× হোম রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া সিটিজেন জার্নালিজম বিচিত্র ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য আফগানিস্তান ১৫ আগস্ট কী-কেন স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও যৌনতা-প্রজনন ইউরোপ অন্যান্য উদ্ভাবন প্রবাসী আফ্রিকা ক্রিকেট শারীরিক স্বাস্থ্য আমেরিকা দক্ষিণ এশিয়া সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ মানসিক স্বাস্থ্য ব্লকচেইন অন্যান্য ভাষান্তর ফুটবল অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

আন্তর্জাতিক
That barbarism has shaken Iran
google_news print-icon

যে বর্বরতা নাড়িয়ে দিয়েছে ইরানকে

যে-বর্বরতা-নাড়িয়ে-দিয়েছে-ইরানকে
সম্মান রক্ষার নামে কিশোরী স্ত্রী মোনা গাজাল হেইদারিকে (বাঁয়ে) প্রকাশ্যে হত্যা করেন তার স্বামী সাজ্জাদ হেইদারি (ডানে)। এক হাতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরি আর অন্য হাতে স্ত্রীর কাটা মাথা নিয়ে উৎফুল্লভাবে রাস্তায় হেঁটে বেড়ান এই স্বামী। ছবি কোলাজ: নিউজবাংলা
পিতৃতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থার দেশ ইরানে এমন হত্যাকাণ্ডের জন্য হয়তো এই স্বামীকে সর্বোচ্চ ১০ বছর কারাভোগ করতে হতে পারে। পুরুষবান্ধব আইনের কারণেই মৃত্যুদণ্ড এড়িয়েও যেতে পারেন এই পাষণ্ড স্বামী। দেশটির আইন অনুযায়ী, হত্যাকাণ্ডে জড়িত যেকোনো নারী কিংবা পুরুষকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হবে। তবে যদি কোনো বাবা তার সন্তানকে হত্যা করেন সেই অপরাধে তার মৃত্যুদণ্ড হবে না। এমন অপরাধে তাকে সর্বোচ্চ ১০ বছর কারাদণ্ড দেয়া হতে পারে।

ইরানে সম্মান রক্ষার নামে কিশোরী স্ত্রীকে হত্যার পর তার বিচ্ছিন্ন করা মাথা নিয়ে রাস্তায় ঘুরে বেড়িয়েছেন এক স্বামী। এমন নির্মম ও বীভৎস হত্যাকাণ্ডে তোলপাড় শুরু হয়েছে দেশজুড়ে।

পুরুষতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থায় পারিবারিক সহিংসতার শিকার নারীর সুরক্ষা ও অধিকার নিশ্চিতের দাবি ফের আলোচনায় উঠে এসেছে।

গত সপ্তাহজুড়ে ইরানের স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলোয় ফলাওভাবে প্রচারিত হয়েছে ভয়াবহ এই ঘটনাটি।

হত্যাকাণ্ডের শিকার ১৭ বছর বয়সী ওই কিশোরী গৃহবধূর নাম মোনা গাজাল হেইদারি।

১২ বছর বয়সে পারিবারিকভাবে মোনার বিয়ে হয়েছিল তার চাচাতো ভাই সাজ্জাদ হেইদারির সঙ্গে। বিভিন্ন প্রতিবেদনে দেখা গেছে, মোনাকে বিয়ের পর থেকেই নানাভাবে নির্যাতন করতেন তার স্বামী।

পরিবারের সম্মান রক্ষার নামে মোনার স্বামী ও দেবর তাকে প্রকাশ্যে হত্যা করেন। এক হাতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরি আর অন্য হাতে স্ত্রীর কাটা মাথা নিয়ে উৎফুল্লভাবে রাস্তায় হেঁটে বেড়ান স্বামী সাজ্জাদ।

সাজ্জাদ হেইদারির অভিযোগ, স্ত্রী অন্য পুরুষের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ায় সামাজিকভাবে হেয় হচ্ছিলেন তিনি। তাই সমাজে নিজের সম্মান ফিরে পেতে এমন হত্যাকাণ্ড চালিয়েছেন তিনি।

সম্প্রতি খুজেস্তান প্রদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর আহভাজে এই হত্যাকাণ্ড চালানো হয়।

হত্যাকারীদের গ্রেপ্তারের বিষয়ে প্রথম দিকে প্রশাসনের ঠিলেঠালা ভাব থাকলেও পরে ব্যাপক নিন্দা ও সমালোচনার মুখে ওই দুজনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। সোমবার তাদের গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

পিতৃতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থার দেশ ইরানে এমন হত্যাকাণ্ডের জন্য হয়তো এই স্বামীকে সর্বোচ্চ ১০ বছর কারাভোগ করতে হতে পারে। পুরুষবান্ধব আইনের কারণেই মৃত্যুদণ্ড এড়িয়েও যেতে পারেন এই পাষণ্ড স্বামী।

এমন সহিংসতা বন্ধে পার্লামেন্টকে জরুরি ব্যবস্থা নেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন দেশটির নারী ও পরিবারবিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট এনসিয়েহ খাজালি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে এই ধরনের ঘটনা প্রতিরোধে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে ও জনগণের মাঝে সচেতনতা বাড়ানোর নির্দেশ দেন তিনি।

যে বর্বরতা নাড়িয়ে দিয়েছে ইরানকে

২০২০ সালে পারিবারিক সম্মান রক্ষার অজুহাতে ১৪ বছর বয়সী রোমিনা আশরাফির মাথা বিচ্ছিন্ন করেছিলেন তার বাবা। কন্যা হত্যার অপরাধে বাবাকে কেবল ৯ বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দেয়া হয়। ছবি: সংগৃহীত

দেশটির জিলান প্রদেশে ২০২০ সালে পারিবারিক সম্মান রক্ষার অজুহাতে ১৪ বছরের এক কিশোরীর মাথা বিচ্ছিন্ন করেছিলেন তার বাবা। রোমিনা আশরাফির অপরাধ ছিল সে পরিবারের অমতে প্রেমিকের সঙ্গে বাড়ি থেকে পালিয়েছিল।

কন্যা হত্যার অপরাধে বাবাকে কেবল ৯ বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দেয়া হয়।

মোনা গাজাল হেইদারি বা রোমিনা আশরাফির মতো দেশটিতে পারিবারিক সহিংসতা ও হত্যাকাণ্ডের শিকার কিশোরীর তালিকা অনেক বড়।

দেশটির নারী ও শিশুবিষয়ক অধিদপ্তরের তথ্য মতে, প্রতি বছর অন্তত ৩৫০ নারী ও কিশোরী এমন হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়। পরিবারের সম্মান রক্ষায় এমন হত্যার শিকার নারীর সংখ্যা মোট হত্যাকাণ্ডের ২০ শতাংশ।

ইরানের আইনে অরক্ষিত নারী

দেশটির ইসলামিক দণ্ডবিধি ৩০২ ধারা অনুযায়ী, শরিয়া আইনে মৃত্যুদণ্ডের মতো অপরাধ করলে যে কাউকে আইনগতভাবে হত্যা করতে পারেন একজন পুরুষ। বিয়েবহির্ভূত সম্পর্ক বা ব্যভিচারের মতো অপরাধ করলে নারীকে হত্যা করার বৈধতা দেয় এই আইন। তবে স্বামী ব্যভিচার করলে তাকে হত্যার বৈধতা দেয় না দেশটির পুরুষতান্ত্রিক আইন ব্যবস্থা।

দেশটির আইন অনুযায়ী, হত্যাকাণ্ডে জড়িত যেকোনো নারী কিংবা পুরুষকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হবে। তবে যদি কোনো বাবা তার সন্তানকে হত্যা করেন সেই অপরাধে তার মৃত্যুদণ্ড হবে না। এমন অপরাধে তাকে সর্বোচ্চ ১০ বছর কারাদণ্ড দেয়া হতে পারে। পাশাপাশি তাকে গুনতে হতে পারে অর্থদণ্ড।

করোনায় বাল্যবিয়ে বাড়ায় ঝুঁকিতে কিশোরী বধূরা

ইরানে কয়েক বছর ধরে বাল্যবিয়ের সংখ্যা বেড়ে গেছে কয়েক গুণ। এতে দেশটিতে পারিবারিক সহিংসতা ও শিশু-কিশোরী বধূদের স্বামীর হাতে হত্যার ঘটনাও বেড়ে গেছে আশঙ্কাজনকভাবে।

বিয়ের খরচ বাবদ মেয়ের পরিবার কম সুদে মোটা অঙ্কের ঋণ সহায়তা পেয়ে থাকে দেশটির বিভিন্ন ব্যাংক থেকে।

দেশটির রাষ্ট্রীয় পরিসংখ্যান মতে, এমন ঋণ সহায়তার লোভে সাম্প্রতিক সময়ে দেশটিতে বাল্যবিয়ে বেড়ে গেছে অন্তত চার গুণ।

ব্যাংক মাসকানের তথ্য মতে, নবদম্পতিকে সাত বছর মেয়াদে মাত্র ৪ শতাংশ সুদে ২৩ হাজার ৭২০ ডলার (১০ কোটি তোমান) ঋণ সহায়তা দেয়া হয়।

করোনা মহামারিতে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো তাদের কন্যাশিশুদের বয়স বাড়িয়ে হাতিয়ে নিচ্ছে বিশাল অঙ্কের এই ঋণ সহায়তা।

দেশটির পরিসংখ্যান দপ্তরের তথ্য মতে, ১০ থেকে ১৪ বছর বয়সী ৯ হাজার ৭৫৩ কন্যাশিশু ও কিশোরীর বিয়ে হয়েছে গত বছরের বসন্তে। এই সংখ্যা ২০২০ সালের বসন্তের চেয়ে ৩২ শতাংশ বেশি।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

আন্তর্জাতিক
Duras new president is Shahjahan editor Zahirul

ডুরার নতুন সভাপতি শাহজাহান, সম্পাদক জহিরুল

ডুরার নতুন সভাপতি শাহজাহান, সম্পাদক জহিরুল ছবি: দৈনিক বাংলা

সেবা খাতে কর্মরত সাংবাদিকদের সংগঠন ঢাকা ইউটিলিটি রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (ডুরা) সভাপতি পদে দৈনিক আমাদের সময়ের সিনিয়র রিপোর্টার শাহজাহান মোল্লা এবং সাধারণ সম্পাদক পদে দৈনিক কালের কন্ঠের সিনিয়র রিপোর্টার জহিরুল ইসলাম নির্বাচিত হয়েছেন।

শুক্রবার (২৬ জুন) দুপুরে রাজধানীর সেগুনবাগিচার একটি হোটেলে বার্ষিক সাধারণ সভায় সদস্যদের ভোটগ্রহণ শেষে এই কমিটি ঘোষণা করা হয়।

সভায় প্রধান অতিথি ও প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল। পরে তিনি নতুন কমিটি ঘোষণা করেন।

কমিটিতে সহ-সভাপতি পদে নয়া দিগন্তের সিনিয়র রিপোর্টার জিলানী মিলটন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দৈনিক ইনকিলাবের স্টাফ রিপোর্টার একলাছ হক, সাংগঠনিক সম্পাদক বাংলা ট্রিবিউনের স্টাফ রিপোর্টার আতিক হাসান শুভ, অর্থ সম্পাদক পদে দৈনিক আমার দেশের স্টাফ রিপোর্টার জাহিদুল ইসলাম, দপ্তর সম্পাদক ঢাকা স্ট্রিমের স্টাফ রিপোর্টার তৌফিক হাসান, প্রচার-প্রকাশনা সম্পাদক হিসেবে বাংলানিউজ২৪ডটকমের স্টাফ করেসপন্ডেন্ট মিরাজ মাহবুব ইফতি, প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক পদে এনটিভির স্টাফ করেসপন্ডেন্ট নাজিবুর রহমান।

এছাড়া কার্যনির্বাহী সদস্য হলেন, ভোরের কাগজ সিনিয়র রিপোর্টার মো. রুহুল আমীন, বিজনেস মিররের বিশেষ প্রতিনিধি বারেক কায়সার, ইনডিপেনডেন্ট টিভির বিশেষ প্রতিনিধি হাসিফ মাহমুদ শাহ্, জাগো নিউজের সিনিয়র রিপোর্টার মুসা আহমেদ, ইত্তেফাকের সিনিয়র রিপোর্টার নিলয় মামুন ও ইত্তেফাকের সিনিয়র রিপোর্টার আবির হাকিম। নতুন এই কমিটি ২০২৭ সালের জুন পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করবে।

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
4 arrested with 15 kg of ganja in Jamalpur

জামালপুরে ১৫ কেজি গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ৪

জামালপুরে ১৫ কেজি গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ৪ ছবি: সংগৃহীত

জামালপুরে একটি প্রাইভেটকারের গ্যাস সিলিন্ডারের নিচে বিশেষভাবে তৈরি করা গোপন চেম্বার থেকে ১৫ কেজি গাঁজাসহ চারজন মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা পুলিশ। অভিনব কায়দায় মাদক পরিবহনের এই ঘটনায় জড়িত থাকার অপরাধে মাদক বহনে ব্যবহৃত সাদা রঙের টয়োটা প্রোবক্স প্রাইভেটকারটিও জব্দ করা হয়েছে।

শুক্রবার (২৬ জুন) সন্ধ্যায় জেলা পুলিশের এক বিশেষ প্রেস ব্রিফিংয়ে এই চাঞ্চল্যকর অভিযানের বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়। এর আগে বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টার দিকে জামালপুর-শেরপুর মহাসড়কের উত্তর কুটুরিয়া এলাকায় একটি নিয়মিত পুলিশ চেকপোস্টে অভিযান চালিয়ে তাঁদের আটক করা হয়েছিল।

গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা হলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার বড়টোডা বিশনাউড়ি এলাকার আক্তার হোসেন, শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলার কুরুয়া ভাটিপাড়া এলাকার মিন মোক্তার ওরফে মনির হোসেন, বিল্লাল হোসেন এবং প্রাইভেটকারচালক সাগর।

পুলিশ জানায়, শেরপুর থেকে একটি প্রাইভেটকারে করে বিপুল পরিমাণ গাঁজা জামালপুরে আনা হচ্ছে—এমন একটি গোপন ও সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে উত্তর কুটুরিয়া এলাকায় বিশেষ চেকপোস্ট বসায় পুলিশ। এ সময় নির্দিষ্ট কারটিকে থামানোর সংকেত দেওয়া হলে এর ভেতরে থাকা আরোহীরা গাড়ি থেকে নেমে পালানোর চেষ্টা করেন। তবে পুলিশ সদস্যরা অত্যন্ত তৎপরতার সাথে ধাওয়া করে তাঁদের চারজনকেই ধরে ফেলেন।

পরবর্তীতে স্থানীয় উপস্থিত সাক্ষীদের সামনে সন্দেহভাজন গাড়িটি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে তল্লাশি করা হয়। একপর্যায়ে গাড়ির গ্যাস সিলিন্ডারের নিচে লোহা ও স্টিল দিয়ে বিশেষভাবে তৈরি একটি গোপন চেম্বারের সন্ধান মেলে। সেই চেম্বার খুলে খাকি কাগজে নিখুঁতভাবে মোড়ানো ছয়টি বড় প্যাকেটে থাকা মোট ১৫ কেজি গাঁজা উদ্ধার করে পুলিশ। উদ্ধার হওয়া এই গাঁজার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৩ লাখ টাকা বলে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

এই ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃত চারজনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় জামালপুর সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এই চালানের মূল উৎস, সরবরাহকারী চক্র এবং এর পেছনে থাকা অন্যান্য প্রভাবশালী মাদক কারবারিদের শনাক্ত করতে পুলিশের তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

জামালপুরের পুলিশ সুপার মোছা. ফারহানা ইয়াসমিন এই অভিযানের বিষয়ে স্পষ্ট করে বলেন, জেলাকে মাদকমুক্ত করতে পুলিশের এমন কঠোর অভিযান ও নজরদারি সর্বদা জারি থাকবে এবং মাদক কারবারিদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
The mentality of sacrifice is needed in the service of humanity State Minister Sheikh Faridul Islam

মানবতার সেবায় প্রয়োজন ত্যাগের মানসিকতা: প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম

মানবতার সেবায় প্রয়োজন ত্যাগের মানসিকতা: প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম ছবি: সংগৃহীত

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেছেন, মানবতার সেবায় আত্মনিয়োগে প্রয়োজন ত্যাগের মানসিকতা। কীভাবে মানুষের কল্যাণে কাজ করতে হয়, তার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত লায়ন্স ক্লাব।

শুক্রবার (২৬ জুন) খুলনা লায়ন্স আই হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটারের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, কোনো কাজ সফল ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করতে হলে দৃঢ় অঙ্গীকার অপরিহার্য। আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে মানসম্মত সেবা নিশ্চিত করা গেলে সেবাগ্রহীতার কখনো অভাব হবে না।

তিনি চক্ষু সেবার পাশাপাশি লায়ন্স ক্লাবের মা ও শিশু স্বাস্থ্যসেবা এবং অটিজম বিষয়ে কার্যক্রম সম্প্রসারণের আহ্বান জানান। মানবতার সেবা ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম বাস্তবায়নে তিনি সবসময় পাশে থাকবেন বলেও আশ্বাস দেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু, কেডিএর চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট শফিকুল আলম মনা, লায়ন্স এ কে এম গোলাম ফারুক, সাবিনা সিদ্দিকা ও ডা. মো: বোরহান উদ্দিন। এতে সভাপতিত্ব করেন সিনিয়র লায়ন্স ড. রনঞ্জিত কুমার নাথ। স্বাগত বক্তৃতা করেন লায়ন্স ডা. মনোজ কুমার দাস।

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
The Tajia procession was held in the capital under tight security of the DMP

ডিএমপির কঠোর নিরাপত্তায় রাজধানীতে তাজিয়া মিছিল অনুষ্ঠিত

ডিএমপির কঠোর নিরাপত্তায় রাজধানীতে তাজিয়া মিছিল অনুষ্ঠিত ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) বিশেষ ও নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থায় পবিত্র আশুরা উপলক্ষে রাজধানীর ঐতিহ্যবাহী প্রধান তাজিয়া শোক মিছিল অত্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (২৬ জুন) সকাল ১০টায় পুরান ঢাকার ঐতিহাসিক হোসাইনী দালান ইমামবাড়া থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই শোক মিছিলটি শুরু হয়। কারবালার ঐতিহাসিক ও শোকাবহ স্মৃতি স্মরণে হাজারো শিয়া সম্প্রদায়ের মানুষ ও ভক্তরা খালি পায়ে বুক চাপড়িয়ে ‘হায় হোসেন, হায় হোসেন’ ধ্বনিতে মাতম করে মিছিলে অংশ নেন। সুশৃঙ্খল এই মিছিলটি পুরান ঢাকার হোসাইনী দালান থেকে শুরু হয়ে বকশি বাজার লেন, আলিয়া মাদ্রাসা মোড়, বকশী বাজার মোড়, উমেশ দত্ত রোড, উর্দু রোড মোড়, হরনাথ ঘোষ রোড এবং লালবাগ চৌরাস্তা মোড় অতিক্রম করে।

এরপর গোর-এ শহীদ মাজার মোড়, এতিমখানা মোড়, আজিমপুর চৌরাস্তা মোড়, ইডেন কলেজ ও নীলক্ষেত মোড় হয়ে মিছিলটি মিরপুর রোড ধরে ঢাকা কলেজ এবং সাইন্সল্যাব মোড় পার হয়। সর্বশেষ ধানমন্ডি আবাসিক এলাকার ২ নম্বর রোড, বিজিবির ৪ নম্বর গেট ও সাত মসজিদ রোড হয়ে ধানমন্ডি লেকের পাড়ে অবস্থিত প্রতীকী ‘কারবালা’ প্রান্তে গিয়ে দুপুর আড়াইটায় মিছিলটি সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হয়।

ঐতিহাসিক এই বড় শোক মিছিলটি নির্বিঘ্নে পরিচালনার জন্য ডিএমপির পক্ষ থেকে পূর্ব থেকেই অত্যন্ত কঠোর ও বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছিল। নিরাপত্তার স্বার্থে মিছিলে যেকোনো ধরনের দা, ছোরা, কাঁচি, বর্শা, বল্লম, তরবারি ও লাঠির মতো ধারালো বা ভারী অস্ত্রশস্ত্র বহন এবং আতশবাজি ও পটকা ফোটানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করে প্রশাসন।

মিছিলের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পুরো রুটজুড়ে ডিএমপির বিপুল সংখ্যক পুলিশ সদস্য ও গোয়েন্দা নজরদারি মোতায়েন ছিল। ডিএমপি কমিশনারের সরাসরি নির্দেশনায় সব স্তরের পুলিশ কর্মকর্তা ও সদস্যরা মাঠপর্যায়ে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলেন, যার ফলে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর বা অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ছাড়াই এবারের তাজিয়া মিছিলটি সফল ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে।

প্রসঙ্গত, ১০ মহররম পবিত্র আশুরা মুসলিম বিশ্বে অত্যন্ত শোকাবহ ও তাৎপর্যপূর্ণ একটি দিন; আর এই বিশেষ দিনটি উপলক্ষে প্রতিবছরের মতো এবারও পুরান ঢাকার হোসাইনী দালান ও বড় কাটারা ইমামবাড়াসহ রাজধানীর বিভিন্ন ইমামবাড়ায় দিনব্যাপী বিশেষ শোকানুষ্ঠান এবং ঐতিহ্যবাহী তাজিয়া মিছিলের আয়োজন করা হয়।

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Heavy rain forecast with thunder for 5 consecutive days in different parts of the country

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে টানা ৫ দিন বজ্রসহ ভারী বর্ষণের পূর্বাভাস

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে টানা ৫ দিন বজ্রসহ ভারী বর্ষণের পূর্বাভাস ছবি: সংগৃহীত

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে টানা ৫ দিন বজ্রসহ ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণের পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। শুক্রবার (২৬ জুন) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার জন্য দেওয়া এক বিশেষ আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর সিনপটিক অবস্থায় জানিয়েছে, বর্তমানে একটি লঘুচাপের বর্ধিতাংশ গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ থেকে উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর এলাকা পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এর প্রভাবে মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর মোটামুটি সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরের অন্যত্র দুর্বল থেকে মাঝারি অবস্থায় বিরাজ করছে। এমন আবহাওয়াজনিত পরিস্থিতির কারণে দেশের বিভিন্ন বিভাগে আগামী পাঁচ দিন টানা ভারী বর্ষণ হতে পারে। এ ছাড়া এই নির্দিষ্ট সময়ে দেশের সব কটি বিভাগেই কম-বেশি বজ্রসহ বৃষ্টি হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে বলেও সংস্থাটি তাদের পূর্বাভাসে স্পষ্ট করেছে।

আবহাওয়ার এই বিশেষ বার্তায় অঞ্চলভিত্তিক বৃষ্টিপাতের চিত্র তুলে ধরে বলা হয়েছে, রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগে প্রথম ৩ দিন এবং পরবর্তী দুই দিন রংপুর, ময়মনসিংহ, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগে ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে। তবে দেশের কোথাও কোথাও বর্ষণের তীব্রতা বাড়লেও কিছু অঞ্চলে ভিন্ন চিত্র দেখা যাচ্ছে।

পূর্বাভাস অনুযায়ী, রাজশাহী ও নীলফামারী জেলাসহ সমগ্র খুলনা বিভাগের ওপর দিয়ে বর্তমানে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা আরও কিছুকাল অব্যাহত থাকতে পারে।

তাপমাত্রার ওঠানামার বিষয়ে অধিদপ্তর জানিয়েছে, আগামী ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। তবে শনিবার সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। রবিবার ও সোমবার সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা আবার কিছুটা কমতে পারে।

এ ছাড়া আগামী মঙ্গলবার (৩০ জুন) সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমলেও রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে। বর্ধিত দিনগুলোর আবহাওয়ার অবস্থা সম্পর্কে আবহাওয়াবিদেরা জানিয়েছেন, আগামী পাঁচ দিন পার হওয়ার পরও দেশে বৃষ্টিপাতের এই বর্তমান প্রবণতা অব্যাহত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Detention for spreading rumors and misinformation about question paper leak Education Minister

প্রশ্নপত্র ফাঁসের গুজব ও বিভ্রান্তিকর প্রচারণা চালালেই আটক: শিক্ষামন্ত্রী

প্রশ্নপত্র ফাঁসের গুজব ও বিভ্রান্তিকর প্রচারণা চালালেই আটক: শিক্ষামন্ত্রী শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন। ছবি: সংগৃহীত

শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন জানিয়েছেন, কোনো প্রমাণ ছাড়া প্রশ্নপত্র ফাঁসের গুজব ছড়ানো বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর প্রচারণা চালালে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে তাৎক্ষণিকভাবে আটক করা হবে। শুক্রবার (২৬ জুন) বিকেলে দিনাজপুর জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড আয়োজিত মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।

আসন্ন এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও নকলমুক্ত পরিবেশে সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, কোনো ধরনের অনিয়ম, গাফিলতি বা অসাধু চক্রের তৎপরতার সুযোগ দেওয়া যাবে না।

তিনি বলেন, প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে কেউ জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পরীক্ষার স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা বজায় রাখতে সরকার সর্বোচ্চ কঠোর অবস্থানে রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, কর্মপরিবেশ যেন আন্দোলন বা বিভিন্ন দাবি দাওয়ার কারণে ব্যাহত না হয়, সে বিষয়ে সবাইকে দায়িত্বশীল হতে হবে। শিক্ষা প্রশাসনকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রেখে সবার জন্য সমানভাবে কাজ করার ওপরও তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

বক্তব্যের এক পর্যায়ে শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, আমরা একদলীয় রাষ্ট্র বা একদলীয় রাজনীতিতে বিশ্বাস করি না। এক সময় সবাই আওয়ামী লীগ করতো, এখন অনেকেই বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত হচ্ছে—এটা আমরা বুঝতে পারি, আমরা জানি। তিনি অভিযোগ করে বলেন, বিগত সরকার দেশের ডলার ও বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ চুরি করেছে। পৃথিবীতে এমন চুরির নজির নেই, শুধু বাংলাদেশেই এটা হয়েছে।

মতবিনিময় সভায় জেলা প্রশাসক রফিকুল ইসলাম, শিক্ষা বোর্ড চেয়ারম্যান প্রফেসর ইলিয়াস আহমেদ, শিক্ষা বোর্ড সচিব নূর মোহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক, রংপুর বিভাগের আওতাধীন বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা, বিভিন্ন পরীক্ষা কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এবং শিক্ষা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
A discussion meeting was held against drug and illegal trafficking in Pirojpur

পিরোজপুরে মাদক ও অবৈধ পাচারবিরোধী আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

পিরোজপুরে মাদক ও অবৈধ পাচারবিরোধী আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ছবি: নিউজবাংলা

‘২৬ জুন মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচারবিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস’উপলক্ষে পিরোজপুরে জেলা প্রশাসন ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের যৌথ উদ্যোগে বর্ণাঢ্য র‍্যালি, আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

শুক্রবার (২৬ জুন) সকালে পিরোজপুর সদর উপজেলা চত্বর থেকে একটি র‍্যালি বের হয়ে শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে টাউন ক্লাব মাঠে গিয়ে শেষ হয়। র‍্যালি শেষে টাউন ক্লাব মাঠে আলোচনা সভা ও প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

‎​অনুষ্ঠানে বক্তারা মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার রোধে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং তরুণ সমাজকে মাদকের করাল গ্রাস থেকে রক্ষা করার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

পিরোজপুরের জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আবু সাঈদ-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর (এমপি)। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পিরোজপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মাসুদ সাঈদী (এমপি), জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর আহমেদ সিদ্দিকী এবং জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন।

‎​প্রধান অতিথির বক্তব্যে গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী বলেন, “মাদক শুধু একটি জীবনকেই ধ্বংস করে না, বরং একটি পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রকে পঙ্গু করে দেয়। আমাদের তরুণ সমাজই দেশের ভবিষ্যৎ চালিকাশক্তি। এই প্রজন্মকে মাদকের নীল দংশন থেকে রক্ষা করা আমাদের সবার পবিত্র দায়িত্ব।”

‎​তিনি আরও বলেন, “মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি রয়েছে। কেবল প্রশাসন বা পুলিশের পক্ষে মাদক নির্মূল করা সম্ভব নয়, যদি না আমরা পারিবারিক ও সামাজিকভাবে সচেতন হই। প্রত্যেক অভিভাবককে তাদের সন্তানদের বন্ধু-বান্ধব ও চলাফেরার বিষয়ে অধিকতর যত্নশীল হতে হবে।”

প্রতিমন্ত্রী দৃঢ়তার সাথে উল্লেখ করেন, “আমরা পিরোজপুরকে একটি আদর্শ ও মাদকমুক্ত জেলা হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িতরা সমাজের শত্রু, তাদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। আসুন, আমরা সবাই মিলে মাদকের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তুলি।”

‎​অনুষ্ঠান শেষে মাদকবিরোধী বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। সভায় বক্তারা পিরোজপুর জেলাকে সম্পূর্ণ মাদকমুক্ত রাখতে প্রশাসন ও সাধারণ জনগণকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

মন্তব্য

p
উপরে