× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

আন্তর্জাতিক
Residents of the Chinese city of Xian eat food at the lockdown
google_news print-icon

লকডাউনে খাদ্যসংকট চীনের জিয়ানে

লকডাউনে-খাদ্যসংকট-চীনের-জিয়ানে
চীনে এখন পর্যন্ত ১ লাখ ২ হাজার লোক আক্রান্ত হয়েছে। প্রাণ হারিয়েছে ৪ হাজার ৬৩৬ জন। ছবি: সংগৃহীত
অন্য সময়ে লকডাউনে খাদ্য বা অন্য সহায়তা পৌঁছানো নিয়ে চীনের নাগরিকদের কাছ থেকে অভিযোগ শোনা যায়নি, তবে সবশেষ লকডাউনে জিয়ান শহরের বাসিন্দারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অভিযোগ করেছেন, তারা কষ্টে আছেন। সরকারের পক্ষ থেকে সহায়তা আসছে না।

লকডাউনে খাদ্যসংকটে পড়ার কথা জানিয়েছেন চীনের জিয়ান শহরের বাসিন্দারা, তবে স্থানীয় কর্তৃপক্ষের দাবি, খাবারের পর্যাপ্ত জোগান রয়েছে।

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, করোনাভাইরাসের বিস্তার রোধে জিয়ান শহরের প্রায় ১ কোটি ৩০ লাখ মানুষকে গত সপ্তাহ থেকে ঘরে থাকার নির্দেশ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

অন্যান্য দেশে বিধিনিষেধের মধ্যে খাবার বা ওষুধ কেনার মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজে লোকজন ঘর থেকে বের হতে পারে, তবে চীনে তার বিপরীত। লকডাউনে স্থানীয়রা খাবার কিনতেও ঘরের বাইরে যেতে পারে না।

এমন পরিস্থিতিতে দেশটির সরকার খাবার ও দরকারি অন্যান্য জিনিসপত্র নাগরিকদের ঘরে পৌঁছে দেয়।

অন্য সময়ে লকডাউনে খাদ্য বা অন্য সহায়তা পৌঁছানো নিয়ে চীনের নাগরিকদের কাছ থেকে অভিযোগ শোনা যায়নি, তবে সবশেষ লকডাউনে জিয়ান শহরের বাসিন্দারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অভিযোগ করেছেন, তারা কষ্টে আছেন। সরকারের পক্ষ থেকে সহায়তা আসছে না।

জিয়ানে শুরুতে লকডাউনের মধ্যেও প্রতি পরিবার থেকে একজনকে বাইরে বের হওয়ার অনুমতি দেয় কর্তৃপক্ষ। দুই দিনে একবার তারা খাদ্য ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি কিনতে বের হতে পারত।

সোমবার থেকে কর্তৃপক্ষ কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করে সবাইকে ঘরে থাকার নির্দেশনা দেয়।

এ ধরনের বিধিনিষেধে কর্তৃপক্ষই খাদ্য ও প্রয়োজনীয় সামগ্রী ঘরে পৌঁছে দেয়, তবে শহরের অনেক বাসিন্দার অভিযোগ, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে সহায়তা পাচ্ছে না তারা। এতে পরিবার নিয়ে বিপাকে পড়েছেন তারা।

এমন একজন চীনের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ওয়েবোতে বলেন, ‘আমি শুনেছি অন্যান্য জেলার অনেকেই ধীরে ধীরে সাহায্য পাচ্ছে, কিন্তু আমি কিছুই পাইনি। কর্তৃপক্ষ আমাকে বের হতে নিষেধ করেছে।

‘আমি চার দিন আগে কিছু নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য অনলাইনে অর্ডার করি, কিন্তু এখন পর্যন্ত পণ্য পাওয়ার লক্ষণ দেখছি না।’

অন্য এক ব্যক্তি বলেন, ‘বরাদ্দ খুবই কম। আমাদের জেলার কেউই কিছু পায়নি। আমাদের বলা হয়েছে একসঙ্গে অর্ডার করতে। দ্রব্যের দামও অত্যধিক।’

অনেকেই জানাচ্ছেন, তাদের খাবার ফুরিয়ে যাচ্ছে। কেউ কেউ ১৩ দিন ধরে ঘরে। খাদ্যসংকটে দিনযাপন করছেন বলে অভিযোগ করেছেন তারা।

রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন সংবাদমাধ্যম গ্লোবাল টাইমসের প্রতিবেদনে জিয়ানের বাসিন্দাদের অভিযোগের বিষয়টি স্বীকার করা হয়েছে।

তাদের প্রতিবেদনে বলা হয়, খাবার নির্দিষ্ট কার্যালয়ে যাচ্ছে, তবে স্বেচ্ছাসেবী সংকটে নগরবাসীর ঘরে ঘরে পৌঁছাচ্ছে না।

করোনাভাইরাসের উৎপত্তিস্থল চীন হলেও শুরুতেই কঠোর লকডাউনের মাধ্যমে মহামারিকে নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয় পূর্ব এশিয়ার পরাশক্তিটি, তবে সম্প্রতি আবারও দেশটির বিভিন্ন স্থানে করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার খবর পাওয়া গেছে।

চীনের সরকারি হিসাবে দেশটিতে এখন পর্যন্ত ১ লাখ ২ হাজার মানুষ করোনায় আক্রান্ত হয়েছে। ভাইরাসে প্রাণ হারিয়েছে ৪ হাজার ৬৩৬ জন।

আরও পড়ুন:
অস্ট্রিয়ায় ফের পূর্ণ লকডাউন
চুরি করে জেল নয়, জুটল ভুরিভোজ
একজনের করোনা, নিউজিল্যান্ড জুড়ে লকডাউন
লকডাউন না মানলে ঘরে তালা
পরিস্থিতির অবনতি হলে ফের লকডাউন

মন্তব্য

আরও পড়ুন

আন্তর্জাতিক
This time in Saudi Arabia heavy rain has submerged the roads

এবার ভারী বর্ষণের কবলে সৌদি আরব, তলিয়ে গেছে রাস্তাঘাট

এবার ভারী বর্ষণের কবলে সৌদি আরব, তলিয়ে গেছে রাস্তাঘাট ভারী বর্ষণে তলিয়ে যাওয়া সৌদি আরবের রাস্তায় ভাসছে গাড়ি। ছবি: সংগৃহীত
আবহাওয়া বিভাগ সতর্কতা জারি করে বলেছে, আগামী কয়েকদিন বর্ষণ অব্যাহত থাকতে পারে। সতর্কতার অংশ হিসেবে বিভিন্ন জায়গায় স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের পর এবার ভারী বৃষ্টিপাতের কবলে পড়েছে আরেক মরুর দেশ সৌদি আরব। রাজধানী রিয়াদের কিছু অঞ্চলসহ দেশটির অনেক এলাকা তলিয়ে গেছে। ডুবে গেছে রাস্তাঘাটও।

সৌদি আরবের আবহাওয়া বিভাগ সতর্কতা জারি করে বলেছে, আগামী কয়েকদিন বর্ষণ অব্যাহত থাকতে পারে। সতর্কতার অংশ হিসেবে বিভিন্ন জায়গায় স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

দেশটির আবহাওয়া দপ্তর বলছে, শনিবার থেকে রাজধানী রিয়াদসহ বিভিন্ন অঞ্চলে ভারী বৃষ্টিপাত হচ্ছে। এতে তলিয়ে গেছে অনেক এলাকা। বৃষ্টিতে ভেসে গেছে বেশ কয়েকটি গাড়ি। ভারী বৃষ্টির প্রভাব পড়েছে রাজধানী রিয়াদ ছাড়াও দিরিয়াহ, হুরায়মালা, ধুর্মা থেকে কুয়াইয়াহ পর্যন্ত।

আবহাওয়ার চলমান এ পরিস্থিতি মঙ্গলবার পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে। এই সময়কালে দেশটির বিভিন্ন অঞ্চলে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টি ও শিলাবৃষ্টি হতে পারে।

এদিকে সতর্কতার অংশ হিসেবে সৌদি আরবের বিভিন্ন জায়গায় স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়সহ অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা হয়েছে। বৃষ্টির সময় উপত্যকা ও জলাবদ্ধ এলাকা থেকে নাগরিকদের দূরে থাকার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

প্রসঙ্গত, গত কয়েক বছর ধরেই প্রতিকূল আবহাওয়ার মুখোমুখি হচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো। সবশেষ গেল সপ্তাহে অতি বৃষ্টিতে ভয়াবহ বন্যার মুখোমুখি হয় সংযুক্ত আরব আমিরাত। সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতি দেখা যায় দুবাই ও শারজাহতে।

আরও পড়ুন:
আমিরাতে ৭৫ বছরে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত, নিহত অন্তত ১

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Storm of criticism of Modi for taunting Congress with Muslims

মুসলিমদের জড়িয়ে কংগ্রেসকে কটাক্ষ মোদির, সমালোচনার ঝড়

মুসলিমদের জড়িয়ে কংগ্রেসকে কটাক্ষ মোদির, সমালোচনার ঝড় রোববার ভারতের ঝাড়খান্ডের একটি জনসভায় ভাষণ দেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ছবি: সংগৃহীত
রোববার ঝাড়খান্ডের ওই ভাষণে ভারতের মুসলমানদের ‘অনুপ্রবেশকারী’ বলে উল্লেখ করেন নরেন্দ্র মোদি।

ভারতের লোকসভা নির্বাচনের প্রথম দফা শেষ হতে না হতেই প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেসকে কটাক্ষ করতে দেশের মুসলিম জনগোষ্ঠীর ওপর তোপ দাগলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। প্রথম দফায় ভোটের হার আশানুরূপ না হওয়ায় তিনি সরাসরি ধর্মীয় মেরুকরণের পথে হাঁটছেন বলে মত বিরোধীদের।

বিজেপিবিরোধী রাজনৈতিক জোট ‘ইন্ডিয়া’ভুক্ত দলগুলো বলছে, দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ হিন্দু সম্প্রদায়ের ভোট টানতে ইচ্ছাকৃতভাবে সাম্প্রদায়িকতা উস্কে দিচ্ছেন মোদি।

বিজেপির পক্ষ থেকে অবশ্য এখন পর্যন্ত এ অভিযোগের কোনো প্রতিবাদ জানানো হয়নি।

রোববার রাজস্থানের একটি জনসভায় গিয়ে মোদি বলেন, ‘সরকারে থাকাকালীন কংগ্রেস বলেছিল, দেশের সম্পদের ওপর মুসলিমদের অধিকার সবার আগে। অর্থাৎ দেশের সম্পদ বণ্টন করা হবে তাদের মধ্যে, যাদের পরিবারে বেশি সন্তান রয়েছে। অনুপ্রবেশকারীদের হাতে তুলে দেয়া হবে দেশের সম্পদ।’

তিনি বলেন, ‘কংগ্রেসের ইশতেহারেই বলা হয়েছে, মা-বোনদের সোনার গহনার হিসাব করে সেই সম্পদ বিতরণ করা হবে। মনমোহন সিংয়ের সরকার তো বলেই দিয়েছে, দেশের সম্পদে অধিকার মুসলিমদেরই। আপনাদের মঙ্গলসূত্রটাও বাদ দেবে না।’

ভারতের প্রধানমন্ত্রীর এই মন্তব্য প্রকাশ্যে আসতেই সমালোচনার ঝড় বইছে ভারতজুড়ে।

নিজের এক্স হ্যান্ডেলে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী লিখেছেন, ‘প্রথম দফার ভোট শেষ হতেই হতাশ হয়ে পড়েছেন মোদি। তার মিথ্যাচারের মাত্রা এতটাই নিচে নেমেছে যে এখন মানুষের নজর ঘোরাতে চাইছেন।’

রাহুল লিখেছেন, ‘কংগ্রেসের এবারের ইশতেহার বৈপ্লবিক। এ বিপ্লবের প্রতি বিপুল জনসমর্থন উঠতে শুরু করেছে। এবার মানুষ তার পরিবার, কর্মসংস্থান, ভবিষ্যতের কথা ভেবে ভোট দেবে। অন্য ভাবনায় বিচ্যুত হবে না ভারতের জনগণ।’

আরেকটি পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘স্বৈরশাসকের আসল চেহারা আবারও উন্মোচিত হয়েছে। এটি জনগণের নেতৃত্ব নির্বাচনের অধিকার কেড়ে নেয়া বাবা সাহেব আম্বেদকারের সংবিধানকে ধ্বংস করার আরেকটি পদক্ষেপ। আমি আবারও বলছি- এটা শুধু সরকার গঠনের নির্বাচন নয়, এটা দেশ বাঁচানোর নির্বাচন, সংবিধান রক্ষার নির্বাচন।’

মোদিকে তোপ দেগেছেন এআইএমআইএম প্রধান আসাদউদ্দিন ওয়েইসিও।

তার কথায়, ‘প্রধানমন্ত্রী সরাসরি মুসলিমদের অনুপ্রবেশকারী বলেছেন। আসলে ২০০২ সাল থেকে মুসলিমদের নির্যাতন করেই ভোট পেয়ে আসছেন মোদি। আমরা যদি দেশের সম্পদের কথা বলি, তাহলে মোদি সরকারের আমলে দেশের সম্পদের ওপর প্রথম অধিকার তার ধনকুবের বন্ধুদের।

‘ভারতের এক শতাংশ মানুষ আজ দেশের সম্পদের ৪০ শতাংশ খেয়ে ফেলছে। সাধারণ হিন্দুদের মুসলমানদের ভয় দেখানো হচ্ছে, অথচ সত্য এই যে, আপনার টাকায় অন্য কেউ ধনী হচ্ছে।’

এদিকে বিরোধীদের সমালোচনার জবাব দিতে ২০০৬ সালে মনমোহন সিংয়ের বক্তব্যের একটি ভিডিওর ২২ সেকেন্ডের একটি ক্লিপ ছড়িয়ে দেয় বিজেপি। এর জবাবে পরে ওই ভাষণের ১ মিনিট ১২ সেকেন্ডের একটি ক্লিপ প্রচার করে কংগ্রেস।

কংগ্রেসের প্রকাশিত ওই ভিডিওতে দেখা যায়, মনমোহন বলেছিলেন ক্ষমতায়নের কথা, অথচ মোদি বলেছেন মানুষের সম্পদ কেড়ে নিয়ে মুসলমানদের মধ্যে বাঁটোয়ারা করে দেয়ার কথা।

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Israels military intelligence chief resigns

পদত্যাগ করলেন ইসরায়েলের সামরিক গোয়েন্দা প্রধান

পদত্যাগ করলেন ইসরায়েলের সামরিক গোয়েন্দা প্রধান
সামরিক বাহিনী এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ‘সামরিক গোয়েন্দা বিভাগের প্রধান হিসেবে ৭ অক্টোবরের ঘটনার দায়ভার মাথায় নিয়ে মেজর জেনারেল আহারন হালিভা তাকে অব্যাহতি দেয়ার অনুরোধ করেছেন।’

ইসরায়েলের সামরিক বাহিনীর গোয়েন্দা বিভাগের প্রধান পদত্যাগ করেছেন।

গত বছরের ৭ অক্টোবর হামাসের নজিরবিহীন হামলা ঠেকানোর ব্যর্থতার দায়ভার মেনে নিয়ে তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে সোমবার ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর উদ্ধৃতি দিয়ে জানিয়েছে এএফপি।

সামরিক বাহিনী এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ‘সামরিক গোয়েন্দা বিভাগের প্রধান হিসেবে ৭ অক্টোবরের ঘটনার দায়ভার মাথায় নিয়ে মেজর জেনারেল আহারন হালিভা তাকে অব্যাহতি দেয়ার অনুরোধ করেছেন।’

তিনি চিফ অফ জেনারেল স্টাফের সঙ্গে আলোচনা করে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে বিবৃতিতে জানানো হয়।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘সুশৃঙ্খল ও পেশাদার প্রক্রিয়ায় মেজর জেনারেল আহারন হালিভার উত্তরসূরী নিয়োগ দেয়া হলে তিনি পদত্যাগ করবেন এবং আইডিএফ (ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী) থেকে অবসর নেবেন।’

গত বছর হালিভা জানান, তিনি অক্টোবর ৭ এই হামাসের নজিরবিহীন হামলা সম্পর্কে আগে থেকে তথ্য না পাওয়া ও গোয়েন্দা বিভাগের অন্যান্য ব্যর্থতার দায়ভার স্বীকার করে নিয়েছেন।

টাইমস অফ ইসরায়েল জানিয়েছে, বর্তমানে সেনাবাহিনী হালিভার বিরুদ্ধে হামাসের হামলা ঠেকাতে ব্যর্থতার বিষয়ে তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করছে। জুনের শুরুতে তদন্তের ফল আইডিএফ প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল হেরজি হালেভির কাছে জমা দেয়া হবে।

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Out of 26000 teachers employees in Kolkata only one is left

চাকরি যাচ্ছে কলকাতার প্রায় ২৬ হাজার শিক্ষক-কর্মচারীর, থাকছে শুধু একজনের

চাকরি যাচ্ছে কলকাতার প্রায় ২৬ হাজার শিক্ষক-কর্মচারীর, থাকছে শুধু একজনের
প্রতিবেদন বলছে, গত তিন বছরে সবচেয়ে আলোড়ন তোলা বিষয় নিয়োগ ‘দুর্নীতি’ মামলা। স্কুলে শিক্ষক এবং অশিক্ষক কর্মচারী নিয়োগে বহু অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কলকাতায় স্কুলে শিক্ষক এবং কর্মচারী নিয়োগে দুর্নীতির ঘটনায় একটি বড় নিয়োগ বাতিল হচ্ছে।

সোমবার কলকাতা হাইকোর্টের দেয়া এ রায়ের ফলে সবমিলিয়ে ২৫ হাজার ৭৫৩ জনের চাকরি হারাচ্ছেন বলে জানিয়েছে এনডিটিভি।

বিচারপতি দেবাংশু বসাক এবং বিচারপতি মহম্মদ শাব্বর রশিদির ডিভিশন বেঞ্চ রায় ঘোষণা করেছে। ২০১৬ সালের নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে রায় দেয় এ বেঞ্চ। শুধু একজনকে বিশেষ কারণে চাকরিচ্যুত না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে আদালত।

প্রতিবেদন বলছে, গত তিন বছরে সবচেয়ে আলোড়ন তোলা বিষয় নিয়োগ ‘দুর্নীতি’ মামলা। স্কুলে শিক্ষক এবং অশিক্ষক কর্মচারী নিয়োগে বহু অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। টেট (প্রাথমিক স্কুল) এবং এসএসসির (মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক) দুই ক্ষেত্রেই রয়েছে অভিযোগ। টেট মামলা আপাতত সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন। সোমবার এসএসসির চাকরি বাতিলের মামলার রায় ঘোষণা হয়েছে কলকাতা হাইকোর্টে।

রায় অনুযায়ী, এসএসসি প্যানেলের মেয়াদ শেষ হওয়ার পরেও যারা চাকরি পেয়েছেন, তাদের সুদ-সহ বেতন ফেরত দিতে হবে। সুদের হার হবে বছরে ১২ শতাংশ। চার সপ্তাহের মধ্যে বেতন ফেরত দিতে বলেছে আদালত।

লোকসভা ভোটের মাঝে এসএসসি মামলার এই রায় রাজ্য সরকারের কাছে বড় ধাক্কা বলেই মনে করা হচ্ছে।

আনন্দবাজার পত্রিকা বলছে, এসএসসির নিয়োগ প্রক্রিয়ার অনেক ওএমআর শিট বা উত্তরপত্র স্কুল সার্ভিস কমিশনের ওয়েবসাইটে ইতোমধ্যে আপলোড করা হয়েছে। যেগুলো এখনও আপলোড করা হয়নি, সেগুলো দ্রুত আপলোড করার নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

উত্তরপত্র জনগণ যাতে দেখতে পান, সেই ব্যবস্থাও করতে হবে কমিশনকে। একই সঙ্গে আদালত জানিয়েছে, এই মামলার তদন্ত চালিয়ে যাবে সিবিআই। অতিরিক্ত শূন্যপদ তৈরির জন্য চাইলে সন্দেহভাজনদের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদও করতে পারবে কেন্দ্রীয় সংস্থা।

সবার চাকরি বাতিল করা হলেও একজনের চাকরি থাকছে। সোমা দাস নামের একজন ক্যানসারে আক্রান্ত। মানবিক কারণে তার চাকরি বাতিল করেনি হাইকোর্টের বিশেষ বেঞ্চ।

গত কয়েক বছরে পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে আলোড়ন ফেলে দিয়েছে এসএসসি নিয়োগ ‘দুর্নীতি’ মামলা। এই মামলায় প্রথমে হাইকোর্টের তৎকালীন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় চাকরি বাতিলের নির্দেশ দিয়েছিলেন। ডিভিশন বেঞ্চেও সেই নির্দেশ বহাল থাকে।

এর পর মামলা গিয়েছিল সুপ্রিম কোর্টে। সেখান থেকে মামলাগুলি হাইকোর্টে আবার ফেরত পাঠানো হয়। মে মাসের মধ্যে হাইকোর্টের বিশেষ বেঞ্চকে শুনানি শেষ করে রায় ঘোষণা করতে বলেছিল শীর্ষ আদালত।

সাড়ে তিন মাসের মধ্যে শুনানি শেষ হয়ে যায়। সোমবার রায় ঘোষণা করল আদালত। ২৮১ পৃষ্ঠার রায় আদালতে পড়ে শোনান বিচারপতি বসাক।

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Anti Indian Muijjur party wins big in Maldives elections

মালদ্বীপের নির্বাচনে ভারতবিরোধী মুইজ্জুর দলের বিশাল জয়

মালদ্বীপের নির্বাচনে ভারতবিরোধী মুইজ্জুর দলের বিশাল জয় মালদ্বীপে রোববার অনুষ্ঠিত পার্লামেন্ট নির্বাচনের একটি ভোটকেন্দ্রে প্রেসিডেন্ট মোহামেদ মুইজ্জু। ছবি: টুইটার
মালদ্বীপের পার্লামেন্টের ৯৩টি আসনের জন্য নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন ৩২৬ প্রার্থী। এতে পাঁচ লক্ষাধিক মানুষের দেশটির দুই লাখের বেশি ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।

মালদ্বীপে রোববার অনুষ্ঠিত পার্লামেন্ট নির্বাচনে বিশাল জয় পেয়েছে ভারতের বিরুদ্ধে কট্টর অবস্থান নেয়া প্রেসিডেন্ট মোহামেদ মুইজ্জুর দল পিপল’স ন্যাশনাল কংগ্রেস (পিএনসি)।

দ্বীপরাষ্ট্রটির রাজধানী মালেভিত্তিক সংবাদমাধ্যম সান জানায়, ভোটে ক্ষমতাসীন পিএনসি পার্লামেন্টের ৬০টির বেশি আসনে জয়ী হয়।

মালদ্বীপের পার্লামেন্টের ৯৩টি আসনের জন্য নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন ৩২৬ প্রার্থী। এতে পাঁচ লক্ষাধিক মানুষের দেশটির দুই লাখের বেশি ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।

নির্বাচনে ক্ষমতাসীন পিএনসির প্রার্থীরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন ৯০ আসনে। এর বাইরে মালদিভিয়ান ডেমোক্রেটিক পার্টির (এমডিপি) ৮৯, দ্য ডেমোক্র্যাটসের ৩৯, জুমহুরি পার্টির (জেপি) ১০, মালদিভস ডেভেলপমেন্ট অ্যালায়েন্সের (এমডিএ) চার, আদালত পার্টির (এপি) চার, মালদিভস ন্যাশনাল পার্টির (এমএনপি) দুই এবং স্বতন্ত্র থেকে দাঁড়ানো ১৩০ প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

প্রাথমিক ফলে দেখা যায়, দুই-তৃতীয়াংশ আসনে এককভাবে জয়ী হয় পিএনসি। এর বাইরে দলটির সমর্থনপুষ্ট স্বতন্ত্র প্রার্থী এবং ক্ষমতাসীন জোটের দুই দল এমএনপি ও এমডিএর প্রার্থীরাও জয়ী হন।

এর আগে ২০১৯ সালে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে তৎকালীন জোট এমডিপি ৬৪টি আসনে জয়ী হয়ে ব্যাপক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিত করেছিল।

আরও পড়ুন:
বিহারে নির্মাণাধীন সেতু ধসে একজন নিহত
দুর্নীতি মামলায় দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী কেজরিওয়াল গ্রেপ্তার
গুজরাটে ‘তারাবির নামাজ পড়ায়’ হামলা, আহত ৫ বিদেশি ছাত্র
লোকসভা ভোটের দিন-তারিখ ঘোষণা
নাগরিকত্ব আইন ভারতের অভ্যন্তরীণ ব্যাপার: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
The US is imposing sanctions on Israeli army battalions

ইসরায়েলি বাহিনীর ব্যাটালিয়নের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

ইসরায়েলি বাহিনীর ব্যাটালিয়নের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেন, নিষেধাজ্ঞাার কোনো কথা উঠলে আমি আমার শক্তি দিয়েই লড়ব।

ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) একটি ব্যাটালিয়নের ওপর নিষেধাজ্ঞার পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র।

ফিলিস্তিনের অধিকৃত পশ্চিম তীরে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে দেশটি এ সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে বলে রোববার ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমের বরাতে জানিয়েছে রয়টার্স।

সংবাদমাধ্যমে এমন খবর দেখে এক বিবৃতিতে বিষয়টি নিয়ে কথা বলেছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। তিনি বলেন, নিষেধাজ্ঞাার কোনো কথা উঠলে আমি আমার শক্তি দিয়েই লড়ব।

ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম হারেৎজ জানিয়েছে, আইডিএফের নেতজাহ ইয়েহুদা ব্যাটালিয়নের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয়ার প্রস্তুতির নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। এতে প্রথমবারের মতো যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর কোনো ইউনিটের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিতে যাচ্ছে।

অবশ্য ইসরায়েলি সেনাবাহিনী বলছে, এমন কোনো তথ্য তাদের কাছে নেই।

বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, ‘যদি কেউ মনে করে যে তারা ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর একটি ইউনিটের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে পারে, আমি আমার সমস্ত শক্তি দিয়ে এর বিরুদ্ধে লড়াই করব।’

এক্সে (সাবেক টুইটার) পোস্টে তিনি আরও বলেন, ‘আইডিএফের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয়া অবশ্যই উচিত হবে না। এ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রশাসনের সঙ্গেও আমার কথা হয়েছে।’

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকার শাসক দল হামাস গত বছরের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে আকস্মিক বড় ধরনের হামলা চালায়। এ সময় তারা প্রায় এক হাজার ১৭০ ইসরায়েলিকে হত্যা এবং ২৫০ জনকে জিম্মি করে। এখনও তাদের হাতে ১৫০ জিম্মি রয়েছে।

ওই হামলার পর ইসরায়েল গাজায় প্রতিশোধমূলক পাল্টা হামলা শুরু করে যা এখনও চলছে। গাজায় ইসরায়েলের অব্যাহত হামলায় ৩৩ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। এদের অধিকাংশ নারী ও শিশু। ইসরায়েল-হামাসের এ হামলা-পাল্টা হামলার ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান ইসরায়েলের পক্ষে।

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
House of Representatives passes and26 billion aid bill for Israel

ইসরায়েলের জন্য ২৬ বিলিয়ন ডলার সহায়তার বিল পাস প্রতিনিধি পরিষদে

ইসরায়েলের জন্য ২৬ বিলিয়ন ডলার সহায়তার বিল পাস প্রতিনিধি পরিষদে তেল আবিবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। ফাইল ছবি
বিলে ইউক্রেনের জন্য ছয় হাজার ৮৪ কোটি ডলার বরাদ্দ রাখা হয়েছে, যার মধ্যে দুই হাজার ৩০০ কোটি ডলার ব্যয় হবে ফুরিয়ে আসা যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র, মজুত ও স্থাপনায় পুনঃঅর্থায়নের জন্য। এতে ইসরায়েলের জন্য বরাদ্দ ধরা হয়েছে ২৬ বিলিয়ন তথা দুই হাজার ৬০০ কোটি ডলার, যার মধ্যে ৯১০ কোটি ডলার দেয়া হয়েছে মানবিক প্রয়োজন মেটাতে।

রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধরত ইউক্রেন ও ফিলিস্তিনের গাজায় যুদ্ধে থাকা ইসরায়েলের জন্য ৯৫ বিলিয়ন (৯ হাজার ৫০০ কোটি) ডলার সহায়তার বিল পাস হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের আইনসভা কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভস তথা প্রতিনিধি পরিষদে।

রিপাবলিকান পার্টির কট্টর অবস্থানে থাকা আইনপ্রণেতাদের বিরোধিতা সত্ত্বেও স্থানীয় সময় শনিবার দুই দলের সমর্থনে পাস হয় ইউক্রেন, ইসরায়েল ও তাইওয়ানকে নিরাপত্তা সহায়তার প্রস্তাবিত আইনটি।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে জানানো হয়, বিলটিকে পাঠানো হয়েছে ডেমোক্রেটিক পার্টি সংখ্যাগরিষ্ঠ কংগ্রেসের উচ্চকক্ষ সিনেটে। দুই মাসের বেশি সময় আগে একই ধরনের একটি বিল পাস হয়েছিল উচ্চকক্ষে।

বিলটি নিয়ে ভোটাভুটির জন্য প্রতিনিধি পরিষদের রিপাবলিকান পার্টির স্পিকার মাইক জনসনকে তাগিদ দিয়ে আসছিলেন ডেমোক্রেটিক পার্টি থেকে নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন থেকে শুরু করে সিনেটে রিপাবলিকান পার্টির শীর্ষ নেতা মিচ ম্যাককনেল।

প্রতিনিধি পরিষদে পাস হওয়া বিলটি মঙ্গলবার বিবেচনায় নেয়ার কথা রয়েছে সিনেটের। ওই দিন বিকেলে এ নিয়ে প্রাথমিক ভোট হওয়ার কথা আছে।

আগামী সপ্তাহে বাইডেনের স্বাক্ষরের মধ্য দিয়ে বিলটি আইনে রূপ নেবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বিলে ইউক্রেনের জন্য ছয় হাজার ৮৪ কোটি ডলার বরাদ্দ রাখা হয়েছে, যার মধ্যে দুই হাজার ৩০০ কোটি ডলার ব্যয় হবে ফুরিয়ে আসা যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র, মজুত ও স্থাপনায় পুনঃঅর্থায়নের জন্য।

এতে ইসরায়েলের জন্য বরাদ্দ ধরা হয়েছে ২৬ বিলিয়ন তথা দুই হাজার ৬০০ কোটি ডলার, যার মধ্যে ৯১০ কোটি ডলার দেয়া হয়েছে মানবিক প্রয়োজন মেটাতে।

বিলটিতে ৮১২ কোটি ডলার বরাদ্দ রাখা হয়েছে তাইওয়ানসহ ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের জন্য।

আরও পড়ুন:
ইরানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ইসরায়েলের
ইরানের ওপর পশ্চিমাদের নতুন নিষেধাজ্ঞা
হিজবুল্লাহর ক্ষেপণাস্ত্র ড্রোন হামলায় ১৪ ইসরায়েলি সেনা আহত
২৫ হাজার টন বিস্ফোরক ছোড়া হয়েছে গাজায়: জাতিসংঘের দূত
বড় হামলা করলে ইসরাইলের কিছুই অবশিষ্ট থাকত না

মন্তব্য

p
উপরে