× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ পৌর নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট

আন্তর্জাতিক
Assassination of Rajiv Gandhi Lifelong accused acquitted
hear-news
player
print-icon

রাজিব গান্ধী হত্যা: যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত আসামি খালাস

রাজিব-গান্ধী-হত্যা-যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত-আসামি-খালাস
ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী রাজিব গান্ধী। ছবি: সংগৃহীত
সুপ্রিম কোর্টের এই সিদ্ধান্তে রাজিব গান্ধী হত্যার অপর আসামি নলিনী শ্রীহরণ ও তার স্বামী মুরুগান, একজন শ্রীলঙ্কার নাগরিকসহ বাকি ছয় অভিযুক্তের মুক্তির পথ প্রশস্ত করেছে।

রাজিব গান্ধী হত্যা মামলার যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামিদের একজন এ জি পেরারিভালানকে মুক্তি দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। তিনি ৩১ বছর যাবৎ কারাগারে ছিলেন।

এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সুপ্রিম কোর্টের এই সিদ্ধান্তে রাজিব গান্ধী হত্যার অপর আসামি নলিনী শ্রীহরণ ও তার স্বামী মুরুগান, একজন শ্রীলঙ্কার নাগরিকসহ বাকি ছয় অভিযুক্তের মুক্তির পথ প্রশস্ত করেছে।

রাজিব গান্ধী হত্যার সময় ১৯ বছর বয়সী পেরারিভালানের বিরুদ্ধে ৯ ভোল্টের দুটি ব্যাটারি সিভারাসনের জন্য কেনার অভিযোগ আনা হয়েছিল। সিভারাসন ছিলেন রাজিব গান্ধী হত্যার পরিকল্পনাকারী ও শ্রীলঙ্কার তামিল বিদ্রোহী সংগঠন লিবারেশন টাইগার অফ তামিল ইলমের সদস্য।

পেরারিভালানের কেনা ব্যাটারি দুটি রাজিব গান্ধী হত্যার জন্য বোমায় ব্যবহার করা হয়েছিল।

১৯৯১ সালের ২১ মে এক নির্বাচনী সভায় যোগ দিতে গেলে রাজিব গান্ধীকে লক্ষ্য করে ধানু নামের এক নারী আত্মঘাতী বোমা বিস্ফোরণ ঘটান। সে হামলায় রাজিব গান্ধীর মৃত্যু হয়।

রাজিব গান্ধী হত্যা: যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত আসামি খালাস
রাজিব গান্ধী হত্যা মামলার যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি এ জি পেরারিভালান

১৯৯৮ সালে ভারতের সন্ত্রাসবিরোধী আদালত পেরারিভালানকে মৃত্যুদণ্ড দেয় এবং পরের বছর সুপ্রিম কোর্ট সেই সাজা বহাল রাখে। কিন্তু ২০১৪ সালে তা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে পরিবর্তন করা হয়। চলতি বছরের মার্চেই শীর্ষ আদালত থেকে তাকে জামিন দেয়া হয়।

তবে পেরারিভালানের দীর্ঘ কারা জীবনে তার খুব ভালো আচরণের রেকর্ড রয়েছে। কারাগারে তিনি পড়াশোনা করেছেন এবং বেশ কিছু শিক্ষাগত যোগ্যতাও অর্জন করেছেন। তিনি একটি বইও লিখেছেন।

পেরারিভালান দাবি করেছিলেন যে তিনি ব্যাটারিগুলোর উদ্দেশ্য সম্পর্কে জানতেন না। ভারতের অবসরপ্রাপ্ত সিবিআই অফিসার থিয়াগরাজন পরে বলেছেন, তিনি পেরারিভালানের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি পরিবর্তন করেছিলেন, এই জন্য তিনি ক্ষমাও চেয়েছিলেন।

আরও পড়ুন:
মূল্যবৃদ্ধি ঠেকাতে গম রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা ভারতের
রাজস্থানের তাপমাত্রা ৪৮ পেরোল, দিল্লিতে সতর্কতা
দিল্লিতে চার তলা ভবনে আগুন, ২৭ মৃত্যু
ভারতে রাষ্ট্রদ্রোহ আইন স্থগিত, গ্রেপ্তার না করার নির্দেশ
রাজাপাকসেহীন শ্রীলঙ্কায় ভারতের চোখ কোন দিকে?

মন্তব্য

আরও পড়ুন

আন্তর্জাতিক
Alleged rape of mother and daughter in a moving vehicle

চলন্ত গাড়িতে মা-মেয়েকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ

চলন্ত গাড়িতে মা-মেয়েকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ
পুলিশ বলছে, ধর্ষণের শিকার ওই নারী একজন ভিক্ষুক। মেয়েকে নিয়ে বস্তিতে ফেরার সময় তিনি ও তার মেয়ে ধর্ষণের শিকার হন।

ভারতের উত্তরাখন্ডে চলন্ত গাড়িতে এক নারী ও তার ছয় বছর বয়সী মেয়েকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

রাজ্যটির হাড়িধর শহরের রুরকি এলাকায় শুক্রবার রাতে এ ঘটনা ঘটে বলে এক প্রতিবেদনে সোমবার জানিয়েছে হিন্দুস্তান টাইমস

পুলিশ বলছে, ধর্ষণের শিকার ওই নারী একজন ভিক্ষুক। মেয়েকে নিয়ে বস্তিতে ফেরার সময় তিনি ও তার মেয়ে ধর্ষণের শিকার হন।

স্থানীয় পুলিশ সুপার প্রামেন্দ্র দোভাল জানান, ডাক্তারি পরীক্ষায় মা-মেয়ের ধর্ষণের সত্যতা মিলেছে। তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

তিনি জানান, এরই মধ্যে তদন্ত কমিটি গঠন হয়েছে। অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু হয়েছে।

মামলার বরাত দিয়ে পুলিশের এক কর্মকর্তা জানান, রিকশায় ফেরার সময় মা-মেয়েকে গাড়িতে তুলে নেয় সনু নামের একজন। এরপর চলন্ত গাড়িতে তাদের দুজনকে ধর্ষণ করে সে ও তার সঙ্গে থাকা কয়েকজন।

একপর্যায়ে তাদের গাড়ি থেকে ফেলা দেয়া হয়। পরে মা-মেয়ে থানায় পৌঁছে অভিযোগ দেন। এরপরই অভিযানে নামে পুলিশ।

গাড়িটিতে ঠিক কতজন ছিলেন নির্যাতনের শিকার নারী তা নিশ্চিত করে জানাতে পারেননি বলে জানিয়েছে পুলিশ।

আরও পড়ুন:
তিস্তাকে গ্রেপ্তার করল ভারতের পুলিশ
মা ‘অঙ্গনওয়াড়ি’ কর্মী, ছেলের দুই কোটি টাকার চাকরি
গরু পাচার মামলায় নায়ক দেবকে জিজ্ঞাসাবাদ ইডির
গুজরাট দাঙ্গায় মোদির দায়মুক্তি বহাল
কে এই দ্রৌপদী মুর্মু

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Voting in Gorkhaland in heavy rains

তুমুল বৃষ্টিতে গোর্খাল্যান্ডের ভোট

তুমুল বৃষ্টিতে গোর্খাল্যান্ডের ভোট জিটিএ নির্বাচনে ভোট গ্রহণ। ছবি: সংগৃহীত
গোর্খা জনমুক্তি মোর্চা বা জিজেএম এবার জিটিএ নির্বাচনে শামিল হয়নি । জিজেএম’র সভাপতি বিমল গুরুং জানিয়েছেন, তিনি ভোট দেবেন না। প্রতিবাদস্বরূপ তার এই অবস্থান। জিটিএ-র বিরোধিতা করে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন গুরুং।

১০ বছর পর শুরু হয়েছে কলকাতা গোর্খাল্যান্ড টেরিটোরিয়াল অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের ভোটগ্রহণ।

রোববার ভারতীয় সময় সকাল ৭টা থেকে পুলিশি নিরাপত্তায় চলছে ভোটগ্রহণ।

পশ্চিমবঙ্গের এই পাহাড়ের ভোট গ্রহণে এখন পর্যন্ত বড় কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।

তবে তুমুল বৃষ্টিতে ভোটারের উপস্থিতি কম।

গোর্খাল্যান্ড টেরিটোরিয়াল অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের ৪৫ টি আসনের প্রত্যেকটিতে প্রার্থী দিয়েছে হামরো পার্টি। তারা প্রথমবার ভোটে লড়ে দার্জিলিং পৌরসভার ক্ষমতায় আসে।

ভারতীয় গোর্খা প্রজাতান্ত্রিক মোর্চাও ৪৫ টি আসনে প্রার্থী দিয়েছে। সিপিএম ১২টি, তৃণমূল কংগ্রেস ১০টি এবং কংগ্রেস ৫ টি আসনে প্রার্থী দিয়েছে। এবারের জিটিএ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থীর সংখ্যা অনেক বেশি। ২৭৭ প্রার্থীর মধ্যে ২১০ স্বতন্ত্র প্রার্থী ।

এদিকে গোর্খা জনমুক্তি মোর্চা বা জিজেএম এবার জিটিএ নির্বাচনে অংশ নেননি । জিজেএম’র সভাপতি বিমল গুরুং জানিয়েছেন, তিনি ভোট দেবেন না। প্রতিবাদস্বরূপ তার এই অবস্থান। জিটিএ-র বিরোধিতা করে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন গুরুং।

তবে পাহাড়ের একসময়ের প্রধান বিমল সামনে না এসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় থাকবেন করছেন পাহাড়ের রাজনীতিবিদরা। তাদের ধারণা বিমল তার সমর্থকদের কোন একটি দলকে সমর্থনের নির্দেশ দিতে পারেন ।

এবারের জিটিএ নির্বাচনের লড়াই মূলত অজয় এডওয়ার্ডের হামরো পার্টি এবং অনিত থাপার ভারতীয় গোর্খা প্রজাতান্ত্রিক মোর্চার মধ্যে।

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Teesta was arrested by the Indian police

তিস্তাকে গ্রেপ্তার করল ভারতের পুলিশ

তিস্তাকে গ্রেপ্তার করল ভারতের পুলিশ তিস্তা সেতলবাদ
২০০২ সালে গুজরাটে দাঙ্গা নিয়ে মিথ্যাচারের অভিযোগ আনা হয়েছে তিস্তার বিরুদ্ধে। শনিবারই মামলা করা হয় তার নামে।

ভারতের সাংবাদিক ও সমাজকর্মী তিস্তা সেতলবাদকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

গুজরাট পুলিশের সন্ত্রাসবিরোধী স্কোয়াড (এটিএস) মুম্বাইয়ের বাড়ি থেকে শনিবার বিকেলে তাকে গ্রেপ্তার করে।

২০০২ সালে গুজরাটে দাঙ্গা নিয়ে মিথ্যাচারের অভিযোগ আনা হয়েছে তিস্তার বিরুদ্ধে। শনিবারই মামলা করা হয় তার নামে।

পুলিশ জানিয়েছে, তিস্তার সঙ্গে আইপিএস অফিসার সঞ্জীব ভাট এবং গুজরাটের সাবেক ডিজিপি আরবি শ্রীকুমারের বিরুদ্ধে আগেই জাল নথি তৈরি করে ষড়যন্ত্রের অভিযোগে মামলা করেছিল আহমেদাবাদ পুলিশের অপরাধ বিভাগ। কুমারকেও গ্রেপ্তার করেছে এটিএস।

এর আগে শুক্রবার গুজরাট দাঙ্গা নিয়ে রায়ে সুপ্রিম কোর্ট প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি প্রসঙ্গে বলে, প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে অভিযোগ সাজানোতে তিস্তার ভূমিকা নিয়ে তদন্ত হওয়া উচিত।

মুম্বাইয়ের সাংবাদিক তিস্তা সেতলবাদ ভারত সরকারের পদ্মশ্রী উপাধিতে ভূষিত একজন সমাজকর্মী। গুজরাট দাঙ্গার পর ২০০২ সালে প্রতিষ্ঠিত এনজিও সিটিজেনস ফর জাস্টিস অ্যান্ড পিস (সিজেপি)-এর প্রতিষ্ঠাতা ট্রাস্টি এবং সেক্রেটারির দায়িত্ব পালন করেন তিনি। তার কাজের একটি ক্ষেত্র ছিল দাঙ্গার শিকার ব্যক্তিদের আইনি সহায়তা দেয়া।

গুজরাটে দাঙ্গার শিকার ব্যক্তিদের পক্ষে মামলা করার জন্য প্রথম কর্মীদের মধ্যে ছিলেন তিস্তা। গোধরা-পরবর্তী দাঙ্গার তদন্তের জন্য একটি বিশেষ তদন্তদল গঠনের জন্য সুপ্রিম কোর্টে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন তিনি। ওই মামলার ফলেই দাঙ্গার ছয় বছর পর সাবেক সিবিআই ডিরেক্টর আর কে রাঘবনের অধীনে বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করে দেয় সুপ্রিম কোর্ট।

এদিকে শনিবার একটি সংবাদ সংস্থাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ নাম না করে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলোকে একহাত নেন। তিনি বলেন, এরাই প্রধানমন্ত্রীর নাম জড়িয়ে মামলা করার জন্য ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিল।

জানা গেছে, সেতলবাদ তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিরুদ্ধে অবস্থান নেন ২০০৭ সালের মার্চে। তিনি মোদির বিরুদ্ধে তখন সিবিআই তদন্তেরও দাবি জানান।

আরও পড়ুন:
মা ‘অঙ্গনওয়াড়ি’ কর্মী, ছেলের দুই কোটি টাকার চাকরি
গরু পাচার মামলায় নায়ক দেবকে জিজ্ঞাসাবাদ ইডির
গুজরাট দাঙ্গায় মোদির দায়মুক্তি বহাল

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Celebration of inauguration of Padma Bridge in Kolkata

কলকাতায় পদ্মা সেতুর উদ্বোধন উদযাপন

কলকাতায় পদ্মা সেতুর উদ্বোধন উদযাপন বাংলাদেশের মুন্সীগঞ্জের মাওয়া প্রান্তে পদ্মা সেতুর উদ্বোধনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: পিআইডি
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ সম্মাননাপ্রাপ্ত শিক্ষাবিদ, গবেষক, রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য পবিত্র সরকার; কলকাতা প্রেস ক্লাবের সভাপতি সাংবাদিক স্নেহাশীষ শুর এবং প্রখ্যাত চলচ্চিত্র পরিচালক গৌতম ঘোষ ও অন্য বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।

পদ্মা সেতুর উদ্বোধনের ঐতিহাসিক মুহূর্তটিকে উদযাপন করা হয়েছে কলকাতার বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশনের প্রাঙ্গণে। শনিবার একটি বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে এই উদযাপন করা হয়।

সকালে পদ্মা সেতুর উদ্বোধন উপলক্ষে কলকাতার বাংলাদেশ দূতাবাসের বিশেষ এই অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রীর বাণী পাঠ করেন কলকাতার বাংলাদেশ উপহাইকমিশনের কাউন্সেলর (শিক্ষা ও ক্রীড়া) রিয়াজুল ইসলাম ও কাউন্সেলর বশির উদ্দিন।

অনুষ্ঠানে পদ্মা সেতুর ওপর নির্মিত একটি তথ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। পরে পদ্মা সেতুর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটি বাংলাদেশ থেকে সরাসরি সম্প্রচার করা হয়।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ সম্মাননাপ্রাপ্ত শিক্ষাবিদ, গবেষক, রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য পবিত্র সরকার; কলকাতা প্রেস ক্লাবের সভাপতি সাংবাদিক স্নেহাশীষ শুর এবং প্রখ্যাত চলচ্চিত্র পরিচালক গৌতম ঘোষ ও অন্য বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।

উপস্থিত বিশিষ্ট ব্যক্তিরা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ ও দূরদর্শী নেতৃত্বের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তারা বলেন, ‘বাংলাদেশের নিজস্ব অর্থে তৈরি পদ্মা সেতু বিশ্বের দরবারে বাংলাদেশকে উচ্চতর মর্যাদার আসনে বসিয়েছে।’

অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ভাষণে কলকাতার বাংলাদেশ উপহাইকমিশনার আন্দালিব ইলিয়াস প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের সফল পদ্মা সেতু নির্মাণের পাশাপাশি বিভিন্ন মেগা প্রজেক্টের কথাও তুলে ধরেন।

পদ্মা সেতুর উদ্বোধন উপলক্ষে কলকাতার বাংলাদেশ উপহাইকমিশন ও কলকাতা করপোরেশনের সৌজন্যে কলকাতার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পদ্মা সেতুর উদ্বোধনসংক্রান্ত খবর জ্বলজ্বল করতে দেখা যায়।

স্থানীয় মানুষের মধ্যে এ নিয়ে আগ্রহও দেখা যায় বেশ। বাংলাদেশের এই অর্জনে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পশ্চিমবঙ্গের মানুষ বাংলাদেশিদের অভিনন্দন জানাচ্ছেন।

আরও পড়ুন:
‘ওবায়দুল ভাইরে কন এক ঘণ্টার জন্য ব্রিজ খুইলা দিতে’
পদ্মা সেতু নিয়েছে জমি, দিয়েছে অহংকার
পদ্মা সেতুতে সৌভাগ্যবান বর্তমান প্রজন্ম: শাওন
‘পদ্মা সেতু’ নিয়ে শোভাযাত্রা
বাংলাদেশের জনগণকে স্যালুট: প্রধানমন্ত্রী

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
The longest Padma bridge in South Asia is now

দক্ষিণ এশিয়ার দীর্ঘতম দ্বিতল সেতু পদ্মা

দক্ষিণ এশিয়ার দীর্ঘতম দ্বিতল সেতু পদ্মা  দোতলা পদ্মা সেতু ও ভারতের বগিবিল সেতুর (ডানে) নকশায় কিছুটা মিল রয়েছে। ছবি কোলাজ: নিউজবাংলা
এত দিন ভারত তথা দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে লম্বা দোতলা সেতুর তকমা ছিল আসামের বগিবিল সেতুর। শনিবার পদ্মা সেতু উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে সেই গৌরব এখন বাংলাদেশের। পাকিস্তানের দীর্ঘতম সেতু মালির রিভার ব্রিজের দৈর্ঘ্য ৫ কিলোমিটার। দক্ষিণ এশিয়ার অন্যদেশ শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ, নেপাল, ভুটানে উল্লেখযোগ্য কোনো দোতলা সেতু নেই। এই দেশগুলোর সবচেয়ে দীর্ঘতম সেতুর দৈর্ঘ্য ৩ কিলোমিটারের নিচে।

দক্ষিণ এশিয়ার দীর্ঘতম দোতলা সেতু হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে পদ্মা সেতু। এত দিন ভারত তথা দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে লম্বা দ্বিতল সেতুর তকমা ছিল আসামের বগিবিল সেতুর।

৪ দশমিক ৯৪ কিলোমিটার দীর্ঘ বগিবিল সেতুটিতে একসঙ্গে রেল ও গাড়ি চলাচল করে।

আসামের ডিব্রুগড়ে ব্রহ্মপুত্র নদের ওপর তৈরি করা হয় সেতুটি। এটি ভারতের দীর্ঘতম দোতলা সেতু। ২০১৮ সালে সেতুটি উদ্বোধন করে কয়েক মিনিট সেখানে হেঁটে বেড়ান দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

অন্যদিকে পদ্মা সেতুর দৈর্ঘ্য ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার। ৩ দশমিক ৬৮ কিলোমিটারের ভায়াডাক্ট বা সংযোগ সেতু মিলিয়ে পদ্মা সেতুর দৈর্ঘ্য ৯ দশমিক ৮৩ কিলোমিটার।

শনিবার মুন্সীগঞ্জের মাওয়ায় ফলক উন্মোচনের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের স্বপ্নের পদ্মা সেতু উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

দুপুর ১২টার একটু আগে মাওয়া প্রান্তে ফলক উন্মোচন করে প্রধানমন্ত্রী গাড়িতে চড়ে যান সেতুর জাজিরা প্রান্তে। এই সেতু নির্মাণে মোট ব্যয় হয় ৩ হাজার ১৯৩ হাজার কোটি টাকা। উদ্বোধনের পরের দিন দ্বিতল এই সেতুর ওপর দিয়ে চার লেনে গাড়ি চলাচল শুরু হয়। নিচ দিয়ে চলবে ট্রেন।

আসামের ডিব্রুগড় থেকে অরুণাচলের ধেমরাজীকে সংযুক্তকারী এই সেতুটি তৈরি করতে খরচ হয় ৫ হাজার ৯০০ কোটি রুপি। ১২০ বছর মেয়াদি এই সেতুটির প্রাথমিক খরচ ধরা হয়েছিল ৩ হাজার কোটি রুপি। পরে এর খরচ ৮৫ শতাংশ বাড়ানো হয়।

দক্ষিণ এশিয়ার দেশ পাকিস্তানের দীর্ঘতম সেতু মালির রিভার ব্রিজের দৈর্ঘ্য ৫ কিলোমিটার। ২০০৯ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি উদ্বোধন হওয়া এই সেতুটি নির্মাণে খরচ হয়েছিল ১২ কোটি রুপি। দেশটিতে উল্লেখযোগ্য কোনো রোড-কাম-রেল সড়ক নেই। শাহ ফয়সাল শহরের সঙ্গে করোঙ্গি, লানধিকে সংযুক্তকারী এই সেতুটি বর্তমান অবস্থা নাজুক। ২০১৬ সালে এই সেতুটি মেরামতের অংশ হিসেবে কয়েক সপ্তাহ বন্ধ থাকে।

দক্ষিণ এশিয়ার অন্যদেশ শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ, নেপাল, ভুটানে উল্লেখযোগ্য কোনো দোতলা সেতু নেই। এই দেশগুলোর সবচেয়ে দীর্ঘতম সেতুর দৈর্ঘ্য ৩ কিলোমিটারের নিচে।

১৯৯৮ সালে বগিবিল সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন তখনকার প্রধানমন্ত্রী এইচ ডি দেবগৌড়া। ২০০২ সালে রেলের ছাড়পত্র পাওয়ার পরই নির্মাণকাজ শুরু করা হয়। সেতুটি তৈরি করতে ২১ বছর সময় লাগে।

আধুনিক স্থাপত্য ও প্রযুক্তির মিশেলে ব্রহ্মপুত্রের ওপর তৈরি করা হয় বগিবিল সেতু। দোতলা এই সেতুর ওপরের তলা দিয়ে চলে বাস, লরি, ট্রাকসহ বিভিন্ন যান; আর নিচ দিয়ে চলাচল করে ট্রেন।

দোতলা পদ্মা সেতু ও বগিবিল সেতুর নকশায় কিছুটা মিল থাকলেও এদের নির্মাণ ব্যয় ও অর্থনৈতিক গুরুত্বে ব্যাপক পার্থক্য রয়েছে।

পদ্মা সেতুর উদ্বোধন শেখ হাসিনার সাহসী নেতৃত্বের প্রমাণ: ভারত

মেগা প্রকল্প পদ্মা সেতুর সফল উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাহসী সিদ্ধান্ত ও দূরদর্শী নেতৃত্বের প্রমাণ দেয়।

পদ্মা সেতুর নির্মাণকাজ সফলভাবে শেষ করায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার ও বাংলাদেশের জনগণকে শুভেচ্ছা জানিয়ে ভারত সরকার ও জনগণের পক্ষে অভিনন্দন বার্তা দিয়েছে ভারতের দূতাবাস।

অভিনন্দন বার্তায় পদ্মা সেতুকে যুগান্তকারী অবকাঠামো উল্লেখ করে ভারতীয় দূতাবাস জানিয়েছে, বহুল প্রতীক্ষিত এই মেগা প্রকল্পের সফল উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাহসী সিদ্ধান্ত ও দূরদর্শী নেতৃত্বের প্রমাণ দেয়।

‘এই সাফল্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঠিক সিদ্ধান্তের প্রমাণ দেয়। আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, বাংলাদেশ যখন এই প্রকল্পটিকে এগিয়ে নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল তখন আমরা একে অবিচলভাবে সমর্থন জানিয়েছি,’ বিবৃতিতে যোগ করা হয়েছে।

বলা হয়, ‘পদ্মা সেতু শুধু আন্ত বাংলাদেশ যোগাযোগকেই উন্নত করবে না, এটি ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যকার অভিন্ন অঞ্চলগুলোকে সংযুক্ত করা ও বাণিজ্য বাড়াতে প্রয়োজনীয় অবকাঠামোগত সহায়তা দেবে। সেতুটি আমাদের দ্বিপক্ষীয় ও উপ-আঞ্চলিক সংযোগ বাড়াতে জোরালো ভূমিকা রাখবে।’

পদ্মা সেতু বাংলাদেশের অসাধারণ অনন্য এক স্থাপনা

পদ্মা সেতু শুধু একটি যোগাযোগের বড় মাধ্যম নয়, এটা এক আবেগ ও ভালোবাসারও নাম। এটা টেকনিক্যালই চ্যালেঞ্জিং ছিল বাংলাদেশের জন্য। অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জও বটে।

এ এলাকার ভৌগোলিক অবস্থাও একটা চ্যালেঞ্জিং বিষয়। এর সঙ্গে জড়িয়ে গেছে দেশে রূপান্তরকামী একটা চেতনা। বলতে পারি, পদ্মা সেতু দেশ রূপান্তরকারী একটি প্রকল্প, এটা এখন সক্ষমতার প্রতীক, এমনটি বলেন বুয়েটের অধ্যাপক ও যোগযোগ বিশেষজ্ঞ ড. মো. সামছুল হক।

তিনি বলেন আমাদের একটা প্রবণতা ছিল- কোনো উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য দাতাদের দিকে তাকিয়ে থাকা। এ প্রকল্পে কিন্তু সেটা থেকে বেরিয়ে আসতে পেরেছি বলে মনে হয়। প্রযুক্তিগতভাবে আমরা কতটা এগিয়েছি সেটার পরিচয়ও সেতুটি বহন করে।

অবকাঠামোগতভাবে এটা বাংলাদেশের জন্য এক অসাধারণ অনন্য স্থাপনা।

যেসব স্থাপনায় রড ব্যবহৃত হয় সেখানে পানি পেলে রড ফুলে যায় এবং ক্ষয় হতে থাকে, সঙ্গে থাকা অন্য উপাদানেরও ক্ষতি করে থাকে। সে জন্য সেগুলোর স্থায়িত্বের ক্ষেত্রে মোটামুটি ১০০ বছর ধরা হয়। বিশ্বের অন্যান্য দেশ যারা পদ্মা সেতুতে প্রয়োগ করা প্রযুক্তি ব্যবহার করেছে সেখান থেকে জানা জানা যায়, এর স্থায়িত্ব ১০০ বছরের বেশি।

সবচেয়ে মজার বিষয় হচ্ছে এ ব্রিজের মধ্যে যে উন্নত ইলোকট্রনিক প্রযুক্তির মনিটরিং সেল ও সেল্ফ সেন্সর রয়েছে সেটি জানান দেবে এ স্থাপনাটির স্বাস্থ্যগত কোনো পরিবর্তন ঘটছে কি না। কোন জায়গায় কতটুকু চাপে আছে? ভূমিকম্প বা অন্য প্রাকৃতিক দুর্যোগ কোনো নেতিবাচক পরিবর্তন ঘটাচ্ছে কি না তা জানান দেবে। সংগত কারণেই এটার নির্মাণকৌশল ও প্রযুক্তিগত কারণে একে টেকসই করার ক্ষেত্রে বিরাট ভূমিকা রাখেবে। সব মিলিয়ে বলতে পারি এবং আমার বিশ্বাস, যে প্রযুক্তি ও কৌশল পদ্মা সেতুতে প্রয়োগ করা হলো- তাতে এর স্থায়িত্ব ১০০ বছরের বেশি হবে।

আরও পড়ুন:
‘বিরিজে না উঠলে কইলজা ফাইট্যা মইরাই যাইতাম’
বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাসে খুলনায় পদ্মা সেতুর উদ্বোধন উদযাপন
নিজস্ব অর্থের জোগান এলো যেভাবে
‘সাহসী’ প্রধানমন্ত্রীকে জাফরুল্লাহর ধন্যবাদ
পদ্মায় সেতু: অতীত নয়, সামনে তাকাতে চায় বিশ্বব্যাংক

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Trinamool demanded the arrest of BJP leader Shuvendu

বিজেপি নেতা শুভেন্দুকে গ্রেপ্তারের দাবি তৃণমূলের

বিজেপি নেতা শুভেন্দুকে গ্রেপ্তারের দাবি তৃণমূলের পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। ছবি: সংগৃহীত
শুধু সাংবাদিকদের সামনে শুভেন্দুর বিরুদ্ধে বিস্ফোরক এই অভিযোগ করা নয়, সুদীপ্ত সেন আগেই এ বিষয়ে চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এবং কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতিকে চিঠি দিয়েছেন। এরপর সাংবাদিক বৈঠক করে শুভেন্দুর গ্রেপ্তারের দাবি তোলেন কুনাল।

সারদা চিটফান্ড প্রতারণা মামলার মূল হোতা সুদীপ্ত সেনকে ব্ল্যাকমেইল করার অভিযোগে পশ্চিমবঙ্গের বিরোধী দল বিজেপির নেতা শুভেন্দু অধিকারীর গ্রেপ্তারের দাবি করেছেন ভারতের পশ্চিমবঙ্গের তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য সম্পাদক কুনাল ঘোষ।

শুক্রবার তৃণমূল ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক আলোচনায় কুণাল ঘোষ বলেন, ‘শুভেন্দু অধিকারীকে টাকা দিয়েছেন বলে স্বীকার করেছেন সারদা-কর্তা সুদীপ্ত সেন। তাহলে কেন শুভেন্দু অধিকারীকে গ্রেপ্তার করা হবে না? কেন হেফাজতে নিয়ে তদন্ত করা হবে না?’

কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিবিআই ও ইডিকে তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে বিজেপি ব্যবহার করছে বলে অভিযোগ তুলে কুনাল দাবি করেন, ‘নিরপেক্ষ তদন্ত হচ্ছে না বলেই শুভেন্দু অধিকারীকে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে না।’

তার দাবির সমর্থনে কুনাল এদিন সাংবাদিকদের সামনে সুদীপ্ত সেনের পেশ করা অভিযোগের আদালতের সার্টিফায়েড কপি দেখান।

জয়ন্ত বেরা নামের সারদা চিট ফান্ডের এক এজেন্ট সুদীপ্ত সেনসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে হাওড়া সাঁতরাগাছি থানায় অভিযোগ করা হয়েছিল। ওই মামলার শুনানিতে শুক্রবার কলকাতার বিধাননগর এমপি-এমএলএ আদালতে হাজিরা দিতে আসেন সুদীপ্ত সেন।

সেখানে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘শুভেন্দু অধিকারীকে কবে, কোথায়, কত টাকা দিয়েছি, তা বিস্তারিত আদালতকে জানিয়েছি। পূর্ব মেদিনীপুরে বিভিন্ন প্ল্যান পাস করার জন্য টাকা দিয়েছিলাম। ব্ল্যাকমেইল করে অনেক টাকা নিয়েছেন শুভেন্দু।’

শুধু সাংবাদিকদের সামনে শুভেন্দুর বিরুদ্ধে বিস্ফোরক এই অভিযোগ করা নয়, সুদীপ্ত সেন আগেই এ বিষয়ে চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এবং কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতিকে চিঠি দিয়েছেন।

এরপর সাংবাদিক বৈঠক করে শুভেন্দুর গ্রেপ্তারের দাবি তোলেন কুনাল।

যদিও বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেছেন, ‘তদন্ত চলছে। তবে কারা এ বিষয়ে যুক্ত, আমরা ছবিতে দেখেছি। জেলেও গিয়েছিলেন কয়েকজন। কারা যুক্ত, কোথায় টাকা গেছে, বাংলার মানুষ সব জানেন।’

সুকান্তের দাবি, ‘সুদীপ্ত সেনকে ভয় দেখিয়ে তার মুখ দিয়ে শুভেন্দুর নাম বলানো হচ্ছে।’

আরও পড়ুন:
ঝাড়গ্রাম বিজেপিতে ভাঙন
পশ্চিমবঙ্গে তাপমাত্রা ৪৩ ডিগ্রি
কলকাতার গঙ্গা ভ্রমণে নতুন আকর্ষণ সাগরী
ত্রিপুরা নির্বাচনে বিজেপিকে ঠেকাতে তৈরি হচ্ছে তৃণমূল
নববর্ষের দিন বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই কলকাতায়

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Mother Anganwari worker sons job worth two crore rupees

মা ‘অঙ্গনওয়াড়ি’ কর্মী, ছেলের দুই কোটি টাকার চাকরি

মা ‘অঙ্গনওয়াড়ি’ কর্মী, ছেলের দুই কোটি টাকার চাকরি গুগল ও ফেসবুকে চাকরির প্রস্তাব পেয়েছেন বিশাখ মণ্ডল। ছবি: সংগৃহীত
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশলে স্নাতক বিশাখ মণ্ডলের সাফল্যে খুশি মা শিবানী দেবী। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ-উপাচার্য চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য বিশাখের এই সাফল্য নিয়ে বলেন, ‘এটা আমাদের গর্বের মুহূর্ত। বিশাখ আমাদের মুখ উজ্জ্বল করেছে। আমাদের ছাত্র-ছাত্রীরা যে সেরা এবং আইআইটির থেকে পিছিয়ে নেই, এটা তারই প্রমাণ।’

মা গ্রামীণ শিশু যত্ন কেন্দ্র অঙ্গনওয়াড়ির কর্মী, বাবা কৃষক অথচ ছেলে বিশাখ মণ্ডল গুগল ও ফেসবুকে বার্ষিক দুই কোটি টাকা বেতনের চাকরির প্রস্তাব পেয়েছেন। সব ঠিক থাকলে আগামী সেপ্টেম্বরে লন্ডনে কাজে যোগ দেবেন তিনি।

যদিও ভারতের যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশলে স্নাতক এই যুবক এখনও সিদ্ধান্ত নেননি কোন প্রতিষ্ঠানে চাকরি নেবেন।

ছেলের এই কৃতিত্বে খুশি মা শিবানী দেবী। তিনি বলেন, ‘আমরা দিদির (মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়) কাছেও কৃতজ্ঞ। কারণ ছেলে যদি বিবেকানন্দ স্কলারশিপ না পেত, তাহলে ওকে কলকাতায় রেখে পড়াতে পারতেন না।’

তিনি আরও বলেন, 'ছেলেবেলা থেকে জানতাম, ছেলের মধ্যে একটা আলো আছে। তা নিয়ে অনেকের সঙ্গে আমার বিবাদ হয়েছে। কিন্তু ছেলের কোনো অসুবিধে হতে দিইনি।‘

বিশাখ বলেন, ‘ছেলেবেলা থেকে দেখছি, মা কত কষ্ট করছেন। তাও আমাকে কখনও বলেননি বড় চাকরি পেতে হবে। সব সময় বলেছেন বড় মানুষ হতে হবে। সেটাই আমার লক্ষ্য।’

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ-উপাচার্য চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য বিশাখের এই সাফল্য নিয়ে বলেন, ‘এটা আমাদের গর্বের মুহূর্ত। বিশাখ আমাদের মুখ উজ্জ্বল করেছে। আমাদের ছাত্র-ছাত্রীরা যে সেরা এবং আইআইটির থেকে পিছিয়ে নেই, এটা তারই প্রমাণ।’

আরও পড়ুন:
ভারতে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিরোধী জোটের প্রার্থী যশবন্ত সিনহা
পুলিশের কাছে ৪ সপ্তাহ সময় চাইলেন নূপুর শর্মা
ভারতে বুলডোজার দিয়ে মুসলিমদের বাড়ি গুঁড়িয়ে দেয়ার অভিযোগ
ভারতে পাঠ্যবই থেকে মোগল ইতিহাস-গুজরাট দাঙ্গা উধাও
ভারত সফরে অর্থনৈতিক কূটনীতিতে জোর মোমেনের

মন্তব্য

p
উপরে