে ইউরোপে ছড়িয়ে পড়া মাঙ্কিপক্সের সঙ্গে গুটি বসন্ত ও চিকেন পক্স উভয়েরই মিল রয়েছে।

মাঙ্কিপক্সের দুটি রূপ রয়েছে। একটি পশ্চিম আফ্রিকান স্ট্রেন এবং অপরটি মধ্য আফ্রিকান স্ট্রেন। ধারণা করা হচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্রে আক্রান্ত ব্যক্তির মাঙ্কিপক্স হালকা ওয়েস্ট আফ্রিকান স্ট্রেনের।

এর আগে গত বছরও যুক্তরাষ্ট্রে দুজন মাঙ্কিপক্সে আক্রান্ত হয়, এই দুজনই সে সময় নাইজেরিয়া ঘুরতে গিয়েছিলেন।

তবে ভাইরাসটি ছড়িয়ে পড়া কঠিন। এর সংক্রমণ সাধারণত ফ্লুইড ট্রান্সফার, ঘা, দূষিত পোশাক বা দীর্ঘস্থায়ী মুখোমুখি যোগাযোগ কিংবা সহাবস্থানের মাধ্যমে ঘটে, যা শ্বাসযন্ত্রের মাধ্যমে সংক্রমিত হয়।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

আন্তর্জাতিক
Zelensky wants 48000 crore rupees a month from NATO

ন্যাটোর কাছে মাসে ৪৮ হাজার কোটি টাকা চান জেলেনস্কি

ন্যাটোর কাছে মাসে ৪৮ হাজার কোটি টাকা চান জেলেনস্কি ভিডিওলিংকের মাধ্যমে ন্যাটো কনফারেন্সে ভাষণ দিচ্ছেন জেলেনস্কি। ছবি: সংগৃহীত
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলদিমির জেলেনস্কি মনে করেন, পশ্চিমাদের উচিত ইউক্রেনকে রাশিয়ার বিরুদ্ধে বিজয়ী হতে সর্বাত্মক সহায়তা চাওয়া কারণ কিয়েভ পরাজিত হলে রাশিয়া ও পশ্চিমা শক্তির সংঘাত অনিবার্য হয়ে উঠবে।

ইউক্রেনে চলছে রুশ সামরিক অভিযান। এমন পরিস্থিতিতে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলদিমির জেলেনস্কি রাশিয়ার সঙ্গে চলমান লড়াইয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন ন্যাটো ব্লককে তার দেশের প্রতি সহযোগিতা ও সমর্থন বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন।

রাশিয়া টুডের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বুধবার মাদ্রিদে ন্যাটো সম্মেলনে ভিডিওলিংকের মাধ্যমে ভাষণ দেয়ার সময় জেলেনস্কি এই মন্তব্য করেছেন।

তিনি আরও বলেন, কিয়েভ পরাজিত হলে পশ্চিমাদের সঙ্গে রাশিয়ার যুদ্ধ হবে। আপনারা হয় ইউক্রেনের জয়ের জন্য যথেষ্ট সাহায্য করুন, নতুবা রাশিয়া ও আপনাদের (পশ্চিমা) মধ্যে যুদ্ধ হবে।

ইউক্রেনের সরাসরি সামরিক ও আর্থিক সহায়তার প্রয়োজন উল্লেখ করে জেলেনস্কি বলেছেন, কিয়েভের বাজেট ঘাটতি মেটাতে মাসে ৫ বিলিয়ন ডলার (৪৮ হাজার কোটি টাকা) প্রয়োজন।

জেলেনস্কির মতে, সামরিক সহায়তার পাশাপাশি আর্থিক সহায়তাও গুরুত্বপূর্ণ। ইউক্রেনকে যুদ্ধের ময়দানে বিজয়ের মাধ্যমে এই যুদ্ধের অবসান ঘটাতে সাহায্য করতে এবং রুশ কর্মকান্ডের সত্যিকার জোরালো জবাব দিতে, সমগ্র ইউরো-আটলান্টিক সম্প্রদায়ের জন্য প্রয়োজন।

এবারে ন্যাটো সম্মেলনে বক্তব্য দিতে গিয়ে জেলেনস্কি বলেন, এবারের সংঘাত শেষ হলে আমাদেরকে অবশ্যই পশ্চিমা নিরাপত্তা বলয়ে একটি স্থান দিতে হবে। আমাদের নিরাপত্তার নিশ্চয়তা দরকার এবং আপনাদের অবশ্যই ইউক্রেনের জন্য একটি সাধারণ নিরাপত্তার জায়গা খুঁজে বের করতে হবে।

গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে সামরিক অভিযান শুরুর ঘোষণা দেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। এর পর থেকেই পশ্চিমাদের বাধা উপেক্ষা করে পূর্ব ইউরোপের দেশটিতে চলছে রুশ সেনাদের সামরিক অভিযান।

দোনবাসের বাসিন্দাদের রক্ষা করার জন্যই এমন সামরিক পদক্ষেপ বলে দাবি করে আসছে রাশিয়া। ইউক্রেনের পক্ষ থেকে বলা হয়, সম্পূর্ণ বিনা উসকানিতে রাশিয়া হামলা চালিয়েছে। দেশটি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে সাহায্যের আবেদন জানিয়ে আসছে।

যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি তেলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় অনেক পণ্যের দাম বেড়ে গেছে। এ যুদ্ধ বন্ধ না হলে বিশ্বজুড়ে বড় ধরনের খাদ্যসংকট তৈরি হবে বলে আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা।

আরও পড়ুন:
আক্রান্ত কিয়েভ, সহায়তা বাড়াচ্ছে ফ্রান্স-যুক্তরাজ্য
‘দোনেৎস্কে মার খাচ্ছে রুশপন্থিরা’
রুশ হুমকিতে এবার লিথুনিয়া
নোবেল পুরস্কারের পদক বেচে ইউক্রেনীয়দের অর্থ পাঠাচ্ছেন রুশ সাংবাদিক
ছাড়ে সবচেয়ে বেশি রাশিয়ার তেল কিনেছে চীন

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Accused of driving a dead body in a lorry in Texas

টেক্সাসের লরিতে মৃতদেহ, চালকসহ অভিযুক্ত ২

টেক্সাসের লরিতে মৃতদেহ, চালকসহ অভিযুক্ত ২ লরি থেকে ৫৩ অভিবাসনপ্রত্যাশীর মৃতদেহ উদ্ধারের ঘটনায় মানবপাচার আইনে চালকসহ দুইজনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত
লরিটির নিবন্ধনের ঠিকানার সঙ্গে গ্রেপ্তার দুই ব্যক্তির নাম-পরিচয়ের মিল রয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনেও মামলা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের জাস্টিজ ডিপার্টমেন্ট জানিয়েছে, গ্রেপ্তার এই দুই জনের সর্বোচ্চ শাস্তি হতে পারে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড।

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে ফেলে যাওয়া একটি লরি থেকে ৫৩ জনের মৃতদেহ উদ্ধারের ঘটনায় মানবপাচার আইনে চালকসহ দুইজনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।

টোক্সাসের বাসিন্দা হোমেরো জেমোরানো নামের ওই চালককে লরির পাশে একটি ঝোঁপ থেকে উদ্ধার করা হয়। প্রথমে তিনি পুলিশকে অভিবাসনপ্রত্যাশী হিসেবে পরিচয় দেন। পরে জিজ্ঞাসাবাদে মানবপাচারের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন তিনি।

মেক্সিকোর অভিবাসনবিষয়ক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, জেমোরানো প্রথমে নিজেকে বেঁচে যাওয়া অভিবাসনপ্রত্যাশী হিসেবে পরিচয় দেন।

মানবপাচারের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে গ্রেপ্তার অন্যজন হলেন ক্রিসচিয়ান মারটিনেজ। তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ আনা হয়েছে।

লরিটির নিবন্ধনের ঠিকানার সঙ্গে এই দুই ব্যক্তির নাম-পরিচয়ের মিল রয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনেও মামলা হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের জাস্টিজ ডিপার্টমেন্ট জানিয়েছে, গ্রেপ্তার এই দুই জনের সর্বোচ্চ শাস্তি হতে পারে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড।

আবদ্ধ লরিতে অতিগরমে হিটস্ট্রোক এবং পানিশূণ্যতায় অভিবাসনপ্রত্যাশীদের মৃত্যু হয় বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। যাদের পরিচয় শনাক্ত হয়েছে তাদের মধ্যে ২৭ জন মেক্সিকোর নাগরিক, ১৪ জন হুন্ডুরাস, সাতজন গুয়াতেমালা ও দুইজন আল-সালভাদরের নাগরিক।

স্থানীয় সময় গত সোমবার টেক্সাসের সান আন্তোনিওতে একটি লরির ভেতর থেকে ৫৩ জনকে মৃত অবস্থায় পাওয়া গেছে। ধারণা করা হচ্ছে, মারা যাওয়া সবাই যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসনপ্রত্যাশী ছিল।

সান আন্তোনিও ডিস্ট্রিক্ট-৪ সিটি কাউন্সিলের প্রতিনিধি আদ্রিয়ানা রোচা গার্সিয়া জানিয়েছেন, পুলিশপ্রধান উইলিয়াম ম্যাকম্যানাস তাকে পরিস্থিতি সম্পর্কে অবহিত করেছেন।

রোচা গার্সিয়া আরও জানিয়েছেন, আরও ১৬ জনকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফায়ার সার্ভিস নিশ্চিত করেছে যে হাসপাতালে নেয়া ১৬ জনের মধ্যে চার শিশুও রয়েছে।

এ ছাড়া ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, লরিটিতে কোনো ধরনের শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা ছিল না। এমনকি ভেতরে খাওয়ার পানিও ছিল না।

মেথোডিস্ট হেলথ কেয়ারের একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন, সেখানে তিনজনকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তাদের অবস্থা স্থিতিশীল।

বেঁচে থাকা ব্যক্তিরা গরম, হিটস্ট্রোকে ভুগছিলেন।

সান আন্তোনিওর পুলিশপ্রধান জানিয়েছেন, এ ঘটনার তদন্ত এখন ফেডারেল এজেন্টদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে এবং তিনজনকে এরই মধ্যে হেফাজতে রাখা হয়েছে।

সান আন্তোনিও, যা যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকো সীমান্ত থেকে ২৫০ কিলোমিটার দূরে। অভিবাসীদের পাচার করার জন্য একটি প্রধান ট্রানজিট রুট। লরিটি সান আন্তোনিওর দক্ষিণ-পশ্চিমে রেললাইনের পাশেই পাওয়া যায়।

টেক্সাসের রিপাবলিকান গভর্নর গ্রেগ অ্যাবট এই মৃত্যুর জন্য প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে দায়ী করেছেন এবং এই ঘটনাকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের নেয়া অতি উন্মুক্ত সীমান্ত নীতির ফল হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

আরও পড়ুন:
যুক্তরাষ্ট্রে লরিতে ৪৬ অভিবাসীর মরদেহ

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Oxford forgery as president

প্রেসিডেন্ট হিসেবে অভিষেক অক্সফোর্ড জালিয়াতের

প্রেসিডেন্ট হিসেবে অভিষেক অক্সফোর্ড জালিয়াতের ফিলিপাইনের প্রেসিডেন্ট হওয়া বংবংয়ের বিরুদ্ধে অক্সফোর্ড ডিগ্রি জালিয়াতির অভিযোগ রয়েছে। ছবি: সংগৃহীত
ফার্দিনান্দ মার্কোস জুনিয়র। যিনি ‘বংবং’ নামে পরিচিত। তার বাবা ফার্দিনান্দ মার্কোস সিনিয়র ফিলিপাইনের সাবেক স্বৈরশাসক। মার্কোস সিনিয়রকে গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতাচ্যুত করার ৩৬ বছর পর এসে মার্কোস জুনিয়র গণতন্ত্রের প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন।

ফিলিপাইনের ১৭তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিয়েছেন ফার্দিনান্দ মার্কোস জুনিয়র, বংবং নামেও পরিচিত। তার শপথ গ্রহণের মাধ্যমে ফিলিপাইনে দুতার্তে যুগের অবসান হলো।

সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ৩৬ বছর পর মার্কোস পরিবারের কেউ প্রেসিডেন্ট প্রাসাদ মালাকাংয়ে প্রবেশ করতে যাচ্ছেন।

এর আগে মে মাসে দেশটিতে হওয়া প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশ ভোট পেয়ে নিরঙ্কুশ জয়লাভ করেন মার্কোস।

১০ জন প্রার্থী ফিলিপাইনের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে অংশগ্রহণ করলেও মার্কোসের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী লেনি রব্রিদোর থেকে তিনি প্রায় দ্বিগুণ ভোট পেয়েছিলেন।

মার্কোস পেয়েছিলেন ২ কোটি ১৭ লাখ ভোট এবং লেনি রব্রিদো পেয়েছিলেন ১ কোটি ৩ লাখ ভোট।

অথচ ২০১৬ সালে ভাইস প্রেসিডেন্ট পদে এই লেনি রব্রিদোর কাছেই হেরেছিলেন মার্কোস।

নির্বাচনি প্রচারণায় তিনি নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে বেকারত্ব কমিয়ে আনা ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী লেনি রব্রিদো, যিনি দেশটির ভাইস প্রেসিডেন্ট ছিলেন। তার প্রতিশ্রুতি ছিল, দেশটির গণতন্ত্রের স্বার্থে আরও জবাবদিহিমূলক ও স্বচ্ছ সরকার প্রতিষ্ঠা করার।

ফিলিপিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞানী আরিয়েস আরুগে আল জাজিরাকে বলেছিলেন, ‘এই নির্বাচন মূলত ভালো ও খারাপের প্রচারণা। এটি স্পষ্ট যে দুতার্তে ছিলেন রাজতান্ত্রিক, স্বৈরাচার ও দায়মুক্তির প্রতিনিধি, সেখানে রব্রিদো প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন এর বিপরীত: সততা, দায়বদ্ধতা ও গণতন্ত্র।’

কে এই ফার্দিনান্দ মার্কোস জুনিয়র?

ফার্দিনান্দ মার্কোস জুনিয়র। যিনি ‘বংবং’ নামে পরিচিত। তার বাবা ফার্দিনান্দ মার্কোস সিনিয়র ফিলিপাইনের সাবেক স্বৈরশাসক। ১৯৮৬ সালে মার্কোস সিনিয়রকে গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতাচ্যুত করা হয়।

৬৪ বছর বয়সী মার্কোস পড়াশোনা করেছেন ইংল্যান্ডের সাক্সেসের প্রাইভেট ওর্থ স্কুলে। তার অফিশিয়াল বায়োগ্রাফিতে তিনি নিজেকে একজন অক্সফোর্ড গ্র্যাজুয়েট দাবি করলেও ব্লুমবার্গের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১৫ সালে অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি নিশ্চিত করেছে, তিনি কেবল ১৯৭৮ সালে সোশ্যাল স্টাডিজে ডিপ্লোমা করেছেন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। তিনি তার পড়াশোনা শেষ করেননি। বিশ্ববিদ্যালয়টির পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে, এই ডিপ্লোমা কখনই গ্র্যাজুয়েশনের ডিগ্রির সমতুল্য নয়।

অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির সাবেক ফিলিপিনো ছাত্রদের সংগঠন অক্সফোর্ড ফিলিপিন্স সোসাইটিও জানিয়েছিল, মার্কোসের অক্সফোর্ড গ্র্যাজুয়েশনের দাবি সত্য নয়। এমনকি সংগঠনটি একজন হেভিওয়েট প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থীর মিথ্যা দাবিতে উদ্বেগও জানিয়েছিল।

আরও পড়ুন:
টাইফুনে লন্ডভন্ড ফিলিপাইন, নিহত অন্তত ৭৫
‘ঈশ্বরের পুত্র’ ধর্মযাজক জড়ালেন নারী পাচার মামলায়
যৌনমিলনের সর্বনিম্ন বয়স বাড়ছে ফিলিপাইনে
রাজনীতি ছাড়ছেন দুতের্তে
ফিলিপাইনে টিকা না নিলে জেল, হুমকি প্রেসিডেন্টের

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Cooking human flesh with the abducted woman

অপহৃত নারীকে দিয়ে মানুষের মাংস রান্না

অপহৃত নারীকে দিয়ে মানুষের মাংস রান্না ডিআর কঙ্গোর জঙ্গিগোষ্ঠীর সদস্যরা এক নারীকে অপহরণ করে পালা করে ধর্ষণ করেন। ওই নারীকে দিয়ে মানুষের মাংস রান্না করিয়ে তা খেতে বাধ্য করানো হয়। প্রতীকী ছবি/হিউম্যান রাইটস ওয়াচ
অপহরণের শিকার নারী বলেন, ‘জঙ্গিরা আমার সামনে এক ব্যক্তিকে গলা কেটে হত্যা করেন। তার নাড়িভুঁড়ি টেনে বের করে ফেলে দেন। দেহটি কেটে টুকরো টুকরো করেন এবং আমাকে সেগুলো রান্না করতে বলেন। এ সময় তারা আমাকে দুটি রান্নার পাত্রও এনে দেন। পরে তারা সব বন্দিকে মানুষের রান্না করা মাংস খেতে দেন।’

গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের (ডিআর কঙ্গো) দুটি জঙ্গিগোষ্ঠীর সদস্যরা এক কঙ্গোলিজ নারীকে দুবার অপহরণ করেন। পালা করে তাকে ধর্ষণ করা হয়। ওই নারীকে দিয়ে মানুষের মাংস রান্না করিয়ে তা খেতে বাধ্য করানো হয়।

স্থানীয় সময় বুধবার জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদকে এমনটি জানিয়েছে দেশটির অধিকারবিষয়ক একটি সংগঠন।

নারী অধিকারবিষয়ক সংগঠন ফিমেল সলিডারিটি ফর ইন্টিগ্রেটেড পিস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের (এসওএফইপিএডিআই) প্রেসিডেন্ট জুলিয়েন লুসেঞ্জ নিরাপত্তা পরিষদে বক্তব্য দেয়ার সময় ওই নারীর বিভীষিকাময় কাহিনি তুলে ধরেন।

১৫ সদস্যের নিরাপত্তা পরিষদের সামনে তিনি সংঘাতে বিধ্বস্ত ও বিপর্যস্ত পূর্ব কঙ্গোর এই দেশটি নিয়ে বক্তব্য দেন।

নিরাপত্তা পরিষদ কঙ্গো সম্পর্কে একটি নিয়মিত ব্রিফিংয়ের আয়োজন করে। গত মে মাসের শেষের দিকে ডিআর কঙ্গোর সশস্ত্র বাহিনী ও বিদ্রোহী গোষ্ঠীর মধ্যে ভয়াবহ লড়াই ও সহিংসতা ব্যাপকহারে বেড়ে যায়।

লুসেঞ্জ বলেন, যে নারীকে কোডেকো জঙ্গিগোষ্ঠীর সদস্যরা অপহরণ করেন তিনি অপহৃত আরেকজনের জন্য মুক্তিপণ দিতে গিয়েছিল।

অধিকার সংগঠনকে ওই নারী বলেন, অপহরণের পর তাকে বারবার পালা করে ধর্ষণ এবং শারীরিকভাবে নির্যাতন করা হয়।

এরপর ওই নারী বলেন, ‘জঙ্গিরা আমার সামনে এক ব্যক্তিকে গলা কেটে হত্যা করেন। তার নাড়িভুঁড়ি টেনে বের করে ফেলে দেন। দেহটি কেটে টুকরো টুকরো করেন এবং আমাকে সেগুলো রান্না করতে বলেন। এ সময় তারা আমাকে দুটি রান্নার পাত্রও এনে দেন। পরে তারা সব বন্দিকে মানুষের রান্না করা মাংস খেতে দেন।’

নিরাপত্তা পরিষদের সামনে এভাবে ওই নারীর বীভৎস স্মৃতির কথা তুলে ধরেন লুসেঞ্জ।

লুসেঞ্জ বলেন, ‘কয়েক দিন পর ওই নারীকে ছেড়ে দেয়া হয়। বাড়ি ফেরার সময় অন্য একটি মিলিশিয়া গ্রুপ তাকে আবারও অপহরণ করে। ওই জঙ্গিগোষ্ঠীর সদস্যরাও তাকে পালা করে ধর্ষণ করেন।’

ওই নারী বলেন, ‘জঙ্গিরা আমাকে আবারও মানুষের মাংস রান্না করতে বলেন। আমাকে তা খেতে বাধ্য করেন। অবশেষে সেখান থেকে আমি পালিয়ে বাঁচতে সক্ষম হই।’

লুসেঞ্জ তার কাউন্সিল ব্রিফিংয়ের সময় দ্বিতীয় জঙ্গিগোষ্ঠীর নাম উল্লেখ করেননি। মন্তব্যের জন্য কোডেকোর সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়নি বলেও জানান তিনি।

কোডেকোসহ বেশ কয়েকটি সশস্ত্র জঙ্গিগোষ্ঠী দীর্ঘদিন ধরে কঙ্গোর খনিজসমৃদ্ধ পূর্বাঞ্চলের জমি এবং সম্পদ দখলে নিতে সরকারি বাহিনীর সঙ্গে সংঘাত চালিয়ে যাচ্ছে। এমন সংঘাতে গত এক দশকে কয়েক হাজার মানুষ হত্যা করা হয়। বাস্তুচ্যুত হয়েছে কয়েক লাখ মানুষ।

কঙ্গোর সেনাবাহিনী গত মে মাস থেকে এম২৩ বিদ্রোহী গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে সশস্ত্র যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে। ২০১২-১৩ সালে এই গোষ্ঠী দেশটির বড় কয়েকটি অঞ্চল দখল করে নেয়।

২০ বছরেরও বেশি সময় ধরে কঙ্গোতে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী বাহিনী মোতায়েন রয়েছে।

আরও পড়ুন:
ডব্লিউডব্লিউই মঞ্চ কাঁপালেন আরব নারী
ড্র করেই চ্যাম্পিয়ন নারী ফুটবল দল
সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ৩ আসামির যাবজ্জীবন
মালয়েশিয়াকে ৬-০ গোলে বিধ্বস্ত করল সাবিনা-আঁখিরা
নারীর অর্গাজম বঞ্চনায় হলিউড, বিজ্ঞানের দায়

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Paris attacks 20 people sentenced to different terms

প্যারিস হামলা: ২০ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

প্যারিস হামলা: ২০ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা ফ্রান্সের প্যারিসে ২০১৫ সালের হামলার পর ব্যাতাক্লান কনসার্ট হলের পাশে পুলিশ সদস্য ও উদ্ধারকারীরা। ছবি: এএফপি
প্যারিসে বন্দুক ও বোমা হামলায় ১৩০ জন নিহত হওয়ার ঘটনায় সালাহ আবদেসলামকে আমৃত্যু যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে, যা ফ্রান্সে বিরল। এ মামলায় আরও ১৯ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে, যাদের মধ্যে ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে ২০১৫ সালের সিরিজ হামলার ঘটনায় সন্ত্রাস ও হত্যার অভিযোগে অভিযুক্ত হয়েছেন হামলাকারীদের মধ্যে বেঁচে থাকা একমাত্র ব্যক্তি।

বন্দুক ও বোমা হামলায় ১৩০ জন নিহত হওয়ার ঘটনায় সালাহ আবদেসলামকে আমৃত্যু যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে, যা ফ্রান্সে বিরল।

এ মামলায় আরও ১৯ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে, যাদের মধ্যে ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বিবিসির প্রতিবেদনে জানানো হয়, আধুনিক ফ্রান্সের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় এ বিচারকাজ শুরু হয় গত বছরের সেপ্টেম্বরে।

প্যারিস হামলা: ২০ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ফ্রান্সে সবচেয়ে ন্যক্কারজনক হামলা মামলার শুনানিতে অংশ নিতে ৯ মাসের বেশি সময় প্যারিসের বিশেষ আদালতে হাজির হন ভুক্তভোগী, সাংবাদিক ও নিহত ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যরা।

২০১৫ সালের ১৩ নভেম্বর কয়েকটি বার, রেস্তোরাঁ, জাতীয় ফুটবল স্টেডিয়াম ও ব্যাতাক্লানের সংগীতানুষ্ঠানে হামলায় কয়েক শ মানুষ আহত হন।

হামলা মামলার বিচারের শুরুতে আবদেসলাম নিজেকে তথাকথিত ইসলামিক স্টেটের (আইএস) ‘সেনা’ হিসেবে দাবি করেন। পরবর্তী সময়ে তিনি হতাহতদের কাছে ক্ষমা চেয়ে বলেন, তিনি খুনি নন। তাকে খুনের অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করা হবে অন্যায়।

আবদেসলাম আদালতকে আরও বলেন, হামলার দিন বিস্ফোরকযুক্ত জামা বা সুইসাইড ভেস্টে বিস্ফোরণ ঘটানোর পরিকল্পনা ছিল না তার। প্যারিসের উপকণ্ঠে সুইসাইড ভেস্ট খুলে ফেলেছিলেন তিনি।

ওই সুইসাইড ভেস্ট ক্রুটিপূর্ণ থাকার বিষয়টি গ্রহণ করেছে আদালত, তবে আবদেসলাম শেষ মুহূর্তে তার মানসিকতা পরিবর্তন করেছেন, এমন দাবি নাকচ করেছেন বিচারকরা।

আবদেসলামের আমৃত্যু কারাদণ্ডের অর্থ হলো ৩০ বছর কারাবাসের পর প্যারোলে তার মুক্তি পাওয়ার সুযোগ খুবই কম।

ফ্রান্সে অপরাধীদের কঠোরতম সাজা হলো আমৃত্যু কারাদণ্ড। দেশটির আদালতে এ ধরনের সাজা দেয়ার ঘটনা বিরল।

রায়ের প্রতিক্রিয়ায় হামলা থেকে বেঁচে যাওয়া এডিথ সিউরাত বিবিসিকে বলেন, এ দণ্ডে বেদনা উপশম করেনি। তিনি সন্তুষ্ট নন।

ওই নারী বলেন, ‘এখন পর্যন্ত আমরা ক্ষত ও মানসিক যন্ত্রণা, দুঃস্বপ্ন ও আঘাত বয়ে বেড়াচ্ছি। এখনও আমাদের এটা নিয়েই বাঁচতে হচ্ছে।’

বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

প্যারিসে সিরিজ হামলায় ২০ জনকে দুই বছর থেকে শুরু করে আমৃত্যু কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।

হামলায় জড়িতদের মধ্যে ৩৭ বছর বয়সী মোহামেদ আবরিনিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। তাকে কমপক্ষে ২২ বছর কারাগারে কাটাতে হবে।

হামলাকারীদের কয়েকজনকে প্যারিসে গাড়ি চালিয়ে আনার কথা স্বীকার করেন আবরিনি।

ফ্রান্সে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিতদের সাধারণত ১৮ থেকে ২২ বছর কারাবন্দি থাকতে হয়। ক্ষেত্রবিশেষে সেটা ৩০ বছর পর্যন্ত হতে পারে। এরপর আসামি প্যারোলের জন্য বিবেচিত হন।

হামলার সমন্বয়কারী মরক্কো বংশোদ্ভূত বেলজিয়ামের নাগরিক মোহামেদ বাক্কালিকে ৩০ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়। তিনি বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে বাসা ভাড়া দিয়েছিলেন হামলাকারীদের।

সুইডেনের নাগরিক ওসামা ক্রায়েম ও তিউনিসিয়ার নাগরিক সোফিয়েন আয়ারিকে ৩০ বছর করে কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। তারা পরস্পর যোগসাজশে আমস্টারডাম বিমানবন্দরে আলাদা হামলার পরিকল্পনা করেছিলেন।

মোহাম্মদ উসমান ও আদেল হাদ্দাদিকে ১৮ বছর করে কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।

সাজাপ্রাপ্ত অন্য ছয়জন আদালতে উপস্থিত ছিলেন না। ধারণা করা হচ্ছে, তাদের মৃত্যু হয়েছে।

আরও পড়ুন:
ফ্রান্সের নির্বাচন ও ভবিতব্যের ম্লান আলো
ম্যাখোঁবিরোধী বিক্ষোভে গুলি, নিহত ২
মাখোঁর জয়ে উচ্ছ্বসিত ইইউ, ধাক্কা খেলেন পুতিন
আবারও ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট মাখোঁ
ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন: বড় চ্যালেঞ্জে মাখোঁ

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Hajj without permission is a fine of two and a half lakh rupees

অনুমতি ছাড়া হজ করলেই আড়াই লাখ টাকা জরিমানা

অনুমতি ছাড়া হজ করলেই আড়াই লাখ টাকা জরিমানা এ বছর ১০ লাখ মুসলিম হজ পালন করবেন। ছবি: সংগৃহীত
বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাস মহামারির পর এই প্রথমবারের মতো সৌদি আরব ১০ লাখ মুসলিমকে হজ করার অনুমতি দিবে। এরই মধ্যে বিভিন্ন দেশ থেকে হাজিরা সৌদি আরবে আসা শুরু করেছে। এবার অনুমতি ছাড়া হজ পালনের চেষ্টাকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেবে সৌদি কর্তৃপক্ষ।

সৌদি আরব ঘোষণা করেছে যে কেউ অনুমতি ছাড়া হজ পালন করলে তাকে ২ হাজার ৬৬৫ ডলার (২ লাখ ৪৭ হাজার ৮৪৫ ডলার) জরিমানা করা হবে।

আল আরাবিয়ার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সৌদি প্রেস এজেন্সির (এসপিএ) বরাতে এমনটাই জানা গেছে।

এ ছাড়া সৌদি আরবের জননিরাপত্তা বিভাগের মুখপাত্র সামি আল-শুওয়াইরেখ বলেছেন, হজ মৌসুমে নিয়ম মেনে চলা নিশ্চিত করার জন্য সব পবিত্র স্থানের ভেতরে ও পবিত্র স্থানগুলোর দিকে যাওয়া রাস্তায় নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করা হবে।

তিনি আরও জানিয়েছেন, অন্যের হয়ে হজ করার প্রতারণামূলক বিজ্ঞাপন দেয়ার কারণে নিরাপত্তা বাহিনী ১৯ জনকে আটক করেছে।

হজ ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভের একটি। ধর্মীয় নিয়ম মোতাবেক সামর্থ্যবান মুসলিমদের জীবনে অন্তত একবার হজ করতে হয়।

করোনাভাইরাস মহামারির কারণে গত দুই বছর হজযাত্রীর সংখ্যা হ্রাস পাওয়ার পর এই বছর সৌদি কর্তৃপক্ষ ১০ লাখ মুসলিমকে হজ করার অনুমতি দেবে।

আরও পড়ুন:
হজে যাওয়া আরও ২ বাংলাদেশির মৃত্যু
সৌদিতে বাংলাদেশি আরেক হজযাত্রীর মৃত্যু
হজযাত্রীদের আসন রিজার্ভের তথ্য চায় ধর্ম মন্ত্রণালয়
হজে গিয়ে সৌদি আরবে বাংলাদেশির মৃত্যু
হজের খুতবায় বাংলাসহ ১০ ভাষা

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Taliban mentality will not work in India Ajmer Sharif chief

ভারতে ‘তালেবানি মানসিকতা’ চলবে না: আজমির শরিফ প্রধান

ভারতে ‘তালেবানি মানসিকতা’ চলবে  না: আজমির শরিফ প্রধান   আজমির শরিফ। ফাইল ছবি
আজমির শরিফের প্রধান দেওয়ান জয়নুল আবেদীন আলী খান বলেন, ‘আমি এই কাজটিকে দৃঢ়ভাবে নিরুৎসাহিত করছি। তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সরকারকে অনুরোধ করছি। ভারতের মুসলমানরা কখনই মাতৃভূমিতে তালেবানিকরণের মানসিকতা প্রকাশ করতে দেবে না।'

রাজস্থানের উদয়পুরে দরজিকে হত্যার নিন্দা জানিয়েছেন আজমির শরিফের প্রধান দেওয়ান জয়নুল আবেদীন আলী খান। সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, ভারতে ‘তালেবানি মানসিকতা’ কখনো মেনে নেয়া হবে না। কোনো ধর্মই মানবতার বিরুদ্ধে সহিংসতাকে সমর্থন করে না।

মহানবীকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্যের জেরে দেশ-বিদেশে ক্ষোভের মুখে আছেন ভারতের কেন্দ্রে ক্ষমতাসীন বিজেপির মুখপাত্র নূপুর শর্মা। সমালোচনার মুখে পদ হারান তিনি। নানা হুমকি আসতে থাকায় তার নিরাপত্তা জোরদার করে পুলিশ।

ভারতে ‘তালেবানি মানসিকতা’ চলবে  না: আজমির শরিফ প্রধান
আজমির শরিফের প্রধান দেওয়ান জয়নুল আবেদীন আলী খান। ছবি: সংগৃহীত

সেই নূপুর শর্মার পক্ষে ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছিলেন উদয়পুরের ওই দরজি। দুই যুবক মঙ্গলবার সেই দরজির দোকানে গিয়ে তার শিরশ্ছেদ করে এবং তা ভিডিও করেন। পরে গ্রেপ্তার করা হয় তাদের।

এ প্রসঙ্গে আজমির শরিফের প্রধান দেওয়ান জয়নুল আবেদীন আলী খান বলেন, ‘আমি এই কাজটিকে দৃঢ়ভাবে নিরুৎসাহিত করছি। তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সরকারকে অনুরোধ করছি। ভারতের মুসলমানরা কখনই মাতৃভূমিতে তালেবানিকরণের মানসিকতা প্রকাশ করতে দেবে না।

আরও পড়ুন:
সেই নূপুরের পক্ষ নেয়ায় রাজস্থানে দর্জি খুন, ১৪৪ ধারা
জবিতে শিক্ষার্থীদের ভারতীয় পণ্য বয়কটের ডাক

মন্তব্য

p
উপরে