× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ পৌর নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য

আন্তর্জাতিক
Sagari is a new attraction in the Ganges trip to Kolkata
hear-news
player
print-icon

কলকাতার গঙ্গা ভ্রমণে নতুন আকর্ষণ সাগরী

কলকাতার-গঙ্গা-ভ্রমণে-নতুন-আকর্ষণ-সাগরী- সাগরীর প্রথম যাত্রায় পশ্চিমবঙ্গের পরিবহনমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। ছবি: সংগৃহীত
সাগরী নামের এই এসি লঞ্চে ২০টি বসার আসন রয়েছে। গোটা  লঞ্চ ভাড়া করলে ৩ হাজার ৬০০ টাকা লাগবে।  প্রতি ঘণ্টায় মাথাপিছু ১৯০ টাকা, এর মধ্যে চা ও বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা রয়েছে। বাইরে থেকে খাবার এনে কিংবা এখানে রান্না করেও খাওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে।

কলকাতার গঙ্গা ভ্রমণের নতুন আকর্ষণ ২০ আসনের শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত লঞ্চ সাগরী। গঙ্গার সৌন্দর্য উপভোগের পাশাপাশি জন্মদিনের পার্টি ছোটোখাটো অনুষ্ঠানের জন্য জনপ্রতি ঘণ্টায় ১৯০ টাকা দিয়ে ভাড়া নিতে পারেন যে কেউ।

মঙ্গলবার কলকাতার মিলেনিয়াম জেটি থেকে এই আকর্ষণীয় লঞ্চ পরিষেবার সূচনা করেন রাজ্যের পরিবহনমন্ত্রী কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের পরিবহন নিগমের চেয়ারম্যান মদন মিত্র, ডব্লিউবিডিএসের ম্যানেজিং ডিরেক্টর রণবীর সিং কাপুরসহ একাধিক কর্মকর্তা।

লঞ্চে বসে পরিবহনমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম বলেন, ‘সাড়া পেলে আরও এ রকম নামাব । মিটিং, পার্টি গ্যাদারিংয়ের জন্য ভাড়া নেয়া যেতে পারে। লাঞ্চ, প্যান্ট্রি, ওয়াশরুমসহ সব আছে কম বাজেটে।’

সাগরী নামের এই এসি লঞ্চে ২০টি বসার আসন রয়েছে। গোটা লঞ্চ ভাড়া করলে ৩ হাজার ৬০০ টাকা লাগবে। প্রতি ঘণ্টায় মাথাপিছু ১৯০ টাকা, এর মধ্যে চা ও বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা রয়েছে।

বাইরে থেকে খাবার এনে কিংবা এখানে রান্না করেও খাওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। জন্মদিনের পার্টিসহ অন্যান্য ছোট অনুষ্ঠানের জন্য ভাড়া নিতে পারেন যে কেউ।

আরও পড়ুন:
ত্রিপুরা নির্বাচনে বিজেপিকে ঠেকাতে তৈরি হচ্ছে তৃণমূল
নববর্ষের দিন বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই কলকাতায়
হিন্দু বাবার শ্রাদ্ধ অনুষ্ঠান করলেন মুসলিম ছেলে
বিজেপির কোন্দল সামলাতে পশ্চিমবঙ্গে অমিত শাহ
কলকাতা শহরে এবার ট্রলিবাস

মন্তব্য

আরও পড়ুন

আন্তর্জাতিক
Climate change South Asia is 30 times more likely to heat

জলবায়ু পরিবর্তন: দক্ষিণ এশিয়ায় তাপ বাড়ার শঙ্কা ৩০ গুণ

জলবায়ু পরিবর্তন: দক্ষিণ এশিয়ায় তাপ বাড়ার শঙ্কা ৩০ গুণ গত ২০ মে ভারতের নয়াদিল্লিতে তাপদাহ চলার সময় স্বস্তি পেতে ফ্লাইওভারের নিচে আশ্রয় নিয়েছে কয়েকশ মানুষ। ছবি: এপি
পরিবেশ বিজ্ঞানী ফ্রেডরিক অটো বলেছেন, ‘মানব-সৃষ্ট জলবায়ু পরিবর্তনের সূচনা হওয়ার আগে, প্রতি ৩০ হাজার বছরে একবার এই ধরনের ঘটনার শঙ্কা থাকে।’

চলতি বছরের মার্চ এবং এপ্রিলে দক্ষিণ এশিয়ায় একটি বিশেষ তাপপ্রবাহ দেখা যায় যাতে ৯০ জনের বেশি প্রাণ হারিয়েছে। একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে এই তাপপ্রবাহের শঙ্কা ৩০ গুণ বেশি হতে পারে।

ওই প্রতিবেদনে পরিবেশ বিজ্ঞানী ফ্রেডরিক অটো বলেছেন, ‘মানব-সৃষ্ট জলবায়ু পরিবর্তনের সূচনা হওয়ার আগে, প্রতি ৩০ হাজার বছরে একবার এই ধরনের ঘটনার শঙ্কা থাকে।’

ওয়ার্ল্ড ওয়েদার অ্যাট্রিবিউশন (ডব্লিউডাব্লিউএ) কনসোর্টিয়ামে ফ্রেডরিক এবং তার সহকর্মীরা দেখেন যে, ‘১.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বৈশ্বিক উষ্ণতা দক্ষিণ এশিয়ায় তীব্র তাপপ্রবাহের শঙ্কাকে বাড়িয়ে তুলেছে। যেহেতু বৈশ্বিক উষ্ণতা নিরবচ্ছিন্নভাবে বেড়ে চলেছে। তাই এই ধরনের ভয়াবহ তাপপ্রবাহের তীব্রতা আরও বাড়বে।

মানবসৃষ্ট জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সৃষ্ট বৈশ্বিক উষ্ণতার বর্তমান স্তরের কারণে এই তাপপ্রবাহের শঙ্কা ৩০ গুণ বেশি হয়েছে, গ্রুপের সমীক্ষায় সোমবার প্রকাশিত হয়েছে।

প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, পৃথিবীর ভূমি পৃষ্ঠের গড় তাপমাত্রা প্রাক-শিল্প স্তরের চেয়ে ১ ডিগ্রির চার-পঞ্চমাংশ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বৃদ্ধি পেলে প্রতি পাঁচ বছরে একবার এই ধরনের তাপপ্রবাহ দেখা দিতে পারে।

প্যারিস চুক্তির অধীনে কার্বন নির্গমনরোধ করা না গেলে ২.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস বৈশ্বিক উষ্ণতা দেখা যেতে পারে।

ভারত ও পাকিস্তান, চলতি বছরের মার্চ এবং এপ্রিল মাসে তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে যা অতীতের সব রেকর্ডকে ছাড়িয়ে গেছে। এই তাপপ্রবাহে ৯০ জনের বেশি মৃত্যু হয়েছে। তবে এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।

এমন প্রভাব ছড়িয়ে পড়ে পাকিস্তানে। সেখানে একটি হিমবাহের অগ্ন্যুৎপাত, বন্যার স্রোত; ভয়াবহ তাপ ভারতের জমিতে গমকে পুড়িয়ে দেয়।

ইউক্রেন রাশিয়ার যুদ্ধে খাদ্য সংকটের কারণে এই ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলো রপ্তানি নিষিদ্ধ করতে বাধ্য হয়। এর ফলে ভারতে বিদ্যুতের চাহিদা দ্রুত বৃদ্ধি পায় যা কয়লার মজুতের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

আরও পড়ুন:
জলবায়ু সহিষ্ণু শস্য উৎপাদনে প্রধানমন্ত্রীর তাগিদ
জলবায়ু উদ্বাস্তুদের আশ্রয়ণ প্রকল্পের কাজ শেষ হবে ২০২৩ সালে: সেনাপ্রধান
ধরিত্রী দিবসে আওয়ামী লীগের সেমিনার
‘জলবায়ুজনিত ক্ষতি কমাতে ন্যাপ জরুরি’

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
People are leaving the desert region of Pakistan

পানি নেই, পাকিস্তানের বিস্তীর্ণ এলাকা ছাড়ছে মানুষ

পানি নেই, পাকিস্তানের বিস্তীর্ণ এলাকা ছাড়ছে মানুষ পাকিস্তানের চোলিস্তানে পানি সংকটে মারা যাওয়া পশুর অবশিষ্টাংশ। ছবি: সংগৃহীত
বিশ্বের মোট গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমনে ১ শতাংশেরও কম নিঃসরণ করে পাকিস্তান। তবে জার্মানওয়াচের ২০২১ সালের সমীক্ষা বলছে, আবহাওয়ায় পরিবর্তনের কারণে দেশটি এখনও ক্ষতিগ্রস্ত দেশের তালিকায় অষ্টম অবস্থানে আছে।

পাকিস্তানে তীব্র দাবদাহে পুড়ছে উত্তর পাঞ্জাবের মরু অঞ্চল চোলিস্তান। তাপে শুকিয়ে গেছে সব জলাধার। খাওয়ার পানির দেখা দিয়েছে তীব্র সংকট। আর এই সংকটের মুখে এলাকা ছেড়ে যাচ্ছেন বাসিন্দারা। পানির অভাবে দিন দিন বাড়ছে গবাদিপশুর মৃত্যু। পাকিস্তানের দরিদ্রতম এ অঞ্চলের বাসিন্দাদের জীবিকা এই গবাদিপশুর ওপর নির্ভর করে।

চোলিস্তানের বাসিন্দাদের দুরবস্থা দেখতে সেখানে চষে বেড়িয়েছে ভাইস নিউজ। মধ্য দুপুরে তারা দেখতে পান, বৃদ্ধ এক খামারি লুটিয়ে পড়েছেন কাদামাটিতে। আশপাশের লোকজন তাকে টেনে তোলার চেষ্টা করছিলেন। তবে দাঁড়ানোর সক্ষমতা ছিল না বৃদ্ধের।

এ ঘটনার মাত্র কিছু আগে নিজের মারা যাওয়া পশুদের দেহ নিয়ে আসার জন্য ওই কর্দমাক্ত জলাশয়ের কাছে গিয়েছিলেন বৃদ্ধ ব্যক্তিটি।

একপর্যায়ে তিনি চিৎকার করে বলতে থাকেন, ‘হে ঈশ্বর, তাদের (পাকিস্তান সরকার) ধ্বংস করুন। আমার গবাদিপশু তৃষ্ণায় মারা গেছে। আমাদের কোনো রক্ষক নেই। তারা যা করেছে তার জন্য ঈশ্বরের কাছে জবাবদিহি করতে হবে।’

ওই বৃদ্ধের আবেগঘন দৃশ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। যেখানে নিজ দেশের সরকারকে অভিশাপ দিতে দেখা যাচ্ছে অসহায় এই খামারিকে। তার অভিযোগ, সরকারের উদাসীনতার জন্যই চোলিস্তানের মরু অঞ্চলের দরিদ্র কৃষকদের ওপর বিপর্যয় নেমে এসেছে।

মার্চের মাঝামাঝি থেকে শুরু হওয়া তাপপ্রবাহে পাকিস্তানের ২২০ মিলিয়ন জনসংখ্যার সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ অংশে তীব্রতর হয়েছে, চালিয়ে যাচ্ছে ধ্বংসযজ্ঞ।

স্থানীয় বাসিন্দা শাহজাদ জুগনু বলেন, ‘যদি পরিস্থিতি না বদলায়, তবে আমরা মারা যাব। আপনি খবরে দেখতে পাবেন চোলিস্তানের বাসিন্দারা মারা গেছে।

‘ঈশ্বরের ভালোবাসার জন্য, সরকারকে চোলিস্তান সম্পর্কে ভাবতে হবে। আমাদের পানি দেয়া উচিত। অন্যথায় আমরা মারা যাব।’

পানি নেই, পাকিস্তানের বিস্তীর্ণ এলাকা ছাড়ছে মানুষ

বিশ্বের মোট গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমনে ১ শতাংশেরও কম নিঃসরণ করে পাকিস্তান। তবে জার্মানওয়াচের ২০২১ সালের সমীক্ষা বলছে, আবহাওয়ায় পরিবর্তনের কারণে দেশটি এখনও ক্ষতিগ্রস্ত দেশের তালিকায় অষ্টম অবস্থানে আছে।

সাম্প্রতিক দিনগুলোয় পাকিস্তানের দক্ষিণাঞ্চলে তাপমাত্রা অসহনীয় পর্যায়ে পৌঁছেছে। এই অঞ্চলের মানুষ এবং প্রাণীরা পানিশূন্যতায় ভুগছে, হিটস্ট্রোকের বড় ঝুঁকিতে আছে।

চোলিস্তানে তীব্র তাপমাত্রা এবং কম বৃষ্টিপাতের ফলে কূপগুলো শুকিয়ে গেছে। নষ্ট হয়েছে ফসল। বাধ্য হয়ে অঞ্চল ছেড়ে যাচ্ছে বহু মানুষ।

রেহাই পাচ্ছে না পশু-পাখিরাও। এই অঞ্চলে বাস করা দুই লাখ মানুষের আয়ের অন্যতম উৎস গবাদিপশু। গত কয়েক দিনে অন্তত ৫০ প্রাণী মারা গেছে। তবে স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে বলা হচ্ছে, সংখ্যাটা ২০০-র কাছাকাছি।

পানি নেই, পাকিস্তানের বিস্তীর্ণ এলাকা ছাড়ছে মানুষ

জুগনু বলেন, ‘চোলিস্তানের পরিস্থিতি ভয়াবহ। এবার বৃষ্টি না হওয়ায় চারদিকে খরা। অনেক প্রাণী মারা গেছে। কিছুর অবস্থা আশঙ্কাজনক।’

বিষয়টি আমলে নিয়েছে প্রশাসন। জরুরি ত্রাণ ও চিকিৎসা শিবির স্থাপন করেছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ। বিশুদ্ধ পানি আছে এমন জায়গায় সরিয়ে নেয়া হচ্ছে মানুষ ও গবাদিপশুকে। বিশুদ্ধ পানি সরবরাহে আরও পরিকল্পনা নিচ্ছে পাকিস্তান সরকার।

তবে ক্ষুব্ধ বাসিন্দাদের অভিযোগ, এই ব্যবস্থা আগেই নিতে পারত সরকার। এতে ক্ষয়ক্ষতির ব্যাপকতা কমানো যেত অনেক। গ্রীষ্মে যখন থেকে তাপদাহ বাড়তে শুরু করেছিল, সে সময় ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হয়েছে কর্তৃপক্ষ।

পানি নেই, পাকিস্তানের বিস্তীর্ণ এলাকা ছাড়ছে মানুষ

ভূগর্ভস্থ পানির জন্য ডিস্যালিনেশন প্ল্যান্টের অভাবকে দায়ী করছেন বাসিন্দারা। বৃষ্টির পানি সংগ্রহের জন্য পুকুরের ওপর নির্ভরশীল হয়ে থাকতে হতো না তাদের। সরকার প্রতিবেশী অঞ্চল থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে চোলিস্তানে পানি সরবরাহ করতে লাখ লাখ টাকা খরচ করলেও, পাইপগুলো শুকিয়ে গেছে।

স্থানীয় বাসিন্দা মুহাম্মদ সোহেল বলেন, ‘আমরা সরকারের কাছে খরা মৌসুমে পানি সরবরাহের জন্য নিয়মিত পদক্ষেপ নেয়ার দাবি জানাচ্ছি।’

আরও পড়ুন:
দিল্লিতে ৯ বছর পর বর্ষাকালের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা
দিল্লিতে জুনে সর্বকালের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা
দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা দিনাজপুরে
দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা শ্রীমঙ্গলে
আজও দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা শ্রীমঙ্গলে

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Imran wants to stop war in Pakistan Shahbaz

ইমরান পাকিস্তানে যুদ্ধ বাধাতে চান: শাহবাজ

ইমরান পাকিস্তানে যুদ্ধ বাধাতে চান: শাহবাজ সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন শাহবাজ শরিফ। ছবি: ডন
শাহবাজ শরিফ বলেন, ‘ইমরান খান দেশে গৃহযুদ্ধ বাধাতে চান। কিন্তু তিনি ভ্রান্তির মধ্যে আছেন। তিনি যে পাপ করেছেন, জনগণ কখনই তা ভুলবে না। তাকে শার্টের কলার ধরে নামাবে মানুষ।’

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান পাকিস্তানে যুদ্ধ বাধাতে চান বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ।

ইমরানের দল পাকিস্তান তেহরিক ই-ইনসাফের (পিটিআই) এক কর্মসূচি নিয়ে রোববার শাহবাজ এ মন্তব্য করেন।

বুধবার ইসলামাবাদে লংমার্চের ঘোষণা দিয়েছে পিটিআই। ওই প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। সোমবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম ডন

শাহবাজ শরিফ বলেন, ‘ইমরান খান দেশে গৃহযুদ্ধ বাধাতে চান। কিন্তু তিনি ভ্রান্তির মধ্যে আছেন। তিনি যে পাপ করেছেন, জনগণ কখনই তা ভুলবে না। তাকে শার্টের কলার ধরে নামাবে মানুষ।’

ইমরানের দলের কর্মসূচি নিয়ে প্রয়োজনে যেকোনো পদক্ষেপ নেয়া হবে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।

বিভিন্ন নাটকীয়তার পর গত ৯ এপ্রিল মধ্যরাতের অনাস্থা ভোটে ৬৯ বছর বয়সী ইমরান খানের প্রধানমন্ত্রিত্বের অবসান ঘটে। তিনি দেশটির ২২তম প্রধানমন্ত্রী।

পরে পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ জাতীয় পরিষদে আবার ভোটাভুটিতে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন পাকিস্তান মুসলিম লিগ-নওয়াজ (পিএমএল-এন) নেতা শাহবাজ শরিফ।

দুর্নীতির দায়ে নওয়াজ শরিফ অভিশংসিত হওয়ার পর ২০১৮ সালে চার দলের সমর্থন নিয়ে ক্ষমতায় এসেছিলেন ইমরান। তার সরকারের মেয়াদ ছিল ২০২৩ সালের আগস্ট পর্যন্ত।

আরও পড়ুন:
পাকিস্তানে ৩৮ বিলাস পণ্য আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা
টানা ৬ দিন দর হারাল পাকিস্তানি রুপি
পাকিস্তানে হঠাৎ বন্যা, সেতু ধসে আটকা অনেক পর্যটক
ক্ষমতা পোক্ত করতে শাহবাজের জোর চেষ্টা
শাহবাজের পাকিস্তানের পাশেও সৌদি

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
The Muslim MLA played the chewed sweets of the Dalit priest

দলিত পুরোহিতের চিবানো মিষ্টি খেলেন মুসলিম বিধায়ক

দলিত পুরোহিতের চিবানো মিষ্টি খেলেন মুসলিম বিধায়ক বিধানসভার সদস্য জামির আহমেদের অনুরোধে নিজের চিবানো মিষ্টি এমএলএ-র মুখে পুড়ে দেন দলিত পুরোহিত। ছবি: এনডিটিভি
ভারতে হিন্দু-মুসলিমসহ বিভিন্ন ধর্মীয় ইস্যুগুলোকে উসকে দিয়ে ফায়দা আদায় করা রাজনীতিকদের উদ্দেশ করে বিধায়ক জামির আহমেদ খান বলেন, ‘বিভিন্ন ধর্মীয় উগ্রবাদী দল ভারতের মাটিতে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্টের অপচেষ্টা চালাচ্ছে।’

সম্প্রীতি আর ভ্রাতৃত্বের বার্তা দিতে এবার দলিত পুরোহিতের চিবানো মিষ্টি হাসিমুখে খেয়ে নিলেন ভারতের এক মুসলিম রাজনীতিবিদ।

বেঙ্গালুরুর চামরাজপেট আসনের বিধায়ক (এমএলএ) জামির আহমেদ খান রোববার দলিত সম্প্রদায়ের ধর্মীয় উৎসব আম্বেদকর জয়ন্তী এবং মুসলমানদের ঈদে মিলন উপলক্ষে একটি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন।

সেখানে বক্তব্য দেয়ার মাঝে একটি মিষ্টি তিনি তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা পুরোহিতকে খাইয়ে দেন। এরপর পুরোহিতকে চিবানো মিষ্টি মুখ থেকে বের করে তার মুখে দেয়ার অনুরোধ করেন এমএলএ নিজেই।

এতে পুরোহিত কিছুটা ঘাবড়ে গেলেও দেশটির পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ বিধানসভার সদস্যের অনুরোধে নিজের চিবানো মিষ্টি পুড়ে দেন এমএলএ-র মুখে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভ্রাতৃত্বের বন্ধন তুলে ধরতে বিধায়কের এমন দৃষ্টান্তমূলক সম্প্রীতির ভিডিও এরই মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে।

ভারতে হিন্দু-মুসলিমসহ বিভিন্ন ধর্মীয় ইস্যুগুলোকে উসকে দিয়ে ফায়দা আদায় করা রাজনীতিকদের উদ্দেশ করে বিধায়ক জামির আহমেদ খান বলেন, ‘বিভিন্ন ধর্মীয় উগ্রবাদী দল ভারতের মাটিতে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্টের অপচেষ্টা চালাচ্ছে।’

চারবারের বিধায়ক জামির খান এর আগে খাদ্য ও নাগরিক অধিকার, ভোক্তা অধিকার এবং সংখ্যালঘুদের কল্যাণবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

আরও পড়ুন:
ধর্মান্ধতার অন্ধকার ও বঙ্গবন্ধুর আদর্শ
সামাজিক সম্প্রীতি কমায় ধর্মান্ধরা সুযোগ নিচ্ছে

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Air services damaged in relief rains in Delhi

স্বস্তির বৃষ্টিতে দিল্লিতে ব্যাহত বিমান সেবা

স্বস্তির বৃষ্টিতে দিল্লিতে ব্যাহত বিমান সেবা প্রবল বৃষ্টিতে ব্যাহত দিল্লি বিমানবন্দরের বিমান সেবা
অধিক বৃষ্টির ফলে দিল্লির বিভিন্ন স্থানে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে, যার ফলে দিল্লির বহু স্থানে ট্রাফিক জ্যামের পরিস্থিতি দেখা যাচ্ছে। বৃষ্টিতে ব্যাহত হয়েছে ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের বিমান সেবা। দিল্লি বিমানবন্দরের ওয়েবসাইটে দেয়া তথ্যানুসারে, খারাপ আবহাওয়া ও অন্যান্য কারণে ৪০টি ফ্লাইট বিলম্বিত হয়েছে।

তীব্র গরমে অতিষ্ঠ ভারতের রাজধানী দিল্লির বাসিন্দাদের জীবনে এলো স্বস্তির বৃষ্টি। সোমবার ভোররাত থেকে প্রবল বাতাসের সঙ্গে বৃষ্টি হয়েছে দিল্লি ও আশপাশের এলাকায়। দিল্লিবাসীর মনে স্বস্তি এনে দেয়া এই বৃষ্টি সারা দিনই অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে দেশটির আবহাওয়া অধিদপ্তর (আইএমডি)।

ভারতের আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, বৃষ্টির কারণে দিল্লির তাপমাত্রা ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমেছে। সোমবার ভোর ৫টা ৪০ মিনিটে তাপমাত্রা ছিল ২৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা বৃষ্টির পর সকাল ৭টায় ১৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছেছে। এদিকে আবহাওয়া দপ্তরের সর্বশেষ বুলেটিনে বলা হয়েছে, দিল্লি ও এর আশপাশের এলাকায় আগামী কয়েক ঘণ্টার মধ্যে ৫০ থেকে ৮০ কিলোমিটার বেগে বাতাস বইতে পারে।

আবহাওয়া দপ্তর সতর্কতা জারি করে বলেছে, শুধু দরকারেই ঘর থেকে বের হতে হবে, ঘরের দরজা-জানালা বন্ধ রাখতে হবে। পাশাপাশি বৃষ্টি ও ঝড়ের কারণে ঝুপড়ি, টিনের চালার মতো দুর্বল স্থাপনাগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

এদিকে ভারি বৃষ্টির কারণে দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের বিমান সেবা ব্যাহত হয়েছে। দিল্লি বিমানবন্দরের ওয়েবসাইটে দেয়া তথ্যানুসারে, খারাপ আবহাওয়া ও অন্যান্য কারণে ৪০টি ফ্লাইট বিলম্বিত হয়েছে। বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে যাত্রীদের ফ্লাইট আপডেটের জন্য সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইনসের সঙ্গে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

অধিক বৃষ্টির ফলে দিল্লির বিভিন্ন স্থানে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে, যার ফলে দিল্লির বহু স্থানে ট্রাফিক জ্যামের পরিস্থিতি দেখা যাচ্ছে। রাজধানীর কিছু অংশে গাছ উপড়ে গেছে এবং সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে আইটিও, ডিএনডি ফ্লাইওভার ও অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট মেডিক্যাল সায়েন্সের কাছাকাছি বিভিন্ন এলাকায় ট্র্যাফিক জ্যামের খবর পাওয়া গেছে এবং গাড়ির দীর্ঘ সারি দেখা গেছে।

দিল্লির মতিবাগ এলাকায় একটি চলন্ত গাড়ির ওপর গাছ ভেঙে পড়েছে। ঘটনার সময় সেই গাড়িতে তিনজন ছিলেন। তাদের নিরাপদে গাড়ি থেকে বের করে আনা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
জামিন পেলেন জ্ঞানবাপী নিয়ে মন্তব্য করা ভারতীয় অধ্যাপক
চা-বাগানে বিষাক্ত মাশরুমের প্রকোপ
ভারতীয় রুপির মান স্মরণকালের সর্বনিম্ন
খাদ্যশস্য বণ্টনে অসাম্য হওয়া উচিত নয়: ভারতের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
রাজিব গান্ধী হত্যা: যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত আসামি খালাস

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Sri Lanka appoints 10 more ministers

শ্রীলঙ্কায় আরও ১০ মন্ত্রী নিয়োগ

শ্রীলঙ্কায় আরও ১০ মন্ত্রী নিয়োগ
ভারত মহাসাগরের দ্বীপরাষ্ট্র শ্রীলঙ্কায় টানা কয়েক দিন ধরে চলা সরকারবিরোধী আন্দোলন গত ১১ মে আরও বড় রূপ ধারণ করে।

অর্থনৈতিকসহ নানা সংকটে বিপর্যস্ত শ্রীলঙ্কায় নতুন করে আরও ১০ মন্ত্রী নিয়োগ দেয়া হয়েছে।

সোমবার সকালে প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া রাজাপাকসে ওই মন্ত্রীদের নিয়োগ দেন বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম সিলন টুডে

নতুন নিয়োগ পাওয়া মন্ত্রীদের মধ্যে ইলাম পিউপিলস ডেমোক্রেটিক পার্টির নেতা ডগলাস দেবানন্দকে দেয়া হয়েছে মৎস্য সম্পদ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব। পরিবহন, সড়ক ও যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন ব্যান্দুলা গানওয়ার্দেনা।

এ ছাড়া পানি সম্পদ, কৃষি, বন, শিল্প, ধর্ম, সংস্কৃতি ও পরিবেশ বিষয়ক মন্ত্রণালয়েও নতুন মন্ত্রী নিয়োগ দেয়া হয়েছে। এই ১০ মন্ত্রীই শপথ গ্রহণ করেছেন।

ভারত মহাসাগরের দ্বীপরাষ্ট্র শ্রীলঙ্কায় টানা কয়েক দিন ধরে চলা সরকারবিরোধী আন্দোলন গত ১১ মে আরও বড় রূপ ধারণ করে। ওইদিনের সংঘর্ষে নিহত হন ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলের এক এমপি ও পুলিশ সদস্যসহ অন্তত নয়জন।

করোনাভাইরাস মহামারি, ক্রমবর্ধমান জ্বালানি মূল্য এবং কর কর্তনে বড় ধরনের সংকটে পড়েছে শ্রীলঙ্কার অর্থনীতি। বিদেশি মুদ্রার তীব্র সংকট এবং ক্রমবর্ধমান মূল্যস্ফীতিতে দেশটিতে ওষুধ, জ্বালানি ও প্রয়োজনীয় অন্যান্য সামগ্রীর সংকটও চরমে।

সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া রাজাপাকসে ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে দেশটির বিভিন্ন প্রান্তে বড় ধরনের বিক্ষোভ হয়েছে, যার কোনো কোনোটি সহিংস রূপ নিয়েছে। এক পর্যায়ে প্রধানমন্ত্রী মাহিন্দা রাকাপাকসে পদ ছেড়েছেন। এসেছেন নতুন প্রধানমন্ত্রী।

আরও পড়ুন:
শ্রীলঙ্কায় জ্বালানি মজুতদারির বিরুদ্ধে অভিযান
শ্রীলঙ্কা এখন ঋণখেলাপি

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Orders issued to cover the faces of Afghan women presenters

আফগান নারীদের মুখ ঢাকার আদেশ কার্যকর

আফগান নারীদের মুখ ঢাকার আদেশ কার্যকর মুখ ঢেকে সংবাদ উপস্থাপনা করছেন আফগান নারী। ছবি : সংগৃহীত
আফগানিস্তানে নতুন আদেশ জারি করে তালেবানরা বলছে, দেশের সব নারী টেলিভিশন সংবাদ উপস্থাপক তাদের মুখ ঢেকে রাখবে। আফগান পার্লামেন্টের প্রাক্তন ডেপুটি স্পিকার ফওজিয়া কুফি আল জাজিরাকে বলেছেন, ‘তালেবানের মধ্যে কিছু ব্যক্তি ধর্মের নামে তাদের নিজস্ব নীতি চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে। এই আদেশটির কোন যুক্তি নেই।’

আফগানিস্তানে নতুন আদেশ কার্যকর করেছে তালেবান সরকার। যাতে বলা হয়েছে দেশের সব নারী টেলিভিশন সংবাদ উপস্থাপক তাদের মুখ ঢেকে রাখবে।

গত বৃহস্পতিবার আদেশটি ঘোষণা করে তারা। আদেশের পরপরই কয়েকটি সংবাদমাধ্যম নতুন নির্দেশনা মেনে চলা শুরু করে।

তবে রোববার তালেবানের 'পূণ্যের প্রচার ও পাপ প্রতিরোধ মন্ত্রণালয়' এই ডিক্রি জারি করার পর বেশিরভাগ নারী উপস্থাপকদের মুখ ঢেকে উপস্থাপনা করতে দেখা যায়।

এর আগে দেশটির তথ্য ও সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় ঘোষণা করে যে, এই নীতিই চূড়ান্ত থাকবে এবং আর কোনো আলোচনা হবে না।

এর প্রতিবাদে আফগানিস্তানের টোলোনিউজের একজন টিভি উপস্থাপক সোনিয়া নিয়াজি বলেছেন, ‘এটি আমাদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। মুখ ঢাকতে বাধ্য করা আমাদের সংস্কৃতি নয়। কোনো অনুষ্ঠান উপস্থাপনার সময় আমাদের জন্য এটা একটা অস্বস্তির কারণ।’

নিয়াজি আল জাজিরাকে বলেন, প্রথমবারের এভাবে উপস্থাপনা করতে বেশ অসুবিধায় পরতে হয়েছে আমাকে।

তিনি আরও বলেন, ‘এই আদেশটি সব নারী উপস্থাপকদের জন্য প্রত্যাশিত নয়। কারণ ইসলাম আমাদের মুখ ঢেকে রাখার নির্দেশ দেয়নি। এ ছাড়া প্রত্যেক ইসলামিক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এই আদেশের বিরোধিতা করেছেন।’

তালেবানরা আরও বলেছে, নারী উপস্থাপকরা এর পরিবর্তে মেডিকেল মাস্কও পরতে পারেন। বিপরীতে নিয়াজি বলেন, মুখ ঢেকে রাখার আদেশটি তার কাছে নিজেকে আবদ্ধ রাখা বলে মনে হচ্ছে। এই ধরনের আদেশ নারীদের ওপর প্রয়োগ করা আফগানিস্তান জুড়ে নারীদের নির্মূল করার একটি পদক্ষেপ মনে হচ্ছে।

নারী সহকর্মীদের পাশে থাকার জন্য টোলো নিউজের পুরুষ সংবাদ পাঠকরা তাদের মুখ ঢেকে সংবাদ পাঠ করেন।

একজন স্থানীয় গণমাধ্যম কর্মকর্তা তার নাম ও স্টেশনের নাম গোপন রাখার শর্তে আল জাজিরাকে নিশ্চিত করেছেন, গত সপ্তাহে তার স্টেশনটি তালেবানের পক্ষ থেকে এই আদেশ পায়। তবে রোববার জানতে পারেন এই আদেশই চূড়ান্ত থাকবে।

এর আগে ১৯৯৬-২০০১ সাল থেকে আফগানিস্তানে তালেবানদের ক্ষমতার শেষ সময়ে আপাদমস্তক ঢাকা বোরকা পরতে বাধ্য করে নারীদের ওপর অতিরিক্ত বিধিনিষেধ আরোপ করেছিল। এ ছাড়া তাদের সাধারণ জীবনযাপন ও শিক্ষার ক্ষেত্রেও বাধা সৃষ্টি করেছিল।

গত বছর আগস্টে তারা আবার ক্ষমতা দখল করার পর প্রাথমিকভাবে বিধিনিষেধের ক্ষেত্রে আগের মত কট্টর পদক্ষেপ নেয়নি। এমনকি নারীদের জন্য কোন পোশাকের সুনির্দিষ্ট কোনো বিধিনিষেধও তারা শুরুতে দেয়নি।

কিন্তু সম্প্রতি তাদের এই জারিকৃত আদেশ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে তালেবানের সম্পর্ক আরও জটিল করে তুলবে।

আফগান পার্লামেন্টের প্রাক্তন ডেপুটি স্পিকার ফওজিয়া কুফি আল জাজিরাকে বলেছেন যে ‘এই আদেশটির কোন যুক্তি নেই।’

তিনি বলেন, ‘তালেবানের মধ্যে কিছু ব্যক্তি ধর্মের নামে তাদের নিজস্ব নীতি চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে। ইসলামে এর কোনো ভিত্তি নেই।’

আরও পড়ুন:
কাবুলে মসজিদে বিস্ফোরণ: নিহত কমপক্ষে ৫০
আফগানিস্তানে মসজিদে বিস্ফোরণে নিহত ৩৩
কাবুলের শিয়া স্কুলে বোমা হামলায় নিহত ৬
পাকিস্তানের হামলায় নিহত ৪৭: আফগানিস্তান
বেশি টেস্ট খেলতে না পারার আক্ষেপ রাশিদের

মন্তব্য

p
উপরে