× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ পৌর নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য

আন্তর্জাতিক
Where did the Sri Lankan army go with Mahinda
hear-news
player

মাহিন্দাকে নিয়ে কোথায় গেল শ্রীলঙ্কার সেনাবাহিনী

মাহিন্দাকে-নিয়ে-কোথায়-গেল-শ্রীলঙ্কার-সেনাবাহিনী শ্রীলঙ্কাজুড়ে চলছে বিক্ষোভ। ছবি: এএফপি
পদত্যাগের পর মাহিন্দা রাজাপাকসে বাসভবন ছাড়লেও তার ছোট ভাই ও দেশটির প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া রাজাপাকসে প্রেসিডেন্ট ভবনেই রয়েছেন।

সরকারবিরোধী আন্দোলনের মুখে প্রধানমন্ত্রীর পদ ছাড়া মাহিন্দা রাজাপাকসে ও তার পরিবারের সদস্যদের নিরাপদে সরিয়ে নিয়েছে শ্রীলঙ্কার সেনাবাহিনী।

রাজধানী কলম্বোয় প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনের সামনে রাতভর বিক্ষোভ করে আন্দোলনকারীরা। এরপর মঙ্গলবার ভোরে সেখান থেকে সরিয়ে নেয়া হয় মাহিন্দা ও তার পরিবারের সদস্যদের।

তবে সেনাবাহিনী তাদের নিয়ে কোথায় গেছে তা এখনও স্পষ্ট নয়। রাজপাকসে বা এই বাহিনীর পক্ষ থেকে এ নিয়ে কোনো তথ্য জানানো হয়নি।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর একজন শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তা বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেছেন, ভোরে সদ্য সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও তার পরিবারের সদস্যদের নিরাপদে সরিয়ে নিয়েছে সেনাবাহিনী।

তিনি জানান, তাদের সরিয়ে নেয়ার আগে ওই বাসভবনের সামনে অন্তত ১০টি পেট্রল বোমা ছোড়া হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ব্যবস্থা নিয়েছে সেনাবাহিনী ও পুলিশ।

পদত্যাগের পর মাহিন্দা রাজাপাকসে বাসভবন ছাড়লেও তার ছোট ভাই ও দেশটির প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া রাজাপাকসে প্রেসিডেন্ট ভবনেই রয়েছেন।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীকে আরও কঠোর হওয়ার নির্দেশ দিয়ে নতুন প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ ও মন্ত্রিসভা গঠনের প্রস্তুতির কথা জানিয়েছেন তিনি। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় দেশটিতে নতুন প্রধানমন্ত্রী নিয়োগের কথা রয়েছে। গঠন করা হবে মন্ত্রিসভাও।

বেশ কিছুদিন ধরেই অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সংকটে উত্তাল শ্রীলঙ্কা; চলছে প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া রাজাপাকসে ও প্রধানমন্ত্রী মাহিন্দা রাজাপাকসের পদত্যাগ দাবিতে আন্দোলন।

এক বৈঠকে গোতাবায়া সংকট সমাধানে বড় ভাই মাহিন্দাকে পদত্যাগ করার অনুরোধ জানিয়েছিলেন গত শুক্রবার। এর পরই সোমবার পদত্যাগ করেন প্রধানমন্ত্রী মাহিন্দা। তবে প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া পদ ছাড়ছেন না বলে জানিয়ে দিয়েছেন।

ডেইলি মিরর বলছে, পার্লামেন্টে থাকা রাজনৈতিক দলগুলোকে একটি সর্বদলীয় মন্ত্রিসভা গঠনের জন্য আমন্ত্রণ জানাবেন প্রেসিডেন্ট। অবশ্য বিরোধী এসজেবি পার্টির নেতা সাজিথ প্রেমাদাসা সম্ভাব্য অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করবেন না বলে জানিয়েছে তার দল।

শ্রীলঙ্কায় টানা কয়েক দিন ধরে চলা সরকারবিরোধী আন্দোলন সোমবার আরও বড় রূপ ধারণ করে। এদিন সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে আন্দোলনে বসা বিক্ষুব্ধদের ওপর হামলা চালায় সরকার সমর্থকরা। বেশ কিছু জায়গায় সংঘর্ষ হয়। দুই শতাধিক মানুষ আহত হয়ে ভর্তি হয় হাসপাতালে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করে পুলিশ। প্রথমে কলম্বো এবং পরে পুরো দেশে জারি করা হয়েছে কারফিউ। এমন প্রেক্ষাপটেও নির্দেশনা অমান্য করেই মাঠে আছে আন্দোলনকারীরা।

এদিন রাজধানী কলম্বোর কাছে নিত্তামবুয়া এলাকায় নিহত হন ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দল শ্রীলঙ্কা পদুজেনা পেরামুনার (এসএলপিপি) এমপি অমরাকীর্থি আথুকোরালা।

সরকারবিরোধীদের হামলার মুখে পড়ার পর এই এমপির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তার মৃত্যু নিজের ছোড়া গুলিতেই হয়েছে বলে দাবি করেছে পুলিশ। এ ছাড়া সংঘর্ষে নিহত হয়েছেন অন্তত পাঁচজন।

উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রদেশের কুরুনেগালা শহরে মাহিন্দা রাজাপাকসের পৈতৃক বাড়ি ‘মেদামুলানা ওয়ালাওয়াতে’ আগুন ধরিয়ে দিয়েছে বিক্ষোভকারীরা। অন্য বেশ কয়েকজন সাবেক মন্ত্রীর গাড়িতেও আগুন দেয়া হয়েছে।

বৈদেশিক রিজার্ভের সংকট এবং মুদ্রাস্ফীতিতে স্মরণকালের ভয়াবহ অর্থনৈতিক মন্দায় ধুঁকছে ভারত মহাসাগরের দ্বীপরাষ্ট্র শ্রীলঙ্কা। এ জন্য রাজাপাকসে সরকারের দুর্নীতিকে দুষছে দেশটির জনগণ।

আরও পড়ুন:
পদ ছাড়ছেন না গোতাবায়া, নতুন প্রধানমন্ত্রী নিয়োগের প্রস্তুতি
নিজের গুলিতেই নিহত শ্রীলঙ্কার এমপি, বলছে পুলিশ
রাজাপাকসের পৈতৃক বাড়িতে বিক্ষোভকারীদের আগুন

মন্তব্য

আরও পড়ুন

আন্তর্জাতিক
Ladakh is another Chinese bridge on the Indian border

লাদাখে ভারত সীমান্তে চীনের আরেক সেতু

লাদাখে ভারত সীমান্তে চীনের আরেক সেতু পূর্ব লাদাখের প্যাংগং সো হ্রদের কাছে আরেকটি সেতু তৈরির কাজ শুরু করেছে চীন। ছবি: সংগৃহীত
উত্তর প্যাংগং লেকের কাছে গত সেপ্টেম্বর থেকে ৩১৫ মিটারের সেতু তৈরির কাজ শুরু করে দেশটি। এই সেতুপথেই সামরিক যান ও অস্ত্র বহন হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ভারতের জন্য কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ পূর্ব লাদাখের প্যাংগং সো হ্রদের কাছে আরেকটি সেতু তৈরির কাজ শুরু করেছে চীন। এর আগে নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর অবকাঠামো নির্মাণের পাশাপাশি চীন পূর্ব লাদাখে প্যাংগং তসো হ্রদের ওপর একটি সেতু তৈরির কাজ শুরু করে চীন।

স্যাটেলাইট থেকে নেয়া ছবিতে দেখা গেছে, হ্রদের চারপাশে নিজেদের এলাকায় দ্বিতীয় একটি বড় সেতু নির্মাণ করছে বেইজিং।

উত্তর প্যাংগং লেকের কাছে গত সেপ্টেম্বর থেকে ৩১৫ মিটারের সেতু তৈরির কাজ শুরু করে দেশটি। এই সেতুপথেই সামরিক যান ও অস্ত্র বহন হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এ ছাড়া পাহাড়ি ফিঙ্গার এলাকায় সেনা মোতায়েন করছে চীন সরকার। সমর বিশ্লেষকরা বলছেন, এ পদক্ষেপের ফলে জরুরি পরিস্থিতিতে সেনা মোতায়েন সহজ হবে চীনের।

দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে ভারত ও চীনের সেনাবাহিনীর সম্পর্ক তলানিতে। পূর্ব লাদাখের অনেক জায়গায় দুই দেশের সেনাদের মধ্যে বিবাদ পরিস্থিতিও তৈরি হয়েছে কয়েকবার।

এসব ঘটনায় বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর রোষানলে পড়েছেন ভারতের নরেন্দ্র মোদি। কংগ্রেস যুব শাখার সভাপতি বিবি শ্রীনিবাস মোদি সরকারকে কটাক্ষ করে লেখেন, “মোদিজি, ভয় পাবেন না - এই ‘ব্রিজে’ কখন ‘বুলডোজার’ চালাবেন?”

সেতু নির্মাণের খবর নিয়ে ভারতীয় সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বিবৃতি দেয়া হয়নি। তবে বিতর্কিত এলাকায় চীনের কর্মকাণ্ডকে উসকানি হিসেবে দেখছে ভারত। প্যাংগং লেকসহ পূর্ব লাদাখের একাধিক এলাকা থেকে সেনা প্রত্যাহারে বেইজিংয়ের ওপর চাপ বাড়িয়েছে দিল্লি।

গালওয়ান নদী উপত্যকা, গোগরা, হট স্প্রিংসহ কিছু এলাকায় মুখোমুখি অবস্থান থেকে সেনাদের সামান্য পিছিয়ে আনা (ডিসএনগেজমেন্ট) ছাড়া তেমন কোনো কার্যকরী পদক্ষেপ নিতে দেখা যায়নি চীনকে।

গালওয়ানে সেনার সংখ্যা সামান্যই কমেছে; পরিবর্তে উত্তর লাদাখের দেপসাং ভ্যালিতে নতুন করে সেনা মোতায়েন শুরু করেছে চীন।

আরও পড়ুন:
পূর্ব লাদাখে বিতর্কিত এলাকায় সেতু বানাচ্ছে চীন

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Indian Rupee Five point drop in 10 days

ভারতীয় রুপির মান স্মরণকালের সর্বনিম্ন

ভারতীয় রুপির মান স্মরণকালের সর্বনিম্ন
আন্তব্যাংক বৈদেশিক মুদ্রা বাজারে বৃহস্পতিবার শুরুতে ডলার পিছু রুপির দাম ছিল ৭৭ রুপি ৭২ পয়সা। এক পর্যায়ে দাম আরো কমে ডলার পিছু দাঁড়ায় ৭৭ রুপি ৭৬ পয়সা। পরে তা হয় ৭৭ রুপি ৭৩ পয়সা।

ভারতীয় মুদ্রা রুপির মান স্মরণকালের সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে গেছে। বৃহস্পতিবার ডলারের বিপরীতে রুপির বিনিময় হার দাঁড়িয়েছে ৭৭ রুপি ৭৩ পয়সা।

ডলারের বিপরীতে রুপির দরপতনের কারণে বাংলাদেশের মতোই ভারতের পুঁজিবাজারেও চলছে অস্থিরতা। দেশটির পুঁজিবাজারে গত ১০টি ট্রেডিং সেশনে এ নিয়ে পাঁচ দফা দরপতন হয়েছে রুপির।

বুধবার মুদ্রা মান ১৮ পয়সা কমে ৭৭ রুপি ৬২ পয়সায় বন্ধ হয়েছিল। ভারতে মুদ্রাস্ফীতি ও আর্থিক মন্দার জন্য এদিন রুপির দাম কমে যায়। রাশিয়া গত ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনে সামরিক অভিযান চালানোর পর থেকে রুপির দাম পড়তে থাকে।

আন্তঃব্যাংক বৈদেশিক মুদ্রা বাজারে বৃহস্পতিবার শুরুতে ডলার পিছু রুপির দাম ছিল ৭৭ রুপি ৭২ পয়সা। এক পর্যায়ে দাম আরো কমে ডলার পিছু দাঁড়ায় ৭৭ রুপি ৭৬ পয়সা। পরে তা হয় ৭৭ রুপি ৭৩ পয়সা।

রুপির দরপতনের প্রভাব পড়েছে পুঁজিবাজারেও।

বোম্বে স্টক এক্সচেঞ্জে সেনসেক্স ১,৪১৬.৩০ পয়েন্ট বা ২.৬১ শতাংশ কমে ৫২,৭৯২.২৩ তে শেষ হয়েছে। যেখানে ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জে নিফটি ৪৩০.৯০ পয়েন্ট বা ২.৬৫ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ১৫,৮০৯.৪০।

বুধবার পুঁজিবাজারে মূল বিক্রেতা ছিল বিদেশি প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা। এদিন তারা স্টক এক্সচেঞ্জের তথ্য অনুসারে তারা ১ হাজার ২৫৪.৬৪ কোটি রুপির শেয়ার বিক্রি করে।

আরও পড়ুন:
ভারতের নিষেধাজ্ঞা: বিশ্ববাজারে বাড়ল গমের দাম
দিল্লিতে ৫০ ডিগ্রির কাছাকাছি তাপমাত্রা
মূল্যবৃদ্ধি ঠেকাতে গম রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা ভারতের
রাজস্থানের তাপমাত্রা ৪৮ পেরোল, দিল্লিতে সতর্কতা
দিল্লিতে চার তলা ভবনে আগুন, ২৭ মৃত্যু

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Foodgrain distribution should not be unequal Indian Minister of State for External Affairs

খাদ্যশস্য বণ্টনে অসাম্য হওয়া উচিত নয়: ভারতের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

খাদ্যশস্য বণ্টনে অসাম্য হওয়া উচিত নয়: ভারতের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী জাতিসংঘে পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকে বক্তব্য দিচ্ছেন মুরলিধরন। ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেনের সভাপতিত্বে ‘গ্লোবাল ফুড সিকিউরিটি কল টু অ্যাকশন’ বিষয়ে বৈশ্বিক মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে বক্তৃতা করেছিলেন ভি মুরলীধরণ। প্রচন্ড গরমের কারণে গমের ঘাটতির কারণে এর উচ্চমূল্য নিয়ন্ত্রণের জন্য ভারত গত শুক্রবার গম রপ্তানি নিষিদ্ধ করে।

ভারতের নেয়া গম রপ্তানি বন্ধের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়েছিল, দেশটি থেকে গম কেনা পশ্চিমাদেশগুলো। ভারত সেই প্রতিবাদের জবাবে জাতিসংঘে বলেছে, কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনের মত গমের বণ্টনের ক্ষেত্রে যাতে অসাম্য না হয় এবং খাদ্যের মূল্য যাতে অযৌক্তিকভাবে না বাড়ে, সেদিকে নজর রাখতে হবে সবাইকে।

জাতিসংঘে ভারতের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ভি মুরলীধরণ বলেছেন, ‘কিছু সংখ্যক নিম্ন-আয়ের দেশ আজ বাড়তে থাকা ব্যয় এবং খাদ্য শস্য সংগ্রহের অসুবিধার জোড়া চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। এমন কি ভারতের মতো যাদের পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে, তারাও খাদ্যের দাম অযৌক্তিক বৃদ্ধি দেখেছে। এটা স্পষ্ট যে মজুদ ও ফাটকা-র কারণে কৃত্রিম সংকট ও মূল্যবৃদ্ধি ঘটছে। আমরা এমনটা চলতে দিতে পারি না। এর প্রতিরোধ করতেই হবে।’

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেনের সভাপতিত্বে ‘গ্লোবাল ফুড সিকিউরিটি কল টু অ্যাকশন’ বিষয়ে বৈশ্বিক মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে বক্তৃতা করেছিলেন ভি মুরলীধরণ।

প্রচন্ড গরমের কারণে গমের ঘাটতির কারণে এর উচ্চমূল্য নিয়ন্ত্রণের জন্য ভারত গত শুক্রবার গম রপ্তানি নিষিদ্ধ করে।

গমের বৈশ্বিক মূল্যের হটাৎ বৃদ্ধি ভারতের উদ্বেগের কথা জানিয়ে মুরলীধরন বলেন, ‘গমের দাম বৃদ্ধিতে আমাদের (ভারতের) খাদ্য নিরাপত্তা, আমাদের প্রতিবেশী ও অন্যান্য দূর্বল অর্থনীতির দেশকেও ঝুঁকিতে ফেলছে।

‘আমাদের নিজস্ব সামগ্রিক খাদ্য নিরাপত্তার জন্য, প্রতিবেশী ও অন্যান্য দুর্বল উন্নয়নশীল দেশগুলির চাহিদাগুলোকে সমর্থন করার জন্য আমরা ২০২২-এর ১৩ মে গম রপ্তানি সংক্রান্ত কিছু ব্যবস্থা ঘোষণা করেছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ যে খাদ্য নিরাপত্তার উপর এই ধরনের প্রতিকূল প্রভাব কমিয়ে আনা হবে এবং বিশ্ব বাজারে আকস্মিক পরিবর্তনের বিরুদ্ধে দুর্বল অর্থনীতির দেশগুলোকে রক্ষা করা হবে।’

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
India Sri Lanka situation is almost the same when it comes to economy Rahul

অর্থনীতি প্রশ্নে ভারত-শ্রীলঙ্কার দশা প্রায় একই: রাহুল

অর্থনীতি প্রশ্নে ভারত-শ্রীলঙ্কার দশা প্রায় একই: রাহুল  ন্যাশনাল কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। ছবি: সংগৃহীত
গ্রাফগুলো তৈরি করা হয়েছে সশস্ত্র সংঘাতের অবস্থান, ইভেন্ট ডেটা প্রকল্প, লোকসভার আনস্টার্ড প্রশ্ন, সেন্টার ফর মনিটরিং ইন্ডিয়ান ইকোনমি (সিএমআইই), পেট্রোলিয়াম প্ল্যানিং অ্যান্ড অ্যানালাইসিস সেল, সেন্ট্রাল ব্যাঙ্ক অফ শ্রীলঙ্কা এবং শ্রীলঙ্কা পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন-এর পরিসংখ্যান থেকে৷

অর্থনীতির দিক বিবেচনায় বর্তমান শ্রীলঙ্কার সঙ্গে ভারতের তুলনা করেছেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। টুইটে রাহুল দাবি করেছেন, বেকারত্ব, জ্বালানির দাম এবং সাম্প্রদায়িক সহিংসতার ক্ষেত্রে দুই দেশের চিত্র একই রকম।

ভারত ও শ্রীলঙ্কার তিনটি করে মোট ছয়টি গ্রাফ শেয়ার করেছেন রাহুল গান্ধী। লিখেছেন, ‘মানুষকে বিভ্রান্ত করে বাস্তব ঘটনাগুলোর পরিবর্তন ঘটানো যাবে না। ভারতের অবস্থা অনেকটা শ্রীলঙ্কার মতো।’

শেয়ার করা একটি গ্রাফে দেখা গেছে, ২০১৭ থেকে দুই দেশেই বেকারত্ব বেড়েছে। ২০২০ সালে তা অনেকটাই উর্দ্ধমুখী। ওই বছর করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে দেশজুড়ে কঠোর লকডাউন দিয়েছিল মোদি সরকার। পরের বছর লকডাউনের শিথিলতায় তা কিছুটা নিম্নমুখী হয়।

গ্রাফের দ্বিতীয় জোড়া ভারত ও শ্রীলঙ্কায় পেট্রলের দামের তুলনা করেন কংগ্রেস নেতা। ২০১৭ সাল থেকে বাড়তে শুরু করে। ২০২১ সালে তা আরও গতি পায়।

ভারতে মূল্যস্ফীতি ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে, প্রতিদিন গড়ছে নতুন রেকর্ড। বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত এপ্রিলের পাইকারি মূল্যস্ফীতি ১৫.০৮-এ পৌঁছেছে; যা প্রায় এক দশকের মধ্যে সর্বোচ্চ।

গ্রাফের তৃতীয় সেটটি দেখা গেছে, দুই দেশে ২০২০-২১ সালে সাম্প্রদায়িক সহিংসতা চরমে পৌঁছেছে।

গ্রাফগুলো তৈরি করা হয়েছে সশস্ত্র সংঘাতের অবস্থান, ইভেন্ট ডেটা প্রকল্প, লোকসভার আনস্টার্ড প্রশ্ন, সেন্টার ফর মনিটরিং ইন্ডিয়ান ইকোনমি (সিএমআইই), পেট্রোলিয়াম প্ল্যানিং অ্যান্ড অ্যানালাইসিস সেল, সেন্ট্রাল ব্যাঙ্ক অফ শ্রীলঙ্কা এবং শ্রীলঙ্কা পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন-এর পরিসংখ্যান থেকে৷

তীব্র খাদ্য এবং বিদ্যুতের ঘাটতির সঙ্গে লড়াছে শ্রীলঙ্কা। পাশাপাশি বিশ্বজুড়ে কোভিডের সময় সার্বিক লকডাউনের কারণে পর্যটন খাত থেকে আয় শূন্যের কোটায় পৌঁছে যাওয়ায় বৈদেশিক মুদ্রার বিপুল ঘাটতি দেখা দিয়েছে ভারত মহাসাগরের দ্বীপরাষ্ট্রটিতে।

এ ছাড়া মহামারী, ক্রমবর্ধমান তেলের দাম এবং জনমোহিনী ট্যাক্স ছাড়ের কারণে অর্থনৈতিক বিপর্যয়ে পড়ে মূল্যস্ফীতি বেড়েছে। ঘাটতি দেখা দিয়েছে প্রয়োজনীয় সরবরাহে।

আরও পড়ুন:
সভাপতি পদে রাহুলকেই চায় কংগ্রেসের যুব শাখা
দলিত শিশুর ‘ধর্ষণ-হত্যা’ তদন্তে দিল্লি পুলিশ
বিজেপি-আরএসএসের বিরুদ্ধে ঐক্য চান রাহুল
ট্রাক্টর চালিয়ে সংসদে রাহুল গান্ধী
বিজেপি নেতার মামলায় জবানবন্দি দিলেন রাহুল

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
People are running out of fuel free Sri Lanka

জ্বালানিশূন্য হয়ে পড়েছে শ্রীলঙ্কা

জ্বালানিশূন্য হয়ে পড়েছে শ্রীলঙ্কা জ্বালানির জন্য কলম্বোর এক পেট্রল পাম্পের সামনে অটোরিকশার সারি। ছবি: এএফপি
আমদানিনির্ভর দ্বীপরাষ্ট্রটির বিদ্যুৎ ও জ্বালানিমন্ত্রী পর্যাপ্ত পেট্রোল মজুত না থাকার বিষয়ে আগেই সতর্ক করেছিলেন। বলেছিলেন, পাম্পের লাইনে আপনার দাঁড়াবেন না। কারণ সরবরাহ কঠিন হয়ে পড়েছে।

অর্থনৈতিক মন্দায় ধুঁকতে থাকা শ্রীলঙ্কার জ্বালানি ফুরিয়ে গেছে। জ্বালানির জন্য আরও দুদিন অপেক্ষা করতে জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন দেশটির বিদ্যুৎ ও জ্বালানিমন্ত্রী কাঞ্চনা উইজেসেকেরা। তারপরও পেট্রোল পাম্পগুলোর সামনে দেখা গেছে মানুষের দীর্ঘ লাইন।

শ্রীলঙ্কার রাজধানী কলম্বোর বোরেল্লা এলাকার বাসিন্দা এম জিফরি। মোটরসাইকেল নিয়ে জ্বালানির জন্য অপেক্ষা করছিলেন একটি পেট্রোল পাম্পের সামনে। সেখানে শতাধিক মোটোরসাইকেলচালক জিফরির মতো অপেক্ষায় আছেন এক দিনের বেশি সময় ধরে।

দুই সন্তানের বাবা ৩৫ বছরের জিফরির রুটিরুজির মাধ্যম এই মোটরসাইকেল। উবারে বাইক চালিয়ে পরিবারের ভরণপোষণ করেন তিনি। জ্বালানি সংকটে তার পরিবারে হাঁড়ি চলার পথও বন্ধ হওয়ার উপক্রম।

ব্রিটিশদের কাছ থেকে ১৯৪৮ সালে স্বাধীনতা লাভের পর জিফরির মতো লাখো শ্রীলঙ্কান এখন নিত্যপণ্যের চরম সংকটে ধুঁকছে। পণ্যের জন্য দীর্ঘ লাইনে দাঁড়ানোটা তাদের নিত্যদিনের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

জিফরি বলেন, ‘পেট্রোল নিতে পাম্পে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করছি কয়েক মাস। এখন অবস্থা আরও খারাপ। এক দিনের বেশি হয়ে গেছে, এখনও পেট্রোল পাওয়ার কোনো লক্ষণ নেই। আমি ক্লান্ত, ক্ষুধার্ত।’

পেট্রোলের জন্য লাইনে দাঁড়ানো জিফরি এক দিনের বেশি সময় কিছু খাননি। কারণ, একবার লাইন থেকে সরে গেলে আবার তাকে দাঁড়াতে হবে সবার পেছনে।

‘অন্য কেউ আমার জায়গা নেবে এবং তারপর আমাকে আবার নতুন করে অপেক্ষার প্রহর গুনতে হবে।’

রান্নার গ্যাস, খাবার, ওষুধ এবং জ্বালানির মতো প্রয়োজনীয় পণ্য কিনতে বৈদেশিক মুদ্রা নেই শ্রীলঙ্কা সরকারের হাতে।

আমদানিনির্ভর দ্বীপরাষ্ট্রটির বিদ্যুৎ ও জ্বালানিমন্ত্রী পর্যাপ্ত পেট্রোল মজুত না থাকার বিষয়টি আগেই সতর্ক করেছিলেন। বলেছিলেন, ‘পাম্পের লাইনে আপনারা দাঁড়াবেন না। কারণ সরবরাহ কঠিন হয়ে পড়েছে।’

পার্লামেন্টে বুধবার মন্ত্রী কাঞ্চনা উইজেসেকেরা বলেন, ‘লাইনে দাঁড়াবেন না। আগামী দুই দিন আমরা সরবরাহ করতে পারব না। আগামী দুই দিন আপনারা ধৈর্য ধরুন।’

এই ইস্যুতে কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী রনিল বিক্রমাসিংহেও। পার্লামেন্টে দেয়া ভাষণে রনিল জানান, আমদানির জন্য এক মিলিয়ন ডলার বৈদেশিক মুদ্রাও নেই সরকারের কাছে।

‘জ্বালানি আমদানির জন্য এই মুহূর্তেই ৫৩০ মিলিয়ন ডলার প্রয়োজন। বিশ্বব্যাংক ১৬০ মিলিয়ন ডলার দিয়েছে। এই অর্থ দিয়ে কীভাবে জ্বালানি সংকট মোকাবিলা করা যায় তা ভাবছে সরকার।’

জ্বালানির এই তীব্র সংকটের মধ্যে বুধবার আরও খারাপ সংবাদ দিয়েছে দেশটির প্রধান এলপিজি সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান লিট্রো। তারা জানিয়েছে, বৈরী আবহাওয়ার কারণে স্টক আনলোড করতে দেরি হওয়ায় তা বিতরণে প্রভাব ফেলেছে। এ অবস্থায় জনসাধারণকে এলপিজির লাইনেও না দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন লঙ্কান বিদ্যুৎ ও জ্বালানিমন্ত্রী উইজেসেকেরা ।

দুই সন্তানের মা এস ইয়োগা লেচ্ছামি পশ্চিমের মিরিহানা অঞ্চলের বাসিন্দা। তিনি জানান, প্রন ওয়াডে (একটি রাস্তার খাবার) কার্ট নিয়ে বেরিয়েছিলেন তিনি। তবে এলপিজির সংকটের কারণে ফিরে আসতে হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘কয়েকজন গ্রাহককে পরিবেশন করার পর রান্নার গ্যাস ফুরিয়ে গেল। গ্যাসের বা কেরোসিন তেলের খোঁজে ঘণ্টার পর ঘণ্টা আমার স্বামী ঘুরে বেড়ালেও খালি হাতে ফিরে আসতে হয়েছে তাকে।

‘সবকিছুই এখন দামি। দিন দিন চিংড়ির দাম বাড়ছে। কীভাবে সন্তানদের খাওয়াব, ব্যবসা চালাব? আমি আর কী করব জানি না।’

জ্বালানিশূন্য হয়ে পড়েছে শ্রীলঙ্কা
এলপিজি সংকটে অনিশ্চিত ভবিষ্যতের মুখে পশ্চিমের মিরিহানা অঞ্চলের বাসিন্দা এস ইয়োগা লেচ্ছামি। ছবি: আল জাজিরা

শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া রাজাপাকসে সরকারের ওপর গত কয়েক মাস ধরে ক্ষুব্ধ দেশটির সাধারণ নাগরিকরা। চলছে বিক্ষোভ। তা দমাতে দুই দফায় জারি হয়েছে রাষ্ট্রীয় জরুরি অবস্থা। এতেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না আসায় দেয়া হয় কারফিউ। প্রধানমন্ত্রীর পদ ছাড়তে বাধ্য হন প্রেসিডেন্ট গোতাবায়ার বড় ভাই মাহিন্দা রাজাপাকসে।

সবশেষ জ্বালানি ও রান্নার গ্যাসের সংকট জনগণের ক্ষোভে বাড়তি মাত্রা যোগ করেছে বলে খবর দিচ্ছে দেশটির স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলো। তাদের প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রেসিডেন্ট গোতাবায়ার পদত্যাগ দাবিতে বিভিন্ন শহরে রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ চালিয়ে যাচ্ছে সাধারণ শ্রীলঙ্কানরা।

প্রধান বিরোধী দল সামগী জনা বালাওয়েগায়া পার্টির সংসদ সদস্য এরান বিক্রমরত্নে বলছেন, ‘অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার পূর্বশর্ত হলো রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা; একটি গ্রহণযোগ্য এবং বিশ্বাসযোগ্য সরকার।

‘আমাদের এখনও তা নেই। নতুন সরকার এখনও গঠন হয়নি। আমরা রাজাপাকসের বাইরে সরকার গঠন করতে পারব না।

‘মৌলিক সমস্যাগুলোর সমাধান করা হয়নি। গত আড়াই বছর ধরে ক্ষমতায় থাকা এই সরকারের রদবদল দরকার। শ্রীলঙ্কায় হৈচৈ হচ্ছে, রাজাপাকসেদের যেতে হবে।’

দুদিন আগে (সোমবার) প্রধানমন্ত্রী বিক্রমাসিংহে সতর্ক করেছিলেন, আগামী দুই মাস শ্রীলঙ্কার জন্য সবচেয়ে কঠিন সময় হতে যাচ্ছে।

তিনি বলেছিলেন, ‘আমাদের কিছু ত্যাগ স্বীকার করতে। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার জন্য নিজেদের প্রস্তুত করতে হবে।’

প্রধানমন্ত্রীর ওই আহ্বানের বিষয়ে লেচ্ছামি জানান, তার এবং তার পরিবারের আর কত ত্যাগ স্বীকার করতে হবে, সে সম্পর্কে বিন্দুমাত্র ধারণা নেই।

রাজনৈতিক বিশ্লেষক অরুণা কুলাতুঙ্গা অবশ্য আলো দেখছেন। তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অর্থমন্ত্রী আলি সাবরি ও বিরোধী নেতা হার্শা ডি সিলভা বিষয়টি নিয়ে আলোচনায় বসবেন। এ সপ্তাহের শেষে তারা ঋণ পুনর্গঠনে একটি আইনি ও আর্থিক আলোচনা দল নিয়োগে কাজ করবেন।

‘ঋণ পুনর্গঠনের পাশাপাশি পর্যটন থেকে প্রবাহ এবং প্রবাসী আয়ও ধীরে ধীরে বাড়ছে। এই ইতিবাচক পদক্ষেপে অর্থনীতির বেশির ভাগ খাত স্বল্প মেয়াদে ঘুরে দাঁড়াতে পারবে। কিন্তু যতক্ষণ না বাস্তবসম্মত রাজনৈতিক সংস্কার আসবে, দীর্ঘমেয়াদি পুনরুদ্ধার অনিশ্চিতই থেকে যাবে।’

আরও পড়ুন:
পাঁচ হাজারি ক্লাবে মুশফিক
দেরিতে শুরু সাগরিকা টেস্টের চতুর্থ দিনের খেলা
ঝরঝরে হয়ে আবার নামবেন তামিম, বিশ্বাস সিডন্সের
তামিম, লিটন, মুশফিকের ব্যাটে চালকের আসনে বাংলাদেশ
তামিমের বদলে লিটনকে নিয়ে শেষ সেশনে বাংলাদেশ

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
In India 18 lakh deaths a year due to air pollution and 5 lakh deaths due to water pollution

২০১৯ সালে ভারতে বায়ু-পানিদূষণে ২৩ লাখ মৃত্যু

২০১৯ সালে ভারতে বায়ু-পানিদূষণে ২৩ লাখ মৃত্যু বায়ুদূষণে বিপর্যস্ত ভারত।
বায়ুদূষণের শিকার দেশগুলোর মধ্যে প্রথম দিকে আছে ভারতের নাম। দেশটিতে প্রতি বছর ১০ লাখের বেশি মানুষের মৃত্যু হয় এতে।

দূষণের কারণে ভারতে মাত্র এক বছরে ২৩ লাখের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ১৬ লাখ মৃত্যু বায়ুদূষণে, পাঁচ লাখের বেশি মৃত্যু পানিদূষণে আর অন্য দূষণে বাকি মৃত্যু।

যুক্তরাজ্যভিত্তিক স্বাস্থ্যবিষয়ক সাময়িকী ল্যানসেট সম্প্রতি ২০১৯ সালের ওই তথ্য প্রকাশ করেছে বলে বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

ল্যানসেটের দূষণ ও স্বাস্থ্যবিষয়ক কমিশন বলছে, বিশ্বে প্রতি ছয়জনের মধ্যে একজনের মৃত্যু হয় দূষণের কারণে। প্রায় ৯০ লাখ মানুষের মৃত্যুর জন্য দায়ী দূষণ।

বায়ুদূষণের শিকার দেশগুলোর মধ্যে প্রথম দিকে আছে ভারতের নাম। দেশটিতে প্রতি বছর ১০ লাখের বেশি মানুষের মৃত্যু হয় এতে।

গবেষণা বলছে, বাসস্থান ও এ-সংক্রান্ত কারণে যে বায়ুদূষণ এবং পানিদূষণের ঘটনা ঘটে থাকে, তাতে মৃত্যু কিছুটা কমে এসেছে। তবে এই সংখ্যা আবার বাড়িয়ে দিয়েছে শিল্পকারখানার দূষণসহ নানা কারণে তৈরি হওয়া দূষণ।

২০১৯ সালে বিশ্বব্যাপী বায়ুদূষণের কারণে অকালমৃত্যু হয় ৬৭ লাখ মানুষের, পানিদূষণে মারা গেছে ১৪ লাখ। আর সিসা দূষণে মৃত্যু হয়েছে ৯ লাখ মানুষের।

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দূষণের কারণে ৯০ শতাংশ মৃত্যু হচ্ছে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোয়। এ তালিকায় শীর্ষে ভারত, এরপর চীন।

ভয়াবহ বায়ুদূষণের শিকার না হলে ভারতের নয়াদিল্লির মানুষের গড় আয়ু ১০ বছর বেড়ে যেত বলে গত সেপ্টেম্বরে জানায় ইউনিভার্সিটি অফ শিকাগোর এনার্জি পলিসি ইনস্টিটিউট।

আরও পড়ুন:
শব্দদূষণের সবচেয়ে বড় শিকার কারা
৫৪ নদী দূষণমুক্ত করতে আইনি নোটিশ
ঢাকা যেন না হয় ‘মৃত নগরী’

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Mamata was criticized for asking the RSS chief to send sweets

আরএসএস প্রধানকে মিষ্টি পাঠাতে বলে সমালোচনার মুখে মমতা

আরএসএস প্রধানকে মিষ্টি পাঠাতে বলে সমালোচনার মুখে মমতা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ফাইল ছবি
মঙ্গলবার সাংগঠনিক বৈঠকে যোগ দিতে চার দিনের জন্য পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুরের কেশিয়াড়িতে আসেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ বা আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত। আর মমতাও তিন দিনের সফরে একই এলাকায় রয়েছেন।

হিন্দু জাতীয়তাবাদী সংগঠন আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবতকে ফুল ও মিষ্টি পাঠাতে বলে সমালোচনার মুখে পড়েছেন ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

মঙ্গলবার সাংগঠনিক বৈঠকে যোগ দিতে চার দিনের জন্য পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুরের কেশিয়াড়িতে আসেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ বা আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত। আর মমতাও তিন দিনের সফরে একই এলাকায় রয়েছেন।

এদিন মেদিনীপুরে প্রশাসনিক বৈঠকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখে উঠে আসে আরএসএস প্রধানের সফরের প্রসঙ্গ।

তিনি বলেন, ‘এখানে নাকি আরএসএস প্রধান আসছেন? দেখে নিও, প্রশাসনের পক্ষ থেকে ওকে ফল মিষ্টি পাঠিও। আমাদের রাজ্যে কেউ এলে আতিথিয়তায় কোনো খামতি রাখি না। আমরা কাউকে ফেলে দিই না।’

‘ভালো করে নিরাপত্তা দিও, আবার বেশি বাড়াবাড়ি করতে যেও না, দেখো, যাতে দাঙ্গা না বাধায়।’

হিন্দু জাতীয়তাবাদী সংগঠন আরএসএসকে মনে করা হয় বিজেপির আঁতুড়ঘর। তাই আরএসএস প্রধানকে মমতার ফুল-মিষ্টি পাঠানোর নির্দেশের ঘটনায় আরএসএসের সঙ্গে মমতার গোপন আঁতাতের অভিযোগ তুলেছে বামেরা।

সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী বলেন, ‘মুখ্যমন্ত্রী মেদিনীপুরে, মোহন ভাগবতও মেদিনীপুরে, পারস্পরিক দুজন দুজনকে দেখাশোনা করবেন। যাতে কারো কোনো অসুবিধা না হয়। মুখ্যমন্ত্রী ওনার অফিসারদের লাগিয়ে দিয়েছেন, যাতে যত্নের কোনো অসুবিধা না হয়। ফুল-মিষ্টি সব মিলিয়ে ভাগবতকে খুশি রাখার চেষ্টা করছেন।

‘আরএসএস দেশপ্রেমিক এটা বলেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। মুখ্যমন্ত্রী দেবীদুর্গা, এটা আরএসএস বলেছিল। মুখ্যমন্ত্রীর মুখে আজ পর্যন্ত আরএসএসের সমালোচনা শুনেছেন? মুখ্যমন্ত্রী বিজেপির সঙ্গে খেলা খেলা ভাব দেখান, লড়াইয়ের ভাব দেখান কিন্তু আরএসএসের কথার বাইরে মুখ্যমন্ত্রী যে যান না, সেটা সবাই বুঝে গিয়েছে।’

আরও পড়ুন:
মমতার কবিতার বই নিয়ে শ্রীলেখার খোঁচা
পশ্চিমবঙ্গে ৪৬ জেলা চান মমতা
মমতাকে সম্মাননার প্রতিবাদে বাংলা আকাদেমির পুরস্কার ফেরত-ইস্তফা

মন্তব্য

উপরে