পারমাণবিক স্থাপনা ও বন্দিদের তালিকা বিনিময় ভারত-পাকিস্তানের

player
পারমাণবিক স্থাপনা ও বন্দিদের তালিকা বিনিময় ভারত-পাকিস্তানের

১৯৯২ সাল থেকে তালিকা বিনিময়ের এই অনুশীলন অব্যাহত রয়েছে। কাশ্মীর ইস্যু এবং আন্তসীমান্ত সন্ত্রাসবাদ নিয়ে দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কের টানাপড়েনের মধ্যেও তালিকার বিনিময় হয়েছিল।

পারমাণবিক স্থাপনা ও বন্দিদের তালিকা বিনিময় করেছে ভারত ও পাকিস্তান।

শনিবার একটি বার্ষিক অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে দুই দেশ এই তালিকা বিনিময় করে বলে ভারত ও পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিৃবতিতে বলা হয়েছে।

তালিকা বিনিময়ের শর্ত হলো- শত্রুতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে কেউ কাউকে আক্রমণ করতে পারবে না।

পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দপ্তরে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ভারতীয় হাইকমিশনের প্রতিনিধির কাছে দেশটির পারমাণবিক স্থাপনা ও সুবিধার তালিকা আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হয়।

একইভাবে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নয়াদিল্লিতে তাদের পারমাণবিক স্থাপনা ও সুযোগ-সুবিধার তালিকা পাকিস্তান হাইকমিশনের প্রতিনিধিকে বেলা ১১টার দিকে হস্তান্তর করেছে।

১৯৮৮ সালে স্বাক্ষরিত এবং ১৯৯১ সালে অনুমোদিত পারমাণবিক স্থাপনা ও সুবিধাগুলোর তালিকা বিনিময় চুক্তি অনুযায়ী, ভারত ও পাকিস্তান উভয় দেশকে পরমাণু স্থাপনা সম্পর্কে একে অন্যকে জানাতে হবে।

১৯৯২ সাল থেকে তালিকা বিনিময়ের এই অনুশীলন অব্যাহত রয়েছে। কাশ্মীর ইস্যু এবং আন্তসীমান্ত সন্ত্রাসবাদ নিয়ে দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কের টানাপড়েনের মধ্যেও তালিকার বিনিময় হয়েছিল।

এবার পাকিস্তান ইসলামাবাদে ভারতীয় হাইকমিশনের সঙ্গে পাকিস্তানে ৬২৮ জন ভারতীয় বন্দির তালিকা বিনিময় করেছে, যার মধ্যে ৫১ জন বেসামরিক এবং ৫৭৭ জন জেলে রয়েছেন।

এ ছাড়া ভারত সরকার নয়াদিল্লিতে পাকিস্তানের হাইকমিশনের সঙ্গে ২৮২ জন বেসামরিক এবং ৭৩ জন জেলেসহ ভারতে ৩৫৫ জন পাকিস্তানি বন্দির তালিকা বিনিময় করেছে।

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘২০০৮ সালের ২১ মে স্বাক্ষরিত পাকিস্তান ও ভারতের মধ্যে চুক্তির অধীনে উভয় দেশকে বছরে দুবার, ১ জানুয়ারি এবং ১ জুলাই একে অপরের হেফাজতে থাকা বন্দিদের তালিকা বিনিময় করতে হবে।’

আরও পড়ুন:
ভারতের অধিনায়ক রাহুল, ৫ বছর পর ফিরলেন আশউইন

শেয়ার করুন

মন্তব্য

দিল্লিতে গায়ে আগুন দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা

দিল্লিতে গায়ে আগুন দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা

ঘটনার পর পুরো এলাকা ঘিরে ফেলে পুলিশ। ছবি: ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

ওই ব্যক্তির নাম রাজভর গুপ্তা। তার বয়স ৫০। তিনি উত্তর প্রদেশের নয়দা শহরের বাসিন্দা। আত্মহত্যার চেষ্টার কারণ জানা যায়নি।

দিল্লিতে সুপ্রিম কোর্টের সামনে গায়ে আগুন ধরিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন এক ব্যক্তি। স্থানীয় সময় শুক্রবার বেলা ২টার দিকে আদালতের নতুন ভবনের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

টাইমস অফ ইন্ডিয়ার খবরে বলা হয়েছে, ওই ব্যক্তির নাম রাজভর গুপ্তা। তার বয়স ৫০। তিনি উত্তর প্রদেশের নয়দা শহরের বাসিন্দা। আত্মহত্যার চেষ্টার কারণ জানা যায়নি।

এ সময় সেখানে উপস্থিত পুলিশ সদস্যরা তাকে উদ্ধার করেন। লোক নায়েক জয় প্রকাশ নারায়ণ হাসপাতালে তিনি ভর্তি আছেন।

চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তার অবস্থা স্থিতিশীল। কেবল চুল এবং কাপড় পুড়েছে। তাকে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।

ঘটনাস্থল থেকে আলামত জব্দ করে বিষয়টি খতিয়ে দেখছে দিল্লি পুলিশ।

আরও পড়ুন:
ভারতের অধিনায়ক রাহুল, ৫ বছর পর ফিরলেন আশউইন

শেয়ার করুন

ভারতীয় কিশোরকে নিয়ে গেছে চীন

ভারতীয় কিশোরকে নিয়ে গেছে চীন

অপহরণের শিকার মিরাম তারান। ছবি: সংগৃহী

তাপির গাওয়ের অভিযোগ পাওয়ার পর পরই ভারতীয় সেনাবাহিনী চীনা সেনাদের আঞ্চলিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে।

ভারতের অরুণাচল প্রদেশে সীমান্ত থেকে চীনের সেনারা এক কিশোরকে আটক করে নিয়ে গেছেন বলে অভিযোগ করেছেন বিজেপির সংসদ সদস্য তাপির গাও।

প্রদেশটির আপার সিয়াং জেলার লুংটা যোর এলাকা থেকে মঙ্গলবার ১৭ বছর বয়সী ওই কিশোরকে অপহরণ করা হয়।

টুইটারে পোস্ট দিয়ে ও স্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে সংসদ সদস্য তাপির গাও জানান, অপহৃত মিরাম তারানের বন্ধু জনি ইয়ায়িং কোনোভাবে চীনা বাহিনীর হাত থেকে পালিয়ে আসতে সক্ষম হন। বন্ধুর অপহৃত হওয়ার বিষয়টি তিনিই জানান স্থানীয় প্রশাসনকে।

তাপির গাওয়ের অভিযোগ পাওয়ার পর পরই ভারতীয় সেনাবাহিনী চীনা সেনাদের আঞ্চলিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে।

প্রতিরক্ষা সংস্থার সূত্র জানিয়েছে, পিপলস লিবারেশন আর্মির সঙ্গে হটলাইনে মাধ্যমে যোগাযোগ করা হয়েছিল। একজন ভারতীয় পথ হারিয়ে ফেলেছেন বলে তাদের জানানো হয়েছে। প্রটোকল অনুযায়ী তাকে খুঁজে বের করতে এবং ফিরিয়ে দিতে চীনের সহায়তা চাওয়া হয়েছে।

অরুণাচলের (পূর্ব) লোকসভা সংসদ সদস্য তাপির গাও বলেন, ‘তারান ও তার বন্ধু জনি শিকার করতে গিয়ে পথ হারিয়ে চীনা সৈন্যদের কবলে পড়েন। তবে ইয়াইয়িং পালিয়ে এসে স্থানীয় কর্তৃপক্ষকে সতর্ক করেন।’

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং এবং ভারতীয় সেনাবাহিনীকে উদ্দেশ করে টুইটারে তাপির গাও বলেছেন, ‘ভারত সরকারের সব সংস্থাকে ওই কিশোরের দ্রুত মুক্তির জন্য পদক্ষেপ নিতে অনুরোধ করা হচ্ছে।’

আরও পড়ুন:
ভারতের অধিনায়ক রাহুল, ৫ বছর পর ফিরলেন আশউইন

শেয়ার করুন

ধর্ম অবমাননা: বন্ধুর মামলায় নারীর মৃত্যুদণ্ড

ধর্ম অবমাননা: বন্ধুর মামলায় নারীর মৃত্যুদণ্ড

ছবি: এএফপি

২০১৯ সালে একটি গেমিং সাইটের মাধ্যমে আনিকার সঙ্গে পরিচয় হয় ফারুকের। পরে তারা হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগ শুরু করেন। একপর্যায়ে দুজনের মধ্যে বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে। সে সময়ে ফারুককে হোয়াটসঅ্যাপে বিশ্বনবীর ব্যঙ্গচিত্র পাঠাতেন আনিকা। ফেসবুকেও এই বিষয়ে তৎপর ছিলেন তিনি। সতর্কের পরও অনড় থাকায় ২০২০ সালে আনিকার বিরুদ্ধে মামলা করেন ফারুক।

ধর্ম অবমাননার দায়ে পাকিস্তানে এক নারীকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছে। রাওয়ালপিন্ডির আদালত বুধবার এ রায় দেয়।

দণ্ডপ্রাপ্ত নারীর নাম আনিকা আতিক। ২০২০ সালে ২৬ বছরের আনিকার বিরুদ্ধে ইসলাম অবমাননার অভিযোগে মামলা হয়েছিল।

ভারতের সংবাদভিত্তিক ওয়েবসাইট ফার্স্টপোস্টের খবরে বলা হয়েছে, আনিকার বিরুদ্ধে মামলা করেন ফারুক হাসনাত নামে এক ব্যক্তি। তারা একসময় বন্ধু ছিলেন।

বুধবার রায় ঘোষণার সময় আদালত জানায়, ইসলাম ধর্ম ও মহানবী (সা.)-কে নিয়ে কটূক্তির অভিযোগ এবং সাইবার আইন লঙ্ঘন করার অপরাধ প্রমাণিত হয়েছে।

ফার্স্টপোস্ট বলছে, ২০১৯ সালে একটি গেমিং সাইটের মাধ্যমে আনিকার সঙ্গে পরিচয় হয় ফারুকের। পরে তারা হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগ শুরু করেন। একপর্যায়ে দুজনের মধ্যে বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে।

সে সময়ে ফারুককে হোয়াটসঅ্যাপে বিশ্বনবীর ব্যঙ্গচিত্র পাঠাতেন আনিকা। ফেসবুকেও এ বিষয়ে তৎপর ছিলেন তিনি।

এসবে হতাশ হন ফারুক। তিনি আতিকাকে এসব বার্তা মুছে ক্ষমা চাওয়ার পরামর্শ দেন। তবে তা প্রত্যাখ্যান করেন আতিকা। বাধ্য হয়ে ফেডারেল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সির (এফআইএ) সাইবার ইউনিটের কাছে অভিযোগ করেন ফারুক।

এতে বলা হয়, ইচ্ছাকৃত ধর্মীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিকে অপমানিত করেছেন আতিকা। এটি মুসলমানদের ধর্মীয় বিশ্বাসে আঘাত হেনেছে।

পাকিস্তানে ইসলাম অবমাননার আইন কঠোর। সামরিক স্বৈরশাসক জেনারেল জিয়া-উল-হক আশির দশকে এই আইন বাস্তবায়ন করেন।

গত ডিসেম্বরে একই ধরনের অভিযোগে শ্রীলঙ্কার এক নাগরিককে বেদম পেটানোর পর পুড়িয়ে হত্যা করা হয়েছিল।

আরও পড়ুন:
ভারতের অধিনায়ক রাহুল, ৫ বছর পর ফিরলেন আশউইন

শেয়ার করুন

পাকিস্তানে ব্যস্ত মার্কেটে বিস্ফোরণে নিহত ২

পাকিস্তানে ব্যস্ত মার্কেটে বিস্ফোরণে নিহত ২

লাহোরে বৃহস্পতিবার দুপুরে বিস্ফোরণ ঘটে। ছবি: এএফপি

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান সরকারের সঙ্গে তেহরিক-ই তালেবান পাকিস্তান- টিটিপি (পাকিস্তানি তালেবান) আলোচনা ভেস্তে যাওয়ার পর পুলিশ, নিরাপত্তা বাহিনী, এমনকি বেসামরিক নাগরিকদের ওপর ধারাবাহিক হামলা বেড়েছে।

পাকিস্তানের লাহোরের একটি ব্যস্ত মার্কেট এলাকায় বিস্ফোরণে দুজন নিহত হয়েছেন। আহত অন্তত ২৬ জন হাসপাতালে ভর্তি।

লাহোরি গেট এলাকায় বৃহস্পতিবার দুপুরে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।

আল জাজিরাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন লাহোর পুলিশের মুখপাত্র নায়াব হাইদার।

তিনি বলেন, ‘এখন পর্যন্ত দুজন নিহত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে। আহতদের মধ্যে চারজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

‘প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে বোমাটি আগে থেকে পোঁতা ছিল। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।’

লাহোরের মায়ো হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলছে, বিস্ফোরণে দুজন মারা গেছেন। আহত ২৬ জন চিকিৎসাধীন।

পাকিস্তানের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর লাহোরের এই হামলার দায় স্বীকার করেনি কেউ।

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান সরকারের সঙ্গে তেহরিক-ই তালেবান পাকিস্তান- টিটিপি (পাকিস্তানি তালেবান) আলোচনা ভেস্তে যাওয়ার পর পুলিশ, নিরাপত্তা বাহিনী, এমনকি বেসামরিক নাগরিকদের ওপর ধারাবাহিক হামলা বেড়েছে।

ইসলামাবাদে গত সোমবার একটি তল্লাশি চৌকিতে গুলি করে পুলিশ সদস্যকে হত্যা করে এক বন্দুকধারী। পরদিন এর দায় স্বীকার করে টিটিপি। ওই হামলার পর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে সতর্ক করে বলা হয়েছিল, এটা কেবল শুরু।

পাকিস্তান সরকারের সঙ্গে আফগানিস্তানের তালেবানদের মধ্যস্থতায় শান্তি আলোচনা চলছিল টিটিপির। এ সময় দুপক্ষের মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছিল। কিন্তু ডিসেম্বরে যুদ্ধবিরতি থেকে সরে আসে টিটিপি।

আরও পড়ুন:
ভারতের অধিনায়ক রাহুল, ৫ বছর পর ফিরলেন আশউইন

শেয়ার করুন

আফগানিস্তানে ইইউ’র ২৬৮ মিলিয়ন ইউরোর সহায়তা প্রতিশ্রুতি

আফগানিস্তানে ইইউ’র ২৬৮ মিলিয়ন ইউরোর সহায়তা প্রতিশ্রুতি

আফগানিস্তানে চলমান অর্থনৈতিক সংকটে সৃষ্ট অতিরিক্ত মুদ্রাস্ফীতির ফলে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্যও বৃদ্ধি পেয়েছে। ছবি: সংগৃহীত

ইউরোপীয় ইউনিয়ন আরও জানিয়েছে, শিক্ষা, চিকিৎসা ও জীবনযাত্রার মানকেন্দ্রিক বিষয়গুলোতে এই অর্থ ব্যয় হবে।

গত বছর আগস্টে তালেবান গোষ্ঠী ক্ষমতায় আসার পর দেশটির উন্নয়ন সহযোগী ও দাতা সংস্থাগুলো নতুন সরকার থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়। এমনকি যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক আফগানিস্তানের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ৯ বিলিয়ন ডলার আটকে দেয়। ফলে আফগানিস্তানের অর্থনৈতিক পরিস্থিতির অবনতি হতে থাকে।

এবার দেশটির ক্রম অবনতিশীল অর্থনৈতিক পরিস্থিতি ঠেকাতে ইউরোপীয় ইউনিয়ন বেশ কয়েকটি প্রকল্প শুরু করতে যাচ্ছে।

টোলো নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইইউ জানিয়েছে, এ প্রকল্পগুলো আফগান জনগণকে বর্তমান পরিস্থিতিতে মানিয়ে নিতে সাহায্য করবে।

বৈশ্বিক কর্মকাণ্ডে ইইউর অংশগ্রহণের কারণ হলো আমরা কাউকেই পেছনে ফেলে এগিয়ে যেতে চাই না। আমরা বহুবার বলেছি, আফগান জনগণকে আমরা কখনোই পরিত্যাগ করব না।

মঙ্গলবার ইউরোপীয় কমিশন জানিয়েছে, নতুন প্রকল্পগুলোর ব্যয় ২৬৮.৩ মিলিয়ন ইউরো এবং আফগানিস্তানে কাজ করে যাওয়া জাতিসংঘের সংস্থা ইউনিসেফ, ওয়ার্ল্ড ফুড প্রোগ্রাম, ইউএনডিপি, ইউএনএইচসিআর ও আইওমের মাধ্যমে প্রকল্পগুলো বাস্তবায়ন করা হবে।

ইউরোপীয় ইউনিয়ন আরও জানিয়েছে, শিক্ষা, চিকিৎসা ও জীবনযাত্রার মানকেন্দ্রিক বিষয়গুলোতে এই অর্থ ব্যয় হবে।

ইউরোপীয় ইউনিয়ন কমিশনার জুত্তা ইউরপিলাইনেন বলেন, ‘বৈশ্বিক কর্মকাণ্ডে ইইউর অংশগ্রহণের কারণ হলো আমরা কাউকেই পেছনে ফেলে এগিয়ে যেতে চাই না। আমরা বহুবার বলেছি, আফগান জনগণকে আমরা কখনোই পরিত্যাগ করব না।‘

এর আগে যুক্তরাষ্ট্রও আফগানিস্তানকে সর্বমোট ৭০৮ মিলিয়ন ডলারের সহায়তা প্রদানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

গত সপ্তাহে হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র এমিলি হর্ন জানিয়েছিলেন, মানবিক সহায়তা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান যারা আফগানিস্তানে ও আফগান শরণার্থীদের জন্য বাসস্থান, চিকিৎসা ও দরকারি খাদ্য সহায়তা প্রদান করে থাকে। সেসব প্রতিষ্ঠানকে ইউএস এজেন্সি ফর ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্টের (ইউএসএআইডি) মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র প্রতিশ্রুত ৭০৮ মিলিয়ন ডলার সহায়তা প্রদান করবে।

ইতিমধ্যে আফগানিস্তানে চলমান অর্থনৈতিক সংকটে সৃষ্ট অতিরিক্ত মুদ্রাস্ফীতির ফলে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্যও বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে খাদ্যাভাব ও মানবিক সংকটে পড়েছে দেশটি।

জাতিসংঘের তথ্য মতে, দেশটির অর্ধেক মানুষ খাদ্যসংকটে পড়বে। এ ছাড়া লাখ লাখ মানুষ যারা পার্শ্ববর্তী দেশে পালিয়ে গেছে, তাদের সহায়তার জন্যও ব্যাপক অর্থের প্রয়োজন হবে।

আরও পড়ুন:
ভারতের অধিনায়ক রাহুল, ৫ বছর পর ফিরলেন আশউইন

শেয়ার করুন

অজ্ঞাতের গুলিতে ছেলেসহ তালেবান কমান্ডার নিহত

অজ্ঞাতের গুলিতে ছেলেসহ তালেবান কমান্ডার নিহত

রাজ্যের গোয়েন্দা বিভাগ জানিয়েছে, বন্দুকধারীর হামলায় কমান্ডারের ছেলেও মারা গিয়েছে। ছবি: সংগৃহীত

আফগানিস্তানে ক্ষমতাসীন তালেবানের একজন স্থানীয় কমান্ডারকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে।

টোলো নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বুধবার কয়েকজন অজ্ঞাতপরিচয় বন্দুকধারী দেশটির পূর্ব কোনার প্রদেশের নারাং জেলায় এ হত্যাকাণ্ড ঘটায়। এমনটাই জানিয়েছে নারাং জেলার স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।

রাজ্যের গোয়েন্দা বিভাগ জানিয়েছে, বন্দুকধারীর হামলায় কমান্ডারের ছেলেও মারা গেছে। এ ছাড়া ৪ জন সাধারণ মানুষও প্রাণ হারিয়েছেন এবং কয়েকজন আহত হয়েছেন।

তবে গত আগস্টে তালেবানরা ক্ষমতায় আসার সময়েই বিমানবন্দরে হামলা চালায় ইসলামিক স্টেট। দেশটিতে আইএসের উপস্থিতি নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে উৎকণ্ঠা রয়েছে।

তবে স্থানীয় গোয়েন্দা বিভাগ থেকে বলা হয়েছে, এই হত্যাকাণ্ডটি ব্যক্তিগত বিরোধের থেকে হয়ে থাকতে পারে।

আরও পড়ুন:
ভারতের অধিনায়ক রাহুল, ৫ বছর পর ফিরলেন আশউইন

শেয়ার করুন

পাহাড়ে রোগীর জন্য পালকি অ্যাম্বুলেন্স সেবা

পাহাড়ে রোগীর জন্য পালকি অ্যাম্বুলেন্স সেবা

বক্সার পাহাড়ি এলাকায় ৮ টি অ্যাম্বুলেন্স চালু করবে আলিপুরদুয়ার জেলা প্রশাসন। ছবি: নিউজ বাংলা

সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ২৬ হাজার ফুট ওপরে কেউ অসুস্থ হলে বা কোনো গর্ভবতী নারীকে চিকিৎসার জন্য সমতলে নামিয়ে আনা কষ্টসাধ্য ও বিপজ্জনক।

ভারতের আলিপুরদুয়ার বক্সার পাহাড়ের প্রত্যন্ত অঞ্চলের বাসিন্দাদের মূল সমস্যা হলো উচ্চতা। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ২৬ হাজার ফুট ওপরে কেউ অসুস্থ হলে বা কোনো গর্ভবতী নারীকে চিকিৎসার জন্য সমতলে নামিয়ে আনা কষ্টসাধ্য ও বিপজ্জনক। তাই এখানকার বাসিন্দাদের সমস্যা সমাধানে পালকি অ্যাম্বুলেন্স সেবা চালু করেছে জেলা প্রশাসন।

আলিপুরদুয়ারের জেলা প্রশাসক সুরেন্দ্র মীনা বলেন, 'মানুষের অসুবিধার কথা ভেবে আমরা একটি পালকি অ্যাম্বুলেন্স পরীক্ষামূলকভাবে চালু করি। সেটা মানুষের কাজে আসায় আমরা বক্সার প্রত্যন্ত এলাকার জন্য অন্তত ১টি করে পালকি অ্যাম্বুলেন্স চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছি। শিগগিরই ৮টি পালকি অ্যাম্বুলেন্স চালু হবে।'

আলিপুরদুয়ারের কালচিনি ব্লকের বক্সার পাহাড়ের ওপর ১১টি গ্রাম রয়েছে। উচ্চতার জন্য অসুস্থ রোগী বা গর্ভবতী নারীদের সমতলের নামিয়ে এনে চিকিৎসা করানো খুবই সমস্যা সেখানে।

এত দিন বাঁশের মাচায় করে রোগীদের সমতলে নামিয়ে আনত স্থানীয়রা ও পরিবারের লোকেরা। পাহাড়ি রাস্তা দিয়ে বাঁশের মাচায় রোগী নিয়ে নামা বিপজ্জনক, প্রায়ই ঝুঁকির মুখে পড়েন সেখানকার বাসিন্দারা। এমনকি সেখানে দুর্ঘটনাও ঘটেছে।

পাহাড়ের উচ্চতায় বসবাসকারী এসব মানুষের দুর্ভোগ দূর করতে জেলা প্রশাসনের স্বাস্থ্য দপ্তর ও ফ্যামিলি প্লানিং অফ ইন্ডিয়া যৌথ উদ্যোগে পালকি অ্যাম্বুলেন্স সেবা চালু করেছে।

বক্সার ডারাগাওয়ের গ্রামের বাসিন্দা সন্তানসম্ভবা পাশালহাম ডুকপার প্রসব যন্ত্রণা উঠলে পালকি অ্যাম্বুলেন্সে তাকে কালচিনি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে আনা হয়। সেখান থেকে তাকে সেই পালকি অ্যাম্বুলেন্সে আলিপুরদুয়ার হাসপাতালে নামিয়ে আনা হয়। সেখানে ১৪ জানুয়ারি এক পুত্রসন্তানের জন্ম দেন পাশালহাম ডুকপা।

পাশালহামের স্বামী ওয়াঙ্গেল ডুকপা জানান, পাশালহামই বক্সা পাহাড়ের প্রথম নারী, যাকে গর্ভবতী অবস্থায় পালকি অ্যাম্বুলেন্সে সমতলে নামিয়ে আনা হয়।

আরও পড়ুন:
ভারতের অধিনায়ক রাহুল, ৫ বছর পর ফিরলেন আশউইন

শেয়ার করুন