× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

আন্তর্জাতিক
Tigers panic in Gosaba West Bengal Sundarbans
google_news print-icon

পশ্চিমবঙ্গ সুন্দরবনের গোসাবায় বাঘের আতঙ্ক

পশ্চিমবঙ্গ-সুন্দরবনের-গোসাবায়-বাঘের-আতঙ্ক
বাঘটিকে ধরে ফেলার সব রকম প্রস্তুতি নিয়ে বনকর্মীরা অপেক্ষা করছেন । ছবি: সংগৃহীত
বৃহস্পতিবার রাতে গোসাবা সাতজেলিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের চরগেরি এলাকার মৎস্যজীবীরা মাছ ধরতে গিয়ে সংলগ্ন জঙ্গলে বাঘের পায়ের ছাপ দেখেন ও গর্জন শোনেন। কর্তৃপক্ষকে জানালে তড়িঘড়ি করে বন দপ্তরের কর্মীরা গ্রামের সীমানা জাল দিয়ে ঘেরার কাজ শুরু করেন, যাতে বাঘটি লোকালয়ে ঢুকে পড়তে না পারে। সে সময় বনকর্মীরা বাঘটিকে এক জঙ্গল থেকে আরেক জঙ্গলে যেতে দেখেন।

পশ্চিমবঙ্গ সুন্দরবনের কুলতলীর পর এবার গোসাবায় বাঘের আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। মৎস্যজীবীদের থেকে খবর পেয়ে রাজ্য বনকর্মীরা বাঘটিকে খাঁচাবন্দি করতে শুক্রবার থেকে চেষ্টা চালাচ্ছেন। তাকে এখনও ধরা যায়নি। বাঘটি গোসাবায় ঘুরে ঘুরে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে। বছরের শুরুতেই বাঘের ভয়ে কাঁপছে স্থানীয়রা। গ্রামবাসীদের সতর্ক করে মাইকিং করছে প্রশাসন।

স্থানীয় সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার রাতে গোসাবা সাতজেলিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের চরগেরি এলাকার মৎস্যজীবীরা মাছ ধরতে গিয়ে সংলগ্ন জঙ্গলে বাঘের পায়ের ছাপ দেখেন ও গর্জন শোনেন। কর্তৃপক্ষকে জানালে তড়িঘড়ি করে বন দপ্তরের কর্মীরা গ্রামের সীমানা জাল দিয়ে ঘেরার কাজ শুরু করেন, যাতে বাঘটি লোকালয়ে ঢুকে পড়তে না পারে । সে সময় বনকর্মীরা বাঘটিকে এক জঙ্গল থেকে আরেক জঙ্গলে যেতে দেখেন।

বাঘটিকে ধরে ফেলার সব রকম প্রস্তুতি নিয়ে বনকর্মীরা অপেক্ষা করছেন।

কয়েক দিন আগেই কুলতলী মৈপীঠসংলগ্ন এলাকায় একটি বাঘ ঢুকে স্থানীয়দের ঘুম কেড়ে নিয়েছিল। বনকর্মীদের দীর্ঘ চেষ্টার পর বাঘটিকে ঘুমপাড়ানি গুলিতে কাবু করে খাঁচাবন্দি করা হয়। তারপর তাকে ঝড়খালী চিকিৎসা কেন্দ্রে নিয়ে গিয়ে, এক দিন রেখে শারীরিক পরীক্ষা করে সুস্থ অবস্থায় জঙ্গলে ছেড়ে দেয়া হয়।

রয়েল বেঙ্গল টাইগারের বারবার জঙ্গলে ছেড়ে লোকালয়ে ঢুকে পড়ার প্রবণতা প্রসঙ্গে বাঘ বিশেষজ্ঞ জয়দীপ কুণ্ডু জানান, 'টাইগার স্ট্রেইন বা বাঘের জঙ্গল ছেড়ে গ্রামে ঢুকে পড়া এখন অনেকটা কমে গেছে। কয়েক বছর ধরে এটা কমেছে। কোন লাইভ স্টকের অভাবের জন্য বাঘ জঙ্গল ছেড়ে আসছে, তা নয়। এর মূল কারণ নাইলনের ফেন্সিং ড্যামেজ।

গ্রাম ও জঙ্গলের যে ইন্টারফেজ, সেখানে নাইলনের ফেন্সিং। এটা একটা ইউনিক মডেল। বনকর্মীরা নিয়মিত পেট্রোলিং করেন । ফেন্সিং পরীক্ষা করেন, ড্যামেজ মেরামতি করেন। এটা প্রটেকশন প্রটোকলের মধ্যে পড়ে।'

আরও পড়ুন:
মা হারা যমজকে স্তন্যপান করাতে চান ৫০ নারী
ফের বিএসএফের কাজের পরিধি বৃদ্ধি নিয়ে সরব মমতা
পশ্চিমবঙ্গে বাজির কারখানায় বিস্ফোরণে ৩ জনের মৃত্যু
ক্ষুব্ধ রূপা গাঙ্গুলী বেরিয়ে গেলেন বিজেপির বৈঠক থেকে
সৎকারে যাওয়ার সময় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১৮

মন্তব্য

আরও পড়ুন

আন্তর্জাতিক
Recruitment of 2 lakh 38 thousand primary teachers in one era

এক যুগে প্রাথমিকে ২ লাখ ৩৮ হাজার শিক্ষক নিয়োগ

এক যুগে প্রাথমিকে ২ লাখ ৩৮ হাজার শিক্ষক নিয়োগ ফাইল ছবি
গত এক যুগে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য প্রধান শিক্ষক ৫ হাজার ২০৫ জন এবং সহকারি শিক্ষক ২ লাখ ৩৩ হাজার ৩৭৪ জনসহ মোট ২ লাখ ৩৮ হাজার ৫৭৯ জন শিক্ষক-শিক্ষিকা নিয়োগ দেয়া হয়েছে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী রুমানা আলী জানিয়েছেন, গত এক যুগে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ২ লাখ ৩৮ হাজার ৫৭৯ জন শিক্ষক-শিক্ষিকা নিয়োগ দেয়া হয়েছে।

রোববার জাতীয় সংসদে সরকারি দলের সদস্য এম আবদুল লতিফের লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। খবর বাসসের

রুমানা আলী বলেন, গত এক যুগে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য প্রধান শিক্ষক ৫ হাজার ২০৫ জন এবং সহকারি শিক্ষক ২ লাখ ৩৩ হাজার ৩৭৪ জনসহ মোট ২ লাখ ৩৮ হাজার ৫৭৯ জন শিক্ষক-শিক্ষিকা নিয়োগ দেয়া হয়েছে। এই সময়ে বেসরকারি ও রেজিস্টার্ড প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১ লাখ ৪ হাজার ৮৭৫ জন শিক্ষক-শিক্ষিকার চাকুরি সরকারিকরণ করা হয়েছে।

সরকারি দলের সদস্য মো. মামুনুর রশীদ কিরনের অপর এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ২০১৩ সালে প্রধানমন্ত্রী বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সমূহকে জাতীয়করণ ঘোষণার পর আর কোনো বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রেজিস্ট্রেশন দেয়া হয়নি। বর্তমানে বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় নিবন্ধন নীতিমালা-২০২৩ প্রণয়ন করা হয়েছে। নীতিমালার আলোকে সব বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে নিবন্ধনের আওতায় আনার কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
BNP leader Habibs sentence is upheld on appeal

বিএনপি নেতা হাবিবের সাজা আপিলেও বহাল

বিএনপি নেতা হাবিবের সাজা আপিলেও বহাল ফাইল ছবি
আদালত অবমাননার দায়ে হাবিবকে ৫ মাসের কারাদণ্ড ও দুই হাজার টাকা জরিমানা করে গত ২২ নভেম্বর রায় দেয় হাইকোর্ট। ওই রায়ের বিরুদ্ধে কারাবন্দি হাবিব গত ৮ ফেব্রুয়ারি লিভ টু আপিলসহ জামিন আবেদন করেন।

আদালত অবমাননার দায়ে বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কমিটির সদস্য হাবিবুর রহমান হাবিবকে ৫ মাসের কারাদণ্ড ও ২ হাজার টাকা জরিমানা করে হাইকোর্ট বিভাগের দেয়া রায় বহাল রেখেছে সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগ।

হাবিবের লিভ টু আপিল (আপিলের অনুমতি চেয়ে আবেদন) ও জামিনের আবেদন খারিজ করে দিয়ে প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বে তিন সদস্যের আপিল বেঞ্চ রোববার এ আদেশ দেয়। খবর বাসসের

আদালত অবমাননার দায়ে হাবিবকে ৫ মাসের কারাদণ্ড ও দুই হাজার টাকা জরিমানা করে গত ২২ নভেম্বর রায় দেয় হাইকোর্ট। ওই রায়ের বিরুদ্ধে কারাবন্দি হাবিব গত ৮ ফেব্রুয়ারি লিভ টু আপিলসহ জামিন আবেদন করেন।

আদালতে হাবিবের পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল শেখ মোহাম্মদ মোরশেদ।

অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল শেখ মোহাম্মদ মোরশেদ সাংবাদিকদের বলেন, হাবিবুর রহমান হাবিবের লিভ টু আপিল খারিজ করে দিয়েছে আপিল বিভাগ। এতে হাইকোর্ট বিভাগের দেয়া রায় বহাল রইল। এতে তাকে কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে এবং জরিমানার অর্থও পরিশোধ করতে হবে।

হাইকোর্ট বিভাগকে কটূক্তি ও আদালত অবমাননার মামলায় রাজধানীর পল্লবী থানার মিরপুর ডিওএইচএস এলাকা থেকে গত ২১ নভেম্বর হাবিবুর রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এর আগে বিচারপতি মো. আখতারুজ্জামানকে নিয়ে ‘অবমাননাকর বক্তব্যের’ প্রেক্ষাপটে গত বছরের ১৫ অক্টোবর হাবিবের প্রতি স্বতঃপ্রণোদিত আদালত অবমাননার রুল দেয় হাইকোর্ট বিভাগ। ব্যাখ্যা জানাতে তাকে আদালতে হাজির হতে নির্দেশ দেয়া হয়। নির্ধারিত তারিখে তিনি হাজির হননি।

গত ৮ নভেম্বর হাইকোর্ট বিভাগ হাবিবুরকে খুঁজে বের করে অবিলম্বে আদালতে হাজির করতে নির্দেশ দেয়। ২২ নভেম্বর তাকে আদালতে হাজির করে শেরে বাংলা নগর থানা পুলিশ।

আরও পড়ুন:
আইনের শাসন না থাকলে বিপর্যয় ঘটতেই থাকে: ফখরুল
গাজায় গণহত্যার পক্ষ নিয়েছে বিএনপি: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
নাশকতা মামলায় বিএনপির সাবেক এমপিসহ ২ নেতা কারাগারে

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Barisal Bhola traffic stopped in truck canal due to broken bridge

ব্রিজ ভেঙ্গে ট্রাক খালে, বরিশাল-ভোলা যান চলাচল বন্ধ

ব্রিজ ভেঙ্গে ট্রাক খালে, বরিশাল-ভোলা যান চলাচল বন্ধ শনিবার রাত আড়াইটার দিকে ট্রাকটি ব্রিজ ভেঙে খালে পড়ে যায়। ছবি: নিউজবাংলা
স্থানীয়দের অভিযোগ, যেনতেনভাবে মাত্র এক মাস আগে ব্রিজটি তৈরি করেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। বেশকিছু দিন ধরে একাধিকবার বলা হলেও ব্রিজ মেরামতে উদ্যোগ নেয়া হয়নি বলে ক্ষোভ রয়েছে তাদের।

বরিশাল-ভোলা মহাসড়কের টুঙ্গিবাড়িয়া এলাকায় একটি বেইলি ব্রিজ ভেঙ্গে পড়েছে। এতে গুরুতর কোনো হতাহতের ঘটনা না ঘটলেও দীর্ঘ ১২ ঘণ্টার বেশি সময় ওই সড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে বলে জানিয়েছে থানা পুলিশ।

শনিবার রাত আড়াইটার দিকে লোহার কুচি ভর্তি ট্রাক ব্রিজের ওপর উঠলে সেটি ভেঙে খালে পড়ে যায়।

বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের বন্দর থানার ওসি আব্দুর রহমান মুকুল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, ব্রিজের ওপর উঠলে বরিশাল থেকে ভোলাগামী ট্রাকটি খালে পড়ে যায়। এতে ট্রাকের ভেতরে থাকা চালক ও হেলপার আহত হলেও তাদের কারও অবস্থা গুরুতর নয়।

ওসি বলেন, ‘রোববার সকালে সড়ক ও জনপদ বিভাগের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে আসেন। তারা ব্রিজটি মেরামতের পাশাপাশি বিকল্প সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা সচল করার চেষ্টা চালাচ্ছেন। বিকল্প ব্যবস্থা না হওয়া পর্যন্ত বরিশাল-ভোলা রুটে যান চলচল বন্ধ থাকবে।’

স্থানীয়রা জানান, যান চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সড়কের উভয়প্রান্তে প্রায় এক কিলোমিটার জুড়ে যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। ব্রিজটি ভেঙ্গে যাওয়ার কারণে পণ্য ও যাত্রীবাহী বাস চলাচল বন্ধ হয়েছে। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। মানুষকে পায়ে হেঁটে বিকল্প পথে খালটি পার হয়ে গন্তব্যে যেতে হচ্ছে।

ট্রাকের চালক ও হেলপার জানান, বেনাপোল থেকে বরিশাল-ভোলা হয়ে চট্টগ্রাম যাওয়ার কথা ছিল ট্রাকটির, কিন্তু শনিবার রাত আড়াইটার দিকে টুঙ্গিবাড়িয়ার স্লুইজ গেট এলাকার বেইলি ব্রিজে উঠলে ব্রিজটি ভেঙে পড়ে। রড তৈরির কাঁচামালের ২৫ টন লোহার কুঁচিভর্তি করে ট্রাকটি ওই ব্রিজ পার হচ্ছিল।

তারা জানান, ব্রিজটি ভেঙ্গে পড়ায় ট্রাকটি উল্টে খালে পড়ে যায়। এতে অল্পের জন্যে প্রাণে বেঁচে যান তারা। তবে স্থানীয়রা তাৎক্ষনিক তাদের উদ্ধার করে।

টুঙ্গিবাড়িয়া ইউপি চেয়ারম্যান নাদিরা রহমান বলেন, ‘বেইলি ব্রিজটি ভেঙে পড়ায় বরিশাল-ভোলা মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। শত শত মানুষসহ এ পথ দিয়ে স্বল্প সময়ে সড়কপথে ভোলা, নোয়াখালী, ফেনীসহ চট্টগ্রামে যাতায়াত করেন যাত্রীরা।

স্থানীয়দের অভিযোগ, যেনতেনভাবে মাত্র এক মাস আগে ব্রিজটি তৈরি করেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। বেশকিছু দিন ধরে একাধিকবার বলা হলেও ব্রিজ মেরামতে উদ্যোগ নেয়া হয়নি বলে ক্ষোভ রয়েছে তাদের।

একই কথা জানিয়েছেন ওই রুটে চলাচলকারী ট্রাক, বাস ও ট্যাংক লরির চালক-হেলপাররাও। তাদের দাবি, সেতুটি দিয়ে কী পরিমাণ ওজনের যানবাহন চলাচল করতে পারবে, তারও নির্দেশনা দেয়া ছিল না; থাকলেও হয়ত ট্রাকটি ঝুকি নিত না।

ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে সড়ক ও জনপদ বিভাগ বরিশালের নির্বাহী প্রকৌশলী মাসুদ মাহমুদ সুমন দাবি করেছেন, ২০ টন ধারণ ক্ষমতাসম্পন্ন বেইলি ব্রিজটিতে অতিরিক্ত পণ্য ওঠাতেই দুর্ঘটনাটি ঘটেছে।

এদিকে সড়কটিতে যানবাহন চলাচলের ব্যবস্থা দ্রুত করার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন সড়ক ও জনপদ বিভাগ বরিশাল অঞ্চলের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী একেএম আজাদ রহমান।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, কর্মকর্তারা পরিদর্শনের পর ব্রিজটি সংস্কারের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। তবে সেটিতে সময় লাগায় এখন বিকল্প অস্থায়ী সড়ক নির্মাণের কথা জানিয়েছেন তারা।

আর যারা ব্রিজটি সংস্কারের কাজে নিয়জিত তারা বলছেন, কমপক্ষে দুদিন লাগবে ব্রীজটি ঠিক করতে।

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Power sector in deep crisis Rizvi

বিদ্যুৎ খাত গভীর সংকটে: রিজভী

বিদ্যুৎ খাত গভীর সংকটে: রিজভী রোববার রাজধানীর নয়াপল্টনস্থ দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। ছবি: ফোকাস বাংলা
রিজভী বলেন, ‘তাপমাত্রা এখনও সহনীয় পর্যায়ে রয়েছে, অথচ দেশের মানুষ সকাল-সন্ধ্যা লোডশেডিংয়ে ভুগছে।’

দেশের বিদ্যুৎ খাত গভীর সংকটে নিমজ্জিত বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

রোববার রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মত বিনিময়কালে এ কথা বলেন তিনি। খবর ইউএনবির

রিজভী বলেন, ‘বিদ্যুৎ পরিস্থিতি নিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের সাম্প্রতিক বক্তব্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্যের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

‘কাদের দাবি করেছেন, দেশের মানুষ শতভাগ মানুষ বিদ্যুৎ সুবিধা পাচ্ছেন। অথচ তার কিছুদিন আগে প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, দেশে স্বল্প পরিসরে হলেও লোডশেডিং থাকবে।’

তিনি বলেন, ‘তাপমাত্রা এখনও সহনীয় পর্যায়ে রয়েছে, অথচ দেশের মানুষ সকাল-সন্ধ্যা লোডশেডিংয়ে ভুগছে।’

‘বিএনপি দেশের মানুষকে উপেক্ষা করে বিদেশি প্রভুর কাছে ধরনা দিচ্ছে’ ওবায়দুল কাদেরের এ বক্তব্যের নিন্দা করেন রিজভী।

অভিযোগ করে তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের সম্ভবত স্মৃতিশক্তি লোপ পেয়েছে। কারণ তিনি ২০১৪ সালের নির্বাচন ভুলে গিয়েছিলেন, যখন ভারতের তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুজাতা সিং আওয়ামী লীগকে তাদের সমর্থন করতে এবং এইচএম এরশাদকে নির্বাচনে যোগদান করানোর জন্য বাংলাদেশ সফর করেছিলেন।’

এটি একটি সার্বভৌম দেশে হস্তক্ষেপের স্পষ্ট লক্ষণ বলে উল্লেখ করেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন- বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আহমেদ আজম খান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জয়নুল আবেদীন ফারুক, জয়নাল আবেদীন (ভিপি জয়নাল), সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আবদুস সালাম আজাদ, সহ-দপ্তর সম্পাদক মুনির হোসেন, সহ-অর্থনৈতিক সম্পাদক মাহমুদুর রহমান সুমন প্রমুখ।

আরও পড়ুন:
কোন খাতে কত বাড়ছে বিদ্যুতের দাম
আওয়ামী সিন্ডিকেটের মুনাফার জন্য বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়েছে: রিজভী
মার্চ নয়, বিদ্যুতের বর্ধিত মূল্য ফেব্রুয়ারি থেকেই কার্যকর

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
First Trade Permit to Shift Chemical Warehouse from Old Dhaka to Shyampur

পুরান ঢাকা থেকে শ্যামপুরে রাসায়নিক গুদাম স্থানান্তরের প্রথম বাণিজ্য অনুমতি

পুরান ঢাকা থেকে শ্যামপুরে রাসায়নিক গুদাম স্থানান্তরের প্রথম বাণিজ্য অনুমতি ফাইল ছবি
এর ফলে দীর্ঘ এক যুগ পর রাসায়নিক গুদাম হিসেবে প্রথম কোনো ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানকে বাণিজ্য অনুমতি দিল দক্ষিণ সিটি।

নিমতলী ও চুড়িহাট্টা অগ্নিকাণ্ডের পর পুরান ঢাকা থেকে শ্যামপুরে রাসায়নিক গুদাম (কেমিক্যাল গোডাউন) স্থানান্তরিত করার জন্য একটি প্রতিষ্ঠানকে বাণিজ্য অনুমতি (ট্রেড লাইসেন্স) দিল ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন।

রোববার বিকেলে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের জনসংযোগ বিভাগ থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়। এর ফলে দীর্ঘ এক যুগ পর রাসায়নিক গুদাম হিসেবে প্রথম কোনো ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানকে বাণিজ্য অনুমতি দিল দক্ষিণ সিটি।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শিল্প মন্ত্রণালয় কর্তৃক রাজধানীর শ্যামপুরে বাস্তবায়িত ‘অস্থায়ী ভিত্তিতে রাসায়নিক দ্রব্য সংরক্ষণের জন্য নির্মিত গুদাম’ প্রকল্পে স্থানান্তরিত হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে ‘মেসার্স রয়েল টন লেকার কোটিং’ নামক রাসায়নিক প্রতিষ্ঠানের বাণিজ্য অনুমতি নবায়ন করে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন।

শ্যামপুরে স্থানান্তরিত হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান কর্তৃক বাণিজ্য অনুমতি নবায়নের আবেদন করা হলে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন উল্লিখিত প্রতিষ্ঠানকে নবায়নকৃত এই বাণিজ্য অনুমতি দেয়।

এ বিষয়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান বলেন, ‘শ্যামপুরে স্থানান্তরিত হওয়ায় আমি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে ধন্যবাদ জানাই। আশা করি, তাদের পদাঙ্ক অনুসরণ করে অন্যান্য রাসায়নিক গুদাম ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানও সেখানে স্থানান্তরিত হবে। নিরাপদ হবে আমাদের পুরাতন ঢাকার সামগ্রিক পরিবেশ।’

যেসব প্রতিষ্ঠান স্থানান্তরিত হবে না, পর্যায়ক্রমে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে জানিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘শ্যামপুরে অস্থায়ী ভিত্তিতে যে রাসায়নিক গুদামগুলো নির্মাণ করা হয়েছে সেখানে অগ্নি নির্বাপণের আধুনিক ব্যবস্থা রয়েছে। এ ছাড়াও খোলামেলা পরিবেশ হওয়ার সেখানে ঝুঁকির মাত্রাও অনেক কম। পাশাপাশি এসব রাসায়নিক গুদাম ও প্রতিষ্ঠানকে স্থায়ীভাবে স্থানান্তরের জন্য শিল্প মন্ত্রণালয় কর্তৃক মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখানে ৩১০ একর জায়গার ওপর যে প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে তা প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে বলে আমরা জেনেছি। জননিরাপত্তার জন্য মারাত্মক ঝুঁকি সৃষ্টিকারী এসব রাসায়নিক গুদাম ও প্রতিষ্ঠান যদি সেখানে স্থানান্তরিত না হয় তাহলে আমরা সেসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করব।’

গত বছরের ৪ জুন শ্যামপুরে ‘অস্থায়ী ভিত্তিতে রাসায়নিক দ্রব্য সংরক্ষণের জন্য নির্মিত গুদাম’ প্রকল্প চালু করা হয়। শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস সেসব গুদাম উদ্বোধন করেন।

এ ছাড়া নিমতলী অগ্নিকাণ্ডের পর ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন ২০১৩ সাল থেকে পুরান ঢাকায় অবস্থিত এসব রাসায়নিক গুদাম ও প্রতিষ্ঠানকে এবং চুড়িহাট্টা অগ্নিকাণ্ডের পর ২০১৯ সাল থেকে রাসায়নিক গুদাম ও প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি বিস্ফোরক জাতীয় রাসায়নিক ব্যবহৃত হয় এ ধরনের প্লাস্টিক কারখানা ও প্রতিষ্ঠানকে নতুন করে বাণিজ্য অনুমতি দেয়া ও বাণিজ্য অনুমতি নবায়ন বন্ধ রাখে।

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Bail of Dr Yunus in money laundering case

মানি লন্ডারিং মামলায় ড. ইউনূসের জামিন

মানি লন্ডারিং মামলায় ড. ইউনূসের জামিন ফাইল ছবি
ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক আস সামছ জগলুল হোসেনের আদালতে আত্মসমর্পণ করে তিনি জামিনের আবেদন বরলে শুনানি শেষে বিচারক তা মঞ্জুর করেন।

মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের মামলায় জামিন পেয়েছেন নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক আস সামছ জগলুল হোসেনের আদালতে আত্মসমর্পণ করে তিনি জামিনের আবেদন বরলে শুনানি শেষে বিচারক এ আদেশ দেন।

আদালতে ড. ইউনূসের পক্ষে জামিন আবেদন করা হয়। আর এ আবেদনের বিরোধিতা করেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পাবলিক প্রসিকিউটর। পরে শুনানিতে বিচারক ইউনুসসহ আট আসামির জামিন মঞ্জুর করে আদেশ দেন।

এই মামলায় গত ১ ফেব্রুয়ারি ইউনূসসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে দুদক। দুদক ১৩ জনকে আসামি করলেও অভিযোগপত্রে জাতীয় শ্রমিক ফেডারেশনের দপ্তর সম্পাদক কামরুল হাসানের নাম যুক্ত করা হয়।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন গ্রামীণ টেলিকমের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাজমুল ইসলাম, সাবেক এমডি আশরাফুল হাসান, পরিচালক পারভীন মাহমুদ, নাজনীন সুলতানা, শাহজাহান, নূরজাহান বেগম ও এস এম হাজ্জাতুল ইসলাম লতিফী, আইনজীবী ইউসুফ আলী ও জাফরুল হাসান শরীফ, গ্রামীণ টেলিকম শ্রমিক-কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি কামরুজ্জামান, সাধারণ সম্পাদক ফিরোজ মাহমুদ হাসান এবং গ্রামীণ টেলিকমের শ্রমিক-কর্মচারী ইউনিয়নের প্রতিনিধি মাইনুল ইসলাম।

আসামিদের মধ্যে পারভীন মাহমুদ জামিনে রয়েছেন। বাকি ১৩ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা।

তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আসামিরা ২৫ কোটি ২২ লাখ টাকা আত্মসাৎ ও অবৈধভাবে রূপান্তর করায় মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগ আনা হয়েছে।

গত বছরের ৩০ মে দুদকের উপ-পরিচালক গুলশান আনোয়ার প্রধান বাদী হয়ে ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে এ মামলা করেন।

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Three SSC examinees expelled for cheating in Ghoraghat six teachers exempted

নকলের দায়ে এসএসসির ৩ পরীক্ষার্থী বহিষ্কার, ৬ শিক্ষককে অব্যাহতি

নকলের দায়ে এসএসসির ৩ পরীক্ষার্থী বহিষ্কার, ৬ শিক্ষককে অব্যাহতি
ঘোড়াঘাট উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদুল হাসান বলেন, ‘অসদুপায় অবলম্বন করা তিন পরীক্ষার্থী কিন্ডার গার্টেন (কেজি) স্কুলের শিক্ষকের কাছ থেকে উত্তরপত্রের ফটোকপি পেয়েছে। ওই শিক্ষকদের বিষয়ে আমরা অনুসন্ধান করছি। তাদেরকে নজরদারীতে রাখা হয়েছে।’ 

দিনাজপুর ঘোড়াঘাটে চলমান মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বন করায় তিন পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

উপজেলার রাণীগঞ্জ দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রের রোববার বেলা ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এদের মধ্যে দুজন ছাত্রী এবং একজন ছাত্র। এ ছাড়াও পরীক্ষা কেন্দ্রের ছয়জন কক্ষ পরিদর্শককে তাদের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে।

জানা যায়, কেন্দ্রের পৃথক তিনটি কক্ষের তিনজন পরীক্ষার্থীর কাছ থেকে প্রশ্নপত্রের সঙ্গে হুবহু মিল পাওয়া যায় উত্তরপত্রের।

পরে ফটোকপি জব্দ করেন পরীক্ষা কেন্দ্রটির ট্যাগ অফিসার উপজেলা রিসোর্স ইন্সট্রাক্টর শহিদুল ইসলাম। এরপর তিনি কর্তৃপক্ষকে এ বিষয় জানালে ওই কেন্দ্রে উপস্থিত হয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রফিকুল ইসলাম এবং সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাহমুদুল হাসান।

পরে এই কর্মকর্তাদের কাছে ওই তিন পরীক্ষার্থী বলেন, ‘আমরা গৃহশিক্ষকের কাছ থেকে এই উত্তরপত্রগুলো পেয়েছি।’

এ ঘটনায় ওই তিন পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার এবং কেন্দ্রটির ভিন্ন এই তিনটি কক্ষের দায়িত্বে থাকা ছয়জন কক্ষ পরিদর্শককে তাদের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে।

ইউএনও রফিকুল ইসলাম বলেন, বহিষ্কৃত এই তিন পরীক্ষার্থীকে আগামী বছর নতুন করে পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করতে হবে। অব্যাহতি পাওয়া ছয় কক্ষ পরিদর্শক এই বছরে পরীক্ষা কেন্দ্রে তাদের দায়িত্বপালন করতে পারবেন না।

পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বন করা এই তিন শিক্ষার্থীর মধ্যে দুজন কুলানন্দপুর উচ্চ বিদ্যালয় এবং একজন রাণীগঞ্জ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এই বছর এসএসসি পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করেছিল। তাদের রোল নাম্বার ২৬২৬৬৪, ২৬২৭০৫, ২৬২৮০৬।

ঘোড়াঘাট উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদুল হাসান বলেন, ‘অসদুপায় অবলম্বন করা তিন পরীক্ষার্থী কিন্ডার গার্টেন (কেজি) স্কুলের শিক্ষকের কাছ থেকে উত্তরপত্রের ফটোকপি পেয়েছে। ওই শিক্ষকদের বিষয়ে আমরা অনুসন্ধান করছি। তাদেরকে নজরদারীতে রাখা হয়েছে।’

মন্তব্য

p
উপরে