× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

আন্তর্জাতিক
Demands for a change of leadership in Congress are growing
hear-news
player
google_news print-icon

কংগ্রেসে নেতৃত্ব পরিবর্তনের দাবি বাড়ছে

কংগ্রেসে-নেতৃত্ব-পরিবর্তনের-দাবি-বাড়ছে
নির্বাচনি বিপর্যয়ের দায় নিয়ে কংগ্রেস ছাড়তে পারেন প্রিয়াংকা, রাহুল ও সোনিয়া গান্ধী। ছবি: সংগৃহীত
মুখপাত্র রণদীপ সূর্যেওয়ালা বলেন, ‘অলিখিত সূত্রের ভিত্তিতে কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্বের ইস্তফার যে খবর প্রচার করা হয়েছে, সেটি সম্পূর্ণ অযৌক্তিক ও ভুল।’

বিধানসভা নির্বাচনে ভরাডুবির দায় নিয়ে দলের সব পদ ছাড়ছেন গান্ধী পরিবারের তিন সদস্যই, এমন গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে।

তবে এই সম্ভাবনাকে নাকচ করে দিয়েছেন কংগ্রেসের মুখপাত্র রণদীপ সূর্যেওয়ালা।

তিনি বলেছেন, ‘অলিখিত সূত্রের ভিত্তিতে কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্বের ইস্তফার যে খবর প্রচার করা হয়েছে, সেটি সম্পূর্ণ অযৌক্তিক ও ভুল।’

অনেকেই মনে করছেন কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠকের আগে শীর্ষ নেতাদের ওপর চাপ তৈরি করতেই এধরনের খবর ছড়ানো হয়েছে।

পাঁচটি রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনে ভরাডুবির কারণ খুঁজতে বৈঠকে বসেছে কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটি (সিডব্লিউসি) ।

এই বৈঠকে কংগ্রেস নেতৃত্ব সম্পর্কে নতুন করে উঠে আসা প্রশ্নগুলোর পরিপ্রেক্ষিতে সেপ্টেম্বরে নির্ধারিত সাংগঠনিক নির্বাচন এগিয়ে নিয়ে আসার সম্ভাবনা রয়েছে।

বৃহস্পতিবার ঘোষিত রাজ্য নির্বাচনের ফলাফলে শতাব্দী প্রাচীন দল কংগ্রেস নিশ্চিহ্ন হওয়ার মুখোমুখি হয়েছিল।

দলটির নিয়ন্ত্রণে থাকা সর্বশেষ প্রধান রাজ্যগুলোর মধ্যে পাঞ্জাবকে আম-আদমি পার্টি ছিনিয়ে নিয়েছে। অন্য তিনটি রাজ্যেও শক্তিশালী লড়াই করতে ব্যর্থ হয়েছে কংগ্রেস।

যদিও দলটি উত্তরাখণ্ড, গোয়া এবং মণিপুরে ভালো ফলের আশা করেছিল। দেশের সবচেয়ে বড় রাজ্য উত্তরপ্রদেশে কংগ্রেস কার্যত শূন্য। দলটি সেখানে মাত্র দুই দশমিক চার শতাংশ ভোট পেয়েছে।

পরাজয়ের ফলে গান্ধী পরিবারের তীব্র সমালোচনা, সাংগঠনিক স্তরে সম্পূর্ণ সংশোধন এবং নেতৃত্বের পরিবর্তনের জন্য দাবি ক্রমশ বাড়ছে।

‘জি-২৩’ নামে পরিচিত কংগ্রেসের বিক্ষুব্ধ গোষ্ঠীর নেতারা দুই বছর ধরে যে দাবি করে আসছিলেন, ওই দাবিগুলোর পক্ষে দলীয় নেতাকর্মীদের সমর্থনও বাড়ছে।

‘জি-২৩’ গোষ্ঠীর কংগ্রেস নেতারা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর প্রবীণ নেতা গুলাম নবী আজাদের বাড়িতে দেখা করেছিলেন। দলকে পুনরুজ্জীবিত করার জন্য কোনো সংশোধনমূলক পদক্ষেপ না নেয়ার পরিপ্রেক্ষিতে কংগ্রেস নেতৃত্বের প্রতি হতাশা জানিয়েছেন তারা। একই সঙ্গে আগামী দিনের পথ নিয়ে আলোচনা করেছেন বলেও জানা গেছে।

গত বছর আসাম, পশ্চিমবঙ্গ, কেরালা এবং পুদুচেরির বিধানসভা ভোটে পরাজয়ের পরে দলীয় বিপর্যয়ের মূল্যায়ন করার জন্য গঠিত কমিটির রিপোর্টটি দলে আলোচনা করা হয়নি বলেও তারা উদ্বেগ জানিয়েছেন।

তবে গান্ধী পরিবারের অনুগতরা নেতৃত্বকে রক্ষা করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। কর্ণাটক প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি ও পার্টির সমস্যা সমাধানকারী নেতা হিসেবে পরিচিত ডি কে শিবকুমার বলেছেন, ‘কংগ্রেস তার প্রথম পরিবার (গান্ধী পরিবার) ছাড়া ঐক্যবদ্ধ হতে পারে না এবং তাদের ছাড়া বেঁচে থাকা অসম্ভব। তারা কংগ্রেস দলের ঐক্যের মূল চাবিকাঠি...গান্ধী পরিবার ছাড়া কংগ্রেসের পক্ষে টিকে থাকা অসম্ভব।’

আরও পড়ুন:
কংগ্রেসের নেতৃত্ব হারাচ্ছে গান্ধী পরিবার?
জয়প্রকাশ যোগ দিলেন তৃণমূলে
কংগ্রেস এখন ডিপ ফ্রিজে: তৃণমূল
‘আগরতলার জন্য নবরত্ন’
শক্তি বাড়াতে কংগ্রেসের অপেক্ষায় থাকবে না তৃণমূল

মন্তব্য

আরও পড়ুন

আন্তর্জাতিক
Order to dispose of cases pending for 29 years

২৯ বছর ধরে ঝুলে থাকা মামলা নিষ্পত্তির নির্দেশ

২৯ বছর ধরে ঝুলে থাকা মামলা নিষ্পত্তির নির্দেশ হাইকোর্ট। ফাইল ছবি
অস্ত্র আইনে চট্টগ্রামের বাঁশখালি থানার চম্বল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মজিবুল হক চৌধুরীসহ দুই জনের বিরুদ্ধে মামলা হয় ২৯ বছর আগে। এক আসামি অভিযোগ গঠনের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আবেদন করলে মামলার কার্যক্রম ঝুলে যায়।

চট্টগ্রামের বাঁশখালি থানার চম্বল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মজিবুল হক চৌধুরীসহ দুই জনের বিরুদ্ধে ২৯ বছর স্থগিত থাকা একটি অস্ত্র মামলার কার্যক্রম নিষ্পত্তি করতে নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট।

এ সংক্রান্ত এক আবেদনের শুনানি নিয়ে রোববার বিচারপতি আকরাম হোসেন চৌধুরী ও বিচারপতি শাহেদ নূর উদ্দিনের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেয়।

আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী একলাছ উদ্দিন ভূঁইয়া। অপরদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. মহিউদ্দিন দেওয়ান।

পরে আইনজীবী একলাছ উদ্দিন ভুঁইয়া বলেন, অস্ত্র আইনে চট্টগ্রামের বাঁশখালি থানার চম্বল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মজিবুল হক চৌধুরীসহ দুইজনের বিরুদ্ধে মামলা হয়। এ মামলায় ১৯৯২ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রামের বাঁশখালি থানা অভিযোগপত্র দেয়। পরবর্তীতে এ মামলার একজন আসামি আহম্মদ ছফা ১৯৯৩ সালের ১ সেপ্টেম্বর মামলার অভিযোগ গঠনের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আবেদন করেন। সে সময় হাইকোর্ট রুল জারি করে।

এ মামলার আসামি মজিবুল হক পলাতক। দীর্ঘ ২৯ বছর ধরে মামলাটি স্থগিত হয়ে আছে। এ অবস্থায় ন্যায়বিচারে বাধাগ্রস্থ হচ্ছে এমন বিষয় উপস্থাপন করে হাইকোর্টের নজরে আনেন একলাছ উদ্দিন ভুঁইয়া। পরে শুনানি করে আদালত রুল জারি করেন। সেই রুলের বিষয়ে কয়েকটি শুনানি করা হয়। শুনানি শেষে আদালত স্থগিত থাকা এ মামলার কার্যক্রম নিষ্পত্তি করতে নির্দেশ দেয়।

আরও পড়ুন:
‘কারাবন্দি জঙ্গি ও ছিনতাই টিম সমন্বয় করেন অমি’
জঙ্গি ছিনতাই মামলায় গ্রেপ্তার মেহেদী ৭ দিনের রিমান্ডে
জামিনে থাকা জঙ্গি অমি গ্রেপ্তার
ঢাকার বিচারিক আদালতে নিরাপত্তা জোরদার
পলাতক দুই জঙ্গি ও সহায়তাকারীরা দ্রুতই ধরা পড়বে: সিটিটিসি

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Ranga is interested in resolving the Kader Roshan conflict

কাদের-রওশন দ্বন্দ্বের মীমাংসায় আগ্রহী রাঙ্গা

কাদের-রওশন দ্বন্দ্বের মীমাংসায় আগ্রহী রাঙ্গা দেশে ফিরেছেন রওশন এরশাদ। বিমানবন্দরে কথা বলেনি তিনি। সেখানেই কথা বলেন মশিউর রহমান রাঙ্গা। ছবি: নিউজবাংলা
‘এরশাদ সাহেবের সময়ও আমরা অস্থিরতা দেখেছি। যেটা অন্যান্য দলে হয়তো এতটা না। অস্থিরতা বিভিন্ন কারণে, একটা দল ৩২ বছর ক্ষমতার বাইরে, মনোমালিন্য থাকতেই পারে।’

জিএম কাদের ও রওশন এরশাদ এক সঙ্গে বসলেই জাতীয় পার্টিতে দ্বন্দ্বের মীমাংসা হয়ে যাবে বলে মনে করেন দলের বহিষ্কৃত নেতা মশিউর রহমান রাঙ্গা। বলেছেন, ওই দ্বন্দ্বের মীমাংসায় তিনি ভূমিকা রাখবেন।

৫ মাস চিকিৎসা শেষে রোববার দেশে ফেরা রওশন এরশাদকে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে স্বাগত জানিয়ে তিনি এমন মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, ‘জি এম কাদের ও রওশন এরশাদের মধ্যে মনোমালিন্য আছে। এটা আগেও বলেছি, দুই জন এক সঙ্গে বসলে এটার সমাধান হয়ে যাবে ‘

জাতীয় পার্টিতে এই দ্বন্দ্বের সূত্রপাত হয় রওশন থাইল্যান্ডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার এক চিঠিকে কেন্দ্র করে। গত ৩১ অক্টোবর হঠাৎ করেই ২৬ নভেম্বর দলের সম্মেলনের ডাক দেন। পরে অবশ্য তা স্থগিত করা হয়।

জি এম কাদের ও তার অনুসারীরা রওশনের এই ঘোষণার তীব্র প্রতিবাদ জানান। তারা বলেন, দলের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী রওশন এমনটা করতে পারেন না। এরপর রওশনকে বিরোধীদলীয় নেতার পদ থেকে সরিয়ে দিতে গিয়ে জি এম কাদেরকে সেই পদে বসাতে স্পিকারকে চিঠি দেয় জাতীয় পার্টির সংসদীয় দল। পরে দলে শুরু হয় বহিস্কার ও অব্যাহতি দেওয়া। শুরুর দিকে রওশনের পক্ষে কথা বলায় রাঙ্গাকেও দলের সব পদ থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়।

২০১৯ সালে দলের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের মৃত্যুর পরও জিএম কাদের ও রওশন পন্থিদের মধ্যে দ্বন্দ্ব শুরু হয়। তখন দ্বন্দ্ব মীমাংসায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন রাঙ্গা।

এবারও একই ভূমিকা রাখার আশা করে তিনি বলেন, ‘যদি তাদের (রওশন ও জিএম কাদেরে) মীমাংসা করা দরকার পড়ে, আই উইল ডু ইট।’

জাতীয় পার্টিতে এমন অস্থিরতা কেন- জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এরশাদ সাহেবের সময়ও আমরা অস্থিরতা দেখেছি। যেটা অন্যান্য দলে হয়তো এতটা না। অস্থিরতা বিভিন্ন কারণে, একটা দল ৩২ বছর ক্ষমতার বাইরে, মনোমালিন্য থাকতেই পারে।’

রওশন দেশে ফিরলেও নেতা কর্মী তাকে সংবর্ধনা দিতে যাননি। এর কারণ কী- এমন প্রশ্নে রাঙ্গা বলেন, ‘অনেক নেতাকর্মী বিভিন্ন কারণে হয়তো আসেনি। এটা বিভক্তির কারণে নয়, অনেকে আসছিলেন, রাস্তা থেকেও তারা ঘুরে গেছে।

‘তাদের ভয় দেখানো হয়েছে, গেলে মনোনয়ন দেবো না, এইভাবে বলা হয়েছে। সবাই তো আমাদের মতো সাহসী না, অনেক এমপি, প্রেসিডিয়াম মেম্বার ঝামেলা এড়াতে চেয়েছেন।’

রওশন আলাদা কাউন্সিল ডাকার পর জাতীয় পার্টি থেকে এক থেকে দেড় শ নেতা-কর্মীকে বহিষ্কার করা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘তারা সবাই দলের জন্য নিবেদিত প্রাণ ছিল। তাদেরকে বিভিন্ন কারণে বের করে দেয়া হয়েছে। এই নেতাকর্মীরা ফিরে আসলে দলটা বিরাট শক্তিতে পরিণত হবে। আমি মনে করি, মনোনমালিন্যটা দলের ভালোর জন্যই হয়েছে, আগামীতেও ভালো হবে।’

আরও পড়ুন:
দ্বন্দ্ব মেটাতে কাদেরের সঙ্গে আলোচনা হবে: রওশন
দেশে ফিরলেন রওশন এরশাদ
রওশন দেশে ফিরছেন রোববার

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Prime Minister ordered not to take food stock below 15 million tons

খাদ্য মজুত ১৫ লাখ টনের নিচে না নিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ

খাদ্য মজুত ১৫ লাখ টনের নিচে না নিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ ফাইল ছবি
মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ‘সচিবদের সঙ্গে বৈঠকে অভ্যন্তরীণ সংগ্রহ ও বিদেশ থেকে খাদ্য আমদানি নিশ্চিত করতে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী। একইসঙ্গে তিনি নির্দেশনা দিয়েছেন, খাদ্য মজুদ কোনোমতেই যেন ১৫ লাখ টনের নিচে না নামে।’

দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অভ্যন্তরীণ সংগ্রহ জোরদার করার পাশাপাশি বিদেশ থেকে খাদ্য আমদানি কার্যক্রম সচল রাখার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, খাদ্য মজুদ কোনোমতেই যেন ১৫ লাখ টনের নিচে না নামে।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে রোববার সচিবদের সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী এই নির্দেশ দেন।

বৈঠক শেষে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘বৈঠকে ১২-১৩টি বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতে করণীয় নিয়ে কথা হয়েছে। আমরা খাদ্যের দিক দিয়ে স্বস্তিজনক অবস্থানে রয়েছি। এই মুহূর্তে দেশে প্রায় ১৬ লাখ টন খাদ্য মজুদ রয়েছে।

‘বৈঠকে অভ্যন্তরীণ সংগ্রহ ও বিদেশ থেকে খাদ্য আমদানি নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে। কোনোমতেই যেন খাদ্য মজুদ ১৫ লাখ টনের নিচে না নামে।’

এছাড়া ওএমএস, খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি এবং টিসিবির মতো কার্যক্রমগুলো অব্যাহত রাখতে বলা হয়েছে বলে জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব।

তিনি বলেন, বিদেশি অর্থায়নে চলমান প্রকল্পগুলোর বিষয়ে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। কিছুদিন ধরে এই প্রকল্পগুলোর অগ্রগতি কিছুটা ধীর। এ বিষয়ে জরুরিভিত্তিতে দৃষ্টি দিতে বলা হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
রিজার্ভ ও ব্যাংকের টাকা নিয়ে গুজব ছড়ানো হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফর আপাতত স্থগিত
দেশের অর্থনীতি নিরাপদে: প্রধানমন্ত্রী
যশোরে প্রধানমন্ত্রী, বক্তব্য দিচ্ছেন প্যারেড গ্রাউন্ডে
খেলাধুলায় সরকার পৃষ্ঠপোষকতা দিয়ে যাবে: প্রধানমন্ত্রী

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Negative attitudes are the cause of violence against women

‘নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি নারী নির্যাতনের কারণ’

‘নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি নারী নির্যাতনের কারণ’ রোববার জাতীয় প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে আলোচকরা। ছবি: নিউজবাংলা
সংবাদ সম্মেলনে আলোচকরা বলেন, নারী নির্যাতন কোনো একক সমস্যা নয়। এটা বৈশ্বিক সমস্যা। নারীর প্রতি সহিংসতা রোধ করতে হবে। নারীর প্রতি এ সহিংসতা রোধে নতুন আইন প্রণয়ন ও পুরনো আইনগুলোকে সংস্কার করতে হবে এবং সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে।

নারীদের প্রতি সমাজের নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি নারী নির্যাতনের একটি উল্লেখযোগ্য কারণ। আর এটি নারীর প্রতি সহিংসতা-নারীর মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় অন্যতম বাধা।

রোববার জাতীয় প্রেস ক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে নারী অধিকার সংগঠন জেন্ডার প্ল্যাটফর্ম বাংলাদেশ আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে আলোচকরা এসব কথা বলেন৷

সংবাদ সম্মেলনে আলোচকরা বলেন, নারী নির্যাতন কোনো একক সমস্যা নয়। এটা বৈশ্বিক সমস্যা। নারীর প্রতি সহিংসতা রোধ করতে হবে। নারীর প্রতি এ সহিংসতা রোধে নতুন আইন প্রণয়ন ও পুরনো আইনগুলোকে সংস্কার করতে হবে এবং সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে।

লিখিত বক্তব্যে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব লেবার স্টাডিজের (বিলস) পরিচালক নাজমা ইসলাম বলেন, বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের তথ্য অনুযায়ী শুধু অক্টোবর মাসেই ৩৭১ জন নারী ও শিশু নির্যাতনের শিকার হয়েছে। এর মধ্যে ৬২ জন শিশুসহ ৯১ জন ধর্ষণের শিকার হয়েছে। তার মধ্যে ১২ জন শিশু ও ১০ জন নারী দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছে। আর দুজন শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে। এছাড়া পাঁচ শিশুসহ ১০ জনকে ধর্ষণের চেষ্টা করা হয়েছে। তাছাড়া নারী ও শিশু পাচারের ঘটনা ঘটেছে ৬৩টি।

আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) বরাত দিয়ে নাজমা ইসলাম বলেন, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে অক্টোবর পর্যন্ত এই দশমাসে সারা দেশে ধর্ষণের শিকার হয়েছেন ৮৩০ জন নারী। ধর্ষণের পর হত্যার শিকার হয়েছেন ৩৯ জন। আর ধর্ষণের কারণে আত্মহত্যা করেছেন ৭ জন। এছাড়া আরও ১৪১ নারীকে ধর্ষণের চেষ্টা করা হয়েছে। বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ঢাকা জেলায় সর্বাধিক ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এরপর নারায়ণগঞ্জ, চট্টগ্রাম, গাজীপুর ও নোয়াখালী জেলায় ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে সবচেয়ে বেশি।

সংবাদ সম্মেলনে হয়রানি ও নির্যাতন রোধে জেন্ডার প্লাটফর্ম থেকে ৭ দফা দাবি জানানো হয়।

দাবি গুলো হলো যৌন হয়রানিমুক্ত কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ‘কর্মক্ষেত্রে যৌন হয়রানি প্রতিরোধ আইন’ প্রণয়ন করতে হবে; আইএলও কনভেনশন ১৯০ অনুসমর্থন করতে হবে;যৌন হয়রানি প্রতিরোধে ২০০৯ সালে দেওয়া হাইকোর্টের নির্দেশনার যথাযথ বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে; আদালতের নির্দেশনা যাতে সঠিকভাবে বাস্তবায়িত হয়, সেজন্য সরকারি উদ্যোগে একটি তদারকি কমিটি গঠন করতে হবে।

এছাড়াও প্লাটফর্ম থেকে আরও দাবি করা হয় যৌন হয়রানি প্রতিরোধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে এবং নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নারী ও শিশু নির্যাতনের বিচার নিষ্পত্তি করা ও বৈষম্যমূলক আইন সংশোধন করতে হবে।

আরও পড়ুন:
নারী-শিশু নির্যাতন মামলা ১৮০ দিনের মধ্যে নিষ্পত্তির দাবি
আদালতে যৌতুকের মামলা করেও বিচার না পাওয়ার অভিযোগ
কিশোরীকে প্রকাশ্যে পেটানোর আসামিরা ১ দিনেই মুক্ত

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Bushras family wants bail education life in uncertainty

বুশরার জামিন চায় পরিবার, অনিশ্চয়তায় শিক্ষাজীবন

বুশরার জামিন চায় পরিবার, অনিশ্চয়তায় শিক্ষাজীবন ফারদিন নূর পরশ ও আমাতুল বুশরা। ছবি: সংগৃহীত
ফারদিন হত্যা মামলার তদন্তে এখন পর্যন্ত অভিযুক্ত না হয়েও বুশরার কারাবাসে ভেঙে পড়েছে তার পরিবার। বাবা মঞ্জুরুল ইসলাম জানান, তার মেয়ে এ মাসের মধ্যে জামিনে মুক্তি না পেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের তৃতীয় সেমিস্টার থেকে ছিটকে পড়বেন।

বুয়েট শিক্ষার্থী ফারদিন নূর পরশ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার আমাতুল বুশরাকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনায় তার সংশ্লিষ্টতার তথ্য পায়নি মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। রামপুরা থানার পুলিশও বলছে ফারদিন হত্যায় বুশরার জড়িত থাকার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

তবে বুশরা জামিনে মুক্তি পেলে ‘তদন্তকাজে বিঘ্ন ও পালিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা’ জানিয়ে তাকে কারাগারে রাখার আবেদন জানিয়েছে ডিবি। বিচারক সেটি গ্রহণ করে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের এই শিক্ষার্থীকে জেলে পাঠানোর আদেশ দেন। সেই থেকে কারাবন্দি আছেন বুশরা।

তদন্তে এখন পর্যন্ত অভিযুক্ত না হয়েও বুশরার কারাবাসে ভেঙে পড়েছে তার পরিবার। বাবা মঞ্জুরুল ইসলাম জানান, তার মেয়ে এ মাসের মধ্যে জামিন না পেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের তৃতীয় সেমিস্টার থেকে ছিটকে পড়বেন। প্রচণ্ড মানসিক চাপের পাশাপাশি তার শিক্ষাজীবন নিয়ে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা।

বুয়েট ছাত্র ফারদিন ৪ নভেম্বর নিখোঁজ হওয়ার তিন দিন পর ৭ নভেম্বর সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জে শীতলক্ষ্যা নদী থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে নৌ পুলিশ। বর্তমানে হত্যা মামলাটির তদন্ত করছে ডিবি। পাশাপাশি র‌্যাবসহ আরও কয়েকটি সংস্থা ছায়াতদন্ত করছে।

পুলিশি তদন্তে জানা যায়, নিখোঁজ হওয়ার দিন বিকেল থেকে রাত ১০টা নাগাদ বুশরাকে নিয়ে রাজধানীর কয়েকটি জায়গায় ঘোরাঘুরি করেন ফারদিন। এরপর রামপুরায় বুশরা যে মেসে থাকেন তার কাছাকাছি তাকে পৌঁছে দেন। এরপর আর ফারদিন বুয়েট ক্যাম্পাস বা নিজের বাসায় ফেরেননি।

ফারদিনের মরদেহ উদ্ধারের তিন দিনের মাথায় ১০ নভেম্বর আমাতুল্লাহ বুশরার নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা ও পরিকল্পিতভাবে লাশ গোপন করার অভিযোগ এনে রামপুরা থানায় মামলা করেন তার বাবা কাজী নুরউদ্দিন রানা।

ওই দিনই তাকে গ্রেপ্তার করে রামপুরা থানার পুলিশ। তাকে সাত দিনের রিমান্ডে চেয়ে পুলিশ আবেদন করলে আদালত পাঁচ দিনের রিমান্ডে দেয়। মামলাটির তদন্তভার ডিবির কাছে যাওয়ায় রিমান্ডে বুশরাকে জিজ্ঞাসাবাদের দায়িত্বও পায় গোয়েন্দা পুলিশ।

তবে বুশরাকে রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ করে হত্যায় তার কোনো যোগসাজশ পাননি গোয়েন্দারা। তদন্তে ফারদিনের সঙ্গে বুশরার নিছক পরিচয় ও বন্ধুত্বের তথ্য পাওয়া গেছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে ডিবির একজন তদন্ত কর্মকর্তা নিউজবাংলাকে বলেন, ‘বুশরাকে রামপুরায় নামিয়ে দেয়ার পর ফারদিন যেসব জায়গায় গিয়েছিলেন, সে সম্পর্কে অবগত ছিলেন না বুশরা। এমনকি ফারদিন তা জানাতেও চাননি।

‘বুশরা ফারদিনকে সেই রাতে সবশেষ ১০টা ৫৯ মিনিটে ফেসবুক মেসেঞ্জারে বার্তা পাঠান। এতে তিনি জানতে চায় ফারদিন বাসায় পৌঁছেছেন কিনা? জবাবে ফারদিন লেখেন, হ্যাঁ। এরপর আর তাদের আর কোনো কোনো যোগাযোগ হয়নি।’

ওই কর্মকর্তা বলেন, ‘রিমান্ডে থাকার সময় বুশরাকে ভিন্ন ভিন্ন সময়ে তার সঙ্গে ফারদিন যতক্ষণ ছিলেন তার বর্ণনা লিখে দিতে বলা হয়েছিল। প্রতিবারই বুশরা একই জিনিস লিখেছেন। আমরা ফারদিন হত্যা মামলায় তার কোনো সম্পৃক্ততা এখনও পাইনি।’

তবে রিমান্ডে শেষে ১৬ নভেম্বর বুশরাকে আদালতে পাঠিয়ে তাকে কারাগারে রাখার আবেদন জানান মামলার তদন্তকারী ডিবি পরিদর্শক মজিবুর রহমান।

আদালতে আবেদনে তিনি লেখেন, ‘আমাতুল বুশরাকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে পেয়ে উচ্চ আদালতের নিয়ম মেনে সতর্কতার সঙ্গে মামলা-সংক্রান্ত বিষয়ে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। রিমান্ডে পাওয়া তথ্য যাচাই-বাছাই চলছে।

‘আসামি জামিনে মুক্তি পেলে তদন্ত কার্যক্রমে বিঘ্ন সৃষ্টিসহ পলাতক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে আসামিকে জেলহাজতে আটক রাখার আবেদন করছি।’

আসামিপক্ষের আইনজীবী তার জামিনের আবেদন জানালেও ঢাকা মহানগর হাকিম আতাউল্লাহর আদালতে শুনানি শেষে তা নাকচ করে বুশরাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

আরও পড়ুন: ফারদিন হত্যায় গ্রেপ্তার বুশরার জামিন মেলেনি

রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদে ফারদিন হত্যায় বুশরার সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে কি না, এমন প্রশ্নে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের মতিঝিল বিভাগের উপকমিশনার রাজিব আল মাসুদ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘নেগেটিভ।’

সম্পৃক্ততা না পাওয়া গেলেও বুশরাকে কারাগারে পাঠানোর আবেদনের কারণ জানতে চাইলে রাজিব আল মাসুদ বলেন, ‘বাদীর (ফারদিনের বাবা) ধারণা এই মেয়েই হত্যাকাণ্ডের জন্য একমাত্র দায়ী। যদিও আমরা এ রকম কিছু পাইনি। বাদীর অভিযোগ সম্পর্কে আমাকে সহানুভূতি দেখাতে হবে।

‘আর আদালতে করা আবেদনের বক্তব্যের অর্থ হচ্ছে, যদি সে (বুশরা) জামিন পায়ও তখন যাতে দেশের বাইরে পালিয়ে যেতে না পারে, তদন্ত কার্যক্রম যাতে বাধাগ্রস্ত না হয়।’

আদালতে তদন্ত কর্মকর্তার এমন আবেদনে হতাশ বুশরার বাবা মঞ্জুরুল ইসলাম।

তিনি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘মেয়ে রিমান্ডে থাকার সময় একাধিকবার তদন্ত কর্মকর্তাদের সঙ্গে আমার কথা বলার সুযোগ হয়েছে। ফারদিনের মৃত্যুতে আমার মেয়ের কোনো সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়নি বলে তারা জানিয়েছেন। তারা বলেছিলেন রিমান্ড শেষেই বুশরা ছাড়া পাবে। তারাই বলেছেন ভালো উকিল ধরে জামিন আবেদন করতে, কিন্তু জামিন হয়নি।’

বুশরার শিক্ষাজীবন অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমার মেয়েটার অনেক ক্ষতি হয়ে গেল। ইউনিভার্সিটিতে ওর তৃতীয় সেমিস্টার চলছিল। অ্যারেস্ট হওয়ার পর আমরা ইউনিভার্সিটি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে এই সেমিস্টার ড্রপ করার আবেদন করেছি। তারা বলেছে, এই মাসে ও জামিন পেলে চলতি সেমিস্টারে থাকতে পারবে, নয়তো নতুন করে আবার ভর্তি হতে হবে।’

মেয়ের জামিনের জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন বলে জানান মঞ্জুরুল ইসলাম।

মঞ্জুরুল ইসলাম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমার মেয়েকে এ ঘটনায় ভুক্তভোগী বানানো হয়েছে। আমার মেয়ে ফারদিন হত্যায় জড়িত নয়।

‘আমার মেয়েকে বিনা দোষে মামলার আসামি ও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ফারদিন হত্যায় প্রকৃত দোষীকে শাস্তি দেয়া হোক। আমার নির্দোষ মেয়েকে মুক্তি দিতে সরকারের কাছে দাবি জানাচ্ছি।’

ফরদিনের সঙ্গে বিতার্কিক সূত্রে বুশরার পরিচয় হয়।

বুশরার মা ইয়াসমিন নিউজবাংলাকে জানান, স্কুল ও কলেজে পড়ার সময় থেকেই বিভিন্ন বিতর্ক প্রতিযোগিতায় অংশ নিতেন বুশরা। সে জন্য যারা বিতর্ক প্রতিযোগিতায় অংশ নেন বা পারদর্শী, তাদের সঙ্গে বুশরা নিজে থেকেই যোগাযোগ রাখতেন।

তিনি বলেন, ‘২০১৮ সালের শেষের দিকে ফেসবুকে একটি গ্রুপের মাধ্যমে বুশরার পরিচয় হয় ফারদিন নূর পরশের সঙ্গে। পরিচয়ের পর থেকে মেসেঞ্জার ও মোবাইলে কলে বিভিন্ন সময়ে একে অপরের সঙ্গে কথা বলত। আর এভাবেই তাদের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে ওঠে।’

মামলায় বুশরাকে আসামি করা ও গ্রেপ্তারের বিষয়ে জানতে চাইলে রামপুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম এর আগে নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমরা প্রাথমিকভাবে ফারদিনের বান্ধবী বুশরার সেই ধরনের কোনো সম্পৃক্ততার তথ্য না পাওয়ায় মামলায় তার নাম উল্লেখ না করতে অনুরোধ করেছিলাম। আমরা তাকে (মামলার বাদী) পরামর্শ দিয়েছিলাম, যেহেতু সেও (বুশরা) একজন শিক্ষার্থী, পরবর্তী অনুসন্ধানে তার সংশ্লিষ্টতা উঠে এলে আমরা আসামি হিসেবে তাকে যুক্ত করব।

‘তবে তিনি (বাদী) কোনো কথা মানতেই রাজি ছিলেন না। তার বক্তব্য ছিল, যেহেতু ওই মেয়ে শেষ সময়ে আমার ছেলের সঙ্গে ছিল তাই অবশ্যই তাকে মামলার আসামি করতে হবে।

‘অগত্যা তিনি এজাহারটি যেভাবে লিখে দিয়েছেন, সেভাবেই আমরা নিয়েছি। মামলার একমাত্র আসামি হওয়ায় তাকে (বুশরা) সেদিনই গ্রেপ্তার করি।’

আরও পড়ুন: ফারদিন হত্যায় বুশরার যোগসাজশ মিলছে না

ঘটনার সঙ্গে বুশরার সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে সন্দেহের কারণ জানতে চাইলে ফারদিনের বাবা নূরউদ্দিন রানা ১৭ নভেম্বর ডিবি কার্যালয়ের সামনে সাংবাদিকদের বলেন, ‘বুশরা এ হত্যায় জড়িত না থাকলে তো অবশ্যই খুব খারাপ লাগবে। কিন্তু পরীক্ষার আগের রাতে বুশরার সঙ্গে ফারদিনের ৫-৬ ঘণ্টা কাটানোর কথা নয়। আর তাকে বাসার পাশে নামিয়ে দেয়ার পর থেকেই নিখোঁজ ছিল ফারদিন। তাই আমি নিশ্চিত করে বলতে পারছি না যে, বুশরা এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত না।’

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী জেড আই খান পান্না মনে করছেন তদন্তে কোনো সম্পৃক্ততা না পেলে বুশরার জামিন হওয়া উচিত।

তিনি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘যদি কিছু না পেয়ে থাকে, যতটুকু আমি পত্রপত্রিকায় পড়েছি, তার বিরুদ্ধে স্পেসিফিক এলিগেশন এনেছেন ফারদিনের বাবা। তার এলিগেশন হলো, সে (বুশরা) তার ছেলের সঙ্গে ছিল, সে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত। যেটা এখন পর্যন্ত প্রমাণিত হয়নি। এ পর্যায়ে এসে একটা মেয়ের জামিন হওয়া উচিত। এটা হলো আমার অপিনিয়ন।’

আরও পড়ুন:
মাথায় ভোঁতা অস্ত্রের আঘাতে ফারদিনের মৃত্যু
যাত্রাবাড়ীতে ফারদিনের উপস্থিতি শনাক্তের দাবি ডিবির
তদন্তে কোথাও একটা ফাঁকি আছে: ফারদিনের বাবা
ফারদিন হত্যায় গ্রেপ্তার বুশরার জামিন মেলেনি
ফারদিন হত্যায় বুশরার যোগসাজশ মিলছে না

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
There is no question of alliance with BNP

বিএনপির সঙ্গে জোটের প্রশ্নই আসে না

বিএনপির সঙ্গে জোটের প্রশ্নই আসে না রওশন এরশাদ। ফাইল ছবি
দেশে ফিরে বিমানবন্দরে লিখিত বক্তব্যে রওশন এরশাদ বলেন, ‘বিএনপির অধীনে জাতীয় পার্টি খুবই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ এবং আমি ও আমার নাবালক সন্তানসহ দলের হাজার হাজর নেতাকর্মী জেল খেটেছিলেন। তখন আমাদের জনসভাও করতে দেয়া হয়নি।

আগামী জাতীয় নির্বাচনি বিএনপির সঙ্গে কোনো জোট হতে পারে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন জাতীয় পার্টির প্রধান পৃষ্ঠপোষক ও বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদ। পাঁচ মাস চিকিৎসা শেষে থাইল্যান্ড থেকে দেশে ফিরে বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের উদ্দেশে এক লিখিত বক্তব্যে রওশন এরশাদ এ কথা বলেন।

বিমানবন্দরের তাকে শুভেচ্ছা জানাতে যান জি এম কাদেরপন্থি হিসেবে পরিচিত নেতা এবং দলের কো চেয়ারম্যান রুহুল আমিন হাওলাদার ও শফিকুল ইসলাম সেন্টু।

লিখিত বক্তব্যে রওশন এরশাদ বলেন, ‘বিএনপির অধীনে জাতীয় পার্টি খুবই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ এবং আমি ও আমার নাবালক সন্তানসহ দলের হাজার হাজর নেতাকর্মী জেল খেটেছিলেন। তখন আমাদের জনসভাও করতে দেয়া হয়নি।

‘ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানে অনেক জনসভায় হামলা চালিয়ে কত শত নেতাকর্মীকে হত্যা করা হয়েছিল। সেই অন্ধকার দিনগুলো আমরা ভুলবো কী করে? তা ছাড়া আমরা তাদের শাসনামলে হাওয়া ভবনের দুর্নীতি, অব্যবস্থাপনা ও অপতৎপরতা দেখেছি।’

তিনি আরো বলেন, ‘জনগণ উন্নতি ও শান্তি জন্য পরিবর্তন চায়। জাতীয় পার্টিই দিতে পারে সেই শান্তি। অবশ্যই তা বিএনপি নয়। বিএনপির সঙ্গে জোটের প্রশ্নই আসে না।’

ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নির্বাচনি জোট মহাজোটের অংশ হিসেবে জাতীয় পার্টি দু দফায় নির্বাচনে অংশ নিলেও ২০১৮ সালের সর্বশেষ নির্বাচনের পর তারা সংসদে প্রধান বিরোধী দল হিসেবে আবির্ভূত হয়ে মহাজোট ত্যাগ করে।

আরও পড়ুন:
‘জি এম কাদেরের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হচ্ছে’
রওশন-কাদের বিরোধে রংপুরে মনোনয়ন জটিলতা
‘তত্ত্বাবধায়কের অধীনে নির্বাচনের ধারণায় জাপা বিশ্বাস করে না’
রওশনের পক্ষে আছি বলায় অব্যাহতি: জিয়াউল মৃধা
কাদেরকে বিরোধীদলীয় নেতা না করলে জাপার ‘বিকল্প চিন্তা’

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Suicide of a housewife suffering from dengue fever

ডেঙ্গুর জ্বরে আক্রান্ত গৃহবধূর ‘আত্মহত্যা’

ডেঙ্গুর জ্বরে আক্রান্ত গৃহবধূর ‘আত্মহত্যা’ প্রতীকী ছবি
সে বেশ কয়েকদিন ধরে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত। গায়ে প্রচণ্ড জ্বর ছিল। আমি তার জন্য দুপুরে ডাব আনতে যাই। কিছুক্ষণ পর এসে দেখি ঘরের দরজা বন্ধ। ডাকাডাকি করি, কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে জানালা দিয়ে উঁকি দিয়ে দেখি আমার স্ত্রী লোহার অ্যাঙ্গেলে ঝুলে আছে: স্বামীর বর্ণনা।

রাজধানীতে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত এক তরুণী গৃহবধূর আত্মহত্যার খবর পাওয়া গেছে। তার স্বামী দাবি করেছেন, জ্বরের যন্ত্রণা সহ্য করতে না পেরে গলায় ফাঁস দেন ২০ বছর বয়সী কবিতা আক্তার।

রোববার দুপুরের দিকে এই ঘটনা ঘটে। তাকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে এলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

কবিতাকে হাসপাতালে নিয়ে আসেন তার স্বামী সোহাগ মিয়া। জানান, ছয় মাস আগে বিয়ে করেন তারা। তিন দিন হলো বাবার বাড়ি থেকে ঢাকায় আসেন কবিতা।

‘সে বেশ কয়েকদিন ধরে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত। গায়ে প্রচণ্ড জ্বর ছিল। আমি তার জন্য দুপুরে ডাব আনতে যাই। কিছুক্ষণ পর এসে দেখি ঘরের দরজা বন্ধ। ডাকাডাকি করি, কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে জানালা দিয়ে উঁকি দিয়ে দেখি আমার স্ত্রী লোহার অ্যাঙ্গেলে ঝুলে আছে’- ঘটনার বর্ণনা দিয়ে বলেন সোহাগ।

পরে জানালার ভেতর দিয়ে রড ঢুকিয়ে দরজা খোলা হয়। সরাসরি নিয়ে আসা হয় হাসপাতালে।

সোহাগের গ্রামের বাড়ি কিশোরগঞ্জ জেলার বাজিতপুর উপজেলার কুক্রাই নয়াদি গ্রাম। তিনি খিলগাঁও থানার দক্ষিণ বনশ্রীর মেরাদিয়া বাজারের একটি বাসায় বসবাস করেন। এই বাড়িতেই নিরাপত্তা প্রহরীর কাজ করেন তিনি।

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক বাচ্চু মিয়া বলেন, ‘খিলগাঁও থেকে এক গৃহবধূর ফাঁসিতে আত্মহত্যা করেছেন। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল মর্গে রাখা হয়েছে বিষয়টি খিলগাঁও থানাকে অবগত করা হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
ডেঙ্গুতে আরও ২ মৃত্যু, শনাক্ত ৪৬২
ডেঙ্গুর প্রকোপ কমছে, নভেম্বরে মৃত্যু ছাড়াল ১০০
নভেম্বরে ডেঙ্গুতে এক শ মৃত্যু

মন্তব্য

p
উপরে