× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ পৌর নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট

আন্তর্জাতিক
Colonel criticizes Russia on Russian TV
hear-news
player
print-icon

রুশ টিভিতে রাশিয়ার সমালোচনা কর্নেলের

রুশ-টিভিতে-রাশিয়ার-সমালোচনা-কর্নেলের
উত্তর ক্রিমিয়ায় রুশ ট্যাংক বহর। ছবি: সংগৃহীত
রুশ অবসরপ্রাপ্ত কর্ণেল ও সামরিক বিশ্লেষক মিখাইল খোদারেনেক সতর্ক করে দিয়ে বলেন, পরিস্থিতি (রাশিয়ার জন্য) স্পষ্টতই খারাপ হয়ে যাবে কারণ ইউক্রেন পশ্চিমাদের কাছে অতিরিক্ত সামরিক সহায়তা পাবে এবং ইউক্রেনীয় সেনাবাহিনী দশ লাখ মানুষকে অস্ত্র দিতে পারে।

ইউক্রেনে চলছে রুশ সামরিক অভিযান। ২৪ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া অভিযানের পর থেকেই রাশিয়ার মূলধারার গণমাধ্যমগুলোকে রুশ বাহিনীর যেকোনো অপারেশনাল ব্যার্থতার বিষয়ে নিশ্চুপ থাকতে দেখা গেছে এবং রুশ সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনেকটাই পশ্চিমা সংবাদ মাধ্যমের বিপরীত তথ্য প্রচার করেছে।

এবার বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় এক টেলিভিশন চ্যানেলের টকশোতে ক্রেমলিনের দাবিকেই চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে।

ক্রেমলিন শুরু থেকেই বলে আসছে, ইউক্রেনে সামরিক অভিযান রাশিয়ার পরিকল্পনা মাফিকই হচ্ছে। এতদিন রুশ টেলিভিশন চ্যানেলকে এই বিষয়টি প্রচার করতে দেখা গেছে।

এই প্রথম রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন চ্যানেলের ৬০ মিনিটের টকশো অনুষ্ঠান টুয়াইস ডেইলির প্রোগ্রামের অতিথি অবসরপ্রাপ্ত কর্ণেল ও সামরিক বিশ্লেষক মিখাইল খোদারেনেক রুশ টেলিভিশনে সচরাচর প্রচার করা তথ্যের বিপরীতে ভিন্ন কিছু উপস্থাপন করেছেন।

রুশ টিভিতে রাশিয়ার সমালোচনা কর্নেলের
রুশ অবসরপ্রাপ্ত কর্ণেল ও সামরিক বিশ্লেষক মিখাইল খোদারেনেক

তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, ‘পরিস্থিতি (রাশিয়ার জন্য) স্পষ্টতই খারাপ হয়ে যাবে কারণ ইউক্রেন পশ্চিমাদের কাছে অতিরিক্ত সামরিক সহায়তা পাবে এবং ইউক্রেনীয় সেনাবাহিনী দশ লাখ মানুষকে অস্ত্র দিতে পারে।’

টকশোতে যুদ্ধক্ষেত্রে নৈতিক অবস্থানের বিষয়ে আলোকপাত করেছেন মিখাইল। তিনি ইউক্রেনীয় সেনাদের বিষয়ে বলেন, ‘তাদের মাতৃভূমিকে রক্ষা করার আকাঙ্খা অনেক বেশি বিদ্যমান। আর যুদ্ধক্ষেত্রের চূড়ান্ত বিজয় সেনাদের মনোবল দ্বারা নির্ধারিত হয়।’

রুশ এই সামরিক বিশ্লেষকের মতে, রাশিয়ার সামরিক ও রাজনৈতিক পরিস্থিতিই সবচেয়ে বড় সমস্যা। তিনি বলেন, ‘আমরা বিশ্ব থেকে রাজনৈতিকভাবে বিচ্ছিন্ন এবং পুরো বিশ্ব আমাদের বিরুদ্ধে, যদিও আমরা একটা স্বীকার করতে চাই না। আমাদের এটি সমাধান করতে হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘যখন আমাদের বিরুদ্ধে ৪২টি দেশের জোট থাকে এবং যখন আমাদের সম্পদ, সামরিক ও প্রযুক্তি বিষয় সীমিত হয় তখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক বলে মনে করা যায় না।’

তার বক্তব্যের বিষয়ে স্টুডিওর অন্যান্য অতিথিরা চুপ ছিলেন। এমন কি প্রোগ্রামের উপস্থাপক ওলগা স্কাবেয়েভা, যাকে ক্রেমলিনপন্থি হিসেবে বিবেচনা করা হয়। সবসময় ক্রেমলিনের পক্ষে যিনি উচ্চকন্ঠ। অবসরপ্রাপ্ত কর্ণেলের বক্তব্যের বিষয়ে তাকেও চুপ করে থাকতে দেখা যায়।

এদিকে যুদ্ধক্ষেত্রের গতি-প্রকৃতি মস্কোর পরিকল্পনা মাফিক হচ্ছে না এবং রুশ সেনাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে জয়ী হতে পারে ইউক্রেন, এমনটাই দাবি করেন ন্যাটো মহাসচিব জেনস স্টলটেনবার্গ।

রুশ টিভিতে রাশিয়ার সমালোচনা কর্নেলের
ন্যাটোর মহাসচিব জেনারেল জেনস স্টলটেনবার্গ

রোববার প্রতিবেদকদের সঙ্গে হওয়া এক অনানুষ্ঠানিক বৈঠকে ইউক্রেন-রাশিয়ার সংঘাতের সবশেষ পরিস্থিতির আলোকে এই মন্তব্য করেন স্টলটেনবার্গ। ‘ইউক্রেনের প্রতি দৃঢ় সমর্থন, ন্যাটোর প্রতিরোধ ও প্রতিরক্ষাকে আরও শক্তিশালী করা এবং যুদ্ধের দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব’ ছিল বৈঠকের আলোচনার বিষয়বস্তু।

এ ছাড়া রাশিয়ার বিরুদ্ধে জোটের ভবিষ্যৎ অবস্থান কী হবে, তা নিয়েও আলোচনা হয়েছে বৈঠকে।

ন্যাটো মহাসচিব জেনস স্টলটেনবার্গ বলেন, ‘রাশিয়ার পরিকল্পনামাফিক যুদ্ধ চলছে না। তারা কিয়েভ দখল করতে ব্যর্থ হয়েছে। খারকিভ থেকেও পিছু হটেছে। দোনবাসেও তারা হামলা স্থগিত করেছে। রাশিয়া তাদের কৌশলগত উদ্দেশ্য অর্জন করতে পারছে না।’

তিনি বলেন, ‘ইউক্রেন লড়াই চালিয়ে যাবে। সাহসিকতার সঙ্গে তাদের জন্মভূমি রক্ষার লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে। ন্যাটো আগের চেয়ে শক্তিশালী এবং যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপ দৃঢ়ভাবে একত্রিত।’

ইউক্রেনে রাশিয়ার সামরিক অভিযান শুরুর পর দেশটির প্রেসিডেন্ট ভলদিমির জেলেনস্কি ইউক্রেন ত্যাগ না করে রাজধানী কিয়েভে অবস্থান করেন এবং লড়াই চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন। ইউক্রেনে রাশিয়ার চলমান সেনা অভিযানের মধ্যেই ন্যাটোভুক্ত অনেক দেশের রাষ্ট্রপ্রধান রাজধানী কিয়েভ সফর করেন।

যদিও চলতি মাসের শুরুর দিকে ক্রেমলিন মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ দাবি করেছেন, ইউক্রেনে রাশিয়ার সামরিক অভিযান পরিকল্পনামাফিকই চলছে।

আমরা বিশ্ব থেকে রাজনৈতিকভাবে বিচ্ছিন্ন এবং পুরো বিশ্ব আমাদের বিরুদ্ধে, যদিও আমরা একটা স্বীকার করতে চাই না। আমাদের এটি সমাধান করতে হবে।

গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে সামরিক অভিযান শুরুর ঘোষণা দেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। এর পর থেকেই পশ্চিমাদের বাধা উপেক্ষা করে পূর্ব ইউরোপের দেশটিতে চলছে রুশ অভিযান।

ইউক্রেনকে ‘অসামরিকায়ন’ ও ‘নাৎসিমুক্তকরণ’ এবং দোনেৎস্ক ও লুহানস্ককে রক্ষা করার জন্যই এমন সামরিক পদক্ষেপ বলে দাবি করে আসছে রাশিয়া। এছাড়া ক্রেমলিনের দাবি, ইউক্রেনকে অবশ্যই নিরপেক্ষ রাষ্ট্রের ভূমিকায় থাকতে হবে, অর্থ্যাৎ দেশটি কখনোই পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটোর সদস্য হতে পারবে না। ইউক্রেনের পক্ষ থেকে বলা হয়, সম্পূর্ণ বিনা উসকানিতে রাশিয়া হামলা চালিয়েছে। দেশটি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে সাহায্যের আবেদন জানিয়ে আসছে।

আরও পড়ুন:
বৈশ্বিক ক্ষুধা পরিস্থিতির শঙ্কায় জাতিসংঘ
ইউক্রেনকে ৪ হাজার কোটি ডলার দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র
ইউক্রেনে দীর্ঘ যুদ্ধের প্রস্তুতি পুতিনের: যুক্তরাষ্ট্র
ইইউতে যোগ দিতে ইউক্রেনের লাগবে ‘কয়েক দশক’
পোল্যান্ডে রুশ দূতকে হেনস্তা

মন্তব্য

আরও পড়ুন

আন্তর্জাতিক
The Prime Minister blamed climate change for a landslide in Italy

হিমবাহ ধসে ৭ মৃত্যু, জলবায়ুকে দিলেন দায় ইতালির প্রধানমন্ত্রী

হিমবাহ ধসে ৭ মৃত্যু, জলবায়ুকে দিলেন দায় ইতালির প্রধানমন্ত্রী আল্পস পর্বতমালার মার্মোলাডা। ছবি: সংগৃহীত
উদ্ধারকারী সংস্থার মুখপাত্র ওয়াল্টার মিলান ইতালির রাষ্ট্রীয় টিভিকে বলেছেন, সাম্প্রতিক দিনগুলোতে এই অঞ্চলটি অস্বাভাবিক উচ্চ তাপমাত্রার সম্মুখীন হচ্ছে। হিমবাহের চূড়ার তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছেছে।

ইতালির উত্তরাঞ্চলের আল্পস পর্বতমালার মার্মোলাডা হিমবাহ ধসে অন্তত ৭ জন মারা গেছেন।

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রোববার হিমবাহ ধসের ঘটনায় ৭ জনের মৃত্যু ছাড়াও আরও ৮ জন আহত হয়েছেন। এদের মধ্যে দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

আহতদের আশপাশের হাসপাতালগুলোতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

উদ্ধার করা ৭ মৃতদেহের মধ্যে ৪ জনকে শনাক্ত করতে সক্ষম হয়েছেন উদ্ধারকারীরা। যাদের মধ্যে তিনজন ইতালীয় এবং এর মধ্যে দুজন পর্বতের গাইড।

জরুরি সেবা বিভাগের মুখপাত্র মিশেলা ক্যানোভা জানিয়েছেন, সংশ্লিষ্ট পর্বতারোহীদের সংখ্যা এখনও নিশ্চিত জানা যায়নি।

ধারণা করা হচ্ছে, এখনও ১৩ জন নিখোঁজ রয়েছেন। তবে হেলিকপ্টার ও ড্রোন দিয়ে চালানো উদ্ধার অভিযান খারাপ আবহাওয়ার কারণে স্থগিত করা হয়েছে।

যদিও সেরাক নামের হিমবাহের অংশটি ঠিক কী কারণে ভেঙে পড়েছে তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

তবে ইতালির প্রধানমন্ত্রী মারিও দ্রাঘি বলেছেন, সন্দেহ নেই যে এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত জলবায়ু পরিবর্তন।

তিনি জানিয়েছেন, এ ধরনের ঘটনা যাতে আর না ঘটে তার জন্য যথাযথ ব্যবস্থা নেবে সরকার।

উদ্ধারকারী সংস্থার মুখপাত্র ওয়াল্টার মিলান দেশটির রাষ্ট্রীয় টিভিকে বলেছেন, সাম্প্রতিক দিনগুলোতে এই অঞ্চলটি অস্বাভাবিক উচ্চ তাপমাত্রার সম্মুখীন হচ্ছে। হিমবাহের চূড়ার তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছেছে।

তিনি বলেন, ‘এটি চরম তাপ। স্পষ্টতই এটা অস্বাভাবিক কিছু।’

গত ১৭০ বছরে আল্পস পর্বতের হিমবাহের অর্ধেক গলে গেছে। ১৯৮০ সালের পর থেকে এই গলে যাওয়ার গতি আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে আল্পসে ঘন ঘন হিমবাহ ধসের ঘটনা ঘটতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

আরও পড়ুন:
পাহাড়ের ডাক ফিরিয়ে দেয়া অসম্ভব: নিশাত মজুমদার
এবার লোবুচে শৃঙ্গ জিতলেন নিশাত
সিনাই পর্বত সৌদি আরবে, দাবি গবেষকদের

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Murder case in the name of a gunman in Denmark

ডেনমার্কে বন্দুকধারীর নামে হত্যা মামলা

ডেনমার্কে বন্দুকধারীর নামে হত্যা মামলা কোপেনহেগেনে ফিল্ডস নামে একটি শপিং মলে বন্দুকধারীর হামলায় হতাহতের পরিবারের সদস্যদের আহাজারি। ছবি: রয়টার্স
কোপেনহেগেনের পুলিশ ইন্সপেক্টর সোরেন থমাসেন বলেন, ‘বন্দুক হামলার পর ২২ বছর বয়সী এক ডেনিশ যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সন্দেহভাজন যুবকের বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে এবং সোমবার বিচারকের সামনে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।’

ডেনমার্কের রাজধানী কোপেনহেগেনে ফিল্ডস নামের একটি শপিং মলে এক বন্দুকধারীর হামলায় হতাহতের ঘটনায় সন্দেহভাজন যুবকের নামে হত্যা মামলা করা হয়েছে।

স্থানীয় সময় রোববার রাতে কোপেনহেগেনের পুলিশ ইন্সপেক্টর সোরেন থমাসেন বলেন, ‘বন্দুক হামলার পর ২২ বছর বয়সী এক ডেনিশ যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সন্দেহভাজন যুবকের বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে এবং সোমবার বিচারকের সামনে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।’

থমাসেন বলেন, ‘ওই যুবক পুলিশের সন্দেহভাজনের তালিকায় ছিলেন, তবু খুবই নগণ্য অপরাধী হিসেবে।’

ডেনমার্কে বন্দুকধারীর নামে হত্যা মামলা
শপিং মলে বন্দুকহাতে সন্দেহভাজন যুবক। ছবি: বিবিসি

বন্দুক হামলায় নিহত তিনজনের মধ্যে একজন ৪০ বছর বয়সী, অন্য দুজন তরুণ। অনেকে আহত হয়েছেন, তবে তিনজনের অবস্থা গুরুতর।

তিনি আরও জানান, সন্দেহভাজন ওই যুবককে স্থানীয় সময় বিকেল ৫টা ৪৮ মিনিটে ঘটনাস্থল থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার সম্ভাব্য সঙ্গীর সন্ধানে সেখানকার জিল্যান্ড অঞ্চলে রাতভর অভিযান চালানো হয়। তবে এখন পর্যন্ত ধারণা করা হচ্ছে, তিনি একাই হামলা চালিয়েছিলেন।

হামলার উদ্দেশ্য নিয়ে তিনি বলেন, ‘ঠিক কী কারণে এমন বন্দুক হামলা চালানো হয়েছে তা বলার এখনও সময় হয়নি।’

স্থানীয় সময় রোববার সন্ধ্যায় ডেনমার্কের রাজধানী কোপেনহেগেনে ফিল্ডস নামে একটি শপিং মলে এক বন্দুকধারীর হামলায় তিনজন নিহত হয়েছেন।

রোববার মাঝরাতে দেশটির পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় আরও অসংখ্য মানুষ আহত হয়েছেন।

ডেনমার্কে বন্দুকধারীর নামে হত্যা মামলা

প্রাণভয়ে নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে নারী-পুরুষদের ছুটে যেতে দেখা গেছে। ছবি: সংগৃহীত

কোপেনহেগেন পুলিশ অপারেশন ইউনিটের প্রধান পুলিশ ইন্সপেক্টর সোরেন থমাসেন বলেছেন, সন্দেহভাজন হামলাকারীকে ইতোমধ্যেই আটক করা হয়েছে। ২২ বছর বয়সী জাতিগত ডেনিশ ওই যুবককে রাজধানীর দক্ষিণ প্রান্তে ফিল্ডস শপিং সেন্টারের কাছ থেকে আটক করা হয়।

সাংবাদিকদের সোরেন বলেন, ‘আমরা জানি সেখানে কয়েকজন নিহত হয়েছেন। অনেকে আহতও হয়েছেন।’

এ ঘটনায় সন্ত্রাসবাদকে উড়িয়ে দেয়া যায় না বলেও মন্তব্য করেন তিনি। এতে আরও মানুষের সম্পৃক্ততা আছে কি-না খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই মুহূর্তে শহরের কাউকেই সন্দেহের বাইরে রাখা হচ্ছে না। তবে ‘জাতিগতভাবে ডেনিস’ ছাড়া আটক যুবক সম্পর্কে খুব বেশি বিবরণ দেননি সোরেন।

ফিল্ডস শপিং সেন্টারটি কোপেনহেগেনের উপকণ্ঠে অবস্থিত। সাবওয়ে লাইনের বিপরীতে, যা শহরের কেন্দ্রকে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সঙ্গে যুক্ত করেছে।

পাশ্চাত্যের বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত ছবিতে ঘটনাস্থল থেকে আহত ব্যক্তিদের উদ্ধার তৎপরতা ছাড়াও প্রাণভয়ে নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে নারী-পুরুষদের ছোটাছুটি করতেও দেখা গেছে।

কোপেনহেগেনের মেয়র সোফি এইচ অ্যান্ডারসেন এক টুইটে লিখেছেন, ‘ফিল্ডসে গুলি চালানোর ভয়ংকর খবর! আমরা এখনও নিশ্চিত নই কতজন আহত বা মারা গেছেন। তবে এটি খুবই গুরুতর।’

আরও পড়ুন:
বন্দুক সহিংসতার বিরুদ্ধে বিক্ষোভে উত্তাল যুক্তরাষ্ট্র
যুক্তরাষ্ট্রে ফের গুলি, নিহত ৩

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Ukraine recognizes Russias full control of Luhansk

লুহানস্কের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ রাশিয়ার, স্বীকার ইউক্রেনের

লুহানস্কের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ রাশিয়ার, স্বীকার ইউক্রেনের লিসিচানস্ক শহরে রুশ ও ইউক্রেনীয় বাহিনীর সংঘর্ষের সময় একটি তেল শোধনাগারে আগুন ধরে যায়। ছবি: এএফপি
রাশিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী সার্জেই সোইগু জানিয়েছেন, তাদের সেনাবাহিনী লিসিচানস্ক ও এর আশপাশে ইউক্রেনের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা পুরো দখলে নিয়েছে। সেনা সরিয়ে নেয়ার কথা স্বীকার করেছে ইউক্রেন।

ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলীয় লুহানস্ক অঞ্চলের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ এখন রুশ বাহিনীর হাতে। সেখান থেকে সেনাবাহিনী সরিয়ে নেয়ার কথা স্বীকার করেছে ইউক্রেন।

রোববার রাশিয়া সমর্থিত বিদ্রোহী অধ্যুষিত এই অঞ্চলের লিসিচানস্ক শহর দখল নেয়ার মধ্য দিয়ে পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ এখন রুশ বাহিনীর।

রাশিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী সার্জেই সোইগু রোববার রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে জানিয়েছেন তাদের সেনাবাহিনী লিসিচানস্ক ও এর আশপাশে ইউক্রেনের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা পুরো দখলে নিয়েছে।

সেনা সরিয়ে নেয়ার কথা স্বীকার করে সন্ধ্যায় ইউক্রেনের সেনাবাহিনীর মুখপাত্র নিশ্চিত করেন, বহু হতাহত এড়াতে লিসিচানস্ক শহর থেকে সেনাদের সরিয়ে নেয়া হয়েছে।

লুহানস্কের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ রাশিয়ার, স্বীকার ইউক্রেনের

তিনি বলেন, ‘ইউক্রেনের রক্ষক ও যোদ্ধাদের জীবন রক্ষায় অনেককে ঘটনাস্থল থেকে সরিয়ে নেয়া হয়েছে।’

গত ২১ ফেব্রুয়ারি এক ভাষণে পূর্ব ইউক্রেনের বিদ্রোহী অধ্যুষিত দোনেৎস্ক ও লুহানস্ক অঞ্চলকে স্বাধীন রাষ্ট্রের স্বীকৃতি দেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।

এর তিন দিন পর ইউক্রেনে অভিযান চালায় রুশ বাহিনী।

২০১৪ সালের ১১ মে পূর্বাঞ্চলীয় লুহানস্ক ও দোনেৎস্ক অঞ্চল ইউক্রেন থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যেতে গণভোটের আয়োজন করে। এতে স্বাধীনতার পক্ষে রায় হলেও তা মেনে নেয়নি ইউক্রেন। এর প্রায় আট বছর পর ২১ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনের ওই দুই অঞ্চলকে স্বাধীন দেশের স্বীকৃতি দেয় রাশিয়া। এই আট বছরে ওই অঞ্চলে সংঘাতে মারা পড়েছেন ১৪ হাজারের বেশি মানুষ।

গত সপ্তাহজুড়ে ইউক্রেন কর্তৃপক্ষ দাবি করে, রাশিয়ার পক্ষ থেকে লিসিচানস্কে ব্যাপক হামলার শিকার হচ্ছে তারা। কিন্তু শহরটি তাদের দখলেই রয়েছে। আর রাশিয়া সমর্থিত বিচ্ছিন্নতাবাদীরা বলছে, তারা সফলভাবে শহরে প্রবেশ করেছে এবং কেন্দ্রে অবস্থান নিয়ে আছে।

যুদ্ধবিধ্বস্ত ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলীয় শহর লিসিচানস্ক এ সময় প্রতিযোগিতার কেন্দ্রে ছিল। রাশিয়া ও ইউক্রেন দুই দেশই এ শহর দখলের দাবি করে।

ইউক্রেন কর্তৃপক্ষ বলে, রাশিয়ার পক্ষ থেকে লিসিচানস্কে ব্যাপক হামলার শিকার হচ্ছে তারা। কিন্তু শহরটি তাদের দখলেই রয়েছে।

আর রাশিয়া সমর্থিত বিচ্ছিন্নতাবাদীরা বলে, তারা সফলভাবে শহরে প্রবেশ করেছে এবং কেন্দ্রে অবস্থান নিয়ে আছে।

লিসিচানস্ক ছিল ইউক্রেন থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া লুহানস্ক অঞ্চলের ভেতরে ইউক্রেন নিয়ন্ত্রিত শেষ শহর। দোনবাস অঞ্চলের একাংশে অবস্থিত এটি।

গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে সামরিক অভিযান শুরুর ঘোষণা দেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। এর পর থেকেই পশ্চিমাদের বাধা উপেক্ষা করে পূর্ব ইউরোপের দেশটিতে চলছে রুশ সেনাদের সামরিক অভিযান।

বাসিন্দাদের রক্ষা করার জন্যই এমন সামরিক পদক্ষেপ বলে দাবি করে আসছে রাশিয়া। ইউক্রেনের পক্ষ থেকে বলা হয়, সম্পূর্ণ বিনা উসকানিতে রাশিয়া হামলা চালিয়েছে। দেশটি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে সাহায্যের আবেদন জানিয়ে আসছে।

ইউক্রেনে রাশিয়ার হামলা শুরুর পর এখন পর্যন্ত দেশটির ৮০ লাখের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে। একই সঙ্গে দেশ ছেড়েছে প্রায় ৫০ লাখ মানুষ।

যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি তেলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় অনেক পণ্যের দাম বেড়ে গেছে। এ যুদ্ধ বন্ধ না হলে বিশ্বজুড়ে বড় ধরনের খাদ্যসংকট তৈরি হবে বলে আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা।

আরও পড়ুন:
তুরস্কে গমবাহী রুশ জাহাজ জব্দ
লিসিচানস্ক দখলের দাবি ইউক্রেন রাশিয়া উভয়েরই
স্নেক আইল্যান্ডে ফসফরাস বোমা রাশিয়ার: ইউক্রেন
ইউক্রেন ক্রিমিয়া আক্রমণ করলে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ: মেদভেদেভ
ন্যাটোর কাছে মাসে ৪৮ হাজার কোটি টাকা চান জেলেনস্কি

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
There are many casualties in shopping malls in Denmark

ডেনমার্কে শপিং মলে গুলি, নিহত ৩

ডেনমার্কে শপিং মলে গুলি, নিহত ৩ বন্ধুকধারীর গুলি থেকে বাঁচতে নিরাপদ স্থানে দৌড়াচ্ছে মানুষ। ছবি: এএফপি
কোপেনহেগেনের মেয়র সোফি এইচ অ্যান্ডারসেন এক টুইটে লিখেছেন, ‘গুলি চালানোর ভয়ংকর খবর! আমরা এখনও নিশ্চিত নই কতজন আহত বা মারা গেছেন। তবে এটি খুবই গুরুতর।’

ডেনমার্কের রাজধানী কোপেনহেগেনে ফিল্ডস নামে একটি শপিং মলে এক বন্দুকধারীর হামলায় অন্তত তিনজন নিহত হয়েছেন।

রোববার মাঝরাতে দেশটির পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় আরও অসংখ্য মানুষ আহত হয়েছেন।

কোপেনহেগেন পুলিশ অপারেশন ইউনিটের প্রধান পুলিশ ইন্সপেক্টর সোরেন থমাসেন বলেছেন, সন্দেহভাজন হামলাকারীকে ইতোমধ্যেই আটক করা হয়েছে। ২২ বছর বয়সী জাতিগত ডেনিশ ওই যুবককে রাজধানীর দক্ষিণ প্রান্তে ফিল্ডস শপিং সেন্টারের কাছ থেকে আটক করা হয়।

সাংবাদিকদের সোরেন বলেন, ‘আমরা জানি সেখানে কয়েকজন নিহত হয়েছেন। অনেকে আহতও হয়েছেন।’

এ ঘটনায় সন্ত্রাসবাদকে উড়িয়ে দেয়া যায় না বলেও মন্তব্য করেন তিনি। এতে আরও মানুষের সম্পৃক্ততা আছে কি-না খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই মুহূর্তে শহরের কাউকেই সন্দেহের বাইরে রাখা হচ্ছে না। তবে ‘জাতিগত ডেন’ ছাড়া আটক যুবক সম্পর্কে খুব বেশি বিবরণ দেননি সোরেন।

ডেনমার্কে শপিং মলে গুলি, নিহত ৩

ফিল্ডস শপিং সেন্টারটি কোপেনহেগেনের উপকণ্ঠে অবস্থিত। সাবওয়ে লাইনের বিপরীতে, যা শহরের কেন্দ্রকে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সঙ্গে যুক্ত করেছে।

পাশ্চাত্যের বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত ছবিতে ঘটনাস্থল থেকে আহত ব্যক্তিদের উদ্ধার তৎপরতা ছাড়াও প্রাণভয়ে নারী-পুরুষদের ছোটাছুটি করতেও দেখা গেছে।

কোপেনহেগেনের মেয়র সোফি এইচ অ্যান্ডারসেন এক টুইটে লিখেছেন, ‘ফিল্ডসে গুলি চালানোর ভয়ংকর খবর! আমরা এখনও নিশ্চিত নই কতজন আহত বা মারা গেছেন। তবে এটি খুবই গুরুতর।’

আরও পড়ুন:
শামীম ওসমানপুত্রের বিরুদ্ধে ফাঁকা গুলি ছোড়ার অভিযোগ
এলডিপির মহাসচিব রেদোয়ানের জামিন
শপিং ব্যাগে গুলির ১৩৭ খোসা
‘আধিপত্য বিস্তারে ককটেল-গুলি’, আহত ৪
খুলনায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে ব্যবসায়ী নিহত

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
How did Jess become a mother without any signs of pregnancy? Child is not possible but the child was born

গর্ভধারণের কোনো চিহ্ন না রেখেও জেস কীভাবে মা?

গর্ভধারণের কোনো চিহ্ন না রেখেও জেস কীভাবে মা? বিস্ময় জাগানো মা জেস ডেভিস ও তার নবজাতক ফ্রেডি অলিভার ডেভিস। ছবি: সংগৃহীত
ডেভিস বলেন, সন্তানের জন্মের সঙ্গে সঙ্গে জীবনেরও কিছু পরিবর্তন এসেছে। তবে এটা আমার কাছে স্বাভাবিকই মনে হচ্ছে।

কোনো চিহ্নই ছিল না, ছিল না সম্ভাবনাও। তবু ঘটেছে এক বিস্ময়কর ঘটনা। এই পৃথিবীতে এসেছে এক নবজাতক। অথচ যার গর্ভে জন্ম এ শিশুর, সেই তরুণীও জানতেন না রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে আসলে কী ঘটতে যাচ্ছে তার জীবনে।

যুক্তরাজ্যের এক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর এমন অভিজ্ঞতা রীতিমতো সাড়া ফেলে দিয়েছে। টয়লেটে জন্ম নেয়া শিশুটি নিয়ে রহস্য কূলকিনারায় পৌঁছায়নি এখনও। কীভাবে এ শিশুর জন্ম হলো; মিলছে না তারও ব্যাখ্যা।

সংবাদমাধ্যম ইনডিপেনডেন্ট সম্প্রতি এক প্রতিবেদনে ইউনিভার্সিটি সাউদাম্পটনের ওই ছাত্রীর এসব তথ্য জানিয়েছে।

২০ বছর বয়সে পা দেয়ার আগের দিন গত ১১ জুন ছেলে শিশু প্রসব করেন জেস ডেভিস। ব্রিস্টলের এই তরুণী বিশ্ববিদ্যালয়ে দ্বিতীয় বর্ষে পড়ছেন ইতিহাস ও রাজনীতি নিয়ে।

ডেভিস জানিয়েছেন, তিনি যে গর্ভবতী তা তার কখনই মনে হয়নি। রাতে ঘুমানোর আগে তিনি টয়লেটে যান। তিনি ভেবেছিলেন তার হয়তো ঋতুস্রাবের ব্যথা অনুভূত হচ্ছে। ছিল না গর্ভধারণের কোনো লক্ষণও। তবে আকস্মিকভাবে টয়লেটে বাচ্চা জন্ম দেন।

তার গর্ভে জন্ম নেয়া শিশুটির নাম রাখা হয়েছে ফ্রেডি অলিভার ডেভিস। জন্মের সময় তার ওজন হয়েছিল পাঁচ পাউন্ডের একটু বেশি।

ঘটনার বর্ণনা দিয়ে জেস ডেভিস বলেন, ‘আমার পিরিয়ড সব সময়ই অনিয়মিত। এ কারণে আমি ব্যাপারটা কখনই লক্ষ করিনি। তবে মাঝে মাঝে বমি বমি ভাব হতো। তবে এর জন্য আমি চিকিৎসা নিয়েছি।’

তিনি বলেন, ‘যখন আমার বাচ্চার জন্ম হলো; জীবনে তখন বড় ধাক্কা খেলাম। আমি ভাবছিলাম, এটা স্বপ্ন। যতক্ষণ না পর্যন্ত তার কান্না শুনিনি, ততক্ষণ পর্যন্ত বুঝতে পারছিলাম না; আসলে কী ঘটছে।’

প্রথমে খুব হতাশ হয়ে গেলেও এখন তিনি মাতৃত্ব উপভোগ করছেন বলে জানান এই ব্রিটিশ তরুণী। তিনি বলেন, সে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে শান্ত শিশু।

ডেভিস জানান, গত জুনে তিনি যখন ব্যথা অনুভব করেন, ভেবেছিলেন এই ব্যথা হয়তো পিরিয়ডের। এ সময় তিনি একটা গরম পানির বোতল কিনে ব্যথা উপশমে ব্যবহার করেন।

মা হওয়ার দিনের বর্ণনা দিয়ে এই তরুণী বলেন, ‘আমি মাত্র বাসায় এসে পরদিনের জন্মদিনের পার্টির জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম। গোসল করলাম, বাথরুমে গেলাম। এক পর্যায়ে দেখি ব্যথা খারাপের দিকে যাচ্ছে।

‘একপর্যায়ে মনে হলো টয়লেটে যাওয়া দরকার। প্রাকৃতিক কাজের সময়, তখনও আমি ভাবিনি আমি হয়তো সন্তান প্রসব করব। খুব ব্যথা হলো। হঠাৎ বাচ্চা বের হয়ে এলো। কান্না শুনে বুঝতে পারলাম, আসলে কী ঘটেছে।’

এরপর এক বন্ধুর সঙ্গে পরামর্শ করে হাসপাতালে ফোন করেন বলে জানান তিনি। বলেন, পরে প্রিন্স আনি হসপিটালে সন্তানসহ ভর্তি হই।

চিকিৎসকরা বলছেন, ৩৫ সপ্তাহ গর্ভে থেকে জন্মগ্রহণ করেছে এই শিশু। এত নাটকীয় ঘটনা সত্ত্বেও শিশু এবং তার মা সুস্থ আছেন।
নাতির জন্মে খুশি হয়েছেন ডেভিসের মা। এ নিয়ে তিনি খুব উচ্ছ্বসিতও।

ডেভিস বলেন, এই পৃথিবীতে আমার মা হলো সবচেয়ে ভালো ব্যক্তি; তিনি খুবই সহায়ক। সন্তানের জন্মের সঙ্গে সঙ্গে জীবনেরও কিছু পরিবর্তন এসেছে। তবে এটা আমার কাছে স্বাভাবিকই মনে হচ্ছে।

আরও পড়ুন:
অদ্ভুত মুখের শিশুর জন্ম
আশ্রয়কে‌ন্দ্রে শিশুর জন্ম
খুলি ও মগজবিহীন শিশুর জন্ম

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Both Ukraine and Russia claim to occupy Lisichansk

লিসিচানস্ক দখলের দাবি ইউক্রেন রাশিয়া উভয়েরই

লিসিচানস্ক দখলের দাবি ইউক্রেন রাশিয়া উভয়েরই লিসিচানস্ক শহর দখলের দাবি দুই দেশেরই। ছবি: টুইটার থেকে নেয়া
ইউক্রেন কর্তৃপক্ষ বলছে, রাশিয়ার পক্ষ থেকে লিসিচানস্কে ব্যাপক হামলার শিকার হচ্ছে তারা। কিন্তু শহরটি তাদের দখলেই রয়েছে। আর রাশিয়া সমর্থিত বিচ্ছিন্নতাবাদীরা বলছে, তারা সফলভাবে শহরে প্রবেশ করেছে এবং কেন্দ্রে অবস্থান নিয়ে আছে।

যুদ্ধবিধ্বস্ত ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলীয় শহর লিসিচানস্ক এখন প্রতিযোগিতার কেন্দ্রে। রাশিয়া ও ইউক্রেন দুই দেশই এ শহর দখলের দাবি করেছে।

রোববার এক প্রতিবেদনে এমন তথ্য দিয়েছে সংবাদমাধ্যম বিবিসি

ইউক্রেন কর্তৃপক্ষ বলছে, রাশিয়ার পক্ষ থেকে লিসিচানস্কে ব্যাপক হামলার শিকার হচ্ছে তারা। কিন্তু শহরটি তাদের দখলেই রয়েছে।

আর রাশিয়া সমর্থিত বিচ্ছিন্নতাবাদীরা বলছে, তারা সফলভাবে শহরে প্রবেশ করেছে এবং কেন্দ্রে অবস্থান নিয়ে আছে।

রাশিয়ার গণমাধ্যমে প্রচারিত ভিডিওতে শহরের কেন্দ্রে বিচ্ছিন্নতাবাদী ও রাশিয়ান সেনাদের কুচকাওয়াজ করার দৃশ্য দেখা গেছে। টুইটারে পোস্ট করা ভিডিওতে দেখা গেছে, শহরটির ধ্বংসপ্রাপ্ত প্রশাসনিক ভবনে রুশ পতাকা উড়ছে।

লিসিচানস্ক ছিল ইউক্রেন থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া লুহানস্ক অঞ্চলের ভেতরে ইউক্রেন নিয়ন্ত্রিত শেষ শহর। দোনবাস অঞ্চলের একাংশে অবস্থিত এটি।

লুহানস্কের গভর্নর শেরি হাইডা বলেছেন, রাশিয়ার সেনারা সব দিক থেকে শহরে প্রবেশ করছে। রাশিয়ায় লুহানস্কের রাষ্ট্রদূত রোডিওন মিরশনিক রাশিয়ার এক টেলিভিশনকে বলেছেন, শহরটির নিয়ন্ত্রণ নেয়া হয়েছে, তবে শহরটি এখনো স্বাধীন নয়।

গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে সামরিক অভিযান শুরুর ঘোষণা দেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। এর পর থেকেই পশ্চিমাদের বাধা উপেক্ষা করে পূর্ব ইউরোপের দেশটিতে চলছে রুশ সেনাদের সামরিক অভিযান।

বাসিন্দাদের রক্ষা করার জন্যই এমন সামরিক পদক্ষেপ বলে দাবি করে আসছে রাশিয়া। ইউক্রেনের পক্ষ থেকে বলা হয়, সম্পূর্ণ বিনা উসকানিতে রাশিয়া হামলা চালিয়েছে। দেশটি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে সাহায্যের আবেদন জানিয়ে আসছে।

ইউক্রেনে রাশিয়ার হামলা শুরুর পর এখন পর্যন্ত দেশটির ৮০ লাখের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে। একই সঙ্গে দেশ ছেড়েছে প্রায় ৫০ লাখ মানুষ।

যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি তেলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় অনেক পণ্যের দাম বেড়ে গেছে। এ যুদ্ধ বন্ধ না হলে বিশ্বজুড়ে বড় ধরনের খাদ্যসংকট তৈরি হবে বলে আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা।

আরও পড়ুন:
স্নেক আইল্যান্ডে ফসফরাস বোমা রাশিয়ার: ইউক্রেন
ইউক্রেন ক্রিমিয়া আক্রমণ করলে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ: মেদভেদেভ
ন্যাটোর কাছে মাসে ৪৮ হাজার কোটি টাকা চান জেলেনস্কি

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Phosphorus bomb on Snake Island Russia Ukraine

স্নেক আইল্যান্ডে ফসফরাস বোমা রাশিয়ার: ইউক্রেন

স্নেক আইল্যান্ডে ফসফরাস বোমা রাশিয়ার: ইউক্রেন রুশ বিমান বাহিনীর এসইউ-৩০ যুদ্ধবিমান। ছবি: সংগৃহীত
ইউক্রেনীয় সেনারা টেলিগ্রামে এই বিবৃতির সঙ্গে একটি ভিডিও যুক্ত করে দিয়েছে, যেখানে দেখা যাচ্ছে একটি বিমান দ্বীপে অন্তত দুইবার বোমা ফেলছে। আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী ফসফরাস বোমা ব্যবহারে কিছু সীমাবদ্ধতা থাকলেও যুদ্ধক্ষেত্রে ব্যবহারে তা নিষিদ্ধ নয়।

ইউক্রেনে চলছে রুশ সামরিক অভিযান। অভিযানের ৪ মাস পর এসে রুশ সেনারা ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চল দোনবাসে সামরিক অভিযান পরিচালনা করছে এবং অন্য স্থানগুলো থেকে নিজেদের গুটিয়ে নিচ্ছে। ইউক্রেন বলছে, পিছু হটছে রুশ সেনারা। রাশিয়ার দাবি, পরিকল্পনা মাফিকই চলছে সামরিক অভিযান।

এদিকে আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইউক্রেনীয় সেনারা অভিযোগ করেছে, কৃষ্ণসাগরের দ্বীপ স্নেক আইল্যান্ড থেকে সেনা প্রত্যাহারের এক দিন পরই রাশিয়া সেখানে ফসফরাস বোমা হামলা চালিয়েছে বলে দাবি করেছে।

শুক্রবার টেলিগ্রামে ইউক্রেনের সেনাবাহিনীর কমান্ডার-ইন-চিফ ভ্যালেরি জালুঝনি বলেছেন, রাশিয়ার দুটি সু-৩০ বিমান ক্রিমীয় উপদ্বীপ থেকে উড়ে এসে স্নেক আইল্যান্ডে ফসফরাস বোমা নিক্ষেপ করে চলে গেছে।

স্থানীয় সময় শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টায় স্নেক আইল্যান্ডে এই বোমা হামলা চালানো হয়।

রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বৃহস্পতিবার দ্বীপ থেকে তাদের সরে যাওয়াকে ‘শুভেচ্ছার প্রকাশ’ হিসেবে বর্ণনা করেছে। অর্থাৎ ইউক্রেনের বন্দরগুলো থেকে শস্য রপ্তানি করার জন্য জাতিসংঘের প্রচেষ্টায় হস্তক্ষেপ করবে না ইউক্রেন।

তবে ফসফরাস বোমা হামলার অভিযোগ এনে ইউক্রেনীয় সেনাবাহিনী বলছে, রাশিয়া তাদের নিজেদের ঘোষণাকেও সম্মান জানাতে অক্ষম।

ইউক্রেনীয় সেনারা টেলিগ্রামে এই বিবৃতির সঙ্গে একটি ভিডিও যুক্ত করে দিয়েছে, যেখানে দেখা যাচ্ছে একটি বিমান দ্বীপে অন্তত দুইবার বোমা ফেলছে।

তবে আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী যুদ্ধক্ষেত্রে ফসফরাস বোমা ব্যবহারে কিছু সীমাবদ্ধতা থাকলেও তা নিষিদ্ধ নয়। বেসামরিক মানুষ ও স্থাপনায় এবং এমন কোনো সামরিক লক্ষ্যবস্তু যার আশপাশে বেসামরিক স্থাপনা রয়েছে, সেখানে ফসফরাস বোমা নিক্ষেপ নিষিদ্ধ।

গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে সামরিক অভিযান শুরুর ঘোষণা দেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। এর পর থেকেই পশ্চিমাদের বাধা উপেক্ষা করে পূর্ব ইউরোপের দেশটিতে চলছে রুশ সেনাদের সামরিক অভিযান।

দোনবাসের বাসিন্দাদের রক্ষা করার জন্যই এমন সামরিক পদক্ষেপ বলে দাবি করে আসছে রাশিয়া। ইউক্রেনের পক্ষ থেকে বলা হয়, সম্পূর্ণ বিনা উসকানিতে রাশিয়া হামলা চালিয়েছে। দেশটি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে সাহায্যের আবেদন জানিয়ে আসছে।

যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি তেলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় অনেক পণ্যের দাম বেড়ে গেছে। এ যুদ্ধ বন্ধ না হলে বিশ্বজুড়ে বড় ধরনের খাদ্যসংকট তৈরি হবে বলে আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা।

আরও পড়ুন:
ইউক্রেন ক্রিমিয়া আক্রমণ করলে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ: মেদভেদেভ
ন্যাটোর কাছে মাসে ৪৮ হাজার কোটি টাকা চান জেলেনস্কি
‘পুতিন নারী হলে ইউক্রেন আক্রমণ করতেন না’

মন্তব্য

p
উপরে