× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ পৌর নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য

আন্তর্জাতিক
UNESCO finds ancient coral reef
hear-news
player
print-icon

প্রাচীন প্রবাল প্রাচীরের সন্ধান পেল ইউনেসকো

প্রাচীন-প্রবাল-প্রাচীরের-সন্ধান-পেল-ইউনেসকো নতুন আবিষ্কৃত প্রবাল প্রাচীর থেকে নমুনা সংগ্রহ করছেন একজন গবেষক। ছবি: সংগৃহীত
সমুদ্রের উপকূলের কাছে যে গভীরতাটি ‘টোয়ালাইট জোন’ নামে পরিচিত, ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়ার তাহিতি দ্বীপের তেমন একটি এলাকায় ডাইভিং অনুসন্ধানের সময় নভেম্বর মাসে প্রবাল প্রাচীরটির অবস্থান জানা যায়।

প্রবাল প্রাচীর হলো সমুদ্রের তলে সবচেয়ে হুমকিতে থাকা বাস্তুসংস্থান। অথচ সমুদ্রের প্রাণী বৈচিত্র্যের ২৫ শতাংশের বাস এই প্রবাল প্রাচীরে। সমুদের দূষণ ও তাপমাত্রা বৃদ্ধির কারণে কার্বন ডাই-অক্সাইডের ইমিশন ডিসলভিং রসায়নই বদলে দিচ্ছে। তাই বিশ্বের পরিবেশবাদীরা ও জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থা সমুদ্রের তলদেশের প্রবাল প্রাচীর রক্ষায় সোচ্চার।

এবার বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়ার তাহিতি উপকূলে ৩০ মিটার গভীরে এক দীর্ঘ ও প্রাচীন প্রবাল প্রাচীরের সন্ধান পেয়েছে জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (ইউনেসকোর) সাগরতলের অনুসন্ধানকারী দল।

সমুদ্রের উপকূলের কাছে যে গভীরতাটি ‘টোয়ালাইট জোন’ নামে পরিচিত, ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়ার তাহিতি দ্বীপের তেমন একটি এলাকায় ডাইভিং অনুসন্ধানের সময় নভেম্বর মাসে প্রবাল প্রাচীরটির অবস্থান জানা যায়। পুরো অভিযানটি ‘সিবেড ২০৩০ প্রজেক্ট’-এর অংশ।

ইউনেসকো ইতিমধ্যে জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত সমুদ্রের এত গভীরে খুঁজে পাওয়া সবচেয়ে বড় প্রবাল প্রাচীর এটিই।

সংস্থাটির গবেষক ড. জুলিয়ান বারবাইরির মতে, হয়তো এমন বাসস্থান আরও অনেক আছে, যার সম্পর্কে আমরা এখনও জানি না। তবে বিশ্বব্যাপী প্রবাল প্রাচীরগুলোকে রক্ষার জন্য তাদের মানচিত্রের আওতায় আনতে হবে।

ইউনেসকোর ডিরেক্টর জেনারেল অউদ্রে আজউলেয় এই আবিষ্কারকে অবিশ্বাস্য বলছেন।

ফরাসী সমুদ্রতলের আলোকচিত্রী আলেক্সিস রোসেনফেল্ড বলেছেন, যতদূর চোখ যায় এই গোলাপের আকৃতির জাদুকরী এ প্রবাল প্রাচীর ততদূরই দেখা যায়। এটি অনেকটা শিল্পকলার মতো।

প্রফেসর মারি রবার্টস, এডেনবার্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের লিডিং মেরিন সায়েন্টিস্ট বলেছেন, ‌‘এই আবিষ্কারেই স্পষ্ট হয়, আমরা সমুদ্রের বিষয়ে কত কম জানি।

‘এত দিন ধরে আমরা ভেবেছিলাম এই প্রবাল প্রাচীরগুলো গ্রীষ্মমণ্ডলীয় এলাকার অগভীর সমুদ্র উপকূলে হয়ে থাকে। কারণ গভীর জলের চেয়ে অগভীর জল দ্রুত উষ্ণ হয়। এ ছাড়া প্রবালের গায়ে লেগে থাকা শৈবালের আলো প্রয়োজন। কিন্তু সমুদ্রের পানির তাপমাত্রা বৃদ্ধির ফলে গভীর সমুদ্রই ভবিষ্যৎ প্রবালের আশ্রয়স্থল। তাই এই স্থানগুলোর ম্যাপিং করতে, তাদের পরিবেশগত ভূমিকা বুঝতে এবং ভবিষ্যতে প্রবালগুলো রক্ষায় আমাদের কাজ করতে হবে।’

তবে অতিরিক্ত গভীরতায় থাকায় প্রবাল প্রাচীরটি বেশ অক্ষতই আছে বলে মনে করা হচ্ছে। আগামী মাসে সেখানে আরও অনুসন্ধান করা হবে।

আরও পড়ুন:
খেজুরের রস নামালে গাছের কতটা ক্ষতি?
গাছের নাম ডিক্যাপ্রিও
বন্যা রোধে ভাসমান শহর বানাচ্ছে কোরিয়া
গ্রিন ফ্যাক্টরি অ্যাওয়ার্ড পেল আকিজ ফুড
মাটির অবক্ষয় রোধে প্রয়োজন বিনিয়োগ ও গবেষণা: পরিবেশমন্ত্রী

মন্তব্য

আরও পড়ুন

আন্তর্জাতিক
Vivo is bringing the flagship X60 smartphone for photography

ফটোগ্রাফির জন্য ফ্ল্যাগশিপ এক্স৮০ স্মার্টফোন আনছে ভিভো

ফটোগ্রাফির জন্য ফ্ল্যাগশিপ এক্স৮০ স্মার্টফোন আনছে ভিভো
ভিভো এক্স৮০ ফাইভজি ফোনে রয়েছে পেশাদার সিনেমাটোগ্রাফির ক্যামেরা। ফোনটিতে রয়েছে ৫০ মেগাপিক্সেলের ট্রিপল ক্যামেরা, ৩২ মেগাপিক্সেলের সেলফি ক্যামেরা। যা দিয়ে রেকর্ড করা যাবে ফোর-কে ভিডিও।

ভিভো এক্স৬০ প্রো ও এক্স৭০ প্রো অনেকটাই জনপ্রিয় হয়েছে দেশে। এবার ক্যামেরা প্রযুক্তিকে জোর দিয়ে এক্স সিরিজের আরেকটি স্মার্টফোন আনছে চীনা প্রতিষ্ঠান ভিভো।

নতুন স্মার্টফোন হবে ভিভো এক্স৮০ ফাইভজি।

৬.৭৮ ইঞ্চির অ্যামোলেড ডিসপ্লের ভিভো এক্স৮০ ফাইভজি ফোনটিতে দেয়া হয়েছে ১২০ হার্জের রিফ্রেশ রেট। ফোনটির ডিসপ্লে রেজ্যুলেশন ১০৮০*২৪০০ পিক্সেল, রেশিও ২০:৯।

৪ ন্যানোমিটার প্রযুক্তির মিডিয়াটেক অক্টা-কোর ৯০০০ ডাইমেনসিটির প্রসেসর, অ্যান্ড্রয়েড ১২ অপারেটিং সিস্টেমের সঙ্গে ফানটাচ ১২ ইউআই।

ভিভোর ক্যামেরা প্রযুক্তি বাংলাদেশের তরুণদের কাছে ব্যাপক জনপ্রিয় হয়েছে। এই জনপ্রিয়তা আরও বাড়াতে ক্যামেরা লেন্স নির্মাতা প্রতিষ্ঠান কার্ল জেইসের সঙ্গে পার্টনারশিপে যুক্ত হয়েছে ভিভো। লেন্স তৈরিতে জেইসের ১৭৫ বছরের ইতিহাস রয়েছে। এক্স৮০ ফাইভজি স্মার্টফোন বাজারে চলে আসলে, জেইসের ক্যামেরা লেন্সযুক্ত ভিভোর তৃতীয় স্মার্টফোন হবে এটি।

ভিভো এক্স৮০ ফাইভজি ফোনে রয়েছে পেশাদার সিনেমাটোগ্রাফির ক্যামেরা। ফোনটিতে রয়েছে ৫০ মেগাপিক্সেলের ট্রিপল ক্যামেরা, ৩২ মেগাপিক্সেলের সেলফি ক্যামেরা। যা দিয়ে রেকর্ড করা যাবে ফোর-কে ভিডিও।

৮ ও ১২ জিবি র‍্যামের সঙ্গে এতে থাকছে কয়েকটি রম ভ্যারিয়েন্ট, যার মধ্যে ১২৮, ২৫৬ জিবি রম।

ফোনটিতে দেয়া হয়েছে দীর্ঘস্থায়ী ও ৮০ ওয়াট ফার্স্ট চার্জিংয়ের ৪৫০০ এমএএইচের ব্যাটারি। যা ৫০ শতাংশ চার্জ হবে ১১ মিনিটে।

ফ্ল্যাগশিপটির দাম বাংলাদেশের বাজারে কত হবে সে বিষয়ে কিছু বলেনি ভিভো।

আরও পড়ুন:
দেশে ৫০ মেগাপিক্সেল ক্যামেরার ভিভো ওয়াই৩৩এস
৫০ মেগাপিক্সেল ক্যামেরার ভিভো ওয়াই৩৩এস ফোনের প্রিবুক শুরু
ভিভো ওয়াই৩৩এস: মিডরেঞ্জের ফোনে ৫০ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা
ভিভো ভি২৩ সিরিজ: স্মার্টফোন ক্যামেরায় বেঞ্চমার্ক
নতুন ভিভো ওয়াই২১টি স্মার্টফোনে যা আছে

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Realm 9 with holographic design is coming to the market on Sunday

হলোগ্রাফিক ডিজাইনের রিয়েলমি ৯ বাজারে আসছে রোববার

হলোগ্রাফিক ডিজাইনের রিয়েলমি ৯ বাজারে আসছে রোববার
রিয়েলমি ৯ ডিভাইসে ব্যবহার করা হয়েছে ‘গ্রেডিয়েন্ট যোগ স্টারলাইট’ ডিজাইন, যা অনেক নামি ব্র্যান্ডের প্যাকেজিং কৌশলের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ।

দেশে প্রথম রিপল হলোগ্রাফিক ডিজাইনের মোবাইল ফোন আনছে রিয়েলমি। রিয়েলমি ৯ ফোরজি ফোনটি বাংলাদেশের বাজারে ছাড়া হবে রোববার।

এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, প্রতিষ্ঠানটির হিরো প্রোডাক্ট লাইন নম্বর সিরিজের এ ডিভাইসটির ক্যামেরা পারফরম্যান্স ও ডিজাইন গোটা বিশ্বে তরুণদের মাঝে সাড়া ফেলেছে।

রিয়েলমি ৯ ফোরজি ডিভাইসে বিশ্বের প্রথম রিপল হলোগ্রাফিক ডিজাইন সল্যুশন নিয়ে আসা হয়েছে। বলা হচ্ছে, এর মধ্য দিয়ে ডিজাইন টেকনোলজিতে যোগ হয়েছে নতুন মাত্রা।

রিয়েলমি ৯ ডিভাইসে ব্যবহার করা হয়েছে ‘গ্রেডিয়েন্ট যোগ স্টারলাইট’ ডিজাইন। যা অনেক নামি ব্র্যান্ডের প্যাকেজিং কৌশলের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ।

এ বছরের ফেব্রুয়ারিতে উন্মোচিত হওয়া কোকাকোলা স্টারলাইট, লুইস ভ্যুইটনের স্টারলাইট অ্যাক্সেসরিজ কালেকশন ও মেইসন মারজিয়েলা এবং স্টোন আইল্যান্ডের ডিজাইনে একই রকম টুইঙ্কলিং স্টার ইফেক্ট ব্যবহার করা হয়েছে এতে।

রিয়েলমি ৯-এর টেক্সচার মরুভূমির বালির পরিবর্তন দ্বারা অনুপ্রাণিত। এই ডায়নামিক ডেজার্ট রিপল ইফেক্ট তৈরির জন্য রিয়েলমি স্বাধীনভাবে ইন্ডাস্ট্রির প্রথম ‘রিপল হলোগ্রাফিক গ্রেডিয়েন্ট কোটিং প্রসেস’ তৈরি করেছে এবং উদ্ভাবনী উপায়ে ‘সুপার কোটিং প্রসেস’ প্রয়োগ করেছে।

এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে টেক্সচারযুক্ত পণ্য তৈরি করার সময় স্যাচুরেটেড ও প্রাণবন্ত রং ফুটিয়ে তোলা সম্ভব।

প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, এই ইফেক্ট অর্জনে কঠিন প্রযুক্তিগত চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছে তারা। ফোনটির বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন পুরুত্ব আছে, সবচেয়ে পুরু এলাকাটি ৪২০ ন্যানোমিটার সাধারণ কালো আবরণের ১০ গুণ পুরুত্বে পৌঁছেছে।

ফিল্মটি যত পুরু হবে তত বেশি বাস্তবসম্মত হবে এবং এর ফলাফলও তত স্বাভাবিক হবে এবং সবশেষ যেটি তৈরি হবে তা হবে আরও টেক্সচারযুক্ত।

ফোনটি সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানতে রিয়েলমির ওয়েবসাইট (https://www.realme.com/bd/realme-9) ভিজিটের পরামর্শ দেয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন:
ঈদে রিয়েলমি ফোন কিনে বালি ভ্রমণ, বাইক জেতার সুযোগ
ঈদের আগে এলো রিয়েলমি সি৩১
দারাজে নববর্ষ ক্যাম্পেইনে মূল্য ছাড়ে রিয়েলমি নারজো ৫০আই
স্বল্প বাজেটে গেইমিং স্মার্টফোন আনল রিয়েলমি
শক্তিশালী গেইমিং প্রসেসরে আসছে নারজো ৫০

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
YouTubers 26 million dollars is now 1 thousand

ইউটিউবারের ২৮ লাখ ডলার এখন ১ হাজার

ইউটিউবারের ২৮ লাখ ডলার এখন ১ হাজার লুনা ধসে আর্থিক ক্ষতি হয়েছে ব্রিটিশ র‍্যাপার কেএসআইয়ের। ছবি: সংগৃহীত
ভবিষ্যতে দাম বাড়বে- এই আশায় যারা লুনা আঁকড়ে ধরেছিলেন, তারা ব্যাপক মাত্রায় আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন। বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ায় লুনা হোল্ডারদের হতাশা ব্যক্ত করতে দেখা যায়। এ তালিকায় রয়েছেন ব্রিটিশ র‍্যাপার কেএসআই। তিনি প্রায় ২৮ লাখ ডলার হারিয়েছেন।

ব্রিটিশ ইউটিউবার ও র‍্যাপার জেজে ওলাটুনজি, অনলাইনে যিনি কেএসআই নামে পরিচিত। দুটি ইউটিউব চ্যানেলে তার মোট ৪০ মিলিয়ন সাবস্ক্রাইবার রয়েছে। যেসব সেলিব্রেটি ক্রিপ্টোকারেন্সি টেরা (লুনা) হোল্ড করতেন, তার মধ্যে তিনিও একজন।

টুইটার পোস্টে গত ১২ মে কেএসআই নিজেই জানিয়েছিলেন, তার ২৮ লাখ ডলার সমমূল্যের লুনা এক দিনের মধ্যেই ১ হাজার ডলার হয়ে গেছে। তার টুইটার অনুসারীদের কয়েকজন বিষয়টি নিয়ে মজা করলেও দুঃখ প্রকাশ করেছেন অনেকেই। তবে তিনি নিজেও টুইটের মধ্যে হাসির ইমোজি যুক্ত করে দিয়েছেন।

এদিকে বিটকয়েনের দাম কমে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ক্রিপ্টোকারেন্সির অন্যান্য মুদ্রাতেও এর ব্যাপক প্রভাব পড়েছে। এরই মধ্যে দেউলিয়া হওয়ার আশঙ্কায় রয়েছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ও আমেরিকার ওয়ালস্ট্রিটের তালিকাভুক্ত ক্রিপ্টো মুদ্রার কেনাবেচার অনলাইন প্ল্যাটফর্ম কয়েনবেজ।

বিটকয়েন, ইথারিয়ামের মতো দাম হারিয়েছে অন্যান্য অল্টা কয়েনেরও। তবে সবচেয়ে বেশি দাম হারিয়েছে ক্রিপ্টো মুদ্রা টেরা (লুনা)। প্রতিশ্রুত মুদ্রা হিসেবে পরিচিতি পাওয়া লুনা ৯৯ শতাংশ দাম হারিয়েছে মুহূর্তেই। গত মাসে ক্রিপ্টোকারেন্সির তালিকায় শীর্ষ ১০-এ থাকা ১২০ ডলার দামের লুনা গত ১২ মে এক দিনের মধ্যেই ১ ডলারের নিচে নেমে আসে।

ভবিষ্যতে দাম বাড়বে এই আশায় যারা লুনা আঁকড়ে ধরেছিলেন, তারা ব্যাপক মাত্রায় আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন। বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ায় লুনা হোল্ডারদের হতাশা ব্যক্ত করতে দেখা যায়। এর মধ্যে একজন ব্রিটিশ ইউটিউবার কেএসআই।

কেএসআই বলছেন, তিনি লুনা ধরে রাখবেন। যদিও বিশেষজ্ঞদের মতে, সহসা লুনার দাম বাড়ার সম্ভাবনা নেই।

ইউক্রেনে রাশিয়ার সামরিক অভিযান প্রভাব ফেলেছে ক্রিপ্টোমুদ্রাতেও। ভার্চুয়াল সম্পদে আস্থা হারাচ্ছে মানুষ, এর বদলে দৃশ্যমান সম্পদ কিনতে চাইছে সবাই। ফলে দাম বাড়ছে সোনা ও ডলারের মতো মুদ্রার।

আরও পড়ুন:
ভিয়েতনাম কোম্পানির ইথারিয়াম চুরিতে দায়ী উত্তর কোরিয়া: যুক্তরাষ্ট্র
ক্রিপ্টোগেম এক্সি ইনফিনিটির ৬০০ মিলিয়ন ডলার চুরি
ক্রিপ্টো বিধিবিধান হালনাগাদ করছে রোমানিয়া-লাটভিয়া
ডিজিটাল মুদ্রা আনছে মেক্সিকো
ক্রিপ্টোকারেন্সি নিয়ে মোদির উদ্বেগ

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Tutankhamens knife made of meteor

উল্কার তৈরি তুতেন খামেনের ছোরা

উল্কার তৈরি তুতেন খামেনের ছোরা তুতেন খামেন ছিলেন মিশরীয় ১৮তম ফারাও সম্রাট। ছবি: সংগৃহীত
পোর্টেবল এক্স-রে ফ্লুরোসেন্স স্পেক্টমেটরি স্পেক্টোমেট্রির মাধ্যমে পরীক্ষা করে দেখা গেছে ফারাও সম্রাট তুতেন খামেনের ছোরায় নিকেল ১০.৮ শতাংশ ও কোবাল্টের পরিমাণ ০.৫৮ শতাংশ। যা অনেকটা উল্কাপিণ্ড থেকে প্রাপ্ত লোহার মতো।

প্রায় ৩ হাজার ৪০০ বছর আগে ফারাও সম্রাজ্যের অধিপতি ছিলেন তুতেন খামেন। ১৯২৫ সালে, লুক্সরের (প্রাচীন থিবস) কাছে ভ্যালি অফ কিং-এ তুতেনখামেনের সমাধি আবিষ্কারের ৩ বছর পর, ইংরেজ প্রত্নতাত্ত্বিক হাওয়ার্ড কার্টার ফারাও তুতেন খামেনের মমির চারপাশে আবৃত উপাদানের ভাঁজে লুকানো দুটি ছোরা খুঁজে পান। গবেষকরা বলছেন, এর মধ্যে একটি ছোরা তৈরি হয়েছে উল্কা থেকে প্রাপ্ত লোহা থেকে।

তুতেন খামেনের ডান উরুতে মোড়ানো ছিল একটি লোহার ছোরা, যার হাতল ছিল সোনার এবং শেয়ালের মুখাকৃতির সোনার খাপে ঢাকা ছিল। আর দ্বিতীয় ছোরাটি পাওয়া যায় ফারাওর পেটের ভেতর এবং এই ছোরাটি ছিল সম্পূর্ণ সোনার তৈরি।

তবে প্রত্নতাত্ত্বিকদের আগ্রহের কেন্দ্রে ছিল লোহার ছোরাটিই। কারণ ব্রোঞ্জ যুগে লোহা ছিল বিরল এবং সে সময় সোনার থেকেও একে মূল্যবান ভাবা হতো। যদিও প্রাচীন মিশর খনিজ সম্পদে সমৃদ্ধ ছিল।

তবে প্রত্নতত্ত্ববিদরা বলছেন, মিশরের ওল্ড কিংডমের (তৃতীয় সহস্রাব্দ) সময় পাওয়া লোহার বস্তুগুলো সম্ভবত উল্কা থেকে আসা ধাতু থেকে উৎপাদিত হয়েছিল। তুতের যুগের মিশরীয়রা শ্রদ্ধার সঙ্গে এটিকে ‘আকাশ থেকে লোহা’ বলে ডাকত।

মিলানের পলিটেকনিক ইউনির্ভাসিটি, ইতালির পিসা ইউনিভার্সিটি ও কায়রোর যাদুঘরের গবেষকরা এক নতুন গবেষণায় তুতেন খামেনের ছোরার লোহার সঙ্গে ১ হাজার ২৫০ মাইল ব্যাসার্ধের মধ্যে পড়া ১১টি উল্কাপিণ্ডের সঙ্গে তুলনা করেছেন। ২০০০ সালে মার্সা মাতরুহের কাছে আবিষ্কৃত খড়গা নামে পরিচিত উল্কাপিণ্ডের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে মিলে যায়।

পোর্টেবল এক্স-রে ফ্লুরোসেন্স স্পেক্টমেটরি স্পেক্টোমেট্রির মাধ্যমে পরীক্ষা করে দেখা গেছে তুতেন খামেনের ছোরায় নিকেল ১০.৮ শতাংশ ও কোবাল্টের পরিমাণ ০.৫৮ শতাংশ। যা অনেকটা উল্কাপিণ্ড থেকে প্রাপ্ত লোহার মতো। গবেষকরা বলছেন, খুব সম্ভব তুতেন খামেনের ছুরিও উল্কা থেকে প্রাপ্ত লোহা দিয়েই তৈরি।

নতুন এ গবেষণায় প্রাপ্ত ফলাফলের আলোকে তুতেন খামেনের সময় প্রাচীন মিশরে উল্কা থেকে প্রাপ্ত লোহার ব্যবহার নিয়ে আরও বিস্তর গবেষণার সুযোগ উন্মুক্ত হয়েছে।

তুতেন খামেন ছিলেন মিশরীয় ১৮তম ফারাও সম্রাট। মাত্র ৯ বছর বয়সে তিনি সিংহাসনে বসেন ও ১৯ বছর বয়সে প্রাণ হারান। গবেষকরা বলছেন, তার একটি পা ভাঙা ছিল ও সেখান থেকে সৃষ্ট গ্যাংগ্রিনেই তিনি মারা যান। তিনি ছিলেন ফারাও সম্রাট আখেনাতেনের পুত্র।

আরও পড়ুন:
মিশরের রাজপথে আবারও ফারাওরা

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Perseverance is an important step in the search for life on Mars

মঙ্গলে প্রাণের সন্ধানে গুরুত্বপূর্ণ ধাপে পারসিভারেন্স

মঙ্গলে প্রাণের সন্ধানে গুরুত্বপূর্ণ ধাপে পারসিভারেন্স প্রাচীন প্রাণের সন্ধানে মঙ্গলের শিলায় খননকাজ চালিয়ে আসছে পারসিভারেন্স। ছবি: সংগৃহীত
অতীতে মঙ্গলে কোনো প্রাণ ছিল কি না তা যাচাইয়ের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো শিলা পরীক্ষা করে দেখা। অ্যানসিয়েন্ট ডেল্টার শিলা শুধু পর্যবেক্ষণ করবে না, ভবিষ্যতে বিস্তারিত গবেষণার জন্য শিলা সংগ্রহ করবে পারসিভারেন্স। নাসার লক্ষ্য হলো ২০৩০-এর দশকে বিস্তারিত গবেষণার জন্য এই শিলাগুলোকে পৃথিবীতে নিয়ে আসা।

মঙ্গল নিয়ে জ্যোতির্বিজ্ঞানী থেকে শুরু করে মহাকাশ উদ্যোক্তাদের আগ্রহের শেষ নেই। বিশ্বের শীর্ষধনী ইলন মাস্ক তো মঙ্গলগ্রহে মানব বসতিই স্থাপন করতে চান। শুধু ইলনই নয়, নাসাও জানতে চায় মঙ্গল সম্পর্কে। মঙ্গলকে কী মানব বসতির জন্য উপযোগী করা যাবে, সেখানে কি কখনো প্রাণের অস্তিত্ব ছিল। এগুলো মঙ্গল সম্পর্কে খুব মৌলিক প্রশ্ন। যার উত্তর খোঁজার চেষ্টা করছে নাসা।

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মঙ্গলে প্রাণের সন্ধান ও জীবনধারণ নিয়ে গবেষণার জন্য পাঠানো নাসার পারসিভারেন্স রোভার তার মিশনের একটি বড় মুহূর্তে পৌঁছেছে।

বিজ্ঞানীরা ধারণা করে আসছেন, মঙ্গলে আদিমকালের প্রাণের অস্তিত্বের প্রমাণ পাওয়া যেতে পারে গ্রহটির অ্যানসিয়েন্ট ডেল্টা এলাকায়। আর মঙ্গলবারই ছয় চাকার রোবটটি এনসিয়েন্ট ডেল্টাতে উঠতে শুরু করবে। বলা হয়ে থাকে, এখন পর্যন্ত যতগুলো মিশন ভিন্ন গ্রহে পাঠানো হয়েছে তার মধ্যে বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য পারসিভারেন্সের সক্ষমতা সবচেয়ে বেশি।

নাসার পাঠানো এই রোবটটি এরই মধ্যে মঙ্গলে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেছে। প্রথমবারের মতো পারসিভারেন্স রোভারই মঙ্গলে অক্সিজেন উৎপাদন করেছে। হাইটেক এই রোবট ড্রোন হেলিকপ্টারও মঙ্গলের আকাশে উড়িয়েছে।

অতীতে মঙ্গলে কোনো প্রাণ ছিল কি না তা যাচাইয়ের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো শিলা পরীক্ষা করে দেখা। পারসিভারেন্স শুধু শিলা পরীক্ষা করেই দেখে না। শিলা সংগ্রহ করে অ্যানসিয়েন্ট ডেল্টার নিচে এনে সে শিলাগুলোকে জড়ো করবে। নাসার লক্ষ্য হলো ২০৩০-এর দশকে বিস্তারিত গবেষণার জন্য এই শিলাগুলোকে পৃথিবীতে নিয়ে আসা।

পারসিভারেন্স রোভারকে মঙ্গলে মিশনে পাঠানো হয়েছে প্রাণের অনুসন্ধানের জন্য। তাকে যেখানে নামানো হয় সেই স্থানটির নাম জেজেরো ক্রেটার। ধারণা করা হয়। সেখানে একসময় হ্রদ ছিল। ফলে সেখানে একসময় অণুজীবের মতো প্রাণের অস্তিত্ব থাকা অস্বাভাবিক নয়।

পরবর্তী সময়ে বিজ্ঞানীরা জেজেরো ক্রেটারের কাছেই অ্যানসিয়েন্ট ডেল্টা সন্ধান পায়। এর আকৃতিতে গবেষকদের ধারণা এর পাশে নদীর মতো প্রবাহ ছিল। ফলে একসময় সেখানে প্রাণ থাকা খুবই সম্ভব। তাই পারসিভারেন্সের অ্যানসিয়েন্ট ডেল্টার যাত্রায় উচ্ছ্বসিত মহাকাশ বিজ্ঞানীরা।

অ্যানসিয়েন্ট ডেল্টা প্রকৃত অর্থে এমন একটি কাঠামো, যা নদীর বয়ে আনা পলি দিয়ে তৈরি হয়। যেখানে থাকে জীবন ধারণের উপাদান, ফলে একসময় সেখানে অণুজীবের জীবন ধারণ অস্বাভাবিক কিছু নয়।

আরও পড়ুন:
চিকিৎসক, সাইক্লিস্ট যাবেন মহাকাশে
চার মাস পর চাঁদে নাসার ক্রুবিহীন ফ্লাইট
সৌরজগতের উৎপত্তি জানতে মহাকাশযান পাঠাল নাসা
মঙ্গল থেকে শিলার নমুনা সংগ্রহ করল রোবট
নাসার প্রধান বিল নেলসন

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
160 crore views on Tiktaks Ramadan campaign

টিকটকের রমজান ক্যাম্পেইনে ১৭০ কোটি ভিউ

টিকটকের রমজান ক্যাম্পেইনে ১৭০ কোটি ভিউ
ক্যাম্পেইনটিতে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় দলের ক্রিকেটার মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ, প্রখ্যাত মেকআপ শিল্পী সুমাইয়া মীম, জনপ্রিয় টিকটক কনটেন্ট নির্মাতা শাহাত বিন সেলিম এবং সুনেহরা তাসনিম।

ছোট ভিডিও-শেয়ারিংয়ের জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্ম টিকটক সম্প্রতি বাংলাদেশে তাদের #StitchKindness শীর্ষক রমজান ক্যাম্পেইন শেষ ঘোষণা দিয়েছে।

ক্যাম্পেইনটি রমজানের চেতনাকে ধারণ এবং ব্যবহারকারীদের মধ্যে দয়া ও দানের বার্তা ছড়িয়ে দিয়েছে। রোজা ও ঈদ উদযাপন উপলক্ষ্যে প্রচারিত পাঁচটি হ্যাসট্যাগের ক্যাম্পেইনটি এরইমধ্যে ১৭০ কোটির বেশিবার দেখা হয়েছে।

ক্যাম্পেইনটিতে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় দলের ক্রিকেটার মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ, প্রখ্যাত মেকআপ শিল্পী সুমাইয়া মীম, জনপ্রিয় টিকটক কনটেন্ট নির্মাতা শাহাত বিন সেলিম এবং সুনেহরা তাসনিম।

টিকটকের বিজ্ঞাপনটি প্রতীকী হলেও ব্যাপকভাবে প্রসংশিত হয়। বিনোদনের একটি মাধ্যম হলেও এর মাধ্যমে টিকটকের কমিউনিটির উন্নতি এবং বাংলাদেশিদের একত্রিত করার মনোভাব ফুটে উঠেছিল।

#StitchKindness হ্যাশট্যাগটি প্রায় ১০০ কোটিবার দেখা হয়েছে। ভিডিওগুলোতে তুলে ধরা হয়েছে নিঃস্বার্থ ও পরিশ্রমী মানুষদের, যারা রোজার সময় অন্যদের সাহায্য করেছেন এবং কঠিন পরিস্থিতিতেও তাদের দায়িত্ব পালন করে গেছেন।

সারা দেশের কনটেন্ট নির্মাতারা এই ক্যাম্পেইন উপলক্ষ্যে টিকটক বিজ্ঞাপনের সাথে তাদের ভিডিওগুলো স্টিচ করে একটি চেইন অব কাইন্ডনেস তৈরি করেছেন। ক্যাম্পেইনটি রমজান মাসে ‘আনসান হিরোদের’ প্রচেষ্টাকে সম্মানিত করেছে।

আরেকটি হ্যাশট্যাগ, #MaheRamadan যা ৩ কোটি ১৯ লাখের বেশিবার দেখা হয়েছে। টিকটক কমিউনিটির মধ্যে রজমান মাসের সারমর্ম ও চেতনা ছড়িয়ে দিতে ক্যাম্পেইনটি কাজ করেছে। এ ছাড়া #RojarDin উদ্যোগ টিকটক ব্যবহারকারীদের সেহরি এবং ইফতারের সময় স্বাস্থ্য সচেতনতা ও নিজের যত্ন সম্পর্কে জানান দিয়েছে। প্ল্যাটফর্মটিতে এটি ৩১৯.৯ মিলিয়নবার দেখা হয়েছে। ব্যবহারকারীরা #RamadanRecipe হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করে রমজানের প্রিয় খাবারের ভিডিওগুলোও শেয়ার করেছেন, যা ৮৫.৮ মিলিয়নেরও বেশি দেখা হয়েছে।

ক্যাম্পেইনটি শেষ হয়েছে দেশের অন্যতম বড় উৎসব- ঈদ-উল-ফিতর উদযাপনের মধ্য দিয়ে। আনন্দময় এই উৎসবকে উদযাপন করতে টিকটক কমিউনিটি #KhushirEid হ্যাসট্যাগটি ব্যবহার করে সবার মধ্যে ছড়িয়ে দিয়েছে। হ্যাসট্যাগটি ও প্রায় ১৮৭.৩ মিলিয়নবার দেখা হয়েছে। এ ছাড়া ঈদ উপলক্ষ্যে এক্সক্লুসিভ কিছু ফিল্টার ও ইন অ্যাপ ইফেক্ট চালু করেছিল টিকটক।

রমজান মাস সবসময়ই আত্মিক উন্নয়ন, উদযাপন ও জমায়েতের মাস হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে, তা অনলাইনে হোক বা অফলাইনে। এই ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে টিকটক পবিত্র রমজান মাসের চেতনা সারাবিশ্বের সকল কমিউনিটির সাথে উদযাপন করেছে। এ ছাড়া এর লক্ষ্য ছিল সৃজনশীলতাকে অনুপ্রাণিত করা এবং বিশ্বব্যাপী টিকটকের ক্রমবর্ধমান কমিউনিটির জন্য আনন্দ বয়ে আনা।

আরও পড়ুন:
ইউক্রেনের ভিডিও টিকটকে, রাতারাতি তারকা তরুণী
কমিউনিটি গাইডলাইনস লঙ্ঘন: ৯ কোটির বেশি ভিডিও সরিয়েছে টিকটক
টিকটক বানাতে গিয়ে ‘ধর্ষণ’: ৩ কিশোর গ্রেপ্তার
নিরাপদ ইন্টারনেট ব্যবহার উৎসাহিত করতে টিকটকের উদ্যোগ
গুগলকেও ছাড়িয়ে গেল টিকটক

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
The Changemakers team exchanged views with e cab members in Chittagong

চট্টগ্রামের ই-ক্যাব সদস্যদের সঙ্গে দ্য চেঞ্জমেকার্সের মতবিনিময়

চট্টগ্রামের ই-ক্যাব সদস্যদের সঙ্গে দ্য চেঞ্জমেকার্সের মতবিনিময় চট্টগ্রামে ই-ক্যাব সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময়ে দ্য চেঞ্জমেকার্স টিম।
টিমের সদস্য জিসান কিংশুক হক বলেন, 'চট্টগ্রামে আমরা ই-ক্যাবের একটি বিভাগীয় অফিস করতে চাই। সদস্য বান্ধব বিভিন্ন কার্যক্রমের মাধ্যমে এই শিল্প নগরীতে ই-ক্যাবকে আরও বিকশিত করাই আমাদের মূল লক্ষ্য।'

ইকমার্স অ্যাসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশ (ই-ক্যাব) এর চট্টগ্রাম বিভাগের সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছে কমার্স ইন্ডাস্ট্রিতে ইতিবাচক পরিবর্তনের ডাক দিয়ে যাত্রা শুরু দ্য চেঞ্জমেকার্স টিম।

ই-ক্যাবের স্থানীয় সদস্য রাফসান কমিউনিকেশনের স্বত্ত্বাধিকারী জহিরুল আলম, ব্যাচেলর ডটকমের সঞ্জয় চৌধুরীসহ চট্টগ্রামের ই-ক্যাব সদস্যরা এই মতবিনিময় সভার আয়োজন করে।

দ্য চেঞ্জমেকার্স টিমের সদস্য ওয়াসিম আলিম (বাংলামেডস), জিয়া আশরাফ (চালডাল), তাসদীখ হাবীব (ক্লিন ফোর্স লিমিটেড), জিসান কিংশুক হক (আরটিএস এন্টারপ্রাইজ), ফাতিমা বেগম (আদি বিডি), মোজাম্মেল হক মৃধা (কিনলে ডট কম), আবু সুফিয়ান নিলাভ (নিজল ক্রিয়েটিভ), বিপ্লব ঘোষ রাহুল (ই-কুরিয়ার) প্রমুখ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

টিমের সদস্য জিসান কিংশুক হক বলেন, 'চট্টগ্রামে আমরা ই-ক্যাবের একটি বিভাগীয় অফিস করতে চাই। সদস্য বান্ধব বিভিন্ন কার্যক্রমের মাধ্যমে এই শিল্প নগরীতে ই-ক্যাবকে আরও বিকশিত করাই আমাদের মূল লক্ষ্য।'

তিনি বলেন, 'আমাদের পরকিল্পনা আছে পর্যায়ক্রমে সারা দেশের ইক্যাব সদস্যদের সাথে মতবিনিময় করার।'

এসব মতবিনিময় সভা থেকে উঠে আসা বিভিন্ন সুপারিশ ভবিষ্যতে তারা সদস্যদের কল্যাণে বাস্তবায়ন করতে চান বলেও জানান।

মন্তব্য

উপরে