× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

আন্তর্জাতিক
The end of the corona epidemic is the natural vaccine Omicron
google_news print-icon

করোনা মহামারির ‘প্রাকৃতিক ভ্যাকসিন’ ওমিক্রন

করোনা-মহামারির-প্রাকৃতিক-ভ্যাকসিন-ওমিক্রন
করোনাভাইরাসের নতুন ধরন ওমিক্রন ব্যাপক হারে ছড়িয়ে পড়ায় নাগরিকদের চলাফেরায় কড়াকড়ি আরোপ করেছে অনেক দেশ। ছবি: সংগৃহীত
বিশেষজ্ঞ বলছেন, ওমিক্রন নামের যে ভ্যারিয়েন্ট নতুন মাথাব্যথার কারণ হয়ে উঠেছে, সেটি মানবস্বাস্থ্যের জন্য শাপেবর হতে পারে। এটি মানবদেহে প্রাকৃতিক ভ্যাকসিনের কাজ করতে পারে।

করোনাভাইরাসের নতুন ধরন ওমিক্রন বিশ্বজুড়ে নতুন আতঙ্ক তৈরি করেছে। দেশে দেশে উচ্চহারে সংক্রমণ ঘটছে ওমিক্রনের। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, করোনার এই ধরনটি সারা বিশ্বের জন্য ‘প্রাকৃতিক ভ্যাকসিন’ হতে পারে। আর এর মাধ্যমেই শেষ হতে পারে করোনা মহামারি।

বিশেষজ্ঞ বলছেন, ওমিক্রন নামের যে ভ্যারিয়েন্ট নতুন মাথাব্যথার কারণ হয়ে উঠেছে, সেটি মানবস্বাস্থ্যের জন্য শাপেবর হতে পারে। এটি মানবদেহে প্রাকৃতিক ভ্যাকসিনের কাজ করতে পারে।

অবশ্য বিশেষজ্ঞদের মধ্যে এর বিরোধী মতও আছে।

রিডিং ইউনিভার্সিটির ভাইরোলজিস্ট বিভাগের অধ্যাপক ইয়ান জোন্স বলেন, ‘ওমিক্রন একটি প্রাকৃতিক ভ্যাকসিন হওয়ার ধারণা সঠিক হিসেবে ধরে নেয়া যায়। এমন ধারণার পেছনের যুক্তি হলো, ওমিক্রন অত্যন্ত দ্রুত সংক্রমণযোগ্য একটি ধরন।’

এই ভাইরাস বিশেষজ্ঞের মতে, করোনার প্রভাব অন্যান্য ধরনের তুলনায় মৃদু। তাই এটি গুরুতর অসুস্থতা সৃষ্টি না করে ব্যাপকভাবে সংক্রমণ ঘটাতে পারে। এতে করে বিপুলসংখ্যক মানুষের দেহে করোনার অ্যান্টিবডি তৈরি হবে।

আফ্রিকা হেলথ রিসার্চ ইনস্টিটিউটের এক নতুন গবেষণায় দেখা গেছে, ওমিক্রন সংক্রমিত রোগীদের থেকে নেয়া রক্ত ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের সংস্পর্শে এলে অ্যান্টিবডি ৪ দশমিক ৪ গুণ বেড়ে যায়।

বিপরীতে অন্যান্য গবেষণায় ক্রস-ভ্যারিয়েন্ট ইমিউনিটির বিষয়ে দেখা গেছে যে, ডেল্টার প্রতিক্রিয়ায় তৈরি অ্যান্টিবডিগুলো ওমিক্রনের প্রতি খারাপ প্রতিক্রিয়া দেখায়।

অধ্যাপক জোন্স দ্য মেইল অনলাইনকে বলেন, ‘ভবিষ্যতে করোনার আরও যেসব ধরন আসবে, সেগুলো আরও বেশি হালকা হতে পারে। আর সুস্বাস্থ্যের অধিকারী প্রাপ্তবয়স্কদের বুস্টার ডোজ নেয়ার প্রয়োজনীয়তা শিগগিরই কমে আসতে পারে।

‘ওমিক্রন যদি একটি ক্ষয়প্রাপ্ত স্ট্রেইন হয়ে থাকে, তবে পরবর্তী সংস্করণগুলো আরও হালকা হতে পারে। অন্যথায় উপযুক্ত প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য টিকা দেয়ার প্রয়োজনীয়তা কমে আসতে পারে।’

ভাইরাসের বিবর্তন একটি কম গুরুতর স্ট্রেনের দিকে ঝুঁকবে, যা আপনি ওই ভাইরাসের সঙ্গে লড়াই করতে করতেই জয়ী হবেন। যেসব আমরা সাধারণ সর্দি-কাশির জন্য করি।’

অধ্যাপক জোনস বলেন, ‘ওমিক্রনকে অতি সংক্রমণের একটি প্রাকৃতিক ভ্যাকসিন হিসেবে বর্ণনা করাটা সঠিক। ওমিক্রন অত্যন্ত সংক্রমণযোগ্য হলেও মানুষকে ব্যাপকভাবে অসুস্থ করে তোলার মাপকাঠিতে এর প্রভাব মৃদু।

‘আপনি করোনার যে ধরনেই সংক্রমিত হোন না কেন তাতে আপনার দেহে রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়বে। সে ক্ষেত্রে ওমিক্রনকে আমরা ইতিবাচক হিসেবে দেখতে পারি। কারণ এর মাধ্যমে আমরা ঝুঁকি ছাড়াই বা অনেক কম ঝুঁকি নিয়েও রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা পেতে পারি।’

কোভিডের মহামারি পর্যায়ে আফ্রিকায় ওমিক্রন শনাক্ত হওয়ার পর সাউথ আফ্রিকায় একটি গবেষণা তথ্য ছড়িয়ে পড়ে। সাউথ আফ্রিকার ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ কমিউনিকেবল ডিজিজেস (এনআইসিডি) এবং প্রিটোরিয়া ইউনিভার্সিটির বিজ্ঞানীরা গবেষণাটি চালান। তাতে বলা হয়, ওমিক্রনে প্রাণহানি অন্যান্য ভ্যারিয়েন্ট বৃদ্ধির সময় দেখা মাত্রার মাত্র এক-চতুর্থাংশ।

গবেষকরা ৪৫০ জন রোগীর রেকর্ড পরীক্ষা করে জানান, গত মাসে কোভিড নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগীদের মাত্র ৪.৫ শতাংশ মারা গেছে। অথচ অন্যান্য ভ্যারিয়েন্টের সময়ে মৃত্যুর হার ছিল ২১ দশমিক ৩ শতাংশ।

গবেষক দলটির এই প্রতিবেদন একটি আন্তর্জাতিক জার্নালে প্রকাশ করা হয়। তাতে বলা হয়, করোনা মহামারির অন্ধকারতম দিনগুলোর ‘শেষের আশ্রয়দাতা’ হতে পারে এই ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট।

এই গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ হওয়ার পর বিশ্বজুড়ে বিশেষজ্ঞ বিজ্ঞানীরা বিষয়টিতে ব্যাপক গুরুত্বারোপ করেন। তাদের দাবি, ওমিক্রন প্রাকৃতিক ভ্যাকসিন হিসেবে কাজ করতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের একজন ভারতের মহারাষ্ট্র রাজ্যের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা প্রদীপ আওয়াতে। প্রেস ট্রাস্ট অফ ইন্ডিয়াকে তিনি বলেন, ‘ওমিক্রন যদিও ডেল্টার চেয়ে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে, তবে খুব কমসংখ্যক রোগীকেই হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়েছে। যদি এটি-ই ঘটে, তাহলে ওমিক্রন একটি প্রাকৃতিক টিকা হিসেবে কাজ করবে।’

রিডিং বিশ্ববিদ্যালয়ের মাইক্রোবায়োলজিস্ট সাইমন ক্লার্ক ওমিক্রনকে ‘প্রাকৃতিক ভ্যাকসিন’ লেবেল দেয়ার ব্যাপারে সতর্ক করে দিয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘অন্যান্য ভ্যারিয়েন্টের ক্ষেত্রে আমাদের যে প্রতিরোধ ব্যবস্থা রয়েছে তা ওমিক্রনের বিরুদ্ধে ততটা ভালোভাবে কাজ করে না। তাই এটি অন্যদিকে কাজ করে বলে মনে করার কোনো কারণ নেই। ভাইরাল বিবর্তন সাধারণ সর্দি-কাশির একমুখী রাস্তা- এমন ধারণা হবে চরম গোঁয়ারতুর্মি।’

বুস্টার ডোজ নিয়ে বিতর্ক

ইউরোপ-আমেরিকাসহ দেশে দেশে বুস্টার ডোজ দেয়ার তোড়জোড় চলছে। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নতুন বুস্টার দেয়া বন্ধ রাখা উচিত এবং যেসব টিকা দেয়া হয়েছে সেগুলোর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাবে ডেটার জন্য অপেক্ষা করা উচিত।

বিজ্ঞানীরা বলছেন, ব্রিটেন, যুক্তরাষ্ট্রসহ প্রধান অর্থনীতির দেশগুলো কোভিডের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে অতিরিক্ত টিকা দেয়ার দিকে এগোচ্ছে। তবে প্রতি তিন মাস অন্তর একটি বুস্টার দেয়া সম্ভব নয়। ফল উল্লেখযোগ্য নাও হতে পারে।

ইসরায়েল ইতিমধ্যে তাদের করোনা ভ্যাকসিনের চতুর্থ ডোজ দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে। এতে করে যুক্তরাজ্য এবং যুক্তরাষ্ট্র সরকার নিজ দেশে চতুর্থ ডোজ শুরু করা নিয়ে এক ধরনের চাপের মুখে পড়বে। যদিও এ দুটি দেশই জোর দিয়ে বলেছে, এখনও চতুর্থ ডোজ পরিচালনার কোনো পরিকল্পনা তাদের নেই।

বিজ্ঞানীরা যুক্তি দেন যে, প্রতি তিন থেকে চার মাস অন্তর ভ্যাকসিন দেয়া সম্ভব নয়। আর দ্রুত সংক্রমনশীল ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টের কারণে এটির প্রয়োজন নাও হতে পারে।

বিশেষজ্ঞ বিজ্ঞানীরা চতুর্থ ডোজ শুরুর আগে দুটি ডোজের মাঝের সময়ের ব্যবধান এবং টিকার কার্যকারিতার আরও ডেটা সংগ্রহের আহ্বান জানিয়েছেন।

কিছু বিশেষজ্ঞ দাবি করেছেন, করোনা আক্রান্ত রোগীদের মৃত্যু ও হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার সংখ্যা কমিয়ে আনাকে টিকার বুস্টার ডোজ দেয়ার উদ্দেশ্য হিসেবে দেখা হচ্ছে।

প্রফেসর জোন্স বলেন, ডিসেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত শীতকালীন অসুস্থতা মৌসুমের আগে দুর্বলদের জন্য বার্ষিক বুস্টার ডোজ আরও অর্থবহ হবে।

ওয়ারউইক বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইরোলজিস্ট অধ্যাপক লরেন্স ইয়ং বলেন, ভ্যাকসিনগুলোর বুস্টার ডোজ সংক্রমিত বা অসুস্থ হওয়ার থেকে অনেক বেশি সময় ধরে গুরুতর অসুস্থতা থেকে রক্ষায় ব্যবহার করা উচিত।

সাইমন ক্লার্ক বলেন, ‘দীর্ঘ সময় ধরে প্রতি তিন মাস অন্তর বুস্টার ডোজ গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। টিকা গ্রহণের আড়াই মাস পর থেকে রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা কমতে শুরু করে। তার মানে এই নয় যে, এটি অত্যন্ত কার্যকর হওয়ার নিচে নেমে গেছে। বুস্টারগুলোর দীর্ঘমেয়াদি কার্যকারিতা পরিমাপ করার একমাত্র উপায় ছিল অপেক্ষা করা এবং আমরা কেবল দীর্ঘমেয়াদি পর্যালোচনায় ডেটা পেতে পারি।’

আরও পড়ুন:
৩ কোটি ৩২ লাখ মানুষকে টিকাদানে ক্যাম্পেইন শুরু
উৎসবের ভিড়ে মাস্ক পরতে ‘ধমক’ দিচ্ছে পুলিশ
দেশে আরও ৩ জনের দেহে ওমিক্রন
পশ্চিমবঙ্গে এখনই লকডাউন নয়: মমতা
করোনার তৃতীয় ঢেউয়ের শঙ্কায় ভারত

মন্তব্য

আরও পড়ুন

আন্তর্জাতিক
Internet will lose speed on Saturday
সাবমেরিন কেবল রক্ষণাবেক্ষণ কাজ

ইন্টারনেট গতি হারাবে শনিবার

ইন্টারনেট গতি হারাবে শনিবার
কক্সবাজারে স্থাপিত সাবমেরিন ক্যাবল সিস্টেমের সিঙ্গাপুর প্রান্তে রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য শনিবার সকাল ৭টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত ১২ ঘণ্টা এই ক্যাবলের মাধ্যমে সংযুক্ত সার্কিটগুলো আংশিক বা পুরোপুরি বন্ধ থাকবে।

সাবমেরিন ক্যাবল রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য শনিবার (২ মার্চ) ইন্টারনেট সেবা বিঘ্নিত হতে পারে। এদিন ইন্টারনেটের গতি কম পাওয়াসহ থেকে থেকে সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার মতো ঘটনার সম্মুখীন হতে পারেন ব্যবহারকারীরা।

বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবলস কোম্পানি লিমিটেড (বিএসসিসিএল) বুধবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কক্সবাজারে স্থাপিত দেশের প্রথম সাবমেরিন ক্যাবল (সি-এমই-ডব্লিউই-৪) সিস্টেমের সিঙ্গাপুর প্রান্তে রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য ২ মার্চ বাংলাদেশের বিভিন্ন এলাকায় ইন্টারনেট সেবা সাময়িক ব্যাহত হবে। এদিন সকাল ৭টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত ১২ ঘণ্টা এই ক্যাবলের মাধ্যমে সংযুক্ত সার্কিটগুলো আংশিক বা পুরোপুরি বন্ধ থাকবে।

তবে কুয়াকাটায় স্থাপিত দেশের দ্বিতীয় সাবমেরিন (সি-এমই-ডব্লিউই-৫) ক্যাবলের মাধ্যমে সংযুক্ত সার্কিটগুলো যথারীতি চালু থাকবে।

আরও পড়ুন:
মোবাইল ইন্টারনেটের গতিতে বাংলাদেশ ১১৯তম
নিজের ইন্টারনেট প্ল্যান নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন গ্রামীণফোন গ্রাহকরা
দেশে ইন্টারনেট গ্রাহক সাড়ে ১২ কোটি, সিম ১৮ কোটি
উপকূলে মোবাইল ফোন-ইন্টারনেট সেবা ফিরবে ধীরে ধীরে
ইন্টারনেট ব্যবসার দখল নিতে হাঙ্গামা

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Infinixs gaming smartphone Hot 40 Pro has hit the market

বাজারে এলো ইনফিনিক্সের গেমিং স্মার্টফোন হট ৪০ প্রো

বাজারে এলো ইনফিনিক্সের গেমিং স্মার্টফোন হট ৪০ প্রো ডিভাইসটির সামনে থাকা ৩২ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা দিয়ে সুন্দর সেলফি তুলতে পারবেন তরুণরা। ছবি: ইনফিনিক্স
ফটোগ্রাফির জন্য ডিভাইসটিতে আছে ১০৮ মেগাপিক্সেলের প্রধান ক্যামেরা। এ হাই-রেজ্যুলুশন লেন্সের সঙ্গে আছে দুই মেগাপিক্সেলের ম্যাক্রো লেন্স। পাশাপাশি এতে আছে একটি এইচএমএস সেন্সর, যা সুন্দর ও স্পষ্ট ছবি তুলতে ব্যবহারকারীদের সাহায্য করবে।

স্মার্টফোন গেমারদের জন্য বাংলাদেশের বাজারে নতুন গেমিং ফোন ‘হট ৪০ প্রো’ নিয়ে এলো তরুণদের জনপ্রিয় ব্র্যান্ড ইনফিনিক্স।

তরুণ গেমারদের সেরা গেমিং অভিজ্ঞতা দিতে শক্তিশালী ও উন্নত ফিচারে আনা হয়েছে ফোনটি। ডিভাইসটিতে উন্নত পারফরম্যান্স নিশ্চিত করতে জোর দেয়া হয়েছে খুঁটিনাটি প্রতিটি বিষয়ের ওপর।

হট ৪০ প্রো ফোনটিতে ব্যবহার করা হয়েছে ৬ ন্যানোমিটারের মিডিয়াটেক হেলিও জি৯৯ আল্ট্রা-স্পিড প্রসেসের। ফলে কম শক্তি খরচেই পাওয়া যাবে কার্যকর পারফরম্যান্স। এ প্রসেসরকে আরও শক্তিশালী করেছে ইনফিনিক্সের তৈরি এক্স-বুস্ট গেমিং ইঞ্জিন। এ সমন্বয়টি তরুণদের গেমিং চাহিদা পূরণের পাশাপাশি নিশ্চিত করবে স্বাচ্ছন্দ্যময় অভিজ্ঞতা।

দিনব্যাপী নিরবচ্ছিন্ন পারফরম্যান্স নিশ্চিত করতে সাশ্রয়ী মূল্যের গেমিং ফোনটিতে আছে ৫০০০ এমএএইচের ব্যাটারি এবং ৩৩ ওয়াটের ফাস্ট চার্জার। এ চার্জার দিয়ে ৩৫ মিনিটেই ফোনটির চার্জের পরিমাণ ২০ শতাংশ থেকে ৭৫ শতাংশ করা যায়। এ ছাড়া চার্জিংয়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ফোনটিতে আছে রিয়েল-টাইম টেম্পারেচার মনিটরিং ফিচার।

উন্নত গেমিং পারফরম্যান্সের জন্য হট ৪০ প্রো ফোনটিতে আছে ৮ জিবি র‍্যাম, যা ১৬ জিবি পর্যন্ত বাড়ানো যায়। ১২৮ জিবি ধারণক্ষমতার স্মার্টফোনটি অ্যান্ড্রয়েড ১৩ ভিত্তিক এক্সওএস ১৩.৫ অপারেটিং সিস্টেমে চলে। ফোনটির সাইড-মাউন্টেড ফিঙ্গার প্রিন্ট সেন্সর ব্যবহারকারীদের তথ্যের নিরাপত্তা আরও বাড়াবে।

গেমারদের ভিজ্যুয়াল অভিজ্ঞতা উন্নত করতে ডিভাইসটিতে আছে ম্যাজিক রিং ফিচারসহ ৬.৭৮ ইঞ্চির ফুল এইচডি+ আইপিএস ডিসপ্লে। জুতসই টাচ ও স্ক্রলিংয়ের জন্য ১২০ হার্জ রিফ্রেশ রেট দেয়া হয়েছে ডিভাইসটিতে।

গেমিংয়ের সময় সর্বোত্তম স্বচ্ছতা ও দেখার স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করতে ৯০.৭ শতাংশ স্ক্রিন-টু-বডি রেশিও এবং ৫০০ নিটস ব্রাইটনেস থাকছে এতে। এর মাল্টিফাংশনাল এনএফসির মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা ডেটা শেয়ার অথবা ক্রেডিট কার্ড দিয়ে পেমেন্ট করতে পারবেন সহজেই।

হট ৪০ প্রোতে নতুন মেটাম্যাটেরিয়াল অ্যান্টেনা নিয়ে এসেছে ইনফিনিক্স। অ্যান্টেনাটি চলে মেটাম্যাটেরিয়াল গেমিং নেটওয়ার্ক প্রযুক্তির মাধ্যমে। এ প্রযুক্তি তিন গুণ বেশি অ্যান্টেনা এরিয়া কাভার করতে পারে। ফলে গেমিংয়ের সময় নেটওয়ার্ক সিগন্যাল নিয়ে বাড়তি দুঃশ্চিন্তা করতে হয় না।

ফটোগ্রাফির জন্য ডিভাইসটিতে আছে ১০৮ মেগাপিক্সেলের প্রধান ক্যামেরা। এ হাই-রেজ্যুলুশন লেন্সের সঙ্গে আছে দুই মেগাপিক্সেলের ম্যাক্রো লেন্স। পাশাপাশি এতে আছে একটি এইচএমএস সেন্সর, যা সুন্দর ও স্পষ্ট ছবি তুলতে ব্যবহারকারীদের সাহায্য করবে।

ডিভাইসটির সামনে থাকা ৩২ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা দিয়ে সুন্দর সেলফি তুলতে পারবেন তরুণরা।

উদ্ভাবনী ফিচারযুক্ত ইনফিনিক্স হট ৪০ প্রো পাওয়া যাচ্ছে চমৎকার এমএলবিবি-কাস্টমাইজড বক্সে। পাম ব্লু, হরাইজন গোল্ড ও স্টারলিট ব্ল্যাক—এ তিনটি রঙে বাজারে এসেছে ফোনটি।

১৯ হাজার ৯৯৯ টাকা মূল্যের ফোনটি পাওয়া যাচ্ছে ইনফিনিক্সের অনুমোদিত শপ ও দেশের বৃহত্তম অনলাইন শপিংপ্লেস দারাজে।

আরও পড়ুন:
ফ্ল্যাশ লাইট বনাম রিং লাইট: কোনটি বেশি উপযোগী
দেশের বাজারে ইনফিনিক্সের ইনবুক সিরিজের দুই ল্যাপটপ
সিইএস ২০২৪: স্মার্ট ডিভাইস চার্জ হবে ৮ ইঞ্চি দূর থেকেই
নতুন গেমিং ফোন নিয়ে এলো ইনফিনিক্স
বাংলাদেশের বাজারে ল্যাপটপ আনল ইনফিনিক্স

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Flash Light vs Ring Light Which is More Useful?

ফ্ল্যাশ লাইট বনাম রিং লাইট: কোনটি বেশি উপযোগী

ফ্ল্যাশ লাইট বনাম রিং লাইট: কোনটি বেশি উপযোগী রিং লাইট চমৎকারভাবে ছবির বিষয়বস্তুগুলোকে ফুটিয়ে তুলতে সক্ষম। ছবি: সংগৃহীত
স্মার্টফোনের রিং লাইটের বৃত্তাকার ডিজাইনের মধ্যে থাকে ছোট ছোট এলইডি বাল্ব। এসব বাল্ব ও এদের সাজানোর ধরন ছবিতে ছায়া কমাতে সাহায্য করে। এর ফলে চেহারার সূক্ষ্ম বিষয়গুলোও অত্যন্ত স্বচ্ছতার সঙ্গে ফুটে ওঠে।

স্মার্টফোন ফটোগ্রাফিতে রিং লাইট ও সিঙ্গেল পয়েন্ট ফ্ল্যাশ লাইটের ব্যবহার নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা চলছে বেশ কিছুদিন ধরে। কার্যকারিতার দিক থেকে এ দুই ধরনের আলোক উৎসই ছবিকে প্রাণবন্ত করতে সহায়তা করে। পাশাপাশি এরা ছবির বিষয়বস্তুকেও আলোকিত করে।

যে উৎসটি বেছে নেয়া হবে, তার প্রভাব থাকবে ছবির মানের ওপর।

সম্প্রতি বাজারে আসা ইনফিনিক্সের স্মার্ট ও হট সিরিজের স্মার্টফোনগুলো রিং লাইট সম্পর্কিত আলোচনা আবারও সামনে নিয়ে এসেছে। ১৫ হাজার টাকা বাজেটের মধ্যে থাকা এই স্মার্টফোনগুলোতে আছে প্রয়োজনীয় ফিচার। পাঞ্চহোল ডিসপ্লে, ৯০ হার্টজ রিফ্রেশ রেট ও ৫ হাজার মিলিঅ্যাম্পিয়ার ব্যাটারির সঙ্গে ফোনগুলো দেবে ছবি তোলার সুন্দর অভিজ্ঞতা।

এখন কথা হলো ফ্ল্যাশ লাইট থেকে রিং লাইট কীভাবে আলাদা?

স্মার্টফোনের রিং লাইটের বৃত্তাকার ডিজাইনের মধ্যে থাকে ছোট ছোট এলইডি বাল্ব। এসব বাল্ব ও এদের সাজানোর ধরন ছবিতে ছায়া কমাতে সাহায্য করে। এর ফলে চেহারার সূক্ষ্ম বিষয়গুলোও অত্যন্ত স্বচ্ছতার সঙ্গে ফুটে ওঠে।

রিং লাইট চমৎকারভাবে ছবির বিষয়বস্তুগুলোকে ফুটিয়ে তুলতে সক্ষম। তাই যারা স্মার্টফোনেই ভালো মানের ছবি তুলতে চান, তাদের জন্য রিং লাইট খুবই কাজের হতে পারে।

প্রচলিত ফ্ল্যাশলাইটগুলো ছবিতে যে ছায়া ফেলে, তা স্পষ্ট ও প্রকট। ফলে এটি চেহারার সূক্ষ্ম বিষয়গুলোকে ঠিকভাবে ফুটিয়ে তুলতে পারে না। অন্যদিকে রিং লাইট আলোকে আরও বেশি বিচ্ছুরিত করে, যা ছবির সামগ্রিক নান্দনিকতাকে বাড়িয়ে তোলে।

রিং লাইট ফটোগ্রাফির অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো স্পষ্ট ও নিখুঁত পোর্ট্রেট। এর মাধ্যমে ম্যাক্রো শটগুলোতেও সূক্ষ্ম বিষয়গুলো তুলে ধরা যায়। এ ছাড়াও ল্যান্ডস্কেপ শটে রিং লাইট যোগ করে একটি নরম আভা। এর ফলে স্মার্টফোন ফটোগ্রাফাররা বাড়তি ঝামেলা ও ভারী সরঞ্জাম ছাড়াই তাদের সৃজনশীলতা প্রকাশ করতে পারবেন৷

সব মিলিয়ে বলা যায়, রিং ফ্ল্যাশ লাইট এখন সিঙ্গেল পয়েন্ট ফ্ল্যাশ লাইটের চেয়ে বেশি জনপ্রিয় হচ্ছে। কারণ রিং লাইট বিচ্ছুরিত ও নরম আলো দিয়ে ছবিকে আরও উন্নত করে তোলে এবং ফটোগ্রাফিতে যোগ করে নতুন মাত্রা। এতে ছবি হয় সুন্দর ও আলোকিত। ফলে ব্যবহারকারীদের কাছে রিং লাইট আরও ফটোগ্রাফি সহায়ক হচ্ছে।

আরও পড়ুন:
দেশের বাজারে ইনফিনিক্সের ইনবুক সিরিজের দুই ল্যাপটপ
সিইএস ২০২৪: স্মার্ট ডিভাইস চার্জ হবে ৮ ইঞ্চি দূর থেকেই
ঘন কুয়াশায় ঢাকাগামী দুটি ফ্লাইট কলকাতায় অবতরণ
নতুন গেমিং ফোন নিয়ে এলো ইনফিনিক্স
বাংলাদেশের বাজারে ল্যাপটপ আনল ইনফিনিক্স

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Waltons new NexG N25 series smartphone in the market

ওয়ালটনের নতুন ‘নেক্সজি এন২৫’ সিরিজের স্মার্টফোন বাজারে

ওয়ালটনের নতুন ‘নেক্সজি এন২৫’ সিরিজের স্মার্টফোন বাজারে
প্যাসিফিক সিলভার, রেডিয়েন্ট পার্পেল এবং স্যান্ড ব্ল্যাক- এই তিনটি আকর্ষণীয় রঙে ফোনটি বাজারে এসেছে। ভ্যাট ছাড়া এই ফোনটির দাম পড়বে ১৩ হাজার ৯৯৯ টাকা।

আগামী প্রজন্মের জন্য ‘নেক্সজি’ সিরিজের নতুন মডেলের স্মার্টফোন বাজারে ছেড়েছে দেশের শীর্ষ প্রযুক্তিপণ্যের ব্র্যান্ড ওয়ালটন ডিজি-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের মোবাইল বিভাগ।

সাশ্রয়ী মূল্যের ফোনটির মডেল ‘নেক্সজি এন২৫’। দৃষ্টিনন্দন ডিজাইনের ৫০ মেগাপিক্সেলের ট্রিপল এআই রিয়ার ক্যামেরার ফোনটিতে রয়েছে ৮ জিবি র‌্যাপিড মেমোরি, এফএইচডি প্লাস রেজ্যুলেশনের বিশাল ডিসপ্লে, পর্যাপ্ত স্টোরেজ ও শক্তিশালী ব্যাটারিসহ অসংখ্য অত্যাধুনিক ফিচার।

ওয়ালটনের নতুন এই ফোনে রয়েছে আইপি ৫২ রেটিং যা ডাস্ট ও ওয়াটার রেজিস্ট্যান্ট হিসেবে দারুণ কার্যকর। এই বিশেষ ফিচার ডিভাইসটিকে পানি ও ধুলো-ময়লা থেকে রক্ষা করে।

ওয়ালটন মোবাইলের ক্রিয়েটিভ অ্যান্ড কমিউনিকেশন বিভাগের ইনচার্জ হাবিবুর রহমান তুহিন জানান, প্যাসিফিক সিলভার, রেডিয়েন্ট পার্পেল এবং স্যান্ড ব্ল্যাক- এই তিনটি আকর্ষণীয় রঙে ফোনটি বাজারে এসেছে। ভ্যাট ছাড়া এই ফোনটির দাম পড়বে ১৩ হাজার ৯৯৯ টাকা।

দেশের সব ওয়ালটন প্লাজা, মোবাইলের ব্র্যান্ড ও রিটেইল আউটলেটের পাশাপাশি ঘরে বসেই ই-কমার্স ওয়েবসাইট ওয়ালটন ই-প্লাজা (https://waltonplaza.com.bd/) এবং ওয়ালটন ডিজি-টেক (https://waltondigitech.com) থেকে ফোনটি কেনা যাচ্ছে।

ওয়ালটন মোবাইল ব্র্যান্ডিং বিভাগের ইনচার্জ মাহবুব-উল হাসান মিলটন জানান, অ্যান্ড্রয়েড ১৩ ডিডো অপারেটিং সিস্টেমে পরিচালিত এই ফোনে র‌্যাপিড মেমোরি টেকনোলজি ব্যবহৃত হয়েছে। ফলে ব্যবহারকারী এতে ১২৮ জিবি পর্যন্ত স্টোরেজ ব্যবহারের সুযোগ পাবেন। গ্রাফিক্স হিসেবে আছে মালি-জি৫৭ এমপি১, যার ফলে এই ফোনের কার্যক্ষমতা ও গতি হবে অনেক বেশি। বিভিন্ন অ্যাপ ব্যবহার, ইন্টারনেট ব্রাউজিং, থ্রিডি গেমিং, দ্রুত ভিডিও লোড ও ল্যাগ-ফ্রি ভিডিও স্ট্রিমিং সুবিধা মিলবে।

ফোনটিতে ২.০ গিগাহার্জের অক্টাকোর প্রসেসর ব্যবহৃত হয়েছে। এই ফোনটিতে আরও দেয়া হয়েছে থ্রি-ইন-ওয়ান সিম কার্ড স্লট। মাইক্রো এসডি কার্ডের মাধ্যমে ২৫৬ জিবি পর্যন্ত স্টোরেজ পাওয়া যাবে।

ব্যাটারিসহ ফোনটির ওজন মাত্র ১৯৬ গ্রাম হওয়ায় ফোনটি বহন করা যাবে স্বাচ্ছন্দে।

নতুন এই স্মার্টফোনে দেয়া হয়েছে ৬.৬ ইঞ্চির এফএইচডি প্লাস পাঞ্চ-হোল ডিসপ্লে। ফলে বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার এবং ভিডিও দেখা, গেম খেলা, বই পড়া বা ইন্টারনেট ব্রাাউজিংয়ে মোবাইল স্পর্শে অনন্য অভিজ্ঞতা পাবেন গ্রাহক।

ফোনটির পেছনে রয়েছে এলইডি ফ্ল্যাশ, অটোফোকাস এবং পিডিএএফসহ এআই ট্রিপল ক্যামেরা, যার প্রধান সেন্সরটি ৫০ মেগাপিক্সেলের। এর পাশাপাশি আকর্ষণীয় সেলফির জন্য সামনে রয়েছে ৮ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা। দুর্দান্ত পাওয়ার ব্যাকআপের জন্য ডিভাইসটিতে রয়েছে ৫০০০ এমএএইচ হাই-ক্যাপাসিটি ব্যাটারি।

এছাড়াও নতুন এই ফোনে রয়েছে ব্রিদিং লাইটের মতো অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ফিচার। ব্রিদিং লাইট এক ধরনের নোটিফিকেশন অ্যালার্ট সিস্টেম, যা চার্জে থাকা অবস্থায় ফোনে আসা সব ধরনের ইনকামিং কল ও বিভিন্ন ধরনের মেসেজের নোটিফিকেশন দেখাবে। মেসেজ বা কল রিসিভ করার আগ পর্যন্ত এসব নোটিফিকেশন বিশেষ লাইটিং সিস্টেমে আনরিড হিসেবে দেখাবে।

ফোনটির অন্যান্য ফিচারের মধ্যে রয়েছে ডায়নামিক ক্যাপসুল, স্মার্ট কন্ট্রোল, স্মার্ট মোশন, স্মার্ট লক, ক্লিনিং অ্যাসিস্ট্যান্ট, গেম বুস্টার ও মোবাইল গার্ডিয়ানসহ চ্যাটজিপিটির মতো সুবিধা।

গাজীপুরের চন্দ্রায় ওয়ালটন ডিজি-টেক ইন্ডাস্ট্রিজের নিজস্ব কারখানায় তৈরি এই স্মার্টফোনে ৩০ দিনের বিশেষ রিপ্লেসমেন্ট সুবিধাসহ এক বছরের বিক্রয়োত্তর সেবা পাবেন গ্রাহক।

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
More than 5 billion people use Facebook on social media

সোশ্যাল মিডিয়ায় ৫০০ কোটি মানুষ, বেশি ব্যবহার ফেসবুকের

সোশ্যাল মিডিয়ায় ৫০০ কোটি মানুষ, বেশি ব্যবহার ফেসবুকের
গত বছর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৫.৬ শতাংশ বৃদ্ধি পায় যা বিশ্বের জনসংখ্যার ০.৯ শতাংশ বৃদ্ধিকে ছাড়িয়ে গেছে।

বিশ্বে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম সক্রিয়ভাবে ব্যবহারকারীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়ে ৫০০ কোটি ছাড়িয়ে গেছে। এ সংখ্যা বিশ্বের মোট জনসংখ্যার প্রায় ৬২.৩ শতাংশ।

বুধবার প্রকাশিত এক জরিপ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। খবর এএফপির।

মিডিয়া পর্যবেক্ষণ সংস্থা মেল্টওয়াটার এবং সোশ্যাল মিডিয়া সংস্থা উই আর সোশ্যালের প্রতিবেদনে বলা হয়, গত বছর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৫.৬ শতাংশ বৃদ্ধি পায় যা বিশ্বের জনসংখ্যার ০.৯ শতাংশ বৃদ্ধিকে ছাড়িয়ে গেছে।

বিশ্বের সবচেয়ে বেশি মানুষকে সামাজিক নেটওয়ার্ক মেটার ফেসবুক ব্যবহার করে। এটি ব্যবহারকারীর সংখ্যা ছিল ২.১৯ বিলিয়ন। মেটার ইনস্টাগ্রাম ব্যবহারকারীর সংখ্যা ছিল ১.৬৫ বিলিয়ন। ব্যবহারের দিকে এর পরের অবস্থানে থাকা সামাজিক মাধ্যম হচ্ছে টিকটক। বিশ্বের প্রায় ১.৫৬ বিলিয়ন মানুষ এ সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করে।

প্রতিদেনে সতর্ক করে বলা হয়, স্বয়ংক্রিয় অ্যাকাউন্ট বা বিভিন্ন পরিচয় ব্যবহার করার কারণে এসব মিডিয়া ব্যবহার করা সুনির্দিষ্ট লোকের সংখ্যা পাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে।

প্রতিবেদনটি ডিজিটাল কনসালটেন্সি কোম্পানি কেপিওস’র সংকলিত পরিসংখ্যানের উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে। সূত্র: বাসস

আরও পড়ুন:
রেস্তোরাঁয় কিশোর-কিশোরীদের জরিমানার পর ভিডিও ফেসবুকে
অ্যাম্বুলেন্সে গাঁজা বহন, মন্ত্রী-মেয়রের নামে ফেসবুকে ক্ষোভ
ফেসবুকে নির্বাচনকেন্দ্রিক ‘নেতিবাচক’ কনটেন্ট চিহ্নিত করবে ইসি

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
CES 2024 Smart devices will charge from 8 inches away

সিইএস ২০২৪: স্মার্ট ডিভাইস চার্জ হবে ৮ ইঞ্চি দূর থেকেই

সিইএস ২০২৪: স্মার্ট ডিভাইস চার্জ হবে ৮ ইঞ্চি দূর থেকেই ‘এয়ারচার্জ’ একটি তারবিহীন চার্জিং প্রযুক্তি, তবে এতে চার্জ করার জন্য ডিভাইসকে চার্জিং প্যাড স্পর্শ করার প্রয়োজন হয় না। ছবি: ইনফিনিক্স
নিজস্ব মাল্টি-কয়েল ম্যাগনেটিক রেজোন্যান্স প্রযুক্তি এবং অ্যাডাপটিভ অ্যালগরিদমের মাধ্যমে এ প্রযুক্তি উদ্ভাবন করে ইনফিনিক্স। চার্জিং পডের ট্রান্সমিটিং কয়েল ও ডিভাইসের রিসিভিং কয়েল সর্বোচ্চ ৬০ ডিগ্রি পর্যন্ত কৌণিক অবস্থানেও চার্জ সরবরাহ করতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রের লাস ভেগাসে অনুষ্ঠিত কনজিউমার ইলেকট্রনিক্স শো (সিইএস) ২০২৪-এ দুটি নতুন চার্জিং প্রযুক্তি প্রদর্শন করেছে প্রযুক্তি ব্র্যান্ড ইনফিনিক্স।

জানুয়ারির দ্বিতীয় সপ্তাহে অনুষ্ঠিত সিইএসের শো-স্টপার্স ইভেন্টে ‘এয়ারচার্জ’ এবং ‘এক্সট্রিম-টেম্প ব্যাটারি’ প্রযুক্তি নিয়ে আসে ব্র্যান্ডটি।

‘এয়ারচার্জ’ একটি তারবিহীন চার্জিং প্রযুক্তি, তবে এতে চার্জ করার জন্য ডিভাইসকে চার্জিং প্যাড স্পর্শ করার প্রয়োজন হয় না।

এ প্রযুক্তির মাধ্যমে চার্জিং প্যাডের প্রায় ৮ ইঞ্চি দূর থেকেও স্মার্ট ডিভাইস চার্জ করা যায়। এটি ৭.৫ ওয়াট পর্যন্ত শক্তি সরবরাহ করতে পারে।

নিজস্ব মাল্টি-কয়েল ম্যাগনেটিক রেজোন্যান্স প্রযুক্তি এবং অ্যাডাপটিভ অ্যালগরিদমের মাধ্যমে এ প্রযুক্তি উদ্ভাবন করে ইনফিনিক্স। চার্জিং পডের ট্রান্সমিটিং কয়েল ও ডিভাইসের রিসিভিং কয়েল সর্বোচ্চ ৬০ ডিগ্রি পর্যন্ত কৌণিক অবস্থানেও চার্জ সরবরাহ করতে পারে।

গেম খেলা বা ভিডিও দেখার সময় যারা ফোন চার্জে রাখতে চান, তাদের জন্য এই প্রযুক্তি খুবই কাজের।

ফোন ও চার্জিং প্যাডের মধ্যে হঠাৎ দূরত্ব বৃদ্ধি বা হ্রাস এই ধরনের চার্জিংয়ের জন্য ভালো নয়। তাই ভোল্টেজ সংক্রান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে উভয় প্রান্তেই ওভার-ভোল্টেজ প্রটেকশন সার্কিট যুক্ত করেছে ইনফিনিক্স। ব্যবহারকারীরা টেবিলের নিচে প্যাডটি স্থাপন করেও চার্জিং অবস্থায় ফোন ব্যবহার করতে পারবেন। এ ছাড়াও অত্যন্ত ঠান্ডা আবহাওয়ায় মোবাইল ফোন চার্জিংয়ের জন্য ‘এক্সট্রিম-টেম্প ব্যাটারি’ প্রযুক্তি উন্মোচন করেছে ইনফিনিক্স।

বাজারে প্রচলিত লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারিগুলো সাধারণত অত্যন্ত কম তাপমাত্রায় হিমায়িত হয়ে যায়, তাদের সক্ষমতা হ্রাস পায় এবং চার্জ নেয় না।

এ সমস্যা সমাধানে, ‘এক্সট্রিম-টেম্প ব্যাটারি’ তৈরি করেছে ইনফিনিক্স। এটি মাইনাস ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রাতেও কার্যকর থাকে ও চার্জ নিতে পারে। ইনফিনিক্সের ফোনে ২০২৫ সালের মাঝামাঝি এ ব্যাটারি প্রযুক্তি পাওয়া যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্রের কনজিউমার টেকনোলজি অ্যাসোসিয়েশন আয়োজিত বার্ষিক বাণিজ্য প্রদর্শনী- কনজিউমার ইলেক্ট্রনিক্স শো বা সিইএস। ১৯৬৭ সাল থেকে প্রতি বছর জানুয়ারিতে এটি অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে।

যুক্তরাষ্ট্রের নেভাডা অঙ্গরাজ্যের উইনচেস্টার শহরের লাস ভেগাস কনভেনশন সেন্টারে এটি আয়োজন করা হয়। এ ইভেন্টে সাধারণত কনজিউমার ইলেকট্রনিক্স শিল্পের নতুন পণ্য ও প্রযুক্তি উপস্থাপন করা হয়। এ বছরের সিইএস অনুষ্ঠিত হয় জানুয়ারির ৯ থেকে ১২ তারিখ পর্যন্ত।

আরও পড়ুন:
বাংলাদেশের বাজারে ইনফিনিক্সের ‘স্মার্ট ৮’
দুর্গাপূজায় লাখ টাকা জেতার সুযোগ দিচ্ছে ইনফিনিক্স
টাইগারদের অনুপ্রাণিত করতে ইনফিনিক্সের ‘চার্জ-আপ বাংলাদেশ’ কনসার্ট
সর্বাধুনিক প্রযুক্তির সঙ্গে ইনফিনিক্স স্মার্টফোন
দেশে ইনফিনিক্সের নতুন স্পিড মাস্টার নোট ১২

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Finding palliative drugs over chemo in cancer treatment

ক্যানসারের চিকিৎসায় ‘কেমোর চেয়ে স্বস্তির’ ওষুধের সন্ধান

ক্যানসারের চিকিৎসায় ‘কেমোর চেয়ে স্বস্তির’ ওষুধের সন্ধান
আর্থারের পরিবার এ চিকিৎসাকে ‘আশার আলো’ আখ্যা দিয়ে দিয়ে বলেছে, এই ওষুধ তাকে বেশি অসুস্থতা বোধ না করিয়েই কাজ করেছে। এ ছাড়া হাসপাতালের পরিবর্তে বাসাতেও এই চিকিৎসা দেয়া যায়। এতে শিশুটি তার পরিবারের সঙ্গে আরও বেশি সময় দিতে পারছে।

ক্যানসারের চিকিৎসায় যুক্তরাজ্যের শিশুরা কেমোথেরাপির চেয়ে স্বস্তি দেয় এমন এক ওষুধ ব্যবহারের সুযোগ পাচ্ছে।

লন্ডনের গ্রেট অরমন্ড স্ট্রিট হসপিটালে ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত ১১ বছর বয়সী শিশু আর্থারকে দিয়ে এই ওষুধ প্রয়োগ শুরু হয় বলে বিবিসির এক প্রতিবেদনে বুধবার জানানো হয়েছে।

আর্থারের পরিবার এ চিকিৎসাকে ‘আশার আলো’ আখ্যা দিয়ে দিয়ে বলেছে, এই ওষুধ তাকে বেশি অসুস্থতা বোধ না করিয়েই কাজ করেছে। এ ছাড়া হাসপাতালের পরিবর্তে বাসাতেও এই চিকিৎসা দেয়া যায়। এতে শিশুটি তার পরিবারের সঙ্গে আরও বেশি সময় দিতে পারছে।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ব্লিনাটুমোমাব বা ব্লিনা নামের এ ওষুধ এখন শিশুদের পাশপাশি ক্যানসারে আক্রান্ত প্রাপ্তবয়স্কদের চিকিৎসারও লাইসেন্স পেয়েছে। শিশুদের ক্ষেত্রে নিরাপদে ব্যবহার করা যাচ্ছে ওষুধটি।

শিশু আর্থারের পরিবার বলছে, তা জন্য ব্লিনাটুমোমাব বা ব্লিনা একমাত্র আসল বিকল্প ছিল। এক পর্যায়ে কেমোথেরাপি যখন ব্যর্থ হয় এবং সে খুব দুর্বল হয়ে পড়ে তখন তার জন্য ওই ওষুধ খুব কার্যকর স্বস্তির কারণ হয়।

যুক্তরাজ্য জুড়ে প্রায় ২০টি কেন্দ্র বি-সেল অ্যাকিউট লিম্ফোব্লাস্টিক লিউকেমিয়া (বি-এএলএল) আক্রান্ত শিশুদের চিকিৎসায় এটি অফ-লেবেল ব্যবহার করছে। ওষুধটি একটি ইমিউনোথেরাপি যা ক্যান্সার কোষ খুঁজে বের করে, যাতে শরীরের নিজস্ব ইমিউন সিস্টেম তাদের চিনতে পারে এবং ধ্বংস করতে পারে।

ব্লিনা একটি পাতলা প্লাস্টিকের টিউবের মাধ্যমে পরিচালিত তরলের একটি ব্যাগে থাকে যার মাধ্যমে রোগীর বাহুতে অনেক মাস ধরে শিরায় প্রবাহিত থাকে। একটি ব্যাটারি চালিত পাম্প নিয়ন্ত্রণ করে দ্রুত ওষুধটি রক্তে প্রবেশ করে, একটি ব্যাগ অনেক দিন স্থায়ী হতে পারে।

বিবিসি বলছে, ব্লিনার কিট একটি ছোট ব্যাকপ্যাকে বহন করা যেতে পারে। কেমোথেরাপির বিপরীতে এখন এই ওষুধ বেশি স্বস্তির কারণ হয়েছে আর্থারের মতো অনেক রোগীর জন্য।

আরও পড়ুন:
ক্যানসারের অন্যতম কারণ খাদ্যে ভেজাল ও বায়ুদূষণ
‘সূর্যের আলো থেকে হতে পারে ত্বকের ক্যানসার’
ড্রাগ ট্রায়ালে ক্যানসার অদৃশ্য

মন্তব্য

p
উপরে