× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ পৌর নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট

আন্তর্জাতিক
12 crore was bought by lottery to redeem the money
hear-news
player
print-icon

টাকা ভাঙাতে লটারি কিনে মিলল ১২ কোটি

টাকা-ভাঙাতে-লটারি-কিনে-মিলল-১২-কোটি লটারির টিকিট হাতে সদানন্দন। ছবি: আনন্দবাজার পত্রিকা
বাজার করতে সেদিন সকালে ৫০০ টাকার একটি নোট নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়েছিলেন সদানন্দন। বিড়ম্বনায় পড়েন যখন দোকানি খুচরা দিতে পারছিলেন না। বাধ্য হয়ে কিনেছিলেন একটি লটারি। এতেই ঘুরে যায় ভাগ্যের চাকা।

একেই বলে ভাগ্য। কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে দিনমজুর থেকে বনে গেলেন কোটিপতি! শুনতে অবাক লাগলেও বৈধ পথে এখন ১২ কোটি টাকার মালিক কেরালার ওই রংমিস্ত্রি।

কোট্টায়ম শহরে বাস করা ওই ভাগ্যবান সদানন্দন ওলিপারাম্বিল। আচমকা ধনী হওয়ার মধুর ধাক্কা সামলাতে তিনি এখন ব্যস্ত।

আনন্দবাজার পত্রিকার খবরে বলা হয়েছে, লটারি কেনার ভীষণ বাতিক সদানন্দনের। এর আগে কয়েকবার লটারিতে টাকা জিতলেও সে টাকার পরিমাণ ছিল অল্প।

বাজার করতে সেদিন সকালে ৫০০ টাকার একটি নোট নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়েছিলেন সদানন্দন। বিড়ম্বনায় পড়েন যখন দোকানি খুচরা দিতে পারছিলেন না। বাধ্য হয়ে কিনেছিলেন একটি লটারি।

বিকেলে একটি খবরে এলাকায় হইহই পড়ে যায়। জানা যায়, এলাকার এক ব্যক্তি লটারির প্রথম পুরস্কার জিতেছেন। তবে জানতেন না, কে সেই আশীর্বাদপুষ্ট।

সদানন্দনের তখন মনে পড়ে সকালের লটারি কেনার কথা। দৌড়ে বাড়ি ফেরেন। জামার পকেট থেকে লটারি বের করে কাঁপা কাঁপা পায়ে রওনা দেন সেই দোকানে। সেখানে নম্বর মিলিয়ে হতভম্ব হয়ে যান তিনি।

লটারির প্রথম পুরস্কার ১২ কোটি টাকা জেতা সেই ভাগ্যবান যে সদানন্দন নিজেই। কয়েক দফা নম্বর মিলিয়ে দাবি করেন তার টাকা।

পুরো টাকা অবশ্য পাচ্ছেন না সদানন্দন। আয়কর কেটে প্রায় সাড়ে ৭ কোটি টাকা পাবেন তিনি।

আরও পড়ুন:
ভ্যাট লটারিতে পুরস্কার পেলেন যারা
‘লটারি’ টাকা ছাড়াই দেখা যাবে চরকিতে
স্কুলে ভর্তি: অনলাইনে আবেদন শুরু ২৫ নভেম্বর
সংসারও ভাঙল সবচেয়ে দুর্ভাগ্যবান ব্রিটিশ দম্পতির
ভর্তির লটারিতে এবার ছেলেদের স্কুলে মেয়ের নাম

মন্তব্য

আরও পড়ুন

আন্তর্জাতিক
Who will alleviate the suffering of male cockroaches?

পুরুষ তেলাপোকার কষ্ট ঘোচাবে কে?

পুরুষ তেলাপোকার কষ্ট ঘোচাবে কে? মিষ্টি স্বাদের কীটনাশক অনেক তেলাপোকার যৌনজীবনে পরিবর্তন এনেছে। ছবি: নিউ ইয়র্ক টাইমস
প্রাণ হারানোর মতো বিপদ এড়াতে অনেক প্রজাতির তেলাপোকার চিনিজাতীয় খাবারের প্রতি নিরাসক্তি জন্ম নিয়েছে। এতে বিপদ বেড়েছে পুরুষের। দেহ নিঃসৃত মিষ্টি স্বাদের শর্করায় বেশিক্ষণ আর আকৃষ্ট হচ্ছে না সঙ্গিনীরা।

‘মানুষের উপদ্রবে’ চোখে রীতিমতো অন্ধকার দেখছে কয়েক প্রজাতির পুরুষ তেলাপোকা। যৌন মিলনের জন্য বের করতে হয়েছে নতুন উপায়। যৌনজীবনে নেমে এসেছে বিষাদের ছায়া।

তেলাপোকা নিধনে যুগের পর যুগ মিষ্টি স্বাদের কীটনাশক ব্যবহার করছে মানুষ। এ কারণে তেলাপোকার অনেক প্রজাতি মিষ্টি খাওয়াই ছেড়ে দিয়েছে। বিজ্ঞানীরা দেখেছেন মিষ্টি খাবারের প্রতি মুখ ঘুরিয়ে নেয়া তেলাপোকাদের যৌনজীবনেও ঘটেছে ব্যাপক পরিবর্তন।

সাধারণত সঙ্গমে ইচ্ছুক পুরুষ তেলাপোকা সঙ্গিনীকে আকর্ষণের জন্য নিজের পশ্চাদ্‌দেশ এগিয়ে দেয়, ডানা মেলে ধরে এবং তারপর নিজের দেহনিঃসৃত খাবার গ্রহণের আমন্ত্রণ জানায়।

এই খাবারটি তৈরি হয় পুরুষ তেলাপোকার টেরগাল গ্রন্থির শর্করা ও চর্বির মাধ্যমে, যার স্বাদ মিষ্টি। খাবার গ্রহণে মত্ত সঙ্গিনীকে পুরুষ তেলাপোকাটি একটি যৌনাঙ্গের মাধ্যমে শরীরের সঙ্গে আটকে রাখে, আর অন্য যৌনাঙ্গের মাধ্যমে শুক্রাণু প্রবেশ করায়।

সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে সঙ্গমের সময়কাল ৯০ মিনিট পর্যন্ত হতে পারে। তবে এই আনন্দপূর্ণ মিলন গোলমেলে করে দিচ্ছে কীটনাশক। প্রাণ হারানোর মতো বিপদ এড়াতে অনেক প্রজাতির তেলাপোকার চিনিজাতীয় খাবারের প্রতি নিরাসক্তি জন্ম নিয়েছে। এতে বিপদ বেড়েছে পুরুষের। দেহনিঃসৃত মিষ্টি স্বাদের শর্করায় বেশিক্ষণ আর আকৃষ্ট হচ্ছে না সঙ্গিনীরা।

যুক্তরাষ্ট্রের নর্থ ক্যারোলিনা স্টেট ইউনিভার্সিটির বিজ্ঞানীরা ১৯৯৩ সালে জার্মান তেলাপোকার একটি বৈশিষ্ট্য আবিষ্কার করেন। এ ধরনের তেলাপোকার অস্তিত্ব একমাত্র অ্যান্টার্কটিকা ছাড়া বাকি সব মহাদেশেই কমবেশি আছে। তারা অবাক হয়ে দেখতে পান এসব তেলাপোকার গ্লুকোজজাতীয় মিষ্টি খাবারের প্রতি কোনো আকর্ষণ নেই বললেই চলে।

বিজ্ঞানীরা বলছেন, এসব তেলাপোকার চিনিবিমুখতার কারণ মোটেই স্বাস্থ্য সচেতনতা থেকে নয়। বরং এরা বংশগতভাবে ধীরে ধীরে মিষ্টিজাতীয় কীটনাশকের বিপদ সম্পর্কে সচেতন হয়েছে। মৃত্যুর ফাঁদ এড়াতে মিষ্টি খাবার এড়ানোয় সাফল্য অর্জন করেছে এরা।

নর্থ ক্যারোলিনা স্টেট ইউনিভার্সিটির কীটতত্ত্ববিদ আয়াকো ওয়াদা-কাতসুমাতা বলছেন, ‘আমরা বিবর্তনের কথা চিন্তা করার সময় সাধারণত বন্য প্রাণীদের বিষয়টিতে বেশি জোর দিই। অথচ আমাদের রান্নাঘরে বসবাসকারী ছোট প্রাণীদের ক্ষেত্রেও এটি ঘটছে।’

ড. ওয়াদা-কাতসুমাতা ও তার সহকর্মীরা তেলাপোকার এই রূপান্তর নিয়ে আরও বিস্তর গবেষণা করেছেন। এই গবেষণার ফল চলতি মাসে কমিউনিকেশনস বায়োলজি জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে।

বিজ্ঞানীরা বলছেন, এ ধরনের বিবর্তন স্ত্রী তেলাপোকাকে মিষ্টি স্বাদের বিষের টোপ এড়াতে সাহায্য করে। সেই সঙ্গে এই বৈশিষ্ট্য পুরুষ তেলাপোকার সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ মিলনের সম্ভাবনাও কমিয়ে দেয়।

বিজ্ঞানীরা বলছেন, বিবর্তিত তেলাপোকার লালা দ্রুত জটিল শর্করাকে ভেঙে ফেলতে সক্ষম। সাধারণ মিষ্টি খাবারের পাশাপাশি পুরুষ তেলাপোকার দেহনিঃসৃত চিনি বা গ্লুকোজে স্ত্রী তেলাপোকা কামড় বসানোমাত্র তার মুখ তেতো হয়ে যায়। ঘটনাটি এতটাই দ্রুত ঘটে যে পুরুষ তেলাপোকা তার দ্বিতীয় যৌনাঙ্গ ঠিকঠাক প্রবেশ করানোর আগেই চম্পট দেয় ‘বিরক্ত’ সঙ্গিনী।

স্ত্রী তেলাপোকার এভাবে দ্রুত সটকে পড়ায় মানুষের স্বস্তি পাওয়ার কিছু অবশ্য নেই। কারণ এর ফলে তেলাপোকার জন্মহারে তেমন কোনো হেরফের হয়নি।

ওয়াদা-কাতসুমাতা বলছেন, ‘ব্যাপারটি এতটা সরল নয়। কারণ, পুরুষ তেলাপোকা দীর্ঘ সঙ্গমের আনন্দ বঞ্চিত হলেও দ্রুততম সময়ে শুক্রাণু প্রবেশ করার বিকল্প উপায় ঠিকই বের করে নিয়েছে।‘

গবেষণাগারে পরীক্ষায় দেখা গেছে, সাধারণ তেলাপোকার তুলনায় মিষ্টিজাতীয় খাবারে আকর্ষণ হারানো প্রজাতির স্ত্রী তেলাপোকা আচরণগত দিক থেকে বেশি ছটফটে। এ কারণে এসব প্রজাতির পুরুষ তেলাপোকা দেহনিঃসৃত খাবার উপহার দেয়ার পরপরই দ্রুত সঙ্গমে ঝাঁপিয়ে পড়ে। আর এই সঙ্গম চলে খুব সামান্য সময় ধরে।

নর্থ ক্যারোলিনার কীটতত্ত্ববিদ ও গবেষণাপত্রের লেখক কোবি শ্যাল বলেছেন, ‘মিষ্টি খাবারে অনাগ্রহী স্ত্রী তেলাপোকাকে উপহারের খাবার খাওয়াতে পুরুষ তেলাপোকা সর্বোচ্চ তিন সেকেন্ড সময় ব্যয় করতে পারে। এ সময়ের মধ্যেই পুরুষ তেলাপোকাকে সঙ্গম শুরু করতে হয়। অন্য প্রজাতিতে এই সময়কাল অনেক দীর্ঘ।‘

ফলে দেখা যাচ্ছে মিষ্টি কীটনাশক বেশ কিছু প্রজাতির পুরুষ তেলাপোকার যৌনজীবনকে বিষিয়ে তুললেও এতে প্রজনন হারে কোনো ভাটা পড়েনি।

বিজ্ঞানীরা বলছেন, মিষ্টি খাবারের প্রতি তেলাপোকার অনাগ্রহ উল্টোদিকে প্রচলিত কীটনাশকের কার্যকারিতা কমিয়ে দিচ্ছে। এ জন্য কীটনাশকে কার্যকর নতুন উপাদান যোগ করার পরামর্শ দিচ্ছেন তারা।

আরও পড়ুন:
মানব যৌনতার ভবিষ্যৎ ‘উদ্ভট’
যৌন মিলনের পর অনেকে কেন কাঁদেন?
নারী ডেটে ডাকলে যৌনতার সম্ভাবনা বেশি
শিক্ষার্থী-শিক্ষক একসঙ্গে দেখবেন পর্ন মুভি! 
সাধারণ তেল যেভাবে পরিণত ‘যৌনশক্তিবর্ধক’ তেলে 

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Pebbles is the oldest dog in the world

বিশ্বের সবচেয়ে থুত্থুড়ে বুড়ো কুকুর ‘পেবলস’

বিশ্বের সবচেয়ে থুত্থুড়ে বুড়ো কুকুর ‘পেবলস’ বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক কুকুর পেবলস। ছবি: ইন্সটাগ্রাম
যদিও ববি ও জুলির প্রত্যাশা ছিল বড় জাতের কুকুর। আর পেবলস তেমনটা ছিল না। কিন্তু ববি খেয়াল করল কুকুরছানাটি তার পেছনে দৌড়াচ্ছে। যতবারই সে যাচ্ছে, ততবারই তার পাশে দৌড়াচ্ছে। জুলির ভাষায় এটি ছিল তাৎক্ষণিক ভালোবাসা। তখনও তারা জানতেনই না, এর ঠিক দুই দশক পর এই কুকুরছানাই হতে যাচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক কুকুর।

আর দশটা সাধারণ আমেরিকানের মতোই সাউথ ক্যারোলাইনার দম্পতি ববি ও জুলি সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন একটি পাপ্পিকে (কুকুরছানা) তাদের পরিবারে স্বাগত জানাবেন। তখনও তারা জানতেনই না, এর ঠিক দুই দশক পর তাদের পাপ্পি পেবলসই হতে যাচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক কুকুর।

জুলি বলছিলেন, সব সময় তিনি পত্রিকায় জেনে এসেছেন সবচেয়ে বেশি বয়সী মানুষের কথা কিন্তু এবার নিজের কুকুরই এই পৃথিবীর সবচেয়ে বয়সী কুকুর স্বীকৃতি পাওয়ায় তারা সম্মানিতবোধ করছেন।

পেবলসই যে বিশ্বের সবচেয়ে বয়সী কুকুর হতে পারে, এ সম্পর্কে তাদের কোনো ধারণা ছিল না। জুলি জানান, ববি সোফায় বসে আরাম করছিল এমন সময় তার বন্ধুরা ও পরিবারের সদস্যরা তাকে টেক্সট করতে শুরু করে যে ২১ বছর বয়সী টবিকেইথ বিশ্বের সবচেয়ে বয়সী কুকুর হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।

যখন জুলি ও ববি টবিকেইথের ঘটনা জানতে পারেন, তখন তারা বুঝতে পারেন টবিকেইথ নয়, তাদের পেবলসই এই বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক কুকুর। তখন তারা আবেদনের সিদ্ধান্ত নেন।

অবশেষে পেবলস সবচেয়ে বয়স্ক কুকুর হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ায় খুশি ববি ও জুলি দম্পতি।

যদিও ববি ও জুলির প্রত্যাশা ছিল বড় জাতের কুকুর। আর পেবলস তেমনটা ছিল না। কিন্তু ববি খেয়াল করল কুকুরছানাটি তার পেছনে দৌড়াচ্ছে। যতবারই সে যাচ্ছে, ততবারই তার পাশে দৌড়াচ্ছে। জুলির ভাষায় এটি ছিল তাৎক্ষণিক ভালোবাসা।

তবে যখন থেকে পেবলস তাদের বাড়িতে থাবা রেখেছে, তখন থেকেই সে এই বাড়ির রানি হিসেবে আছে। শুধু পেবলসই নয়, এই দম্পতির আরও ২৪টি কুকুর রয়েছে।

সদ্য ২২তম জন্মদিন পালন করা পেবলসের বয়স এখন ২২ বছর ৫৯ দিন। সে এখনও প্রাণবন্ত কুকুরই। যে গান শোনে, ঘুরে বেড়ায়। যদিও তার প্রিয় কোনো খেলনা নেই। ব্লাঙ্কেটে মুখ লুকানোই তার প্রধান খেলা। ২০১২ সাল থেকে তার চিকিৎসক তাকে ক্যাট ফুডের ডায়েট দিয়েছে।

কুকুর সাধারণত কতদিন বাঁচে?

কুকুরের বিভিন্ন জাতের মধ্যে কিছু ছোট আকারের কুকুর বড় কুকুরের থেকে বেশি দিন বাঁচে। এর পরও এরা সাধারণত ১০-১৫ বছর বাঁচে। কিছু জাত ১৮ বছরও বাঁচে।

আরও পড়ুন:
কুকুর দেখে পোস্ট ছেড়ে দৌড়ালেন গোলকিপার
সেন্ট মার্টিনের বেওয়ারিশ কুকুরের ঠিকানা টেকনাফ 
কুকুরের কামড়ে ৪ শিশু আহত
ভাইরাল সেই ব্যাংক কর্মকর্তা খেলেন কুকুরের কামড়
১২ জনকে কামড়ানো কুকুরকে পিটিয়ে হত্যা

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
There is no caste in love

ভালোবাসায় নেই জাতপাত

ভালোবাসায় নেই জাতপাত চীনের একটি চিড়িয়াখানার এই দৃশ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল। ছবি: টুইটার
ভিডিওতে দেখা যায়, চীনের চিড়িয়াখানায় একটি ল্যাব্রাডর কুকুর পরম যত্নে আগলে রাখছে তিনটি বাঘ শাবককে। শাবকগুলো কুকুরটিকে ঘিরে খেলছে।

সব সীমা অতিক্রম করতে পারে ভালোবাসা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সম্প্রতি ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে আবারও বিষয়টি প্রমাণ হয়েছে।

ভিডিওতে দেখা যায়, চীনের একটি চিড়িয়াখানায় একটি ল্যাব্রাডর কুকুর পরম যত্নে আগলে রাখছে তিনটি বাঘ শাবককে। শাবকগুলো কুকুরটিকে ঘিরে খেলছে।

শাবকগুলোর জন্মের পর তাদের মা সেগুলোকে ছেড়ে যায়। এই পরিস্থিতিতে এগিয়ে আসে কুকুরটি। তাদের সম্পর্ক দেখে মনে হতে পারে, জাতপাত তো দূরের কথা, ‘মায়ের’ ভালোবাসার কাছে কুকুর-বাঘের কোনো ভেদাভেদ নেই।

‘এ পিস অফ নেচার’ টুইটারে এই দৃশ্যটি শেয়ার করে রোববার। মূল ডিভিওটি ২৭ এপ্রিল ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করা হয়েছিল।

ভালোবাসার এমন দৃশ্যে আপ্লুত টুইটার ব্যবহারকারীরা। একজন লিখেছেন, ‘ল্যাব্রাডর কুকুরগুলো সত্যিই আশীর্বাদ।’

ইনস্টাগ্রামে একজন লিখেছেন, ‘তারা তাদের নতুন মাকে ভালোবাসে… তাদের বড় হতে দিন।’

আরেকজন লিখেছেন, ‘বাঘ এবং কুকুর। ভিন্ন প্রজাতি, কিন্তু ভালোবাসা একই থাকে।’

স্ত্রী বাঘ তার শাবক ত্যাগ করা নতুন ঘটনা নয়। ন্যাশনাল টাইগার কনজারভেশন অথরিটির (এনটিসিএ) স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) বলছে, একটা মা বাঘের শাবক ত্যাগ করার অনেক কারণ থাকে।

তারা বলছে, প্রথম কারণ হলো মা বাঘের মৃত্যু। এ ছাড়া দুর্বল, অক্ষম, আহত বা অসুস্থ হলে মা বাঘ শাবককে ত্যাগ করে। আবার কিছু স্ত্রী বাঘ আঘাতের কারণে শাবকদের খাওয়াতে পারে না বলে শাবককে ছেড়ে চলে যায়।

সাইবেরিয়ার গত বছর একটি রটওয়েলার কুকুর ও পরিত্যক্ত কালো চিতার গল্প ভাইরাল হয়েছিল।

লুনা নামের সেই চিতার জন্ম হয়েছিল একটি চলমান চিড়িয়াখানায়। জন্মের এক সপ্তাহ পর শাবকটিকে প্রত্যাখ্যান করেছিল তার মা। উপায় না দেখে কর্তৃপক্ষ হাজির হয় বন্য বিড়াল পুনর্বাসন বিশেষজ্ঞ ভিক্টোরিয়ার কাছে।

ভিক্টোরিয়া চিতা শাবকটিকে তার বাড়িতে নিয়ে যান। ভেনজা নামে তার রটওয়েলার কুকুরটির যত্নে সেটি বেড়ে উঠেছিল।

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Those who look exactly without being siblings

সহোদর না হয়েও চেহারা যাদের অবিকল

সহোদর না হয়েও চেহারা যাদের অবিকল
ডপলগ্যাঙার হলো দুজন একই রকম দেখতে মানুষ, যাদের মধ্যে জন্মসূত্রে কোনো সম্পর্ক নেই। বিষয়টি খুব বিরল হওয়ায় অনেকে এটি অতিপ্রাকৃত ঘটনাও মনে করেন।

উহ্! তোমার চেহারার সঙ্গে কী অদ্ভুত মিল লোকটার, ঠিক যেন মায়ের পেটের আপন ভাই বা বোন। জীবনে এমন কথা অনেকেই অনেকবার শুনে থাকেন। তবে বেশির ভাগ সময়েই এসব শুধু কথার কথা। একজনের চেহারার সঙ্গে আরেকজনের পুরোপুরি মিল খুঁজে পাওয়া সহজ কোনো ঘটনা নয়।

তবে তাই বলে এমন ঘটনা একেবারেই যে ঘটে না, তা কিন্তু বলা যাবে না। নিজের মতো দেখতে কাউকে খুঁজে পেলে আপনি হয়তো ভিরমি খাবেন, কিন্তু মেনে নিতে শিখুন ওই মিল থাকা ব্যক্তিটি আসলে আপনার ‘ডপলগ্যাঙার’

সোজা কথায় ডপলগ্যাঙার হলো দুজন একই রকম দেখতে মানুষ, যাদের মধ্যে জন্মসূত্রে কোনো সম্পর্ক নেই। বিষয়টি খুব বিরল হওয়ায় অনেকে এটি অতিপ্রাকৃত ঘটনাও মনে করেন।

সহোদর না হয়েও চেহারা যাদের অবিকল

২৩ বছর ধরে বিশ্বের নানা প্রান্তে এই ডপলগ্যাঙার জুটি খুঁজে বেড়াচ্ছেন কানাডিয়ান ফটোগ্রাফার ফ্র্যাঙ্কোস ব্রুনেল। তার প্রধান শখ বা লক্ষ্য হলো, যত বেশি সম্ভব ডপলগ্যাঙারদের ছবি তোলা।

আই অ্যাম নট অ্যা লুক অ্যালাইক নামের একটি প্রকল্প চালিয়ে যাচ্ছেন ব্রুনেল। এর আওতায় ডপলগ্যাঙারদের পরিচয়, সম্পর্ক এবং অনুভূতিগুলো চমৎকারভাবে প্রকাশ করা হচ্ছে।

সহোদর না হয়েও চেহারা যাদের অবিকল

ব্রুনেলের সাদাকালো ছবিগুলো সবই বলতে গেলে খুব সাধারণ। সাদা ব্যাকগ্রাউন্ড, সাদাকালো নেগেটিভ ফিল্মে তিনি তুলে এনেছেন গোটা দুনিয়া চষে খুঁজে পাওয়া ডপলগ্যাঙারদের ছবি। ছবির জুটিগুলো আশ্চর্যরকমভাবে দেখতে এক।

দুই দশকের বেশি সময়ের চেষ্টায় ব্রুনেল বিশ্বের ৩০টি শহরে আড়াই শ ডপলগ্যাঙারকে পেয়েছেন।

সহোদর না হয়েও চেহারা যাদের অবিকল
ডপলগ্যাঙার জুটিকে তাদের ছবি দেখাচ্ছেন ফ্র্যাঙ্কোস ব্রুনেল

এবার এসব ছবি দিয়ে একটি বই প্রকাশের কাজ করছেন ব্রুনেল। সেই সঙ্গে বিভিন্ন জায়গায় প্রদর্শনী আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে তার।

ফ্র্যাঙ্কোস ব্রুনেলের বাড়ি কানাডার মন্ট্রিলে। আই অ্যাম নট অ্যা লুক অ্যালাইক প্রকল্পের পাশাপাশি দ্য সেভেন এসেনশিয়াল টুলস ফর দ্য ক্রিয়েটিভ ফটোগ্রাফি শিরোনামে তার একটি বইও আছে।

আরও পড়ুন:
জনসম্মুখে গভর্নরকে চড় দিলেন ইরানি সেনা
স্ত্রীর চোখকে আরাম দিতে ঘুরন্ত বাড়ি তৈরি
স্ত্রীকে গোখরা সাপ দিয়ে হত্যার অপরাধে আমৃত্যু কারাদণ্ড
ঘরের ছাদ ভেঙে বিছানায় উল্কাপিণ্ড!
পায়ুপথে ৪২ লাখ রুপির স্বর্ণের গুঁড়ো!

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Struggling for alcohol in an overturned truck

উল্টে যাওয়া ট্রাকে মদের জন্য কাড়াকাড়ি

উল্টে যাওয়া ট্রাকে মদের জন্য কাড়াকাড়ি তামিলনা়ড়ুর মাদুরাইয়ে উল্টে যায় ট্রাকটি। ছবি: সংগৃহীত
কেরালার মানলুরের গুদাম থেকে একটি চালান নিয়ে এই সড়ক ধরে যাচ্ছিল একটি ট্রাক। পথে নিয়ন্ত্রণ হারায় সেটি, উল্টে যায় ট্রাক। আর এতে ট্রাকে থাকা বাক্সগুলো রাস্তায় ছড়িয়ে পড়ে। বেরিয়ে আসে সেগুলোতে থাকা মদের বোতল। আর এই মদের জন্যই হামলে পড়েছিল স্থানীয় লোকজন।  

তামিলনাড়ুর ব্যস্ত রাস্তা মাদুরাই। ভারী যানবাহন চলাচল করে মহাসড়কটিতে। সম্প্রতি এই সড়কে নেমেছিল মানুষের ঢল। এতে একপর্যায়ে সড়কটিতে বন্ধ হয়ে যায় যান চলাচল। কিন্তু কেন এই ঢল নেমেছিল?

কেরালার মানলুরের গুদাম থেকে একটি চালান নিয়ে এই সড়ক ধরে যাচ্ছিল একটি ট্রাক। পথে নিয়ন্ত্রণ হারায় সেটি, উল্টে যায় ট্রাক। আর এতে ট্রাকে থাকা বাক্সগুলো রাস্তায় ছড়িয়ে পড়ে। বেরিয়ে আসে সেগুলোতে থাকা মদের বোতল। আর এই মদের জন্যই হামলে পড়েছিল স্থানীয় লোকজন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে বোতলভর্তি মদ কুড়ানোর দৃশ্য। ভিডিও দেখে মনে হতে পারে, যেন কোনো প্রতিযোগিতা চলছে; কার আগে কে বেশি বোতল নিতে পারে। এসব নিয়ে হট্টগোল বেধে যেতেও দেখা গেছে।

উল্টে যাওয়া ট্রাকে মদের জন্য কাড়াকাড়ি

পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বাহিনীটি জানায়, ট্রাকে আনুমানিক ১০ লাখ টাকার মদ ছিল।

ঠিক এমন ঘটনা গত ২০ এপ্রিল ঘটেছিল মধ্যপ্রদেশে। বিয়ারের কার্টন বহনকারী একটি গাড়ির সঙ্গে বারওয়ানি জেলায় অন্য একটি গাড়ির সংঘর্ষ হয়।

দুর্ঘটনার পর ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন আশপাশের লোকজন। তবে এই তৎপরতা উদ্ধারের জন্য না। রাস্তায় পড়ে থাকা বিয়ারের কার্টন নেয়ায় ব্যস্ত ছিলেন তারা। পরে পুলিশ এসে অবশিষ্ট বিয়ায়ের কার্টনগুলো জব্দ করে।

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
What a wonderful way to screw people over

আমৃত্যু তারুণ্য ধরে রাখার এ কেমন অদ্ভুত উপায়

আমৃত্যু তারুণ্য ধরে রাখার এ কেমন অদ্ভুত উপায় অন্ত্রের অণুজীব আবার ফিরিয়ে দিতে পারে তারুণ্য। ছবি: সংগৃহীত
বিজ্ঞানীরা বলছেন, বয়স বাড়ার সঙ্গে যেসব রোগব্যাধি এবং শারীরিক দুর্বলতা আমাদের ঘিরে ধরে তার পেছনে দুর্বল অন্ত্রের বড় ভূমিকা রয়েছে। এই দুর্বল অন্ত্রকে সজীব করে তোলায় নবীন অন্ত্রের অণুজীব বেশ কার্যকর।

দিনে দিনে বেড়ে চলা বয়সের লাগাম টেনে ধরা গেলে কেমন হতো? শুধু লাগাম টানাই নয়; যদি বুড়িয়ে যাওয়া জীবনে আবার ফেরানো যেত তারুণ্য, তাহলে বদলে যেত সব হিসাব-নিকাশ।

আমৃত্যু তারুণ্য ধরে রাখার বিষয়টি ভবিষ্যতে হয়তো আর অধরা স্বপ্ন হয়ে থাকবে না। এ বিষয়ে বিশ্বের বিভিন্ন জায়গায় চলছে গবেষণা, বেশকিছু সম্ভাবনাও খুঁজে পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা।

এসব গবেষণার অনেক বেশ চমকপ্রদ, আবার কোনোটি একেবারেই ‘মেনে নেয়ার মতো নয়’। বিজ্ঞানবিষয়ক জার্নাল মাইকোবায়োমে সম্প্রতি সেই ‘মেনে না নেয়ার’ মতো এক গবেষণা প্রকাশিত হয়েছে। এতে দেখা যাচ্ছে, বয়সের লাগাম টানতে দারুণ কার্যকর মলের অণুজীব (মাইক্রোব)!

আঁতকে উঠবেন না। ওই গবেষণায় অল্প বয়সী ইঁদুরের মলের অণুজীব ধেড়ে ইঁদুরে প্রতিস্থাপনের পর তাদের ফের তাগড়া হয়ে উঠতে দেখা গেছে। অণুজীবগুলো বিস্ময়করভাবে ধেড়ে ইঁদুরের অন্ত্র ফের সুগঠিত করেছে, জ্যোতি বাড়িয়েছে চোখে, এমনকি মগজের বুড়িয়ে যাওয়ার লক্ষণগুলোও উধাও করে দিয়েছে।

এই গবেষণায় বয়স্ক ইঁদুরের মলের অণুজীব নবীন ইঁদুরে প্রতিস্থাপন করে ঠিক উল্টো ফল পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। নবীন ইঁদুরগুলোর মস্তিষ্কে তৈরি হয়েছে বার্ধক্যজনিত নানান প্রদাহ, কমে গেছে দৃষ্টিশক্তি। অনেকটা ইঁচড়ে পাকা আচরণ দেখা গেছে সবার মধ্যে।

বিজ্ঞানীরা বলছেন, বয়স বাড়ার সঙ্গে যেসব রোগব্যাধি এবং শারীরিক দুর্বলতা আমাদের ঘিরে ধরে তার পেছনে দুর্বল অন্ত্রের বড় ভূমিকা রয়েছে। এই দুর্বল অন্ত্রকে সজীব করে তোলায় নবীন অন্ত্রের অণুজীব বেশ কার্যকর। অল্প বয়স্ক ইঁদুরের মলের অণুজীবগুলো ধেড়ে ইঁদুরের ক্ষেত্রে ওই কাজটিই করেছে।

গবেষণাপত্রে গবেষকরা লিখেছেন, ‘আমরা হাইপোথিসিসটি পরীক্ষা করেছি। সেই হাইপোথিসিসটি হলো অন্ত্রের মাইক্রোবায়োটা বার্ধক্যের সঙ্গে জড়িত বেশকিছু প্রধান রোগের বিস্তারকে প্রভাবিত করে। বিশেষ করে মস্তিষ্ক এবং চোখের রেটিনার প্রদাহ নিয়ন্ত্রণে এর ভূমিকা রয়েছে।’

বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মগজের চারপাশে এবং চোখের রেটিনায় প্রদাহের মাত্রা বেড়ে যায়। বয়সের সঙ্গে সম্পর্কিত দীর্ঘস্থায়ী এই প্রদাহকে বলা হয় ‘ইনফ্লেমিং’। এর সঙ্গে দেহের বিশেষ ধরনের রোগপ্রতিরোধী কোষেরও সম্পর্ক রয়েছে।

গবেষণায় দেখা গেছে, ছোট ইঁদুরের অন্ত্রের অণুজীব বয়স্ক ইঁদুরে প্রতিস্থাপন করলে এই প্রদাহ কমে আসতে শুরু করে। আর বিপরীত কাজটি করলে অন্ত্রের বার্ধক্য এবং প্রদাহের লক্ষণ দেখা দেয় ছোট ইঁদুরের মাঝে।

অন্ত্রের জটিল রোগের চিকিৎসায় মল প্রতিস্থাপনের কৌশল এখনও প্রয়োগ করছেন চিকিৎসকরা। তবে মলের অণুজীব বয়সেরও লাগাম টানতে পারে সেটা সুনির্দিষ্টভাবে এই প্রথম প্রমাণিত হলো।

গবেষণাটি আরও বড় পরিসরে করার ওপর জোর দিচ্ছেন বিজ্ঞানীরা। যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অফ ইস্ট অ্যাংলিয়ার জীববিজ্ঞানী সাইমন কার্ডিংয়ের ভাষায়, এই গবেষণাটি যুগান্তকারী। এর মাধ্যমে বার্ধক্যজনিত রোগের সঙ্গে অন্ত্রের অণুজীবের সরাসরি সম্পর্ক উদ্ঘাটিত হয়েছে। এই গবেষণা বয়স নিয়ন্ত্রণে অন্ত্রে অণুজীব প্রতিস্থাপনে থেরাপির পথ উন্মোচন করতে পারে।

আরও পড়ুন:
যৌন মিলনের পর অনেকে কেন কাঁদেন?
‘সূর্যই ঘুরছে পৃথিবীর চারদিকে’, আমানতের দাবি কেন ভুল
চোখ যে মনের কথা বলে
নারী ডেটে ডাকলে যৌনতার সম্ভাবনা বেশি
সঙ্গীরা একদম বোরিং, কেন?

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
The mother gave the child breast milk jewelry

সন্তানকে বুকের দুধের গয়না দিলেন মা

সন্তানকে বুকের দুধের গয়না দিলেন মা জমাট বাঁধা বুকের দুধ দিয়ে তৈরি করা হয়েছে এই গয়না। ছবি: অরেঞ্জ ভিজুয়ালস।
বুকের দুধ দিয়ে কেন গয়না বানানো- এমন প্রশ্নে সুমনা জানান, তার ব্রেস্টফিডিং জার্নিটা খুব কঠিন ছিল। সেই সংগ্রামের দিনগুলোর কথা ভেবেই এই আইডিয়া মাথায় আসে।

এক জোড়া কানের দুল ও একটি নেকলেসের নজরকাড়া সেট। ছবি দেখে যে কেউ ভাববেন, সোনার তৈরি অলঙ্কারে বসানো হয়েছে মুক্তা।

তবে ছবির সঙ্গে জুড়ে দেয়া পোস্টটি পড়ে জানা গেল, সোনার গয়নায় বসানো সাদা রংয়ের যে বস্তুটি আসলে জমাট বুকের দুধ!

এক নারীর বুকের দুধ দিয়ে বানানো হয়েছে গয়নাটি। সেটি বানিয়েছে সিক্স ইয়ার্ডস স্টোরি নামের ফেসবুকভিত্তিক একটি গয়নার দোকান।

ভিন্নধর্মী নকশার গয়নার জন্য সাধারণ গ্রাহকের পাশাপাশি তারকাদেরও পছন্দের পেজ এটি।

এবার মা দিবসের সন্ধ্যায় ব্রেস্টমিল্ক দিয়ে তৈরি গয়না হাজির করে সবাইকে চমকে দিয়েছে অনলাইন শপটি।

সিক্স ইয়ার্ডস স্টোরির উদ্যোক্তা জেরিন তাসনিম খান ও গয়নাটির গ্রাহক সুমনা রশীদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে নিউজবাংলা জানতে পারে নবজাতক সন্তানকে নিয়ে মায়ের এক সংগ্রামের গল্পও।

জেরিন জানান, সুমনা রশীদ প্রায় ছয় মাস আগে তার পেজের নক করে নিজের বুকের দুধ দিয়ে মেয়ের জন্য গয়না বানিয়ে দেয়ার অনুরোধ করেন।

জেরিন বলেন, ‘সুমনা আপু প্রায় ৬ মাস আগে আমাদের পেজে নক করে জানান যে তিনি তার মেয়ের জন্য তার ব্রেস্টমিল্ক দিয়ে জুয়েলারি বানাতে চান। আমাদের কাজ তার পছন্দ বলে আমাদের দিয়েই বানাতে চান।

‘তিনি (সুমনা) জানান যে এ রকম বাইরের দেশে হয়, তাই তিনি নিশ্চিত এটা সম্ভব এবং আমরাই পারব। আমার পেজ ম্যানেজাররা বিষয়টি আমাকে জানায়। আমি পরে ওই আপুর সঙ্গে সরাসরি ফোনে যোগাযোগ করি। আমি তাকে জানাই যে আমি ইন্টারেস্টেড, তবে সাকসেসফুল হবো কি না সে নিশ্চয়তা দিতে পারব না।

‘সুমনা আপু বললেন তিনি তার মেয়েকে এই জুয়েলারি দিতে চান; সময় লাগলেও আমরা যেন করে দেই। তিনি জুয়েলারিটা সোনার উপর চান। এইতো। এভাবেই কাজ শুরু করি।’

বুকের দুধ দিয়ে গয়না বানাতে গিয়ে বেশ ঝক্কি পোহাতে হয়েছে বলে তিনি জানান।

সন্তানকে বুকের দুধের গয়না দিলেন মা

জেরিন বলেন, ‘এ রকম তো আগে কখনও করিনি, বিভিন্ন দেশে এমন হয় আমিও শুনেছি। তবে ঠিক কীভাবে করে তা জানতাম না, জানার দরকারও ওভাবে হয়নি। সুমনা আপু বলার পর আমি ইউটিউব ঘেঁটে, বিভিন্ন আর্টিক্যাল পড়ে শিখতে চেষ্টা করি।

‘তবে সেসব কন্টেন্ট বিদেশের। সেখানে যেসব ম্যাটেরিয়াল অ্যাভেইল্যাবল, সেসব দিয়ে বানানো। আমাকে তো দেশে পাওয়া যায় এমন জিনিস দিয়ে বানাতে হবে। তাই দেশি এলিমেন্টও খুঁজতে হয়েছে। প্রথম কাজই ছিল বুকের দুধ প্রিজার্ভ কীভাবে করা যায় সেটা বের করা।

‘আমরা পরীক্ষামূলকভাবে গরুর দুধ দিয়ে জুয়েলারির মূল অংশটা বানাতে ট্রাই করলাম। সেটা হওয়ার পর মেটালে সেট করে সুমনা আপুকে দেখাই। আপুর অ্যাপ্রুভালের পরই তার বুকের দুধ আনিয়ে সোনার উপর মূল কাজ শুরু করি।’

জেরিন জানান, শুরুতে গয়নার কোনো নকশা মাথায় ছিল না। কাজটা সম্ভব কি না সেটা নিয়ে নিরীক্ষা চলছিল। সম্ভব নিশ্চিত হওয়ার পরই নকশা নিয়ে ভাবেন তিনি।

জেরিন বলেন, ‘নকশা কী হবে ভাবতে গিয়ে মাথায় আসে, বুকের দুধের ফোটার মতো নকশা করা যেতে পারে। সুমনা আপুকে দেখালাম স্যাম্পল। তিনি খুবই পছন্দ করলেন। সেভাবেই বানিয়ে দিয়েছি। অনেক সময় লেগেছে, প্রায় ৬ মাস... তারপরও আপু খুব ধৈর্য ধরে সঙ্গে ছিলেন। তিনি খুবই খুশি। এমন ভিন্ন ধরনের কাজ করতে পেরে আমারও বেশ ভালো লেগেছে।’

এই গয়নার ছবি ও পোস্ট ফেসবুক পেজে দেয়ার পরপরই বেশ সাড়া পাওয়া গেছে বলে জানান জেরিন। অনেকেই তার পেজে নক করে ব্রেস্টমিল্ক জুয়েলারি বানিয়ে দিতে বলেছেন। তবে পাশাপাশি কিছু সমালোচনাও এসেছে।

জেরিন বলেন, ‘ব্রেস্টমিল্ক দিয়ে ওই সেটটা বানানোর একটা ভিডিও দিয়েছিলাম পেজে। এরপর বেশ কিছু বাজে ফিডব্যাক পাই। পরে ভিডিওটা ডিলিট করে দেই।

‘আসলে ব্রেস্টফিডিং নিয়ে এখনও নানা ট্যাবু আছে এ দেশের মানুষের মধ্যে। প্রকাশ্যে এসব নিয়ে আলোচনা তো হয় না। সেখানে এমন একটা কাজ করেছি, সেটা অনেকেই হয়ত হজম করতে পারেননি।’

ওই গয়নার ক্রেতা সুমনা রশীদের সঙ্গেও কথা বলেছে নিউজবাংলা।

তিনি জানান, তার মেয়ে মেহভীশ আনিরা মোহসীনের জন্য এই গয়না বানিয়েছেন। মেয়ের বয়স প্রায় দুই বছর।

সন্তানকে বুকের দুধের গয়না দিলেন মা

বুকের দুধ দিয়ে কেন গয়না বানানো- এমন প্রশ্নে সুমনা জানান, তার ব্রেস্টফিডিং জার্নিটা খুব কঠিন ছিল। সেই সংগ্রামের দিনগুলোর কথা ভেবেই এই আইডিয়া মাথায় আসে।

কী ধরনের সংগ্রাম?

সুমনা নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমার মেয়ে জন্মের পর থেকে ল্যাচ (স্তন্যগ্রহণ) করছিল না। করোনার ভয়াবহ পরিস্থিতির সময় তার জন্ম। তাই নার্সরাও কাছে ঘেঁষত না। ডাক্তাররাও কিছু বলতে পারে না। আমিও বুঝতে পারছিলাম না কেন মেয়ে দুধ খাচ্ছে না। কারও কোনো গাইডেন্সও পাইনি। উল্টো সবাই আমাকে বলতে থাকে আমারই ব্রেস্টমিল্ক নেই।

‘আমি ফেসবুকে তখন দেশি-বিদেশি বিভিন্ন মম গ্রুপে অ্যাড হই। সেখান থেকে জানতে পারি যে ল্যাচ করে না এমন নিউবর্ন (নবজাতক) আরও আছে। সেসব গ্রুপ আর ইন্টারনেট ঘেঁটে আমি বুঝতে পারি যে আমার মেয়ের লিপ-টাই সমস্যা আছে। এ সমস্যা থাকলে বাচ্চা ঠিকমতো ল্যাচ করতে পারে না। পরে বিষয়টা নিয়ে ডাক্তারদের সঙ্গে কথা বলে নিশ্চিত হই আমার মেয়ের এটাই সমস্যা।

‘এরপর নেট ঘেঁটেই বিভিন্ন পদ্ধতি শিখে আমি বাচ্চাকে ট্রেনিং দিতে শুরু করি। জন্মের প্রায় আড়াই মাস পর আমার মেয়েকে ব্রেস্টফিড করাতে পারি। ওই স্ট্রাগলের সময়টা খুব কঠিন ছিল। একে তো মেয়ে দুধ খেতে পারছিল না, সেটা নিয়ে দুশ্চিন্তা। তার উপর আশপাশের লোকজনের নানা কটূ-তীর্যক কথা ছিলই।’

সুমনা জানান, এই ওয়েবসাইট ঘাঁটতে গিয়েই তিনি জানতে পারেন বাইরের দেশে বুকের দুধ নিয়ে গয়না বা কিপসেক বানানো যায়। অনেকে স্মৃতি ধরে রাখতে এমন বানায়। তখন তিনিও এমন কিছু করার কথা ভাবলেন। সিক্স ইয়ার্ডস স্টোরির গয়না তার এমনিতেই পছন্দ ছিল। তাই তাদের সঙ্গেই আইডিয়া শেয়ার করেন।

সুমনা বলেন, ‘আমি আমার আইডিয়া বলি, তারাও আগ্রহ দেখায়। আমার তাড়া ছিল না, খুব যে প্রয়োজন তাও না, ভেবেছিলাম বলে দেখি। যদি হয়ে যায় আর কি। তারা জানাল করে দেবে। আমি সে সময়ই ব্রেস্টমিল্ক কালেক্ট করে ফ্রিজে রেখে দেই। এই মাস দুয়েক আগে গয়নাটা হাতে পাই। খুবই ভালো লেগেছে পেয়ে।’

সন্তানকে বুকের দুধের গয়না দিলেন মা

তবে গয়নাটি নিয়ে পরিচিতজনদের কাছ থেকে অপ্রীতিকর মন্তব্য শুনতে হয়েছে বলে জানান সুমনা।

তিনি বলেন, ‘আমি খুব আগ্রহ নিয়ে সবাইকে সেটটা দেখিয়েছি। কেউ কেউ বলেছে এটার কী দরকার ছিল, এটা আর এমন কী, এই গয়নার পেছনে টাকা নষ্ট করার কী আছে, এমন কোনো প্রেশিয়াস স্টোন তো না যে সোনার উপর করতে হলো। এরা আসলে এটার গুরুত্ব বুঝতে পারেনি। এটার পেছনে যে আমার ইমোশন সেটা বোঝেনি।’

সুমনা বলেন, ‘আমার মেয়ে এই গয়না দেখে আমার ব্রেস্টফিডিংয়ের স্ট্রাগলটা মনে রাখুক, এটা আমি চাই না। তাকে আমার স্ট্রাগল জানতে হবে না। আমি চাই, এটা দেখে সে জানবে যে আমার মাধ্যমে সে ব্রেস্টমিল্কের রূপে আসলে একটা ব্লেসিং পেয়েছে। আর ব্রেস্টফিডিংয়ের জার্নিটা আমার কাছেই না হয় মেমোরেবল থাকুক।’

আরও পড়ুন:
মায়ের প্রতি অপার ভালোবাসা কৃষকের
৩৮ মা পেলেন রত্নগর্ভা পুরস্কার

মন্তব্য

p
উপরে