× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ পৌর নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য

আন্তর্জাতিক
Lisa is the first black woman governor in the Federal Reserve
hear-news
player
print-icon

যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভে প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ নারী গভর্নর

যুক্তরাষ্ট্রের-ফেডারেল-রিজার্ভে-প্রথম-কৃষ্ণাঙ্গ-নারী-গভর্নর ইউনিভার্সিটি অফ ক্যালিফোর্নিয়া থেকে অর্থনীতিতে ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জন করেন লিসা কুক। ছবি: সংগৃহীত
ফেডারেল রিজার্ভের ১০৮ বছরের ইতিহাসে গুরুত্বর্পূণ গভর্নর পদে প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ নারী হতে যাচ্ছেন লিসা কুক। ভোটাভুটিতে লিসা জিতে যান মাত্র এক ভোটের ব্যবধানে। লিসার পক্ষে ভোট দেন ৫১ সিনেটর, বিপক্ষে ৫০। এতে জয়সূচক ভোটটি দেন দেশটির প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ নারী ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস।

যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভে প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ নারী গভর্নর হিসেবে অর্থনীতিবিদ লিসা কুককে অনুমোদন দিয়েছে দেশটির উচ্চকক্ষ সিনেট।

স্থানীয় সময় মঙ্গলবার সিনেটের ভোটাভুটিতে ফেডারেল রিজার্ভের গভর্নরস বোর্ডে সদস্য হিসেবে কাজ করার জন্য মনোনীত হয়েছেন লিসা কুক।

প্রতিষ্ঠানটির ১০৮ বছরের ইতিহাসে এই গুরুত্বপূর্ণ পদে প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ নারী হতে যাচ্ছেন লিসা।

ভোটাভুটিতে লিসা জিতে যান মাত্র এক ভোটের ব্যবধানে। লিসার পক্ষে ভোট দেন ৫১ সিনেটর, বিপক্ষে ৫০। এতে জয় নির্ধারক ভোটটি দেন দেশটির প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ নারী ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস।

ইউনিভার্সিটি অফ ক্যালিফোর্নিয়া থেকে অর্থনীতিতে ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জন করেন কুক। ২০০৫ সাল থেকে মিশিগান স্টেটের অর্থনীতি ও আন্তর্জাতিক সম্পর্কের অধ্যাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন তিনি।

তিনি ২০১১ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত হোয়াইট হাউসের অর্থনীতিবিষয়ক পরামর্শক পরিষদে স্টাফ ইকোনমিস্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

ফেডারেল এবং ব্যাংকের নিয়ন্ত্রক নীতিনির্ধারণীতে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের ট্রানজিশন টিমের উপদেষ্টা হচ্ছেন কুক।

এই নিয়োগের বিরোধিতা করে রিপাবলিকান সিনেটররা যুক্তি দেখান, লিসা কুক এই পদে অযোগ্য। সুদের হার নীতিমালার সঙ্গে তার পর্যাপ্ত অভিজ্ঞতা নেই।

রিপাবলিকানরা আরও বলেন, সেনেট ব্যাংকিং কমিটির সামনে তার সাক্ষ্য-প্রমাণ উপস্থাপন প্রমাণ করে তিনি মূল্যস্ফীতির বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য যথেষ্ট প্রতিশ্রুতিবদ্ধ নন। এই মূল্যস্ফীতি চার দশকের মধ্যে এখন সর্বোচ্চ।

ফেডারেল রিজার্ভের জন্য জো বাইডেনের মনোনীত পাঁচ প্রার্থীর মধ্যে সিনেটে নির্বাচিত দ্বিতীয় জন হচ্ছেন লিসা কুক।

ফেডারেল রিজার্ভ সিস্টেমের গভর্নর বোর্ডের সাত সদস্য প্রেসিডেন্টের মাধ্যমে মনোনীত এবং সিনেটের ভোটে নির্বাচিত হন। এই পদে পূর্ণ মেয়াদ ১৪ বছর। প্রতি দুই বছরে একটি মেয়াদ শুরু হয় জোড় সালের ১ ফেব্রুয়ারিতে।

একজন সদস্য যিনি পূর্ণ মেয়াদ সম্পন্ন করেন তাকে পুনরায় নিয়োগ দেয়া যাবে না। তবে যে সদস্য মেয়াদ পূর্ণ করেননি তাকে পুনরায় নিয়োগ করা যেতে পারে। একজন সদস্য যে তারিখে নিজ কার্যালয়ে শপথ নেন, তার সব শর্তাবলি নির্ধারিত তারিখে শেষ হয়।

এই বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং ভাইস চেয়ারম্যানের নাম প্রেসিডেন্টের কাছ থেকে আসে। পরবর্তী সময়ে তাদের নিয়োগ উচ্চকক্ষ সিনেটের ভোটাভুটির মাধ্যমে নিশ্চিত করা হয়।

তারা চার বছর মেয়াদে কাজ করেন। বোর্ডে একজন সদস্যের মেয়াদ চেয়ারম্যান বা ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করায় প্রভাবিত হয় না।

আরও পড়ুন:
নারী আইপিএলে যাচ্ছেন সালমা

মন্তব্য

আরও পড়ুন

আন্তর্জাতিক
Radford Ruther founder of feminist theology died

মারা গেলেন নারীবাদী ধর্মতত্ত্বের প্রতিষ্ঠাতা র‍্যাডফোর্ড রুথার

মারা গেলেন নারীবাদী ধর্মতত্ত্বের প্রতিষ্ঠাতা র‍্যাডফোর্ড রুথার নারীবাদী ধর্মতত্ত্বের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ক্যাথলিক ধর্মতাত্ত্বিক রোজমেরি র‍্যাডফোর্ড রুথার। ছবি: সংগৃহীত
ড. রুথার ছিলেন একজন সমাজকর্মী, পরিবেশবাদী, মুক্তিবাদী ধর্মতত্ত্বের অনুসারী। বর্ণবাদের বিরুদ্ধে ছিল তার অবস্থান। তিনি নারী-গির্জা এবং আরও অনেক নারীবাদী কর্মকাণ্ডের জন্য সারা বিশ্বে পরিচিত। তাকে এই সময়ে একজন গুরুত্বপূর্ণ খ্রিষ্টীয় নারীবাদী ধর্মতাত্ত্বিক হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

প্রচলিত খ্রিষ্টীয় মতবাদবিরোধী, নারীবাদী ধর্মতত্ত্বের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ক্যাথলিক ধর্মতাত্ত্বিক রোজমেরি র‍্যাডফোর্ড রুথার মারা গেছেন।

ন্যাশনাল পাবলিক রেডিওর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তার পরিবারের পক্ষ থেকে ধর্মতাত্ত্বিক মেরি হান্ট এক বিবৃতিতে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার পর শনিবার যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় ৮৫ বছর বয়সে তিনি মারা যান।

ড. রুথার ছিলেন একজন সমাজকর্মী, পরিবেশবাদী, মুক্তিবাদী ধর্মতত্ত্বের অনুসারী। বর্ণবাদের বিরুদ্ধে ছিল তার অবস্থান। তিনি নারী-গির্জা এবং আরও অনেক নারীবাদী কর্মকাণ্ডের জন্য সারা বিশ্বে পরিচিত। তাকে এই সময়ে একজন গুরুত্বপূর্ণ খ্রিষ্টীয় নারীবাদী ধর্মতাত্ত্বিক হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তার অনুসারীদের কাছেও তিনি ছিলেন অত্যন্ত সম্মানিত।

একজন ধর্মতত্ত্ববিদ হিসেবেই যিনি কথিত ও প্রচলিত মতবাদকে চ্যালেঞ্জ করেছিলেন।

তিনি গর্ভপাত, জন্মনিয়ন্ত্রণ ও পুরুষ যাজকদের সম্পর্কে শিক্ষার বিষয়ে ক্যাথলিক চার্চকেও চ্যালেঞ্জ করেছিলেন। চার্চের সঙ্গে দ্বন্দ্বের কারণে এক ক্যাথলিক বিশ্ববিদ্যালয় থেকেও তার চাকরির প্রস্তাব ফিরিয়ে নেয়া হয়।

জলবায়ু ন্যায়বিচার নিয়েও কাজ করেছিলেন তিনি। এ বিষয়ে তার লেখা বই ‘গাইয়া অ্যান্ড গড: অ্যান ইকোফেমিনিস্ট থিওলজি অফ আর্থ হিলিং’ ১৯৯৪ সালে প্রকাশিত হয়।

আরও পড়ুন:
নারী উদ্যোক্তাদের জুসি ফেস্ট শনিবার
পিরিয়ড জটিলতায় মাসে তিন দিন ছুটি পাচ্ছেন স্পেনের নারীরা
সালমার পর নারী আইপিএলে সুপ্তা
মোহামেডানে সালমা-রুমানা, আবাহনীতে জাহানারা
যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভে প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ নারী গভর্নর

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Obstetric fistula is growing secretly

নীরবে বাড়ছে প্রসবজনিত ফিস্টুলা

নীরবে বাড়ছে প্রসবজনিত ফিস্টুলা বাংলাদেশে আনুমানিক ১ লাখ ২০ হাজার নারী প্রসবজনিত ফিস্টুলায় ভুগছেন। প্রতি এক হাজার বিবাহিত নারীর মধ্যে ১ দশমিক ৬৯ জন প্রসবজনিত ফিস্টুলায় আক্রান্ত। ছবি: ইউএনএফপিএ
আজ ২৩ মে পালিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক প্রসবজনিত ফিস্টুলা নির্মূল দিবস। ২০০৩ সালে জাতিসংঘ আন্তর্জাতিকভাবে এই দিবস পালনের সিদ্ধান্ত নেয়। তবে নানা প্রতিবন্ধকতার কারণে ১০ বছর পর ২০১৩ সালে প্রথমবারের মতো দিবসটি পালিত হয়। ইউএনএফপিএর কর্মসূচি ‘ক্যাম্পেইন টু অ্যান্ড ফিস্টুলা’র আওতায় বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বে দিবসটি পালিত হচ্ছে।

দেশে হাজারো নারী নিরাপদ মাতৃত্বের সুবিধা থেকে বঞ্চিত। অশিক্ষা, প্রশিক্ষণহীন ধাত্রী ও প্রলম্বিত চিকিৎসাহীনতার কারণে সন্তান প্রসবের সময় ফিস্টুলা রোগ বাড়ছে। নারীরা এই রোগ চেপে যাওয়ার কারণে চিকিৎসার বাইরে থেকে যাচ্ছে বড় একটি অংশ। ফলে তারা বিষণ্নতা, সামাজিক বিচ্ছিন্নতা, দারিদ্র্য প্রভৃতি সমস্যায় পড়ছেন।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্ত হলে সার্জারি ছাড়াই ওষুধ দিয়ে এই রোগের চিকিৎসা সম্ভব। প্রসব ব্যথা ওঠার সঙ্গে সঙ্গে রোগীকে হাসপাতালে নিতে হবে। এই রোগ নিয়ে এখনই সচেতন হতে হবে। রোগ হলে তা প্রকাশ করতে হবে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য বলছে, বাংলাদেশে আনুমানিক ১ লাখ ২০ হাজার নারী প্রসবজনিত ফিস্টুলায় ভুগছেন। প্রতি এক হাজার বিবাহিত নারীর মধ্যে ১ দশমিক ৬৯ জন প্রসবজনিত ফিস্টুলায় আক্রান্ত। সারা বিশ্বে প্রতিদিন প্রায় ৮০০ নারী অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় অথবা সন্তান প্রসবের সময় মারা যান। শুধু বাংলাদেশে এ রকম মাতৃমৃত্যু হয় প্রতিদিন গড়ে ১৫টি। আর যারা মারা যাচ্ছেন, তাদের মধ্যে অন্তত ২০ জন বা এরও বেশি মারাত্মক জটিলতায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন।

আজ ২৩ মে পালিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক প্রসবজনিত ফিস্টুলা নির্মূল দিবস। ২০০৩ সালে জাতিসংঘ আন্তর্জাতিকভাবে এই দিবস পালনের সিদ্ধান্ত নেয়। তবে নানা প্রতিবন্ধকতার কারণে ১০ বছর পর ২০১৩ সালে প্রথমবারের মতো দিবসটি পালিত হয়।

ইউএনএফপিএর কর্মসূচি ‘ক্যাম্পেইন টু এন্ড ফিস্টুলা’র আওতায় বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বে দিবসটি পালিত হচ্ছে। ফিস্টুলা চিকিৎসার পাশাপাশি প্রসবজনিত এই জটিলতা নির্মূলে ডাক্তার, নার্স ও দক্ষ ধাত্রী প্রশিক্ষণসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি সচেতনতামূলক কর্মসূচিও বাস্তবায়িত হচ্ছে।

এ বিষয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের গাইনি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক নুসরাত আফরিন নীলা নিউজবাংলাকে বলেন, ‘অদক্ষ ধাত্রীর মাধ্যমে বাড়িতে জোর করে বা বাধাগ্রস্ত সন্তান প্রসবের কারণেই নারীকে ফিস্টুলার মতো জটিল স্বাস্থ্য সমস্যায় ভুগতে হয়। ফিস্টুলা আক্রান্ত নারীর অনবরত প্রস্রাব-পায়খানা ঝরতে থাকে। এ কারণে যোনিপথে চুলকানি হয়, ক্ষত তৈরি হয়। নারীর জন্য দুর্বিষহ জীবন শুরু হয়।’

তিনি জানান, প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্ত হলে ফিস্টুলা চিকিৎসার মাধ্যমে পুরোপুরি ভালো হয়ে যায়। এমনকি সার্জারি করাও প্রয়োজন হয় না। বাংলাদেশে অনেক বেসরকারি সংস্থা এই রোগে বিনা মূল্যে সার্জারি করিয়ে থাকেন। ঢাকা মেডিক্যাল কলেজসহ দেশের ১০টি হাসপাতালে এই রোগের চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

প্রসবজনিত ফিস্টুলা মৃত সন্তান প্রসবে দায়ী

বাধাগ্রস্ত প্রসববেদনার ক্ষেত্রে সঠিক সময়ে জরুরি ও উন্নত চিকিৎসা না পেলে প্রসবকালীন বাধা থেকে নারীর জননাঙ্গের টিস্যুগুলোতে রক্ত সঞ্চালন বন্ধ হয়ে যায়। ফলে টিস্যুগুলো মারা যায় এবং একটি ছিদ্র তৈরি হয়। এমন অবস্থায় অধিকাংশ নারী মৃত সন্তান প্রসব করেন। এখনও যেসব নারী এ জটিলতায় আক্রান্ত হচ্ছেন, তারা সাধারণত দরিদ্র এবং চিকিৎসাসেবার আওতার বাইরে।

সন্তান প্রসবের সময় তাদের পাশে দক্ষ সেবাদানকারী ব্যক্তিরা থাকেন না। দেশে ৬০ শতাংশেরও বেশি প্রসব বাড়িতে হয়ে থাকে। নারীদের অবস্টেট্রিক ফিস্টুলা হওয়ার অন্যতম প্রধান কারণ বাল্যবিয়ে। অল্প বয়সে যেসব মেয়ের বিয়ে হয় এবং তারা গর্ভধারণ করে, তাদের শরীর সন্তান প্রসবের মতো চাপ সামলানোর উপযোগী থাকে না। ফলে ফিস্টুলার মতো অবর্ণনীয় যন্ত্রণার শিকার হয় তারা।

ফিস্টুলা দূর করতে করণীয়

প্রসবকালে সব নারীর পাশে দক্ষ সেবাদানকারীর উপস্থিতি নিশ্চিত করা এবং প্রসবজনিত জটিলতায় জরুরি সেবা দেওয়ার মাধ্যমে ফিস্টুলাকে প্রায় নির্মূল করা যেতে পারে। স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোতে দ্রুতগামী পরিবহনব্যবস্থা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। চিকিৎসা কেন্দ্রগুলোতে অস্ত্রোপচারের জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও কর্মীদের উপস্থিতি জরুরি। বাল্যবিয়ের অবসান ঘটিয়ে এবং মেয়েদের প্রথম গর্ভধারণের সময়টা পিছিয়ে দেওয়ার মাধ্যমে ফিস্টুলার হার কমানো সম্ভব।

আরও পড়ুন:
ভুল চিকিৎসায়ই প্রসূতি ও নবজাতকের মৃত্যু, তদন্ত প্রতিবেদন
এবার কবর থেকে তোলা হলো প্রসূতি ও নবজাতককে
প্রসূতির মৃত্যুর অভিযোগ, সাড়ে ৩ লাখে মীমাংসা
ওসির গাড়িতে হাসপাতালে প্রসূতি
প্রসূতির মৃত্যু, স্বজনদের হাসপাতাল ভাঙচুর

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Orders issued to cover the faces of Afghan women presenters

আফগান নারীদের মুখ ঢাকার আদেশ কার্যকর

আফগান নারীদের মুখ ঢাকার আদেশ কার্যকর মুখ ঢেকে সংবাদ উপস্থাপনা করছেন আফগান নারী। ছবি : সংগৃহীত
আফগানিস্তানে নতুন আদেশ জারি করে তালেবানরা বলছে, দেশের সব নারী টেলিভিশন সংবাদ উপস্থাপক তাদের মুখ ঢেকে রাখবে। আফগান পার্লামেন্টের প্রাক্তন ডেপুটি স্পিকার ফওজিয়া কুফি আল জাজিরাকে বলেছেন, ‘তালেবানের মধ্যে কিছু ব্যক্তি ধর্মের নামে তাদের নিজস্ব নীতি চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে। এই আদেশটির কোন যুক্তি নেই।’

আফগানিস্তানে নতুন আদেশ কার্যকর করেছে তালেবান সরকার। যাতে বলা হয়েছে দেশের সব নারী টেলিভিশন সংবাদ উপস্থাপক তাদের মুখ ঢেকে রাখবে।

গত বৃহস্পতিবার আদেশটি ঘোষণা করে তারা। আদেশের পরপরই কয়েকটি সংবাদমাধ্যম নতুন নির্দেশনা মেনে চলা শুরু করে।

তবে রোববার তালেবানের 'পূণ্যের প্রচার ও পাপ প্রতিরোধ মন্ত্রণালয়' এই ডিক্রি জারি করার পর বেশিরভাগ নারী উপস্থাপকদের মুখ ঢেকে উপস্থাপনা করতে দেখা যায়।

এর আগে দেশটির তথ্য ও সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় ঘোষণা করে যে, এই নীতিই চূড়ান্ত থাকবে এবং আর কোনো আলোচনা হবে না।

এর প্রতিবাদে আফগানিস্তানের টোলোনিউজের একজন টিভি উপস্থাপক সোনিয়া নিয়াজি বলেছেন, ‘এটি আমাদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। মুখ ঢাকতে বাধ্য করা আমাদের সংস্কৃতি নয়। কোনো অনুষ্ঠান উপস্থাপনার সময় আমাদের জন্য এটা একটা অস্বস্তির কারণ।’

নিয়াজি আল জাজিরাকে বলেন, প্রথমবারের এভাবে উপস্থাপনা করতে বেশ অসুবিধায় পরতে হয়েছে আমাকে।

তিনি আরও বলেন, ‘এই আদেশটি সব নারী উপস্থাপকদের জন্য প্রত্যাশিত নয়। কারণ ইসলাম আমাদের মুখ ঢেকে রাখার নির্দেশ দেয়নি। এ ছাড়া প্রত্যেক ইসলামিক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এই আদেশের বিরোধিতা করেছেন।’

তালেবানরা আরও বলেছে, নারী উপস্থাপকরা এর পরিবর্তে মেডিকেল মাস্কও পরতে পারেন। বিপরীতে নিয়াজি বলেন, মুখ ঢেকে রাখার আদেশটি তার কাছে নিজেকে আবদ্ধ রাখা বলে মনে হচ্ছে। এই ধরনের আদেশ নারীদের ওপর প্রয়োগ করা আফগানিস্তান জুড়ে নারীদের নির্মূল করার একটি পদক্ষেপ মনে হচ্ছে।

নারী সহকর্মীদের পাশে থাকার জন্য টোলো নিউজের পুরুষ সংবাদ পাঠকরা তাদের মুখ ঢেকে সংবাদ পাঠ করেন।

একজন স্থানীয় গণমাধ্যম কর্মকর্তা তার নাম ও স্টেশনের নাম গোপন রাখার শর্তে আল জাজিরাকে নিশ্চিত করেছেন, গত সপ্তাহে তার স্টেশনটি তালেবানের পক্ষ থেকে এই আদেশ পায়। তবে রোববার জানতে পারেন এই আদেশই চূড়ান্ত থাকবে।

এর আগে ১৯৯৬-২০০১ সাল থেকে আফগানিস্তানে তালেবানদের ক্ষমতার শেষ সময়ে আপাদমস্তক ঢাকা বোরকা পরতে বাধ্য করে নারীদের ওপর অতিরিক্ত বিধিনিষেধ আরোপ করেছিল। এ ছাড়া তাদের সাধারণ জীবনযাপন ও শিক্ষার ক্ষেত্রেও বাধা সৃষ্টি করেছিল।

গত বছর আগস্টে তারা আবার ক্ষমতা দখল করার পর প্রাথমিকভাবে বিধিনিষেধের ক্ষেত্রে আগের মত কট্টর পদক্ষেপ নেয়নি। এমনকি নারীদের জন্য কোন পোশাকের সুনির্দিষ্ট কোনো বিধিনিষেধও তারা শুরুতে দেয়নি।

কিন্তু সম্প্রতি তাদের এই জারিকৃত আদেশ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে তালেবানের সম্পর্ক আরও জটিল করে তুলবে।

আফগান পার্লামেন্টের প্রাক্তন ডেপুটি স্পিকার ফওজিয়া কুফি আল জাজিরাকে বলেছেন যে ‘এই আদেশটির কোন যুক্তি নেই।’

তিনি বলেন, ‘তালেবানের মধ্যে কিছু ব্যক্তি ধর্মের নামে তাদের নিজস্ব নীতি চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে। ইসলামে এর কোনো ভিত্তি নেই।’

আরও পড়ুন:
কাবুলে মসজিদে বিস্ফোরণ: নিহত কমপক্ষে ৫০
আফগানিস্তানে মসজিদে বিস্ফোরণে নিহত ৩৩
কাবুলের শিয়া স্কুলে বোমা হামলায় নিহত ৬
পাকিস্তানের হামলায় নিহত ৪৭: আফগানিস্তান
বেশি টেস্ট খেলতে না পারার আক্ষেপ রাশিদের

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
The first flight with all the female crew in Saudi

সৌদিতে সব নারী ক্রু দিয়ে উড়ল ফ্লাইট

সৌদিতে সব নারী ক্রু দিয়ে উড়ল ফ্লাইট সৌদি আরবে নারী ক্রুদের দিয়ে প্রথমবারের মতো ফ্লাইট পরিচালনা করে বেসামরিক এয়ারলাইনস ফ্লাইডেল। ছবি: ফ্লাইডেল
প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘মধ্যপ্রাচ্যের রক্ষণশীল দেশটিতে এ ঘটনাকে নারীর ক্ষমতায়নের মাইলফলক হিসেবে দেখা হচ্ছে। সৌদি আরবে সাশ্রয়ী খরচে পরিচালিত এয়ারলাইনস ফ্লাইডেল এটি পরিচালনা করে। নতুন মডেলের এয়ারবাস এ-৩২০-এর ফ্লাইটটি শনিবার রাজধানী রিয়াদ থেকে উড্ডয়ন করে উপকূলীয় শহর জেদ্দায় পৌঁছায়।’

সব নারী ক্রু দিয়ে এই প্রথম একটি ফ্লাইট পরিচালনা করেছে সৌদি আরবের বেসামরিক এয়ারলাইনস ফ্লাইডেল।

স্থানীয় সময় শনিবার ফ্লাইডেল কর্তৃপক্ষ এ কথা জানিয়েছে। বার্তা সংস্থা আরব নিউজের প্রতিবেদনে এই তথ্য পাওয়া গেছে।

ফ্লাইডেলের মুখপাত্র ইমাদ ইসকানদারানি বলেন, ‘ওই উড়োজাহাজের সাতজন ক্রুর মধ্যে বেশির ভাগই সৌদি নারী। ক্রুদের মধ্যে ফার্স্ট অফিসার একজন সৌদি নারী। তবে ফ্লাইটটির ক্যাপ্টেনের দায়িত্বে ছিলেন বিদেশি একজন নারী।’

প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘মধ্যপ্রাচ্যের রক্ষণশীল দেশটিতে এ ঘটনাকে নারীর ক্ষমতায়নের মাইলফলক হিসেবে দেখা হচ্ছে। সৌদি আরবে সাশ্রয়ী খরচে পরিচালিত এয়ারলাইনস ফ্লাইডেল এটি পরিচালনা করে। নতুন মডেলের এয়ারবাস এ-৩২০-এর ফ্লাইটটি শনিবার রাজধানী রিয়াদ থেকে উড্ডয়ন করে উপকূলীয় শহর জেদ্দায় পৌঁছায়।’

ফ্লাইডেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এটিই প্রথম ফ্লাইট যেখানে সব নারী ক্রুর পাশাপাশি একজন সৌদি নারী কো–পাইলট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

সৌদিতে সব নারী ক্রু দিয়ে উড়ল ফ্লাইট
সৌদি আরবের বেসামরিক এয়ারলাইনস ফ্লাইডেলের নারী ক্রু। ছবি:আরব নিউজ

রক্ষণশীল এই আরব দেশটিতে গত কয়েক বছর যুবরাজ ও দেশটির কার্যত শাসক মোহাম্মদ বিন সালমান নারীদের গাড়ি চালনায় নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, পুরুষ অভিভাবক ছাড়া নারীদের বাইরে যাওয়ার ওপর থাকা বিভিন্ন বিধিনিষেধ তুলে দেন।

সৌদি কর্তৃপক্ষ অ্যাভিয়েশন খাতের উন্নয়নে চেষ্টা চালাচ্ছেন, যাতে দেশটি আকাশপথে বৈশ্বিক কেন্দ্রে পরিণত হয়। দেশটির বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ফ্লাইট পরিচালনায় নারীদের ভূমিকা আরও জোরালো করার আশ্বাস দেয়।

এই ফ্লাইটে কো-পাইলটের দায়িত্বে ছিলেন ২৩ বছর বয়সী সৌদি নাগরিক ইয়ারা জান। তিনি দেশটির সবচেয়ে কম বয়সী নারী পাইলট।

তিনি বলেন, ‘দেশটির এমন ঐতিহাসিক মুহূর্তের সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারায় নিজেকে অনেক গর্বিত মনে হচ্ছে।

‘একজন সৌদি নারী হিসেবে আমি চাইব দেশের এমন সব অগ্রযাত্রার সঙ্গে নিজের নাম স্মরণীয় করে রাখতে।’

ইয়ারা জান ২০১৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার একটি ফ্লাইট স্কুল থেকে পাইলট হিসেবে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। ফ্লাইডেল এয়ারলাইনসে পাইলট হিসেবে তিনি চাকরি শুরু করেন ২০২১ সালের জুনে।

তিনি বলেন, ‘অভ্যন্তরীণ এই ফ্লাইটটিতে কো-পাইলট হিসেবে পাইলটকে সহযোগিতা করতে নেভিগেশন ও বিভিন্ন চেকলিস্ট সম্পন্ন করতে হয়েছে আমাকে।’

‘যদিও একজন সৌদি নারীর জন্য পাইলট হওয়া নতুন তবে আমাদের প্রজন্মের জন্য এখন এটি আর অসম্ভব কিছু নয়। বিশেষ করে আমরা আমাদের প্রিয় দেশ এবং আমাদের সম্মানিত নেতাদের কাছ থেকে যে সমর্থন পাচ্ছি। এর ফলে আমি সৌদিতে সর্বকনিষ্ঠ নারী পাইলট হতে অনেক সহায়ক হয়েছে। আমি সব সময় একটি ইতিবাচক পরিবর্তনের পক্ষে সহায়ক হয়ে কাজ করার সুযোগ পেলে আরও বেশি উচ্ছ্বসিত হব।’

সম্প্রতি সৌদি আরবে নারী পাইলটের সংখ্যা বাড়ছে।

এই ক্ষেত্রে আরও তিনটি নাম স্মরণীয় হয়ে আছে। হানাদি জাকারিয়া আল-হিন্দি যিনি সৌদি বাণিজ্যিক পাইলটের লাইসেন্স নিয়ে উড়োজাহাজ পরিচালনা করা প্রথম নারী পাইলট।

রাওয়াইয়া আল-রিফি প্রথম নারী যিনি সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে একটি আন্তর্জাতিক বেসামরিক ফ্লাইট এয়ারবাস এ-৩২০ পরিচালনা করে নিজ দেশ সৌদি আরবে নিয়ে আসেন।

ইয়াসমিন আল-মাইমানি, যিনি সৌদি আরবে প্রথম একটি বাণিজ্যিক ফ্লাইটে নারী কো-পাইলট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

আরও পড়ুন:
চোয়ালের ব্যথাও হতে পারে মেনোপজের লক্ষণ
পিরিয়ড জটিলতায় ছুটি স্পেনের মন্ত্রিসভায় অনুমোদন
চালচিত্র কফিশপের নারী কর্মী পাবেন পিরিয়ডের সময় ছুটি

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Arrested on charges of rape human trafficking 3

ধর্ষণ-মানবপাচারের অভিযোগে গ্রেপ্তার ৩

ধর্ষণ-মানবপাচারের অভিযোগে গ্রেপ্তার ৩
পাটগ্রাম থানার ওসি ওমর ফারুক বলেন, ‘আসামিরা মানবপাচার দলের সদস্য। তারা কম বয়সী মেয়েদের বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ ও ভারতে পাচার করেন।’

লালমনিরহাটের পাটগ্রাম থেকে তিন মানবপাচারকারীকে গ্রেপ্তারের কথা জানিয়েছে পুলিশ।

পাটগ্রাম উপজেলার দহগ্রামে শনিবার দুপুর থেকে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার তিনজন হলেন আশরাফুল ইসলাম ভুটুয়া, মোকছেদুল হক ও চম্পা বেগম।

পাটগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওমর ফারুক নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘আসামিরা মানবপাচার দলের সদস্য। তারা কম বয়সী মেয়েদের বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ ও ভারতে পাচার করেন। তাদের ধর্ষণ ও মানবপাচার আইনে গ্রেপ্তার দেখিয়ে রোববার আদালতে নেয়া হয়েছে।’

এর আগে গত ২১ মে ধর্ষণ ও মানবপাচারের অভিযোগে পাঁচজনের নামে পাটগ্রাম থানায় মামলা করেন এক নারী।

মামলার বরাতে পাটগ্রাম থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মিন্টু চন্দ্র রায় জানান, তিন বছর আগে ফেসবুকের মাধ্যমে হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার বেতাপুর আয়ুশকান্দি এলাকার সোহেল মিয়ার প্রেমের সম্পর্ক তৈরি হয় ওই নারীর। একপর্যায়ে ২০২১ সালের মার্চে ওই নারীকে অবৈধপথে কলকাতায় নিয়ে যান সোহেল।

সেখানে তিনি ওই নারীকে ধর্ষণ করেন ও যৌনপেশায় নামতে বাধ্য করেন।

২০২২ সালের জানুয়ারিতে তিনি বাংলাদেশে পালিয়ে আসেন। এরপর সোহেলও দেশে ফিরে ওই নারীকে বিয়ের প্রস্তাব দেন। ১৩ ফেব্রুয়ারি তাদের বিয়ে হয়। বিয়ের পর ওই নারী শ্বশুরবাড়িতেই থাকতেন।

কিছু দিন পর সোহেল ভারতে কাজের জন্য পাঠানোর কথা বলে তার স্ত্রীকে ভুটুয়ার সঙ্গে যোগাযোগ করিয়ে দেন। ১২ মে ভুটুয়ার সঙ্গে ওই নারী হবিগঞ্জ থেকে লালমনিরহাটের পাটগ্রাম পৌঁছান। সেখানে চম্পা তাদের নিজের বাড়িতে নিয়ে যান। তার বাড়িতে মোকছেদুলও আসেন।

মোকছেদুল ওই নারীকে দহগ্রামে তার বাড়িতে নিয়ে ধর্ষণ করেন। ১৩ মে ভুটুয়া ও মোকছেদুল তাকে নিয়ে সীমান্ত পার হয়ে ভারতে যান।

এজাহারে আরও বলা হয়, ভারতের গণেশ কিষান নামের একজনের বাড়িতে ওই নারীকে রেখে ভুটুয়া ও মোকছেদুল চলে আসেন। গণেশ তাকে শিলিগুড়ি নিয়ে যান। সেখানে আরও কয়েকজন মিলে তাকে কলকাতার সুকুমারের কাছে নিয়ে যায়। সুকুমার তাকে একটি হোস্টেলে রাখেন।

ওই নারী তখন ভুটুয়ার সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি তাকে দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য ২০ হাজার টাকা দাবি করেন। তিনি দেশে ফিরে টাকা দেয়ার কথা জানান।

এরপর ওই নারী গনেশের সঙ্গে যোগাযোগ করে পালিয়ে শিলিগুড়ি আসেন। সেখানে থেকে গণেশ তাকে ১৫ মে সন্ধ্যার দিকে সীমান্তের কাছে নিয়ে আসেন। এরপর দহগ্রামের ফরিদুলের বাড়ি পৌঁছে দেন।

ফরিদুল তাকে নিয়ে যান চম্পার বাড়ি। সেখানে টাকা শোধ করার জন্য সোহেলসহ কয়েকজনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। তবে টাকা জোগাড় না হলে ভুটুয়া তার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কের শর্ত দেন। ওই দিন রাতে তাকে আবারও ধর্ষণ করা হয়।

এরপর তিনি পালিয়ে পাটগ্রাম থানায় আশ্রয় নেন ও মামলা করেন।

আরও পড়ুন:
মানব পাচার মামলায় দম্পতির ফাঁসি
গ্রামপুলিশের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ
তরুণীকে ধর্ষণের মামলায় কারাগারে আসামি
শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে ধান ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার
বান্দরবানে প্রতিবন্ধী নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে আটক ১

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
The demand for sex among Ukrainian women is high

যৌনতায় ইউক্রেনীয় নারীর চাহিদা তুঙ্গে

যৌনতায় ইউক্রেনীয় নারীর চাহিদা তুঙ্গে যৌনতার জন্য ইন্টারনেটে ইউক্রেনীয় নারী শরণার্থীদের চাহিদা বেড়েছে বহুগুণ। ছবি: সংগৃহীত
ওএসসিই বলছে, আয়ারল্যান্ডে অবস্থান করছেন সবকিছু ফেলে আসা ইউক্রেনীয় নারীরা। আর এই সুযোগটা লুফে নিচ্ছেন অনেকেই। এসব নারীর যৌনসান্নিধ্য পেতে ইন্টারনেটে চলছে ব্যাপক খোঁজ।

রুশ সামরিক অভিযানের মুখে ইউক্রেন ছেড়ে বিভিন্ন দেশে আশ্রয় নিয়েছেন দেশটির লাখ লাখ নাগরিক। পোল্যান্ড, জার্মানি, যুক্তরাজ্য, আয়ারল্যান্ড, ফ্রান্সসহ বিভিন্ন দেশ বিপুল শরণার্থীদের আশ্রয় দিয়ে মানবিকতার পরিচয় দিয়েছে। আশ্রয় নেয়াদের খাদ্য, চিকিৎসার মতো মৌলিক চাহিদাগুলো পূরণ করছে এসব দেশের সরকার।

ইউরোপে নিরাপত্তা ও সহযোগিতা সংস্থা- ওএসসিই বলছে, সংকটের এই মুহূর্তে আয়ারল্যান্ডসহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশে ইউক্রেনীয় নারীদের চাহিদা বেড়েছে ব্যাপক। বিভিন্ন নিষিদ্ধ সাইটে তাদের খোঁজার ইতিহাস ঘেঁটে সংস্থাটি বলছে, ইউক্রেনীয় যৌনকর্মী খোঁজার হার বেড়েছে ৬০০ শতাংশ পর্যন্ত।

আয়ারল্যান্ডের বেসরকারি সংস্থাটি বলছে, আয়ারল্যান্ডে অবস্থান করছেন সবকিছু ফেলে আসা ইউক্রেনীয় নারীরা। আর এই সুযোগটা লুফে নিচ্ছেন অনেকেই। এসব নারীর যৌনসান্নিধ্য পেতে ইন্টারনেটে চলছে ব্যাপক খোঁজ।

ওএসসিইর বিশেষ প্রতিনিধি এবং মানব পাচার প্রতিরোধের কো-অর্ডিনেটর ভ্যালিয়েন্ট রিচি বৃহস্পতিবার এক অনলাইন সম্মেলনে বলেন, ‘ফেব্রুয়ারির শেষ থেকে এ পর্যন্ত কেবল আয়ারল্যান্ডে যৌনতার জন্য ইউক্রেনীয় নারীদের খোঁজার হার বেড়েছে ২৫০ শতাংশ। অন্য সব দেশে এই হার ৬০০ শতাংশ পর্যন্ত।

রিচি দাবি করেছেন, পতিতাবৃত্তি এবং অন্যান্য যৌন পরিষেবার জন্য আয়ারল্যান্ডের শীর্ষস্থানীয় বাজার এসকর্ট আয়ারল্যান্ড। তারা গ্রাহকদের ইউক্রেনীয় নারীদের সঙ্গে যৌনতায় সুযোগ করে দিচ্ছে।

তবে এটা স্পষ্ট নয় যে ওয়েবসাইটের মালিকরা সরাসরি এই বার্তাটি প্রচার করছে নাকি সাইটের ব্যক্তিগত এসকর্ট বিজ্ঞাপনগুলো দেখাচ্ছে।

রিচি বলেন, ‘যুদ্ধ শুরুর পর থেকে চাহিদার ব্যাপক বৃদ্ধি ঘটেছে। পাচারকারীদের জন্য ইউক্রেনীয় নারীদের নিয়োগ ও শোষণের জন্য একটি শক্তিশালী প্রণোদনা হিসেবে কাজ করবে। এগুলো আমাদের থামাতে হবে। সচেতনতামূলক প্রচারাভিযান এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচার সম্ভবত এই সংকটের লাগাম টানতে পারবে।

সম্মেলনে অনেক বক্তা জানান, পাচারের ঝুঁকিতে থাকা ইউক্রেনীয়দের রক্ষায় সরকারের দ্রুত পদক্ষেপ নেয়া উচিত। পাশাপাশি তারা কীভাবে আইনি সহায়তা পাবে, সে বিষয়ে সরকারকে মনোযোগী হতে হবে।

আইরিশ ইনডিপেনডেন্টের তথ্য বলছে, গত বুধবার পর্যন্ত অন্তত ৩০ হাজার শরণার্থী ইউক্রেন থেকে আয়ারল্যান্ডে এসেছেন। দুই-তৃতীয়াংশেরও বেশি ইউক্রেনীয় আয়ারল্যান্ডে ঢোকার চেষ্টায় আসেন।

আরও পড়ুন:
সাধারণ তেল যেভাবে পরিণত ‘যৌনশক্তিবর্ধক’ তেলে 
পাকিস্তানে রমরমা সান্ডার তেলের বাজার
চট্টগ্রাম মেডিক্যালের সেই মর্গ বন্ধ হচ্ছে
মৃতের সঙ্গে যৌনাচার: ধর্ষণ মামলারও আসামি সেলিম
মৃতের সঙ্গে যৌনাচার, সেলিম ৩ দিনের রিমান্ডে

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Harassment of young woman is being sought Railway Police

স্টেশনে তরুণীকে ‘হেনস্তাকারীর’ পরিচয় প্রকাশ

স্টেশনে তরুণীকে ‘হেনস্তাকারীর’ পরিচয় প্রকাশ নরসিংদী রেলওয়ে স্টেশনে অশালীন পোশাক পরার অভিযোগ তুলে তরুণীকে হেনস্তা করেন কয়েকজন। ছবি: ভিডিও থেকে নেয়া
ভৈরব রেলওয়ে থানার ওসি ফেরদৌস আহমেদ বিশ্বাস নিউজবাংলাকে জানান, শুক্রবার রাতে রেলওয়ে স্টেশন এলাকা থেকে আটকের পর ইসমাইলকে ভৈরব রেলওয়ে থানায় হস্তান্তর করে ডিবি। তার বিষয়ে আইনি প্রক্রিয়া চলছে।

নরসিংদী রেলওয়ে স্টেশনে অশালীন পোশাক পরার অভিযোগ তুলে তরুণীকে হেনস্তাকারী একজনের পরিচয় প্রকাশ করেছে পুলিশ।

৩৮ বছর বয়সী ওই ব্যক্তির নাম ইসমাইল হোসেন। তার বাড়ি নরসিংদী সদরের নজরপুর ইউনিয়নের বুদিয়ামাড়া গ্রামে। তিনি একজন রাজমিস্ত্রি।

ভৈরব রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফেরদৌস আহমেদ বিশ্বাস নিউজবাংলাকে জানান, শুক্রবার রাতে রেলওয়ে স্টেশন এলাকা থেকে আটকের পর ডিবি ইসমাইলকে ভৈরব রেলওয়ে থানায় হস্তান্তর করে। তার বিষয়ে আইনি প্রক্রিয়া চলছে। ভিডিও ও সিসিটিভি ফুটেজ দেখে অন্য হেনস্তাকারীদের খোঁজা হচ্ছে।

রেলওয়ে ফাঁড়ির ইনচার্জ ইমায়েদুল জাহিদী বলেন, ‘আমরা ভাইরাল হওয়া ভিডিও দেখে হেনস্তার শিকার তরুণীর সঙ্গে থাকা এক তরুণকে শনাক্ত করেছি। তাকে ফোন করে রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়িতে এসে অভিযোগ জানাতে বলা হয়েছিল, তবে তিনি জানিয়েছেন, তারা থানা-পুলিশে জড়াবেন না। এরপর থেকে তার মোবাইল বন্ধ।’

ভিডিওতে দেখা যাওয়া হেনস্তাকারী নারী চট্টগ্রাম-ঢাকা রেলপথের নিয়মিত যাত্রী নন বলে জানান স্টেশনের বিক্রেতারা।

লিচু বিক্রেতা হামিদা বলেন, ‘ঝগড়া শেষে বাটিকের সালোয়ার-কামিজ পরা ওই নারী আমার কাছ থেকে চেয়ে পানি খান। এরপর ঢাকাগামী চট্টগ্রাম মেইল ট্রেনে উঠে চলে যান। তিনি এই পথের নিয়মিত যাত্রী নন। আমরা নিয়মিত যারা যাতায়াত করে তাদের চিনি।’

নরসিংদী রেলস্টেশনের স্টেশন মাস্টারের ঘরের সামনে দুটো ক্লোজড সার্কিট টেলিভিশন (সিসিটিভি) ক্যামেরা আছে।

ভারপ্রাপ্ত স্টেশন মাস্টার এটিএম মূছা জানান, এই ক্যামেরাগুলো নষ্ট। অন্য সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ তদন্ত সংশ্লিষ্টদের কাছে দেয়া আছে।

স্টেশনে তরুণীকে ‘হেনস্তাকারীর’ পরিচয় প্রকাশ

হেনস্তার ঘটনার সময় স্টেশন মাস্টারের দায়িত্বে ছিলেন নাইয়ুম মিয়া। ঘটনার পর থেকে শনিবার দুপুর পর্যন্ত তিনি কাজে আসেননি।

তার সঙ্গে মোবাইলে কথা বলেছে নিউজবাংলা। নাইয়ুম বলেন, ‘ভোরে আমি কন্ট্রোল রুমে বসে ছিলাম। সিলেটগামী উপবন এক্সপ্রেসকে সিগন্যাল দিচ্ছিলাম। তখন দেখি বাইরে কিছু লোক জড়ো হয়ে আছে।

‘আমি গেটের সামনে আসতেই বাঁচাও বাঁচাও করে আধুনিক পোশাক পরা এক তরুণী ও আরেক তরুণ আমার কক্ষে আসে। তাদের কাউকে ফোন দিতে দেখলাম। অল্প সময়ের মধ্যে স্টেশন ও থানা পুলিশ এসে হাজির।’

তিনি আরও বলেন, “তখন মেয়েটি বলছিল, ‘আমি এসব পোশাক পরাতে এদের সমস্যা কী? তারা আমাদের হেনস্তা করছে। বাংলাদেশের সবাই শাড়ি পরে বেড়াবে নাকি?” পুলিশ তাদের সঙ্গে কথা বলে। আমি চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা মেইল ট্রেন থামানোর জন্য সিগন্যাল দিতে ব্যস্ত হয়ে যাই।’

যা ঘটেছিল

ফেসবুকে হেনস্তার ভিডিওটি ভাইরাল হয় বৃহস্পতিবার সকাল থেকে। ঘটনাটি নরসিংদী রেলওয়ে স্টেশনে বুধবার ভোরে ঘটে।

স্টেশনে তরুণীকে ‘হেনস্তাকারীর’ পরিচয় প্রকাশ

বৃহস্পতি ও শুক্রবার স্টেশন ঘুরে দুই দোকানদার মো. আমিনুল ও ইখলাস উদ্দিন এবং ভাসমান পণ্য বিক্রেতা মো. মেহেদীর সঙ্গে কথা হয় নিউজবাংলার। পুরো ঘটনা তারা দেখেছেন।

তারা জানান, ভোরে ঢাকামুখী ১ নম্বর প্ল্যাটফর্মে ট্রেনের জন্য দাঁড়িয়ে ছিলেন ওই দুই যুবক ও তরুণী। হঠাৎ পাশ দিয়ে যাওয়া এক বৃদ্ধ তরুণীকে দেখে বলে ওঠেন, ‘আপনার বাড়ি কই? কাল রাতেও এখানে আসছেন। আজকেও আসছেন। এসব পোশাক পরে কেউ স্টেশনে আসে নাকি?’

মেয়েটির সঙ্গে থাকা হলুদ রঙের টি-শার্ট পরা তরুণ ওই বৃদ্ধকে তখন বলেন, ‘আপনি এসব কেন জিজ্ঞেস করছেন? আপনি এভাবে প্রশ্ন করতে পারেন না।’

এ নিয়ে বৃদ্ধের সঙ্গে ওই যুবকের বাগ্‌বিতণ্ডার মধ্যে আরেক নারী এসে মেয়েটির পোশাক নিয়ে কটাক্ষ ও গালমন্দ করতে থাকেন। ততক্ষণে চারপাশে কিছু লোক জড়ো হয়ে যায়।

ওই বৃদ্ধ ও নারীর সঙ্গে আরও কয়েকজন যোগ হয়ে তরুণী ও যুবককে গালমন্দ করতে থাকেন। ওই যুবকও তাদের সঙ্গে তর্কে জড়িয়ে যান। একপর্যায়ে আরেক ব্যক্তি যুবককে ধাক্কা দেন। মেয়েটি তখন যুবককে নিয়ে সরে যেতে চেষ্টা করলে ওই নারী মেয়েটিকে টানাহেঁচড়া করতে থাকেন।

তরুণী ও সঙ্গে থাকা দুই যুবক সরে গিয়ে স্টেশন মাস্টারের কক্ষে আশ্রয় নেন।

স্টেশনে তরুণীকে ‘হেনস্তাকারীর’ পরিচয় প্রকাশ

প্রত্যক্ষদর্শী দুই দোকানদার আরও জানান, তখনই ঢাকাগামী চট্টগ্রাম মেইল ট্রেন চলে আসায় ওই তরুণী ও সঙ্গে থাকা প্রতিবাদকারী যুবক তাতে উঠে চলে যান। সব মিলিয়ে পুরো ঘটনাটি মিনিট দশেকের।

ভাসমান দোকানদার মেহেদী নিউজবাংলাকে জানান, ঘটনার সূত্রপাত এক নারীর কটাক্ষের জেরে।

তিনি জানান, ওই যুবক ও তরুণীকে গত মঙ্গলবার রাতে ঢাকার ট্রেনে করে নরসিংদী নামতে দেখেছেন। বুধবার ভোরে তারা আবার ঢাকা যাওয়ার ট্রেনের অপেক্ষায় ছিলেন। সে সময় এক নারী মেয়েটির পোশাক নিয়ে প্রথম মন্তব্য করেন।

মেহেদী বলেন, ‘ওই নারী মেয়েটাকে বলতে থাকে যে, এসব পোশাক পরে কেন ঘোরাঘুরি করছে, তার বাড়ি কই। ওই নারী মেয়েটার ভিডিও করতে নেয়। তখন মেয়েটার সঙ্গে থাকা একটা ছেলে প্রতিবাদ করতে থাকে।

‘সে সময় কালো শার্ট পরা একটা লোক ওই ছেলেকে ধাক্কা দেয়। মেয়েটা তখন মোবাইল বের করে কাউকে কল করতে থাকে। এসবের মধ্যে ওই নারী মেয়েটার দিকে তেড়ে যায়।’

যা বলেছিল পুলিশ

নরসিংদী মডেল থানার এএসআই ইকবাল হোসেন ঘটনার সময় ৯৯৯-এ কল পেয়ে গিয়ে তরুণীকে উদ্ধার করেন।

তিনি জানান, ৯৯৯-এ কল দিয়েছিলেন একজন পুরুষ। তিনি রেলস্টেশনে ঝামেলা হচ্ছে জানিয়ে দ্রুত যেতে বলেন।

ইকবাল বলেন, ‘আমি কল পেয়ে যাই। মেয়েটিকে আর তার সঙ্গে থাকা আরেক যুবককে ট্রেনে তুলে দিই।’

আরও পড়ুন:
আরিয়ানের শাক বেচে চাল কেনার দাবি কতটা সত্যি?
বিবস্ত্র আ.লীগ নেতাকে জুতাপেটা: মামলায় আসামি ৪
মন খারাপের স্ট্যাটাসে শাস্তির কথা কোথাও নেই
হিজাব বিতর্ক: আমোদিনীর মামলায় প্রধান শিক্ষক ধরণী জেলে
বিবস্ত্র আ.লীগ নেতাকে নারীর জুতাপেটার ভিডিও ভাইরাল, শোকজ

মন্তব্য

p
উপরে